Tag: bangla news

bangla news

  • Gang Rape: অশোকনগরে  এক যুবতীকে গণধর্ষণ করে রাস্তায় ফেলে যাওয়ার অভিযোগ, অভিযুক্ত চার যুবক

    Gang Rape: অশোকনগরে এক যুবতীকে গণধর্ষণ করে রাস্তায় ফেলে যাওয়ার অভিযোগ, অভিযুক্ত চার যুবক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক যুবতীকে মাদক খাইয়ে ফাঁকা বাড়িতে নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণের (Gang Rape) অভিযোগ উঠল চার যুবকের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনা জেলার অশোকনগরে। অভিযোগ, অচৈতন্য অবস্থায় যুবতীকে গভীর রাতে যশোর রোডের পাশে অশোকনগরের একটি কলেজের সামনে ফেলে চম্পট দেয় অভিযুক্ত যুবকরা। পুলিশ খবর পেয়েই মেয়েটিকে উদ্ধার করে প্রথমে হাসপাতালে নিয়ে যায়। গণধর্ষণের অভিযোগে ওই চার যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তবে, এত কাণ্ড হওয়ার পরও পুলিশ কিছু জানতে না পারায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Gang Rape)

    মাদক খাইয়ে যুবতীকে অচৈতন্য করে গণধর্ষণের (Gang Rape) ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে অশোকনগর এলাকায়। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃত চার অভিযুক্তের নাম তন্ময় পাল, আকাশ চক্রবর্তী, টুকাই সিকদার এবং গোপাল পাল। তাদের প্রত্যেকের বাড়ি অশোকনগর ৫ নম্বর সুভাষপল্লি এলাকায়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, নির্যাতিতা যুবতী পানশালায় নর্তকীর কাজ করেন। যুবতীর পূর্ব পরিচিত আকাশের কাছে টাকা ধার চায় এই যুবতী। আর এই টাকা ধার দেবে বলেই রবিবার সন্ধ্যার পরে আকাশ ওই যুবতীকে অশোকনগরে ডাকে। এর পরেই আকাশ ওই যুবতীকে আরেক অভিযুক্ত টুকাই সিকদারের ফাঁকা বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে ওই যুবতীকে মাদক খাইয়ে অচৈতন্য করে চার বন্ধু মিলে গণধর্ষণ করে বলে অভিযোগ। তারপরে গভীর রাতে হাবড়া শ্রীচৈতন্য কমার্স কলেজের সামনে যুবতীকে ফেলে চম্পট দেয় ওই চার যুবক। পরবর্তীতে পুলিশ প্রশাসন খবর পেয়ে নির্যাতিতাকে সঙ্গে সঙ্গে নিয়ে যায় অশোকনগর হাসপাতালে। সেখানে বসেই ওই যুবতী পুলিশের কাছে ওই চার যুবকের নামে গণধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে সোমবার সকালে অশোকনগর সুভাষপল্লি এলাকা থেকে ওই চার যুবককে গ্রেফতার করে অশোকনগর থানার পুলিশ। সোমবার তাদের চারজনকে বারাসত আদালতে পাঠানো হয়।

    কী বললেন নির্যাতিতা যুবতী?

    নির্যাতিতার বক্তব্য, ‘আমার সঙ্গে আকাশ চক্রবর্তীর পরিচয় ছিল। আমার কিছু টাকার প্রয়োজন হয়েছিল, আকাশকে বলেছিলাম। ও টাকা দেওয়ার জন্য এদিন রাতে আমায় ডাকে। তারপর একটি বাড়িতে নিয়ে গিয়ে আমাকে অচৈতন্য করে আকাশ সহ মোট চারজন গণধর্ষণ (Gang Rape) করে। পরে আমাকে একটি ফাঁকা জায়গায় ফেলে দিয়ে চলে যায়। আমি দোষীদের কঠোর শাস্তি চাই।’ দোষীদের কঠোর শাস্তি দাবিতে সরব নির্যাতিতার মাও।

    কী বললেন হাসপাতালের সুপার?

    এদিন বারাসত হাসপাতালের সুপার সুব্রত মণ্ডল বলেন, যুবতীর অবস্থা এখন স্থিতিশীল রয়েছে। চিকিৎসার পর সমস্ত কিছু বলা যাবে। এদিন নির্যাতিতাকে দেখতে বারাসত হাসপাতালে আসেন অশোকনগরের বিধায়ক নারায়ণ গোস্বামী। এদিন তিনি বলেন, এই ঘটনা অত্যন্ত পৈশাচিক। দোষীদের পুলিশ গ্রেফতার করেছে। আমি ওই পরিবারের পাশে আছি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Paschim Medinipur: গ্রামীণ হাসপাতালে নেই স্যালাইন, চড়া দামে কিনতে হচ্ছে বাইরের দোকান থেকে

    Paschim Medinipur: গ্রামীণ হাসপাতালে নেই স্যালাইন, চড়া দামে কিনতে হচ্ছে বাইরের দোকান থেকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জেলায় জেলায় ঘটা করে মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল তৈরির হিড়িক পড়ে গিয়েছে। মহকুমা বা গ্রামীণ হাসপাতালগুলিকে নীল-সাদা রং করে ঝাঁ চকচকে করার উদ্যোগ নিয়েছে তৃণমূল সরকার। কিন্তু, ঝাঁ চকচকে বিল্ডিংয়ের ভিতরে রোগীদের ন্যূনতম চিকিৎসা পরিষেবা বলে কিছু নেই। এটা বিরোধীদের কোনও অভিযোগ নয়। পশ্চিম মেদিনীপুরের (Paschim Medinipur) চন্দ্রকোণা গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি থাকা রোগীর পরিবারের লোকজন এই অভিযোগ করছেন। এই সরকারি হাসপাতালে অমিল স্যালাইন। জেলার অধিকাংশ গ্রামীণ হাসপাতালেই এই এক চিত্র। রোগী বাঁচাতে পরিবারের লোকজনকে হাসপাতালের বাইরের দোকান থেকে চড়া দামে কিনতে হচ্ছে স্যালাইন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন পরিষেবা না পাওয়া রোগীর পরিবারের লোকজন।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Paschim Medinipur)

    পশ্চিম মেদিনীপুর চন্দ্রকোণা গ্রামীণ হাসপাতালে অমিল স্যালাইন, তাই বাধ্য হলেই হাসপাতালের বাইরে ওষুধ দোকান থেকে চড়া দামে কিনতে হচ্ছে স্যালাইন। এই গ্রামীণ হাসপাতালে প্রতিদিন চিকিৎসার জন্য শয়ে শয়ে রোগী আসেন। কিন্তু, এই হাসপাতালে টানা কয়েক সপ্তাহ ধরে অমিল রয়েছে স্যালাইন পরিষেবা। ইমের্জেন্সি বিভাগে থাকা চিকিৎসকরা রোগীর প্রয়োজন মতো পরিজনদের লিখে দিচ্ছেন স্যালাইনের কথা। রোগী বাঁচাতে দোকানে ছুটছেন রোগীর পরিজনেরা। চড়া দামে দোকান থেকে স্যালাইন কিনে আনছেন তাঁরা, সেই স্যালাইন দেওয়া হচ্ছে রোগীদের। আর এতেই ক্ষুব্ধ রোগীর পরিজনেরা। চন্দ্রকোণা গ্রামীণ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগী ও তাঁর পরিজনদের অভিযোগ, সরকারি হাসপাতালে পাওয়ার কথা স্যালাইন, সেই স্যালাইন কিনা কিনে আনতে হচ্ছে দোকান থেকে।

    কী বললেন বিএমওএইচ?

    স্যালাইন সরবরাহ নিয়ে সংকট যে তৈরি হয়েছে, তা কার্যত মেনে নিচ্ছেন চন্দ্রকোণা গ্রামীণ হাসপাতালের বিএমওএইচ স্বপ্ননীল মিস্ত্রি। তিনি বলেন, পশ্চিম মেদিনীপুর (Paschim Medinipur) জেলার অন্য হাসপাতালের মতো এই হাসপাতালে স্যালাইনের জোগান নেই। রোগীদের গাঁটের টাকা খরচ করে যাতে স্যালাইন কিনতে না হয় সেই ব্যবস্থা করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। বিশেষ করে যে সব রোগী হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন, তাঁদের যাতে বাইরে থেকে স্যালাইন কিনতে না হয়, তার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sharmila Tagore: উদ্যোগী ঋতুপর্ণা, দীর্ঘ ১৪ বছর পর বাংলা সিনেমায় ফিরছেন শর্মিলা ঠাকুর!

    Sharmila Tagore: উদ্যোগী ঋতুপর্ণা, দীর্ঘ ১৪ বছর পর বাংলা সিনেমায় ফিরছেন শর্মিলা ঠাকুর!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি থেকেই যাঁর ক্যারিয়ারের শুরু, সেই বাংলা থেকেই বিগত কয়েক বছর ধরে দূরে সরে গিয়েছেন তিনি। আর এবার সব দূরত্ব কাটিয়ে আবার বাংলা সিনেমাতে দীর্ঘ ১৪ বছর পর ফিরে আসছেন শর্মিলা ঠাকুর (Sharmila Tagore)। আর শর্মিলা ঠাকুরের বাংলাতে প্রত্যাবর্তনের পিছনে যাঁর উদ্যোগ সবচেয়ে বেশি, তিনি আর কেউ না, ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। গত শুক্রবার শহরের এক পাঁচতারা হোটেলে এই সিনেমার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়। ছবির নাম ঠিক করা হয়েছে ‘পুরাতন’। ছবিটি পরিচালনা করছেন সুমন ঘোষ। আর ছবিটি প্রযোজনা করছেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। এই ছবিতে দেখা যাবে ইন্দ্রনীল সেনগুপ্তকেও।

    শর্মিলা ঠাকুর (Sharmila Tagore) কী জানিয়েছেন এই ছবি সম্পর্কে?

    বাংলা সিনেমায় প্রত্যাবর্তনে খুবই যে খুশি শর্মিলা ঠাকুর, অনুষ্ঠানের দিনই তাঁর বক্তব্যে সেটি প্রকাশ পায়। বাংলাতে তার শেষ ছবি ‘অন্তহীন’, সেখানেও তিনি অসাধারণ অভিনয় করেন। তারপরই হঠাৎ বাংলা সিনেমা থেকে অনেক দূরে সরে যান তিনি। তিনি (Sharmila Tagore) এই প্রত্যাবর্তন নিয়ে বলেন, “আসলে এখন ভালো ছবি করতে চাই,  আর ঋতুপর্ণার সাথে তো আমার অনেকদিনের ভালো পরিচয়, সুমনের ছবিও আমি দেখেছি। আশা করছি একটি ভালো ছবিই উপহার দিতে পারব সবাইকে।”

    শর্মিলার (Sharmila Tagore) এই বাংলা ছবিতে ফিরে আসা নিয়ে কী জানিয়েছেন ঋতুপর্ণা?

    ঋতুপর্ণা জানান, “আসলে সুমনের সঙ্গে আমার শর্মিলা ঠাকুরের বিষয়ে কথা হয়। পরে তিনি এই ছবির চিত্রনাট্য পড়েন এবং আমাদের সম্মতি দেন এই ছবি নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার।” 
    অপরদিকে এই ছবির পরিচালক সুমন ‘কাবুলিওয়ালা’ নামক এক ছবির শুটিংয়ের জন্য কাশ্মীরে ছিলেন। তাই শুক্রবার আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি উপস্থিত থাকতে পারেননি। খুব তাড়াতাড়ি এই নতুন ছবির কাজ শুরু হবে বলে জানিয়েছেন পরিচালক থেকে প্রযোজক। বাংলাতে শর্মিলার (Sharmila Tagore) আবার ফিরে আসার খবরে খুশি তাঁর ভক্তমহল।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: চাকদার ফাইবারের দুর্গা প্রতিমা পাড়ি দিচ্ছে প্যারিসে, উচ্ছ্বসিত জেলাবাসী

    Nadia: চাকদার ফাইবারের দুর্গা প্রতিমা পাড়ি দিচ্ছে প্যারিসে, উচ্ছ্বসিত জেলাবাসী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতি বছরই তাঁর তৈরি দুর্গা প্রতিমা বিদেশে পাড়ি দেয়। এই বছর তাঁর তৈরি ফাইবারের দুর্গা প্রতিমা নদিয়া (Nadia) থেকে পাড়ি দিচ্ছে প্যারিসে। দেশের মূর্তি বিদেশের মাটিতে পূজিত হবে, এটা ভেবেই আপ্লুত জেলাবাসী।

    কীভাবে প্যারিসে যাবে ফাইবারের মূর্তি (Nadia)?  

    নদিয়ার (Nadia) চাকদার মৃৎশিল্পী অনুপ গোস্বামী। ছোট থেকেই বিভিন্ন প্রতিমার মূর্তি তৈরি করেছেন তিনি। প্রথমে মাটি দিয়ে বিভিন্ন পূজোর ঠাকুর তৈরি করতেন। পরবর্তীকালে তাঁর হাতের সুন্দর কারুকার্য দেখে হঠাৎ করে বিদেশ থেকে কাজের অর্ডার আসতে শুরু করে। মাটির তৈরি মূর্তি ওজনে অনেকটাই বেশি। অন্যদিকে মজবুতের দিক থেকে কিছুটা দুর্বল। সেই কারণে মাটির তৈরি মূর্তি বিদেশে নিয়ে যেতে অনেকটাই সমস্যায় পড়তে হয়। তাই তিনি বর্তমানে ফাইবারের দুর্গা প্রতিমা তৈরি করছেন। এবার সেই ফাইবারের দুর্গা প্রতিমা পাড়ি দিচ্ছে প্যারিসে। এর আগেও অনুপ গোস্বামীর তৈরি মূর্তি অস্ট্রেলিয়া সহ একাধিক দেশে পাড়ি দিয়েছে।

    মৃৎশিল্পীর বক্তব্য

    মৃৎশিল্পী অনুপ গোস্বামী (Nadia) জানান, কখনও জাহাজে কখনও ফ্লাইটে দুর্গা প্রতিমা নিয়ে যাওয়া হয়। যেহেতু বাঙালিরা বর্তমানে বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে রয়েছে, সেই কারণে দুর্গা পুজো বিদেশেও কমবেশি অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। তবে প্রতিমা তৈরির সরঞ্জামের দাম কিছুটা বৃদ্ধি পাওয়ায় অসুবিধায় পড়তে হয়েছে শিল্পীদের। লাভের মূল্য আগের তুলনায় অনেকটাই কমে গেছে বলে জানান তিনি। তাঁর তৈরি করা মূর্তি গতব ছর বাহারিন, প্যারিস এবং চিলিতে গিয়েছিল। সেখানে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই বছর দুর্গা মূর্তি যাবে প্যারিসে। পাশাপাশি তিনি আরও জানান, শুধু দুর্গা প্রতিমা নয়, বিভিন্ন মুনিঋষির মূর্তি তৈরি করে থাকেন। তাঁর তৈরি মূর্তি অন্যান্য রাজ্য সহ দেশের বাইরেও নিয়ে যাওয়া হয়। ব্রোঞ্জ,পাথর এবং ফাইবার দিয়ে মূর্তি তৈরি করে থাকেন তিনি। এই বছর রথযাত্রার পরেই বিদেশ থেকে বিশেষ অর্ডার দেওয়া হয়। এই মূর্তি তৈরি করতে প্রায় দুই মাস সময় লেগেছে। তিনি মূর্তি তৈরি প্রসঙ্গে আরও বলেন, প্রথমে সব মূর্তি মাটির তৈরি হয়, এরপর হলোকাস্টিং করে ফাইবারের ছাঁচে তৈরি করা হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Lord Kartikeya: দেবাদিদেব মহাদেব কেন দেব সেনাপতির পদটি ছেড়ে দিয়েছিলেন কার্তিককে?

    Lord Kartikeya: দেবাদিদেব মহাদেব কেন দেব সেনাপতির পদটি ছেড়ে দিয়েছিলেন কার্তিককে?

    স্বামী অলোকেশানন্দ

    আমি কিছুদিন তামিলনাড়ুতে ছিলাম। এখানে বিভিন্ন ধর্ম ও সম্প্রদায়ের লোক থাকলেও মুরুগন্‌ অর্থাৎ কার্তিকের (Lord Kartikeya) পুজোর খুব প্রচলন আছে। কার্তিক সম্বন্ধে এখানকার মানুষের কাছ থেকে যা জেনেছি, তা সকলকে জানানোর জন্যই আমার এই ছোট একটি লেখা।

    পৌরানিক কাহিনী, কবি কালিদাসের কাব্য এবং এখানকার জনশ্রুতি অনুযায়ী কার্তিকের জন্ম কৃত্তিকা নক্ষত্র তিথিতে। ব্রহ্মার বরে বলীয়ান হয়ে তারকাসুর যখন স্বর্গের দেবতাদের খুব অত্যাচার করতে লাগল, তখন দেবতারা শিবের কাছে একটি পুত্রের জন্য প্রার্থনা করতে লাগলেন। কারণ তারকাসুর বধের জন্য শিবপুত্রের প্রয়োজন, তাও আবার তার বয়স হতে হবে সাতদিন। তারকাসুর সাধনা করে এইরূপ বর পেয়েছিলেন ব্রহ্মার কাছ থেকে।

    সংক্ষেপে কার্তিকের (Lord Kartikeya) জন্ম

    শিব ও পার্বতী সেই সময় গভীর তপস্যায় ধ্যানে মগ্ন ছিলেন। দেবতারা শিবের ধ্যান ভাঙানোর জন্য রতি ও মদনদেবকে পাঠালেন। কিন্তু এদের কামনাময় নৃত্যে ধ্যান ভাঙল না। তখন কামদেব শিবের উপর কামবান ছুড়ে দিলেন। তাতে শিবের ধ্যান ভেঙে গেল। কিন্তু ক্রোধে তাঁর ত্রিনয়ন থেকে অগ্নি বেরিয়ে মদনদেবকে ভস্ম করে দিলেন। অন্যদিকে, কামের প্রভাবে পার্বতীর সঙ্গে মিলনে জন্ম হল কার্তিকের। জন্ম হয় শরবনে। তাই কার্তিকের আরেক নাম সারস্বত। ঘটনাচক্রে শিশু কার্তিক এসে পড়ে শরবনের সরোবরে। সেখানে তখন ছয়জন কৃত্তিকা স্নান করছিলেন। তাঁরা শিশুটিকে কোলে নিয়ে দেখেন, তাঁর ছয়টি মাথা। ক্ষুধার্থ শিশুটিকে ছয় কৃত্তিকা মিলে দুগ্ধ পান করালেন। ছয় মুখে ছয়জনের দুগ্ধ পান করেছেন, তাই নাম ষড়ানন।  তাঁরাই লালন-পালন করাতে তাঁর নাম হয়ে গেল কার্তিকেয় বা কার্তিক (Lord Kartikeya)।

    কীভাবে শুরু গৃহস্থের বাড়িতে পুজো (Lord Kartikeya)?

    এই কৃত্তিকারা ছিলেন ঋষি পত্নী। সেই ঋষিরা কার্তিককে মেনে নিতে পারেনি, এমনকি ভেবেছেন যে ওই ঋষি পত্নীদের অন্য পুরুষের সঙ্গে সম্পর্ক থেকেই কার্তিকের জন্ম। তাই তাঁদের তাড়িয়ে দেন। কার্তিক তাঁদের মায়ের সন্মান দিয়ে রেখে দেন। পরে তাঁদের সহায়তায় গৃহস্থ লোকেরা কার্তিকের পুজো শুরু করেন সন্তানের মঙ্গলের জন্য। এমনকি ওই ঋষি পত্নীরা এমন  প্রচার করেছেন, যার সন্তান নেই অর্থাৎ অপুত্রক সে যদি কার্তিকের পুজো করে, তা হলে সেই বিঘ্ন নাশ হবে। আরও প্রচার হল, যদি কার্তিকের পুজো না করে, তাহলে অপদেবতা গৃহস্থের ঘরে প্রবেশ করে অমঙ্গল ঘটাবে। সেই থেকেই গৃহস্থের বাড়িতে কার্তিকের (Lord Kartikeya) মূর্তি রেখে দিলেই পুজো করতে হয়, না হলে অমঙ্গল হবে। তাই সেই মূর্তি পুজো করে বিসর্জন দেবার রীতি।

    দক্ষিণ ভারতে কার্তিক (Lord Kartikeya) পুজোর প্রচলন ভালোই

    মহাভারতে তাঁকে স্কন্দ নামেও পাওয়া যায়। বাংলায় কার্তিক পুজো খুব বেশি না হলেও দক্ষিণ ভারতে কার্তিক পুজোর প্রচলন আছে ভালোই। তামিল ভাষায় কার্তিক এখানে মুরুগান্‌, মালয়ালম ভাষায় মায়ুরী কন্‌দস্বামী। আবার কন্নড় ও তেলেগুতে তিনি সুব্রহ্মণ্য নামে পরিচিত। তামিল দেশের সকল লোক খুব ভক্তি করেন এবং তাঁরা বিশ্বাস করেন, তামিল দেশের রক্ষাকর্তা তিনি। যেখানে যেখানে তামিল সম্প্রদায়ের লোকের আধিক্য, সেখান সেখানে মুরুগান্‌ অর্থাৎ কার্তিকের (Lord Kartikeya) পুজোর প্রচলন আজও আছে। যেমন দক্ষিণ ভারত ছাড়াও সিঙ্গাপুর মালয়েশিয়া, মরিশাস ও শ্রীলঙ্কা। শ্রীলঙ্কাতে হিন্দু ও বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের মানুষ শ্রদ্ধা ও খুব ভক্তি করেন। তার জন্য শ্রীলঙ্কার দক্ষিণ অংশে কার্তিকের উদ্দেশে কথারাগাম উৎসর্‌গিত করেছেন। সিঙ্ঘলি ভাষায় কথারাগম-এর অর্থ দেবালয়।

    কার্তিক (Lord Kartikeya) কি চিরকুমার?

    অনেকের ধারণা কার্তিক চিরকুমার। বিভিন্ন পৌরানিক কাহিনি ও তামিল রাজ্যে জনশ্রুতি–কার্তিকের দুটি বিয়ে। শিব ও পার্বতীর তপস্যা ও সংযম থেকে কার্তিকের জন্ম। জন্মের ছয় দিনের দিন কার্তিকের বিয়ে হয় দেবসেনার সঙ্গে। কেউ বলেন, তিনি ব্রহ্মার কন্যা আবার কেউ বলেন, ইন্দ্রর কন্যা। কেউ কেউ বলেন, দেবসেনাকে বিয়ে করে নাম হয় দেব সেনাপতি। আবার অনেকে বলেন তার জন্মের ছয়দিনের মধ্যে বড় হয়ে যাওয়া, তারকাসুর বধ, দেবতাদের যে কোনও যুদ্ধে কার্তিকের (Lord Kartikeya) বীরত্ব প্রকাশ-এই সব কারণে শিব দেবসেনার পদটি ছেড়ে দিয়েছিলেন। তাই তিনি দেব সেনাপতি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Food And Nutrition: চুল পড়া থেকে জরায়ুর ক্যান্সার, পুষ্টিতেই লুকিয়ে আছে সমাধান?

    Food And Nutrition: চুল পড়া থেকে জরায়ুর ক্যান্সার, পুষ্টিতেই লুকিয়ে আছে সমাধান?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    ব্যস্ত জীবনে বদলে যাচ্ছে খাদ্যাভ্যাস, ঘুমের সময়, বিশ্রামের জায়গা। আর তার জেরেই হচ্ছে নানা সমস্যা। কেউ ত্বকের শুষ্কতায় ভুগছেন, আবার কেউ চুল পড়ে যাওয়া নিয়ে উদ্বিগ্ন। আবার কোনও শরীরে বাসা বাঁধে ডায়বেটিস, হাইপারটেনশন, স্থূলতার মতো সমস্যা। আবার কেউ জরায়ু কিংবা স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হচ্ছেন। 
    চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, খাদ্যাভ্যাস, সঠিক পুষ্টি (Food And Nutrition) বদলে দিতে পারে শারীরিক পরিস্থিতি। সুস্থ ও দীর্ঘ জীবনের মূল মন্ত্র ঠিকমতো পুষ্টিকর খাদ্যাভ্যাস। সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহ নিউট্রিশন উইক। অর্থাৎ, পুষ্টি নিয়ে সচেতনতা গড়ার বিশেষ সপ্তাহ। তাই সপ্তাহ জুড়ে পালন হচ্ছে নানা কর্মশালা। সেখানেই উঠে আসছে মহিলাদের পুষ্টি সম্পর্কে নানা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।

    কেন মহিলাদের পুষ্টিতে (Food And Nutrition) বাড়তি গুরুত্ব? 

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, মহিলাদের মধ্যে লাইফস্টাইল ডিজিজ বাড়ছে। অর্থাৎ, কম বয়স থেকেই মহিলাদের একটা বড় অংশ ডায়বেটিস, হাইপারটেনশনের মতো রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। ৩০ বছরের পর অধিকাংশ মহিলা স্লূতার সমস্যায় ভুগছেন। আর এই সমস্যা ডায়বেটিস, হাইপারটেনশনের মতো রোগকে আরও জটিল করে তুলছে। তাছাড়া, এর জেরে জরায়ু ও ওভারির একাধিক রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ছে। এমনকি বন্ধ্যাত্বের সমস্যাও দেখা দিচ্ছে। পাশপাশি, মহিলাদের মধ্যে নানা ত্বকের সমস্যা দেখা দিচ্ছে। হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার জেরে একদিকে অবসাদ বাড়ছে, আরেকদিকে চুল পড়ার মতো সমস্যা দেখা দিচ্ছে। তবে, সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে হাড়ের। অধিকাংশ মহিলা ভিটামিন ডি-র অভাবে ভুগছেন। ফলে, হাড়ের একধিক সমস্যা দেখা দিচ্ছে। আর এসবের জেরে মহিলাদের সুস্থ, স্বাভাবিক জীবন ব্যাহত হচ্ছে। তাই মহিলাদের পুষ্টির (Food And Nutrition) দিকে বাড়তি নজরদারি জরুরি বলেই মনে করছে চিকিৎসক মহল।

    কোন ধরনের খাবার (Food And Nutrition) বিপদ কমাবে? 

    পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, বয়ঃসন্ধিকাল থেকেই মেয়েদের খাবারে বিশেষ নজরদারি জরুরি। তাদের পরামর্শ, আয়রন জাতীয় খাবার মহিলাদের বেশি পরিমাণে খাওয়া জরুরি। যাতে পরবর্তীতে মা হওয়ার সময় শরীর সুস্থ থাকে। তাছাড়া, এদেশে মহিলাদের মধ্যে আয়রনের ঘাটতি দেখা যায়। তাই নিয়মিত কলা, বেদানা, আপেল, মাছ, মাংস খাওয়া দরকার। তাতে আয়রনের ঘাটতি কমবে। 
    এছাড়া, নিয়মিত লেবু খাওয়া দরকার। কারণ, মহিলাদের মধ্যে হাড়ের সমস্যা বাড়ছে। তাই ক্যালসিয়ামের জোগান থাকা দরকার। নিয়মিত লেবু খেলে ক্যালসিয়ামের চাহিদা পূরণ হবে। তার ফলে, হাড়ের সমস্যা কমবে। নিয়মিত দুধ কিংবা দুধ জাতীয় খাবার যেমন পনির কিংবা ছানা খাওয়াও জরুরি। এগুলো যেমন প্রোটিনের জোগান দেয়, তেমনি ক্যালসিয়ামের চাহিদা পূরণ করে। 
    প্রত্যেক দিন অন্তত একটি ডিম খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। তাঁরা জানাচ্ছেন, ডিমে একাধিক ভিটামিন থাকে, ক্যালসিয়াম থাকে। প্রয়োজনীয় প্রোটিনের চাহিদা মেটায় ডিম। তাই ডিম খেলে একদিকে চুল পড়ার মতো সমস্যা কমবে, তেমনি ভিটামিন ডি-র ঘাটতি পূরণ হবে (Food And Nutrition)।

    কোন খাবার (Food And Nutrition) রোগের বিপদ বাড়াচ্ছে? 

    চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, চটজলদি খাবার বিপদ বাড়াচ্ছে। বিশেষত স্থূলতার সমস্যা তৈরি করছে। আর স্থূলতা এড়াতে পারলে ক্যান্সার থেকে পিসিওডি-র মতো একাধিক রোগ আটকানো সহজ হবে। তাই বিরিয়ানি, রোল, পিৎজা, বার্গারের মতো ফাস্ট ফুড একেবারেই এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিচ্ছেন তাঁরা। পাশপাশি, ফ্রোজেন খাবার, অর্থাৎ, নাগেট কিংবা হটডগের মতো খাবার একদম খাওয়া উচিত নয় বলেই জানাচ্ছে পুষ্টিবিদদের একাংশ। কারণ, এই ধরনের খাবারে স্বাদ ধরে রাখতে অতিরিক্ত পরিমাণ নুন ও নানা রাসায়নিক দেওয়া হয়। যা শরীরের জন্য ক্ষতিকর। এতে যেমন স্থূলতার ঝুঁকি বাড়ে, তেমনি জরায়ু, স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ে। 
    পাশপাশি তেলের পরিমাণেও নজর দেওয়া জরুরি। অর্থাৎ, অনেকেই বাড়ির খাবার খেলেও হজম কিংবা স্থূলতার সমস্যায় ভুগছেন। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, দিনে মোট চার চামচের বেশি তেলযুক্ত খাবার খাওয়া চলবে না। কারণ, তেল হৃদরোগ, কোলেস্টেরল, পাকস্থলী, লিভারের জন্য নানা সমস্যা তৈরি করে। তাই ভাজা খাবার খাওয়া একেবারেই উচিত নয় বলেই মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল। অতিরিক্ত ভাজা খাবার (Food And Nutrition) ত্বকের জন্য ক্ষতিকর বলেই তাঁরা জানাচ্ছেন।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: দুর্ঘটনায় অঙ্গ হারানো বধূর পাশে সুকান্ত, ফিরে পেলেন পা

    Sukanta Majumdar: দুর্ঘটনায় অঙ্গ হারানো বধূর পাশে সুকান্ত, ফিরে পেলেন পা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্ঘটনায় পা হারিয়ে হাঁটাচলা করার আশা প্রায় ছেড়ে দিয়েছিলেন দক্ষিণ দিনাজপুরের গঙ্গারামপুরের উদয় গ্রাম পঞ্চায়েতের পালসা খাসপাড়ার মেনকা কুজুর নামে এক বধূ। শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হারানোর ফলে ছোট ছেলে সহ মেনকাদেবীকে ছেড়ে যান স্বামী। ছেলেকে নিয়েই কোনওরকমে দিন কাটছিল ওই মহিলার। শেষ পর্যন্ত প্রায় ১২ বছর পর বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar) উদ্যোগে তাঁর শরীরে কৃত্রিম পা লাগানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। এরপরেই তিনি হাঁটাচলা করতে পারছেন। মেনকাদেবীর বাড়িতে যান বিজেপি নেতৃত্ব। তাঁরা ওই মহিলার সুবিধা ও অসুবিধার কথা শোনেন।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছিল?

    প্রায় ১২ বছর আগে রাস্তার কাজ করতে গিয়ে রোলারে মেনকাদেবীর বাম পা চাপা পড়ে। পরিবারের লোকজন বিভিন্ন জায়গায় চিকিৎসা করান। তবুও, শেষ রক্ষা হয়নি। শরীর থেকে পা কেটে বাদ দিতে হয়। দুর্ঘটনার পর একমাত্র ছেলে সহ স্ত্রীকে ছেড়ে চলে যান স্বামী। ছেলেকে নিয়ে কোনওমতে দিন কাটছিল তাঁর। হাঁটাচলার স্বপ্ন প্রায় ছেড়ে দিয়েছিলেন মেনকাদেবী। কয়েক মাস আগে গঙ্গারামপুর থানার ফুলবাড়িতে পাড়ায় কর্মসূচি করতে আসেন সাংসদ তথা বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। সেখানে হাজির হয়ে পালসার গৃহবধূ মেনকা সাংসদ সুকান্ত মজুমদারের কাছে চিকিৎসার আর্জি জানান। বাঁ পায়ের অবস্থা দেখে সুকান্তবাবু চিকিৎসা করানোর উদ্যোগ নেন। সাংসদ তথা বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের উদ্যোগে প্রায় এক মাস আগে মেনকাকে নিয়ে যাওয়া হয় বারাকপুর মহকুমার বনহুগলির একটি সরকারি হাসপাতালে। হাসপাতালে রেখে চলে চিকিৎসা। কয়েকদিন আগে সরকারি হাসপাতালের অঙ্গ বিভাগে মেনকার কৃত্রিম পা লাগানো হয়। কৃত্রিম পা লাগানোর পর হাঁটাচলা করতে পারায় তাঁকে ছেড়ে দেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    মেনকার বাড়িতে যান বিজেপির জেলা সভাপতি স্বরূপ চৌধুরী সহ অন্য বিজেপি নেতারা। চলাফেরা করতে কোনওরকম অসুবিধা হচ্ছে কি না, সে বিষয়ে বিজেপি নেতা খোঁজখবর নেন। কৃত্রিম পায়ের সাহায্যে প্রায় ১২ বছর পর দুই পায়ে হাঁটতে পারায় খুশি মেনকা কুজুর। বিজেপির দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা সভাপতি স্বরূপ চৌধুরী বলেন, উন্নয়নমূলক কাজের পাশাপাশি বহু সামাজিক কাজ করেন আমাদের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। তাঁর উদ্যোগেই একজন মহিলা শ্রমিক তাঁর কাটা পা ফেরত পেয়েছেন। আগের মতোই মেনকাদেবী হাঁটাচলা করতে পারায় আমরা খুশি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Health University: গোপন ফাইল নিজের কাছে? নয়া বিতর্কে স্বাস্থ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য! 

    Health University: গোপন ফাইল নিজের কাছে? নয়া বিতর্কে স্বাস্থ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য! 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বদলি নীতি থেকে মেডিক্যাল কলেজে শিক্ষক নিয়োগ কিংবা পরীক্ষা নেওয়ার ধরন, বার বার বিতর্কে উঠে এসেছে রাজ্যের স্বাস্থ্য বিশ্ববিদ্যালয় (Health University)! এবার আরেক বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

    কী নতুন বিতর্ক (Health University)? 

    স্বাস্থ্য বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজ্যের অধিকাংশ মেডিক্যাল কলেজের যাবতীয় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের (Health University) নানা গোপনীয়, গুরুত্বপূর্ণ ফাইল কর্তৃপক্ষের কাছে এখন নেই। সেগুলি কোথায়, সে সম্পর্কেও কোনও স্পষ্ট তথ্য নেই বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের। অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য সুহৃদা পাল, স্বাস্থ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের যাবতীয় গোপনীয়, গুরুত্বপূর্ণ ফাইল নিজের কাছেই রেখেছেন। রাজ্যপাল তথা বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্যের নির্দেশের পরেও তিনি সেগুলি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করেননি। 
    সম্প্রতি এ নিয়ে রাজ্যপাল তথা স্বাস্থ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্যের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন চিকিৎসকদের সংগঠন জয়েন্ট প্ল্যাটফর্ম অব ডক্টরস, ওয়েস্ট বেঙ্গল। তাঁরা চিঠিতে জানিয়েছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক কাজ আটকে থাকছে। পাশপাশি, প্রাক্তন উপাচার্য কীভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের গোপনীয় নথি নিজের কাছে রাখতে পারেন, সে নিয়েও তাঁরা প্রশ্ন তুলেছেন। রাজ্যপালের কাছে তাঁদের প্রশ্ন, সুহৃদা পাল বর্তমানে সরকারের কোন পদে রয়েছেন, সে বিষয়ে কেউ জানেন না। এমনকি তিনি কোনও মেডিক্যাল কলেজের শিক্ষকতার দায়িত্বে নেই। তারপরেও রাজ্যের স্বাস্থ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের নথি কীভাবে তাঁর কাছে থাকে? তাছাড়া তিনি রাজ্য সরকারের থেকে নিয়মিত বেতন পাচ্ছেন। কোন দায়িত্বের নিরিখে তাঁর বেতন, সে বিষয়েও রাজ্যপালের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

    কী বলছেন চিকিৎসক মহল (Health University)? 

    রাজ্যের চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, মেডিক্যাল কলেজে শিক্ষক-চিকিৎসক নিয়োগ থেকে বদলি, একাধিক বিষয়ে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। চিকিৎসক বদলি নিয়ে স্বচ্ছতার অভাব রয়েছে। শাসক দলের ঘনিষ্ঠ না হলে সময় মতো পদন্নতি কিংবা বদলি হয় না, এমন অভিযোগ বার বার ওঠে। তাছাড়া, বিভিন্ন সময়ে রাজ্যের একাধিক মেডিক্যাল কলেজে পরীক্ষার সময় স্বচ্ছতা ও নিয়মমাফিক কাজ হচ্ছে না বলেও অভিযোগ উঠেছে। আর এই সমস্ত অভিযোগের দায় উপাচার্য এড়িয়ে যেতে পারেন না বলেও মনে করছেন চিকিৎসক মহল। তাই রাজ্যপাল সুহৃদা পালকে পদ থেকে সরানোর পরেই তিনি নথি হস্তান্তর করতে নারাজ হন। পাশাপাশি তিনি নথি কোথায় রেখেছেন, সে বিষয়েও বিশ্ববিদ্যালয় (Health University) কর্তৃপক্ষকে কিছু জানাতে চাইছেন না বলে মনে করছেন একাংশ।

    কী বলছেন সুহৃদা পাল? 

    রাজ্যের স্বাস্থ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য অবশ্য এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করতে রাজি নন। গোপনীয় নথি নিজের কাছে রাখার বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি জানান, কোনও মন্তব্য করবেন না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dengue: কলকাতায় ডেঙ্গির দাপট অব্যাহত, পুরসভার বাড়ি বাড়ি নজরদারির অভাবেই বাড়ছে বিপদ! 

    Dengue: কলকাতায় ডেঙ্গির দাপট অব্যাহত, পুরসভার বাড়ি বাড়ি নজরদারির অভাবেই বাড়ছে বিপদ! 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতায় ফের ডেঙ্গি হানা। গত তিন দিনে ডেঙ্গিতে (Dengue) আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন দু’জন। তাঁরা কলকাতারই বাসিন্দা। বর্ষার মরশুমে বাড়ছে ডেঙ্গির চোখ রাঙানি! অভিযোগ, নজরদারির অভাবেই বাড়ছে বিপদ।

    কী বলছে রিপোর্ট (Dengue)? 

    স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে অগাস্টের শেষ সপ্তাহ পর্যন্ত প্রায় চার হাজার মানুষ ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছেন। তার সঙ্গে মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে। এ বছর এখনও পর্যন্ত ১২ জন ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন। দিন কয়েক আগেও কলকাতার দুই বাসিন্দা ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। তাঁদের ডেথ সার্টিফিকেটে মৃত্যুর কারণ হিসাবে ডেঙ্গির উল্লেখ রয়েছে। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, স্বাস্থ্য দফতরের তথ্য অনুযায়ী, ইতিমধ্যেই বিধাননগর এলাকায় গত বছরের তুলনায় আক্রান্তের সংখ্যা চারগুণ হয়ে গিয়েছে। কলকাতাতেও ডেঙ্গি সংক্রমণের দাপট বাড়ছে। তাঁদের আশঙ্কা, সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসে এই সংক্রমণ (Dengue) আরও প্রবল হবে। কলকাতার আশপাশের জেলা হিসাবে উত্তর চব্বিশ পরগনা, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, হাওড়া, হুগলি নিয়েও উদ্বেগ বাড়ছে। তার পাশপাশি নদিয়া নিয়েও যথেষ্ট উদ্বিগ্ন সংশ্লিষ্ট মহল। কারণ, স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, নদিয়াতেও ডেঙ্গি সংক্রমণের হার অন্য বছরের তুলনায় বেশি।

    নজরদারির অভাবেই ডেঙ্গির (Dengue) শক্তিবৃদ্ধি? 

    বাড়িতে গিয়ে নজরদারির অভাব রয়েছে। এমনই অভিযোগ তুলছেন অধিকাংশ বাসিন্দা। কলকাতা হোক কিংবা হাওড়া, উত্তর চব্বিশ পরগনা, পুরসভার কাজ নিয়ে একাধিক অভিযোগ বাসিন্দাদের। ডেঙ্গি মোকাবিলায় সক্রিয়তার অভাব রয়েছে, এমনই অভিযোগ তুলছেন অধিকাংশ বাসিন্দা। 
    কলকাতায় ডেঙ্গি (Dengue) মোকাবিলায় বাড়িতে গিয়ে নজরদারির উপর জোর দেওয়ার কথা বলা হলেও আসলে তেমন কাজ হয় না বলেই অভিযোগ। অনেক বাড়িই বন্ধ থাকে। ফলে, বৃষ্টি হলেই ছাদে জল জমে। অনেক বাড়ি বন্ধ থাকার জেরে বাগান ঠিকমতো পরিষ্কার করা হয় না। তার ফলে, সেখানেও মশার আঁতুরঘর হয়ে ওঠে। পুরসভার কর্মীদের সক্রিয়তা পারে এই পরিস্থিতি সামাল দিতে। তার জন্য এলাকায় নজরদারি জরুরি। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সেই নজরদারির অভাব রয়েছে। ফলে, বিভিন্ন বন্ধ বাড়ি থেকেই মশার উপদ্রব বাড়ছে। 
    তবে হাওড়া-হুগলি জেলার বাসিন্দাদের অভিযোগ পুরসভার নিকাশি ব্যবস্থা নিয়ে। বৃষ্টির পরেই এলাকার একাধিক জায়গায় জল জমে থাকে। নর্দমা ঠিকমতো পরিষ্কার নয়। রাস্তার হাল খুব খারাপ। অনেকের বাড়িতেই জল ঢুকে যাচ্ছে। সেই জল বের করতেও সময় যাচ্ছে। ফলে, বাড়ছে মশার উপদ্রব। যার জেরে ডেঙ্গির শক্তি বাড়ছে। তাছাড়া, এলাকার পার্ক কিংবা বাগানের আগাছা পরিষ্কারেও নজরদারির অভাব রয়েছে বলে অভিযোগ করছেন বাসিন্দাদের একাংশ। 
    জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, পরিচ্ছন্নতা ও রোগ নির্ণয়ে সক্রিয়তা না থাকলে ডেঙ্গি (Dengue) মোকাবিলা কঠিন হয়ে উঠবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bankura: নজর দেয়নি তৃণমূল, কোদাল হাতে রাস্তা মেরামতির কাজ করলেন বিজেপি বিধায়ক

    Bankura: নজর দেয়নি তৃণমূল, কোদাল হাতে রাস্তা মেরামতির কাজ করলেন বিজেপি বিধায়ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাঁকুড়ার (Bankura) শালতোড়া বিধানসভা এলাকার বিজেপি বিধায়কের গঙ্গাজলঘাঁটি ব্লকের গ্রামের রাস্তা দীর্ঘদিন বেহাল। বারবার প্রশাসনে জানিয়েও কোনও লাভ হয়নি। অভিযোগ, ওই গ্রামে বিজেপি বিধায়ক থাকায় রাস্তা মেরামতির সামান্যতম উদ্যোগ নেয়নি তৃণমূল পরিচালিত স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েত। শেষ পর্যন্ত বিধায়ক নিজে স্বামীকে সঙ্গে নিয়ে ঝুড়ি-কোদাল হাতে রাস্তা মেরামতির কাজ করলেন। বিধায়কের প্রশংসায় পঞ্চমুখ এলাকাবাসী।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Bankura)

    বেহাল রাস্তা নিয়ে এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের ক্ষোভ ছিল। চন্দনা বাউড়ি বিজেপির বিধায়ক। নিজের বিধায়ক উন্নয়ন তহবিলের বরাদ্দ থেকে রাস্তা মেরামতির উদ্যোগ নিয়েছিলেন। কিন্তু, অভিযোগ, শুধুমাত্র বিরোধী দলের বিধায়ক হওয়ায় তাঁকে সেই কাজ করতে দেওয়া হয়নি। বর্ষার সময় দিনের পর দিন বেহাল রাস্তার কারণে এলাকার মানুষ খুব কষ্ট করে যাতায়াতে বাধ্য হচ্ছিলেন। শেষ পর্যন্ত নিজের হাতেই রাস্তার হাল ফেরাতে মাঠে নামলেন চন্দনা। স্বামীকে সঙ্গে নিয়ে ঝুড়ি-কোদাল হাতে কোমর বেঁধে রাস্তা মেরামতির কাজে নেমে পড়লেন। হাত লাগালেন স্থানীয় বিজেপি কর্মীরাও।

    কী বললেন বিজেপি বিধায়ক?

    বিজেপি বিধায়ক চন্দনা বাউড়ির বক্তব্য, বাঁকুড়া (Bankura) জেলা প্রশাসনের সব জায়গায় বার বার জানানো সত্ত্বেও শাসকদলের চাপে প্রশাসন ইচ্ছাকৃত ভাবে রাস্তা মেরামতের উদ্যোগ নেয়নি।’ তাই নিজের বেতনের টাকায় পাথর, মোরাম এবং মাটি আনিয়ে রাস্তার হাল ফেরানোর চেষ্টা করেছি। আসলে বিধায়ক হওয়ার আগে স্বামী শ্রবণ বাউড়ি রাজমিস্ত্রির কাজ করতেন। আর আমি জোগাড়ের কাজ করতাম। পাশাপাশি, পেট চালাতে ১০০ দিনের কাজও করেছি দু’জনে মিলে। তাই ঝুড়ি-কোদাল হাতে রাস্তায় মাটি ফেলতে আমাদের কোনও অসুবিধাই হয়নি। দ্বিধা-সংকোচের প্রশ্নই নেই।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    বিধায়কের উদ্যোগ স্থানীয় মানুষের বিপুল প্রশংসা কুড়িয়েছে। চন্দনার অভিযোগ উড়িয়ে ‘সবটাই নাটক’ বলে কটাক্ষ করেছেন স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। তৃণমূল-পরিচালিত গঙ্গাজলঘাটি পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি নিমাই মাজি বলেন, বাঁকুড়া (Bankura) জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে পথশ্রী প্রকল্পে ওই রাস্তার কাজ শুরু হয়েছে। তারপরেও বিধায়ক এসব করে মানুষের কাছে জনপ্রিয় হওয়ার নাটক করছেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share