Tag: Bengali news

Bengali news

  • Ramakrishna 630: “নিরঞ্জনকে বলছেন, তুই আমার বাপ, তোর কোলে বসব, কালীপদর বক্ষ স্পর্শ করিয়া বলিতেছেন, চৈতন্য হও!”

    Ramakrishna 630: “নিরঞ্জনকে বলছেন, তুই আমার বাপ, তোর কোলে বসব, কালীপদর বক্ষ স্পর্শ করিয়া বলিতেছেন, চৈতন্য হও!”

    ৫৩ কাশীপুর বাগানে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    প্রথম পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২৩শে ডিসেম্বর

    কাশীপুর উদ্যানে নরেন্দ্রাদি ভক্তসঙ্গে
    কৃপাসিন্ধু শ্রীরামকৃষ্ণ — মাস্টার, নিরঞ্জন, ভবনাথ

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) ভক্তসঙ্গে কাশীপুরে বাস করিতেছেন। এত অসুখ — কিন্তু এক চিন্তা — কিসে ভক্তদের মঙ্গল হয়। নিশিদিন কোন না কোন ভক্তের বিষয় চিন্তা করিতেছেন।

    শুক্রবার, ১১ই ডিসেম্বর, ২৭শে অগ্রহায়ণ, শুক্লা পঞ্চমীতে শ্যামপুকুর হইতে ঠাকুর কাশীপুরের বাগানে আইসেন। আজ বারো দিন হইল। ছোকরা ভক্তেরা ক্রমে কাশীপুরে আসিয়া অবস্থিতি করিতেছেন (Ramakrishna) — ঠাকুরের সেবার জন্য। এখনও বাটী অনেকে যাতায়াত করেন। গৃহী ভক্তেরা প্রায় প্রত্যহ দেখিয়া যান (Kathamrita) — মধ্যে মধ্যে রাত্রেও থাকেন।

    ভক্তেরা প্রায় সকলেই জুটিয়াছেন। ১৮৮১ খ্রীষ্টাব্দ হইতে ভক্ত সমাগম হইতেছে। শেষের ভক্তেরা সকলেই আসিয়া পড়িয়াছেন। ১৮৮৪ খ্রীষ্টাব্দের শেষাশেষি শশী ও শরৎ ঠাকুরকে দর্শন করেন, কলেজের পরীক্ষাদির পর, ১৮৮৫-র মাঝামাঝি হইতে তাঁহারা সর্বদা যাতায়াত করেন। ১৮৮৪ খ্রীষ্টাব্দের সেপ্টেম্বর মাসে স্টার থিয়েটারে শ্রীযুক্ত গিরিশ (ঘোষ) ঠাকুরকে দর্শন করেন। তিনমাস পরে অর্থাৎ ডিসেম্বরের প্রারম্ভ হইতে তিনি সর্বদা যাতায়াত করেন। ১৮৮৪, ডিসেম্বরের শেষে সারদা ঠাকুরকে দক্ষিণেশ্বর-মন্দিরে দর্শন করেন। সুবোধ ও ক্ষীরোদ ১৮৮৫-র অগস্ট মাসে ঠাকুরকে প্রথম দর্শন করেন।

    আজ সকালে প্রেমের (Ramakrishna) ছড়াছড়ি। নিরঞ্জনকে বলছেন, “তুই আমার বাপ, তোর কোলে বসব।” কালীপদর বক্ষ স্পর্শ করিয়া বলিতেছেন, “চৈতন্য হও!” আর চিবুক ধরিয়া তাহাকে আদর করিতেছেন; আর বলিতেছেন, “যে আন্তরিক ঈশ্বরকে ডেকেছে বা সন্ধ্যা-আহ্নিক করেছে, তার এখানে আসতেই হবে।” আজ সকালে দুইটি ভক্ত স্ত্রীলোকের উপরও কৃপা করিয়াছেন। সমাধিস্থ হইয়া তাহাদের বক্ষে চরণ দ্বারা স্পর্শ করিয়াছেন। তাঁহারা অশ্রু বিসর্জন করিতে লাগিলেন; একজন কাঁদিতে কাঁদিতে বলিলেন, “আপনার এত দয়া!” প্রেমের ছড়াছড়ি! সিঁথির গোপালকে কৃপা করিবেন বলিয়া বলিতেছেন (Kathamrita), “গোপালকে ডেকে আন।”

    আজ বুধবার, ৯ই পৌষ, অগ্রহায়ণের কৃষ্ণা দ্বিতীয়া, ২৩শে ডিসেম্বর, ১৮৮৫। সন্ধ্যা হইয়াছে। ঠাকুর জগন্মাতার চিন্তা করিতেছেন।

    কিয়ৎক্ষণ পরে ঠাকুর অতি মৃদুস্বরে দু-একটি ভক্তের সহিত কথা কহিতেছেন। ঘরে কালী, চুনিলাল, মাস্টার, নবগোপাল, শশী, নিরঞ্জন প্রভৃতি ভক্তেরা আছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) — একটি টুল কিনে আনবে — এখানকার জন্য। কত নেবে?

    মাস্টার — আজ্ঞা, দু-তিন টাকার মধ্যে।

    শ্রীরামকৃষ্ণ — জলপিড়ি যদি বার আনা, ওর দাম অত হবে কেন?

    মাস্টার — বেশি হবে না, — ওরই মধ্যে হয়ে যাবে!

    শ্রীরামকৃষ্ণ — আচ্ছা, কাল আবার বৃহস্পতিবারের বারবেলা, — তুমি তিনটের আগে আসতে পারবে না?

    মাস্টার — যে আজ্ঞা, আসব।

  • WB Assembly Election 2026: ভোটগ্রহণের সময় গন্ডগোল করতে গুন্ডাবাহিনীকে মাঠে নামিয়েছিল তৃণমূল!

    WB Assembly Election 2026: ভোটগ্রহণের সময় গন্ডগোল করতে গুন্ডাবাহিনীকে মাঠে নামিয়েছিল তৃণমূল!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেসের শাসনব্যবস্থা ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচন হারানোর আশঙ্কায় নড়বড়ে (Post Poll Violence) হয়ে পড়েছে। ফলস্বরূপ, প্রথম দফার ভোটগ্রহণের সময় বিশৃঙ্খলা ও সংঘাত সৃষ্টি করতে তারা তাদের গুন্ডাবাহিনীকে মাঠে (Post Poll Violence) নামিয়েছে। জানা গিয়েছে, গুন্ডাবাহিনীকে বিরত রাখতে এবং মমতা সরকারের পতন ঠেকাতে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা হিংসা ও ভয় দেখানোর পথ অবলম্বন করেছে (WB Assembly Election 2026)। সংবাদ মাধ্যমে এমন ৯টি ঘটনার উল্লেখ করা হয়েছে, যা বৃহস্পতিবার ঘটেছে (WB Assembly Election 2026)।

    ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা (WB Assembly Election 2026)

    এদিকে, পূর্ব মেদিনীপুর জেলার ময়না বিধানসভা কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী চন্দন মণ্ডলকে ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করতে দেখা গিয়েছে। জনতা প্রতিবাদ জানিয়ে স্লোগান দেন, তাকে তাড়িয়ে দেয়। রিপোর্ট অনুযায়ী, রানিনগর বিধানসভা কেন্দ্রের ৫৪ নম্বর বুথে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা ভোটারদের ভোট দিতে বাধা দেয়। অভিযোগের পর পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনী ক্ষুব্ধ ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে তাদের ভোটকেন্দ্রে নিয়ে যায়। প্রথম দফার ভোটের সময় তৃণমূলের তরফে দুষ্কৃতীরা কুমারগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থীকে হেনস্থা করে। ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, পুলিশের উপস্থিতিতেই তারা (Post Poll Violence) করছে। দোষীরা পালানোর চেষ্টা করলেও, পুলিশ হামলাকারীদের থামাতে কিছুই করেনি বলে অভিযোগ।

    বিজেপির পোলিং এজেন্টকে বুথে ঢুকতে বাধা

    একই কেন্দ্রে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা বিজেপির পোলিং এজেন্টকে বুথে ঢুকতে বাধা দেয়। পরে বিজেপি কর্মীরা তাদের তাড়িয়ে দেন। নিজেদের শক্তি প্রদর্শন এবং ভোটারদের ভয় দেখানোর উদ্দেশ্যে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা (WB Assembly Election 2026) মুর্শিদাবাদের রাস্তায় নেমে গিয়ে যান চলাচল ব্যাহত করে। পুলিশ বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলেও, তারা তৃণমূলের পতাকা নিয়ে বিশৃঙ্খলা চালিয়ে যায় বলে অভিযোগ (WB Assembly Election 2026)। এদিকে, মুর্শিদাবাদের নওদা বিধানসভা কেন্দ্রে তৃণমূল কংগ্রেসের সদস্যদের সঙ্গে প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের সমর্থকদের মধ্যে (Post Poll Violence) সংঘর্ষ হয়। কবীর, যিনি আম জনতা উন্নয়ন পার্টির নেতা, তাঁকে তৃণমূল কর্মীরা প্রচারে বাধা দেয় বলে অভিযোগ। এর ফলে দু’পক্ষের মধ্যে লাঠি ও পাথর নিয়ে তীব্র সংঘর্ষ হয়। একটি ভিডিওতে হুমায়ুন কবীরকে তৃণমূল কর্মীদের উদ্দেশ্যে অশ্রাব্য ভাষা ব্যবহার করতে এবং হুমকি দিতে শোনা যায়।

    লুঙ্গি বাহিনীর তাণ্ডব

    বৃহস্পতিবার (২৩শে এপ্রিল) মমতা সরকারের তথাকথিত ‘লুঙ্গি বাহিনী’ পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ ও কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর ওপর হামলা চালায়। ঘটনাটি ঘটে বীরভূম জেলার দুবরাজপুর বিধানসভা কেন্দ্রে। ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, জনতা ইট-পাথর ছুড়ছে এবং নিরাপত্তা বাহিনী আশ্রয় নিতে বাধ্য হচ্ছে (Post Poll Violence)। তারা একটি পুলিশের গাড়ির কাচও ভাঙচুর করে (WB Assembly Election 2026)। সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশিত আর একটি ভিডিওতে দেখা যায়, বীরভূম জেলার লাভপুর বিধানসভা কেন্দ্রে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা (WB Assembly Election 2026) বিজেপি প্রার্থীর গাড়ি ঘিরে ফেলে এবং লাথি-ঘুষি মারে। উত্তেজিত জনতা গাড়ির পেছনের কাচ ভেঙে দেয়, আর পুলিশ তাদের নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যর্থ হয়।

    বিজেপির পোলিং এজেন্টকে আক্রমণ

    পরে জানা গিয়েছে, তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা বিজেপির এক পোলিং এজেন্টকে মারাত্মকভাবে আক্রমণ করে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে রাখে। কোচবিহারের তুফানগঞ্জ কেন্দ্রে বুথ দখলের খবরও সামনে আসে। কেন্দ্রীয় বাহিনী দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে তাদের পরিকল্পনা ব্যর্থ করে দেয় এবং তাড়িয়ে দেয়। ঘটনাটির ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। এদিকে, বৃহস্পতিবার পশ্চিমবঙ্গের আসানসোল শহরে বিজেপি (WB Assembly Election 2026) প্রার্থী অগ্নিমিত্রা পালের গাড়িতে হামলা চালায় তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা। তারা তাঁর গাড়িতে ইট-পাথর ছুড়ে গুরুতরভাবে আঘাত করার চেষ্টা করে। তবে বিজেপি নেত্রী অক্ষত অবস্থায় পালাতে সক্ষম হন (WB Assembly Election 2026)। পরে পুলিশে অভিযোগ দায়ের করা হয় এবং তদন্ত শুরু হয়।

    মমতা সরকার এবং তাদের তথাকথিত ‘লুঙ্গি বাহিনী’ ভোটারদের ভয় দেখানো, প্রভাবিত করা এবং হিংসার মাধ্যমে দমিয়ে রাখার চেষ্টা করলেও পশ্চিমবঙ্গের মানুষ বিপুল সংখ্যায় ভোট দিতে এগিয়ে আসেন এবং তাঁদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করেন।

     

  • India: মলদ্বীপের জন্য ৩০ বিলিয়ন টাকা তোলার অনুমোদন দিল ভারত

    India: মলদ্বীপের জন্য ৩০ বিলিয়ন টাকা তোলার অনুমোদন দিল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সার্ক (SAARC Currency) কারেন্সি সোয়াপ ফ্রেমওয়ার্কের আওতায় প্রথমবারের মতো মলদ্বীপের জন্য ৩০ বিলিয়ন টাকা তোলার অনুমোদন দিল ভারত (India)। এর জেরে দ্বীপরাষ্ট্রটির প্রতি ভারতের আর্থিক সহায়তা আরও জোরদার হল বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের।

    ভারতীয় হাইকমিশনের বক্তব্য (India)

    মালের ভারতীয় হাইকমিশন জানিয়েছে, এই অর্থ রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া এবং মলদ্বীপ সরকারের মধ্যে হওয়া চুক্তির প্রথম কিস্তি হিসেবে ছাড়া হচ্ছে। এই চুক্তিটি হয়েছিল মলদ্বীপের রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ মুইজুর ২০২৪ সালের অক্টোবর মাসে, নয়াদিল্লি সফরের সময়। উল্লেখ্য, এই পদক্ষেপটি নেওয়া হয়েছে মলদ্বীপের নেওয়া পূর্ববর্তী ৪০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের ঋণসুবিধার মেয়াদপূর্তির পর। এটি নেওয়া হয়েছিল ২০২৪ সালের অক্টোবরেই। মলদ্বীপের বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, এই ঋণ শোধ সরকারের আর্থিক দায়বদ্ধতা পালনের প্রতিশ্রুতি প্রতিফলিত করে (India)।

    ‘নেবারহুড ফার্স্ট’

    ২০১২ সালে এই ফ্রেমওয়ার্ক চালু হওয়ার পর থেকে, রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া মলদ্বীপকে মোট ১.১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও (SAARC Currency) বেশি সোয়াপ সাহায্য দিয়েছে। হাইকমিশন আরও জানিয়েছে, এই সুবিধাটি মলদ্বীপের আর্থিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে (India)। এছাড়া, ভারত তার ‘নেবারহুড ফার্স্ট’ (Neighbourhood First) নীতি এবং ‘ভিশন মহাসাগর’ (Vision MAHASAGAR) -এর আওতায় মলদ্বীপকে সাহায্য দেওয়া অব্যাহত রয়েছে। এটি প্রয়োজনে একটি বিশ্বস্ত অংশীদার ও প্রথম সাহায্যকারী হিসেবে ফের একবার নিশ্চিত করল ভারতের ভূমিকা (SAARC Currency)।

     

  • Raghav Chadha: আপ ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিতে চলেছেন সাংসদ রাঘব চাড্ডা, সঙ্গে কারা?

    Raghav Chadha: আপ ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিতে চলেছেন সাংসদ রাঘব চাড্ডা, সঙ্গে কারা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অরবিন্দ কেজরিওয়ালের নেতৃত্বাধীন আম আদমি পার্টি ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিতে চলেছেন সাংসদ রাঘব চাড্ডা (Raghav Chadha)। রাজ্যসভায় ডেপুটি লিডারের পদ থেকে অপসারণকে কেন্দ্র করে আম আদমি পার্টির সঙ্গে প্রকাশ্যে বিরোধ বাঁধে রাঘবের। তার (PM Modi) পরেই শুক্রবার তিনি ঘোষণা করেন, পদ্মশিবিরে যাচ্ছেন তিনি।

    চাড্ডার বক্তব্য (Raghav Chadha)

    দিল্লিতে সন্দীপ পাঠক এবং অশোক মিত্তলের সঙ্গে এক সাংবাদিক সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে চাড্ডা বলেন, “আপের রাজ্যসভার দুই-তৃতীয়াংশ সাংসদ সাংবিধানিক বিধান প্রয়োগ করে বিজেপির সঙ্গে একীভূত হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে, রাজ্যসভায় আপের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্য হিসেবে আমরা ভারতের সংবিধানের বিধান প্রয়োগ করে নিজেদের বিজেপির সঙ্গে একীভূত করছি।” সন্দীপ পাঠক এবং অশোক মিত্তলও আপ ছাড়ার কথা ঘোষণা করেন। তাঁরাও জানিয়ে দেন, বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন তাঁরা।

    মূল নীতি থেকে সরে গিয়েছে আপ

    নিজের সিদ্ধান্তের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে চাড্ডা বলেন, “যে দলটিকে আমি রক্ত-ঘামে গড়ে তুলেছিলাম, সেটি তার মূল নীতি থেকে সরে গিয়েছে। তিনি বলেন, যে দলে আমি আমার যৌবনের ১৫ বছর দিয়েছি, তা তার নীতি, মূল্যবোধ এবং মূল আদর্শ থেকে বিচ্যুত হয়েছে। এখন এই দল দেশবাসীর স্বার্থে কাজ না করে ব্যক্তিগত লাভের জন্য কাজ করছে… গত কয়েক বছর ধরে আমি অনুভব করছিলাম যে আমি ভুল দলে সঠিক মানুষ (PM Modi)। তাই আজ আমরা ঘোষণা করছি যে আমি আপ থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে জনতার কাছাকাছি যাচ্ছি (Raghav Chadha)।”

    চাড্ডা বলেন, “সংবিধান অনুযায়ী, একটি দলের মোট সাংসদের দুই-তৃতীয়াংশ অন্য দলে যোগ দিতে পারেন। আমরা আজ এই বিষয়ে রাজ্যসভার চেয়ারম্যান সিপি রাধাকৃষ্ণনের কাছে চিঠি জমা দিয়েছি এবং প্রয়োজনীয় সমস্ত নথিও দিয়েছি।” প্রবীণ এই নেতা বলেন, “আমি আপনাদের আসল কারণ বলছি কেন আমি দলীয় কার্যকলাপ থেকে দূরে সরে গিয়েছিলাম। আমি তাদের অপরাধের অংশ হতে চাইনি। আমি তাদের বন্ধুত্বের যোগ্য ছিলাম না, কারণ আমি তাদের অপরাধে অংশ নিইনি। আমাদের সামনে দুটি পথ ছিল—একটি হল রাজনীতি ছেড়ে দেওয়া এবং গত ১৫-১৬ বছরের জনসেবামূলক কাজ ত্যাগ করা, অথবা আমাদের শক্তি ও অভিজ্ঞতা দিয়ে ইতিবাচক রাজনীতি করা। তাই আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে রাজ্যসভায় আপের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্য হিসেবে আমরা ভারতীয় সংবিধানের বিধান মেনে বিজেপিতে যোগ দেব (Raghav Chadha)।”

    চাড্ডা বলেন (Raghav Chadha), “রাজ্যসভায় আপের মোট ১০ জন সাংসদ রয়েছেন, এর মধ্যে দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি আমাদের সঙ্গে রয়েছেন। তাঁরা স্বাক্ষর করেছেন এবং আজ সকালে আমরা সেই স্বাক্ষরিত চিঠি ও নথি রাজ্যসভার চেয়ারম্যানের কাছে জমা দিয়েছি। এখানে উপস্থিত তিনজন ছাড়াও হরভজন সিং, রাজিন্দর গুপ্তা, বিক্রম সাহনি এবং স্বাতী মালিওয়াল আমাদের সঙ্গে আছেন।” প্রসঙ্গত, চলতি মাসের শুরুতে রাঘব ইনস্টাগ্রামে ‘ভয়েস রেজড, প্রাইস পেড’ শিরোনামে একটি ভিডিও শেয়ার করেন। সেখানে সংসদে বিভিন্ন বিষয় উত্থাপন করার তাঁর ক্লিপগুলোর সংকলন দেখানো হয়েছে। এটি তাঁর দলের সঙ্গে চলা বিরোধের মধ্যেই প্রকাশ করা হয়। পোস্টে তিনি বলেন, “যাঁরা আমার সংসদীয় কাজকর্ম নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন, তাঁদের প্রতি যথাযথ সম্মান রেখেই বলছি—আমার কাজই আমার হয়ে কথা বলবে (PM Modi)।”

    গত ২ এপ্রিল রাজ্যসভার ডেপুটি লিডার পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় চাড্ডাকে। অভিযোগ, তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে সংসদে জোরালোভাবে কথা বলা থেকে বিরত থাকছেন এবং তার বদলে ‘সফ্ট পিআরে’ যুক্ত হচ্ছেন। চাড্ডা এই অভিযোগগুলিকে ‘মিথ্যা’ বলে উড়িয়ে দেন। তিনি বলেন, “আমি সংসদে মানুষের সমস্যাগুলি তুলে ধরতেই যাই, অশান্তি সৃষ্টি করতে নয়।” প্রসঙ্গত, উচ্চকক্ষ থেকে ডেপুটি লিডার পদ থেকে অপসারণের পর থেকে চাড্ডা সোশ্যাল মিডিয়ায় একাধিক ভিডিও এবং পোস্ট শেয়ার করেছেন (Raghav Chadha)। সেখানে তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে এই পদাবনতি তিনি চুপচাপ মেনে নেবেন না ((PM Modi))।

     

  • Suvendu Adhikari: “৪ তারিখ ভাবনীপুরের গণনা টেবিলে বসব”, প্রথম দফার ১৫২-তে ১২৫ হবে, প্রত্যয়ী শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: “৪ তারিখ ভাবনীপুরের গণনা টেবিলে বসব”, প্রথম দফার ১৫২-তে ১২৫ হবে, প্রত্যয়ী শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনী (West Bengal Elections 2026) সভায় বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) দক্ষিণ কলকাতার চেতলা অঞ্চলে একটি জনসভায় অংশগ্রহণ করেন। সেখান থেকে তিনি রাজ্যের শাসক দল এবং বিশেষ করে স্থানীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে তীক্ষ্ণ সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, “৪ তারিখ ভবানীপুরের গণনা টেবিলে বসবো, তৃণমূল নেত্রী এবার ব্যাগ গুছিয়ে নিন। আমি আজ বদলা নিয়ে নিয়েছি।”

    লোক ওখানে ছিল, বডি ওখানে, মন এখানে (Suvendu Adhikari)

    শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) তাঁর ভাষণে নিয়োগ দুর্নীতি থেকে শুরু করে পুরসভার বিভিন্ন কাজে অস্বচ্ছতার অভিযোগ তোলেন। তিনি দাবি করেন, সাধারণ মানুষের করের টাকা সঠিক পথে ব্যয় না হয়ে বিশেষ কিছু মহলের স্বার্থসিদ্ধিতে ব্যবহার করা হচ্ছে। এরপর স্পষ্ট কথায় বলেন, “ভোট (West Bengal Elections 2026) হয়ে গেছে আজকে। আপনিও মাঠে নেমেছেন, মিছিল করেছেন। প্রতিটি ভিডিও আছে। কিছু লোক ওখানে ছিল, বডি ওখানে, মন এখানে। আর একটি লোক আছেন বন্দর থেকে, ভালো লোক সাপ্লাই দিয়েছেন৷ মাননীয়া জানেন, ১৫০ জন সিনিয়র সিটিজেন ভোট দিয়েছেন। ৭৭ এর কয়েকটা মুসলমান ছাড়া বাকি সবাই শুভেন্দুকে টিক লাগিয়েছে। আপনাকে আমি হারাব হারাব হারাব। কাল বিকেল থেকে ধরব৷ ২৯ এভিএম সিল করে বেরব। ৪ তারিখ নিজে গণনার টেবিলে বসব।”

    ১৫২-তে ১২৫ হবে

    চেতলা এলাকাটি রাজ্যের একজন প্রভাবশালী মন্ত্রী ববি হাকিমের খাসতালুক হিসেবে পরিচিত। নাম না করে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) সেই নেতৃত্বকে ইঙ্গিত করে বলেন, “পেশিশক্তি এবং প্রশাসনিক প্রভাব খাটিয়ে বিরোধী কণ্ঠস্বরকে রোধ করার চেষ্টা করা হচ্ছে। আমি যেন ২০২১ রিপিট করতে পারি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারাতে পারি৷ উনি কাঁদতে কাঁদতে বলছেন, ‘একটা ভোটেও জিতব’। রাজ্যের প্রচার বন্ধ করে এখন কেবলমাত্র ভবানীপুর ৷ কাউন্সিলর দু-হাতে টাকার ব্যাগ নিয়ে নেমেছে। আর একটা বড় ব্যবসায়ী অংশকে ধমকানি শুরু হয়েছে। বলছে, ৪ তারিখের পর দেখে নেব ৷ আরে তোমরা থাকলে তো দেখবে। মালদা থেকে আলিপুরদুয়ার সাফ সাফ সাফ। ১৫২-তে ১২৫ হবেই। ঝাড়গ্রামে ৪ এ ৩। মেদিনীপুর পশ্চিমে ১০, পূর্বে ১৬/১৬। মুর্শিদাবাদে ২ জায়গায় ৮। বীরভূমে ১ এর জায়গায় ৭। তোমরা কোথায় যাবে? এখন থেকে ব্যাগ গোছাও।” তবে তিনি স্পষ্ট করে দেন যে, ভারতীয় জনতা পার্টি এই ধরণের চাপের কাছে নতিস্বীকার করবে না।

    সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা ও অধিকার

    প্রথম দফায় নির্বাচনের পর শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “হিন্দুরা এবং মহিলারা একজোট হয়ে ভোট দিচ্ছেন। আমি কখনও দেখিনি বেলা ১২টার মধ্যে ৬০ শতাংশ ভোট পড়ে যেতে। বেঙ্গালুরু, কর্নাটক থেকে মানুষ এসে ভোট (West Bengal Elections 2026) দিচ্ছেন।” শুভেন্দু অধিকারীর এই সভা মূলত আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে কর্মীদের চাঙ্গা করা এবং শাসক দলের দুর্নীতির খতিয়ান তুলে ধরার একটি কৌশল হিসেবেই দেখা হচ্ছে। তাঁর আক্রমণাত্মক মেজাজ এবং সরাসরি অভিযোগ ঘিরে বর্তমানে রাজনৈতিক মহলে যথেষ্ট চর্চা শুরু হয়েছে।

  • Election Commission India: ‘শাসক দলের হয়ে কাজ’! হিঙ্গলগঞ্জ থানার ওসিকে সাসপেন্ড, বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ কমিশনের

    Election Commission India: ‘শাসক দলের হয়ে কাজ’! হিঙ্গলগঞ্জ থানার ওসিকে সাসপেন্ড, বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করার লক্ষ্যে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬-এর প্রাক্কালে বড় পদক্ষেপ নিল ভারতের নির্বাচন কমিশন (Election Commission India)। উত্তর ২৪ পরগনার হিঙ্গলগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক (OC) সন্দীপ সরকারকে তাৎক্ষণিকভাবে সাসপেন্ড করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই ভাবে তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। গাফিলতির চরম শাস্তি।

    পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ (Election Commission India)

    নির্বাচন কমিশনের (Election Commission India) পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, নির্দিষ্ট অভিযোগ এবং প্রশাসনিক পর্যালোচনার ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সাধারণত নির্বাচনের সময় কোনও পুলিশ আধিকারিকের (OC) বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্ব বা কর্তব্য গাফিলতির অভিযোগ উঠলে কমিশন এই ধরণের কঠোর ব্যবস্থা নিয়ে থাকে।

    মুখ্যসচিবকে নির্দেশ

    নির্বাচন কমিশন (Election Commission India) রাজ্যের মুখ্যসচিবকে দ্রুত এই নির্দেশ কার্যকর করার এবং সন্দীপ সরকারের জায়গায় যোগ্য কোনও আধিকারিককে নিয়োগ করার বার্তা দিয়েছে।  ২৪ এপ্রিল সকাল ১১টার মধ্যে কমিশনকে অ্যাকশন টেকেন রিপোর্ট বা কমপ্লায়েন্স রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট আধিকারিক নির্বাচনের কোনও প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারবেন না বলে কমিশনের তরফ থেকে স্পষ্ট করা হয়েছে।

    অমিত শাহের সভার আগেই পদক্ষেপ

    হিঙ্গলগঞ্জ এলাকায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বা অন্য বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের সফরের ঠিক আগেই এই পদক্ষেপ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। বিরোধীদের পক্ষ থেকে বারবার পুলিশের (OC) একাংশের বিরুদ্ধে শাসক দলের হয়ে কাজ করার অভিযোগ তোলা হচ্ছিলই। এইবার কমিশনের (Election Commission India) সিদ্ধান্ত সেই প্রেক্ষাপটে বাড়তি গুরুত্ব যোগ করেছে।

    ভোট প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখতে নির্বাচন কমিশন যে আপোষহীন মনোভাব নিচ্ছে, এই সাসপেনশন অর্ডার তারই একটি প্রতিফলন। প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা।

  • Daily Horoscope 24 April 2026: মানসিক শান্তি বজায় থাকবে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 24 April 2026: মানসিক শান্তি বজায় থাকবে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ (Aries)
    ১. নতুন কাজে আগ্রহ বাড়বে
    ২. কর্মক্ষেত্রে সাফল্য আসবে
    ৩. অর্থনৈতিক দিক ভালো থাকবে

    বৃষ (Taurus)
    ১. অর্থ লাভের সম্ভাবনা
    ২. পরিবারে সুখ শান্তি বজায় থাকবে
    ৩. অযথা খরচ এড়িয়ে চলুন

    মিথুন (Gemini)
    ১. কাজের চাপ বাড়তে পারে
    ২. বন্ধুর সাহায্য পাবেন
    ৩. সিদ্ধান্ত নিতে সতর্ক থাকুন

    কর্কট (Cancer)
    ১. মানসিক শান্তি বজায় থাকবে
    ২. নতুন সুযোগ আসতে পারে
    ৩. প্রেমের ক্ষেত্রে উন্নতি

    সিংহ (Leo)
    ১. কর্মক্ষেত্রে বাধা আসতে পারে
    ২. ধৈর্য ধরে কাজ করুন
    ৩. আর্থিক দিক স্থিতিশীল

    কন্যা (Virgo)
    ১. ভ্রমণের যোগ আছে
    ২. পড়াশোনায় উন্নতি
    ৩. স্বাস্থ্যের দিকে নজর দিন

    তুলা (Libra)
    ১. সম্পর্কের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকুন
    ২. ঝগড়া এড়িয়ে চলুন
    ৩. অর্থনৈতিক দিক মোটামুটি

    বৃশ্চিক (Scorpio)
    ১. আত্মবিশ্বাস বাড়বে
    ২. কাজে সাফল্য পাবেন
    ৩. পুরনো সমস্যা মিটবে

    ধনু (Sagittarius)
    ১. নতুন পরিকল্পনা সফল হবে
    ২. পরিবারে আনন্দ থাকবে
    ৩. অর্থ লাভের সম্ভাবনা

    মকর (Capricorn)
    ১. কাজের চাপ বাড়বে
    ২. দায়িত্ব বৃদ্ধি পাবে
    ৩. স্বাস্থ্য নিয়ে সতর্ক থাকুন

    কুম্ভ (Aquarius)
    ১. বন্ধুদের সঙ্গে ভালো সময় কাটবে
    ২. নতুন সম্পর্ক তৈরি হবে
    ৩. অর্থনৈতিক দিক ভালো

    মীন (Pisces)
    ১. সৃজনশীল কাজে সাফল্য
    ২. মানসিক চাপ কমবে
    ৩. পরিবারে সুখ শান্তি থাকবে

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Mohan Bhagwat: ‘‘জ্ঞান বা পাণ্ডিত্য বলতে বাগাড়ম্বর বোঝায় না, প্রকৃত জ্ঞান হল উপলব্ধি”, বললেন ভাগবত

    Mohan Bhagwat: ‘‘জ্ঞান বা পাণ্ডিত্য বলতে বাগাড়ম্বর বোঝায় না, প্রকৃত জ্ঞান হল উপলব্ধি”, বললেন ভাগবত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২১ এপ্রিল ছিল আদি শঙ্করাচার্য জয়ন্তী। এই শুভ দিনে ত্রিপুরার মোহনপুর মহকুমার ফকিরমুরা গ্রামে মা ত্রিপুরেশ্বরীর উদ্দেশে উৎসর্গীকৃত মা সৌন্দর্য চিন্ময়ী মন্দিরের উদ্বোধন করা হল (Mohan Bhagwat)। চিন্ময় মিশন দ্বারা নির্মিত এই মন্দিরের উদ্বোধন সংস্থাটির ৭৫তম বার্ষিকীর সঙ্গে একই সঙ্গে অনুষ্ঠিত হয় (RSS)। উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যক্তিরা, ছিলেন আধ্যাত্মিক নেতারাও।

    উপস্থিত বিশিষ্টজনেরা (Mohan Bhagwat)

    আরএসএসের সরসঙ্ঘচালক মোহন ভাগবত, ত্রিপুরার রাজ্যপাল ইন্দ্রসেনা রেড্ডি, মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা, মহারাষ্ট্রের রাজ্যপাল তথা ত্রিপুরা রাজবংশের জিষ্ণু দেববর্মণ এবং রাজমাতা বিভু কুমারী দেবী। অনুষ্ঠানের পর মন্দির প্রাঙ্গণে একটি ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক সমাবেশের আয়োজন করা হয়, যেখানে ভক্তি, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং সামাজিক অংশগ্রহণের এক অপূর্ব মিশ্রণ প্রতিফলিত হয়। এই সমাবেশে ভাষণ দিতে গিয়ে সরসঙ্ঘচালক আরএসএসের মোহন ভগবত, সমাজের দুর্বল অংশের জন্য চিন্ময় হরিহর বিদ্যালয়ের মাধ্যমে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে শিক্ষা দেওয়ার উদ্দেশ্য-সহ সমাজের প্রতি চিন্ময় মিশনের সেবার ভূয়সী প্রশংসা করেন।

    জ্ঞান বা পাণ্ডিত্যের সংজ্ঞা

    প্রধান অতিথি হিসেবে তাঁর ভাষণে  ভগবত জ্ঞান এবং প্রকৃত উপলব্ধির মধ্যে গভীর পার্থক্যের ওপর আলোকপাত করেন। তিনি বলেন, “জ্ঞান বা পাণ্ডিত্য বলতে কেবল বাগাড়ম্বর বোঝায় না, প্রকৃত জ্ঞান হল উপলব্ধি। গত দু’হাজার বছরে, বিশ্ব বিজ্ঞান থেকে সমাজতন্ত্র পর্যন্ত সব কিছু নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছে। তবুও আজ, তামাম বিশ্ব উপলব্ধি করছে যে সমগ্র বিশ্বের প্রয়োজন ভারতের বিশ্বদৃষ্টি এবং সনাতন ধর্মের পথনির্দেশনা।” তাঁর মতে, সনাতন ধর্ম বর্তমানে সমগ্র বিশ্বকে সঠিক পথ দেখাচ্ছে। মন্দিরের সামাজিক ভূমিকার ওপর জোর দিয়ে সরসংঘচালক বলেন, “মন্দির শুধু উপাসনার স্থান নয়, এটি ভারতীয় সামাজিক জীবনের কেন্দ্রবিন্দুও। বর্তমান যুগে শক্তির পাশাপাশি ভক্তিও প্রয়োজন (Mohan Bhagwat)।”

    ভাগবতের সতর্কবার্তা

    দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে সরসঙ্ঘচালক একটি সতর্কবার্তাও দেন। তিনি বলেন, “ভারতের বৈচিত্র্যের মধ্যেই ঐক্যের শক্তি নিহিত। কিন্তু ভারতের এই উত্থান থামাতে বহিরাগত শক্তিগুলি ক্রমাগত আমাদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির চেষ্টা করছে। এ ব্যাপারে আমাদের সকলকে খুব সতর্ক থাকতে হবে।” অনুষ্ঠানের শুরুতে ত্রিপুরার রাজমাতা বিভু কুমারী দেবী ভারতের শাশ্বত ঐক্যের বার্তা দেন (RSS)। তিনি বলেন, “আমাদের মধ্যে বৈচিত্র্য থাকতে পারে, কিন্তু আমাদের সকলের মাতৃভূমি হল আমাদের ভারতবর্ষ।” তিনি প্রত্যেক নাগরিকের হৃদয়ে ভারতমাতার প্রতি আত্মসমর্পণের চেতনা জাগিয়ে তোলার আহ্বান জানান। ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা তাঁর ভাষণে সরসঙ্ঘচালক মোহন ভগবতের উপস্থিতির জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন (Mohan Bhagwat)।

    মন্দিরের স্থাপত্যের প্রশংসা

    মন্দিরের সুন্দর স্থাপত্যের প্রশংসা করে তিনি বলেন, “এই মন্দিরটি শুধু ত্রিপুরার জন্যই নয়, সমগ্র ভারতের মানুষের জন্য আধ্যাত্মিকতা ও শ্রদ্ধার আলোকবর্তিকা হয়ে পথ দেখাবে।” মুখ্যমন্ত্রী চিন্ময় মিশনের সম্পূর্ণ বিনামূল্যে শিক্ষা প্রদানের এই মহান উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন। ত্রিপুরার রাজ্যপাল ইন্দাসেনা রেড্ডি বর্তমান ভোগবাদী সামাজিক ব্যবস্থায় চিন্ময় মিশনের ভূমিকার গভীর প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, “ত্রিপুরার মতো একটি সীমান্ত রাজ্যে এই (RSS) বিদ্যালয় ও মন্দির স্থাপন করা কেবল একটি ধর্মীয় কাজ নয়, এটি একটি অনন্য সামাজিক সংস্কার প্রচেষ্টা (Mohan Bhagwat)।”

     

  • West Bengal Elections 2026: রাজ্যে দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে ২৩২১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের

    West Bengal Elections 2026: রাজ্যে দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে ২৩২১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Elections 2026) দ্বিতীয় দফায় নিরাপত্তার ঘেরাটোপ আরও মজবুত করতে নজিরবিহীন পদক্ষেপ নিল ভারতের নির্বাচন কমিশন। অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণের লক্ষ্যে এই দফায় মোট ২,৩২১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণের জন্য কমিশন যে পরিমাণ বাহিনী বরাদ্দ করেছে, তা সাম্প্রতিক সময়ের নির্বাচনগুলোর মধ্যে অন্যতম সর্বোচ্চ। কমিশনের সাফ কথা নির্বাচন অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ হওয়া চাই। তাই কমিশন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ২৯ এপ্রিল পশ্চিমবঙ্গে দ্বিতীয় দফা বিধানসভা নির্বাচনে (Election Commission India) মোট ২,৩২১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করার কথা জানালো কমিশন। আসুন দেখে এক নজরে নিই কোন জেলায় কত বাহিনী?

    উত্তর ২৪ পরগনা জেলায়—৫০৭ কোম্পানি (West Bengal Elections 2026)

    কমিশনের দেওয়া নোটিস (West Bengal Elections 2026) অনুযায়ী, নির্বাচনে (Election Commission India) সবচেয়ে বেশি বাহিনী মোতায়েন করা হবে উত্তর ২৪ পরগনা জেলায়—৫০৭ কোম্পানি। দ্বিতীয় দফায় ১৪২ কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হবে। ওই দিন উত্তর ২৪ পরগনার বারাসত পুলিশ জেলায় মোতায়েন করা হচ্ছে ১১২ কোম্পানি বাহিনী। বনগাঁ পুলিশ জেলায় মোতায়েন করা হচ্ছে ৬২ কোম্পানি বাহিনী। বসিরহাটে ১২৩ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে ভোটের দিন। বিধাননগরে ৫০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। ব্যারাকপুরে থাকবে ১৬০ কোম্পানি।

    দক্ষিণ ২৪ পরগনা

    দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় সুন্দরবনে ১১৩ কোম্পানি, বারুইপুরে ১৬১, ডায়মন্ড হারবারে ১৩৫ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন করা হবে দ্বিতীয় দফার ভোটে।

    হাওড়া

    হাওড়া জেলার গ্রামীণ এলাকায় ১৪৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করছে কমিশন। হাওড়া পুলিশ কমিশনারেট এলাকায় থাকবে ১১০ কোম্পানি।

    নদিয়া

    নদিয়ার কৃষ্ণনগর পুলিশ জেলায় ১৫৮ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হবে বলে জানিয়েছে কমিশন। ওই জেলার রানাঘাট পুলিশ জেলায় থাকবে ১২৭ কোম্পানি।

    হুগলি

    হুগলি জেলার চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেট এলাকায় ভোটের সময় দায়িত্বে থাকছে ৮৩ কোম্পানি বাহিনী। হুগলি গ্রামীণ পুলিশ জেলায় ভোটের-দায়িত্ব সামলাবে ২৩৪ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী।

    পূর্ব বর্ধমান

    পূর্ব বর্ধমানে মোট বুথ সংখ্যা ৪৪৬৫। মোট ২৬০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে।

    পশ্চিম বর্ধমান

    পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটে মোট বুথের সংখ্যা ১৯৫টি। বাহিনী থাকবে ১৩ কোম্পানি।

    কলকাতা

    নির্বাচন কমিশন (Election Commission India) জানিয়েছে কলকাতায় বুথের সংখ্যা ৫,১৭২ । ২৭৩ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে রাজ্য রাজধানীতে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রতিটি কোম্পানিতে অন্তত ৭২ জন করে জওয়ান থাকেন। আগেই এই সংক্রান্ত নির্দেশিকা জারি করেছিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। প্রত্যেক বাহিনীকে পাঠানো বার্তায় বলা হয়েছিল, কোনও কোম্পানিতেই যেন কর্মীসংখ্যা ৭২-এর কম না-হয়। যেকোনও মূল্যে নির্বাচন অবাদ এবং শান্তিপূর্ণ ভাবে সম্পন্ন করাই কমিশনের প্রধান উদ্দেশে।

    নিরাপত্তার উদ্দেশ্য

    স্পর্শকাতর বুথগুলিতে শান্তি বজায় রাখা এবং সাধারণ ভোটাররা (West Bengal Elections 2026) যাতে নির্ভয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, তা নিশ্চিত করতেই কমিশনের এই ব্যাপক প্রস্তুতি। দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে নিরাপত্তার স্বার্থে কমিশন ২৩২১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী ব্যবহারের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যার একটি বড় অংশ মোতায়েন থাকবে উত্তর ২৪ পরগনা জেলায়। এটি সুষ্ঠু নির্বাচন পরিচালনার ক্ষেত্রে কমিশনের (Election Commission India) একটি বড় পদক্ষেপ।

  • West Bengal Elections 2026: প্রথম দফায় ১৬ জেলার ১৫২ আসনে চলছে ভোটগ্রহণ, কোন জেলায় কোন আসনে আজ ভোট?

    West Bengal Elections 2026: প্রথম দফায় ১৬ জেলার ১৫২ আসনে চলছে ভোটগ্রহণ, কোন জেলায় কোন আসনে আজ ভোট?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই শুরু হয়েছে রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Elections 2026) প্রথম পর্বের ভোটগ্রহণ। এই পর্বে ভোট হচ্ছে রাজ্যের ১৬ জেলার ১৫২টি আসনে। প্রথম দফায় ভোটে লড়ছেন মোট ১,৪৭৮ জন প্রার্থী। এদিনের ভোটে তাঁদের ভাগ্য নির্ধারিত হবে (Election Commission India) । এই পর্বে রয়েছেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী, দিলীপ ঘোষের মতো প্রার্থীরা। বিজেপি অবশ্য এই পর্বে ব্যাপক আশাবাদী। সরকার গড়া নিয়ে বিজেপি প্রথম থেকেই দৃঢ় প্রত্যয়ী।

    কোন কোন জেলায় ভোট (West Bengal Elections 2026)?

    প্রথম দফায় আজ ভোটগ্রহণ (West Bengal Elections 2026) হচ্ছে ১৫২ আসনে। উত্তরবঙ্গ, জঙ্গলমহল এবং রাঢ় অঞ্চলের ১৬ জেলার মোট ১৫২ কেন্দ্রে আজ ভোটগ্রহণ। ভোটগ্রহণ হবে দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর, মালদা, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, পশ্চিম বর্ধমান, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং পূর্ব মেদিনীপুর জেলায়। প্রথম দফায় গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলির মধ্যে রয়েছে- কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, দার্জিলিং, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর, মালদা এবং নন্দীগ্রাম। প্রথম দফার মোট প্রার্থী (Election Commission India) ১,৫৮৬ জন।

    কোন জেলায় কোন কোন আসন?

    এই পর্বে কোন কোন জেলার কোন কোন আসনে নির্বাচন হবে আসুন একনজরে দেখে নিই।

    কোচবিহার জেলা

    এই জেলায় মোট বিধানসভায় আসন ৯টি। এখানকার বিধানসভা কেন্দ্রগুলি হল মেখলিগঞ্জ, মাথাভাঙ্গা, কোচবিহার উত্তর, কোচবিহার দক্ষিণ, সিতালকুচি, সিতাই, দিনহাটা, নাটাবাড়ি, তুফানগঞ্জ।

    আলিপুরদুয়ার জেলা

    এই জেলায় মোট বিধান সভার ৫ কেন্দ্র। এই কেন্দ্রগুলি হল কুমারগ্রাম, কালচিনি, আলিপুরদুয়ার্স, ফালাকাটা, মাদারিহাট।

    জলপাইগুড়ি জেলা

    এই জেলায় মোট (West Bengal Elections 2026) আসন ৭ কেন্দ্র। এগুলি হল ধূপগুড়ি, ময়নাগুড়ি, জলপাইগুড়ি, রাজগঞ্জ, দাবগ্রাম-ফুলবাড়ি, মাল, নাগরাকাটা।

    দার্জিলিং জেলা

    এই জেলায় মোট কেন্দ্র ৬ টি। এখানকার কেন্দ্রগুলি হল কালিম্পং, দার্জিলিং, কার্শিয়াং, মাটিগাড়া-নকশালবাড়ি, শিলিগুড়ি, ফাঁসিদেওয়া।

    উত্তর দিনাজপুর জেলা

    এই জেলায় বিধানসভার কেন্দ্র হল ৯ টি। এগুলি হল চোপড়া, ইসলামপুর, গোলপোখর, চাকুলিয়া, করণদিঘি, হেমতাবাদ, কালিয়াগঞ্জ, রায়গঞ্জ, ইটাহার।

    দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা

    মোট ৬ টি আসন হল এই জেলায়। এগুলি হল কুশমণ্ডি, কুমারগঞ্জ, বালুরঘাট, তপন, গঙ্গারামপুর, হরিরামপুর।

    পূর্ব মেদিনীপুর জেলা

    পূর্ব মেদিনীপুর কেন্দ্রে মোট (West Bengal Elections 2026) আসন ১৬। এগুলি হল নন্দকুমার, মহিষাদল, হলদিয়া, নন্দীগ্রাম, চণ্ডীপুর, পটাশপুর, কাঁথি উত্তর, ভগবানপুর, খেজুরি, কাঁথি দক্ষিণ, রামনগর, এগরা, তমলুক, পাঁশকুড়া পূর্ব, পাঁশকুড়া পশ্চিম, ময়না।

    পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা

    এখানে মোট বিধানসভা ১৯। এখানে ভোট গ্রহণ হবেদাঁতন, নয়াগ্রাম, গোপীবল্লভপুর, ঝাড়গ্রাম, কেশিয়াড়ি, খড়গপুর সদর, নারায়ণগড়, সবং, পিংলা, খড়গপুর, ডেবরা, দাসপুর, ঘাটাল, চন্দ্রকোনা, গড়বেতা, শালবনি, কেশপুর, মেদিনীপুর, বিনপুরে।

    পুরুলিয়া জেলা

    পুরুলিয়াতে মোট আসন ৯। যে যে কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ হবে তা হক বান্দোয়ান, বলরামপুর, বাঘমুন্ডি, জয়পুর, পুরুলিয়া, মানবাজার, কাশীপুর, পাড়া, রঘুনাথপুর।

    বাঁকুড়া জেলা

    বাঁকুড়া জেলায় মোট আসন হল ১২। এখানে ভোট গ্রহণ হবে যে কেন্দ্র গুলিতে তা হল-শালতোড়া, ছাতনা, রানিবাঁধ, রাইপুর, তালডাংরা, বাঁকুড়া, বড়জোড়া, ওন্দা, বিষ্ণুপুর, কাটুলপুর, ইন্দাস, সোনামুখী।

    পশ্চিম বর্ধমান জেলা

    এই জেলায় মোট বিধানসভা (West Bengal Elections 2026) কেন্দ্র হল ৯।  পাণ্ডবেশ্বর, দুর্গাপুর পূর্ব, দুর্গাপুর পশ্চিম, রানিগঞ্জ, জামুড়িয়া, আসানসোল দক্ষিণ, আসানসোল উত্তর, কুলটি, বারাবনি।

    বীরভূম জেলা

    বীরভূমে মোট কেন্দ্র ১১ কেন্দ্র। এগুলি হলদুবরাজপুর, সিউড়ি, বোলপুর, নানুর, লাভপুর, সাঁইথিয়া, ময়ূরেশ্বর, রামপুরহাট, হানসান, নলহাটি, মুরারই।

    মালদা জেলা

    মালদা জেলায় মোট ভোট কেন্দ্র হল ১২। যে কেন্দ্রগুলিতে ভোট হবে তা হল- হবিবপুর, গাজোল, চাঁচল, হরিশ্চন্দ্রপুর, মালতীপুর, রতুয়া, মানিকচক, মালদা, ইংলিশ বাজার, মোথাবাড়ি, সুজাপুর, বৈষ্ণবনগর।

    মুর্শিদাবাদ জেলা

    এই জেলায় মোট বিধানসভা হল ২২। এখানে এই দফায় সবথেকে বেশি বাহিনী নিয়োগ করা হয়েছে। কেন্দ্রগুলি হল ফারাক্কা, সামশেরগঞ্জ, সুতি, জঙ্গিপুর, রঘুনাথগঞ্জ, সাগরদিঘি, লালগোলা, ভগবানগোলা, রানিনগর, মুর্শিদাবাদ, নবগ্রাম, খড়গ্রাম, বুরওয়ান, কান্দি, ভরতপুর, রেজিনগর, বেলডাঙা, বহরমপুর, হরিহরপাড়া, নওদা, ডোমকল, জলঙ্গি।

    কোনওরকম হিংসাত্মক কাজে জড়ানো যাবে না

    নির্বাচনকে (West Bengal Elections 2026) ঘিরে সকল প্রার্থীদের জন্য কড়া নির্দেশিকা জারি করেছে কমিশন। কমিশনের নির্দেশ (Election Commission India), সকাল ৬টা থেকে ভোট শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিজের বিধানসভা এলাকা থেকে অন্যত্রে যেতে পারবেন না কোনও প্রার্থীই। ভোট চলাকালীন নিজের বিধানসভা এলাকাতেই থাকতে হবে সব প্রার্থীকে। কোনওরকম হিংসাত্মক কাজে জড়ানো যাবে না। নির্বাচন যাতে সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ হয় এবং গণতান্ত্রিকভাবে নিজেদের অধিকার প্রয়োগ করতে পারে তাকে নিশ্চিত করতে হবে।

LinkedIn
Share