Tag: Bengali news

Bengali news

  • Pakistan Election: সংখ্যাগরিষ্ঠতা না থাকলেও তাঁর দল জিতেছে ভোটে, দাবি নওয়াজ শরিফের

    Pakistan Election: সংখ্যাগরিষ্ঠতা না থাকলেও তাঁর দল জিতেছে ভোটে, দাবি নওয়াজ শরিফের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচনে (Pakistan Election) নিজের দলের জয়ের দাবি করলেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ। শুক্রবার রাতে তিনি দাবি করেন, পাকিস্তান মুসলিম লিগ-নওয়াজ (পিএমএল-এন) নির্বাচনে সবচেয়ে বড় দল হিসাবে অলিখিত স্বীকৃতি পেয়ে গিয়েছে। শরিফ আরও জানিয়েছেন, দেশে জোট সরকার গড়তে সমমনস্ক দলগুলির সঙ্গে আলোচনাও শুরু করে দিতে চান। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত সেই আলোচনা নাকি শুরুও হয়ে গিয়েছে। শরিফের দলের তরফে শাহবাজ শরিফ পিপিপির আসিফ আলি জারদারি এবং জামিয়াত উলেমা-এ-ইসলাম (এফ)-এর মৌলানা ফজলুর রহমানের সঙ্গে বৈঠক করছেন বলেও শোনা গিয়েছে।

    মোট আসন ২৬৬, কে কতগুলি পেল

    প্রসঙ্গত, পাকিস্তানের ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলিতে মোট ২৬৬টি আসন রয়েছে। আরও ৭০টি আসন ধর্মীয় সংখ্যালঘু ও মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত। সেগুলি সরকার নির্ধারণে কোনও ভূমিকা পালন করে না। সরকার গড়ার জন্য দরকার ন্যূনতম ১৩৩টি আসন। যদিও এখনও পর্যন্ত  জয়ের দাবি করা নওয়াজ শরিফ, তাঁর দল কতগুলি আসন পেয়েছে সেই সংখ্যা জানাতে পারেননি। ভারতীয় সময় রাত সাড়ে ৯টায় শরিফের দল পিএমএল-এন ৪৩টি আসনে জয়লাভ করেছে বলে জানা গিয়েছে। বিলাবল ভুট্টোর পাকিস্তান (Pakistan Election) পিপ্‌লস পার্টি বা পিপিপি পেয়েছে ৩৬টি আসন। তবে সকলকে পিছনে ফেলে এগিয়ে চলেছে ইমরানের দল পিটিআই সমর্থক নির্দল প্রার্থীরা। রাত সাড়ে ৯টায় পাকিস্তানের নির্দল প্রার্থীরা ৬২টি আসনে জয়লাভ করেছেন।

    দলগতভাবে এগিয়ে শরিফ 

    পাকিস্তানের ভোট (Pakistan Election) বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শরিফের দাবি ঠিকই রয়েছে। বস্তুত, শরিফের দল পাকিস্তান মুসলিম লিগ দলগত ভাবে সবচেয়ে বেশি আসন পেয়েছে। তার কারণ  ইমরান সমর্থিত নির্দল প্রার্থীরা কেউই দলীয় প্রার্থী হিসাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেননি। ফলে, দলগত ভাবে পিএমএল-এন পাকিস্তানের সবচেয়ে বড় দল। ভোট বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, সেদেশে ত্রিশঙ্কু সরকার তৈরি হতে চলেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Bharat Ratna: অ-বিজেপি দুই প্রধানমন্ত্রীকে ভারতরত্ন, কী বললেন নাড্ডা?

    Bharat Ratna: অ-বিজেপি দুই প্রধানমন্ত্রীকে ভারতরত্ন, কী বললেন নাড্ডা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনজনকে ভারতরত্ন (Bharat Ratna) সম্মানে ভূষিত করা হচ্ছে বলে শুক্রবার জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এঁরা হলেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী কংগ্রেসের নরসিংহ রাও, দেশের পঞ্চম প্রধানমন্ত্রী তথা ভারতীয় লোক দলের প্রতিষ্ঠাতা চৌধুরি চরণ সিংহ এবং ভারতে সবুজ বিপ্লবের জনক এম স্বামীনাথন। স্বামীনাথন বিজ্ঞানী। কিন্তু বাকি দুজন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী। দুজনেই আবার ঘোরতরভাবে বিজেপি বিরোধী দলের নেতা ছিলেন। তা সত্ত্বেও কেন তাঁদের দেশের সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান ভারতরত্নে ভূষিত করা হচ্ছে?

    ভারতরত্ন

    চরণ সিংহকে ভারতরত্ন (Bharat Ratna) সম্মান দেওয়ার কারণ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “উনি কৃষকদের অধিকার ও তাঁদের কল্যাণের জন্য নিজের পুরো জীবন সমর্পণ করে দিয়েছিলেন। উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী হোন বা দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হোন বা বিধায়ক হোন, উনি সর্বদা দেশের উন্নতির জন্য কাজ করে গিয়েছেন।” কংগ্রেস নেতৃত্বকে খোঁচা দিয়ে তিনি বলেন, “জরুরি অবস্থার সময় কঠোরভাবে রুখে দাঁড়িয়েছিলেন। আমাদের কৃষক ভাইবোনেদের প্রতি উনি যেভাবে নিজের জীবন সমর্পণ করেছেন এবং জরুরি অবস্থার সময় গণতন্ত্রের প্রতি তাঁর যে অবদান রয়েছে, তা দেশের জন্য অনুপ্রেরণাদায়ক।”

    নরসিমহা রাওয়ের প্রশংসা

    প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী নরসিমহা রাওয়েরও ভূয়সী প্রশংসা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “ভারতের অর্থনীতিকে মজবুত করে তোলার ক্ষেত্রে তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। যা দেশের সমৃদ্ধি ও উন্নয়নের জন্য শক্তিশালী ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে দিয়েছিল।”

    আরও পড়ুুন: পুলিশি হেফাজত আরাবুল ‘কারাবুলে’র, সিঁদুরে মেঘ দেখছে জাহাঙ্গিরের অনুগামীরা

    এই দুই রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ছাড়াও আরও একজনকে ভারতরত্ন দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি প্রাক্তন উপ-প্রধানমন্ত্রী এলকে আডবাণী। আডবাণী বিজেপি হলেও, বাকি দুই ভারতরত্ন-প্রাপক তো বিজেপি নন! দলীয় বৃত্তের মধ্যেই যে পুরস্কার ভাগ-বাঁটোয়ারা হয়ে যায় (নিন্দকদের এহেন বক্তব্যের সঙ্গে মাধ্যম সহমত পোষণ করে না), সেখানে বিজেপি বিরোধী দুই রাষ্ট্রনেতাকে কেন দেওয়া হচ্ছে ভারতের সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান? মোক্ষম জবাবটি দিয়েছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। তাঁর মতে, মোদি সরকার দলের ঊর্ধ্বে উঠে দেশবাসীর প্রতি যাঁরা অবদান রেখেছেন, তাঁদের সম্মানিত করেছে। নরসিমহা রাও সম্পর্কে নাড্ডা বলেন, “তিনি দ্রুত অর্থনীতির দুয়ার খুলে দিয়েছিলেন।” আর চরণ সিংহ সম্পর্কে তাঁর সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়া, “আমাদের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক মূল্যবোধের প্রকৃত প্রতিনিধি তিনি (Bharat Ratna)।”

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Arabul Islam: পুলিশি হেফাজত আরাবুল ‘কারাবুলে’র, সিঁদুরে মেঘ দেখছে জাহাঙ্গিরের অনুগামীরা

    Arabul Islam: পুলিশি হেফাজত আরাবুল ‘কারাবুলে’র, সিঁদুরে মেঘ দেখছে জাহাঙ্গিরের অনুগামীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ আরাবুল ‘কারাবুলে’র (আগেও কারাবাস ভোগ করায় আরাবুলকে এই নামেই চেনেন স্থানীয়দের একটা বড় অংশ)। পঞ্চায়েত নির্বাচনে অশান্তি পাকানোর অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছিল তৃণমূলের তাজা নেতা আরাবুল ইসলামকে। পরে পাঠানো হয় গারদে। এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে ২১ ফেব্রুয়ারি। 

    আরাবুলের নামে খুনের অভিযোগ

    শুক্রবার বারুইপুর আদালতে হাজির করানো হয় আরাবুলকে। আরও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাঁকে পাঠানো হয় পুলিশি হেফাজতে। গত বছর জুন মাসে হয় পঞ্চায়েত নির্বাচন। সেই সময় খুন হন জনৈক মহম্মদ মহিউদ্দিন মোল্লা। তিনি আইএসএফের সদস্য ছিলেন। ১৫ জুন ভাঙড়-২ বিডিও অফিসে মনোনয়নপত্র পেশ করতে গেলে গুলি করে খুন করা হয় তাঁকে। মৃত আইএসএফ কর্মীর বাবা কুতুবউদ্দিন খুনের অভিযোগ দায়ের করেন। আরাবুলের (Arabul Islam) নামে দায়ের হয় এফআইআর। আরাবুলের ছেলে হাকিমুল এবং আরও ২০ জনের নামেও অভিযোগ দায়ের হয়। বৃহস্পতিবার গ্রেফতার করা হয় আইএসএফ কর্মী খুনে অভিযুক্ত আরাবুলকে। মাসখানেক আগে ভাঙড় কলকাতা পুলিশের আওতায় আসে। তার পরেই গ্রেফতার হন আরাবুল। পুলিশ জানিয়েছে, জুন মাসে খুনের ঘটনায় নাম জড়ানোয় গ্রেফতার করা হয়েছে আরাবুলকে।

    লজ্জা ঢাকতে সাদা কাপড়!

    এদিন সাদা কাপড়ে মুখ ঢেকে আদালতে ঢোকেন আরাবুল। বিরোধীদের একাংশের মতে, লজ্জার হাত থেকে বাঁচতে আরাবুল তৃণমূলের ঝান্ডা নয়, মুখ লুকিয়েছেন সাদা কাপড়ের আড়ালে। প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার বিকেলে উত্তর কাশীপুর থানায় তলব করা হয় আরাবুলকে। সেখানেই গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। নিয়ে আসা হয় লালবাজারে। আদালতে তোলা হলে ঠাঁই হয় জেলে।

    আরও পড়ুুন: ‘‘হাজার বার বলব জয় শ্রীরাম’’, ধর্মান্ধদের কড়া জবাব মহম্মদ শামির

    তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে যোগ থাকা সত্ত্বেও মমতার পুলিশ যেভাবে গ্রেফতার করল আরাবুলকে, তাতে সিঁদুরে মেঘ দেখছেন সন্দেশখালির শেখ জাহাঙ্গিরের অনুগামীরা। রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারিতে নাম জড়ানোয় তাঁর বাড়িতে হানা দেয় ইডি। অভিযোগ, বাড়িতে থাকা সত্ত্বেও ঘণ্টাখানেক ধরে তালা খোলা হয়নি জাহাঙ্গিরের বাড়ির ফটকের। তার পর আচমকাই বেশ কিছু তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতী (যারা জাহাঙ্গিরের অনুগামী বলে এলাকায় পরিচিত) হামলা চালায় ইডির তদন্তকারী আধিকারিকদের ওপর। তাদের ছোড়া ইটের ঘায়ে জখম হন ইডির দুই আধিকারিক। জখম হন কেন্দ্রীয় বাহিনীর দুই জওয়ানও। তার পর থেকে বেপাত্তা জাহাঙ্গির। আরাবুলের (Arabul Islam) গ্রেফতারির খবর পেয়ে আদৌ তিনি আর প্রকাশ্যে আসেন কিনা, আপাতত সেটাই কোটি টাকার প্রশ্ন।

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • MS Swaminathan: ভারতরত্ন পাচ্ছেন ‘সবুজ বিপ্লবে’র জনক এমএস স্বামীনাথন, কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    MS Swaminathan: ভারতরত্ন পাচ্ছেন ‘সবুজ বিপ্লবে’র জনক এমএস স্বামীনাথন, কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতরত্ন সম্মানে ভূষিত হচ্ছেন সবুজ বিপ্লবের জনক এম স্বামীনাথন (MS Swaminathan)। শুক্রবার তাঁর নাম ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী পিভি নরসিমহা রাও এবং চৌধুরী চরণ সিংহকেও দেশের সর্বোচ্চ অসামরিক নাগরিক সম্মান দেওয়া হচ্ছে।

    কী লিখলেন প্রধানমন্ত্রী?

    এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “আমাদের দেশের কৃষিক্ষেত্র ও কৃষকদের কল্যাণের ক্ষেত্রে অভাবনীয় অবদানের জন্য ডক্টর স্বামীনাথনজিকে যে ভারতরত্ন প্রদান করছে ভারত সরকার, তা অত্যন্ত আনন্দের বিষয়। কঠিন সময় কৃষিক্ষেত্রে ভারতকে আত্মনির্ভর করে তোলার ক্ষেত্রে উনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ডক্টর স্বামীনাথনের দূরদর্শী নেতৃত্বের ফলে শুধু যে ভারতের কৃষিক্ষেত্রের আমূল পরিবর্তন হয়েছে, তা-ই নয়। তিনি দেশের খাদ্যসুরক্ষা ও সমৃদ্ধির বিষয়টি নিশ্চিত করে গিয়েছেন। তাঁকে আমি খুব কাছ থেকে দেখেছি। আমি সব সময় ওঁর চিন্তাভাবনা এবং পরামর্শকে গুরুত্ব দিয়ে এসেছি।”

    কৃষিক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান 

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “তিনি চ্যালেঞ্জিং সময়ে ভারতকে কৃষিতে স্বনির্ভরতা অর্জনে সাহায্য করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন ও ভারতীয় কৃষির আধুনিকীকরণের জন্য চমৎকার প্রচেষ্টা করেছেন।” তিনি বলেন, “স্বামীনাথনের অন্তর্দৃষ্টিকে আমি মূল্য দিতাম।” গত সেপ্টেম্বরে চেন্নাইয়ে ৯৮ বছর বয়সে প্রয়াত হন তিনি (MS Swaminathan)। দেশে দুর্ভিক্ষ রুখতে ও কৃষিক্ষেত্রে দেশকে স্বয়ং সম্পূর্ণ করার লক্ষ্যে ছয়ের দশকের শেষের দিকে সবুজ বিপ্লবের সূচনা করে ভারত সরকার। এর মূল উদ্যোক্তা ছিলেন স্বামীনাথন। উন্নত বীজ এবং জলসেচের মাধ্যমে পশ্চিম ভারত, মূলত পঞ্জাবে কৃষিক্ষেত্রের আমূল সংস্কার সাধন করা হয়। খাদ্যশস্যের জন্য বিদেশি রাষ্ট্র নির্ভরতা যে অনেকাংশে কমানো গিয়েছিল, তা স্বীকার করেন সকলেই।

    ১৯৭২ থেকে ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ এগ্রিকালচারাল রিসার্চের ডিরেক্টর জেনারেল পদে ছিলেন স্বামীনাথন। সেই সময় ভারত সরকারের কৃষি গবেষণা ও শিক্ষা দফতরের সচিবও ছিলেন তিনি। ২০০৭ ও ২০১৩ সালে পর পর দুবার রাজ্যসভায় মনোনয়ন দেওয়া হয় তাঁকে। কৃষিক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য ১৯৭১ সালে তাঁকে দেওয়া হয় রমন ম্যাগসাইসাই পুরস্কার। পদ্মশ্রী, পদ্মভূষণ ও পদ্মবিভূষণ পুরস্কারেও ভূষিত হন তিনি। তাঁর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছিলেন, “কৃষিতে বৈপ্লবিক অবদানের বাইরেও ডক্টর স্বামীনাথন ছিলেন উদ্ভাবনী ক্ষমতার ভরকেন্দ্র। বহু মানুষের পথ প্রদর্শক ছিলেন তিনি। গবেষণার প্রতি তাঁর সঙ্কল্প বহু বিজ্ঞানী এবং গবেষককে অনুপ্রাণিত করেছিল (MS Swaminathan)।”

    আরও পড়ুুন: ‘কেষ্ট’র নাকি শনির দশা চলছে! ৫০ কেজি ঘি দিয়ে বিরাট হোম-যজ্ঞের আয়োজন বোলপুরে

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Paytm Payments Bank: এবার পেটিএম পেমেন্টস ব্যাঙ্কের সঙ্গে যুক্ত পিএফ অ্যাকাউন্টগুলিতেও পড়ছে কোপ!

    Paytm Payments Bank: এবার পেটিএম পেমেন্টস ব্যাঙ্কের সঙ্গে যুক্ত পিএফ অ্যাকাউন্টগুলিতেও পড়ছে কোপ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পেটিএম পেমেন্টস ব্যাঙ্কের (Paytm Payments Bank) সঙ্গে যুক্ত ইপিএফ অ্যাকাউন্টগুলিতে লেনদেন চলতি মাসেই বন্ধ হতে চলেছে। এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড অরগানাইজেশনের (ইপিএফও) তরফে ওই অ্যাকাউন্টগুলির লেনদেন বন্ধ করার কথা জানানো হয়েছে। এর ফলে ওই সমস্ত অ্যাকাউন্টগুলিতে কোনও টাকা জমা বা সেখান থেকে টাকা তোলা যাবে না।

    পেটিএম পেমেন্টস ব্যাঙ্কের সঙ্গে যুক্ত অ্যাকাউন্টগুলির লেনদেন বন্ধ

    জানা গিয়েছে, পেটিএম পেমেন্টস ব্যাঙ্কের (Paytm Payments Bank) উপর রিজার্ভ ব্যাঙ্কের নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হলেই আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারি থেকে তার সঙ্গে যুক্ত অ্যাকাউন্টগুলির লেনদেনও বন্ধ করে দেওয়া হবে। ইতিমধ্যে গতকাল বৃহস্পতিবার একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে আধিকারিকদের এই সংক্রান্ত নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে, গত বছরই ইপিএফও পেটিএম পেমেন্টস ব্যাঙ্ক এবং এয়ারটেল পেমেন্টস ব্যাঙ্কের মাধ্যমে ইপিএফের লেনদেনের ছাড়পত্র দিয়েছিল।

    ২৯ ফেব্রুয়ারির পর থেকে আর ব্যাঙ্কিং পরিষেবা দিতে পারবে না পেটিএম

    প্রসঙ্গত, পেটিএম পেমেন্টস ব্যাঙ্কের (Paytm Payments Bank) বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগ সামনে এসেছে। আরবিআই ইতিমধ্যে জানিয়ে দিয়েছে, আগামী ২৯ ফেব্রুয়ারির পর থেকে আর ব্যাঙ্কিং পরিষেবা দিতে পারবে না পেটিএম। আরবিআই আরও জানিয়েছে, কোনও গ্রাহকের অ্যাকাউন্ট, ওয়ালেট বা ফাসট্যাগে কোনও টাকা জমা নিতে বা ক্রেডিটে লেনদেনও করতে পারবে না তারা। আরবিআই-এর মতে, ‘ক্রমাগত নিয়ম লঙ্ঘন’ এবং তত্ত্বাবধানের অভাবেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে জনপ্রিয় অনলাইন লেনদেন মাধ্যমটির উপরে।

    দুর্নীতি তদন্তে নামতে পারে ইডি

    সব থেকে বড় অভিযোগ হল, উপযুক্ত তথ্যপ্রমাণ ছাড়াই অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে পেটিএমে (Paytm Payments Bank)। একটি প্যান নম্বরের সঙ্গে জোড়া হয়েছে হাজারেরও বেশি অ্যাকাউন্ট। ওই অ্যাকাউন্টগুলি থেকে কোটি কোটি টাকা লেনদেনও সামনে এসেছে। আরবিআই-এর আরও দাবি, উপযুক্ত তথ্যপ্রমাণ ছাড়া যেসমস্ত অ্যাকাউন্টগুলি পেটিএমে রয়েছে, সেগুলির কোনওটা আর্থিক দুর্নীতির সঙ্গেও যুক্ত থাকতে পারে। এ ভাবে দুর্নীতির টাকা লেনদেন হতে পারে। সম্ভাব্য সেই দুর্নীতি খতিয়ে দেখতে তদন্তে নামতে পারে ইডি। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Lokpal: ভারতের পরবর্তী লোকপাল হতে চলেছেন খানউইলকার, তিনি কে জানেন?

    Lokpal: ভারতের পরবর্তী লোকপাল হতে চলেছেন খানউইলকার, তিনি কে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের পরবর্তী লোকপাল (Lokpal) হতে চলেছেন সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এএম খানউইলকার। লোকপাল নির্বাচনের জন্য বুধবার উচ্চ পর্যায়ের একটি বৈঠক হয়েছিল। কমিটিতে ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, লোকসভার বিরোধী দলনেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরী এবং সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়। সেই বৈঠকেই খানউইলকারের নামে শিলমোহর পড়েছে। প্রসঙ্গত, দুর্নীতি রোধের জন্য তৈরি এই চেয়ারে ২০২২ সালের পর থেকে পূর্ণ সময়ের জন্য কেউ বসেননি।

    গুরুত্বপূর্ণ রায় দিয়েছিলেন খানউইলকার

    ২০২২ সালের ২৯ জুলাই অবসর নিয়েছিলেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি খানউইলকার (Lokpal)। সেই সময় একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রায় দিয়েছিলেন। ২০০২ সালে গুজরাট হিংসা সংক্রান্ত ঘটনায় নরেন্দ্র মোদিকে ক্লিন চিট দেওয়ার বিরোধিতা করে দাখিল করা পিটিশন খারিজও করে দিয়েছিলেন তিনি। বিচারপতি হিসেবে প্রথমে বম্বে হাইকোর্টের দায়িত্ব সামলেছেন খানউইলকার। পরে হন হিমাচল প্রদেশ হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি। হয়েছিলেন মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতিও। ২০১৬ সালে হন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি।

    লোকপাল বিল 

    নয়াদিল্লিতে সেন্ট্রাল ভিস্তা ও নয়া সংসদ ভবন তৈরির সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে মামলা করেছিলেন বেশ কয়েকজন সমাজকর্মী ও পরিবেশবিদ। সেই মামলা যে বেঞ্চে ছিল, সেই বেঞ্চেরও নেতৃত্বে ছিলেন তৎকালীন বিচারপতি খানউইলকার। সেই বেঞ্চের নির্দেশেই কেটে যায় সেন্ট্রাল ভিস্তা তৈরির শেষ আইনি বাধা। শবরীমালা মামলার বেঞ্চেও ছিলেন তিনি (Lokpal)। ২০১৩ সালে পাশ হয় লোকপাল বিল। ভারতের প্রথম লোকপাল হন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি পিনাকিচন্দ্র ঘোষ।

    আরও পড়ুুন: ব্যালটের পর এবার বিজেপি কর্মীর কান কামড়ে গিলে খেলেন তৃণমূল কর্মী!

    ২০২২ সালের ২৪ জুন বিচারপতি খানউইলকার সমাজকর্মী তিস্তা শেতলবাদ ও জাকিয়া জাফরির পিটিশন খারিজ করে দেন। পিটিশনে মেরিটের অভাব রয়েছে বলে সেটি খারিজ করে দেওয়া হয়। আদালতের রায়ের পরের দিনই আমেদাবাদ ক্রাইম ব্রাঞ্চের হাতে গ্রেফতার হন তিস্তা শেতলবাদ।

    সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি হিসেবে অবসর নেওয়ার ঠিক আগে একটি গুরুত্বপূর্ণ মামলায় রায় দিয়েছিলেন খানউইলকারের নেতৃত্বাধীন ডিভিশন বেঞ্চ। পিএমএলএর কড়া ধারাগুলিতে সম্মতি দিয়েছিল সেই বেঞ্চ। তল্লাশি, বাজেয়াপ্ত করার ক্ষমতা, গ্রেফতার করার ক্ষমতা, সম্পত্তি অ্যাটাচ করার মতো ক্ষমতা দেওয়ার ধারা নিয়ে মামলা ছিল সেটা (Lokpal)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Tarapith: তারাপীঠে মা তারার মন্দিরে বিয়ে করতে চান? নিয়ম না মানলে কিন্তু ঠাঁই হতে পারে শ্রীঘরে

    Tarapith: তারাপীঠে মা তারার মন্দিরে বিয়ে করতে চান? নিয়ম না মানলে কিন্তু ঠাঁই হতে পারে শ্রীঘরে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তারাপীঠ (Tarapith) হল সতীর ৫১টি পীঠের একটি। এই পীঠস্থানে অনেক পাত্র-পাত্রীর বিবাহ সম্পন্ন হয়ে থাকে। এবার থেকে এই তারামায়ের মন্দিরে বিবাহ অনুষ্ঠানের নিয়ম-রীতি আরও কড়া করা হল। শুধু শাঁখা-পলা, সিঁদুর কৌটো নিয়ে হাজির হলে হবে না। নতুন নিয়মাবলীকে মান্যতা দিতে হবে। মা তারার মন্দিরে বিয়ে করার কী কী নিয়ম ঠিক করা হয়েছে, আসুন জেনে নিই।

    নতুন কী কী নিয়ম করা হল (Tarapith)?

    তারাপীঠে (Tarapith) এই নিয়ম নির্ধারণের পিছনে রয়েছে বেশ কিছু কারণ। সেগুলি স্পষ্ট করে জানিয়েছে তারাপীঠ মন্দির কমিটি। বিবাহের ক্ষেত্রে করোনাকাল থেকেই অনেক নিয়মাবলী প্রকাশ করেছে মন্দির কর্তৃপক্ষ। বিবাহবন্ধন যেন অটুট থাকে, তা নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ। যাঁরা দম্পতি হচ্ছেন, তাঁরা সারা জীবন যাতে সুখে সংসার করতে পারেন, সেই বিষয়ে নজর রাখাই মূল লক্ষ্য। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রথমে দেখা হবে পাত্র-পাত্রীর পরিচয়পত্র। তার পর খবর দেওয়া হয় দু’পক্ষের পরিবারকে। নাবালক বা নাবালিকা যদি হয়, সেক্ষেত্রে বিয়ে দেওয়া যাবে না মন্দিরে। আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ এমন কোনও বিষয় থাকলে বিবাহ দেওয়া যাবে না। এছাড়া অসাধু ব্যক্তিবর্গ অনেক সময় পাত্রীকে নেশাসক্ত করিয়ে বিবাহ করাতে চলে আসে। সেক্ষেত্র কোনও অসঙ্গতি লক্ষ্য করলে মন্দির কমিটি তৎক্ষণাৎ পুলিশ-প্রশাসনকে জানাতে বাধ্য থাকবে। সেই সঙ্গে তারাপীঠের হোটেলে প্রাপ্তবয়স্ক প্রেমিক-প্রেমিকাদের রুম দেওয়ার ওপরও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। কারণ, অনেকে মন্দিরে ভুয়ো বিয়ে করার ছবি তুলে রুম ভাড়া নিয়ে থাকে। এই বিষয়ে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ হতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে। এছাড়া মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে বিবাহের কাজ করা যাবে না। মায়ের মন্দিরের বাইরে অবস্থিত ছোট মন্দিরগুলিতে বিয়ে হতে পারে, যেমন ষষ্ঠী মন্দির, শিব মন্দির ইত্যাদি।

    মন্দির কমিটির বক্তব্য

    তারাপীঠ (Tarapith) মন্দির কমিটির সভাপতি তারাময় মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘‘কে কখন বিয়ে করল, সব সময় তো নজর রাখা সম্ভব হয় না। তবে যাঁরা পুরোহিত ডেকে বিয়ে করার কথা ভাবেন, তাঁদের ক্ষেত্রে আমরা একটা নিয়ম মেনে চলি। যদিও মন্দিরের বারান্দায় বন্ধুবান্ধব নিয়ে হইহুল্লোড় করে অনেকে বিয়ে সেরে নেন। এমনও ঘটনা নজরে আসে। তবে সব মিলিয়ে তারাপীঠ মন্দিরে বিয়ে করতে গেলে পাত্র-পাত্রীকে মানতে হবে নিয়ম। সঙ্গে থাকতে হবে সঠিক পরিচয়পত্র। পাত্রীকে থাকতে হবে শারীরিক ভাবে সুস্থ ও স্বাভাবিক। সন্দেহ হলে আটকে যাবে বিয়ে। এমনকী যেতে হতে পারে শ্রীঘরেও।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Bharat Ratna: প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী নরসিমা রাও, চৌধুরি চরণ সিং ও বিজ্ঞানী স্বামীনাথন পাচ্ছেন ভারতরত্ন

    Bharat Ratna: প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী নরসিমা রাও, চৌধুরি চরণ সিং ও বিজ্ঞানী স্বামীনাথন পাচ্ছেন ভারতরত্ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী পিভি নরসিমা রাও এবং চৌধুরি চরণ সিং পাচ্ছেন ভারতরত্ন (Bharat Ratna) সম্মান। পাশাপাশি বিজ্ঞানী এমএস স্বামীনাথনকেও ভারতরত্নে ভূষিত করা হবে। শুক্রবার একথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। উল্লেখ্য তিনজনেই মরণোত্তর ভারত রত্ন পাচ্ছেন। প্রসঙ্গত মোদি সরকার এর আগেই দেশের সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান প্রদান করে প্রাক্তন উপ-প্রধানমন্ত্রী লাল কৃষ্ণ আডবাণী এবং বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী কর্পুরি ঠাকুরকে।

    মরণোত্তর ভারতরত্ন সম্মান পাচ্ছেন পি ভি নরসিমা রাও

    মরণোত্তর ভারতরত্ন (Bharat Ratna) সম্মান প্রদান করা হচ্ছে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী পিভি নরসিমা রাওকে। এ নিয়ে নিজের এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, ‘‘নরসিমা রাও ভারতকে নতুন দিশা দেখিয়েছিলেন। অর্থনৈতিক অগ্রগতিতেও তাঁর উল্লেখযোগ্য ভূমিকা ছিল…বিদেশ নীতি, ভাষা এবং শিক্ষার ক্ষেত্রে তাঁর উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে।’’

    মরণোত্তর ভারতরত্ন সম্মান পাচ্ছেন চৌধুরি চরণ সিং

    মরণোত্তর ভারতরত্ন (Bharat Ratna) সম্মান পাচ্ছেন চৌধুরি চরণ সিংহ। এ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি লেখেন, ‘‘দেশের অগ্রগতিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে চৌধুরি চরণ সিং-এর। তাঁর সমস্ত জীবন তিনি কৃষকদের অধিকার এবং বিকাশের জন্য উৎসর্গ করেছিলেন। জরুরি অবস্থা বিরুদ্ধে তিনি রুখে দাঁড়িয়েছিলেন।’’

    মরণোত্তর ভারতরত্ন সম্মান পাচ্ছেন এম এস স্বামীনাথন

    গত বছরই প্রয়াত হন বিজ্ঞানী এমএস স্বামীনাথন। চলতি বছরে তাঁকে মরণোত্তর ভারতরত্ন (Bharat Ratna) সম্মান প্রদান করতে চলেছে মোদি সরকার। প্রধানমন্ত্রীর ভাষায়, ‘‘তাঁর (স্বামীনাথন) উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে দেশের কৃষিক্ষেত্র এবং চাষীদের জন্য।’’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: হাসপাতালের বুড়ি ছুঁয়ে চুটিয়ে প্রাইভেট প্র্যাক্টিস! ২২ ডাক্তারের বেতন বন্ধ

    Siliguri: হাসপাতালের বুড়ি ছুঁয়ে চুটিয়ে প্রাইভেট প্র্যাক্টিস! ২২ ডাক্তারের বেতন বন্ধ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সরকারি হাসপাতালে ডাক্তাররা থাকেন না, তাঁরা ব্যস্ত প্রাইভেট প্র্যাক্টিসে। অবশ্য এই অভিযোগ বার বার আগেও ব্যাপক ভাবে করা হয়েছিল। কিন্তু তেমন ভাবে রাশ টানা যায়নি। এবার এই একই অভিযোগকে সমানে রেখে ২২ জন প্রফেসর পর্যায়ের চিকিৎসকের বেতন আটকে দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য রাজ্য জুড়ে কলকাতা থেকে বদলি হয়ে আসা অনেক ডাক্তার ঠিক মতো জেলার সরকারি হাসপাতালের ডিউটি করেন না। অধিকাংশ সময়ে ব্যক্তিগত নার্সিংহোম অথবা কলকাতায় নিজস্ব চেম্বারে রোগী দেখেন। এমন ঘটনায় কড়া পদক্ষেপের কথা জানিয়েছে শিলিগুড়ির (Siliguri) উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষ। জেলাবাসীর অভিযোগ, রাজ্যের জেলার প্রত্যেক মেডিক্যাল কলেজ এবং হাসপাতালগুলিতে এমন ঘটনা প্রচুর ঘটে চলেছে। প্রশাসনকে জানিয়েও সব ক্ষেত্রে সমাধান পাওয়া যাচ্ছে না।

    মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষের বক্তব্য (Siliguri)

    উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ (Siliguri) কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে প্রিন্সিপাল ইন্দ্রজিৎ সাহা বলেছেন, “কাউকেই ছাড়া হবে না। নিজের ডিউটি ঠিক মতো পালন না করে কর্তব্যে গাফিলতি করলে ব্যবস্থা হবেই। প্রতি মাসে এবার থেকে রিভিউ করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রাপ্য ছুটির বাইরে কেউ অনুপস্থিত থাকলে কাটা হবে বেতন। এর থেকে বেশি প্রকাশ্যে কিছু বলবো না।”

    মেডিক্যাল ডিনের বক্তব্য

    মেডিক্যাল কলেজের (Siliguri) ডিন সন্দীপ সেনগুপ্ত বলেন, “একদল কাজ করছেন, আর এক দল কাজ করছেন না। ফলে যাঁরা কাজ করছেন তাঁদের মধ্যে বিরূপ প্রভাব পড়ছে। মেডিক্যাল কলেজের প্রতি আরও দায়বদ্ধ হতে হবে। মেডিক্যালের সঙ্গে যুক্ত থেকে সুবিধা নিয়ে কাজ না করা এবং নিজের ইচ্ছেমতো অনুপস্থিত থাকা চলবে না।”

    সুশ্রুত নাগরিক মঞ্চের বক্তব্য

    মেডিক্যাল কলেজে থাকা স্থানীয় (Siliguri) সুশ্রুত নাগরিক মঞ্চের পক্ষ থেকে সাধারণ সম্পাদক বলেন, “হাসপাতালে অনুপস্থিত থেকে অনেক ডাক্তার নিজেরা প্রাইভেটে রোগী দেখেন। এই সব দেখার কেউ নেই। কিন্তু বারবার অভিযোগ জানিয়েও কোনও লাভ হচ্ছে না। সকল রোগী পরিবারের মানুষ পরিষেবা চান। ডেপুটেশন দেওয়া হয়েছে। এরপর বড় আন্দোলন করব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Elections 2024: মার্চের ৪ তারিখে রাজ্যে নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ, বাজবে ভোটের ঘণ্টা!

    Lok Sabha Elections 2024: মার্চের ৪ তারিখে রাজ্যে নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ, বাজবে ভোটের ঘণ্টা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচন উপলক্ষে (Lok Sabha Elections 2024) মার্চের ৪ তারিখেই রাজ্যে আসছে নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ। এই বেঞ্চ যে আসবে, সে খবর প্রকাশিত হয়েছিল মাধ্যমে। তবে ঠিক কবে ওই বেঞ্চের সদস্যরা বাংলায় পা রাখবেন, তা জানা গিয়েছিল না। সূত্রের খবর, মার্চের ৪ তারিখেই রাজ্যে আসছেন তাঁরা। পরবর্তী দু’দিন রাজ্যে নির্বাচন-প্রস্তুতি খতিয়ে দেখবেন ওই বেঞ্চের সদস্যরা। 

    ফুল বেঞ্চের কর্মসূচি

    সূত্রের খবর, ৪ মার্চ, সন্ধ্য়ায় কলকাতায় পৌঁছবে ফুল বেঞ্চ। ৫ মার্চ সকাল সাড়ে ন’টায় হবে সর্বদলীয় বৈঠক। এই বৈঠকে যোগ দেবেন রাজীব কুমার ও অন্য আধিকারিকরা। এই বৈঠকে থাকবেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক আরিজ আফতাব সহ কমিশনের অন্য সদস্যরাও। এর পর সাড়ে এগারোটা নাগাদ (Lok Sabha Elections 2024) জেলাশাসকদের সঙ্গে বৈঠক করবেন কমিশনের ফুল বেঞ্চের সদস্যরা। এর পর, দুপুর থেকে শুরু হবে ইলেকশন অফিসার, এসপি, সিপি, ডিভিশনাল কমিশনার এবং আইজিদের সঙ্গে বৈঠক। 

    পরের দিন, অর্থাৎ ৬ তারিখ সিইও, সকাল ৯টায় পুলিশের নোডাল অফিসারদের সঙ্গে বৈঠকে বসার কথা তাঁদের। এর পর বেলা ১১টা থেকে এনফোর্সমেন্ট এজেন্সিগুলোর সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক চলবে কমিশনের ফুল বেঞ্চের। দুপুর ২টো থেকে মুখ্যসচিব এবং ডিজির সঙ্গে বৈঠকে বসবেন তাঁরা। এর পর বিকেলে সাংবাদিক বৈঠক সেরে সন্ধ্যার বিমানে দিল্লি রওনা দেবেন ফুল বেঞ্চের সদস্যরা। জানা গিয়েছে, মার্চের দ্বিতীয় সপ্তাহেই নির্বাচনের নির্ঘণ্ট প্রকাশ করতে পারে কমিশন। 

    বাংলার দায়িত্বে বিশেষ আধিকারিক!

    নির্বাচনে ব্যাপক হিংসার ঘটনা ঘটে বাংলায়। ভোটারদের হুমকি দেওয়া, মারধর, ভোট লুটপাট হয় বলেও অভিযোগ বিরোধীদের। এমতাবস্থায় আসন্ন নির্বাচনে বাংলার দিকে নির্বাচন কমিশন বিশেষ নজর দিচ্ছে বলে অসমর্থিত একটি সূত্রের খবর। বাংলার দায়িত্বে থাকছেন বিশেষ নির্বাচনী আধিকারিক। দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ডেপুটি ইলেকশন কমিশনার নীতেশ কুমার ব্যাসকে। নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ (Lok Sabha Elections 2024) এ রাজ্যে আসার আগে তিনি আসতে পারেন বাংলা সফরে। জেলাশাসক ও অতিরিক্ত জেলাশাসকদের সঙ্গে বৈঠকে বসতেও পারেন তিনি।

    আরও পড়ুুন: আরাবুলকে গ্রেফতারের পরই উত্তপ্ত ভাঙড়, আইএসএফ-তৃণমূল সংঘর্ষ, লাঠিচার্জ

    দোরগোড়ায় লোকসভা নির্বাচন। তাই ইতিমধ্যেই মাঠে নেমে পড়েছে বিজেপি। বিরোধী ইন্ডি জোট শিবিরের ছবিটা খানিকটা হতোদ্যম সৈনিকের মতো, ছন্নছাড়া। এহেন আবহে গতবারের চেয়েও এবার আরও বেশি সংখ্যক আসন নিয়ে কেন্দ্রে ফিরতে চাইছে বিজেপি। তাদের স্লোগানও হল, ‘আব কী বার, চারশো পার’। বিজেপিকে কীভাবে বিরোধীরা মাত দেয়, এখন তা-ই দেখার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

      

LinkedIn
Share