Tag: bangla news

bangla news

  • Dhurandhar-2: “আয়ের অর্ধেক চাই”, ‘ধুরন্ধর-২’-র সাফল্যে অদ্ভুত দাবি পাকিস্তানের লিয়ারির বাসিন্দাদের

    Dhurandhar-2: “আয়ের অর্ধেক চাই”, ‘ধুরন্ধর-২’-র সাফল্যে অদ্ভুত দাবি পাকিস্তানের লিয়ারির বাসিন্দাদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ধুরন্ধর ব্লকবাস্টার। আর ধুরন্ধর ২- (Dhurandhar: The Revenge) আরও বড় হিট। বক্স অফিসে একের পর এক রেকর্ড ভেঙে চলেছে আদিত্য ধরের এই ছবি। ইতিমধ্যেই ১৩০০ কোটির গণ্ডি পার করে গিয়েছে ধুরন্ধর-২ এর বক্সঅফিস কালেকশন। মার্কিন মুলুকেও ধুরন্ধর-২ সবথেকে হিট ভারতীয় সিনেমা। আর ভারতীয় সিনেমার এই সাফল্য দেখে, এবার আজব দাবি পাকিস্তানের বাসিন্দাদের। বিশ্বজুড়ে ধুরন্ধর ২ যে ব্যবসা করছে, সেই লাভের টাকা থেকে ভাগ চাই পাকিস্তানবাসীর। পাকিস্তানের লিয়ারির উপরে তৈরি ধুরন্ধর ও ধুরন্ধর ২-র গল্প। তাই সাফল্যের ভাগ দিতে হবে লিয়ারিবাসীকেও। ওমনই দাবি এলাকার বাসিন্দাদের।

    ভারত টাকা দিলেই উন্নতি সম্ভব

    রণবীর সিংয়ের সিনেমা ব্লকবাস্টার হিট হতেই লিয়ারির বাসিন্দারা সিনেমার লাভের টাকায় ভাগ চেয়ে বসলেন। তাদের দাবি, লিয়ারির রাস্তাঘাট থেকে শুরু করে সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য ধুরন্ধর: দ্য় রিভেঞ্জ সিনেমার আয়ের ভাগ দেওয়া হোক তাদের। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল ভিডিয়োয় লিয়ারির স্থানীয় বাসিন্দাদের বলতে শোনা যাচ্ছে যে সিনেমায় যেহেতু লিয়ারির নাম ও ব্যাকড্রপ ব্যবহার করা হয়েছে, তাই লিয়ারির বাসিন্দাদের লাভবান হওয়া উচিত। এক বাসিন্দা বলেই বসেন যে ভারত যদি টাকা দেয়, তাহলেই একমাত্র রাস্তাঘাটের উন্নতি সম্ভব। আবার অনেকে বলেন যে লিয়ারির জনগণের উন্নয়নের জন্য অন্তত কয়েকশো কোটি টাকা পাঠানো উচিত। যেহেতু পাকিস্তানে সত্যি লিয়ারি নামক জায়গাটি রয়েছে এবং সেখানকার গল্পের উপরে ভর করেই আদিত্য ধরের তৈরি এই দুই সিনেমা বিপুল আয় করেছে, তাই ধুরন্ধর-২ সাফল্যে তাদেরও ভাগ রয়েছে।

    অন্তত ৫০০ কোটি লিয়ারির মানুষদের দিন!

    সম্প্রতি, সমাজমাধ্যমে একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে পাকিস্তানের লিয়ারির বাসিন্দারা ‘ধুরন্ধর ২’-এর সাফল্যে মুখ খুলেছেন। তাঁদের মতে, ‘‘যদি ১০০০ কোটি টাকা আয় করেন , তাহলে অন্তত ৫০০ কোটি লিয়ারির মানুষদের দিন। যদি আপনাদের আয়ের অর্ধেকও দেন, তাহলে এখানকার রাস্তাগুলো তৈরি হয়ে যাবে। বাচ্চারা এগুলোর উপর দিয়ে হাঁটলে পায়ে ফোস্কা পড়ে যায়।’’ ঘটনার সূত্রপাত ছবির চিত্রনাট্য ও চিত্রায়ণ নিয়ে। লিয়ারি এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, ছবিটিতে তাঁদের এলাকা এবং সেখানকার সংস্কৃতিকে অত্যন্ত নেতিবাচকভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। তাঁদের দাবি, ‘ধুরন্ধর ২’ ছবিতে লিয়ারিকে অপরাধের মূল কেন্দ্র এবং সন্ত্রাসবাদের আখড়া হিসেবে দেখানো হয়েছে, যা সেখানকার সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ওপর চরম অপমানজনক প্রভাব ফেলেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, একটি বাণিজ্যিক ছবি নিজের মুনাফার জন্য একটি নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীর সম্মান ধুলোয় মিশিয়ে দিতে পারে না।

  • Agasthya-1 Rocket: ২৪ ঘণ্টার নোটিসেই উৎক্ষেপণ সম্ভব! বিশ্বকে চমকে দিতে প্রস্তুত ইসরোর প্রাক্তন বিজ্ঞানীদের তৈরি ‘অগস্ত্য-১’

    Agasthya-1 Rocket: ২৪ ঘণ্টার নোটিসেই উৎক্ষেপণ সম্ভব! বিশ্বকে চমকে দিতে প্রস্তুত ইসরোর প্রাক্তন বিজ্ঞানীদের তৈরি ‘অগস্ত্য-১’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের মহাকাশ গবেষণায় এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে চলেছে। ভারতের মহকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরোর প্রাক্তন কয়েকজন বিজ্ঞানী মিলে এমন একটি অত্যাধুনিক রকেট তৈরি করেছেন, যাকে কিনা মাত্র ২৪ ঘণ্টার নোটিসে উৎক্ষেপণের জন্য প্রস্তুত করা হতে পারে। অর্থাৎ, গবেষণাগার থেকে উৎক্ষেপণের সময় মাত্র ২৪ ঘণ্টা! এই প্রকল্পটি ভারতের দ্রুত বিকাশমান বেসরকারি মহাকাশ ক্ষেত্রকে নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দিতে পারে।

    বদলে দিতে পারে উৎক্ষেপণের ধারনা

    ভারতের বেসরকারি মহাকাশ খাত দ্রুত গতিতে এগোচ্ছে, আর সেই দৌড়ে নতুন নাম হিসেবে উঠে আসছে গুজরাটের সংস্থা ভারত স্পেস ভেহিকল (Bharath Space Vehicle)। সুরাট-ভিত্তিক এই স্টার্টআপটি তৈরি করছে ‘অগস্ত্য-১’ (Agasthya-1 Rocket) নামের একটি নতুন রকেট, যা ভবিষ্যতে দেশে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের ধরন ও ধারনাই বদলে দিতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। ইসরোর প্রাক্তন বিজ্ঞানীদের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত এই সংস্থার টিমের সম্মিলিত অভিজ্ঞতা ৭০ বছরেরও বেশি। ফলে এটিকে ভারতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বেসরকারি রকেট প্রকল্প হিসেবে দেখা হচ্ছে।

    কী এই ‘অগস্ত্য-১’?

    ‘অগস্ত্য-১’ (Agasthya-1 Rocket) একটি ২৮ মিটার লম্বা, দুই ধাপের (টু-স্টেজ) রকেট। এটি মূলত ছোট স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের জন্য তৈরি করা হয়েছে। সূর্য-সমলয় কক্ষপথে (Sun-synchronous orbit) প্রায় ৫০০ কেজি পর্যন্ত এবং ৪০০ কিমি উচ্চতার নিম্ন-পৃথিবী কক্ষপথে (LEO) প্রায় ৮০০ কেজি পর্যন্ত স্যাটেলাইট বহন করতে সক্ষম এই রকেট। এর সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হল—মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে উৎক্ষেপণের জন্য প্রস্তুত করা যায়। প্রতিরক্ষা, জরুরি পরিস্থিতি বা দ্রুত স্যাটেলাইট মোতায়েনের ক্ষেত্রে এটি বড় সুবিধা দিতে পারে।

    তরল জ্বালানির বিশেষ সুবিধা

    ভারতের বেশিরভাগ ছোট রকেট, যেমন এসএসএলভি, কঠিন জ্বালানি (solid fuel) ব্যবহার করে। কিন্তু ‘অগস্ত্য-১’-এ ব্যবহার করা হচ্ছে তরল অক্সিজেন (LOX) এবং কেরোসিন (RP-1)।

    এর ফলে বড় সুবিধা হল—

    • উৎক্ষেপণের আগে ইঞ্জিন পরীক্ষা করা যায়
    • ‘Test What You Fly’ পদ্ধতি অনুসরণ করা সম্ভব
    • দ্বিতীয় ধাপের ইঞ্জিন প্রায় ৪০ সেকেন্ড পর্যন্ত পরীক্ষা করা যায়
    • স্টেজ আলাদা হওয়া বা ফেয়ারিং বিচ্ছিন্ন করার মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়াও আগে যাচাই করা যায়

    ফলে মিশনের সময় ব্যর্থতার সম্ভাবনা অনেকটাই কমে।

    অভিজ্ঞ নেতৃত্বে প্রকল্প

    এই প্রকল্পের পেছনে রয়েছেন মহাকাশ গবেষণার অভিজ্ঞ ব্যক্তিত্বরা। রয়েছেন এন বেদচালাম — যিনি ইসরোর লিকুইড প্রোপালশন সিস্টেমস সেন্টারের প্রাক্তন ডিরেক্টর এবং পদ্মশ্রী সম্মানপ্রাপ্ত। ভারতের ক্রায়োজেনিক ইঞ্জিন প্রযুক্তি উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল তাঁর। রয়েছেন এসভি শর্মা — যিনি এসএলভি-৩, এএসএলভি, পিএসএলভি এবং জিএসএলভি প্রকল্পে কাজ করেছেন এবং এপিজে আুদুল কালামের সঙ্গেও কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে।

    গুজরাতে নতুন স্পেস হাবের সম্ভাবনা

    বিএসভি গুজরাটের কোদিনার এলাকায় একটি নতুন উৎক্ষেপণ কেন্দ্র গড়ে তোলার পরিকল্পনা করছে। এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে এটি ভারতের প্রথম পশ্চিম উপকূলীয় স্পেসপোর্ট হতে পারে। এছাড়াও সংস্থাটি ইনস্পেস-এর সঙ্গে চুক্তি করেছে, যার ফলে ইসরোর অবকাঠামো ব্যবহারের সুযোগ পাচ্ছে—যা একটি নতুন সংস্থার জন্য বড় সহায়তা।

    ভারতের মহাকাশ ভবিষ্যতে কী প্রভাব?

    ভারতীয় মহাকাশ নীতি ২০২৩ চালু হওয়ার পর থেকেই বেসরকারি সংস্থাগুলির জন্য মহাকাশ খাতের দরজা খুলে গেছে। ফলে একাধিক স্টার্টআপ এখন স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ পরিষেবায় প্রবেশ করছে। ‘অগস্ত্য-১’-এর (Agasthya-1 Rocket) মাধ্যমে বিএসভি দ্রুত, নির্ভরযোগ্য এবং সাশ্রয়ী উৎক্ষেপণ পরিষেবা দেওয়ার লক্ষ্য নিয়েছে। যদি এই প্রকল্প সফল হয়, তাহলে বিশ্বব্যাপী দ্রুত বাড়তে থাকা ছোট স্যাটেলাইট বাজারে ভারতের অবস্থান আরও মজবুত হতে পারে।

  • Mahavir Jayanti 2026: আজ মহাবীর জয়ন্তী, জানুন এই বিশেষ দিনটির ইতিহাস ও মাহাত্ম্য

    Mahavir Jayanti 2026: আজ মহাবীর জয়ন্তী, জানুন এই বিশেষ দিনটির ইতিহাস ও মাহাত্ম্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ মহাবীর জয়ন্তী (Mahavir Jayanti 2026)। জৈন ধর্মের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য উৎসবগুলির মধ্যে একটি হল মহাবীর জয়ন্তী। এই বিশেষ দিনে জন্মগ্রহণ করেছিলেন জৈন ধর্মের ধর্ম গুরু মহাবীর (Lord Mahavir)। তাঁর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে এই দিনটি পালন করা হয়। তিনি জৈন ধর্মের প্রধান গুরু ছিলেন, তিনিই এই ধর্মের প্রচারক ছিলেন। প্রতি বছর চৈত্র মাসের শুক্লপক্ষের ত্রয়োদশী তিথিতে মহাবীর জয়ন্তী পালিত হয়। এই বিশেষ দিনটি জৈন সম্প্রদায়ের মানুষরা আড়ম্বরের সঙ্গে পালন করে থাকেন।

    মহাবীরের জীবন: ঐতিহাসিকতা বনাম আধ্যাত্মিকতা

    ঐতিহাসিক সূত্র ও জৈন গ্রন্থ অনুযায়ী, ভগবান মহাবীর (Lord Mahavir) ৫৯৯ খ্রিস্টপূর্বাব্দে বিহার-এর কুন্দলপুরে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পারিবারিক পরিচয় ছিল রাজকীয়—পিতা সিদ্ধার্থ ও মাতা ত্রিশলা। তাঁর শৈশবের নাম ছিল “বর্ধমান”, যার অর্থ বৃদ্ধি বা সমৃদ্ধি। বলা হয়, তাঁর জন্মের পর রাজ্যে সমৃদ্ধি বৃদ্ধি পায়—এই কারণেই এই নামকরণ। ৩০ বছর বয়সে তিনি রাজকীয় জীবন, সম্পদ, ক্ষমতা—সবকিছু ত্যাগ করেন। এই সিদ্ধান্ত কেবল ব্যক্তিগত আধ্যাত্মিক অনুসন্ধান নয়, বরং তৎকালীন সামাজিক কাঠামোর বিরুদ্ধে এক মৌন প্রতিবাদ। তিনি প্রশ্ন তুলেছিলেন— সত্যিকারের স্বাধীনতা কি বাহ্যিক ক্ষমতায়, না আত্মার মুক্তিতে? ১২ বছর কঠোর তপস্যা, উপবাস, নীরবতা ও ধ্যানের মাধ্যমে তিনি ইন্দ্রিয়জয় করেন। এরপর তিনি অর্জন করেন “কেবল জ্ঞান” (Omniscience)—যা জৈন দর্শনে সর্বোচ্চ জ্ঞান। সাধকদের মধ্যে মহাবীর (Lord Mahavir) যথেষ্ট জনপ্রিয় ছিলেন। তাঁকে শান্তি, সম্প্রীতি, পবিত্রতা, ধর্ম প্রচারকের একজন বলে মনে করা হতো। নির্ভীক, সহনশীল এবং অহিংস হওয়ার কারণে তাঁকে মহাবীর নাম দেওয়া হয়েছিল। ৭২ বছর বয়সে পাওয়াপুরী-তে তিনি মোক্ষলাভ করেন—অর্থাৎ জন্ম-মৃত্যুর চক্র থেকে মুক্তি। মহাবীর ছিলেন জৈন ধর্মের সব থেকে বড় গুরু এবং ২৪তম সর্বশেষ তীর্থঙ্কর।

    মহাবীর জয়ন্তী পালনের নিয়ম-আচার ও সামাজিক গুরুত্ব

    মহাবীর জয়ন্তীর (Mahavir Jayanti 2026) দিন, জৈন ধর্মের লোকেরা প্রভাতফেরি, শোভাযাত্রা বের করেন। তার পরে মহাবীরের মূর্তি সোনা ও রুপোর কলসে অভিষেক করা হয়। এই সময়, জৈন সম্প্রদায়ের গুরু ভগবান মহাবীরের (Lord Mahavir) শিক্ষার কথা বলা হয় এবং সেগুলিকে অনুসরণ করতে শেখানো হয়। পাশাপাশি, সামাজিক কার্যকলাপে যুক্ত হন জৈন ধর্মের মানুষজন। সেখানে দরিদ্রদের সাহায্য করা, পশু-পাখির প্রতি দয়া প্রদর্শন করা এবং রক্তদান ও সামাজিক সেবার মাধ্যমে মহাবীর জয়ন্তী পালন করা হয়। অর্থাৎ, এই উৎসব শুধু আচার নয়—সমাজসেবার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ।

    সত্য ও অহিংসার প্রচারক ছিলেন মহাবীর

    সর্বোপরি মহাবীর জয়ন্তীর (Mahavir Jayanti 2026) উৎসব জৈন ধর্মের প্রতিষ্ঠাতাকে উৎসর্গ করা হয়। তিনি তাঁর জীবদ্দশায় অহিংসা ও আধ্যাত্মিক স্বাধীনতার প্রচার করেছিলেন এবং মানুষকে সকল জীবের প্রতি সম্মান করতে শিখিয়েছিলেন। তাঁর দেওয়া সমস্ত শিক্ষা ও মূল্যবোধ জৈন ধর্ম নামক ধর্মের প্রচারে ব্যবহার কোরা হয়েছিল। তিনি সত্য ও অহিংসার মতো বিশেষ শিক্ষার মাধ্যমে বিশ্বকে সঠিক পথ দেখানোর চেষ্টা করেছিলেন। তাঁর অনেক বক্তৃতা দিয়ে মানুষকে সঠিকভাবে পরিচালিত করেছিলেন। জীবনের আধ্যাত্মিক মার্গের পথ তিনি দেখিয়ে ছিলেন।

    আধুনিক প্রেক্ষাপটে মহাবীরের শিক্ষার (Mahavir Teachings) তাৎপর্য

    • বর্তমান বিশ্বে—যেখানে সহিংসতা, ভোগবাদ ও পরিবেশ সংকট বাড়ছে, ভগবান মহাবীর-এর শিক্ষা নতুন করে প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে।
    • পরিবেশ ও ধারাবাহিক উন্নয়ন— অপরিগ্রহ ও অহিংসা পরিবেশবান্ধব জীবনযাপনের ভিত্তি।
    • সামাজিক সম্প্রীতি— বহুত্ববাদ বিভিন্ন মত ও সংস্কৃতির মধ্যে সহাবস্থান শেখায়।
    • মানসিক স্বাস্থ্য— সংযম ও ধ্যান মানসিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা আনে।

    মহাবীর জয়ন্তী (Mahavir Jayanti 2026) কেবল একটি ধর্মীয় উৎসব নয়—এটি মানবতার এক সার্বজনীন বার্তা। ভগবান মহাবীর আমাদের শিখিয়েছেন— সত্য, অহিংসা ও সংযমই প্রকৃত মুক্তির পথ। তাঁর দর্শন আজও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক এবং ভবিষ্যতের একটি শান্তিপূর্ণ, সহনশীল ও টেকসই বিশ্বের জন্য দিকনির্দেশক।

  • US Iran War: পাকিস্তানের দাবি খারিজ করে ইরান সাফ জানাল পাক নেতৃত্বাধীন কোনও প্রচেষ্টার সঙ্গে তাদের কোনও যোগ নেই

    US Iran War: পাকিস্তানের দাবি খারিজ করে ইরান সাফ জানাল পাক নেতৃত্বাধীন কোনও প্রচেষ্টার সঙ্গে তাদের কোনও যোগ নেই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সরাসরি আলোচনার আয়োজন করতে প্রস্তুত পাকিস্তান। পশ্চিম এশিয়ায় যে যুদ্ধ চলছে, তার প্রেক্ষিতেই এমনতর দাবি করেছে ইসলামাবাদ (Pakistan)। পাকিস্তানের এহেন দাবি খারিজ করে দিয়ে ইরান সাফ জানিয়ে দিয়েছে, পাক নেতৃত্বাধীন এমন কোনও প্রচেষ্টার (US Iran War) সঙ্গে তাদের কোনও যোগ নেই। সোমবার মুম্বইয়ে ইরানের কনসুলেট জেনারেল জানান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি কোনও আলোচনা হয়নি। তবে মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে কেবল অতিরিক্ত ও অযৌক্তিক দাবি জানানো হয়েছে। কনসুলেট আরও জানিয়েছে, পাকিস্তানের যে কোনও মঞ্চ তাদের নিজস্ব বিষয়, সেখানে ইরান অংশ নেয়নি।

    কনসুলেট জেনারেলের বক্তব্য (US Iran War)

    এক বিবৃতিতে কনসুলেট জেনারেল জানান “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি কোনও আলোচনা হয়নি। শুধুমাত্র মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে অতিরিক্ত ও অযৌক্তিক কিছু দাবি এসেছে। আমেরিকার ‘কূটনীতি’ বারবার অবস্থান বদলায়। তবে আমাদের অবস্থান স্পষ্ট। পাকিস্তানের মঞ্চ তাদের নিজস্ব। আমরা তাতে অংশ নিইনি। আঞ্চলিকভাবে যুদ্ধ বন্ধের আহ্বান স্বাগত, তবে মনে রাখতে হবে—কে এই যুদ্ধ শুরু করেছে!”  রবিবার পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী তথা বিদেশমন্ত্রী ইসহাক দার ইসলামাবাদে সৌদি আরব, মিশর ও তুরস্কের বিদেশমন্ত্রীদের সঙ্গে কয়েক ঘণ্টার বৈঠক করার পর এই ঘোষণা করেন। বৈঠকে যুদ্ধের প্রভাব নিয়ে আলোচনা হয়, যার মধ্যে হরমুজ প্রণালীর মাধ্যমে সমুদ্র পথে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ার বিষয়টিও ছিল।

    পাক মন্ত্রীর বক্তব্য

    টেলিভিশনে দেওয়া সাক্ষাৎকারে দার বলেন, “আগত মন্ত্রীরা ইসলামাবাদে সম্ভাব্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনার প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছেন।” দারের দাবি, তিনি ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ ইরানের উচ্চপর্যায়ের সরকারি কর্তাদের সঙ্গে, যেমন প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান ও বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির সঙ্গে একাধিকবার টেলিফোনে কথা বলেছেন। তিনি আরও জানান, পাকিস্তান আমেরিকা প্রশাসনের সঙ্গেও সক্রিয়ভাবে যোগাযোগ রাখছে। রবিবারের ইসলামাবাদ বৈঠকটি কঠোর নিরাপত্তার ঘেরাটোপে অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইজরায়েল বা ইরানের কোনও প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন না (US Iran War)।

    ইরানের বক্তব্য

    ইরানের তাসনিম সংবাদ সংস্থার মতে, তেহরান ওয়াশিংটনের সঙ্গে কোনও আনুষ্ঠানিক আলোচনার কথা স্বীকার করেনি। তবে ইসলামাবাদের মাধ্যমে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রস্তাবিত ১৫ দফা পরিকল্পনার একটি প্রতিক্রিয়া পাঠিয়েছে (US Iran War)। এদিকে, সোমবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েল ইরানের ওপর তাদের হামলা অব্যাহত রাখে। এর জবাবে ইরান কুয়েতের একটি (Pakistan) গুরুত্বপূর্ণ জল ও বিদ্যুৎ কেন্দ্র লক্ষ্য করে বোমা ফাটায় এবং উত্তর ইসরায়েলের একটি তৈল শোধনাগারেও আঘাত হানে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, “ইরান সোমবার থেকে হরমুজ প্রণালী দিয়ে ২০টি তেলবাহী জাহাজ চলাচলের অনুমতি দিতে রাজি হয়েছে, যা তিনি সম্মানের নিদর্শন হিসেবে উল্লেখ করেন। একই সময়ে, ওই অঞ্চলে ইতিমধ্যেই ২,৫০০ মার্কিন মেরিন মোতায়েন রয়েছে (US Iran War) এবং সমসংখ্যক আরও একটি বাহিনী পথে রয়েছে। এর (Pakistan) মধ্যে ট্রাম্প পারস্য উপসাগরে ইরানের খার্গ দ্বীপের তেল টার্মিনাল দখলের সম্ভাবনার কথাও উল্লেখ করেন।

     

  • West Bengal elections 2026: নন্দীগ্রামে মনোনয়নপত্র দাখিল শুভেন্দুর, সঙ্গে ছিলেন দিলীপ-ধর্মেন্দ্রও

    West Bengal elections 2026: নন্দীগ্রামে মনোনয়নপত্র দাখিল শুভেন্দুর, সঙ্গে ছিলেন দিলীপ-ধর্মেন্দ্রও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নন্দীগ্রামে মনোনয়নপত্র (West Bengal elections 2026) জমা দিলেন বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সোমবার শুভেন্দু যখন মনোনয়নপত্র দাখিল করতে যান, তখন তাঁর সঙ্গে ছিলেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানও ছিলেন তাঁদের সঙ্গে।

    মনোনয়নপত্র জমা শুভেন্দুর (West Bengal elections 2026)

    হলদিয়ার মহকুমাশাসকের দফতরে মনোনয়নপত্র জমা দেন রাজ্যের বিদায়ী বিরোধী দলনেতা। শুভেন্দুর দাবি, এদিন রোড শোয়ে জনসমাগম এবং আবেগ দেখে মনে হয়েছে, ভোটাররা তাঁকে এখনই ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করেন। তিনি বলেন, ‘‘ধর্মেন্দ্রজি রোড-শো দেখে বলছিলেন, ‘ইস বার তিন গুণ হোগা।’ আসলে মানুষ চাইছেন এখনই গিয়ে ইভিএমের বোতাম টিপে দেন। মনে হচ্ছে যেন আগামিকালই ভোট। মানুষ আর এক মুহূর্তও অপশাসন চাইছেন না।’’ শুভেন্দু নন্দীগ্রামের বিদায়ী বিধায়ক। একুশের নির্বাচনে তাঁর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী, তৃণমূলের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ‘‘২০২১ সালে ভোটের পাটিগণিতের হিসেবে নন্দীগ্রাম কঠিন ছিল। তখন নন্দীগ্রামে ৬৪ হাজার মুসলিম ভোট ছিল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁদের ভুল বুঝিয়েছিলেন। তিনি সিএএ-কে এনআরসি বলেছিলেন। এখন মুসলিমরা বুঝে গিয়েছেন। তাঁরা এ-ও বুঝে গিয়েছেন, মোদিজি আছেন। অতএব (Suvendu Adhikari) সুশাসন-সুরক্ষা তাঁরা পাবেন। মুসলিমরা ওদের (তৃণমূলের) চক্করে আর পড়ছেন না। আর হিন্দুরা আরও ঐক্যবদ্ধ হয়ে গিয়েছে। তাই নন্দীগ্রাম জয় এখন আরও সহজ (West Bengal elections 2026)।’’

    ‘ভবানীপুরেও লড়াই কঠিন নয়’

    নন্দীগ্রামের পাশাপাশি শুভেন্দু এবার লড়ছেন কলকাতার ভবানীপুর কেন্দ্র থেকেও। এই কেন্দ্রে তাঁর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্বয়ং। শুভেন্দু বলেন, “ভবানীপুরে মমতার বিরুদ্ধে লড়াইও আমার কাছে কঠিন নয়। এসআইআরের পরে ভবানীপুর তো বিজেপিই হয়ে গিয়েছে।” তিনি বলেন, ‘‘আমি জেতার পরে ভবানীপুরে বিজেপি এই প্রখমবার জিতবে, এমনটা নয়। ২০১৪ সালে যখন মোদিজি প্রথমবার প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন, তখন (Suvendu Adhikari) দক্ষিণ কলকাতায় তথাগত রায় প্রার্থী হয়েছিলেন। তখন ভবানীপুর বিধানভায় বিজেপির লিড ছিল ২ হাজার। ওখানে অনুপ্রবেশকারী, ভুয়ো ভোটারদের ভর করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভোটে জিততেন। এসআইআরের পর আর সেটা আর সম্ভব নয় (West Bengal elections 2026)।’’

     

  • PM Modi Rally: ঠাঁই বদল প্রধানমন্ত্রীর প্রথম জনসভার, আলিপুরদুয়ার নয়, মোদির সভা হবে কোচবিহারে

    PM Modi Rally: ঠাঁই বদল প্রধানমন্ত্রীর প্রথম জনসভার, আলিপুরদুয়ার নয়, মোদির সভা হবে কোচবিহারে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জায়গা বদল হল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জনসভার (PM Modi Rally)। ভোটমুখী পশ্চিমবঙ্গে তাঁর প্রথম জনসভা করার কথা ছিল উত্তরবঙ্গের আলিপুরদুয়ারে। ৫ এপ্রিলের ওই সভা বাতিল করে দেওয়া হয়েছে। যদিও ওই দিনই প্রধানমন্ত্রী জনসভা করবেন কোচবিহারের (Cooch Behar) রাসমেলার মাঠে। পাঁচ দিন পর ফের বাংলায় আসবেন তিনি। ১০ এপ্রিল শিলিগুড়িতে রোড-শো করবেন তিনি।

    বঙ্গ সফরে আসছেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)

    ১৪ মার্চ ব্রিগেডে জনসভা করে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তার পরের দিনই বঙ্গ-নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। এর পরেই শুরু হয় জল্পনা, কবে ফের রাজ্যে এসে জনসভা করবেন তিনি। বঙ্গ বিজেপির একাংশ চেয়েছিলেন, রামনবমীর দিন বাংলায় প্রচার শুরু করুন প্রধানমন্ত্রী। পরে শোনা গিয়েছিল মার্চের শেষাশেষি বাংলায় প্রচার শুরু করতে পারেন তিনি। আরও পরে জানা যায়, মার্চ নয়, এপ্রিলের ৫ তারিখে প্রধানমন্ত্রী তাঁর প্রথম জনসভাটি (PM Modi Rally)  করবেন আলিপুরদুয়ারে। পরে জানা যায়, ঠাঁই বদল হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর জনসভার। যদিও তারিখ একই রয়েছে। আলিপুরদুয়ারের পরিবর্তে জনসভা হবে কোচবিহারে।

    নির্বাচন হবে দু’দফায়

    রাজ্যে এবার দু’দফায় নির্বাচন হবে। প্রথম দফার ভোট হবে ২৩ এপ্রিল। তার পর ভোটগ্রহণ হবে ২৯ এপ্রিল। উত্তরবঙ্গের সব আসনেই নির্বাচন হবে প্রথম দফায়। উনিশ সাল থেকে উত্তরবঙ্গ ক্রমেই পরিণত হয় গেরুয়া শিবিরের শক্ত ঘাঁটিতে। একুশের বিধানসভা এবং চব্বিশের লোকসভা নির্বাচনেও উত্তরবঙ্গে ভালো ফল করে পদ্ম-শিবির। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, সেই উত্তরবঙ্গেই প্রথম সভা (PM Modi Rally) করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিজেপির এই অক্লান্ত সৈনিক। এদিকে, প্রধানমন্ত্রীর বঙ্গ সফরে আসার আগেই ‘সঙ্কল্পপত্র’ প্রকাশ করবে বিজেপি। সূত্রের খবর, ৪ এপ্রিলই সঙ্কল্পপত্র প্রকাশ করা হবে।

    রাজ্যের বিরুদ্ধে ‘চার্জশিট’ প্রকাশ

    প্রসঙ্গত, দিন দুয়েক আগেই নিউটাউনের একটি হোটেল থেকে রাজ্যের বিরুদ্ধে অভিযোগে ভরপুর ‘চার্জশিট’ প্রকাশ করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। শাসকদলের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তোলা হয় তাতে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামেও একাধিক অভিযোগ তুলে ধরেছেন তিনি। চার্জশিটের পর এবার প্রকাশিত হবে সংকল্পপত্র। যা নিয়ে ফের চাঞ্চল্য রাজনৈতিক মহলে (Cooch Behar)। জানা গিয়েছে, সঙ্কল্পপত্রে বেশ কয়েকটি বিষয় থাকবে। এর মধ্যে রয়েছে লক্ষ্মীর ভান্ডারের পাল্টা অন্নপূর্ণা ভান্ডারের মাধ্যমে মহিলাদের মাসিক ৩ হাজার টাকা করে দেওয়ার আশ্বাস। ক্ষমতায় আসার ৪৫ দিনের মধ্যেই সপ্তম বেতন কমিশন তৈরি হবে, সীমান্তে অনুপ্রবেশকারীদের রুখতে আরও শক্তিশালী করা হবে বিএসএফকে। চাকরি প্রার্থীদের বয়সে ৫ বছর ছাড়ও দেওয়া হবে। বিজেপির এই সঙ্কল্পপত্র (পড়ুন, ইস্তেহার) প্রকাশ করতে পারেন জেপি নাড্ডা কিংবা নিতিন নবীন।

     

  • Election Commission: তৃণমূল পার্টি অফিসে ক্যারাম খেলার মাশুল! কমিশনের নির্দেশে সাসপেন্ড ৩ সিআরপিএফ জওয়ান

    Election Commission: তৃণমূল পার্টি অফিসে ক্যারাম খেলার মাশুল! কমিশনের নির্দেশে সাসপেন্ড ৩ সিআরপিএফ জওয়ান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কর্তব্যে গাফিলতি এবং নিরপেক্ষতা ভঙ্গের অভিযোগে তিন সিআরপিএফ জওয়ানকে সাসপেন্ড করল নির্বাচন কমিশন। অভিযোগ, রাজ্যে শাসকদল তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ে বসে ঘাসফুল শিবিরের কর্মীদের সঙ্গে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ওই জওয়ানেরা ক্যারম খেলছিলেন। ভোটমুখী বাংলায় (West Bengal Assembly Election 2026) কেন্দ্রীয় বাহিনীর ‘নিরপেক্ষতা’ নিয়ে যখন টানাপড়েন চলছে, ঠিক তখনই বীরভূমের এই ছবি ঘিরে দানা বাঁধল নতুন বিতর্ক। সম্প্রতি এমনই দৃশ্য ভাইরাল হয়েছিল সোশ্যাল মিডিয়ায়। উল্লেখ্য, এর আগে মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) নিমতিতাতেও এক তৃণমূল নেতার (TMC Iftar) ইফতার পার্টিতে যোগ দিয়ে বিতর্কে জড়িয়েছিলেন সাতজন বিএসএফ জওয়ান। তাঁদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছিল কমিশন।

    ভাইরাল ভিডিওয় কী ছবি

    সূত্রের খবর, শনিবার বীরভূমের এক এলাকায় টহল দেওয়ার কথা ছিল কেন্দ্রীয় বাহিনীর। কিন্তু ডিউটি চলাকালীন আচমকাই তিন জওয়ান ঢুকে পড়েন তৃণমূল কংগ্রেসের একটি স্থানীয় কার্যালয়ে। সেখানে বসে থাকা কর্মীদের সঙ্গে আড্ডায় মেতে ওঠেন বলে অভিযোগ। পাশাপাশি শুরু হয় জোরদার ক্যারাম খেলা। প্রায় এক ঘণ্টা ধরে চলে সেই খেলা। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে একেবারে স্পষ্ট দেখা গিয়েছে, তৃণমূল কংগ্রেসের কার্যালয়ে ঢুকে স্থানীয় যুবকদের সঙ্গে ক্যারাম খেলছেন দুজন জাওয়ান। কেন্দ্রীয় বাহিনীর পোশাক পরিহিত একজন পাশেই একটি চেয়ারে বসে রয়েছেন। কোনও দিকে মন না দিয়ে ক্যারামে ফোকাস করেছেন সকলেই। যদিও এই ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম। রাজ্যে আদর্শ আচরণবিধি বলবৎ থাকাকালীন নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা জওয়ানেরা কীভাবে শাসকদলের কার্যালয়ে ঢুকে আড্ডা জমালেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিজেপি।

    কমিশনের কড়া বার্তা

    বিজেপির তরফে কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করার পর বিষয়টি নিয়ে তৎপরতা শুরু হয়। কমিশন সূত্রে খবর, প্রাথমিক তদন্ত ও ভিডিওর সত্যতা যাচাইয়ের পর ওই তিন জওয়ানকে চিহ্নিত করা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে সাসপেন্ড করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ছাব্বিশের নির্বাচনে আর কোনও ডিউটিতে থাকতে পারবেন না এই তিন জওয়ান। এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর এমন ‘উদাসীন’ ও ‘পক্ষপাতমূলক’ আচরণে ক্ষুব্ধ কমিশনের কর্তারা।এর আগেও বিএসএফ-এর কয়েকজন জওয়ানের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠায় তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছিল কমিশন। কিন্তু সেই ঘটনা থেকে যে কোনও শিক্ষাই নেওয়া হয়নি, বীরভূমের ঘটনা তারই প্রমাণ। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, ভোটের মুখে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভাবমূর্তি যাতে কোনওভাবেই কালিমালিপ্ত না হয়, সে বিষয়ে বদ্ধপরিকর নির্বাচন কমিশন।

  • West Bengal Assembly Election: এপ্রিলের শুরুতেই আত্মপ্রকাশ করতে চলেছে বিজেপির ‘সঙ্কল্পপত্র’, কী কী থাকতে পারে?

    West Bengal Assembly Election: এপ্রিলের শুরুতেই আত্মপ্রকাশ করতে চলেছে বিজেপির ‘সঙ্কল্পপত্র’, কী কী থাকতে পারে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের জন্য তৈরি নির্বাচনী (West Bengal Assembly Election) সঙ্কল্পপত্র এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে প্রকাশ করতে চলেছে বিজেপি (BJP)। নবান্নের ১৪ তলায় বিজেপি এলে কী কী করতে চায়, তা বিশদে ঘোষণা করা হবে ইস্তাহারে, যার পোশাকি নাম সঙ্কল্পপত্র। গেরুয়া শিবির সূত্রে খবর, ওই সঙ্কল্পপত্রে সাতটি মূল বিষয়কে তুলে ধরা হচ্ছে অগ্রাধিকারের ক্ষেত্র হিসেবে। সঙ্কল্পপত্র প্রকাশের আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন সরকারের শাসনকালে ‘চার্জশিট’ প্রকাশ করেছে বিজেপি। এবার করা হবে সঙ্কল্পপত্র প্রকাশ। এই সঙ্কল্পপত্রে কী কী থাকতে পারে, তার একটা আভাস মিলেছে।

    দুর্নীতির শ্বেতপত্র প্রকাশ (West Bengal Assembly Election)

    • ক) গত ১৫ বছরে তৃণমূলের অপশাসন ও দুর্নীতির বিষয়ে শ্বেতপত্র প্রকাশ করা হবে। শেষ করা হবে মাফিয়া-শাসন। কয়লা, বালি, পাথরের মতো বিভিন্ন প্রাকৃতিক সম্পদের অবাধ লুটও বন্ধ করা হবে।
    • খ) পশ্চিমবঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্যকে দুষ্কর করে তুলেছে যে সব মাফিয়া সিন্ডিকেট, তাদের প্রতি নেওয়া হবে জিরো টলারেন্স নীতি।
    • গ) তৃণমূল সরকারের ভ্রান্ত সংরক্ষণ নীতি বদলানো হবে। অবৈধভাবে যেসব সম্প্রদায়কে সংরক্ষণের বাইরে রাখা হয়েছে, তাদের সংরক্ষণের আওতায় আনা হবে।
    • ঘ) ‘লক্ষ্মীর ভান্ডার’ প্রকল্পে মাসে দেওয়া হবে ৩,০০০ টাকা করে।
    • ঙ) ‘যুবসাথী’ প্রকল্পের আওতায় মাসে ৩,০০০ টাকা করে সহায়তা দেওয়া হবে বেকার যুবক-যুবতীদের।
    • চ) ক্ষমতায় আসার দেড় মাসের মধ্যেই মিটিয়ে দেওয়া হবে সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ।
    • ছ) রাজ্য সরকারের সব শূন্য পদ পূরণ করা হবে স্বচ্ছ নিয়োগপ্রক্রিয়ার মাধ্যমে (West Bengal Assembly Election)।
    • জ) বিভিন্ন সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পের ওপরে বেকারদের নির্ভরতা কমাতে এমন কিছু প্রশাসনিক পদক্ষেপ করা হবে এবং নীতি প্রণয়ন করা হবে, যা নতুন সংস্থা এবং সুযোগ তৈরি করবে।
    • ঝ) প্রত্যেক বছর রাজ্যের নানা প্রান্তে মোট চারটি করে ‘অগ্নিবীর’ নিয়োগ করতে শিবির করা হবে।
    • ঞ) সেনাবাহিনীতে বেঙ্গল রেজিমেন্ট তৈরির বিষয়ে সক্রিয় হবে বিজেপি পরিচালিত রাজ্য সরকার।
    • ট) ‘রামসর কনভেনশন’ মেনে রাজ্যের জলাভূমি এবং বনভূমি রক্ষা করা হবে।

    মহিলা সুরক্ষায় জোর

    • ক) মেয়েদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে করা হবে সব রকমের পদক্ষেপ। পুলিশের সংবেদনশীলতা বৃদ্ধি, ফাস্ট ট্র্যাক আদালতগুলিকে সক্রিয় করা এবং অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক সাজা দেওয়ার ব্যবস্থাও করা হবে।
    • খ) সীমান্তে নিরাপত্তা নিশ্ছিদ্র করে বন্ধ করা হবে অনুপ্রবেশ।
    • গ) জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থাগুলির সঙ্গে সমন্বয়ের ভিত্তিতে পশ্চিমবঙ্গকে করা হবে জেহাদি-মুক্ত (West Bengal Assembly Election)।
    • ঘ) পাহাড়ে ‘স্থায়ী রাজনৈতিক সমাধান’ করা হবে।
    • ঙ) সাংবিধানিক স্বীকৃতি দেওয়া হবে কুড়মালি ও রাজবংশী ভাষাকে।

    আসবে উন্নয়নের জোয়ার

    অগ্রাধিকার দেওয়া হবে উন্নয়নকেই।

    • ক) ডাবল ইঞ্জিন সরকার হলেই পশ্চিমবঙ্গে বানানো হবে গভীর সমুদ্রবন্দর।
    • খ) দামোদর, রায়ডাক, ভাগীরথীর মতো নদ-নদী এবং গঙ্গাসাগরে সেতু তৈরি করে আন্তঃজেলা যাতায়াতের গতি বাড়ানো হবে।
    • গ) সুন্দরবন থেকে দার্জিলিং পাহাড় পর্যন্ত গোটা রাজ্যকে জাতীয় সড়কের মাধ্যমে জোড়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে। এই দূরত্ব যাতে সাত-আট ঘণ্টায় অতিক্রম করা যায়, তার জন্য তৈরি করা হবে উন্নত সড়ক পরিকাঠামো।
    • ঘ) উত্তরবঙ্গে উন্নতি করা হবে কৃষি, শিল্প এবং পর্যটনের (BJP)।
    • ঙ) মালদা এবং বালুরঘাটের বিমানবন্দরগুলি থেকে যাত্রী পরিবহণ শুরুর ব্যবস্থা করা হবে।
    • চ) জমিজটের গেরো কাটিয়ে রেল প্রকল্পগুলিকে ত্বরান্বিত করা হবে।
    • ছ) বিধানচন্দ্র রায়ের পরম্পরাকে সম্মান জানিয়ে রাজ্যে চারটি নতুন নগরী তৈরি করা হবে।
    • জ) শহরাঞ্চলে বস্তিবাসীদের জীবন যাতে ভালোভাবে কাটে, সেজন্য পরিকাঠামো বাড়ানো হবে বস্তি এলাকায়।

    সঙ্কল্পপত্রে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে রাজ্যেই কাজের ব্যবস্থা করার। জীবন-জীবিকার তাগিদে যাঁরা ভিন রাজ্যে কাজে যান, তাঁদের যাতে ফের যেতে না হয়, তার ব্যবস্থা করা হবে।

    উন্নত গ্রামীণ অর্থনীতির পোক্ত ভিত

    উন্নত করা হবে গ্রামীণ অর্থনীতির ভিতও।

    • ক) কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে রাজ্যে বন্যা নিয়ন্ত্রণের দীর্ঘস্থায়ী ব্যবস্থা করা হবে।
    • খ) সীমান্ত এলাকায় এমন কিছু বাজার তৈরি করা হবে, যাতে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের দু’পারের মানুষই উপকৃত হন।
    • গ) কৃষকদের জন্য বীজ, সার ও কীটনাশকের সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে। এক্ষেত্রে পরিবেশগত বিষয়টিও মাথায় রাখা হবে।
    • ঘ) ধানচাষিরা যাতে ন্যূনতম সহায়ক মূল্য পান, তা নিশ্চিত করা হবে। ফসল কেনাবেচায় দালালরাজ নিয়ন্ত্রণেও পদক্ষেপ করা হবে।
    • ঙ) আলুচাষিদের স্বার্থরক্ষার্থে পদক্ষেপ করা হবে।
    • চ) আইসিএআরের আলু গবেষণা কেন্দ্রের সহযোগিতায় পশ্চিমবঙ্গে একই রকমের সংস্থা তৈরি করা হবে। এটি রাজ্যের আলুচাষিদের কাজে লাগবে।
    • ছ) পশুপালন ও রেশম চাষ বাড়াতে সরকারি-বেসরকারি যৌথ উদ্যোগে উৎসাহ দেওয়া হবে।
    • জ) রাজ্যে হিমঘরের সংখ্যা বাড়াতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হবে (West Bengal Assembly Election)।
    • ঝ) মৎস্যচাষ ও মৎস্যজীবীদের স্বার্থরক্ষা এবং উপার্জন বৃদ্ধির লক্ষ্যেও গুচ্ছের পদক্ষেপ করা হবে।

    রাজ্যে শিল্পের ভবিষ্যৎ

    সঙ্কল্পপত্রে থাকতে পারে শিল্পের ভবিষ্যৎ নিশ্চিতকরণের কথাও।

    • ক) সিঙ্গুরে ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক তৈরি করার লক্ষ্যে স্থানীয় জমি মালিকদের অনুমতি নিয়ে ১,০০০ একর জমি অধিগ্রহণ করা হবে।
    • খ) রাজ্যে উন্নত পরিকাঠামো সম্বলিত চারটি বড় ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক তৈরি করা হবে।
    • গ) খনি-সহ যে কোনও শিল্প স্থাপনের ক্ষেত্রে পরিবেশ বিধি কঠোরভাবে মেনে চলা হবে (BJP)।
    • ঘ) রাজ্যের বিজেপি সরকার দুর্গাপুর এবং বার্নপুরে ইস্পাত কারখানার উন্নয়নে সক্রিয় হবে।
    • ঙ) আসানসোল, দুর্গাপুর, ব্যারাকপুর, হাওড়া এবং তারাতলার শিল্পতালুকগুলির পুনরুজ্জীবনে উদ্যোগ নেওয়া হবে।
    • চ) চা এবং পাট শিল্পের পুনরুজ্জীবন ঘটানো হবে।
    • ছ) প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত শিল্পে বিনিয়োগ আকর্ষণের চেষ্টা হবে। ইছাপুর গান অ্যান্ড শেল ফ্যাক্টরি এবং গার্ডেনরিচ শিপ বিল্ডার্স যাতে জাতীয় গুরুত্বের প্রতিষ্ঠান হয়ে ওঠে, তার জন্য সবরকম চেষ্টা করা হবে।
    • জ) পশ্চিমবঙ্গে একটি সংহত সরকারি পরিবহণ ব্যবস্থা আবার ফেরানো হবে (West Bengal Assembly Election)।
    • ঝ) মহিলা ও ছাত্রছাত্রীদের জন্য সরকারি বাসে নিখরচায় যাতায়াতের বন্দোবস্ত হবে।
    • ঞ) কলকাতা-হাওড়া, বর্ধমান, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর এবং শিলিগুড়িতে ‘লজিস্টিক হাব’ তৈরি করা হবে।
    • ট) বিড়ি শ্রমিক উন্নয়ন তহবিলের মাধ্যমে বিড়ি শ্রমিকদের উন্নয়ন করা হবে।
    • ঠ) বাংলা চলচ্চিত্রের হারানো গৌরব ফেরাতে সচেষ্ট হবে বিজেপি সরকার। সিনে-জগতের ওপরে মাফিয়াদের নিয়ন্ত্রণ শেষ করে ছবির নির্মাতা, অভিনেতা এবং কলাকুশলীদের উপহার দেওয়া হবে সৃজনশীলতার আবহ।
    • ড) পশ্চিমবঙ্গের সংস্কৃতি জগতকে রাজনীতিমুক্ত করার অঙ্গীকারও করা হয়েছে।

    শিক্ষা ব্যবস্থার পুনর্গঠন

    সঙ্কল্পপত্রে শিক্ষা ব্যবস্থার পুনর্গঠনের আশ্বাসও দেওয়া হয়েছে।

    • ক) পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষাদীক্ষার ঐতিহ্য পুনরুদ্ধার করা হবে। সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিকে সর্বাধিক অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। শিক্ষকের অভাব, নিম্নমানের পরিকাঠামো এবং জরাজীর্ণ শ্রেণিকক্ষের ছবি বদলে দেওয়া হবে।
    • খ) বামেদের দ্বারা হওয়া অতি রাজনৈতিকীকরণ এবং তৃণমূলের দুর্নীতিগ্রস্ত কার্যকলাপের জেরে পশ্চিমবঙ্গে উচ্চশিক্ষার যে ক্ষতি হয়েছে, তা মেরামত করায় ব্যাপক গুরুত্ব দেওয়া হবে।
    • গ) পশ্চিমবঙ্গে ‘জাতীয় শিক্ষানীতি-২০২০’ কার্যকর করা হবে।
    • ঘ) স্বচ্ছ নিয়োগপ্রক্রিয়ার মাধ্যমে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে সব শূন্যপদ পূরণ করা হবে।
    • ঙ) উত্তরবঙ্গে আইআইটি এবং আইআইএম প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হবে (West Bengal Assembly Election)।
    • চ) রাজ্যে আরও একটি কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় তৈরির উদ্যোগও নেওয়া হবে।
    • ছ) মেডিক্যাল পড়ার সুযোগ বাড়ানো হবে। সেজন্য কয়েকটি জেলা হাসপাতালকে মেডিক্যাল কলেজ করে তোলা হবে।
    • জ) বাল্যবিবাহ রুখতে তৈরি হবে প্রশাসনিক বন্দোবস্ত।

    স্বাস্থ্য পরিষেবা খাতে উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি

    উন্নয়ন হবে স্বাস্থ্য পরিষেবা খাতেরও (BJP)।

    • ক) প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলিতে প্রয়োজনীয় সংখ্যায় চিকিৎসক ও নার্স রাখা নিশ্চিত করা হবে। সুনিশ্চিত করা হবে পরিচ্ছন্ন, স্বাস্থ্যকর পরিবেশের।
    • খ) স্বাস্থ্য পরিষেবা কেন্দ্রগুলিতে ২৪ ঘণ্টার পরিষেবা নিশ্চিত করা হবে।
    • গ) রাজ্যে এমন স্বাস্থ্যনীতির প্রবর্তন করা হবে, যা প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থায় জোর দেবে।
    • ঘ) বিজেপি ক্ষমতায় আসার সঙ্গে সঙ্গেই ‘আয়ুষ্মান ভারত’ প্রকল্প চালু করা হবে, যাতে বঙ্গবাসী ভারতের যে কোনও প্রান্তের হাসপাতালে নিখরচায় চিকিৎসার সুযোগ পান।
    • ঙ) বিশেষভাবে সক্ষমদের জন্য বিশেষ পরিচয়পত্রের ব্যবস্থা হবে।

    উল্লেখ্য যে, এই সঙ্কল্পপত্র কবে আনুষ্ঠানিকভাবে দিনের আলো দেখবে, তা এখনও জানা যায়নি। তবে এপ্রিলের শুরুতেই কোনও একটি দিনে এটি প্রকাশ করা হতে পারে বলে একটি অসমর্থিত সূত্রের খবর।

    প্রসঙ্গত, এই ‘সঙ্কল্পপত্র’ তৈরি করতে বিশিষ্ট নাগরিকদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে পরামর্শ নিয়েছিলেন বিজেপি নেতারা। নিজেদের রাজ্য দফতরে এবং প্রতিটি জেলায় ‘ড্রপ বক্স’ বসিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকেও লিখিত পরামর্শ চাওয়া হয়েছিল। সব ধরনের পরামর্শ দেখে এবং বিবেচনা করেই এই ‘সঙ্কল্পপত্র’ তৈরি করা হয়েছে বলেই দাবি পদ্ম-নেতৃত্বের (West Bengal Assembly Election)।

     

  • New Tax and Salary Laws: ভারতীয় কর আইনে ব্যাপক সংস্কার, জেনে নিন কী কী বদলে যাচ্ছে ১ এপ্রিল থেকে

    New Tax and Salary Laws: ভারতীয় কর আইনে ব্যাপক সংস্কার, জেনে নিন কী কী বদলে যাচ্ছে ১ এপ্রিল থেকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১ এপ্রিল থেকে ভারতের শ্রম ও কর আইনগুলিতে গুচ্ছের (Financial Life) বড় সংস্কার পুরোপুরি কার্যকর হবে। এতে বেতনের কাঠামো থেকে শুরু করে চাকরি (New Tax and Salary Laws) ছাড়ার পর পাওনা টাকার নিষ্পত্তির সময়সীমা—সব কিছুই বদলে যাবে। একবার দেখে নেওয়া যাক, কী কী পরিবর্তন হয়েছে।

    বেসিক বেতন ইচ্ছাকৃতভাবে কমিয়ে রাখা (New Tax and Salary Laws)

    দীর্ঘদিন ধরে ভারতীয় কোম্পানিগুলি বেসিক বেতন ইচ্ছাকৃতভাবে কম রেখে আসছে। এতে ইপিএফ এবং গ্র্যাচুইটির অবদান কমত, বেশি থাকত হাতে পাওয়া বেতন। দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা এই প্রথারই ইতি হবে চলতি মাসের শেষ দিন। ২০১৯ সালের ‘কোড অন ওয়েজেস’ অনুযায়ী, যা ২১ নভেম্বর ২০২৫ থেকে কার্যকর হয়েছে, এখন ‘বেতনে’র একটি অভিন্ন সংজ্ঞা চালু করা হয়েছে। এর ফলে বেসিক পে + ডিএ + রিটেনিং অ্যালাওয়েন্স = মোট সিটিসির অন্তত ৫০ শতাংশ হতে হবে। প্রাইভেট সেক্টরে সাধারণত ডিএ দেওয়ার চল না থাকায় এবার কোম্পানিগুলিকে বাড়াতে হবে বেসিক বেতন। ৫০ শতাংশের বেশি অ্যালাউন্স থাকলে অতিরিক্ত অংশ বেতনের মধ্যেই গণ্য হবে।

    নয়া নিয়ম সব প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রেই বাধ্যতামূলক

    এই নিয়ম ভারতের সব প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রেই বাধ্যতামূলক। তা সে ছোট স্টার্টআপ হোক কিংবা বড় কর্পোরেটই হোক না কেন। জানা গিয়েছে, নয়া নিয়ম লাগু হলে খানিক কমতে পারে মাসিক হাতে পাওয়া বেতনের পরিমাণ। যদিও ইপিএফে অবদান বাড়বে, বাড়বে গ্র্যাচুইটির পরিমাণও। ফলে দীর্ঘমেয়াদে অবসরকালীন সঞ্চয় উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে। তবে কোম্পানিগুলির খরচ বেড়ে যেতে পারে ৫ থেকে ১৫ শতাংশ পর্যন্ত। বিশেষ করে এর প্রভাব সব চেয়ে বেশি (Financial Life) পড়তে পারে আইটি, বিপিও, রিটেল এবং হসপিটালিটি খাতে। আগে চাকরি ছাড়ার পর বেতন ইত্যাদি বকেয়া টাকা মিলত ৩০ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে। এখন ওই টাকা দিয়ে দিতে হবে দুই কর্মদিবসের মধ্যে। কর্মীদের পাওনা দিতে দেরি হলে, তা হবে আইনি অপরাধ। যদিও এই নিয়মের বাইরে রাখা হয়েছে গ্র্যাচুইটি এবং ইপিএফ ট্রান্সফার করাকে।

    মান্ধাতা আমলের আয়কর আইন বাতিল

    ৬০ বছরের পুরানো আয়কর আইন (১৯৬১) বাতিল হয়ে গিয়ে ২০২৫ সালের নয়া আইন কার্যকর হবে। জানা গিয়েছে, সাধারণ করদাতার জন্য আইন সহজ করতে অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে ট্যাক্স রেট, সহজ করা হয়েছে আইনের ভাষাও, ধারা কমে ৮১৯ থেকে হয়েছে ৫৩৬, অধ্যায় কমে (New Tax and Salary Laws) হয়েছে ৪৭ থেকে ২৩। পরিবর্তন হয়েছে আরও। অ্যাসেসমেন্ট ইয়ার বাদ দিয়ে চালু করা হচ্ছে ‘ট্যাক্স ইয়ার’। উদাহরণস্বরূপ, ১ এপ্রিল ২০২৬ থেকে ৩১ মার্চ ২০২৭ হবে ট্যাক্স ইয়ার ২০২৬-২৭।

    কমানো হয়েছে টিসিএস

    বিদেশে খরচে কমানো হয়েছে টিসিএস। আগে ৭ লাখের নীচে হলে দিতে হত ৫ শতাংশ, ৭ লাখের গন্ডি পার হলেই দিতে হত ২০ শতাংশ। এটাই এখন হয়েছে ২ শতাংশ, কোনও থ্রেশহোল্ড নেই। এটি প্রযোজ্য হবে বিদেশ ভ্রমণ এবং শিক্ষা ও চিকিৎসা রেমিট্যান্স। যদিও কমবে আপফ্রন্ট খরচ। আগে সোভারিন গোল্ড বন্ড (SGB) বিনিয়োগে ম্যাচুরিটিতে লাভ্যাংশ ছিল সম্পূর্ণ করমুক্ত। এখন, কেবল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক থেকে সরাসরি কেনা হলে, তা হবে করমুক্ত। কর দিতে হবে স্টক এক্সচেঞ্জ থেকে কেনা হলে। দীর্ঘ মেয়াদি ক্ষেত্রে করের হার হবে ১২.৫০ শতাংশ। স্বল্প মেয়াদি ক্ষেত্রে এটি আয় হিসেবে যোগ হবে (Financial Life)। বাড়ানো হয়েছে রিটার্ন সংশোধনের সময়ও। আগে ছিল ৯ মাস, এখন হচ্ছে ১২ মাস। যদিও ৯ মাসের পর সংশোধন করলে ফি গুণতে হবে (New Tax and Salary Laws)।

  • Shabbir Ahmad Lone: পাকিস্তানকে আড়ালের চেষ্টা, বাংলাদেশ থেকে ভারত-বিরোধী কার্যকলাপ! দিল্লি থেকে গ্রেফতার লস্কর কমান্ডার লোন

    Shabbir Ahmad Lone: পাকিস্তানকে আড়ালের চেষ্টা, বাংলাদেশ থেকে ভারত-বিরোধী কার্যকলাপ! দিল্লি থেকে গ্রেফতার লস্কর কমান্ডার লোন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লিতে ফের বড়সড় জঙ্গি হামলার ছক বানচাল করল নিরাপত্তাবাহিনী। দিল্লি পুলিশ ও গোয়েন্দা বিভাগ দিল্লির সীমান্ত থেকে গ্রেফতার করেছে লস্কর-ই-তইবা (Lashkar-e-Taiba) জঙ্গি-কমান্ডার শাব্বির আহমেদ লোনকে। অভিযোগ, বাংলাদেশে (Bangladesh) বসেই ভারতে হামলা চালানোর ছক কষেছিলেন শাব্বির (Shabbir Ahmad Lone)। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে কেন্দ্রীয় সংস্থার সঙ্গে দিল্লি পুলিশে বিশেষ শাখা তাঁকে গ্রেফতার করেছে। শাব্বির ওরফে রাজা ওরফে কাশ্মীরি আসলে শ্রীনগর জেলার কাঙ্গানের বাসিন্দা। পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়ের নির্দেশে ভারত-বিরোধী জঙ্গি ক্রিয়াকলাপ পরিচালনাই ছিল তার উদ্দেশ্য।

    বাংলাদেশে ডেরা ছিল লোনের

    সূত্রের খবর, বাংলাদেশে ডেরা ছিল লোনের। অভিযোগ, বাংলাদেশে বসে সেখানকার তরুণদের লস্করের জঙ্গি হিসেবে নিয়োগ করত লোন। ভারতে যে বাংলাদেশের নাগরিকেরা বেআইনি ভাবে বসবাস করত, তাঁদেরও সন্ত্রাসের কাজে লাগানো হত। দিন কয়েক আগে লস্করের সঙ্গে যুক্ত একটি গোষ্ঠীর সদস্যদের ধরতে অভিযান চালায় পুলিশ, গোয়েন্দা। ওই গোষ্ঠী দিল্লি এবং আশপাশের এলাকায় সক্রিয় ছিল। সূত্রের খবর, ওই গোষ্ঠী দিল্লি এবং কলকাতার বিভিন্ন এলাকায় দেশ-বিরোধী পোস্টার লাগিয়েছিল। সেই গোষ্ঠীর সূত্র ধরেই লোনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    দু’দশকের বেশি সময় ধরে লস্করের সঙ্গে যোগ

    গোয়েন্দাদের সূত্র বলছে, দু’দশকের বেশি সময় ধরে লস্করের সঙ্গে যোগ রয়েছে লোনের। মুজফ্‌ফরাবাদে জঙ্গি শিবিরে তার প্রশিক্ষণ হয়েছিল বলেও খবর। ‘দওড়া-এ-আম’ (প্রাথমিক) এবং ‘দওড়া-এ-খাস’ (উচ্চ পর্যায়ের)— দু’ধরনের প্রশিক্ষণই তার হয়েছিল। ২০০৭ সালে অস্ত্র-সহ লোনকে প্রথম বার গ্রেফতার করা হয়েছিল। তার কাছে ছিল একে-৪৭-এর মতো অস্ত্রও। আধিকারিকেরা জানিয়েছিলেন, লস্করের কমান্ডার জাকি-উর-রহমান লাকভি, জামাত-উদ-দাওয়া এবং ২৬ নভেম্বরের মুম্বই হামলার মূলচক্রী হাফিজ সইদের সঙ্গে যোগ ছিল তার। ২০১৮ সাল পর্যন্ত তিহাড় জেলে ছিল লোন। তার পরে জামিনে ছাড়া পায়।

    তিহাড় থেকে বাংলাদেশে

    গোয়েন্দাদের তথ্য অনুযায়ী, তিহাড় থেকে বেরিয়ে বাংলাদেশে চলে যায় শাব্বির। সেখানে লশকরের নেটওয়ার্ক গড়ে তোলে। সদস্যদের নিয়ে ভারতে হামলার ছক কষতে থাকে। পাকিস্তানের হ্যান্ডলারদের সঙ্গেও যোগাযোগ রাখতে থাকে সে। সম্প্রতি লস্করের এক নয়া মডিউলের হদিশ পেয়েছিলেন গোয়েন্দারা। দিল্লি থেকে দক্ষিণ ভারত পর্যন্ত ছড়িয়ে থাকা এই সন্ত্রাসী মডিউলটি দিল্লি ও কলকাতার বহু জায়গায় ভারত বিরোধী পোস্টারও সাঁটায়। যেখানে কাশ্মীরের বুরহান ওয়ানি থেকে পাকিস্তানের উল্লেখ ছিল। এহেন জঙ্গির গ্রেফতারি নিঃসন্দেহে দিল্লি পুলিশের বিরাট সাফল্য। অনুমান করা হচ্ছে দিল্লি ও তার আশপাশ এলাকায় লোনের একাধিক সঙ্গী এখনও সক্রিয় তাদের সন্ধানে শুরু হয়েছে তল্লাশি। পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়ের নির্দেশ দিল্লিতে বড় জঙ্গি হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছিল লোন। যদিও তার আগেই গোয়েন্দা বিভাগের তৎপরতায় গ্রেফতার হল ভয়ঙ্কর এই জঙ্গি।

    পুলিশের জালে শাব্বির

    তদন্তকারীদের তরফে জানা যাচ্ছে, শুধু জঙ্গি হামলার পরিকল্পনা নয় লস্করের নয়া এই মডিউলে সদস্য বাড়ানোরও দায়িত্ব ছিল লোনের উপর। ভারতে অবৈধভাবে আসা বাংলাদেশিদের জঙ্গি সংগঠনে নিয়োগ করত সে। এখন তাকে জেরা করছে পুলিশ। ভারতে কোথায় কোথায় তাদের হামলার ছক ছিল, সঙ্গে কারা ছিল, তা জানার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে খবর। এখন লোনকে জেরা (interrogation) করে গোটা চক্রের খোঁজ করছে তদন্তকারী সংস্থাগুলি— নিয়োগের পথ (recruitment channels), অর্থের উৎস (funding routes) ও সম্ভাব্য টার্গেট (targets) সবই খতিয়ে দেখা হচ্ছে। দিল্লি ও তার আশপাশের এলাকায় তার আরও কতজন সহযোগী লুকিয়ে আছে তা জানতে তদন্তকারী সংস্থাগুলো তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে।

    পাকিস্তানকে আড়ালের চেষ্টা

    পুলিশ সূত্রে খবর, রাজা বাংলাদেশে বসে ভারতের বিরুদ্ধে জঙ্গি আক্রমণের পরিকল্পনা করছিল। পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই-এর মদতে, লস্করের এই ভারত বিরোধী চক্রান্ত চলছিল। রাজার মূল কাজ ছিল ভারতে হামলার জন্য বাংলাদেশিদের সন্ত্রাসবাদী সংগঠনে নিয়োগ করা। পাকিস্তানের নাম এই আক্রমণে যাতে সরাসরি জড়িয়ে না পড়ে সেজন্যই এই ব্যবস্থা। এই বাংলাদেশিদের মধ্যে অনেকেই ভারতে বসবাস করত। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই একাধিক রাজ্যে অভিযান চালিয়ে বেশ কয়েকজন সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্তকারীরা মনে করছেন, এই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ভারতে বড়সড় হামলার পরিকল্পনা করা হচ্ছিল, যা সময়মতো ভেস্তে দেওয়া সম্ভব হয়েছে।

    পহেলগাঁও-হামলার অনুরূপ হামলা!

    উল্লেখ্য, গত বছর এপ্রিলের ২২ তারিখ পহেলগাঁও-তে জঙ্গি আক্রমণ হয়। সাধারণ পর্যটকদের উপরে গুলি করা হয়। সেই আক্রমণে প্রাণ হারিয়েছিলেন ২৬ জন এবং গুরুতরভাবে আহত হয়েছিলেন ২০ জন। তদন্তে জানা যায়, পরোক্ষভাবে হলেও এই আক্রমণের সঙ্গে যুক্ত ছিল লস্কর-ই-তইবা। তার সঙ্গে শাব্বিরের যোগ রয়েছে কি না তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। চলতি বছর এপ্রিলে ফের এই ধরনের হামলার ছক কষছে কি না জঙ্গিরা, তা-ও জানার চেষ্টা চলছে। বর্তমানে গ্রেফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদ চালাচ্ছে পুলিশ। চেষ্টা চলছে গোটা লস্করের খবর জানার। ভারতে আর কোথায় কোথায় এই জঙ্গি সংগঠন ঘাঁটি তৈরি করেছে, কী ধরণের ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে, দেশে জঙ্গি আক্রমণ কবে কোথায় হতে পারে ইত্যাদি জানার চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ।

LinkedIn
Share