Tag: bangla news

bangla news

  • Ramakrishna 565: “আচ্ছা, এটা তোমার কি মনে হয়? টাকা ছুঁলে হাত এঁকে বেঁকে যায়, নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে যায়!”

    Ramakrishna 565: “আচ্ছা, এটা তোমার কি মনে হয়? টাকা ছুঁলে হাত এঁকে বেঁকে যায়, নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে যায়!”

    ৫১ ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ দক্ষিণেশ্বর-মন্দিরে ভক্তসঙ্গে

    একাদশ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২রা সেপ্টেম্বর

    শ্রীযুক্ত ডাক্তার ভগবান রুদ্র ও ঠাকুর রামকৃষ্ণ

    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) মধ্যাহ্নে সেবা করিয়া নিজের আসনে বসিয়া আছেন। ডাক্তার ভগবান রুদ্র ও মাস্টারের সহিত কথা কহিতেছেন। ঘরে লাটু প্রভৃতি ভক্তেরাও আছেন।

    আজ বুধবার, নন্দোৎসব, ১৮ই ভাদ্র; শ্রাবণ অষ্টমী-নবমী তিথি; ২রা সেপ্টেম্বর, ১৮৮৫ খ্রীষ্টাব্দ। ঠাকুরের অসুখের বিষয় সমস্ত ডাক্তার শুনিলেন। ঠাকুর মেঝেতে আসিয়া ডাক্তারের কাছে বসিয়াছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)— দেখো গা, ঔষধ সহ্য হয় না! ধাত আলাদা।

    টাকা স্পর্শন, গিরোবান্ধা, সঞ্চয় — এ-সব ঠাকুরের অসম্ভব 

    “আচ্ছা, এটা তোমার কি মনে হয়? টাকা ছুঁলে হাত এঁকে বেঁকে যায়। নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে যায়! আর যদি আমি গিরো (গ্রন্থি) বাঁধি যতক্ষণ না গিরো খোলা হয়, ততক্ষণ নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে থাকবে!”

    এই বলিয়া একটি টাকা আনিতে বলিলেন (Kathamrita)। ডাক্তার দেখিয়া অবাক্‌ যে হাতের উপর টাকা দেওয়াতে হাত বাঁকিয়া গেল; আর নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে গেল। টাকাটি স্থানান্তরিত করিবার পর, ক্রমে ক্রমে তিনবার দীর্ঘনিঃশ্বাস পড়িয়া, তবে হাত পুনর্বার শিথিল হইল।

    ডাক্তার মাস্টারকে বলিতেছেন, Action on the nerves (স্নায়ুর উপর ক্রিয়া)।

    পূর্বকথা — শম্ভু মল্লিকের বাগানে আফিম সঞ্চয় — জন্মভূমি কামারপুকুরে আম পাড়া — সঞ্চয় অসম্ভব

    ঠাকুর (Ramakrishna) আবার ডাক্তারকে বলিতেছেন, ‘আর একটি অবস্থা আছে। কিছু সঞ্চয় করবার জো নাই! শম্ভু মল্লিকের বাগানে একদিন গিছলাম। তখন বড় পেটের অসুখ। শম্ভু বললে — একটু একটু আফিম খেও তাহলে কম পড়বে। আমার কাপড়ের খোঁটে একটু আফিম বেঁধে দিলে। যখন ফিরে আসছি, ফটকের কাছে, কে জানে ঘুরতে লাগলাম—যেন পথ খুঁজে পাচ্ছি না। তারপর যখন আফিমটা খুলে ফেলে দিলে, তখন আবার সহজ অবস্থা হয়ে বাগানে ফিরে এলাম।

    “দেশেও আম পেড়ে নিয়ে আসছি — আর চলতে পারলাম না, দাঁড়িয়ে পড়লাম। তারপর সেগুলো একটা ডোবের মতন জায়গায় রাখতে হল — তবে আসতে পারলাম! আচ্ছা, ওটা কি?”

    ডাক্তার — ওর পেছনে আর একটা (শক্তি) আছে, মনের শক্তি।

    মণি—ইনি বলেন (Kathamrita), এটি ঈশ্বরের শক্তি (Godforce) আপনি বলছেন মনের শক্তি (Willforce)।

  • T20 World Cup: ‘পিএসএলে বিদেশি ক্রিকেটার নয়, এশিয়া কাপ থেকেও নিষেধাজ্ঞা’— পিসিবিকে কড়া বার্তা আইসিসির

    T20 World Cup: ‘পিএসএলে বিদেশি ক্রিকেটার নয়, এশিয়া কাপ থেকেও নিষেধাজ্ঞা’— পিসিবিকে কড়া বার্তা আইসিসির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে (T20 World Cup) পাকিস্তান খেলবে কি না, তা নিয়ে আগামী শুক্রবার বা সোমবার পাকিস্তান সিদ্ধান্ত নেবে। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) চেয়ারম্যান মহসিন নকভি এ কথা জানিয়েছেন। সোমবার পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গে বৈঠক করেন নকভি। তাঁদের মধ্যে ৩০ মিনিট কথা হয়েছে। বিশ্বকাপ নিয়ে সমস্ত পরিস্থিতি পাক প্রধানমন্ত্রীকে ব্যাখ্যা করেছেন নকভি। তারপরই আরও সময় চায় পাকিস্তান। যদিও আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬ থেকে সরে দাঁড়ানোর হুমকি দিলে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডকে (পিসিবি) একাধিক কঠোর নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়তে হতে পারে।

    ‘বয়কট বয়কট’ নাটকই সার!

    দীর্ঘ টালবাহানা, বিতর্ক, অজুহাতের পর আসন্ন টি-২০ বিশ্বকাপ থেকে ছাঁটাই হয়েছে বাংলাদেশ। অর্থাৎ ভারত এবং শ্রীলঙ্কার মাটিতে হতে চলা মেগা টুর্নামেন্টে লিটন দাসদের এবার আর দেখা যাবে না। তার পরিবর্ত হিসেবে খেলবে স্কটল্যান্ড। বাংলাদেশকে একাধিকবার নিজেদের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার সুযোগ দিয়েছিল বিশ্ব ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা। কিন্তু বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড সাফ জানিয়ে দেয়, ভারতের মাটিতে তারা খেলতে নারাজ। ফলে আইসিসিও নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে জানায়, ‘হয় খেলো, নাহলে এসো’। আর তারপরই ঘোষণা হয়ে যায় স্কটল্যান্ডের নাম। এদিকে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়ে ‘বয়কট বয়কট’ নাটকই সার! পিঠ বাঁচাতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য দল ঘোষণাও করে দিয়েছে পাকিস্তান। তবে পাক বোর্ডের প্রধান মহসিন নাকভি জানিয়েছেন, দল ঘোষণার অর্থ এই নয় যে টুর্নামেন্টে অংশ নিতে রাজি পাকিস্তান। এনিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে শাহবাজ শরিফের সরকার।

    প্রধানমন্ত্রীর নাম বিভ্রাট! কী লিখলেন নকভি

    সোমবারই পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন নকভি। বৈঠক শেষে তিনি এক্স হ্যান্ডেলে জানান, অত্যন্ত ইতিবাচক কথাবার্তা হয়েছে। বৈঠক শেষে তিনি সমাজমাধ্যমে লেখেন, ‘‘প্রধানমন্ত্রী মিয়াঁ মুহাম্মদ শাহবাজ শরিফের সঙ্গে একটি ফলপ্রসূ বৈঠক হয়েছে। আইসিসির অবস্থান এবং গোটা পরিস্থিতি সম্পর্কে তাঁকে বিস্তারিত জানিয়েছি। তিনি বলেছেন, ‘আমরা সব বিকল্প খোলা রেখে সমাধান করব।’ চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আগামী শুক্রবার অথবা সোমবার নেওয়া হবে বলে ঠিক হয়েছে।’’ সঙ্গে শাহবাজের সঙ্গে বৈঠকের ছবিও দিয়েছেন নকভি, যিনি একই সঙ্গে পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ বিষয়কমন্ত্রীও। নকভির এক্স পোস্ট ঘিরে তৈরি হয়েছে নতুন জল্পনা। প্রথমে তাঁর এক্স অ্যাকাউন্টে পাক প্রধানমন্ত্রীর নাম সম্ভবত ‘মিয়াঁ মুহাম্মদ নওয়াজ শরিফ’ লেখা হয়। পরে সংশোধন করে ‘মিয়াঁ মুহাম্মদ শাহবাজ শরিফ’ লেখেন তিনি।

    আইসিসির শাস্তির ভয়ে প্রতীকী প্রতিবাদ!

    বিশ্বকাপ থেকে পুরোপুরি নাম প্রত্যাহার করবে না পাকিস্তান। আইসিসির শাস্তির ভয়ে প্রতীকী প্রতিবাদ জানাতে পারে পিসিবি। শুধু ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ বয়কট করতে পারে তারা। ভারত ছাড়া বাকি সব দেশের বিরুদ্ধে খেলবে তারা। ভারতের বিরুদ্ধে নাকি গ্রুপ পর্বের ম্যাচ বয়কট করতে পারেন শাহিনরা। ১৫ ফেব্রুয়ারি কলম্বোয় মুখোমুখি হওয়ার কথা দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর। কিন্তু সেই ম্যাচে না-ও নামতে পারে পাকিস্তান। যদিও তাতে আখেরে ক্ষতিই হবে তাদের। কারণ ভারতকে ওয়াকওভার দিলে বাবরদের সুপার ১২-তে ওঠা আরও কঠিন হয়ে উঠবে। ‘নাটকে’র এখানেই ইতি নয়। বাংলাদেশের প্রতি দরদ ঠিক কতখানি উথলে উঠছে, তা ম্যাচ জিতলেই বোঝাতে চায় পাকিস্তান। কীভাবে? টুর্নামেন্টে নিজেদের প্রতিটি জয় বাদ পড়া বাংলাদেশকে উৎসর্গ করার পরিকল্পনা তাদের। এছাড়া কালো ব্যান্ড বেঁধে আইসিসির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ প্রদর্শন করতে পারে তারা।

    পাকিস্তানের ভূমিকায় ক্ষুব্ধ আইসিসি

    পাকিস্তানের হুঁশিয়ারি ভাল ভাবে নেয়নি জয় শাহের আইসিসি। নকভিরা বিশ্বকাপ বয়কট করলে কড়া পদক্ষেপ করতে পারে আইসিসি। আইসিসির সব সদস্য দেশই পাকিস্তানের অনভিপ্রেত হস্তক্ষেপে ক্ষুব্ধ। কারণ মূল সমস্যার সঙ্গে পাকিস্তানের কোনও যোগ নেই। প্রয়োজনে পাকিস্তানকে দীর্ঘ দিন সাসপেন্ড করে রাখার মতো কঠিন সিদ্ধান্তও নিতে পারে আইসিসি। পাকিস্তান যদি বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়ায়, তাহলে আইসিসি একাধিক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে—পাকিস্তানকে এশিয়া কাপ থেকে নিষিদ্ধ করা। সব ধরনের দ্বিপাক্ষিক সিরিজ বাতিল করা। পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) বিদেশি ক্রিকেটারদের খেলার জন্য এনওসি না দেওয়া হতে পারে।

    পিসিবির ভূমিকায় ক্ষুব্ধ বিসিসিআই

    বাংলাদেশকে বিশ্বকাপ থেকে আইসিসি ছাঁটাই করে দেওয়ার পর পাকিস্তানও জানিয়েছে, তারা খেলবে কি না ভেবে দেখবে। পিসিবির এই ভূমিকায় ক্ষুব্ধ বিসিসিআইও। ভারতীয় বোর্ডের সহ-সভাপতি রাজীব শুক্ল বলেছেন, ‘‘পাকিস্তান কোনও কারণ ছাড়াই হস্তক্ষেপ করছে। বাংলাদেশকে উস্কানি দিচ্ছে। সকলে জানে এক সময় বাংলাদেশের মানুষের উপর বর্বরতা চালিয়েছে পাকিস্তান। এখন আবার তাদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে পাকিস্তান। এটা সম্পূর্ণ ভুল। আমরা চেয়েছিলাম বাংলাদেশ বিশ্বকাপ খেলুক। আমরা নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার আশ্বাস দিয়েছিলাম। তা-ও ওরা নিজেদের সিদ্ধান্তেই অনড় থাকে। শেষ মুহূর্তে বিশ্বকাপের পুরো সূচি বদলে ফেলা অসম্ভব। সে কারণেই পরিবর্ত হিসাবে স্কটল্যান্ডকে সুযোগ দেওয়া হয়েছে।’’ উল্লেখ্য, আইসিসির বোর্ড মিটিংয়ে বাংলাদেশ ২-১৪ ব্যবধানে হেরে যায় বিশ্বকাপের ম্যাচ ভারত থেকে সরানোর দাবি নিয়ে ভোটাভুটিতে। বাংলাদেশ নিজেদের ভোট ছাড়া শুধু পাকিস্তানের সমর্থন পেয়েছিল। আইসিসির বোর্ড মিটিংয়ের আগে থেকেই অবশ্য টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ইস্যুতে বাংলাদেশের পাশে থেকেছে পাকিস্তান।

     

     

     

     

  • Padma Shri: পদ্মশ্রী পেলেন সত্যনারায়ণ নুওয়াল, কে তিনি জানেন?

    Padma Shri: পদ্মশ্রী পেলেন সত্যনারায়ণ নুওয়াল, কে তিনি জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোলার ইন্ডাস্ট্রিজ ইন্ডিয়া লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা তথা চেয়ারম্যান সত্যনারায়ণ নুওয়ালকে (Satyanarayan Nuwal) বাণিজ্য ও শিল্প ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য পদ্মশ্রী (Padma Shri) সম্মানে ভূষিত করা হয়েছে। গত বছরের মে মাসে পরিচালিত ‘অপারেশন সিঁদুরে’ ব্যবহৃত ‘নাগাস্ত্র’গুলি তাঁর সংস্থাই তৈরি করেছিল। তিনি সোলার ডিফেন্স অ্যান্ড অ্যারোস্পেস লিমিটেড (এসডিএএল)-এরও চেয়ারম্যান। এই সংস্থাটি সম্ভবত দেশের প্রথম এবং বৃহত্তম বেসরকারি সামরিক মানের বিস্ফোরক উৎপাদন কেন্দ্র। উল্লেখযোগ্যভাবে, এসডিএএল ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্রের জন্য বুস্টারও সরবরাহ করেছে।

    অসাধারণ অবদানের জন্য নির্বাচিত নুওয়াল (Padma Shri)

    শিল্প ও সমাজে অসাধারণ অবদানের জন্য নির্বাচিত নুওয়াল সাম্প্রতিক বছরগুলিতে মহারাষ্ট্রের বিদর্ভ অঞ্চল থেকে এই সম্মানপ্রাপ্ত একমাত্র ব্যবসায়ী। সংবাদ মাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “এত বড় সম্মান পাব, তা আমি আশা করিনি। এই পুরস্কার দেশের প্রতি আমার দায়বদ্ধতাকেই আরও বাড়িয়ে দিল। প্রতিরক্ষা ব্যবসায় লাভই আমার মূল লক্ষ্য নয়।” প্রথম প্রজন্মের উদ্যোক্তা নুওয়াল নয়ের দশকের মাঝামাঝি সময়ে কোল ইন্ডিয়া লিমিটেডকে বাণিজ্যিক বিস্ফোরক সরবরাহের মাধ্যমে অত্যন্ত সাধারণভাবে ব্যবসা শুরু করেন। সেই সময় তিনি একাই ভ্রমণ করতেন এবং অনেক সময় রেলস্টেশনের প্ল্যাটফর্মেই অপেক্ষা করতেন। তবে ২০১০ সালে সামরিক মানের বিস্ফোরক উৎপাদন শুরু করার মাধ্যমে তিনি সফলভাবে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে প্রবেশ করেন। ৭৪ বছর বয়সি নুওয়াল স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে বলেন, “একটি বেসরকারি সংস্থার পক্ষে এটি ছিল সম্পূর্ণ নতুন ক্ষেত্র। সশস্ত্র বাহিনীর সরবরাহ সংক্রান্ত সমস্যার কথা আমি প্রায়ই শুনতাম এবং বুঝতে পারি যে দেশের আরও অংশগ্রহণকারীর প্রয়োজন। পরিস্থিতি বিচার করে আমরা দেশের প্রতিরক্ষায় সামান্য হলেও অবদান রাখার সিদ্ধান্ত নিই।”

    প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং

    চলতি মাসে এসডিএএল কারখানা পরিদর্শনের সময় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং নিশ্চিত করেন যে, ভারতের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক অভিযানে সংস্থার ‘নাগাস্ত্র’ ড্রোন-সংযুক্ত লইটারিং মিউনিশন শত্রুপক্ষের লক্ষ্যবস্তুতে নিখুঁত আঘাত হেনেছে। সেই সময় নুওয়াল তাঁকে জানান, “আমেরিকা বা অন্য দেশে এক সঙ্গে চারটি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া যায়। কিন্তু আমাদের ‘ভার্গবাস্ত্র’ একসঙ্গে ৬০টি মাইক্রো-মিসাইল নিক্ষেপ করতে পারে। এমন ব্যবস্থা এখনও পৃথিবীর কোথাও নেই (Padma Shri)।” ভার্গবাস্ত্র একটি বহুস্তরবিশিষ্ট মাইক্রো-মিসাইলভিত্তিক অ্যান্টি-ড্রোন বা কাউন্টার আনম্যানড এরিয়াল সিস্টেম (C-UAS)। প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে ‘প্রলয়’ স্বল্প-পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সম্পর্কেও জানানো হয়। সংস্থার এক আধিকারিক বলেন, “আমরা প্রলয়ের বহু মোটর তৈরি করি, তবে আমাদের সক্ষমতা রয়েছে পুরো ক্ষেপণাস্ত্র নির্মাণের। সুযোগ পেলে মাত্র দু’মাসেই তা করা সম্ভব (Satyanarayan Nuwal)।” এছাড়া, এসডিএএল তৈরি করেছে ‘এসই-বেক্স-২’, যা পারমাণবিক বোমার পর সবচেয়ে শক্তিশালী উচ্চ-শক্তির বিস্ফোরক হিসেবে বিবেচিত এবং প্রচলিত টিএনটির তুলনায় দ্বিগুণ শক্তিশালী। সেনাবাহিনীকে সম্পূর্ণ গোলাবারুদের ব্যবস্থা সরবরাহকারী প্রথম বেসরকারি সংস্থাও এটি। এর মধ্যে ছিল বহু-মোডের হ্যান্ড গ্রেনেড, যা পুরনো মডেলগুলির জায়গা নিয়েছে।

    রকেটের অর্ডার

    প্রথমদিকে সংস্থাটি পিনাকা রকেটের অর্ডার পূরণ করে সামরিক উৎপাদনে প্রবেশ করে। পরে এটি বহু-মোড গ্রেনেড তৈরি করে, যা কোনও বাণিজ্যিক সংস্থার দ্বারা নির্মিত প্রথম পূর্ণাঙ্গ সিস্টেম। এরপর ধীরে ধীরে সংস্থাটি অ্যান্টি-ড্রোন প্রযুক্তি ও ড্রোন উৎপাদনেও সম্প্রসারিত হয়। সম্প্রতি এসডিএএল নাগপুরের মিহান-এসইজেডে জমি কিনেছে, যেখানে রোবোটিক্স ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নির্ভর প্রযুক্তি উন্নয়নের পরিকল্পনা রয়েছে (Padma Shri)। ফোর্বসের তালিকা অনুযায়ী নুওয়ালের মোট সম্পদের পরিমাণ ৫.২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ৪৬,৫০০ কোটি টাকা), যা তাঁকে ভারতের অন্যতম ধনী ব্যক্তিদের তালিকায় জায়গা দিয়েছে। প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে তাঁর সংস্থা ব্যাপকভাবে স্বীকৃত এবং ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর জন্য বিস্ফোরক উৎপাদনের সরকারি লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রথম সংস্থাও এটি। অথচ এই বিশাল ব্যবসায়িক সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা রাজস্থানের ভিলওয়াড়ার এক সাধারণ পরিবার থেকে উঠে এসেছেন (Satyanarayan Nuwal)। তাঁর বাবা ছিলেন সরকারি হিসাবরক্ষক, যিনি ছোটবেলা থেকেই ব্যবসায়িক দক্ষতা গড়ে তোলায় গুরুত্ব দিয়েছিলেন।

    ফোর্বসকে দেওয়া সাক্ষাৎকার

    আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে দশম শ্রেণির পর নুওয়াল আর পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারেননি। পরে তিনি এক বছর মথুরায় তাঁর গুরুর সঙ্গে কাটিয়ে বিভিন্ন ছোট ব্যবসায় হাত দেন। ফোর্বসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “শিক্ষার চেয়েও ব্যবসা করার আগ্রহই আমার বেশি ছিল।” তিনি ফাউন্টেন পেনের কালি তৈরি, লিজিং ব্যবসা এবং পরিবহণ সংস্থা, এমন নানা উদ্যোগে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেন। মাত্র ১৯ বছর বয়সে তাঁর বিয়ে হয়, ফলে দায়িত্ব আরও বাড়ে। পরিবার চালানোর তাগিদে ১৯৭৭ সালে তিনি মহারাষ্ট্রের চন্দ্রপুরে এক আত্মীয়ের সঙ্গে কাজ করতে যান। অর্থের অভাবে অনেক রাত তাঁকে রেলস্টেশনেও কাটাতে হয়েছে (Padma Shri)। সেখানে তাঁর পরিচয় হয় আবদুল সাত্তার আল্লাভাইয়ের সঙ্গে, যিনি একটি গানপাউডার ডিপোর মালিক ছিলেন এবং বিস্ফোরক ব্যবহারের লাইসেন্সধারী (Satyanarayan Nuwal)। নুওয়াল মাসিক এক হাজার টাকায় ডিপোটি ভাড়া নেওয়ার কথা বললেও সে অর্থ জোগাড় করা তাঁর পক্ষে কঠিন ছিল। পরে তাঁর সংস্থা কয়লা খনি থেকে বড় অর্ডার পেতে শুরু করে। ১৯৮৪ সালের মধ্যে এটি একটি কনসাইনমেন্ট এজেন্সিতে পরিণত হয় এবং ১৯৯০ সালের মধ্যে তিনি গুরুত্বপূর্ণ বিস্ফোরক ব্যবসায়ী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হন।

    সোলার ইন্ডাস্ট্রিজ

    ১৯৯৫ সালে নাগপুরে সোলার ইন্ডাস্ট্রিজ প্রতিষ্ঠা করা তাঁর জীবনের মোড় ঘোরানোর একটি অন্যতম সিদ্ধান্ত। ব্যাঙ্ক ঋণ ও সঞ্চয় মিলিয়ে ৬০ লক্ষ টাকা বিনিয়োগ করে তিনি স্লারি বিস্ফোরক উৎপাদন শুরু করেন এবং দ্রুতই বাল্ক বিস্ফোরক ও ডিটোনেটর উৎপাদন করতে শুরু করেন। এই সংস্থার অন্যতম প্রধান গ্রাহক হয় কোল ইন্ডিয়া (Padma Shri)। ২০০৬ সালে সংস্থাটি শেয়ারবাজারে আসে, তখন নিট মুনাফা ছিল প্রায় ১১ কোটি টাকা এবং বার্ষিক টার্নওভার ৭৮ কোটি টাকা। সেই অর্থ মূলত সম্প্রসারণে ব্যয় হয় এবং ১৩টি উৎপাদন কেন্দ্র স্থাপন করা হয়। পরে জাম্বিয়া, ঘানা, নাইজেরিয়া, তুরস্ক, তানজানিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকায় ছ’টি কারখানা গড়ে ওঠে। দেশে ন’টি রাজ্যের ২৯টি শহরে সংস্থার ইউনিট রয়েছে। থাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া ও অস্ট্রেলিয়ায়ও কারখানা তৈরি করা হয়েছে (Satyanarayan Nuwal)। পরবর্তী কালে এটি দেশের সশস্ত্র বাহিনীর জন্য অস্ত্র ও বিস্ফোরক উৎপাদনের সরকারি লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রথম বেসরকারি সংস্থায় পরিণত হয়। নুওয়াল বুঝেছিলেন যে গোলাবারুদ উৎপাদন দেশেই করতে হবে। তাই তিনি গ্রেনেড, মাঝারি ও বড় ক্যালিবারের গোলাবারুদ, উচ্চ-শক্তির বিস্ফোরক, প্রপেল্যান্ট ও ওয়ারহেড তৈরির সক্ষমতা গড়ে তোলেন।

    গোলাবারুদের এত বড় অর্ডার

    সোলার ইন্ডাস্ট্রিজ প্রায় ৪৫০ কোটি টাকার মাল্টি-মোড হ্যান্ড গ্রেনেড সরবরাহের অর্ডার পায়, যা দু’বছরে সরবরাহ করার কথা। ভারতের প্রতিরক্ষা ইতিহাসে এই প্রথম কোনও বেসরকারি সংস্থাকে গোলাবারুদের এত বড় অর্ডার দেওয়া হয়। সান্দীপ মেটালিকসের চেয়ারম্যান সন্দীপ আগরওয়াল বলেন, “খনি শিল্পে বিস্ফোরক সরবরাহকারী হিসেবে শুরু করে নুওয়াল প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে এমন সব ব্যবস্থা গড়ে তুলেছেন, যা আগে কোনও বেসরকারি সংস্থা করেনি। ২০১০ সালে তিনি এই ক্ষেত্রে বিনিয়োগ শুরু করেন, আর এখন এসে সংস্থা তার সুফল পেতে শুরু করেছে।” বর্তমানে সংস্থাটি প্রলয়, পিনাকা, আকাশ-সহ ডিআরডিও নির্মিত একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রকল্পে ভারতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বেসরকারি অংশীদার। পাশাপাশি এটি কঠিন রকেট মোটর ও প্রপালশন সিস্টেমের বড় সরবরাহকারী। একই সঙ্গে সামাজিক দায়বদ্ধতা বজায় রেখে সোলার ইন্ডাস্ট্রিজকে বিশ্বমানের সংস্থায় রূপান্তর করার জন্য নুওয়াল সুপরিচিত। সমাজকল্যাণ, শিক্ষা ও সম্প্রদায় উন্নয়নে (Padma Shri) তাঁর নিরবচ্ছিন্ন অবদান দেশজুড়ে প্রশংসিত হয়েছে (Satyanarayan Nuwal)। পদ্মশ্রী সম্মান শুধু তাঁর পেশাগত সাফল্যের স্বীকৃতিই নয়, জাতি গঠনে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকারও প্রতিফলন।

  • India US Trade Deal: প্রকাশ্যে চলে এল ট্রাম্প প্রশাসনের অভ্যন্তরীণ কোন্দল

    India US Trade Deal: প্রকাশ্যে চলে এল ট্রাম্প প্রশাসনের অভ্যন্তরীণ কোন্দল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রকাশ্যে চলে এল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের অভ্যন্তরীণ কোন্দল (India US Trade Deal)। সম্প্রতি প্রকাশ্যে আসে মার্কিন সেনেটর টেড ক্রুজের একটি অডিও রেকর্ডিং। ওই রেকর্ডিংয়ে টেক্সাসের রিপাবলিকান এই সেনেটর বাণিজ্যনীতি ও থমকে থাকা ভারত-মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র শুল্ক চুক্তি নিয়ে তীব্র ভাষায় সমালোচনা করেছেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স (JD Vance), হোয়াইট হাউসের উপদেষ্টা পিটার নাভারো এবং কখনও কখনও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পেরও। অ্যাক্সিওসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রায় ১০ মিনিটের ওই অডিওটি এক রিপাবলিকান সূত্র শেয়ার করেছে। এটির সময়কাল ২০২৫ সালের শুরু ও মধ্যভাগ। এতে ব্যক্তিগত দাতাদের সঙ্গে একান্ত কথোপকথনে ক্রুজ নিজেকে ঐতিহ্যবাহী, মুক্তবাণিজ্যপন্থী ও হস্তক্ষেপমূলক নীতিতে বিশ্বাসী রিপাবলিকান হিসেবে তুলে ধরেন। একই সঙ্গে তিনি ভাইস প্রেসিডেন্ট ভ্যান্সের তুলনামূলকভাবে বিচ্ছিন্নতাবাদী অবস্থানের বিরোধিতা করেন, যা সম্ভাব্য ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট প্রাইমারির প্রেক্ষাপটে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।

    ট্রাম্পের শুল্কনির্ভর বাণিজ্যনীতির কড়া সমালোচনা (India US Trade Deal)

    অডিওতে ক্রুজ ট্রাম্পের শুল্কনির্ভর বাণিজ্যনীতির কড়া সমালোচনা করে সতর্ক করেন যে, এই নীতি মার্কিন অর্থনীতিকে মারাত্মক ক্ষতির মুখে ফেলতে পারে। তিনি জানান, ২০২৫ সালের এপ্রিলের শুরুতে শুল্ক আরোপের পর তিনি ও কয়েকজন সেনেটর গভীর রাতে প্রেসিডেন্টের সঙ্গে একটি ফোনালাপে তাঁকে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানান। তবে সেই আলোচনা ভালোভাবে শেষ হয়নি (India US Trade Deal)। অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ক্রুজ দাতাদের জানান মধ্যরাত পেরিয়ে যাওয়া ওই ফোনালাপে ট্রাম্প আইনপ্রণেতাদের উদ্দেশ্যে চিৎকার করেন এবং অশালীন ভাষা ব্যবহার করেন। ক্রুজ বলেন, “ট্রাম্প সেদিন খুব খারাপ মেজাজে ছিলেন। আমি তাঁর সঙ্গে এমন কথোপকথনেও ছিলাম, যখন তিনি খুব খুশি ছিলেন। কিন্তু এটি সেরকম ছিল না।”

    সতর্ক করেছিলেন প্রেসিডেন্টকে

    ক্রুজ আরও জানান, তিনি প্রেসিডেন্টকে সতর্ক করেছিলেন যে ২০২৬ সালের নভেম্বরের মধ্যে যদি অবসরভিত্তিক বিনিয়োগ হিসেব ৩০ শতাংশ কমে যায় এবং নিত্যপণ্যের দাম ১০ থেকে ২০ শতাংশ বেড়ে যায়, তাহলে রিপাবলিকানদের জন্য নির্বাচনে ‘ভয়াবহ বিপর্যয়’ নেমে আসবে। ক্রুজের ভাষায়, তিনি ট্রাম্পকে বলেছিলেন, “আপনি প্রতিনিধি পরিষদ হারাবেন, সেনেট হারাবেন, আর পরবর্তী দু’বছর প্রতি সপ্তাহে একবার করে ইমপিচমেন্টের মুখোমুখি হবেন (JD Vance)।” এর প্রেক্ষিতে ট্রাম্প খুবই খারাপ কথা বলেছিলেন। ক্রুজ প্রশাসনের শুল্ক আরোপকে ‘লিবারেশন ডে’ বা ‘মুক্তির দিন’ নামে ব্র্যান্ডিং করার বিষয়টিও ব্যঙ্গ করেন। এক দাতা ওই শব্দবন্ধ ব্যবহার করলে ক্রুজ মন্তব্য করেন, তাঁর দলে কেউ এই শব্দটি ব্যবহার করলে তাঁকে সঙ্গে সঙ্গে বরখাস্ত করা হত।

    ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য আলোচনার প্রসঙ্গ

    ক্রুজের বক্তব্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ জুড়ে ছিল ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য আলোচনার প্রসঙ্গ। তিনি দাতাদের বলেন, চুক্তিটি এগিয়ে নিতে তিনি হোয়াইট হাউসের সঙ্গে লড়াই করছেন এবং যারা এই ধরনের চুক্তির বিরোধিতা করছেন, তাঁদের নামও উল্লেখ করেন (India US Trade Deal)। আমেরিকার অগ্রগতি কে আটকে দিচ্ছে, এই প্রশ্নে ক্রুজ অর্থনৈতিক উপদেষ্টা পিটার নাভারো, ভাইস প্রেসিডেন্ট ভ্যান্স এবং কখনও কখনও স্বয়ং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নামও নেন। রেকর্ডিংয়ে ক্রুজ বারবার ভাইস প্রেসিডেন্ট ভ্যান্সকে রক্ষণশীল পডকাস্টার টাকার কার্লসনের সঙ্গে যুক্ত করেন। তিনি অভিযোগ করেন, কার্লসন বিদেশনীতি বিতর্কে হস্তক্ষেপবিরোধী ও ইহুদিবিদ্বেষী অবস্থানকে উসকে দিচ্ছেন এবং ভ্যান্স মূলত কার্লসনের দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিফলন। ক্রুজ বলেন, “টাকারই জেডিকে তৈরি করেছে। জেডি টাকারের শিষ্য, আর তারা দু’জন একই (JD Vance)।”

    যদিও ক্রুজ গত কয়েক মাস ধরে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ্যে কার্লসনের সঙ্গে তর্কে জড়িয়েছেন, এবং অডিও রেকর্ডিংটি দেখায় যে ব্যক্তিগতভাবে তিনি কার্লসন ও ভ্যান্সের মধ্যে আরও স্পষ্ট ও কঠোর সীমারেখা টেনেছেন, যা প্রকাশ্যে তিনি এতটা স্পষ্ট করেননি, যদিও ভাইস প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ওই পডকাস্টারের বন্ধুত্ব সুপরিচিত (India US Trade Deal)।

  • China Nuclear Leaks: আমেরিকার কাছে পারমাণবিক তথ্য পাচার চিনা সেনাকর্তার! তদন্তের নির্দেশ জিনপিংয়ের

    China Nuclear Leaks: আমেরিকার কাছে পারমাণবিক তথ্য পাচার চিনা সেনাকর্তার! তদন্তের নির্দেশ জিনপিংয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের গভীর অস্থিরতার মুখে চিনের (China Nuclear Leaks) সামরিক নেতৃত্ব। দেশটির অন্যতম শীর্ষ সেনা আধিকারিক এবং প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের (Xi Jinping) দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ সহযোগী জেনারেল ঝাং ইউশিয়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতি এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে স্পর্শকাতর পারমাণবিক তথ্য পাচারের অভিযোগে তদন্ত শুরু হয়েছে। পঁচাত্তর বছর বয়সি ঝাং, সেন্ট্রাল মিলিটারি কমিশনের (সিএমসি) প্রথম-ক্রমিক ভাইস চেয়ারম্যান। ‘দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল’-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তিনি চিনের পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচি সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তিগত তথ্য মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএর কাছে সরবরাহ করেছেন বলে অভিযোগ।

    চিনা গণমাধ্যমের দাবি

    চিনা গণমাধ্যম জানিয়েছে, শনিবার আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করা হয় এবং এর আগেই চলতি সপ্তাহে সামরিক দুর্নীতিবিরোধী কর্তৃপক্ষ তাঁকে আটক করেছে বলে অনুমান। তদন্তের অংশ হিসেবে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং উত্তর-পূর্ব চিনের শেনইয়াং শহরে একটি বিশেষ টাস্ক ফোর্স পাঠিয়েছেন বলেও খবর (China Nuclear Leaks)। ঝাং অতীতে সেখানে দায়িত্ব পালন করেছিলেন এবং এখনও সেখানে তাঁর শক্তিশালী নেটওয়ার্ক রয়েছে বলে অনুমান। অভ্যন্তরীণ হস্তক্ষেপ এড়াতে ওই টাস্ক ফোর্স সামরিক কাঠামোর বদলে অসামরিক হোটেলে থেকে কাজ করছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগ, গোয়েন্দা তথ্য ফাঁসের পাশাপাশি ঝাং পিপলস লিবারেশন আর্মির (পিএলএ) ভেতরে পদোন্নতির বিনিময়ে ঘুষ নিয়েছেন এবং পরে ব্যক্তিগত লাভের জন্য গোপন পারমাণবিক তথ্য শেয়ার করেছেন।

    কমিউনিস্ট পার্টির সর্বময় নেতৃত্বকে হুমকি

    চিনা রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের অভিযোগ, ঝাং এবং পিএলএর আর এক জেনারেল লিউ ঝেনলি কমিউনিস্ট পার্টির সর্বময় নেতৃত্বকে হুমকির মুখে ফেলেছেন এবং প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের হাতে ন্যস্ত চূড়ান্ত দায়বদ্ধতার ব্যবস্থাকে দুর্বল করার চেষ্টা করেছেন (Xi Jinping)। ঝাংয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগটি বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ প্রেসিডেন্ট শির সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক সম্পর্ক অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। পিএলএর প্রবীণ আধিকারিক এবং ‘রেড প্রিন্সলিং’ হিসেবে পরিচিত ঝাং একটি বিপ্লবী পরিবার থেকে উঠে এসেছেন, যার সঙ্গে চিনা গৃহযুদ্ধের সময় থেকেই শি জিনপিংয়ের বাবার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। দীর্ঘদিন ধরেই তাঁকে প্রেসিডেন্টের সবচেয়ে বিশ্বস্ত সামরিক সহযোগীদের একজন হিসেবে দেখা হত(China Nuclear Leaks)।

    এই তদন্ত শুরু হয়েছে এমন একটা সময়ে, যখন পিএলএর রকেট ফোর্স, যা চিনের পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডারের দায়িত্বে রয়েছে, গত এক বছরে একের পর এক শুদ্ধি অভিযানের কারণে মারাত্মক অস্থিরতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক এই পদক্ষেপ সামরিক বাহিনীর সর্বোচ্চ স্তরে আনুগত্য ও নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেতৃত্বের গভীর উদ্বেগের ইঙ্গিত দিচ্ছে। বর্তমান এই কঠোর অভিযানকে ১৯৭১ সালের পরে সবচেয়ে বড় সামরিক রদবদল হিসেবে বর্ণনা করা হচ্ছে। ওই বছর তৎকালীন কমিউনিস্ট পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান লিন বিয়াওয়ের বিরুদ্ধে চেয়ারম্যান মাও সে-তুংয়ের বিরুদ্ধে অভ্যুত্থানের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ আনা হয়েছিল (Xi Jinping)।

     

  • Republic Day 2026: কেশবকুঞ্জে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করলেন দত্তাত্রেয় হোসাবলে, দিলেন সংবিধান রক্ষা এবং সীমান্ত সুরক্ষার পাঠ

    Republic Day 2026: কেশবকুঞ্জে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করলেন দত্তাত্রেয় হোসাবলে, দিলেন সংবিধান রক্ষা এবং সীমান্ত সুরক্ষার পাঠ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৬ সালের প্রজাতন্ত্র (Republic Day 2026) দিবস উপলক্ষে কেশব কুঞ্জে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেছেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের সরকার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসাবলে (Dattatreya Hosabale)। এই প্রজাতন্ত্র দিবসে সংবিধান ও সীমান্ত সুরক্ষার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। দেশ যত ২০৪৭ সালের দিকে এগিয়ে যাবে সকলকে একজোট হয়ে দেশ নির্মাণের জন্য অংশগ্রহণ করতে হবে। এই জন্য দেশবাসীকে কর্তব্য পালনের উপর জোর দেন সংঘের এই নেতা।

    ৭৭তম প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (RSS) সরকার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসাবেলে নয়াদিল্লির ‘কেশব কুঞ্জ’-এ জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। পতাকা উত্তোলনের পর তিনি উপস্থিত কর্মকর্তাদের উদ্দেশে ভাষণ দেন এবং দেশের সংবিধান ও নিরাপত্তার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ বার্তাও দেন।

    সংবিধানের প্রতি শ্রদ্ধা (Republic Day 2026)

    দত্তাত্রেয় হোসবালে (Dattatreya Hosabale) তাঁর ভাষণে ভারতের সংবিধানের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করেন। তিনি বলেন, “সংবিধান কেবল একটি আইনি নথি নয়, এটি ভারতের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ভিত্তি। দেশের প্রতিটি নাগরিকের উচিত সংবিধান প্রদত্ত নাগরিক কর্তব্যগুলির ঠিক ঠিক ভাবে পালন করা।”

    সীমান্ত নিরাপত্তা

    দেশের বর্তমান পরিস্থিতির (Republic Day 2026) কথা উল্লেখ করে তিনি (Dattatreya Hosabale) আরও বলেন, “ভারতের সীমান্ত সুরক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও সীমান্ত পাহারা দেওয়া বীর জওয়ানদের অদম্য সাহসের প্রশংসা করেন তিনি। সীমান্ত সুরক্ষিত বলেই দেশের নাগরিক শান্তিতে ঘুমাতে পারেন। নির্বিঘ্নে সকল কাজ করতে পারেন। তাই দেশের সেনা বাহিনীর মনোবলকে সব সময় বাড়িয়ে রাখতে হবে।”

    একতা ও অখণ্ডতা

    দেশের একতা এবং অখণ্ডতা বিষয়ে জোর দিয়ে হোসাবলে (Dattatreya Hosabale) বলেন, “ভারতকে একটি শক্তিশালী রাষ্ট্রে পরিণত করতে হলে জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে সকলকে একজোট হয়ে কাজ করতে হবে। সমাজের প্রতিটি স্তরে সাম্য ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করাই প্রজাতন্ত্র দিবসের প্রকৃত সংকল্প হওয়া উচিত। উঁচুনিচু, ধনী-গরিব, জাতপাত, অস্পৃশ্যতার মতো বিভাজনকারী নিয়মকে চিরতরে সমাজ থেকে বহিষ্কার করতে হবে। ধর্মস্থলে, সামাজিক স্থানে কোনও রকম প্রভেদ মানা চলবে না।”

    দেশপ্রেমের বার্তা

    কেশব কুঞ্জে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে স্বয়ংসেবকরা দেশাত্মবোধক গান ও কুচকাওয়াজের মাধ্যমে দিনটি উদযাপন করেন। হোসবলে (Dattatreya Hosabale) সকলকে দেশের উন্নয়নের স্বার্থে আত্মনিয়োগ করার আহ্বান জানান। দেশের উন্নতি এবং প্রগতিতে সমাজের সকল স্তরের মানুষকে এক যোগে কাজ করে যেতে হবে। ব্যক্তি, পরিবার, দেশ, সমাজ এবং রাষ্ট্রের উন্নয়ন তখনই এক সঙ্গে সম্ভব যখন পরস্পরের সৌজন্য এবং ভাতৃত্বকে বোঝা সম্ভব।

  • Abu Dhabi: শেখ নাহিয়ানের ৩-ঘণ্টার ভারত সফরের পরই  ইসলামাবাদ বিমানবন্দরে পরিচালনার পরিকল্পনা বাতিল আবু ধাবির

    Abu Dhabi: শেখ নাহিয়ানের ৩-ঘণ্টার ভারত সফরের পরই ইসলামাবাদ বিমানবন্দরে পরিচালনার পরিকল্পনা বাতিল আবু ধাবির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংযুক্ত আরব আমিরশাহি (ইউএই)-র প্রেসিডেন্ট শেখ মহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের আকস্মিক ভারত সফর দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনৈতিক সমীকরণে আলোড়ন ফেলেছে (Abu Dhabi)। এর পরোক্ষ নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে পাকিস্তানের ওপর (Pakistan)। শেখ নাহিয়ানের তিন ঘণ্টার সফরের অল্প সময়ের মধ্যেই আবু ধাবি ইসলামাবাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পরিচালনার পরিকল্পনা বাতিল করে দেয়। অথচ এই চুক্তিটি নিয়ে ২০২৫ সালের অগাস্ট মাস থেকে আলোচনা চলছিল দুই দেশের মধ্যে।

    প্রকল্পটিতে আগ্রহ হারিয়ে ফেলছে ইউএই (Abu Dhabi)

    পাক সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, ইউএই প্রকল্পটিতে আগ্রহ হারিয়ে ফেলার পাশাপাশি পরিচালনার জন্য কোনও স্থানীয় অংশীদার না পাওয়ায় এই পরিকল্পনা বাতিল করা হয়েছে। যদিও পাকিস্তানের এই সংবাদমাধ্যম চুক্তি বাতিলের পেছনে কোনও রাজনৈতিক কারণের সরাসরি উল্লেখ করেনি, তবে এই ঘটনা এমন একটা সময়ে ঘটল, যখন ইউএই এবং সৌদি আরবের মধ্যে দূরত্ব বাড়ছে। একসময় উপসাগরীয় অঞ্চলের ঘনিষ্ঠ মিত্র এই দুই দেশ বর্তমানে ইয়েমেনে প্রতিদ্বন্দ্বী গোষ্ঠীগুলিকে সমর্থন করা নিয়ে প্রকাশ্যে বিরোধে জড়িয়ে পড়েছে। ইসলামাবাদ যেখানে রিয়াধের সঙ্গে একটি প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে এবং সৌদি আরব ও তুরস্ককে নিয়ে তথাকথিত একটি “ইসলামিক ন্যাটো” গঠনের আগ্রহ প্রকাশ করেছে, সেখানে ইউএই ভারতের সঙ্গে নতুন প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। একই সঙ্গে সৌদি আরব পাকিস্তানের সামরিক দক্ষতার ওপর নির্ভরতা বাড়াচ্ছে, আর ইউএই কৌশলগতভাবে ভারতের সঙ্গে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদার করছে।

    রেমিট্যান্সের প্রধান উৎস

    প্রায় চার দশক আগে ইউএই ছিল পাকিস্তানের অন্যতম বৃহৎ বাণিজ্যিক অংশীদার এবং রেমিট্যান্সের প্রধান উৎস। বিভিন্ন খাতে কর্মরত হাজার হাজার পাকিস্তানি ইউএইতে কাজ করতেন। প্রতিরক্ষা, জ্বালানি ও বিনিয়োগ প্রকল্পেও দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা ছিল। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নিরাপত্তা সংক্রান্ত উদ্বেগ, লাইসেন্স সংক্রান্ত বিতর্ক এবং পাকিস্তানের পুরনো পরিকাঠামোর কারণে সম্পর্কের অবনতি ঘটেছে (Abu Dhabi)। সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের ফলে দুর্বল প্রশাসন ও অব্যবস্থাপনার কারণে পাকিস্তানের রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলি বিপুল ক্ষতির মুখে পড়ছে। পরে সেগুলি নামমাত্র দামে বিক্রি করে দেওয়া হচ্ছে। গত বছর ইসলামাবাদ পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইন্স (পিআইএ) বেসরকারিকরণ করেছে (Pakistan)। চ্যালেঞ্জিং পরিবেশে, এমনকি আফগানিস্তানেও, বিমানবন্দর পরিচালনার অভিজ্ঞতা থাকা সত্ত্বেও ইসলামাবাদ বিমানবন্দর পরিচলনা থেকে সরে দাঁড়ানোর ইউএইর সিদ্ধান্ত দেশটির ওপর অনাস্থার ছবিটাই তুলে ধরেছে। গত সপ্তাহে দিল্লি সফরের পর ইউএই নেতা ৯০০ ভারতীয় বন্দিকে মুক্তি দেওয়ার অনুমোদন দিয়েছেন, যা নয়াদিল্লির প্রতি সদিচ্ছার এক বড় বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

    কৌশলগত অংশীদারিত্ব

    ইউএই নেতার সফরকালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ বিন জায়েদ দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার সম্পূর্ণ ক্ষেত্র পর্যালোচনা করেন এবং একমত হন যে ভারত-ইউএই সামগ্রিক কৌশলগত অংশীদারিত্ব কেবল পরিপক্বই নয়, বরং এখন আরও উচ্চাভিলাষী ও বহুমাত্রিক পর্যায়ে প্রবেশ করছে। বৈঠকের পর প্রকাশিত যৌথ বিবৃতিটি দীর্ঘমেয়াদি ভূ-রাজনৈতিক ও ভূ-অর্থনৈতিক সমন্বয়ের একটি রূপরেখার মতো। রাজনৈতিকভাবে সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ সিদ্ধান্ত ছিল একটি পূর্ণাঙ্গ কৌশলগত প্রতিরক্ষা অংশীদারিত্বের দিকে অগ্রসর হওয়া। সফরের সময় একটি ‘লেটার অব ইনটেন্ট’ স্বাক্ষরিত হয়, যা প্রতিরক্ষা সহযোগিতার জন্য (Pakistan) একটি কাঠামোগত চুক্তির পথ প্রশস্ত করবে (Abu Dhabi)।

  • Republic Day 2026: ২৯টি বিমানের বর্ণাঢ্য ফ্লাইপাস্ট, ১৭টি রাজ্যের মোট ৩০টি ট্যাবলো,  সাধারণতন্ত্র দিবসে ঝলমলে কর্তব্যপথ

    Republic Day 2026: ২৯টি বিমানের বর্ণাঢ্য ফ্লাইপাস্ট, ১৭টি রাজ্যের মোট ৩০টি ট্যাবলো, সাধারণতন্ত্র দিবসে ঝলমলে কর্তব্যপথ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নয়াদিল্লির কর্তব্য পথে (Kartvya Path) জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হল ভারতের ৭৭তম প্রজাতন্ত্র দিবস (Republic Day 2026)। এদিন সকালে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু জাতীয় পতাকা তেরঙ্গা উত্তোলন করেন। জাতীয় সঙ্গীতের তালে তালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, উপরাষ্ট্রপতি সি পি রাধাকৃষ্ণণ এবং উপস্থিত সমস্ত বিশিষ্ট ব্যক্তি জাতীয় পতাকাকে অভিবাদন জানান। এর মধ্য দিয়েই শুরু হয় ভারতের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য, ঐক্য, অগ্রগতি ও সামরিক শক্তির মহা প্রদর্শনী। চলতি বছরের প্রজাতন্ত্র দিবস অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউরোপীয় কাউন্সিলের সভাপতি আন্তোনিও কস্তা এবং ইউরোপীয় কমিশনের সভাপতি উরসুলা ভন ডের লেইন।

    সব ক্ষেত্রে শক্তিশালী ভারতের বার্তা

    কর্তব্য পথে (Kartvya Path) অনুষ্ঠিত এবারের প্রজাতন্ত্র দিবস কুচকাওয়াজের থিম ছিল “বন্দে মাতরমের ১৫০ বছর”। এর আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জাতীয় যুদ্ধ স্মৃতিসৌধে গিয়ে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন, যার মাধ্যমে দেশজুড়ে প্রজাতন্ত্র দিবস উদ্‌যাপনের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। অনুষ্ঠানে প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ জেনারেল অনিল চৌহান এবং তিন বাহিনীর প্রধানরাও উপস্থিত ছিলেন। এ বছর একটি নতুন উদ্যোগ হিসেবে কর্তব্য রেখা বরাবর দর্শক গ্যালারিগুলির নামকরণ করা হয়েছে ভারতের বিভিন্ন নদীর নামে। বিমানচালনা, প্রতিরক্ষা ও মহাকাশ বিজ্ঞানে আগ্রহী অগণিত তরুণ-তরুণীর কাছে এই মুহূর্ত এক শক্তিশালী বার্তা—আজকের সাহস আর শুধু স্থল, জল বা আকাশেই সীমাবদ্ধ নয়, তা পৌঁছে গেছে কক্ষপথেরও অনেক দূরে।

    “আত্মনির্ভর ভারত”-এর চেতনা

    গত বছরের ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর পর এই প্রথম প্রজাতন্ত্র দিবস কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হওয়ায় এবারের অনুষ্ঠানের গুরুত্ব ছিল বিশেষ। কুচকাওয়াজের অন্যতম আকর্ষণ ছিল ২৯টি বিমানের বর্ণাঢ্য ফ্লাইপাস্ট। এতে রাফায়েল, সুখোই-৩০, পি-৮আই, সি-২৯৫, মিগ-২৯, অ্যাপাচি, এলইউএইচ, এএলএইচ এবং এমআই-১৭ হেলিকপ্টার বিভিন্ন ফর্মেশনে আকাশে শক্তি প্রদর্শন করে। ভারতীয় বিমান বাহিনীর ছয়টি রাফায়েল যুদ্ধবিমান ঘণ্টায় প্রায় ৯০০ কিলোমিটার গতিতে একযোগে উড়ে দর্শকদের মুগ্ধ করে। পাশাপাশি একটি সি-১৩০ এবং দুটি সি-২৯৫ বিমানও আকাশে দেখা যায়। কুচকাওয়াজে প্রায় ২,৫০০ শিল্পী সাংস্কৃতিক পরিবেশনা উপস্থাপন করেন, যেখানে “বন্দে মাতরম” এবং “আত্মনির্ভর ভারত”-এর চেতনা তুলে ধরা হয়। প্রায় ১০,০০০ বিশেষ অতিথি এই কুচকাওয়াজ প্রত্যক্ষ করেন। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের মতে, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, উদ্ভাবন, গবেষণা, স্টার্টআপ, স্বনির্ভর গোষ্ঠী ও সরকারি প্রকল্পে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখা ব্যক্তিদেরও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল।

    নারী শক্তির প্রদর্শন

    প্রজাতন্ত্র দিবসে (Republic Day 2026) এ বছরের কুচকাওয়াজে প্রথমবারের মতো দেশীয় হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রদর্শিত হয়, যা ভারতের প্রতিরক্ষা সক্ষমতার এক নতুন দিক তুলে ধরে। পাকিস্তান সীমান্তে মোতায়েন ব্যাক্ট্রিয়ান উটও কুচকাওয়াজে অংশ নেয়। ১৭টি রাজ্যের মোট ৩০টি ট্যাবলো কুচকাওয়াজে অংশগ্রহণ করে। ভৈরব ব্যাটালিয়ন প্রথমবারের মতো তাদের সাহসিকতার প্রদর্শন করে, আর মহিলা অগ্নিবীররা বিমান বাহিনীর মার্চিং ব্যান্ডে অংশ নিয়ে বিশেষ নজর কাড়েন। ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনীর মহিলা সদস্যদের ট্যাবলোও ছিল অন্যতম আকর্ষণ। সহকারী কমান্ড্যান্ট নিশি শর্মা, অপূর্ব গৌতম হোরে, লক্ষিতা এবং হার্দিকের নেতৃত্বে এই ট্যাবলোতে নারী শক্তির দৃঢ় উপস্থিতি তুলে ধরা হয়।

  • Badrinath-Kedarnath: বদ্রীনাথ ও কেদারনাথ মন্দিরে অহিন্দুদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করার পথে উত্তরাখণ্ড মন্দির কমিটি

    Badrinath-Kedarnath: বদ্রীনাথ ও কেদারনাথ মন্দিরে অহিন্দুদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করার পথে উত্তরাখণ্ড মন্দির কমিটি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরাখণ্ডের (Uttarakhand) বদ্রীনাথ-কেদারনাথ (Badrinath-Kedarnath) মন্দির কমিটি (BKTC) এক ঐতিহাসিক ও বড় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী, এখন থেকে বদ্রীনাথ এবং কেদারনাথ ধামে অহিন্দুদের প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

    নিষেধাজ্ঞা জারি (Badrinath-Kedarnath)

    বদ্রীনাথ-কেদারনাথ মন্দির কমিটির চেয়ারম্যান অজেন্দ্র অজয় জানিয়েছেন, মন্দিরের পবিত্রতা এবং সনাতন ধর্মের ঐতিহ্য বজায় রাখতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, এখন থেকে শুধুমাত্র হিন্দু ধর্মাবলম্বীরাই মন্দিরের মূল চত্বরে প্রবেশ করতে পারবেন।

    পরিচয়পত্র বাধ্যতামূলক

    মন্দিরে (Badrinath-Kedarnath) প্রবেশের আগে ভক্তদের কড়া নিরাপত্তা ও তল্লাশির মধ্য দিয়ে যেতে হবে। সন্দেহভাজনদের ক্ষেত্রে দর্শনার্থীদের আধার কার্ড বা অন্য কোনও বৈধ পরিচয়পত্র যাচাই করা হতে পারে।

    নিরাপত্তা জোরদার

    মন্দির কমিটি (Badrinath-Kedarnath) স্থানীয় প্রশাসনকে অনুরোধ করেছে যাতে মন্দির সংলগ্ন এলাকায় অ-হিন্দুদের গতিবিধির ওপর নজর রাখা হয়। বিশেষ করে যারা মন্দির চত্বরে ব্যবসা বা অন্য কোনো কাজে যুক্ত, তাদেরও পরিচয় যাচাই করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    আগের বিতর্ক

    এর আগে কেদারনাথ ধামের (Badrinath-Kedarnath) দেওয়ালে মোবাইল ফোন ব্যবহার এবং ভিডিও তৈরির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল। সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখেই এবার অ-হিন্দুদের প্রবেশাধিকার নিয়ে এই বড় পদক্ষেপ নেওয়া হলো।

    উদ্দেশ্য

    মন্দির কমিটির (Badrinath-Kedarnath) মতে, চারধাম যাত্রার আধ্যাত্মিক পরিবেশ রক্ষা করা এবং হিন্দু তীর্থযাত্রীদের ভাবাবেগকে সম্মান জানানোই এই সিদ্ধান্তের মূল লক্ষ্য।

    উত্তরাখণ্ড সরকারের এই পদক্ষেপ নিয়ে ইতিমধ্যেই মিশ্র প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে। ধর্মীয় সংগঠনগুলি এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানালেও, একাংশ পর্যটন ও সর্বজনীন প্রবেশাধিকার নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন।

  • PM Modi: প্রজাতন্ত্র দিবসে রাজস্থানের স্বদেশি পাগড়িতে নজর কাড়লেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: প্রজাতন্ত্র দিবসে রাজস্থানের স্বদেশি পাগড়িতে নজর কাড়লেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত আজ ২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ তার ৭৭তম প্রজাতন্ত্র দিবস (Republic Day 2026) পালন করছে। আজকের দিনেই ভারতীয় সংবিধান কার্যকর হয়েছিল। এই উপলক্ষ্যে দিল্লির কর্তব্য পথে আয়োজিত কুচকাওয়াজে অংশগ্রহণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তাঁর রাজস্থানী স্টাইলের রঙিন পাগড়ি সকলের নজর কেড়েছে। রাষ্ট্রপতি, উপরাষ্ট্রপতি এবং তিন বাহিনীর প্রধান উপস্থিত ছিলেন এদিনের অনুষ্ঠানে।

    প্রধানমন্ত্রী মোদীর পোশাক (PM Modi)

    ঐতিহ্য (Republic Day 2026) বজায় রেখে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) এবার একটি লাল ও সোনালী-হলুদ রঙের মিশ্রণে তৈরি রাজস্থানী ‘লেহরিয়া’ ডিজাইনের পাগড়ি পরেন। তার সঙ্গে তিনি একটি গাঢ় নীল রঙের কুর্তা এবং হালকা নীল রঙের নেহরু জ্যাকেট পরেছিলেন।

    শ্রদ্ধা নিবেদন

    কুচকাওয়াজ শুরুর আগে প্রধানমন্ত্রী (Republic Day 2026) দিল্লির জাতীয় সমর স্মারকে (National War Memorial) গিয়ে আত্মোৎস্বর্গী বীর জওয়ানদের প্রতি পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান।

    কুচকাওয়াজের নেতৃত্ব

    রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু কর্তব্য পথে এই বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজের নেতৃত্ব দেন।

    বিশেষ অতিথি

    ২০২৬ সালের প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট আন্তোনিও কস্তা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডার লিয়েন।

    থিম

    এবারের কুচকাওয়াজের মূল থিম ছিল ভারতের জাতীয় সংগীত ‘বন্দে মাতরম’-এর ১৫০ বছর পূর্তি। এছাড়া কুচকাওয়াজে ভারতের সামরিক শক্তি এবং সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য প্রদর্শিত হয়েছে। বঙ্কিমের গানকে উল্লেখ করে বিশেষ প্রদর্শনীর ব্যবস্থাও করা হয়।

    ট্যাবলো ও পারফরম্যান্স

    এদিন মোট ৩০টি ট্যাবলো ছিল অনুষ্ঠান জুড়ে। যার মধ্যে ১৭টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল এবং ১৩টি মন্ত্রক কুচকাওয়াজে অংশ নেয়। এছাড়া প্রায় ২,৫০০ শিল্পী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে তাঁদের প্রতিভা প্রদর্শন করেন।

    প্রতি বছরের মতো এবারও প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi) তাঁর পোশাকে ভারতের আঞ্চলিক সংস্কৃতিকে তুলে ধরেছেন। তাঁর এই লাল-হলুদ রঙের পাগড়ি ভারতের ঐক্য ও বৈচিত্র্যের প্রতীক হিসেবে দেখা হচ্ছে। রাষ্ট্রপতি মুর্মু এবং বিদেশি অতিথিদের উপস্থিতিতে কর্তব্য পথে ভারতের সামরিক সরঞ্জাম (Republic Day 2026) এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের এক চমৎকার প্রদর্শনী সম্পন্ন হয়েছে।

LinkedIn
Share