Tag: Bengali news

Bengali news

  • PM Modi: কংগ্রেসের কৃষ্ণপত্রকে ‘কালো টিকা’র সঙ্গে তুলনা প্রধানমন্ত্রীর, কেন জানেন?

    PM Modi: কংগ্রেসের কৃষ্ণপত্রকে ‘কালো টিকা’র সঙ্গে তুলনা প্রধানমন্ত্রীর, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোদি সরকারের (PM Modi) আনা শ্বেতপত্রের পাল্টা কৃষ্ণপত্র প্রকাশ করেছে কংগ্রেস। মল্লিকার্জুন খাড়্গেদের সেই কৃষ্ণপত্রকে ‘কালো টিকা’র সঙ্গে তুলনা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমাদের দেশে কোনও পরিবারে কোনও শিশুর যাতে নজর না লাগে তার জন্য কালো টিকা পরিয়ে দেওয়া হয়। গত ১০ বছরে সমৃদ্ধির নতুন নতুন শিখর ছুঁয়েছে দেশ। এমন এক বিশুদ্ধ বাতাবরণ তৈরি হয়েছে, তাতে যাতে নজর না লেগে যায়, তার জন্য কালো টিকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। আর তার জন্য সম্মাননীয় খড়্গেজিকে অসংখ্য ধন্যবাদ।” প্রসঙ্গত, ইউপিএ জমানায় অসংখ্য দুর্নীতি সামনে আসে। দেশজুড়ে পথে নামেন সমাজ কর্মীরাও। সেই সমস্ত আর্থিক কেলেঙ্কারিগুলিকে নিয়েই মোদি সরকার প্রকাশ করতে চলেছে শ্বেতপত্র।

    কংগ্রেসকে কটাক্ষ

    বৃহস্পতিবার বিদায়ী সাংসদদের কাজ সহ অন্যান্য বিষয়ে রাজ্যসভায় সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর ভাষণে উঠে আসে বিজেপি সরকারের নেতৃত্বে গত ১০ বছরে দেশ যে উন্নতি ও  সমৃদ্ধির কথাও। এই সময়ই কংগ্রেসের কৃষ্ণপত্র প্রকাশ নিয়ে বলতে শুরু করেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। এনিয়ে কংগ্রেসকে তীব্র কটাক্ষ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেন, “এই প্রচেষ্টা অত্যন্ত ভাল। দেশের প্রগতিতে যাতে নজর না লাগে, তার জন্য এই ‘কালো টিকা’ অত্যন্ত জরুরি ছিল। যখন ভালো কিছু হয়, তখন কালো টিকা নজর থেকে বাঁচায়। এই ব্যবস্থাকেও স্বাগত জানাচ্ছি।” ৯ ফেব্রুয়ারি চলতি অধিবেশনের সমাপ্তি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু মঙ্গলবার সংসদ বিষয়ক মন্ত্রক এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, মোদি সরকারের (PM Modi) দ্বিতীয় মেয়াদের শেষ অধিবেশনের সমাপ্তি হবে ১০ ফেব্রুয়ারি অর্থাৎ শনিবার।

    পূর্বসূরিকে স্মরণ মোদির

    এদিন রাজ্যসভায় কংগ্রেসকে তুলোধনা করলেও, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংকে প্রশংসায় ভরিয়ে দেন মোদি। যা দেখে চমকে যান বিরোধীরা। মোদির মতে, দীর্ঘ সময় ধরে যেভাবে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী দেশ পরিচালনা করেছেন, তা সকলের কাছে দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। মোদি উল্লেখ করেন দিল্লি পরিষেবা বিল নিয়ে রাজ্যসভায় ভোটাভুটির প্রসঙ্গ। প্রধানমন্ত্রীর মতে, বিল নিয়ে ভোটাভুটিতে সরকার পক্ষের জয় নিশ্চিত ছিল। তা সত্ত্বেও হুইলচেয়ারে করে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী রাজ্যসভায় এসেছিলেন ভোট দেওয়ার জন্য। মোদির মতে, সাংসদ হিসাবে তাঁর এই কর্তব্যপরায়ণতা একটি উদাহরণ হয়ে থাকবে। যা, অন্য সাংসদদের কাছে অনুপ্রেরণা যোগাবে। সংসদে দাঁড়িয়ে পূর্বসূরির দীর্ঘায়ু কামনা করেন তিনি। 

    রাজ্যসভার বিদায়ী সাংসদদের সংবর্ধনা

    জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার উপরাষ্ট্রপতি তথা রাজ্যসভার চেয়ারম্যান জগদীপ ধনখড়ের দিল্লির বাসভবনে সংবর্ধনা জানানো হবে রাজ্যসভার বিদায়ী সাংসদদের। বিদায়ী সাংসদদের সংবর্ধনা দেওয়ার আগে অবশ্য তার আগে রাষ্ট্রপতি তাঁদের একসঙ্গে একটি ছবি তোলার কথা। এর পরে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় চেয়ারম্যানের বাসভবনে অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন বিদায়ী সাংসদেরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • MGNREGA Scam: ১০০ দিনের কাজে দুর্নীতি, ইডির তলব সরকারি আমলা থেকে নির্মাণ সহায়ক কর্মীদের

    MGNREGA Scam: ১০০ দিনের কাজে দুর্নীতি, ইডির তলব সরকারি আমলা থেকে নির্মাণ সহায়ক কর্মীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  ১০০ দিনের কাজের (MGNREGA Scam) প্রকল্পের দুর্নীতির তদন্তে ঝোড়ো ব্যাটিং চালাচ্ছে ইডি। চলতি সপ্তাহের মঙ্গলবারই একসঙ্গে ছ’টি জায়গায় তল্লাশি চালান ইডি আধিকারিকরা। ১০০ দিনের কাজের দুর্নীতির তদন্ত ইতিমধ্যেই ডাব্লুবিসিএস অফিসার সহ ডেপুটি কালেক্টর এবং কয়েকজন নির্মাণ সহায়কের কর্মীর বাড়িতে হানা দিয়েছিলেন তদন্তকারীরা।

    ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, এবার ওই সমস্ত ব্যক্তিদের তলব করা হয়েছে সিজিও কমপ্লেক্সে। জানা গিয়েছে, এটাই শেষ নয়। আগামী দিনে আরও একাধিক সরকারি কর্মচারী, অফিসারকে তলব করা হবে। বেশ কয়েকজন আধিকারিকের বিরুদ্ধে মিলেছে তথ্য। তাঁদেরকে পর পর তলব করা হবে। প্রসঙ্গত, এই প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ (MGNREGA Scam) অনেক দিন আগে থেকেই তুলেছিল বিরোধীরা। এই নিয়ে একাধিকবার সরব হয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও। বেলডাঙায় দু’টি, ধনিয়াখালিতে ১টি, এছাড়া অন্যান্য ২টি জায়গায় এই নিয়ে  থানায় মামলাও দায়ের হয়।

    কবে কাকে তলব করা হল?

    ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ডেপুটি কালেক্টর সঞ্চয়ন পানকে তলব করা হয়েছে সিজিও-তে। ওই একই দিনে হাজিরা দিতে ডাকা হয়েছে নির্মাণ সহায়ক কর্মী সন্দীপ সাধুখাঁ-কে। আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি তলব করা হয়েছে ডাব্লুবিসিএস অফিসার শুভ্রাংশু মণ্ডলকে। জানা গিয়েছে, ব্যাঙ্কের নথি পত্র সমেত হাজিরা দিতে বলা হয়েছে তাঁদের (MGNREGA Scam)।

    ভুয়ো জব কার্ড বানিয়ে চলত দুর্নীতি

    গোয়েন্দারা জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় সরকারের এই প্রকল্পে ভুয়ো জব কার্ড বানিয়ে দুর্নীতি চলেছে বছরের পর বছর। জানা গিয়েছে, ১০০ দিনের কাজ করেননি, এমন অনেক প্রাপকের নামে ভুয়ো ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট (MGNREGA Scam) তৈরি করে কেন্দ্রীয় সরকারি প্রকল্পের টাকা সরানো হয়েছে। এখনও পর্যন্ত অনুমান ১.৭৯ কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে এই প্রকল্পে। প্রসঙ্গত, চলতি সপ্তাহেই চুঁচুড়া, ঝাড়গ্রাম, বহরমপুর এবং কলকাতার সল্টলেকেও তল্লাশি চালিয়েছেন ইডি আধিকারিকরা। সকালেই চলে ঝাড়গ্রামের ডব্লুবিসিএস অফিসার শুভ্রাংশু মণ্ডলের বাড়িতে তল্লাশি অভিযান। সল্টলেক সেক্টর-ওয়ানের ইবি ব্লকে অবস্থিত ডেপুটি কালেক্টর সঞ্চয়ন পানের বাড়িতেও চলে তল্লাশি। চন্দননগরে হরিদ্রাডাঙা এলাকায় সন্দীপ সাধুখাঁর বাড়িতেও পৌঁছে যান গোয়েন্দারা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Nitish Kumar: ‘‘‘আর কোথাও যাব না’’, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে বললেন নীতীশ

    Nitish Kumar: ‘‘‘আর কোথাও যাব না’’, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে বললেন নীতীশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনের আগে এনডিএ শিবিরে ভিড়েছেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার (Nitish Kumar)। বিহারে ফের তৈরি হয়েছে বিজেপি জোটের সরকার। পুরনো ঘরে প্রত্য়াবর্তন করতেই শপথের দিনে তাঁকে (নীতীশ কুমার) অভিনন্দন জানিয়েছিলেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    এবার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে সাক্ষাৎ করলেন নীতীশ। বুধবারই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দেখা করেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী। সাক্ষাতের পর নীতীশ সংবাদমাধ্যমকে জানান, আর কখনও এনডিএ ছাড়বেন না। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন জেডিইউ প্রধান। সেখানেই নীতীশ জানান, ১৯৯৫ সাল থেকেই বিজেপির সঙ্গে জোটে ছিল তাঁর দল। ২০১৩ সালের পর দু’বার বিচ্ছেদ হলেও, তিনি আর কখনও এনডিএ ছেড়ে যাবেন না। তিনি বলেন, ‘‘১৯৯৫ সাল থেকে এনডিএ জোটের সঙ্গে আমার সম্পর্ক। এর আগে আমি দু’বার জোট ছেড়েছি ঠিকই, কিন্তু এ বার আমি চিরকালের জন্য এনডিএ-তে যোগ দিলাম। আর আমি কোথাও যাব না।’’ নীতীশ জানান, বিহারের সরকার ও রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে নানা আলোচনা হয়েছে। বুধবার নীতীশের আগে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন বিজেপির দুই উপ মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরি ও বিজয় সিনহা।

    ইন্ডি জোটের কাণ্ডারী ছিলেন নীতীশ

    লোকসভা নির্বাচনে বিজেপিকে ক্ষমতাচ্যুত করতে বিরোধীদের ঐক্যবদ্ধ করার কাজ প্রথম শুরু করেন নীতীশ কুমারই (Nitish Kumar)। কলকাতাতে তেজস্বী যাদবকে সঙ্গে করে এনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে নবান্নে বৈঠকও করেন নীতীশ। এরপর পাটনাতে তাঁরই তাঁরই উদ্যোগে প্রথম বৈঠক হয় জোটের। কিন্তু ক্রমশ দূরত্ব ও মতবিরোধ বেড়েই চলছিল আরজেজির সঙ্গে। গত মাসেই বিহারের সরকারে ফের পালাবদল হয়। প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে সাক্ষাতের পর তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার সঙ্গেও দেখা করেন।

    ১২ ফেব্রুয়ারি আস্থা ভোট বিহারে

    প্রসঙ্গত, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বিহারের বিধানসভায় আস্থাভোট রয়েছে। বিজেপির সমর্থনে বিধানসভায় নীতীশের জেতা কেবল সময়ের অপেক্ষা। বিজেপির সমর্থনে নতুন সরকার গঠন করার পর নীতীশ কুমারের (Nitish Kumar) সঙ্গে ৮ জন মন্ত্রী শপথ নিয়েছিলেন। এর মধ্যে বিজেপির দুই ডেপুটি মুখ্যমন্ত্রীও ছিল। বাকি মন্ত্রী পরিষদ গঠন এখনও বাকি। মনে করা হচ্ছে খুব শীঘ্রই নতুন মন্ত্রীরা শপথ নেবেন। প্রসঙ্গত, গত ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে এনডিএ জোটের শরিক বিজেপি ও জেডি(ইউ) ১৭টি করে আসনে লড়েছিলেন। লোক জনশক্তি দল ৬টি আসনে লড়েছিল। মিলেছিল অভুতপূর্ব সাফল্য। ৪০ আসনের মধ্যে ৩৯ আসন জিতেছিল বিজেপি জোট।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Pakistan: নির্বাচনের আগের দিন পাকিস্তানে পরপর বিস্ফোরণ! নিহত ২৮, আহত ৪০

    Pakistan: নির্বাচনের আগের দিন পাকিস্তানে পরপর বিস্ফোরণ! নিহত ২৮, আহত ৪০

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনের আগের দিনই রক্তাক্ত পাকিস্তান (Pakistan)। বালুচিস্তানে পরপর বিস্ফোরণে ২৮ জন নিহত, ৪০ জন আহত হয়েছে। রবিবার থেকে এই প্রদেশে এখনও পর্যন্ত প্রায় ৫০টির মতো হামলা হয়েছে। সিবি শহরে হামলাকারীরা পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ পার্টি-সমর্থিত এক প্রার্থীর নির্বাচনী সমাবেশকে লক্ষ্য করে আক্রমণ করে। তাতেও চারজন প্রাণ হারিয়েছেন এবং সেই সঙ্গে ছয়জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছিল।

    কোথায় বিস্ফোরণ ঘটেছে (Pakistan)?

    এদিন প্রথম বিস্ফোরণটি ঘটে বালুচিস্তানের (Pakistan) পিশিন জেলার খানোজাই এলাকায় নির্দল প্রার্থী আসফান্দিয়ার খান কাকারের কার্যালয়ের বাইরে। মোট ১৫ জনের মৃত্যু হয়। সেই সঙ্গে জখম হন ৩০ জনের বেশি। এনএ-২৬৫ আসনে লড়াই করছেন নির্দল প্রার্থী আসফান্দিয়ার খান কাকর তাঁর দফতরের ঠিক সামনেই আত্মঘাতী বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটানো হয়। এরপর কিছু সময় পরেই দ্বিতীয় বিস্ফোরণের খবর পাওয়া যায়। দ্বিতীয় হামলা হয় কিলা সইফুল্লা জেলার জামিয়াত উলেমা-এ-ইসলাম ফজলের দফতরের সামনে। উভয় হামলার লক্ষ্য ছিল নির্বাচনী প্রার্থীদের দফতর। আহতদের দ্রুত স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতাল সূত্রে খবর আহতদের মধ্যে বেশিরভাগ ব্যক্তি আশঙ্কা জনক অবস্থায় রয়েছেন।

    জরুরি অবস্থায় জারি

    পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিনের ঘটনার পর পিশিন এলাকায় জরুরি অবস্থায় জারি করা হয়েছে। তবে যখন হামলা হয়েছিল সেই সময় কার্যালয়ে ছিলেন না কাকর। ঘটনায় পর বালুচিস্তানের মুখ্যসচিব এবং পুলিশ ইনস্পেক্টর জেনারেলের কাছ থেকে রিপোর্ট তলব করেছে পাকিস্তানের নির্বাচন কমিশন।

    কাকরের বক্তব্য

    পিশিনের নির্দল প্রার্থীর নেতা আসফান্দিসয়ার খান কাকর বলেছেন, “আমার দফতরের (Pakistan) বাইরে দাঁড়ানো একটি মোটর সাইকেলের থেকে বিস্ফোরণ হয়। দলের মোট আট কর্মী ঘটনায় নিহত হয়েছেন। বিস্ফোরণের সময় দফতরে পোলিং এজেন্টদের নাম চূড়ান্ত করা হচ্ছিল।” অপর দিকে বালুচিস্তানের এক মন্ত্রী বলেছেন, মোটর সাইকেলের মধ্যে করে বিস্ফোরক নিয়ে আসা হয়েছিল। তবে তাঁর আশা, আগামিকাল বৃহস্পতিবার নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হবে।  

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: মঙ্গলের পর বুধেও উত্তাল বিধানসভা, “অধিবেশন কীসের জন্য?”, প্রশ্ন পদ্মের

    BJP: মঙ্গলের পর বুধেও উত্তাল বিধানসভা, “অধিবেশন কীসের জন্য?”, প্রশ্ন পদ্মের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নারী নির্যাতনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তাল রাজ্য বিধানসভা। মঙ্গলবার সিএজি রিপোর্ট নিয়ে বিজেপির দাবি না মানায় বিধানসভার বাইরে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি (BJP) বিধায়করা। বুধবার রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় ঘটে চলা নারী নির্যাতনের ঘটনায় আলোচনা করতে চেয়ে অধিবেশন মুলতুবির প্রস্তাব আনে বিজেপি। এদিনও স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় সেই প্রস্তাব খারিজ করে দেন। ক্ষোভে ফেটে পড়েন পদ্ম-বিধায়করা।

    ধর্ষকদের শাস্তির দাবি

    কিছুদিন আগেই মালদা ও দিঘায় ঘটেছে ধর্ষণের ঘটনা। ধর্ষকদের শাস্তির দাবিতে পথে নেমেছে বিজেপি (BJP)। বুধবার এই নারী নির্যাতনের ঘটনা নিয়ে আলোচনা চেয়ে অধিবেশন মুলতুবি প্রস্তাব আনেন ২ বিজেপি বিধায়িকা মালতি রাভা ও অগ্নিমিত্রা পাল। তাঁদের এই প্রস্তাব খারিজ করে দেন বিধানসভার স্পিকার। বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন বিজেপি বিধায়করা। স্পিকার সকলকে শান্ত থাকার আর্জি জানান। পরে বিধানসভা কক্ষ থেকে বেরিয়ে এসে গেটের সামনে বিক্ষোভ দেখান গেরুয়া-বিধায়করা।

    নারী সুরক্ষা তলানিতে

    অগ্নিমিত্রা বলেন, “শুধু জল বা রাস্তা নিয়ে কথা বলতে আসিনি। নারী সুরক্ষা তলানিতে ঠেকেছে। ধর্ষণ করে খুন নিয়ে বিচার হবে না আলোচনা হবে না।” তিনি বলেন, “রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে নারী নির্যাতন হচ্ছে, শিশুদের ওপর আক্রমণ হচ্ছে। বিধানসভায়ও আপনারা বলতে দেবেন না। তাহলে কীসের জন্য বিধানসভা রেখেছেন? সব বন্ধ করে দিন।” তাঁরা জানান, এভাবে চলতে থাকলে বিধানসভার বাজেট অধিবেশন বয়কট করবেন তাঁরা। নারী নির্যাতনের ঘটনা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিবৃতিও দাবি করেছে বিজেপি। স্পিকারকে কালো পতাকাও দেখান বিজেপি বিধায়করা।

    আরও পড়ুুন: মানব পাচার চক্রের মাধ্যমে এরাজ্যে রোহিঙ্গারা, এনআইএ-র জালে ১৬ বাংলাদেশি টাউট

    প্রসঙ্গত, বিধানসভার বাজেট অধিবেশনের দ্বিতীয় দিনে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় আইনশৃঙ্খলার অবনতি এবং মহিলা ও শিশুদের ওপর নির্যাতনের ঘটনা নিয়ে যে এদিন মুলতুবি প্রস্তাব জমা করা হবে, তা আগেই জানিয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সেই মতো এদিন প্রশ্নোত্তর পর্বের শেষে এই প্রস্তাব উত্থাপন করেন মালতি রাভা, সুমিতা সিনহা, চন্দনা বাউরি, শিখা চট্টোপাধ্যায়, তাপস মণ্ডল, অগ্নিমিত্রা পাল (BJP)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Rohingya Infiltration: মানব পাচার চক্রের মাধ্যমে এরাজ্যে রোহিঙ্গারা, এনআইএ-র জালে ১৬ বাংলাদেশি টাউট

    Rohingya Infiltration: মানব পাচার চক্রের মাধ্যমে এরাজ্যে রোহিঙ্গারা, এনআইএ-র জালে ১৬ বাংলাদেশি টাউট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলায় যে রোহিঙ্গারা অনুপ্রবেশ (Rohingya Infiltration) করেছে বিভিন্ন সময়ে, তা আগেই দাবি করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী। রোহিঙ্গারা যে এ রাজ্যে ঘাঁটি গেড়েছে, তা অনেক বার বলতে শোনা গিয়েছে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারকেও। তাঁদের দাবি যে নিছক গল্পকথা কিংবা কষ্টকল্পনা নয়, তার প্রমাণ মিলল এনআইএ রিপোর্টে।

    এনআইএর চার্জশিটে দাবি

    জানা গিয়েছে, মানব পাচার চক্রের মাধ্যমে মায়ানমার থেকে এ রাজ্যে ঢুকছে রোহিঙ্গারা। এনআইএ-র চার্জশিটেই এই দাবি করা হয়েছে। চার্জশিটে আরও দাবি (Rohingya Infiltration) করা হয়েছে, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তকে ব্যবহার করে রমরমিয়ে চলছে মানবপাচার। এই পাচার চক্রের৩৬ জনের বিরুদ্ধে দু’রাজ্যের দু’টি মামলায় এনআইএ চার্জশিট দিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ১৬ জন বাংলাদেশি, একজন রোহিঙ্গাও। 

    মামলা দায়ের অসম পুলিশের

    ১৯৬৭ সালের পাসপোর্ট আইন অনুযায়ী মামলা দায়ের করেছিল অসম পুলিশ। তার পরেই উঠে আসে একের পর এক বিস্ফোরক তথ্য। তদন্তকারীরা জানতে পারেন, মায়ানমার থেকে ভারতে প্রবেশ করছে রোহিঙ্গারা (মায়ানমারের মুসলমানরা)। এর পরেই মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করে এনআইএ। সেই মামলায়ই অসমের এনআইএ আদালতে পেশ করা হয় ওই চার্জশিট। এনআইএর পেশ করা চার্জশিটে দাবি করা হয়েছে, ভুয়ো পরিচয়পত্র ব্যবহার করে অসম, ত্রিপুরা, পশ্চিমবঙ্গ এবং জম্মু-কাশ্মীরে ঢুকে পড়েছে রোহিঙ্গারা। অভিযান চালিয়ে গ্রেফতারও করা হয়েছে ৩৬ জনকে। এরা পশ্চিমবঙ্গের কাছে বাংলাদেশের বেনাপোল ও যশোর দিয়ে এবং ত্রিপুরার কাছে বাংলাদেশের আখাউড়া দিয়ে ভারতে ঢুকেছে বৈধ কাগজপত্র ছাড়া। উদ্ধার করা হয়েছে প্রচুর ভুয়ো নথি, ব্যাঙ্কের নথি এবং ডিজিটাল ডিভাইস।

    আরও পড়ুুন: অশান্তির আগুন মায়ানমারে, দেশে ফিরুন, প্রবাসীদের আবেদন ভারতীয় বিদেশমন্ত্রকের

    তদন্তকারীরা জেনেছেন, ভালো কাজ ও উন্নত জীবন যাপনের টোপ দিয়ে রোহিঙ্গাদের ঢোকানো হচ্ছে এ দেশে। কয়েকজন রোহিঙ্গা মহিলাকে বিয়ের নামে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে বয়স্ক পুরুষদের কাছে। পাচার চক্রের লোকজনই অনুপ্রবেশকারীদের ভুয়ো ভারতীয় পরিচয়পত্র তৈরি করে দিচ্ছে। সেই পরিচয়পত্র নিয়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে পড়ছে রোহিঙ্গারা (Rohingya Infiltration)।

    ভারতে রোহিঙ্গাদের ঢুকিয়ে যে জঙ্গি কার্যকলাপে ব্যবহার করা হচ্ছে, তা অনেক আগেই দাবি করেছিল এনআইএ। এদের মূলে পৌঁছতে ১১টি রাজ্যে তল্লাশি চালায় এনআইএ। কয়েকজনকে গ্রেফতারও করা হয়েছিল (Rohingya Infiltration)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Fighter Get Legal Notice: উর্দিতে হৃতিক-দীপিকার চুম্বনদৃশ্য! ফের আইনি জটে ‘ফাইটার’

    Fighter Get Legal Notice: উর্দিতে হৃতিক-দীপিকার চুম্বনদৃশ্য! ফের আইনি জটে ‘ফাইটার’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উর্দিতে গভীর চুম্বন হৃতিক-দীপিকার! তাঁদের অভিনীত সিনেমা ‘ফাইটার’কে এবার আইনি নোটিশ (Fighter Get Legal Notice) পাঠালেন বায়ুসেনার এক আধিকারিক। বায়ুসেনার পোশাককে অসম্মান করার এমন আচরণের বিরুদ্ধে প্রশ্ন উঠেছে রীতিমতো। সিনেমা মুক্তির পর ১২ দিন কেটে গিয়েছে। এর মধ্যেই বায়ুসেনার নজরে পড়েছে এই বিশেষ দৃশ্য। এমন দৃশ্য দেখিয়ে বাহিনীর কর্মীদের মানহানি এবং অপমান করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বায়ুসেনার ওই অফিসার।

    কী অভিযোগ করা হয়েছে (Fighter Get Legal Notice)?

    সূত্রে জানা গিয়েছে, ফাইটার সিনেমায় হৃতিক এবং দীপিকার চুম্বনের দৃশ্য রয়েছে। দর্শক মহলে তাতে কোনও সমস্যা না থাকলেও অসমের এক বায়ুসেনার আধিকারিক উইং কমান্ডার সৌম্যদীপ দাস সিনেমার ওই দৃশ্যের বিষয়ে আপত্তি জানিয়ে নোটিশ দিয়ে (Fighter Get Legal Notice) বলেন, “চুম্বনের সময় দুই অভিনেতাকেই বায়ুসেনার পোশাকে দেখা গিয়েছে। এই দৃশ্য বায়ুসেনা সম্পর্কে দেশের মানুষের কাছে ভুল বার্তা পৌঁছে দিতে পারে। এই দৃশ্য বায়ুসেনার পক্ষে অনুপযুক্ত এবং অপ্রত্যাশিত। ব্যক্তিগত রোম্যান্টিক দৃশ্য প্রচারে সেনার প্রতীক ব্যবহার করা যাবে না। ভারতীয় বিমান বাহিনীর কর্মীদের মানহানি এবং অপমান করার অভিযোগে আইনি নোটিশ দেওয়া হয়েছে।”

    ১২ দিন আগে মুক্তি পেয়ছিল ফাইটার

    যে ফাইটার সিনেমাটিকে নোটিশ (Fighter Get Legal Notice) দেওয়া হয়েছে, তা গত প্রজাতন্ত্র দিবসের প্রাক্কালেই মুক্তি পেয়েছিল। ছবিটি সিদ্ধার্থ আনন্দের পরিচালিত। এখনও পর্যন্ত ৩৫০ কোটি টাকার ব্যবসা করেছে বলে জানা গিয়েছে। সিদ্ধার্থ অবশ্য জানিয়েছেন, “দেশের একটা বড় অংশের মানুষ বিমানে সফর করেন না, তাই ছবির বিষয়বস্তুর সঙ্গে সাধারণ দর্শক একাত্ম হতে পারেননি।” সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, সিনেমায় জম্মু-কাশ্মীরে কর্তব্যরত দুই বায়ুসেনার অফিসারের চরিত্রে অভিনয় করেছন হৃতিক-দীপিকা। ২০১৯ সালের পুলওয়ামা জঙ্গি হামলা এবং পাকিস্তানের বালাকোটে ভারতীয় সেনার অভিযানের প্রসঙ্গ রয়েছে। সিনেমার গল্পে জানা গিয়েছে, মূল গল্প সন্ত্রাসের হামলার পরের ঘটনা। সিনেমার গল্প যত এগিয়ে যায় প্রেম তত এগিয়ে গিয়েছে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Myanmar: অশান্তির আগুন মায়ানমারে, দেশে ফিরুন, প্রবাসীদের আবেদন ভারতীয় বিদেশমন্ত্রকের

    Myanmar: অশান্তির আগুন মায়ানমারে, দেশে ফিরুন, প্রবাসীদের আবেদন ভারতীয় বিদেশমন্ত্রকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের অশান্তির আগুন মায়ানমারের (Myanmar) রাখাইন প্রদেশে। সরকারি সেনার সঙ্গে পিপলস ডিফেন্স ফোর্সের সংঘর্ষ ব্যাপক আকার ধারণ করেছে। রাখাইন প্রদেশের দুটি শহরের সেনা ঘাঁটির দখল নিয়েছেন বিদ্রোহীরা। এমতাবস্থায় রাখাইন প্রদেশে বসবাসকারী ভারতীয়দের দ্রুত ভারতে ফিরে আসার পরামর্শ দিয়েছে বিদেশমন্ত্রক।

    নির্দেশিকা জারি

    অশান্ত মায়ানমারে যেতে নিষেধ করা হয়েছে ভারতীয় পর্যটকদেরও। মঙ্গলবার এ ব্যাপারে ভারতের বিদেশমন্ত্রকের তরফে একটি নির্দেশিকা জারি করা হয়। তাতে বলা হয়েছে, রাখাইন প্রদেশের (Myanmar) আইনশৃঙ্খলা ভেঙে পড়েছে। নষ্ট হয়ে গিয়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থাও। নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের আকাল দেখা দিয়েছে। তাই রাজ্যটি আপাতত প্রবাসী ভারতীয়দের বসবাসের জন্য নিরাপদ নয়। সেই কারণেই ভারতীয় নাগরিকদের দ্রুত মায়ানমার ছেড়ে ভারতে ফেরার আবেদন জানানো হয়েছে।

    গণতন্ত্র ফেরানোর দাবি

    ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকেই গণতন্ত্র ফেরানোর দাবিতে সোচ্চার হন মায়ানমারবাসী। গত অক্টোবর মাস থেকে সশস্ত্র জাতিগোষ্ঠী ও মায়ানমারের সেনাবাহিনীর মধ্যে তীব্র লড়াই শুরু হয়েছে। নভেম্বর মাস থেকে ‘তাং ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মি’, ‘আরাকান আর্মি’ ও ‘মায়ানমার ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স আর্মি’র নয়া জোট ‘ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্স’ সামরিক জুন্টা সরকারের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেছে। তার জেরেই একের এক এলাকায় শুরু হয়েছে (Myanmar) তুমুল সংঘর্ষ।

    সম্প্রতি যুদ্ধ বেঁধেছে রাখাইন প্রদেশে। এখানকার রামরি শহরে রয়েছে বায়ুসেনার একটি ঘাঁটি। ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্স সেটি দখল করতে চাইছে। মায়ানমার-বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া কয়েকটি গ্রাম পিপলস ডিফেন্স ফোর্সের দখলে এসেছে। এই অঞ্চলের সরকারি সেনা শিবিরগুলির দখলও বিদ্রোহীরা নিয়েছেন বলে খবর।

    আরও পড়ুুন: ‘ইন্ডি’ জোট ছেড়ে এনডিএ শিবিরে ভিড়ছে জয়ন্ত চৌধুরীর রাষ্ট্রীয় লোক দল!

    এদিকে, মায়ানমারের সংঘর্ষ নিয়ে শেষতক মুখ খুলল রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ। অসামরিক ব্যক্তি ও পরিকাঠামোয় যাতে সরকারি সেনা হামলা না করে সেজন্য মায়ানমার সরকারকে নজর রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সোমবার নিরাপত্তা পরিষদের তরফে এ সংক্রান্ত একটি বিবৃতিও জারি করা হয়েছে। বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেছে আমেরিকা, ফ্রান্স, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, স্লোভেনিয়া, সুইজারল্যান্ড, ইকুয়েডর ও মাল্টা। ভারত-মায়ানমার সীমান্তবর্তী কয়েকটি অঞ্চলও অশান্ত হয়ে উঠেছে। মণিপুর ও মিজোরামের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় এর প্রভাব পড়েছে। যা হয়ে উঠছে ভারতের মাথাব্যথার কারণ (Myanmar)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • RLD: ‘ইন্ডি’ জোট ছেড়ে এনডিএ শিবিরে ভিড়ছে জয়ন্ত চৌধুরীর রাষ্ট্রীয় লোক দল!

    RLD: ‘ইন্ডি’ জোট ছেড়ে এনডিএ শিবিরে ভিড়ছে জয়ন্ত চৌধুরীর রাষ্ট্রীয় লোক দল!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের ভাঙনের মুখোমুখি হতে পারে ‘ইন্ডি’ জোট। বিজেপির নেতৃত্বাধীন জোটে যোগ দিতে পারেন রাষ্ট্রীয় লোক দলের (RLD) নেতা জয়ন্ত চৌধুরী। সূত্রের খবর, জয়ন্ত ইতিমধ্যেই দিল্লিতে গিয়ে বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে কথা বলে ফেলেছেন। বিজেপির তরফে তাঁকে উত্তরপ্রদেশে চারটি আসন দেওয়া হবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। এই আসনগুলি হল কৈরানা, বাগপত, মথুরা এবং আমরোহা।

    উত্তরপ্রদেশেও ভাঙন ইন্ডি জোটে

    গেরুয়া হঠাতে বিজেপি বিরোধী ২৬টি রাজনৈতিক দল চলে আসে এক ছাতার তলায়। জোটের নাম হয় ‘ইন্ডি’। সেই জোটেই শোনা যাচ্ছে ভাঙনের ‘ঝপাং ঝপাং’ শব্দ। জয়ন্তর রাষ্ট্রীয় লোক দল যেমন বিজেপি-জোটে নাম লেখানোর তোড়জোড় শুরু করেছে, তেমনি উত্তরপ্রদেশে কংগ্রেসকে না জানিয়েই একতরফাভাবে ১৬টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে দিয়েছে অখিলেশ যাদবের দল সমাজবাদী পার্টি। ইন্ডি জোটের অন্যতম উদ্যোক্তা বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার মহাগটবন্ধন ছেড়ে ভিড়ে গিয়েছেন বিজেপি শিবিরে। জোটে থেকেও বেসুরো গাইছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেস এবং অরবিন্দ কেজরিওয়ালের আম আদমি পার্টি।

    গেরুয়া শিবিরে নৌকা

    জয়ন্তর দল (RLD) যে গেরুয়া শিবিরে নৌকা ভেড়াতে চলেছে, তার প্রমাণও মিলেছে। ইতিমধ্যেই ‘ইন্ডি’ জোটের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি করতে শুরু করেছেন জয়ন্ত। পার্লামেন্টের বাজেট অধিবেশনেও অংশ নেননি তিনি। তাঁর দাদু চৌধুরী চরণ সিংহের একটি মূর্তির আবরণ উন্মোচন উপলক্ষে উত্তরপ্রদেশের ছাপ্রাউলিতে ‘ইন্ডি’ জোটের সমাবেশ হওয়ার কথা ছিল। তা স্থগিত করে দেওয়া হয়েছে। শোনা যাচ্ছে, বিজেপির সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধা হয়ে গেলেই মূর্তির আবরণ উন্মোচনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি স্বয়ং।

    আরও পড়ুুন: রাজ্যে আসছে নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ, ভোটের ঘোষণা কবে?

    কেন এনডিএ শিবিরে আসতে চাইছে আরএলডি?

    প্রশ্ন হল, কেন এনডিএ শিবিরে ভিড়তে চাইছে জয়ন্ত চৌধুরীর দল (RLD)? সূত্রের খবর, বিজেপির সঙ্গে থাকলে ‘জাত’ হবে উঁচু। জাঠ ভোটও তো আসবেই দলের ঝুলিতে, এমনকী জাঠ নন এমন মানুষের ভোটও পড়বে জয়ন্তর দলের প্রার্থীর পাশে। সেক্ষেত্রে দলীয় প্রার্থীদের জয় হবে নিছক ‘কেক-ওয়াক’। বর্তমানে, উত্তরপ্রদেশের জাঠ ভোট ভাগাভাগি হচ্ছে আরএলডি ও বিজেপির মধ্যে। রাষ্ট্রীয় লোক দল বিজেপির সঙ্গে হাত মেলালে জাঠ ভোটের সিংহভাগই চলে আসবে এনডিএ-র পক্ষে। তাতে উত্তরপ্রদেশে বিজেপি তো বটেই, পায়ের নীচের মাটি শক্ত হবে রাষ্ট্রীয় লোক দলেরও (RLD)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

       

     

  • Amit Shah: অনুপ্রবেশ রুখতে মায়ানমার সীমান্তে বেড়া দেওয়া হবে, জানালেন শাহ

    Amit Shah: অনুপ্রবেশ রুখতে মায়ানমার সীমান্তে বেড়া দেওয়া হবে, জানালেন শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অশান্তি চলছে পড়শি দেশ মায়ানমারে। হিংসাদীর্ণ দেশটির বহু মানুষ প্রাণ বাঁচাতে আশ্রয় নিচ্ছে ভারতে। যুদ্ধ ফেলে শরণার্থীর ভিড়ে মিশে গিয়ে ভারতে ঢুকে পড়েছিল মায়ানমারের বেশ কিছু সেনাও। পরে অবশ্য (Amit Shah) তাঁদের ফেরত পাঠানো হয় স্বদেশে।

    অনুপ্রবেশ রুখতে বেড়া

    প্রাণ বাঁচাতে যারা সে দেশ থেকে চলে আসছে ভারতে, তাদের অনেকেই আবার জড়িয়ে পড়ছে এ দেশে বিভিন্ন অসামাজিক কাজকর্মে। এসব রুখতেই এবার ভারত-মায়ানমার সীমান্তে ১ হাজার ৬৪৩ কিলোমিটার এলাকায় বেড়া দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নরেন্দ্র মোদির সরকার। মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) জানান, ‘ফ্রি মুভমেন্ট রেজিমে’র দিন শেষ হতে চলেছে। এক্স হ্যান্ডেলে শাহ লিখেছেন, “নিশ্ছিদ্র সীমান্ত তৈরি করতে বদ্ধপরিকর মোদি সরকার। ঠিক হয়েছে, ভারত-মায়ানমার সীমান্তে ১ হাজার ৬৪৩ কিলোমিটার দীর্ঘ বেড়া দেওয়া হবে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সীমান্তে চলবে টহলদারি। গোটা সীমান্তের মধ্যে মণিপুরে ইতিমধ্যেই দশ কিলোমিটার এলাকায় তারের বেড়া দেওয়া হয়েছে। আরও ২০ কিলোমিটার বেড়া দেওয়ার কাজ শীঘ্রই শুরু হবে।”

    পাইলট প্রজেক্ট

    অত্যাধুনিক নজরদারির দুটি পাইলট প্রজেক্টও শুরু করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, সেপ্টেম্বর (Amit Shah) মাসেই মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিং কেন্দ্রের কাছে আর্জি জানিয়েছিলেন অনুপ্রবেশ রুখতে ভারত-মায়ানমারের সীমান্তের ৩৯০ কিলোমিটার  অংশে বেড়া দেওয়ার। তার মধ্যে বেড়া দেওয়া রয়েছে বড়জোর ১০ কিলোমিটার অংশে।

    মণিপুর, মিজোরাম, নাগাল্যান্ড ও অরুণাচল প্রদেশ— ভারতের এই চার রাজ্যের সঙ্গে সীমান্ত রয়েছে মায়ানমারের। দুই দেশের বোঝাপড়া মোতাবেক সীমান্তে বসবাসকারী উপজাতিরা দুই দেশের সীমান্তের ১৬ কিলোমিটার ভেতর পর্যন্ত যেতে পারেন। বর্ডারপাস দেখিয়ে এঁরা দুই দেশে দু’সপ্তাহ পর্যন্ত থাকতে পারেন। এই দুই ব্যবস্থাই তুলে দেওয়ার আবেদন জানান মণিপুরের রাজ্যপাল।

    আরও পড়ুুন: প্রকাশ করা হবে ইউপিএ জমানার ‘কেলেঙ্কারি’, বাড়ছে বাজেট অধিবেশনের মেয়াদ

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Amit Shah) জানান, বেড়া দেওয়ার জন্য একটি হাইব্রিড সারভেল্যান্স সিস্টেমের মাধ্যমে দুই পাইলট প্রজেক্টের কাজ দ্রুত রূপায়ন করা হবে। এই প্রজেক্টে মণিপুর ও অরুণাচল প্রদেশের এক কিলোমিটার করে অংশে দ্রুত বেড়া দেওয়ার কাজ শুরু হবে। মণিপুর সীমান্তে প্রায় ২০ কিলোমিটার অংশেও বেড়া দেওয়ার কাজের অনুমোদন মিলেছে। শীঘ্রই কাজ শুরু হবে (Amit Shah)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share