Tag: Bangladesh

Bangladesh

  • Pakistan: ভারতে নজরদারি বাড়াতে বাংলাদেশে সক্রিয় হচ্ছে পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই?

    Pakistan: ভারতে নজরদারি বাড়াতে বাংলাদেশে সক্রিয় হচ্ছে পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত এবং বঙ্গোপসাগর অঞ্চল-সহ ভারতের পূর্ব ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ওপর নজরদারি করতে বাংলাদেশে নীরবে সংগঠন মজবুত করার কাজ শুরু করেছে পাক (Pakistan) চর সংস্থা আইএসআই (ISI)। বিভিন্ন সূত্রের খবর, সম্প্রতি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা সফর করে পাক সেনাবাহিনীর একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল। এই সফরে ছিলেন আইএসআইয়ের কর্তারাও। তাঁদের লক্ষ্য ছিল, বাংলাদেশের গোয়েন্দা সংস্থাগুলির সঙ্গে গোপন সহযোগিতা মজবুত করা।

    শেখ হাসিনার জমানা (Pakistan)

    শেখ হাসিনার দীর্ঘ রাজত্বে বাংলাদেশে সেভাবে মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারেনি আইএসআই। তাঁর জমানায় ঢাকার নিরাপত্তা নীতি ছিল নয়াদিল্লির নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। জেনারেল শামসাদ মিরজার নেতৃত্বে আসা ওই প্রতিনিধি দল বাংলাদেশের ন্যাশনাল সিকিউরিটি ইন্টেলিজেন্স (এনএসআই) ও ডিরেক্টরেট জেনারেল অব ফোর্সেস ইন্টেলিজেন্স (ডিজিএফআই)-এর শীর্ষ কর্তাদের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক করে। আলোচনায় যাঁরা উপস্থিত ছিলেন, তাঁদের মতে, উভয় পক্ষ যৌথ গোয়েন্দা-তথ্য বিনিময় ব্যবস্থার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখেছে। প্রস্তাবিত কাঠামোর লক্ষ্য হবে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও বঙ্গোপসাগরের নিকটবর্তী সামুদ্রিক অঞ্চলে নজরদারি জোরদার করা।

    পাকিস্তানের বৃহত্তর কৌশলেরই অংশ

    বাংলাদেশ সম্পর্কে যাঁরা বিশেষভাবে খোঁজখবর রাখেন, তাঁদের মতে, এই উন্নয়ন পাকিস্তানের বৃহত্তর কৌশলেরই অংশ, এবং সেটা হল ভারতের পূর্ব সীমান্তজুড়ে পুরানো গোয়েন্দা নেটওয়ার্ক পুনর্গঠনের চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া। ১৯৭১ সালে স্বাধীন বাংলাদেশ গঠনের আগে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে (অধুনা বাংলাদেশ) পাক সেনাবাহিনী ও পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থার শক্তিশালী উপস্থিতি ছিল। বিশ্লেষকদের মতে, শেখ হাসিনার সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর আইএসআই এখন ফের প্রভাব বিস্তারের সুযোগ খুঁজছে। উল্লেখ্য যে, পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থাগুলির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছিল শেখ হাসিনার সরকার (Pakistan)।

    পাক মদতপুষ্ট জঙ্গি নেটওয়ার্ক

    ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের রাশ ছিল আওয়ামি লিগ সুপ্রিমো শেখ হাসিনার হাতে। সেই সময় ঢাকা আইএসআইয়ের সঙ্গে যুক্ত সমস্ত কার্যকলাপ দমন করতে কঠোর ব্যবস্থা (ISI) নিয়েছিল। ভারতের নিরাপত্তা সংস্থা প্রায়ই হাসিনার সরকারকে এ নিয়ে কৃতিত্বও দিত। বাংলাদেশের মাটি ব্যবহার করে পাক মদতপুষ্ট জঙ্গি নেটওয়ার্কগুলি যাতে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলকে টার্গেট করতে না পারে, সেই বিষয়ে কঠোর নজরদারির জন্য সর্বদা সক্রিয় ছিল হাসিনা সরকার। কিন্তু ২০২৪ সালে ব্যাপক ছাত্র আন্দোলন ও বিরোধী নেতৃত্বাধীন অস্থিরতার জেরে ক্ষমতাচ্যুত হন হাসিনা। ক্ষমতায় আসে মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার। এর ফলে সেই সব শক্তির জন্য নতুন ক্ষেত্র তৈরি হয়, যাদের এতদিন রাজনৈতিকভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়েছিল (Pakistan)।

    আইএসআইয়ের নীরব উত্থান

    সূত্রের খবর, আইএসআই আগে থেকেই একটু একটু করে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও ধর্মীয় বিভিন্ন গোষ্ঠীর মাধ্যমে কাজ করে আসছিল। ইউনূস জমানায় তারাই ভীষণভাবে সক্রিয় হয়ে ওঠে। এদের (ISI) প্রতি সহানুভূতিশীল বিভিন্ন সংগঠন, যার মধ্যে রয়েছে বিএনপির একটা অংশ এবং জামায়াতে ইসলামীও সক্রিয় হয়ে ওঠে। রিপোর্ট অনুযায়ী, এই নেটওয়ার্ক-সহ আরও কিছু গোষ্ঠী শেখ হাসিনার পতনে বিক্ষোভ-আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছিল। ফলে এখন আইএসআইয়ের উপস্থিতি বাড়ানোর চেষ্টা একদিকে যেমন তাদের পুরস্কৃত করা, তেমনি অন্যদিকে ঢাকার সহানুভূতিশীল শক্তিগুলির সঙ্গে সহযোগিতা বাড়ানো এবং ভারতের প্রভাব মোকাবিলা করার কৌশলগত প্রয়াস (Pakistan)।

    তিনটি মূল লক্ষ্য

    বিশ্লেষকদের মতে, এই জায়গাগুলি তিনটি মূল লক্ষ্যকে সামনে রেখে ব্যবহার করা হতে পারে। প্রথমত, সীমান্ত নিরাপত্তা চলাচল পর্যবেক্ষণ, দ্বিতীয়ত, সামুদ্রিক তৎপরতা নজরদারি, এবং সর্বোপরি, পাকিস্তানের স্বার্থের প্রতি সহানুভূতিশীল বিভিন্ন নেটওয়ার্কের সঙ্গে যোগাযোগ আরও মজবুত করা। বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব উপকূল বিশেষ করে টেকনাফ এবং কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শিবির সংলগ্ন এলাকাকে গোপন অপারেশনের কার্যকরী জায়গা হিসেবে বিবেচনা করা হয় (ISI)। নয়াদিল্লির নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মূল্যায়ন, বাংলাদেশে আইএসআইয়ের নতুন করে সক্রিয়তা শুধু ভারতের পূর্বাঞ্চল সম্পর্কে গোয়েন্দা তথ্য জোগাড়ের উদ্দেশ্যেই নয়, বরং এই অঞ্চলে প্রভাব বিস্তারের বিকল্প পথ গড়ে তোলার একটি প্রচেষ্টাও। তালিবানরা আফগানিস্তানের দখল নেওয়ার পর সেখানে চলতে থাকা অপারেশনের ক্ষেত্র সংকুচিত হওয়ায়, ইসলামাবাদ বাংলাদেশের দিকে বেশি করে মনোযোগ দিচ্ছে। কারণ কৌশলগতভাবে পাকিস্তানের কাছে বাংলাদেশের গুরুত্ব অপিরসীম (Pakistan)।

    বাংলাদেশে আইএসআইয়ের কার্যকলাপ

    স্পষ্টতই, বাংলাদেশে আইএসআইয়ের কার্যকলাপের এই সম্প্রসারণ এলাকাটির গোয়েন্দা প্রেক্ষাপটে গোপন কিন্তু তাৎপর্যপূর্ণ পরিবর্তন এনে দিয়েছে। ভারতের জন্য এটি পূর্ব সীমান্তের ঝুঁকিপূর্ণ প্রকৃতি, গুপ্তচরবৃত্তি ও সম্ভাব্য জঙ্গি তৎপরতা সম্পর্কে পুরানো আশঙ্কাকে নতুনভাবে সামনে নিয়ে আসছে। বাংলাদেশের কাছে অন্যতম প্রধান চ্যালেঞ্জ হল দ্রুত পরিবর্তনশীল আঞ্চলিক প্রেক্ষাপটে জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করা এবং বাইরের চাপের সঙ্গে ভারসাম্য বজায় রাখা। এই যোগাযোগ দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতায় রূপ নেবে, নাকি শুধু সতর্কতার মধ্যেই সীমিত থাকবে, তা নির্ভর করবে (ISI) ঢাকার রাজনৈতিক সদিচ্ছা এবং আগামী মাসগুলিতে নয়াদিল্লির প্রতিক্রিয়ার ওপর (Pakistan)।

  • SIR: বাংলা ছেড়ে ‘দেশে’ পালাতে গিয়ে সীমান্তে ধৃত অন্তত ৪৮ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী

    SIR: বাংলা ছেড়ে ‘দেশে’ পালাতে গিয়ে সীমান্তে ধৃত অন্তত ৪৮ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসআইআরের (SIR) ঢাকে কাঠি পড়তেই পশ্চিমবঙ্গ ছেড়ে বাংলাদেশে (Bangladeshis) পালানোর হিড়িক অনুপ্রবেশকারীদের! রবিবার উত্তর ২৪ পরগনা এলাকায় সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার চেষ্টা করতে গিয়ে বিএসএফের হাতে আটক অন্তত ৪৮ জন অনুপ্রবেশকারী। পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর ঘোষণা হতেই সীমান্তে জারি করা হয়েছে হাই অ্যালার্ট। এদিন বসিরহাট সীমান্ত থেকেই গ্রেফতার করা হয় ওই অনুপ্রবেশকারীদের।

    বিএসএফের বক্তব্য (SIR)

    বিএসএফের আধিকারিকরা জানান, এসআইআর প্রক্রিয়া জোর কদমে শুরু হওয়ার পর গ্রেফতার বা দেশছাড়া হওয়ার ভয়ে আগেভাগেই বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার চেষ্টা করছে অনুপ্রবেশকারীরা। তখনই পড়ছে ধরা। বিএসএফের এক প্রবীণ আধিকারিক বলেন, “আটক ব্যক্তিদের বেশিরভাগই কলকাতা, উত্তর ২৪ পরগনা এবং সংলগ্ন এলাকায় গৃহকর্মী, শ্রমিক এবং ক্ষুদ্র পেশার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ভোটার তালিকা যাচাইয়ের সময় পরিচয় ধরা পড়ে যাবে, এই ভয়ে তারা গোপনে সীমান্তে পেরোতে চেয়েছিল।”

    সীমান্তে চলছে গ্রেফতারি

    রবিবার বিএসএফ মোট ৩৩ জনকে আটক করে স্বরূপনগর থানার হাতে তুলে দেয়। শনিবার রাতে গ্রেফতার করা হয়েছিল আরও ১৫জনকে। আদালতে তোলা হলে বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয় তাদের। জানা গিয়েছে, গত তিন দিনে ওই এলাকায় প্রায় ৯০ জন বাংলাদেশিকে অবৈধভাবে সীমান্ত পার হওয়ার চেষ্টা করার অভিযোগে আটক করা হয়েছে। শনিবার উত্তর ২৪ পরগনার হাকিমপুরে আরও ৪৫ জন বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে গ্রেফতার করা হয়। এদের মধ্যে রয়েছে ১১টি শিশু এবং ১৫ জন নারীও (SIR)।

    বাসিরহাটের পুলিশ সুপার হোসেন মেহেদি রহমান জানান, রাতে টহল দেওয়ার সময় বিএসএফ তাদের আটক করে পুলিশে হস্তান্তর করে। তিনি বলেন, “তারা কলকাতা ও রাজারহাটে কাজ করছিল। অনুমোদনহীন পথে বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার চেষ্টা করছিল।” তাদেরও ১৪ দিনের বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়। এসব ঘটনার পর থেকেই ভারত–বাংলাদেশ সীমান্তে টহলদারি বাড়িয়েছে বিএসএফ। এসআইআর প্রক্রিয়ার সময় কেউ যাতে অনুপ্রবেশ করতে বা অবৈধভাবে (Bangladeshis) সীমান্ত পার হতে না পারে, তাই নিরাপত্তা সংস্থাগুলি স্থানীয় পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় সাধন করে নজরদারি জোরদার করেছে বলেই খবর (SIR)।

  • Hindus Under Attack: দেশ-বিদেশে অব্যাহত হিন্দু নির্যাতন, দেখুন এই সপ্তাহের ছবি

    Hindus Under Attack: দেশ-বিদেশে অব্যাহত হিন্দু নির্যাতন, দেখুন এই সপ্তাহের ছবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত, বাংলাদেশ এবং বিশ্বের আরও কয়েকটি দেশে অব্যাহত হিন্দু এবং হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ (Hindus Under Attack)। বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে এই নিপীড়ন ধীরে ধীরে এক ধরনের গণহত্যার রূপ নিচ্ছে। দশকের পর দশক ধরে বিশ্ব এই আক্রমণগুলির গভীরতা ও ব্যাপ্তিকে উপেক্ষা করেছে (Roundup Week)। কারণ এর পেছনে রয়েছে ভয়াবহ হিন্দু-বিদ্বেষমূলক মানসিকতা। খুন, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, ধর্মীয় উৎসবের ওপর আক্রমণ, মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, বিদ্বেষমূলক বক্তব্য, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য পর্যন্ত সব ক্ষেত্রেই হিন্দুরা এখন তাদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণ ও অভূতপূর্ব হিন্দু-বিদ্বেষের মুখোমুখি। এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক, গত ২৫ অক্টোবর থেকে ১ নভেম্বর তারিখ পর্যন্ত কী কী ঘটনা ঘটেছে দেশ-বিদেশে।

    পশ্চিমবঙ্গের ছবি (Hindus Under Attack)

    প্রথমে দেখে নেওয়া যাক ভারতের ছবিটা। পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ ২৪ পরগনার কাকদ্বীপের হারউড পয়েন্ট কোস্টাল থানার উত্তর চন্দ্রনগর গ্রামে স্থানীয় কালী মন্দিরে হামলার ঘটনায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। মূর্তির মাথা ভেঙে দেওয়া হয়েছে। ঘটনাটি স্থানীয় বাসিন্দাদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানে। এই ঘটনায় স্থানীয় তৃণমূল কর্মী নারায়ণ হালদারকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।   দক্ষিণ ২৪ পরগনারই মল্লিকপুর গ্রামের বটতলা এলাকায় একাধিক জগদ্ধাত্রী প্রতিমা ভাঙচুরের ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে। স্থানীয় এক কারিগরের স্টুডিওয় জগদ্ধাত্রী মূর্তি ভাঙা হয়। অভিযোগ, রাতের অন্ধকারে দুষ্কৃতীরা মূর্তিগুলির মাথা ভেঙে নিয়ে যায়।

    সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা

    পুনের কন্ধওয়ার মহালক্ষ্মী জুয়েলার্সে গয়নার ওয়ারেন্টি সংক্রান্ত বিবাদ গড়ায় হাতাহাতিতে। ঘটনায় ছড়ায় সাম্প্রদায়িক উত্তেজনাও। ক্রেতা পারভেজ নবী শেখের দাবি, ওয়ারেন্টি পিরিয়ডের মধ্যেই তাঁর কানের দুল ভেঙে গিয়েছে। তাই তার বদলে তিনি অন্য একটি দুল চান। দোকানের মালিক জানান, দুলটি ব্যবহার করা হয়েছিল, তাই পরিবর্তন সম্ভব নয়। এরপরেই দু’পক্ষে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় শুরু হয়। বিজনেস ভিসার অপব্যবহার, ধর্মীয় প্রচারমূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন এবং ভারতের মধ্যে ফান্ডরেইজিং নেটওয়ার্ক পরিচালনার অভিযোগে নাইজেরিয়ান নেতৃত্বাধীন ‘ক্রাইস্ট এমব্যাসি’র বিরুদ্ধে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রককে চিঠি দিয়েছে এলআরপিএফ (Hindus Under Attack)। আইনি অধিকার সুরক্ষা ফোরামের এই অভিযোগপত্রে বিদেশি নাগরিক ও তাদের সংগঠনের কার্যকলাপ নিয়ে অবিলম্বে তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে।

    ধর্মান্তরিত করার চেষ্টা

    সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, খ্রিস্টান ধর্মপ্রচারকদের একটি দল (Roundup Week), যার মধ্যে দুই মহিলাও ছিলেন, পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়। তারা অর্থ ও বাসস্থানের লোভ দেখিয়ে হিন্দু মহিলাদের ধর্মান্তরিত করার চেষ্টা করছিলেন। অভিযোগের ভিত্তিতে মধ্যপ্রদেশ ফ্রিডম অফ রিলিজিয়ন অ্যাক্টের ধারা ৩ ও ৫, ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ধারা ১১৫ (২ ) এবং এসসি / এসটি অ্যাক্টের ধারা ৩(১)(সি) অনুযায়ী এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। বেঙ্গালুরুর দেবারা বেসনহাল্লির ঐতিহাসিক ভেঙ্কটেশ্বরস্বামী মন্দিরে ঘটে চাঞ্চল্যকর ঘটনা। অভিযোগ, বাংলাদেশি বলে পরিচিত কবীর নামে এক ইসলামপন্থী যুবক জুতো পরা অবস্থায়ই জোর করে গর্ভগৃহে ঢুকে পড়ে এবং চপ্পল ব্যবহার করে দেবতার মূর্তি অপবিত্র করে।  টাটা ইনস্টিটিউট অব সোশ্যাল সায়েন্সেসের স্কুল অফ সোশ্যাল জাস্টিসের অধ্যাপক ব্রিনেল ডি’সুজার ধর্মভিত্তিক কর্মশালা ও রাজনৈতিক সক্রিয়তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশিত হয়েছে। অভিযোগ, তিনি সরকারি ফান্ড ব্যবহার করে ‘শুধু ক্যাথলিকদের জন্য’ ওয়ার্কশপ পরিচালনা করছেন।

    নজরে বাংলাদেশ

    এদিকে, বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর অবিরাম আক্রমণ চলছে। লক্ষ্য হল, দেশটি থেকে ধর্মীয় এই সংখ্যালঘুদের ধীরে ধীরে নির্মূল করা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর আবুল বরকতের এক গবেষণা অনুযায়ী, পদ্ধতিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক নির্যাতনের কারণে ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে আর কোনও হিন্দু অবশিষ্ট থাকবে না। মন্দির ভাঙচুর, জমি দখল, মিথ্যা ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে নারী ও কন্যাশিশুর ধর্ষণ বা জোরপূর্বক ধর্মান্তর, ঘৃণাবাচক (Roundup Week) বক্তব্য – এসবই হিন্দুদের আতঙ্কিত ও দেশছাড়া করার প্রধান হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। রাজশাহির গোদাগাড়ি উপজেলার বাবুদয়িং গ্রামে এক মানবিক বিপর্যয় ঘটেছে, যেখানে আদালতের নির্দেশে আদিবাসী সম্প্রদায়ের পাঁচটি পরিবারকে উচ্ছেদ করা হয়েছে। দুই দশকেরও বেশি সময় আগে নির্মিত তাদের ঘরবাড়ি ভেঙে ফেলা হয়েছে। তার জেরে রাতারাতি বহু পুরুষ, নারী ও শিশুকে গৃহহীন অবস্থায় রাস্তায় দাঁড়াতে হয়েছে (Hindus Under Attack)।

    ‘বিদেশি দানব’!

    এদিকে, প্রকাশ্য হিন্দুফোবিয়ার এক ঘটনায়, মুখোশধারী কিছু ব্যক্তি ভগবান বিষ্ণু ও গণেশের ছবি কেটে দেওয়া বা ক্রস চিহ্ন দেওয়া ব্যানার প্রদর্শন করে তাঁদের ‘বিদেশি দানব’ বলে অপমান করেছে। ওই মুখোশধারীরা যে ব্যানার দেখিয়েছিল (Roundup Week) তাতে লেখা ছিল, ডোন্ট ইন্ডিয়া মাই টেক্সাস, ডিপোর্ট এইচ-১বি স্ক্যামার্স, রিজেক্ট ফরেন ডেমনস এবং জেসাস ক্রাইস্ট ইজ মাই লর্ড (Hindus Under Attack)।

  • Assam: কংগ্রেসের বৈঠকে নেতারা গাইলেন বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত, রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা দায়েরের নির্দেশ হিমন্তের

    Assam: কংগ্রেসের বৈঠকে নেতারা গাইলেন বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত, রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা দায়েরের নির্দেশ হিমন্তের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কংগ্রেসের দলীয় বৈঠকে নেতারা গাইলেন বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত (National Anthem) ‘আমার সোনার বাংলা’। ঘটনায় তোলপাড় অসমের (Assam) রাজনীতি। এবার এই ঘটনায় জড়িত শ্রীভূমি জেলার কংগ্রেস নেতাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা দায়ের করার জন্য পুলিশকে নির্দেশ দিলেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী বিজেপির হিমন্ত বিশ্বশর্মা।

    হিমন্ত বিশ্বশর্মার বক্তব্য (Assam)

    সাংবাদিক সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “এই ঘটনা ভারতের প্রতি এবং ভারতের জাতীয় সঙ্গীতের প্রতি এক প্রকাশ্য অসম্মান। বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত গেয়ে কংগ্রেস আসলে বাংলাদেশে কিছু মানুষের সেই ধারণাকেই সমর্থন করছে, যে ভারতের সমগ্র উত্তর-পূর্বাঞ্চল নাকি তাদের দেশের অংশ।” মুখ্যমন্ত্রী জানান, তিনি পুলিশকে সংশ্লিষ্ট নেতাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের এবং গ্রেফতার করার নির্দেশ দিয়েছেন। শ্রীভূমি শহরে কংগ্রেসের সেবা দলের বৈঠক হয় মঙ্গলবার। বৈঠকের একটি ভিডিও ভাইরাল হয় সোশ্যাল মিডিয়ায়। সেখানে দেখা যায় বছর পঁচাশির এক ব্যক্তি গানটির দু’টি লাইন গাইছেন। ভিডিওতে এও দেখা গিয়েছে, গায়ক দাঁড়িয়ে গান করলেও, অন্যান্যরা সবাই বসে ছিলেন। গানটি রচনা করেছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। ভারতের জাতীয় সঙ্গীতের রচয়িতাও তিনিই।

    কী বলল কংগ্রেস

    কংগ্রেসের (Assam) অভিযোগ, বিজেপি মানুষকে ভুল পথে চালিত করতে অযথা বিতর্কের সৃষ্টি করছে। শ্রীভূমি জেলা কংগ্রেসের সভাপতি তাপস পুরকায়স্থ বলেন, “রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে নিয়ে রাজনীতি করবেন না। আমাদের পঁচাশি বছর বয়সী কবি বিধুভূষণ দাস গানটির মাত্র দু’টি লাইন গেয়েছেন।” তাঁর দাবি, গানটিকে অপমান করা মানে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে অপমান করা। অসমের কংগ্রেস সভাপতি গৌরব গগৈ বলেন, “বিজেপি ইচ্ছাকৃতভাবে পরিস্থিতিকে রাজনৈতিক রূপ দিচ্ছে এবং গানটির পেছনের সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটকে উপেক্ষা করছে।” তিনি বলেন, “বিজেপি বাংলা সংস্কৃতির প্রতি সম্মান প্রদর্শনের দাবি করলেও তাদের আচরণ বারবার বাংলা ভাষা ও বাঙালি জনগণের প্রতি অপমানজনক হয়ে উঠেছে।”

    গৌরবের (Assam) বক্তব্যের প্রেক্ষিতে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “কংগ্রেস সভাপতির উচিত ছিল দলীয় নেতাদের পক্ষ নেওয়ার বদলে তাঁদের তৎক্ষণাৎ বহিষ্কার করা। কারণ তাঁরা বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত গেয়েছেন।” তিনি বলেন, “এটি পাকিস্তান সরকারের একটি পরিকল্পনা। কয়েক দিন আগে (National Anthem) পাকিস্তান মহম্মদ ইউনূসকে একটি উপহার দিয়েছে, যেখানে ত্রিপুরা ও অসমকে বাংলাদেশের অংশ হিসেবে দেখানো হয়েছে।” তিনি বলেন, “এই কংগ্রেস পাকিস্তান ও বাংলাদেশের ‘ডট ডট’ দল। খারাপ শব্দটি আমি বলতে চাই না।”

  • Sheikh Hasina: “ভারতে ভালোই আছি, তবে নিজের দেশে কে না ফিরতে চায়?” নয়াদিল্লি থেকে জানালেন শেখ হাসিনা

    Sheikh Hasina: “ভারতে ভালোই আছি, তবে নিজের দেশে কে না ফিরতে চায়?” নয়াদিল্লি থেকে জানালেন শেখ হাসিনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক বছর কেটে গেলেও, আর দেশে ফেরেননি বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina)। সত্যিই কি আর কখনও বাংলাদেশে ফিরে যাবেন না শেখ হাসিনা? গত বছর বাংলাদেশ সরকারের পতন ও নতুন অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর থেকেই ভারতে রয়েছেন শেখ হাসিনা। আড়ালেই থাকেন তিনি। কখনও প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। এবার তিনি নিজেই জানালেন যে গত বছর থেকে দিল্লিতেই রয়েছেন তিনি। আপাতত ভারতেই থাকবেন তিনি। দিল্লিতে তিনি ভালোই আছেন। একটি সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া সাক্ষাৎকার জানালেন হাসিনা। বাংলাদেশের সাধারণ নির্বাচন হবে ২০২৬ সালে। সেই নির্বাচনে যদি আওয়ামি লিগকে অংশগ্রহণ করতে দেওয়া না হয় তাহলে ভোট বয়কট করবেন তাঁর দলের নেতা-কর্মীরা। হুঁশিয়ারিও দিলেন মুজিব-কন্যা।

    কেন নিষিদ্ধ আওয়ামি লিগ, প্রশ্ন হাসিনার

    রয়টার্স, এএফপি ও দ্য ইন্ডিপেনডেন্টকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মুজিব কন্যা জানিয়েছেন, দিল্লিতে তিনি স্বাধীনভাবে থাকলেও, অবশ্যই নিজের দেশে ফিরে যেতে চান। তবে তাঁর দল, আওয়ামি লিগ (Awami League)-কে বাদ দিয়ে যদি কোনও নির্বাচন হয় এবং সরকার গঠিত হয়, সেই সরকারের অধীনে তিনি কখনওই বাংলাদেশে ফিরে যাবেন না। ক্রমাগত চাপের মুখে আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচনের ঘোষণা করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূস। তবে বাংলাদেশের নির্বাচন থেকে গত মে মাসেই নিষিদ্ধ করা হয়েছে হাসিনার আওয়ামি লিগকে। এই নিয়ে একরাশ ক্ষোভ উগরে মুজিব কন্যা বলেন যে, আওয়ামি লিগের লক্ষ লক্ষ সমর্থকরা আগামী বছরের জাতীয় নির্বাচন বয়কট করবে। তিনি বলেন, “আওয়ামি লিগের উপরে নিষেধাজ্ঞা শুধু অনৈতিক নয়, বরং এটি আত্ম-পরাজয়ও।”

    আওয়ামি লিগকে লক্ষ লক্ষ মানুষ সমর্থন করে

    ১৫ বছর সরকার চালানো শেখ হাসিনা বলেন, “আগামী সরকারের নির্বাচনী বৈধতা থাকতে হবে। লক্ষ লক্ষ মানুষ আওয়ামি লিগকে সমর্থন করে, তাই তারা ভোট দেবেন না। রাজনৈতিক সিস্টেম চালানোর জন্য লক্ষ লক্ষ মানুষকে বাদ দিতে পারেন না। আওয়ামি লিগকে নির্বাচন থেকে বাদ দেওয়া মানে লক্ষ লক্ষ মানুষকে গণতান্ত্রিক অধিকার থেকে বঞ্চিত রাখা। এভাবে অবাধ ও স্বচ্ছ ভোট হবে না। যে সরকার হবে তাও গণতন্ত্রের জন্য ভালো নয়। আওয়ামি লিগ যদি ভোটে দাঁড়াতে না পারে তাহলে সমর্থকদের কাছে আবেদন করব, তাঁরা যেন অন্য কোনও দলকে সমর্থন না করেন। আমরা এখনও আশা রাখছি যে শুভবুদ্ধির উদয় হবে এবং আমাদের নির্বাচনে অংশ নিতে দেওয়া হবে।” বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী এখনও আশা রাখেন যে বাংলাদেশের ভবিষ্যতে আওয়ামি লিগ ভূমিকা রাখবে, তা সে শাসক হিসেবে হোক বা বিরোধী।

    কে না নিজের বাড়ি ফিরতে ভালোবাসে

    দেশ ছাড়ার প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন যে গত বছরের ৫ অগাস্ট দেশে থাকা অসম্ভব হয়ে পড়ায় তিনি দেশ ছাড়তে বাধ্য হন। রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, “থেকে গেলে আমার জীবন যেমন ঝুঁকিতে পড়ত, আশপাশের মানুষদের জীবনও তেমনি বিপদে পড়ত।” হাসিনা সাফ জানান, “কে না নিজের বাড়ি ফিরতে ভালোবাসে। আমিও যেতে চাই। কিন্তু যতক্ষণ না সেখানে সরকার গঠিত হয়, সংবিধান ও আইনের শাসনের কার্যকর হয়, ততক্ষণ যাব না।” ২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে আসতে বাধ্য হন শেখ হাসিনা। তার আগে বাংলাদেশে আন্দোলনে অনেক মানুষ মারা যান। সরকারের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগ ওঠে। তবে সেজন্য ক্ষমা চাইতে নারাজ মুজিবর কন্যা। তিনি এও জানান, দিল্লিতে ভালো থাকলেও তিনি সতর্ক। কারণ, তাঁর পরিবারের উপর আক্রমণের ইতিহাস আছে।

    জমি ছাড়তে নারাজ আওয়ামি লিগ

    বাংলাদেশে ১২ কোটি ৬০ লক্ষেরও বেশি ভোটার রয়েছে। আওয়ামি লিগ এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) দীর্ঘদিন ধরেই দেশের রাজনীতিতে প্রভাব বিস্তার করেছে। আসন্ন জাতীয় নির্বাচন নিয়ে হাওয়া গরম বাংলাদেশে। হাসিনা সরকার পতনের পর সেখানে আপাতত অন্তর্বর্তী সরকার, যার শীর্ষে রয়েছেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ মহম্মদ ইউনুস। দেশের অন্তর্বর্তীকালীন ক্ষমতায় আসার পরই সুযোগ বুঝে একদা ক্ষমতাসীন দল আওয়ামি লিগের সমস্ত রাজনৈতিক কার্যকলাপ কার্যত নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছেন প্রধান উপদেষ্টা। ফলে আগামী নির্বাচনে শেখ হাসিনার দল লড়তে পারবে না। কিন্তু লড়াইয়ের ময়দান সহজে ছাড়তে নারাজ আওয়ামি লিগ। নিষিদ্ধ হওয়ার পরও বাংলাদেশ জুড়ে বিক্ষিপ্ত বিভিন্ন কর্মসূচি করছে আওয়ামি লিগ।

    নিজের বক্তব্য জানানোর সুযোগ পাননি হাসিনা

    গত বছর বাংলাদেশে ‘জুলাই আন্দোলন’-এর সময় মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত হন হাসিনা। তাঁর বিরুদ্ধে বিরোধীদের গুম করা এবং অত্যাচার চালানোর অভিযোগ রয়েছে। এই সংক্রান্ত একটি মামলায় আগামী ১৩ নভেম্বর রায় ঘোষণা হওয়ার কথা। রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা এই সংক্রান্ত অভিযোগ খারিজ করে দিয়ে হাসিনা দাবি করেছেন, রাজনৈতিক কারণে তাঁর বিরুদ্ধে এই সব মামলা চালানো হচ্ছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই আদালতে তিনি নিজের বক্তব্য জানানোর সুযোগ পাননি বলেও জানিয়েছেন হাসিনা।

    ভারতে ভালোই আছেন হাসিনা

    জনবিক্ষোভের জেরে ২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট বাংলাদেশে আওয়ামি লিগ নেতৃত্বাধীন সরকারের পতন হয়। প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে বোন রেহানাকে সঙ্গে নিয়ে বিমানে ঢাকা থেকে উত্তরপ্রদেশের হিন্দন বায়ুসেনাঘাঁটিতে চলে আসেন হাসিনা। আপাতত ভারতেই সাময়িক আশ্রয়ে রয়েছেন তিনি। সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, ভারতে ভালোই আছেন তিনি। নিজের মতো করে রয়েছেন। হাসিনাকে ফেরত চেয়ে কূটনৈতিক স্তরে ভারতের কাছে অনুরোধ (নোট ভারবাল) পাঠিয়েছে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার। ভারতের তরফে ওই কূটনৈতিক অনুরোধের প্রাপ্তিস্বীকার করা হলেও এখনও পর্যন্ত পরবর্তী সিদ্ধান্তের কথা প্রকাশ্যে জানানো হয়নি।

  • Assam: ‘বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত’ গাইছেন কংগ্রেস নেতা! অসমে ভাইরাল ভিডিও, তুলোধনা বিজেপির

    Assam: ‘বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত’ গাইছেন কংগ্রেস নেতা! অসমে ভাইরাল ভিডিও, তুলোধনা বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অসমে কংগ্রেসের এক সভায় বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত (Bangladesh National Anthem Controversy) ‘আমার সোনার বাংলা’ গাওয়া ঘিরে ব্যাপক বিতর্ক শুরু হয়েছে। সম্প্রতি অসমের করিমগঞ্জ জেলার শ্রীভূমি শহরে কংগ্রেস সেবাদলের আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই ঘটনা ঘটে। অনুষ্ঠানের ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়ার পর রাজ্যের ক্ষমতাসীন বিজেপি কংগ্রেসের বিরুদ্ধে সরাসরি ‘বৃহত্তর বাংলাদেশ’ তৈরির ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলেছে। বিজেপি-র দাবি, কংগ্রেসের ‘বাংলাদেশ প্রীতি’ দেখার মতো৷ বিজেপি-র কথায়, যে বাংলাদেশ উত্তর-পূর্ব ভারতকে নিজের মানচিত্রের মধ্য ঢুকিয়ে ভারত বিরোধী বার্তা দিতে চায়, সে দেশেরই জাতীয় সঙ্গীত ভারতে বসে গাইছেন কংগ্রেসকর্মী৷

    বাংলাদেশিদের প্রতি সহানুভূতিশীল

    গত ২৭ অক্টোবর অসমের শ্রীভূমি জেলার ইন্দিরা ভবনে তোলা ওই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, প্রবীণ কংগ্রেস নেতা বিধুভূষণ দাস বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত গাইছেন৷ কংগ্রেস সেবাদলের কার্যকরী কমিটির মিটিংয়ে গানটি গাওয়া হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে৷ সেই ভিডিওর কথা উল্লেখ করে বিজেপি বিধায়ক কৃষ্ণেন্দু পাল দাবি করেন, ‘কংগ্রেস সব সময় বাংলাদেশ ও বাংলাদেশিদের প্রতি সহানুভূতিশীল।’ অসমের স্বাস্থ্যমন্ত্রী অশোক সিংহল ভিডিওটি শেয়ার করে লিখেছেন, “বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত “আমার সোনার বাংলা” অসমের শ্রীভূমিতে কংগ্রেসের সভায় গাওয়া হয়েছে – সেই দেশ যারা উত্তর-পূর্ব ভারতকে ভারতের থেকে আলাদা করতে চায়! সেই দেশের জাতীয় সঙ্গীত গাওয়া হয়েছে ভারতের মাটিতে দাঁড়িয়ে৷ এখন এটা স্পষ্ট যে, কংগ্রেস কেন কয়েক দশক ধরে অসমে অবৈধ অনুপ্রবেশের অনুমতি দিয়ে এসেছে এবং উৎসাহিত করেছে – ভোট-ব্যাঙ্কের রাজনীতির জন্য রাজ্যের জনসংখ্যা তথা ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বড় পরিবর্তন এনে “বৃহত্তর বাংলাদেশ” তৈরি করতে চেয়েছে।

    অসম বিজেপি ইউনিটের তীব্র প্রতিক্রিয়া

    অসম বিজেপি ইউনিটও তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। দলের অফিসিয়াল এক্স হ্যান্ডেলে লেখা হয়েছে, ‘বাংলাদেশ সম্প্রতি একটি মানচিত্র প্রকাশ করেছিল, যেখানে পুরো উত্তর-পূর্বাঞ্চলকে নিজের অন্তর্ভুক্ত দেখানো হয়েছে। এখন সেই বাংলাদেশ-আচ্ছন্ন কংগ্রেস গর্বের সঙ্গে বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত গাইছে অসমে। যদি কেউ এই উদ্দেশ্য দেখতে না পায়, তবে সে হয় অন্ধ, নয় সহযোগী, নয়তো উভয়ই।’ অসম বিজেপির দাবি, ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূতদের তোষণ করতেই কংগ্রেস এই গান গেয়েছে৷ রাজ্য পুলিশ এখনও পর্যন্ত এই বিষয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক অভিযোগ পায়নি, তবে কর্মকর্তারা ইঙ্গিত দিয়েছেন যে অভিযোগ দায়ের করা হলে ভিডিয়োটি খতিয়ে দেখা হতে পারে।

    কংগ্রেসের বাংলাদেশ-প্রীতি নিয়ে সরব নেটিজেনরা

    প্রসঙ্গত, ‘আমার সোনার বাংলা’ গানটি ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের সময় বাংলা বিভাজনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ হিসাবে রচনা করেছিলেন কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর৷ বঙ্গভঙ্গ বিরোধী আন্দোলন সে সময় দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং ১৯১১ সালে তা রদ করতে বাধ্য হয় তৎকালীন ব্রিটিশ প্রশাসন৷ ১৯৭১ সালে পূর্ব পাকিস্তান পরিচয় ঘুচিয়ে বাংলাদেশ জন্ম নেওয়ার পরে সে দেশ রবি ঠাকুরের এই গানটিকে জাতীয় সঙ্গীত হিসাবে গ্রহণ করে৷ অসমের শ্রীভূমি জেলা, যা আগে করিমগঞ্জ নামে পরিচিত ছিল, সেটি বাংলাদেশের সীমান্ত সংলগ্ন৷ বরাক উপত্যকার এই অংশটি বাঙালি অধ্যুষিত৷ যদিও গানটি রবীন্দ্রনাথের সৃষ্ট, কিন্তু বিজেপির দাবি, অসমের মতো সীমান্তবর্তী রাজ্যে বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত গাওয়া ‘দেশদ্রোহিতার সামিল’। ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দিয়েছে, অনেকেই হিমন্ত বিশ্ব শর্মা নেতৃত্বাধীন সরকারকে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আহ্বান জানিয়েছেন। একজন ব্যবহারকারী লিখেছেন, “আমি আইনবিদ নই, তবে সাধারণ বুদ্ধি বলছে এটি দেশদ্রোহিতা। যদি এটি সত্যি হয়, তবে এসব লোকদের ভারতের পতাকা তলে থাকার কোনও অধিকার নেই—আশা করি সরকার দ্রুত ব্যবস্থা নেবে এবং একটি উদাহরণ স্থাপন করবে।” অন্য একজন বলেন, “এদের লজ্জা হওয়া উচিত… ভিন্ন মতাদর্শ থাকা ঠিক, তবে এটি গ্রহণযোগ্য নয়।” একজন ব্যবহারকারী কংগ্রেসকে “দেশের বিরুদ্ধে সবকিছুর পক্ষে দাঁড়ানো” বলে অভিহিত করেছেন, এবং আরেকজন মন্তব্য করেছেন, “কংগ্রেস অসমকে বাংলাদেশে পরিণত করতে চায়, এবং এটি তার প্রমাণ।”

  • Elon Musk: পক্ষপাতদুষ্ট উইকিপিডিয়া থেকে মুক্তি! এলন মাস্ক আনলেন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাযুক্ত ‘গ্রোকিপিডিয়া’

    Elon Musk: পক্ষপাতদুষ্ট উইকিপিডিয়া থেকে মুক্তি! এলন মাস্ক আনলেন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাযুক্ত ‘গ্রোকিপিডিয়া’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাইক্রো-ব্লগিং প্ল্যাটফর্ম এক্স (সাবেক ট্যুইটার)-এর এআই চ্যাটবট ‘গ্রোক’ দ্বারা অনুপ্রাণিত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন অনলাইন এনসাইক্লোপিডিয়া ‘গ্রোকিপিডিয়া’ বাজারে আনলেন সংস্থার কর্তা বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি এলন মাস্ক (Elon Musk)। এই গ্রোকিপিডিয়াকে বহুল-প্রচলিত উইকিপিডিয়ার একটি বিকল্প হতে চলেছে বলে মনে করা হচ্ছে। এলন মাস্ক বলেছেন, ‘‘গ্রোকিপিডিয়া (Grokipedia) কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ একটি সত্য-নির্ভর প্ল্যাটফর্ম হবে। উইকিপিডিয়ার মতো পক্ষপাতদুষ্ট নয়।’’

    ৮৮ হাজার ৫০০টি নিবন্ধ উপলব্ধ (Elon Musk)

    এক অভিযোগের প্রেক্ষিতে উইকিপিডিয়ার বিরুদ্ধে এলন মাস্ক (Elon Musk) বলেন, “অনলাইন বিশ্বকোষটি হতাশাজনক ভাবে পক্ষপাতদুষ্ট। যদিও গ্রোকিপিডিয়ার (Grokipedia) বিষয়বস্তু উইকিপিডিয়া এবং ব্রিটানিকার মতো বিশ্বকোষের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। বর্তমানে আমাদের প্রযুক্তি উক্ত বিষয়বস্তুর একটি অংশকেই ধারণ করে। এই প্ল্যাটফর্মে প্রায় ৮৮ হাজার ৫০০টি নিবন্ধ উপলব্ধ রয়েছে। আগামী দিনে এই পরিসর আরও বাড়বে।

    উইকিপিডিয়া-গ্রোকিপিডিয়ার ফলাফলে পার্থক্য

    সাধারণত, উইকিপিডিয়ায় অত্যন্ত পক্ষপাতদুষ্ট এবং বামপন্থী, সেকুলারপন্থী মতাদর্শকে এর বিষয়বস্তুতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এই পদ্ধতি বিশ্বকোষ হওয়ার নীতির বিরুদ্ধে যায়। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, উইকিপিডিয়া অনুসারে, লিঙ্গ হল একজন পুরুষ (বা ছেলে), মহিলা (বা মেয়ে), বা তৃতীয় লিঙ্গ হওয়ার সামাজিক, মানসিক, সাংস্কৃতিক এবং আচরণগত দিকগুলির পরিসরে মানুষ। অপর দিকে গ্রোকিপিডিয়া (Grokipedia) এটিকে যেমনটি হওয়া উচিত তেমন সংজ্ঞায়িত করে। তাতে বলে এটি জৈবিক লিঙ্গের উপর ভিত্তি করে পুরুষ বা মহিলা হিসাবে বংশবিস্তার এবং সন্তান ধারণের বাস্তব জ্ঞানে সংজ্ঞায়িত। উভয়ের বিশ্লেষণ পদ্ধতির মধ্যে পার্থক্য হল, উইকিপিডিয়া ফলাফল দেখায় মত ও আদর্শ মেনে। অপরে গ্রোকিপিডিয়া ফলাফল দেখায় তথ্যের উপর ভিত্তি করে।

    গ্রোকিপিডিয়ার (Grokipedia) কন্টেন্টগুলি একই বৃহৎ ভাষা মডেল দ্বারা তৈরি করা হয়েছে যা এক্স-এ গ্রোক চ্যাটবট দ্বারা নির্ভর করে তৈরি হয়। লাইভ ব্যবহারকারীর ডেটা অ্যাক্সেস করতে পারে, যা ক্রমাগত আপডেটের অপশনও দেবে। তবে বর্তমান ব্যবহারকারীরা উইকিপিডিয়ার মতো গ্রোকিপিডিয়ার কন্টেন্ট সম্পাদনা করতে পারবেন না। ত্রুটিযুক্ত লেখা নির্বাচন করতে পারবে। ব্যবহারকারীরা ত্রুটি বা ভুল বোতামে ক্লিক করতে পারবেন। সঠিক তথ্য এবং উৎসসূত্র সহ নানা তথ্য প্রদান করা যাবে। কন্টেন্টের পরিবর্তন তাৎক্ষণিক হবে না। তবে বর্তমানে গ্রোকিপিডিয়ার কেবলমাত্র পরীক্ষার পর্যায়ে রয়েছে।

  • Bangladesh Crisis: ভুয়ো অভিযোগ তৈরি করে হিন্দু ও ইসকনের বিরুদ্ধে চক্রান্ত! বাংলাদেশে ইমাম অপহরণের মিথ্যা নাটকের পর্দাফাঁস

    Bangladesh Crisis: ভুয়ো অভিযোগ তৈরি করে হিন্দু ও ইসকনের বিরুদ্ধে চক্রান্ত! বাংলাদেশে ইমাম অপহরণের মিথ্যা নাটকের পর্দাফাঁস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভুয়ো অভিযোগ তৈরি করে ইসকন ও হিন্দুদের (Hindus in Bangladesh) বিরুদ্ধে চক্রান্ত হাতে-নাতে ধরল বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) পুলিশই। পদ্মা পারে সনাতনীদের বার বার মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর চেষ্টা করা হয়। হিন্দু তথা ইসকনকে (ISKCON in Bangladesh) নিশানা করা হয় নানা আছিলায়। যদিও সত্য বেশি দিন চাপা দিয়ে রাখা যায় না। ফের তার প্রমাণ মিলল। মুফতি মুহিবুল্লাহ মিয়াজি (৬০) নামের এক ইমাম সম্প্রতি দাবি করেছিলেন, যে ২০২৫ সালের ২২ অক্টোবর সকালে টঙ্গির টিএন্ডটি কলোনির জামে মসজিদ থেকে অজ্ঞাত চার-পাঁচজন তাঁকে অপহরণ করে। তারা তাঁর চোখ বেঁধে অ্যাম্বুল্যান্সে করে তুলে নিয়ে গিয়েছিল। পরে পঞ্চগড়ের এক স্থানে হাতে পা বাঁধা অবস্থায় পাওয়া যায় তাঁকে। তিনি অভিযোগ করেছিলেন, অপহরণকারীরা তাঁকে জোর করে ইসকন-কে সমর্থন এবং “অখণ্ড ভারত” স্লোগান উচ্চারণ করিয়েছিল। যদিও সিসিটিভি ফুটেজ দেখিয়ে বাংলাদশের পুলিশই প্রমাণ করে দিল এই ঘটনা পুরোপুরি সাজানো।

    ইমামকে অপহরণের মিথ্যা নাটক 

    মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) গাজীপুর মেট্রোপলিটন থানার পুলিশরা জানায়, ইমামকে অপহরণের ঘটনা সাজানো। গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ তাহেরুল হক চৌহান বলেন, ইমাম মুহিবুল্লাহ অপহরণের পেছনে ইসকন জড়িত থাকার অভিযোগ করা হয়েছিল। তবে পুলিশের তদন্তে উঠে এসেছে তিনি নিজে শ্যামলী পরিবহণের বাসের টিকিট কেটে পঞ্চগড় গিয়েছেন। পুলিশ জানায়, তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় চাঞ্চল্যকর এই মামলার রহস্য উদঘাটন করেছেন তাঁরা। পুলিশ সূত্রে খবর, এই ঘটনায় ইমাম মুহিবুল্লাহর বাসের সহযাত্রী এবং বাসের সুপারভাইজারও পুলিশের হেফাজতে রয়েছে। ইতিমধ্যে ইমাম মুহিবউল্লাহ পুলিশের কাছে প্রকৃত ঘটনা স্বীকার করেছেন। এর আগে সোমবার (২৭ অক্টোবর) রাত ১০টার দিকে মুহিব্বুল্লাহকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য টঙ্গি পূর্ব থানায় নিয়ে আসে পুলিশ। যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও ব্রিফিং দেওয়া হয়নি, তবে সূত্র জানায়—জিজ্ঞাসাবাদের সময় মুহিব্বুল্লাহ স্বীকার করেছেন যে ঘটনাটি তাঁর নিজের ইচ্ছাতেই ঘটেছে।

    ইসকনকে বাংলাদেশে নিষিদ্ধ করার দাবি

    গত বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) সকাল পৌনে ৭টা নাগাদ পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া থানাধীন হেলিপ্যাড বাজার এলাকায় শিকল বাঁধা অবস্থায় তাঁকে দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন দেন। খবর পেয়ে তেঁতুলিয়া থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ইমামকে উদ্ধার করে পঞ্চগড় সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালের সিভিল সার্জন জানান, শরীরে কোনও দৃশ্যমান আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি; শুধু ব্যথানাশক ওষুধ দেওয়া হয়েছিল। ইমামের অভিযোগের ভিত্তিতে বাংলাদেশে অচিরেই শুরু হয় ইসকনকে বদনাম করার অপপ্রয়াস। দেশব্যাপী কিছু ইসলামী সংগঠন প্রতিবাদ-মিছিল আয়োজন করে। ইসকনকে বাংলাদেশে নিষিদ্ধ করার দাবিও ওঠে।

     মিথ্যা মামলায় জড়ানোর চেষ্টা 

    হাসিনা সরকারের পতনের পর দেশজোড়া অশান্তির আবহে সংখ্যালঘুদের উপরে নির্যাতনের একের পর এক অভিযোগ প্রকাশ্যে এসেছে। অভিযোগ, দেশের নানা প্রান্তে সংখ্যালঘুদের ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। ভাঙচুর চালানো হয় ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলিতেও। ইউনূস-পরিচালিত অন্তবর্তী সরকার ক্ষমতায় আসার পরেও পরিস্থিতি বদলায়নি বলে অভিযোগ। তবে ইউনূস সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা ও ধর্মীয় অধিকার সুনিশ্চিত করার আশ্বাস দিয়েছেন বার বার। কিন্তু বরাবর বাংলাদেশে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন হিন্দু সংখ্যালঘুরা। সনাতনী ও ইসকনের উপর অত্যাচার চলেছে। মিথ্যা মামলায় জড়ানোর চেষ্টা হয়েছে। ইমামকে অপহরণের ঘটনা ফের তারই প্রমাণ দিল।

    শান্তি, সহমর্মিতা ও ধর্মীয় সম্প্রীতি- ইসকনের আদর্শ

    ইমামকে অপহরণের এই ঘটনাকে সামনে রেখে আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ (ইসকন)-কে নিষিদ্ধ করার দাবিতে আচমকা উত্তাল হয়ে ওঠে বাংলাদেশ (Bangladesh Crisis) । রাজধানী ঢাকা-সহ গোটা দেশে ব্যাপক বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করল ‘তৌহিদী জনতা’র ব্যানারে বিভিন্ন সংগঠন। ইসকন নেতারা তখনই আশঙ্কা প্রকাশ করেন, এর পিছনে বড় রকমের চক্রান্ত রয়েছে। বাংলাদেশে ইসকন শাখার সাধারণ সম্পাদক চারুচন্দ্র দাস ব্রহ্মচারী এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘গুজব ছড়িয়ে কিছু অসাধু ব্যক্তি ও গোষ্ঠী বিভ্রান্তিকর বক্তব্যের মাধ্যমে হিন্দু সম্প্রদায়ের, বিশেষত ইসকনের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ ছড়িয়ে দেশে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা উস্কে দেওয়ার ষড়যন্ত্র করছে।’ তাঁর দাবি, ইসকন হচ্ছে একটি আন্তর্জাতিক, অরাজনৈতিক, অহিংস, ধর্মীয় ও সামাজিক সংস্থা। সংস্থাটির মূল লক্ষ্য হলো, গীতার আদর্শ প্রচার, নৈতিকতা, সমাজসেবা, শান্তি, সহমর্মিতা ও ধর্মীয় সম্প্রীতির প্রসার। বিবৃতিতে তিনি আরও বলেন, কিছু ব্যক্তি ও গোষ্ঠী ইসকন ভক্তদের বিরুদ্ধে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে। তা ছাড়া, কোনও হিন্দু ব্যক্তি বিশেষ আইনবিরোধী কোনও ঘটনায় যুক্ত হলেই তাকে ঢালাও ভাবে ‘ইসকন সদস্য’ বলে প্রচার করা হচ্ছে। তারপরে, বিভ্রান্তি ছড়িয়ে ইসকন নিষিদ্ধের দাবি তোলা হচ্ছে। যা পরিকল্পিত নীল নকশার অংশ। চারুচন্দ্র দাস ব্রহ্মচারী সরকারের কাছে এ সব গুজব, মিথ্যা, অপপ্রচার ও হুমকির বিরুদ্ধে সুষ্ঠু তদন্ত করে দ্রুত পদক্ষেপ ও দায়ীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। পাশাপাশি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় সরকার ও প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, ‘ইসকন দেশের সরকার, আইন, সংবিধান ও প্রশাসনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।’

  • Bangladesh: থুতু ফেলা নিয়ে দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ব্যাপক সংঘর্ষ! উত্তপ্ত বাংলাদেশ

    Bangladesh: থুতু ফেলা নিয়ে দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ব্যাপক সংঘর্ষ! উত্তপ্ত বাংলাদেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে (Bangladesh) ঢাকার সাভারে থুতু ফেলা নিয়ে দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ব্যাপক সংঘর্ষ। ইতিমধ্যে আহত প্রায় দুশ ছাত্র। রাতভর রীতিমতো ভাঙচুর এবং অগ্নিসংযোগ করে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে ৮/৯টি বাস। ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ও সিটি ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের মধ্যে রাতভর সংঘর্ষ হয়। দুই পক্ষের মারামারিতে ছাত্রদের (Students clash) শরীরে রয়েছে ক্ষতচিহ্ন। সিটি ইউনিভার্সিটির কার্যালয়ে চলে ব্যাপক ভাঙচুর। থমথমে গোটা এলাকা, চরম উদ্বেগে রয়েছেন অভিভাবকরা। মহম্মদ ইউনূসের শাসনে বাংলাদেশে যে শান্তি নেই তা আরও একবার নজরে এসেছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিযোগ পুলিশ প্রশাসন নিষ্ক্রিয় ছিল।

    টাকা, ল্যাপটপ, কম্পিউটার লুট (Bangladesh)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সিটি ইউনিভার্সিটির (Bangladesh) দুই শিক্ষার্থী খাগান এলাকায় মোটরসাইকেলে চেপে যাচ্ছিলেন। এ সময় চলতি অবস্থায় থুতু ফেলে। সেখানেই দাঁড়িয়ে থাকা ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটির এক ছাত্রের গায়ে লাগে (Students clash)। এরপর বাইকে থাকা সিটি ইউনিভার্সিটির ছাত্ররা ওই দুই ছাত্রকে আটকে দেয়। দুজনকে ব্যাপক মারধর করে সেই সঙ্গে ক্ষমাও চাওয়ানো হয়। এরপর মার খেয়ে ছাত্ররা নিজেদের ইউনিভার্সিটিতে জানায়, ২০-২৫ জনের একটি দল ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনালের ব্যাচেলর প্যারাডাইস হোস্টেলের ভিতরে ঢুকলে নিমেষেই ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়া হয় আক্রমণের খবর। ফলে দের হাজার ছাত্র ছুটে আসে। সিটি ইউনিভার্সিটিতে আচমকা হামলা চলায়। চলে ব্যাপক ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ। সিটি ইউনিভার্সিটির দাবি উত্তেজিত ছাত্ররা অফিস থেকে টাকা, ল্যাপটপ, কম্পিউটার সহ একাধিক উপকরণ লুট করে নিয়ে চলে যায়। আগুনে পুড়িয়ে ছাই করে দেওয়া হয় বেশ কিছু গাড়ি।

    সাময়িক ভাবে দুই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ

    পুলিশের দাবি, খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে (Bangladesh) পৌঁছে যায় প্রশাসন। প্রথমে দুই পক্ষের সংঘর্ষকে থামানোর চেষ্টা করা হয়। দুই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের ডেকে সহযোগিতা চাওয়া হয়। তবে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ এতটাই মারাত্মক ছিল যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া করে অগ্নি সংযোগের কাছে পৌঁছতে পারেনি পুলিশ।

    তবে সোমবার সকাল থেকে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে খাগান এলাকায়। সিটি ইউনিভার্সিটির এডমিন অফিসার মো. রায়হান বলেন, “বেশ কয়েকটি পরিবহনে অগ্নিসংযোগ, একাডেমিক ও প্রশাসনিক ভবন ভাঙচুর করেছে ড্যাফোডিলের শিক্ষার্থীরা (Students clash)। হামলায় ৩টি হলের ছাত্রীসহ প্রায় আটশ শিক্ষার্থী অবরুদ্ধ হয়ে ছিল। আপাতত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সাময়িক ভাবে দুই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে বন্ধ রাখা হয়েছে।

  • Bangladesh: বাংলাদেশের ম্যাপে ভারতের উত্তরপূর্বের অংশ! পাক সেনাকর্তার সামনে ফের আগুনে ঘি ইউনূসের! কোনও চক্রান্ত?

    Bangladesh: বাংলাদেশের ম্যাপে ভারতের উত্তরপূর্বের অংশ! পাক সেনাকর্তার সামনে ফের আগুনে ঘি ইউনূসের! কোনও চক্রান্ত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের উত্তর-পূর্ব অঞ্চল নিয়ে কূটনৈতিক স্তরে ফের উত্তেজনা উস্কে দিলেন বাংলাদেশের (Bangladesh) অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূস। হাসিনাকে ক্ষমতা থেকে বিতারিত করে বারবার পাকিস্তানের সঙ্গে সখ্যতা বৃদ্ধিতে তৎপর হয়েছেন এই শান্তিতে নোবেল জয়ী ইউনূস (Muhammad Yunus)। ভারতের শত্রু রাষ্ট্র পাকিস্তানের জেনারেলকে তিনি দিয়েছেন একটি বিতর্কিত ম্যাপ। এই ম্যাপে উত্তরপূর্বের অসম এবং আরও অন্যান্য রাজ্যকে বাংলাদেশের অংশ হিসেবে দেখানো হয়েছে। উল্লেখ্য বাংলাদেশে অভ্যন্তরীণ অস্থির রাজনীতির কারণে অন্তর্বর্তী সরকারের একাধিক উপদেষ্টারা ভারতবিরোধী মন্তব্য করে দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কে তালানিতে ঠেকিয়েছিলেন। ওই দেশে চলছে নির্বিচারে সংখ্যালঘু হত্যা। দ্রব্যমূল্য এবং নিরাপত্তা নেই বললেই চলে। এবার বিতর্কিত ম্যাপ পাকিস্তানের হাতে তুলে দিয়ে আগুনে ঘি ঢেলেছেন ইউনূস। এই নতুন বিতর্কের সূত্রপাত  ভারতের জন্য অত্যন্ত অস্বস্তির।

    কেন বিতর্কিত ম্যাপ (Bangladesh)?

    গত সপ্তাহের শেষে পাকিস্তানের জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফ কমিটির চেয়ারপার্সন জেনারেল শাহির শামসাদ মির্জা গিয়েছিলেন ঢাকায়। তিনি ইউনূসের সঙ্গে দেখা করেন। আর সেই সময় ভারতের উত্তরপূর্ব রাজ্যের একটি বিতর্কিত ম্যাপ তুলে দেন। ১৯৭১ সালে পাকিস্তানকে ভাগ করে আজকের বাংলাদেশের (Bangladesh) জন্ম দিয়েছিল ভারতীয় সেনা। উর্দুভাষী পশ্চিম পাকিস্তানের পাকহানাদারের অত্যাচার, শোষণ এবং নিপীড়ন থেকে পূর্ববঙ্গ তথা বাংলাদেশিদের উদ্ধার করেছিল ভারতীয় সেনা। তারপর স্বাধীন জয় বাংলা হিসেবে আজকের বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়েছিল। দীর্ঘ ৫০ বছর ধরে পাকিস্তানের সঙ্গে বাংলাদেশের কোনও সম্পর্ক ছিল না। হতো না যোগাযোগ, ছিল না বাণিজ্যিক সম্পর্কও। কিন্তু গত ৫ অগাস্ট ২০২৪ সালে হাসিনাকে কোটা আন্দোলনের নামে বিতারিত করে সরকারে বসেন মহম্মদ ইউনূস। এরপর প্রকাশ্যে পাকিস্তানের সঙ্গে শুরু হয় খোলামেলা আলোচনা। শুরু হয় বিনা ভিসায় যাতায়াত এবং বিমান পরিষেবা। করাচি থেকে সোজা জাহাজ আসছে চট্টগ্রাম বন্দরে। তবে এই সবটার পিছনে রয়েছে ভারতকে অস্থির করার আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র। ইউনূস (Muhammad Yunus) বাংলাদেশের চেয়ারে বসলেও আসলে তাঁর হালে পানি যোগাচ্ছেন শত্রু রাষ্ট্র পাকিস্তান এবং আইএসআই। উত্তরপূর্ব ভারতকে অস্থির করার গভীর ষড়যন্ত্র করেছে না তো এই দুই প্রতিবেশী রাষ্ট্র?

    উত্তর-পূর্বের সাতটি রাজ্য বাংলাদেশের অংশ!

    মহম্মদ ইউনূস পাকিস্তান জেনারেলের সঙ্গে সাক্ষাতের পর এক্স হ্যান্ডলে একটি ছবি বিনিময় করেন। ইউনূস নিজে ‘আর্ট অফ ট্রায়াম্ফ’ নামে একটি বই প্রকাশ করেন। বইয়ের কভারে বাংলাদেশের (Bangladesh) একটা ম্যাপ দেখা যাচ্ছে। ম্যাপে উত্তর-পূর্বের সাতটি রাজ্য বাংলাদেশের অংশ দেখানো হয়েছে। বাংলাদেশের উগ্রমুসলিম সংগঠনগুলি গ্রেটার বাংলাদেশের (Muhammad Yunus) তত্ত্বে যা যা করে থাকে, ইউনূস পাকিস্তানের কাছে সেই তত্ত্বকেই তুলে ধরেছেন। যদিও এই বিতর্কিত ম্যাপ নিয়ে ভারতের বিদেশমন্ত্রক এখনও কোনও মন্তব্য করেনি।

    চিন সফরেও উত্তরপূর্ব প্রসঙ্গ ছিল

    উল্লেখ্য বাংলাদেশের (Bangladesh) প্রধান উপদেষ্টা এই প্রথম উত্তর-পূর্বাঞ্চলের কথা উল্লেখ করেননি। গত কয়েক মাসে শান্তিতে নোবেল জয়ী এই রাজনৈতিক নেতা একাধিকবার ভারতের উত্তরপূর্ব রাজ্যগুলি নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন। গত এপ্রিল মাসে চিন সফরে গিয়েছিলেন ইউনূস (Muhammad Yunus)। সেখানে গিয়ে ভারতের অসম সহ উত্তরপূর্ব রাজ্যকে স্থলবেষ্টিত বলে দাবি করে বলেছিলেন, “এই রাজ্যগুলি একমাত্র আমাদের সঙ্গে যুক্ত। আলাদা কোনও সমুদ্রপথ নেই। আমরাই তাদের অভিভাবক। তাই আমাদের উপেক্ষা করে কিছু করা সম্ভব নয়। তাদের সমুদ্রে পৌঁছানোর অন্যকোন রাস্তা নেই। এই বিরাট ভূ-মণ্ডলে চিনা অর্থনীতির সম্প্রসারণ ব্যাপক ভাবে হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।”

    ভারত আক্রমণ করতে চায় ইউনূস?

    ২০২৪ সালে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা নাহিদুল ইসলাম সামাজিক মাধ্যমে এমন একটি বিতর্কিত মানচিত্র শেয়ার করেছিলেন। যেখানে পশ্চিমবঙ্গ, আসাম ও ত্রিপুরার কিছু অংশকে বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্ত দেখানো হয়েছিল। পরে অবশ্য নিজে চাপে পড়ে মুছতে বাধ্য হন। আবার গত মে মাসে ইউনূসের আরও এক ঘনিষ্ঠ অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল ফজলুর রহমান এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, “ভারত যদি পাকিস্তানকে আক্রমণ করে, তাহলে বাংলাদেশকে চীনের সঙ্গে মিলে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল দখল করা উচিত।” এই মন্তব্যগুলি বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার কতটা ভারত বিরোধী এবং  পাকিস্তান প্রেমী তাও আরও একবার প্রমাণিত হয়।

LinkedIn
Share