Tag: bangla news

bangla news

  • Khan Sir: আরও ঘনীভূত প্রিন্স যাদবের মৃত্যু রহস্য, পোস্টমর্টেম নিয়েও উঠছে বড় প্রশ্ন

    Khan Sir: আরও ঘনীভূত প্রিন্স যাদবের মৃত্যু রহস্য, পোস্টমর্টেম নিয়েও উঠছে বড় প্রশ্ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জ্ঞানবিন্দু অ্যাকাডেমির পরিচালক রৌশন আনন্দের ভাই প্রিন্স যাদবের রহস্যজনক মৃত্যুকে (Murder Case) ঘিরে ক্রমেই জটিল আকার ধারণ করছে বিতর্ক। রৌশন সরাসরি জনপ্রিয় শিক্ষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার ফৈজল খান ওরফে ‘খান স্যারে’র (Khan Sir) বিরুদ্ধে তাঁর ভাইকে হত্যার অভিযোগ তুলেছেন। প্রিন্সের পোস্টমর্টেম প্রক্রিয়া নিয়েও উঠেছে গুরুতর প্রশ্ন।

    সুপরিকল্পিতভাবে হত্যা! (Khan Sir)

    রৌশনের দাবি, তাঁর ভাইকে সুপরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে, এবং এর পেছনে খান স্যার ও তাঁর সহযোগীদের ভূমিকা রয়েছে। এ বিষয়ে তিনি পাটনার কদমকুয়াঁ থানায় লিখিত অভিযোগও জমা দিয়েছেন। দাবি জানিয়েছেন, খান স্যারের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়েরের। যদিও পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি নেপালে ঘটায় জুরিসডিকশন সংক্রান্ত বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তাই এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে এফআইআর দায়ের করা হয়নি। ২১ জুন রৌশনের সমর্থক এবং তাঁর ছাত্রছাত্রীরা পাটনা কলেজ থেকে কার্গিল চক পর্যন্ত মোমবাতি মিছিল করেন। তাঁদের দাবি, দ্রুত খান স্যারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে নিরপেক্ষ তদন্ত শুরু করতে হবে।

    পুরনো দ্বন্দ্ব

    উল্লেখ্য, রৌশন ও খান স্যার (Khan Sir) দীর্ঘদিন ধরেই প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে পরিচিত। দু’জনেই সরকারি চাকরির পরীক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য কোচিং সেন্টার চালান। রৌশনের অভিযোগ, গত ২ জুন পোস্টার সরানোকে কেন্দ্র করে দুই কোচিং সেন্টারের কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের পর থেকেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। তাঁর দাবি, তাঁকে ফাঁসানোর জন্য একটি গুলিচালনার ঘটনা সাজানো হয়েছিল। সেই মামলায় তাঁকে গ্রেফতারও করা হয়েছিল। রৌশনের আরও অভিযোগ, জেলে থাকার সময় তাঁর বিরুদ্ধে বৃহত্তর ষড়যন্ত্র করা হয়। সেই ষড়যন্ত্রেরই অংশ তাঁর ভাই প্রিন্সের হত্যাকাণ্ড।

    অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ

    গত ১৩ জুন নেপালের বিরাটনগরের একটি হোটেলের ঘর থেকে উদ্ধার হয় প্রিন্সের দেহ। গুলিচালানোর (Murder Case) মামলায় নাম জড়ানোর পর কয়েকজন বন্ধুর সঙ্গে তিনি গিয়ে আত্মগোপন করেছিলেন নেপালে। রৌশন বলেন, “খান স্যারের (Khan Sir) করা মিথ্যা মামলায় আমায় গ্রেফতার করা হয়েছিল। আমি জেলে থাকাকালীন আমার ছোট ভাইকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমি প্রিন্সের জন্য ন্যায়বিচার চাই, এবং দাবি জানাই নিরপেক্ষ তদন্তের।” এদিকে, সমস্ত অভিযোগই অস্বীকার করেছেন খান স্যার। তাঁর দাবি, এই ঘটনার পেছনে তৃতীয় কোনও পক্ষ ষড়যন্ত্র করে থাকতে পারে। খান স্যার বলেন, “রৌশন আনন্দ ও আমার মধ্যে যে বিরোধ চলছে, তার সুযোগ নিয়ে কেউ এই ষড়যন্ত্র করেছে। আমি উচ্চপর্যায়ের তদন্তের দাবি জানাচ্ছি। দোষী যে-ই হোক, তার কঠোর শাস্তি হওয়া উচিত। তদন্তে সবরকমভাবে সহযোগিতা করতে আমি প্রস্তুত।”

    পোস্টমর্টেম নিয়ে সন্দেহ

    প্রিন্সের পোস্টমর্টেম হয়েছিল নেপালের কোসি হাসপাতালে। পুরো প্রক্রিয়া মাত্র ২০ মিনিটেই শেষ হওয়ায় নতুন করে সন্দেহের সৃষ্টি হয়েছে।সচরাচর একটি পূর্ণাঙ্গ পোস্টমর্টেমে হৃদ্‌যন্ত্র, ফুসফুস, কিডনি, লিভার-সহ একাধিক অঙ্গের বিস্তারিত পরীক্ষা করতে ঘণ্টা দুয়েক সময় লাগে। অভিযোগ, প্রিন্সের ক্ষেত্রে সেই প্রক্রিয়া ঠিকঠাক ফলো করা হয়নি। প্রাথমিক রিপোর্টে চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন (Khan Sir), মৃত্যুর সঠিক কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। ভিসেরা পরীক্ষার রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরই জানা যাবে মত্যুর প্রকৃত কারণ। বর্তমানে ভিসেরা নমুনা নেপালের ধরান শহরের একটি পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়েছে।

    প্রশ্ন যেখানে

    স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, কোসি হাসপাতালের এক প্রবীণ চিকিৎসক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, মৃতদেহ প্রথম দেখেই তাঁর কাছে এটি হত্যাকাণ্ড বলে মনে হয়েছিল। তাঁর অভিযোগ, পোস্টমর্টেমের সময় কোনও ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ উপস্থিত ছিলেন না। পুলিশ দ্রুত পোস্টমর্টেম-পর্ব শেষ করার জন্য চাপ সৃষ্টি করেছিল (Khan Sir)। অভিযোগ অনুযায়ী, বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা করা (Murder Case) হয়নি। যেমন— বিষক্রিয়া পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হয়নি, অ্যালকোহল টেস্ট হয়নি, ফুসফুস পরীক্ষা করা হয়নি, পরীক্ষা করা হয়নি জিভ। হৃদ্‌যন্ত্র কাটা হলেও, পুরোপুরি খোলা হয়নি, এবং সর্বোপরি, মাথার সম্ভাব্য আঘাতের বিষয়টিও গুরুত্ব পায়নি এসব অভিযোগের সত্যতা এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে প্রমাণিত হয়নি। তবে ঘটনাকে ঘিরে সন্দেহ আরও বেড়েছে।

    বয়ানে অসঙ্গতি!

    প্রিন্সের সঙ্গে নেপালে ছিলেন তাঁর পাঁচ বন্ধুও। প্রথমে তাঁরা স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে জানান, সবাই একসঙ্গে ছিলেন এবং প্রিন্স অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁরা তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যান। কিন্তু নেপাল পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদের সময় বদলে যায় তাঁদের বয়ান। নয়া বয়ানে বলা হয়, ঘটনার সময় শুধুমাত্র লাড্ডু যাদব প্রিন্সের সঙ্গে হোটেলের রুমে ছিলেন। বাকিরা গিয়েছিলেন অন্যত্র। লাড্ডুও প্রথমে নিজেকে রুমের বাইরে বলে দাবি করলেও, পরে কবুল করেন, তিনিও ঘটনাস্থলে ছিলেন (Khan Sir)। বারবার বয়ান পরিবর্তনের কারণে পুলিশ তাঁদের হেফাজতে নিয়েছে। যদিও তাঁদের সঙ্গে থাকা এক নেপালি সহযোগী জামিন পেয়েছেন বলে সূত্রের খবর। প্রসঙ্গত, ঘটনাটি নেপালে ঘটায় তদন্তের সম্পূর্ণ দায়িত্ব নেপাল পুলিশের ওপরই রয়েছে। তাই ভারতীয় পুলিশ সরাসরি তদন্ত করতে পারবে না। চূড়ান্ত ভিসেরা রিপোর্ট এবং মৃত্যুর কারণও নেপালের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষই প্রকাশ করবে। যদি মৃতের পরিবার তদন্তের ফলে সন্তুষ্ট না হয় (Murder Case), তাহলে তাদের ভারতীয় দূতাবাসের মাধ্যমে নেপাল সরকারের কাছে আপিল করতে হবে (Khan Sir)।

     

  • West Bengal Budget 2026: ২০ শতাংশ ডিএ বৃদ্ধির ঘোষণা, পাটের ফাইল নিয়ে, পুজো দিয়ে বাজেট পেশ অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্তর

    West Bengal Budget 2026: ২০ শতাংশ ডিএ বৃদ্ধির ঘোষণা, পাটের ফাইল নিয়ে, পুজো দিয়ে বাজেট পেশ অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে বিজেপির সরকার প্রথম বাজেট পেশ করলেন অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত। রাজ্যে মোট ঋণ রয়েছে ৮ লক্ষ ১৫ হাজার ৮৯১ কোটি টাকার ঘোষণা করলেন অর্থমন্ত্রী স্বপন। স্বপন বলেন, “দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসনিক কাঠামো গঠন করা আমাদের দৃষ্টিভঙ্গির মূল স্তম্ভ। রাজ্যের জনগণের আস্থা পুনরুদ্ধার করতে হবে আমাদের। রাজ্য সরকার নাগরিকদের কাছে পৌঁছোতে ‘আপনার সরকার, আপনার পাশে’ নামে একটি নতুন উদ্যোগ নিয়েছে।”

    ২০ শতাংশ ডিএ বৃদ্ধির ঘোষণা

    সরকারি কর্মচারীদের জন্য ২০ শতাংশ মহার্ঘভাতা বৃদ্ধির ঘোষণা করলেন অর্থমন্ত্রী স্বপন। আগামী ১ অক্টোবর থেকে এটি কার্যকর হবে বলে জানান তিনি। ওই সময় থেকে সব মিলিয়ে ৩৮ শতাংশ ডিএ কার্যকর হবে। মহিলাদের বিনামূল্যে বাস পরিষেবার জন্য বরাদ্দ করা হচ্ছে ৫৫০ কোটি টাকা। এই উদ্দেশ্যে শীঘ্রই পিঙ্ক কার্ড চালু করা হবে বলে ঘোষণা করেন অর্থমন্ত্রী। ঝাড়গ্রামে আদিবাসী বিশ্ববিদ্যালয় তৈরির ঘোষণা করলেন অর্থমন্ত্রী। অন্নপূর্ণা যোজনার জন্য ৩৬ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করা হচ্ছে। ঘোষণা করলেন অর্থমন্ত্রী।

    সব সামাজিক প্রকল্প চালু

    বিধায়ক তহবিল ৭০ লক্ষ টাকা থেকে বৃদ্ধি করে ১ কোটি টাকা করা হচ্ছে। বাজেটে এমনই ঘোষণা করলেন অর্থমন্ত্রী। জানালেন ঋণ যাই থাক ডবল ইঞ্জিন সরকার তা সামলানোর চেষ্টা করবে। রাজ্যে চালু থাকা সকল সামাজিক সুরক্ষাপ্রকল্প অব্যাহত থাকবে। ঘোষণা করলেন অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, “সরকারি প্রকল্পের সুবিধা সমাজের সবচেয়ে দুর্বল শ্রেণির কাছে পৌঁছে দেওয়া নিশ্চিত করতে হবে। এই প্রকল্পগুলির প্রয়োজনীয় পরিবর্তন ঘটাতে হবে।”

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সাক্ষাতের

    এক লক্ষ শূন‍্যপদ নিয়োগ করা হবে। তাতে ৩৩ শতাংশ মহিলা নিয়োগ করা হবে। তার মধ্যে ২০ হাজার পুলিশ বিভাগ, ৫০ হাজার শিক্ষক-শিক্ষাকর্মী নিয়োগ করা হবে। যেখানে প্রযোজ্য, সেখানে ১০ শতাংশ অগ্নিবীরদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। সরকারি পদে নিয়োগে ক্ষেত্রে বয়সের ঊর্ধ্বসীমা ইতিমধ্যে ৫ বছর ছাড় দেওয়া হবে। এই সুবিধা পরবর্তী ২ বছরের জন্য বহাল থাকবে।

    পাটের ফাইল নিয়ে, পুজো দিয়ে বাজেট পেশ

    এদিন রাজ্যে প্রথম বিজেপি সরকারের বাজেট পেশের আগে পুজো দেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর সঙ্গে ছিলেন অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্তও। পাটের তৈরি বাজেট ফাইল নিয়ে বিধানসভায় আসেন অর্থমন্ত্রী। বাজেট পেশের আগে সোমবার সকালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সাক্ষাতের একটি ছবি সমাজমাধ্যমে পোস্ট করেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত। লোক ভবনে তোলা ওই ছবিটির সঙ্গে স্বপন লিখেছেন, “বাজেটের আগে তাঁর আশীর্বাদ।”

  • BRICS NSA: ব্রিকস নিরাপত্তা উপদেষ্টা বৈঠকে যোগ দিতে দিল্লিতে পৌঁছলেন ইরানের প্রতিনিধি গাদির নেজামি

    BRICS NSA: ব্রিকস নিরাপত্তা উপদেষ্টা বৈঠকে যোগ দিতে দিল্লিতে পৌঁছলেন ইরানের প্রতিনিধি গাদির নেজামি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্রিকস (BRICS) সদস্য দেশগুলির জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা (NSA) ও নিরাপত্তা সংস্থার প্রধানদের বৈঠকে অংশ নিতে ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের (Supreme National Security Council) উপ-সচিব গাদির নেজামি সোমবার নয়াদিল্লিতে পৌঁছেছেন। ভারতে অবস্থিত ইরানি দূতাবাস এক্স (X)-এ এক পোস্টে জানিয়েছে, ২২-২৩ জুন অনুষ্ঠিতব্য ব্রিকস জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টাদের বৈঠকে অংশগ্রহণের পাশাপাশি নেজামি বিভিন্ন বিশেষজ্ঞ অধিবেশনে যোগ দেবেন এবং অংশগ্রহণকারী দেশগুলির প্রতিনিধিদের সঙ্গে নিরাপত্তা ও বহুপাক্ষিক সহযোগিতা নিয়ে মতবিনিময় করবেন।

    বৈঠকে কী নিয়ে আলোচনা

    বিদেশমন্ত্রক (MEA) সূত্রে খবর, ২২ ও ২৩ জুন অনুষ্ঠিত এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের সভাপতিত্ব করবেন ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল। বৈঠকে ব্রিকসভুক্ত দেশগুলির নিরাপত্তা প্রতিনিধিরা ‘বর্তমান বিশ্বের অপ্রচলিত নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ’ (Non-traditional Security Challenges) বিষয়ক আলোচনায় অংশ নেবেন। বিদেশমন্ত্রকের মতে, বৈঠকে দ্রুত পরিবর্তনশীল জাতীয় নিরাপত্তা পরিস্থিতি, নতুন প্রযুক্তির কারণে উদ্ভূত নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং সাইবার ও তথ্যপ্রযুক্তি-ভিত্তিক হুমকির মতো বিষয়গুলি গুরুত্ব পাবে। পাশাপাশি সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলা এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির নিরাপদ ব্যবহারের বিষয়ে ব্রিকসের যৌথ কর্মগোষ্ঠীগুলির সাম্প্রতিক বৈঠকের ফলাফলও পর্যালোচনা করা হবে।

    কারা কারা রয়েছে এই জোটে

    উল্লেখ্য, ২০২৬ সালে ভারত চতুর্থবারের মতো ব্রিকসের সভাপতিত্ব করছে। এর আগে ২০১২, ২০১৬ এবং ২০২১ সালে ভারত এই দায়িত্ব পালন করেছিল। এবারে ভারতীয় সভাপতিত্বের মূল প্রতিপাদ্য “ বিল্ডিং ফর রেসিলেন্স, ইনোভেশন, কোঅপারেশন অ্যান্ড সাসটেনেবিলিটি ” (Building for Resilience, Innovation, Cooperation and Sustainability), যা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ২০২৫ সালের রিও শীর্ষ সম্মেলনে উত্থাপিত ‘মানবকেন্দ্রিক ও মানবতার অগ্রাধিকার’ দর্শনের প্রতিফলন বলে জানানো হয়েছে। বর্তমানে ব্রিকস জোটে ১১টি উদীয়মান ও উন্নয়নশীল অর্থনীতির দেশ রয়েছে— ব্রাজিল (Brazil), রাশিয়া (Russia), ভারত (India), চিন (China), দক্ষিণ আফ্রিকা (South Africa), মিশর (Egypt), ইথিওপিয়া (Ethiopia), ইরান (Iran), ইউনাইটেড আরব এমিরেটস (United Arab Emirates), সৌদি আরব (Saudi Arabia) এবং ইন্দোনেশিয়া (Indonesia)।

    কোন কোন বিষয়ে সহযোগিতা

    ব্রিকসের সরকারি তথ্য অনুযায়ী, জোটটির কার্যক্রম এখন শুধু অর্থনৈতিক সহযোগিতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা সহযোগিতা, অর্থনীতি ও অর্থায়ন, এবং সাংস্কৃতিক ও জনগণের মধ্যে যোগাযোগ—এই তিনটি মূল স্তম্ভকে কেন্দ্র করে ব্রিকসের কার্যপরিধি ক্রমাগত বিস্তৃত হয়েছে। সন্ত্রাসবাদ দমন, জলবায়ু পরিবর্তন, খাদ্য ও জ্বালানি নিরাপত্তা, আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, টেলিযোগাযোগ, কৃষি, শ্রম ও কর্মসংস্থান, আন্তর্জাতিক আর্থিক কাঠামো এবং বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (WTO)-সংক্রান্ত বিষয়েও ব্রিকস সদস্য দেশগুলির মধ্যে সহযোগিতা জোরদার হচ্ছে।

  • China: মাও যুগে ফিরছে চিন? রাষ্ট্র ও সমাজের ওপর কমিউনিস্ট পার্টির সর্বোচ্চ কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠায় নতুন মতবাদ শি জিনপিংয়ের

    China: মাও যুগে ফিরছে চিন? রাষ্ট্র ও সমাজের ওপর কমিউনিস্ট পার্টির সর্বোচ্চ কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠায় নতুন মতবাদ শি জিনপিংয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিনের (China) অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি মন্থর হয়ে পড়া এবং চিনা কমিউনিস্ট পার্টি (সিসিপি)-র অভ্যন্তরে চাপ বৃদ্ধির মধ্যেই নতুন একটি রাজনৈতিক-আদর্শিক মতবাদ সামনে আনল বেজিং। ‘শি জিনপিং থট অন পার্টি বিল্ডিং’ (Xi Jinping Thought on Party Building) নামে পরিচিত এই নতুন তত্ত্বকে বিশ্লেষকরা শি জিনপিংয়ের হাতে আরও ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত করার পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন। গত ১৫ জুন বেজিংয়ে অনুষ্ঠিত জাতীয় পার্টি-নির্মাণ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে এই মতবাদ উন্মোচন করা হয়। ঘটনাচক্রে দিনটি ছিল চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের ৭৩তম জন্মদিন। সাধারণত চিনা নেতাদের ব্যক্তিগত উপলক্ষকে রাষ্ট্রীয় প্রচারে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয় না, কিন্তু এবার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমে শি এবং তাঁর জন্মদিনকে অস্বাভাবিকভাবে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়।

    ‘পার্টিই সর্বেসর্বা’— নতুন প্রচারের মূল বার্তা

    সম্মেলনে সিসিপির শীর্ষ নেতারা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন, চিনের সমস্ত প্রতিষ্ঠান, প্রশাসন ও সামাজিক কাঠামোর ওপর কমিউনিস্ট পার্টির নেতৃত্বই সর্বোচ্চ। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন পলিটব্যুরো স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্য এবং শি-ঘনিষ্ঠ নেতা কাই ছি, পাশাপাশি দুর্নীতি দমন সংস্থার প্রধান লি শি। কাই ছি পার্টির কর্মীদের নির্দেশ দেন শি জিনপিংয়ের রচনাবলি ও রাজনৈতিক দর্শন নিয়ে নতুন করে অধ্যয়ন শুরু করতে। তিনি ‘টু আপহোল্ডস’ (Two Upholds) নীতির প্রতি আনুগত্যের ওপরও জোর দেন, যার মূল লক্ষ্য শি জিনপিংকে দলের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া এবং সিসিপি কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কর্তৃত্ব অটুট রাখা।

    নতুন আদর্শিক অভিযানে জোর রাজনৈতিক আনুগত্যে

    ক্ষমতায় আসার পর থেকেই শি জিনপিং রাজনৈতিক শিক্ষা, মতাদর্শগত প্রচার এবং পার্টির নজরদারি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান, বিশ্ববিদ্যালয়, ব্যবসা ও নাগরিক সমাজের বিভিন্ন স্তরে বিস্তৃত করেছেন। নতুন মতবাদে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে পার্টি শৃঙ্খলা, সাংগঠনিক আনুগত্য এবং ‘পার্টিই সবকিছুর নেতৃত্ব দেবে’— এই নীতিকে। যদিও এই ধারণাগুলি দীর্ঘদিন ধরেই সিসিপির অংশ, তবে প্রথমবার এগুলিকে শি জিনপিংয়ের নামে পৃথক ও আনুষ্ঠানিক মতবাদ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হলো। রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সিনহুয়া একে মার্ক্সবাদী পার্টি-গঠন তত্ত্বে ‘গুরুত্বপূর্ণ মৌলিক অবদান’ বলে উল্লেখ করেছে। বিশ্লেষকদের মতে, এর মাধ্যমে মাও সে তুং ও অন্যান্য পূর্বসূরি নেতাদের মতোই শি জিনপিংয়ের রাজনৈতিক দর্শনকে দলীয় মতাদর্শের কেন্দ্রে স্থাপন করা হচ্ছে।

    অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যেই রাজনৈতিক কড়াকড়ি

    চিন বর্তমানে ধীর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, দীর্ঘস্থায়ী সম্পত্তি খাতের সংকট, দুর্বল ভোক্তা আস্থা এবং জনসংখ্যাগত সমস্যার মুখোমুখি। এই পরিস্থিতিতে বেজিং রাজনৈতিক ঐক্য ও দলীয় শৃঙ্খলা জোরদারে আরও সক্রিয় হয়েছে। সম্মেলনের বার্তায় স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, কমিউনিস্ট পার্টির প্রতি আনুগত্য এবং শি জিনপিংয়ের প্রতি আনুগত্যকে আলাদা করে দেখা যাবে না।

    দেং শিয়াওপিংয়ের সংস্কার যুগ থেকে ভিন্ন পথে চিন?

    ১৯৭০-এর দশকের শেষ দিকে দেং শিয়াওপিংয়ের নেতৃত্বে চিন অর্থনৈতিক সংস্কার ও উন্মুক্তকরণের পথে হাঁটতে শুরু করে। সেই সময়ের অন্যতম লক্ষ্য ছিল মাও সে তুংয়ের সাংস্কৃতিক বিপ্লবের অস্থিরতা থেকে দেশকে দূরে সরিয়ে স্থিতিশীল প্রশাসনিক কাঠামো গড়ে তোলা। কিন্তু শি জিনপিংয়ের আমলে পার্টির প্রভাব আবারও রাষ্ট্র ও সমাজের প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রে বিস্তৃত হয়েছে। নতুন মতবাদ সেই প্রবণতাকেই আরও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিচ্ছে। এ বছর সাংস্কৃতিক বিপ্লব শুরুর ৬০ বছর পূর্তি হওয়ায় নতুন এই আদর্শিক প্রচারের সময়কালও বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে। রাজনৈতিক অধ্যয়ন, মতাদর্শগত আনুগত্য এবং পার্টির সর্বোচ্চ কর্তৃত্বের ওপর জোর দেওয়ায় অনেকেই মাও যুগের সঙ্গে তুলনা টানছেন।

    শি জিনপিংকে কেন্দ্র করেই রাজনৈতিক কাঠামো

    সাম্প্রতিক বছরগুলিতে সিসিপি শি জিনপিংয়ের নামকে দলীয় নীতি, শিক্ষা সামগ্রী এবং বিভিন্ন বিধিবিধানের সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত করেছে। নতুন মতবাদ সেই প্রবণতাকে আরও শক্তিশালী করল। ১৫ জুন রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন সিসিটিভি ‘কমিউনিস্ট পার্টি সদস্য শি জিনপিং’ শিরোনামে ছয় মিনিটের একটি ভিডিও প্রকাশ করে। সেখানে তুলে ধরা হয় যে শি জিনপিংয়ের “প্রথম পরিচয় একজন কমিউনিস্ট পার্টি সদস্য” এবং তাঁর “প্রথম দায়িত্ব পার্টির জন্য কাজ করা”। দেশজুড়ে সরকারি সংস্থা, স্থানীয় পার্টি ইউনিট এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের শি জিনপিংয়ের রচনা ও রাজনৈতিক দর্শন নিয়মিত অধ্যয়নের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    ২০২৭-এর আগে ক্ষমতার ভিত্তি আরও মজবুত?

    রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, ২০২৭ সালের সম্ভাব্য নেতৃত্ব পুনর্গঠনের আগে শি জিনপিংয়ের চিন্তাধারাকে দলীয় কাঠামোর গভীরে প্রোথিত করার চেষ্টা চলছে। এর মাধ্যমে নেতৃত্বের ধারাবাহিকতা এবং ব্যক্তিকেন্দ্রিক ক্ষমতার ভিত্তি আরও সুদৃঢ় করা হচ্ছে। নতুন মতবাদের মাধ্যমে বেজিং আবারও স্পষ্ট করে দিয়েছে— রাষ্ট্র, সমাজ এবং অন্যান্য সমস্ত প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বে রয়েছে চিনা কমিউনিস্ট পার্টি। আর ‘শি জিনপিং থট অন পার্টি বিল্ডিং’ সেই পার্টি-কেন্দ্রিক শাসনব্যবস্থাকেই আরও আনুষ্ঠানিক ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিল।

  • Gopal Patha: ৮০ বছরের ‘ঐতিহাসিক ভুল’ সংশোধন! সুরাবর্দির নাম সরিয়ে কলকাতায় গোপাল পাঁঠার নামে রাস্তা

    Gopal Patha: ৮০ বছরের ‘ঐতিহাসিক ভুল’ সংশোধন! সুরাবর্দির নাম সরিয়ে কলকাতায় গোপাল পাঁঠার নামে রাস্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা পুরসভার (KMC) সিদ্ধান্তে এবার নতুন নাম পেল পার্ক সার্কাস এলাকার সুরাবর্দি অ্যাভিনিউ (Suhrawardy Name Removed)। ২০ জুন জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, রাস্তার নতুন নাম হবে ‘গোপাল মুখার্জি রোড’ (Gopal Patha)। পশ্চিমবঙ্গ দিবসের আবহে নেওয়া এই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি লেখেন, ‘পশ্চিমবঙ্গ দিবসের শুভক্ষণে সুরাবর্দি অ্যাভিনিউ-এর নাম পরিবর্তন করে স্বর্গীয় গোপাল মুখার্জির নামে ‘গোপাল মুখার্জি রোড’ করার জন্যে কলকাতা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের গৃহীত ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তকে আন্তরিকভাবে সাধুবাদ জানাই। এটি শুধুমাত্র একটি নাম পরিবর্তন নয়, ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ সংশোধন।’

    কার নামে ছিল সুরাবর্দি অ্যাভিনিউ?

    কলকাতার এই রাস্তার নামকরণ হয়েছিল ১৯৩৩ সালে। নামটি রাখা হয়েছিল বিশিষ্ট চিকিৎসক, শিক্ষাবিদ ও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য স্যার হাসান সুরাবর্দির (Sir Hassan Suhrawardy) নামে। তিনি ছিলেন ব্রিটিশ ভারতের একজন খ্যাতনামা সার্জন এবং জনজীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনকারী ব্যক্তি। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে অনেকের কাছে এই নামটি যুক্ত হয়ে যায় তাঁর ভাইপো হুসেন সঈদ সুরাবর্দির (Huseyn Shaheed Suhrawardy) সঙ্গে, যিনি ১৯৪৬ সালে অবিভক্ত বাংলার প্রধানমন্ত্রী (Premier) ছিলেন এবং কলকাতার সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা নিয়ে বিতর্কের কেন্দ্রে ছিলেন।

    কে ছিলেন গোপাল পাঁঠা?

    গোপাল চন্দ্র মুখোপাধ্যায়, যিনি ‘গোপাল পাঁঠা’ নামে বেশি পরিচিত, ছিলেন কলকাতার এক প্রভাবশালী স্থানীয় সংগঠক। ১৯৪৬ সালের ডিরেক্ট অ্যাকশন ডে (Direct Action Day)-এর সময় তিনি হিন্দু মহল্লাগুলির আত্মরক্ষার জন্য স্থানীয় প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন বলে বহু ঐতিহাসিক ও সামাজিক সূত্রে উল্লেখ রয়েছে। তাঁর সমর্থকদের দাবি, দাঙ্গার সময় তিনি এবং তাঁর সহযোগীরা বহু মানুষের প্রাণ রক্ষা করেন এবং কলকাতার বিভিন্ন এলাকায় প্রতিরোধ সংগঠিত করেন। এই কারণে অনেকের কাছে তিনি ‘বউবাজারের সিংহ’ বা ‘কলকাতার রক্ষাকর্তা’ হিসেবেও পরিচিত।

    ১৯৪৬ সালের দাঙ্গা ও সুরাবর্দি বিতর্ক

    ১৯৪৬ সাল, নেহরু তখন দিল্লিতে অন্তর্বর্তীকালীন কেন্দ্রীয় সরকারের প্রধানমন্ত্রী। আর অখণ্ড বাংলার শাসনের দায়িত্ব পেয়েছিল মুসলিম লিগ এবং মুখ‍্যমন্ত্রী ছিলেন সুরাবর্দি। তাঁর নির্দেশেই ১৬ অগস্ট ‘ডাইরেক্ট অ্যাকশন ডে’-র প্রেক্ষিতে কলকাতায় ভয়াবহ সাম্প্রদায়িক হিংসার ঘটনা ঘটে, যা পরবর্তী সময়ে ‘গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং’ নামে পরিচিত হয়। কলকাতায় ছিল মহড়া, আর পুরো বিষয়টি কার্যকর করা হয় নোয়াখালিতে। ১৯৩১ সালে কলকাতায় বসবাসকারী মানুষের মধ্যে ৩১.৭০ শতাংশ ছিল বাইরের রাজ‍্য থেকে আসা এবং ৩০ শতাংশ ছিল কলকাতার বাইরের জেলাগুলি থেকে আসা লোকজন। ৬০ লক্ষ মানুষের বাস কলকাতায় ছিল ১২০০ জনের পুলিশ বাহিনী, এর মধ্যে মুসলমান ৬৩ জন। এছাড়া ডেপুটি কমিশনার ও একজন ও.সি ছিলেন মুসলমান। মুসলমান দাঙ্গাবাজদের বেশির ভাগ ছিল গ্রাম থেকে আসা লোক। এর মধ্যে ছিল মুসলমান শ্রমিক, কষাই, খালাসি, ছ‍্যাকড়া গাড়ির চালক।

    হিন্দুদের প্রতিরোধে নেতৃত্বে গোপাল

    মুসলিম লিগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার কাজে ভূমিকা ছিল হিন্দু সম্প্রদায়ের শিক্ষিত যুবক, ছাত্র সমাজ ও মধ্যবিত্তদের। ১৯৪৬-এর ১৬ আগস্টের সকালে মুসলিম লিগ যখন অ্যাকশান শুরু করে, তখনও পর্যন্ত কলকাতার হিন্দুরা বিষয়টা বুঝে উঠতে পারেনি। কারণ, ওই দিন বিকেলে কলকাতার তথাকথিত প্রগতিশীল “ধর্মনিরপেক্ষ” হিন্দুরা ময়দানে মনুমেন্টের তলায় মুসলিম লিগ ও ভারতের কমিউনিষ্ট পার্টির যৌথ মিটিং শুনতে গিয়েছিল। ১৯৪৬ সালে মুসলিম লিগের নেতৃত্বে ‘গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং’ শুরু হলে রুখে দাঁড়ান গোপাল মুখোপাধ্যায় ও তাঁর ভারতীয় জাতীয় বাহিনী। মূলত একার হাতেই সেদিন কলকাতাকে বাঁচিয়েছিলেন তিনি। প্রবাদ হয়ে গিয়েছে গোপাল ছিলেন বলে টালা ট্যাঙ্ক আছে, শিয়ালদহ স্টেশন আছে, আপনি, আমি রয়েছি। আর সেই প্রবাদের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের উল্টোদিকে এক চিলতে মাংসের দোকান। প্রসঙ্গত ১৯৪৬ সালের ১৬ অগস্ট ‘গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং’ রুখে ছিলেন যিনি সেই গোপাল মুখোপাধ্যায়েরও পাঁঠার মাংসের দোকান ছিল। যে কারণে গোপাল পাঁঠা নামেই তিনি পরিচিতি লাভ করেন। তাঁকে স্মরণ করেই এবার থেকে বেনিয়াপুকুর এলাকার রাস্তার নাম সুরাবর্দি অ্যাভিনিউ থেকে বদলে হল গোপাল মুখার্জি রোড।

    কেন বদলানো হল রাস্তার নাম?

    রাজ্য বিজেপি এবং বিভিন্ন হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের মতে, গোপাল মুখোপাধ্যায়ের অবদান দীর্ঘদিন ধরে উপেক্ষিত হয়েছে। তাঁদের দাবি, কলকাতার ইতিহাসে তাঁর ভূমিকার স্বীকৃতি দিতেই এই নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে সমালোচকদের একাংশের মতে, এই পদক্ষেপ ইতিহাসের জটিল ঘটনাগুলিকে একপাক্ষিকভাবে ব্যাখ্যা করার ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। তাঁদের বক্তব্য, সুরাবর্দি অ্যাভিনিউয়ের নামটি মূলত স্যার হাসান সুরাবর্দির সম্মানে রাখা হয়েছিল, যাঁর পরিচয় তাঁর রাজনৈতিকভাবে বিতর্কিত ভাইপোর থেকে আলাদা। এই নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্তে খুশি গোপাল মুখোপাধ্যায় তথা গোপাল পাঁঠার পরিবার। তারা বলছে, ‘এক ঐতিহাসিক দিনে, ঐতিহাসিক ভুলের, ঐতিহাসিক সংশোধন হল। মুখ্যমন্ত্রীর উদ্যোগে আমরা খুশি। অনেক ধন্যবাদ জানাচ্ছি।’ পরিবারের দাবি, এমন উদ্যোগ অনেক আগেই নেওয়া উচিৎ ছিল। আবেগে ভাসছেন তাঁরা।

    রাজনৈতিক তাৎপর্য

    পর্যবেক্ষকদের মতে, রাস্তার নাম পরিবর্তনের এই সিদ্ধান্ত কেবল প্রশাসনিক পদক্ষেপ নয়, বরং ইতিহাস, পরিচয় ও স্মৃতির রাজনীতির সঙ্গেও গভীরভাবে যুক্ত। একপক্ষ এটিকে ‘ঐতিহাসিক সংশোধন’ বলে মনে করছে, অন্যপক্ষের মতে এটি ইতিহাসের পুনর্ব্যাখ্যার অংশ। ফলে গোপাল মুখোপাধ্যায়ের নামে রাস্তার নামকরণ শুধুমাত্র একটি নাম পরিবর্তন নয়, বরং বাংলার বিভাজন-পূর্ব ইতিহাস, ১৯৪৬ সালের দাঙ্গা এবং স্বাধীনতার আগে-পরে রাজনৈতিক উত্তরাধিকারের প্রশ্নকে নতুন করে সামনে এনে দিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কথায়, পশ্চিমবঙ্গের ‘প্রকৃত নায়কদের’ স্মরণ এবং ইতিহাসের ‘ভুল সংশোধনের’ সময় এসে গিয়েছে।

  • Osman Faizan Ali: নিট ইস্যুতে দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ, চর্চায় প্রবাসী সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাক্টিভিস্ট ওসমান ফয়জান আলি

    Osman Faizan Ali: নিট ইস্যুতে দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ, চর্চায় প্রবাসী সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাক্টিভিস্ট ওসমান ফয়জান আলি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিট (NEET) সংক্রান্ত বিতর্ককে কেন্দ্র করে ২০ জুন দিল্লির যন্তর মন্তরে নতুন করে বিক্ষোভের আয়োজন করা হয়েছিল (Osman Faizan Ali)। এই বিক্ষোভকে ঘিরে উঠেছে একাধিক প্রশ্ন, বিশেষ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাক্টিভিস্ট ওসমান ফয়জান আলির ভূমিকা নিয়ে।

    ককরোচ জনতা পার্টি (Osman Faizan Ali)

    প্রতিবাদ কর্মসূচিটি হয়েছে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র (CJP) উদ্যোগে। আন্দোলনটিকে ছাত্র-যুবদের স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিবাদ হিসেবে তুলে ধরা হলেও, ঘটনাস্থলে উপস্থিত বিভিন্ন পোস্টার ও প্রচারসামগ্রীতে ওসমান ফয়জান আলির ছবি দেখা গিয়েছে। বেশ কয়েকটি প্ল্যাকার্ডে তাঁর পরিচয় হিসেবে লেখা ছিল ‘ইন্ডিয়ান ওসমান ফয়জান আলি – ফ্রম ইউএসএ’। বিক্ষোভকারীর কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গিয়েছে, তাঁদের অনেকেই পোস্টারে থাকা ব্যক্তির পরিচয় সম্পর্কে কিছুই জানতেন না। কয়েকজন আবার জানান, সংগঠকদের কাছ থেকে তাঁরা পোস্টার পেয়েছেন এবং ছবিতে থাকা ব্যক্তির সম্পর্কে তাঁদের কোনও ধারণা নেই।

    কে এই ওসমান ফয়জান আলি?

    জানা গিয়েছে, ওসমান মূলত সোশ্যাল মিডিয়ায় সক্রিয়। তাঁর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট ‘@bbm_india_’-এ গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলন ও নিট ইস্যু নিয়ে একাধিক ভিডিও এবং পোস্ট প্রকাশিত হয়েছে। এসব কনটেন্টে আন্দোলনের প্রতি সমর্থনের পাশাপাশি প্রশাসনের সঙ্গে সম্ভাব্য সংঘাতের ইঙ্গিতও উঠে এসেছে বলে দাবি ওয়াকিবহাল মহলের। ১ জুন ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দিল্লি পুলিশের উদ্দেশে মন্তব্য করতে গিয়ে ওসমান বিপুল জনসমাগমের সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করেছিলেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের বক্তব্য আন্দোলনকারীদের মধ্যে আবেগ ও উত্তেজনা উসকে দিতে বড় ভূমিকা নিতে পারে। যদিও ভিডিওতে সরাসরি কোনও হিংসাত্মক কর্মকাণ্ডের ডাক দেওয়া হয়নি (Osman Faizan Ali)। সম্প্রতি প্রকাশিত আরও একটি ভিডিওতে তিনি দিল্লি পুলিশ ও নিরাপত্তা সংস্থাগুলির কাছে বিক্ষোভের অনুমতি দেওয়ার আবেদন জানান। তবে সেই ভিডিওতেও আন্দোলন আটকে দিলে অস্থিরতা তৈরি হতে পারে বলে ইঙ্গিত করা হয়েছে বলেও অভিযোগ।

    ওসমানের অতীত রাজনৈতিক অবস্থান

    ওসমানের অতীত রাজনৈতিক অবস্থান নিয়েও চর্চা শুরু হয়েছে। তাঁর ইউটিউব চ্যানেল ‘Button Ballot Movement by Osman Faizan Ali’-এর পুরনো কিছু কনটেন্টে দেখা গিয়েছে, ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের সময় তিনি হায়দরাবাদ ও সেকেন্দ্রাবাদের ভোটারদের এআইএমআইএম (AIMIM) এবং কংগ্রেস প্রার্থীদের সমর্থন করার ডাক দিয়েছিলেন। সেই বক্তব্যে বিজেপিকে পরাজিত করার বিষয়টিতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল। বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান ককরোচ জনতা পার্টি-সমর্থন এবং অতীতের রাজনৈতিক অবস্থানের মধ্যে মিল খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে, যেখানে বিভিন্ন সময়ে বিজেপি-বিরোধী অবস্থানকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। এই বিষয়ে অবশ্য ওসমানের পক্ষ থেকে কোনও প্রতিক্রিয়া প্রকাশ্যে আসেনি (CJP)।

    বিশ্লেষকদের বক্তব্য

    বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, সোশ্যাল মিডিয়ার রমরমার যুগে দ্রুত বদলাচ্ছে রাজনৈতিক আন্দোলনের চরিত্র। এখন দেশের বাইরে অবস্থান করেও কোনও ব্যক্তি অনলাইনের মাধ্যমে আন্দোলনের বয়ান গঠন, জনমত প্রভাবিত করা এবং প্রতিবাদ কর্মসূচির প্রচার করার সুযোগ পাচ্ছেন (Osman Faizan Ali)। যন্তর মন্তরের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রশ্ন উঠেছে, সোশ্যাল মিডিয়ার প্রভাব কতটা, আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীরা প্রচারসামগ্রীর উৎস সম্পর্কে কতটা সচেতন, এবং সর্বোপরি, বিদেশে থেকে অনলাইন সক্রিয়তা দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিতর্কে কী ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। পর্যবেক্ষকদের মতে, ভবিষ্যতে এই ধরনের ঘটনায় অনলাইন প্রচার, রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার এবং জনআন্দোলনের সম্পর্ক নিয়ে (CJP) আরও বিস্তৃত আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে (Osman Faizan Ali)।

    অতএব, সাধু সাবধান!

     

  • Amit Shah: “হেডগেওয়ারের ‘নেশন ফার্স্ট’ দর্শন আজও ভারতের অগ্রগতির ভিত্তি”, বললেন শাহ

    Amit Shah: “হেডগেওয়ারের ‘নেশন ফার্স্ট’ দর্শন আজও ভারতের অগ্রগতির ভিত্তি”, বললেন শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরএসএসের (RSS) প্রতিষ্ঠাতা ড. কেশব বালিরাম হেডগেওয়ারের মৃত্যুবার্ষিকীতে তাঁকে শ্রদ্ধা জানালেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি বলেন, “হেডগেওয়ারের (Amit Shah) ‘নেশন ফার্স্ট’, সাংস্কৃতিক জাতীয়তাবাদ এবং আত্মবিশ্বাস ও স্বদেশি ভাবনায় গড়ে ওঠা সংগঠিত সমাজের ধারণা আজও ভারতের অগ্রগতির অন্যতম ভিত্তি হিসেবে কাজ করছে।” এক্স হ্যান্ডেলে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লেখেন, “আরএসএসের প্রতিষ্ঠাতা পরম পূজ্য ড. হেডগেওয়ারজির মৃত্যুবার্ষিকীতে তাঁকে আমাদের বিনম্র শ্রদ্ধা জানাই।”

    হেডগেওয়ারের অবদান (Amit Shah)

    হেডগেওয়ারের অবদানের কথা স্মরণ করে শাহ বলেন, “দীর্ঘমেয়াদি জাতি গঠন ও সামাজিক ঐক্যের লক্ষ্য নিয়ে তিনি আরএসএস প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।” তাঁর মতে, হেডগেওয়ার ‘নেশন ফার্স্ট’ এবং সাংস্কৃতিক জাতীয়তাবাদের আদর্শ দেশের প্রতিটি মানুষের কাছে পৌঁছে দিয়েছিলেন। তিনি স্বপ্ন দেখেছিলেন একটি নিরাপদ, সমৃদ্ধশালী ও বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় রাষ্ট্র গঠনের। শাহ বলেন, “হেডগেওয়ার এমন একটি সংগঠিত সমাজের কল্পনা করেছিলেন, যা অস্পৃশ্যতা ও সামাজিক বৈষম্যমুক্ত হবে এবং আত্মবিশ্বাস ও স্বনির্ভরতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ থাকবে। তাঁর সেই স্বদেশি-ভিত্তিক চিন্তাধারাই বর্তমানে ভারতের উন্নয়নের অন্যতম ভিত্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে”।

    কী বললেন শাহ?

    হেডগেওয়ারের জীবন ও আদর্শের প্রশংসা করে তিনি বলেন, “দেশমাতৃকার প্রতি অসীম ভালোবাসা, শৃঙ্খলা ও আত্মনিবেদনের এক অক্ষয় উৎস হল তাঁর জীবন (Amit Shah)।” এদিকে, এদিনই মহারাষ্ট্রের কোলহাপুর জেলার ইচলকরঞ্জিতে এক জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দাবি করেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে জাতীয় নিরাপত্তা, প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে স্বনির্ভরতা এবং গ্রামীণ উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। তিনি বলেন, “এক সময় ভারতে একটি গুলিও তৈরি হত (RSS) না। আজ আমরা ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন করছি, এবং আত্মনির্ভর ভারতের শক্তি নিয়ে বিশ্বের সামনে দাঁড়িয়ে আছি।” তিনি জানান, মোদি সরকারের আমলে আধুনিক এবং আরও শক্তিশালী করে তোলা হয়েছে সশস্ত্র বাহিনীকে (Amit Shah)।

     

  • PM Modi: “সামুদ্রিক শক্তি ছাড়া কোনও দেশ মহাশক্তিধর হতে পারে না”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: “সামুদ্রিক শক্তি ছাড়া কোনও দেশ মহাশক্তিধর হতে পারে না”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সমুদ্রভিত্তিক সক্ষমতা ছাড়া কোনও দেশ কখনও মহাশক্তিধর হয়ে উঠতে পারে না”, বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তাঁর কথায়, “উন্নয়ন, নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধি—এই তিনটি ক্ষেত্রই সমুদ্রের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত (Maritime Co-operation)।” রবিবার কলকাতায় ভারতীয় নৌবাহিনীর জন্য নির্মিত তিনটি অত্যাধুনিক দেশীয় যুদ্ধজাহাজ—আইএনএস দুনাগিরি (INS Dunagiri), আইএনএস সংশোধক (INS Sanshodhak) এবং আইএনএস আগ্রয় (INS Agray)-এর কমিশনিং অনুষ্ঠানে এই মন্তব্য করেন তিনি।

    ভারতের দৃষ্টিতে সমুদ্র (PM Modi)

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ভারত বরাবরই সমুদ্রকে সহযোগিতার মাধ্যম হিসেবে দেখেছে। তবে শান্তি রক্ষা ও জাতীয় স্বার্থ সুরক্ষিত রাখতে শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাও সমানভাবে জরুরি।” তাঁর মতে, সমৃদ্ধির পূর্বশর্ত হল নিরাপত্তা এবং আত্মনির্ভরতা ভবিষ্যৎ গঠনের ভিত্তি। এই ভাবনার প্রতীক হিসেবেই তিনটি নতুন যুদ্ধজাহাজ ভারতীয় নৌবাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। এর আগে কলকাতায় আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের অনুষ্ঠানে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকে এসে যোগ দেন এই কমিশনিং অনুষ্ঠানে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “পশ্চিমবঙ্গ ভারতের নবজাগরণ ও চিন্তাধারাকে নতুন দিশা দিয়েছে এবং সমুদ্রপথে ভারতকে বিশ্বের সঙ্গে যুক্ত করেছে।”

    বিশ্ব হাইড্রোগ্রাফি দিবস

    তিনি মনে করিয়ে দেন, ২১ জুন বিশ্ব হাইড্রোগ্রাফি দিবস হিসেবেও পালিত হয়। এমন দিনে ভারতের অন্যতম আধুনিক হাইড্রোগ্রাফিক জাহাজ আইএনএস সংশোধককে নৌবাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত করা বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। তিনি জানান, বর্তমানে বিশ্বের অধিকাংশ বাণিজ্য সমুদ্রপথেই হয়। আন্তর্জাতিক তথ্য আদান-প্রদানের গুরুত্বপূর্ণ ডেটা নেটওয়ার্কও সমুদ্রের তলদেশ দিয়ে বিস্তৃত। ভবিষ্যতে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, গভীর সমুদ্রের সম্পদ এবং নতুন শক্তির উৎসও সমুদ্রকেন্দ্রিক হবে। ফলে যে দেশ সমুদ্রশক্তিতে এগিয়ে থাকবে, তার অর্থনৈতিক ও কৌশলগত প্রভাবও তত বেশি হবে (PM Modi)।

    আত্মনির্ভর ভারতের পথে আরও একধাপ

    তিনি বলেন, “ভারত ইতিমধ্যেই নিজের নৌ-ক্ষমতা বৃদ্ধির পথে দ্রুত এগিয়ে চলেছে। আইএনএস বিক্রান্তকে দেশের উদ্দেশে উৎসর্গ করার মাধ্যমে ভারতের সামুদ্রিক শক্তির নয়া অধ্যায়ের সূচনা হয়েছিল। সেই যাত্রার ধারাবাহিকতায় আইএনএস আগ্রয়, আইএনএস দুনাগিরি এবং আইএনএস সংশোধক ভারতকে আরও আত্মনির্ভর এবং শক্তিশালী করে তুলবে।” জানা গিয়েছে (Maritime Co-operation), ভারতীয় নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ নকশা ব্যুরো এবং কলকাতার গার্ডেন রিচ শিপবিল্ডার্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ার্সের তৈরি এই তিন জাহাজ সমুদ্রযুদ্ধ, হাইড্রোগ্রাফিক সমীক্ষা এবং সাবমেরিন-বিরোধী অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে দেশীয় প্রযুক্তি ও উৎপাদন ক্ষমতার কংক্রিট উদাহরণই হল এই তিন জাহাজ (PM Modi)।

     

  • Hindus Under Attack: ভারত-বাংলাদেশে হিন্দু সমাজকে ঘিরে বিতর্ক, হামলায় ব্যাপক উত্তেজনা

    Hindus Under Attack: ভারত-বাংলাদেশে হিন্দু সমাজকে ঘিরে বিতর্ক, হামলায় ব্যাপক উত্তেজনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ অব্যাহত দেশের পাশাপাশি বিদেশেও। বিশ্বের বহু অঞ্চলে এই নির্যাতন ধীরে ধীরে এক ধরনের গণহত্যার রূপ নিচ্ছে (Hindus Under Attack)। কয়েক দশক ধরে বিশ্ব এই আক্রমণের প্রকৃত গভীরতা ও ব্যাপ্তি উপেক্ষা করে আসছে, যা খুবই উদ্বেগজনক (Roundup Week)। হত্যা, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, উৎসবে হামলা, মন্দির ও (Roundup week) মূর্তি ভাঙচুর, ঘৃণা ভাষণ, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য পর্যন্ত, সর্বত্র হিন্দুরা তাঁদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণ এবং নজিরবিহীন হিন্দু-বিদ্বেষের সম্মুখীন হচ্ছেন। এদিকে, ভারত ও বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়কে ঘিরে একাধিক ঘটনা নতুন করে আলোচনা ও বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। রাজনৈতিক বক্তব্য, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগ, সাংস্কৃতিক বিতর্ক, নারী নির্যাতন এবং সংখ্যালঘু হিন্দুদের ওপর হামলার অভিযোগকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন মহলে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। ১৪ থেকে ২০ জুন, ২০২৬ – এই সপ্তাহে বিভিন্ন ঘটনার ছবিটা একবার দেখে নেওয়া যাক।

    ককরোচ জনতা পার্টি (Hindus Under Attack)

    ভারতে সম্প্রতি আত্মপ্রকাশ করা রাজনৈতিক সংগঠন ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র (CJP) মুখপাত্র বিজেতা দাহিয়ার বিরুদ্ধে ২০১৭ সালে নির্মিত একটি হরিয়ানভি মিউজিক ভিডিও নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে। অভিযোগ, তাঁর মালিকানাধীন ‘আনম্যাড আর্টওয়ার্কস’ (Unmaad Artworks) প্রযোজিত ‘ভোলে কাটিং কারা লে’ (Bhole Cutting Kara Le) নামের ভিডিওতে ভগবান শিব ও দেবী পার্বতীকে অবমাননাকরভাবে উপস্থাপন করা হয়েছিল।

    আর্যভট্টকে তাচ্ছিল্য!

    এদিকে, অ্যামাজন ইন্ডিয়ার কুইক-কমার্স প্ল্যাটফর্ম ‘অ্যামাজন নাও’ (Amazon Now) -এর একটি বিজ্ঞাপনী প্রচার নিয়েও তীব্র বিতর্ক দেখা দিয়েছে। অভিযোগ, ওই বিজ্ঞাপনে প্রাচীন ভারতীয় গণিতবিদ ও জ্যোতির্বিজ্ঞানী আর্যভট্টকে তাচ্ছিল্য করা হয়েছে (Hindus Under Attack)। বিষয়টি ঘিরে আইনি নোটিশ, পুলিশ অভিযোগ এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছে।

    হিন্দুদের ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত

    কর্নাটকে অধ্যাপক কেএস ভগবানের বিরুদ্ধে পুলিশি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে হিন্দু জনজাগৃতি সমিতি (HJS)। এক জনসভায় তিনি ভগবান শ্রীরাম এবং হিন্দু ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান সম্পর্কে বিতর্কিত মন্তব্য করেন বলে অভিযোগ। সংগঠনের দাবি, এসব মন্তব্য কোটি কোটি হিন্দুর ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করেছে।

    ধর্মান্তরের অভিযোগ তরুণী বধূর

    মহারাষ্ট্রের নাগপুরে বছর চব্বিশের এক বিবাহিত তরুণী ধর্ষণ, ব্ল্যাকমেল, তোলাবাজি এবং জোরপূর্বক ধর্মান্তরের অভিযোগ এনে (Roundup week) পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছেন। এই ঘটনায় দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আরও এক অভিযুক্তের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ।

    ওয়েব সিরিজ বিতর্ক

    এদিকে, অ্যামাজন প্রাইম ভিডিওতে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘Raakh’ ওয়েব সিরিজ নিয়েও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। সমালোচকদের দাবি, ১৯৭৮ সালের রঙ্গা-বিল্লা হত্যাকাণ্ড থেকে অনুপ্রাণিত হলেও, সিরিজটিতে বাস্তব চরিত্রগুলির ধর্মীয় ও সামাজিক পরিচয় বদলে দেওয়া হয়েছে। অভিনেতা প্রকাশ রাজকেও ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। সমালোচকদের একাংশের দাবি, তিনি নিজেকে হিন্দুবিরোধী নন, বরং সংখ্যাগরিষ্ঠতাবাদী রাজনীতির বিরোধী হিসেবে উপস্থাপন করলেও তাঁর বিভিন্ন মন্তব্যে সেই অবস্থানের সঙ্গে অসঙ্গতি দেখা গিয়েছে।

    বাংলাদেশের ছবি

    অন্যদিকে, বাংলাদেশে হিন্দু সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা ও অধিকার নিয়ে ফের উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। বিভিন্ন মানবাধিকারকর্মী ও সংগঠনের দাবি, মন্দির ভাঙচুর, জমি দখল, মিথ্যা ধর্ম অবমাননার অভিযোগ, নারী নির্যাতন (Hindus Under Attack) ও জোরপূর্বক ধর্মান্তরের মতো ঘটনা সংখ্যালঘুদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করছে।

    হিন্দু ব্যবসায়ী পরিবারে হামলা

    বাগেরহাট জেলার চিতলমারী উপজেলায় রিপন মণ্ডল নামে এক হিন্দু ব্যবসায়ী ও তাঁর বৃদ্ধা মায়ের ওপর সশস্ত্র হামলার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্রে খবর, ১৫ থেকে ২০ জনের একটি দল দিনের বেলায় তাঁর প্রতিষ্ঠানে হামলা চালায়। ঘটনায় অন্তত চারজন জখম হন। গুরুতর জখম অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে রিপনকে।

    বন্ধ রাম মূর্তি নির্মাণ কাজ

    গাইবান্ধার পলাশবাড়ি উপজেলার মধ্য রামচন্দ্রপুরে অবস্থিত (Roundup week) শ্রীশ্রী রাধা গোবিন্দ ও কালী মন্দিরে নির্মাণাধীন দেশের সম্ভাব্য বৃহত্তম ভগবান শ্রীরামের মূর্তি নির্মাণের কাজ অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত ঘোষণা করে দেওয়া হয়েছে। মন্দির কর্তৃপক্ষই এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন (Hindus Under Attack)।

     

  • NEET Re Exam: আজ নিট, ২২ লাখেরও বেশি পরীক্ষার্থীর ভাগ্য পরীক্ষা, আস্থার পরীক্ষায় এনটিএ-কেন্দ্রও

    NEET Re Exam: আজ নিট, ২২ লাখেরও বেশি পরীক্ষার্থীর ভাগ্য পরীক্ষা, আস্থার পরীক্ষায় এনটিএ-কেন্দ্রও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিট ইউজি ২০২৬ এর রি-টেস্ট আজ, রবিবার (NEET Re Exam)। ২২ লাখেরও বেশি মেডিক্যাল ভর্তি-প্রত্যাশী অংশ নেন এই পরীক্ষায়। এই পরীক্ষাটি কেবল পরীক্ষার্থীদের জন্যই নয়, এনটিএ (National Testing Agency) এবং কেন্দ্রীয় সরকারের কাছেও একটি বড় চ্যালেঞ্জ (Security)। কারণ মে মাসে হওয়া পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ এবং পরবর্তীকালে পরীক্ষা বাতিল হওয়ায় সৃষ্টি হয়েছিল আস্থার সঙ্কট। সেই সঙ্কট কাটিয়ে উঠতেই এবার ছিল নজিরবিহীন নিরাপত্তার ব্যবস্থা।

    কড়া নিরাপত্তায় পরীক্ষা (NEET Re Exam)

    প্রশ্নফাঁস বিতর্কের জেরে দেশজুড়ে বিক্ষোভ, ছাত্রদের প্রতিবাদ এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিও উঠেছিল। কেন্দ্র জানিয়েছিল, স্বচ্ছতা বজায় রাখার স্বার্থে কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়েই আগের পরীক্ষা বাতিল করে ফের পরীক্ষার আয়োজন করা হবে। সেই মতো হয় রি-টেস্ট। সাধারণ পরীক্ষার্থীদের তিন ঘণ্টা ১৫ মিনিট সময় দেওয়া হলেও, বিশেষভাবে সক্ষম পরীক্ষার্থীরা পায় অতিরিক্ত এক ঘণ্টা ৫ মিনিট। এনটিএর তরফে পরীক্ষার্থীদের দুপুর দেড়টার মধ্যেই পরীক্ষাকেন্দ্রে প্রবেশের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল আগেই। এদিন যাচাই করা হচ্ছে অ্যাডমিট কার্ড, বৈধ পরিচয়পত্র এবং পাসপোর্ট সাইজের দু’টি ছবি। নির্ধারিত সময়ের পরে কোনও পরীক্ষার্থীকেই যে পরীক্ষা কেন্দ্রে ঢুকতে দেওয়া হবে না, তাও আগেই জানিয়ে দিয়েছিল পরীক্ষক সংস্থা। প্রশ্নপত্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভারতীয় বায়ুসেনার মাধ্যমে সেগুলি বিভিন্ন কেন্দ্রে পৌঁছে দেওয়া হয়।  দেশজুড়ে ৫,৪৪০টি পরীক্ষাকেন্দ্র এবং বিদেশের ১৪টি কেন্দ্রে পরীক্ষা হচ্ছে। সব মিলিয়ে মোট ৫৫১টি শহরে এই পরীক্ষা হচ্ছে।

    ব্রজ্র আঁটুনি

    এনটিএ জানিয়েছে, ৯৫ হাজারেরও বেশি পরীক্ষাকক্ষে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। মোট ১,৩৮,৫৬০টি সিসিটিভি ক্যামেরার লাইভ ফিড জাতীয়, রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় স্তরে পর্যবেক্ষণ করা (Security) হচ্ছে। ইলেকট্রনিক জালিয়াতি রুখতে ৫১,৩১১টি জ্যামার মোতায়েন করা হয়েছে। এর পাশাপাশি পুলিশ, আধাসামরিক বাহিনী, ভারতীয় বায়ুসেনা এবং ডাক বিভাগের কর্মীরাও নিরাপত্তা এবং লজিস্টিক ব্যবস্থাপনায় যুক্ত রয়েছেন (NEET Re Exam)। প্রতি পরীক্ষাকেন্দ্রে গড়ে ৪০ থেকে ৫০ জন নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। পরীক্ষাকক্ষে থাকছেন দু’জন করে ইনভিজিলেটর। প্রতিটি পরীক্ষা কেন্দ্রের দায়িত্বে রয়েছেন ১০ জনেরও বেশি অতিরিক্ত পরীক্ষাকর্মী। পরীক্ষার্থীদের পরিচয়পর্ব যাচাই আরও কড়া করা হয়েছে। প্রায় ৩৮,৭৯৫ জন ফ্রিস্কিং স্টাফ এবং ৪৮,৪৪৮ জন বায়োমেট্রিক ভেরিফিকেশন কর্মী নিয়োগ করা হয়েছে। বায়োমেট্রিক যাচাইয়ের পাশাপাশি ফেস অথেনটিকেশন ব্যবস্থাও চালু করা হয়েছে। এনটিএর নির্দেশ মতো প্রতিটি পরীক্ষাকেন্দ্রে একজন করে সেন্টার সিস্টেমস অফিসার (CSO) থাকছেন। তিনি দিনভর সিসিটিভি পর্যবেক্ষণ এবং প্রযুক্তিগত সমস্যার দ্রুত সমাধান করবেন।

    সংস্থার প্রধান লক্ষ্য

    এদিকে, পরীক্ষার ঠিক আগের দিন একটি ঘটনাকে ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়। নাগপুরের এক পরীক্ষার্থীর অভিযোগ, তাঁর পরীক্ষাকেন্দ্র আবুধাবিতে। যদিও, ওই পরীক্ষার্থীর দাবি, পছন্দের কেন্দ্র হিসেবে তিনি বেছে নিয়েছিলেন নাগপুর, ওয়ার্ধা এবং ভান্ডারা শহরকে (NEET Re Exam)। অভিযোগ ওঠার পর দ্রুত ঘটনার তদন্ত করে এনটিএ জানায়, পরীক্ষার্থীর নিজস্ব লগইন থেকেই কেন্দ্র পরিবর্তনের আবেদন করা হয়েছিল, এবং সেই অনুযায়ীই আবুধাবি কেন্দ্র বরাদ্দ হয়েছিল। পরে অনুরোধ পাওয়ার পর তাঁকে নাগপুরেই নতুন কেন্দ্র দেওয়া হয়েছে। সংস্থার তরফে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল, প্রশাসনিক জটিলতার কারণে কোনও পরীক্ষার্থীর পরীক্ষা যেন নষ্ট না হয়, সেটাই তাদের প্রধান লক্ষ্য।

    রাহুলের বার্তা

    এদিকে, প্রশ্নফাঁসকাণ্ডে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে দিল্লিতে প্রতিবাদ কর্মসূচি অব্যাহত। লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীও পরীক্ষার্থীদের উদ্দেশে শুভেচ্ছা জানিয়ে কেন্দ্রকে সতর্ক করেছেন (NEET Re Exam)। ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, “আমি আশা করি তোমাদের পরীক্ষা খুব (Security) ভালো হবে। আমরা তোমাদের পাশে আছি এবং তোমাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে চাই।” কেন্দ্রের উদ্দেশ্যে রাহুল বলেন, “দয়া করে নিশ্চিত করুন, এবার যেন কোনও গলদ না হয়। ছাত্রছাত্রীরা ইতিমধ্যেই যথেষ্ট মানসিক চাপের মধ্যে রয়েছে (NEET Re Exam)।”

     

LinkedIn
Share