Tag: bangla news

bangla news

  • Alipurduar: বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্প রক্ষায় স্থানীয়দের সরাতে উদ্যোগী বন দফতর, দ্রুত ছাড়া হতে পারে বাঘ!

    Alipurduar: বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্প রক্ষায় স্থানীয়দের সরাতে উদ্যোগী বন দফতর, দ্রুত ছাড়া হতে পারে বাঘ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিশ্চিহ্ন হয়ে যাচ্ছে শতবর্ষ পুরনো জয়ন্তীর (Alipurduar) জনপদ। সব ঠিকঠাক এগোলে ২০২৫ সালের মার্চের আগেই ব্রিটিশ আমলে তৈরি জয়ন্তী গ্রামের কোনও অস্তিত্ব আর থাকবে না। বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্প রক্ষায় স্থানীয়দের সরাতে উদ্যোগী বন দফতর, দ্রুত ছাড়া হতে পারে বাঘ! বাঘের অভয়ারণ্যকে রক্ষা করতে স্থানীয়দের বিশেষ প্যাকেজ ঘোষণা করে অন্যত্র সরানোর পরিকল্পনা করেছে বন দফতর। রাজি হয়েছেন এলাকার মানুষও। বাঘ ছাড়ার জন্য বন দফতর গত তিন বছরে কয়েক দফায় প্রায় হাজারের উপর হরিণ ছেড়েছে। এবার জনপদকে অভয়ারণ্য থেকে দূরে সরিয়ে বাঘেদের থাকার অনুকূল পরিবেশ নির্মাণে উদ্যোগী হয়েছে বন দফতর। এলাকার মানুষও এই পরিবেশ এবং জন্তুদের রক্ষায় সহমত জানিয়েছেন। আশা করা যাচ্ছে বক্সায় দ্রুত পর্যটকরা বাঘ দেখতে পারবেন।  

    সরানো হবে জয়ন্তীর জনপদ (Alipurduar)?

    বড় বড় সব সরকারি-বেসরকারি ডলোমাইট খননকারী কোম্পানি ছিল এখানে (Alipurduar)। এক সময় এখানে রেলপথও ছিল। ডলোমাইট কারখানা ছিল। আজ আর সে সবের কিছুই নেই! তাই মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাওয়া সুন্দরী জয়ন্তী, বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের কোর এলাকা থেকে সরে যাবে। সোমবার এই মর্মে জয়ন্তীর বেশির ভাগ মানুষের সই করা ‘জয়ন্তী ভিলেজ রিলোকেশন ফর্ম’ জমা হয়েছে বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্প অফিসে। বিষয়টি নিয়ে ২৬ অগাস্ট জয়ন্তীতে বৈঠক করে বন দফতর।

    সারানো হবে জয়ন্তী গ্রাম

    ওই বৈঠকে জয়ন্তী গ্রামকে (Alipurduar) বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের কোর এলাকা থেকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তাব দেয় বন দফতর। জয়ন্তীর বেশির ভাগ মানুষ সেই প্রস্তাবে রাজি হয়ে গেছেন বলে জানা গিয়েছে। জানা গিয়েছে, এর জন্য জয়ন্তীর প্রত্যেক পরিবারকে ১৫ লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেবে সরকার। জয়ন্তীকে সরিয়ে নিতে খরচ হবে প্রায় ৭০ কোটি টাকা। তবে এর সবটাই দেবে কেন্দ্র। এছাড়া রাজ্য সরকার প্রত্যেক পরিবারকে ৫ ডেসিমেল করে জমি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। হাসিমারার গুদাম ডাবরি এলাকায়, জয়ন্তী থেকে সরে যাওয়া পরিবারদের জমি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার।

    বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের ক্ষেত্র অধিকর্তা বক্তব্য

    বিষয়টি নিয়ে বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের ক্ষেত্র অধিকর্তা অপূর্ব সেন (Alipurduar)  বলেন, “ যে কোনও টাইগার রিজার্ভ থেকে বনবস্তিবাসীদের সরানোর জন্য এই প্যাকেজ গোটা দেশেই চালু রয়েছে। জয়ন্তী সহ বক্সাতে দুই একটি গ্রামের লোকেদের সাথে এই বিষয়ে আমাদের কথা হয়েছে। তাঁরা বন ও পরিবেশের কথা বিবেচনা করে সরে যেতে চাইলে এই প্যাকেজ পাবেন।” সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, ২০১১ সালের জনগণনা অনুযায়ী জয়ন্তীতে লোকসংখ্যা প্রায় ৭০০ জন। প্রায় ২০০ পরিবারের এই জনসংখ্যা দিন দিন কমছে। এই সব পরিবারের বেশির ভাগই জয়ন্তী থেকে সরে যেতে চাইছেন।

    স্থানীয় মানুষের বক্তব্য

    জয়ন্তীর (Alipurduar) স্থানীয় বাসিন্দা তপন দত্ত বলেন, “ জয়ন্তী দিন দিন শশ্মানে পরিণত হচ্ছে। এক সময় বাইরে থেকে মানুষ জয়ন্তীতে কাজ করতে আসতেন। এখন উল্টোটাই ঘটছে। জয়ন্তী নদী যে কোনও দিন এই জনপদকে ভাসিয়ে নিয়ে যেতে পারে। সেই কারণে আমরা বন দফতরের প্যাকেজে রাজি হয়ে, এখান থেকে সরে যাওয়ার জন্য লিখিতভাবে মত দিয়েছি।” জয়ন্তীর আরেক বাসিন্দা মনি কুমার লামা বলেন, “বনের ভিতর কোনও সুযোগ-সুবিধা নেই। আমাদের জীবন এভাবে কাটল। কিন্তু পরবর্তী প্রজন্ম এভাবে কেন থাকবে! বন দফতরের প্রচণ্ড কড়াকড়ি। এলাকায় কোনও কাজ নেই। নেই হাসপাতাল ও ভালো স্কুলও। ফলে শুধু পারিবারিক ভিটের আবেগে ভর করে আর এখানে থেকে কোআও লাভ নেই। সেই কারণে বন দফতরের প্যাকেজে আমরা রাজি হয়ে গেছি ।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Food And Nutrition: দীর্ঘ ব্যবধানে খাওয়া, বাদ পড়ছে জলখাবার! কোন কোন রোগের ঝুঁকি বাড়ছে?

    Food And Nutrition: দীর্ঘ ব্যবধানে খাওয়া, বাদ পড়ছে জলখাবার! কোন কোন রোগের ঝুঁকি বাড়ছে?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    ওজন বাড়লেই কোপ পড়ে খাবারে! তরুণ প্রজন্মের অনেকেই নিয়মিত ওজন মাপেন। জিম করেন। আর নিজেই ঠিক করে ফেলছেন, কতখানি ওজন কমানো জরুরি। তাই নিজেরাই তৈরি করছেন খাদ্যতালিকা! কম বয়সী অনেকেই কাজের চাপে খাওয়ার সময় পাচ্ছেন না। রাত জেগে কাজ করে সকালে ওঠার পাট নেই। জলখাবার কী, সে তো ভুলতে বসেছেন অনেকেই! আর তাতেই বাড়ছে বিপদ! নিউট্রিশন অ্যাওয়ারনেশ উইকে চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, অসময়ের খাবার (Food And Nutrition) শরীরে একাধিক রোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে তুলছে।

    কীভাবে সমস্যা বাড়ছে (Food And Nutrition)? 

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, কত পরিমাণে খাওয়া হচ্ছে, কী খাওয়া হবে, এই প্রশ্নের মতোই জরুরি আরেকটি প্রশ্ন। তা হল, কখন খাওয়া দরকার! শরীর সুস্থ রাখার প্রাথমিক শর্ত সঠিক পুষ্টি। আর পুষ্টিকর খাবার সময় মতো খাওয়া জরুরি। তবেই সুস্থ জীবন সম্ভব। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তরুণ প্রজন্মের একটা বড় অংশের খাবারের সময় ঠিক থাকে না। 
    চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, নির্দিষ্ট সময়ের ব্যবধানে খাওয়া জরুরি। অর্থাৎ, সকালের জলখাবার ও দুপুরের খাবারের মধ্যে সর্বাধিক তিন ঘণ্টার ব্যবধান থাকতে পারে। তেমনি রাতের খাবার ন’টার পরে একেবারেই খাওয়া উচিত নয়। দীর্ঘ সময়ের ব্যবধানে খাওয়া (Food And Nutrition) একেবারেই উচিত নয়। পাশপাশি দ্রুত ওজন কমানোর জন্য কোনও একটা বেলা একেবারেই খাওয়া বন্ধ করা উচিত নয়। এমন ডায়েট অস্বাস্থ্যকর। বিশেষত সকালের জলখাবার খাওয়া কখনোই বন্ধ করা যাবে না। এতে শরীরে মারাত্মক ক্ষতি হয়।

    খাবারের সময়ে অতিরিক্ত ব্যবধান (Food And Nutrition) কোন বিপদ বাড়ায়? 

    চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, দীর্ঘক্ষণ খাবারের সময়ের ব্যবধানে নানা রোগের ঝুঁকি বাড়ে। সবচেয়ে বেশি হজমের সমস্যা দেখা দেয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অতিরিক্ত সময় খিদে সহ্য করে থাকলে গ্যাস, অম্বল হয়। হজমের সমস্যা হয়। দীর্ঘ সময়ের পরে ভারী খাবার খেলে হজম হতে সমস্যা হয়। দীর্ঘদিন হজমের সমস্যা হতে থাকলে পেটের একাধিক সমস্যা, বমি হতে থাকে। রক্তচাপ ওঠা-নামা করে। 
    এছাড়াও জলখাবার না খেলে পেটে আলসারের মতো রোগের ঝুঁকি বাড়ে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, রাতের খাবার এবং সকালের প্রথম খাবারের মধ্যে যথেষ্ট সময়ের ব্যবধান থাকে। কিন্তু জলখাবার না খেয়ে, যদি সরাসরি দুপুরের খাবার খাওয়া হয়, তাহলে কিন্তু সেই ব্যবধান আরও বেড়ে যায়। যার ফলে পাকস্থলীতে চাপ পড়ে। যার ফলে, আলসারের মতো রোগ হতে পারে। তাই স্বাস্থ্যকর জলখাবার নিয়মিত খাওয়া (Food And Nutrition) জরুরি। যাতে সহজে হজম হয়, আবার পেট ভরা থাকে। 
    দীর্ঘ সময়ের ব্যবধানে খাওয়া লিভারের একাধিক রোগের কারণ হতে পারে বলেও জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। 
    তবে, স্থূলতার সমস্যা এড়াতে অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস বিপদ আরও বাড়াচ্ছে বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। কারণ, স্থূলতা এড়াতে পরিমাণমতো স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া জরুরি। অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস দেহের ওজন কমাবে না। বরং শারীরিক অবস্থার অবনতির কারণ হয়ে উঠবে।

    কীভাবে কমানো যাবে খাবারের সময়ের ব্যবধান (Food And Nutrition)? 

    পুষ্টিবিদদের একাংশের পরামর্শ, জলখাবার সবসময় ভারী হওয়া জরুরি। তাঁদের পরামর্শ, দুধ কনফ্লেক্স, রুটি-সব্জি, স্যান্ডউইচ, ডিমের মতো খাবার জলখাবারে থাকা উচিত। এগুলো সহজপাচ্য, আবার পুষ্টিগুণ রয়েছে। তার সঙ্গে আপেল, কলা, নাসপাতির মতো ফল খাওয়া দরকার। দুপুরের খাবার হালকা থাকা জরুরি। স্থূলতা এড়াতে কম পরিমাণে ভাত বা রুটি খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন পুষ্টিবিদরা। তবে, দেহে এনার্জির জোগান বজায় রাখতে পরিমাণ মতো সব্জি, পনির, মাছ, মাংস খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন তাঁরা। রাতের খাবার আটটা থেকে ন’টার মধ্যে খাওয়া জরুরি বলেও তাঁরা জানাচ্ছেন। তাই বিকেল পাঁচটার মধ্যে হালকা খাবার (Food And Nutrition) খেতে হবে। তাঁদের পরামর্শ, পেস্তা, কাজু, কিসমিসের মতো ড্রাই ফ্রুটস, রুটি কিংবা সব্জি দিয়ে বানানো উপমার মতো খাবার বিকেলে খাওয়া যেতে পারে। রাতে হাল্কা সহজপাচ্য খাবার মেনুতে রাখা জরুরি। বিশেষত, রাত জেগে কাজ করতে হলে অবশ্যই কোনও রকম ভারী তেলমশলা যুক্ত খাবার বিশেষত প্রাণীজ প্রোটিন খাওয়া চলবে না। তবে, চিকেন স্ট্রু কিংবা হালকা মাছের ঝোল খাওয়া যেতে পারে বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। 
    পুষ্টিবিদরা জানাচ্ছেন, স্থূলতা এড়িয়ে সুস্থ থাকতে চটজলদি, অতিরিক্ত তেল-মশলার চর্বি জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলতে হবে। নিয়মিত শারীরিক কসরত অভ্যাস করতে হবে। কিন্তু অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস থাকলে দেহে একাধিক রোগ বাসা বাঁধবে। যা সুস্থ জীবনযাপনের পরিপন্থী!

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dhupguri: ‘ধূপগুড়িতে গেরুয়া ঝড় হবে’, ভোট দিয়ে বললেন সদ্য তৃণমূলত্যাগী প্রাক্তন বিধায়ক

    Dhupguri: ‘ধূপগুড়িতে গেরুয়া ঝড় হবে’, ভোট দিয়ে বললেন সদ্য তৃণমূলত্যাগী প্রাক্তন বিধায়ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট দিলেন সদ্য তৃণমূলত্যাগী প্রাক্তন বিধায়ক মিতালি রায়। ভোট দিয়ে বেরিয়েই তিনি বললেন, ধূপগুড়িতে (Dhupguri) গেরুয়া ঝড় হবে। তৃণমূলের ফের ভরাডুবি হবে। মঙ্গলবার সকালে অন্যান্য ভোটারদের সঙ্গে লাইনে দাড়িয়ে ভোট দিলেন তিনি।

    শাসক দলের প্রার্থীকে ভোট না দেওয়া প্রসঙ্গে কী বললেন তৃণমূলত্যাগী প্রাক্তন বিধায়ক? (Dhupguri)

    এদিন ভোট দিতে এসে তিনি বলেন, মানুষ বিজেপির পক্ষেই রায় দেবেন। তৃণমূল সরকারের এই দুর্নীতি, ধূপগুড়ি (Dhupguri) পুরসভার দুর্নীতি, পঞ্চায়েত ভোটের সময় মানুষকে ভোট দিতে না দেওয়া, সব মিলিয়ে মানুষ তৃণমূলকে প্রত্যাখ্যান করবে এবারও। দুহাত ভরে মানুষ বিজেপিকে আশীর্বাদ করবে। ভোট দিতে এসেই ভোট কেন্দ্রের ভিতরের অব্যবস্থা দেখে চটে যান সদ্য বিজেপিতে যোগদানকারী প্রাক্তন বিধায়ক। ভোট কেন্দ্রের ভিতরে ইভিএমের সামনে পর্যাপ্ত আলো নেই বলে অভিযোগ করেন তিনি। বলেন, ভোটারদের সমস্যা হচ্ছে। এর পিছনে তিনি সরাসরি চক্রান্তের অভিযোগ এনে বলেন, মানুষ যখন ভোট দিতে যাচ্ছে, তখনই আলোর সমস্যা হচ্ছে। যার ফলে সঠিকভাবে ভোট দিতে পারছে না। মানুষের ভোট সঠিক জায়গায় পড়ছে না। পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা করার জন্য প্রিসাইডিং অফিসারের কাছে তিনি দাবি জানান। বুথের ভিতরে বেশ কিছুক্ষণ অপেক্ষা করার পর প্রিসাইডিং অফিসারের কাছ থেকে টর্চ নিয়ে এসে তিনি ভোট দেন। পাশাপাশি তিনি ভোটারদেরও বলেন, সঠিক আলো হলেই যেন তাঁরা ভোট দেন। এই বিষয়টি নিয়ে তিনি নির্বাচন কমিশনের কাছেও অভিযোগ করেন।

    বুথের বাইরে জমায়েত নিয়ে কী বললেন প্রাক্তন বিধায়ক?

    বুথের বাইরে তৃণমূলের লোকজন জমায়েত করেছিলেন। সেই বিষয়ে মিতালি রায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর কাছে নালিশ করেন। পরে, কেন্দ্রীয় বাহিনীর হস্তক্ষেপে জমায়েত সরিয়ে দেওয়া হয়। এই ঘটনার জন্য তিনি সরাসরি তৃণমূলের দিকে আঙুল তোলেন। বলেন, বুথগুলির আলো, জল সব কিছুর বরাত পেয়েছে তৃণমূলের ছত্রচ্ছায়ায় থাকা কিছু ঠিকাদার। জমায়েত করে, বুথের ভিতরে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা না করে কারচুপি করে তৃণমূল জেতার চেষ্টা করছে। কিন্তু, এই সব করে লাভ হবে না কিছুই। ধূপগুড়ি (Dhupguri) উপনির্বাচনে বিজেপি প্রার্থী তাপসী রায়ই বিপুল ভোটে জিতবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: মালদায় জামাইকে শিকল দিয়ে বেঁধে রাখলেন শ্বশুরবাড়ির লোকজন, কেন জানেন?

    Malda: মালদায় জামাইকে শিকল দিয়ে বেঁধে রাখলেন শ্বশুরবাড়ির লোকজন, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক মাসও বিয়ে হয়নি। এর মধ্যে স্ত্রী শ্বশুরবাড়ি ছেড়ে বাপের বাড়িতে রয়েছেন। জামাই বাবাজীবন শ্বশুরবাড়ি আসতেই তাঁকে আদর আপ্যায়ন করার পরিবর্তে শিকল দিয়ে বেঁধে রাখলেন শ্বশুরবাড়ির লোকজন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে  মালদা (Malda) জেলার ইংরেজবাজার থানার বুধিয়া বিশ্বাসপাড়ায়।

    কেন জামাইকে শিকল দিয়ে বেঁধে রাখা হল? (Malda)

    মালদার (Malda) ইংরেজবাজার থানার বুধিয়া বিশ্বাসপাড়ার বাসিন্দা জুবেদা বিবির সঙ্গে ২৪ দিন আগে রতুয়া থানার সুলতানগঞ্জের বাসিন্দা আক্রম আলির বিয়ে হয়েছিল। বিয়ের সময় ৯০ হাজার টাকা পণ দেওয়ার কথা হয়েছিল। কিন্তু, আর্থিক অবস্থা সচ্ছল না থাকায় পণের সম্পূর্ণ টাকা মেয়ের শ্বশুরবাড়িতে দিতে পারেননি জুবেদা বিবির বাপের বাড়ির লোকজন। বিয়ের দিন ৫০ হাজার টাকা দেওয়া হয়। পরে বাকি টাকা দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়। বিয়ের দিনই পণের সব টাকা দিতে না পারার কারণে অনেক কথা শুনতে হয়েছিল। তবে, বিয়েবাড়িতে অন্য লোকজনের মধ্যস্থতায় বিয়ে হয়ে যায়। কিন্তু, বিয়ের পর থেকেই জুবেদার উপর মানসিক এবং শারীরিক অত্যাচার শুরু হয়। শেষমেশ কয়েকদিন আগেই জুবেদা কাউকে কিছু না জানিয়ে বাপের বাড়ি চলে যান। সোমবার সন্ধ্যায় টাকার জন্য আক্রম আলি শ্বশুরবাড়িতে যান। সেখানে গিয়ে তিনি স্ত্রীকে গালিগালাজ করতে থাকেন। পরে, তাঁকে মারধর করা হয়। মেয়েকে মারতে দেখে শ্বশুরবাড়ির লোকজন জামাইকে শিকল দিয়ে বেঁধে রাখেন।

    স্বামীর প্রসঙ্গে কী বললেন স্ত্রী ?

    আক্রম আলির স্ত্রী জুবেদা বিবি বলেন, বাবার খুব বেশি রোজগার নেই। তবুও, পণের টাকা ধাপে ধাপে দিয়ে দেওয়ার কথা বলেছিল। সেটা ওদের সহ্য হয়নি। বিয়ের কয়েক দিন পর থেকেই স্বামী আমার উপর শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার চালাতে থাকে। আমাকে শ্বাসরোধ করে মেরে ফেলার চেষ্টা করে। আমার বাড়িতে এসে আমার উপর অত্যাচার করতেই এলাকাবাসী ঘরে বন্দি করে রাখে। থানায় বিষয়টি জানিয়েছি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (মঙ্গলবার, ০৫/০৯/২০২৩)

    Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (মঙ্গলবার, ০৫/০৯/২০২৩)

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য–কেমন কাটবে দিন?

    মেষ

    ১) সন্ধ্যাবেলা মা-বাবার সেবায় সময় কাটাবেন।

    ২) সন্তানের বিবাহে আগত বাধা বন্ধুর সাহায্যে দূর হবে।

    বৃষ

    ১) পরিচিত ব্যক্তির চাপে পড়ে কোনও ব্যবসায়িক ডিল ফাইনাল করবেন না। তা না-হলে লোকসান হতে পারে।

    ২) ছাত্রছাত্রীরা ভবিষ্যতে নতুন সুযোগ পেতে পারেন।

    মিথুন

    ১) শিক্ষকদের সহযোগিতায় পড়াশোনায় আগত বাধা দূর হবে।

    ২) সন্ধ্যাবেলা বন্ধুদের সঙ্গে ঘোরাফেরা করে সময় কাটাবেন।

    কর্কট

    ১) আটকে থাকা কাজ ভবিষ্যতের জন্য বাতিল করবেন না। তা না-হলে লাভের পরিবর্তে লোকসান হতে পারে।

    ২) জীবনসঙ্গীর স্বাস্থ্য দুর্বল হতে পারে। অর্থ ব্যয় হবে।

    সিংহ

    ১) সন্ধ্যাবেলা পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে হাসিঠাট্টায় সময় কাটাবেন।

    ২) মামাবাড়ির তরফে সম্মান লাভ করবেন।

    কন্যা

    ১) ছাত্রছাত্রীদের উচ্চশিক্ষার পথ প্রশস্ত হবে।

    ২) অংশীদারীত্বে কোনও ব্যবসা করে থাকলে তার দ্বারা লাভান্বিত হবেন।

    তুলা

    ১) কাছের বন্ধুর সাহায্যের জন্য অগ্রসর হবেন। এ ক্ষেত্রে কিছু অর্থ ব্যয় করতে হবে।

    ২) ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে শত্রুরা আপনার ক্ষতি করতে পারে।

    বৃশ্চিক

    ১) শ্বশুরবাড়ির কোনও ব্যক্তির সঙ্গে বিবাদ হতে পারে।

    ২) সন্তানের বিবাহে আগত বাধা আজ সমাপ্ত হবে।

    ধনু

    ১) মা-বাবাকে তীর্থযাত্রায় নিয়ে যেতে পারেন।

    ২) ছাত্রছাত্রীদের উচ্চশিক্ষার পথ প্রশস্ত হবে।

    মকর

    ১) সন্ধ্যাবেলা ধর্মীয় যাত্রায় যাওয়ায় মানসিক শান্তি পাবেন।
     
    ২) বন্ধু ও পরিবারের সঙ্গে মিলে কাজ করলে লাভান্বিত হবেন।

    কুম্ভ

    ১) ভাই-বোনের সঙ্গে মনোমালিন্য চললে, তা শেষ হবে।

    ২) সুসংবাদ পেতে পারেন।

    মীন

    ১) প্রেম জীবনে আবদ্ধ রয়েছেন যে জাতকরা, তাঁরা অবসাদের শিকার হতে পারেন।

    ২) মা-বাবার পরামর্শে কোনও কাজ শুরু করে থাকলে সম্পূর্ণ লাভ অর্জন করতে পারবেন।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Arambagh: আরামবাগে সংখ্যালঘু পরিবারের লোকজন তৃণমূল ছেড়ে যোগ দিলেন বিজেপিতে

    Arambagh: আরামবাগে সংখ্যালঘু পরিবারের লোকজন তৃণমূল ছেড়ে যোগ দিলেন বিজেপিতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার আরামবাগে (Arambagh) সংখ্যালঘু ভোটে থাবা বসাল বিজেপি। তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিল ১৫ টি সংখ্যালঘু পরিবার সহ শতাধিক কর্মী। আরামবাগের জেলা কার্যালয়ে তাঁদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন বিধায়ক মধুসূদন বাগ। এমনিতেই আরামবাগ মহকুমা জুড়ে গত বিধানসভা ভোটের পর থেকে বিজেপির ভাল ভোট ব্যাঙ্ক রয়েছে। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের লোকজন বিজেপিতে যোগ দেওয়ায় এই এলাকায় বিজেপির সংগঠন আরও মজবুত হবে বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে।

    বিজেপিতে যোগদানকারীদের কী বক্তব্য? (Arambagh)

    বিজেপিতে যোগদানের পর যোগদানকারীরা বলেন, তৃণমূল দুর্নীতিগ্রস্ত দল। তারা এলাকায় কোনও উন্নয়ন করেনি। বরং, রাস্তাঘাটের জন্য বরাদ্দ টাকা পকেটে পুড়েছে তৃণমূলের নেতারা। দিনের পর দিন বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত করে রেখেছে। পাশাপাশি তাঁরা আরও বলেন, এনআরসি-র কথা বলে আমাদের মনে ভয় ঢোকানো হয়েছিল। বাংলাদেশ বা পাকিস্তানে পাঠিয়ে দেওয়ার ভয় দেখানো হয়েছিল। আমরা তো ভারতীয়, তাই আমাদের কোনও সমস্যা হবে না বলে আশ্বাস দিয়েছে বিজেপি। ফলে, তৃণমূল এতদিন আমাদের ভুল বুঝিয়ে আসছিল। ভুল ভাঙতেই আমরা তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছি। আর আরামবাগ (Arambagh) এলাকার উন্নয়নের বিষয়টি তো রয়েছে।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    এ নিয়ে বিজেপির আরামবাগ (Arambagh) সাংগঠনিক জেলার সভাপতি বিমান ঘোষ বলেন, ভারতীয় জনতা পার্টি সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে এই ভুল ভেঙেছে। সবকা সাথ সবকা বিকাশের কথা মানুষ বুঝতে পারছে। সে জন্যই দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করতে সংখ্যালঘুরা বিজেপির ছাতার তলায় আসছে। তৃণমূল এতদিন তাঁদের ভুল বুঝিয়ে নিজেদের ভোট ব্যাঙ্ক করে রেখেছিল। সেটা তারা বুঝতে পেরেই আমাদের দলে যোগ দিয়েছে। আগামীদিনে আরও অনেকেই আমাদের দলে আসবেন।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    এই যোগদানের প্রসঙ্গে আরামবাগ (Arambagh) সাংগঠনিক জেলা তৃণমূলের সহ-সভাপতি স্বপন নন্দী বলেন, বিজেপি টাকা পয়সার লোভ দেখিয়ে কিছু লোকজনকে দলে টানছে। পতাকা ধরিয়ে নাটক করছে। যাঁরা যাচ্ছেন তাঁরা নিজেরাই পরে ভুল বুঝতে পেরে আবার তৃণমূলে ফিরে আসবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: দলের সভায় যাওয়াও ‘অপরাধ’! বারুইপুরে বাঁশ, রড, লাঠি দিয়ে মার বিজেপি কর্মীকে

    South 24 Parganas: দলের সভায় যাওয়াও ‘অপরাধ’! বারুইপুরে বাঁশ, রড, লাঠি দিয়ে মার বিজেপি কর্মীকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সভায় যাওয়ার ‘অপরাধে’ বিজেপি কর্মীকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে বারুইপুর (South 24 Parganas) থানার বেদবেরিয়া বিদ্যাধরী পল্লিতে। এই ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে এলাকায়। শাসক দলের দৌরাত্ম্যের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছে এলাকার বিজেপি নেতৃত্ব।

    ঘটনা কীভাবে ঘটল?

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গুরুতর আহত বিজেপি কর্মী খোকন বিশ্বাস। গতকাল বিজেপির একটি সভায় গিয়েছিলেন তিনি। আর সেই অপরাধেই আজ, তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীরা বিজেপির এই কর্মীর উপর চড়াও হয়। তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা বাঁশ, রড, লাঠি সহ একাধিক অস্ত্র দিয়ে তাঁকে মারধর করতে থাকে। আর তা দেখতে পেয়ে, তাঁর স্ত্রী ও মা বাঁচাতে এলে তাঁদেরও মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনায় মূল অভিযুক্ত স্থানীয় তৃণমূল নেতা হীরেন রায়।

    আহত বিজেপি কর্মীর বক্তব্য (South 24 Parganas)

    আহত বিজেপি কর্মীর অভিযোগ, এলাকায় হীরেন রায় দুষ্কৃতীদের প্রত্যক্ষ মদত দিচ্ছে। বিজেপি করার অপরাধেই তাঁকে হুমকি এবং বেপরোয়া মারধর করা হয়। এরপর গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয় বাসিন্দারা তড়িঘড়ি তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে ঘুটিয়ারি শরিফ হাসপাতলে নিয়ে যায়। এরপর তাঁর অবস্থার অবনতি হলে, তাঁকে বারুইপুর (South 24 Parganas) মহকুমা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করেন চিকিৎসক।

    থানায় দায়ের অভিযোগ

    আহত বিজেপি কর্মীর পরিবারের পক্ষ থেকে এই ঘটনায় বারুইপুর (South 24 Parganas) থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এর আগেও একাধিকবার দেখা গেছে বিরোধী দল করার অপরাধে শাসকদলের নেতাকর্মীরা বিরোধী কর্মীদের মারধর করে কন্ঠরোধ করার চেষ্টা করেছে। পঞ্চায়েত নির্বাচনের পর্ব থেকে এই ঘটনা আরও বেশি করা দেখা গেছে। এবার সেই ছবি আরও একবার প্রকাশ্যে এল বারুইপুরে।

    বিধায়কের বক্তব্য

    তবে এই বিষয়ে বারুইপুর (South 24 Parganas) পূর্বের বিধায়ক বিভাস সর্দার জানান, এই ঘটনায় তৃণমূল কংগ্রেস কোনও ভাবেই জড়িত নয়। বিজেপির গোষ্ঠী কোন্দলের জেরেই এই মারামারির ঘটনা ঘটেছে বলে পাল্টা অভিযোগ করেন তিনি। স্থানীয় বিজেপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পুলিশ-প্রশাসন এই ঘটনায় যদি কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ না করে, তাহলে আগামী দিনে তারা বৃহত্তর আন্দোলনের পথে নামবে। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে বারুইপুর থানার পুলিশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Dhupguri: ৩০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনীর কড়া নজরদারিতে কাল ধূপগুড়ি বিধানসভায় উপ নির্বাচন

    Dhupguri: ৩০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনীর কড়া নজরদারিতে কাল ধূপগুড়ি বিধানসভায় উপ নির্বাচন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাত পোহালেই ধূপগুড়িতে (Dhupguri) বিধানসভা উপ নির্বাচন। আর এই ভোটকে কেন্দ্র করে প্রশাসনিক তৎপরতা তুঙ্গে। ইতিমধ্যেই জলপাইগুড়ির ডিসিআরসি থেকে ভোটের সরঞ্জাম নিয়ে ভোট কেন্দ্রের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন ভোট কর্মীরা। এমনিতেই এই বিধানসভা কার দখলে থাকবে তা নিয়ে রাস্তাঘাটে, দোকানে এদিন সব জায়গায় জোর আলোচনা চলছে। এমনিতেই ভোটের দুদিন আগেই তৃণমূলকে জোর ধাক্কা দিয়েছে বিজেপি। এমনিতেই এই বিধানসভায় বিজেপির ভাল ভোট ব্যাঙ্ক রয়েছে। তারপর তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক মিতালি রায় বিশাল অনুগামী নিয়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়ায় কর্মীরা বাড়তি অক্সিজেন পেয়ে গিয়েছে।

    ধূপগুড়িতে (Dhupguri)ভোটের দিনে কত কেন্দ্রীয় বাহিনী রয়েছে,জানেন?

    ধূপগুড়ি (Dhupguri) বিধানসভা কেন্দ্রে মোট ২৬০ টি ভোট গ্রহণ কেন্দ্র রয়েছে। ধূপগুড়ি পুরসভা, বানারহাট এবং ধূপগুড়ি ব্লক মিলিয়ে মোট ভোটার সংখ্যা- ২ লক্ষ ৬৯ হাজার ৪১৬ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার রয়েছেন, ১ লক্ষ ৩৮ হাজার ৯০ জন। মহিলা ভোটারের সংখ্যা- ১ লক্ষ ৩১ হাজার ৩২৪ জন। ২৭টি কুইক রেসপন্স টিম রয়েছে। মোট ভোট কর্মীর সংখ্যা-১২০০ জন। এবারের এই উপনির্বাচনে মোট ৩০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। ১৫০টি স্পর্শকাতর বুথ রয়েছে। আর অতিস্পর্শকাতর বুথের সংখ্যা ৩৭টি। যে সব ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে এক বা দুটি বুথ রয়েছে, সেখানে ৮জন কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থাকবে। আর যে সব ভোট গ্রহণ কেন্দ্রে তিন বা চারটি বুথ রয়েছে, সেখানে ১৬ জন কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থাকবে। বুথের ১০০ মিটারের মধ্যে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। গোটা ধূপগুড়ি এলাকা কেন্দ্রীয় বাহিনী চষে বেড়াচ্ছে। নির্বাচনকে ঘিরে কোথাও কোনওরকম অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এই বাহিনী টহল দিচ্ছে। ধূপগুড়ির গ্রামে গ্রামে এখন শুধু ভারী বুটের আওয়াজ। যাতে বেশ অভয় পাচ্ছেন ভোটাররা। পঞ্চায়েত নির্বাচনের স্মৃতি এখনও দগদগে বেশ কিছু এলাকার ভোটারদের কাছে। কারণ, পঞ্চায়েত ভোটে অনেক এলাকাতেই বহু ভোটার নিজেদের ভোট দিতে পারেননি বলে অভিযোগ। এই ভোটে কড়া নিরাপত্তা এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকায় ভোটাররাও বেশ আশ্বস্ত। আর এতেই বাড়তি সুবিধা পাবে বিজেপি বলে মনে করছে তারা।

    উপ নির্বাচন নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    ২০২১শে ধূপগুড়ি (Dhupguri) বিধানসভা ভোটে বিজেপি প্রার্থী ভোট পেয়েছিলেন ১ লক্ষ ৪ হাজার ৬৮৮ টি ভোট। অন্যদিকে, তৃণমূল প্রার্থী পেয়েছিলেন ১ লক্ষ ৩৩৩ টি ভোট। এবার কিন্তু,বেশ কিছু ইস্যু নিয়ে বিজেপি অনেকটাই বাড়তি অক্সিজেন পাবে। রাজ্যের বিভিন্ন দফতরে দুর্নীতি, শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি সহ একাধিক বিষয়ে বেশ ব্যাকফুটে শাসক দল। এই বিষয়গুলির জন্য কিছুটা চাঙা বিজেপি কর্মীরা। এর পাশাপাশি তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক মিতালি রায় বিজেপিতে যোগ দেওয়ায় তৃণমূলের ভোট ব্যাংকে  অনেকটাই থাবা বসাবে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। ভোটে জিত নিয়ে নিশ্চিত দু পক্ষই। তৃণমূলের তরফে জলপাইগুড়ি জেলা তৃণমূল সাধারণ সম্পাদক রাজেশ সিং বলেন, আমাদের দলীয় প্রার্থী বিপুল ভোটে জিতবে, এ নিয়ে কোনও সন্দেহ নাই। অন্যদিকে, বিজেপির জলপাইগুড়ি জেলা সাধারণ সম্পাদক শ্যাম প্রসাদ বলেন, ২০২১ সালের চাইতে অনেক বেশী ভোটে আমাদের প্রার্থী জয়ী হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সুবিধা বন্ধ হল কেন? রাজ্যের কাছে হলফনামা চাইল হাইকোর্ট

    Calcutta High Court: কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সুবিধা বন্ধ হল কেন? রাজ্যের কাছে হলফনামা চাইল হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের মানুষের কাছে কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সুবিধা দেওয়ার ব্যবস্থা কেন বন্ধ করা হল? তা নিয়ে এবার প্রশ্ন তুলল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। রাজ্যের কাছে এ নিয়ে হলফনামা চেয়েছে হাইকোর্ট। সোমবার প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম এবং হিরন্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সুযোগ সুবিধার বিষয় সাধারণ মানুষের কাছ থেকে আড়ালে কেন রাখা হল (Calcutta High Court)? ১৫ দিনের মধ্যে তা রাজ্যকে হলফনামা দিয়ে জানাতে হবে। এ প্রসঙ্গে প্রধান বিচারপতি বলেন,‘‘কেন্দ্রীয় সুবিধা (Calcutta High Court) বন্ধ করে রাজ্য যে ‘বাংলা সহায়তা কেন্দ্র’ তৈরি করেছে, তার কাজ আদালতের কাছে স্পষ্ট নয়। রাজ্যের এমন পদক্ষেপের কারণ আদালতের কাছে পরিষ্কার নয়।’’

    গত মাসেই এ নিয়ে জনস্বার্থ মামলা করেন সুকান্ত মজুমদার

    প্রসঙ্গত, কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা থেকে রাজ্যের মানুষকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। এই অভিযোগ তুলে গত মাসেই হাইকোর্টে (Calcutta High Court) জনস্বার্থ মামলা করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। বালুরঘাটের সাংসদের বক্তব্য, ‘‘বাংলার মানুষকে বঞ্চিত করার জন্যই কমন সার্ভিস সেন্টার বন্ধ করে দিয়েছে রাজ্য সরকার।’’ বিজেপির রাজ্য সভাপতির আরও দাবি, ওই প্রকল্পগুলি বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে দেড় লক্ষ মানুষ কর্মসংস্থান হারিয়েছেন। এই সংক্রান্ত জনস্বার্থ মামলা দায়ের করতে নিজেই কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) হাজির হয়েছিলেন সুকান্ত মজুমদার।

    কেন্দ্রের ২০০টি পরিষেবার সুবিধা নানা ভাবে পেয়ে থাকেন রাজ্যের মানুষ

    তাঁর অভিযোগ, কেন্দ্রীয় পরিষেবা থেকে বাংলার মানুষকে বঞ্চিত করতেই মুখ্যমন্ত্রী এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কেন্দ্রের ২০০টি প্রকল্পের সুবিধা পান রাজ্যের মানুষ । সুকান্ত মজুমদার আরও দাবি করেছিলেন যে সিএসসির মাধ্যমে পঞ্চায়েত অফিসে গিয়ে বিভিন্ন কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সুযোগ সুবিধা জানতে পারতো গ্রামের মানুষজন। ২০২০ সালের মুখ্যমন্ত্রীর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকার ওই পরিষেবা তুলে দেয়।  বিজেপির রাজ্য সভাপতির এই জনস্বার্থ মামলার পরিপ্রেক্ষিতে এবার হলফনামা চাইল হাইকোর্ট (Calcutta High Court)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP Murder: বিজেপি নেতা খুনে অভিযুক্তকে জামিন পাইয়ে দিতে ‘চক্রান্তে’ সামিল পুলিশ! মত হাইকোর্টের

    BJP Murder: বিজেপি নেতা খুনে অভিযুক্তকে জামিন পাইয়ে দিতে ‘চক্রান্তে’ সামিল পুলিশ! মত হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত মে মাসে পূর্ব মেদিনীপুরে ময়নায় বিজেপি নেতা বিজয়কৃষ্ণ ভূঁইয়া খুন (BJP Murder) হন। ওই খুনের ঘটনায় একাধিক তৃণমূল নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। বিজেপি নেতা খুনের ঘটনায় মূল অভিযুক্তকে জামিনে মুক্ত করতে চক্রান্ত (BJP Murder) করছে পুলিশ, সোমবার এই মামলার শুনানিতে এমনই মন্তব্য করলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত। প্রসঙ্গত, এই খুনের (BJP Murder) ঘটনায় ৯১ দিনের মাথায় চার্জশিট পেশ করে। আইন অনুসারে ঠিক তার আগের দিনই জামিন পেয়ে যান মূল অভিযুক্ত। কেন চার্জশিট পেশ করতে একদিন সময় বেশি লাগল পুলিশের, তা ব্যাখ্যা করতে গিয়েই এই মন্তব্য করে কলকাতা হাইকোর্ট। প্রসঙ্গত, গত ৪ অগাস্ট জামিন পেয়ে যায় মূল অভিযুক্ত (BJP Murder)। ঠিক তার পরের দিনই আদালতে চার্জশিট জমা পড়ে পুলিশের।

    কেন সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিতে হয়, তার কারণ ব্যাখ্যা করেন বিচারপতি

    ময়নায় বিজেপি নেতা খুনের (BJP Murder) ঘটনায়, সিবিআই তদন্তের দাবিতে মামলাটি হাইকোর্টে ওঠে। এর পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত বলেন যে আমরা কোনও মামলা সিবিআই-সিআইডিকে দিতে চাই না। কিন্তু কেন আমাদের এই কাজ করতে হয় তার স্পষ্ট উদাহরণ দিচ্ছি। এরপরেই বিচারপতি বলেন, ‘‘গত ৪ অগাস্টই চার্জশিট তৈরি হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু তারপরেও সেই চার্জশিট আদালতে পেশ করা হয়নি। মূল অভিযুক্তকে জামিন পাইয়ে দিতেই পুলিশ এই কাজ করেছে (BJP Murder)। ৫ অগাস্ট চার্জশিট আদালতে পেশ করেছে পুলিশ (BJP Murder)। এতে স্পষ্ট মূল অভিযুক্তকে জামিন পাইয়ে দিতে পুলিশের চক্রান্ত (BJP Murder)।’’ 

    মামলায় এসসি-এসটি আইনের ধারা যোগ হওয়ার পরেও কীভাবে জামিন, প্রশ্ন হাইকোর্টের

    বিচারপতি জয় সেনগুপ্তের আর প্রশ্ন, মামলাতে এসসি-এসটি আইনের ধারাগুলিকে যোগ করা হয়েছে। তারপরেও কীভাবে মূল অভিযুক্ত (BJP Murder) জামিন পেতে পারেন? প্রসঙ্গত,  বিজয়কৃষ্ণ ভূঁইয়াকে বোম মারতে মারতে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ দায়ের করেছে তাঁর পরিবার। তারপরেও বিস্ফোরক আইনের কোনও ধারা কেন যোগ করা হয়নি তাও জানতে চান বিচারপতি।   ১৮ সেপ্টেম্বর মামলার পরবর্তী শুনানির  দিন রয়েছে। সেদিন এই সমস্ত প্রশ্নের জবাব দিতে হবে পুলিশকে, এমন কথাই শুনিয়েছেন বিচারপতি (BJP Murder)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share