Tag: bangla news

bangla news

  • Nandigram: “ইভিএমেই মায়ের মৃত্যুর জবাব দিলাম,” বললেন নিহত বিজেপি মহিলা কর্মীর মেয়ে

    Nandigram: “ইভিএমেই মায়ের মৃত্যুর জবাব দিলাম,” বললেন নিহত বিজেপি মহিলা কর্মীর মেয়ে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নন্দীগ্রামে (Nandigram) প্রকাশ্যে বিজেপি নেতার মা রথিবালা আড়িকে কুপিয়ে খুন করার অভিযোগ উঠেছিল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। রক্তাক্ত মাকে জড়িয়ে ধরে খুনি তৃণমূলীদের ফাঁসির দাবি জানিয়েছিলেন মেয়ে সঞ্জু আড়ি। শনিবার তিনি বুথে লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে ভোট দিলেন। ভোট পূর্ববর্তী হিংসা’য় মাকে হারানো সঞ্জু ভোট দিয়ে বেরিয়ে বললেন, বাড়ির বাকিরাও ভোট দেবেন।

    থমথমে মনসা বাজার (Nandigram)

    নন্দীগ্রামের (Nandigram) গড়চক্রবেড়িয়া থেকে সোনাচূড়াগামী সড়ক ধরে প্রায় ৩ কিলোমিটার রাস্তা পাড়ি দিলে মনসা বাজার। ভোটের দিন সকালে দেখা গেল বাজারে তেমন লোক নেই। পুলিশের একটি দল টহল দিচ্ছে রাস্তায়। ওই মূল রাস্তার ডান দিক থেকে ছোট্ট পাকা রাস্তা ধরে প্রায় আড়াই কিলোমিটার হাঁটাপথ ধরে এগিয়ে গেলেই রথিবালাদের বুথ। সাউদখালি জলপাই গ্রামের এই রাস্তায় ঢুকতেই অদ্ভুত এক থমথমে পরিস্থিতি মালুম হয়। গোটা এলাকায় চোখে পড়ছে বিজেপির পতাকা। প্রসঙ্গত, গত বুধবার রাতে বিজেপির মহিলা কর্মী রথিবালাকে কুপিয়ে খুনের ঘটনায় নতুন করে ফের অশান্ত হয়ে ওঠে নন্দীগ্রাম। রথিবালাদেবীর মেয়ে সঞ্জু এক জনের স্কুটিতে চেপে বুথে যান।

    আরও পড়ুন: ঝাড়গ্রামের বিজেপি প্রার্থীকে ছোড়া হল ইট, গাড়ি ভাঙচুর,পালাল জওয়ানরা, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    ইভিএমেই মায়ের মৃত্যুর জবাব দিলাম

    বুথের বাইরে সতর্ক প্রহরায় মোতায়েন কেন্দ্রীয় বাহিনীর চার জওয়ান। সেখানেই সকাল সকাল ভোটদান করলেন রথিবালার মেয়ে সঞ্জু। তাঁকে দেখেই দ্রুত বুথের ভিতরে যাওয়ার রাস্তা ছেড়ে দিলেন অন্যরা। ছলছল চোখে ভোট দিয়ে বেরিয়ে সঞ্জু বলেন, “মাকে নৃশংসভাবে খুন করার ঘটনায় গোটা পরিবার ভেঙে পড়েছে। বাড়িতে দুই দাদা এবং বউদি। বড় দাদা সঞ্জয় গুরুতর জখম হয়ে কলকাতায় হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। বাড়িতে ওর স্ত্রী আর দুই শিশু আছে। আর এক দাদা এবং তার স্ত্রী-ও বাড়িতে আছে। আমি আগে এলাম। বাড়ির বাকি সবাই ভোট দিয়ে যাবে। ইভিএমেই মায়ের মৃত্যুর জবাব দিলাম।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: ষষ্ঠ দফায় দিল্লিতে ভোট দিলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমার

    Lok Sabha Election 2024: ষষ্ঠ দফায় দিল্লিতে ভোট দিলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি ভোটগ্রহণ পর্বে ভোটের (Lok Sabha Election 2024) হার সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশের আর্জি খারিজ করে দেয় সুপ্রিম কোর্ট। এবার সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) রায়ের পর সেই বিষয়েই মন্তব্য করলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমার (Rajib Kumar)। শনিবার ষষ্ঠ দফায় দিল্লিতে ভোট দিতে এসে রাজীব কুমার জানান, এ বছর লোকসভা ভোট যথেষ্ট শান্তিপূর্ণভাবে এগোচ্ছে। এর মধ্যে ভোট দানের হার প্রকাশিত না হওয়ায়াই ভালো। এতে ভোটারদের ওপর প্রভাব পড়তে পারে।

    তিন প্রজন্মের একসঙ্গে ভোটদান 

    এদিন রাজীব কুমার তাঁর বাবা, স্ত্রী ও কন্যার সঙ্গে ভোট (Lok Sabha Election 2024) দিতে এসে নিজের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন। তিনি বলেছেন প্রতিটি নাগরিকের জন্য ভোট দেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে তিনি জানান তার বাবার সাথে প্রথম ভোট দেওয়ার অভিজ্ঞতা। তিনি বলেন, “তিন প্রজন্ম একসঙ্গে ভোট দেওয়াটা গর্বের বিষয়।” একই সঙ্গে তিনি এ দিন সেই ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত প্রত্যেকজন ভোটারকে ভোটদানে অংশগ্রহণের জন্য উৎসাহিত করেন।

    আরও পড়ুন: প্রথম কোনও ভারতীয় কান চলচ্চিত্র উৎসবে সেরা অভিনেত্রী হলেন, ইতিহাস কলকাতার অনসূয়ার

    কমিশনের প্রশংসা 

    এদিন রাজীব কুমার জানান প্রথম পাঁচ দফার ভোটে (Lok Sabha Election 2024) যথেষ্ট ভালোভাবে নিজের দায়িত্ব সামলেছে কমিশন। একই সঙ্গে কমিশনের প্রশংসা করে  তিনি বলেন, ভোটের জন্য কমিশনের নেওয়া প্রতিটি পদক্ষেপ রাজ্যে ভোটদানের উপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। জানা গিয়েছে, ষষ্ঠ দফার ভোটে (Lok Sabha Election 2024) দেশের ৬টি রাজ্য ও ২টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ৮৮৯ জন প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারণ করেছে ১১.১৩ কোটিরও বেশি ভোটার। ষষ্ঠ দফায় বিহারের ৮টি, হরিয়ানার ১০টি, জম্বু কাশ্মীরের ১টি, ঝাড়খণ্ডের ৪টি, দিল্লির ৭টি, ওড়িশার ৬টি, উত্তরপ্রদেশের ১৪ টি এবং পশ্চিমবঙ্গের ৮ টি আসনে ভোটগ্রহন হয়েছে। একই সঙ্গে ওড়িশার ৪২ টি বিধানসভা কেন্দ্রেও এদিন ভোটগ্রহণ হয়েছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Cyber Slaves Rescued: চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে সাইবার ক্রাইম করানো, কম্বোডিয়াতে উদ্ধার ৩৬০ ভারতীয়

    Cyber Slaves Rescued: চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে সাইবার ক্রাইম করানো, কম্বোডিয়াতে উদ্ধার ৩৬০ ভারতীয়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কম্বোডিয়াতে উদ্ধারকাজে বড়সড় সাফল্য পেল ভারতীয় দূতাবাস। জানা গিয়েছে বিগত কয়েক মাস ধরেই ৩৬০ জন ভারতীয় নাগরিককে মোটা বেতনের চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে কম্বোডিয়াতে নিয়ে যাওয়া হয়। তারপরে সেখানে তাঁদেরকে দিয়ে জোর করে সাইবার ক্রাইমের (Cyber Slaves Rescued) কাজ করানো হয়। বিষয়টি জানা মাত্রই ঝাঁপিয়ে পড়ে ভারত সরকার এবং কম্বোডিয়ার ভারতীয় দূতাবাসের প্রচেষ্টায় এঁদের প্রত্যেককে উদ্ধার করা হয়।

    ভারতীয় দূতাবাস কী জানাল 

    সে দেশের ভারতীয় দূতাবাস নিজেদের এক্স হ্যান্ডেলে জানিয়েছে, বিদেশে ভারতীয়দের উদ্ধার কাজে সদা তৎপর থাকে সরকার। উদ্ধার করা নাগরিকদের নিরাপদে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। ওই এক্স হ্যান্ডেলের পোস্টে কম্বোডিয়া সরকারকেও ধন্যবাদ জানানো হয়েছে সহযোগিতার জন্য। জানা গিয়েছে, বিগত ৪-৫ মাস ধরেই মোট ৩৬০ জন ভারতীয়কে জোর করে সাইবার ক্রাইম করানো হয় (Cyber Slaves Rescued)। এক বিবৃতিতে এ কথা জানিয়েছেন ইন্ডিয়ান সাইবারক্রাইম কো-অর্ডিনেসন সেন্টারের  সিইও রাজেশ কুমার। প্রসঙ্গত, প্রথম ব্যাচে ৬০ জনকে ফেরানো হয়েছে দেশে। আগামী সপ্তাহে আরও  ৬০ জনকে ফেরানো হবে। এইভাবে ধাপে ধাপে প্রত্যেকে দেশে ফিরে আসবেন।

    উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন 

    দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কম্বোডিয়া, মায়ানমার, লাওস প্রভৃতি দেশগুলিতে সাইবার ক্রাইম এর ঘটনা বেড়েই চলেছে এবং প্রতিটি ক্ষেত্রেই লক্ষ্যবস্তু বানানো ভারতকে। এ নিয়ে ইতিমধ্যে চলতি মাসের ১৬ তারিখে ভারত সরকার প্রতিটি দেশের সঙ্গে ইন্টার-মিনিস্টিয়াল কমিটি তৈরি করেছে যাতে সাইবার হানা ঠেকানো যায়। ওই কমিটির চেয়ারম্যান (Cyber Slaves Rescued) করা হয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের স্পেশাল সেক্রেটারিকে। এর পাশাপাশি কমিটিতে রয়েছেন বিদেশ মন্ত্রক, অর্থ মন্ত্রক, ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড ইনফরমেশন টেকনোলজি, ডিপার্টমেন্ট অফ টেলিকমিউনিকেশন, সিবিআই এনআইএ প্রভৃতির আধিকারিকরাও। ইতিমধ্যে এই কমিটির দুবার মিটিংও সম্পন্ন হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: গণতন্ত্রের উৎসবে সামিল কপিল-ধোনি! ভোট দিলেন গুরু গম্ভীর

    Lok Sabha Election 2024: গণতন্ত্রের উৎসবে সামিল কপিল-ধোনি! ভোট দিলেন গুরু গম্ভীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনের ষষ্ঠ দফার ভোটগ্রহণ (Lok Sabha Election 2024) চলছে আজ। শনিবার ৮টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মোট ৫৮টি আসনে ভোটগ্রহণ হয়। এদিন গণতন্ত্রের উৎসবে সামিল হলেন তারকা ক্রিকেটার থেকে কুস্তিগীররা। শনিবার ভোট দিয়েছেন বিশ্বকাপজয়ী প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক কপিল দেব (Kapil Dev), মহেন্দ্র সিং ধোনি (MS Dhoni)। কেকেআর মেন্টর তথা বিশ্বজয়ী ভারতীয় ক্রিকেট দলের সদস্য গৌতম গম্ভীর (Gautam Gambhir)। 

    মাহিকে দেখতে ভিড়

    রাঁচিতেই পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ভোট (Lok Sabha Election 2024) দিলেন ধোনি। বুথে গিয়ে ভোটকর্মীদের সঙ্গে কিছুক্ষণ কথা বলতেও দেখা গিয়েছে ধোনিকে (MS Dhoni)। ধোনি ছিলেন ফুরফুরে মেজাজে। তাঁর ভোট দিতে যাওয়ার ছবি পোস্ট করে জাতীয় নির্বাচন কমিশন লিখেছে, থালা ধোনি সপরিবারে ভোট দিয়ে ছক্কা হাঁকালেন। ধোনিকে দেখে এদিন পোলিং বুথে হুড়োহুড়ি পড়ে যায়। মাহির সঙ্গে সেলফি তোলার জন্য ভিড় করেন ভোটদাতারা। মোবাইল নিয়ে ছবি তুলতে থাকেন অনেকে। বুথের নিরাপত্তারক্ষীরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে কার্যত হিমশিম খান।

    গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিয়ে সন্তুষ্ট কপিল

    তিরাশির বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক কপিল দেব হরিয়ানার ভোটার। তিনি এদিন ভোট (Lok Sabha Election 2024) দিয়ে দেশের গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “গণতন্ত্রের মধ্যে থাকতে পেরে ভালো লাগছে। সংশ্লিষ্ট কেন্দ্র থেকে যোগ্য প্রার্থীকেই জেতানো উচিত। সরকার কী করবে তা নিয়ে না ভেবে, আমরা কী করতে পারি সেটা ভাবাই জরুরি।”

    গণতন্ত্রই শক্তি

    চেন্নাইয়ে আইপিএল ফাইনালের আগে দিল্লিতে ভোট (Lok Sabha Election 2024) দিলেন নাইটদের মেন্টর গৌতম গম্ভীর। ভোট দেওয়ার জন্য চেন্নাই থেকে দিল্লিতে ফিরেছিলেন গম্ভীর। শনিবার সকালেই ভোট দিলেন পূর্ব দিল্লির বিদায়ী সাংসদ। তিনি ভোট দিয়েই রওনা হন চেন্নাইয়ে। গম্ভীর ভোট দিয়ে বলেন, “প্রত্যেকের ভোট দেওয়া উচিত। বিপুল সংখ্যায় ভোটাধিকার প্রয়োগ করুন। এটাই আমাদের শক্তি, এটাই আমাদের গণতন্ত্র।” রাজনীতি থেকে সরে এলেও বিজেপি-নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকারের প্রশংসা করেন গম্ভীর। বলেন, বিগত ১০ বছরে সকার বিকাশের লক্ষ্য নিয়েই কাজ করেছে।

    ভোট দেওয়ার পর নিজের সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবিও পোস্ট করেছেন কেকেআরের মেন্টর। ছবির ক্যাপশনে লেখেন, ‘সবাই ভোট দাও। এটা তোমাদের অধিকার। এটা তোমাদের দেশ।’ ভারতের পতাকার একটি ইমোজিও দেন। ক্রিকেট ছাড়ার পর রাজনীতিতে যোগ দিয়েছিলেন গম্ভীর। বিজেপির হয়ে ভোটে জিতে পূর্ব দিল্লির সংসদ হন। কিন্তু নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চান তিনি। তারপরই কেকেআরের মেন্টর হিসেবে যোগ দেন।

    আরও পড়ুন: “জি-২০ সম্মেলন প্রমাণ করেছে অলিম্পিক্স আয়োজনের জন্য প্রস্তুত ভারত”, প্রত্যয়ী প্রধানমন্ত্রী

    ভোট কেন্দ্রে ববিতা ফোগাট

    হরিয়ানার ১০ আসনে এদিন ভোটগ্রহণ (Lok Sabha 2024) হয়। বাবা মহাবীর ফোগাট এবং মাকে সঙ্গে নিয়ে চারখি দাদরি এলাকায় ভোট দিতে গিয়েছিলেন কুস্তিগির ববিতা ফোগাট। ভোট দিয়ে কমওয়েলথ গেমসে সোনাজয়ী কুস্তিগির বলেন, “ভারতকে উন্নত দেশ হিসাবে গড়ে তোলার জন্য ভোট দিয়েছি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আমাদের দেশকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাচ্ছেন। তাই আমজনতাকে বলতে চাই, সকলে ভোট দিন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jhargram: ঝাড়গ্রামের বিজেপি প্রার্থীকে ছোড়া হল ইট, গাড়ি ভাঙচুর,পালাল জওয়ানরা, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    Jhargram: ঝাড়গ্রামের বিজেপি প্রার্থীকে ছোড়া হল ইট, গাড়ি ভাঙচুর,পালাল জওয়ানরা, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার ষষ্ঠদফা নির্বাচনের দিন পশ্চিম মেদিনীপুরের ঘাটাল লোকসভার কেশপুর অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে। বিজেপি প্রার্থী হিরণকে দফায় দফায় বিক্ষোভ দেখানো হয়। রাস্তায় আগুন জ্বেলে বিজেপিদের আটকানোর চেষ্টা করে তৃণমূল। আর দুপুর গড়াতেই অশান্তি ছড়ায় পশ্চিম মেদিনীপুরের গড়বেতায়। যদিও  গড়বেতা ঝাড়গ্রাম (Jhargram) লোকসভার মধ্যে পড়ে। সেই গড়বেতায় ঝাড়গ্রামের গড়বেতায় বিজেপি প্রার্থী প্রণত টুডুকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখায় তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকরা। ইট মেরে তাঁর গাড়ির কাঁচ ভেঙে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। পাশাপাশি, তাঁদের সঙ্গে কেন্দ্রীয় বাহিনীকেও এলাকা থেকে তাড়া দিয়ে বার করে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। ২০০ নম্বর বুথে উত্তেজনা। লাঠি, বাঁশ নিয়ে বিজেপি প্রার্থীর দিকে তেড়ে যান মহিলারা। সংবাদমাধ্যমের গাড়ির কাচও ভাঙা হয়। তৃণমূলের অভিযোগ, বিজেপি ওই এলাকায় অশান্তি করছে।

    বিজেপি প্রার্থীকে ছোড়া হল ইট, গাড়ি ভাঙচুর,পালাল জওয়ানরা (Jhargram)

    বেলা দেড়টা নাগাদ ঝাড়গ্রামের গড়বেতায় (Jhargram) যান বিজেপি প্রার্থী। বেশ কয়েকজন ভোটারদের ভোট দিতে দেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ। সেই অভিযোগ শুনে এলাকায় এসে প্রার্থী ভোটারদের নিয়ে এসে ভোট দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। সেই ভোটদান প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পরেই তাঁদের উপর আক্রমণ নেমে আসে বলে অভিযোগ। সেখানে ছাড় পায়নি সংবাদমাধ্যমের গাড়ি, কেন্দ্রীয় বাহিনীও। একটি ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, একদল মানুষ কার্যত পাথর ছুড়ছেন বিজেপি প্রার্থীকে। আর সেই পাথরের থেকে বাঁচতে ছুটতে- ছুটতে দৌড়চ্ছেন প্রার্থীও। তাঁকে ঘিরে ধরেছেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর সদস্যরা, তাঁকে বাঁচানোর চেষ্টা করছেন। কিন্তু, তিনিও শেষ পর্যন্ত রক্ষা পাননি, তাঁর গায়েও পাথর লেগেছে বলে অভিযোগ। পাশাপাশি, প্রার্থী অভিযোগ করেছেন, তাঁর নিরাপত্তারক্ষীর মাথায় ইট লাগে, তাতে মাথাও ফাটে।

    আরও পড়ুন: ঘূর্ণিঝড় রেমালের জন্য বঙ্গে একাধিক ট্রেন বাতিলের ঘোষণা দক্ষিণ পূর্ব রেলের

    নিরাপত্তারক্ষী  না থাকলে প্রাণ নিয়ে ফিরতে পারতাম না

    বিজেপি প্রার্থী প্রণত বলেন, প্রার্থী হিসাবে আমি এখানে এসেছিলাম। খবর ছিল, এখানে ভোট দিতে দেওয়া হচ্ছে না। পুলিশ প্রশাসন বলে কিছু নেই। আমাদের তরফে কোনও প্ররোচনা ছিল না। তৃণমূল ‘গো ব্যাক’ স্লোগান দিচ্ছে। ঝাড়গ্রামকে (Jhargram) সন্দেশখালি বানিয়ে দিয়েছে তৃণমূল। এখানে আমাদের ভোটারেরা ভোট দিতে পারছেন না। নিরাপত্তারক্ষী ছিল বলে আমি বেঁচেছি। না হলে প্রাণ নিয়ে ফিরতে পারতাম না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ei Samay: টাইমস গ্রুপের ‘এই সময়’ পত্রিকা অধিগ্রহণ মমতা ঘনিষ্ঠ আইনজীবী সঞ্জয় বসুর

    Ei Samay: টাইমস গ্রুপের ‘এই সময়’ পত্রিকা অধিগ্রহণ মমতা ঘনিষ্ঠ আইনজীবী সঞ্জয় বসুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০১২ সালে টাইমস গ্রুপ পশ্চিমবঙ্গে চালু করে ‘এই সময়’ দৈনিক সংবাদপত্র (Ei Samay)। যার প্রাত্যহিক সার্কুলেশন ছিল প্রায় ১.৭ লাখ কপি। সম্প্রতি টাইমস গ্রুপের এই সংবাদপত্রকে কিনে নিয়েছে একটি কোম্পানি, যার বয়স মাত্র এক মাস। এই কোম্পানির মাথা হলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অন্যতম ঘনিষ্ঠ ব্যক্তি আইনজীবী সঞ্জয় বসু।

    সঞ্জয় বসুর বিবৃতি

    ‘এইসময়’ পত্রিকাকে (Ei Samay) কিনে নেওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই লিঙ্কডিনে বিবৃতি আসে সঞ্জয় বসুর। সেখানে তিনি জানিয়েছেন, হিমাদ্রি স্পেশালিটি কেমিক্যাল লিমিটেডের অনুরাগ চৌধুরীর সঙ্গে এই দৈনিকটি তাঁরা কিনে নিয়েছেন। আশ্চর্যজনকভাবে ওই বিবৃতিতে সঞ্জয় বসু দাবি করেন, “আজ আমরা খুব অল্প লোক একত্রিত হয়েছি এবং ‘এইসময়’ সংবাদপত্রটি অধিগ্রহণ করেছি।” এই অল্প কয়েকজন লোক বলতে তিনি কাদেরকে বুঝিয়েছেন, তা অবশ্য স্পষ্ট নয়। কারণ যে কোম্পানি ‘এইসময়’ সংবাদপত্রকে অধিগ্রহণ করেছে তার বয়স এক মাসও নয়। এর পাশাপাশি ‘এই সময়’ এর কোন অ্যাসেট নেই।

    রাতারাতি ১৮ কোটি বিনিয়োগ

    পরবর্তীকালে দেখা যায় এক সপ্তাহ পরেই এই কোম্পানিতে বিনিয়োগ করা হয়েছে ১৮ কোটি টাকা। দেখা যাচ্ছে ওই ১৮ কোটি টাকার মধ্যে সঞ্জয় বসু বিনিয়োগ করেছেন ৯.৯২ কোটি টাকা। রকেট মার্কেটিং নামে একটি সংস্থা বিনিয়োগ করেছে ৫.৪১ কোটি টাকা এবং গৌতম আগরওয়াল নামে একজন বিনিয়োগ করেছেন ২.৭ কোটি টাকা।

    কে এই সঞ্জয় বসু

    সঞ্জয় বসু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তাঁর ভাইপো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ বলেই পরিচিত। দুজনের আইনি পরামর্শদাতা হিসেবে তিনি কাজ করেন। ২০২৩ সালের মার্চ মাসে সঞ্জয় বসু খবরের শিরোনামে আসেন, কারণ ইডি তখন পঞ্জি কেলেঙ্কারিতে তল্লাশি চালায় তাঁর বাড়িতে। সেই সময় ইডি প্রেস বিজ্ঞপ্তি দেয় যে বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে বেআইনিভাবে টাকা তোলার জন্য এই তল্লাশি করা হয়েছিল। ইডি তাদের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানায় যে ‘পিনকন গ্রুপ’ নামের একটি চিট ফান্ড এইভাবে ১৫৬ কোটি টাকা তুলেছে বিভিন্ন লোকের কাছ থেকে এবং ‘টাওয়ার ইনফোটেক লিমিটেড’ নামের অপর একটি কোম্পানি ৬৩৮ কোটি টাকা তুলেছে একইভাবে। সেই সময় সঞ্জয় বসুর হয়ে ব্যাট ধরেন খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি ইডির এই তল্লাশি অভিযানকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বলে দাবি করেন।

    অনেক দিন ধরেই বিক্রির চেষ্টা করছিল টাইমস গ্রুপ

    প্রসঙ্গত জানা গিয়েছে, টাইমস গ্রুপ ‘এইসময়’ সংবাদপত্রটিকে বিক্রি করার জন্য অনেক দিন ধরেই পরিকল্পনা করছিল। এমনটাই জানিয়েছেন পত্রিকার এক পুরনো কর্মচারী। আগেই ‘এইসময়’ সংবাদপত্রকে (Ei Samay) অপর একটি সংস্থার হাতে তুলে দিতে চেয়েছিল টাইমস গ্রুপ। কিন্তু সেই সংস্থা এটিকে কিনতে চাইনি। সূত্রের খবর, লকডাউনের পর থেকেই কাগজটি ক্রমশ ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছিল এবং বর্তমানে অর্ধেক কর্মী নিয়ে কাজ চালান হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Anasuya Sengupta: প্রথম কোনও ভারতীয় কান চলচ্চিত্র উৎসবে সেরা অভিনেত্রী হলেন, ইতিহাস কলকাতার অনসূয়ার

    Anasuya Sengupta: প্রথম কোনও ভারতীয় কান চলচ্চিত্র উৎসবে সেরা অভিনেত্রী হলেন, ইতিহাস কলকাতার অনসূয়ার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইতিহাস গড়ল কলকাতা। প্রথম ভারতীয় অভিনেত্রী হিসেবে ‘আঁ সার্ত্যাঁ রোগার’ বিভাগে শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর পুরস্কার পেলেন কলকাতার মেয়ে অনসূয়া সেনগুপ্ত (Anasuya Sengupta)। অনসূয়াই প্রথম ভারতীয় যিনি সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার পেলেন কান চলচ্চিত্র উৎসবে (Cannes Film Festival)। যা বিশ্বের দরবারে ভারতীয় সিনেমার জন্য এক অভাবনীয় সাফল্য৷ বুলগেরিয়ান পরিচালক কনস্টানটিন বোজানভ পরিচালিত ছবি ‘দ্য শেমলেস’-এর হাত ধরে এই শিরোপা পেলেন বাঙালি অভিনেত্রী। এই প্রথম কান-এ কোনও ভারতীয় অভিনেত্রী এই বিভাগে পুরস্কৃত হলেন। 

    ছবির বিষয় 

    ‘দ্য শেমলেস’-আবর্তিত রেণুকাকে ঘিরে। রেণুকার ভূমিকাতেই অভিনয় করেছেন বাংলার অনুসূয়া (Anasuya Sengupta)। সিনেমায় চলচ্চিত্রকার একজন যৌনকর্মীর কাহিনী তুলে ধরেছেন৷ গল্পে এক পুলিশ অফিসারকে ছুরি মেরে দিল্লির যৌনপল্লী থেকে পালায় সে। এরপর উত্তর ভারতের যৌনকর্মীদের একটি সম্প্রদায়ের কাছে আশ্রয় নেন৷ সেখানে তাঁর পরিচয় হয় দেবিকা (ওমারা)-র সঙ্গে৷ এই তরুণী পতিতাবৃত্তির জীবনকে ঘৃণা করেন৷ এরপর এই দুজনের জীবনের ওঠাপড়া নিয়েই বোনা হয় ছবির গল্প।  

    আরও পড়ুন: সাইবার জালিয়াতি রুখতে ৩ হাজারেরও বেশি সোশ্যাল সাইট, লিঙ্ক বন্ধ করল কেন্দ্র

    অনুসূয়ার কর্মজীবন (Anasuya Sengupta)

    জানা যায়, খাস কলকাতাতেই বেড়ে ওঠেন অনুসূয়া। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে তাঁর পড়াশোনা। তবে অনসূয়ার কর্মজীবনের শুরুটা অনেক বছর আগে। বাংলা ছবিতেও কাজ করেছেন তিনি। অঞ্জন দত্তের ‘ম্যাডলি বাঙালি’ ছবিতে তানিয়ার চরিত্রে দেখা যায় অনসূয়াকে। এখানেই শেষ নয়, অনুসূয়া ২০২১ সালে নেটফ্লিক্সের সত্যজিৎ রায়ের সংকলন ‘ফরগেট মি নট’ এবং ‘মাসাবা মাসাবা’র মতো শোয়ে প্রোডাকশন ডিজাইনার হিসাবেও কাজ করেছেন। এছাড়াও পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গেও কাজ করেছেন তিনি ৷ 
    শনিবার পরিসপমাপ্তি ঘটবে ২০২৪ কান চলচ্চিত্র উৎসবের (Cannes Film Festival)৷ আর তার আগে শুক্রবার রাতে কানের মঞ্চে এই সম্মান নিতে উঠে অনসূয়া (Anasuya Sengupta) তাঁর এই পুরস্কার সমাজের সেই সমস্ত পিছিয়ে পড়া সম্প্রদায়কে উৎসর্গ করেছেন, যাঁরা প্রতিনিয়ত বিশ্বের সর্বত্র নিজেদের অধিকারের জন্য লড়াই করে চলেছেন৷

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Cyclone Remal: শক্তি বাড়াল ঘূর্ণিঝড় রেমাল, দক্ষিণবঙ্গে সক্রিয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর ১২টি দল

    Cyclone Remal: শক্তি বাড়াল ঘূর্ণিঝড় রেমাল, দক্ষিণবঙ্গে সক্রিয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর ১২টি দল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রবল শক্তি নিয়ে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘রেমাল’ (Cyclone Remal)। রাজ্যের উপকূলবর্তী এলাকাগুলিতে চূড়ান্ত সতর্ক প্রশাসন। বাংলাদেশের খেপুপাড়া এবং পশ্চিমবঙ্গের সাগরদ্বীপের মধ্যবর্তী অংশে আছড়ে পড়তে চলেছে এই ঘূর্ণিঝড়। সে সময়ে উপকূলে হাওয়ার বেগ হতে পারে ঘণ্টায় ১১০ থেকে ১২০ কিলোমিটার। কোথাও কোথাও ১৩৫ কিলোমিটার পর্যন্ত ঝড়ের বেগ উঠতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় (Cyclone Update) মোতায়েন করা হয়েছে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীকে (এনডিআরএফ)। দক্ষিণবঙ্গে এনডিআরএফ-এর ১২টি দল নিযুক্ত করা হয়েছে। এরই মধ্যে কলকাতায় শুরু হল বৃষ্টি।

    খালি করা হল সমুদ্রতট

    ঝড়ের (Cyclone Remal) আশঙ্কায় ইতিমধ্যেই উপকূলের বেশ কিছু এলাকা থেকে বাসিন্দাদের নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে নিয়ে গিয়েছে প্রশাসন। ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলা নিয়ে দক্ষিণ ২৪ পরগনার কাকদ্বীপের মহকুমা শাসকের দফতর গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হয়েছে। তারপরেই বকখালির সমুদ্রতট ফাঁকা করেছে প্রশাসন। জেলাশাসক সুমিত গুপ্তা থেকে শুরু করে সুন্দরবন পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার কে রাও-সহ পুলিশ-প্রশাসনের পদস্থ কর্তারা মুহুর্মুহু বৈঠক সারছেন। অতিরিক্ত শুকনো খাবার, পানীয় জল মজুত রাখার উপরে জোর দেওয়া হচ্ছ। প্রতিটি ব্লক অফিসে খোলা হয়েছে কন্ট্রোল রুম। ঝড়ের গতি-প্রকৃতির উপর কড়া নজরদারি চালানো হচ্ছে।

    কোথায় কোথায় এনডিআরঅফ টিম

    এনডিআরএফ-এর যে ১২টি দলকে দক্ষিণবঙ্গে মোতায়েন করা হয়েছে, সেগুলি থাকবে কলকাতা বিমানবন্দর এলাকা, হাসনাবাদ, বসিরহাট, গোসাবা, কাকদ্বীপ, সাগরদ্বীপ, দিঘার রামনগর, কাঁথি, দাঁতন, নারায়ণগড় এবং আরামবাগে। দিঘায় দু’টি দল থাকবে বলে জানা গিয়েছে।  ঝড় (Cyclone Remal) এবং তৎপরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবিলা করবে এই দল।

    নিম্নচাপের অবস্থান

    নিম্নচাপ পরিস্থিতির দিকে অনবরত নজর রেখেছে আলিপুর। আজ শনিবার দুপুর সোয়া দু’টো নাগাদ নয়াদিল্লির মৌসম ভবনের তরফে জানানো হয়, ভোর সাড়ে পাঁচটা অবধি পাওয়া তথ্য অনুসারে, গভীর নিম্নচাপটি এখনও পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগরের ওপর রয়েছে। গত ছয় ঘণ্টা ধরে সেটি ১৭ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা গতিতে এগিয়ে চলেছে উত্তর দিকে। বর্তমানে সেটির অবস্থান পশ্চিমবঙ্গের সাগরদ্বীপ থেকে ৪৪০ কিলোমিটার দক্ষিণে। ক্রমশ উত্তরদিকে যত এগোবে, বঙ্গোপসাগরের ওপর তীব্র জলীয় বাষ্প সংগ্রহ করে তা আরও ভয়ানক হয়ে উঠবে এবং একটি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ের(Cyclone Remal) রূপ নিয়ে আগামীকাল ২৬ মে, রবিবার গভীর রাতে পশ্চিমবঙ্গের সাগরদ্বীপ ও বাংলাদেশের খেপুপাড়ার মাঝে কোনও এক জায়গায় আছড়ে পড়তে চলেছে।

    আরও পড়ুন: ঘূর্ণিঝড় ‘রেমাল’ থেকে সুরক্ষিত থাকতে কী করবেন, কী করবেন না? জানুন

    শহরে শুরু বৃষ্টি

    সকাল থেকে কাঠফাটা গরমে নাজেহাল শহরবাসী। কেউ কেউ মজা করে বলেছেন ঝড় (Cyclone Remal) কোথায়! কিন্তু দুপুর গড়াতেই আবহাওয়াতে বদল। দুপুর আড়াইটে নাগাদ হঠাৎই আকাশ কালো মেঘে ঢেকে যায়। শুরু হয় মেঘের গুড়গুড় ও মুষলধারায় বৃষ্টি। দমকা বাদলা হাওয়া বইতে শুরু করে। তাপমাত্রাও একধাক্কায় নেমে যায় অনেকটা। কোথাও কোথাও শুরু হয়েছে ঝিরঝিরে বৃষ্টি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Lok Sabha Election 2024: মেদিনীপুর কেন্দ্রে ভোটের দিনে তৃণমূলের বিরুদ্ধে রণং দেহি মুডে অগ্নিমিত্রা

    Lok Sabha Election 2024: মেদিনীপুর কেন্দ্রে ভোটের দিনে তৃণমূলের বিরুদ্ধে রণং দেহি মুডে অগ্নিমিত্রা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে চলছে ষষ্ঠ দফা নির্বাচন। মেদিনীপুর লোকসভা (Lok Sabha Election 2024) কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী হলেন অগ্নিমিত্রা পল। এই লোকসভা কেন্দ্রের একাধিক বুথ কেন্দ্রে বিজেপির এজেন্টদের তুলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। একেবারে কেশিয়াড়িতে অগ্নিশর্মা মেজাজে দেখা গেল অগ্নিমিত্রা পলকে। বুথের মধ্যেই পুলিশ ঢুকে গিয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। এরপর নিজেই পুলিশকে বার করে দেন বুথের ভিতর থেকে। এরপর ওই বুথে বিজেপির এজেন্টকেও বসান। কিন্তু বুথ থেকে বেরোলে তাঁকে ঘিরে পাল্টা বিক্ষোভও দেখায় তৃণমূল। ওঠে ‘গো ব্যাক’ স্লোগান। আবার খড়্গপুর সেরসা স্টেডিয়ামে ২৬৩ নম্বর বুথে ভোট দিলেন বিদায়ী সাংসদ দিলীপ ঘোষ।

    কী বললেন অগ্নিমিত্রা পাল (Lok Sabha Election 2024)?

    ভোটের (Lok Sabha Election 2024) দিনে তৃণমূল এবং পুলিশের বিরুদ্ধে আক্রমণ করে অগ্নিমিত্রা বলেন, “পুলিশ অত্যন্ত নির্লজ্জ। বুথের ভিতরে ঢুকে পুলিশ ভোট করাচ্ছে। আমাদের বুথ এজেন্টদের গতকাল রাত থেকেই পুলিশ তুলে নিয়ে চলে গিয়েছে। আজ সকালে অনেককে কোর্টে চালান করে দিয়েছে। আমাদের বুথে নতুন করে এজেন্ট বসাতে হচ্ছে। মমতা সরকারের পুলিশ, তৃণমূলের হয়ে সরাসরি কাজ করাচ্ছে। দরজায় দাঁড়িয়ে তৃণমূলের হয়ে ভোট করাচ্ছে পুলিশ।“ একই ভাবে কেন্দ্রীয় বাহিনীর কাজের উপর ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আপনারা কী চোখে দেখতে পান না? পুলিশ কীভাবে বুথের বাইরের দরজার সামনে দাঁড়িয়ে থাকার সাহস পায়। আপনারা কর্তব্য ঠিক মতো পালন না করলে আমরা অভিযোগ জানাবো কমিশনে। হুঁশিয়ারি দিয়ে গেলাম।” একই ভাবে বেলদা থানার সাবড়ায় ৫৫ নম্বর বুথে বিজেপি কর্মীদের মারধরের অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। এরপর ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন অগ্নিমিত্রা।

    আরও পড়ুনঃ নন্দীগ্রামের পর মহিষাদলে খুন আরও ১, ভোটের দিনেও উত্তেজনা রাজ্যে

    ঝাড়গ্রামে প্রণত টুডুর গাড়িতে আক্রমণ

    নির্বাচনের (Lok Sabha Election 2024) দিনে ঝাড়গ্রামের গড়বেতায় বিজেপি প্রার্থী প্রণত টুডুকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখায় তৃণমূল। তাঁর গাড়ি লক্ষ্য করে ঢিল ছোড়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। ২০০ নম্বর বুথে দেখা দিয়েছিল ব্যাপক উত্তেজনা। লাঠি, বাঁশ নিয়ে বিজেপি প্রার্থীর দিকে তেড়ে যান মহিলারা। একই সঙ্গে সংবাদমাধ্যমের গাড়ির কাচও ভেঙে দেওয়া হয়েছে। আবার গাড়িতে হামলার ঘটনায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর এক জওয়ান জখম হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “জি-২০ সম্মেলন প্রমাণ করেছে অলিম্পিক্স আয়োজনের জন্য প্রস্তুত ভারত”, প্রত্যয়ী প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: “জি-২০ সম্মেলন প্রমাণ করেছে অলিম্পিক্স আয়োজনের জন্য প্রস্তুত ভারত”, প্রত্যয়ী প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনের সফল আয়োজন প্রমাণ করে দিয়েছে যে, ভারত অলিম্পিক্স (Olympics 2036) পরিচালনার জন্যও প্রস্তুত। শনিবার এক সাক্ষাতকারে গর্বের সঙ্গে একথা ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তিনি জানান, ইতিমধ্যেই এ বিষয়ে কেন্দ্র একটি দল গঠন করেছে। অন্যান্য দেশ কীভাবে এই ধরনের বড় ইভেন্ট আয়োজন করে তা ভালভাবে খতিয়ে দেখবে ওই দল। তাঁদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়েই ভারতে অলিম্পিক্স আয়োজনের মঞ্চ তৈরি করা হবে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী মোদি।

    জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনের সফল আয়োজন

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “যদি কেউ বা কোনও গোষ্ঠী গত বছর ভারতে আয়োজিত জি-২০ (G20 Summit) শীর্ষ সম্মেলনের বিস্তারিত বিশ্লেষণ করেন তাহলে তাঁরা নিশ্চিত হবেন যে এখন ভারতে এই ধরনের বড় ইভেন্ট হোস্ট করার পরিকাঠামো রয়েছে। জি-২০ সম্মেলন ভারতের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দিয়েছে। ওই সম্মেলন শুধুমাত্র দিল্লিকে কেন্দ্র করে হয়নি। সারা দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ওই সম্মেলনের নানা ইভেন্ট আয়োজন করা হয়েছিল। এতে সারাদেশে আত্মবিশ্বাস তৈরি হয়েছে। বিশ্ববাসীর কাছেও বার্তা পৌঁছনো গিয়েছে, যে ভারত এখন তৈরি।” 

    অলিম্পিক্সের জন্য চেষ্টা

    ২০৩৬ সালে ভারতে অলিম্পিক্স (Olympics 2036) অনুষ্ঠিত করতে বদ্ধপরিকর কেন্দ্রীয় সরকার। মোদির (PM Modi) কথায়, “গত কয়েক বছরে তাঁর সরকার দেশের ক্রীড়া ক্ষেত্রে সার্বিক উন্নয়নের জন্য অনেক কাজ করেছে। খেলাধুলোর মধ্যে থেকে নোংরা খেলাকে বাদ দেওয়া হয়েছে।”  মোদি বলেন, “দেশে প্রতিভার কোনও ঘাটতি নেই। আমরা শুধু এই প্রতিভাবান ক্রীড়াবিদদের আত্মবিশ্বাস জুগিয়েছি। সরকার সব ভাবে তাঁদের সাহায্য করছে। এখন আমরা খেলাকে সবার কাছে পৌঁছে দিচ্ছি।” মোদি জানান, ২০৩৬ সালে ভারতে অলিম্পিক্স অনষ্ঠিত করার জন্য কঠোর পরিশ্রম চালিয়ে যাচ্ছে তাঁর সরকার। 

    অলিম্পিকে প্রধানমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) এদিন স্মৃতিচারণা করে বলেন, “আমি ১৯৯৬ সালে আটলান্টায় অলিম্পিক্স দেখতে গিয়েছিলাম। আমি ব্যবস্থাপনা এবং সমন্বয় নিয়ে আগ্রহ দেখিয়েছিলাম। আমি দেখতে চেয়েছিলাম কীভাবে এত বিশাল অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। একটি মজার বিষয় আমি লক্ষ্য করেছি যে যারা অলিম্পিক্স ভিলেজে ভ্রমণ করে তাদের গাড়ি প্রায় ২০০-২৫০ কিলোমিটার দূরে পার্ক করতে হয়। সেখান থেকে তারা বাসে ওঠেন। কালার কোড দিয়ে বাস-ট্রেন সব যানবাহন চলত। আমি অলিম্পিক্সের জন্য তৈরি করা আমার টিমকে বলেছি অলিম্পিক্স এবং এই ধরনের বৈশ্বিক ইভেন্ট আয়োজনের অন্যান্য খুঁটিনাটি অধ্যয়ন করতে।” 

    আরও পড়ুন: ভারতে ৩৮০ কোটি ডলার বিনিয়োগ করবে আইডিএফসি, জানালেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত

    মোদির আশা

    প্রসঙ্গত, বিগত বছরগুলিতে অলিম্পিক্স (Olympics 2036), এশিয়ান গেমস, কমনওয়েলথ গেমসের মতো ইভেন্টে ভালো ফল করেছে ভারতীয় ক্রীড়াবিদরা। নীরজ চোপড়ার হাত ধরে ভারত অলিম্পিক্সের ট্র্যাক-ফিল্ড ইভেন্ট থেকে প্রথম পদক পেয়েছে ২০২১ সালে। তাও আবার সোনা। এই আবহে ভারতকে ক্রীড়া জগতে উজ্জ্বল নক্ষত্রে পরিণত করতে ছক কষছে মোদি সরকার। আর এর জন্যে ভারতে অলিম্পিক্স প্রতিযোগিতা আয়োজনের তোড়জোড় চালাচ্ছে কেন্দ্র। প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “অলিম্পিক্স আয়োজনের জন্য আমাদের মানবসম্পদের বিকাশ ঘটাতে হবে, পরিকাঠামো প্রস্তুত করতে হবে, কী কী প্রয়োজন তা বুঝতে হবে… একই সঙ্গে, আমাদের ভারতের ক্রীড়াবিদদের প্রস্তুত করতে হবে। আমরা যদি অলিম্পিক্স আয়োজন করি, তাহলে অন্য কেউ কীভাবে স্বর্ণপদক নিতে পারে?”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share