Tag: bangla news

bangla news

  • Suvendu Adhikari: ‘‘ভাইপো অ্যান্ড কোম্পানির হাত ধরে অসমে গরু পাচার হচ্ছে’’, বিস্ফোরক শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: ‘‘ভাইপো অ্যান্ড কোম্পানির হাত ধরে অসমে গরু পাচার হচ্ছে’’, বিস্ফোরক শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত ২৩ জুলাই থেকে উত্তরবঙ্গ দিয়ে আবার অসমে গরু, মহিষ পাচার শুরু হয়েছে। এই কাজ করছেন ভাইপো অ্যান্ড কোম্পানি। রবিবার সন্ধ্যায় বাগডোগরা বিমানবন্দরে একথা বলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, উত্তরবঙ্গকে করিডর করে অসমে এই মহিষ, গরু পাচারে রাজ্য পুলিশে ডিজি, আইজি ও উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলার পুলিশ সুপাররাও যুক্ত রয়েছেন। উত্তরবঙ্গ দিয়ে অসমে অনেকদিন ধরেই মহিষ পাচার হচ্ছে। পাচারের পথে শিলিগুড়ি সহ বিভিন্ন জায়গায় বহু মহিষ উদ্ধার হয়েছে। অনেকে গ্রেফতারও হয়েছে।

    মহিষ পাচারের নেটওয়ার্ক নিয়ে কী বললেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা?

    বিরোধী দলনেতা বলেন, ডালখোলা থেকে পাচারের কাজ শুরু হচ্ছে। উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুর, জলপাইগুড়ি এবং কোচবিহারের এসপিরা এর ব্যবস্থাপনা করছেন। অসমে এই গরু-মহিষ এবং শুকর পাচার ডিজিপি মনোজ মালব্যের সম্মতিতে হচ্ছে। আইজিপি তদারকি করছেন। ময়নাগুড়ির আইসি সবার সঙ্গে সমন্বয় রেখে এই কাজটা করছেন।

    কীভাবে পাচার হচ্ছে, জানালেন শুভেন্দু?

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, ৩৯ থেকে ৪৫ ফুট দৈর্ঘের  কন্টেনারে যাচ্ছে মহিষ, গরু নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এক একটি কন্টেনারে ৪০/৪৩ টি গরু ও মহিষ পাচার করা হচ্ছে। এরকম ৩০ থেকে ৩৫ টি  কন্টেনার করে এই গরু ও মহিষ পাচার করা হচ্ছে। বাংলা – আসম বর্ডারের শ্রীরামপুরে নামিয়ে মহিষ অসমের বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

    পাচারের টাকা নিয়ে কী বললেন বিরোধী দলনেতা?

    শুভেন্দু অধিকারী বলেন, মাসে প্রায় ১৮ কোটি টাকার মতো উঠছে। উত্তর দিনাজপুর জেলার পাঞ্জিপাড়ায় পুলিশের কাছে টাকাটা জমা হচ্ছে। এর একটা বড় অংশ ভাইপোর কাছে যাচ্ছে। প্রতীক দেওয়ান বলে ভাইপোর একজন ঘনিষ্ঠ  হাওলার মাধ্যমে এই টাকা নিয়ে যান। উত্তরবঙ্গকে করিডর করে এই অবৈধ কাজ হচ্ছে। এর সঙ্গে সরাসরি তৃণমূল কংগ্রেস ও মমতার পুলিশ যুক্ত। উত্তরবঙ্গের মানুষকে সতর্ক ও সচেতন করার জন্য একথা জানালাম। অসমের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত বিশ্বশর্মাকেও জানিয়েছি। বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তিনি দেখবেন বলে জানিয়েছেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • India Vs West Indies: দ্বিতীয় ম্যাচেও হার! ১২ বছরে প্রথম পরপর দুটি খেলায় ভারতকে হারাল ওয়েস্ট ইন্ডিজ

    India Vs West Indies: দ্বিতীয় ম্যাচেও হার! ১২ বছরে প্রথম পরপর দুটি খেলায় ভারতকে হারাল ওয়েস্ট ইন্ডিজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতেও হারল ভারত (India Vs West Indies)। পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথমটিতে রান তাড়া করতে গিয়ে হারেন হার্দিক পান্ডিয়ারা। আর এদিন হারলেন প্রথমে ব্যাট করে। ২০১১ সালের পর এই প্রথম বার ভারতের বিরুদ্ধে পুরুষদের আন্তর্জাতিকে পরপর দুই ম্যাচ জিতল ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

    ব্যাটরদের দোষেই ব্যর্থতা 

    আইসিসি-র ক্রমতালিকা অনুযায়ী, টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ভারত এক নম্বর দল। কিন্তু ক্যারিবিয়ান সফরে ক্রিকেটের ক্ষুদ্র সংস্করণে তার উল্টো ছবি। যে দল ওডিআই বিশ্বকাপের কোয়ালিফায়ার টপকাতে পারেনি। যাদের ক্রিকেট বিশ্বের ছোট ছোট দলগুলি আনায়াসে হারিয়েছে, সেই দলের কাছে ভারত (India Vs West Indies) পরপর দুটো ম্যাচে হেরে গেল। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের এক নম্বর দল হারল সাত নম্বরে থাকা দলের বিরুদ্ধে, যা হার্দিকদের কাছে লজ্জার। দু’টি ম্যাচেই দোষ ব্যাটারদের। রবিবার প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন হার্দিক। কিন্তু তাঁর দল মাত্র ১৫২ রান তোলে। তিলক বর্মার অর্ধশতরান না থাকলে সেটাও হত কি না সন্দেহ। শুভমন গিল (৭) এবং সূর্যকুমার যাদবের (১) রান না পাওয়া ভারতীয় ক্রিকেটের জন্য বড় চিন্তার কারণ হতে পারে। সামনে এশিয়া কাপ। এই বছর বিশ্বকাপও রয়েছে। তার আগে এই দুই ব্যাটারকে রানে ফেরাতেই হবে রাহুল দ্রাবিড়দের। ঈশান কিশন ২৭ রান করেন। তিনি রোমারিয়ো শেফার্ডের ইয়র্কারে বোল্ড হয়ে যান। ওই বলে যে কোনও ব্যাটারই আউট হতে পারতেন। ওই উইকেটটির জন্য রোমারিয়োকে পূর্ণ কৃতিত্ব দিতে হবে। অধিনায়ক হার্দিক ২৪ রান করেন।

    আরও পড়ুন: ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে আসছে পাকিস্তান, ছাড়পত্র শেহবাজ সরকারের

    পুরানের দাপট

    ১৫৩ রান তাড়া করতে নেমে ৭ বল বাকি থাকতেই ২ উইকেটে জয় ছিনিয়ে নেয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ (India Vs West Indies)। অথচ ভারত অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়া বোলিং ওপেন করার দায়িত্ব নিজেই তুলে নিয়েছিলেন। এবং প্রথম ওভারেই ২ উইকেট তুলে নিয়ে উইন্ডিজকে বড় ধাক্কা দেন। প্রথম বলেই ভারতকে তিনি সাফল্য এনে দেন। হার্দিকের বলে দুরন্ত ক্যাচ ধরেন সূর্যকুমার যাদব। ব্রেন্ডন কিং গোল্ডেন ডাক করে সাজঘরে ফেরেন। এর পর এই ওভারের চতুর্থ বলে জনসন চার্লসকেও ফেরান হার্দিক। ২ রান করে আউট হন চার্লস। শুরুতে হার্দিক ধাক্কা দিলেও সেটা কাজে আসেনি। এমন কী কাইল মেয়ার্স ৭ বলে ১৫ করে সাজঘরে ফিরে গিয়েছিলেন। ৩২ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে গিয়েছিল উইন্ডিজ। তবে চারে ব্যাট করতে নেমে নিকোলাস পুরান দলের হাল ধরেন। ৪০ বলে ৬৭ রান করেন তিনি। তাঁর এই ইনিংসই খেলার মোড় ঘুরিয়ে দেয়। সাত বল বাকি থাকতেই জয়ের রান তুলে নেয় ক্যারিবিয়ান বাহিনী। পরের ম্যাচ মঙ্গলবার।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Dengue Update: আক্রান্তের নিরিখে শীর্ষে উত্তর ২৪ পরগনা! ডেঙ্গি পরিস্থিতি উদ্বেগজনক রাজ্যে

    Dengue Update: আক্রান্তের নিরিখে শীর্ষে উত্তর ২৪ পরগনা! ডেঙ্গি পরিস্থিতি উদ্বেগজনক রাজ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জেলা থেকে শহর দিন দিন বেড়েই চলেছে ডেঙ্গি (Dengue) আক্রান্তের (infected) সংখ্য়া। এখনও পর্যন্ত গোটা রাজ্যে (State) ৫ হাজার ৭৫১ জন ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছে। গত সপ্তাহেও বেড়েছে রাজ্যে ডেঙ্গি আক্রান্তর সংখ্যা। গত সপ্তাহে রাজ্যে ডেঙ্গি আক্রান্তর সংখ্যা ছিল ১ হাজার ৩৫০। রিপোর্ট অনুসারে, ডেঙ্গি আক্রান্তের নিরিখে শীর্ষে উত্তর ২৪ পরগনা।  এই জেলায় ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়েছেন ৪০০ জন, নদীয়াতে ৩০০ জন এবং হুগলীতে ৯৫ জন। দু’সপ্তাহে বিধাননগরে ডেঙ্গি আক্রান্ত ৮০ জনেরও বেশি। গত জানুয়ারি থেকে পুর এলাকায় ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ১৪৮ বলে দাবি করছেন বিধাননগর পুর কর্তৃপক্ষ। তাঁরা স্বীকার করে নিয়েছেন, ডেঙ্গির সংক্রমণ এ বার ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার পালা।  

    ডেঙ্গি মোকাবিলায় পদক্ষেপ

    স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে খবর, সব মিলিয়ে এখনও ২৫০ জন ডেঙ্গি আক্রান্ত হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। এখনও পর্যন্ত রাজ্যের ডেঙ্গি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে, দাবি স্বাস্থ্য সচিবের। পরিস্থিতি মোকাবিলায় দক্ষিণ দমদম পুরসভার হাসপাতালে খোলা হয়েছে একশো শয্যার আলাদা ইউনিট। জঞ্জাল ফেলা নিয়ে এবার আরও কড়া হতে চলেছে কলকাতা পুরসভা। ডেঙ্গি মোকাবিলায় জঞ্জাল পড়ে থাকা নিয়ে কড়া কলকাতা পুরসভাও। ফাঁকা জমি ও পুকুরের পাশে জঞ্জাল ফেলা হলে এবার থেকে সংশ্লিষ্ট জমি ও পুকুরের আশেপাশে সব বাড়িকে নোটিস পাঠানো হবে। 

    আরও পড়ুন: খাওয়ার পরেই বমি? সামান্য খাবারেও হজমের সমস্যা? কোন রোগের ইঙ্গিত?

    সতর্ক থাকার পরামর্শ

    স্বাস্থ্যভবন সূত্রে খবর, ৩ অগাস্ট পর্যন্ত রাজ্যে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ৫ হাজার ৭৫১। বেসরকারি হিসেবে এ বছর এখনও পর্যন্ত ১০ জন ডেঙ্গি আক্রান্তের মৃত্যুর খবর সামনে এসেছে। জ্বর হলেই সময় নষ্ট না করে শুরু করতে হবে চিকিৎসা, পরামর্শ চিকিৎসকদের। বর্ষার জমা জলে বাড়ছে এডিস ইজিপ্টাই-এর সংসার। ঘরে ঘরে বাসা বাঁধছে জ্বর-সর্দি-কাশি। শুধু কলকাতা নয়, শহরের গণ্ডি ছাড়িয়ে জেলাতেও বাসা বেঁধেছে ডেঙ্গি। স্বাস্থ্য সচিব নারায়ণস্বরূপ নিগম জানিয়েছেন, এই মুহূর্তে ২৫০ জন রোগী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। যার মধ্যে ১০ থেকে ১৫ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। সূত্রের খবর, গত বছর রাজ্যে ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়েছিলেন ৬৭ হাজারের বেশি মানুষ। সরকারি হিসেবে মারা গিয়েছিলেন ৩০ জন। তবে বেসরকারি মতে, সেই সংখ্যা ছিল ১০৫। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Delhi Ordinance Bill 2023: লোকসভার চৌকাঠ পেরিয়ে রাজ্যসভায় যাচ্ছে দিল্লি অর্ডিন্যান্স বিল, পেশ করবেন শাহ?  

    Delhi Ordinance Bill 2023: লোকসভার চৌকাঠ পেরিয়ে রাজ্যসভায় যাচ্ছে দিল্লি অর্ডিন্যান্স বিল, পেশ করবেন শাহ?  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভার হার্ডল পেরিয়েছে। এবার পার হতে হবে রাজ্যসভার চৌকাঠ। তারপর রাষ্ট্রপতির সম্মতির জন্য দিল্লি অর্ডিন্যান্স বিল ২০২৩ (Delhi Ordinance Bill 2023) যাবে রাষ্ট্রপতি ভবনে। রাষ্ট্রপতি স্বাক্ষর করলেই বিলটি পরিণত হবে আইনে। সূত্রের খবর, ৭ অগাস্ট, সোমবার রাজ্যসভায় বিলটি পেশ করতে পারেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

    লোকসভায় হট্টগোল

    দিন দুয়েক আগেই লোকসভায় ধ্বনি ভোট পাশ হয়েছে দিল্লি অর্ডিন্যান্স বিল ২০২৩ (Delhi Ordinance Bill 2023)। বিলের বিরোধিতা করেন আম আদমি পার্টি সহ বিজেপি বিরোধী বিভিন্ন দলের সাংসদরা। লোকসভা থেকে ওয়াক আউটও করেন তাঁরা। চেয়ারের দিকে কাগজ ছুড়ে মারার অভিযোগে সাসপেন্ড করা হয় আপ সাংসদ সুশীল কুমার রিঙ্কুকে। বিলটি নিয়ে আলোচনার সময় অমিত শাহ নিশানা করেন বিরোধীদের। তিনি বলেন, “২০১৫ সালে একটি দল ক্ষমতায় এসেছিল, যাদের উদ্দেশ্য ছিল লড়াই করা, সেবা করা নয়।” তিনি বলেন, “ট্রান্সফার পোস্টিং করানোর অধিকার না পাওয়াটা সমস্যা নয়, বরং বাংলো নির্মাণের সময়ের দুর্নীতি লুকোতে ভিজিলেন্স ডিপার্টমেন্টের ওপর নিয়ন্ত্রণ বড় সমস্যা।”

    বিরোধীদের নিশানা শাহের

    তিনি (Delhi Ordinance Bill 2023) বলেন, “কেজরিওয়ালের আমলে দিল্লির আমলা নিয়োগ সংক্রান্ত সমস্যা দেখা গিয়েছে। এদিকে, দিল্লির আইন প্রণয়নের অধিকার রয়েছে কেন্দ্রের। সেই জায়গা থেকেই এই বিল পাশ হয়েছে।” শাহ বলেন, “বিরোধীদের বলতে চাই, শুধু মাত্র জোটে রয়েছেন বলে এই কোটি টাকা ব্যয়ের বাংলো সংস্কারকে সমর্থন করবেন না। কারণ আপনাদের জোট থাকলেও নরেন্দ্র মোদি জিতবেন।” শাহ বলেন, “এই কারণেই নেহরু, সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল, বিআর আম্বেদকর সহ একাধিক নেতা চেয়েছিলেন, দিল্লি যেন পৃথক রাজ্যের মর্যাদা না পায়।” বিরোধীদের ব্যাপক হট্টগোলের মধ্যেই সংখ্যাগরিষ্ঠতার জেরে বিলটি পাশ হয়ে গিয়েছে লোকসভায়। এবার বিলটি পেশ হবে রাজ্যসভায়।

    আরও পড়ুুন: রাজ্যজুড়ে তৃণমূলের ধর্নাকে ‘চোরেদের ধর্না’ বলে কটাক্ষ শুভেন্দুর

    জানা গিয়েছে, সোমবার বিল পেশ হওয়ার পর হবে আলোচনা। তারপর এদিন সন্ধ্যায়ই ভোটাভুটি (Delhi Ordinance Bill 2023) হতে পারে। এদিন বিরোধীদের হয়ে মুখ খুলতে পারেন প্রবীণ কংগ্রেস নেতা অভিষেক মনু সিংভি। সুপ্রিম কোর্টেও বিলটি নিয়ে আপের হয়ে সওয়াল করেছেন তিনিই।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Indian Consulate: আমেরিকার রাস্তায় অনাহারে ঘুরে বেড়াচ্ছেন ভারতীয় মহিলা, জয়শঙ্করকে চিঠি মায়ের

    Indian Consulate: আমেরিকার রাস্তায় অনাহারে ঘুরে বেড়াচ্ছেন ভারতীয় মহিলা, জয়শঙ্করকে চিঠি মায়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমেরিকার রাস্তায় অনাহারে ঘুরে বেড়াচ্ছেন এক ভারতীয় মহিলা। হায়দ্রাবাদের ওই হতাশাগ্রস্ত মহিলাকে নিজের বাড়িতে ফিরে যাওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে শিকাগোর ভারতীয় কনস্যুলেট (Indian Consulate)। তাঁকে মেডিক্যাল এবং ভারতে ফিরতে সাহায্য করার প্রস্তাবও দিয়েছে তারা। আমেরিকায় পড়াশোনা করতে গিয়েছিলেন ওই মহিলা। সঈদা জাইদি নামের ওই মহিলা অবশ্য ভারতে ফিরতে চাইছেন না। জানা গিয়েছে, ওই মহিলা আপাতত হতাশাগ্রস্ত। তবে ইতিমধ্যেই তাঁকে তাঁর মায়ের সঙ্গে কথা বলানো হয়েছে।

    ট্যুইট-বার্তা কনস্যুলেটের

    কনস্যুলেটের তরফে ট্যুইট-বার্তায় বলা হয়েছে, মিসেস সঈদা জাইদির সঙ্গে যোগাযোগ করতে পেরে এবং তাঁকে সাহায্য করার কথা বলতে পেরে আমরা খুশি। তাঁকে ভারতে ফিরতে সাহায্য করার কথা বলা হয়েছে, মেডিক্যাল সাহয্যের কথাও বলা হয়েছে। বর্তমানে তিনি সুস্থ এবং ভারতে তাঁর মায়ের সঙ্গে কথাও বলেছেন। ভারতে ফেরার ব্যাপারে তিনি আমাদের সাহায্যের আবেদনে সাড়া দেন কিনা, আমরা সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছি। তাঁকে সব রকমভাবে সাহায্য করতে আমরা প্রস্তুত। ২০২১ সালের অগাস্ট মাসে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভের উদ্দেশে আমেরিকা রওনা দেন বছর সাঁইত্রিশের জাইদি।

    ভারতে পাবেন যত্নআত্তি 

    তিনি (Indian Consulate) ট্রাইন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছিলেন। নিয়মিত পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগও রাখছিলেন তিনি। মাস দুয়েক ধরে তিনি আর যোগাযোগ রাখছিলেন না। সম্প্রতি পাগলের মতো অবস্থায় আমেরিকার রাস্তায় ঘুরে বেড়াতে দেখা গিয়েছিল তাঁকে। সেই ভিডিও ভাইরাল হতেই উদ্বেগে ছিলেন পরিবার। ভিডিও ফুটেজে এক ব্যক্তি তাঁকে সাহায্য করতে চাইছেন বলেও শোনা যায়। তাঁকে খাবারের প্রতিশ্রুতিও দিতে শোনা গিয়েছিল ওই ব্যক্তিকে। তাঁকে এও বলতে শোনা যায়, তিনি (জাইদি) যেন ভারতে ফিরে যান। সেখানে তিনি যত্নআত্তি পাবেন।

    আরও পড়ুুন: পিস রুমের পর ‘পিস ট্রেন’ চালুর প্রস্তাব রাজ্যপালের, কী বললেন সুকান্ত?

    সম্প্রতি বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করকে চিঠি দেন জাইদির মা। তাতে মেয়েকে ফিরিয়ে আনার জন্য বিদেশমন্ত্রকের সাহায্য চান তিনি। এর পরেই শিকাগোর ভারতীয় কনস্যুলেট (Indian Consulate) সোশ্যাল মিডিয়ায় জানিয়েছে, তারা ওই মহিলার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পেরেছেন। এখন তিনি অনেকটাই সুস্থ। তাঁর মায়ের সঙ্গেও কথা বলেছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Broadband: প্রত্যন্ত গ্রামেও ব্রডব্র্যান্ড পরিষেবা দিতে ১.৩৯ লক্ষ কোটি টাকার অনুমোদন মন্ত্রিসভার

    Broadband: প্রত্যন্ত গ্রামেও ব্রডব্র্যান্ড পরিষেবা দিতে ১.৩৯ লক্ষ কোটি টাকার অনুমোদন মন্ত্রিসভার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রত্যন্ত গ্রামে ব্রডব্র্যান্ড (Broadband) পরিষেবা পৌঁছে দিতে ১.৩৯ লক্ষ কোটি টাকার অনুমোদন দিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। ভারত নেট প্রজেক্টের অধীনে কাজ হবে। জানা গিয়েছে, সব মিলিয়ে ৬.৪ লক্ষ গ্রামে এই পরিষেবা পৌঁছে দেওয়া হবে। ভারত নেট প্রজেক্টের অধীনে ইতিমধ্যেই দেশের ১.৯৪ লক্ষ গ্রামে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে ব্রডব্র্যান্ড পরিষেবা। আগামী আড়াই বছরের মধ্যেই বাকি ৬.৪ লক্ষ গ্রামে পৌঁছে দেওয়া হবে এই পরিষেবা। সূত্রের খবর, শুক্রবার সন্ধেয় বৈঠক বসে মন্ত্রিসভার। সেখানেই ১,৩৯,৫৭৯ কোটি টাকা অনুমোদন করা হয়েছে। দেশের সব গ্রামের বাড়িতে এই ব্রডব্র্যান্ড পরিষেবা পৌঁছে দিতেই বরাদ্দ করা হয়েছে ওই পরিমাণ টাকা।

    ভারত ব্রডব্র্যান্ড নেটওয়ার্ক লিমিটেড

    বিএসএনএলেরই একটি অংশ ভারত ব্রডব্র্যান্ড নেটওয়ার্ক লিমিটেডের (Broadband)। সূত্রের খবর, প্রতিটি বাড়িতে ফাইবার অপটিক পৌঁছে দিতে স্থানীয় এন্টারপ্রেনিয়ঁর সঙ্গে পাইলট প্রজেক্ট চালু হয়। এই পাইলট প্রজেক্ট চালু হয়েছিল দেশের চারটি জেলার গ্রামগুলিকে যুক্ত করতে। তার পর তা ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে দেশের ৬০ হাজার গ্রামে। জানা গিয়েছে, গ্রাহকের প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম এবং কানেকশনের জন্য প্রয়োজনীয় বাড়তি ফাইবার দেবে ভারত ব্রডব্র্যান্ড নেটওয়ার্ক লিমিটেড। স্থানীয় সংস্থাই রক্ষণাবেক্ষণ করবে নেটওয়ার্কের।

    পাইলট প্রজেক্ট

    সূত্রের খবর, পাইলট প্রজেক্টে প্রায় ৩ হাজার ৮০০ সংস্থাকে কাজে লাগানো হয়েছিল। এরা কাজ করছিল দেশের ৬০ হাজার গ্রামে। এই সংস্থাগুলি ৩.৫১ লক্ষ ব্রডব্র্যান্ড পরিষেবা দিচ্ছে। জানা গিয়েছে, প্রতি বাড়িতে ফি মাসে গড় ডেটা ব্যবহৃত হয় ১৭৫ গিগাবাইট। মাসিক ব্রডব্র্যান্ড প্লানের মূল্য শুরু হয়েছে ৩৯৯ টাকা থেকে। সব মিলিয়ে দেশে ৩৭ লক্ষ রুট কিলোমিটার অপটিক্যাল ফাইবার পাতা হয়েছে। এর মধ্যে ভারত ব্রডব্র্যান্ড নেটওয়ার্ক লিমিটেড (Broadband) পেতেছে ৭.৭ রুট কিলোমিটার।

    আরও পড়ুুন: “দুর্নীতি, রাজবংশ এবং তুষ্টিকরণ ভারত ছাড়ো”, রেলের অনুষ্ঠানে ডাক প্রধানমন্ত্রীর

    সূত্রের খবর, গ্রামাঞ্চলে ব্রডব্র্যান্ড পরিষেবা দেওয়ার প্রধান কারণ মানুষ যাতে বিশ্বের যে কোনও চিকিৎসকের কাছে চিকিৎসা করাতে পারেন। তাছাড়া কোনও কোনও ব্যবসায়ী ইউটিউবে কোচিং করাচ্ছেন, ছেলেমেয়েরা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বসবে বলে টাকাপয়সা জমাচ্ছেন বাবা-মায়েরা, এজন্যও প্রয়োজন ব্রডব্র্যান্ডের। এছাড়াও আরও অনেক কাজ করার জন্য প্রয়োজন হচ্ছে ব্রডব্র্যান্ড পরিষেবার। তাই প্রত্যন্ত গ্রামেও এই পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। সেই কারণেই অনুমোদন করা হল টাকা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • PM Modi: “দুর্নীতি, রাজবংশ এবং তুষ্টিকরণ ভারত ছাড়ো”, রেলের অনুষ্ঠানে ডাক প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi: “দুর্নীতি, রাজবংশ এবং তুষ্টিকরণ ভারত ছাড়ো”, রেলের অনুষ্ঠানে ডাক প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “দুর্নীতি, রাজবংশ এবং তুষ্টিকরণ ভারত ছাড়ো।” রবিবার রেলের একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে এ কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। ‘অমৃত ভারত স্টেশন’ প্রকল্পের অধীনে পূর্ব রেলের ৫০৮টি স্টেশনের মানোন্নয়ন কর্মসূচির শিলান্যাস অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। সেখান থেকেই তোপ দাগলেন বিরোধীদের। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ভারত ছাড়ো আন্দোলনে প্রাণিত হয়ে গোটা দেশ আজ বলছে দুর্নীতি, রাজবংশ এবং তুষ্টিকরণের ভারত ছাড়া উচিত।” এদিনের ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে বিরোধীদের নেতিবাচক রাজনীতির সমালোচনাও করেন প্রধানমন্ত্রী।

    বিরোধীদের নেতিবাচক রাজনীতি

    তিনি (PM Modi) বলেন, “মোদি সরকার ভোটব্যাঙ্কের ঊর্ধ্বে উঠে উন্নয়নে প্রত্যয়ী। সেখানে বিরোধীরা নেতিবাচক রাজনীতি করছেন। না নিজেরা করবেন, না অন্যদের করতে দেবেন। এই চিন্তাভাবনা নিয়ে চলছেন বিরোধীরা।” বিরোধীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর তোপ, “সত্তর বছরে নিজেরা ওয়ার মেমোরিয়াল করেননি। কিন্তু ওয়ার মেমোরিয়াল তৈরি হওয়ার পর সমালোচনা করেছেন। নতুন সংসদ ভবনের উদ্বোধনেরও বিরোধিতা করেছেন। সর্দার প্যাটেলের মূর্তিরও সমালোচনা করেছেন বিরোধীরা।” তিনি বলেন, “নেতিবাচক রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে আমরা সদর্থক রাজনীতির পথে চলছি। আমরা আমাদের লক্ষ্যে এগিয়ে চলেছি। আমরা উন্নয়নকেই অগ্রাধিকার দিচ্ছি।”

    অমৃতকালে উন্নয়ন

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “অমৃতকালে ভারত উন্নয়নের লক্ষ্যে এগোচ্ছে। নতুন শক্তি পাচ্ছে। নয়া উদ্যম। নয়া অঙ্গীকার। এবং এই উদ্যমেই ভারতীয় রেলের ইতিহাসে নয়া অধ্যায় শুরু হয়েছে।” তিনি বলেন, “আজ গোটা বিশ্বের নজর ভারতের দিকে। গোটা বিশ্বে ভারতের সম্মান বেড়েছে। বিশ্ববাসী ভারতকে সম্মানের চোখে দেখছে। এর দুটি কারণ। এক ভারতবাসী প্রায় তিরিশ বছর বাদে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠ সরকার নিয়ে এসেছে। দুই, সেই নিরঙ্কুশ সরকার ধারাবাহিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিচ্ছে, যা কঠিন চ্যালেঞ্জের স্থায়ী সমাধানের পথে পদক্ষেপ।” জোট সরকার বা মিলিজুলি সরকার যে উন্নয়ন করতে পারে না, সেই বার্তাও এদিন সুকৌশলে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

    আরও পড়ুুন: ৩ সেনা মৃত্যুর বদলা, উপত্যকায় ফের এনকাউন্টারে খতম ১ জঙ্গি

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “প্রতিটি অমৃত ভারত স্টেশন  হবে সেই শহরের আধুনিক উচ্চাকাঙ্খা ও প্রাচীন ঐতিহ্যের মেলবন্ধনের প্রতীক।” রেলওয়ে সূত্রে খবর, যে স্টেশনগুলির উন্নয়ন হচ্ছে, সেগুলি রয়েছে ২৭টি রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে। কাজ শেষ হবে দু বছরের মধ্যে। ব্যয় হবে ২৪ হাজার ৪৭০ কোটি টাকা। পুরো টাকাটাই দেবে কেন্দ্র।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Manipur: ফের হিংসার আগুন জ্বলল মণিপুরে, পুড়ে খাক ১৫ বাড়ি, গুলিতে জখম যুবক

    Manipur: ফের হিংসার আগুন জ্বলল মণিপুরে, পুড়ে খাক ১৫ বাড়ি, গুলিতে জখম যুবক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার রাতে ফের হিংসার আগুন জ্বলল মণিপুরে (Manipur)। বিষ্ণুপুর, চূড়াচাঁদপুরের পর এবার অশান্তির আগুনে পুড়ল ইম্ফল পশ্চিম জেলার লাংগল গ্রাম। এলাকার ১৫টি বাড়িতে আগুন দিল দুর্বৃত্তরা। ছোড়া হল এলোপাথাড়ি গুলিও। গুলির ঘায়ে জখম হন এক যুবক। তাঁকে ভর্তি করা হয়েছে হাসপাতালে। উন্মত্ত জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে বেশ কয়েক রাউন্ড কাঁদানে গ্যাসের শেল ফাটায় নিরাপত্তা বাহিনী। হিংসার এই ঘটনায় রবিবার দুপুর পর্যন্ত মৃত্যুর কোনও খবর মেলেনি। এদিকে, শনিবারই চেকন এলাকায় একটি বাণিজ্যিক ভবনে আগুন লাগিয়ে দেয় দুষ্কৃতীরা। রবিবারও কারফিউ জারি রয়েছে পশ্চিম ইম্ফলে। আধাসেনার পাশাপাশি মোতায়েন করা হয়েছে প্রচুর পুলিশও।

    বিষ্ণুপুরের কোয়াকতায় সংঘর্ষ

    প্রসঙ্গত, শুক্রবার রাতে মণিপুরের (Manipur) বিষ্ণুপুরের কোয়াকতায় সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে মৃত্যু হয় অন্তত তিনজনের। এঁদের মধ্যে দুজন সম্পর্কে বাবা ও ছেলে। আর একজন গ্রামরক্ষী। একাধিক বাড়িতে আগুনও লাগিয়ে দেওয়া হয়েছিল। সংঘর্ষ চলেছিল শনিবার ভোর পর্যন্ত। সংঘর্ষে জখম হয়েছিলেন বেশ কয়েকজন নিরাপত্তা রক্ষীও। জায়গাটি ঘন জঙ্গলে ঢাকা থাকায় যৌথবাহিনীর গুলিতে হামলাকারীদের কেউ নিহত কিংবা আহত হয়েছে কিনা, তা জানা যায়নি।

    অশান্তির শুরু 

    রাজধানী ইম্ফল থেকে কুড়ি কিলোমিটার দূরে বিষ্ণুপুর (Manipur) জেলা। জেলাটি মেইতেই অধ্যুষিত। ৩ মে অশান্তি শুরু হওয়ার পর এলাকা ছেড়ে পালায় কুকিরা। আবার চূড়াচাঁদপুর জেলায় কুকিরা সংখ্যাগরিষ্ঠ। সেখান থেকে পালিয়ে গিয়েছে মেইতেইরা। কোয়াকতা হল এই দুই জেলার মাঝামাঝি এলাকা। প্রশাসন জায়গাটিকে বাফার জোন হিসেবে আগলে রেখে চলছিল। শুক্রবার গভীর রাতে সংঘর্ষ শুরু হয় এখানেই।

    আরও পড়ুুন: প্রতারণার তথ্য লোপাট করতেই হামলা নুহর সাইবার ক্রাইম থানায়, দাবি হরিয়ানা সরকারের

    পুলিশ সূত্রে খবর, ওই রাতে বাফার জোন (Manipur) টপকে এলাকায় ঢুকে পড়ে কয়েকজন। এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে শুরু করে দুর্বৃত্তরা। প্রতিরোধ গড়ে তোলেন মেইতেইরা। সংঘর্ষে মৃত্যু হয় অন্তত তিনজনের। তাঁরা মেইতেই জনগোষ্ঠীর। এলাকার বেশ কয়েকটি বাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয়েছিল। লাগিয়ে দেওয়া হয়েছিল আগুনও। সেই ঘটনার রেশ পুরোপুরি মিলিয়ে যাওয়ার আগেই ফের জ্বলল অশান্তির আগুন। প্রসঙ্গত, ৩ মে অশান্তি শুরু হয় মণিপুরে। মেইতেইরা তফশিলি জাতির দাবি জানাচ্ছিল দীর্ঘদিন ধরে। তার প্রতিবাদ জানায় কুকি সহ বিভিন্ন জনজাতি। তার জেরেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে উত্তর-পূর্বের এই পাহাড়ি রাজ্য।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Haryana: প্রতারণার তথ্য লোপাট করতেই হামলা নুহর সাইবার ক্রাইম থানায়, দাবি হরিয়ানা সরকারের

    Haryana: প্রতারণার তথ্য লোপাট করতেই হামলা নুহর সাইবার ক্রাইম থানায়, দাবি হরিয়ানা সরকারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নুহ জেলার সাইবার ক্রাইম থানায় যে হামলা হয়েছিল, তা প্রমাণ নষ্ট করতেই। চলতি বছরের প্রথম দিকে যেসব প্রতারণার খবর ফাঁস হয়েছিল, সে সংক্রান্ত নথি নষ্ট করতেই হামলা চালানো হয়েছিল। শনিবার এমনই দাবি করল হরিয়ানা (Haryana) সরকার। ৩১ জুলাই নুহতে হিংসার ঘটনা ঘটে। সেই সময়ই হামলা হয় সাইবার ক্রাইম থানায়। হিংসায় সব মিলিয়ে খুন হন ছ’ জন। এঁদের মধ্যে রয়েছেন দুজন হোমগার্ড এবং একজন ধর্মগুরুও।

    হিংসার নেপথ্যে

    জানা গিয়েছে, বিশ্ব হিন্দু পরিষদের একটি শোভাযাত্রার পথ আগলানোয় শুরু হয় হিংসা। গত কয়েকদিন ধরে যে হিংসার আগুনে পুড়ছে গুরগাঁও-ও। হরিয়ানা সরকারের তরফে জারি করা বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, তল্লাশি চালানোর সময় যেসব প্রমাণ সংগ্রহ করা হয়েছিল, সেগুলি নষ্ট করতেই হামলা চালানো হয়েছিল সাইবার পুলিশ স্টেশনে। এই থানায়ই সংরক্ষিত রয়েছে বিভিন্ন অপরাধ ও প্রতারণার তথ্য। গত এপ্রিলে ১০০ কোটি টাকার সাইবার প্রতারণার জাল ফাঁস করেছিল পুলিশ। হিংসার জেরে নুহ এখনও থমথমে।

    বন্ধ ইন্টারনেট

    হরিয়ানার (Haryana) স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিল ভিজ বলেন, সাইবার ক্রাইম থানায় হামলার ঘটনার বিষয়টিকে হালকাভাবে নিচ্ছে না সরকার। তিনি বলেন, নুহ ক্রমেই নতুন জামতাড়ায় পরিণত হচ্ছে। প্রসঙ্গত, ঝাড়খণ্ডের জামতাড়া এলাকাটি ভারতের সাইবার ক্রাইম হাব হিসেবে কুখ্যাত। এদিকে, হিংসার আঁচ যাতে ছড়িয়ে না পড়ে, সেজন্য নুহ এবং পালওয়াল জেলায় মঙ্গলবার পর্যন্ত বন্ধ রাখা হয়েছে ইন্টারনেট পরিষেবা। ৭ অগাস্ট বিকেল ৫টা পর্যন্ত বন্ধ রাখা হয়েছে এসএমএস পরিষেবা। প্রসঙ্গত, হরিয়ানা সরকার ৫ অগাস্ট পর্যন্ত এসএমএস এবং ইন্টারনেট পরিষেবা স্থগিত রেখেছিল।

    অন্যদিকে, নুহতে (Haryana) হিংসার মাঝে খুন করার অভিযোগে মামলা দায়ের হয়েছে আম আদমি পার্টির নেতা আহমেদ জাভেদের বিরুদ্ধে। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, প্রদীপ কুমার নামে বজরং দলের এক কর্মীকে গণপিটুনি দিয়ে হত্যা করার ঘটনায় তিনি জড়িত। পুলিশের দাবি, ৩১ জুলাই সোহানায় ওই খুন হয়। সেই খুনের ঘটনায় জড়িত ছিলেন জাভেদ।

    আরও পড়ুুন: শিখদের হত্যা করতে বলেছিলেন জগদীশ টাইটলার! চার্জশিটে দাবি সিবিআইয়ের

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Jagdish Tytler: শিখদের হত্যা করতে বলেছিলেন জগদীশ টাইটলার! চার্জশিটে দাবি সিবিআইয়ের

    Jagdish Tytler: শিখদের হত্যা করতে বলেছিলেন জগদীশ টাইটলার! চার্জশিটে দাবি সিবিআইয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোদি পদবি বিতর্কে সাময়িক স্বস্তি মিলেছে কংগ্রেস (Congress) নেতা রাহুল গান্ধীর। তবে ফের অস্বস্তিতে গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টি। এবার শিখ-নিধনের অভিযোগে খুনের মামলা দায়ের হল প্রবীণ কংগ্রেস নেতা জগদীশ টাইটলারের (Jagdish Tytler) বিরুদ্ধে। চার্জশিটে সিবিআই জানিয়েছে, ১৯৮৪ সালে শিখ বিরোধী মামলায় জগদীশ শিখদের হত্যা করার জন্য জনতাকে প্ররোচিত করেছিলেন।

    প্রত্যক্ষদর্শীর বয়ান

    চার্জশিটে যে প্রত্যক্ষদর্শীর বয়ান লিপিবদ্ধ করা হয়েছে, সেখানে তাঁর দাবি, জগদীশ প্রথমে শিখদের হত্যা করতে জনতাকে বলেছিলেন। পরে বলেছিলেন, তাঁদের দোকান এবং মূল্যবান সামগ্রী লুট করতে। চার্জশিটে এও দাবি করা হয়েছে, কংগ্রেস নেতা দাঙ্গাকারীদের এই বলে আশ্বাস দিয়েছিলেন যে তাঁদের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করা হবে না। তাঁর (Jagdish Tytler) সংসদ ক্ষেত্রে অন্য কংগ্রেস সাংসদের আসনের তুলনায় বেশি শিখকে হত্যা করা হয়েছে কিনা, তাও তুলনা করে দেখছিলেন ওই কংগ্রেস নেতা। তিনি তাঁর অনুগামীদের আরও শিখকে আক্রমণ করতে বলেছিলেন।

    হত্যায় প্ররোচনা 

    চার্জশিটে প্রত্যক্ষদর্শীর দাবি, সেদিন জগদীশ একটি সাদা অ্যাম্বাসাডরে করে এসেছিলেন এবং জনতাকে প্ররোচিত করছিলেন। ১৯৮৪ সালের ৩১ অক্টোবর দুই শিখ দেহরক্ষীর গুলিতে খুন হন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী। তার পরেই দেশের বিভিন্ন অংশে শুরু হয় শিখদের ওপর অত্যাচার। চার্জশিটে বলা হয়েছে, ১৯৮৪ সালের ১ নভেম্বর টাইটলার জনতাকে শিখদের হত্যা করতে প্ররোচিত করেছিলেন। যার জেরে দিল্লির পল বাঙ্গাস গুরুদ্বারে আগুন লাগানো হয় এবং শিখ সম্প্রদায়ের তিনজনকে হত্যা করা হয়। জনতাকে প্ররোচিত করার পর ঘটনাস্থল থেকে গাড়ি নিয়ে বেরিয়ে যেতে দেখা যায় টাইটলারকে।

    আরও পড়ুুন: ‘‘ব্যালটের পর ইভিএম খেতে তৈরি তৃণমূল’’, নন্দীগ্রামে কটাক্ষ শুভেন্দুর

    দাঙ্গায় পুড়ে খাক হয়ে গিয়েছে তাঁর দোকান। এমন এক প্রত্যক্ষদর্শীর বয়ানও দেওয়া হয়েছে সিবিআইয়ের চার্জশিটে। ওই প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, “তিনি (টাইটলার) (Jagdish Tytler) একটি গাড়িতে করে এলেন এবং জনতাকে বললেন প্রথমে শিখদের হত্যা কর, পরে লুট কর তাদের দোকান।” চার্জশিটে লিপিবদ্ধ করা হয়েছে আরও এক প্রত্যক্ষদর্শীর বয়ান। সেখানে তিনি বলেছেন, “আমি (টাইটলার) তোমাদের আশ্বস্ত করছি, তোমাদের কিছুই হবে না। তোমরা শুধু শিখদের হত্যা কর।” সিবিআইয়ের দাবি, দাঙ্গায় যে জগদীশ টাইটলার জড়িত ছিলেন, সে ব্যাপারে যথেষ্ট সাক্ষ্য প্রমাণ রয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share