Tag: bangla news

bangla news

  • TMC Revolt: তৃণমূলে ঐতিহাসিক ভাঙন! ২০ সাংসদের বিদ্রোহে একদা ‘নিষ্ক্রিয়’ এনসিপিআই এখন লোকসভার পঞ্চম বৃহত্তম দল

    TMC Revolt: তৃণমূলে ঐতিহাসিক ভাঙন! ২০ সাংসদের বিদ্রোহে একদা ‘নিষ্ক্রিয়’ এনসিপিআই এখন লোকসভার পঞ্চম বৃহত্তম দল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের সংসদীয় রাজনীতিতে এক নজিরবিহীন এবং বিস্ময়কর ঘটনায় বড়সড় ধাক্কা খেল তৃণমূল কংগ্রেস (TMC)। দলের লোকসভার দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি সাংসদ বিদ্রোহ ঘোষণা করে এক অতি-অপরিচিত রাজনৈতিক দল, ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্স পার্টি অব ইন্ডিয়া (NCPI)-তে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বিদ্রোহী গোষ্ঠীর নেতৃত্বে রয়েছেন তৃণমূলের একাধিক প্রবীণ ও প্রভাবশালী সাংসদ। তাঁরা ইতিমধ্যেই লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার কাছে পৃথক আসন বিন্যাস এবং নতুন দল হিসেবে স্বীকৃতির আবেদন জমা দিয়েছেন। সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, নতুন রাজনৈতিক পরিচয়ে আত্মপ্রকাশের পরই এই গোষ্ঠী এনডিএ (NDA) জোটে যোগদানের ঘোষণা করেছে। ফলে শুধু তৃণমূল নয়, জাতীয় স্তরেও বিরোধী রাজনীতির সমীকরণে বড়সড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

    কে এই এনসিপিআই?

    বিদ্রোহী সাংসদদের নতুন ঠিকানা হওয়া ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্স পার্টি অব ইন্ডিয়া (NCPI) নামটি রবিবার দুপুর পর্যন্ত কার্যত অজানাই ছিল। রাজনৈতিক মহলের অধিকাংশ সদস্যই এই দলের অস্তিত্ব সম্পর্কে অবগত ছিলেন না। এমনকি ত্রিপুরার একাধিক রাজনৈতিক নেতা দাবি করেছেন, তাঁরা কোনওদিন এই দলের নামও শোনেননি। ভারতের নির্বাচন কমিশনের নথি অনুযায়ী, এনসিপিআই একটি নিবন্ধিত অস্বীকৃত রাজনৈতিক দল। ২০২২-২৩ সালের মধ্যে দলটি নিবন্ধিত হলেও এটি কোনও স্বীকৃত জাতীয় বা আঞ্চলিক দল নয় এবং নির্বাচন কমিশনের তরফে তাদের কোনও স্থায়ী নির্বাচনী প্রতীকও বরাদ্দ করা হয়নি। দলের সদর দফতর পশ্চিমবঙ্গের হাওড়া জেলার বাঁকড়ায় অবস্থিত। অর্থাৎ বিভিন্ন মহলে প্রচারিত ধারণার বিপরীতে, দলটির মূল ভিত্তি ত্রিপুরা নয়, পশ্চিমবঙ্গেই।

    মাত্র ৮২২ ভোট থেকে লোকসভার পঞ্চম বৃহত্তম দল

    এনসিপিআই-এর অতীত নির্বাচনী রেকর্ড অত্যন্ত সীমিত। ২০২৩ সালের ত্রিপুরা বিধানসভা নির্বাচনে দলটি মাত্র দুটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিল। কৈলাসহর কেন্দ্রের প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলি পান ২৮৬ ভোট এবং চাওমনু কেন্দ্রের প্রার্থী বরজেদা ত্রিপুরা পান ৫৩৬ ভোট। অর্থাৎ পুরো দল মিলিয়ে মোট ভোট ছিল মাত্র ৮২২। নির্বাচন কমিশনের ফলাফলে দলটির সংক্ষিপ্ত নাম হিসেবে ‘এনসিপিএন’ ব্যবহার করা হয়েছিল। কমিশনের নিজস্ব কোডিং ব্যবস্থার কারণে অনেক সময় দলের প্রচলিত সংক্ষিপ্ত নামের পরিবর্তে আলাদা কোড ব্যবহৃত হয়। কিন্তু এখন পরিস্থিতি সম্পূর্ণ বদলে গেছে। তৃণমূলের ১৯-২০ জন সাংসদ যোগ দেওয়ায় কার্যত রাতারাতি লোকসভার পঞ্চম বৃহত্তম রাজনৈতিক দলে পরিণত হয়েছে এনসিপিআই। একইসঙ্গে এনডিএ-র অভ্যন্তরেও এটি দ্বিতীয় বৃহত্তম দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে পারে।

    কেন বিজেপিতে সরাসরি যোগ দিলেন না বিদ্রোহীরা?

    রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, বিদ্রোহী সাংসদদের এই পদক্ষেপের পেছনে রয়েছে অত্যন্ত সূক্ষ্ম আইনি ও কৌশলগত হিসাব। ভারতের দশম তফশিল বা দলত্যাগ-বিরোধী আইন অনুযায়ী, কোনও সাংসদ বা বিধায়ক স্বেচ্ছায় দলত্যাগ করলে অথবা দলের হুইপ অমান্য করলে তাঁর সদস্যপদ খারিজ হতে পারে। তবে এর একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যতিক্রম রয়েছে। যদি কোনও আইনসভা দলের অন্তত দুই-তৃতীয়াংশ সদস্য অন্য কোনও রাজনৈতিক দলের সঙ্গে একীভূত হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন, তাহলে সেটিকে দলত্যাগ নয়, বৈধ ‘মার্জার’ হিসেবে গণ্য করা হয়। বিদ্রোহী তৃণমূল সাংসদদের সংখ্যা এই দুই-তৃতীয়াংশের সীমা অতিক্রম করায় তাঁদের বিরুদ্ধে দলত্যাগ আইন প্রযোজ্য হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়। অন্যদিকে নতুন দল গঠন করলে এই সুরক্ষা পাওয়া যেত না। ফলে একটি বিদ্যমান নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলকে বেছে নেওয়া ছিল তাঁদের জন্য সবচেয়ে নিরাপদ এবং কার্যকর পথ।

    এনসিপিআই-কে বেছে নেওয়ার নেপথ্যে বড় কৌশল

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এনসিপিআই-এর মতো কার্যত নিষ্ক্রিয় ও নেতৃত্বহীন একটি দলকে বেছে নেওয়ার মধ্যে আরও বড় রাজনৈতিক সুবিধা রয়েছে। যদি বিদ্রোহীরা সরাসরি বিজেপি বা অন্য কোনও বড় এনডিএ শরিক দলে যোগ দিতেন, তাহলে তাঁদের প্রতিষ্ঠিত সাংগঠনিক কাঠামোর অধীনেই কাজ করতে হত। কিন্তু এনসিপিআই-এর ক্ষেত্রে বাস্তবিক অর্থেই পুরো দলের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নেওয়া সম্ভব। অর্থাৎ আইনি সুরক্ষা বজায় রেখেই তাঁরা নিজেদের রাজনৈতিক পরিচয়, সংগঠন এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্বাধীনতা ধরে রাখতে পারবেন। একই সঙ্গে এনডিএ-র অংশ হিসেবেও কাজ করতে পারবেন। এক কথায় আইনি জট এড়াতেই আলাদা দলে মিশে যাওয়ার পদক্ষেপ।

    তৃণমূলের ভবিষ্যৎ কী?

    এই বিদ্রোহের প্রভাব শুধু দিল্লির সংসদেই সীমাবদ্ধ থাকার সম্ভাবনা নেই। সূত্রের দাবি, কলকাতাকেন্দ্রিক এক বৃহৎ গোষ্ঠী ইতিমধ্যেই দলের নেতৃত্ব নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে। প্রায় ৬০ জনেরও বেশি বিধায়ক বিদ্রোহী শিবিরের প্রতি সহানুভূতিশীল বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে। যদি বিধায়করাও একই পথে হাঁটেন এবং এনসিপিআই-তে যোগ দেন, তাহলে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় তৃণমূলের শক্তি নাটকীয়ভাবে কমে যেতে পারে। অন্যদিকে এনডিএ-র রাজনৈতিক অবস্থান রাজ্যে অভূতপূর্বভাবে শক্তিশালী হয়ে উঠতে পারে।

    ‘‘তৃণমূল’’ নাম ও প্রতীক নিয়ে নতুন লড়াই?

    সবচেয়ে আকর্ষণীয় সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে দলীয় পরিচয়কে কেন্দ্র করে। যেহেতু বিদ্রোহী শিবিরের দাবি হবে যে তারা সংখ্যাগরিষ্ঠ জনপ্রতিনিধিকে সঙ্গে নিয়ে বেরিয়ে এসেছে, তাই ভবিষ্যতে ‘‘তৃণমূল’’ নাম, প্রতীক এবং সংগঠনের প্রকৃত উত্তরাধিকার নিয়ে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। ভারতের রাজনৈতিক ইতিহাসে এর আগে শিবসেনা, এনসিপি-সহ একাধিক দলের ক্ষেত্রে প্রতীক ও দলের মালিকানা নিয়ে আইনি লড়াই দেখা গেছে। সেই নজির অনুসরণ করে পশ্চিমবঙ্গেও অনুরূপ সংঘাত দেখা দিতে পারে।

    জাতীয় রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়

    যদি এই পরিস্থিতি বাস্তবে পূর্ণতা পায়, তাহলে এটি স্বাধীন ভারতের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ইতিহাসে অন্যতম বড় দলীয় ভাঙন হিসেবে চিহ্নিত হবে। মাত্র কয়েক বছর আগে প্রতিষ্ঠিত, নির্বাচনে মাত্র ৮২২ ভোট পাওয়া একটি দল হঠাৎ করেই লোকসভার পঞ্চম বৃহত্তম শক্তিতে পরিণত হবে— এমন নজির ভারতের সংসদীয় গণতন্ত্রে প্রায় অদেখা। একই সঙ্গে এই ঘটনা পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক মানচিত্র, বিরোধী জোট রাজনীতি এবং ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের সমীকরণকেও আমূল বদলে দিতে পারে। বর্তমানে রাজনৈতিক মহলের নজর এখন একটাই প্রশ্নে— এই সাংসদদের পদক্ষেপের পর কি তৃণমূলের বিধায়করাও একই পথে হাঁটবেন, নাকি দলটি এই সংকট কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হবে?

  • US-Iran Peace Deal: তেলের বাজারে স্বস্তি! ইরান-আমেরিকা শান্তিচুক্তির ঘোষণা ট্রাম্পের, ১০০ দিন পর খুলছে হরমুজ প্রণালী

    US-Iran Peace Deal: তেলের বাজারে স্বস্তি! ইরান-আমেরিকা শান্তিচুক্তির ঘোষণা ট্রাম্পের, ১০০ দিন পর খুলছে হরমুজ প্রণালী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবশেষে স্বস্তি! দীর্ঘ তিন মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা পশ্চিম এশিয়ার সংঘাত অবসানের পথে। যুদ্ধ থামিয়ে ইরানের সঙ্গে শান্তিচুক্তির ঘোষণা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের (US President Donald Trump)। রবিবার, ১৪ জুন তিনি ঘোষণা করলেন যে আমেরিকা ও ইরান শান্তিচুক্তিতে (US-Iran Peace Deal) সম্মত হয়েছে। লেবানন সহ সমস্ত জায়গায় মিলিটারি অপারেশন বন্ধ করা হবে অবিলম্বে। একইসঙ্গে তিনি জানান যে হরমুজ প্রণালীও খুলে গিয়েছে (Strait of Hormuz Re-Opening)। হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাতায়াতের জন্য কোনও জাহাজকে টোল বা ট্যাক্স দিতে হবে না। ট্রাম্প বলেন যে এই শান্তিচুক্তি ওই এলাকায় স্থিতাবস্থা ফেরাতে বিরাট বড় পদক্ষেপ। শান্তিচুক্তিতে কী কী শর্ত রয়েছে, তাও তুলে ধরেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

    আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তি স্বাক্ষর

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান সামরিক অভিযান স্থায়ীভাবে বন্ধ করার বিষয়ে একটি শান্তিচুক্তিতে পৌঁছেছে। এই চুক্তির আওতায় লেবানন-সহ সমস্ত ফ্রন্টে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হবে বলে জানানো হয়েছে। মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পাকিস্তান প্রথম এই ঘোষণা করে। পরে ওয়াশিংটন ও তেহরান উভয়ই বিষয়টি নিশ্চিত করে। আগামী ১৯ জুন, শুক্রবার সুইজারল্যান্ডে দুই দেশের মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা রয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রবিবার সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, “ইসলামিক রিপাবলিক অব ইরানের সঙ্গে চুক্তি সম্পূর্ণ হয়েছে। আমি হরমুজ প্রণালী অবিলম্বে ও বিনামূল্যে উন্মুক্ত করার অনুমোদন দিচ্ছি। একইসঙ্গে মার্কিন নৌ অবরোধও প্রত্যাহার করা হবে। বিশ্বের জাহাজগুলো আবার চলাচল শুরু করুক, তেলের প্রবাহ স্বাভাবিক হোক।” এর কিছুক্ষণ পরেই ইরানের উপ-বিদেশমন্ত্রী কাজেম গারিবাবাদি জানান, এই চুক্তির মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে চলা যুদ্ধের “তাৎক্ষণিক সমাপ্তি” ঘটছে। পাশাপাশি আগামী দুই মাসের মধ্যে একটি চূড়ান্ত সমঝোতার লক্ষ্যে নতুন আলোচনা শুরু হবে।

    চুক্তিতে কী কী শর্ত আছে?

    • হরমুজ প্রণালী: প্রথমেই ট্রাম্প জানান যে হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাতায়াত সম্পূর্ণ টোল ফ্রি বা কর মুক্ত হবে। হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাতায়াতে যাতে কোনও বাধা সৃষ্টি না হয়, তা নিশ্চিত করবে শান্তিচুক্তি। আগামী ৩০ দিনের মধ্যে হরমুজ প্রণালী খুলতে হবে চুক্তির নিয়মে।
    • ইরানের উপর নিষেধাজ্ঞা নয়: আমেরিকা ইরানের বন্দরে যাওয়া-আসার যে পথগুলি বন্ধ করে রেখেছিল, তাও তুলে নেবে ৩০ দিনের মধ্যে। যুদ্ধের সময় ইরানের তেল ও পেট্রোকেমিক্যাল পণ্য বিক্রিতে যে নিষেধাজ্ঞা চাপিয়েছিল আমেরিকা, তা প্রত্যাহার করা হবে।
    • ইরানকে আর্থিক সাহায্য: খসড়া প্রস্তাবে সিদ্ধান্ত হয়েছে ইরানে যুদ্ধের জেরে যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা পুনর্নির্মাণের জন্য আমেরিকা ও তার বন্ধু দেশগুলি অন্তত ৩০০ বিলিয়ন ডলারের আর্থিক সাহায্য করবে। ইরানের ২৪ বিলিয়ন ডলার আটকে রয়েছে বিদেশি ভাঁড়ারে। সেই টাকাও ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়েছে ইরান। শান্তিচুক্তিতে সই করার আগেই এই তহবিলের অর্ধেক টাকা দাবি করা হয়েছে।
    • ইরানের পরমাণু প্রোগ্রাম: ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু নাকি এই চুক্তিতে আপত্তি করেছিলেন। ট্রাম্প সে কথা ফাঁস করে দেন সাংবাদিক বৈঠকে। একইসঙ্গে তিনি বলেন যে নেতানিয়াহুর আপত্তি থাকলেও, এই চুক্তি ইজরায়েলকে সম্ভাব্য বিরাট বড় বিপর্যয় থেকে বাঁচিয়ে দিয়েছে। ইরানের পরমাণু প্রোগ্রাম নিয়ে আলোচনাও হবে এই শান্তিচুক্তিতে, তা উল্লেখ করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। যদি ইরান আমেরিকার সঙ্গে পরমাণু শক্তি নিয়ে চুক্তি করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে ফের মিলিটারি অভিযান শুরু হবে।

    আন্তর্জাতিক মহলে স্বস্তি

    চুক্তির ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছেন রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। তাঁর মতে, এটি মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত নিরসনের পথে একটি “গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ”। অন্যদিকে ব্রিটেন, ফ্রান্স, জার্মানি ও ইটালি জানিয়েছে, তারা ইরানের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়ে ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করবে এবং দীর্ঘমেয়াদি কূটনৈতিক সমাধানের জন্য যুক্তরাষ্ট্র, ইরান ও আঞ্চলিক অংশীদারদের সঙ্গে কাজ করবে।

    বাজারে ইতিবাচক প্রভাব

    শান্তিচুক্তির খবর ছড়িয়ে পড়তেই আন্তর্জাতিক বাজারে স্বস্তির হাওয়া বইতে শুরু করে। সোমবার এশিয়ার বাজার খুলতেই তেলের দাম ৪ শতাংশের বেশি কমে যায়। একইসঙ্গে জাপানের নিক্কেই সূচক প্রায় ৩ শতাংশ বেড়ে যায়। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তেল ও গ্যাস পরিবহন পথ হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকায় গত কয়েক মাসে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি, মুদ্রাস্ফীতি এবং বিশ্বব্যাপী সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় ধরনের প্রভাব পড়েছিল। মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেন, “এই চুক্তির ফলে শুধু এখনই নয়, দীর্ঘমেয়াদেও জ্বালানির দাম কমবে এবং মধ্যপ্রাচ্যে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির নতুন পথ খুলবে।”

    যুদ্ধের অবসান!

    গত ফেব্রুয়ারির শেষদিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের যৌথ হামলার মাধ্যমে এই সংঘাতের সূচনা হয়। পাল্টা জবাবে ইরান ইজরায়েল এবং মধ্য প্রাচ্যে মার্কিন মিত্রদের লক্ষ্য করে হামলা চালায়। একইসঙ্গে হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচল কার্যত বন্ধ করে দেয়। এর জবাবে যুক্তরাষ্ট্র ইরানি বন্দরগুলির বিরুদ্ধে নৌ অবরোধ আরোপ করে। দীর্ঘ আলোচনার পর অবশেষে যুদ্ধবিরতির পথে দুই দেশ এগোলেও, চূড়ান্ত চুক্তির শর্তাবলি নিয়ে এখনও বহু প্রশ্নের উত্তর মেলেনি। তবে আপাতত বিশ্ববাসীর নজর ১৯ জুনের জেনেভা বৈঠকের দিকে, যেখানে আনুষ্ঠানিকভাবে শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা।

    শান্তিচুক্তি না হলে কী হবে?

    ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে যদি পরমাণু শক্তি নিয়ে আলোচনায় ইরান সম্মতি না দেয়, তাহলে ফের সামরিক অভিযান শুরু হতে পারে। আর যদি এই চুক্তিই ভেঙে যায়, তাহলে তিনি হয় তেহরানে ফের হামলা শুরু করবেন, নয়তো আমেরিকাকে মধ্য প্রাচ্যের অভিভাবক (Guardian of the Middle East) করে তুলবেন। এর বিনিময়ে তাদের ওই অঞ্চল থেকে পাওয়া রাজস্বের ২০ শতাংশ দেওয়া হতে পারে।

  • Elder Abuse: জীবন বাড়ছে, সম্মান কমছে! প্রতি ৬ জনে ১ প্রবীণ হেনস্থার শিকার, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রিপোর্টে উদ্বেগ

    Elder Abuse: জীবন বাড়ছে, সম্মান কমছে! প্রতি ৬ জনে ১ প্রবীণ হেনস্থার শিকার, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রিপোর্টে উদ্বেগ

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    জীবন যাপনের সময় বেড়েছে! আধুনিক চিকিৎসা এবং আধুনিক ব্যবস্থাপনার জেরে দীর্ঘ দিন বেঁচে থাকার সুযোগ বেড়েছে! কিন্তু জীবন যাপনের মান বেড়েছে কি? এই নিয়েই প্রশ্ন তুলেছে সাম্প্রতিক তথ্য! বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে প্রকাশিত এক রিপোর্টে চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। মানুষের জীবনকাল বাড়লেও, প্রৌঢ় বয়সে তাঁদের জীবন যাপনের মান বাড়েনি। বরং বিশ্ব জুড়ে বয়স্কদের হেনস্থার ঘটনা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে! যার ফলে, তাদের জীবন যাপন আরও কঠিন হয়ে যাচ্ছে। এর প্রভাব তাঁদের স্বাস্থ্যের উপরেও পড়ছে। তাই ১৫ জুন ওয়ার্ল্ড ওল্ডার অ্যাবিউজ অ্যাওয়ারনেস ডে-তে বিশ্ব জুড়ে নানান সচেতনতা কর্মশালার আয়োজন হয়েছে। হেনস্থা হলে কী করতে হবে, সেই সম্পর্কে জানানোর পাশপাশি এ বছরে জোর দেওয়া হয়েছে, হেনস্থা হওয়ার আগেই কীভাবে সবকিছু আটকে দেওয়া যায়।

    কী বলছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য?

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের সমস্ত দেশেই প্রবীণ নাগরিকদের উপরে হেনস্থা উল্লেখযোগ্য ভাবে বেশি। অর্থাৎ ৬০ বছরের উর্ধ্বে বয়স্ক মানুষেরা নানান ভাবে হেনস্থার শিকার হন। ওই রিপোর্ট অনুযায়ী, প্রতি ৬ জন প্রবীণ নাগরিকের মধ্যে ১ জন হেনস্থার শিকার হন। আমেরিকা এবং ইউরোপের উন্নত দেশগুলোতেও প্রবীণ নাগরিকদের হেনস্থার ঘটনা উল্লেখযোগ্য ভাবে বেশি। তবে বাদ নেই ভারত! প্রবীণ নাগরিকদের স্বাস্থ্য নিয়ে সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে কাজ করা এক সংস্থার সাম্প্রতিক রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, ভারতের ১১ শতাংশের বেশি প্রবীণ নাগরিক হেনস্থার শিকার হন। যা তাঁদের স্বাস্থ্যে গভীর প্রভাব ফেলে। সমাজের পক্ষেও এই ঘটনা ঠিক নয়।

    কী ধরনের হেনস্থা উদ্বেগ বাড়াচ্ছে?

    প্রবীণ নাগরিকদের হেনস্থার রিপোর্ট বিশ্লেষণ করে, সংশ্লিষ্ট মহল জানাচ্ছেন, অধিকাংশ হেনস্থা হয় মানসিক। একাধিক ঘটনায় দেখা গিয়েছে, অধিকাংশ বয়স্ক মানুষ পরবর্তী প্রজন্মের পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে চলতে পারেন না। ফলে এক ধরনের ব্যবধান তৈরি হয়। প্রযুক্তিগত উন্নতির সঙ্গেও মানিয়ে চলতে পারেন না। ফলে তাঁদের অধিকাংশ কাজ করতে অনেকটা সময় লাগে‌। বুঝতেও সময় লাগে‌। অনেক সময়েই তাঁদের ‘বোঝা’ উপলব্ধি করানো হয়। তার ফলে তাঁরা নানান মানসিক সমস্যার শিকার হন। তাঁদের মধ্যে একাকিত্বের সমস্যা বাড়ে‌‌। তাঁরা মানসিক অবসাদে ভোগেন। এগুলো মস্তিষ্কে বাড়তি চাপ তৈরি করে। এর ফলে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা কমতে থাকে। মনে রাখার শক্তি হ্রাস পায়। অ্যালজাইমারের মতো রোগের ঝুঁকি বাড়ে। আবার অনেক সময়েই পরিবারের প্রবীণ মানুষদের দিনের অধিকাংশ সময় একা থাকতে হয়। এর ফলে তাঁদের মধ্যে একটা একাকিত্ব গ্রাস করে। এর ফলেও নানান স্নায়ুঘটিত সমস্যা তৈরি হয়।

    সাইবার অপরাধ ও আর্থিক প্রতারণার শিকার বয়স্করা

    অনেক সময়েই পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি হেনস্থার জন্য দায়ী বলেও মনে করছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, পেশাগত জীবনে অবসর নেওয়ার পরে বহু মানুষ নানান মানসিক জটিলতায় ভোগেন। তাঁরা নিজেদের কম গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন। অনেক সময়েই সিদ্ধান্তহীনতায় ভোগেন। এর ফলে পরিবারে অনেক সময় গুরুত্ব কমতে থাকে। এই গুরুত্ব হারিয়ে ফেলা, তাঁদের আত্মবিশ্বাস নষ্ট করে দেয়। তাঁরা যেকোনো কাজ করতে আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন। এর ফলে প্রতি দিনের স্বাভাবিক জীবন যাপনের জন্য অন্যের উপরে নির্ভর হয়ে পড়েন। এর জেরে তাঁদের হেনস্থার সুযোগ বাড়ে‌। এছাড়াও বিশ্ব জুড়ে প্রৌঢ় হেনস্থার অন্যতম দিক হল আর্থিক হেনস্থা। এমনটাই জানাচ্ছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রিপোর্ট। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই পরিবারের প্রৌঢ় সদস্যের অনিচ্ছা সত্ত্বেও সম্পত্তি নিয়ে নেওয়া হয়। আবার বর্তমান সময়ে সাইবার অপরাধের ঘটনা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। বয়স্কদের প্রযুক্তিগত বিষয়ে সম্পূর্ণ অবগত না থাকার সুযোগ নিয়ে অনেক সময় তাঁদের সঙ্গে আর্থিক প্রতারণা করা হচ্ছে। এগুলো বয়স্কদের আর্থিক ও শারীরিক ভাবে ভয়ঙ্কর ক্ষতিগ্রস্ত করছে।

    হেনস্থা বন্ধের জন্য কী পরামর্শ দিচ্ছেন সংশ্লিষ্ট মহল?

    বিশ্ব জুড়ে চলতে থাকা প্রবীণ নাগরিকদের হেনস্থার ঘটনায় নানান আইনি সাহায্য রয়েছে। ভারতেও একাধিক শক্তিশালী আইন রয়েছে। যে আইনের সাহায্যে বয়স্ক মানুষদের হেনস্থাকারীদের শাস্তি হতে পারে। তবে বিশেষজ্ঞেরা জানাচ্ছেন, হেনস্থা হলে কী কী করতে হবে, সেদিকে নজর দেওয়ার পাশপাশি সমান গুরুত্ব দিতে হবে, যাতে হেনস্থার ঘটনা না ঘটে। তাঁরা জানাচ্ছেন, হেনস্থা কীভাবে আটকানো যায়, সে দিকে নজর দেওয়া জরুরি। আর্থিক প্রতারণা আটকাতে প্রবীণ নাগরিকদের নিয়ে আরো বেশি কর্মশালা জরুরি। প্রযুক্তিগত একাধিক বিষয়ে, তাঁরা অবগত থাকেন না। ফলে, নানানভাবে প্রতারিত হতে পারেন। তাই তাঁদের সতর্ক করতে নানান কর্মশালা জরুরি। সম্পত্তি দেওয়ার ক্ষেত্রেও, তাঁরা কোনো রকম হেনস্থার শিকার হলে, কী কী আইনি সাহায্য নেবেন, সে সম্পর্কে অবগত থাকা জরুরি।

    বয়স্কদের বন্ধু থাকা জরুরি

    মানসিক হেনস্থা রুখতে নিজেদের কমিউনিটি গড়ে তোলার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁরা জানাচ্ছেন, বয়স্কদের হেনস্থার অন্যতম কারণ একাকিত্ব। তাঁদের সঙ্গে কেউ নেই, এই ভাবনা থেকেই হেনস্থার ঘটনা ঘটছে।‌ তাই বয়স্কদের বন্ধু থাকা জরুরি। যাতে তাঁদের মনের কথা প্রকাশের জায়গা থাকে। তাহলেই অবহেলা বোধ কমবে। দিনের কিছুটা সময় নিজেদের মতো, নিজের বন্ধুদের সঙ্গে কাটানো জরুরি। এতে আত্মবিশ্বাস বজায় থাকে। একাকিত্বের বোঝাও কমবে। এর ফলে মানসিক অবসাদের ঝুঁকিও কমবে‌। মস্তিষ্ক ও স্নায়ুর উপরে বাড়তি বোঝা পড়বে না। একাধিক স্বাস্থ্য ঝুঁকি এড়ানো সহজ হবে‌। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, আধুনিক চিকিৎসা দীর্ঘ জীবনের সুযোগ দিয়েছে। কিন্তু জীবন যাপনের মান বাড়াতে সামাজিক পরিবর্তন জরুরি। প্রৌঢ়কালেও নিজেদের মতো ভালো থাকা যায়, এই আত্মবিশ্বাস জরুরি। বয়স বাড়লেই, অন্যের বোঝা নয়, এই অনুভব করানো প্রয়োজন। তবেই তাঁরা মানসিকভাবে ভালো থাকবেন। মানসিক চাপ ও অবসাদ কমলেই উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ, স্নায়ুর সমস্যা, স্মৃতিশক্তি হ্রাসের মতো একাধিক রোগের ঝুঁকি কমবে‌। ভোগান্তি কমবে। স্বাস্থ্য সঙ্কট কমবে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।
  • PM Modi: ‘ভারত ইনোভেটস ২০২৬’-এর মঞ্চে তরুণ উদ্ভাবকদের প্রশংসায় পঞ্চমুখ প্রধানমন্ত্রী, জোর দিলেন ভারত-ফ্রান্স প্রযুক্তি অংশীদারিত্বেও

    PM Modi: ‘ভারত ইনোভেটস ২০২৬’-এর মঞ্চে তরুণ উদ্ভাবকদের প্রশংসায় পঞ্চমুখ প্রধানমন্ত্রী, জোর দিলেন ভারত-ফ্রান্স প্রযুক্তি অংশীদারিত্বেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফ্রান্সের (France) নিস শহরে অনুষ্ঠিত ‘ভারত ইনোভেটস ২০২৬’-এর মঞ্চে দেশের তরুণ উদ্ভাবকদের ভূয়সী প্রশংসা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) মুখে। তিনি জানান, আধুনিক যুগে উদ্ভাবনী সমাধান তুলে ধরার জন্য ‘ভারত ইনোভেটস ২০২৬’ একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে।

    ‘ভারত ইনোভেটস ২০২৬’-এর সূচনা

    অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ভারত ও ফ্রান্স দীর্ঘদিন ধরেই একসঙ্গে বিভিন্ন ক্ষেত্রে এগিয়ে চলেছে। চলতি বছর শুরু হওয়া ‘ইন্ডিয়া-ফ্রান্স ইয়ার অব ইনোভেশনে’র ধারাবাহিকতায় ‘ভারত ইনোভেটস ২০২৬’-এর সূচনা হয়েছে।” অনুষ্ঠানে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রঁর উপস্থিতির জন্যও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিপুল সংখ্যক তরুণ উদ্যোক্তার উচ্ছ্বসিত অংশগ্রহণের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী জানান, তাঁদের মধ্যে আত্মবিশ্বাসী ও উদ্যমী নয়া  ভারতের প্রতিচ্ছবি দেখা যায়। তাঁর কথায়, “বর্তমান ভারত শুধু প্রযুক্তিগত সমাধানের ভোক্তা নয়, বরং বিশ্বকে নতুন সমাধান উপহার দেওয়ার অন্যতম অংশীদার। কেউ এআই (AI) ব্যবহার করে গ্রামীণ ভারতের উন্নয়নে কাজ করছেন, আবার কেউ স্যাটেলাইট প্রযুক্তির মাধ্যমে কৃষকদের সাহায্য করছেন।

    টেকসই ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ভারত দ্রুতগতিতে এবং বৃহৎ পরিসরে উদ্ভাবন করছে। একই সঙ্গে টেকসই ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা এবং বিশ্বকল্যাণে প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করাই দেশের লক্ষ্য।” তিনি জানান, একবিংশ শতাব্দীতে ভারত বড় ধরনের পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে এবং তথ্যপ্রযুক্তি বিপ্লবের হাত ধরে দেশ এখন স্টার্টআপ বিপ্লবের দোরগোড়ায় পৌঁছে গিয়েছে। নতুন প্রজন্মের ভারতীয় যুবক-যুবতীরা মানবকল্যাণে জটিল সমস্যার উদ্ভাবনী সমাধান তৈরি করছেন, যা বিশ্বব্যাপী সমাদৃত হচ্ছে। তাঁর মতে, ‘ভারত ইনোভেটস ২০২৬’ সেই বিশ্বমানের উদ্ভাবনগুলিকে আন্তর্জাতিক মঞ্চে তুলে ধরার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ।

    অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন যাঁরা

    প্রধানমন্ত্রীর ফ্রান্স সফরের সূচনা হয়েছে এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে। সফরের অংশ হিসেবে তিনি এভিয়াঁ এবং প্যারিসেও বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক বৈঠকে অংশ নেবেন, যার লক্ষ্য ভারত-ফ্রান্স সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করা (PM Modi)। ‘ভারত ইনোভেটস ২০২৬’-এ প্রায় ১২০ জন ভারতীয় উদ্ভাবক, ১৫টির মতো উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং ৫০০-রও বেশি বিনিয়োগকারী অংশ নিয়েছেন। উপস্থিত রয়েছেন বিভিন্ন আন্তর্জাতিক কর্পোরেট সংস্থা, ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ফার্মের প্রতিনিধি, বিশ্বখ্যাত সিইও এবং শিল্পক্ষেত্রের নেতারা। অনুষ্ঠানে অ্যাডভান্সড কম্পিউটিং, সেমিকন্ডাক্টর, মহাকাশ প্রযুক্তি, বায়োটেকনোলজি, জ্বালানি, স্বাস্থ্য পরিষেবা ও উৎপাদন শিল্প-সহ মোট ১৩টি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ভারতের ডিপ টেক ও স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমকে বিশ্ববাজারের সামনে তুলে ধরাই এই (France) অনুষ্ঠানের প্রধান উদ্দেশ্য। এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ডিপ টেক, গবেষণা ও উন্নয়ন, স্টার্টআপ সম্প্রসারণ এবং সীমান্ত-পার বিনিয়োগ সহযোগিতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা ও অংশীদারিত্বের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে বলেও ধারণা সংশ্লিষ্ট মহলের (PM Modi)।

     

  • Donald Trump: ৮০তে পা ট্রাম্পের, কী বললেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট?

    Donald Trump: ৮০তে পা ট্রাম্পের, কী বললেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার ৮০তে পা দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। তবে এই জন্মদিন নিয়ে তিনি নিজেই খুব একটা উচ্ছ্বসিত নন বলেই জানান ট্রাম্প। সম্প্রতি হোয়াইট হাউসে সেন্টারস ফর মেডিকেয়ার (Turns 80) অ্যান্ড মেডিকেইড সার্ভিসেসের প্রশাসক মেহমেত ওজের সঙ্গে আলাপচারিতায় ট্রাম্প বলেছিলেন, “আমায় জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাতে হবে না। কারণ এই জন্মদিন নিয়ে আমি খুব একটা খুশি নই। ৮০ এমন একটি সংখ্যা, যা আমার ভালো লাগে না। তবুও আমি এখানে আছি।”

    জন্মদিনে এলাহি আয়োজন (Donald Trump)

    এদিন নিজের জন্মদিন উপলক্ষে হোয়াইট হাউসের সাউথ লনে বিশাল আকারের একটি আলটিমেট ফাইটিং চ্যাম্পিয়নশিপ (ইউএফসি) ইভেন্টের আয়োজন করেছেন ট্রাম্প। ইউএফসি প্রেসিডেন্ট ডানা হোয়াইটের সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত এই আয়োজনে সাতটি লড়াই অনুষ্ঠিত হয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ২৫০তম বার্ষিকী এবং ফ্ল্যাগ ডে উপলক্ষেও এই অনুষ্ঠানকে বিশেষভাবে উদযাপন করা হচ্ছে বলেও খবর।সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিওতে মজা করে ওজ হোয়াইট হাউসের লনে তৈরি অক্টাগনের দিকে ইঙ্গিত করলে ট্রাম্প তাঁকে অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানান এবং জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানানোর জন্য ধন্যবাদ দিলেও ফের বলেন, “আমায় শুভ জন্মদিন বলতে হবে না।”

    জন্মদিনের অনুষ্ঠানেও কাজ!

    জন্মদিন উদযাপনের মধ্যেও অবশ্য ইরানকে ঘিরে চলা উত্তেজনা নিরসন করতে প্রশাসনের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছেন ট্রাম্প। মার্কিন প্রেসিডেন্ট একাধিকবার কূটনৈতিক অগ্রগতির ইঙ্গিত দিলেও, সম্ভাব্য কোনও সমঝোতার বিষয়ে এখনও স্পষ্ট কোনও তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। এদিকে, আদালতের একটি রায়ের পর ওয়াশিংটনের কেনেডি সেন্টার থেকে ট্রাম্পের নাম সরিয়ে নেওয়ার ঘটনাও চর্চার বিষয় হয়েছে। জন্মদিন উদযাপনের আবহেই মধ্যেই শুরু হয়েছে এই নতুন বিতর্ক (Donald Trump)। প্রসঙ্গত, ট্রাম্পের এই আয়োজনের সঙ্গে প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের ৮০তম জন্মদিনের উদযাপনের পার্থক্যও মার্কিন মুলুকে চর্চার বিষয় হয়েছে। ২০২২ সালে বাইডেন হোয়াইট হাউসে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ব্যক্তিগতভাবে জন্মদিন পালন করেছিলেন।

    আয়োজন নিয়ে বিতর্কের জবাবে সাফাই

    হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র অ্যালিসন শুস্টার ইউএফসি আয়োজনের সপক্ষে যুক্তি দিয়ে বলেন, “ফ্ল্যাগ ডে এবং আমেরিকার ২৫০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর প্রাক্কালে জনগণের বাড়ি হোয়াইট হাউসে এমন একটি আয়োজন দেশের জন্য উপযুক্ত শ্রদ্ধার্ঘ্য।” যদিও সমালোচকদের দাবি, ইরান সঙ্কট, মুদ্রাস্ফীতি এবং প্রশাসনের জনপ্রিয়তা হ্রাসের মতো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু থেকে জনসাধারণের দৃষ্টি ঘোরাতেই এই জমকালো অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। কেউ কেউ একে প্রাচীন রোমের ‘ব্রেড অ্যান্ড সার্কাসেস’ কৌশলের সঙ্গে তুলনা করেছেন। এদিকে, বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ইউএফসি ব্যয় বহন করলেও, অনুষ্ঠানস্থল সাজাতে ৬০ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি অর্থ এবং বিপুল শ্রমঘণ্টা ব্যয় হয়েছে (Turns 80)। ট্রাম্প পরিবারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ক্রিপ্টোকারেন্সি প্রতিষ্ঠান ওয়ার্ল্ড লিবার্টি ফাইন্যান্সিয়াল বিজয়ী যোদ্ধাদের জন্য আড়াই লাখ ডলারের বিশেষ বোনাস স্পনসর করায়ও নয়া বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে (Donald Trump)।

     

  • Hindus Under Attack: ভারত তো বটেই, হিন্দু নির্যাতন চলছে বাংলাদেশেও, ঝলকে এই সপ্তাহের ছবি

    Hindus Under Attack: ভারত তো বটেই, হিন্দু নির্যাতন চলছে বাংলাদেশেও, ঝলকে এই সপ্তাহের ছবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অব্যাহত হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ। ভারত তো বটেই, বিশ্বের বহু অঞ্চলেও এই নির্যাতন ধীরে ধীরে এক ধরনের গণহত্যার রূপ নিচ্ছে (Hindus Under Attack)। কয়েক দশক ধরে বিশ্ব এই আক্রমণের প্রকৃত গভীরতা ও ব্যাপ্তি উপেক্ষা করে আসছে, যা খুবই উদ্বেগজনক (Roundup Week)। হত্যা, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, উৎসবে হামলা, মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, ঘৃণা ভাষণ, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য পর্যন্ত, সর্বত্র হিন্দুরা তাঁদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণ এবং নজিরবিহীন হিন্দু-বিদ্বেষের সম্মুখীন হচ্ছেন। এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক ৭ থেকে ৬ জুন, ২০২৬ – পর্যন্ত পর্বে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন ঘটনার জলছবি।

    জমি জালিয়াতির অভিযোগ (Hindus Under Attack)

    বেঙ্গালুরুর সোমানাহাল্লিতে মুসলিম সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে বিশাল এক জমি জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ, কবরস্থানের জন্য কয়েক কোটি টাকা মূল্যের একর ছয়েক জমি একটি মুসলিম পরিবারকে ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। অথচ স্থানীয় হাজার হাজার হিন্দুর জন্য রয়েছে খুবই ছোট আকারের একটি সমাধিস্থল এবং শ্মশান। সমাজকর্মীদের অভিযোগ, কবরস্থান করতে গিয়ে এলাকার একটি পুরনো হনুমান মন্দির সরিয়ে ফেলা হয়েছে। ঘটনার জেরে সৃষ্টি হয়েছে ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যবাহী স্থানগুলির সুরক্ষা নিয়ে উদ্বেগ।কর্নাটকে ২০ লাখের কাছাকাছি অবৈধ বাংলাদেশি বসবাস করছে—ভাইরাল হওয়া এমন একটি দাবিকে কেন্দ্র করে সৃষ্টি হয়েছে নয়া বিতর্কের। এহেন দাবির সত্যতা নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন থাকলেও, অনুপ্রবেশ, নিরাপত্তা এবং জনসংখ্যাগত প্রভাব নিয়ে আলোচনা তীব্র হয়েছে।

    ধর্মান্তরকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা

    উত্তরপ্রদেশে আয়ুষ মালিক ওরফে মোহাম্মদ আলির ধর্মান্তরকে ঘিরেও শুরু হয়েছে বিতর্ক। পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে প্রভাব খাটিয়ে এবং মানসিক চাপের মাধ্যমে তাঁকে ধর্ম পরিবর্তনে উদ্বুদ্ধ করা হয়েছিল। অভিযোগ পেয়ে তদন্ত শুরু প্রশাসন। মহারাষ্ট্রের পালঘরে এক তরুণীকে ধর্ষণ ও তাঁর নাবালিকা বোনের ওপর যৌন নির্যাতনের অভিযোগে বছর বাইশের এক যুবকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। ভারতীয় ন্যায় সংহিতা এবং পকসো আইনে মামলা রুজু করে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করার চেষ্টা চলছে। কর্নাটকের ধারওয়াড়ে তফশিলি জাতির এক কিশোরীর মৃত্যুকে ঘিরে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। অভিযোগ, প্রলোভন দেখিয়ে তাকে যৌন নির্যাতন করা হয়েছিল। দীর্ঘদিন ধরে লালসার শিকার হয়েছিল সে। স্থানীয়দের চাপে পড়ে দুই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তদন্তে কিছু ডিজিটাল প্রমাণ উদ্ধার হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে পুলিশের তরফে।

    গো-মাংসের বিরিয়ানি নিয়ে বিতর্ক

    অসমের গোলপাড়া জেলার একটি স্কুলে গরুর মাংসের বিরিয়ানি নিয়ে এসেছিল এক ছাত্র। সে সেই বিরিয়ানি তার দুই হিন্দু সহপাঠীকে খেতে উৎসাহিত করে বলে অভিযোগ। ঘটনায় ব্যাপক বিতর্কের সৃষ্টি হয়। অভিযোগের ভিত্তিতে ওই ছাত্রের মায়ের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। শুরু হয়েছে তদন্ত।

    হিন্দু নির্যাতন বাংলাদেশেও

    ভারতের পাশাপাশি হিন্দু নির্যাতন চলছে পড়শি দেশ বাংলাদেশেও। সেখানে সংখ্যালঘু হিন্দুদের ওপর হামলা এবং নির্যাতনের অভিযোগেও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন ও স্থানীয় সূত্রের দাবি, জমি দখল, মন্দির ভাঙচুর, ধর্ম অবমাননার মিথ্যা অভিযোগ, মহিলাদের ওপর হিংসা এবং সামাজিক ভীতি প্রদর্শনের মতো ঘটনার মাধ্যমে সংখ্যালঘুদের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। যশোর জেলার মণিরামপুর উপজেলার পারখাজুরা মালোপাড়া গ্রামে জমি বিবাদকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া অশান্তির জেরে জখম হন একটি সংখ্যালঘু পরিবারের আট সদস্য। স্থানীয়দের দাবি, সশস্ত্র হামলায় পরিবারের সদস্যরা গুরুতরভাবে জখম হন। তদন্ত করছে পুলিশ।জয়পুরহাটে ধান কাটাকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে দিনমজুর শ্যামল চন্দ্র মালিকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্রে খবর, প্রকাশ্য দিবালোকে সংঘটিত এই ঘটনায় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মধ্যে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। শুরু হয়েছে তদন্ত।

    রামের মূর্তি গড়া বন্ধ

    বাংলাদেশেরই (Bangladesh) একটি ঐতিহ্যবাহী হিন্দু মন্দিরে ভগবান রামের একটি মূর্তি তৈরির কাজ শুরু হয়েছিল। মূর্তি নির্মাণের  কাজের খবর প্রকাশ্যে আসতেই কোমর বেঁধে মাঠে নামে স্থানীয় বেশ কয়েকটি উগ্রপন্থী ও মৌলবাদী ইসলামি সংগঠন। মসজিদ ও সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে এই মূর্তি নির্মাণের বিরুদ্ধে তীব্র উস্কানিমূলক প্রচার শুরু হয়। পরিস্থিতি দ্রুত জটিল আকার ধারণ করে যখন মৌলবাদীরা দলবদ্ধ হয়ে মন্দির প্রাঙ্গনের (Bhagwan Ram Murti) বাইরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে। প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিযোগ, বিক্ষোভকারীরা প্রকাশ্য দিবালোকে হুমকি দেয় যে, যদি অবিলম্বে রামমূর্তির নির্মাণের কাজ বন্ধ করা না হয়, তবে মন্দির ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে। মন্দিরের পুরোহিত এবং মূর্তি গড়ার কারিগরদের প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এর পরেই বন্ধ হয়ে যায় মূর্তি নির্মাণের কাজ।

    প্রসঙ্গত, অধিকাংশ ঘৃণাজনিত অপরাধ হিন্দু-বিরোধী বিদ্বেষের জের। এসবই ধর্মীয় শিক্ষা ও রাজনৈতিক মতাদর্শে নিহিত রয়েছে বলে দাবি। ইসলামিক দেশগুলিতে হিন্দু-বিরোধী ঘৃণা স্পষ্ট হলেও, ভারতের মতো তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠান ও জনপরিসরেও আরও সূক্ষ্ম ধরনের হিন্দু-বিরোধী মনোভাব রয়েছে, যা হিন্দু-বিদ্বেষ ও ঘৃণাজনিত অপরাধের সহায়ক পরিবেশ তৈরি করে। এই সূক্ষ্ম, দৈনন্দিন বৈষম্য অনেক সময় নজরে আসে না, যদি না কেউ প্রচলিত আইন ও ঘটনাপ্রবাহ বিশ্লেষণ করে। দীপাবলিতে ধীরে ধীরে আতশবাজির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি এর একটি উদাহরণ। আপাতভাবে এটি দূষণ-সংক্রান্ত মনে হলেও, বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে হিন্দু উৎসবগুলির ওপর বিধিনিষেধ এবং নিষেধাজ্ঞার পেছনে যৌক্তিকতার অভাব লক্ষ্য (Hindus Under Attack) করলে দ্বিচারিতা (Roundup Week) স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

     

  • Coaching Vandalism Row: নেপালে রহস্য মৃত্যু রৌশন স্যারের ভাইয়ের, খান স্যার কোচিং ভাঙচুর বিতর্কে নয়া মোড়

    Coaching Vandalism Row: নেপালে রহস্য মৃত্যু রৌশন স্যারের ভাইয়ের, খান স্যার কোচিং ভাঙচুর বিতর্কে নয়া মোড়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রহস্যজনকভাবে মৃত্যু হল বিহারের জনপ্রিয় শিক্ষক রৌশন আনন্দ (রৌশন স্যার)-এর ভাই প্রিন্স আনন্দের। বর্তমানে নেপালে ছিলেন (Coaching Vandalism Row) তিনি। অনুমান, মৃত্যুর সময় মদ্যপ অবস্থায় ছিলেন তিনি। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে ময়নাতদন্তের রিপোর্টের অপেক্ষায় নেপাল পুলিশ। প্রিন্সের সঙ্গে থাকা পাঁচ বন্ধুকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে নেপাল পুলিশ। জানা (Khan Sir) গিয়েছে, মৃত্যুর আগে নেপালে প্রিন্সের সঙ্গে ছিলেন অন্তত ছ’জন বন্ধু। খবর পেয়ে প্রিন্সের পরিবারের সদস্যরা রওনা দিয়েছেন নেপালের উদ্দেশে।

    নেপালে প্রিন্সের মৃত্যুতে রহস্য (Coaching Vandalism Row)

    পাটনার একটি ভাঙচুর মামলায় গ্রেফতার হয়ে জেলে রয়েছেন রৌশন স্যার। এই ঘটনায় তাঁর ভাই প্রিন্সের নামও অভিযুক্তদের তালিকায় ছিল। এমন পরিস্থিতিতে তাঁর রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। রৌশন স্যার এবং জনপ্রিয় শিক্ষক খান স্যার (ফয়সাল খান)-এর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা চলে আসছে। পাটনার জ্ঞান বিন্দু জিএস অ্যাকাডেমি এবং খান গ্লোবাল স্টাডিজের মধ্যে এই বিরোধ একাধিকবার সংঘর্ষ, ভাঙচুর এমনকি গুলিচালনার পর্যায়েও পৌঁছেছে। সম্প্রতি খান স্যারের কোচিং সেন্টারে হামলার ঘটনায় গ্রেফতার হন রৌশন স্যার। এদিকে, খান স্যার আদালত থেকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন পান। এর মধ্যেই নেপালে প্রিন্সের মৃত্যু জন্ম দিয়েছে (Coaching Vandalism Row) নয়া বিতর্কের।

    দুই স্যারের বিবাদ

    জানা গিয়েছে, ২০২১ সালেও প্রিন্সের বিরুদ্ধে খান স্যারের কোচিং সেন্টারে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছিল। অভিযোগ ছিল, তিনি ক্লাসরুমে ঢুকে হিংসাত্মক আচরণ করেছিলেন। খান স্যার আগে একাধিকবার অভিযোগ করেছেন, রৌশন স্যার তাঁর প্রতিষ্ঠানে বোমা নিয়ে হামলা ও কর্মীদের ওপর আক্রমণের ঘটনায় জড়িত। আবার, রৌশন স্যারের দাবি, ২০২৩ সালে তাঁর কোচিং সেন্টারে ভাঙচুরের ঘটনার নেপথ্যে ছিলেন খান স্যার। জানা গিয়েছে, বিহার পুলিশ নিয়োগ পরীক্ষার ফলকে কেন্দ্র করে দুই কোচিং সেন্টারের মধ্যে উত্তেজনার পারদ আরও চড়েছে। উভয় প্রতিষ্ঠানই সফল প্রার্থীদের কৃতিত্ব নিজেদের বলে দাবি করায় পোস্টার ছেঁড়া, সমর্থকদের মধ্যে হাতাহাতি এবং সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে (Khan Sir)। প্রসঙ্গত, পাটনার মুসাল্লাহপুর এলাকার কিষান কোল্ড স্টোরেজ ক্যাম্পাসের রাশ কার হাতে থাকবে, তা নিয়েও দুই পক্ষের দীর্ঘদিনের বিবাদ রয়েছে। এই একই ক্যাম্পাস থেকে দুই শিক্ষকের কোচিং সেন্টারও চালানো হয় (Coaching Vandalism Row)।

     

  • Trump: জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী, মুখোমুখি বৈঠক হওয়ার কথা ট্রাম্পের সঙ্গেও

    Trump: জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী, মুখোমুখি বৈঠক হওয়ার কথা ট্রাম্পের সঙ্গেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফ্রান্সে আয়োজিত জি-৭ সম্মেলনে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই সম্মেলনের ফাঁকে আগামী ১৭ জুন দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হওয়ার কথা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Trump) ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। হোয়াইট হাউসের এক প্রবীণ কর্তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, জি-৭ নেতৃবৃন্দ, আমন্ত্রিত অংশীদার দেশ এবং প্রযুক্তি সংস্থার শীর্ষ কর্তাদের সঙ্গে যৌথ মধ্যাহ্নভোজে যোগ দেওয়ার আগে বৈঠকে (PM Modi) বসবেন মোদি-ট্রাম্প।

    মোদি-ট্রাম্প বৈঠক (Trump)

    এই বৈঠকে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, সরবরাহ শৃঙ্খলের স্থিতিশীলতা, বিনিয়োগ অংশীদারিত্ব, এআই (AI) এবং বৈশ্বিক নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ভারত-মার্কিন বাণিজ্যিক সম্পর্ক, জ্বালানি সহযোগিতা, এইচ-ওয়ান বি (H-1B) ভিসা নীতি, আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং পশ্চিম এশিয়ার বর্তমান পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা হতে পারে। গত বছরের ‘অপারেশন সিঁদুরে’র পর এই প্রথম দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হতে চলেছে মোদি-ট্রাম্পের মধ্যে। তাই সাম্প্রতিক কূটনৈতিক টানাপোড়েনের প্রেক্ষাপটে এই বৈঠক বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই ধারণা আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের।

    জি-৭ শীর্ষ সম্মেলন

    সোমবার ওয়াশিংটন থেকে রওনা হয়ে ফ্রান্সে যাবেন ট্রাম্প (Trump)। জি-৭ সম্মেলনের পাশাপাশি ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রঁ-সহ বিভিন্ন বিশ্বনেতার সঙ্গে বৈঠক করবেন তিনি। এদিকে, ইতিমধ্যেই স্লোভাকিয়ার উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকে ফের ১৬ জুন ফ্রান্সে পৌঁছনোর কথা তাঁর। ১৫ থেকে ১৭ জুন ফ্রান্সের এভিয়াঁ-লে-ব্যাঁ শহরে অনুষ্ঠিত হবে জি-৭ শীর্ষ সম্মেলন। ফরাসি প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণে এই সম্মেলনে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। এটি হবে জি-৭ সম্মেলনে তাঁর টানা সপ্তমবার অংশগ্রহণ, যেখানে ভারত ‘গ্লোবাল সাউথে’র অন্যতম প্রধান কণ্ঠস্বর হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

    আন্তর্জাতিক মহলের নজর

    হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, এবারের জি-৭ সম্মেলনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত অগ্রাধিকারগুলিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ওপর জোর দেওয়া হবে (PM Modi)। বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদ, সাপ্লাই চেন নিরাপত্তা, অবৈধ অভিবাসন মোকাবিলা এবং এআইয়ের ক্ষেত্রে উদ্ভাবন নিয়ে আলোচনা হবে। যদিও ট্রাম্প-মোদি বৈঠকের বিস্তারিত কর্মসূচি এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি, তবুও এই বৈঠকের দিকেই তাকিয়ে আন্তর্জাতিক মহল (Trump)।

     

  • Bharat innovates 2026: ‘ভারত ইনোভেটস ২০২৬’-এর উদ্বোধন মোদি-ম্যাক্রঁর, ফ্রান্স সফরে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে যোগ ভারতের প্রধানমন্ত্রীর

    Bharat innovates 2026: ‘ভারত ইনোভেটস ২০২৬’-এর উদ্বোধন মোদি-ম্যাক্রঁর, ফ্রান্স সফরে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে যোগ ভারতের প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, রবিবার ‘ভারত ইনোভেটস ২০২৬’-এর (Bharat innovates 2026) উদ্বোধন করছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রঁ। ফ্রান্সের নিস শহরে আয়োজন করা হয়েছে এই অনুষ্ঠানের। ভারতের শিক্ষা মন্ত্রকের উদ্যোগে আয়োজিত (Universities Investors) এই আন্তর্জাতিক উদ্ভাবনী সম্মেলন ভারতের ডিপ-টেক স্টার্টআপ ও উদ্ভাবনকে বৈশ্বিক বিনিয়োগকারীদের সামনে তুলে ধরার একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে।

    প্রধানমন্ত্রীর সফরের মূল লক্ষ্য (Bharat innovates 2026)

    শনিবারই নিসে পৌঁছন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর এই ফ্রান্স সফরে নিস, এভিয়াঁ এবং প্যারিসে একাধিক কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার কথা। সফরের মূল লক্ষ্য ভারত-ফ্রান্স দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করা এবং বহুপাক্ষিক সহযোগিতার নয়া দিগন্ত উন্মোচন করা। চলতি সফরে প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রঁর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর দ্বিপাক্ষিক বৈঠকও হবে। ফেব্রুয়ারি মাসে হওয়া বৈঠকের পর থেকে এই দুই দেশের সহযোগিতার অগ্রগতি পর্যালোচনা করার পাশাপাশি ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়েও আলোচনা করবেন দুই নেতা। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়েও হবে মতবিনিময়।

    ‘ভারত ইনোভেটস ২০২৬’

    ‘ভারত ইনোভেটস ২০২৬’-এ অংশ নিচ্ছেন প্রায় ১২০ জন ভারতীয় উদ্ভাবক, প্রায় ১৫টি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান (HEI), ৫০০-রও বেশি বিনিয়োগকারী, শীর্ষ কর্পোরেট সংস্থা, ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ফার্ম, বিশ্বখ্যাত সিইও এবং শিল্পক্ষেত্রের নেতারা। এই সম্মেলনে (Bharat innovates 2026) অ্যাডভান্সড কম্পিউটিং, সেমিকন্ডাক্টর, মহাকাশ প্রযুক্তি, বায়োটেকনোলজি, শক্তি, স্বাস্থ্যসেবা এবং উৎপাদন শিল্প-সহ মোট ১৩টি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে ভারতের উদ্ভাবনী সক্ষমতা ও ডিপ-টেক ইকোসিস্টেম তুলে ধরা হবে। ফ্রান্স সফরে রওনা হওয়ার আগে প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁর সঙ্গে ‘ভারত ইনোভেটস ২০২৬’-এর উদ্বোধনের অপেক্ষায় রয়েছেন তিনি। তাঁর কথায়, “ভারত-ফ্রান্স ইনোভেশন বর্ষ ২০২৬-এর প্রেক্ষাপটে এই অনুষ্ঠান ভারতের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে উঠে আসা উদ্ভাবনকে বৈশ্বিক বিনিয়োগের সঙ্গে যুক্ত করার ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা নেবে।”

    উদ্ভাবনী ইকোসিস্টেম

    এই প্রথম আয়োজিত ‘ভারত ইনোভেটস ২০২৬’ ভারতীয় স্টার্টআপ ও ডিপ-টেক উদ্ভাবকদের আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারী ও শিল্পমহলের সঙ্গে যুক্ত করবে। সম্মেলনে গবেষণা ও উন্নয়ন, প্রযুক্তি সহযোগিতা, স্টার্টআপ সম্প্রসারণ, সীমান্ত-পার বিনিয়োগ এবং উদীয়মান প্রযুক্তির যৌথ উন্নয়ন নিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা হচ্ছে বলেই আশা ওয়াকিবহাল মহলের। অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ভারত ও ফ্রান্সের উদ্ভাবনী ইকোসিস্টেমের মধ্যে নতুন প্রাতিষ্ঠানিক অংশীদারিত্ব, প্রযুক্তি বিনিময়, যৌথ গবেষণা এবং উৎপাদন সহযোগিতার নতুন সুযোগ তৈরি হবে বলেও জানানো হয়েছে। এর পাশাপাশি সুগম হবে ভারতীয় উদ্ভাবনকে (Bharat innovates 2026) আন্তর্জাতিক বাজারে পৌঁছে দেওয়া, প্রযুক্তি স্থানান্তর এবং বৈশ্বিক সম্প্রসারণের পথও।

    মোদির সফর

    উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে মুম্বইয়ে মোদি-ম্যাক্রঁ যৌথভাবে ‘ভারত-ফ্রান্স ইনোভেশন বর্ষ ২০২৬’-এর সূচনা করেছিলেন। নিসে পৌঁছনোর পর (Universities Investors) ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে ঐতিহ্যবাহী ভারতীয় নৃত্যের বিশেষ পরিবেশনার মাধ্যমে স্বাগত জানানো হয়। ‘Echoes of Tradition, Spirits of Innovation’ শীর্ষক সেই অনুষ্ঠানে কথক, ওডিশি ও ভরতনাট্যম পরিবেশন প্রমাণ করে যে, ভারতের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও আধুনিক উদ্ভাবনী চেতনা একসূত্রে গাঁথা। ফ্রান্স সফর শেষে প্রধানমন্ত্রী দু’দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে যাবেন স্লোভাক প্রজাতন্ত্রে। সেখান (Bharat innovates 2026) থেকে এভিয়াঁয় পৌঁছে ১৬ ও ১৭ জুন অনুষ্ঠিত জি৭ সম্মেলনে অংশ নেবেন তিনি।

     

  • Trinamool Crisis: অমিত সকাশে তৃণমূলের সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, বুয়া-সঙ্গ ছাড়লেন মানস ভুঁইয়া, কোন দিকে গড়াচ্ছে বঙ্গ রাজনীতির জল?

    Trinamool Crisis: অমিত সকাশে তৃণমূলের সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, বুয়া-সঙ্গ ছাড়লেন মানস ভুঁইয়া, কোন দিকে গড়াচ্ছে বঙ্গ রাজনীতির জল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নয়াদিল্লিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের (Amit Shah) সঙ্গে বৈঠক করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের (Trinamool Crisis) বর্ষীয়ান সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলার শাসক এবং শাসিত দুই দলের এই দুই প্রতিনিধির এই বৈঠক ঘিরে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। শনিবার এই বৈঠকের আগে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন সুদীপ। সেই বৈঠকে তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বিদ্রোহী তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী রায়।

    তৃণমূলে ফের ‘রামধাক্কা’ (Trinamool Crisis)

    সুদীপের এই বৈঠকের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তৃণমূলে লাগে আরও এক ‘রামধাক্কা’। তৃণমূলের প্রবীণ নেতা তথা প্রাক্তন মন্ত্রী মানস ভুঁইয়া দল ছাড়েন। বছর চুয়াত্তরের মানস জানান, বর্তমানে দলে যে সঙ্কট চলছে, তাতে তিনি অসন্তুষ্ট। তাই দল ছেড়েছেন তিনি। তবে ভবিষ্যতে কোন রাজনৈতিক পথে বাঁক নেবেন তিনি, তা স্পষ্ট করেননি পোড়খাওয়া এই রাজনীতিক। এদিকে, সোমবার লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার সঙ্গে বৈঠকে বসতে চলেছেন তৃণমূলের ২০ জন বিদ্রোহী সাংসদ। সেখানে তাঁরা পৃথক সংসদীয় গোষ্ঠীর স্বীকৃতি এবং আলাদা আসন বিন্যাসের দাবি জানাবেন বলে খবর।

    বিদ্রোহ চারিদিকে

    বিদ্রোহী শিবিরের সাংসদ জগদীশ চন্দ্র বর্মা বসুনিয়ার দাবি, তৃণমূলের ২৮ জন লোকসভা সাংসদের মধ্যে ইতিমধ্যেই ১৯ জন তাঁদের পাশে রয়েছেন। সুদীপ তাঁদের সঙ্গে যোগ দিলে সংখ্যাটা বেড়ে হবে ২০। বিদ্রোহী শিবিরের নেত্রী কাকলি ঘোষ দস্তিদার জানিয়েছেন, পৃথক গোষ্ঠী হিসেবে স্বীকৃতি পেলে তাঁরা সংসদে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকারকে সমর্থন করবেন। এহেন পরিস্থিতিতে তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ সুদীপের তীব্র সমালোচনা করেছেন। তাঁর অভিযোগ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সুদীপকে সম্মান ও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিলেও, তিনি সেই বিশ্বাসের মর্যাদা রাখেননি। কুণালের দাবি, ক্ষমতা ও পদলাভের লোভ থেকেই সুদীপ দলীয় নেতাদের দূরে সরিয়ে দিয়েছেন। তাই বহু গুরুত্বপূর্ণ নেতা দল ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন।

    কুণালের নিশানায়

    তিনি আরও (Trinamool Crisis) দাবি করেন, সম্প্রতি মমতার বাসভবনে সিআইডি অভিযানের সময় সুদীপ তাঁকে ফোন করে তাঁর অবস্থান জানতে চেয়েছিলেন এবং জানিয়েছিলেন যে তাঁর স্ত্রী নয়না সেখানে আসবেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সুদীপ আসেননি। কুণাল বলেন, “দিদির বাড়িতে না গিয়ে সুদীপদা এখন বিজেপির দরজায় পৌঁছে গিয়েছেন (Amit Shah)।” সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে “বিশ্বাসঘাতক” বলেও আক্রমণ করেন কুণাল। তাঁর অভিযোগ, তিনি শুধু দলের নেতৃত্বকেই নয়, ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে যাঁরা তাঁর হয়ে কাজ করেছেন এবং তাঁকে ভোট দিয়েছেন, তাঁদের সঙ্গেও বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন। তৃণমূলের বর্ষীয়ান সাংসদ সৌগত রায় জানান, কয়েকদিন আগেও সুদীপ দল ছাড়ছেন না বলে আশ্বস্ত করেছিলেন তাঁকে। পরে ভূপেন্দ্র যাদবের সঙ্গে সুদীপকে বৈঠক করতে দেখে তিনি অত্যন্ত মর্মাহত বলে জানান সৌগত।

    ডামাডোলের বাজারে সংগঠন সাজাচ্ছেন মমতা!  

    এদিকে, দলের এই ডামাডোলের বাজারের মধ্যেই সাংগঠনিক স্তরে একাধিক পরিবর্তনের কথা ঘোষণা করেছে তৃণমূল। সায়নী ঘোষের পরিবর্তে অর্ণব বন্দ্যোপাধ্যায়কে যুব সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে (Trinamool Crisis)। মহিলা সংগঠনের নতুন সভানেত্রী হয়েছেন আলিফা আহমেদ। উত্তর কলকাতা সাংগঠনিক জেলার সভাপতি পদ থেকে সুদীপকে সরিয়ে সেখানকার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে কুণালকে। সংখ্যালঘু সেলের সভাপতি হয়েছেন মুসারফ হোসেন। এরই মধ্যে রাজ্য বিধানসভায়ও সামনে চলে এল তৃণমূলে বড় ভাঙনের ছবি। দলের ৮০ জন বিধায়কের মধ্যে ৬৪ জন আলাদা গোষ্ঠী গঠন করে স্পিকারের স্বীকৃতি পেয়েছেন। সেই গোষ্ঠীর নেতা হিসেবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা ঘোষণা করা হয়েছে। যদিও এই স্বীকৃতিকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেছে মমতার নেতৃত্বাধীন তৃণমূল শিবির (Trinamool Crisis)।

    কোথাকার জল কতদূর গড়ায়, এখন সেটাই দেখার (Amit Shah)।

     

LinkedIn
Share