Tag: Bengali news

Bengali news

  • Suvendu Adhikari: মুলতুবি প্রস্তাব খারিজ, বিধানসভায় হট্টগোল, ওয়াকআউট বিজেপির

    Suvendu Adhikari: মুলতুবি প্রস্তাব খারিজ, বিধানসভায় হট্টগোল, ওয়াকআউট বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অধিবেশন চলছে। কেন অনুপস্থিত মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক? মঙ্গলবার বিধানসভায় প্রশ্ন করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারিকাণ্ডে ধৃত রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা বর্তমান বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক বর্তমানে রয়েছেন প্রেসিডেন্সি জেলে। আচমকা রক্তচাপ বেড়ে যাওয়ায় তাঁকে ভর্তি করা হয়েছে এসএসকেএমের আইসিইউতে। সোমবারই শুরু হয়েছে বিধানসভার অধিবেশন। এদিন মন্ত্রী কেন গরহাজির, প্রশ্ন তোলেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, “মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক কেন জেলে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিধানসভায় তার জবাব দিতে হবে।”

    বিজেপির ওয়াকআউট

    রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারিতে গ্রেফতার হয়েছেন জ্যোতিপ্রিয়, শিক্ষক নিয়োগ কেলেঙ্কারিতে গ্রেফতার হয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়, তৃণমূল নেতা মানিক ভট্টাচার্য এবং জীবনকৃষ্ণ সাহা। এদিন তাঁদের ছবি ও কাটআউট নিয়ে বিধানসভায় স্লোগান দিতে (Suvendu Adhikari) থাকেন বিজেপি বিধায়করা। এই সময়ই তৃণমূল বিধায়ক শ্যামল মণ্ডল বলেন, “কেন্দ্র টাকা আটকে রেখে দিয়েছে। টাকা দিচ্ছে না।” এনিয়ে দুপক্ষে হট্টগোল বেঁধে যায়। হট্টগোল চলাকালীনই শুভেন্দুর নেতৃত্বে ওয়াকআউট করে বিজেপি।

    সাবিত্রীর বিতর্কিত মন্তব্য

    ঘটনার সূত্রপাত অবশ্য তার আগেই। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন তৃণমূল বিধায়ক সাবিত্রী মিত্র। বিধানসভার অধিবেশনের দ্বিতীয় দিনে এ নিয়ে মুলতুবি প্রস্তাব আনে বিজেপির পরিষদীয় দল। সেটি খারিজ করে দেন স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর বক্তব্য, এই প্রস্তাব রাজ্যের বিষয় নয়। তাই এটি খারিজ করা হয়েছে। এরই প্রতিবাদে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন বিজেপি বিধায়করা। বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পাল বলেন, “দেশের প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে অপমান কীভাবে রাজ্যের বিষয় নয়? এসব নিয়েই প্রথমে কথা কাটাকাটি শুরু হয় তৃণমূল ও বিজেপি বিধায়কদের মধ্যে। পরে শুরু হয় হট্টগোল। শেষমেশ ওয়াকআউট করেন বিজেপি বিধায়করা।

    মালদার বিধায়ক সাবিত্রী অবশ্য বলেন, “ভারতের সংস্কৃতিকে মাথায় রেখেই যা বলার বলেছি। বিরোধী দলনেতা আমাকে ভুল উদ্ধৃত করে ট্যুইট করেছেন। আমি বলিনি, স্বাধীনতা আন্দোলনে গুজরাটিদের ভূমিকা ছিল না। প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ (Suvendu Adhikari) সম্পর্কে জানেন না।”

    আরও পড়ুুন: ‘কোড’ নামের আড়ালেই চলত পুর নিয়োগ দুর্নীতি! ইডির নজরে ফের কোন মন্ত্রী?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Kuntal Ghosh: ‘‘কালীঘাটের কাকুর নামে কুন্তল আমার কাছ থেকে টাকা তুলত’’, ফের মুখ খুললেন তাপস

    Kuntal Ghosh: ‘‘কালীঘাটের কাকুর নামে কুন্তল আমার কাছ থেকে টাকা তুলত’’, ফের মুখ খুললেন তাপস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে এদিনই আদালতে তোলা হয় ধৃত তাপস মণ্ডলকে। জেল থেকে কোর্টে যাওয়ার পথেই গাড়ি থেকে মুখ বাড়িয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দেন তাপস। নিশানা করেন কালীঘাটের কাকু ও কুন্তল ঘোষকে। এদিন তাপস মণ্ডলকে বলতে শোনা যায়, ‘‘কুন্তল (Kuntal Ghosh) তো ‘কালীঘাটের কাকু’র নামেই টাকা তুলত আমার কাছ থেকে। এখন অন্য কথা বলছে কেন বুঝতে পারছি না।’’ প্রসঙ্গত চলতি বছরের ১৯ ফেব্রুয়ারি তাপস মণ্ডলকে গ্রেফতার করে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিবিআই। প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত ছিলেন তাপস। একাধিক বেসরকারি বিএড কলেজও চালাতেন তিনি।

    তাপসের গলায় আফসোসের সুর 

    এদিন কুন্তল ঘোষের বিরুদ্ধে তোপ দেগে তাপস মণ্ডল অভিযোগ করেন যে তদন্তকে বিপথে চালিত করছে কুন্তল (Kuntal Ghosh)। তাপস মন্ডল বলেন, ‘‘কুন্তলের জন্যই ফেঁসে গেলাম।’’ ঠিক এই কারণে তাপসের গলায় এদিন ছিল আফসোসের সুরও। নিয়োগ দুর্নীতিতে ধৃত গোপাল দলপতির বিষয়ে তাপস মণ্ডল বলেন,  ‘‘কুন্তল কেন গোপাল দলপতির নাম বলছে জানি না। ও তো আমার থেকে টাকা নিয়ে কুন্তলকে (Kuntal Ghosh) দিয়েছে।’’ এদিন তবে তৃণমূলের নেতা-মন্ত্রীদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে মুখ খুলতে চাননি তাপস মণ্ডল।

    চলতি বছরের জানুয়ারিতে গ্রেফতার করা হয় কুন্তল ঘোষকে

    চাকরি দেওয়ার নাম করে বাজার থেকে কুন্তল কোটি কোটি টাকা তুলেছে, এই অভিযোগে জানুয়ারি মাসে গ্রেফতার করা হয় কুন্তলকে। কীভাবে টাকা তোলা হয়েছে? ইডি আদালতে দাবি করেছে, ১৩০ জনের থেকে ৮ লক্ষ টাকা নিয়েছেন কুন্তল। শুধু তাই নয়, ১২০০ জনের থেকে ২০ হাজার করে নেওয়া হয়েছে। এর আগে আদালতে ইডি জানিয়েছিল, কুন্তলের (Kuntal Ghosh) বাড়ি থেকে ২৫০টি ওএমআর শিট উদ্ধার হয়েছে। আশ্চর্যের বিষয, সেই ওএমআর শিটগুলি ছিল গত ১১ ডিসেম্বর নেওয়া টেট পরীক্ষার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • NIA Terror Probe: ভূস্বর্গকে ফের আশান্ত করতে তৎপর পাকিস্তান! এনআইএ-র হাতে চাঞ্চল্যকর প্রমাণ

    NIA Terror Probe: ভূস্বর্গকে ফের আশান্ত করতে তৎপর পাকিস্তান! এনআইএ-র হাতে চাঞ্চল্যকর প্রমাণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভূস্বর্গে কি ফের ফিরছে নাশকতার কালো মেঘ (Terrorism in Jammu Kashmir)? প্রশ্নটা উঠছে কারণ সাম্প্রতিককালে বেশ কয়েকটি সে-জঙ্গি এনকউান্টারের ঘটনার সাক্ষী থেকেছে জম্মু কাশ্মীর উপত্যকা। বাহিনী সজাগ থাকায় (NIA Terror Probe) জঙ্গিদের নাশকতার ছক বানচাল হলেও, প্রাণ গিয়েছে একাধিক বীর সেনানীর। অনন্তনাগ হোক বা রাজৌরি— জঙ্গিরা যে ফের সক্রিয় হয়ে উঠেছে এদেশে নাশকতার জাল বিছোতে, তাতে কোনও সন্দেহ নেই। ঠিক যেমন বেশ কিছুদিন চুপ করে থাকার পর ফের কাশ্মীর দিয়ে সীমান্তপার সন্ত্রাস চালাতে তৎপর হয়েছে পাকিস্তান।

    পাকিস্তান থেকে লাগাতার অনুপ্রবেশ

    জঙ্গি-নেতারা যে প্রতিবেশী রাষ্ট্র থেকে কাশ্মীরে লাগাতার অনুপ্রবেশের চেষ্টা (Terrorism in Jammu Kashmir) করে চলেছে এবং সেখান থেকেই যে সবকিছু নিয়ন্ত্রণ হচ্ছে, এটা আগে তো জানা ছিলই। তবে, এই মর্মে নতুন তথ্যপ্রমাণও হাতে পেয়েছেন এদেশের গোয়েন্দারা (NIA Terror Probe)। চলতি বছরের জানুয়ারিতে রাজৌরির ধাংরি গ্রামে হামলা চালায় জঙ্গিরা। আইইডি বিস্ফোরণে ৭ সাধারণ নাগরিকের মৃত্যু হয়েছিল। এর পর এপ্রিল মাসে পুঞ্চে সেনা কনভয়ে জঙ্গি হামলায় পাঁচ জওয়ান মারা গিয়েছিলেন। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা তথা অনুসন্ধানকারী সংস্থা এনআইএ জানিয়েছে, এই দুই ঘটনাতেই একই জঙ্গিরা জড়িত ছিল। 

    স্থানীয়দের মদত পেয়েছিল জঙ্গিরা!

    এনআইএ তদন্তে উঠে আসে, জঙ্গিরা স্থানীয়দের মদত পেয়েছিল। হামলার পর তারা আন্ডারগ্রাউন্ড হয়ে যায়। গত সেপ্টেম্বর মাসে নিসার আহমেদ ও মুস্তাক হোসেন নামে দুজনকে পাকড়াও করে এনআইএ। গোয়েন্দাদের অভিযোগ, পুঞ্চের বাসিন্দা এই দুজনই ধাংরি হামলাকারীদের আশ্রয় দেওয়া থেকে শুরু করে যাবতীয় সাহায্য করেছিল। ধৃতদের জেরা করে চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে আসে এনআইএ-র হাতে (NIA Terror Probe)। জানা যায়, নিসারের সঙ্গে লস্কর হ্যান্ডলার আবু কতল ওরফে কতল সিন্ধির নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। নিসারকে আগও গ্রেফতার করা হয়েছিল। ২ বছর জেলে কাটিয়ে ২০১৪ সালে সে ছাড়া পায়। 

    গোয়েন্দারা জানিয়েছেন, জেল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর থেকে জঙ্গিদের ইনফর্মার হিসেবে নাকি কাজ করত এই নিসার (Terrorism in Jammu Kashmir)। ধাংরিতে হামলার ঘটনায় তাকে ডেকেও পাঠিয়েছিল পুলিশ। এনআইএ-কে নিসার জানিয়েছে, দুই জঙ্গিকে আশ্রয় দেওয়ার জন্য তাঁকে নির্দেশ দিয়েছিল আবু কতল। এর পর মুস্তাক হোসেনকে ৭৫ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছিল। বলা হয়েছিল ওই ২ জঙ্গির জন্য গুহার মধ্যে একটি গোপন আস্তানা তৈরি করে দিতে। ওই জঙ্গিদের বাড়িতে তৈরি খাবার দিয়ে আসত নিসার। 

    নির্দেশ দিয়েছিল পাক হ্যান্ডলাররা

    এনআইএ জানিয়েছে (NIA Terror Probe), জেরায় নিসার দাবি করেছে, এপ্রিলে সেনার ওপর হামলার ২ দিন আগে ওই জঙ্গিরা ২২টি রুটি চেয়ে পাঠায়। সেই মতো, সে রুটি পৌঁছে দেয়। এর পর জঙ্গিরা তাকে না জানিয়ে সেখান থেকে চলে যায়। এনআইএ জানিয়েছে, এর পরই পুঞ্চের ভিম্বর গলি-সুরানকোট সড়কের ওপর ভাট্টা দুরিয়াঁর কাছে ঘটা হামলার খবর আসে (Terrorism in Jammu Kashmir)। গোয়েন্দাদের মতে, পাকিস্তান থেকে আসা লস্কর-ই-তৈবা হ্যান্ডলারদের নির্দেশ অনুযায়ী এই হামলাগুলো চালিয়েছিল জঙ্গিরা। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, সইফুল্লাহ ওরফে সাজিদ জট্ট, আবু কতল এবং মহম্মদ কাসিম নামে তিন লস্কর হ্যান্ডলার পাকিস্তান বসে জঙ্গিদের নির্দেশ দিয়েছিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Jyotipriya Mallick: আচমকাই বাড়ল রক্তচাপ, আইসিইউতে নিয়ে যাওয়া হল জ্যোতিপ্রিয়কে

    Jyotipriya Mallick: আচমকাই বাড়ল রক্তচাপ, আইসিইউতে নিয়ে যাওয়া হল জ্যোতিপ্রিয়কে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হঠাৎই চড়ল রক্তচাপ। তাই সোমবার রাতে এসএসকেএমের আইসিইউয়ের ১২ নম্বর বেডে নিয়ে যাওয়া হল জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে (Jyotipriya Mallick)। রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা বর্তমান বনমন্ত্রী তৃণমুলের জ্যোতিপ্রিয় ভর্তি ছিলেন ওই হাসপাতালেরই ৫ নম্বর কেবিনে। হাসপাতাল সূত্রে খবর, আচমকাই রক্তচাপ বেড়ে যাওয়ায় কেবিন থেকে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়েছে মন্ত্রীকে। আপাতত তিনি রয়েছেন হাসপাতালের মেডিকেল বোর্ডের পর্যবেক্ষণে।

    মেডিকেল টিম গঠন

    রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারিতে ইডির হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন উত্তর ২৪ পরগনার এই তৃণমূল নেতা। তাঁকে রাখা হয়েছিল প্রেসিডেন্সি জেলে। অসুস্থ বোধ করায় গত মঙ্গলবার রাতে মন্ত্রীকে (Jyotipriya Mallick) ভর্তি করা হয় হাসপাতালে। সেই থেকে তিনি ছিলেন কেবিনে। এসএসকেএম সূত্রে খবর, জ্যোতিপ্রিয়র চিকিৎসার জন্য যে মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে তাতে রয়েছেন মেডিসিন, স্নায়ু, হৃদরোগ বিশেষজ্ঞরা। রয়েছেন কিডনি এবং ইউরোলজি বিশেষজ্ঞরাও। জ্যোতিপ্রিয় সুগারের রোগী। গ্রেফতারির সময়ই সে কথা জানিয়েছিলেন তিনি। তবে তাতে বিশেষ কাজ হয়নি। জ্যোতিপ্রিয়কে ছাড়া হয়নি।

    জ্যোতিপ্রিয় অসুস্থ হয়েছিলেন আগেও

    গ্রেফতারির পর প্রথম যেদিন জ্যোতিপ্রিয়কে আদালতে তোলা হয়, সেদিনই ১০ দিনের ইডি হেফাজতের রায় শুনে এজলাসেই জ্ঞান হারিয়েছিলেন মন্ত্রিমশাই। সামান্য বমিও করেছিলেন। ততক্ষণাৎ তাঁকে ভর্তি করা হয় বাইপাসের একটি বেসরকারি হাসপাতালে। সেখান থেকে ছাড়া পাওয়ার পর ইডি হেফাজতে নেয় তৃণমূলের এই নেতাকে। ইডি হেফাজত শেষে মন্ত্রীর ঠাঁই হয় প্রেসিডেন্সি জেলে। জেলেই অসুস্থ হয়ে পড়ায় গত মঙ্গলবার রাতে তাঁকে ভর্তি করা হয় এসএসকেএমে।

    অসুস্থ থাকায় ১৬ নভেম্বর নিম্ন আদালতে ভার্চুয়ালি হাজিরা দিয়েছিলেন মন্ত্রিমশাই। সেদিনই তিনি বলেছিলেন, “আমার সাড়ে তিনশোর বেশি সুগার, হাত-পা কাজ করছে না। আমায় বাঁচতে দিন।” বিচারক তাঁকে বলেছিলেন, “অসুবিধা থাকলে আপনি সেলে চলে যেতে পারেন।” এর পরের দিনই কাশি, শ্বাসকষ্ট শুরু হওয়ায় মন্ত্রীকে (Jyotipriya Mallick) ভর্তি করানো হয় রাজ্যের সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে।

    আরও পড়ুুন: ‘কোড’ নামের আড়ালেই চলত পুর নিয়োগ দুর্নীতি! ইডির নজরে ফের কোন মন্ত্রী?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Uttarkashi Tunnel Rescue: আটক শ্রমিকদের উদ্ধারে এবার ‘ইঁদুর-গর্ত’ পদ্ধতি, প্রার্থনা প্রধানমন্ত্রীর

    Uttarkashi Tunnel Rescue: আটক শ্রমিকদের উদ্ধারে এবার ‘ইঁদুর-গর্ত’ পদ্ধতি, প্রার্থনা প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরকাশীর সিল্কিয়ারার সুড়ঙ্গে (Uttarkashi Tunnel Rescue) আটকে পড়া শ্রমিকদের উদ্ধার করা যায়নি সোমবার সন্ধে পর্যন্তও। আধুনিক মার্কিন অগার মেশিন ব্যর্থ হওয়ার পর এবার মান্ধতা দেশীয় পদ্ধতিতেই ভরসা করছেন উদ্ধারকারীরা। তবে, আশার আলো ধীরে ধীরে বাড়ছে বলে জানিয়েছেন খনন-বিশেষজ্ঞরা। শ্রমিকদের মঙ্গলকামনায় পুজো দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    ইঁদুর-গর্ত পদ্ধতি

    শ্রমিকদের উদ্ধারে চূড়ান্ত ব্যর্থ হয়েছে বৈজ্ঞানিক, অত্যাধুনিক বিদেশি ড্রিল। বিভিন্ন পদ্ধতি অবলম্বন করেও শ্রমিকদের উদ্ধার করা যায়নি।  এখন তাই অবলম্বন করা হচ্ছে ‘ইঁদুর-গর্ত’ পদ্ধতি। এই পদ্ধতিটি বেশ বিপজ্জনক। এই পদ্ধতিতে ছোট ছোট দলে ভাগ হয়ে গিয়ে খনি শ্রমিকরা একটু একটু করে ইঁদুরের মতো গর্ত করতে থাকে। যেহেতু আমেরিকায় তৈরি অগার মেশিনটি সুড়ঙ্গ খুঁড়তে গিয়ে ভেঙে গিয়েছিল, তাই অবলম্বন করা হচ্ছে ‘ইঁদুর-গর্ত’ পদ্ধতি।

    উত্তরাখণ্ড সরকারের নোডাল অফিসার নীরজ খাইরওয়াল জানান, সাইটে আসা খনন কর্মীরা পৃথক পৃথক দলে বিভক্ত। একজন ড্রিলিং করবেন। অন্য একজন কোদাল, বেলচা দিয়ে মাটি-পাথর তুলতে থাকবেন। আর তৃতীয়জন সেটি তুলে ট্রলিতে রেখে দেবেন। জাতীয় সড়কের নিচে সুড়ঙ্গ খুঁড়তে গিয়ে ধস নামায় আটকে পড়েন ৪১ জন শ্রমিক। এঁদের মধ্যে রয়েছেন বাংলার তিনজনও। পনেরো দিনেরও বেশি সময় ধরে ওই শ্রমিকরা রয়েছেন সুড়ঙ্গে (Uttarkashi Tunnel Rescue) আটকে।

    কী বলছেন সুড়ঙ্গ বিশেষজ্ঞ?

    আর মাত্র পাঁচ থেকে ছ’মিটার পথ অতিক্রম করতে পারলেই পৌঁছে যাওয়া যাবে সুড়ঙ্গে আটকে পড়া ৪১ জন শ্রমিকের কাছে। ইঁদুরের মতো গর্ত করে শ্রমিকদের কাছে পৌঁছানোর (Uttarkashi Tunnel Rescue) চেষ্টা করছেন ক্ষুদ্র সুড়ঙ্গ বিশেষজ্ঞরা। বিশেষজ্ঞ ক্রিস কুপার বলেন, “আমরা ৫০ মিটার পেরিয়ে গিয়েছি। আর মাত্র পাঁচ-ছ মিটার বাকি।”

    পুজো দিলেন প্রধানমন্ত্রী

    এদিকে, শ্রমিকদের মঙ্গলকামনায় হায়দরাবাদে ‘কোটি দীপোৎসভমে’ পুজো দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেন, “হাজারও প্রতিকূলতা সত্ত্বেও উত্তরাখণ্ড সরকারের তরফ থেকে শ্রমিকদের উদ্ধারে সব রকম চেষ্টা করা হচ্ছে। কোনও রকম খামতি রাখা হচ্ছে না।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের অনেক সতর্কতার সঙ্গে এই উদ্ধার অভিযান শেষ করতে হবে। এই প্রচেষ্টায় প্রকৃতি আমাদের ক্রমাগত কড়া পরীক্ষার মুখে ফেলেছে। তবে আমরা দৃঢ়ভাবে সে সব প্রতিকূলতার মোকাবিলা করছি। আমরা সর্বাধিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব শ্রমিকদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার জন্য আমাদের প্রার্থনা করতে হবে।” তিনি বলেন, “আজ যখন আমরা ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করছি ও মানবকল্যাণের কথা বলছি, তখন আমাদের সেই সব শ্রমিক ভাইদের জন্যও প্রার্থনা করতে হবে, যাঁরা গত দু’ সপ্তাহ ধরে উত্তরাখণ্ডের একটি সুড়ঙ্গে আটকে রয়েছেন। শ্রমিকদের পরিবারের সদস্যদের সাহস দিতে হবে। গোটা দেশ তাঁদের সঙ্গে রয়েছে।”

    আরও পড়ুুন: ‘‘গত শতাব্দীর মহাপুরুষ গান্ধী, বর্তমান শতকের যুগপুরুষ মোদি’’, বললেন ধনখড়

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Sukanta Majumdar: “শাহ আসছেন শুনে ভাইপো বাড়ি থেকে বেরচ্ছেন না”, তোপ সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: “শাহ আসছেন শুনে ভাইপো বাড়ি থেকে বেরচ্ছেন না”, তোপ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “তিনি আসছেন শুনে ভাইপো আর বাড়ি থেকে বের হচ্ছেন না।” সোমবার হাজরা মোড়ে কথাগুলি বললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। ২৯ নভেম্বর ধর্মতলার ওয়াই চ্যানেলে বিজেপির জনসভায় উপস্থিত থাকবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সেই সভা উপলক্ষে এদিন গড়িয়াহাট থেকে হাজরা মোড় পর্যন্ত পদযাত্রা করে বিজেপি। হাজরা মোড়ে হয় পথসভা।

    তৃণমূলকে নিশানা সুকান্তর

    এই সভা থেকেই তৃণমূলকে নিশানা করেন সুকান্ত। তিনি বলেন, “আমাদের আওয়াজ কালীঘাটের বাড়ি অবধি পৌঁছবে কিনা জানি না। তবে কালীঘাটের ব্যানার্জি পরিবারের নামে যে ৩৫ খানা প্লট রয়েছে, সেই প্লট পর্যন্ত আপনাদের আওয়াজ পৌঁছবে। সেই ব্যবস্থা আমরা করব।” সুকান্ত বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর বিভিন্ন প্রকল্প থেকে বঞ্চিত এ রাজ্যের বহু মানুষ। মানুষের সেই অধিকার খেয়ে নিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর দলের চোরেরা। তাদের শায়েস্তা করতেই ধর্মতলায় আসছেন অমিতজি। ওই দিন গেরুয়া সুনামিতে কলকাতাকে ছেয়ে ফেলুন।” সুকান্ত বলেন, “কলকাতা পুরসভার মেয়র ছিলেন সুভাষচন্দ্র বোস। সেখানে এখন মেয়র ফিরহাদ হাকিম। তাঁর বাড়িতে ইডি দৌড়চ্ছে। সিবিআই কান ধরে টেনে নিয়ে গিয়েছিল ফিরহাদকে। তাঁর সমর্থনে অবস্থানে বসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী।”

    ‘কয়লা ভাইপো’

    বালুরঘাটের সাংসদ বলেন, কালীঘাটের কাকু, ইউনিভার্সাল কাকু, বাংলায় আপ্পু আছেন, তিনি ইউনিভার্সাল ভাইপো, কয়লা ভাইপো। কাকু বলছেন তিনি আমার বস। তাঁকে ফোন করা যায় না। তাঁর কাছে পৌঁছানো যায় না। যে নেতাকে ধরা যায় না, তাঁর দল করছেন কেন? সুকান্ত বলেন, সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রকে বাঁচাতে গিয়ে রাজ্যের এক নম্বর হাসপাতাল এসএসকেএমকে নোংরা জায়গায় নিয়ে এসেছে তৃণমূল। ইডি কণ্ঠস্বর পরীক্ষা করবে বলে নমুনা চেয়েছিল। কল রেকর্ডিংয়ের গলা তাঁর (কালীঘাটের কাকুর) কিনা, যাচাই করতে। মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্যমন্ত্রী হয়ে বলছেন এসএসকেএম তাঁর ভুল ট্রিটমেন্ট করেছেন। আপনার ভলান্টিয়ার রিটায়ারমেন্ট নিয়ে বসে যাওযা উচিত। আপনি যোগ্যতা হারিয়েছেন।”

    আরও পড়ুুন: ‘‘দলুয়াখাকিতে ক্রিমিনালদের বাস’’! প্রশাসন ‘ব্যর্থ’, তা কি মেনেই নিলেন ফিরহাদ?

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, “পার্থ চট্টোপাধ্যায় চুরি করে কোটি কোটি টাকা নিয়ে বান্ধবীর খাটের তলায় লুকিয়ে রাখলেন। তাঁর সম্পর্কে আপনি বললেন আমি জানি না! অথচ বিধানসভা নির্বাচনের আগে আপনিই বলেছিলেন, ২৯৪ আসনে আপনিই প্রার্থী। এর জবাব দিন। আপনি অপদার্থ। ইস্তফা দেওয়া উচিত। সিভিক ভলান্টিয়ার মুখ্যমন্ত্রী রাজ্য চালাক, তাও ভাল।” সুকান্ত (Sukanta Majumdar) বলেন, “ভাইপো বেকার যুবক। কোনও কর্মসংস্থান নেই। তিনি ইডি অফিসে যাচ্ছেন সম্পত্তির হিসেব দিতে ৬ হাজার পাতার রিপোর্ট নিয়ে! যাঁরা সততার প্রতীক বলে দাবি করেন, তাঁদের ৩৫ খানা প্লট! সমাজ সেবিকা মমতার বৌদি কাজরি বন্দ্যোপাধ্যায় সমাজ সেবা করেন। তিনি ও তাঁর স্বামী কীভাবে এত সম্পত্তি করলেন? কোটি টাকা মূল্যের সেন পরিবারের জমি মাত্র ২৪ লক্ষ টাকায় কীভাবে কাজরি পান?”

    সুকান্ত বলেন, “যাঁকে টালির চালের বাড়িতে দেখেছিলেন আপনারা, তাঁর পরিবার কীভাবে এত টাকার মালিক হলেন? আপনি বলেছিলেন, বালু অসৎ, আমি বিশ্বাস করি না। বালুদার মেয়ে টিউশন পড়িয়ে ৩ কোটি টাকা ইনকাম করেছেন! কয়লা পাচারের টিউশনি পড়ানো হয়েছে, নাকি গম পাচারের টিউশনি পড়ানো হয়েছে?” সুকান্ত বলেন, “বেঙ্গল অলিম্পক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি বাবুন ব্যানার্জি। উনি অলিম্পক খেলেছেন! চেহারা দেখে তো মনে হয় না!” সুকান্ত (Sukanta Majumdar) বলেন, “এ রাজ্যে রোহিঙ্গাদেরও নাগরিকত্ব দেওয়া হয়।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Telangana Elections 2023: ধোপে টিকল না কেসিআরের কৌশল, ‘খয়রাতি’ বন্ধের নির্দেশ নির্বাচন কমিশনের

    Telangana Elections 2023: ধোপে টিকল না কেসিআরের কৌশল, ‘খয়রাতি’ বন্ধের নির্দেশ নির্বাচন কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্ষমতায় ফিরতে ‘খয়রাতি’র আশ্রয় নিতে চেয়েছিল তেলঙ্গনার শাসক দল ভারত রাষ্ট্র সমিতি। গত বিধানসভা নির্বাচনে (Telangana Elections 2023) এই অঙ্কেই মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রশেখর রাও ক্ষমতায় এসেছিলেন বলে অভিযোগ। এবারও তেমনধারা পরিকল্পনা ছিল শাসক দলের। তবে তাতে বাধ সাধল নির্বাচন কমিশন। সোমবার কমিশন সাফ জানিয়ে দিয়েছে, বিধানসভা নির্বাচনের আগে কৃষকদের রবিশস্যের অনুদান বণ্টন বন্ধ রাখতে হবে। কমিশনের মতে, শাসকের এহেন খয়রাতি নির্বাচনী আচরণভঙ্গের শামিল।

    কংগ্রেসকে নিশানা কেসিআরের দলের 

    নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তে কংগ্রেসের ওপর বেজায় চটেছে কেসিআরের দল। কেসিআরের ভাইপো টি হরিশ রাও তেলঙ্গনার অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, “এআইসিসির সাধারণ সম্পাদক কে বেণুগোপাল রাও অভিযোগ জানানোর ফলেই রায়তু বন্ধু যোজনার কিস্তির টাকা বিতরণ বন্ধ করতে নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।” কেসিআর কন্যা কে কবিতা বলেন, “কংগ্রেসের ষড়যন্ত্রের জবাব দেবেন তেলঙ্গনার কৃষকরা।”

    রায়তু বন্ধু প্রকল্প

    রায়তু বন্ধু প্রকল্পে প্রত্যেক কৃষককে প্রতি একর শস্য পিছু বছরে ১০ হাজার টাকা অনুদান দেয় তেলঙ্গনা সরকার। টাকা দেওয়া হয় জানুয়ারি মাসে। অভিযোগ, চলতি বছর জানুয়ারিতে সেই টাকা না দিয়ে চলতি মাসে দেওয়ার পরিকল্পনা করেছিল কেসিআর প্রশাসন। বেণুগোপাল বলেন, “পরাজয় নিশ্চিত বুঝে নির্বাচনের মুখে টাকা ছড়িয়ে ভোট কিনতে চাইছিলেন কেসিআর।”

    আরও পড়ুুন: ‘‘দলুয়াখাকিতে ক্রিমিনালদের বাস’’! প্রশাসন ‘ব্যর্থ’, তা কি মেনেই নিলেন ফিরহাদ?

    এদিন মুখ্য নির্বাচন কমিশনের তরফে (Telangana Elections 2023) পাঠানো নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, কমিশন এই মর্মে নির্দেশ দিচ্ছে যে রায়তু বন্ধু প্রকল্পে রবি মরশুমে যে অনুদান দেওয়া হয়, তা এখনই বন্ধ করতে হবে। কারণ ইতিমধ্যেই লাগু হয়েছে আদর্শ আচরণ বিধি। এই বিধি প্রত্যাহৃত হলেই দেওয়া যাবে অনুদান।

    তেলঙ্গনা বিধানসভার আসন সংখ্যা ১২০। এর মধ্যে জনগণের ভোটে নির্বাচিত হন ১১৯জন। একটি আসনে মনোনীত করা হয় একজন অ্যাংলো-ইন্ডিয়ানকে। এ রাজ্যে এবারও লড়াই হচ্ছে ত্রিমুখী – ভারত রাষ্ট্র সমিতি, কংগ্রেস এবং বিজেপি। তবে এ রাজ্যে মূল লড়াই হবে কংগ্রেস বনাম ভারত রাষ্ট্র সমিতি। নির্বাচন হবে ৩০ নভেম্বর, এক দফায়। ফল ঘোষণা হবে বাকি চার রাজ্যের সঙ্গে ৩ ডিসেম্বর (Telangana Elections 2023)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Murshidabad: জাকির হোসেন কে? প্রশ্ন ব্লক তৃণমূলের সভাপতির, শাসক দলের কোন্দল প্রকাশ্যে

    Murshidabad: জাকির হোসেন কে? প্রশ্ন ব্লক তৃণমূলের সভাপতির, শাসক দলের কোন্দল প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) জেলায় তৃণমূলের কোন্দল আরও প্রকট হয়ে উঠছে। ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের সঙ্গে জেলা নেতৃত্বের বিরোধ বার বার প্রকাশ্যে এসেছে। এবার একই ঘটনা ঘটল তৃণমূলের জঙ্গিপুর সাংগঠনিক জেলায়। তৃণমূলের জেলার চেয়ারম্যান জাকির হোসেনের নির্দেশকে ফুৎকারে উড়িয়ে দিয়েছেন তৃণমূলের ব্লক সভাপতি। আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দল একেবারে প্রকাশ্যে চলে এসেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Murshidabad)

    গত সপ্তাহে জাকিরকে জঙ্গিপুর জেলা তৃণমূলের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। নতুন জেলা কমিটির উদ্যোগে যোগদান সভা ডাকা হয়েছিল। সেখানেই মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) সূতি ১ ব্লকে তৃণমূলের সভাপতি সিরাজুল ইসলামকে তাঁর পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার কথা ঘোষণা করেন জঙ্গিপুরে তৃণমূলের চেয়ারম্যান জাকির হোসেন। জঙ্গিপুর জেলা তৃণমূলের সভাপতি খলিলুর রহমানকে পাশে বসিয়ে সূতি ১ ব্লক কমিটি ভেঙে দেওয়ার কথা ঘোষণা করেন তিনি। আপাতত আট জনের কমিটি করে সূতি ১ ব্লকে দলের সংগঠন চালানো হবে। ওই ব্লক সভাপতি সিরাজুল ইসলাম সূতির বিধায়ক ইমানি বিশ্বাসের অনুগামী। ইমানি এবং জাকিরের বিরোধ দীর্ঘদিনের। এবার ইমানির অনুগামীকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার কারণে রাজ্যের শাসক দলের দুই বিধায়কের বিরোধ আরও বাড়বে বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে।

    নাম না করে জাকিরকে তোপ দাগলেন ইমানি

    তৃণমূলের ওই সভায় আমন্ত্রণ জানানো হয়নি বিধায়ককে ইমানি বিশ্বাসকে। এ নিয়ে তিনি বলেন, তৃণমূল কারও পৈত্রিক সম্পত্তি নয়। দলে শেষ কথা বলবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কে, কোথায়, কী ঘোষণা করলেন, তাতে কিছু যায় আসে না। রাজ্য কমিটির নির্দেশ ও জেলা সভাপতির ঘোষণা ছাড়া সূতি ১ ব্লকের দায়িত্বে যিনি ছিলেন তিনিই থাকবেন।

    জাকির কে? প্রশ্ন ব্লক সভাপতির

    সূতি-১ ব্লকের সভাপতি  সিরাজুলের ইসলাম বলেন, জাকির কে ব্লক সভাপতি বদল করার? রাজ্য কমিটি নির্দেশ দিয়েছে কি? জেলা সভাপতির অনুমোদন আছে? কোথাকার বিধায়ক, কী বললেন, তা মানি না। আমি ব্লক সভাপতি আছি, থাকব।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Halal Certified Goods: ১৫ দিনের মধ্যে বাজার থেকে সরাতে হবে ‘হালাল’ ট্যাগযুক্ত পণ্য, নির্দেশ যোগী সরকারের

    Halal Certified Goods: ১৫ দিনের মধ্যে বাজার থেকে সরাতে হবে ‘হালাল’ ট্যাগযুক্ত পণ্য, নির্দেশ যোগী সরকারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হালাল ট্যাগ লাগিয়ে (Halal Certified Goods) দিব্যি চলছিল অবৈধ কারবার। ১৯ নভেম্বর এ ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা জারি করে উত্তর প্রদেশের যোগী আদিত্যনাথের সরকার। এবার যোগী সরকার জানিয়ে দিল, ১৫ দিনের মধ্যে হালাল ট্যাগ দেওয়া পণ্য সামগ্রী সরিয়ে নিতে হবে উৎপাদক থেকে বিক্রেতাদের।

    ১৫ দিনের মধ্যে সরাতে হবে পণ্য

    ১৯ নভেম্বরের আদেশ অনুযায়ী, হালাল প্রমাণযুক্ত খাদ্য উৎপাদনের নির্মাণ সংরক্ষণ এবং বিতরণ ও বিক্রয়ের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। আইন লঙ্ঘনকারীর বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে প্রশাসনের তরফে। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে হালাল ট্যাগ দেওয়া পণ্য সামগ্রী সরিয়ে নিতেও খুচরো ব্যবসায়ী, আউটলেট চেন এবং ডিপার্টমেন্ট স্টোরগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি রাজ্যের ৯২টি উৎপাদককে, যারা এতদিন হালাল ট্যাগ লাগিয়ে পণ্য বিক্রি করত, নির্দেশ দিয়েছে হয় তাদের পণ্য ফিরিয়ে নিতে হবে, নয় সেগুলিকে পুনরায় প্যাকেটজাত করতে হবে। চলতি মাসের ১৯ তারিখে হালাল ট্যাগ লেখা (Halal Certified Goods) পণ্য বিক্রি করা যাবে না বলে নিষেধাজ্ঞা জারি করে যোগী প্রশাসন। তার পরেই বিভিন্ন জেলায় প্রায় ৫০০ প্রতিষ্ঠানে তদন্ত করে দেখা গিয়েছে, তারা হালাল লেখা পণ্য বিক্রয় করে। সব মিলিয়ে প্রায় আড়াই হাজার কেজি পণ্য বাজেয়াপ্তও করা হয়েছে।

    হালাল আরবি শব্দ

    ‘হালাল’ শব্দটি আরবি শব্দ। এর অর্থ হল, ‘গ্রহণযোগ্যতা’। কোনও পণ্যে হালাল ট্যাগ লাগানো থাকলে বোঝা যায়, পণ্যটি ইসলামিক আইন মেনে তৈরি করা হয়েছে। ধর্মীয় নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন না করেই সেগুলি ব্যবহার করতে পারেন মুসলমান সম্প্রদায়ের মানুষ। সম্প্রতি অভিযোগ ওঠে, পণ্যের বিক্রি বাড়াতে তার গায়ে সেঁটে দেওয়া হচ্ছে হালাল ট্যাগ। হালাল ইন্ডিয়া প্রাইভেট লিমিটেড চেন্নাই, হালাল কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়া মুম্বই, জামাত-ই উলেমা মহারাষ্ট্র মুম্বই ইত্যাদি সংস্থা একটি নির্দিষ্ঠ ধর্মের ক্রেতাদের টানতে হালাল ট্যাগ লাগিয়ে জিনিসপত্র বিক্রি করছিল। এতেই রাশ টানতে তড়িঘড়ি পদক্ষেপ করে যোগী আদিত্যনাথের সরকার। সরকারের বক্তব্য, তেল, সাবান, টুথপেস্ট ও মধুর মতো পণ্যগুলিতেও হালাল ট্যাগ লাগানো হচ্ছে। এর মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট সম্প্রদায় ও তাদের পণ্যগুলির উদ্দেশ্যে ইচ্ছাকৃতভাবে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। সরকারের বক্তব্য, এই নিষেধাজ্ঞা জনস্বাস্থ্যের স্বার্থে করা হয়েছে। অবশ্য রফতানিকারক পণ্যগুলিকে ছাড় দেওয়া হয়েছে এই নিষেধাজ্ঞার আওতা থেকে (Halal Certified Goods)।

    আরও পড়ুুন: ‘জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের এজেন্ট উত্তরবঙ্গে ঘুরে বেড়াচ্ছে!’ ইডি-কে চিঠি দিলেন বিজেপি বিধায়ক

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: রামমন্দির উদ্বোধনকে কেন্দ্র করে বাংলায় ব্যাপক জনসংযোগ করবে আরএসএস

    Ram Mandir: রামমন্দির উদ্বোধনকে কেন্দ্র করে বাংলায় ব্যাপক জনসংযোগ করবে আরএসএস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী বছরের ২২ জানুয়ারি রাম মূর্তিতে প্রাণ প্রতিষ্ঠা করবেন নরেন্দ্র মোদি। রাম মন্দিরের (Ram Mandir) উদ্বোধন ঘিরে ভক্তদের মধ্যে উন্মাদনা এখন তুঙ্গে। বাংলাতেও রামমন্দিরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানকে সফল করতে আদাজল খেয়ে নেমেছে সঙ্ঘ পরিবার। বাংলাতে বাড়ি বাড়ি যাওয়ার কর্মসূচি নিয়েছে সঙ্ঘ। এছাড়াও উদ্বোধনের পর কয়েক হাজার ভক্তকে ট্রেনে চাপিয়ে রামমন্দির (Ram Mandir) দর্শন করাতে অযোধ্যাও নিয়ে যাওয়া হবে। প্রসঙ্গত, রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের কার্যকারিণী বৈঠক গত মাসে গুজরাটের ভুজে বসেছিল। সেখানেই স্থির হয়েছে ১ থেকে ১৫ জানুয়ারি রামমন্দিরের ছবি হাতে ৫ লাখ গ্রামে জনসংযোগ করবে সঙ্ঘ।

    রামমন্দির দর্শন

    এ রাজ্যে সমাজের প্রতিটি বর্গের মানুষকে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সামিল হওয়ার আবেদন জানাবে সঙ্ঘ। উদ্বোধনের দিন প্রতিটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে ছোট-বড় নানা উৎসবের আয়োজনও করবে সঙ্ঘ পরিবার। এমনটাই ঘোষণা করেছেন মোহন ভাগবত। চলতি বছরের বিজয়া দশমীর ভাষণেই একথা বলতে শোনা যায় সঙ্ঘ প্রধানকে। সূত্রের খবর, উদ্বোধন হয়ে যাওয়ার পর ২৬ জানুয়ারি থেকে ২২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত রামমন্দির (Ram Mandir) দর্শনের কর্মসূচি নেবে সঙ্ঘ পরিবার। পশ্চিমবঙ্গ থেকে এই কর্মসূচিতে প্রায় ৬ হাজার ভক্তকে অযোধ্যায় নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা চলছে। আপাতত সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে ৬ ফেব্রুয়ারি বাংলার ভক্তরা রওনা দেবেন রামনগরীতে। বিশ্ব হিন্দু পরিষদের দক্ষিণবঙ্গের মুখপাত্র সৌরিশ মুখোপাধ্যায়ের কথায়, ‘‘সারা দেশের প্রতিটা প্রান্ত থেকে সমস্ত রাম ভক্তদের কাছে নিমন্ত্রণ নিয়ে যাব। প্রতিটা গ্রাম, শহর অলিতে-গলিতে যাব। সবাইকে বলব রাম মন্দির দেখতে আসুন।’’

    কী বলছেন বাংলার আরএসএস নেতা?

    এ বিষয়ে দক্ষিণবঙ্গের রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের প্রান্ত প্রচার প্রমুখ বিপ্লব রায় বলেন, ‘‘বাংলায় আমরা ৪০ লক্ষ পরিবারে যাব। অযোধ্যার রামমন্দিরের (Ram Mandir) গর্ভগৃহের প্রাণ প্রতিষ্ঠার প্রসাদ নিয়ে বাড়ি বাড়ি যাব। ১ থেকে ১৫ জানুয়ারি এই কর্মসূচি চলবে। ১ জানুয়ারি কল্পতরু দিবসের দিন শুরু হবে। ১৫ জানুয়ারি মকর সংক্রান্তি পর্যন্ত চলবে। একইসঙ্গে রাম মন্দিরে যাওয়ার জন্য আমন্ত্রণপত্র নিয়ে যাব। মার্চ পর্যন্ত উদ্বোধনপর্ব চলবে। সেখানে এক একটা প্রান্তকে এক একটা সময় দেওয়া হবে। প্রতিদিন এক থেকে দেড় লক্ষ মানুষের ব্যবস্থা থাকবে যাতে সুষ্ঠুভাবে কর্মসূচি হয়। তার জন্য আবেদন করব, আপনারাও আসুন সময় করে। আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে আসুন।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share