Tag: Bengali news

Bengali news

  • WB Assembly Election 2026: কলকাতায় ‘অভূতপূর্ব’ উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে সিএপিএফের মুখ্য আধিকারিকরা

    WB Assembly Election 2026: কলকাতায় ‘অভূতপূর্ব’ উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে সিএপিএফের মুখ্য আধিকারিকরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দু’দফায় হবে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার নির্বাচন (WB Assembly Election 2026)। প্রথম দফার ভোট হবে ২৩ এপ্রিল। পরের দফার নির্বাচন হবে ২৯ এপ্রিল। দু’দফার এই নির্বাচন বিঘ্নহীন (CAPF Chiefs Meet) করতে মরিয়া জাতীয় নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন পর্বে বাংলায় প্রায় ২ লাখ নিরাপত্তা কর্মী মোতায়েন ও সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যালোচনার জন্য কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী (CAPFs)-এর সমস্ত প্রধানরা কলকাতায় এক ‘অভূতপূর্ব’ উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে অংশ নেন।

    গুরুত্বপূর্ণ’ যৌথ নেতৃত্ব সম্মেলন (WB Assembly Election 2026)

    শনিবার অনুষ্ঠিত এই বৈঠকের পর সল্টলেকে সিআরপিএফ কার্যালয়ে একটি ‘গুরুত্বপূর্ণ’ যৌথ নেতৃত্ব সম্মেলন হয়। সেখানে সিএপিএফের ডিরেক্টর জেনারেলরা এবং পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের শীর্ষ আধিকারিকরা একত্রে সিদ্ধান্ত নেন যে, সম্ভাব্য বিঘ্নকারীদের মোকাবিলায় স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় রেখে একটি ‘সমন্বিত নিরাপত্তা ব্যবস্থা’ গড়ে তোলা হবে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, সিআরপিএফ, বিএসএফ, সিআইএসএফ, আইটিবিপি এবং এসএসবি—এই পাঁচটি সিএপিএফ ছাড়াও ইন্ডিয়ান রিজার্ভ ব্যাটালিয়ন (IRBs) এবং অন্যান্য রাজ্য পুলিশের সহায়ক বাহিনী মিলিয়ে প্রায় ২ লক্ষ কর্মী মোতায়েন করা হয়েছে।

    সিএপিএফের বক্তব্য

    সিএপিএফের এক প্রবীণ আধিকারিক বলেন, “এটি একটি অভূতপূর্ব বৈঠক।  কারণ এর আগে কোনও রাজ্যে নির্বাচন চলাকালীন সব সিএপিএফ প্রধানদের একসঙ্গে বৈঠক হয়নি। তাঁরা গত কয়েকদিন ধরে নিজেদের এবং যৌথ বাহিনীর নির্বাচনী দায়িত্বপ্রাপ্ত ইউনিটগুলিও পরিদর্শন করেছেন।” তামিলনাড়ুতেও বিধানসভার নির্বাচন হবে ২৩ এপ্রিল, এক দফায়। সেখানে এখনও পর্যন্ত এমন কোনও যৌথ বৈঠক হয়নি বলেই খবর। রবিবার এক বিবৃতিতে সিআইএসএফের তরফে জানানো হয়, “ভারতের কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর শীর্ষ নেতৃত্ব ১৮ এপ্রিল কলকাতায় একত্রিত হয়ে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রতি তাঁদের প্রতিশ্রুতি ও সমন্বয় প্রদর্শন করেছে (CAPF Chiefs Meet)।”

    বৈঠকের উদ্দেশ্য

    এই বৈঠকের উদ্দেশ্য ছিল পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬-এর জন্য একটি শক্তিশালী ও প্রযুক্তিনির্ভর নিরাপত্তা ব্যবস্থা চূড়ান্ত করা (WB Assembly Election 2026)। এরপর অনুষ্ঠিত যৌথ নেতৃত্ব সম্মেলনে সিএপিএফ প্রধানরা, পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ এবং নির্বাচন কমিশনের নিযুক্ত পুলিশ উপদেষ্টা ও পর্যবেক্ষকরা বিশেষ করে ২৩ এপ্রিল প্রথম দফার ১৫২টি আসনের নির্বাচনের নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেন। তাঁরা কুইক রেসপন্স টিম (QRT) মোতায়েন এবং অ্যান্টি-স্যাবোটাজ তল্লাশি ব্যবস্থা পর্যালোচনা করেন, যাতে যৌথ নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্ভাব্য বিঘ্ন মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এই সমস্ত বাহিনীর মূল লক্ষ্য হল একটি অবাধ, সুষ্ঠু এবং স্বচ্ছ নির্বাচন নিশ্চিত করা, যাতে প্রত্যেক নাগরিক ভয় বা চাপ ছাড়াই ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন।

    সিআইএসএফের ডিজির বক্তব্য

    সিআইএসএফের ডিজি প্রবীর রঞ্জন বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে আমাদের মিশন শুধুমাত্র নিরাপত্তা নয়, এটি গণতন্ত্রের পবিত্রতা রক্ষা করার দায়িত্ব।” তিনি এও বলেন, “মাঠে থাকা কর্মীদের জন্য আমার বার্তা স্পষ্ট – আপনারা গণতন্ত্রের রক্ষক। আমাদের আলাদা ইউনিট হিসেবে (CAPF Chiefs Meet) নয়, বরং একত্রে একটি শক্তিশালী, শৃঙ্খলাবদ্ধ এবং প্রযুক্তিগতভাবে দক্ষ নির্বাচন বাহিনী হিসেবে কাজ করতে হবে (WB Assembly Election 2026)।”

     

  • ECI: ভোটগ্রহণের দুদিন আগেই মোটরসাইকেল ব্যবহারের ওপর জারি একাধিক বিধিনিষেধ জারি কমিশনের

    ECI: ভোটগ্রহণের দুদিন আগেই মোটরসাইকেল ব্যবহারের ওপর জারি একাধিক বিধিনিষেধ জারি কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বঙ্গে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভোট (Bengal Elections 2026) করাতে পণ করেছে ভারতের জাতীয় নির্বাচন কমিশন (ECI)। কোনও রাজনৈতিক দলই যাতে ভোটারদের ভয় দেখাতে না পারে, তাই নির্বাচন শুরুর দুদিন আগে থেকেই মোটরসাইকেল (Motor Bike) ব্যবহারের ওপর একাধিক বিধিনিষেধ জারি করা হয়েছে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরের তরফে। জানা গিয়েছে, নির্বাচনের দুদিন আগে থেকে মোটরসাইকেল র‍্যালি বা শোভাযাত্রার অনুমতি দেওয়া হবে না। সন্ধে ৬টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত মোটরসাইকেল চালানো নিষিদ্ধ৷ তবে চিকিৎসা সংক্রান্ত জরুরি অবস্থা, পারিবারিক অনুষ্ঠান বা অনুরূপ বিশেষ কোনও প্রয়োজনের ক্ষেত্রে নিয়ম শিথিল করা হতে পারে। সকাল ৬টা থেকে সন্ধে ৬টা পর্যন্ত মোটর সাইকেলে আরোহী বসানোও নিষিদ্ধ করা হয়েছে৷

    যেসব ক্ষেত্রে মিলবে ছাড় (ECI)

    তবে চিকিৎসা সংক্রান্ত জরুরি অবস্থা, পারিবারিক অনুষ্ঠান কিংবা স্কুল পড়ুয়াদের আনা-নেওয়ার মতো অত্যাবশ্যকীয় বিভিন্ন প্রয়োজনে এর ব্যতিক্রম হতে পারে। ভোটদানের উদ্দেশ্যে এবং চিকিৎসা সংক্রান্ত জরুরি অবস্থা বা পারিবারিক অনুষ্ঠানের মতো অন্যান্য অত্যাবশ্যকীয় প্রয়োজনে সকাল ৬টা থেকে সন্ধে ৬টা পর্যন্ত মোটরসাইকেলে পরিবারের সদস্য নিয়ে যাওয়া যাবে। উপরোক্ত বিধিনিষেধ থেকে কোনও বিশেষ ক্ষেত্রে অব্যাহতি বা ছাড়ের প্রয়োজন হলে, স্থানীয় থানা থেকে লিখিত অনুমতি নেওয়া যেতে পারে (ECI)। প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক বা সোশাল মিডিয়া-সহ জেলা ও ব্লক স্তরের প্রচারের মাধ্যমে উপরোক্ত বিধিনিষেধগুলি সম্পর্কে ব্যাপক প্রচারের ব্যবস্থা করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে আইনের সংশ্লিষ্ট ধারার অধীনে প্রয়োজনীয় আদেশ বা নির্দেশাবলী জারি করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। এই বিধিনিষেধগুলি কঠোরভাবে কার্যকর ও তদারকি করার লক্ষ্যে জেলা পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় সাধন করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। এমন কোনও প্রকার বিধি-লঙ্ঘন যেন না ঘটে, যা অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় ভীতি প্রদর্শন বা বিঘ্ন সৃষ্টির কারণ হতে পারে৷ সেই বিষয়টি নিশ্চিত করতেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে (Motor Bike)।

    কেন্দ্রীয় বাহিনীর আস্থা বাড়াতে ব্যবস্থা

    এদিকে, নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও আঁটসাঁট করতে এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর আস্থা বাড়াতে প্রয়োজনে নির্দেশ ছাড়াই পদক্ষেপের ইঙ্গিত নির্বাচন কমিশনের। সূত্রের খবর, এবার ভোটে কেন্দ্রীয় সশস্ত্র বাহিনী অনেকটাই স্বাধীনভাবে কাজ করবে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রয়োজনে সরাসরি পদক্ষেপ করতে পারবে বাহিনী (ECI)। এদিকে, প্রথম দফার নির্বাচন বিঘ্নহীন করতে একাধিক বৈঠক হয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর আধিকারিকদের। সেখানে প্রাথমিকভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, সংশ্লিষ্ট এলাকায় কমান্ড্যান্টের নেতৃত্বে বাহিনী মোতায়েন থাকবে এবং স্থানীয় পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ করলেও, গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে স্বাধীন ভূমিকা নেবে কেন্দ্রীয় বাহিনী।

    ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশের অপেক্ষা নয়

    প্রয়োজনে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশের অপেক্ষা না করেই বিক্ষোভ বা গোলমালের পরিস্থিতিকে তৎক্ষণাৎ নিয়ন্ত্রণে আনতে নিজের এক্তিয়ারের মধ্যে থেকে যা পদক্ষেপ করা যায় সেটা করতে পারবে কমিশন। ভোটের সময় নিয়মিত রুট মার্চ করবে কেন্দ্রীয় বাহিনী৷ ভোটারদের সঙ্গে (ECI) সরাসরি যোগাযোগও রাখার পাশাপাশি কোথাও কোনও সমস্যা বা অশান্তির আশঙ্কা দেখা দিলে দ্রুত হস্তক্ষেপও করবে বাহিনী। এই ব্যবস্থাকে কার্যকর করতে কুইক রেসপন্স টিম তৈরি করা হয়েছে৷ এদের গাড়িতে ক্যামেরা লাগানো থাকবে এবং সর্বক্ষণ সেই ক্যামেরাগুলি লাইভ মোডে থাকবে। এছাড়াও থাকছে জিপিএস ট্র্যাকিং সিস্টেম (Motor Bike)।

    বাইক ব্যবহারের সিদ্ধান্ত

    পাশাপাশি বিভিন্ন এলাকায় দ্রুত পৌঁছতে বা যেসব জায়গায় গাড়ি ঢোকে না, সেখানে যাতে দ্রুত পৌঁছে যাওয়া যায়, তাই নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে বাইক ব্যবহার করার পরিকল্পনাও রয়েছে নির্বাচনী কমিশনের। ইতিমধ্যেই বেশ কিছু বাইক ভাড়া নেওয়ার পরিকল্পনাও করেছে কমিশন। দক্ষিণ ২৪ পরগনা, কলকাতা ও হাওড়া জেলায় এই ব্যবস্থা বিশেষভাবে কার্যকর করা হতে পারে বলে কমিশন সূত্রে খবর। কোচবিহারের শীতলকুচির ঘটনার কথা মাথায় রেখে এবার কেবল আগ্নেয়াস্ত্র নয়, কেন্দ্রীয় বাহিনীর সদস্যদের হাতে লাঠিও তুলে দেওয়া হচ্ছে। বিপুল পরিমাণ লাঠি সরবরাহের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে বলে খবর (ECI)।

    যদিও এই বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের তরফে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি, জারি করা হয়নি কোনও বিজ্ঞপ্তিও (Motor Bike)। তবুও কেন্দ্রীয় বাহিনীকে স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার নির্দেশ দেওয়ায় তাঁদেরও দায়িত্ব পালনে অনেকটা সুবিধা হবে। আইনশৃঙ্খলাও থাকবে আঁটসাঁট।

     

  • Migrant Workers: ভোট দিতে রাজ্যে ফিরছেন পরিযায়ী শ্রমিক-ভোটাররা, ট্রেন-বাসের ব্যবস্থা করেছে বিজেপি

    Migrant Workers: ভোট দিতে রাজ্যে ফিরছেন পরিযায়ী শ্রমিক-ভোটাররা, ট্রেন-বাসের ব্যবস্থা করেছে বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটমুখী বাংলার পরিযায়ী শ্রমিক-ভোটারদের (Migrant Workers) রাজ্যে ফিরিয়ে এনে ভোট দেওয়ার ব্যবস্থা করেছে বিজেপি (BJP)। ‘বাংলা চলো’ ডাক দিয়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে তাঁদের ঘরে ফেরানোর ব্যবস্থা করছে পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী দল বিজেপি। এজন্য দিল্লি–সহ বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলি থেকে বাংলাগামী ৭৩টি ট্রেনে পরিযায়ীদের জন্য টিকিট সংরক্ষণ করা হয়েছে। অন্তত এমনই দাবি দিল্লি বিজেপির।

    পরিযায়ী শ্রমিক-ভোটারদের ফেরাচ্ছে বিজেপি (Migrant Workers)

    ভোটারদের নিয়ে যেতে এসি বাস, বড় গাড়ির ব্যবস্থাও করা হয়েছে। পদ্ম-শিবির সূত্রে খবর, পরিযায়ীদের নিয়ে বেশ কয়েকটি বাস ও গাড়ি ইতিমধ্যেই রওনাও দিয়েছে বাংলার উদ্দেশে৷ এবার বাংলায় নির্বাচন হচ্ছে দুদফায়। প্রথম দফার ভোট হবে ২৩ এপ্রিল। পরের দফার নির্বাচন হবে এই মাসেরই ২৯ তারিখে।  জানা গিয়েছে, প্রথম দফায় যেসব বিধানসভা আসনে নির্বাচন হবে, সেখানকার ভোটারদের ফিরিয়ে আনা হচ্ছে আগে। প্রথম দফায় নির্বাচন হবে ১৫২টি বিধানসভা কেন্দ্রে। এর আগেই যাতেই ওই কেন্দ্রগুলির ভোটারদের ফিরিয়ে আনা যায়, তারই ব্যবস্থা করেছে পদ্ম শিবির।

    কী বললেন শমীক ভট্টাচার্য

    বিজেপির পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “পরিবর্তনের ডাকে সাড়া দিয়ে হাজার হাজার বাঙালি বাংলায় পাড়ি দিচ্ছেন৷ এঁরা প্রত্যেকেই বাংলার বৈধ ভোটার৷ দিল্লি, নয়ডা, গাজিয়াবাদ, ফরিদাবাদ–সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বসবাসকারী এই বাঙালি ভোটাররা যাতে তাঁদের নিজেদের ভোট নিজেই দিতে পারেন, তার ব্যবস্থা করেছে বিজেপি (Migrant Workers)।” প্রসঙ্গত, বাংলার পরিযায়ী শ্রমিক-ভোটাররা যাতে গণতন্ত্রের উৎসবে অংশ নিতে পারেন, তাই অনেক আগেই পরিযায়ী শ্রমিকদের ফেরাতে ব্যবস্থা নিয়েছিলেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। এই মর্মে নির্দেশিকাও পাঠানো হয়েছিল  দিল্লির প্রদেশ বিজেপি, উত্তরপ্রদেশ, রাজস্থান, হরিয়ানা, মহারাষ্ট্র, মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিসগড়–সহ বেশ কিছু রাজ্যের প্রদেশ শাখায়৷ এর পরেই কোমর বেঁধে মাঠে নামেন গৈরিক সৈনিকরা (BJP)।

    পরিযায়ী ভোটারদের প্রতিক্রিয়া 

    গ্রেটার নয়ডায় একটি কারখানায় শ্রমিকের কাজ করেন দীনেশ দাস৷ তিনিও আসছেন ভোট দিতে। বলেন, ‘সার নিয়ে বাংলায় যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তা দেখে মনে হয়েছে, আমাদের মতো খেটে খাওয়া মানুষের ভোট দেওয়াটাও খুবই জরুরি।’ ওয়াটার সাপ্লাই সংস্থার অভিজ্ঞ লেবারার তথা বাংলার ভোটার রাজীব শেখ সংবাদ মাধ্যমে বলেন, “প্রতিবার ঈদের সময়ই কেবল ফিরি। এই প্রথম শুধু ভোট দিতেই আসছি।“ তিনি বলেন, “অসমে কাজ করছিলাম। সবাই বলছে, এবার ভোট না দিলে নাম কেটে দিতে পারে। তাই কাজ ছেড়ে বাড়ি ফিরছি। কাজ পরেও পাওয়া যাবে। কিন্তু ভোট দেওয়ার সুযোগ মিস করলে চাপ হয়ে যাবে (Migrant Workers)।’

    কী বলছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা?

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ভোটমুখী বাংলায় দলে দলে ঘরে ফিরছেন রাজীবের মতো দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা ভোটাররা। বাংলায় কোনও শিল্প নেই। নেই অন্য কোনও কাজ করার সুযোগও (BJP)। নিতান্তই বাধ্য হয়ে ভিন রাজ্যে যেতে হয় কাজের খোঁজে। সেখানে কাজও মেলে। যদিও পরিবার-পরিজনদের ছেড়ে বাসিন্দা হতে হয় ভিন রাজ্যের। সেই হাতের কাজ ছেড়েই এবার বাংলায় ফিরছেন পরিযায়ী শ্রমিকরা। তাঁদের ধারণা, এবার ভোট না দিলে হারাতে হতে পারে ভারতীয় নাগরিকত্ব। ভোট দেওয়ার আগ্রহের চেয়েও এবার নাগরিকত্ব হারানোর ভয়ই চেপে বসেছে তাঁদের। ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়ার আশঙ্কাই তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে তাঁদের। যে কারণেই ঘরে ফিরছেন বঙ্গের পরিযায়ী শ্রমিক-ভোটাররা।

    এসআইআর জুজু!

    পশ্চিমবঙ্গের দক্ষ শ্রমিকদের কদর ভারতজুড়েই। কেউ নির্মাণকর্মী, পাইপলাইন শ্রমিক, হোটেল কর্মী, ফুলের কাজের কর্মী-সহ বিভিন্ন পেশার মানুষ ছড়িয়ে থাকেন গোটা দেশেই। ভোট ঘনিয়ে আসতেই, ঘরে ফিরছেন তাঁরাও। পেটের জ্বালায় ঘর ছেড়েছেন রাজীবের মতোই মালদার শ্রমিক সইফুল। তিনি কাজ করেন নাগাল্যান্ডে (BJP)। বলেন, “আমরা পাইপলাইনের কাজ করি নাগাল্যান্ডে। হঠাৎ শুনলাম ভোট না দিলে অনেক কিছু বন্ধ হয়ে যাবে। তাই কোনওরকম ঝুঁকি না নিয়েই বাড়ি ফিরছি।” কেবল উত্তর-পূর্ব নয়, দিল্লি, মুম্বই, বেঙ্গালুরু থেকেও বহু গৃহকর্মী, রান্নার কাজ করা মহিলা, নির্মাণ শ্রমিক ফিরছেন বাংলায়, স্রেফ নিজের ভোটটা নিজে দিতে। ট্রেনের টিকিট না পেয়ে অনেকেই বাস ভাড়া করছেন। কেউ কেউ আবার গাদাগাদি করে জেনারেল কামরায় চেপে ফিরছেন নিজের জেলায়। উলুবেড়িয়ার লেবার সাপ্লায়ার হাসিবুল। তিনি বলেন, ‘গত ১৫ বছর ধরে আমি এই কাজই করছি। এই প্রথম দেখছি ভোটের জন্য এমন তাড়াহুড়ো করে ছেলেরা বাড়ি ফিরছে (Migrant Workers)। আসলে সবাই ভয় পাচ্ছে। কেউ বলছে ভোট না দিলে নাম থাকবে না, কেউ বলছে সরকারি স্কিম বন্ধ হয়ে যাবে। তাই রিস্ক না নিয়ে কাজ ছেড়ে ওরা ফিরছে নিজের জেলায় (BJP)।’

    কাজের লোকের অভাব বিভিন্ন রাজ্যে

    মালদার রহিম মণ্ডলও সংসারের জোয়াল টানতে ভিন রাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিকের কাজ করেন। তিনি বলেন, “আমরা গরিব মানুষ। অতশত বুঝি না। শুধু চাই আমাদের নাম যেন থাকে, ভোটটা দিতে পারি। বাড়িতে মা, বউ-বাচ্চারা আছে। তাই সব ছেড়ে চলে আসছি।’ এদিকে, উত্তরপ্রদেশের খুরজা বা দিল্লি-এনসিআর অঞ্চলে বহু কারখানা ও বাড়িতে রীতিমতো কাজের লোকের অভাব দেখা দিয়েছে। শিল্পমহলের দাবি, একসঙ্গে এত শ্রমিক চলে যাওয়ায় কাজকর্মে বেশ সমস্যা হচ্ছে। তবে এ ক্ষেত্রে কারওরই কিছু করার নেই। আসলে, ভোট যে বড় বালাই (Migrant Workers)!

     

  • West Bengal Elections 2026: প্রথম দফার ভোটগ্রহণে নিরাপত্তার কড়াকড়ি, ১৫২টি কেন্দ্রে মোতায়েন ২,১৯৩টি ‘কুইক রেসপন্স টিম’

    West Bengal Elections 2026: প্রথম দফার ভোটগ্রহণে নিরাপত্তার কড়াকড়ি, ১৫২টি কেন্দ্রে মোতায়েন ২,১৯৩টি ‘কুইক রেসপন্স টিম’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Elections 2026) প্রথম দফায় অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে কোমর বেঁধে নেমেছে নির্বাচন কমিশন। সংঘাতপ্রবণ এলাকাগুলিতে শান্তি বজায় রাখতে এবং যেকোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনতে রাজ্যজুড়ে দুই হাজারেরও বেশি কুইক রেসপন্স টিম (QRT) মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রথম দফার ১৫২টি বিধানসভা কেন্দ্রের জন্য মোট ২,১৯৩টি ‘কুইক রেসপন্স টিম’ কাজ করবে। সবচেয়ে বেশি ‘কুইক রেসপন্স টিম’ থাকবে মুর্শিদাবাদ জেলায়। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, আগামী ২৩ এপ্রিল মুর্শিদাবাদ জেলায় মোট ২৮৮টি ‘কুইক রেসপন্স টিম’ থাকবে। গত ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচন ও ভোটপরবর্তী হিংসা, পুর নির্বাচন, পঞ্চায়েত নির্বাচন এবং ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের পর হিংসা কবলিত এলাকার কথা মাথায় রেখে কমিশন (Election Commission India) এই বারের বিধানসভা নির্বাচনকে অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ করতে কমিশন প্রথম থেকেই জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে।

    দক্ষিণবঙ্গে কত টিম (West Bengal Elections 2026)?

    নির্বাচন কমিশন (Election Commission India) জানিয়েছে, মুর্শিদাবাদকে দুই ভাগে ভাগ করে এই দল নিয়োগ করা হবে। প্রথমত, মুর্শিদাবাদ পুলিশ জেলা—সেখানে থাকবে ২১৯টি দল। অপর দিকে জঙ্গিপুর পুলিশ জেলয় থাকবে ৬৯টি। পূর্ব মেদিনীপুরে ২৫৩টি ‘কুইক রেসপন্স টিম’ থাকবে। পশ্চিম মেদিনীপুরে থাকবে ২৪৮টি। বাঁকুড়ায় ‘কুইক রেসপন্স টিম’ (West Bengal Elections 2026) থাকবে ১৮০টি, বীরভূমে ১৬১টি, মালদায় ১৫৭টি, পুরুলিয়ায় ১৩৯টি, কোচবিহারে ১৩৩টি, আসানসোল-দুর্গাপুর কমিশনারেটে ১১৩টি। বাকি জেলাগুলিতে ১০০-র নীচে ‘কুইক রেসপন্স টিম’-এর সংখ্যা থাকবে।

    উত্তরবঙ্গে কত কুইক রেসপন্স টিম

    কমিশন (Election Commission India) জানিয়েছে জলপাইগুড়িতে ৮৩টি ‘কুইক রেসপন্স টিম’ (West Bengal Elections 2026) থাকবে। দক্ষিণ দিনাজপুরে ৭৫টি, আলিপুরদুয়ারে ৭০টি, ঝাড়গ্রামে ৬৬টি, দার্জিলিঙে ৫২টি, শিলিগুড়িতে ৩৯টি এবং কালিম্পঙে ১৭টি ‘কুইক রেসপন্স টিম’ দায়িত্বে থাকবে। উত্তর দিনাজপুর জেলাকেও মুর্শিদাবাদের মতো দুই পুলিশ জেলায় ভাগ করে ‘কুইক রেসপন্স টিম’ মোতায়েনের কথা জানিয়েছে কমিশন। একটি ইসলামপুর ও অন্যটি রায়গঞ্জ পুলিশ জেলা। এই দুই জায়গায় যথাক্রমে ৫৪ এবং ৭৫টি করে ‘কুইক রেসপন্স টিম’ থাকছে ভোটের দিনে।

    ৮ থেকে ১০টি ভোটকেন্দ্র নিয়ে একটি সেক্টর অফিস

    ভোটে নির্বাচন (West Bengal Elections 2026) কমিশন (Election Commission India) শুধু ‘কুইক রেসপন্স টিম’ নয়, ভোটের জন্য কোথায় কত সেক্টর অফিস তৈরি করছে কমিশন, তার হিসাবও দিয়েছে। সাধারণত ৮ থেকে ১০টি ভোটকেন্দ্র নিয়ে একটি সেক্টর অফিস তৈরি হয়। সেই হিসাবে দার্জিলিঙে অফিস হচ্ছে ১২৯টি, শিলিগুড়িতে ৯৫টি, কালিম্পঙে ৫৫টি, জলপাইগুড়িতে ১৮৯টি, আলিপুরদুয়ারে ১৩৫টি, কোচবিহারে ২৪৩টি, ইসলামপুর পুলিশ জেলায় ৯৪টি, রায়গঞ্জ পুলিশ জেলায় ১১০টি, দক্ষিণ দিনাজপুরে ১৪৬টি, মালদায় ২৬১টি, জঙ্গিপুর পুলিশ জেলায় ১৪৩টি, মুর্শিদাবাদ পুলিশ জেলায় ৩৯৩টি টিম থাকবে। এছাড়া, পূর্ব মেদিনীপুরে ৪৩০টি, পশ্চিম মেদিনীপুরে ৩৮০টি, ঝাড়গ্রামে ১২৯টি, বাঁকুড়ায় ৩৮০টি, পুরুলিয়া ২৯৭টি, বীরভূমে ২৮৩টি এবং আসানসোল-দুর্গাপুর কমিশনারেটে ২১৫টি সেক্টর অফিস থাকবে।

    নির্বাচন হিংসা মুক্ত করাই কমিশনের একমাত্র উদ্দেশ্য

    ভোট (West Bengal Elections 2026) চলাকালীন কোনও বুথে অশান্তি বা কারচুপির অভিযোগ এলে এই বিশেষ দলগুলি অতি দ্রুত সেখানে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনবে। প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রের ভৌগোলিক অবস্থান এবং সংবেদনশীলতা বিচার করে এই দলগুলিকে কৌশলগতভাবে মোতায়েন করা হয়েছে। যে কোনও মূল্যে পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন হিংসা মুক্ত করাই কমিশনের একমাত্র উদ্দেশ্য। তাই পরিকল্পনা করে সংবেদনশীল এলাকার কথা ভেবে সমস্ত বিষয়ে প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

    কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং রাজ্য পুলিশের মধ্যে সমন্বয়

    নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী, প্রথম দফায় সমগ্র উত্তরবঙ্গের জেলাগুলির ভোটগ্রহণ করা হবে। এই দফায় দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, উত্তর এবং দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদা। পাশাপাশি জঙ্গলমহলের বেশকিছু জেলায় প্রথম দফায় নির্বাচন সম্পন্ন হবে।  ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়ার পাশাপাশি বীরভূম, মুর্শিদাবাদে এই দফাতেই ভোট গ্রহণ হবে। অন্য দিকে, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর এবং পশ্চিম বর্ধমানেও প্রথম দফায় ভোটগ্রহণ হবে। এই ১৬টি জেলায় ভোটের দিন যাতে সাধারণ জনতা নিজেদের ভোট নিজেরা দিতে পারেন এবং ভয় মুক্ত পরিবেশ থাকে সেই দিকের কথা মাথায় রেখে সব রকম ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    ভোট ভয় বা প্রলোভনের ঊর্ধ্বে

    নির্বাচনে (West Bengal Elections 2026) কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং রাজ্য পুলিশের মধ্যে সঠিক সমন্বয় বজায় রেখে কাজ করবে এই কুইক রেসপন্স টিমগুলো। নির্বাচন কমিশনের মূল উদ্দেশ্য হলো ভোটারদের মনে নিরাপত্তার বোধ জাগ্রত করা, যাতে তাঁরা কোনও ভয় বা প্রলোভনের ঊর্ধ্বে থেকে নিজেদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে পারেন। প্রথম দফার এই নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলয় আগামী দফার ভোটগুলোর জন্যও একটি দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে। ভোটকে যথার্থ গণতন্ত্রের উৎসব হিসেবে তুলে ধরাই কমিশনের একমাত্র লক্ষ্য। প্রথম দফার পর ২৯ এপ্রিল হবে দ্বিতীয় দফার নির্বাচন। গণনা হবে ৪ মে।

  • Mohan Bhagwat: “সংস্কৃত ভাষা আমাদের ভারতকে বুঝতে সাহায্য করে”, বললেন ভাগবত

    Mohan Bhagwat: “সংস্কৃত ভাষা আমাদের ভারতকে বুঝতে সাহায্য করে”, বললেন ভাগবত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সংস্কৃত (Sanskrit) ভাষা জানা আমাদের ভারতকে বুঝতে সাহায্য করে”, বললেন আরএসএসের সরসংঘচালক মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। আজ, ২০ এপ্রিল ২০২৬-এ ডিডিইউ মার্গে সংস্কৃত ভারতীর কার্যালয় ‘প্রণবে’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কথাগুলি বলেন তিনি। ভাগবত বলেন, “‘প্রণব’ নামে নতুন কার্যালয়ের এই উদ্বোধন একটি শুভ মুহূর্তে হচ্ছে। এটি আমাদের সবার জন্য আনন্দ ও উৎসাহের বিষয়। বিশ্বাস করা হয় যে অক্ষয় তৃতীয়ায় শুরু করা যে কোনও কাজ স্থায়ী ও সফল হয়।”

    সংস্কৃত ভারতের প্রাণশক্তি (Mohan Bhagwat)

    তিনি বলেন, “সংস্কৃত ভারতের প্রাণশক্তি, কারণ চিন্তা, জীবন ও সংস্কৃতির প্রাচীনতম জীবন্ত ঐতিহ্য এখনও এর মাধ্যমে বিদ্যমান। ভারতের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এমন এক ধারার প্রতিনিধিত্ব করে যা জীবিত ও জড়—সমগ্র বিশ্বব্রহ্মাণ্ডকে ধারণ করে। এই কর্তব্য পালন করতে হলে ভারতকে জানতে, গ্রহণ করতে এবং নিজেকে ভারতের অংশ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।” সমবেত শ্রোতাদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ভাগবত বলেন, “সংস্কৃত একটি ভাষা হলেও, এটি শুধু ভাষা নয়। আপনি যদি সংস্কৃত জানেন, তবে যে কোনও ভারতীয় ভাষা বোঝা সম্ভব। ভারতে সংস্কৃত জাতির আত্মা, কারণ এটি চিন্তা, জীবন ও সংস্কৃতির প্রাচীনতম ঐতিহ্য, যা আজও জীবন্ত (Sanskrit)।”

    ভারত একটি জীবন্ত ঐতিহ্য

    তিনি ভারতের দার্শনিক ধারণা ব্যাখ্যা করে বলেন, “ভারতের অস্তিত্ব শুধু ভৌগোলিক নয়, এটি কেবল রাজনৈতিক বা অর্থনৈতিক সত্তাও নয়। ভারত একটি জীবন্ত ঐতিহ্য, যার ওপর জীবনের ধারাবাহিকতা নির্ভর করে।” সরসংঘচালক বলেন, “শৈশবে স্কুলে সংস্কৃত শেখা কঠিন মনে হত। পাঠ্যক্রমে ‘শ্লোক’ মুখস্থ করতে হত, যা ভাষাটিকে কঠিন বলেই মনে করাত। কিন্তু বাড়িতে যখন সেই একই শ্লোক শুনতাম, তখন তা আর কঠিন বলে মনে হত না।” আরএসএস কর্তা বলেন, “আজও এই সমস্যাটি রয়ে গিয়েছে। শিক্ষার্থীরা সংস্কৃতকে কঠিন মনে করে। কিন্তু প্রশ্ন হল, কেন? বাস্তবে ভাষা শেখার সবচেয়ে সহজ ও কার্যকর উপায় হল কথোপকথন, বই নয় (Sanskrit)।”

    কথোপকথনই ভাষা শেখার সেরা উপায়

    তিনি বলেন, “কথোপকথনই ভাষা শেখার সেরা উপায়, ব্যাকরণ নয়। আমি যখন ভারতের বিভিন্ন স্থানে ভ্রমণ করি, স্থানীয় ভাষার সব শব্দ না জানলেও মূল ভাব বুঝতে পারি। নিয়মিত শোনা ও বলার মাধ্যমে ভাষা স্বাভাবিকভাবে শেখা যায়। তাই ভাষা শেখার সর্বোত্তম উপায় হল সেই ভাষাভাষীদের মধ্যে থাকা, তাদের কথা শোনা এবং নিজেও বলা (Mohan Bhagwat)।” সংস্কৃত ভারতীর প্রশংসা করে ভাগবত বলেন, “এই সংগঠন অল্প সময়ের মধ্যে সারা দেশে সংস্কৃতের প্রতি আগ্রহ বাড়াতে সক্ষম হয়েছে এবং কথোপকথন পদ্ধতিতে ভাষাটিকে জনপ্রিয় করেছে।” তিনি আরও বলেন, “গত ১৫ বছরে সমাজে সংস্কৃতের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গির বড় পরিবর্তন দেখা গিয়েছে। পরিবর্তিত পরিস্থিতি মানুষকে তাদের সাংস্কৃতিক শেকড়ের সঙ্গে ফের যুক্ত করছে, ফলে সংস্কৃত শেখা ও বোঝার সুযোগ তৈরি করা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।” তিনি বলেন, “নতুন কার্যালয় নির্মাণ অবশ্যই আনন্দের বিষয়। তবে মনে রাখতে হবে, কার্যালয় কাজের কারণ নয়, বরং কাজের বিস্তারের ফল।”

    সংস্কৃত সংরক্ষণ

    এই উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও শুভেচ্ছা জানান। তিনি বলেন, “অক্ষয় তৃতীয়ার পবিত্র দিবসে ‘প্রণব’ নামে সংস্কৃত ভারতীর নতুন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের উদ্বোধনের খবর জেনে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। এটি ভারতের জ্ঞান, সংস্কৃতি ও আধ্যাত্মিকতার পুনর্জাগরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ (Mohan Bhagwat)।” তিনি এও বলেন, “সংস্কৃত আমাদের প্রাচীন ও সমৃদ্ধ ঐতিহ্যের বাহক। এর মধ্যে বিজ্ঞান, দর্শন-সহ নানা জ্ঞানের ধারাবাহিক প্রবাহ রয়েছে, যা মানবতার পক্ষে আশীর্বাদস্বরূপ। সংস্কৃতের (Sanskrit) মহিমা অসীম।” প্রধানমন্ত্রী মনে করিয়ে দেন, গত ১১ বছরে সংস্কৃত সংরক্ষণ ও প্রচারে নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং নতুন শিক্ষা নীতিতে ভারতীয় ভাষার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

    সংস্কৃত ভবিষ্যতেরও ভাষা

    তিনি বলেন, “সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে আমি ‘সুভাষিত’ শেয়ার করে শাস্ত্রের জ্ঞান মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করছি। তরুণদের মধ্যে এ বিষয়ে আগ্রহ বাড়ছে। সংস্কৃত শুধু অতীতের ভাষা নয়, বর্তমান এবং ভবিষ্যতেরও ভাষা।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ভাষার শিক্ষা ও প্রসারের মাধ্যমে ভারতের সাংস্কৃতিক (Sanskrit) আত্মা নতুন শক্তি লাভ করবে। সংস্কৃত ভারতীর সকল কর্মীদের নিষ্ঠা এবং সংস্কৃত ভাষার উন্নয়নে তাঁদের প্রচেষ্টা প্রশংসনীয় (Mohan Bhagwat)।” তাঁর আশা, ‘প্রণব’ কার্যালয়ের উদ্বোধন এই যাত্রায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হবে।

     

  • Ramakrishna 628: “প্রেমে পাগল হয়ে হাসিব কাঁদিব সচ্চিদানন্দ সাগরে ভাসিব, আপনি মাতিয়ে সকলে মাতাব, হরিপদে নিত্য করিব বিহার”

    Ramakrishna 628: “প্রেমে পাগল হয়ে হাসিব কাঁদিব সচ্চিদানন্দ সাগরে ভাসিব, আপনি মাতিয়ে সকলে মাতাব, হরিপদে নিত্য করিব বিহার”

    ৫২ শ্যামপুকুর বাটীতে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    ষড়্‌বিংশ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২৭শে অক্টোবর
    শ্রীরামকৃষ্ণ—নরেন্দ্র, গিরিশ, সরকার প্রভৃতি ভক্তসঙ্গে
    ভজনানন্দে—সমাধিমন্দিরে

    ডাক্তার আবার বসিলেন। তখন নরেন্দ্র মধুরকণ্ঠে গান করিতেছেন। তৎসঙ্গে তানপুরা ও মৃদঙ্গ ঘন ঘন বাজিতেছে। গাহিতেছেন (Kathamrita):

    (১)     চমৎকার অপার জগৎ রচনা তোমার,
    শোভার আগার বিশ্ব সংসার।
    অযুত তারকা চমকে রতন-কাঞ্চন-হার
    কত চন্দ্র কত সূর্য নাহি অন্ত তার।
    শোভে বসুন্ধরা ধনধান্যময়, হায় পূর্ণ তোমার ভাণ্ডার
    হে মহেশ, অগণনলোক গায় ধন্য ধন্য এ গীতি অনিবার।

    নিবিড় আঁধারে মা তোর চমকে ও রূপরাশি।
    তাই যোগী ধ্যান ধরে হয়ে গিরি-গুহাবাসী।
    অনন্ত আঁধার কোলে, মহানির্বাণ হিল্লোলে,
    চিরশান্তি পরিমল, অবিরল যায় ভাসি।
    মহাকাল রূপ ধরি, আঁধার বসন পরি,
    সমাধিমন্দিরে ও মা কে তুমি গো একা বসি;
    অভয়-পদ-কমলে, প্রেমের বিজলী জ্বলে
    চিন্ময় মুখমণ্ডলে শোভে অট্ট অট্ট হাসি।

    ডাক্তার মাস্টারকে বলিলেন, “It is dangerous to him!”

    এ-গান ঠাকুরের পক্ষে ভাল নয়, ভাব হইলে অনর্থ ঘটিতে পারে)।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) মাস্টারকে জিজ্ঞাসা করিলেন, “কি বলছে?” তিনি উত্তর করিলেন, “ডাক্তার ভয় করছেন, পাছে আপনার ভাবসমাধি হয়।” বলিতে বলিতে শ্রীরামকৃষ্ণ একটু ভাবস্থ হইয়াছেন; ডাক্তারের মুখপানে তাকাইয়া করজোড়ে বলিতেছেন, “না, না, কেন ভাব হবে?” কিন্তু বলিতে বলিতে তিনি গভীর ভাব-সমাধিতে মগ্ন হইলেন। শরীর স্পন্দহীন, নয়ন স্থির! অবাক্‌! কাষ্ঠপুত্তলিকার (Kathamrita) ন্যায় উপবিষ্ট! বাহ্যশূন্য! মন বুদ্ধি অহংকার চিত্ত সমস্তই অন্তর্মুখ। আর সে মানুষ নয়। নরেন্দ্রের মধুরকণ্ঠে মধুর গান চলিতেছে:

    এ কি এ সুন্দর শোভা, কি মুখ হেরি এ!
    আজি মোর ঘরে আইল হৃদয়নাথ, প্রেম উৎস উথলিল আজি —
    বল হে প্রেমময় হৃদয়ের স্বামী, কি ধন তোমারে দিব উপহার?
    হৃদয় প্রাণ লহ লহ তুমি, কি বলিব;
    যাহা কিছু আছে মম, সকলি লও হে নাথ।

    গান   —   কি সুখ জীবনে মম ওহে নাথ দয়াময় হে
    যদি চরণ-সরোজে পরাণ-মধুপ চিরমগন না রয় হে।
    অগণন ধনরাশি তায় কিবা ফলোদয় হে
    যদি লভিয়ে সে ধনে, পরম রতনে যতন না করয় হে।
    সুকুমার কুমার মুখ দেখিতে না চাই হে
    যদি সে চাঁদবয়ানে তব প্রেমমুখে দেখিতে না পাই হে।
    কি ছার শশাঙ্কজ্যোতিঃ, দেখি আঁধারময় হে;
    যদি সে চাঁদ প্রকাশে তব প্রেম চাঁদ নাহি হয় উদয় হে।
    সতীর পবিত্র প্রেম তাও মলিনতাময় হে,
    যদি সে প্রেমকনকে, তব প্রেমমণি নাহি জড়িত রয় হে।
    তীক্ষ্ণ বিষা ব্যালী সম সতত দংশয় হে,
    যদি মোহ পরমাদে নাথ তোমাতে ঘটায় সংশয় হে।
    কি আর বলিব নাথ, বলিব তোমায় হে;
    তুমি আমার হৃদয়রতন মণি, আনন্দনিলয় হে।

    “সতির পবিত্র প্রেম” গানের এই অংশ শুনিতে শুনিতে ডাক্তার অশ্রুপূর্ণলোচনে বলিয়া উঠিলেন, আহা! আহা!

    নরেন্দ্র গাহিলেন:

    কতদিনে হবে সে প্রেম সঞ্চার।
    হয়ে পূর্ণকাম বলব হরিনাম, নয়নে বহিবে প্রেম অশ্রুধার ॥
    কবে হবে আমার শুদ্ধ প্রাণমন, কবে যাব আমি প্রেমের বৃন্দাবন,
    সংসার বন্ধন হইবে মোচন, জ্ঞানাঞ্জনে যাবে লোচন আঁধার ॥
    কবে পরশমণি করি পরশন লৌহময় দেহ হইবে কাঞ্চন
    হরিময় বিশ্ব করিব দর্শন, লুটিব ভক্তিপথে অনিবার ॥
    (হায়) কবে যাবে আমার ধরম করম, কবে যাবে জাতি কুলের ভরম,
    কবে যাবে ভয় ভাবনা সরম, পরিহরি অভিমান লোকাচার ॥
    মাখি সর্ব অঙ্গে ভক্তপদধূলি, কাঁধে লয়ে চির বৈরাগ্যের ঝুলি,
    পিব প্রেমবারি দুই হাতে তুলি, অঞ্জলি অঞ্জলি প্রেমযমুনার ॥
    প্রেমে পাগল হয়ে হাসিব কাঁদিব সচ্চিদানন্দ সাগরে ভাসিব,
    আপনি মাতিয়ে সকলে মাতাব, হরিপদে নিত্য করিব বিহার।

  • School Jihad: মুম্বইয়ে এবার ‘স্কুল জেহাদ’, পরিচালনায় মুসলিম ‘ল্যান্ড মাফিয়া’

    School Jihad: মুম্বইয়ে এবার ‘স্কুল জেহাদ’, পরিচালনায় মুসলিম ‘ল্যান্ড মাফিয়া’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুম্বইয়ে কথিত ‘স্কুল জেহাদ’ (School Jihad) নিয়ে যে বিতর্ক চলছে, সেটি রাজনৈতিক ও সামাজিক আলোচনায় এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে। বৃহন্মুবই মিউসিপাল কর্পোরেশন (BMC)-এর প্রস্তুত করা একটি তালিকার (Muslim Land Mafia) উল্লেখ করে কিরীট সোমাইয়ার দাবি, বর্তমানে শহরে ১৬৪টি অবৈধ স্কুল চালু রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ১৫০টি স্কুল এক মুসলিম ‘ল্যান্ড মাফিয়া’ দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে বলে অনুমান। এই স্কুলগুলি সরকারি স্বীকৃতি বা অনুমতি ছাড়াই চলছে। আরও অভিযোগ, এগুলির উদ্দেশ্য দ্বিমুখী—একদিকে জমি দখল, অন্যদিকে একটি নির্দিষ্ট মতাদর্শের প্রচার।

    সোমাইয়ার বক্তব্য (School Jihad)

    পরিসংখ্যান দেখিয়ে সোমাইয়া বলেন, “মুম্বইয়ে আগে ‘ল্যান্ড জেহাদ’, ‘কর্পোরেট জেহাদ’, ‘লাভ জেহাদ’ এবং ‘কোচিং জেহাদ’ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এই তালিকায় নবতম সংযোজন ‘স্কুল জেহাদ’। সংগৃহীত তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ থেকে ২০ বছর ধরে এই কার্যকলাপ চলছে এবং গোবিন্দি, মালাড ও কুর্লা এলাকার বহু স্কুল এতে জড়িত। সাধারণত প্রথমে একটি জমি দখল করা হয়। তারপর রাতারাতি সেখানে স্কুল বা অন্য কোনও প্রতিষ্ঠান তৈরি করে অবৈধ দখলকে স্থায়ী করা হয়। সোমাইয়ার মতে, পুরো প্রক্রিয়াটি একটি সুপরিকল্পিত কৌশলের অংশ। তাঁর অভিযোগ, ল্যান্ড মাফিয়া প্রথমে বেআইনিভাবে জমি দখল করে এবং পরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আড়ালে ধীরে ধীরে নির্মাণকাজ শুরু করে। এতে একদিকে যেমন অবৈধ দখলকে বৈধতার ছাপ দেওয়া হয়, অন্যদিকে তেমনি কঠিন হয়ে পড়ে প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া। তাঁর আরও অভিযোগ, অনেক ক্ষেত্রে এই স্কুলগুলির ভেতরে বা আশপাশে মসজিদও নির্মাণ করা হয়েছে (School Jihad)।

    এই ঘটনা অবৈধ অভিবাসনের সঙ্গেও যুক্ত!

    এই জাতীয় ঘটনার প্রেক্ষিতে সোমাইয়া কর্পোরেশনের কার্যকারিতা নিয়েও গুরুতর প্রশ্ন তোলেন। তাঁর মতে, গত দুই দশকে এই ধরনের বেআইনি কার্যকলাপ বেড়ে যাওয়ার মূল কারণ হল দুর্নীতি ও প্রশাসনিক অবহেলা। সময়মতো ব্যবস্থা নেওয়া হলে এত অবৈধ স্কুল গড়ে উঠত না (Muslim Land Mafia)। সোমাইয়া এই ঘটনাকে অবৈধ অভিবাসনের সঙ্গেও যুক্ত করেছেন। তাঁর অভিযোগ, এই স্কুলগুলির মাধ্যমে মুম্বইয়ে অবৈধ বাংলাদেশিদের বসবাসের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। তিনি জানান, এ বিষয়ে তিনি রাজ্যের স্বরাষ্ট্র দফতর ও কর্পোরেশনের কর্তাদের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেছেন। তাঁর দাবি, কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস পাওয়া গেছে এবং খুব শিগগিরই তা কার্যকর হবে।

    ‘জেহাদ’ শব্দের ব্যাখ্যা

    এই বিতর্কের আবহে ‘জেহাদ’ শব্দটির ব্যাখ্যা নিয়েও জোরদার আলোচনা শুরু হয়েছে। ইসলামি পণ্ডিতদের মতে, ‘জেহাদ’ মূলত সংগ্রাম বা আত্মসংযমের প্রতীক—নিজেকে উন্নত করা এবং নিজের দোষত্রুটির বিরুদ্ধে লড়াই করা। এটি সাধারণত দুই ভাগে বিভক্ত: ‘জেহাদ-আল-আকবর’ (অভ্যন্তরীণ সংগ্রাম) এবং ‘জেহাদ-আল-আসগর’ (বাহ্যিক সংগ্রাম)। অধিকাংশ পণ্ডিত অভ্যন্তরীণ সংগ্রামকেই বেশি গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন এবং শব্দটির সঙ্গে হিংসার সম্পর্ককে ভুল ব্যাখ্যা বলে মনে করেন। তবে কিছু লেখক এবং গবেষক ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে ভিন্ন ব্যাখ্যাও তুলে ধরেন (School Jihad)। কিছু লেখকের মতে, ইতিহাসে জেহাদ শুধু আধ্যাত্মিক ধারণা হিসেবে নয়, রাজনৈতিক ও সামরিক সম্প্রসারণের মাধ্যম হিসেবেও ব্যবহৃত হয়েছে। তাঁদের দাবি, ইসলামের বিস্তারের জন্য বিভিন্ন উপায় (হিংসা-সহ) ব্যবহৃত হয়েছে (Muslim Land Mafia)।

    জেহাদের ইতিহাস

    অ্যানড্রিউ জি বস্টম তাঁর বই ‘দ্য লিগেসি অফ জেহাদে’ লিখেছেন, জেহাদের ইতিহাস কেবল আধ্যাত্মিক সংগ্রামে সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি রাজনৈতিক ও সামরিক সম্প্রসারণের একটি সংগঠিত প্রক্রিয়ার অংশ ছিল। রবার্ট স্পেনসার তাঁর বই ‘দ্য পলিটিক্যালি ইনকারেক্ট গাইড টু ইসলামে’ বলেন, ইসলামের প্রাথমিক বিস্তার অনেকাংশে সামরিক অভিযানের মাধ্যমে ঘটেছিল। এমএ খান তাঁর লেখায় উল্লেখ করেন, ইতিহাসের বিভিন্ন সময়ে জেহাদ রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার ও সামাজিক নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যবহৃত হয়েছে। ব্যাট ইয়র তাঁর বই ‘দ্য ধিম্মি’তে লিখেছেন, অ-মুসলিমদের ওপর সামাজিক ও অর্থনৈতিক চাপের ফলে অনেকেই ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছিলেন (School Jihad)। ভারতীয় ইতিহাসের ক্ষেত্রেও কিছু গবেষণার উল্লেখ করা হয়। সীতারাম গোয়েল তাঁর গ্রন্থে মধ্যযুগে মন্দির ধ্বংসের পেছনে ধর্মীয় উদ্দেশ্যের কথা উল্লেখ করেছেন। কেএস লালের মতে, মধ্যযুগীয় যুদ্ধে বন্দিদের দাসে পরিণত করে ধর্মান্তরিত করা হত। মাইকেল বোনের জেহাদকে একটি সামাজিক-রাজনৈতিক প্রক্রিয়া হিসেবে বর্ণনা করেছেন। মাজিদ খাদুরি ইসলামি আইনে জেহাদকে রাষ্ট্র বিস্তারের একটি উপায় হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন (Muslim Land Mafia)। সব মিলিয়ে, মুম্বইয়ে ‘স্কুল জেহাদ’ নিয়ে ওঠা অভিযোগ নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। অভিযোগ, এই স্কুলগুলি অবৈধ বাংলাদেশি অভিবাসীদের বসতি স্থাপনের জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে। প্রশাসন কী করে, এখন সেটাই (School Jihad) দেখার।

     

  • India South Korea: ভারতের সঙ্গে এআই-সহ ১৫টি ক্ষেত্রে চুক্তি স্বাক্ষর করল দক্ষিণ কোরিয়া

    India South Korea: ভারতের সঙ্গে এআই-সহ ১৫টি ক্ষেত্রে চুক্তি স্বাক্ষর করল দক্ষিণ কোরিয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্তমানে ভারত সফরে রয়েছেন দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জেই মাইয়াং (India South Korea)। সোমবার তিনি জানান, দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ২০৩০ সালের মধ্যে ৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করা হয়েছে। তিনি অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার জন্য একটি রূপরেখাও তুলে ধরেন।

    ১৫টি চুক্তিতে স্বাক্ষর (India South Korea)

    ভারত ও দক্ষিণ কোরিয়া মোট ১৫টি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে। বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জাহাজ নির্মাণ এবং এআই (AI)-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর লক্ষ্যেই স্বাক্ষরিত হয়েছে এই চুক্তিগুলি। অর্থনৈতিক সহযোগিতার জন্য মন্ত্রিস্তরের একটি শিল্প সহযোগিতা কমিটিও গঠন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট বলেন, “বর্তমানে বার্ষিক ২৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বাণিজ্যকে আমরা ২০৩০ সালের মধ্যে প্রায় ৫০ বিলিয়ন ডলারে নিয়ে যেতে চাই।” দুই দেশের মধ্যে ক্রমবর্ধমান সম্পর্কের ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, “এখন এই বিশেষ কৌশলগত অংশীদারিত্ব নতুন এক দশকে প্রবেশ করছে।” দুই নেতা বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা বাড়ানো এবং আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিষয় নিয়েও আলোচনা করেছেন।

    ভারত ‘গ্লোবাল সাউথে’র নেতা

    দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ভারতকে ‘গ্লোবাল সাউথে’র নেতা হিসেবে বর্ণনা করেন (India South Korea)। “বিকশিত ভারত ২০৪৭” ভিশনের অধীনে দেশের দ্রুত উন্নয়নের প্রশংসাও করেন তিনি। অভ্যর্থনার জন্য ভারতকে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, “আমায় এবং আমার প্রতিনিধিদলকে যে উষ্ণ আতিথেয়তা দেওয়া হয়েছে, তার জন্য আমি আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই (India South Korea)।” প্রেসিডেন্ট বলেন, “ভারত বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র এবং দ্রুততম বর্ধনশীল অর্থনীতিগুলির একটি দেশ। আট বছর পর এই প্রথম রাষ্ট্রীয় সফরে আসতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত।”

    প্রেসিডেন্টের বক্তব্য

    তিনি বলেন, “আমরা একটি শিল্প সহযোগিতা কমিটি গঠন করব, যা আমাদের দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতার প্রথম মন্ত্রিস্তরের প্ল্যাটফর্ম হবে।” এই কমিটি বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং গুরুত্বপূর্ণ খাতে সম্পর্ক শক্তিশালী করার ওপর জোর দেবে (India South Korea)। প্রেসিডেন্ট লি এও বলেন, “আমরা গুরুত্বপূর্ণ খাত যেমন— গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, পারমাণবিক শক্তি এবং ক্লিয়ার এনার্জিতে সহযোগিতা বাড়াব।” এই খাতগুলি দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক নিরাপত্তা ও মজবুত উন্নয়নের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্বব্যাপী অনিশ্চয়তা, বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে জ্বালানি নিরাপত্তাও আলোচনায় গুরুত্ব পেয়েছে। তিনি বলেন, “আমরা জ্বালানি সম্পদ ও ন্যাফথার মতো গুরুত্বপূর্ণ পণ্যের সরবরাহ স্থিতিশীল রাখতে সহযোগিতা অব্যাহত রাখব।”

    প্রেসিডেন্ট বলেন, “আমরা সিইপিএ (CEPA) চুক্তি আপগ্রেড করার আলোচনা দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যেতে রাজি হয়েছি, যাতে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের জন্য আরও অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয় (India South Korea)।” ছোট ও মাঝারি ব্যবসার সহায়তাও একটি গুরুত্বপূর্ণ (India South Korea) দিক। তিনি বলেন, “আমরা এসএমই খাতে সহযোগিতার জন্য এমওইউ সংশোধন করব।” বক্তৃতার একেবারে শেষে তিনি আবারও বলেন, “এই সব প্রচেষ্টার মাধ্যমে আমরা ২০৩০ সালের মধ্যে বাণিজ্য ৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত করতে চাই (India South Korea)।”

     

  • West Bengal Elections 2026: রাজ্যের মানুষকে পরিযায়ী শ্রমিক করেছে কে? বহিরাগত করার দায় একমাত্র মমতা সরকারের, তৃণমূলকে তোপ শমীকের

    West Bengal Elections 2026: রাজ্যের মানুষকে পরিযায়ী শ্রমিক করেছে কে? বহিরাগত করার দায় একমাত্র মমতা সরকারের, তৃণমূলকে তোপ শমীকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের আসন্ন নির্বাচনের (West Bengal Elections 2026) প্রেক্ষাপটে ‘বহিরাগত’ ভোটার ইস্যু নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গন এখন উত্তপ্ত। তৃণমূল কংগ্রেসের তোলা এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ তথা প্রধান মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য (Shamik Bhattacharya) কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “কর্মসংস্থান বা অন্য কারণে বাইরে থাকা রাজ্যের বাসিন্দাদের ‘বহিরাগত’ তকমা দেওয়া অনভিপ্রেত।”

    বাংলার সন্তানরা বহিরাগত নন (West Bengal Elections 2026)

    শমীক ভট্টাচার্য (Shamik Bhattacharya) স্পষ্ট ভাষায় বলেন, “বাংলার যে সমস্ত ভূমিপুত্র কাজের তাগিদে ভিন রাজ্যে থাকেন এবং ভোটের সময় নিজেদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে যারা বাড়ি ফেরেন, তারা কোনোভাবেই বহিরাগত নন। ভোটে (West Bengal Elections 2026) তাঁদের সম্পূর্ণ অধিকার রয়েছে।”

    ভয় প্রদর্শনের অভিযোগ

    শাসকদল সাধারণ ভোটারদের মনে বিভ্রান্তি এবং ভয় তৈরি করার চেষ্টা করছে বলে শমীক পালটা অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, “এটি ভোটারদের (West Bengal Elections 2026) গণতান্ত্রিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করার একটি অপকৌশল মাত্র। মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যে শিল্প, কলকারখানা এবং বিনিয়োগ আনতে ব্যর্থ। রাজ্যে বেকারত্ব চরম সীমায়। লক্ষ লক্ষ মানুষকে পরিযায়ী করেছে তৃণমূল সরকার।”

    সংবিধানের প্রতি শ্রদ্ধা

    রাজ্যসভাপতি শমীক এদিন স্মরণ করিয়ে দেন যে, ভারতের যেকোনো প্রান্তে বসবাসকারী নাগরিকের নিজ রাজ্যে ভোটাধিকার (West Bengal Elections 2026) প্রয়োগ করার পূর্ণ সাংবিধানিক অধিকার রয়েছে। একে কেন্দ্র করে বিভাজনের রাজনীতি করা উচিত নয়। নির্বাচনী আবহে এই বহিরাগত ইস্যুটি সবসময়ই অত্যন্ত স্পর্শকাতর। শমীক ভট্টাচার্যের এই বক্তব্যের মাধ্যমে প্রবাসী বাঙালিদের সমর্থনকে নিশ্চিত করতে চাইছে, যারা ভোটের সময় রাজ্যে ফেরেন। অন্যদিকে, এই বাদানুবাদ রাজ্যের রাজনৈতিক তরজা আরও স্পষ্ট করে তুলছে।

  • Keralam Vishu AD Row: প্রতিবাদীদের বিরুদ্ধে হওয়া মামলা প্রত্যাহার করতে হবে পুলিশকে, কেরলে কৃষ্ণ-মাংসকাণ্ডে সরব ভিএইচপি

    Keralam Vishu AD Row: প্রতিবাদীদের বিরুদ্ধে হওয়া মামলা প্রত্যাহার করতে হবে পুলিশকে, কেরলে কৃষ্ণ-মাংসকাণ্ডে সরব ভিএইচপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেরলে কৃষ্ণের মাংস খাওয়ার ছবি কাণ্ডে পুলিশের দ্বিচারিতার বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানাল বিশ্ব হিন্দু পরিষদ। আলাপ্পুঝা জেলার চের্থালায় মেহের মান্ডি অ্যান্ড গ্রিলস দ্বারা প্রস্তুত ও বিতরণ করা বিষু শুভেচ্ছা কার্ডের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ প্রদর্শনকারীদের বিরুদ্ধে চের্থালা পুলিশ যে মামলা দায়ের করেছে, অবিলম্বে তা প্রত্যাহার করার দাবি জানাল বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (VHP)। পরিষদের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক অনিল ভিলায়িল-ই এমন দাবি তুলেছেন (Keralam Vishu AD Row)।  ওই কার্ডে ভগবান শ্রীকৃষ্ণকে এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যা নিয়ে আপত্তি ওঠে বিভিন্ন মহলে। এই প্রতিষ্ঠানটির মালিক মোহাম্মদ শেমির ও তাঁর সহযোগীরা। তিনি বলেন, “এই ধরনের মামলা পিনারাই বিজয়ন সরকারের নীতির অংশ হিসেবে চালানো হচ্ছে, যেখানে অপরাধীদের রক্ষা করা হয় এবং যারা তা প্রকাশ করে তাদের শাস্তি দেওয়া হয়।”

    মেহের মান্ডি অ্যান্ড গ্রিলসের ঘটনা কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয় (Keralam Vishu AD Row)

    তাঁর আরও অভিযোগ, মিথ্যা মামলায় অভিযুক্তদের বাড়িতে, এমনকি মহিলাদের ঘরেও পুলিশ ঢুকে পড়েছে, যা মোটেই কাম্য নয়। তাঁর দাবি, এই বিষয়ে কথা বলা কর্মীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার করতে হবে এবং তাঁদের কাছ থেকে বাজেয়াপ্ত করা মোবাইল ফোন অবিলম্বে ফিরিয়ে দিতে হবে। চের্থালার ঘটনাকে উল্লেখ করে ভিলায়িল বলেন, “মেহের মান্ডি অ্যান্ড গ্রিলসের ঘটনা কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। কেরালামের প্রায় আটটি জায়গায়—মান্ডি দোকান, মায় একটি জুতোর দোকানেও—ভগবান কৃষ্ণকে আপত্তিকরভাবে উপস্থাপন করে একই ধরনের বিষু শুভেচ্ছা দেখা গিয়েছে। বেঙ্গালুরুতেও এমন একটি ঘটনার খবর মিলেছে।”

    বিতর্কিত শুভেচ্ছা কার্ড

    তাঁর মতে, এসব ঘটনা একটি ধারাবাহিক প্রচেষ্টার ইঙ্গিত দেয়, যেখানে উসকানি দেওয়া এবং প্রতিক্রিয়া পরীক্ষা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, “মেহের মান্ডি অ্যান্ড গ্রিলসের বিজ্ঞাপন ও অনুরূপ ছবির বিরুদ্ধে হিন্দু সংগঠনগুলির তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছে, এবং চের্থালা পুলিশের পদক্ষেপ পরিস্থিতিকে আরও উত্তেজিত করেছে।” তিনি জানান, এই বিষয়টির মোকাবিলা করা হবে আইনানুগ পথে এবং জনমতের মাধ্যমে। ভিলায়িলের প্রশ্ন, “মেহের মান্ডি অ্যান্ড গ্রিলসের বিতর্কিত শুভেচ্ছা কার্ডটি যারা শেয়ার করেছে—রাজ্যের ভেতরে ও বিদেশে—তাদের বিরুদ্ধে পুলিশ ব্যবস্থা নিতে প্রস্তুত কি না (Keralam Vishu AD Row)।” তিনি উল্লেখ করেন, ছবিটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে এবং বিপুল সংখ্যক মানুষের কাছে পৌঁছেছে।

    কৃষ্ণকে একটি আমিষ খাবারের সঙ্গে দেখানো হয়েছে

    তিনি বলেন, “হিন্দুদের অনুভূতিতে গুরুতর আঘাত লাগার পরেও কেরালামের শাসক দল, বিরোধী দলের নেতা, কিংবা আলাপ্পুঝার সাংসদ ও এআইসিসি সাধারণ সম্পাদক কেসি বেণুগোপাল কেউই কোনও প্রতিবাদ জানাননি।” তাঁর মতে, এলডিএফ ও ইউডিএফ—উভয় জোটের নেতৃত্বই এই ধরনের শক্তিকে উৎসাহ দিচ্ছে (VHP)। এই বিতর্কের কেন্দ্রে রয়েছে চের্থালায় অবস্থিত মেহের মান্ডি অ্যান্ড গ্রিলসের বিষু-থিমযুক্ত একটি বিজ্ঞাপন, যেখানে ভগবান কৃষ্ণকে একটি আমিষ খাবারের সঙ্গে দেখানো হয়েছে—যার মধ্যে ভাজা মুরগি সহ একটি বিরিয়ানির প্লেটও রয়েছে। ছবিটি ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে এবং চের্থালা ও আশেপাশের এলাকায় ভিএইচপি-সহ বিভিন্ন হিন্দু সংগঠন এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ করে (Keralam Vishu AD Row)।

    পরে অভিযোগের ভিত্তিতে চের্থালা পুলিশ ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (BNS)-এর ১৯২ ধারায় একটি মামলা দায়ের করে। মেহের মান্ডি অ্যান্ড গ্রিলসের বিজ্ঞাপন তৈরি ও প্রচার সংক্রান্ত তদন্তের অংশ হিসেবে সহ-মালিক আরশাদ নামে একজনকে হেফাজতে নেওয়া হয় এবং ইলেকট্রনিক ডিভাইস বাজেয়াপ্ত করা হয়। এরপর থেকে এই ঘটনাকে ঘিরে আরও বেড়েছে বিতর্কের পরিসর। কারণ অন্যান্য জায়গা থেকেও অনুরূপ ছবি (VHP) প্রকাশের খবর মিলেছে। প্রতিবাদ অব্যাহত রয়েছে কেরালামের বিভিন্ন অংশেও (Keralam Vishu AD Row)।

     

LinkedIn
Share