Tag: bangla news

bangla news

  • PM Modi: ৭৪-এ পা প্রধানমন্ত্রীর, গত পাঁচ বছর কীভাবে তিনি পালন করেছিলেন জন্মদিন?

    PM Modi: ৭৪-এ পা প্রধানমন্ত্রীর, গত পাঁচ বছর কীভাবে তিনি পালন করেছিলেন জন্মদিন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার ৭৪ বছরে পড়লেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এদিন দিনভর শুভেচ্ছার বন্যায় ভেসেছেন তিনি। কংগ্রেসের তরফে তাঁকে  জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাহুল গান্ধী, কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে সহ একাধিক শীর্ষস্তরের নেতা। বিজেপি বিরোধী ২৬টি রাজনৈতিক দলের জোট ‘ইন্ডিয়া’র বিভিন্ন নেতাও জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীকে।

    ‘বিশ্বকর্মা যোজনা’র সূচনা 

    এদিন প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে সরকার সূচনা করতে চলেছে ‘বিশ্বকর্মা যোজনা’র। তাঁত ইত্যাদি শিল্পের মতো পূর্বপুরুষের পেশা যাঁরা ধরে রেখেছেন, মূলত তাঁদের জন্যই চালু হচ্ছে ‘বিশ্বকর্মা যোজনা’। ‘আয়ুষ্মান ভব’ বলে একটি নয়া স্বাস্থ্য শিবিরও চালু হতে চলেছে আজ থেকে।

    কীভাবে জন্মদিনটি কাটিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী?

    যাইহোক, এখন দেখে নেওয়া যাক, গত পাঁচ বছর ধরে কীভাবে জন্মদিনটি কাটিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। গত বছর ৭২তম জন্মদিনে নাবিমিয়া থেকে আনা চিতা ছাড়া হয়েছিল মধ্যপ্রদেশের কুনো জাতীয় উদ্যানের বিশেষ খাঁচায়। ভারতে চিতার বংশবৃদ্ধির উদ্দেশ্যে হাতে নেওয়া হয়েছে ওই কর্মসূচি। প্রধানমন্ত্রীকে সেদিন একটি টুপি পরে ক্যামেরা হাতে দেখা গিয়েছিল।

    ৭১তম জন্ম দিনে একটি বিশেষ অভিযানে ভারত পূর্ণ করেছিল ২.২৬ কোটি কোভিড টিকাকরণ। প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে তার আগের বছর ‘সেবা শপথ’ কর্মসূচি হাতে নিয়েছিল বিজেপি। সেবার দরিদ্রদের বিনামূল্যে রেশন সামগ্রী বিলি করা হয়েছিল। আয়োজন করা হয়েছিল রক্তদান শিবিরেরও। ২০১৯ সালের জন্মদিনে প্রধানমন্ত্রী নিজের রাজ্য গুজরাটে ‘স্ট্যাচু অফ ইউনিটি’ দেখতে গিয়েছিলেন। এই সফরে তিনি করেছিলেন ‘মা নর্মদা পূজন’। সর্দার সরোবর বাঁধের কন্ট্রোল রুমও দেখতে গিয়েছিলেন তিনি।

    আরও পড়ুুন: জন্মদিনের শুভেচ্ছা-বন্যায় ভাসলেন প্রধানমন্ত্রী, রাহুল, কেজরিওয়াল কে নেই তালিকায়?

    ‘দত্তাত্রেয় মন্দির’ দর্শনের পর কেভাদিয়ায় এক জনসভায় ভাষণ দেন তিনি। এর আগের বছরের জন্মদিনটি প্রধানমন্ত্রী কাটিয়েছিলেন তাঁর সাংসদ ক্ষেত্র বারাণসীতে। দু’ দিনের সফরে মন্দির নগরীতে গিয়েছিলেন তিনি (PM Modi)। ৫০০ কোটি টাকা মূল্যের একাধিক প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনও করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। 

    প্রসঙ্গত, ১৯৫০ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর জন্মগ্রহণ করেন নরেন্দ্র মোদি। ছ’ ভাইবোনের মধ্যে তিনি তৃতীয়। তাঁর বাবার নাম দামোদর দাস মোদি। মা হিরাবা মোদি। টানা ১২ বছর গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। ২০১৪ সালে হন প্রধানমন্ত্রী।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: জন্মদিনের শুভেচ্ছা-বন্যায় ভাসলেন প্রধানমন্ত্রী, রাহুল, কেজরিওয়াল কে নেই তালিকায়?

    PM Modi: জন্মদিনের শুভেচ্ছা-বন্যায় ভাসলেন প্রধানমন্ত্রী, রাহুল, কেজরিওয়াল কে নেই তালিকায়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার ৭৩ বছর পূর্ণ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। জন্মদিনে প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানালেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী সহ ইন্ডি জোটের নেতারা। প্রধানমন্ত্রীকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুও।

    ট্যুইট-বার্তা খাড়গের

    এক্স হ্যান্ডেলে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে লিখেছেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিজিকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা। তাঁর সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করি।” শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাহুল গান্ধীও।

    শুভেচ্ছা নীতীশ কুমারেরও 

    ট্যুইটারে প্রধানমন্ত্রীকে (PM Modi) শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী তথা জনতা দল ইউনাইটেড নেতা নীতীশ কুমারও। এই নীতীশ কুমারই বিজেপি বিরোধী দলগুলিকে এক ছাতার তলায় নিয়ে এসেছিলেন। বিজেপি বিরোধী সেই জোটের নাম হয়েছে ‘ইন্ডিয়া’ (INDIA)।

    ট্যুইট-বার্তায় বিহারের মুখ্যমন্ত্রী লিখেছেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা। আমি তাঁর সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করি।”

    এনসিপি সুপ্রিমো শরদ পাওয়ার লিখেছেন, “নরেন্দ্র মোদিজিকে জন্মদিনের উষ্ণ শুভেচ্ছা। আপনার সুস্বাস্থ্য, সুখ এবং সমৃদ্ধি কামনা করি।”

    কেরলের মুখ্যমন্ত্রী পিনরাই বিজয়ন, তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী তথা আপ নেতা অরবিন্দ কেজরিওয়াল সহ ইন্ডি জোটের প্রায় সব নেতাই জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীকে (PM Modi)। শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিজেপির নেতারাও।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Sanatana Dharma Row: সনাতন ধর্ম সম্পর্কে বিতর্কিত মন্তব্য, ডিএমকের উদয়নিধিকে নিশানা নির্মলার

    Sanatana Dharma Row: সনাতন ধর্ম সম্পর্কে বিতর্কিত মন্তব্য, ডিএমকের উদয়নিধিকে নিশানা নির্মলার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সনাতন ধর্ম সম্পর্কে বিতর্কিত (Sanatana Dharma Row) মন্তব্য করায় এবার তামিলনাডুর মুখ্যমন্ত্রী এমকে স্ট্যালিনের ছেলে উদয়নিধিকে নিশানা করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামণ। শনিবার স্ট্যালিনপুত্রর উদ্দেশে নির্মলা বলেন, “রাজ্যের একজন মন্ত্রী হয়ে ডিএমকে নেতা উদয়নিধির মনে রাখা প্রয়োজন ছিল, তিনি কী বলছেন।” সনাতন ধর্ম হিংসায় বিশ্বাস করে না বলেও মন্তব্য করেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। সাংবাদিক বৈঠকে তিনি বলেন, “উদয়নিধি যদি মনে করেন সনাতন ধর্ম সম্পর্কে বিরূপ মন্তব্য করলেও, কোনও প্রতিক্রিয়া হবে না, তাহলে তিনি ভুল করছেন।”

    কী বললেন নির্মলা?

    চেন্নাইয়ের ওই সাংবাদিক বৈঠকে নির্মলা বলেন, “সনাতন ধর্ম নিয়ে বিতর্কের সূত্রপাত ডিএমকে নেতা উদয়নিধির বক্তব্যকে ঘিরে। এই ডিএমকে বিজেপি বিরোধী ২৬টি রাজনৈতিক দলের জোট ইন্ডিয়ায় রয়েছে। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে ফয়দা তুলতেই তারা এমন মন্তব্য করেছে।” কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী বলেন, “আমরা বিতর্ক শুরু করিনি। আপনারাই শুরু করেছেন। প্রত্যেকেরই মত প্রকাশের স্বাধীনতা আছে। কিন্তু একজন মন্ত্রী হয়ে তাঁর একথা বলা ঠিক হয়নি। তিনি যে মন্ত্রী, তা মাথায় রাখা উচিত ছিল তাঁর।”

    সেদিনের ঘটনায় এখনও ব্যথা পাই

    কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী বলেন (Sanatana Dharma Row), “যে সব মন্তব্য হিংসা ছড়াতে উৎসাহ দেয় কিংবা হিংসায় ইন্ধন জোগায়, সে সব কথা বলা ঠিক নয়।  সংবিধানেও বলা হয়েছে, যে সব কথায় অশান্তি ছড়ায়, তা বলা ঠিক নয়।” উদয়নিধি বলেছিলেন, তাঁর দল শতবর্ষ ধরে সনাতন ধর্ম নিয়ে মন্তব্য করবে। সে প্রসঙ্গ তুলে নির্মলা বলেন, “আপনি বলতেই পারেন। তবে যে সব কথা হিংসায় ইন্ধন জোগায়, তা কারওরই বলা উচিত নয়।”

    আরও পড়ুুন: বিশ্বকর্মা ও গণেশ পুজোতে বৃষ্টি! কী বলছে হাওয়া অফিস?

    কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী জানান, তিনি একটি তামিল পরিবারে বেড়ে উঠেছেন। একদিন শোভাযাত্রা করার সময় রামের প্রতিকৃতিতে ছুঁড়ে দেওয়া হয়েছিল জুতোর মালা। সেদিনের সেই ঘটনায় খারাপ লেগেছিল তাঁর। সে কষ্ট আজও (Sanatana Dharma Row) ব্যথা দেয় তাঁকে। নির্মলা বলেন, “এই হল সনাতন ধর্ম। আমরা সেদিন দাঁতের বদলে দাঁত, চোখের বদলে চোখের নীতি গ্রহণ করিনি। কিন্তু এটা যদি অন্য ধর্মের ক্ষেত্রে ঘটত, তাহলে কী হত, তা বুঝতেই পারছেন। জীবন কীভাবে যাপন করতে হয়, সেই শিক্ষা দেয় সনাতন ধর্মই।”

     

         

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Pakistan Cricket: পাক ক্রিকেট দলে ‘গৃহযুদ্ধ’ চরমে, বিশ্বকাপের আগে অশনি সঙ্কেত!

    Pakistan Cricket: পাক ক্রিকেট দলে ‘গৃহযুদ্ধ’ চরমে, বিশ্বকাপের আগে অশনি সঙ্কেত!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাক ক্রিকেট (Pakistan Cricket) টিমে ‘গৃহযুদ্ধ’! সাজঘরে তুমুল ঝামেলা ক্যাপটেন বাবর আজম ও দলের প্রধান বোলার শাহিন আফ্রিদির। শ্রীলঙ্কার কাছে হেরে গিয়েছে পাকিস্তান। তার পরেই শুরু হয় ঝামেলা। পরিস্থিতি সামাল দিতে এগিয়ে আসেন কোচ গ্রান্ট ব্র্যাডবার্ন ও রিজওয়ান। বিশ্বকাপের আগে এই ঘটনায় অশনি সঙ্কেত দেখছে পাক ক্রিকেট মহল।

    কেন খেপে গেলেন বাবর?

    জানা গিয়েছে, শ্রীলঙ্কার কাছে হারের পর সাজঘরে ফেরে পাক ক্রিকেট দল। সেখানে দলের উদ্দেশে ভাষণ দিচ্ছিলেন বাবর। ওই সময় নাম না করে কয়েকজন ক্রিকেটারের উদ্দেশ্যে তাঁদের পারফরম্যান্স বাড়ানোর কথা বলেন। এই সময় শাহিন বাবরকে বলেন, যাঁরা ভাল ব্যাট ও বল করেছেন, তাঁদের প্রশংসা করতে। এতেই খেপে যান বাবর। বক্তৃতার মাঝে (Pakistan Cricket) শাহিন কথা বলায় ক্ষুব্ধ হন তিনি। বলেন, দলের হয়ে কারা ভাল খেলেছে, তা আমি জানি। এ নিয়েই বাবর ও শাহিনের মধ্যে তুমুল ঝামেলা হয়। দ্রুত চলে আসেন রিজওয়ান এবং কোচ। থেমে যায় ঝামেলা।

    সতীর্থদের সঙ্গে দূরত্ব রচনা বাবরের

    জানা গিয়েছে, এর পরেই দলের বাকি ক্রিকেটারদের থেকে দূরত্ব তৈরি করেছেন বাবব। তাঁদের সঙ্গে বেশি মেলামেশা করছেন না। তাই চিন্তা বেড়েছে দল পরিচালন সমিতির। প্রসঙ্গত, এশিয়া কাপে শ্রীলঙ্কার মুখোমুখি হয় বাবরের দল। টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় তারা। মাত্র ২৯ রানে আউট হয়ে যান বাবর। নির্ধারিত ৪২ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে পাকিস্তান তোলে ২৫২ রান। পাকিস্তানের হয়ে রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেন উইকেটকিপার ব্যাটার মহম্মদ রিজওয়ান। ৭৩ বলে তিনি করেন ৮৬ রান। ওপেনার আবদুল্লা শফিক করেন ৫২। আর ৪৭ রান করেন ইফতিকার আহমেদ।

    আরও পড়ুুন: ‘ইন্ডি’ জোটে অনৈক্যে! বাতিল হল প্রথম জনসমাবেশ, কটাক্ষ বিজেপির

    ব্যাট করতে নেমে প্রথমে ভালই খেলছিল শ্রীলঙ্কা। দ্বিতীয় উইকেটে পাথুম নিশঙ্কার সঙ্গে ৫৭ রানের এবং তৃতীয় উইকেটে সাদিরা সমরবিক্রমার সঙ্গে শতরানের পার্টনারশিপ গড়ে তোলেন কুশল মেন্ডিস। উইকেটকিপার ব্যাটার কুশল ৮৭ বলে ৯১ রানের ইনিংস উপহার দেন দলকে। এদিকে, খেলা যখন শেষের দিকে, তখন ঝলসে ওঠেন শাহিন (Pakistan Cricket)। এক ওভারে ধনঞ্জয় ডি সিলভা ও দুনিথ ওয়েলালাগের উইকেট নিয়ে নেন তিনি। ৪৯ রানে শেষ পর্যন্ত চরিথ আশালঙ্কা জিতিয়ে দেন দলকে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: জনপ্রিয়তার শীর্ষে মোদি! পিছনে ফেললেন কোন কোন বড় নেতাদের?

    PM Modi: জনপ্রিয়তার শীর্ষে মোদি! পিছনে ফেললেন কোন কোন বড় নেতাদের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বের জনপ্রিয় রাষ্ট্রনেতার শীর্ষে জায়গা করে নিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। মার্কিন সংস্থা ‘মর্নিং কনসাল্ট’-এর একটি সমীক্ষা অনুসারে জনপ্রিয়তার নিরিখে ৭৬ % মানুষের সমর্থন রয়েছে মোদির ঝুলিতে। বিশ্বের তাবড়-তাবড় রাষ্ট্রনেতাদের পিছনে ফেলে জনপ্রিয়তার নিরিখে শীর্ষস্থান পেলেন তিনি। তাঁর ধারে-কাছে নেই জো বাইডেন, ঋষি সুনকের মতো বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় রাষ্ট্রনেতারা। এটা দেশবাসীর জীবনযাত্রার মান উন্নীত করার নিঃস্বার্থ প্রচেষ্টা ও তাঁর প্রতি জনগণের আস্থার বিশ্বব্যাপী স্বীকৃতি বলে ট্যুইট করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

    প্রধানমন্ত্রী মোদিকে সমর্থন

    গ্লোবাল লিডার অ্যাপ্রুভাল রেটিং ট্র্যাকার-এর রিপোর্ট অনুসারে, বিশ্বের সর্বাধিক জনপ্রিয় নেতা হিসাবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে সমর্থন জানিয়েছেন ৭৬ শতাংশ মানুষ। তাঁর বিপক্ষে ভোট দিয়েছেন ১৮ শতাংশ মানুষ। আর ৬ শতাংশ মানুষ কোনও মতামত জানাননি। জনপ্রিয় নেতা হিসাবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পরে দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে রয়েছেন যথাক্রমে সুইজারল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট আলাইন বারসেট এবং মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট অ্যান্ড্রেস ম্যানুয়েল লোপেজ ওব্রাডর। তাঁদের প্রাপ্ত ভোট যথাক্রমে ৬৪ শতাংশ ও ৬১ শতাংশ। 

    আরও পড়ুন: ৫৪০০ কোটি ব্যয়ে নির্মিত ‘যশোভূমি’, রবিবার উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী, কী এক বৈশিষ্ট্য?

    আর কে কোথায়

    জনপ্রিয়তার নিরিখে ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুইজ দ্য সিলভা ৪৯ শতাংশের সমর্থন পেয়ে রয়েছেন চতুর্থ স্থানে। অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্টনি আলবেনিজ রয়েছেন পঞ্চম স্থানে। ৪৮ শতাংশের সমর্থন পেয়েছেন তিনি। ৪২ শতাংশ ভোট পেয়ে ইটালির প্রধানমন্ত্রী রয়েছেন ষষ্ঠ স্থানে। আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন পেয়েছে ৪০ শতাংশের সমর্থন। তিনি আছেন সপ্তম স্থানে। স্পেনের প্রধানমন্ত্রী রয়েছেন অষ্টম স্থানে। তিনি পেয়েছেন ৩৯ শতাংশের সমর্থন। ৩৮ শতাংশের সমর্থনে আয়াল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী লিও ভারাদকর নবম স্থান পেয়েছেন। দশম স্থানে রয়েছে কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। পেয়েছেন ৩৭ শতাংশের সমর্থন। ঋষি সুনকের রেটিং ২৭%, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর সমর্থন ২৪ শতাংশ। প্রথম দশে স্থান হয়নি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের। স্থান হয়নি ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনক এবং ফরাসি রাষ্ট্রপতি ম্যাক্রোঁ-র।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sandesh Jhingan: শক্তি বাড়ল ব্লু টাইগার্সদের! জাতীয় দলে যোগ দিচ্ছেন সন্দেশ

    Sandesh Jhingan: শক্তি বাড়ল ব্লু টাইগার্সদের! জাতীয় দলে যোগ দিচ্ছেন সন্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এশিয়ান গেমসের স্কোয়াডে এ বার সন্দেশ ঝিঙ্গান (Sandesh Jhingan)। সঙ্গে আরও দুই ফুটবলারকে যোগ করা হল। এশিয়ান গেমসের সঙ্গে চলবে ইন্ডিয়ান সুপার লিগও। প্লেয়ার ছাড়া নিয়ে ক্লাবগুলির সঙ্গে দ্বন্দ্ব চলছে ফেডারেশনের। তবে জাতীয় দলের (Indian Squad) স্বার্থে এবার ফুটবলারদের ছাড়ার কথা জানাল ইস্টবেঙ্গল (East Bengal)।

    স্কোয়াডের শক্তি বাড়ল

    বুধবার এশিয়ান গেমসের (Asian Games) জন্য চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণা করেছিল সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন। সিনিয়র প্লেয়ারদের মধ্যে সেই স্কোয়াডে ছিলেন একমাত্র সুনীল ছেত্রী। ভারতের আক্রমণ ভাগে সুনীলের মতো অভিজ্ঞ প্লেয়ারকে পাওয়ায় স্বস্তি ছিল। কিন্তু চিন্তা ছিল রক্ষণ নিয়ে। সন্দেশ যোগ দেওয়াতে সেই চিন্তা কিছুটা হলেও মিটল। এশিয়ান গেমস মূলত অনূর্ধ্ব ২৩ টুর্নামেন্ট হলেও তিনজন সিনিয়র প্লেয়ার রাখা যায়। প্রত্যাশা ছিল সুনীল ছেত্রী, সন্দেশ (Sandesh Jhingan) ঝিঙ্গান এবং গোলকিপার গুরপ্রীত সিং সান্ধুকে রাখা হবে। ক্লাব ছাড়তে চাইছিল না তাঁদের। বুধবার দল ঘোষণায় দেখা যায়, স্কোয়াডে রয়েছেন সুনীল ছেত্রী। এ দিন যোগ করা হল সন্দেশ ঝিঙ্গানকে। স্কোয়াডে শক্তি বাড়ল। এশিয়ান গেমসের দলে যোগ করা হয়েছে চিংলেনসানা এবং লালচুননুঙ্গাকেও।

    আরও পড়ুন: পুরোটাই গিমিক! লা লিগার অ্যাকাডেমি করে কি আদৌ লাভ হবে বাংলার ফুটবলের?

    সাড়া দিল ইস্টবেঙ্গল

    সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি কল্যাণ চৌবে এফএসডিএল-কে অনুরোধ করেছিল এশিয়ান গেমসের পর যাতে ইন্ডিয়ান সুপার লিগ শুরু করা যায়। সেই অনুরোধ যদিও রাখা হয়নি। এশিয়ান গেমস ফিফার নিয়মের আওতায় না থাকায় ক্লাবগুলি প্লেয়ার ছাড়তে বাধ্য নয়। সুতরাং, আলোচনা ছাড়া কোনও পথ ছিল না। একঝাঁক তরুণ ফুটবলারকে পেলেও সিনিয়রদের পাওয়া নিয়ে জটিলতা ছিল। অবশেষে সাড়া দিল ইস্টবেঙ্গল (East Bengal)। লাল-হলুদ শিবির থেকে এশিয়ান গেমসের দলে যোগ দিতে চলেছেন লালচুননুঙ্গা।  এ ছাড়া, ফেডারেশনের তরফে নাওরেম মহেশ সিংহের শারীরিক পরীক্ষা চলছে। তাঁকে দলে নেওয়ার ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত পরে নেওয়া হবে। গোয়া থেকে দলে যোগ দিচ্ছেন সন্দেশ। আগেই তাঁর যোগ দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু গোয়া তাঁকে ছাড়তে রাজি হয়নি। শেষ মুহূর্তে সমস্যার সমাধান হয়েছে। একই জিনিস দেখা গিয়েছে হায়দরাবাদের চিংলেসানার ক্ষেত্রেও। আলোচনার পর সমাধানসূত্র মেলে।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • Asia Cup 2023: শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ফাইনালের আগেই ধাক্কা ভারতের অক্ষরের চোট! শেষ ম্যাচে জিতল বাংলাদেশ

    Asia Cup 2023: শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ফাইনালের আগেই ধাক্কা ভারতের অক্ষরের চোট! শেষ ম্যাচে জিতল বাংলাদেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এশিয়া কাপের ফাইনালের আগে বড় ধাক্কা খেল ভারত। অলরাউন্ডার অক্ষর প্যাটেল চোট পেলেন। রবিবার কলম্বোয় শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ফাইনাল ম্যাচ খেলতে নামবে রোহিতরা। আইসিসি ট্রফির খরা কাটাতে মরিয়া ভারত। গত বছরের এশিয়া কাপ চ্যাম্পিয়‌ন শ্রীলঙ্কা এইবারেও ঘরের মাঠে ট্রফি ধরে রাখতে মরিয়া। অন্যদিকে বিশ্বকাপের আগে এই ট্রফি জিততে পারলে বাড়তি আত্মবিশ্বাস পাবে‌ টিম ইন্ডিয়া। এদিন বাংলাদেশের কাছে সুপার ফোরের শেষ ম্যাচে ৬ রানে হারে ভারত। ব্যাটে-বলে টানটান লড়াইয়ের পর শেষ রক্ষা করতে পারেননি রেহিতরা। বিফলে গেছে শুভমান গিলের অনবদ্য শতরান।

    অক্ষরের বদলে ওয়াশিংটন

    শুক্রবার সুপার ফোর পর্বে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ম্যাচেই চোট পান অক্ষর। এই ম্যাচে অক্ষর ৪২ রান করেছিলেন এবং ১ উইকেট নিয়েছিলেন। ভারতের বিশ্বকাপ দলের গুরুত্বপূর্ণ অলরাউন্ডার অক্ষর। যে কারণে টিম ম্যানেজমেন্ট তাঁর চোট নিয়ে কোনও রকম ঝুঁকি নিতে চাইবে না। চোট পাওয়ার কারণে ফাইনালে অক্ষরের খেলা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ায়, ওয়াশিংটন সুন্দরকে উড়িয়ে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত। ওয়াশিংটনের অন্তর্ভুক্তি আশ্চর্যজনক নয়। কারণ শ্রীলঙ্কার ব্যাটিং ইউনিটের টপ অর্ডারের শীর্ষে কয়েকজন বাঁ-হাতি রয়েছে, সে ক্ষেত্রে সুন্দরের অফ-ব্রেকগুলি কাজে আসবে এবং তাঁকে প্রথম পাওয়ারপ্লে ওভারগুলিতেও ব্যবহার করা যেতে পারে।  

    আরও পড়ুন: পুরোটাই গিমিক! লা লিগার অ্যাকাডেমি করে কি আদৌ লাভ হবে বাংলার ফুটবলের?

    চোটের কবলে থিকশানা

    অন্যদিকে ফাইনালের আগে স্বস্তিতে নেই শ্রীলঙ্কাও। সুপার ফোরের ম্যাচে দাসুন শনাকার দলের স্পিনারদের ঘূর্ণিতে কাবু হয়েছিলেন ভারতীয় ব্যাটারেরা। উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নিয়েছিলেন মাহিশ থিকশানা। চেন্নাই সুপার কিংসের অফ স্পিনারকে ফাইনালে পাবে না শ্রীলঙ্কা। তাঁর ডান পায়ের হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট লেগেছে। শনিবার ক্রিকেট শ্রীলঙ্কা এই খবর জানিয়েছে।

    পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ম্যাচে ফিল্ডিং করার সময় চোট পেয়েছিলেন থিকশানা। এশিয়া কাপে পাঁচটি ম্যাচ খেলে ১০টি উইকেট পেয়েছেন থিকশানা। তিনিই এখন সাদা বলের ক্রিকেটে শ্রীলঙ্কার প্রধান স্পিনার। স্বাভাবিক ভাবেই ফাইনালে তাঁকে না পাওয়া গত বারের এশিয়া কাপ চ্যাম্পিয়নদের জন্য বড় ক্ষতি।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • RSS: নারী সশক্তিকরণে জোর সঙ্ঘের সমন্বয় বৈঠকে, দেশজুড়ে শুরু মহিলা সম্মেলন

    RSS: নারী সশক্তিকরণে জোর সঙ্ঘের সমন্বয় বৈঠকে, দেশজুড়ে শুরু মহিলা সম্মেলন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নারী সশক্তিকরণে জোর দিচ্ছে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ (RSS)। শনিবার পুণেতে সমন্বয় বৈঠক শেষে  সাংবাদিক সম্মেলনে একথা জানান সঙ্ঘ নেতা মনমোহন বৈদ্য। প্রসঙ্গত ১৪ সেপ্টেম্বর শুরু হয়েছিল সঙ্ঘের সমন্বয় বৈঠক, এদিন তা শেষ হয়। মোট ৩৬টি শাখা সংগঠনের ২৬৬ জন নেতা এই বৈঠকে হাজির ছিলেন। বিজেপির তরফে বৈঠকে যোগ দেন সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা এবং সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) বিএল সন্তোষ। শনিবার সঙ্ঘের (RSS) সাংবাদিক বৈঠকে হাজির ছিলেন আরএসএস-এর দুই সর্বভারতীয় পদাধিকারী সুনীল আম্বেকর এবং মনমোহন বৈদ্য। সাংবাদিক বৈঠকে সঙ্ঘের কাজের রিপোর্টও প্রকাশ করেন মনমোহন বৈদ্য। তিনি জানান, ফি বছর বাড়েছে সঙ্ঘের শাখা। ২০২০ সালে সারাদেশে শাখার সংখ্যা ছিল ৬২ হাজার ৪১৯ বর্তমানে তা দাঁড়িয়েছে ৬৮ হাজার ৫৫১ তে।

    নারী সশক্তিকরণে জোর

    ২০২৫ সালে সঙ্ঘ শতবর্ষে পদার্পণ করবে। সেই লক্ষ্যে সংগঠনের কাজে মহিলাদের অংশগ্রহণ বাড়াতে জোর দিচ্ছে সঙ্ঘ (RSS)। ইতিমধ্যে শাখা সংগঠনগুলিও একাজে নেমে পড়েছে বলে জানান মনমোহন বৈদ্য। জানা গিয়েছে, সমাজে বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাজ করা মহিলাদের ১১টি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে। এনজিও-এর কর্ণধার, উকিল, ডাক্তার, প্রশাসনিক আধিকারিক, লেখিকা, গ্রামস্তরের রাজনীতিবিদ, জনজাতি সমাজের মধ্যে কার্যরত মহিলাদের অংশগ্রহণ বাড়ানো হবে। দেশজুড়ে এনিয়ে মহিলা সম্মেলনও শুরু করে দিয়েছে সঙ্ঘ (RSS)। অগাস্ট থেকে শুরু হওয়া সম্মেলনগুলি চলবে জানুয়ারি পর্যন্ত। দেশের নানা প্রান্তে মোট ৪১১টি মহিলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। মনমোহন বৈদ্য জানান, ইতিমধ্যে ৭৩টি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। উৎসাহ সহকারে বিভিন্ন পেশার মহিলারা তাতে অংশগ্রহণ করেছেন। সঙ্ঘের রিপোর্ট অনুযায়ী এখনও পর্যন্ত ১লাখ ২৩ হাজার মহিলা এই সম্মেলগুলিতে অংশগ্রহণ করেছেন।

    আরও পড়ুুন: পাক অধিকৃত কাশ্মীর ভারতেরই, এবার জানিয়ে দিল সংযুক্ত আরব আমিরশাহিও

    আধ্যাত্মিক স্বাধীনতা ভারতেই দেখা যায়

    এদিন স্ট্যালিন পুত্র উদয়নিধির সনাতন ধর্ম বিরোধী মন্তব্য সম্পর্কে বলতে গিয়ে মনমোহন বৈদ্য বলেন, ‘‘আধ্যাত্মিক স্বাধীনতা আমাদের দেশের অন্যতম ভিত্তি। এখানে মনে করা হয় প্রতিটি মানুষের মধ্যে ঈশ্বরের বাস। সনাতন ধর্ম বিদ্বেষী মন্তব্য যাঁরা করেন, তাঁরা জানেন না ধর্ম কী? ভারতের ধর্ম পাশ্চাত্যের রিলিজিয়নের থেকে সম্পূর্ণ পৃথক। সনাতন ধর্ম তো সর্বত্র বিরাজমান। তাইতো লোকসভায় দেখা যায়, লেখা রয়েছে ‘ধর্মচক্রপ্রবর্তন’ এবং সুপ্রিম কোর্টে ‘যথা ধর্ম তথা জয়’।’’ সঙ্ঘ (RSS) নেতা আরও জানিয়েছেন দেশের যুব সমাজের মধ্যে স্বয়ংসেবক হওয়ার বিপুল আগ্রহ দেখা যাচ্ছে। প্রতিবছর ১ লাখের বেশি যুবক অনলাইনে নিজেদের নাম নথিভুক্ত করছেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • Suvendu Adhikari: ‘ইন্ডি’ জোটকে ফের নিশানা, দেশরক্ষায় মোদিজির হাত শক্ত করার বার্তা শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘ইন্ডি’ জোটকে ফের নিশানা, দেশরক্ষায় মোদিজির হাত শক্ত করার বার্তা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নেহরু, ইন্দিরা গান্ধী, রাজীব গান্ধী, রাহুল গান্ধী, শেখ আবদুল্লা, ফারুক আবদুল্লা, ওমর আবদুল্লা, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে দূরে থাকুন। স্বাধীন ভারতে দু’জন প্রধানমন্ত্রীর দাবিদার ছিলেন। তাই, দু’ভাগ হয়েছে দেশ। এখন ২৬ জন প্রধানমন্ত্রীর দাবিদার। তাই, দেশকে আফগানিস্থান তালিবান হতে দেবেন না। দেশরক্ষার জন্য মোদিজির হাত শক্ত করুন। শুক্রবার পাণ্ডবেশ্বরের শীতলপুর মারে জনসভা থেকে ‘ইন্ডি’ জোটকে এভাবেই নিশানা করলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

    মুখ্যমন্ত্রীর স্পেন সফর নিয়ে কী বললেন বিরোধী দলনেতা?

    আগামী ২০২৪ লোকসভাকে পাখির চোখ করে ময়দানে নেমেছে গেরুয়া শিবির। পশ্চিমবঙ্গের ২৯৪টি বিধানসভা কেন্দ্রে একটি করে জনসভা করার টার্গেট নিয়েছেন বিজেপি বিধায়ক তথা বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। শুক্রবার ছিল পাণ্ডবেশ্বরের শীতলপুর মাঠে জনসভা। এদিন কেন্দ্রের সুশাসন তুলে ধরে রাজ্যের তৃণমূল সরকারকে কু-শাসন বলে আখ্যা দেন। তাঁর বক্তব্যের আগাগোড়া ছিল তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ। তিনি মুখ্যমন্ত্রীর স্পেন সফরকে কটাক্ষ করে বলেন, ‘‘২০ কোটি টাকা খরচ করে শিল্প আনতে গিয়েছেন। আর রাজ্যের সিঙ্গুরে ডিনামাইট ফাটিয়ে টাটাদের গুজরাটে পাঠিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী খেলা আর মেলার বাইরে বেরোতে পারেননি। এ রাজ্যে রেল নিজস্ব ফান্ডে প্রকল্প করতে চিঠি দিয়েছিল। ৬১টি প্রকল্পের জমি দেয়নি রাজ্য। দমদমের পাশে ভাঙড়ে নতুন বিমানবন্দর করতে চাওয়া হয়েছিল। জমি দেয়নি রাজ্য। ১২ বছর অতিক্রান্ত, নতুন শিল্প নেই। রাজ্যে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প হতে দেয়নি। ভুয়ো স্বাস্থ্যসাথি কার্ড চালু করেছেন। ২০১৯ সাল থেকে ফসল বিমা যোজনা বন্ধ করে রেখেছেন। নতুন করে দামোদরে বালি তুলে গতিপথটাই বদলে দিয়েছেন। খনিজ থেকে রাজ্যের রাজস্ব লোকসান হয়। রাজস্বের ২০ শতাংশ রাজকোষে জমা পড়ে। আর বাকি ৮০ শতাংশ তোলামূলে চলে যায়।’’

    কেষ্ট প্রসঙ্গে কী বললেন শুভেন্দু?

    শুভেন্দু বলেন, ‘‘বীরভূমে ডিসিআরের নামে পাথর লুট হচ্ছে। কেষ্ট নেই তো কী হয়েছে। কাজল শেখ আছে। নতুন বোতলে পুরোনো মদ।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘রাজ্যে বেআইনি কয়লার সিন্ডিকেট হয়েছে। ওই সিন্ডিকেট উপড়ে ফেলার কাজ চলছে। রাজ্য সরকার পুলিশ সরিয়ে নিক। কোনও রাষ্ট্রপতি শাসন লাগবে না। কোনও ৩৫৬ ধারা লাগবে না। গান্ধীমূর্তির নিচে আর শহিদ মিনারের নীচে যাঁরা বসে আছেন, তাঁরাই কালীঘাটের সব ইট খুলে নিয়ে চলে আসবেন।’’

    ডিয়ার লটারি নিয়ে কী বললেন বিরোধী দলনেতা?

    শুভেন্দু বলেন, ‘‘ডিয়ার লটারির মালিক মুখ্যমন্ত্রী রিলিফ ফান্ডে বাংলায় লটারি ব্যাবসার জন্য বেশ কয়েক কোটি টাকা দিয়েছেন। মোটা টাকার লেনদেন হয়েছে এই ডিয়ার লটারিকে নিয়ে, সব সত্যি এবার সামনে আসবে। উপাচার্য্য নিয়োগ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টকে হস্তক্ষেপ করতে হয় এটা পিসির লজ্জা। বিচারপতি এজলাসে মামলা আসার ব্যাপারটাকে নিয়ে তৃণমূল সরকারকে তুলোধোনা করেন।’’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Hilsa Fish: রান্নাপুজোয় ইলিশের আকাল! দুর্গাপুজোয় বাংলাকে ৫ হাজার টন ইলিশ উপহার হাসিনার

    Hilsa Fish: রান্নাপুজোয় ইলিশের আকাল! দুর্গাপুজোয় বাংলাকে ৫ হাজার টন ইলিশ উপহার হাসিনার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলে এল রান্না পুজো। শনিবার রান্না পুজোর বাজার করতে গিয়ে পকেটে টান বাঙালির। বাজারে ইলিশ (Hilsa Fish) অমিল। যা গুটি-কয়েক রয়েছে, তাতে হাত দেওয়া যাচ্ছে না। নিম্নচাপ ও কৌশিকী অমাবস্যার ভরা কোটালের জোড়া ফলায় উত্তাল সমুদ্র। যার জেরে মৎস্যজীবীদের গভীর সমুদ্র যাত্রার ওপর নিষেধাজ্ঞার জারি করা হয়েছে। ফলে রান্না পুজোর আগে বাজারে ইলিশ মিলছে না। তবে বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজোয় (Durgapuja) এবার জমিয়ে পেটপুজো করা যাবে ইলিশ (Hilsa) দিয়ে। বাংলাদেশের বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুন্সী শুক্রবার জানিয়েছেন সম্প্রতি ভারতের সঙ্গে ইলিশ রফতানি নিয়ে কথা হয়েছে তাদের। সেই মতো পশ্চিমবঙ্গকে ৫ হাজার টন ইলিশ পাঠাবে বাংলাদেশ। 

    রান্না পুজোয় পাতে ইলিশ নেই

    ক্যালেন্ডার বলছে বর্ষা পেরিয়ে শরৎ এসে গিয়েছে। তবুও ইলিশের (Hilsa Fish) দাম কমছে না। দিঘা, শঙ্করপুর, কাকদ্বীপ, নামখানা, ডায়মন্ডহারবার থেকে ইলিশের জোগান নেহাতই কম। যেটুকু ইলিশ মিলছে বাজারে, তার দাম আকাশছোঁয়া।ভাদ্রমাসের সংক্রান্তিতে যন্ত্রদেবতা বিশ্বকর্মার আরাধনা করা হয়। আর রান্নাঘরে যাঁরা হাতা-খুন্তি নিয়ে সারা বছর ব্যস্ত থাকেন, বিশ্বকর্মা পুজোর আগের দিন তাঁরা মাতেন রান্নাপুজো বা অরন্ধন উৎসবে। এই উৎসবের মধ্যমণি অবশ্যই ইলিশ। তবে এবছর ইলিশের তেমন জোগান নেই। পাইকারি বাজারে কেজি প্রতি ইলিশের দাম ১৮০০ থেকে ২০০০ টাকা। খুচরো বাজারে যার দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২২০০ থেকে ২৫০০ টাকা। এদিকে, ৩০০ থেকে ৪০০ গ্রাম ওজনের খোকা ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকায়। 

    আরও পড়ুন: ভোকাট্টা! বিশ্বকর্মা পুজো মানেই আকাশ জুড়ে ঘুড়ির লড়াই কেন?

    পুজোর প্লেটে ইলিশ থাকার সম্ভাবনা

    বাঙালির এই প্রিয় মাছ নিয়ে রীতিমতো শঙ্কার মেঘ তৈরি হলেও শেষমেশ দরাজ মনে ইলিশ (Hilsa Fish) পাঠাতে রাজি হয়েছে বাংলাদেশ। পুজোর আগেই বাংলা তথা ভারতে ঢুকবে ৫ হাজার টন ইলিশ।  বাংলাদেশের বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, “গত বছর আমরা পাঁচ হাজার টন ইলিশ ভারতে পাঠিয়েছিলাম। এই বছরও সেই পরিমাণ ইলিশই রফতানি করা হবে।” যদিও বাংলাদেশের বাজারে এর জন্য আলাদা করে কোনও প্রভাব পড়বে না বলেই জানান তিনি। তাঁর কথায়, “আমরা ইলিশ নিয়মিত দিই না। কিন্তু, দুর্গাপুজোয় বহু বাঙালি ইলিশ খেতে থাকেন। তাঁদের জন্য আমরা এই উৎসবে ইলিশ পাঠিয়ে থাকি। ঠিক যেমন আমের মরশুমে আম। উৎসবের সময় ১৫ দিনের জন্য তাই ইলিশ রফতানিতে সম্মতি দেওয়া হচ্ছে।” বাংলাদেশ থেকে ইলিশ ঢুকলে দেশের বাজারে ইলিশের চাহিদা অনেকটাই মিটবে বলে মনে করা হচ্ছে।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

LinkedIn
Share