Tag: Bangladesh

Bangladesh

  • Bangladesh: জমি বিবাদকে কেন্দ্র করে এবার বাংলাদেশে মুসলমান প্রতিবেশীর হাতে খুন প্রবীণ হিন্দু

    Bangladesh: জমি বিবাদকে কেন্দ্র করে এবার বাংলাদেশে মুসলমান প্রতিবেশীর হাতে খুন প্রবীণ হিন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২৬ জানুয়ারি, সোমবার বাংলাদেশের (Bangladesh) উত্তরাঞ্চলে জমি সংক্রান্ত বিবাদ নিয়ে হিংসাত্মক রূপ নেয়। কুড়িগ্রাম জেলায় মুসলিমদের সঙ্গে সংঘর্ষে একজন বৃদ্ধ হিন্দু ব্যক্তির (Hindu Man Madhu Shil) খুন হয়েছেন। মূল অভিযোগ হিন্দুর জমিকে স্থানীয় মুসলমান কর্তৃক জবর দখলের মতো একটি বিবাদ। এই হত্যাকাণ্ড আবারও সংখ্যালঘু গোষ্ঠীর নিরাপত্তা এবং প্রশাসন কর্তৃক সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে সংগঠিত অপরাধকে কীভাবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয় তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

    নিজের জায়গায় অধিকার নেই হিন্দুদের (Bangladesh)!

    নিহত ব্যক্তির নাম মধু চন্দ্র শীল, যার বয়স ৬২ বছর (Hindu Man Madhu Shil)। তিনি বাংলাদেশের রাজারহাট উপজেলার উমর মজিদ ইউনিয়নের জয়দেব মালসাবাড়ি গ্রামে থাকতেন। সংবাদ মাধ্যম আনুসারে জানা গিয়েছে, যৌথ জমির সীমানা নিয়ে তাঁর মুসলিম প্রতিবেশী আবেদ আলির সঙ্গে বেশ কয়েক বছর ধরে বিরোধ চলছিল। গাছ লাগাতে গিয়ে বিবাদ হিংসাত্মক রূপ নেয়। পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মধু শীল তাঁর বাড়ির সামনে চারা রোপণ করতে গেলে প্রতিবেশী মুসলমানরা উত্তেজনা ছড়ায়। আবেদ আলির ছেলে আশরাফ আলি গাছ লাগানোতে আপত্তি জানান এবং শীলকে কাজ বন্ধ করতে বলেন।

    শীলের ছেলের স্ত্রী সৃষ্টি রানী বলেন, “আবেদ আলি যখন নতুন রোপিত চারাগুলো উপড়ে ফেলেন, তখন পরিস্থিতি দ্রুত আরও খারাপ হয়ে যায়। এর পরপরই তর্ক শুরু হয়। আশরাফ আলি, তাঁর স্ত্রী লাকি বেগম এবং আরও কয়েকজন তর্কের সময় আমার শ্বশুরকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়। কিন্তু ভারসাম্য হারিয়ে ফেলে এবং একটি নলকূপের কাছে একটি সিমেন্টের কাঠামোর উপর পড়ে যান। স্থানীয়রা তাঁকে তাৎক্ষণিকভাবে কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান, যেখানে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে তাঁর মৃতদেহ গ্রামে ফিরিয়ে আনা হয়, যা স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়কে শোকমগ্ন হয়ে পড়েন।”

    পুলিশি পদক্ষেপ এবং গ্রেফতার

    পুলিশ (Bangladesh) কর্মকর্তারা একই দিনে ঘটনাস্থলে পৌঁছান। রাজারহাট থানার ওসি আব্দুল ওয়াদুদের নেতৃত্বে একদল পুলিশ মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুড়িগ্রাম মর্গে পাঠায়। প্রাথমিক তদন্তে আশরাফ আলিকে গ্রেফতার করে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। একজন পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, “আমরা এটিকে একটি গুরুতর ফৌজদারি মামলা হিসেবে বিবেচনা করছি। আইনের সংশ্লিষ্ট ধারা অনুসারে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া নেব।” আবার মধু শীলের ছেলে পলাশ শীল বলেছেন, “বাবার মৃত্যুতে আমাদের পরিবার শোকাহত। আমার বাবা একজন সরল, নির্দোষ মানুষ (Hindu Man Madhu Shil) ছিলেন। আমরা ন্যায়বিচার চাই যাতে অন্য কারও সাথে এমন কিছু না ঘটে।”

    সংখ্যালঘু গোষ্ঠীগুলি উদ্বেগ

    এই মৃত্যুর ঘটনা সংখ্যালঘু অধিকার গোষ্ঠীগুলিতে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে, যারা দাবি করে যে এই ধরণের ঘটনাগুলি বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের, বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকায়, যেখানে জমি সংক্রান্ত বিরোধ সাধারণ, নিরাপত্তাহীনতার প্রকাশ।

    বাংলাদেশ (Bangladesh) হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মণীন্দ্র কুমার নাথ বলেছেন, “এই মৃত্যুকে (Hindu Man Madhu Shil) একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে দেখা উচিত নয়। এই মৃত্যু আবারও প্রমাণ করে যে সংখ্যালঘু সম্প্রদায় কতটা অনিরাপদ। প্রশাসনিক নিষ্ক্রিয়তার ফলে দীর্ঘদিন ধরে চলমান বিরোধটি সহিংসতায় রূপ নিয়েছে। অভিযুক্তদের শাস্তি দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ, তবে প্রশাসনকে এটাও খতিয়ে দেখতে হবে কেন আগে কোনও প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।”

  • Bangladesh: ঢাকার ইস্কন মন্দিরে হামলা ইসলামপন্থী দুষ্কৃতীদের, ১৪টি বিগ্রহ, সোনা ও দানবাক্স লুট

    Bangladesh: ঢাকার ইস্কন মন্দিরে হামলা ইসলামপন্থী দুষ্কৃতীদের, ১৪টি বিগ্রহ, সোনা ও দানবাক্স লুট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে (Bangladesh) আবার হিন্দুদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করা হয়েছে। ইস্কন মন্দিরে (ISKCON Temple) লুটপাট করে ১৪টি বিগ্রহ চুরি করা হয়েছে। সেই সঙ্গে মন্দির থেকে নগদ টাকা, সোনা ও দানবাক্স চুরি করে নিয়ে গিয়েছে দুষ্কৃতীরা। গত ২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট হাসিনাকে দেশ থেকে বিতারিত করার পর থেকে লাগাতার হিন্দু নির্যাতন চলছে। আগামী ১২ ফেব্রিয়ারি জাতীয় নির্বাচন এই দেশের। তাঁর আগে সংখ্যালঘুদের টার্গেট করে দেশে ব্যাপক ভয়ভীতির পরিবেশ তৈরি করছে ইসলামি কট্টরপন্থীরা। এমনটাই মত প্রকাশ করেছে বাংলাদেশের সংখ্যালঘু হিন্দুরা।

    চুরি যাওয়া সম্পত্তির পরিমাণ (Bangladesh) 

    ঢাকার (Bangladesh) মন্দির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে চুরি যাওয়া ১৪টি প্রতিমার মধ্যে ছয়টি পিতলের তৈরি এবং আটটি পাথরের মূর্তি। প্রতিমা ছাড়াও, চোরেরা একটি রূপার জুতো, একটি বাঁশি, পিতলের বাসনপত্র, একটি হারমোনিয়াম, একটি বালতি, একটি পিতলের আসন, পিতলের গ্লাস এবং দুটি দান বাক্সে রাখা নগদ টাকা চুরি করেছে। পুরোহিত আরও জানান, চুরির সময় প্রায় ২০,০০০ টাকা নগদ, সোনার অলঙ্কার, একটি জলের মোটর মেশিন এবং দুটি দান বাক্সও নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

    আমাদের অপরাধ কী?

    মন্দিরের পুরোহিত লিপি রানী গোপ এই ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং মন্দিরকে বারবার লক্ষ্যবস্তু করার বিষয়টি নিয়ে প্রশ্নও তুলেছেন। তিনি বলেন, “আমাদের অপরাধ কী? কেন আমাদের বারবার এমন নির্যাতনের শিকার করা হচ্ছে? আমরা নিরাপদ বোধ করছি না। যদি আমরা নিরাপদ বোধ করতাম, তাহলে আমাদের মন্দিরে চুরি-ডাকাতি কেন হত?”

    মন্দিরের সাথে যুক্ত আরেক বাসিন্দা, শিল্পা রানী মালাকার, তার যন্ত্রণার কথা বর্ণনা করে বলেন, “আমার ঘরেও ভাঙচুর করা হয়েছে। গতকাল আমি মাধবপুরে (Bangladesh) ছিলাম। ফিরে এসে দেখি আমার ঘরের তালা ভাঙা। প্রায় ২০,০০০ টাকা নগদ এবং সোনার অলঙ্কার লুট হয়ে গেছে। আমার স্বামী বা সন্তান নেই। আমি প্রভুর সেবা করি।”

    আবার মন্দিরের প্রধান সুখদা বলরাম দাসও এই ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, “গত রাতে আমার মন্দিরের মূর্তি চুরি হয়েছে। এছাড়াও, নগদ টাকা, সোনার অলঙ্কার এবং একটি বিশুদ্ধ জলের মোটর চুরি করা হয়েছে। আমরা এই ঘটনায় অত্যন্ত উদ্বিগ্ন।”

    গত কয়েক মাস ধরে চলছে সংখ্যালঘু নির্যাতন (Bangladesh)

    স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী জানা গিয়েছে, একদল দুষ্কৃতী মন্দিরে (ISKCON Temple) প্রবেশ করে তছনছ চালায়। তারা কেবল লুটপাট করেনি, বরং মন্দির সংলগ্ন এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। উল্লেখ্য গত কয়েক মাস ধরে বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দুদের ওপর একের পর এক হামলার ঘটনা ঘটছে। মন্দির ভাঙচুর, বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ এবং শারীরিক নিগ্রহের ঘটনায় হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে তীব্র নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে। যদিও ইউনূস প্রশাসন তা নিয়ে মুখ খুলতে নারাজ।

    আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া

    আন্তর্জাতিক কৃষ্ণ ভাবনার ধর্মীয় সংগঠন ইস্কন (ISKCON Temple) কর্তৃপক্ষ এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। তারা বাংলাদেশ অন্তর্বর্তী (Bangladesh) সরকারের কাছে অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি তুলেছে। তবে যেহেতু বাংলাদেশ এখন নির্বাচনী আবহ চলছে তাই দেশে কট্টরপন্থীরা হিন্দু সমাজকে টার্গেট করছে বলে মত প্রকাশ করেছেন ওয়াকিবহাল সামাজের মানুষ।

  • Bangladesh: সঙ্কটের সন্ধিক্ষণে বাংলাদেশের বস্ত্র শিল্প, ভারতের কাছে পৌষমাস! কীভাবে জানেন?

    Bangladesh: সঙ্কটের সন্ধিক্ষণে বাংলাদেশের বস্ত্র শিল্প, ভারতের কাছে পৌষমাস! কীভাবে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গভীর সঙ্কটের সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে রয়েছে বাংলাদেশের (Bangladesh) টেক্সটাইল শিল্প। শুল্কমুক্ত সুতো আমদানির প্রতিবাদে দেশটির স্পিনিং মিল মালিকরা দেশব্যাপী (Textile Industry) উৎপাদন বন্ধের হুমকি দিয়েছেন। এই পরিস্থিতি বাংলাদেশের টেক্সটাইল সরবরাহ শৃঙ্খলের দুর্বলতা স্পষ্ট করে তুলেছে এবং বিনিয়োগকারীদের সামনে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তুলে ধরছে, বাণিজ্য কাঠামোর পরিবর্তন ও ভারতীয় সুতো সরবরাহকারীদের ওপর বাড়তে থাকা নির্ভরতার সুযোগ কি ভারতীয় টেক্সটাইল প্রস্তুতকারীরা নিতে পারবেন?

    স্পিনিং শিল্প বন্ধ হয়ে যাওয়ার মুখে (Bangladesh)

    বাংলাদেশের স্পিনিং শিল্প ১ ফেব্রুয়ারি থেকে দেশজুড়ে বন্ধ হয়ে যাওয়ার মুখে, কারণ সরকার যদি সুতো আমদানিতে শুল্কমুক্ত সুবিধা প্রত্যাহার না করে, সে ক্ষেত্রে মিল মালিকরা তাঁদের কারখানা বন্ধ করে দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন। এই সঙ্কটের সূত্রপাত বন্ডেড ওয়্যারহাউস ব্যবস্থার মাধ্যমে স্বল্পমূল্যের সুতো আমদানি থেকে, যার বড় অংশই ভারত থেকে আসে। এর ফলে দেশের স্পিনিং শিল্প মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে বাণিজ্যমন্ত্রক জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) নীতিমালা পুনর্বিবেচনার সুপারিশ করায় স্পিনিং মিল মালিকদের সঙ্গে সরকারের বিরোধ আরও তীব্র হয়েছে (Bangladesh)। একই সঙ্গে জ্বালানি সঙ্কটও এই শিল্পকে চাপে ফেলেছে। গত তিন থেকে চার মাস ধরে অনিয়মিত গ্যাস সরবরাহ এবং জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির অভিযোগে সরব হয়েছেন টেক্সটাইল মিল মালিকরা (Textile Industry)।

    ৫০টির বেশি স্পিনিং মিল বন্ধ

    এই সঙ্কটের ফলে এখনও পর্যন্ত প্রায় ২০০ কোটি মার্কিন ডলারের ক্ষতি হয়েছে এবং স্পিনিং মিলগুলির উৎপাদন ক্ষমতা প্রায় ৫০ শতাংশ কমে গিয়েছে। ইতিমধ্যেই ৫০টির বেশি স্পিনিং মিল বন্ধ হয়ে গিয়েছে, যার ফলে হাজার হাজার শ্রমিক কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ)-এর তথ্য অনুযায়ী, বাজারে সস্তা ভারতীয় সুতোর জোগান বেড়ে যাওয়ায় ১২ হাজার কোটি টাকারও বেশি মূল্যের সুতো অবিক্রীত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। মিল মালিকদের দাবি, জ্বালানি, ঋণের সুদ এবং ভ্যাট অব্যাহতির অভাবের কারণে তাঁরা আমদানি করা সুতোর সঙ্গে দামে এঁটে উঠতে পারছেন না। তাঁদের দাবির মধ্যে রয়েছে, শুল্কমুক্ত সুতো আমদানি বন্ধ করা, ভর্তুকিমূল্যে গ্যাস সরবরাহ করা, সুদের হার কমানো এবং ট্যাক্স হলিডে দেওয়া।

    রফতানিকারীদের বক্তব্য

    এদিকে, পোশাক রফতানিকারীরা শুল্কমুক্ত আমদানি বন্ধের যে কোনও উদ্যোগের তীব্র বিরোধিতা করছেন। তাঁদের বক্তব্য, দেশীয় সুতো, বিশেষ করে ১০ থেকে ৩০ কাউন্টের তুলোর সুতো দামে অনেক বেশি এবং অনেক সময় মানের দিক থেকেও নিম্ন। রফতানিকারীদের মতে, আন্তর্জাতিক পোশাক ব্র্যান্ডগুলির কাছে ভারতীয় সুতো বেশি নির্ভরযোগ্য (Bangladesh)। সতর্ক করে দিয়ে তাঁরা বলেন, “যদি আমদানি নিষিদ্ধ করা হয়, তবে বাংলাদেশের রফতানি আয়ে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে এবং বৈশ্বিক বাজারে দেশটির প্রতিযোগিতার (Textile Industry) ক্ষমতা কমে যাবে।

    ভারতীয় সুতোর ওপর টিকে বাংলাদেশের বস্ত্র-শিল্প

    ২০২৫ সালে বাংলাদেশ প্রায় ৭০ কোটি কেজি সুতো আমদানি করেছে, যার বাজারমূল্য প্রায় ২০০ কোটি মার্কিন ডলার। এর মধ্যে প্রায় ৭৮ শতাংশই এসেছে ভারত থেকে। এ থেকে এটি স্পষ্ট যে, বাংলাদেশ ভারতীয় সুতোর ওপর অত্যন্ত নির্ভরশীল। বাংলাদেশ যদি শুল্কমুক্ত আমদানি বন্ধ করে দেয় বা স্পিনিং মিলগুলি বন্ধ হয়ে যায়, তবে পোশাক শিল্পের জন্য সুতো আমদানির প্রয়োজন থেকেই যাবে। সে ক্ষেত্রে ভারতীয় সুতো, বিশেষ করে তুলো ও ব্লেন্ডেড সুতোর চাহিদা ও দাম উভয়ই বাড়তে পারে। স্বল্পমেয়াদে ভারতীয় টেক্সটাইল সংস্থাগুলি লাভবান হতে পারে। তারা বেশি অর্ডার পেতে পারে এবং ভালো দামে বিক্রি করতে পারে। ভারতের স্পিনিং মিল ও সমন্বিত টেক্সটাইল সংস্থাগুলির উৎপাদন ও বিক্রয়মূল্য বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে সব কিছু নির্ভর করবে এই বিষয়ের ওপর যে, বাংলাদেশ সরকার দেশীয় স্পিনিং শিল্প রক্ষায় আমদানি বন্ধ করে কি না (Textile Industry), নাকি পোশাক শিল্পের প্রতিযোগিতা বজায় রাখতে সস্তা সুতো আমদানি অব্যাহত রাখে (Bangladesh)।

  • Bangladesh Cricket: ‘বিশ্বাসঘাতকতা’ দেশের ক্রিকেটারদের সঙ্গেই! নাজমুলকে ফের সসম্মানে পদে বহাল বিসিবি-র

    Bangladesh Cricket: ‘বিশ্বাসঘাতকতা’ দেশের ক্রিকেটারদের সঙ্গেই! নাজমুলকে ফের সসম্মানে পদে বহাল বিসিবি-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঠিক যেভাবে প্রতিনিয়ত বাংলাদেশবাসীর বিশ্বাসভঙ্গ হচ্ছে, তেমনই বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করল বিসিবি। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (Bangladesh Cricket Board) বিতর্কিত পরিচালক এম নাজমুল ইসলামকে (M Najmul Islam) ফের আর্থিক কমিটির চেয়ারম্যান পদে ফিরিয়ে আনল বিসিবি। মাত্র কয়েক দিন আগেই তাঁকে সমস্ত দায়িত্ব থেকে সরানো হয়েছিল। এম নাজমুল ইসলাম তামিম ইকবালকে ‘ভারতের দালাল’ বলায় তাঁর পদত্যাগ চেয়েছিলেন সে দেশের ক্রিকেটাররা। প্রতিবাদে এক দিন বন্ধ থাকে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের খেলা। চাপের মুখে তাঁকে বহিষ্কার করে বিসিবি। সেই নাজমুলকেই আবার ফিরিয়ে আনা হয়েছে।

    ফিরলেন নাজমুল

    ১৫ জানুয়ারি প্রবল চাপের মুখে এম নাজমুল ইসলামকে আর্থিক কমিটির চেয়ারম্যান-সহ সব দায়িত্ব থেকে অপসারিত করা হয়। সেই সময় বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল (Aminul Islam Bulbul) জানিয়েছিলেন, ‘সংস্থার স্বার্থে এবং প্রশাসনিক স্থিতিশীলতার জন্যই’এই সিদ্ধান্ত। কিন্তু এরপর নাজমুলের বিরুদ্ধে জারি হওয়া শো-কজ নোটিসের জবাব খতিয়ে দেখে বিসিবির শৃঙ্খলারক্ষা কমিটি। কমিটির মতে, তাঁর ব্যাখ্যা ‘সন্তোষজনক’। সেই রিপোর্টের ভিত্তিতেই ফের দায়িত্বে ফেরানো হয় তাঁকে। আমজাদ হোসেনের কথায়, ‘নাজমুল ইসলাম তাঁর শো-কজের জবাব জমা দিয়েছেন। শৃঙ্খলারক্ষা কমিটি তা খতিয়ে দেখে সন্তুষ্ট!’ এই ঘটনাটি বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের জন্য বড় ধাক্কা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

    বিতর্কের সূত্রপাত

    এই সিদ্ধান্তের শিকড়ে একাধিক বিতর্কিত মন্তব্য। এম নাজমুল ইসলাম প্রাক্তন বাংলাদেশ অধিনায়ক তামিম ইকবালকে (Tamim Iqbal) ফেসবুক পোস্টে ‘পরীক্ষিত ভারতীয় দালাল’ বলে আক্রমণ করেন। যা চাপের মুখে তিনি মুছেও ফেলেন। অন্যদিকে তামিম জানিয়ে দেন, টি-২০ বিশ্বকাপ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ পেলে বাংলাদেশের ক্রিকেটের ভবিষ্যৎকেই অগ্রাধিকার দিতেন। পাশাপাশি উঠতে থাকা বিতর্কের মুখে না থেমে নাজমুল দাবি করেন, বিশ্বকাপ বয়কট হলে ক্রিকেটারদের পারিশ্রমিক দেওয়া উচিত নয়। এমনকি মাঠে খারাপ খেললে বোর্ডেরও টাকা ফেরত চাওয়ার অধিকার থাকা উচিত। এমন মন্তব্য, স্বভাবতই, আগুনে ঘি ঢালে। মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ দেখান ক্রিকেটাররা। খেলোয়াড়দের সংগঠন সিডব্লিউএবি-এর (CWAB) সভাপতি মহম্মদ মিঠুন (Mohammad Mithun) নাজমুলের পদত্যাগ দাবি করেন। সেই সঙ্গে নাজমুল হোসেন শান্ত (Najmul Hossain Shanto), মেহেদি হাসান মিরাজ-সহ (Mehidy Hasan Miraz) একাধিক তারকা ক্রিকেটার বয়কট করেন বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (Bangladesh Premier League)। এর জেরে অধিকাংশ ম্যাচ স্থগিত হয়, একসময় বিসিবি অনির্দিষ্টকালের জন্য টুর্নামেন্ট বন্ধের ঘোষণাও করে। পরে বোর্ড ও ক্রিকেটারদের বৈঠকের পর নির্দিষ্ট শর্তে খেলায় ফেরেন ক্রিকেটাররা। সেই সময়ই নাজমুলের বিরুদ্ধে শো-কজ জারি হয়। তবে নাজমুলের পুনর্বহালের পর, বোর্ড প্রতিশ্রুতি রক্ষা না করায় ক্রিকেটারদের অসহায় মনে হচ্ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক খেলোয়াড় নাজমুলের পুনর্বহালের খবর শুনে কটাক্ষের সুরে বলেন, ‘‘এটা তো খুবই ভালো খবর! এতেই বোঝা যাচ্ছে এখানে সব কিছু কীভাবে হচ্ছে।’’ তাঁর কথা থেকেই স্পষ্ট, বিসিবি’র উপর আস্থা হারাচ্ছেন তাঁরা।

  • Bangladesh: “বাংলাদেশে অমুসলিমরা সাংসদ হতে পারবেন না”! ক্ষমতায় এলেই শরিয়া শাসনের অঙ্গীকার জামাত নেতার, ভিডিও ভাইরাল

    Bangladesh: “বাংলাদেশে অমুসলিমরা সাংসদ হতে পারবেন না”! ক্ষমতায় এলেই শরিয়া শাসনের অঙ্গীকার জামাত নেতার, ভিডিও ভাইরাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের বরগুনায় একটি নির্বাচনী সমাবেশে জামায়াতে ইসলামির (Jamaat leader) এক নেতার মন্তব্যের ভিডিও (সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম) সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক ভাইরাল হওয়ার পর নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। জামাত নেতা আফজাল হোসেন তাঁর বক্তৃতায় বলেছেন, “দেশে কেবল মুসলমানদেরই সংসদ সদস্য হওয়া উচিত। বাংলাদেশ (Bangladesh) শরিয়া আইন অনুসারে পরিচালিত হওয়া উচিত।” এই মন্তব্যে এখন তোলপাড় পদ্মাপারের দেশ।

    আপনারা কি কুরআন ভিত্তিক শাসনব্যবস্থা চান?

    গত ২২ জানুয়ারি বাংলাদেশের (Bangladesh) বরগুনার বামনা উপজেলার দৌয়াতলা স্কুল মাঠে হওয়া অনুষ্ঠানের সময় আফজাল হোসেনকে জামায়াতে ইসলামিতে যোগদানকারী একজন হিসেবে আয়োজকরা পরিচয় করিয়ে দেন। এরপর জনতার উদ্দেশে ভাষণ দেওয়ার সময়, আফজাল হোসেন ধর্ম এবং রাজনীতি সম্পর্কে জোরালো বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন, “যে দেশে প্রায় ৮০% জনসংখ্যা মুসলিম, সেখানে এমন কোনও সংসদ সদস্য থাকা উচিত নয় যিনি ধর্মীয় মূল্যবোধের বিরুদ্ধে যান। উপস্থিতি জনগণরাই বলুক আপনারা কি কুর’আন ভিত্তিক শাসনব্যবস্থা চান নাকি অন্যান্য ব্যবস্থা চান। জামায়াতে ইসলামি কুর’আন দ্বারা পরিচালিত একটি ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্যই সব সময় কাজ করবে। দুর্নীতি, চুরি, সন্ত্রাসীর মতো অপরাধ বন্ধ করতে হবে। জামাত-সমর্থিত প্রার্থীরা ধর্ম, ন্যায়বিচার এবং আদর্শ বুঝেই কাজ করছে।” ভাষণের ভিডিওটি ব্যাপকভাবে প্রচারিত হওয়ার পর, আফজাল হোসেনের প্রতিক্রিয়া জানতে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করে একাধিক সংবাদমাধ্যম। কিন্তু কোনও সাড়া পাওয়া যায়নি।

    আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে

    বিতর্কের জবাবে, বরগুনা-২ (Bangladesh) আসনের জন্য জামায়াতে ইসলামির মনোনীত প্রার্থী ডঃ সুলতান আহমেদ বলেন, “আফজাল হোসেন দীর্ঘদিন ধরে দলের সদস্য ছিলেন না। তিনি তাঁকে স্থানীয় একজন প্রবীণ মানুষ হিসেবে উল্লেখ করেন। আফজাল হোসেন আবেগঘন বক্তব্য রেখেছেন এবং তাঁর কথার জন্য দল দায়ী নয় বলে হাত ঝেড়ে ফেলেন সুলতান আহমেদ। জামাত নেতারা (Jamaat leader) কেউই এ ধরনের বিবৃতি দেননি এবং স্পষ্ট করে বলেন, দলে যোগদান একটি আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করে মাত্র, তবে  নির্বাচনী সমাবেশের সময় তাৎক্ষণিকভাবে ঘটে না।”

    এদিকে, বামনা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার মো. পলাশ আহমেদ বলেন, কর্মকর্তাদের দ্বারা আমরা বিষয়টি জানতে পেরেছি। লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    ‘বন্ধু’ হতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে আমেরিকা

    জামায়াতে ইসলামির (Jamaat leader) আন্তর্জাতিকভাবেও মনোযোগ আকর্ষণ করছে। ওয়াশিংটন পোস্টের একটি প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয়েছে। সেখানেই দেখা যায় মার্কিন কূটনীতিকরা বাংলাদেশের নির্বাচনের আগে জামায়াতে ইসলামির সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলার আগ্রহ দেখিয়েছেন। একটি ফাঁস হওয়া অডিও ক্লিপ অনুসারে জানা গিয়েছে, একজন মার্কিন কূটনীতিককে বলতে শোনা গেছে, বাংলাদেশের (Bangladesh) রাজনৈতিক ও সামাজিক দৃশ্যপটে পরিবর্তনের কথা উল্লেখ করে জামায়াতে ইসলামির সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখা আমেরিকার স্বার্থে হবে। আগামী দিনে বাংলাদেশের রাজনীতি কোন স্রোতে বয় তাই এখন দেখার।

  • T20 World Cup: ‘পিএসএলে বিদেশি ক্রিকেটার নয়, এশিয়া কাপ থেকেও নিষেধাজ্ঞা’— পিসিবিকে কড়া বার্তা আইসিসির

    T20 World Cup: ‘পিএসএলে বিদেশি ক্রিকেটার নয়, এশিয়া কাপ থেকেও নিষেধাজ্ঞা’— পিসিবিকে কড়া বার্তা আইসিসির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে (T20 World Cup) পাকিস্তান খেলবে কি না, তা নিয়ে আগামী শুক্রবার বা সোমবার পাকিস্তান সিদ্ধান্ত নেবে। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) চেয়ারম্যান মহসিন নকভি এ কথা জানিয়েছেন। সোমবার পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গে বৈঠক করেন নকভি। তাঁদের মধ্যে ৩০ মিনিট কথা হয়েছে। বিশ্বকাপ নিয়ে সমস্ত পরিস্থিতি পাক প্রধানমন্ত্রীকে ব্যাখ্যা করেছেন নকভি। তারপরই আরও সময় চায় পাকিস্তান। যদিও আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬ থেকে সরে দাঁড়ানোর হুমকি দিলে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডকে (পিসিবি) একাধিক কঠোর নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়তে হতে পারে।

    ‘বয়কট বয়কট’ নাটকই সার!

    দীর্ঘ টালবাহানা, বিতর্ক, অজুহাতের পর আসন্ন টি-২০ বিশ্বকাপ থেকে ছাঁটাই হয়েছে বাংলাদেশ। অর্থাৎ ভারত এবং শ্রীলঙ্কার মাটিতে হতে চলা মেগা টুর্নামেন্টে লিটন দাসদের এবার আর দেখা যাবে না। তার পরিবর্ত হিসেবে খেলবে স্কটল্যান্ড। বাংলাদেশকে একাধিকবার নিজেদের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার সুযোগ দিয়েছিল বিশ্ব ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা। কিন্তু বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড সাফ জানিয়ে দেয়, ভারতের মাটিতে তারা খেলতে নারাজ। ফলে আইসিসিও নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে জানায়, ‘হয় খেলো, নাহলে এসো’। আর তারপরই ঘোষণা হয়ে যায় স্কটল্যান্ডের নাম। এদিকে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়ে ‘বয়কট বয়কট’ নাটকই সার! পিঠ বাঁচাতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য দল ঘোষণাও করে দিয়েছে পাকিস্তান। তবে পাক বোর্ডের প্রধান মহসিন নাকভি জানিয়েছেন, দল ঘোষণার অর্থ এই নয় যে টুর্নামেন্টে অংশ নিতে রাজি পাকিস্তান। এনিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে শাহবাজ শরিফের সরকার।

    প্রধানমন্ত্রীর নাম বিভ্রাট! কী লিখলেন নকভি

    সোমবারই পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন নকভি। বৈঠক শেষে তিনি এক্স হ্যান্ডেলে জানান, অত্যন্ত ইতিবাচক কথাবার্তা হয়েছে। বৈঠক শেষে তিনি সমাজমাধ্যমে লেখেন, ‘‘প্রধানমন্ত্রী মিয়াঁ মুহাম্মদ শাহবাজ শরিফের সঙ্গে একটি ফলপ্রসূ বৈঠক হয়েছে। আইসিসির অবস্থান এবং গোটা পরিস্থিতি সম্পর্কে তাঁকে বিস্তারিত জানিয়েছি। তিনি বলেছেন, ‘আমরা সব বিকল্প খোলা রেখে সমাধান করব।’ চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আগামী শুক্রবার অথবা সোমবার নেওয়া হবে বলে ঠিক হয়েছে।’’ সঙ্গে শাহবাজের সঙ্গে বৈঠকের ছবিও দিয়েছেন নকভি, যিনি একই সঙ্গে পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ বিষয়কমন্ত্রীও। নকভির এক্স পোস্ট ঘিরে তৈরি হয়েছে নতুন জল্পনা। প্রথমে তাঁর এক্স অ্যাকাউন্টে পাক প্রধানমন্ত্রীর নাম সম্ভবত ‘মিয়াঁ মুহাম্মদ নওয়াজ শরিফ’ লেখা হয়। পরে সংশোধন করে ‘মিয়াঁ মুহাম্মদ শাহবাজ শরিফ’ লেখেন তিনি।

    আইসিসির শাস্তির ভয়ে প্রতীকী প্রতিবাদ!

    বিশ্বকাপ থেকে পুরোপুরি নাম প্রত্যাহার করবে না পাকিস্তান। আইসিসির শাস্তির ভয়ে প্রতীকী প্রতিবাদ জানাতে পারে পিসিবি। শুধু ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ বয়কট করতে পারে তারা। ভারত ছাড়া বাকি সব দেশের বিরুদ্ধে খেলবে তারা। ভারতের বিরুদ্ধে নাকি গ্রুপ পর্বের ম্যাচ বয়কট করতে পারেন শাহিনরা। ১৫ ফেব্রুয়ারি কলম্বোয় মুখোমুখি হওয়ার কথা দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর। কিন্তু সেই ম্যাচে না-ও নামতে পারে পাকিস্তান। যদিও তাতে আখেরে ক্ষতিই হবে তাদের। কারণ ভারতকে ওয়াকওভার দিলে বাবরদের সুপার ১২-তে ওঠা আরও কঠিন হয়ে উঠবে। ‘নাটকে’র এখানেই ইতি নয়। বাংলাদেশের প্রতি দরদ ঠিক কতখানি উথলে উঠছে, তা ম্যাচ জিতলেই বোঝাতে চায় পাকিস্তান। কীভাবে? টুর্নামেন্টে নিজেদের প্রতিটি জয় বাদ পড়া বাংলাদেশকে উৎসর্গ করার পরিকল্পনা তাদের। এছাড়া কালো ব্যান্ড বেঁধে আইসিসির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ প্রদর্শন করতে পারে তারা।

    পাকিস্তানের ভূমিকায় ক্ষুব্ধ আইসিসি

    পাকিস্তানের হুঁশিয়ারি ভাল ভাবে নেয়নি জয় শাহের আইসিসি। নকভিরা বিশ্বকাপ বয়কট করলে কড়া পদক্ষেপ করতে পারে আইসিসি। আইসিসির সব সদস্য দেশই পাকিস্তানের অনভিপ্রেত হস্তক্ষেপে ক্ষুব্ধ। কারণ মূল সমস্যার সঙ্গে পাকিস্তানের কোনও যোগ নেই। প্রয়োজনে পাকিস্তানকে দীর্ঘ দিন সাসপেন্ড করে রাখার মতো কঠিন সিদ্ধান্তও নিতে পারে আইসিসি। পাকিস্তান যদি বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়ায়, তাহলে আইসিসি একাধিক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে—পাকিস্তানকে এশিয়া কাপ থেকে নিষিদ্ধ করা। সব ধরনের দ্বিপাক্ষিক সিরিজ বাতিল করা। পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) বিদেশি ক্রিকেটারদের খেলার জন্য এনওসি না দেওয়া হতে পারে।

    পিসিবির ভূমিকায় ক্ষুব্ধ বিসিসিআই

    বাংলাদেশকে বিশ্বকাপ থেকে আইসিসি ছাঁটাই করে দেওয়ার পর পাকিস্তানও জানিয়েছে, তারা খেলবে কি না ভেবে দেখবে। পিসিবির এই ভূমিকায় ক্ষুব্ধ বিসিসিআইও। ভারতীয় বোর্ডের সহ-সভাপতি রাজীব শুক্ল বলেছেন, ‘‘পাকিস্তান কোনও কারণ ছাড়াই হস্তক্ষেপ করছে। বাংলাদেশকে উস্কানি দিচ্ছে। সকলে জানে এক সময় বাংলাদেশের মানুষের উপর বর্বরতা চালিয়েছে পাকিস্তান। এখন আবার তাদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে পাকিস্তান। এটা সম্পূর্ণ ভুল। আমরা চেয়েছিলাম বাংলাদেশ বিশ্বকাপ খেলুক। আমরা নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার আশ্বাস দিয়েছিলাম। তা-ও ওরা নিজেদের সিদ্ধান্তেই অনড় থাকে। শেষ মুহূর্তে বিশ্বকাপের পুরো সূচি বদলে ফেলা অসম্ভব। সে কারণেই পরিবর্ত হিসাবে স্কটল্যান্ডকে সুযোগ দেওয়া হয়েছে।’’ উল্লেখ্য, আইসিসির বোর্ড মিটিংয়ে বাংলাদেশ ২-১৪ ব্যবধানে হেরে যায় বিশ্বকাপের ম্যাচ ভারত থেকে সরানোর দাবি নিয়ে ভোটাভুটিতে। বাংলাদেশ নিজেদের ভোট ছাড়া শুধু পাকিস্তানের সমর্থন পেয়েছিল। আইসিসির বোর্ড মিটিংয়ের আগে থেকেই অবশ্য টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ইস্যুতে বাংলাদেশের পাশে থেকেছে পাকিস্তান।

     

     

     

     

  • Bangladesh: বাংলাদেশে ফের হিন্দু খুন, গ্যারেজ কর্মীকে পুড়িয়ে হত্যা

    Bangladesh: বাংলাদেশে ফের হিন্দু খুন, গ্যারেজ কর্মীকে পুড়িয়ে হত্যা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে ফের হিন্দু খুন। কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই সে দেশে হওয়ার কথা সাধারণ নির্বাচন। এমন সময় বাংলাদেশে হিন্দু (Hindu Burnt Alive) সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে হিংসার মধ্যেই আরও একটি ভয়াবহ ঘটনা প্রকাশ্যে চলে এল (Bangladesh)। রাজধানী ঢাকা থেকে মাত্র ৫০ কিলোমিটার দূরে নরসিংদী শহরে ঘুমন্ত অবস্থায় বছর তেইশের এক হিন্দু যুবককে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে। মুসলিম-সংখ্যাগরিষ্ঠ এই দেশে সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ ক্রমেই বাড়ছে।

    হিন্দু খুন (Bangladesh)

    নিহত যুবকের নাম চঞ্চল চন্দ্র ভৌমিক। তিনি কুমিল্লা জেলার লক্ষ্মীপুর গ্রামের বাসিন্দা খোকন চন্দ্র ভৌমিকের ছেলে। চঞ্চল নরসিংদী পুলিশ লাইনের খানাবাড়ি মসজিদ মার্কেট এলাকায় একটি গ্যারাজে কাজ করতেন। শুক্রবার রাতে কাজ শেষ করে ক্লান্ত অবস্থায় গ্যারাজের ভেতরেই ঘুমিয়ে পড়েছিলেন চঞ্চল। সেই সময় অজ্ঞাতপরিচয় কয়েকজন ব্যক্তি গ্যারাজে আগুন লাগিয়ে দেয়। গ্যারাজের ভেতরে প্রচুর পরিমাণে পেট্রোল, ইঞ্জিন অয়েল ও অন্যান্য দাহ্য পদার্থ মজুত থাকায় আগুন দ্রুত চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে।

    মারা হল জ্যান্ত পুড়িয়ে

    ঘুমন্ত অবস্থায় থাকা চঞ্চল ভৌমিক দমবন্ধ হয়ে ও দগ্ধ হয়ে প্রাণ হারান। স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, এটি ছিল একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। আশপাশের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজে হামলাকারীদের গ্যারাজে আগুন দিতে দেখা গেলেও এখনও তাদের পরিচয় জানা যায়নি (Bangladesh)। পুলিশের এক আধিকারিক জানান, “মামলার গুরুত্ব বিবেচনা করে আমরা তদন্ত শুরু করেছি। মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং সিসিটিভি ফুটেজ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। পুলিশের একটি দল দোষীদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের চেষ্টা করছে।” ২০২২ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী, বাংলাদেশে প্রায় ১ কোটি ৩১ লাখ ৩০ হাজার হিন্দু বসবাস করেন, যা মোট জনসংখ্যার প্রায় ৭.৯৫ শতাংশ।

    এর আগে ভারত বাংলাদেশে হিন্দুদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল। প্রতিবেশী এই দেশে চরমপন্থা বৃদ্ধির আশঙ্কার মধ্যেই প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ক্ষমতাচ্যুতির পর থেকে হিন্দুদের বিরুদ্ধে ব্যাপক হিংসার ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। এক সপ্তাহ আগেই গাজিপুর জেলায় এক হিন্দু মিষ্টি বিক্রেতাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। তিনি এক কর্মচারীকে হামলার হাত থেকে বাঁচাতে গিয়েছিলেন। ওই সপ্তাহেই সিলেট জেলায় এক হিন্দু পরিবারের বাড়িতে আগুন (Hindu Burnt Alive) লাগানো হয় এবং ফেনি জেলায় এক হিন্দু অটোরিকশা চালককে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয় (Bangladesh)।

     

  • Bangladesh: বাংলাদেশে এবার দুই মেধাবি পড়ুয়ার খুন, ইউনূসের রাজত্বে আর কত হিন্দু মায়ের কোল হবে খালি?

    Bangladesh: বাংলাদেশে এবার দুই মেধাবি পড়ুয়ার খুন, ইউনূসের রাজত্বে আর কত হিন্দু মায়ের কোল হবে খালি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের বাংলাদেশে (Bangladesh) দুই মেধাবি হিন্দু (Hindu Student) পড়ুয়ার রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। একজনের মৃতদেহ সাতদিন ধরে নিখোঁজ থাকার পর নদীতে উদ্ধার হয়েছে। দ্বিতীয় জনের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেস থেকে। দুই ক্ষেত্রে হত্যা করে আত্মহত্যা বা দুর্ঘটনার শিকার বলে উল্লেখ করার চেষ্টা হয়েছে। তবে অভিযোগের তির কট্টর মৌলবাদী সংগঠনের দিকেই। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে সাধারণ নির্বাচন তাই নির্বাচনের আগে সংখ্যা লঘু হিন্দুদের টার্গেট করে ভয় ভীতির পরিবেশ গড়তে চাইছে।

    কালীতলা শ্মশানের কাছে উদ্ধার দেহ (Bangladesh)

    শনিবার বাংলাদেশের নওগাঁ জেলার একটি নদী থেকে নিখোঁজ এক কলেজ ছাত্রের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওইদিন বিকেলে নওগাঁ শহরের কালীতলা শ্মশানের কাছে একটি নদীতে মৃতদেহটি পাওয়া যায়। প্রাথমিকভাবে নিহতের পরিচয় নিশ্চিত করা যায়নি। পরে মৃতদেহটি অভির নামে শনাক্ত করা হয়। এই ছাত্র জেলার একটি সরকারি কলেজের ব্যবস্থাপনা (ম্যানেজমেন্ট) বিভাগের ছাত্র। অনার্স ডিগ্রির চতুর্থ বর্ষের ছাত্র ছিল।

    সোশ্যাল মিডিয়ায় খবর ছড়িয়ে পড়ে

    নিহতের পরিবার জানিয়েছে, ১১ জানুয়ারী ঝগড়ার পর বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর সে নিখোঁজ হয়ে যায়। মৃতদেহটি পাওয়া যাওয়ার পর, সোশ্যাল মিডিয়ায় খবরটি ছড়িয়ে পড়ে, যার ফলে অভির পরিবার খোঁজ করতে করতে নদীর তীরে ছুটে যায়। পরিবারের সদস্যরা বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময় তার পরা পোশাক দেখে মৃতদেহটি শনাক্ত করে। তবে মৃত্যুর কারণ এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। অভি বগুড়া (Bangladesh) জেলার আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহারের বাসিন্দা রমেশ চন্দ্রের ছেলে। নওগাঁ সদর থানার ওসি নিয়ামুল ইসলাম বলেন, “মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর কারণ জানা যাবে।”

    মেসে উদ্ধার মৃত দেহ!

    অন্যদিকে, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন মেধাবি হিন্দু ছাত্রের রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় দেশজুড়ে নতুন করে আতঙ্ক তৈরি করেছে। যদিও কর্তৃপক্ষ দাবি করছে এই ঘটনার পেছনে কোনও সাম্প্রদায়িক কারণ নেই, কিন্তু হিন্দু সংখ্যালঘুদের ওপর একের পর এক হামলার ঘটনায় অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। ২১ জানুয়ারি রাতে ঢাকার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (Bangladesh) থিয়েটার বিভাগের ছাত্র আকাশ সরকারের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি ফরিদপুর জেলার বাসিন্দা ছিলেন। ১৮ জানুয়ারি পুরাতন ঢাকার একটি মেস থেকে তার ঝুলন্ত মৃতদেহ (Hindu Student) উদ্ধার করা হয় বলে পুলিশ জানালেও, সামাজিক মাধ্যমে এবং স্থানীয় স্তরে অভিযোগ উঠেছে যে এটি একটি সুপরিকল্পিত হত্যা। কট্টর মৌলবাদীরা তার ওপর বর্বরতা চালিয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

    প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এই ধরনের ঘটনাগুলোকে ‘অসাম্প্রদায়িক’ বা সাধারণ অপরাধ হিসেবে গণ্য করছে। সরকারি তথ্যমতে, ২০২৫ সালে সংখ্যালঘুদের ওপর ঘটা ৬৪৫টি ঘটনার মধ্যে মাত্র ৭১টিকে সাম্প্রদায়িক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। তবে মানবাধিকার সংগঠনগুলো এই পরিসংখ্যান মানতে নারাজ।

    বাংলাদেশে লাগাতার হিংসা অভ্যাহত

    বাংলাদেশের (Bangladesh) বিভিন্ন জেলায় সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে ক্রমবর্ধমান হিংসা এবং খুনের ঘটনা ঘটেই চলছে। ধারাবাহিক এই হিংসাত্মক হামলায় বাংলাদেশজুড়ে কমপক্ষে ১৭ জন নিহত হয়েছেন। এখনও পর্যন্ত ১৪টি মামলা দায়ের করা হয়েছে, ২১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, এবং চারটি মামলায় এখনও কোনও গ্রেফতার হয়নি। বেশ কয়েকটি হত্যার ঘটনা ঘটেছে উন্মত্ত জনতার সম্মিলিত আক্রমণে। তার সবচেয়ে নৃশংস ঘটনার মধ্যে রয়েছে দীপু চন্দ্র দাসকে হত্যা, যাঁকে ময়মনসিংহে পিটিয়ে হত্যা করে প্রকাশ্যে আগুন দিয়ে দেওয়া হয়েছিল। খোকন চন্দ্র দাসের ওপর পেট্রোল ঢেলে পুড়িয়ে মারার চেষ্টা হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃতু হয় তাঁর।  যশোরে সাংবাদিক ও ব্যবসায়ী রানা প্রতাপ বৈরাগীকে হত্যা করা হয়, যার মধ্যে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্যদিকে নরসিংদীতে শরৎ মণি চক্রবর্তীকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে, যার ফলে চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রণোদনা কর্মকার নামে একজন জুয়েলারিকে তার বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে গুলি করে হত্যা করা হয়। ফরিদপুরে মাছ ব্যবসায়ী উৎপল সরকারকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে, এবং তিনজন সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ হেফাজতে প্রলয় চাকিকেও নির্মম ভাবে হত্যা করা হয়।

    জানুয়ারিতেই লাগাতার হত্যাকাণ্ড

    রাজবাড়ীতে রিপন সাহা নামে এক হিন্দু পেট্রোল পাম্প কর্মীকে এসইউভি দিয়ে পিষে হত্যা করা। সিলেটে হিন্দু শিক্ষক বীরেন্দ্র কুমারের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ। পাবনায় পুলিশ হেফাজতে হিন্দু সংগীতশিল্পী প্রলয় চাকীর মৃত্যু। চট্টগ্রামে সমীর কুমার দাস নামে এক অটোচালকের ওপর গণপিটুনি ও ছুরিকাঘাত। বাংলাদেশ (Bangladesh) হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের মতে, গত ছয় সপ্তাহে অন্তত এক ডজন হিন্দু হত্যার শিকার হয়েছেন। ভারত সরকারও বাংলাদেশে হিন্দুদের ক্রমবর্ধমান নিরাপত্তাহীনতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং সংখ্যালঘুদের সুরক্ষায় কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

  • Hindu Businessman: বাংলাদেশে ফের খুন হিন্দু ব্যবসায়ী, পিটিয়ে হত্যা ৫৫ বছরের লিটন ঘোষকে

    Hindu Businessman: বাংলাদেশে ফের খুন হিন্দু ব্যবসায়ী, পিটিয়ে হত্যা ৫৫ বছরের লিটন ঘোষকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতিবেশীর বাগান থেকে চুরি গিয়েছে কলার কাঁদি। তার জেরে নিছক সন্দেহের বশে শনিবার এক হিন্দু ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে (Hindu Businessman) খুন করা হল। বাংলাদেশের (Bangladesh) গাজিপুর জেলার ঘটনায় চাঞ্চল্য। মৃতের নাম লিটন চন্দ্র ঘোষ, বয়স ৫৫। কালীগঞ্জ এলাকায় রয়েছে তাঁর ‘বৈশাখী সুইটমিট অ্যান্ড হোটেল’। সেখানে এসেই দুষ্কৃতীরা পিটিয়ে মারে তাঁকে। হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে পুলিশ একই পরিবারের তিন সদস্যকে আটক করেছে। তারা হল স্বপন মিঞা, তার স্ত্রী মাজেদা খাতুন এবং তাদের ছেলে মাসুম মিঞা।

    বচসা থেকে হাতাহাতি (Hindu Businessman)

    পুলিশ জানিয়েছে, মাসুমের একটি কলার বাগান রয়েছে। সেখান থেকে খোয়া যায় এক কাঁদি কলা। কলার খোঁজে করতে বেরিয়ে সে লিটনের হোটেলে পৌঁছে যায়। সেখানেও কলা ঝোলানো ছিল। সেই কলার কাঁদি তারই বাগানের বলে দাবি করতে থাকে মাসুম। এ নিয়েই দুপক্ষের মধ্যে প্রথমে বচসা শুরু হয়। পরে মাসুম ফিরে যায়। সকাল ১১টা নাগাদ মাসুম ফের হোটেলে এসে একটি তুচ্ছ বিষয়কে কেন্দ্র করে হোটেলের এক কর্মচারীর সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়ে। এর কিছুক্ষণ পরে মাসুমের বাবা-মাও ওই হোটেলে এসে হাজির হয়। তার পরেই শুরু হয় হাতাহাতি (Hindu Businessman)।

    অভিযুক্তরা লিটনকে ঘুষি ও লাথি

    পুলিশের দাবি, অভিযুক্তরা লিটনকে ঘুষি ও লাথি মারে। মারের চোটে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন লিটন। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তাঁর।এই ঘটনাটি এমন একটা সময়ে ঘটল, যখন বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ ক্রমেই বাড়ছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের ১ ডিসেম্বর থেকে ২০২৬ সালের ১৫ জানুয়ারির মধ্যে দেশে অন্তত ১৫ জন সংখ্যালঘু হিন্দুকে হত্যা করা হয়েছে, যা বিভিন্ন ধর্মীয় সম্প্রদায়ের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। তবে এই ঘটনাটি বাংলাদেশে হিন্দুদের বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক (Bangladesh) হিংসার ধারাবাহিকতার সঙ্গে যুক্ত কি না, সে বিষয়ে কর্তৃপক্ষ এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু নিশ্চিত করেননি। লিটনের মৃত্যুর কারণ জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে অভিযুক্তদের (Hindu Businessman)।

    বাংলাদেশে সাম্প্রতিক হিন্দু-নিধন…

    • ২ ডিসেম্বর: ফরিদপুর জেলার সালথা উপজেলায় ৩৫ বছর বয়সি হিন্দু মাছ ব্যবসায়ী উৎপল সরকারকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।
    • ২ ডিসেম্বর: বাংলাদেশের নরসিংদী জেলার রায়পুরা উপজেলায় ৪২ বছর বয়সি হিন্দু স্বর্ণ ব্যবসায়ী প্রণতোষ কর্মকারকে গুলি করে হত্যা করা হয়।
    • ৭ ডিসেম্বর: রংপুর নিবাসী মুক্তিযোদ্ধা ৭৫ বছর বয়সি যোগেশ চন্দ্র রায় ও তাঁর স্ত্রী সুবর্ণা রায়কে তাঁদের বাড়িতে নির্মমভাবে গলা কেটে হত্যা করা হয়।
    • ১২ ডিসেম্বর: কুমিল্লা জেলায় ১৮ বছর বয়সি হিন্দু অটোরিকশা চালক শান্ত চন্দ্র দাসকে খুন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। তাঁর গলা কেটে হত্যা করা হয়েছিল এবং মরদেহটি একটি ভুট্টাক্ষেতে ফেলে রাখা হয়।
    • ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫: ময়মনসিংহে (ধর্ম অবমাননার অভিযোগে) দীপু চন্দ্র দাসকে পিটিয়ে ও পুড়িয়ে হত্যা করে জনতা।
    • ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫: রাজবাড়িতে জনতা অমৃত মণ্ডলকে পিটিয়ে হত্যা করে।
    • ২৯-৩০ ডিসেম্বর ২০২৫: বজেন্দ্র বিশ্বাসকে (পোশাক কারখানায় কর্তব্যরত অবস্থায়) গুলি করে হত্যা করা হয়।
    • ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫: শরীয়তপুরে খোকন চন্দ্র দাসকে ছুরিকাঘাত করা হয় এবং তারপর পেট্রোল ঢেলে জীবন্ত পুড়িয়ে ফেলা হয়। ৩ জানুয়ারি তিনি হাসপাতালে মারা যান।
    • ৫ জানুয়ারি ২০২৬: যশোরে রানা প্রতাপ বৈরাগীকে গুলি করে হত্যা করা হয়।
    • ৫ জানুয়ারি ২০২৬: নরসিংদীতে ধারালো অস্ত্র দিয়ে খুন করা হয় শরৎ চক্রবর্তী মণিকে।
    • ১১ জানুয়ারি ২০২৬: এক দল উন্মত্ত জনতা পিটিয়ে মেরে ফেলে বছর আঠাশের সমীর কুমার দাসকে। হামলার পর দুষ্কৃতীরা তাঁর অটোরিকশাটি নিয়ে পালিয়ে যায়।
    • ১৬ জানুয়ারি ২০২৬: রাজবাড়ী জেলায় পেট্রোল পাম্প থেকে জ্বালানির দাম না দিয়ে পালানোর সময় চলন্ত গাড়িকে আটকাতে গেলে চাপা দেওয়া হয় পেট্রোল পাম্পের কর্মী হিন্দু যুবক রিপন সাহাকে।
    • ১৭ জানুয়ারি ২০২৬: বাংলাদেশের গাজিপুর জেলার কালীগঞ্জে কলা নিয়ে বিবাদের জেরে হিন্দু ব্যবসায়ী লিটন চন্দ্র যোষকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়।
  • T20 World Cup 2026: টি২০ বিশ্বকাপ থেকে বাদ বাংলাদেশ! টাইগার্সদের খেলতে হবে ভারতেই, জানাল আইসিসি

    T20 World Cup 2026: টি২০ বিশ্বকাপ থেকে বাদ বাংলাদেশ! টাইগার্সদের খেলতে হবে ভারতেই, জানাল আইসিসি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতেই খেলতে হবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ, বাংলাদেশকে (Bangladesh) চুড়ান্ত সময়সীমা বেঁধে দিল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (ICC)। টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলা নিয়ে বাংলাদেশকে শেষবার সতর্ক করল আইসিসি। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে সতর্ক করে আইসিসি বলেছে, হয় ভারতে খেলুন না হলে অন্য দলকে সুযোগ করে দেওয়া হবে। আইসিসি বাংলাদেশকে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য ২১ জানুয়ারি পর্যন্ত সময় দিয়েছে। এর মধ্যে তারা সিদ্ধান্ত না নিলে অন্য কোনও দলকে বাংলাদেশের পরিবর্তে বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ দেওয়ার কথা ভাবা হবে।

    বাংলাদেশকে বার্তা

    গত শনিবার ঢাকায় বিসিবি কর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন আইসিসি’র দুই শীর্ষ কর্তা। বৈঠকে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (BCB) আইসিসির কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুরোধ জানিয়েছিল, বাংলাদেশের বিশ্বকাপের ম্যাচগুলি শ্রীলঙ্কায় (Srilanka) স্থানান্তর করা হোক। কেন তারা ভারতে (India) খেলতে আসতে চায় না, তা নিয়ে বাংলাদেশে বোর্ডের তরফে জানানো হয়েছে, দেশের ক্রিকেটার, সমর্থক সাংবাদিক ও সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন বাংলদেশ সরকার। তা আইসিসি-র প্রতিনিধিদের জানিয়েছে বিসিবি। এই বৈঠকে বাংলাদেশকে অন্য গ্রুপে স্থানান্তরের বিষয়েও আলোচনা হয়েছে বলে খবর। সূত্রের খবর, বাংলাদেশের কোনও প্রস্তাবে সায় নেই আইসিসি-র। ফলে জানা যাচ্ছে, বাংলাদেশ যদি টি২০ বিশ্বকাপ বয়কট করে, তাহলে বিকল্প দেশকে নেওয়া হতে পারে তাদের জায়গায়।

    বাংলাদেশের পরিবর্তে স্কটল্যান্ড!

    ২০২৬ আইপিএল টুর্নামেন্ট থেকে মুস্তাফিজুর রহমানকে (Mustafizur Rahman) তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এরপর থেকেই বিসিসিআই (BCCI) এবং বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সম্পর্ক একেবারে তলানিতে এসে ঠেকেছে। ইতিমধ্যে বিসিবি জানিয়ে দিয়েছে, ভারতের মাটিতে তারা আইসিসি টি-২০ বিশ্বকাপ খেলতে আসবে না। ব্যাপারটা নিয়ে ইতিমধ্যে আইসিসি-র সঙ্গে যথেষ্ট টানাপোড়েন চলছে। আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হতে চলেছে ২০২৬ টি-২০ বিশ্বকাপ (ICC T20I World Cup 2026)। আইসিসি ইঙ্গিত দিয়েছে যে, তারা স্বল্প সময়ের নোটিসে টুর্নামেন্টের পরিকল্পনা পরিবর্তন করতে আগ্রহী নয়। সূত্রের খবর, আইসিসি বাংলাদেশের ম্যাচগুলো স্থানান্তরের কোনও কারণ দেখছে না। আইসিসি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, ভারতের মাটিতে বাংলাদেশের কোনও বিপদ নেই। আর সেকারণে ভেন্যু বদলের কোনও প্রশ্নই ওঠে না। যদিও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড এখনও পর্যন্ত সেই পুরনো কাসুন্দিই ঘেঁটে যাচ্ছে। যদি বাংলাদেশ নিজেদের অবস্থানে অনড় থাকে, তাহলে এই টুর্নামেন্ট শুরু হওয়ার আগেই তাদের বিদায় নিতে হবে। এই পরিস্থিতিতে ব়্যাঙ্কিং অনুসারে, স্কটল্যান্ড ক্রিকেট দল ২০২৬ টি-২০ বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ পেয়ে যেতে পারে।

LinkedIn
Share