Tag: bangla news

bangla news

  • Kashmir 370 article: ভূস্বর্গে অশান্তির আঁচ! ৩৭০ ধারা রদের চতুর্থ বার্ষিকীতে ফের গৃহবন্দি মেহবুবা মুফতি

    Kashmir 370 article: ভূস্বর্গে অশান্তির আঁচ! ৩৭০ ধারা রদের চতুর্থ বার্ষিকীতে ফের গৃহবন্দি মেহবুবা মুফতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গৃহবন্দি পিডিপি নেত্রী মেহবুবা মুফতি। কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা (Kashmir 370 article) বিলোপের চতুর্থ বার্ষিকীর দিনেই ফের গৃহবন্দি করা হল তাঁকে। শুক্রবার রাতে গৃহবন্দি করা হয়েছে তাঁর দলের আরও কয়েকজন নেতাকে।

    গৃহবন্দি মুফতি 

    শনিবার ট্যুইট-বার্তায় মুফতি লেখেন, দলের অন্য পিডিপি নেতাদের পাশাপাশি আমিও গৃহবন্দি হয়ে রয়েছি। মধ্যরাত থেকে ধরপাকড় চলছিল। বেআইনিভাবে থানায় আটক করে রাখা হয়েছে দলের সদস্যদের। উপত্যকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক বলে সুপ্রিম কোর্টে দাবি করছে ভারত সরকার। ভয় পেয়েই যে এমন কাজ করছে, তা স্পষ্ট। তাঁর দাবি, একদিকে অনুচ্ছেদ ৩৭০ প্রত্যাহারের পূর্তিতে কাশ্মীরিদের উৎসবে শামিল হতে আহ্বান জানানো হচ্ছে। তার জন্য বড় বড় পোস্টার, ব্যানার ঝোলানো হয়েছে শ্রীনগর সহ চারিদিকে। কিন্তু নৃশংস আচরণের মাধ্যমে কাশ্মীরের আবেগকেই পদদলিত করা হচ্ছে। মুফতি লিখেছেন, যে সময় অনুচ্ছেদ ৩৭০ (Kashmir 370 article) প্রত্যাহার করা নিয়ে মামলার শুনানি চলছে, আশাকরি, সুপ্রিম কোর্ট বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখবে। 

    শুনানি চলছে সাংবিধানিক বেঞ্চে

    জানা গিয়েছে, শুক্রবার ৩৭০ ধারা প্রত্যাহার নিয়ে একটি সভা করার জন্য প্রশাসনের কাছে অনুমতি চেয়েছিল মুফতির দল। সেই আবেদন খারিজ করে দেয় প্রশাসন। এর পরেই মুফতিকে গৃহবন্দি করা হয় বলে খবর। যদিও সভার অনুমতির বিষয়টি অস্বীকার করা হয়েছে প্রশাসনের তরফে। 

    প্রসঙ্গত, সোমবার থেকে সংবিধানের ৩৭০ (Kashmir 370 article) নম্বর অনুচ্ছেদ নিয়ে শুনানি চলছে সুপ্রিম কোর্টের সাংবিধানিক বেঞ্চে। কেন্দ্রীয় সরকারের সিদ্ধান্তের বৈধতা বিচার করছেন প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বে সাংবিধানিক বেঞ্চ।

    আরও পড়ুুন: “রাজ্য কেন অভিযুক্তের হয়ে কথা বলছে?”, উলুবেড়িয়া ধর্ষণকাণ্ডে প্রশ্ন হাইকোর্টের

    জম্মু-কাশ্মীরের বিধানসভাই যেখানে কার্যকর নয়, সেখানে ধারা প্রত্যাহার বা সেই সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া আদৌ সম্ভব কিনা, কেন্দ্রের উদ্দেশে প্রশ্ন দেশের শীর্ষ আদালতের। এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে ৮ অগাস্ট। ২০১৯ সালের ৫ অগাস্ট কাশ্মীর থেকে বাতিল করা হয় ৩৭০ ধারা। সেই সময় একবার গৃহবন্দি করে রাখা হয়েছিল ফারুক আবদুল্লা, ওমর আবদুল্লা এবং মেহবুবা মুফতিকে। পরে অবশ্য মুক্তিও দেওয়া হয় তাঁদের।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: “রাজ্য কেন অভিযুক্তের হয়ে কথা বলছে?”, উলুবেড়িয়া ধর্ষণকাণ্ডে প্রশ্ন হাইকোর্টের

    Calcutta High Court: “রাজ্য কেন অভিযুক্তের হয়ে কথা বলছে?”, উলুবেড়িয়া ধর্ষণকাণ্ডে প্রশ্ন হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাওড়ার উলুবেড়িয়ায় নাবালিকা ধর্ষণ মামলায় পুলিশকে ভর্ৎসনা কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court)। ঘটনায় সিআইডি তদন্তের নির্দেশ দেন বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত। ধর্ষণ সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য উলুবেড়িয়া থানাকে সিআইডির হাতে তুলে দেওয়ার নির্দেশও দেয় আদালত। ধর্ষণকাণ্ডে মূল অভিযুক্ত ধরা না পড়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করে আদালত। বিচারপতির প্রশ্ন, “কতবার তল্লাশি হয়েছে, অভিযুক্তকে গ্রেফতারের কী কী চেষ্টা করেছে পুলিশ। আমি দেখতে চাই কেস ডায়েরি থেকে কী কী চেষ্টা হয়েছে গ্রেফতারের। মূল অভিযুক্ত যিনি তিনি কি খুব প্রভাবশালী?” সিআইডি তদন্তের পাশাপাশি আদালতের নির্দেশ, নির্যাতিতার পরিবারকে সশস্ত্র পুলিশি নিরাপত্তা দিতে হবে।

    নাবালিকা মেয়েকে গণধর্ষণ

    উলুবেড়িয়ায় সরকারি জায়গায় একটি ছোট চায়ের দোকান রয়েছে ওই নাবালিকার পরিবারের। মামলাকারীর অভিযোগ, স্থানীয় কয়েকজন দোকান বন্ধ করে দেওয়ার জন্য তাঁদের চাপ দিচ্ছিল। তাঁর অভিযোগ, ১২ ফেব্রুয়ারি রাতে তাঁর নাবালিকা মেয়েকে গণধর্ষণ করা হয়। মামলাকারীর দাবি, পুলিশ প্রথমে তাঁর অভিযোগ নিতে অস্বীকার করে। পরে অভিযোগ নিয়ে তিনজনকে গ্রেফতার করলেও, মূল অভিযুক্ত এখনও অধরা। এর পরেই আদালতের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ হন তিনি। তাঁর দাবি, এর মধ্যেই সামাজিক চাপে পড়ে আত্মহত্যা করেছেন তাঁর স্বামী। মামলাকারীর আইনজীবীর দাবি, মূল অভিযুক্ত শেখ এক্রামূল তাঁদের হুমকি দিচ্ছে।

    ভর্ৎসনার মুখে পুলিশ

    এদিনের শুনানিতে আদালতে হাজির ছিলেন উলুবেড়িয়ার আইসি রামেশ্বর ওঝা এবং আইও। ভর্ৎসনার মুখে পড়ে পুলিশ। বিচারপতি বলেন, “রাজ্যের দেওয়া তদন্ত রিপোর্ট, কেস ডায়েরি দেখে আদালত মনে করছে পুলিশ কিছু নথি দেখে একটা সিদ্ধান্তে পৌঁছে গিয়েছে। যার জন্য পুলিশ গণধর্ষণের অভিযোগও মানতে চাইছে না। মাস পিটিশনের সঙ্গে দশ টাকার স্ট্যাম্প পেপারের তথ্য দেখে পুলিশ তাতেই মান্যতা দিয়েছে।” আদালতের (Calcutta High Court) পর্যবেক্ষণ, “রাজ্য কেন অভিযুক্তের হয়ে কথা বলছে, সেটাই তো পরিষ্কার নয়। এটা রাজ্যের লজ্জা। একজন নির্যাতিতার পাশে থাকা উচিত রাজ্যের। সেখানে রাজ্য পুলিশ থাকছে অভিযুক্তের পাশে। এটা চলতে পারে না।” বিচারপতি বলেন, “আদালত নিশ্চিত, মূল অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে পুলিশ ব্যর্থ। এটা রাজ্যের ব্যর্থতা। তাই সিআইডিকে তদন্ত হস্তান্তর করা হল।”

    আরও পড়ুুন: নিয়োগ কেলেঙ্কারিতে জড়াল অভিষেকের নাম, শিরোনামে তৃণমূল কর্তার সংস্থাও

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Calcutta High Court: বোতলবন্দি জলেই শরীরে ঢুকছে বিষ! বৈধ পানীয় জল তৈরি সংস্থার তালিকা প্রস্তুতের নির্দেশ

    Calcutta High Court: বোতলবন্দি জলেই শরীরে ঢুকছে বিষ! বৈধ পানীয় জল তৈরি সংস্থার তালিকা প্রস্তুতের নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পানীয় জলের মাধ্যমেই শরীরে ঢুকছে বিষ। এই অভিযোগে কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) দায়ের হয়েছিল জনস্বার্থ মামলা। সেই মামলার প্রেক্ষিতেই এবার বেআইনি পানীয় জলের রমরমা ঠেকাতে কড়া পদক্ষেপের নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম ও বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ। রাজ্যবাসীকে এ ব্যাপারে সতর্ক করার পাশাপাশি বৈধ পানীয় জল প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলির তালিকা তৈরির নির্দেশও রাজ্যকে দিয়েছে হাইকোর্ট। নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, রাজ্যের সর্বত্র নজরদারি চালিয়ে বেআইনি পানীয় জলের কারখানাগুলি বন্ধ করারও।

    রাজ্যের রিপোর্ট তলব

    বছর কয়েক ধরে প্যাকেজড ড্রিংঙ্কিং ওয়াটারের রমরম ব্যবসা চলছে। সেই জল আদৌ পরিস্রুত কিনা বা পানের যোগ্য কিনা তা যাচাই করা হয়নি বলে অভিযোগ। এই অভিযোগেই গত বছর হাইকোর্টে দায়ের হয় জনস্বার্থ মামলা। সেই মামলায় রাজ্যের কাছে রিপোর্ট তলব করেছিল হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। সেই রিপোর্টে রাজ্য জানিয়েছে, বেআইনি পানীয় জলের কারবার রুখতে গঠন করা হয়েছে টাস্কফোর্স। বিভিন্ন জায়গায় হানা দিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে একাধিক বেআইনি প্যাকেজিং ড্রিংঙ্কিং ওয়াটার কারখানা।  

    বেআইনি পানীয় জলের কারখানা

    মামলাকারীর অভিযোগ, রাজ্যে যত্রতত্র কুটির শিল্পের মতো গজিয়ে উঠেছে বেআইনি পানীয় জলের কারখানা। দূষিত পুকুর কিংবা নদী থেকে জল সংগ্রহ করে সেগুলিকে কৃত্রিম পদ্ধতিতে শোধন করে বোতলজাত করে বাজারে বিক্রি করা হচ্ছে। ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডর্ড অথরিটি অফ ইন্ডিয়া, ব্যুরো অফ ইন্ডিয়ান স্ট্যান্ডার্ড ও রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের প্রয়োজনীয় লাইসেন্স ছাড়াই ওই সব কারখানা চালানো হচ্ছে। তার পরেই রাজ্যকে রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেয় আদালত।

    আরও পড়ুুন: নিয়োগ কেলেঙ্কারিতে জড়াল অভিষেকের নাম, শিরোনামে তৃণমূল কর্তার সংস্থাও

    আদালতে (Calcutta High Court) জমা দেওয়া রিপোর্টে রাজ্য জানায়, রাজ্যজুড়ে ৪১৩টি ইউনিটে হানা দিয়ে ৮৫টি বেআইনি কারখানা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ২০১৯-২১ সালের মধ্যে ৩৪০টি কারখানার জলের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। এর মধ্যে পরীক্ষা করা হয়েছে ২৮০টি নমুনা। আইনজীবীদের একাংশের মতে, রাজ্যের এই পদক্ষেপকে যথেষ্ট বলে মনে করছে না আদালত। তাই রাজ্যে কতগুলি জল তৈরির কারখানার লাইসেন্স রয়েছে, তার তালিকা তৈরির নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Abhishek Banerjee: নিয়োগ কেলেঙ্কারিতে জড়াল অভিষেকের নাম, শিরোনামে তৃণমূল কর্তার সংস্থাও

    Abhishek Banerjee: নিয়োগ কেলেঙ্কারিতে জড়াল অভিষেকের নাম, শিরোনামে তৃণমূল কর্তার সংস্থাও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার নিয়োগ কেলেঙ্কারিতে সরাসরি নাম জড়াল তৃণমূলের (TMC) সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee)। শুক্রবার ব্যাঙ্কশাল আদালতে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র ওরফে কালীঘাটের কাকুর বিরুদ্ধে ইডি যে চার্জশিট পেশ করেছে, তাতে নাম রয়েছে তৃণমূল নেত্রীর ভাইপোর। কালীঘাটের কাকুর সংস্থা থেকে অভিষেকের সংস্থা লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসে টাকা গিয়েছে বলেও চার্জশিটে জানিয়েছে ইডি।

    ইডির স্ক্যানারে অভিষেকের সংস্থা

    জানা গিয়েছে, অভিষেকের (Abhishek Banerjee) বাবা-মা পরিচালিত তিনটি সংস্থা বর্তমানে বহু কোটি টাকার কয়লা চোরাচালান কেলেঙ্কারির তদন্তে ইডির স্ক্যানারে রয়েছে। এই তিন সংস্থায়ই তাঁরা পরিচালক কিংবা মনোনীত অংশীদার হিসেবে যুক্ত। এই তিনটি সংস্থা হল, লিপস অ্যন্ড বাউন্ডস প্রাইভেট লিমিটেড, লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস ইনফ্রা কনসালট্যান্টস প্রাইভেট লিমিটেড এবং লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস ম্যানেজমেন্ট সার্ভিসেস এলএলপি। এই তিনটি সংস্থাই নিবন্ধিত একই ঠিকানায়। ঠিকানাটি হল, পি ৭৩৩, ব্লক পি, নিউ আলিপুর, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ ৭০০০৫৩।

    শেল কোম্পানি হিসেবে ব্যবহার 

    ইডি সূত্রে খবর, কয়লা কেলেঙ্কারির চাঁই অনুপ মাঝি ওরফে লালার মালিকানাধীন একটি রিয়েল এস্টেট কোম্পানি থেকে লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস প্রাইভেট লিমিটেডের অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর করা হয়েছে ৪.৩৭ কোটি টাকা। শেল কোম্পানি হিসেবে এই সংস্থাগুলিকে টাকা সরানোর জন্য ব্যবহার করা হতে পারে বলে অনুমান তদন্তকারীদের। কেন্দ্রীয় কর্পোরেট বিষয়ক মন্ত্রকের অধীনে রেজিস্ট্রার অফ কোম্পানিজের রেকর্ড অনুসারে ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে পর্যন্ত অভিষেক (Abhishek Banerjee) নিজেই লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস প্রাইভেট লিমিটেডের একজন পরিচালক ছিলেন। ২০১৪ সালে লোকসভা নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ায় কোম্পানি থেকে পদত্যাগ করেন তিনি। জানা গিয়েছে, ২০১২ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই কোম্পানির সঙ্গে যুক্ত অভিষেকের মা লতা। অভিষেকের বাবা অমিত যোগ দিয়েছিলেন ২ জানুয়ারি, ২০১৪।

    আরও পড়ুুন: “ইন্ডিয়া নয়, বিরোধী জোটকে ডাকুন ঘমন্ডিয়া নামে”, এনডিএ সাংসদদের বৈঠকে পরামর্শ মোদির

    ২০১৩ সালেই এই কোম্পানির ডিরেক্টর অভিষেকের দিকে আঙুল তুলেছিলেন সিপিএম নেতা গৌতম দেব। পরে লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসকে নিশানা করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও। সিপিএম নেতা মহম্মদ সেলিমও তাক করেছেন অভিষেকের ওই সংস্থাকে। লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসের দিকে অভিযোগের আঙুল তুলেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারও। চার্জশিটে ইডিরও অভিযোগ, কালীঘাটের কাকুর সংস্থা থেকে টাকা গিয়েছে অভিষেকের (Abhishek Banerjee) লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসে।

    ২০২০ সালে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের নিয়ন্ত্রণাধীন একটি সংস্থার সঙ্গে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সংস্থা লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসের একটি চুক্তি হয়। এরপর সুজয়কৃষ্ণের সংস্থা থেকে অভিষেকের সংস্থায় প্রায় এক কোটি টাকা পাঠানো হয় বলে জানানো হয়েছে। লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসের অফিস থেকেই এসডি কনসালটেন্সির কাজকর্ম পরিচালনা করার পাশাপাশি তার বিনিময়ে বিপুল অঙ্কের টাকা লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসে গিয়েছে বলেও দাবি ইডির। ইডি সূত্রে খরব, কলকাতার লি রোডে মেয়ে-জামাইকে আড়াই কোটি মূল্যের একটি ফ্ল্যাট কিনে দিয়েছিলেন কালীঘাটের কাকু।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Archery: তিরন্দাজিতে ভারতের ইতিহাস, ব্যক্তিগত ভাবে প্রথম বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ১৭ বছরের অদিতি স্বামী

    Archery: তিরন্দাজিতে ভারতের ইতিহাস, ব্যক্তিগত ভাবে প্রথম বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ১৭ বছরের অদিতি স্বামী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইতিহাস গড়লেন অদিতি গোপীচাঁদ স্বামী (Aditi Swami)। তিরন্দাজিতে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হলেন ১৭ বছর বয়সের এই মেয়ে। হারালেন মেক্সিকোর আন্দ্রেয়া বেকেরাকে। ১৪৯-১৪৭ ব্যবধানে জিতলেন অদিতি। এই বিভাগে ব্রোঞ্জ জিতলেন ভারতের জ্যোতি সুরেখা ভেনাম। সেমিফাইনালে জ্যোতিকে ১৪৯-১৪৫ হারিয়ে ফাইনালে উঠেছিলেন অদিতি। গত মাসে যুব বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপ জিতেছিলেন তিনি। পাশাপাশি তিরন্দাজির এশিয়া কাপেও সোনা জেতেন অদিতি। 

    সোনার মেয়ে অদিতি

    ব্যক্তিগত বিভাগে দেশের প্রথম তিরন্দাজ হিসেবে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে সোনা জিতলেন অদিতি। জার্মানির বার্লিনে আয়োজিত  তীরন্দাজি বিশ্বচ্যাম্পিয়নশিপে ব্যক্তিগত বিভাগের কম্পাউন্ড ফাইনালে দু বারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন আন্দ্রেয়াকে হারিয়ে ইতিহাস গড়লেন মহারাষ্ট্রের সাতারার তীরন্দাজ।

    মাত্র ১১ বছর বয়সে তিরন্দাজি শুরু করেছিলেন অদিতি। এই বছরের শুরুতে তিরন্দাজির বিশ্বকাপে অনূর্ধ্ব-১৮ বিভাগে রেকর্ড গড়েছিলেন তিনি। ৭২০ পয়েন্টের মধ্যে ৭১১ পেয়েছিলেন তিনি। আমেরিকার লিকা অ্যারিয়োলাকে ছ’পয়েন্টে হারিয়ে দিয়েছিলেন অদিতি।

    দলগত বিভাগেও সাফল্য

    চলতি বিশ্ব তিরন্দাজিতে গতকাল, শুক্রবার দলগত কমপাউন্ড ইভেন্টে জ্য়োতি সুরেখা ভেনম, পারনীত কৌরকে নিয়ে দেশকে সোনা এনে দিয়েছিলেন অদিতি স্বামী। ফাইনালে তাঁরা ২৩৫-২২৯ ব্যবধানে হারিয়েছিলেন মেক্সিকোকে। ভারতীয় দলকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    দীপিকা কুমারী, দোলা বন্দ্যোপাধ্যায়রা দেশকে অনেক সাফল্য এনে দিলেও কখনও বিশ্ব তিরন্দাজি চ্যাম্পিয়নশিপের ব্যক্তিগত বিভাগে সোনা জিততে পারেননি। তবে ২০২১ সালে তিরন্দাজি বিশ্বকাপে সোনা জিতেছিলেন দীপিকা। বিশ্ব তিরন্দাজি চ্যাম্পিয়নশিপে দু বার দলগত বিভাগে রুপো জিতলেও কখনও ব্যক্তিগত বিভাগে পদক জিততে পারেননি দীপিকা কুমারী।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: শুভেন্দুর সঙ্গে দেখা করলেন নুসরতের নাম জড়ানো সংস্থার মাধ্যমে ‘প্রতারিত’রা

    Suvendu Adhikari: শুভেন্দুর সঙ্গে দেখা করলেন নুসরতের নাম জড়ানো সংস্থার মাধ্যমে ‘প্রতারিত’রা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফ্ল্যাট বিক্রির নাম করে অগ্রিম টাকা নিয়েও ফ্ল্যাট না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূল সাংসদ নুসরত জাহান-সহ বেশ কয়েক জনের বিরুদ্ধে। যাঁরা এই অভিযোগ তুলেছেন, সেই সব প্রবীণ সরকারি কর্মচারীদের সঙ্গে দেখা করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। শুভেন্দুর সঙ্গে বৈঠকের পর অনেকটাই আশ্বস্ত প্রতারণার অভিযোগ তোলা প্রবীণ নাগরিকরা। প্রায় ৩০-৫০ জন শুভেন্দুর সঙ্গে দেখা করেন। 

    নুসরতের বিরুদ্ধে অভিযোগ

    অভিযোগকারীদের বক্তব্য, এতদিন ধরে সংস্থার কর্তারা তাঁদের শুধুই ঘুরিয়ে গিয়েছেন। এর পাশাপাশি সংস্থার তরফে ২২২ জনকে টাকা ফেরত দেওয়ার যে দাবি করা হচ্ছে, সেটাও পুরোটা ফেরত দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। এখন দশ বছর পেরিয়ে সেই টাকা সুদে-আসলে অঙ্কটা অনেকটা হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রতারিত অভিযোগকারীরা চাইছেন, সেই সুদ-সহ টাকা ফেরত পেতে। যাঁরা তাঁদের সঙ্গে এই প্রতারণা করেছেন বলে অভিযোগ, তাঁদেরও উপযুক্ত শাস্তির দাবি তুলেছেন প্রবীণ নাগরিকরা।

    আরও পড়ুুন: বাফার জোন টপকে এলোপাথাড়ি গুলি মণিপুরে, সংঘর্ষে মৃত ৩, পুড়ে খাক ঘরবাড়ি

    পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি শুভেন্দুর

    কোনও রাজনৈতিক উদ্দেশে নয়, মানবিকতার খাতিরেই শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) তাঁদের পাশে দাঁড়াবেন বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। বৈঠক শেষে শুভেন্দু অধিকারী বলছেন, ‘মোট ৪১৫ জন প্রতারিত হয়েছেন বলে অভিযোগ। মোট টাকার অঙ্ক ২৩ কোটি। ৩৩০ জন মিলে একটি ফোরাম তৈরি করেছেন। আমি ওনাদের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ কথাবার্তা বলেছি। ওনারা চান, প্রতারকদের শাস্তি হোক এবং ওনাদের মেহনতের টাকা অন্তন্ত ব্যাঙ্কের সুদ-সহ যাতে ওনারা ফেরত পান।’ বিরোধী দলনেতা জানান, আইনি লড়াই প্রবীণ নাগরিকরা যেভাবে চালাচ্ছেন, সেভাবে চালাবেন। তিনিও বিরোধী দলনেতা হিসেবে দেখবেন যাতে তাঁদের সেই আইনি লড়াইয়ের পথ সুগম হয়। শুভেন্দুর কথায়, ‘‘প্রতারিত’দের আইনি লড়াইয়ে বিজেপি সব রকম ভাবে সাহায্য করবে। এখনও পর্যন্ত যা যা পদক্ষেপ করেছেন, সবই আমার নজরে রয়েছে। যোগাযোগও রাখছি। শাসকদলের হাতে যাঁরা অত্যাচারিত, তাঁদের পাশে বিশ্বাসযোগ্য বিরোধী দল হিসাবে দাঁড়াবে বিজেপি।’’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Imran Khan: তোষাখানা মামলায় কারাদণ্ড ইমরানের, পাঁচ বছর লড়তে পারবেন না ভোটে!

    Imran Khan: তোষাখানা মামলায় কারাদণ্ড ইমরানের, পাঁচ বছর লড়তে পারবেন না ভোটে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তোষাখানা মামলায় দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় গ্রেফতার পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান (Imran Khan)। শনিবার ইমরানকে তিন বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে ইসলামাবাদের একটি আদালত। তার পরেই গ্রেফতার করা হয় পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ সুপ্রিমোকে। কারাদণ্ডের সঙ্গে সঙ্গে এক লক্ষ টাকা জরিমানাও করা হয় তাঁর। গ্রেফতার করার পরে ইমরানকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে লাহোরের কোট লতপত জেলে। পাকিস্তানের আইন অনুযায়ী, আদালতের এই রায়ের জেরে আগামী পাঁচ বছর নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন না ইমরান।

    ইমরানের বিরুদ্ধে অভিযোগ

    ইমরানের (Imran Khan) বিরুদ্ধে অভিযোগ, দেশের প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন ইমরান যেসব উপহার পেয়েছিলেন, সেগুলি তিনি বিক্রি করে দিয়েছিলেন। দুবাইয়ের এক ব্যবসায়ীর দাবি, তিনি ২০ লক্ষ ডলারে কিনে নিয়েছিলেন উপহার হিসেবে পাওয়া ইমরানের একটি ঘড়ি। সৌদি আরবের রাজা মহম্মদ বিন সলমন বহুমূল্য ওই ঘড়িটি উপহার দিয়েছিলেন ইমরানকে। প্রসঙ্গত, তোষাখানা হল মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অধীন একটি বিভাগ যা অন্যান্য সরকার এবং বিদেশের বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং সরকারি কর্তারা যে উপহার দেন, তা সংরক্ষণ করে।

    ইমরানের সাজা

    পাকিস্তানের সংবাদপত্র দ্য ডন জানিয়েছে, আদালত ইমরানকে ১০ লক্ষ রুপি জরিমানা করেছে। তোষাখানা উপহারের বিবরণ গোপন করায় পাকিস্তানের নির্বাচন কমিশন তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের করা একটি ফৌজদারি অভিযোগে ১০ মে এই মামলায় পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীকে (Imran Khan) অভিযুক্ত করে। পাকিস্তানের ১৭৪ ইলেকশন অ্যাক্টে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন ইমরান। পাকিস্তানের নির্বাচন কমিশন পাঁচ বছরের জন্য ইমরানকে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিল। কমিশনের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে গত অক্টোবরে ইসলামাবাদ হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী।

    আরও পড়ুুন: “ইন্ডিয়া নয়, বিরোধী জোটকে ডাকুন ঘমন্ডিয়া নামে”, এনডিএ সাংসদদের বৈঠকে পরামর্শ মোদির

    আদালত অবশ্য ইমরানের আর্জি খারিজ করে দেয়। চলতি বছরের মে মাসে ইসলামাবাদের পুলিশ লাইনসের বিশেষ আদালত দোষী সাব্যস্ত করে ইমরানকে। চলতি বছরই সাধারণ নির্বাচন হওয়ার কথা পাকিস্তানে। বিভিন্ন জনমত সমীক্ষায় দেখা যাচ্ছিল, ফের বাড়ছে ইমরানের (Imran Khan) জনপ্রিয়তা। এমতাবস্থায় তাঁর জেল হওয়ায় মুসলিম নওয়াজ-পাকিস্তান পিপলস পার্টির জোট সরকারের পোয়া বারো বলেই মত রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Draupadi Murmu: স্বাধীনতা দিবসের পরই একদিনের সফরে রাজ্যে আসছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু?

    Draupadi Murmu: স্বাধীনতা দিবসের পরই একদিনের সফরে রাজ্যে আসছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সব ঠিকঠাক চললে, স্বাধীনতা দিবসের দু’দিন পর, অর্থাৎ ১৭ অগাস্ট, রাজ্যে ফের আসতে চলেছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (Draupadi Murmu)। রাষ্ট্রপতি ভবন সূত্রে খবর, এক দিনের ওই ঝটিকা সফরে তিনি কলকাতায় একটি সরকারি অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন (President Kolkata Visit)। 

    এক দিনের ঝটিকা সরকারি সফর

    জানা গিয়েছে, সকাল ৯টা ২৫ মিনিটে বিমানে করে রাষ্ট্রপতি কলকাতার উদ্দেশে রওনা দেবেন। সাড়ে ১১ টায় কলকাতা বিমানবন্দরে অবতরণ করবেন তিনি। সেখান থেকে সরাসরি রাষ্ট্রপতি যাবেন গার্ডেনরিচ শিপবিল্ডার্স ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেডে (GRSE)। জানা যাচ্ছে, সেখানে একটি সরকারি অনুষ্ঠানে তাঁর অংশগ্রহণ করার কথা। দুপুর পৌনে দুটো থেকে বিকেল ৩টে ১০ মিনিট পর্যন্ত ওই অনুষ্ঠানেই থাকার কথা তাঁর। এর পর, আবারও রাষ্ট্রপতির (Draupadi Murmu) কনভয় রওনা দেবে কলকাতা বিমানবন্দরের উদ্দেশে। বিকেল ৪টেয় কলকাতা থেকে দিল্লি রওনা হয়ে যাবেন রাষ্ট্রপতি। 

    জিআরএসই-তে রণতরীর উদ্বোধন!

    প্রশাসন সূত্রের খবর, গার্ডেনরিচে একটি যুদ্ধজাহাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকতে চলেছেন তিনি। এখনও পর্যন্ত যা জানা গিয়েছে, ভারতীয় নৌসেনার প্রোজেক্ট-১৭ আলফা বা সংক্ষেপে পি-১৭এ (P-17A) স্টেলথ ফ্রিগেট প্রকল্পের ষষ্ঠ রণতরী ‘আইএনএস বিন্ধ্যগিরি’-র (INS Vindhyagiri) উদ্বোধন হতে চলেছে সেদিন। সূত্রের খবর, দেশের সামরিক বাহিনীর সাংবিধানিক প্রধান হওয়ার নিরিখে তিনি ওই অনুষ্ঠানে থাকবেন। তবে, সবটাই রয়েছে প্রাথমিক স্তরে।

    মার্চ মাসে বঙ্গ-সফরে এসেছিলেন রাষ্ট্রপতি

    এর আগে, গত মার্চ মাসে দ্রৌপদী মুর্মু দুদিনের সফরে পশ্চিমবঙ্গে এসেছিলেন। রাষ্ট্রপতি (Draupadi Murmu) হওয়ার পর সেটাই ছিল তাঁর প্রথম বঙ্গ-সফর। সে বার রাজ্য সরকারের তরফে কলকাতার নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে তাঁকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছিল। সেখানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। পাশাপাশি, বেলুড় মঠ এবং শান্তিনিকেতনে বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছিলেন তিনি। তবে, রাষ্ট্রপতির এবারের সফরে (President Kolkata Visit) রাত্রিবাসের কোনও উল্লেখ নেই এখনও পর্যন্ত। এমনকী, রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস বা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেও পৃথক ভাবে সাক্ষাতের কোনও সূচি নেই বলেই এখনও পর্যন্ত প্রশাসন সূত্রে খবর। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Kedarnath Yatra: উত্তরাখণ্ডের রুদ্রপ্রয়াগে ধসে মৃত ৩, এখনও নিখোঁজ ১৭, চলছে উদ্ধারকার্য

    Kedarnath Yatra: উত্তরাখণ্ডের রুদ্রপ্রয়াগে ধসে মৃত ৩, এখনও নিখোঁজ ১৭, চলছে উদ্ধারকার্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরাখণ্ডের রুদ্রপ্রয়াগে প্রবল বৃষ্টিপাতের ফলে শুক্রবার যে ধস নেমেছিল, সেই ধসের কবলে মৃত ৩ জনের দেহ উদ্ধার হয়েছে। এখনও পর্যন্ত ১৭ জন নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। জেলা সূত্রে খবর, কেদারনাথ (Kedarnath Yatra) থেকে ১৬ কিমি দূরে অবস্থিত গৌরীকুণ্ডে এই ধসের বিপর্যয় ঘটেছে। ধসে রাস্তা অবরুদ্ধ থাকার কারণে আপাতত কেদারনাথ যাত্রা বন্ধ। 

    কীভাবে ঘটেছিল ধস (Kedarnath Yatra)?

    গত বৃস্পতিবার রাত থেকেই ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে শক্রবার সকালে এই ধসের ঘটনা ঘটে। এরফলে কেদারনাথ যাত্রা (Kedarnath Yatra) আপাতত স্থগিত করা হয়েছে। রাস্তার পাশেই থাকা দোকান এবং তাতে থাকা মানুষজন ধসের নিচে চাপা পড়েছেন। ধসের ফলে পাহাড়ের পাথর উপর থেকে নিচে মন্দাকিনী নদীর মধ্যে গিয়ে পড়েছে বলে জানা গেছে। শুক্রবার থেকেই উদ্ধার কাজে তৎপর হয়েছিল বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। কিন্তু অত্যধিক বৃষ্টিপাতের কারণে উদ্ধারকাজ ব্যাপক বাধাপ্রাপ্ত হয়। সূত্রে জানা গিয়েছে, ধসের সময় কয়েকজন স্থানীয় এবং বেশ কিছু নেপালের মানুষ ছিলেন। বর্তমানে এসডিআরএফ দল ঘটনা স্থলে পৌঁছে উদ্ধারের কাজ শুরু করেছে। ইতিমধ্যেই গঙ্গোত্রী জাতীয় সড়ক ধসের কারণে অবরুদ্ধ হয়ে রয়েছে। উত্তরাখণ্ড সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে এই বছর বর্ষায় এখনও পর্যন্ত ৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে, ৩১ জন নিখোঁজ হয়েছেন এবং মোট ১১৭৬টি বাড়ি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

    বন্ধ কেদারনাথ যাত্রা

    প্রবল বৃষ্টিপাত এবং ধসের ফলে এই কেদারনাথ যাত্রা আপাতত বন্ধ হয়ে পড়েছে। আগামী নভেম্বর পর্যন্ত সময়ে এই পুণ্যার্থীদের কেদারনাথ যাত্রা চলার কথা। এই শ্রাবণ মাসেই কেদারনাথ মন্দিরে প্রচুর ভক্তের সমাগম হয়। কেদারনাথ (Kedarnath Yatra) যাওয়ার পথে গৌরীকুণ্ডে বিশেষ বিশ্রামাগার নেওয়ার বিশেষ ব্যবস্থা থাকে। দেবী পার্বতীর নামে এই জায়গার নাম গৌরীকুণ্ড। এখানে রাস্তার পাশে প্রচুর দোকান ছিল। কিন্তু রাতভর অতিভারি বৃষ্টির ফলে ব্যাপক বিপর্যয় ঘটেছে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Fraud: ডানকুনিতে বসে বিদেশিদের অ্যাকাউন্ট সাফ, কোটি কোটি টাকা প্রতারণা করে শ্রীঘরে ৮

    Fraud: ডানকুনিতে বসে বিদেশিদের অ্যাকাউন্ট সাফ, কোটি কোটি টাকা প্রতারণা করে শ্রীঘরে ৮

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডানকুনি থানার চাকুন্দির আমার বাংলা ইন্ডাস্ট্রিয়াল কমপ্লেক্সের একটি গোডাউনে চলতো আন্তর্জাতিক প্রতারণা (Fraud) চক্র। শুক্রবার অভিযান চালিয়ে আটজনকে গ্রেফতার করে চন্দননগর পুলিশের গোয়েন্দারা। অভিযুক্তরা “ম্যাক্সটেকনো” নামে একটি কোম্পানির কল সেন্টার থেকে বিদেশে ও ভারতে প্রতারণার গোপন ব্যবসা চালাচ্ছিল। মাস দুয়েক ধরে গোডাউন ভাড়া নিয়ে এই চক্র চলছিল। ধৃতদের নাম সিরিপুরম কামেশ্বর রাও (৩৫), রাহুল কুমার শা, সিরিপুরম লক্ষ্মী নারায়ণ আচারি, বাপি দাস, সামির হোসেন, এমডি জাভেদ আলম, এমডি ফয়জান আলম ওরফে জন্টি ও এমডি মোস্তফা। তাদের বাড়ি কলকাতা, উত্তর ২৪ পরগনা এবং হাওড়া এলাকায়।

    কীভাবে প্রতারণা করত?

    বিদেশি প্রবীণ নাগরিকরাই মূলত টার্গেট ছিল এই চক্রের। পুলিশ ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে জানতে পারে আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া, কানাডার মতো দেশের নাগরিকদের টার্গেট করা হতো। লোভনীয় প্রতিশ্রুতি দেওয়ার জন্য আমাজনের মত নামী কোম্পানির প্রতিনিধি হিসাবে পরিচয় দিয়ে ফোন করতো। বুকিং বাতিল হয়েছে। ফের বুকিং করার জন্য একটি লিঙ্ক পাঠাতো। সেই লিঙ্কে ক্লিক করলেই বিদেশি নাগরিকের অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা উধাও হয়ে যেতো। জামতাড়া গ্যাংয়ের মতো তারা প্রতারণা চক্র খুলে বসেছিল। ডানকুনি থেকে দিল্লি সহ বিভিন্ন জায়গায় প্রতারকদের এজেন্ট রয়েছে। কয়েক ঘণ্টার জিজ্ঞাসাবাদে যা জানা গেছে, কয়েকশো কোটি টাকার প্রতারণা (Fraud) করেছে এই চক্র। আমাজনের মত অনলাইন বিপণীর ফেক ইমেল থেকে লোভনীয় অফার দেওয়া হতো। সেই ফাঁদে পা দিয়ে মেলে দেওয়া লিঙ্কে ক্লিক করলেই বিদেশিদের মোবাইল ও ব্যাঙ্ক একাউন্ট হ্যাক করে ডলার হাতিয়ে নিতো প্রতারকরা। এরজন্য এনি ডেস্কের বা টিম ভিউয়ার অ্যাপ ব্যবহার করতো প্রতারকরা। গোডাউনে তল্লাশির সময় একাধিক কম্পিউটার, মোবাইল, হিয়ারিং ইকুইপমেন্টস, পেন ড্রাইভ, অসংখ্য ডেবিট, ক্রেডিট ও প্যান কার্ড পুলিশ বাজেয়াপ্ত করে।

    কী বললেন পুলিশ কমিশনারেটের এক আধিকারিক?

    চন্দননগর কমিশনারেটের তদন্তকারী এক অফিসার বলেন, ডানকুনি থেকে বিদেশে অনলাইনে প্রতারণা (Fraud) চালাতো অভিযুক্তরা। ভারতে রাত আর পশ্চিিমী দেশগুলোতে তখন দিন। সেই সময়টাকে বেছে নিয়ে কাজ করতো প্রতারকরা। ডানকুনির ভাড়া নেওয়া গোডাউনে রাত আটটা নাগাদ ঢুকতো গাড়ি নিয়ে। ভোর চারটে পর্যন্ত কাজ করে বেরিয়ে যেতো।

    কীভাবে ধরা পরল?

    সূত্র মারফত পুলিশ জানতে পারে চাকুন্দির ওই ইন্ডাস্ট্রিয়াল হাবে একটি গোডাউন ভাড়া নিয়েছে কয়েকজন যুবক। তারা দিনে আসে না, মূলত রাতে গাড়ি নিয়ে ঢোকে। দিনের আলো ফোটার আগে বেরিয়ে যায়। পুলিশ খোঁজ নিয়ে জানতে পারে তারা কম্পিউটার রিপিয়ারিং এর কাজ করে বলে ভাড়া নিয়েছিল। কিন্তু, রাতে কেন সেই কাজ সন্দেহ হয় পুলিশের। গোপনে খোঁজ খবর নেওয়া শুরু হয়। যুবকদের গতিবিধির উপর নজর রাখা শুরু হয়। এরপরই চাকুন্দির গোডাউনে হানা দেয় পুলিশ। প্রতারকদের কান্ডকারখানায় হতবাক দুঁদে পুলিশ কর্তারাও।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share