Tag: Bengali news

Bengali news

  • Pakistan: পাক সেনা ও জঙ্গি সংগঠনের যোগসাজশ কবুল শীর্ষ লস্কর নেতার

    Pakistan: পাক সেনা ও জঙ্গি সংগঠনের যোগসাজশ কবুল শীর্ষ লস্কর নেতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের প্রকাশ্যে পাক সেনা এবং বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠনের যোগসাজশ (India)। এই আঁতাতের বেলুনটি ফাটিয়েছেন লস্কর-ই-তৈবার শীর্ষ নেতা সইফুল্লাহ কাসুরি। হাফিজ সইদের নেতৃত্বাধীন লস্কর-ই-তৈবার ডেপুটি চিফ কাসুরি স্বীকার করেন, পাকিস্তান (Pakistan) সেনাবাহিনী নিয়মিতভাবে তাঁকে নিজেদের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানায় এবং সেনাদের শেষকৃত্যে নমাজে জানাজা পড়ানোর দায়িত্বও দেয়। পাকিস্তানের একটি স্কুলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শিশুদের উদ্দেশে ভাষণ দিতে গিয়ে এই স্বীকারোক্তি দেন কাসুরি। সম্প্রতি প্রকাশ্যে আসা একটি তারিখহীন ভিডিওতে এই বক্তব্য ধরা পড়েছে, যা ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। ভারতীয় নিরাপত্তা সংস্থাগুলির মতে, ২০২৫ সালের ২২ এপ্রিল জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ের বৈসারান উপত্যকায় ঘটে যাওয়া ভয়াবহ জঙ্গি হামলার মূল চক্রী এই কাসুরিই। ওই হামলায় ২৬ জন নিরীহ হিন্দু নাগরিক নিহত হন।

    ভারতকে হুমকি কাসুরির (Pakistan)

    ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, শিশুদের সামনে দাঁড়িয়ে কাসুরি প্রকাশ্যে ভারতকে হুমকি দিচ্ছেন। তাঁর দাবি, তাঁর উপস্থিতিতেই ভারত ভীত। ভারতবিরোধী বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, আমার নাম জড়িয়ে পড়ার পর থেকেই আমার খ্যাতি আরও বেড়েছে। তিনি বলেন, “ভারত আমার নাম শুনেই ভয় পায়।” বিশেষজ্ঞদের মতে, কাসুরির (Pakistan) এই স্বীকারোক্তি পাকিস্তানের দীর্ঘদিনের সেই দাবিকে সম্পূর্ণভাবে খণ্ডন করে, যেখানে তারা আন্তর্জাতিক মহলের সামনে বলে আসছে যে পাকিস্তানের মাটিতে সক্রিয় সন্ত্রাসবাদী সংগঠনগুলির বিরুদ্ধে তারা কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছে (India)। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, “পাকিস্তান সেনাবাহিনীর কাছ থেকে আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ পাওয়ার কথা প্রকাশ্যে স্বীকার করে নেওয়া, বিশেষ করে নিহত সেনাদের ধর্মীয় আচার সম্পাদনের ক্ষেত্রে, স্পষ্টভাবে প্রমাণ করে যে লস্কর-ই-তৈবার মতো নিষিদ্ধ সংগঠনগুলির প্রতি প্রাতিষ্ঠানিক মদত রয়েছে। ভারতীয় আধিকারিকরা এবং নিরাপত্তা বিশ্লেষকেরা দীর্ঘদিন ধরেই এই অভিযোগ তুলে আসছেন (Pakistan)।”

    লস্কর-ই-তৈবার ছদ্ম সংগঠন

    প্রসঙ্গত, পহেলগাঁওয়ে লস্কর-ই-তৈবার ছদ্ম সংগঠন ‘দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্টে’র সঙ্গে যুক্ত জঙ্গিদের হামলায় ভারত-পাকিস্তান সম্পর্ক চরম উত্তেজনার পর্যায়ে পৌঁছয়। এই হামলার পাল্টা জবাবে ভারত ২০২৫ সালের ৭ মে শুরু করে ‘অপারেশন সিঁদুর’। ওই অভিযানে পাকিস্তান ও পাক-অধিকৃত কাশ্মীরে অবস্থিত জঙ্গি পরিকাঠামোর ওপর নির্ভুল ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হয়। মোট ন’টি জঙ্গি ঘাঁটি লক্ষ্য করে এই অভিযান চালানো হয়, যেগুলি লস্কর-ই-তৈবা, জইশ-ই-মহম্মদ এবং অন্যান্য জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিল। চার দিন ধরে সীমান্তের দু’পাশে তীব্র সংঘর্ষের পর ২০২৫ সালের ১০ মে উভয় দেশ সংঘর্ষবিরতিতে রাজি হয় (India)। উল্লেখ্য, যিনি সাজিদ সাইফুল্লাহ জাট বা খালিদ নামেও পরিচিত, এর আগেও একাধিকবার লস্কর-ই-তৈবার জঙ্গি কার্যকলাপের সাফাই গেয়েছেন। তিনি কবুল করেন, অপারেশন সিঁদুরে জঙ্গি ঘাঁটির বড়সড় ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। যদিও তাঁর দাবি, ভারত কেবল পরিকাঠামো লক্ষ্য করে ভুল করেছে এবং আরও বড় সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া উচিত ছিল না (Pakistan)।

    কাশ্মীর মিশন

    কাসুরি আবারও ‘কাশ্মীর মিশনে’র প্রতি লস্কর-ই-তৈবার অটল প্রতিশ্রুতির কথা মনে করিয়ে দিয়ে বলেন, এই সংগঠন কখনও তাদের লক্ষ্য থেকে সরে আসবে না। সম্প্রতি প্রকাশিত একটি ভিডিও নতুন করে পাকিস্তানের সন্ত্রাসবাদ নীতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। এতে পাকিস্তানের দ্বিচারী অবস্থান, জঙ্গিদের প্রতি রাষ্ট্রের দায়বদ্ধতা এবং প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ মদতের মাত্রা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ভারতীয় নিরাপত্তা সংস্থাগুলির মতে, কাসুরির প্রকাশ্য উপস্থিতি ও তরুণদের উদ্দেশে দেওয়া উসকানিমূলক বক্তব্য প্রমাণ করে যে পাকিস্তানে ঘোষিত জঙ্গিরা কার্যত কোনও বাধা ছাড়াই কাজ করার স্বাধীনতা ভোগ করছে (Pakistan)। এদিকে, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে ক্রমবর্ধমান কূটনৈতিক ও সামরিক ঘনিষ্ঠতাকে স্বাগত জানিয়েছে লস্কর-ই-তৈবা (LeT)। গোয়েন্দা সূত্রের খবর, সংগঠনটির উপপ্রধান সইফুল্লাহ কাসুরি ইসলামাবাদ ও ঢাকার মধ্যে নতুন করে ঘনিষ্ঠতা বাড়ায় অভিনন্দন জানিয়ে একাধিক মন্তব্য করেছেন (India)।

    মুসলিম বিশ্বের জন্য ইতিবাচক

    রাষ্ট্রসংঘ ঘোষিত জঙ্গি এবং পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলার মূলচক্রী কাসুরি পাকিস্তান ও বাংলাদেশের সম্পর্ক জোরদার হওয়াকে ইতিবাচক বলে উল্লেখ করেন। দুই দেশের মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে বাণিজ্য শুরু হওয়াকে প্রশংসনীয় এবং অত্যন্ত প্রশংসাযোগ্য বলেও মন্তব্য করেন তিনি। বিশেষজ্ঞদের মতে, কাসুরির এই বক্তব্য দক্ষিণ এশিয়ার নিরাপত্তা পরিস্থিতির দিক থেকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ এবং উদ্বেগজনক। বিশেষ করে একটি নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠনের শীর্ষ নেতার পক্ষ থেকে দুই দেশের সম্পর্ক নিয়ে প্রকাশ্যে সন্তোষ প্রকাশ নতুন করে প্রশ্ন তুলছে (Pakistan)। সূত্রের খবর, কাসুরি পাকিস্তান–বাংলাদেশের সাম্প্রতিক কূটনৈতিক যোগাযোগকে ‘মুসলিম বিশ্বের জন্য ইতিবাচক পুনর্বিন্যাস’ হিসেবে তুলে ধরেছেন। এটি ভারতের বিরুদ্ধে লস্কর-ই-তৈবার দীর্ঘদিনের আদর্শগত অবস্থানেরই প্রতিফলন বলে ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের।

    কাসুরির বক্তব্যে ইঙ্গিত

    সূত্রের খবর, কাসুরির বক্তব্যে ইঙ্গিত মিলেছে যে পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গি সংগঠনগুলি এই নতুন আঞ্চলিক কূটনৈতিক পরিস্থিতিকে তাদের জন্য সম্ভাব্য ‘অপারেশনাল সুযোগ’ হিসেবে দেখছে। বিশেষ করে কাশ্মীরের গণ্ডি ছাড়িয়ে বৃহত্তর দক্ষিণ এশিয়ায় জেহাদি প্রভাব বিস্তারের পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই এই মূল্যায়ন করা হচ্ছে (Pakistan)। নিরাপত্তা সংস্থাগুলির মতে, দক্ষিণ এশিয়াজুড়ে লস্কর-ই-তৈবার বিস্তৃত লজিস্টিক, নিয়োগ এবং আদর্শগত নেটওয়ার্ক রয়েছে। অতীতে পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গি সংগঠনগুলির সঙ্গে যুক্ত সন্ত্রাসে অর্থ জোগান ও যাতায়াতের তদন্তে বাংলাদেশের নাম উঠে আসায় বর্তমান পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে (India)। সূত্রের দাবি, লস্কর-ই-তৈবার এই প্রতিক্রিয়া স্পষ্ট করে দেয় যে অ-রাষ্ট্রীয় জেহাদি সংগঠনগুলি আঞ্চলিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের ওপর ঘনিষ্ঠ নজর রাখছে এবং প্রয়োজনে পাকিস্তানের সরকার ও সেনাবাহিনীর সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে, কখনও কখনও তা নিয়ন্ত্রণ করার পর্যায়েও পৌঁছচ্ছে।

    সন্ত্রাস দমন সংস্থাগুলির মতে, কাসুরির এই বক্তব্য কাশ্মীরকেন্দ্রিক সন্ত্রাসের পরিসর বিস্তৃত করে একই মতাদর্শে বিশ্বাসী আঞ্চলিক নেটওয়ার্কগুলিকে যুক্ত করার একটি প্রচেষ্টা। ফলে এই নতুন কূটনৈতিক সমীকরণ ভারত ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা সংস্থাগুলির কাছে (India) অত্যন্ত সংবেদনশীল ও উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে (Pakistan)।

  • PM Modi: নয়া উচ্চতায় ভারত–জার্মানি সম্পর্ক, মোদি-মের্ৎসের উপস্থিতিতে স্বাক্ষরিত হল একগুচ্ছ মউ

    PM Modi: নয়া উচ্চতায় ভারত–জার্মানি সম্পর্ক, মোদি-মের্ৎসের উপস্থিতিতে স্বাক্ষরিত হল একগুচ্ছ মউ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতিরক্ষা, অভিবাসন ও কর্মী যাতায়াত, প্রযুক্তি এবং পরিচ্ছন্ন জ্বালানির ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও গভীর করার বিষয়ে একমত হল ভারত ও জার্মানি (Germany)। এনিয়ে গুজরাটে যৌথ সাংবাদিক সম্মেলনও করেন দুই দেশের দুই প্রতিনিধি। যৌথ বিবৃতি দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) ও জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎস। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ভারত ও জার্মানির মতো অর্থনীতির মধ্যে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা শুধু দুই দেশের জন্যই নয়, সমগ্র মানবজাতির জন্যই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।” তাঁর কথায়, দীর্ঘদিনের সম্পর্ককে এখন নতুন বৃদ্ধি ও নিরাপত্তার ফলাফলে রূপান্তরিত করার সময় এসেছে।

    সুস্পষ্ট রোডম্যাপ (PM Modi)

    প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে দুই দেশ একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরির দিকে এগোচ্ছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম কেনার ক্ষেত্রে জার্মানির প্রক্রিয়াগত জটিলতা কমানোর সিদ্ধান্তকেও স্বাগত জানান। অতীতে এই জটিলতাই দ্বিপাক্ষিক প্রতিরক্ষা সহযোগিতার পথে বাধার প্রাচীর হয়ে দাঁড়িয়েছিল। বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারত বর্তমানে প্রতিরক্ষা খাতে বৈচিত্র্য আনা এবং দেশীয় উৎপাদন জোরদার করার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। জার্মানির সহজতর ক্রয় প্রক্রিয়া যৌথ প্রকল্প ও সরবরাহকারী অংশগ্রহণ দ্রুততর করতে পারে। দুই দেশ অভিবাসন ও দক্ষ কর্মী যাতায়াত নিয়ে একসঙ্গে কাজ করার সিদ্ধান্তও নিয়েছে। এর মাধ্যমে জার্মানির শ্রমবাজারের চাহিদা এবং ভারতের দক্ষ মানবসম্পদের মধ্যে যোগসূত্র তৈরি হবে বলে মনে করা হচ্ছে। যদিও নির্দিষ্ট সময়সীমা ঘোষণা করা হয়নি, তবে এই উদ্যোগকে অর্থনৈতিক কৌশল হিসেবেই দেখা হচ্ছে (PM Modi)।

    ভারত–জার্মানি কৌশলগত অংশীদারিত্ব

    মোদি জানান, গত বছর ভারত–জার্মানি কৌশলগত অংশীদারিত্বের ২৫ বছর পূর্ণ হয়েছে এবং চলতি বছর দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৭৫ বছর উদযাপিত হচ্ছে। ক্রমবর্ধমান বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক এই অংশীদারিত্বে নতুন গতি এনেছে, যার প্রভাব (Germany) পড়বে বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খলেও। দুই দেশ যৌথভাবে ভারত–জার্মানি সেন্টার অফ এক্সেলেন্স গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথাও ঘোষণা করেছে। এই কেন্দ্র জ্ঞান, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে একটি যৌথ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে (PM Modi)। এছাড়া জলবায়ু পরিবর্তন, পরিচ্ছন্ন জ্বালানি, নগর উন্নয়ন ও আরবান মোবিলিটির ক্ষেত্রে একাধিক নতুন প্রকল্প এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। ভারত ও জার্মানির সংস্থাগুলির অংশগ্রহণে একটি বৃহৎ সবুজ হাইড্রোজেন প্রকল্পকে ভবিষ্যতের জ্বালানি ক্ষেত্রে “গেম-চেঞ্জার” হিসেবেও তুলে ধরা হয়।

    স্বামী বিবেকানন্দের জন্মবার্ষিকীতে চ্যান্সেলর মের্ৎসকে স্বাগত জানিয়ে মোদি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, স্বামী বিবেকানন্দ ও ম্যাডাম কামার মতো ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্বদের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “এই সফর সেই ঐতিহ্যকে আধুনিক কৌশলগত অংশীদারিত্বে রূপ দিচ্ছে (PM Modi)।” চ্যান্সেলর মের্ৎস বলেন, “জার্মানি ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর ও শক্তিশালী করতে চায়। এর আগে তিনি মহাত্মা গান্ধীর জন্মভূমিও পরিদর্শন করেন (Germany)। এই সফরের সময় দুই দেশের মধ্যে একাধিক মউ স্বাক্ষরিত হয়।

  • Suvendu Adhikari: “চা বাগানের শ্রমিকদের কাজের নথি এসআইআরে প্রামাণ্য”, শুভেন্দুর আবেদনে সিলমোহর কমিশনের

    Suvendu Adhikari: “চা বাগানের শ্রমিকদের কাজের নথি এসআইআরে প্রামাণ্য”, শুভেন্দুর আবেদনে সিলমোহর কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চা বাগানের নথিতেই ভোটার তালিকায় (SIR) তোলা যাবে। এসআইআর প্রক্রিয়ায় পরিচয় এবং বাসস্থানের নথি হিসেবে চা বাগান এবং সিনকোনা বাগানের কর্মসংস্থানের রেকর্ড দেখানো যাবে। এবার মান্যতা দিলেন নির্বাচন কমিশন। বিজেপির তরফে উত্তরবঙ্গের চা বাগান এলাকায় এই দাবি নিয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে আগেই রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু আধিকারী (Suvendu Adhikari) তুলেছিলেন। এবার কমিশন মান্যতা দিয়েছে। গতকাল ১১ জানুয়ারি থেকেই কার্যকর হয়েছে এই নির্দেশিকা।

    ভোট আপনাদের প্রকৃত শক্তি (Suvendu Adhikari)

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, “উত্তরবঙ্গের বিস্তীর্ণ অংশে বসবাসকারী জনজাতি, বনবাসী এবং বাগান শ্রমিকরা দীর্ঘদিন ধরে নথিগত সমস্যায় রয়েছে। এই জন্য তাঁদের ভোটাধিকার থেকেও বঞ্চিত করে রাখা হয়েছে। রাজ্য সরকার এই এলাকার মানুষকে বহুদিন ধরে ভোটাধিকার দেয়নি। বঞ্চনার শিকার শ্রমিকরা। নির্বাচন কমিশনের (SIR) সিদ্ধান্ত একটি বড় জয় এবার। এখন থেকে চা বাগান বা সিনকোনা বাগানে কর্মসংস্থানের নথি ব্যবহার করে ভোটার তালিকায় নাম নথিভুক্ত করতে পারবেন। আপানাদের ভোট আপনাদের প্রকৃত শক্তি।”

    ঔপনিবেশিক ব্রিটিশ আমল থেকেই কাজে নিযুক্ত

    গত ৬ জানুয়ারি শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) নির্বাচন কমিশনের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে একটি চিঠি লিখেছিলেন। এই চিঠিতে চাবাগান এবং সিনকোনা বাগানের কর্মসংস্থানের রেকর্ডকে পরিচয় ও বাসস্থানের সরকারি প্রমাণ হিসবে স্বীকৃতি দেওয়ার আবেদন জানান। প্রতিনিধিত্ব আইন ১৯৫০ অনুযায়ী সার্বজনীন প্রাপ্ত বয়স্ক ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে অন্তর্ভুক্তমূলক ও সঠিক ভোটার তালিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তৃণমূল সরকার নানা টালবাহানা করে এই এলাকার জনগণকে প্রাপ্য ভোটাধিকার (SIR) থেকে বঞ্চিত করে রেখেছে। শুভেন্দু বলেন, “উত্তরবঙ্গের বহু চা বাগান এলাকায় বহু শ্রমিকেরা পূর্বপুরুষরা ঔপনিবেশিক ব্রিটিশ আমালে এই অঞ্চলে কাজ শুরু করেছিলেন। সেই সময়ের সরকারি নথির অভাব থাকায় একমাত্র নির্ভরযোগ্য রেকর্ড হিসেবে বাগান মালিকের নথিই সংরক্ষিত ছিল। স্বাধীনতার পর বংশ পরম্পরায় এই নথিগুলি তাঁদের পরিচয়, বাসস্থান এবং পরিবারের তথ্য। শ্রম সংক্রান্ত কল্যাণমূলক প্রকল্পে এই নথিগুলি কার্যত প্রমাণপত্র হিসেবে ব্যবহার করা যাবে।”

    কোন কোন এলাকায় প্রযোজ্য

    রাজ্যের নির্বাচন কমিশনের সিইও দফতর একটি নির্দেশিকা পাঠিয়ে জানিয়েছে, চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় নাম তুলতে নির্দিষ্ট বাগানের কর্মসংস্থান নথি দেখালেই হবে। তবে সেই সঙ্গে দিতে গবে বাসস্থানের বৈধ প্রমাণপত্রও (SIR)। এগুলিদিলেই ভোটার তালিকায় নাম থাকা নিয়ে আর কোনও সংশয় থাকবে না। এই নির্দেশিকা কেবলমাত্র উত্তরবঙ্গের সাত জেলা যথা- দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং কোচবিহারের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হবে। এই এলাকার চা বাগান এবং সিনকোনা চা বাগানের জন্যই বেশি পরিমাণে প্রযোজ্য হবে।

    আগে ১১ নথি ছিল

    যদিও আগে নির্বাচন কমিশন ১১টি নথির কথা জানিয়েছিল। তাঁর মধ্যে আধার কার্ড এবং বিহারের এসআইআর নথি গ্রহণের কথা বলেছেন। এই এলাকার শ্রমিকরা বংশ পরম্পরায় উত্তরসূরী। নির্বাচন কমিশন শ্রমিকদের ভোটার তালিকায় নাম তোলার জন্য কাজের কাগজে সিলমোহর দিয়ে উত্তরবঙ্গের সাত জেলার জেলাশাসককে নির্দেশিকা পাঠিয়েছে।

    প্রান্তিক এলাকার মানুষের সুবিধা

    নির্বাচন কমিশন (SIR) পশ্চিমবঙ্গের সম্প্রতি মানুষের কথা ভেবে এসআইআর শুনানিতে প্রক্রিয়ায় আরও একটি বদল এনেছে কমিশন। রাজ্যের বিচ্ছিন্ন জনবসতি এবং প্রান্তিক মানুষের স্বার্থে ডিসেন্ট্রালইজড হিয়ারিং বা বিকেন্দ্রিত শুনানির অনুমতি দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। চা বাগানের কর্মীদের জন্য নির্বাচন কমিশন এই বিশেষ নথিকেও এখন মান্যতা দিয়েছে। প্রান্তিক মানুষের কথা ভেবে এসআইআর শুনানিতে এই নতুন নির্দেশিকা ব্যাপক ভাবে সহযোগিতা করবে বলে অনেকেই মত প্রকাশ করেছেন।

    ভোট শতাংশের তফাৎ মাত্র ১০ শতাংশ

    রাজ্যে এসআইআর নিয়ে প্রথম থেকেই  তৃণমূলের আপত্তি। খসড়া তালিকায় ইতিমধ্যে বাদ গিয়েছে ৫৮ লক্ষের বেশি নাম। লোকসভা ভোটে তৃণমূলের সঙ্গে বিজেপির ভোট শতাংশের তফাৎ মাত্র ১০ শতাংশ। অপরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একাধিক সভায় নাম বাদ পরা নিয়ে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছেন। দিল্লিতে মুখ্যনির্বাচন কমিশনার জ্ঞাণেশকুমারের সঙ্গে দেখা করে কমিশনকে নিশানা করেছিলেন অভিষেক। তবে পাল্টা বিজেপিও অবৈধ ভোটার প্রসঙ্গে সরব হয়েছে। বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী এবং রোহিঙ্গাদের একজনের নামও তালিকায় থাকবে না বলে হুঁশিয়ারই দিয়েছে বঙ্গ বিজেপির নেতা শুভেন্দু অধিকারী।

  • Vande Bharat: বন্দে ভারত স্লিপার থেকে অমৃত ভারত, নববর্ষে বাংলাকে একগুচ্ছ ট্রেন উপহার মোদি সরকারের

    Vande Bharat: বন্দে ভারত স্লিপার থেকে অমৃত ভারত, নববর্ষে বাংলাকে একগুচ্ছ ট্রেন উপহার মোদি সরকারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নববর্ষে বাংলাকে একগুচ্ছ ট্রেন উপহার দিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকার। উপহার দেওয়া হয়েছে অসমকেও (Vande Bharat)। জানা গিয়েছে, একই সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গ এবং অসম থেকে ১১টি ট্রেন চালু করতে চলেছে ভারতীয় রেল (Amrit Bharat Express)। সূত্রের খবর, এই ১১টি ট্রেনের মধ্যে রয়েছে আটটি অমৃত ভারত এবং একটি বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনও। দেশে এই প্রথমবার আটটি বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন চালু হচ্ছে। আর রাজ্যভিত্তিক বণ্টনের নিরিখে ১১টি ট্রেনের মধ্যে ন’টিই পাচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ। বাকি দুটি ট্রেনও অসম ছেড়ে পশ্চিমবঙ্গ ছুঁয়ে যাবে গন্তব্যে। একটি মেমু প্যাসেঞ্জার ট্রেনের যাত্রাপথও সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। বাঁকুড়া-ময়নাপুর মেমু প্যাসেঞ্জার ট্রেন সম্প্রসারণ করা হচ্ছে জয়রামবাটি পর্যন্ত।

    নয়া ট্রেন (Vande Bharat)

    রেল সূত্রে খবর, নয়া যে ট্রেনগুলি চালু হবে, সেগুলি হল, নিউ জলপাইগুড়ি-তিরুচিলাপল্লি অমৃত ভারত এক্সপ্রস, এসএমভিটি বেঙ্গালুরু-আলিপুরদুয়ার অমৃত ভারত এক্সপ্রেস, আলিপুরদুয়ার-পানভেল অমৃত এক্সপ্রেস, ডিব্রুগড়-গোমতী নগর অমৃত ভারত এক্সপ্রেস, কামাখ্যা-রোহতক অমৃত ভারত এক্সপ্রেস, হাওড়া-আনন্দ বিহার টার্মিনাল অমৃত ভারত এক্সপ্রেস, শিয়ালদা-বেনারস অমৃত ভারত এক্সপ্রেস, নিউ জলপাইগুড়ি-নাগেরকোল অমৃত ভারত এক্সপ্রেস, হাওড়া-কামাখ্যা বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন, এসএমভিটি বেঙ্গালুরু-বালুরঘাট এক্সপ্রেস এবং এসএমভিটি বেঙ্গালুরু-রাধিকাপুর এক্সপ্রেস (Vande Bharat)।

    কী বললেন রেলমন্ত্রী

    ২০২৬ সালের প্রথম দিনই রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব জানিয়েছিলেন, দেশের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন চালু হবে হাওড়া থেকে (Amrit Bharat Express) কামাখ্যার মধ্যে। সম্প্রতি তিনি বলেন, “আগামী ১৫ থেকে ২০ দিনের মধ্যেই পরিষেবা চালু হয়ে যাবে, পরিষেবা শুরু হবে সম্ভবত ১৮ বা ১৯ তারিখ। আমরা প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করেছি। তিনি রাজিও হয়েছেন। আর সব কিছু ঠিকঠাক হয়ে গিয়েছে। দু’-তিনদিনের মধ্যেই নির্দিষ্ট দিনক্ষণ ঘোষণা করে দেব।”

    ভাড়া কত

    রেলমন্ত্রী জানিয়েছেন, কলকাতা থেকে গুয়াহাটিতে বিমানে যেতে খরচ পড়ে ৬ থেকে ৮ হাজার টাকা। সেখানে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনে থার্ড এসিতে যেতে খরচ হবে খাবার-সহ ২,৩০০ টাকার মধ্যে। সেকেন্ড এসিতে সফর করতে হলে দিতে হবে আরও ৭০০ টাকা বেশি (Vande Bharat)। আর ফার্স্ট এসিতে ভাড়া পড়বে মোটামুটি ৩,৬০০ টাকা। তিনি জানান, মধ্যবিত্তের কথা মাথায় রেখেই ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে। মন্ত্রী জানান, গুয়াহাটি থেকে যে ট্রেন হাওড়া আসবে, তাতে মিলবে অসমের খাবার। আর কলকাতা থেকে যে ট্রেন কামাখ্যা যাবে, তাতে পাওয়া যাবে বাঙালি খাবার (Amrit Bharat Express)।

    রেল সূত্রে খবর, সাঁতরাগাছি থেকে চেন্নাই পেরিয়ে তাম্বারাম পর্যন্ত চালু হচ্ছে অমৃত ভারত এক্সপ্রেস। বালুরঘাট-হিলির মধ্যে নয়া রেলপথে শিলান্যাসের জন্য বরাদ্দ হয়েছে ১ হাজার ১৮১ কোটি টাকা। নিউ কোচবিহার থেকে বামনহাট ও বক্সিরহাটের মধ্যে ৯৫ কিলোমিটার লাইনের বৈদ্যুতিকীকরণ করা হবে। এজন্য বরাদ্দ হচ্ছে ১১৮ কোটি টাকা (Vande Bharat)। ফালাকাটা থেকে ধূপগুড়ি পর্যন্ত চার লেনের জাতীয় সড়ক তৈরি প্রকল্পের শিলান্যাসও হবে একই দিনে। এজন্য বরাদ্দ হয়েছে ১ হাজার ৬০৬ কোটি টাকা (Amrit Bharat Express)।

  • Vehicle to Vehicle: গাড়িতেও বসতে চলেছে ‘কবচ’! দুর্ঘটনা ঠেকাতে অভিনব প্রযুক্তি আনছে মোদি সরকার

    Vehicle to Vehicle: গাড়িতেও বসতে চলেছে ‘কবচ’! দুর্ঘটনা ঠেকাতে অভিনব প্রযুক্তি আনছে মোদি সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় সরকার ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ ভারতীয় সড়ক পরিবহণ দফতর ভেহিক্যল-টু-ভেহিক্যল (Vehicle to Vehicle) যোগাযোগ প্রযুক্তি চালু করার পরিকল্পনা করেছে। এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য হল দেশজুড়ে সড়ক নিরাপত্তা বৃদ্ধি করা এবং দুর্ঘটনার হার কমানো। এই প্রযুক্তির বিশেষত্ব হল, বাহ্যিক নেটওয়ার্কের যেমন মোবাইল নেটওয়ার্ক ওপর নির্ভর না করেই একেবারে সরাসরি এক যানবাহন থেকে অন্য যানবাহনে তথ্য আদান-প্রদান করতে পারবে। কীভাবে এই প্রযুক্তি (New Safety Plan) পরিষেবা দেবে আসুন জেনে নিই।

    দুর্ঘটনা হ্রাস

    কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ মন্ত্রী নিতিন গড়করি এই প্রস্তাবের বিষয়টি সম্পর্কে সবুজ সঙ্কেত দিয়েছেন। এই ভেহিক্যল-টু-ভেহিক্যল প্রযুক্তি (New Safety Plan) একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক নিরাপত্তা ব্যবস্থা হিসেবে চিহ্নিতও করেছেন। এই ভেহিক্যল-টু-ভেহিক্যল (Vehicle to Vehicle) সিস্টেমটি চলমান গতিশীল যানবাহনের দ্বারা রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা বা পার্ক করা যানবাহনকে ধাক্কা দেওয়ার মতো সংঘর্ষগুলি কমাতে বিশেষভাবে সাহায্য করবে। এক কথায় এটাকে গাড়ির নিজস্ব কবচ সিস্টেম বলা যেতে পারে। যার মূল উদ্দেশ্য হল, দুর্ঘটনা রোধ করা।

    কুয়াশার সময়ে সতর্কতা

    শীতকালে যখন দৃশ্যমানতা অত্যন্ত কম থাকে, তখন বড় ধরনের বহু-যানবাহন সংঘর্ষ (pile-up) এড়াতে সহায়তা করবে এই ভেহিক্যল-টু-ভেহিক্যল (Vehicle to Vehicle)। কাছাকাছি কোনো যানবাহন বিপজ্জনকভাবে চলে এলে চালকের কাছে সঙ্গে সঙ্গে সতর্কবার্তা পাঠানো হবে। ফলে তাতে দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পাবে।

    কার্যপ্রণালী এমন হবে এই প্রযুক্তির যে যানবাহনের (New Safety Plan) ভেতরে ইনস্টল করা সিম কার্ডের মতো একটি ডিভাইসের মাধ্যমে কাজ করবে। এই প্রযুক্তি গাড়ির চারপাশ থেকে সংকেত প্রেরণ করে সম্পূর্ণ ৩৬০-ডিগ্রি যোগাযোগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করবে।

    রিয়েল-টাইম সতর্কতা

    অন্য কোনও যানবাহন খুব কাছাকাছি চলে এলে চালকরা তাৎক্ষণিক (Real-Time) সতর্কতা পাবেন। এটি চালকদের নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখার সীমা সম্পর্কে সতর্ক করবে এবং রাস্তার পাশে থাকা স্থির বা ক্ষতিগ্রস্ত যানবাহন সম্পর্কেও আগাম সতর্কবার্তা দেবে এই প্রযুক্তি (Vehicle to Vehicle)।

    পর্যায়ক্রমিক প্রবর্তন

    পরিবহণ মন্ত্রক ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ এই প্রযুক্তিটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে প্রবর্তন করবে। এটি পর্যায়ক্রমে চালু করা হবে, যেখানে প্রথমে নতুন যানবাহনগুলিতে এটি ইনস্টল করা হবে। এই ভিটুভি সিস্টেমটি বিদ্যমান উন্নত ড্রাইভার সহায়তা সিস্টেম (ADAS)-এর পাশাপাশি কাজ করবে। প্রকল্পের ব্যয় হিসেবে সামগ্রিক প্রকল্পের জন্য আনুমানিক ৫,০০০ কোটি টাকা খরচ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। যদিও গ্রাহকদের এই সিস্টেমের জন্য মূল্য দিতে হবে, তবে সেই মূল্য তালিকা এখনও ঘোষণা করা হয়নি।

  • Ramakrishna 555: “সীতার শোকে রাম ধনুক তুলতে না পারাতে লক্ষ্মণ আশ্চর্য হয়ে গেল, কিন্তু পঞ্চভূতের ফাঁদে ব্রহ্ম পরে কাঁদে”

    Ramakrishna 555: “সীতার শোকে রাম ধনুক তুলতে না পারাতে লক্ষ্মণ আশ্চর্য হয়ে গেল, কিন্তু পঞ্চভূতের ফাঁদে ব্রহ্ম পরে কাঁদে”

    ৫১ ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ দক্ষিণেশ্বর-মন্দিরে ভক্তসঙ্গে

    অষ্টম পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২৮শে অগস্ট

    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ ও যীশুখ্রীষ্ট (Jesus Christ)

    প্রত্যূষ (২৮শে অগস্ট) হইল। ঠাকুর (Ramakrishna) গাত্রোত্থান করিয়া মার চিন্তা করিতেছেন। অসুস্থ হওয়াতে ভক্তেরা শ্রীমুখ হইতে সেই মধুর নাম শুনিতে পাইলেন না। ঠাকুর প্রাতঃকৃত্য সমাপন করিয়া নিজের আসনে আসিয়া বসিয়াছেন। মণিকে বলিতেছেন (Kathamrita), আচ্ছা, রোগ কেন হল?

    মণি—আজ্ঞা, মানুষের মতন সব না হলে জীবের সাহস হবে না। তারা দেখেছে যে, এই দেহের এত অসুখ, তবুও আপনি ঈশ্বর বই আর কিছুই জানেন না।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (সহাস্যে)—বলরামও (Ramakrishna) বললে, ‘আপনারই এই, তাহলে আমাদের আর হবে না কেন?’

    “সীতার শোকে রাম ধনুক তুলতে না পারাতে লক্ষ্মণ আশ্চর্য হয়ে গেল। কিন্তু পঞ্চভূতের ফাঁদে ব্রহ্ম পরে কাঁদে।

    মণি—ভক্তের দুঃখ দেখে যীশুখ্রীষ্টও অন্য লোকের মতো কেঁদেছিলেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ — কি হয়েছিল?

    মণি — মার্থা, মেরী দুই ভগ্নী, আর ল্যাজেরাস ভাই — তিনজনই যীশুখ্রীষ্টের ভক্ত। ল্যাজেরাসের মৃত্যু হয়। যীশু তাদের বাড়িতে আসছিলেন। পথে একজন ভগ্নী (মেরী), দৌড়ে গিয়ে পদতলে পড়ে কাঁদতে কাঁদতে বললে, ‘প্রভু, তুমি যদি আসতে, তাহলে সে মরতো না।’ যীশু তার কান্না দেখে কেঁদেছিলেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ ও সিদ্ধাই — Miracles

    “তারপর তিনি গোরের কাছে গিয়ে নাম ধরে ডাকতে লাগলেন (Kathamrita), অমনি ল্যাজেরাস প্রাণ পেয়ে উঠে এল।”

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) — আমার কিন্তু উগোনো হয় না।

    মণি— সে আপনি করেন না— ইচ্ছা করে। ও-সব সিদ্ধাই, Miracle তাই আপনি করেন না। ও-সব করলে লোকদের দেহেতেই মন যাবে—শুদ্ধাভক্তির দিকে মন যাবে না। তাই আপনি করেন না।

    “আপনার সঙ্গে যীশুখ্রীষ্টের অনেক মেলে!”

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Kathamrita) সহাস্যে— আর কি কি মেলে?

  • Pakistan: সিন্ধুতে হিন্দু যুবক খুন, উত্তাল পাকিস্তান, রাজ্যজুড়ে ক্ষোভ

    Pakistan: সিন্ধুতে হিন্দু যুবক খুন, উত্তাল পাকিস্তান, রাজ্যজুড়ে ক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের (Pakistan) সিন্ধু প্রদেশে গুলিতে ঝাঁঝরা হয়ে গেলেন এক যুবক হিন্দু কৃষক তথা সংখ্যালঘু অধিকারকর্মী কৈলাশ কোহলি (Kailash Kohli)। এই হত্যাকাণ্ডের পর সিন্ধু জুড়ে ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। হিন্দু সম্প্রদায়ের সদস্যদের পাশাপাশি মানবাধিকার সংগঠনগুলিও রাস্তায় নেমে পাকিস্তানে সংখ্যালঘু হিন্দুদের জীবন ও নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।কৈলাশের বয়স মাত্রই ২৫। তিনি শুধু একজন কৃষকই নন, একই সঙ্গে পাকিস্তানে সংখ্যালঘু হিন্দুদের অধিকার রক্ষায় সক্রিয় একজন সমাজকর্মী হিসেবেও পরিচিত ছিলেন। অভিযোগ, ইসলামাবাদ-নিয়ন্ত্রিত শাসনব্যবস্থার অধীনে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা ক্রমেই বিপন্ন হয়ে উঠছে এবং এই হত্যাকাণ্ড তারই এক ভয়াবহ দৃষ্টান্ত।

    প্রকাশ্য দিবালোকে খুন (Pakistan)

    জানা গিয়েছে, গত ৪ জানুয়ারি সিন্ধুর বাদিন জেলার তালহার তহশিলের অন্তর্গত গোথ দাহো, পীরু লাশারি এলাকায় প্রকাশ্য দিবালোকে কৈলাশ কোহলিকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। দুষ্কৃতীরা খুব কাছ থেকে তাঁর বুকে পরপর দু’টি গুলি করে। ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।স্থানীয়দের দাবি, সংখ্যালঘু হিন্দুদের অধিকারের পক্ষে প্রকাশ্যে সরব হওয়ায় তাঁকে পরিকল্পিতভাবে খুন করা হয়েছে। এই ঘটনা পাকিস্তানে, বিশেষত সিন্ধু থেকে বেলুচিস্তান পর্যন্ত, ক্রমবর্ধমান ধর্মীয় অসহিষ্ণুতা ও সাম্প্রদায়িক উত্তেজনার নগ্ন চিত্র তুলে ধরেছে (Pakistan)।বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, পাকিস্তানে হিন্দু সংখ্যালঘুরা প্রতিনিয়ত লক্ষ্যভিত্তিক হিংসা, গুম, জোরপূর্বক অপহরণ, ধর্মান্তর, হত্যাকাণ্ড এবং নানা অত্যাচারের ভয়ে দিন কাটাচ্ছেন (Kailash Kohli)। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তদন্ত অসম্পূর্ণ থেকে যায়, দোষীরা শাস্তি পায় না। এই ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষোভকারীরা সিন্ধুর একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সড়ক অবরোধ করেন। দোষীদের অবিলম্বে গ্রেফতার ও স্বচ্ছ তদন্তের দাবিও জানিয়েছেন। তাঁদের সাফ কথা, ন্যায়বিচার না পাওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।

    সোশ্যাল মিডিয়ায়ও ব্যাপক প্রতিক্রিয়া

    সোশ্যাল মিডিয়ায়ও ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। জাস্টিসফরকৈলাশকোহলি হ্যাশট্যাগে টুইটার, ফেসবুক-সহ বিভিন্ন মাধ্যমে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন মানবাধিকার কর্মী ও সাধারণ মানুষ (Pakistan)। পাকিস্তানের মাইনরিটি রাইটস অর্গানাইজেশনের চেয়ারম্যান শিবা কাচ্চি এই হত্যাকাণ্ডকে ‘নৃশংস’ ও ‘ঠান্ডা মাথায় করা খুন’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। তিনি বলেন, “আমরা নিরপরাধ হিন্দু যুবক কৈলাশ কোহলির এই বর্বর হত্যার তীব্র নিন্দা জানাই। কৈলাশ কোহলির রক্ত আমাদের সকলের কাছে ন্যায়বিচারের দাবি জানাচ্ছে (Kailash Kohli)।” তিনি বলেন, “আগামীকাল বাদিনের ডিসি অফিসের সামনে যে অবস্থান-বিক্ষোভ হবে, আমরা তাকে পূর্ণ সমর্থন জানাচ্ছি। এটি শুধু একজন মানুষের খুন নয়—এটি মানবতা, ন্যায়বিচার, মৌলিক অধিকার এবং সিন্ধুতে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তার উপর সরাসরি আঘাত। অপরাধীরা আইনের আওতায় না আসা পর্যন্ত আমাদের লড়াই চলবে।”

    বর্তমানে সিন্ধুর রাস্তায় রাস্তায় ক্ষোভ ও হতাশা ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, পাকিস্তানে লক্ষ্যভিত্তিক হিংসা ক্রমশ বেড়েই চলেছে, যার প্রধান শিকার হিন্দু সংখ্যালঘু সম্প্রদায়। অথচ (Kailash Kohli) ইসলামাবাদের অস্থির ও কার্যত নিষ্ক্রিয় প্রশাসন এই পরিস্থিতিতে কার্যকর কোনও পদক্ষেপ করছে না (Pakistan)।

  • Bangladesh Crisis: মায়ানমার সীমান্তে ব্যাপক গোলাগুলির জেরে কক্সবাজারে গুলিবিদ্ধ স্কুলছাত্রী

    Bangladesh Crisis: মায়ানমার সীমান্তে ব্যাপক গোলাগুলির জেরে কক্সবাজারে গুলিবিদ্ধ স্কুলছাত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মায়ানমারের রাখাইন প্রদেশে চলেছে তীব্র সংঘর্ষ। বাংলাদেশের অনুপ্রবেশকারীদের ছিটকে আসা গুলিতে বিদ্ধ হয়েছে কক্সবাজারের (Bangladesh Crisis) টেকনাফের বছর বারোর এক স্কুলছাত্রী। এদিন সীমা এলাকায় শুরু  নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। দুষ্কৃতীরা (স্থানীয় সময়) সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং পর্যন্ত ইউনিয়নের হোয়াইক্যং এলাকায় নিজের বাড়ির সামনে খেলছিল আফনান নামে ওই নাবালিকা। এই সময় হঠাৎ একটি গুলি এসে তাকে আঘাত করে। সে মহম্মদ জসিমের মেয়ে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে দ্রুত কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। প্রাথমিকভাবে শিশুটির মৃত্যুর খবর ছড়ালেও পরে পুলিশ নিশ্চিত করে, সে বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছে এবং তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।

    ভয়াবহ সংঘর্ষ (Bangladesh Crisis)

    এদিকে, স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মায়ানমারের রাখাইন রাজ্যের টোটার দ্বীপ এলাকায় দেশটির সেনাবাহিনী ও রোহিঙ্গা সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মি (AA)-এর মধ্যে শনিবার রাত থেকে রবিবার সকাল পর্যন্ত ভয়াবহ সংঘর্ষ হয়। ভারী গোলাগুলি, মর্টার শেল নিক্ষেপ এবং ড্রোন হামলার শব্দ বাংলাদেশ সীমান্ত পর্যন্ত পৌঁছে যায় (Bangladesh Crisis)। টোটার দ্বীপটি কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের ঠিক বিপরীতে অবস্থিত। সীমান্তের দুই পাশেই ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। গোলাগুলির শব্দে সীমান্তবর্তী গ্রামগুলিতে আতঙ্কে মানুষ ঘর ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে পালিয়ে যায়। ঘটনার প্রতিবাদে ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দারা টেকনাফ-কক্সবাজার হাইওয়ে অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান। তাঁরা সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার এবং মায়ানমারের যুদ্ধের প্রভাব থেকে বাংলাদেশি নাগরিকদের রক্ষার দাবি জানান (Bangladesh Crisis)। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সীমান্তবর্তী এলাকায় বসবাসকারী সাধারণ মানুষ ও জেলেদের সীমান্তের কাছাকাছি না যেতে সতর্ক করা হয়েছে।

    বিজিবির টহল জোরদার

    এদিকে বাংলাদেশ-মায়ানমার সীমান্তের নাফ নদীতে বিজিবির (Border Guard Bangladesh) টহল জোরদার করা হয়েছে। তবে রবিবার সন্ধে পর্যন্ত পাল্টা কোনও সামরিক প্রতিক্রিয়ার খবর মেলেনি।সংঘর্ষের জেরে মায়ানমার থেকে অন্তত ৫২ জন রোহিঙ্গা সশস্ত্র গোষ্ঠীর সদস্য বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করে। পরে টেকনাফে স্থানীয় পুলিশ তাদের আটক করে। উল্লেখ্য, চলতি মাসের ৯ জানুয়ারি নাফ নদীতে মাছ ধরার সময় মায়ানমারের দিক থেকে ছোড়া গুলিতে জখম হন বাংলাদেশি জেলে মো. আলমগীর। যদিও নদীতে মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা জারি রয়েছে, তবুও জীবিকার তাগিদে অনেকেই সেখানে যাচ্ছেন (Bangladesh Crisis)। বর্তমানে বাংলাদেশে এক মিলিয়নেরও বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থী আশ্রয় নিয়েছে। বর্তমানে সংঘর্ষের কারণে নতুন করে আরও রোহিঙ্গার বাংলাদেশে ঢোকার আশঙ্কা বাড়ছে।

  • Kerala: বহিষ্কৃত কংগ্রেস বিধায়ক রাহুল মামকুটাথিলিকে তৃতীয় ধর্ষণের মামলায় গ্রেফতার

    Kerala: বহিষ্কৃত কংগ্রেস বিধায়ক রাহুল মামকুটাথিলিকে তৃতীয় ধর্ষণের মামলায় গ্রেফতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বহিষ্কৃত কংগ্রেস বিধায়ক রাহুল মামকুটাথিলের (Rahul Mamkootathil) বিরুদ্ধে তৃতীয় ধর্ষণের মামলা দায়েরের পর রবিবার ভোরে পালাক্কাদে গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁকে। মামকুটাথিলকে পালাক্কাদের (Kerala) কেপিএম রিজেন্সি হোটেল থেকে রাত ১২.৩০ থেকে ১টার মধ্যে হেফাজতে নেওয়া হয়। এরপর তাঁকে কেরালার পাঠানামথিট্টার একটি পুলিশ ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হয়। যেখানে একজন ডেপুটি পুলিশ সুপারিনটেনডেন্টের নেতৃত্বে ছয় সদস্যের একটি দল তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে।

    হোটেলে দেখা করার নামে যৌন নির্যাতন (Kerala)

    কানাডায় কর্মরত পাথানামথিট্টার (Rahul Mamkootathil) বিরুদ্ধে এক মহিলা ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করার পর এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে প্রধান অভিযোগ, মহিলাদের নৃশংস যৌন নির্যাতন, জোরপূর্বক গর্ভপাত এবং আর্থিক শোষণ সহ গুরুতর অপকর্ম করে বেড়াতেন তিনি। নির্যাতিতা মহিলা জানিয়েছেন গর্ভবতী হওয়ার পর তিনি ভ্রূণের ডিএনএ পরীক্ষা করতে চেয়েছিলেন। যে পরীক্ষাগারে পরীক্ষার জন্য গিয়েছিলেন, সেখানে মামকুটাথিলকে (Kerala) একটি নমুনা সরবরাহ করতে বলা হয়েছিল, কিন্তু সহযোগিতা করেননি। তিনি তদন্তকারীদের বলেছেন অভিযোগের সমর্থনে আরও প্রমাণ রয়েছে। মামকুটাথিল বারবার নির্যাতিতাকে ব্যক্তিগতভাবে দেখা করার জন্য অনুরোধ করেন। যখন তিনি একটি রেস্তোরাঁয় দেখা করার প্রস্তাব দেন, তখন তিনি এই বলে অস্বীকৃতি জানান যে, একজন জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব হিসেবে তিনি জনসমক্ষে দেখা করতে পারবেন না। এরপর তিনি তাঁকে পালাক্কাদের একটি হোটেলে দেখা করতে বলেন। হোটেলে পৌঁছানোর পর, তিনি তাঁকে একটি ঘরে নিয়ে যান। শুরু হয় নৃশংস যৌন নির্যাতন চালান।

    আগেও দুটি ধর্ষণের মামলা

    গত বছর মামকুটাথিলের (Rahul Mamkootathil) বিরুদ্ধে পুলিশ দুটি ধর্ষণের মামলা দায়ের করেছিল। একটি মামলায়, একজন মহিলা অভিযোগ করেন যে বিধায়ক তাঁকে গর্ভপাত করতে বাধ্য করেছিলেন। এ সংক্রান্ত একটি ফাঁস হওয়া অডিও ক্লিপ ভাইরাল হয়েছিল। যেখানে মামকুটাথিলের (Kerala) মহিলাকে হুমকি দেওয়ার বিষয়টি প্রকাশ করা হয়েছিল। ক্লিপে বলতে শোনা গিয়েছিল যে গর্ভাবস্থা তাঁর জীবন ধ্বংস করে দেবে এবং গর্ভপাত করতে অস্বীকৃতি জানালে তাঁকে হত্যা করা হবে।

    মহিলাটি জবাব দিয়েছিলেন যে তিনি একাই শিশুটিকে লালন-পালন করতে পারবেন, কিন্তু মামকুটাথিল তাঁর কথায় খুব রেগে গিয়েছিলেন। অভিযোগ প্রকাশের পর থেকে মামকুটাথিল কয়েকদিন ধরে নিখোঁজ ছিলেন। দ্বিতীয় মামলায়, ২৩ বছর বয়সী এক মহিলা মামকুটাথিলের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন যে তিনি তাঁকে একটি ব্যক্তিগত আবাসনে বারবার বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে মেসেজ পাঠিয়েছিলেন। এর আগে, ২০২৫ সালের অগাস্টে, লেখক হানি ভাস্করণ এবং মডেল রিনি অ্যান জর্জের বিরুদ্ধে অশ্লীল আচরণের অভিযোগ আনার পর, বিধায়ককে বরখাস্ত করেছিল কংগ্রেস।

  • PM Modi: “ভারতের প্রতি বিশ্বের প্রত্যাশা ক্রমশ বাড়ছে”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: “ভারতের প্রতি বিশ্বের প্রত্যাশা ক্রমশ বাড়ছে”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ভারত (India) দ্রুতগতিতে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের দিকে এগিয়ে চলেছে। সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান স্পষ্ট করে দিচ্ছে যে, ভারতের প্রতি বিশ্বের প্রত্যাশা ক্রমশ বাড়ছে।” ভাইব্র্যান্ট গুজরাট আঞ্চলিক সম্মেলনের মঞ্চ থেকে রবিবার কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। ভারতের দ্রুত অর্থনৈতিক অগ্রগতি এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার প্রশংসাও করলেন তিনি। রাজকোটে আয়োজিত এই সম্মেলনকে তিনি ২১ শতকে ভারতের আত্মবিশ্বাসী অগ্রযাত্রার প্রতীক হিসেবে বর্ণনা করেন।

    বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দিকে ভারত (PM Modi)

    সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ভারত দ্রুতগতিতে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দিকে এগিয়ে চলেছে। সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান স্পষ্ট করে দিচ্ছে যে, ভারতের প্রতি বিশ্বের প্রত্যাশা ক্রমশ বাড়ছে। ভারত বর্তমানে বিশ্বের দ্রুততম বর্ধনশীল বৃহৎ অর্থনীতি। মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। কৃষি উৎপাদন নতুন রেকর্ড গড়ছে। দুধ উৎপাদনে ভারত বিশ্বে এক নম্বরে রয়েছে।” ২০২৬ সালে গুজরাটে এটি তাঁর প্রথম সফর বলে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী জানান, বছরের শুরুতেই তিনি সোমনাথ মন্দিরে প্রার্থনার মাধ্যমে আধ্যাত্মিক অনুভূতি নিয়ে নতুন বছরের যাত্রা শুরু করেছেন। এরপর সৌরাষ্ট্র অঞ্চলে আয়োজিত এই গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন সম্মেলনে অংশ নেন তিনি (PM Modi)।

    ভাইব্র্যান্ট গুজরাট

    গুজরাটের ঐতিহ্য ও উন্নয়নের সুষম সমন্বয়ের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই রাজ্য ভারতের সামগ্রিক উন্নয়নের একটি আদর্শ মডেল। যখনই ভাইব্র্যান্ট গুজরাট সম্মেলনের আয়োজন দেখি, আমি শুধু একটি সম্মেলন দেখি না, আমি দেখি আধুনিক ভারতের ২১ শতকের যাত্রা। এই যাত্রা শুরু হয়েছিল একটি স্বপ্ন দিয়ে, আর আজ তা অটল আত্মবিশ্বাসে পৌঁছেছে। গত দুদশকে ভাইব্র্যান্ট গুজরাট একটি বৈশ্বিক মানদণ্ডে পরিণত হয়েছে। এখন পর্যন্ত ১০টি সংস্করণ অনুষ্ঠিত হয়েছে, এবং প্রতিটি সংস্করণের সঙ্গে এই সম্মেলনের গুরুত্ব ও পরিচিতি আরও শক্তিশালী হয়েছে (India)।” প্রধানমন্ত্রী ভারতের বর্তমান রাজনৈতিক পরিবেশের প্রশংসাও করেন। বলেন, “রাজনৈতিক স্থিতিশীলতাই অর্থনৈতিক গতি বজায় রাখতে এবং বিশ্বজুড়ে ভারতের প্রতি আস্থা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। ভাইব্র্যান্ট গুজরাটের মতো মঞ্চ ভারতের বিনিয়োগ, উদ্ভাবন ও দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারিত্বের জন্য নির্ভরযোগ্য গন্তব্য হিসেবে তুলে ধরতে সাহায্য করেছে (PM Modi)।”

    ভারত বিশ্বে এক নম্বরে

    ভারতের অগ্রগতির বিভিন্ন দিক তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “জেনেরিক ওষুধ উৎপাদনে ভারত বিশ্বে এক নম্বরে রয়েছে। বিশ্বের সর্বাধিক ভ্যাকসিন উৎপাদনকারী দেশও ভারত। গত ১১ বছরে ভারত বিশ্বের সবচেয়ে বড় মোবাইল ডেটা ব্যবহারকারী দেশে পরিণত হয়েছে। আমাদের ইউপিআই আজ বিশ্বের এক নম্বর রিয়েল-টাইম ডিজিটাল লেনদেন প্ল্যাটফর্ম। ভারত বর্তমানে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম মোবাইল ফোন উৎপাদনকারী দেশ (India)। স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমে আমরা বিশ্বে তৃতীয় স্থানে। বেসামরিক বিমান পরিবহণের ক্ষেত্রেও ভারত তৃতীয় বৃহত্তম বাজার। মেট্রো নেটওয়ার্কের দিক থেকে আমরা বিশ্বের শীর্ষ তিন দেশের মধ্যে জায়গা করে নিয়েছি (PM Modi)।”

LinkedIn
Share