Tag: bangla news

bangla news

  • School Hygiene: অনেক স্কুলেই নেই শৌচালয়, হাইজিন উইক-এ কাঠগড়ায় রাজ্যের পরিকাঠামো! 

    School Hygiene: অনেক স্কুলেই নেই শৌচালয়, হাইজিন উইক-এ কাঠগড়ায় রাজ্যের পরিকাঠামো! 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    সুস্থ থাকার প্রথম শর্ত পরিচ্ছন্নতা! হাত-পা পরিষ্কার করা, নিয়মিত স্নান, শৌচালয়ের ব্যবহার, শৌচাগারে পর্যাপ্ত জলের ব্যবহার আর মেয়েদের ঋতুস্রাব হলে নির্দিষ্ট স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা, এগুলি সম্পর্কে স্কুলেই পাঠ দেওয়া হোক শিশুদের। স্বাস্থ্যবিধি (School Hygiene) নিয়ে সতর্কতা তৈরি হলে জনস্বাস্থ্য নিয়েও সচেতনতা তৈরি হবে। এমনই পরিকল্পনা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার। মে মাসে তাই হাইজিন উইক পালন করা হয়। কিন্তু যে রাজ্যের একাধিক জেলায় স্কুলে একটিও শৌচালয় নেই, সেখানে স্বাস্থ্যবিধির পাঠ অনেকটাই সোনার পাথরবাটি বলেই মনে করছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।

    কী অবস্থায় রয়েছে রাজ্যের স্কুলগুলি? 

    সম্প্রতি এক আন্তর্জাতিক সংস্থা বিহার, ঝাড়খণ্ড, পশ্চিমবঙ্গ, অসম সহ পূর্ব ভারতের একাধিক রাজ্যের স্কুল নিয়ে সমীক্ষা চালায়। স্কুলের স্বাস্থ্যবিধির (School Hygiene) পরিকাঠামো নিয়েই মূলত ওই সমীক্ষা হয়। তার রিপোর্টে বলা হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গের একাধিক জেলায় বহু স্কুল ‘নো-টয়লেট’! অর্থাৎ, স্কুলে একটিও শৌচালয় নেই। ওই রিপোর্ট অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর, বীরভূমের অবস্থা এরমধ্যে সবচেয়ে শোচনীয়! জলপাইগুড়ি ও উত্তর দিনাজপুরের ২২ শতাংশ স্কুল ‘নো-টয়লেট’ অর্থাৎ, ২২ শতাংশ স্কুলে একটিও শৌচালয় নেই। বীরভূমের ১৭ শতাংশ স্কুল ও পুরুলিয়ার ১২ শতাংশ স্কুলে একটিও শৌচালয় নেই। 

    স্কুলে শৌচালয় না থাকায় কোন সমস্যা বাড়ছে?

    স্কুলে শৌচালয় (School Hygiene) না থাকার জেরে বাড়ছে স্কুলছুটের সংখ্যা। বিশেষত মেয়েরা স্কুলছুট হচ্ছে। কারণ, ঋতুস্রাবের সময় তাদের শৌচালয়ের বিশেষ প্রয়োজন হয়। কিন্তু সেই ন্যূনতম পরিকাঠামো না থাকায়, তাদের সমস্যা হয়। তাই ঋতুস্রাব হলে অধিকাংশ গ্রামীণ এলাকায় মেয়েরা স্কুলেই যায় না। তাছাড়া, তাদের স্যানিটারি ন্যাপকিন ব্যবহার সম্পর্কেও সচেতন করা হয় না। ফলে, নানান রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিও থাকে। স্কুলে শৌচালয় না থাকা এক অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ বলেই জানাচ্ছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞেরা। স্কুলপড়ুয়ারা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে তখনই ওয়াকিবহাল হবে, যখন তারা অন্তত শৌচালয় ব্যবহারের সুযোগ পাবে। সেই পরিকাঠামো না থাকলে, স্বাস্থ্যবিধি বা হাইজিন, এই শব্দগুলি শুধু বইয়ের পাতার শব্দ হয়েই থেকে যাবে। জীবনে তার প্রয়োগ করতে তারা শিখবে না। স্কুলে শৌচালয় না থাকার জন্য নানা রোগের শিকার হচ্ছে পড়ুয়ারা। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞেরা জানাচ্ছেন, করোনা মহামারির সময় মানুষ টের পেয়েছেন, হাত ধোয়ার মতো স্বাস্থ্যবিধি কতখানি জরুরি। রোগ সংক্রমণ ঠেকাতে স্বাস্থ্যবিধি কতখানি সাহায্য করে। কিন্তু যেখানে রাজ্যের অধিকাংশ স্কুলে শৌচালয়, জলের কল নেই, সেখানে নানা সংক্রামক রোগ শক্তি বাড়াবে এবং পড়ুয়ারাও নানা ভাইরাসঘটিত রোগে ভুগবে, এই আশঙ্কা অমূলক কিছু নয়। কলেরা, ডায়ারিয়ার মতো রোগের ঝুঁকি তাই সব সময় গ্রামীণ এলাকায় বেশি হচ্ছে। বিশেষত এ রাজ্যের শিশুদের মধ্যে ডায়ারিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা প্রায়ই জানা যায়। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, স্কুলে শৌচালয় না থাকার জেরেই এই ধরনের রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।

    কী বলছে ইউনিসেফ? 

    করোনা মহামারির প্রথম পর্ব শেষ হতেই আশঙ্কা প্রকাশ করেছিল ইউনিসেফ (United Nations children’s Funds)। তারা এক বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানিয়েছিল, করোনা মহামারি থেকে শিক্ষা নিয়ে অন্তত সজাগ হোক সমস্ত স্কুল কর্তৃপক্ষ। শিশুদের স্বাস্থ্য সুরক্ষিত রাখতে স্বাস্থ্যবিধির তালিম দেওয়া হোক। বিশেষত হাত ধোয়ার উপরে বাড়তি জোর দেওয়া হোক। কীভাবে সাবান দিয়ে দু’হাত ঘষে ধুতে হবে, তা নিয়ে তাদের সচেতন করতে হবে। তবে, সেই বিজ্ঞপ্তিতে তারা জানিয়েছিল, অধিকাংশ স্কুলে পর্যাপ্ত জল নেই। তাই কতখানি স্বাস্থ্যবিধি (School Hygiene) বজায় থাকবে, তা নিয়ে আশঙ্কা থেকেই যাবে। রাজ্যের কয়েক হাজার স্কুলপড়ুয়া নিয়মিত স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করে, রোগ সংক্রমণের ঝুঁকি নিয়েই পড়াশোনা করছে। মহামারির একাধিক ঢেউ পেরিয়েও হুঁশ ফেরেনি রাজ্য সরকারের। নিয়োগ নিয়ে দুর্নীতি, মিড-ডে মিল নিয়ে গড়মিলের ভিড়ে হারিয়ে যাচ্ছে শিশুদের নূন্যতম সুরক্ষা কবচ। এমনটাই মনে করছে অভিজ্ঞ মহল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jantar Mantar: কুস্তিগিরদের পাশে দাঁড়াতে দিল্লি অভিমুখে রওনা কৃষকদের, কড়া নিরাপত্তা রাজধানীতে

    Jantar Mantar: কুস্তিগিরদের পাশে দাঁড়াতে দিল্লি অভিমুখে রওনা কৃষকদের, কড়া নিরাপত্তা রাজধানীতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাঁদের আন্দোলনে যোগ দিতে ট্রাক্টর নিয়ে কৃষকদের (Farmers) দিল্লিতে (Delhi) আসতে বলেছিলেন আন্দোলনকারী কুস্তিগিররা। তাঁদের সেই আহ্বানে সাড়া দিয়ে দিল্লি অভিমুখে রওনা দিয়েছেন উত্তর প্রদেশ, রাজস্থান, পঞ্জাব এবং হরিয়ানার কৃষকরা। দিল্লির যন্তর মন্তরে (Jantar Mantar) আন্দোলন করছেন কুস্তিগিররা। সেই আন্দোলনে শামিল হতেই ট্রাক্টর নিয়ে বেরিয়ে পড়েছেন কৃষকরা। কৃষকরা দিল্লি অভিমুখে রওনা দিয়েছেন শুনে কড়া নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে গোটা রাজধানী। বিজেপি সংসদ তথা জাতীয় কুস্তি সংস্থার সর্বেসর্বা ব্রিজভূষণ শরণ সিংহের গ্রেফতারির দাবিতে আন্দোলন করছেন কুস্তিগিররা। তাঁদের পাশে দাঁড়াতেই দিল্লি আসছেন উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম ভারতের চার রাজ্যের কৃষকরা।

    যন্তর মন্তরে (Jantar Mantar) আন্দোলন…

    ব্রিজভূষণ প্রভাবশালী। প্রথমে তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআর নিতে চায়নি দিল্লি পুলিশ। পরে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে এফআইআর নেয় পুলিশ। যদিও এখনও দিব্যি ঘুরে বেড়াচ্ছেন ব্রিজভূষণ। অথচ তাঁর বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগ তুলেছেন মহিলা কুস্তিগিররা। রেহাই পায়নি এক নাবালিকা কুস্তিগিরও। এর পরেই ব্রিজভূষণের শাস্তির দাবিতে সরব হন তাঁরা। দিল্লির যন্তর মন্তরে (Jantar Mantar) শুরু হয় ধর্না, অবস্থান। রবিবারই যন্তর মন্তরে বসছে মহাপঞ্চায়েত। আন্দোলনকারীদের পাশাপাশি তাতে যোগ দেওয়ার কথা কৃষকদেরও।

    জানা গিয়েছে, শনিবার রাতেই উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম ভারতের বিভিন্ন অংশ থেকে দিল্লির পথে রওনা দিয়েছেন হাজার হাজার কৃষক। তবে তাঁদের সংখ্যাটা ঠিক কত, তা জানা যায়নি। যদিও নিরাপত্তার ফোকর গলে কৃষকরা যাতে যন্তর মন্তরে ঢুকে পড়তে না পারে, তাই নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছে দিল্লি পুলিশ। সেই কারণে রাজধানী সহ গোটা দিল্লি ঘিরে ফেলা হয়েছে কড়া নিরাপত্তার বলয়ে।

    আরও পড়ুুন: রাজ্যাভিষেক তৃতীয় চার্লসের, শুভেচ্ছা বার্তা পাঠালেন মোদি

    কেবল সংযুক্ত কিষান মোর্চা নয়, আন্দোলনকারীদের পাশে দাঁড়িয়েছে রাষ্ট্রীয় লোকদল ও ভারতীয় কিষান ইউনিয়ন (টিকায়েতপন্থী)। অভিযুক্ত ব্রিজভূষণের গ্রেফতারির দাবিও তুলেছে তারা। ব্রিজভূষণকে গ্রেফতার করা না হলে, দিল্লি (Jantar Mantar) অচল করে দেওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছে ভারতীয় কিষান ইউনিয়ন। রবিবারই কৃষক প্রতিনিধিরা কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং দিল্লি পুলিশ কমিশনারের  সঙ্গে দেখা করে বিজেপি সাংসদদের গ্রেফতারির দাবি জানাবেন বলেও সূত্রের খবর।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: কুড়মি নেতাদের খালিস্তানপন্থীদের সঙ্গে তুলনা, তৃণমূল বিধায়কের মন্তব্যে শোরগোল

    TMC: কুড়মি নেতাদের খালিস্তানপন্থীদের সঙ্গে তুলনা, তৃণমূল বিধায়কের মন্তব্যে শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কুড়মিদের আন্দোলনের সর্বাত্মক বিরোধিতা করা হবে। কিছু কুড়মি নেতা স্বঘোষিত খালিস্তানি নেতার মতো আচরণ করছেন। সরকারকে টেনে নামানোর চেষ্টা যাঁরা করছেন, তাঁদের কোনওভাবেই সমর্থন নয়। কুড়মি আন্দোলন নিয়ে বিস্ফোরক তৃণমূল (TMC) বিধায়ক তথা পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা তৃণমূল কো-অর্ডিনেটর অজিত মাইতি। ১৪ ই মে মেদিনীপুর শহরে আদিবাসী জমায়েতের ডাক দিয়েছেন জেলা তৃণমূলের এই হেভিওয়েট নেতা। তৃণমূল নেতার এমন মন্তব্যে শাসকদলের সঙ্গে কুড়মি সমাজের সংঘাত বাড়বে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

    ঠিক কী বলেছেন তৃণমূল (TMC) বিধায়ক অজিত মাইতি?

    এবার কুড়মিদের সঙ্গে কার্যত সম্মুখ সমরে শাসকদল তৃণমূল (TMC)।  উল্লেখ্য, এস টি তালিকাভুক্তির ক্ষেত্রে সিআরআই রিপোর্টের ওপর রাজ্যের তরফে জাস্টিফিকেশন পাঠাতে হবে কেন্দ্রের কাছে, এই দাবিকে সামনে রেখে টানা আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে কুড়মি সম্প্রদায়ের মানুষ। গত এপ্রিল মাসের প্রথমদিকে টানা প্রায় পাঁচদিন অবরুদ্ধ হয়েছে রেল এবং জাতীয় সড়ক। রাজ্যের তরফে বৈঠকের ডাক পেয়েও আশানুরূপ ফল না মেলায় কুড়মিদের দেওয়ালে কোনও রাজনৈতিক প্রচার নয় বলে সম্প্রতি ফরমান জারি করেছে কুড়মি সংগঠন ঘাঘরগেরা কেন্দ্রীয় কমিটি। জঙ্গলমহলের একাধিক এলাকায় কুড়মিরা রাজনৈতিক দলের বিজ্ঞাপন মুছে সেখানে জয় গরাম লিখে দিয়েছে। এই আবহেই অজিত মাইতির গলায় রীতিমতো হুমকির সুর। তৃণমূল (TMC) বিধায়ক বলেন, কুড়মি আন্দোলনের মধ্যে দিয়ে তৃণমূল ও সরকারকে ছোট করার চেষ্টা করা হচ্ছে। কিছু কুড়মি নেতা স্বঘোষিত খালিস্তানি নেতার মতো আচরণ করছেন। তাই এই আন্দোলনের সর্বাত্মক বিরোধিতা করা হবে। শুধু এখানেই শেষ নয়, কুড়মি আন্দোলনের পিছনে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির মদত রয়েছে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি। অন্যদিকে, দেওয়াল লিখন করতে দেওয়া হবে না বলে কুড়মিদের পক্ষ থেকে যে ফরমান জারি করা হয়েছে, তা মানা হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন অজিতবাবু।

    কী বললেন কুড়মি সমাজের রাজ্য সভাপতি?

    পশ্চিমবঙ্গ কুড়মি সমাজের রাজ্য সভাপতি রাজেশ মাহাত বলেন, আমরা নিজেদের দাবিদাওয়া আদায়ে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করছি। কিন্তু, অজিতবাবুর মতো নেতার কাছে এই ধরনের উস্কানিমূলক মন্তব্য আমি আশা করিনি। তৃণমূল (TMC) নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জঙ্গলমহলে এলে বিনয়ের সঙ্গে আমাদের কথা বলেন। অজিতবাবুর সেটা মেনে চলা উচিত। জঙ্গলমহলে অশান্তি ছড়ালে তার দায় অজিত মাইতিকে নিতে হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Covid 19: করোনা নিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ঘোষণা, মাস্ক ও ভ্যাকসিনের প্রয়োজন কি শেষ হয়ে গেল? 

    Covid 19: করোনা নিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ঘোষণা, মাস্ক ও ভ্যাকসিনের প্রয়োজন কি শেষ হয়ে গেল? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    কয়েক সপ্তাহ আগেই দেশজুড়ে করোনা সংক্রমণ (Covid 19) চিন্তার ভাঁজ ফেলেছিল। রাজ্যে পরিস্থিতি ছিল উদ্বেগজনক! পজিটিভিটি রেট ১৮ শতাংশ পেরিয়ে গিয়েছিল রাজ্যে! কিন্তু ৪ মে-র ঘোষণার পর সব হিসাব কি গোলমাল হয়ে গেল? করোনা কি শেষ? তাহলে দিন কয়েক আগে কীসের উদ্বেগের কথা জানিয়েছিল স্বাস্থ্য মন্ত্রক? ৪ মে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ঘোষণা করেছে, করোনা মহামারি বা কোভিড-১৯ আর আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য বিপর্যয় নয়। ২০১৯ সালে চিনে করোনা সংক্রমণ শুরু হয়। তারপরে এই রোগ মহামারির আকার নিয়েছিল। গোটা বিশ্ব বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিল। ভারতেও এই মহামারি তীব্র আকার নিয়েছিল। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এই রোগকে আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য বিপর্যয় বা গ্লোবাল হেলথ ইমার্জেন্সি বলে ঘোষণা করেছিল। কিন্তু ২০২৩ সালের ৪ মে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, করোনা আর আন্তর্জাতিক বিপর্যয় নয়। এই মহামারিকে মোকাবিলা করা গিয়েছে। 

    তাহলে কি আমরা বিপদমুক্ত? 

    চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এই রোগকে আন্তর্জাতিক বিপর্যয় আর বলছে না। কারণ, এই রোগের (Covid 19) প্রকোপ অনেক কমেছে। কিন্তু আমরা পুরোপুরি বিপদমুক্ত, এ কথা বলা যায় না। কারণ, কয়েক সপ্তাহ আগেও ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে করোনা আবার দাপট বাড়িয়েছিল। করোনার নতুন প্রজাতি আর্কটুরাস সংক্রমণের ক্ষমতা বাড়াচ্ছিল। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভারতের মতো জনবহুল দেশে যে কোনও সংক্রামক রোগ বাড়তি ঝুঁকি তৈরি করে। তাই করোনা থেকে পুরোপুরি বিপদ আমাদের কাটেনি। 

    করোনার বিপদ কাটাতে কোন দুই দাওয়াইয়ে ভরসা করতে হবে? 

    করোনার বিপদ (Covid 19) থেকে মুক্তি দিতে পারে দুটি দাওয়াই। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, মাস্ক আর ভ্যাকসিন-এই দুইয়েই ভরসা রাখতে হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা যে বার্তা দিন দুয়েক আগে দিয়েছে, তার অর্থ কখনই এটা নয় যে, করোনা পুরোপুরি শেষ হয়ে গিয়েছে। তারা জানিয়েছে, করোনার শক্তি কমেছে। তাই সচেতনতা বজায় রাখতেই হবে। করোনার শক্তি হ্রাস করতে ও সুস্থ থাকতে ভিড় এলাকায় মাস্ক অবশ্যই পরতে হবে। মাস্কের ঠিকমতো ব্যবহার সংক্রমণ ছড়ানো আটকাতে পারে। বিশেষজ্ঞদের আরেকটি ভরসা টিকা। করোনা ভ্যাকসিন রোগ প্রতিরোধ করতে পারে। তাই ভ্যাকসিন অবশ্যই নিতে হবে। একদিকে প্রাপ্তবয়স্ক প্রবীণ নাগরিকদের সময়মতো টিকার ডোজ নিতে হবে, আরেকদিকে স্কুল পড়ুয়াদের টিকা নেওয়ার ক্ষেত্রে অভিভাবকদের নজর দিতে হবে। করোনা টিকাই পারবে এই রোগের শক্তি কমাতে। তাই করোনা টিকার উপরই সবচেয়ে বেশি ভরসা করছেন চিকিৎসকরা। তাছাড়া, ভিড় জায়গা এড়িয়ে চলা, শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখা কিংবা হাত ধোয়ার মতো স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। 

    সতর্কতা এড়ালেই বিপদ! 

    জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বার্তার অপব্যাখ্যা হলেই বিপদ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কখনই সচেতনতা কমাতে বলেনি। বরং এই পরিস্থিতিতে করোনা (Covid 19) নিয়ে আরও বেশি সতর্কতা জরুরি। কারণ, এখন অতিরিক্ত সংক্রমণের জেরে নতুন কোনও প্রজাতি তৈরি হলে ফের বিশ্ব জুড়ে আরেক স্বাস্থ্য বিপর্যয় দেখা দিতে পারে। দিন কয়েক আগেই রাজ্যে করোনার নতুন প্রজাতি চোখ রাঙাচ্ছিল। তাই বাড়তি সতর্কতা জরুরি বলেই পরামর্শ জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Balurghat: ত্রিশূল দিয়ে ঠাকুমাকে খুন করার অভিযোগ নাতির বিরুদ্ধে, কেন জানেন?

    Balurghat: ত্রিশূল দিয়ে ঠাকুমাকে খুন করার অভিযোগ নাতির বিরুদ্ধে, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঠাকুমাকে খুন করার অভিযোগ উঠল নাতির বিরুদ্ধে। পরে, নিজেই কীটনাশক খেয়ে আত্মঘাতী হওয়ার চেষ্টা করল অভিযুক্ত নাতি। ঘটনাটি ঘটেছে বালুরঘাট (Balurghat) ব্লকের চিঙ্গিশপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের শোবরা শ্যামপুর এলাকায়। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম সুশীলা বর্মন (৫১)। আর অভিযুক্ত যুবকের নাম নয়ন বর্মন। সে বর্তমানে বালুরঘাট (Balurghat) সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে চিকিত্সাধীন থাকলেও পরিবারের কেউই তার সঙ্গে দেখা করতে যায়নি। জেলা পুলিশের এক আধিকারিক বলেন, হাসপাতালে পুলিশি নজরদারিতে রয়েছে অভিযুক্ত যুবক। সুস্থ হলেই তাকে গ্রেফতার করা হবে।

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    বালুরঘাট ব্লকের শ্যামপুর এলাকার  সুশীলাদেবীর স্বামী পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে শয্যাশায়ী। ছেলে অনেক আগেই মারা গিয়েছেন। পুত্রবধূ অন্যত্র সংসার পেতেছেন। ছোটবেলা থেকে তাই এক নাতি ও নাতনিকে নিজের সন্তানের মতো করেই মানুষ করেছেন সুশীলাদেবী। বেশ কয়েক বছর আগে নাতি-নাতনির বিয়েও দিয়ে দিয়েছেন তিনি। কিন্তু নাতি নয়ন বর্মন প্রায় নিয়মিত মদ খেয়ে এসে বাড়িতে অশান্তি করে বলে অভিযোগ। ৪ মে রাতে মদ খেয়ে বাড়ি ফিরে নয়ন তার স্ত্রীকে মারধর করতে শুরু করে। নাতবউকে বাঁচাতে এগিয়ে আসেন ঠাকুমা। আর ওই সময়ই পাশের মন্দির থেকে ত্রিশূল তুলে এনে তাঁর মাথায় আঘাত করা হয়। পরে, মেঝেতে ফেলে বেধড়ক মারধর চলে বলে অভিযোগ। গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে বালুরঘাট (Balurghat) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ৫ মে সকালেই তাঁর মৃত্যু হয়। এদিকে ঠাকুমার মৃত্যুর খবর পেয়ে অভিযুক্ত নয়ন বর্মন কীটনাশক খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে বলে অভিযোগ। বিষয়টি নজর আসতেই সঙ্গে সঙ্গে তাকে চিকিৎসার জন্য বালুরঘাট (Balurghat) জেলা হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। 

    কী বললেন অভিযুক্ত যুবকের পরিবারের লোকজন?

    অভিযুক্ত যুবকের বোন সনেকা বর্মন শনিবারই দাদার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। এদিন তিনি  বলেন, দাদা মদ্যপ অবস্থায় মাঝে মাঝেই আমার বউদি ও ঠাকুমাকে মারধর করত। ঘটনার দিন রাতে দাদা বাড়িতে এসে বউদিকে মারছিল। সেই সময় আমার ঠাকুমা প্রতিবাদ করলে ঠাকুমাকেই ত্রিশূল দিয়ে হামলা চালায় দাদা। যার জেরে ঠাকুমার মৃত্যু হয়েছে। আমি  দাদার কঠোর শাস্তি চাই। তাই থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি। শুনেছি, সে হাসপাতালে ভর্তি আছে। আমরা দেখতে যাইনি। যাবও না। অভিযুক্ত যুবকের স্ত্রী আশা রায় বলেন, খুব ভালো মানুষ ছিলেন ঠাকুমা। তিনিই কষ্ট করে মানুষ করলেন, আর তাঁকেই যদি ও মেরে ফেলতে পারে, তাহলে তো সকলকেই মেরে ফেলতে পারে। তাই আমি চাই, ও যেন সারাজীবন জেলেই থাকে। স্বামীর জন্য একটুও আফশোস হবে না আমার।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Army: প্রিয়তমার কাছে কফিনবন্দি হয়ে ফিরলেন কাশ্মীরে নিহত বাংলার জওয়ান

    Army: প্রিয়তমার কাছে কফিনবন্দি হয়ে ফিরলেন কাশ্মীরে নিহত বাংলার জওয়ান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার রাতে মৃতদেহ পৌঁছতেই কান্নায় ভেঙে পড়ে দার্জিলিংয়ের বিজনবাড়ির কিজোমাবস্তি এলাকা। গ্রামের গর্ব শহিদ সেনা (Army) জওয়ান সিদ্ধান্ত ছেত্রীকে শেষ বিদায় জানাতে রবিবার সকাল থেকেই ব্যস্ত পাহাড়ি এই গ্রাম। কাতারে কাতারে মানুষের ভিড়। কারও মুখে কথা নেই। সবার দু চোখ বেয়ে গড়িয়ে পড়ছে জল। কাশ্মীর সীমান্তে জঙ্গি হামলায় নিহত সেনা (Army) জওয়ান সিদ্ধান্ত ছেত্রী প্রায় দুমাস আগে বিয়ে করেছেন। সংসার গোছানোর আগেই ভেঙে গেল। স্বামীর শোকে মূর্ছা যাচ্ছেন স্ত্রী প্রজ্ঞাদেবী। আর ছেলের মৃতদেহ আঁকড়ে কেঁদে চলেছেন বাবা খরকাবাহাদুর ছেত্রী ও  মা দেওকুমারী দেবী।

    কাঁদছে গোটা গ্রাম

    পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ১৪ এপ্রিল বিয়ের পর সবাইকে হাসিমুখে বিদায় জানিয়ে কাজে যোগ দিতে গিয়েছিলেন সিদ্ধান্ত। পৌঁছে ফোন করে বাড়ির সকলের সঙ্গে কথাও বলেছিলেন তিনি। কাশ্মীরের রিজৌরি সীমান্তে অভিযানে যাওয়ার আগে পর্যন্তও ফোনে কথা  হয়েছিল স্ত্রী ও পরিবারের সকলের সঙ্গে। শেষ ফোনে জানিয়েছিলেন, অভিযান থেকে ফিরে শনিবার ফোন করবেন। একদিন আগেই তাঁর ইউনিট থেকে ফোন আসে দার্জিলিংয়ের বিজনবাড়ির কিজোমাবস্তির ছেত্রীবাড়িতে। কিন্তু সেই ফোনের অপরপ্রান্তে সিদ্ধান্তের গলা শোনা যায়নি। সেনা (Army) দফতরের এক আধিকারিকের কন্ঠে ভেসে আসে সেই মর্মান্তিক সংবাদ, জঙ্গি হামলায় মারা গিয়েছেন ২৫ বছরের তরতাজা জওয়ান সিদ্ধান্ত ছেত্রী। শনিবার বাগডোগরা বিমানবন্দর হয়ে রাতে কিজোমাবস্তিতে সিদ্ধান্তের কফিনবন্দি দেহ পৌঁছতে গোটা গ্রাম কান্নায় ভেঙে পড়ে। গ্রামের গর্ব সিদ্ধান্তকে শেষবারের জন্য একটু দেখা ও শ্রদ্ধা জ্ঞাপনের জন্য। রবিবার ভোরের আলো ফুটতেই সেই শোক মিছিল ক্রমশ লম্বা হতে শুরু করে। শুধু কিজোমাবস্তিই নয়। তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে আশপাশ এলাকা থেকেও আসেন বহু মানুষ।

    কী বললেন নিহত সেনা (Army)  জওয়ানের পরিবারের লোকজন?

    সিদ্ধান্তের জামাইবাবু বিক্রম থাপা বলেন, এর আগেও সিদ্ধান্ত বহুবার অভিযানে গিয়েছে। সফল হয়ে ফিরেই আমাদের সকলের সঙ্গে কথাবার্তা বলেছে। দুমাস আগে বিয়ে হয়েছিল। সবার সঙ্গে মিশে হাসি-ঠাট্টা করে গত ১৪ এপ্রিল কাজে যোগ দিতে যাওয়ার সময় বলেছিল, মাসখানেক বাদে আবার ফিরে আসবে। সেই আশাতেই আমরা ছিলাম। আর সদ্য বিবাহিতা প্রজ্ঞা এক বুক স্বপ্ন নিয়ে স্বামীর প্রত্যাশায় বসেছিলেন। সবকিছু ওলট-পালট হয়ে গেল। সিদ্ধান্তের দিদি চন্দ্রকলা ছেত্রী কাঁদতে কাঁদতে বললেন, আমার ভাই দেশের জন্য প্রাণ দিয়েছে। এ তো আমাদের গর্ব। কিন্তু এত অল্প বয়সে, সদ্য সংসার পাতার পরপর এভাবে চলে যাওয়াটা মেনে নিতে পারছি না।

    রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সম্পন্ন হল শেষকৃত্য

    শনিবার বিমানে বাগডোগরা বিমানবন্দরে কফিনবন্দি হয়ে সিদ্ধান্তের দেহ পৌঁছতে স্থানীয় জেলা প্রশাসন ও সেনা (Army) বিভাগের তরফে গান স্যালুট দিয়ে সিদ্ধান্তকে শেষ শ্রদ্ধা জানানো হয়। তারপর কফিনবন্দি দেহ রওনা হয় পাহাড়ের বিজনবাড়ির কিজোমাবস্তির উদ্দেশে। রাতে মৃতদেহ পৌঁছতেই শোকস্তব্ধ গ্রাম কান্নায় ডুকরে ওঠে। সিদ্ধান্তের বাবা খরকাবাহাদুর, মা দেওকুমারী দেবী সারা রাত ছেলের কফিনবন্দি দেহ আগলে বসেছিলেন। এদিন সকালেও তাঁদের সেখান থেকে সরানো যায়নি। এদিকে সেনা (Army) ও জেলা প্রশাসনের তরফে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষকৃত্য সম্পন্ন করার প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে। আর কয়েক ঘণ্টা বাদেই চিরতরে হারিয়ে যাবে সিদ্ধান্ত। গান স্যালুট, তোপধ্বনি এই পাহাড়ের গায়ে ধাক্কা খেয়ে খেয়ে ছড়িয়ে দেবে শেষ শোকবার্তা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: ময়নায় বিজেপি নেতা খুনে গ্রেফতার আরও দুই তৃণমূল কর্মী

    BJP: ময়নায় বিজেপি নেতা খুনে গ্রেফতার আরও দুই তৃণমূল কর্মী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ময়নায় বিজেপি (BJP) নেতা বিজয়কৃষ্ণ ভুঁইয়া খুনে নতুন করে আরও দুজনকে গ্রেফতার করল পুলিশ। এই খুনের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে শনিবার নন্দন মণ্ডল ও সুজয় মণ্ডলকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। এর আগে মিলন ভৌমিক নামে একজনকে পুলিশ গ্রেফতার করেছিল। সব মিলিয়ে এই ঘটনায় মোট তিনজনকে গ্রেফতার করল পুলিশ।

    ধৃতদের কোথায় থেকে গ্রেফতার করা হল?

    কয়েকদিন আগে বিজেপি (BJP) নেতা বিজয়কৃষ্ণ ভুঁইয়াকে স্ত্রী, সন্তানের সামনে অপহরণ করে তুলে নিয়ে গিয়ে নৃশংসভাবে খুন করা হয়। তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা খুন করেছে বলে অভিযোগ ওঠে। এই  খুনের ঘটনায় তপ্ত হয়ে ওঠে ময়না এলাকা। বিধায়ক অশোক দিন্দার নেতৃত্বে বিজেপি (BJP) কর্মীরা রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ময়নায় এসে ১২ ঘণ্টা বনধ ঘোষণা করেছিলেন। পরে, শুভেন্দুর নেতৃত্বে এলাকায় প্রতিবাদ মিছিলও হয়। এরপরই পুলিশ মিলন ভৌমিককে গ্রেফতার করে। তবে, বিজেপির (BJP) পক্ষ থেকে ৩৪ জনের নামে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। তারমধ্যে একজন গ্রেফতার হওয়ায় বিজেপি (BJP) কর্মীরা আন্দোলনের হুমকি দেয়। এরইমধ্যে আরও দুজনকে পুলিশ গ্রেফতার করে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত দুজনেরই বাড়ি ময়না থানার বাকচা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার গোড়ামাহাল গ্রামে। তারা এলাকায় তৃণমূল কর্মী হিসেবে পরিচিত বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। পুলিশ সূত্রের খবর, ঘটনার পর থেকে তারা বাগচায় একটি ইটভাটাতে লুকিয়ে ছিল। শনিবারই পুলিশ তল্লাশি চালিয়ে সেখান থেকে গ্রেফতার করে।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    বিজেপি (BJP) নেতা খুন হওয়ার পর তৃণমূল নেতৃত্ব বিষয়টি ব্যক্তিগত কারণে বা বিজেপি-র দলীয় কোন্দলের জেরেই খুন বলে চালানোর চেষ্টা করেছে। এই খুনের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে যে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, তারা তৃণমূল কর্মী হিসেবে পরিচিত। এদিন আরও দুজন গ্রেফতার হওয়া প্রসঙ্গে তৃণমূল নেতা সংগ্রাম দলুই বলেন, তৃণমূল কোনও দুর্নীতি বা খুনিদের সমর্থন করে না। কেউ দোষ করে থাকলে তার সাজা হবে।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব ?

    বিজেপির (BJP) তমলুক সাংগঠনিক জেলার সভাপতি আশিস মণ্ডল বলেন, দলীয় কর্মী খুনের ঘটনায় আমরা ৩৪ জনের নামে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছিলাম। পুলিশ অভিযুক্তদের আড়াল করার চেষ্টা করছে। আমাদের দাবি, অবিলম্বে সকল অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে হবে। নাহলে আমরা বৃহত্তর আন্দোলনে নামব।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • US Firing: ফের রক্তাক্ত আমেরিকা! ভিড়ে ঠাসা শপিং মলে বন্দুকবাজের গুলিতে হত শিশু সহ ৯

    US Firing: ফের রক্তাক্ত আমেরিকা! ভিড়ে ঠাসা শপিং মলে বন্দুকবাজের গুলিতে হত শিশু সহ ৯

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের রক্তাক্ত আমেরিকা (US Firing)। শপিং মলে এলোপাথাড়ি গুলিবর্ষণের জেরে মৃত্যু হয়েছে অন্তত ৯ জনের। পরে পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছে বন্দুকবাজও। টেক্সাসের (Texas) ঘটনায় চাঞ্চল্য। স্থানীয় সূত্রে খবর, শনিবার রাতে টেক্সাসের ডালাসে একটি শপিং মলে ব্যাপক ভিড় ছিল। সপ্তাহান্তে বেশ খোশ মেজাজেই ছিলেন ক্রেতারা। আচমকাই কান ফাটানো গুলির আওয়াজ। ভয়ে এদিক ওদিক ছোটাছুটি শুরু করে দেন ক্রেতারা। কান্না জুড়ে দেন শিশুরা। ব্যাপক ভিড় হওয়ায় এদিন শপিং মলটিতে ছিল পুলিশও।

    রক্তাক্ত আমেরিকা (US Firing)…

    পুলিশের দাবি, বন্দুকবাজ ওই যুবকের গুলিতে ১৬ জন জখম হন। খবর পেয়ে দমকল বাহিনী এসে তাঁদের উদ্ধার করে নিয়ে যায় স্থানীয় হাসপাতালে। পরে সেখানেই মৃত্যু হয় ৯ জনের। মৃতদের মধ্যে রয়েছে বছর পাঁচেকের এক শিশুও। ওই হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন আরও ৭ জন। দমকল সূত্রে খবর, মৃতদের (US Firing) বয়স ৫ থেকে ৬১ বছর। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে দমকলের আশঙ্কা।

    টেক্সাস পুলিশ বিভাগের প্রধান ব্রায়ান হার্ভি জানান, গুলি চালানোর খবর পেয়েই সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ। প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে শপিং মলে উপস্থিত সাধারণ মানুষকে উদ্ধার করে আনা হয়। আহতদের কয়েকজনকে ট্রমা সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। অভিযুক্ত বন্দুকবাজের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়েছে পুলিশের। মৃত্যু হয়েছে বন্দুকবাজের। তার নাম-পরিচয় জানার চেষ্টা করছে পুলিশ। জানার চেষ্টা চলছে হামলার কারণও। টেক্সাসের গভর্নর গ্রেগ অ্যাবট গণহত্যার এই ঘটনাকে অভাবনীয় বিপর্যয় বলে উল্লেখ করেছেন।

    আরও পড়ুুন: নিভল অশান্তির আগুন, শান্তি ফিরল মণিপুরে, নিট ইউজি ২০২৩ স্থগিত

    আমেরিকায় (US Firing) যে কেউই নিজের কাছে বন্দুক রাখতে পারেন। তাই প্রায়ই বন্দুকবাজের হামলা খবর প্রকাশ্যে আসে। কখনও বন্দুকবাজ হামলা চালায় স্কুলে, কখনও বা শপিং মলে। জনবহুল বিভিন্ন স্থানেও হামলা চালায় বন্দুকবাজরা। তাদের নিশানা থেকে বাদ যায় না শিশু কিংবা বৃদ্ধ। কেবল টেক্সাসই নয়, আমেরিকার অন্যত্রও কানে আসে এই ঘটনার খবর। তাই গুলিবিদ্ধ হয়ে এ দেশে মৃত্যুর ঘটনা বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় বেশি-ই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC:দলীয় নেতাদের শাস্তির দাবিতে টায়ার জ্বালিয়ে রাস্তা অবরোধ করলেন তৃণমূল কর্মীরা, কেন?

    TMC:দলীয় নেতাদের শাস্তির দাবিতে টায়ার জ্বালিয়ে রাস্তা অবরোধ করলেন তৃণমূল কর্মীরা, কেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়েকদিনের মধ্যেই জেলা সফরে আসছেন তৃণমূলের (TMC) সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আর তাঁর সেই কর্মসূচি সফল করতে শনিবার মেদিনীপুর শহরে জেলা নেতৃত্বের পক্ষ থেকে প্রস্তুতি বৈঠক করা হয়। জেলা নেতৃত্বের যখন বৈঠক চলছে, তখন এই জেলার মোহনপুরে তৃণমূলের (TMC) গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের আগুনে জ্বলছে। দলীয় কোন্দল এতটাই তীব্র আকার ধারণ করে যে  রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে পথ অবরোধ করলেন তৃণমূলের (TMC) এক গোষ্ঠীর কর্মী-সমর্থকরা।

    ঠিক কী ঘটেছে?

     মোহনপুর ব্লক তৃণমূল (TMC) কংগ্রেসের সভাপতি মানিক মাইতির সঙ্গে সিয়ালশাই-২ নম্বর অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের প্রধান বশরুল আলি,  মাজেদ মল্লিকের দীর্ঘদিন ধরে দ্বন্দ্ব রয়েছে। এরইমধ্যে গত কয়েকদিন আগে মানিকবাবুর হাত ধরে বেশ কয়েকজন কর্মী বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেন। এই নব্য তৃণমূলীরা (TMC)  এলাকায় দাপিয়ে বেড়াচ্ছে বলে অভিযোগ। এনিয়ে ব্লক সভাপতির বিরুদ্ধ গোষ্ঠী হিসেবে পরিচিত মাজেদসাহেবরা তার প্রতিবাদও করেন। কিন্তু, তাতে কাজের কাজ কিছুই হয়নি। উলটে শনিবার মাজেদসাহেবের এক অনুগামীকে বেধড়ক মারধর করার অভিযোগ ওঠে মানিকবাবুর অনুগামীদের বিরুদ্ধে। সদ্য বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে (TMC) যোগদান করা কর্মীরা এই কাজ করেছে বলে অভিযোগ। এই ঘটনার প্রতিবাদে এদিন আঁতলা- মোহনপুর রাজ্য সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে আক্রান্ত তৃণমূল কর্মীরা বিক্ষোভ দেখান। জখম তৃণমূল কর্মীকে রাস্তায় রেখেই চলে বিক্ষোভ। তৃণমূলের (TMC) পঞ্চায়েত সদস্য খলিল মল্লিক বলেন, আমরা বহুদিন ধরে দল করি। এখন নব্য তৃণমূলরা এলাকায় দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। তারা আমাদের দলীয় কর্মীকে বেধড়ক মারধর করেছে। অভিযুক্ত নেতাদের শাস্তির দাবিতে আমাদের এই কর্মসূচি।

    কী বললেন তৃণমূল (TMC)  নেতৃত্ব?

     পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার কয়েকটি ব্লকে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব রয়েছে তা এক কথায় স্বীকার করে নিয়েছেন জেলা তৃণমূলের (TMC) কো-অর্ডিনেটর অজিত মাইতি । তিনি বলেন, কয়েকটি ব্লকের মধ্যে ওই মোহনপুরে দলীয় নেতাদের নিজেদের মধ্যে মনোমালিন্য রয়েছে। খুব শীঘ্রই তা মিটিয়ে ফেলা হবে। কাউকে রেয়াত করা হবে না। প্রয়োজনে শোকজ করা হবে।

    কী বললেন বিজেপির জেলা নেতৃত্ব?

     বিজেপির জেলার সাধারণ সম্পাদক গৌরী শঙ্কর অধিকারী বলেন, তৃণমূলের দুই পক্ষ দেখাতে চাইছে কাদের কাছে কত বোমা-বন্দুক আছে, তারই লড়াই চলছে । পঞ্চায়েত ভোট যত এগিয়ে আসবে, তৃণমূলের (TMC) কোন্দল তত প্রকাশ্যে আসবে। এসব করে ওরা সাধারণ মানুষের থেকে আরও দূরে চলে যাবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Harmonium: অল ইন্ডিয়া রেডিওতে একসময় হারমোনিয়াম নিষিদ্ধ করে দেওয়া হয়েছিল, কেন তা জানেন?

    Harmonium: অল ইন্ডিয়া রেডিওতে একসময় হারমোনিয়াম নিষিদ্ধ করে দেওয়া হয়েছিল, কেন তা জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় বাদ্যযন্ত্রগুলির মধ্যে সেতার, তবলা, বীণা, সরোদ অন্যতম। হয়তো মাথায় আসতে পারে, আরও একটি প্রধান বাদ্যযন্ত্রও তো আছে, যেটি তালিকা থেকে বাদ গেল। যেটি ছাড়া ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীতও অসম্পূর্ণ। হ্যাঁ, হারমোনিয়ামের (Harmonium) কথাই বলছি। কিন্তু শুনলে হয়তো একটু অবাক হবেন, হারমোনিয়াম পাশ্চাত্যের একটি বাদ্যযন্ত্র। যার উৎপত্তি বিদেশের মাটিতে। কিন্তু ভারতীয় সঙ্গীতে এটি যেন মিশে গেছে রক্তের মতো।

    হারমোনিয়ামের ইতিহাস

    হারমোনিয়াম (Harmonium) একটি বিদেশি বাদ্যযন্ত্র, যা ক্যাবিনেট অর্গ্যান’ নামেও পরিচিত। ইউরোপের প্যারিসে ১৮৪২ সালে আলেকজান্ডার ডেবিয়ান এটি আবিষ্কার করেন। সেই হারমোনিয়ামটি ছিল আকৃতিতে অনেক বড় এবং পায়ে পাম্প করতে হত। ১৮৫০ সালের পর ভারতে হাতে পাম্প করা হারমোনিয়ামের উৎপত্তি হয়। 

    ভারতে কবে প্রথম ও কীভাবে হারমোনিয়াম আসে?

    বিভিন্ন তথ্যসূত্র ও ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যায়, ভারতবর্ষে প্রথম হারমোনিয়াম (Harmonium) ব্যবহৃত হয় কলকাতাতেই। উনিশ শতকের ষাটের দশকে দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুর সখের থিয়েটার, যা জোড়াসাঁকোতে স্থাপিত, সেখানে প্রথম হারমোনিয়াম বাজান। শোনা যায়, এখান থেকেই উৎসাহ ও কৌতূহল বাড়তে থাকে হারমোনিয়ামের। এরপর থেকেই হারমোনিয়াম শিক্ষা জোরকদমে শুরু হয় ভারতবর্ষে। এমনকী সেই সময় যাঁরা হারমোনিয়াম শিখতে আগ্রহ প্রকাশ করেন, তাঁদের জন্য প্রকাশিত হতে থাকে হারমোনিয়াম শিক্ষা সম্পর্কিত নানান বই। সেই সময় এধরনের দুটি বইয়ের সন্ধান পাওয়া গেছে। সেগুলি যথাক্রমে সৌরীন্দ্রমোহন ঠাকুর রচিত হারমোনিয়াম সূত্র, যা ১৮৭৪ সালে এবং কৃষ্ণধন বন্দ্যোপাধ্যায়ের হারমোনিয়াম শিক্ষা, যা ১৮৯৯ সালে প্রকাশিত হয়। এই বইগুলিতে সম্পূর্ণ বিবরণ দেওয়া আছে হারমোনিয়াম বাদন সম্পর্কে। 

    ভারতীয় সঙ্গীতে দশটি শ্রুতি এবং ১২টি স্বর মিলে মোট ২২ টি শ্রুতি আছে। আদিকাল থেকেই ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীত বিশারদরা এই শ্রুতিগুলি ব্যবহার করে এসেছেন। কিন্তু পশ্চিমের সঙ্গীতের যে কোনও ধ্বনি সীমাতে ভারতীয় ২২ এর বদলে ১২ রকমের স্বর আছে। যার জন্য এক বিশাল তফাৎ-এর সৃষ্টি হয়। যার ফলে ভারতীয় সঙ্গীতে হারমোনিয়াম ব্যবহার করলে অনেক অসঙ্গতির সৃষ্টি হতে পারে। এই কারণে অল ইন্ডিয়া রেডিওতে ১৯৪০ থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত হারমোনিয়াম নিষিদ্ধ ছিল। 

    হারমোনিয়াম এখনও একটি গুরুত্বপূর্ণ বাদ্যযন্ত্র

    শোনা যায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরও হারমোনিয়াম (Harmonium) পছন্দ করতেন না অতটা। ১৯ জানুয়ারি ১৯৪০ তে কবি আকাশবাণী কলকাতার সেই সময়কার স্টেশন ডিরেক্টরকে একটি খোলা চিঠি দেন এবং সেখানে লেখেন, “আমি সর্বদা আমাদের সঙ্গীতজ্ঞদের উদ্দেশে তাদের হারমোনিয়ামের প্রচলিত ব্যবহারের বরাবর বিরুদ্ধে ছিলাম এবং এটি আমাদের আশ্রম থেকেও সম্পূর্ণরূপে ব্যবহার বন্ধ করা হইয়াছে। আপনি যদি অল ইন্ডিয়া রেডিওর স্টুডিওতে এটির ব্যবহার বন্ধ করেন তবে আপনি ভারতীয় সংগীতের জন্য একটি খুব সুন্দরতম কাজ করিলেন বলে বিবেচিত হবে।” সেই সময় ব্রিটিশ শাসনের যুগে ব্রিটিশ সঙ্গীতজ্ঞরাও মনে করতেন ভারতীয় উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতের সঙ্গে হারমোনিয়াম কখনও তাল মেলাতে পারে না। পরে স্বাধীন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নেহরু, কবির এই সিদ্ধান্ত মেনে চলারই আদেশ বহাল রাখেন। এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে দিলীপকুমার রায়, শচীন দেববর্মণের মতো আরও সঙ্গীতজ্ঞ আকাশবাণীতে গান করা বন্ধ করে দেন। বর্তমানে এত বিতর্কের পরেও হারমোনিয়াম এখনও একটি গুরুত্বপূর্ণ বাদ্যযন্ত্র হিসাবেই ব্যবহৃত হয়। এর জনপ্রিয়তা ভবিষ্যতেও কমবে না, এটুকু নিশ্চিতভাবে বলা যায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share