Tag: bangla news

bangla news

  • BJP: সবংয়ের বিজেপি সমর্থিত নির্দল প্রার্থীর স্বামীকে বেধড়ক মার, অভিযুক্ত তৃণমূল

    BJP: সবংয়ের বিজেপি সমর্থিত নির্দল প্রার্থীর স্বামীকে বেধড়ক মার, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের একদিন আগে উত্তপ্ত হয়ে উঠল পশ্চিম মেদিনীপুরের সবং। বিজেপি (BJP) সমর্থিত নির্দল প্রার্থী সোনালী সিং ঘোড়াইয়ের স্বামী অরুণ ঘোড়াইকে মেরে হাত-পা ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার রাত প্রায় এগারোটা নাগাদ ঘটনাটি ঘটেছে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার সবং থানার ১২ নম্বর বুড়াল অঞ্চলের কেরুর এলাকায়। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    বৃহস্পতিবার কোলাঘাট থেকে বিজেপি সমর্থিত (BJP) নির্দল প্রার্থী সোনালী সিং ঘোড়াইয়ের স্বামী অরুণ ঘোড়াই গাড়ি নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে কেরুর এলাকায় তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি তপন হাজরার নেতৃত্বে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা তাঁর পথ আটকায়। হাতে বোমা,বন্দুক,লাঠি,রড,নিয়ে তাঁরা দাঁড়িয়েছিলেন। প্রথমে বচসা হয়। পরে, তাঁকে রাস্তায় ফেলে বেধড়ক মারধর করা হয় এবং তাঁর হাত-পা ভেঙে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। পরবর্তীতে এই ঘটনার খবর পেয়ে গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে সবং গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় সবং থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। ইতিমধ্যে এলাকা থমথম রয়েছে। এই ঘটনায় সবং থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

    কী বললেন আক্রান্ত নির্দল প্রার্থীর স্বামী?

    বিজেপি সমর্থিত নির্দল প্রার্থী সোনালীদেবী বলেন, আমি বিজেপি (BJP) সমর্থিত নির্দল প্রার্থী হয়েছি। আমার স্বামী খুবই পরিশ্রম করছেন। তাতে তৃণমূল আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে। তাই, আমার স্বামীর উপর ওরা হামলা চালিয়েছে। স্বামীকে প্রাণ নাশের চেষ্টা করেছে তৃণমূল। থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। আমরা চাই, যে বা যারা এই হামলা চালিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জি জানাচ্ছি।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি তপন হাজরা বলেন, আমাদের কোনও সমর্থক মেরেছে  বলে আমার জানা নেই। এই অভিযোগ সম্পূর্ণভাবে মিথ্যে। এসব অভিযোগ করে কোনও লাভ হবে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • SCO Summit: চিনের ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ’ প্রকল্পে আপত্তি ভারতের, এসসিও-র বিবৃতিতে সই নেই নয়াদিল্লির

    SCO Summit: চিনের ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ’ প্রকল্পে আপত্তি ভারতের, এসসিও-র বিবৃতিতে সই নেই নয়াদিল্লির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সদ্য সমাপ্ত এসসিও সম্মেলনের (SCO Summit) আয়োজক দেশ ছিল ভারত (India)। ভার্চুয়াল এই সম্মেলনের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। সেই বক্তৃতায় তিনি বলেছিলেন, এসসিও গোষ্ঠীর সনদকে মান্যতা দেওয়া উচিত সকলের। চিনের নাম না করে সার্বভৌমত্ব ও অখণ্ডতা রক্ষার জন্যও সওয়াল করেন প্রধানমন্ত্রী। সম্মেলন শেষে যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করে সদস্য রাষ্ট্রগুলি জানায়, যৌথভাবে তৈরি হওয়া ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ’ প্রকল্পকে সমর্থন করছে তারা। বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেছে পাকিস্তান, রাশিয়া সহ এসসিও-র প্রায় সব সদস্য দেশ। তবে উল্লেখযোগ্যভাবে তাতে সই করেনি ভারত।

    স্বাক্ষর না করার কারণ

    কী কারণে যৌথ বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেনি নয়াদিল্লি? জানা (SCO Summit) গিয়েছে, ভারতের মূল আপত্তি ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ’ প্রকল্পের একটি নির্দিষ্ট অংশ নিয়ে। ‘চিন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডর’ নামের এই রাস্তা চিন অধিকৃত শিনজিয়াংয়ের কাশগড়কে যুক্ত করেছে পাকিস্তানের গ্বদল বন্দরকে। যাত্রা পথে রাস্তাটির একটি অংশ গিয়েছে পাক অধিকৃত কাশ্মীরের গিলগিট-বালটিস্তান এলাকার মধ্যে দিয়ে। পাক অধিকৃত কাশ্মীর যে আদতে ভারতেই অংশ, বহুবার তা দাবি করেছে ভারত। তাদের দবি, এই রাস্তা তৈরি করে ভারতের সার্বভৌমত্বে আঘাত করেছে শি জিনপিংয়ের দেশ। সেই কারণেই এসসিও-র ওই যৌথ বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেনি নরেন্দ্র মোদির দেশ।

    প্রসঙ্গ সন্ত্রাসবাদ

    উদ্বোধনী ভাষণে ভারতের প্রধানমন্ত্রী সুর চড়িয়েছেন সন্ত্রাসবাদের (SCO Summit) বিরুদ্ধেও। তিনি বলেন, “আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক শান্তি প্রতিষ্ঠার পথে সব চেয়ে বড় অন্তরায় হল সন্ত্রাসবাদ। তার বিরুদ্ধে লড়তে হবে আমাদের।” পাকিস্তানের নাম না করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “কিছু দেশের নীতিই হল সীমান্তপারের সন্ত্রাসকে মদত দেওয়া। তাদের নিন্দা করার ক্ষেত্রেও কোনও দ্বিধা থাকা উচিত নয়।”

    আরও পড়ুুন: ‘‘তৃণমূলকে ভোট না দিলে বঞ্চিত থাকবে এলাকাবাসী’’, হুঁশিয়ারি রাজ্যের মন্ত্রীর

    প্রসঙ্গত, ২০০১ সালে চিনের সাংহাইতে গঠিত হয় সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন। সদস্য দেশ ছিল রাশিয়া, কাজাখস্তান, কিরঘিজস্তান ও চিন নিজে। ২০০৭ সালে এসসিও সম্মেলনে (SCO Summit) আমন্ত্রিত দেশ হিসেবে উপস্থিত ছিল ভারত। এর ঠিক ১০ বছর পরে এসসিওতে যোগ দেয় ভারত। ওই একই বছর যোগ দেয় পাকিস্তানও।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: ৪ ডিগ্রি কমল কলকাতার তাপমাত্রা, ভোটের দিন গ্রাম বাংলার আবহাওয়া কেমন?

    Weather Update: ৪ ডিগ্রি কমল কলকাতার তাপমাত্রা, ভোটের দিন গ্রাম বাংলার আবহাওয়া কেমন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সকাল থেকেই শহরের আকাশে মেঘের আনাগোনা। মাঝে মাঝে সূর্যের দেখা মিললেও তা ক্ষণস্থায়ী। মেঘলা আকাশ থাকায় ৪ ডিগ্রি কমল কলকাতার তাপমাত্রা (Weather Update)। শনিবার পঞ্চায়েত ভোট (WB Panchayat Election)। গোটা বাংলার পাশাপাশি ২২ বছর পর ভোট হবে পাহাড়েও। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, পঞ্চায়েত ভোটের (Panchayat Poll) দিন, বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টি  হলেও গরম বাড়বে দক্ষিণবঙ্গে। তবে উত্তরবঙ্গ কিন্তু ভাসবে প্রবল বৃষ্টিতে। ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে উত্তরে। 

    ভারী বৃষ্টি উত্তরে

    আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস (Weather Update), ভোটের দিন ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই দক্ষিণবঙ্গে। আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি ভোগাতে পারে। উত্তরবঙ্গে  হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। মাঝে বিক্ষিপ্তভাবে দু এক জায়গায় ভারী বৃষ্টি হতে পারে বলে পূর্বাভাস। ভারী বৃষ্টি চলবে দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, জলপাইগুড়ি জেলায়। কোচবিহার, আলিপুরদুয়ারে বেশী বৃষ্টির সতর্কতা। বৃষ্টির পরিমাণ কমবে মালদা উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরে।

    আরও পড়ুন: “নন্দীগ্রামে আর একটা ১৪ মার্চ ঘটাতে চায় মমতা ব্যানার্জি”, আশঙ্কা শুভেন্দুর

    হালকা বৃষ্টি দক্ষিণে

    বিক্ষিপ্তভাবে দু-এক পশলা বজ্রবিদ্যুৎ সহ হালকা বৃষ্টি হতে পারে কলকাতা-সহ শহরতলির বিভিন্ন অংশে। জলীয় বাষ্প থাকায় অস্বস্তি থাকবে বলে আগেই জানিয়ে রেখেছে আবহাওয়া দফতর (Weather Update)। জুলাই মাসের প্রথম সপ্তাহ কেটে গেল এখনও ঝেঁপে বৃষ্টি থেকে বঞ্চিত কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের অধিকাংশ জেলা। ফলে গরম জনিত অস্বস্তি থেকে এখনও নিস্তার পায়নি বঙ্গবাসী। কলকাতায় সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৭.৭ ডিগ্রি। বৃহস্পতিবার  সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩০.৮ ডিগ্রি। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ৮৫ থেকে ৯৪ শতাংশ। বৃষ্টি হয়েছে ১১ মিলিমিটার। হাওয়া অফিস সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার দুই ২৪ পরগনা, দুই মেদিনীপুর, হাওড়া, হুগলি, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম, দুই বর্ধমান, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ ও বীরভূমে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। কোনও কোনও জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টিপাত হতে পারে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: শান্তিপুরে বিজেপি প্রার্থীর বাড়িতে পাঠানো হল সাদা থান কাপড়, অভিযুক্ত তৃণমূল

    BJP: শান্তিপুরে বিজেপি প্রার্থীর বাড়িতে পাঠানো হল সাদা থান কাপড়, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বামফ্রন্টের আমলে বিরোধী দলের প্রার্থীদের বাড়িতে সাদা থানা পাঠানো হত। গোঘাট, গড়বেতা, কেশপুরে এই ধরনের ঘটনা ঘটত। এবার সেই একই কায়দায় বিজেপি (BJP) মণ্ডল সভাপতি তথা পঞ্চায়েত সমিতির প্রার্থী চঞ্চল চক্রবর্তীর বাড়িতে পাঠানো হল সাদা থান কাপড়। সঙ্গে রয়েছে গীতা মিষ্টি এবং ধূপকাঠি। প্রার্থীর অভিযোগ তার পরিবারকে আতঙ্কিত করতেই শাসকদল তৃণমূল এই ঘটনা ঘটিয়েছে। নির্বাচনের আগের দিন এই ঘটনা ঘিরে রীতিমতো চাঞ্চল্য এলাকায়। ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার শান্তিপুর থানার ফুলিয়া এলাকায়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। এই ঘটনা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে শান্তিপুর থানার পুলিশ।

    ঠিক কী অভিযোগ?

    রাত পোহালেই পঞ্চায়েত নির্বাচন। এবারের নির্বাচনের দিন ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই গোটা রাজ্য জুড়ে বিরোধীরা বিভিন্ন সন্ত্রাস চালানোর অভিযোগ তুলেছে রাজ্যের শাসক দলের বিরুদ্ধে। কোথাও বিরোধীদের প্রার্থীকে মারধর, বাড়ি ভাঙচুর, আবার কোথাও অপহরণের অভিযোগ উঠেছে। প্রতিটি ক্ষেত্রেই প্রশাসনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্ব করার অভিযোগ তুলেছে বিরোধী শিবির। ঠিক সেই রকমই শান্তিপুরের ২৮ নম্বর সমিতির বিজেপি (BJP) প্রার্থী চঞ্চল চক্রবর্তীর বাড়ির সামনে সাদা কাপড়ের থান, মিষ্টি, গীতা এবং তুলসি পাতা ফেলে যাওয়াই নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়াল।

    কী বললেন বিজেপি (BJP) প্রার্থী?

    বিজেপি (BJP) প্রার্থী চঞ্চল চক্রবর্তীর বক্তব্য, শাসক দল বোঝাতে চাইছে আমি খুন হয়ে যেতে পারি। এর আগেও আমাকে একাধিকবার বিভিন্ন হুমকি দেখানো হয়েছে। কিন্তু, আমি ছাত্র জীবন থেকে রাজনীতি করি। আমি এইসব হুমকিতে ভয় পাই না। তবে এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবে পরিবার কিছুটা হলেও আতঙ্কিত রয়েছে। এই ঘটনার পিছনে পুরোপুরি শাসক দল জড়িত। বিজেপি প্রার্থী মা মীরা চক্রবর্তী বলেন, সকালে কয়েকজন এলাকারই মহিলা চিৎকার চেঁচামেচি করে আমাকে ডাকতে থাকে। আমি গেটের বাইরে গিয়ে দেখি ওইসব জিনিসপত্র পড়ে রয়েছে। যেহেতু আমার ছেলে বিজেপি করে। এবার ও ভোটে দাঁড়িয়েছে, সেই কারণেই এই ঘটনা ঘটিয়েছে তৃণমূল।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    এই ঘটনার পুরোপুরি অস্বীকার করেছেন ২৮ নম্বর ওয়ার্ডের প়ঞ্চায়েত সমিতির তৃণমূল প্রার্থী উৎপল বসাক। তিনি বলেন, তৃণমূল কখনও এই শিক্ষা লাভ করেনি। আমরা কোনও গণ্ডগোল কিংবা ঝামেলায় বিশ্বাসী নই। এই এলাকায় বিজেপি (BJP) একটা ভোটও পাবে না, সেটা বুঝেই নিজেরাই এই ঘটনা ঘটিয়েছে।। এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূলের কোনো সম্পর্ক নেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: ফের উত্তপ্ত দিনহাটা! গুলিবিদ্ধ ৩ বিজেপি কর্মী, আহত আরও ১

    BJP: ফের উত্তপ্ত দিনহাটা! গুলিবিদ্ধ ৩ বিজেপি কর্মী, আহত আরও ১

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত ভোটের আগে ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠল কোচবিহার। বৃহস্পতিবার রাতে দিনহাটায় গুলিবিদ্ধ ৩ বিজেপি (BJP) কর্মী, আহত ১ জন। জানা গিয়েছে, গুলি চালনার ঘটনা ঘটেছে বামনহাট-২ অঞ্চলের কালমাটির  ১০১ নম্বর বুথে। প্রসঙ্গত, ভোট ঘোষণার পর থেকেই বারে বারে অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠেছে কোচবিহার। সম্প্রতি রাজ্যপাল সেখানে গিয়ে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন কথা বলেন আক্রান্তদের সঙ্গেও। বিরোধীদের অভিযোগ, পুলিশের মদতে শাসক দল লাগামছাড়া সন্ত্রাস চালাচ্ছে কোচবিগার জুড়ে

    আরও পড়ুন: “নন্দীগ্রামে আর একটা ১৪ মার্চ ঘটাতে চায় মমতা ব্যানার্জি”, আশঙ্কা শুভেন্দুর

    ঘটনার পূর্ণাঙ্গ বিবরণ

    রাত পোহালেই পঞ্চায়েত ভোট। এরই মাঝে পরপর বোমাবাজি ও গুলি চলার ঘটনায় উত্তপ্ত হয়ে উঠল দিনহাটা ২ নম্বর ব্লক। পরপর বোমা বিস্ফোরণ এবং গুলি চলার ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক দশটা নাগাদ স্থানীয় বিজেপি কর্মী সমর্থকরা প্রচার শেষে প্রার্থীর বাড়ির বাইরে বসে ছিলেন। ঠিক সেই সময় একদল দুষ্কৃতী বাইকে করে আসে এবং আচমকাই তাদের উপর চড়াও হয়। ঘটনায় বিজেপি কর্মী সমর্থকদের মধ্যে চারজন আহত হয়েছেন। চারজনের মধ্যে একজনের অবস্থা গুরুতর আশঙ্কাজনক বলে জানা গিয়েছে।

    কী বলছেন স্থানীয় বিজেপি (BJP) কর্মী?

    বিজেপি কর্মী পীযুষ বর্মন বলেন, ‘‘আমাদের তিন কর্মী মিলন বর্মন, চন্দ্র বর্মন,অর্জুন বর্মন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন এবং হিরো বর্মন নামের একজন আহত হয়েছেন।’’ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় সাহেবগঞ্জ থানার পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় সুরক্ষা বাহিনী। তারা দ্রুত ৪ জনকেই উদ্ধার করে বামনহাট ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করায় চিকিৎসার জন্য। তার পর স্থানান্তরিত করা হয় দিনহাটা মহকুমার হাসপাতালে। এই ঘটনায় এক দুষ্কৃতীকে আটক করেন স্থানীয় বাসিন্দারা এবং তাকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুন: ‘তৃণমূল সমাজবিরোধীদের ভোটে দাঁড় করাচ্ছে’, বিস্ফোরক সুকান্ত

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Justin Trudeau: “সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে কানাডা সব সময় পদক্ষেপ করেছে”, বললেন ট্রুডো

    Justin Trudeau: “সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে কানাডা সব সময় পদক্ষেপ করেছে”, বললেন ট্রুডো

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে কানাডা সব সময় কঠোর পদক্ষেপ করেছে।” বৃহস্পতিবার এমনই দাবি করলেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো (Justin Trudeau)। কানাডার অটোয়ায় ভারতীয় হাইকমিশনের কর্মীদের হুমকি দিয়েছে খালিস্থানপন্থীরা। ওই ঘটনায় কড়া প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে ভারত। কানাডায় খালিস্তানিপন্থীদের বাড়বাড়ন্তের জন্য সে দেশের রাজনীতিকেই দায়ী করেছিল ভারত। সেই অভিযোগেরই এদিন জবাব দিলেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী।

    হিংসার বিরোধী কানাডা!

    ট্রুডো বলেন, “ওরা (ভারত) ভুল বলছে। হিংসা এবং হিংসার হুমকির ক্ষেত্রে কানাডা বরাবর কঠোর পদক্ষেপ করেছে। আমরা সব সময় সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধেও কঠোর পদক্ষেপ করেছি। এবং আগামী দিনেও তা করব।” দিন কয়েক আগে কানাডার একটি গুরুদ্বারের ভিতরেই গুলি করে খুন করা হয় খালিস্তানি জঙ্গি হরদীপ সিং নিজ্জারকে। তার পর থেকে সে দেশের খালিস্তানপন্থীরা ভারতের বিরুদ্ধে আরও বেশি করে সুর চড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ভারতই খুন করিয়েছে নিজ্জারকে।

    ‘কিল ইন্ডিয়া’ পোস্টার

    এই আবহেই কানাডায় নিযুক্ত দূতাবাস কর্মীদের ছবি প্রকাশ করে ‘কিল ইন্ডিয়া’ পোস্টার সাঁটায় খালিস্তানপন্থীরা। তার পরেই ভারতের তরফে দেওয়া হয় কড়া প্রতিক্রিয়া। যে প্রতিক্রিয়ার পাল্টা দিতে গিয়ে এদিন ট্রুডো (Justin Trudeau) বলেন ওই কথা। তিনি বলেন, “কানাডা সব ধরনের হিংসার বিরোধী। এই বিষয়টি আমরা সব সময় গুরুত্ব দিয়ে দেখি।” কানাডার প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমাদের দেশে বহুস্বর রয়েছে। আমরা বাক স্বাধীনতাকে মূল্যও দিই। কিন্তু তার মানে এই নয় যে, আমরা হিংসাকে প্রশ্রয় দিই। আমরা বরাবর হিংসার বিরোধী। উগ্রপন্থার যে কোনও রূপেরই আমরা বিরোধী।”

    ট্রুডোর (Justin Trudeau) সুর শোনা গিয়েছে কানাডার বিদেশমন্ত্রী মেলানি জলির গলায়ও। তিনি বলেন, “হাতে গোণা কয়েকজন মানুষ একটা গোটা সম্প্রদায় কিংবা কানাডার কথা বলে না।” এদিকে, ভারতের বিদেশমন্ত্রকের তরফে বলা হয়েছে, কানাডা এবং অন্যত্র বাক স্বাধীনতার অপব্যবহার করছে ভারত-বিরোধীরা। ৮ জুলাই টরেন্টোয় খালিস্তান স্বাধীনতা মিছিল করবেন খালিস্তানপন্থীরা। ‘কিল ইন্ডিয়া’ পোস্টারেও নিজ্জার খুনে টরেন্টোয় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার সঞ্জয় কুমার ভার্মা এবং কাউন্সেল জেনারেল অফ ইন্ডিয়া অপূর্ব শ্রীবাস্তবকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। সেই প্রেক্ষিতেই বিদেশমন্ত্রকের তরফে দেওয়া হল কড়া প্রতিক্রিয়া।

    আরও পড়ুুন: “এখনও সময় আছে রাজধর্ম পালন করুন”, রাজীবকে হুঁশিয়ারি রাজ্যপালের

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “নন্দীগ্রামে আর একটা ১৪ মার্চ ঘটাতে চান মমতা”, আশঙ্কা শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “নন্দীগ্রামে আর একটা ১৪ মার্চ ঘটাতে চান মমতা”, আশঙ্কা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের দিন নন্দীগ্রামে সন্ত্রাস হতে পারে, পঞ্চায়েত নির্বাচনের শেষ দিনের প্রচারে এমনই আশঙ্কা প্রকাশ করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। ৮ জুলাই পঞ্চায়েত ভোট। এবারেও রাজ্য রাজনীতির পাখির চোখ নন্দীগ্রাম। তাই শেষ প্রচারে শুভেন্দু। বৃহস্পতিবার শেষ দিনের প্রচারে নন্দীগ্রাম ১ ও ২ নং ব্লকে বুথ পরিক্রমা করলেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক তথা রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

    তৃণমূলের কোন পরিকল্পনা ফাঁস করলেন?

    শেষ প্রচারে শুভেন্দু বুথ পরিক্রমা করার সময় বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, নন্দীগ্রামে আর একটা ১৪ মার্চ ঘটাতে চায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, জলপথে কেন্দামারি থেকে শওকত মোল্লা ও শাহজাহানের বাহিনীকে আনার ব্যবস্থা করা হয়েছে নন্দীগ্রামে। সেই সঙ্গে তিনি আরও বলেন, পশ্চিমবাংলায় জঙ্গলের রাজত্ব চালাচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস। বিধানসভা ভোটেও চেষ্টা করেছিল তৃণমূল। এবারেও করবে এলাকায় সন্ত্রাস চালানোর জন্য। কর্মীদের সতর্ক করে শুভেন্দু বলেন, আপনারা তৈরি থাকবেন। বাইক বাহিনী দেখলেই জলে ফেলে দেবেন। আমিও নন্দীগ্রামে থাকব। ভোটের দিন যেমন সতর্ক থাকতে বললেন, পাশাপাশি স্ট্রং রুম পাহারার কথাও বলেন শুভেন্দু। বৃহস্পতিবার সকাল বেলা নন্দীগ্রাম ২ নং ব্লক থেকে প্রচার শুরু করে বিরোধী দলনেতা শেষ করেন নন্দীগ্রাম ১ নং ব্লকের টেঙ্গুয়াতে।

    শেষ দিনে প্রচারে ‘মমতাও’

    অন্যদিকে, প্রচারে মমতাও। না মমতা মানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্বয়ং নয়। যাত্রা ও সিনেমাতে তাঁর চরিত্রে অভিনয় করা অভিনেত্রী রুমা চক্রবর্তী তৃণমূলের হয়ে প্রচার করলেন। ২০২১ এর বিধানসভা ভোটের শেষ প্রচারেও নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রে প্রচার করেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ২০২৩ এর পঞ্চায়েত ভোটেও শেষ প্রচারে শুভেন্দু ও মমতা। তবে হ্যাঁ শুভেন্দু অধিকারী নিজে থাকলেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নেই। আছে তাঁর চরিত্রে অভিনয় করা অভিনেত্রী রুমা চক্রবর্তী। সেই  সাদা শাড়ি পায়ে চটি, নির্বাচনী মঞ্চে মমতার সাজে রুমা। তৃণমূলের ভোট চাইলেন তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election 2023: পঞ্চায়েতের ফল ঘোষণার পরেও ১০ দিন মোতায়েন থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী, নির্দেশ হাইকোর্টের

    Panchayat Election 2023: পঞ্চায়েতের ফল ঘোষণার পরেও ১০ দিন মোতায়েন থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী, নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনোত্তর হিংসা রুখতে বড় পদক্ষেপ কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court)! আদালতের নির্দেশ, পঞ্চায়েত নির্বাচনের (Panchayat Election 2023) ফল ঘোষণার পরেও ১০ দিন রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী রাখতে হবে, যাতে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করা যায়। মূলত নির্বাচিতদের ও সামগ্রিকভাবে মানুষের নিরাপত্তার জন্যই এই নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়ে দিয়েছে আদালত।

    প্রধান বিচারপতির নির্দেশ

    বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানমের নির্দেশ, নির্বাচনের ফল প্রকাশের পরেও ১০ দিন রাজ্যে থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী। রাজ্যে আগেও ভোট পরবর্তী সন্ত্রাসের উদাহরণ রয়েছে। তাই সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করা প্রয়োজন। কোনও অভিযোগ যেন না আসে, তার জন্য সবরকম চেষ্টা করতে হবে কমিশনকে। আদালত আশা করে, ভোট শান্তিপূর্ণ হবে, মানুষ নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারবেন। কোথায় কত কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হবে, সে সিদ্ধান্ত নেবেন বিএসএফের আইজি। রাজ্য নির্বাচন কমিশন ও রাজ্য পুলিশের কর্তারা বিএসএফের আইজিকে সাহায্য করবেন।

    গণনা-পর্ব

    পঞ্চায়েত নির্বাচন (Panchayat Election 2023) হবে ৮ জুলাই। গণনা শুরু হবে ১১ জুলাই। গণনা-পর্ব শেষ হতে ১২ তারিখ হয়ে যেতে পারে। তাই এই ১২ জুলাইয়ের পরেও ১০ দিন রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে বলে নির্দেশ দিয়েছে আদালত। হাইকোর্ট এও জানিয়েছে, ভোট প্রক্রিয়া শেষ হয়ে যাওয়ার পরেও ব্যালট বাক্সের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করবে বাহিনী। প্রসঙ্গত, বুধবারই আদালত নির্দেশ দিয়েছিল, প্রার্থী ও নির্বাচনী এজেন্টদের নিরাপত্তায় গণনা কেন্দ্রে মোতায়েন থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী।

    আরও পড়ুুন: “এখনও সময় আছে রাজধর্ম পালন করুন”, রাজীবকে হুঁশিয়ারি রাজ্যপালের

    পঞ্চায়েত নির্বাচনের (Panchayat Election 2023) নির্ঘণ্ট ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই অশান্ত হয়েছে রাজ্য। মুর্শিদাবাদের খড়গ্রামে খুন হয়েছেন কংগ্রেস কর্মী। কেবল মুর্শিদাবাদেই নয়, রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় রাজনৈতিক হিংসার বলি হয়েছেন অন্তত ১৩ জন। কোথাও শাসকের হাতে খুন হয়েছেন বিরোধী দলের কোনও কর্মী, কোথাও আবার তৃণমূলেরই গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের বলি হয়েছেন কেউ। রাজনৈতিক এই হিংসার আবহে নির্বিঘ্নে নির্বাচন সম্ভব নয় অনুমান করে আদালতের দ্বারস্থ হন বিরোধীরা। দাবি করেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর। বিস্তর টানাপোড়েনের পর হাইকোর্টের গুঁতোয় শেষমেশ কেন্দ্রীয় বাহিনী চেয়ে কেন্দ্রকে চিঠি লেখে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। তার পরেই রাজ্যে দফায় দফায় আসতে শুরু করেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। এবার আদালতের নির্দেশে সেই বাহিনীই থাকবে গণনা শেষ হওয়ার ১০ দিন পর পর্যন্ত।

        

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • SSC Scam: ওএমআর শিট প্রকাশ নিয়ে অবস্থান স্পষ্ট করুক এসএসসি! নির্দেশ হাইকোর্টের

    SSC Scam: ওএমআর শিট প্রকাশ নিয়ে অবস্থান স্পষ্ট করুক এসএসসি! নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একাদশ-দ্বাদশের ওএমআর শিট প্রকাশ (OMR Sheet) নিয়ে স্কুল সার্ভিস কমিশনের (SSC) অবস্থান জানতে চায় কলকাতা হাইকোর্ট। আগামীকাল অর্থাৎ শুক্রবার এই নিয়ে অবস্থান জানাতে এসএসসি-কে নির্দেশ দিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Justice Abhijit Ganguli)। চাকরি ফেরত পেতে ফের হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ হয়েছিলেন ববিতা সরকার। এবার একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির (SSC Scam) বিস্তারিত মেধাতালিকা প্রকাশ চেয়ে মামলা করেন তিনি। বৃহস্পতিবার বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় এ বিষয়ে স্কুল সার্ভিস কমিশনের বক্তব্য জানতে চেয়েছেন। শুক্রবার এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।

    ববিতার আবেদন

    ববিতার হয়ে এই মামলা লড়ছেন আইনজীবী ফিরদৌস শামিম। তাঁর বক্তব্য, ২০১৬ সালের একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ৫ হাজার ৫০০ জনকে নিয়োগ করা হয়েছিল। নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে ৯০৭টি বিকৃত উত্তরপত্র (ওএমআর শিট) উদ্ধার করে সিবিআই। তার মধ্যে ১৩৮ জন ছিলেন ওয়েটিং লিস্টে। ববিতা সরকারের আবেদন, একাদশ-দ্বাদশের বিস্তারিত তথ্য-সহ প্যানেল প্রকাশ পেলে কারা, কীভাবে, কোথায় চাকরি পেয়েছেন তা পরিষ্কার হয়ে যাবে। যদি রাষ্ট্রবিজ্ঞানের প্রথম ২০ জনের মধ্যে কারও নিয়োগে কোনও গোলমাল থাকে, কেউ যদি দুর্নীতির (SSC Scam) কারণে চাকরি পেয়ে থাকেন, তবে তাঁর পদ বাতিলের সম্ভাবনা থাকবে। সেক্ষেত্রে আবারও ববিতা চাকরি পেতে পারেন বলে আশাবাদী। তাই প্যানেল প্রকাশ করা হোক বলে আর্জি তাঁর।

    আরও পড়ুুন: ‘শুভেন্দুর চার অভিযোগে পদক্ষেপ নয় কেন?’ কমিশনকে প্রশ্ন হাইকোর্টের

    ফের আদালতের পথে

    এর আগে ববিতা সরকারের চাকরি বাতিল করেছিল কলকাতা হাইকোর্ট। সেই চাকরি দেওয়া হয় অনামিকা রায়কে। প্রথমে মন্ত্রী পরেশ অধিকারীর কন্যা অঙ্কিতা অধিকারী এই পদে চাকরি পেয়েছিলেন। মেখলিগঞ্জের তৃণমূল নেতা পরেশ অধিকারীর মেয়ে অঙ্কিতা অধিকারীকে চাকরি থেকে সরিয়ে সেই পদে চাকরি পেয়েছিলেন ববিতা সরকার। ববিতার এই চাকরি প্রাপ্তি নিয়ে গোটা রাজ্য জুড়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছিল। এনিয়ে স্বস্তি পেয়েছিলেন ববিতা নিজেও। কিন্তু সেই স্বস্তি বেশিদিন স্থায়ী হয়নি। দেখা গিয়েছিল ববিতার চাকরিপ্রাপ্তির ক্ষেত্রে নানা ত্রুটি থেকে গিয়েছে। এরপর গত মে মাসে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্য়ায় রায় দিয়েছিলেন এই চাকরি ববিতার হতে পারে না। এরপর চাকরি যায় ববিতার। আবারও চাকরি ফিরে পেতে সেই আদালতেরই দ্বারস্থ শিলিগুড়ির মেয়ে ববিতা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Tamim Iqbal: চোখের জলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় বাংলাদেশ অধিনায়ক তামিম ইকবালের

    Tamim Iqbal: চোখের জলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় বাংলাদেশ অধিনায়ক তামিম ইকবালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের মাটিতে এক দিনের বিশ্বকাপের তিন মাস আগেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নিলেন বাংলাদেশের অধিনায়ক তামিম ইকবাল (Tamim Iqbal)। বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামে এক সাংবাদিক বৈঠকে নিজের অবসরের কথা জানান তামিম। গত বছরের ১৬ জুলাই টি-টোয়েন্টি ফরম্যাট থেকে অবসর নিয়েছিলেন ৩৪ বছর বয়সি তামিম। এদিন তামিম জানিয়ে দিলেন, ওয়ানডে ও টেস্ট থেকেও সরছেন তিনি। ফলে বাংলাদেশের (Bangladesh Cricket) জার্সিতে আর খেলতে দেখা যাবে না মারকুটে এই ওপেনারকে। 

    কী বললেন তামিম?

    এদিন বিদায়বেলায় কেঁদে ফেলেন তামিম (Tamim Iqbal)। বললেন, ‘‘এটাই আমার শেষ। আমি নিজের সেরাটা দিয়েছি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নিচ্ছি। আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে প্রথম এক দিনের ম্যাচই আমার শেষ ম্যাচ ছিল।’’ এরপর তিনি বলেন, ‘‘আমি হঠাৎ করে কোনও সিদ্ধান্ত নিইনি। অবসরের পিছনে অনেক কারণ আছে। সে সব এখানে বলতে চাই না। পরিবারের সঙ্গে এই বিষয়ে কথা বলেছি। অনেক ভেবেছি। আমার মনে হয়েছে, এটাই অবসর নেওয়ার সঠিক সময়।’’ 

    বাবার স্বপ্নপূরণের জন্যই ক্রিকেটে

    দীর্ঘ ১৬ বছরের ক্রিকেট পরিক্রমা শেষ করে তামিম (Tamim Iqbal) বলছেন, “বাবার স্বপ্নপূরণ করার জন্য ক্রিকেটে এসেছিলাম। জানি না বাবার স্বপ্নপূরণ করতে পেরেছি কিনা।” এদিন বিদায়বেলায় অনেক কিছুই বলতে চেয়েছিলেন তামিম। কিন্তু আবেগে ভেসে যাওয়ায় সব কথা আর বলা হয়নি। তামিম  বলেন, ‘‘আমার অনেক কিছু বলার আছে। কিন্তু আপনারা দেখতেই পাচ্ছেন যে কথা বলার মতো পরিস্থিতিতে নেই আমি। আশা করছি আপনারা বুঝতে পারছেন। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়া সহজ নয়।’’ এক দিনের ক্রিকেটে ২০০৭ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত মোট ২৪১টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন তামিম। করেছেন ৮৩১৩ রান। ৩৬.৬২ গড় ও ৭৮.৫৪ স্ট্রাইক রেটে রান করেছেন বাংলাদেশের এই বাঁ হাতি ওপেনার। সর্বোচ্চ ১৫৮। এক দিনের ক্রিকেটে ১৪টি শতরান করেছেন তামিম।

    হঠাৎ কেন অবসর?

    তামিম (Tamim Iqbal) বুঝিয়ে দিয়েছেন দীর্ঘ দিন ধরেই ক্ষোভ, অভিমান জমছিল। আর পারছিলেন না তিনি। সাংবাদিক বৈঠকে যে ভাবে তিনি কাঁদলেন, তাতে বোঝা গেল, নিজের সব থেকে প্রিয় জিনিসটা থেকে দূরে সরতে কতটা কষ্ট হচ্ছে তাঁর। নইলে তিনি কেন বলবেন, ‘‘আমি নিজের সেরাটা দিয়েছি। সত্যিই সেরা দিয়েছি। হতে পারে সেটা যথেষ্ট নয়। হতে পারে আমি ততটা ভাল নই। কিন্তু যখনই মাঠে নেমেছি নিজেকে ১০০ শতাংশ উজাড় করে দিয়েছি।’’

    আরও পড়ুন: ‘‘প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রেরণায় এগোচ্ছে ভারতীয় ফুটবল’’, বললেন কল্যাণ চৌবে

    তাঁর অবসর নিয়ে যেন কোনও বিতর্ক না হয় সেই অনুরোধও করেছেন বাংলাদেশের হয়ে এক দিনের ক্রিকেটে সর্বাধিক রানের মালিক। তাঁর কথায়, ‘‘দয়া করে এই ঘটনা নিয়ে আর বিতর্ক বাড়াবেন না। এই বিষয়কে এখানেই শেষ করে দিন। আমি সব সময় বলেছি, দেশ অনেক আগে। বাংলাদেশের ক্রিকেটের (Bangladesh Cricket) পাশে থাকুন।’’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share