Tag: Bengali news

Bengali news

  • Agnimitra Paul: “এই সরকার সংখ্যালঘুদের হাতে বন্দুক তুলে দিচ্ছে”, বিধানসভায় তৃণমূলকে তোপ অগ্নিমিত্রার

    Agnimitra Paul: “এই সরকার সংখ্যালঘুদের হাতে বন্দুক তুলে দিচ্ছে”, বিধানসভায় তৃণমূলকে তোপ অগ্নিমিত্রার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য বিধানসভায় (Assembly) তৃণমূল বিধায়ক এবং বিজেপি বিধায়কের মধ্যে নজিরবিহীন তরজা। বিতণ্ডায় জড়ালেন বিজেপি বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পাল (Agnimitra Paul) ও তৃণমূল বিধায়ক ফিরহাদ হাকিম। বাজেটে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উন্নয়নে বরাদ্দ বৃদ্ধি নিয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে অনুপ্রবেশকারী ও ক্রিমিনাল ইস্যুতে শাসকদলকে নিশানা করেন অগ্নিমিত্রা। তিনি অভিযোগ করে বলেন, “এই সরকার সংখ্যালঘুদের হাতে বন্দুক তুলে দিচ্ছে।” এরপর বিধানসভায় হট্টগোল শুরু হয়। অগ্নিমিত্রার মন্তব্যে তীব্র নিন্দা করেন ফিরাদ হাকিম।

    মাদ্রাসা শিক্ষায় বাজেটে ১০ শতাংশ বৃদ্ধি (Agnimitra Paul)!

    শুক্রবার বাজেট অধিবেশনে (Assembly) বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিজেপি বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পল (Agnimitra Paul) বলেন, “এই সরকার মাদ্রাসা শিক্ষায় বাজেট বাড়িয়েছে। মাদ্রাসায় পড়ে কেন ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার হচ্ছে না কেউ? কেউ কেউ কেন ক্রিমিনাল হওয়ার দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন? সংখ্যালঘু উন্নয়ন এবং মাদ্রাসা শিক্ষায় বাজেটে ১০ শতাংশ বৃদ্ধি করা হয়েছে। এই বাজেট কি শিক্ষার জন্য নাকি অনুপ্রবেশকারীদের বাঁচানোর জন্য করা হয়েছে। স্বাধীনতা আন্দোলনের সংখ্যালঘু অবদান নিয়ে কোনও দ্বিমত নেই। কিন্তু তৃণমূল সরকার ক্রিমিনাল তৈরি করতে পরিকাঠামো নির্মাণের উপর জোর দিচ্ছে। এই সরকার সংখ্যালঘুদের হাতে বন্দুক তুলে দিচ্ছে। রাজ্যে যত ছোট-বড় হিংসার ঘটনা ঘটছে তার বেশিরভাগ কেন শুক্রবারই করা হচ্ছে। ফলে লক্ষ্য এবং পরিকল্পনা এক।”

    মাদ্রাসা থেকে কতজন ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, আইএফএস হয়েছে?

    একই ইস্যুতে অগ্নিমিত্রা বিধানসভার বাইরে বেরিয়ে অগ্নিমিত্রা (Agnimitra Paul) বলেন, “আমি অন্যায় কিছু তো বলিনি। তৃণমূল সরকার তোষণের রাজনীতি করে, এটা তো সারা পৃথিবী জানে। ধর্মের রাজনীতি আর চলবে না। ২০২৬ সালে বিজেপির সরকার আসবে। এখন শুধু উন্নয়নের সরকার চলবে।” রাজ্যের মন্ত্রী ফিরাদ হাকিমকে তোপ দেগে বলেন, “আপনি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মন্ত্রী, মেয়র হয়ে আপনার সম্প্রদায়ের জন্য কী করেছেন? আপনি ১৫ বছরের রেকর্ড দেখান, যে মাদ্রাসা থেকে কতজন ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, আইএফএস কিংবা ইসরোর মতো বিজ্ঞানী বেরিয়েছেন। আপনাদের ভোটব্যাঙ্কের জন্য শুধু সংখ্যালঘুদের ব্যবহার করেন।”

    স্পিকারের অতি সক্রিয়তা

    অগ্নিমিত্রার (Agnimitra Paul) মন্তব্যে প্রতিবাদ করে তৃণমূলের বিধায়করা চিৎকার করে হৈহট্টগোল বাঁধিয়ে দেন। তৃণমূল বিধায়কদের (Assembly) দেখা যায় ওয়েলে নেমে বিক্ষোভ দেখাতে। পাল্টা স্লোগান দিতে শুরু করেন বিজেপি বিধায়করাও। রাজ্যের বিরোধী দলনেতার সঙ্গেও বাকযুদ্ধে জড়িয়ে পড়েন তৃণমূল বিধায়করা। দুই পক্ষের হট্টগোলে চেয়ার থেকে উঠে দাঁড়ান স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “এমন কোনও মন্তব্য করবেন না যা নির্দিষ্ট করে কোনও একটি সম্প্রদায়কে আঘাত করে।” এরপর সংখ্যালঘু এবং ক্রিমিনাল শব্দ রেকর্ড থেকে বাদ দেওয়ার কথা বলেন স্পিকার।

  • Murshidabad: বেলডাঙা হিংসা মামলায় রাজ্য পুলিশের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ এনআইএ-র, বড় নির্দেশ ক্ষুব্ধ আদালতের

    Murshidabad: বেলডাঙা হিংসা মামলায় রাজ্য পুলিশের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ এনআইএ-র, বড় নির্দেশ ক্ষুব্ধ আদালতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বেলডাঙা হিংসা মামলায় পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ তুলেছে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ। এনআইএ-র (NIA) অভিযোগ, আদালতের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও রাজ্য পুলিশ মামলার প্রয়োজনীয় নথিপত্র এবং তথ্য হস্তান্তর করেনি। আর এই জন্য অভিযুক্তদের আদালতে হাজির করা যায়নি। বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে আদালত পরবর্তী শুনানিতে মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) পুলিশ সুপারকে (SP) ব্যক্তিগত ব্যাখ্যা জমা দেওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছে।

    সরঞ্জাম হস্তান্তর করেনি পুলিশ (Murshidabad)

    এনআইএ (NIA) আদালতকে জানিয়েছে, বেলডাঙা (Murshidabad) থানা মামলার তদন্তে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের কাছ থেকে ক্রমাগত অসহযোগিতার সম্মুখীন হচ্ছে। এনআইএ কলকাতা ডেপুটি সুপারিন্টেনডেন্ট এবং মুখ্য তদন্তকারী কর্মকর্তা অভিযোগ করেছেন, বেলডাঙা থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা (IO) ২০২৬ সালের ১৭ জানুয়ারির ঘটনার (কেস নম্বর ৫১/২০২৬) গুরুত্বপূর্ণ নথি এবং বাজেয়াপ্ত সরঞ্জাম হস্তান্তর করেনি। পুলিশ নিস্ক্রিয় থাকার ঘটনায় মুর্শিদাবাদ জেলার হিংসার ঘটনাটির তদন্তভার বর্তমানে এনআইএ গ্রহণ করেছে।

    পুলিশের এসকর্ট মেলেনি

    কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাটি জানিয়েছে, নির্ধারিত তারিখে অভিযুক্তদের আদালতে পেশ করা হয়নি। বহরমপুর (Murshidabad) সেন্ট্রাল কারেকশনাল হোমের সুপার একটি রিপোর্ট পেশ করে জানিয়েছেন, পুলিশের এসকর্ট বা পাহারা না পাওয়ার কারণে ৩১ জন বিচারাধীন বন্দিকে আদালতে হাজির করা সম্ভব হয়নি।

    আদালতের পর্যবেক্ষণ ও নির্দেশ

    আদালত স্পষ্ট ভাবে জানিয়েছে, পূর্ববর্তী বিচার বিভাগীয় নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও স্থানীয় পুলিশ এসকর্ট প্রদানে ব্যর্থ হওয়ায় অভিযুক্তদের হাজির করা যায়নি। আদালত মন্তব্য করেছে, এধরনের গাফিলতি তদন্ত প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করে এবং আদালতের নির্দেশের অবমাননা করে। পরিস্থিতি বিবেচনা করে আদালত বেশ কিছু কঠোর নির্দেশ জারি করেছে। যথা-

    • ১. মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) পুলিশ সুপারকে (SP) এনআইএ-র অসহযোগিতার অভিযোগের প্রেক্ষিতে ব্যক্তিগতভাবে একটি বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে।
    • ২. বহরমপুর সেন্ট্রাল কারেকশনাল হোমের সুপারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে ১২ ফেব্রুয়ারির মধ্যে অভিযুক্তদের অবশ্যই আদালতে হাজির করা হয়।
    • ৩. মুর্শিদাবাদের এসপি-কে পরবর্তী শুনানির জন্য পর্যাপ্ত পুলিশ এসকর্টের ব্যবস্থা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
    • ৪. বেলডাঙা থানার তদন্তকারী কর্মকর্তাকে (IO) ব্যক্তিগতভাবে আদালতে হাজির হতে বলা হয়েছে এবং গত ৩০ জানুয়ারি আদালতের নির্দেশ কেন পালন করা হয়নি, তার লিখিত ব্যাখ্যাও দিতে বলা হয়েছে।

    বিগত কয়েক বছর ধরেই পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলোর (NIA) মধ্যে সম্পর্কের টানাপোড়েন চলছে। লক্ষ্য করা যাচ্ছে, বিশেষ করে রাজনৈতিক বা সাম্প্রদায়িক হিংসার ঘটনাগুলোতে পুলিশ চরম অসহযোগিতা করছে। আদালতের এই হস্তক্ষেপ প্রাতিষ্ঠানিক সংঘাতের তালিকায় একটি নতুন মাত্রা যোগ করল।

  • Chennai: বার্ড ফ্লু সংক্রমণ! চেন্নাইয়ে হাজারের বেশি কাকের মৃত্যু, দ্রুত পদক্ষেপের নির্দেশ কেন্দ্রের

    Chennai: বার্ড ফ্লু সংক্রমণ! চেন্নাইয়ে হাজারের বেশি কাকের মৃত্যু, দ্রুত পদক্ষেপের নির্দেশ কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চেন্নাই (Chennai) জুড়ে হাজারের বেশি কাকের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। পরীক্ষায় মৃত কাকদের শরীরে এইচ৫এন১ (H5N1 Avian Influenza) এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের উপস্থিতির নমুনা পাওয়া গিয়েছে। এই অঞ্চলে বার্ড ফ্লুর বিস্তার রোধে স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ তৎপর হয়েছে এবং সাধারণ মানুষের জন্য প্রশাসনের তরফে একটি নির্দেশিকা বা সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় পশুপালন মন্ত্রক তামিলনাড়ুর মুখ্যসচিবকে চিঠি লিখেছে এবং সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে দ্রুত নজরদারি চালানোর নির্দেশ দিয়েছে।

    প্রশাসনের দ্রুত পদক্ষেপ (Chennai)

    শুক্রবার চেন্নাইয়ের (Chennai) বিভিন্ন স্থানে বিপুল সংখ্যক কাক মৃত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা গিয়েছে। পরীক্ষার পর যখন এইচ৫এন১ (H5N1 Avian Influenza) ভাইরাসের অস্তিত্ব প্রমাণিত হয়, তখন থেকেই সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বায়ো-সিকিউরিটি প্রোটোকল অনুযায়ী মৃত কাক এবং পোল্ট্রি পাখিদের পুড়িয়ে ফেলা অথবা মাটির গভীরে পুঁতে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    জনসাধারণের জন্য নির্দেশিকা

    সাধারণ মানুষকে মৃত পাখি না ছোঁয়ার জন্য কঠোরভাবে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কোথাও কোনও মৃত পাখি দেখা গেলে অবিলম্বে স্থানীয় প্রশাসনকে (Chennai) জানানোর জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। এই পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে কেন্দ্রীয় পশুপালন মন্ত্রক তামিলনাড়ুর মুখ্য সচিবকে চিঠি লিখেছে এবং সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে দ্রুত নজরদারি চালানোর নির্দেশ দিয়েছে।

    এইচ৫এন১ (H5N1) আসলে কী?

    এইচ৫এন১ (H5N1 Avian Influenza) হল ইনফ্লুয়েঞ্জা-এ ভাইরাসের একটি অত্যন্ত শক্তিশালী ধরণ, যা মূলত পাখিদের, বিশেষ করে গৃহপালিত মুরগি এবং বন্য পাখিকে সংক্রমিত করে। এটি সাধারণ মানুষের কাছে ‘বার্ড ফ্লু’ নামে পরিচিত। এটি পাখিদের মধ্যে খুব দ্রুত ছড়ায় এবং এতে আক্রান্ত পাখির মৃত্যুর হার অনেক বেশি।

    কতটা বিপজ্জনক?

    যদিও এইচ৫এন১ (H5N1 Avian Influenza) প্রধানত পাখিদের আক্রমণ করে, তবে আক্রান্ত পাখির সংস্পর্শে এলে এটি মানুষ বা অন্যান্য প্রাণীর শরীরেও ছড়াতে পারে। মানুষের ক্ষেত্রে এই সংক্রমণ বিরল হলেও এটি অত্যন্ত গুরুতর হতে পারে। অতীতে মানুষের শরীরে এই ভাইরাসের সংক্রমণে নিউমোনিয়ার মতো মারাত্মক শ্বাসকষ্টের সমস্যা দেখা গেছে এবং এতে মৃত্যুর হার সাধারণ ফ্লুর তুলনায় অনেক বেশি। এই কারণেই বার্ড ফ্লু দেখা দিলে প্রশাসন (Chennai) কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করে।

  • PM Modi: “অনুপ্রবেশকারীদের রক্ষা করতে তৃণমূল আদালতে যাচ্ছে”, রাজ্যসভায় মমতাকে নিশানা মোদির

    PM Modi: “অনুপ্রবেশকারীদের রক্ষা করতে তৃণমূল আদালতে যাচ্ছে”, রাজ্যসভায় মমতাকে নিশানা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR) শুনানির সময় পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) যুক্তিকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তীব্র সমালোচনা করেছেন। অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের রক্ষা করতে তৃণমূল আদালতে যাচ্ছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজ্যসভায় প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) রাজ্যের তৃণমূল সরকারকে নির্মম সরকার বলে ঘোষণা করেছেন।

    পতনের সমস্ত রাস্তা তৈরি (PM Modi)

    যদিও মমতার নাম সরাসরি উল্লেখ করেননি প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi)। মুখ্যমন্ত্রী মমতা (Mamata Banerjee) বুধবার  প্রধান বিচারপতির বেঞ্চের সামনে এসআইআরের বিরুদ্ধে যুক্তি দিয়েছিলেন এবং নির্বাচনের আগে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগও করেছিলেন। প্রধানমন্ত্রী মোদি এদিন নিজের ভাষণে বলেন, “পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল সরকার নিষ্ঠুর সরকার, নির্মম সরকার। কেবল ক্ষমতার জন্য চিন্তা করে, জনগণের জন্য নয়। একটি নির্মম সরকার পতনের সমস্ত রাস্তা তৈরি করেছে। এটাও একটা নতুন রেকর্ড। পশ্চিমবঙ্গের জনগণের ভবিষ্যৎ অন্ধকারে ডুবে যাচ্ছে, কিন্তু রাজ্যের নিরাপত্তা এবং সুরক্ষা নিয়ে কোনও চিন্তা করছেন না। ক্ষমতায় থাকা ছাড়া তাদের আর কোনও আকাঙ্খা নেই।”

    চাকরি এবং জীবিকা কেড়ে নিচ্ছে

    মোদি (PM Modi) আরও বলেন, “বিশ্বের সবচেয়ে সমৃদ্ধ দেশগুলিও তাদের দেশ থেকে অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের বিতাড়িত করছে। তবে আমাদের দেশে, কিছু গোষ্ঠী অনুপ্রবেশকারীদের রক্ষা করার জন্য ইচ্ছাকৃত এবং সংগঠিত প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। আমাদের দেশের যুবসমাজ কীভাবে এমন নেতাদের গ্রহণ করতে পারে যারা অবৈধ অনুপ্রবেশের পক্ষে গুণগান করে পক্ষা অবলম্বন করছেন। দেশের যুবসমাজের জন্য সুযোগগুলো অবৈধভাবে কেড়ে নিচ্ছে এই অনুপ্রবেশকারীরা। অনুপ্রবেশকারীরা তাদের চাকরি এবং জীবিকা কেড়ে নিচ্ছে, উপজাতি সম্প্রদায়ের জমি দখল করছে এবং আমাদের ছেলেমেয়েদের নিরাপত্তা এবং ভবিষ্যতের জন্য হুমকি তৈরি করছে।”

    নিজেদের পকেট ভরার জন্য কাজ করেছে

    পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য নির্বাচনের আগে তৃণমূলকে কোণঠাসা করার জন্য বিজেপি যে রাজনৈতিক ইস্যুগুলিকে কাজে লাগাচ্ছে তার মধ্যে অনুপ্রবেশ অন্যতম। বিজেপি এসআইআর প্রক্রিয়াকে সমর্থন করে, যার তীব্র বিরোধিতা করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। তাঁদের অভিযোগ তাড়াহুড়ো করে প্রচুর নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে। বুধবার সুপ্রিম কোর্টে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) একই যুক্তি উত্থাপন করেছিলেন।

    প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi) তৃণমূল এবং তাদের বিরোধী জোটের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগও করেছেন।  রাজ্যসভায় রাষ্ট্রপতির ভাষণের উপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “কংগ্রেস, তৃণমূল, ডিএমকে, বা বামপন্থী, তারা কয়েক দশক ধরে কেন্দ্রে ক্ষমতায় রয়েছে এবং রাজ্যগুলিতে সরকার পরিচালনার সুযোগও পেয়েছে। তারা কেবল নিজেদের পকেট ভরার জন্য কাজ করেছে; নাগরিকদের জীবনে পরিবর্তন আনা কখনই তাদের অগ্রাধিকার ছিল না।”

  • UIDAI: আড়াই কোটি মৃত ব্যক্তির আধার নিষ্ক্রিয় করেছে ইউআইডিএআই, সংসদে তথ্য পেশ কেন্দ্রের

    UIDAI: আড়াই কোটি মৃত ব্যক্তির আধার নিষ্ক্রিয় করেছে ইউআইডিএআই, সংসদে তথ্য পেশ কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউআইডিএআই (UIDAI) মৃত ব্যক্তিদের আধার (AADHAAR) বাতিল অভিযানে বিরাট পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এখনও পর্যন্ত আড়াই কোটি মৃত ব্যক্তির আধার বাতিল করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ভারতের ব্যক্তি পরিচয় কর্তৃপক্ষ (UIDAI) একটি বড় পরিচ্ছন্নতা অভিযানে আড়াই কোটিরও বেশি মৃত ব্যক্তির আধার নম্বর নিষ্ক্রিয় করার পদক্ষেপ করেছে, যা ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহল। ইলেকট্রনিক্স এবং তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রক সংসদে জানিয়েছে, ডেটাবেসের নির্ভুলতা এবং অখণ্ডতা বজায় রাখার জন্য এই অভিযান চালানো হয়েছে।

    দ্বিতীয় বৃহৎ শুদ্ধিকরণ প্রক্রিয়া (UIDAI)

    পিআইবি-র এক বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, ভারতের রেজিস্ট্রার জেনারেল এবং রাজ্য-স্তরের নাগরিক নিবন্ধন ডেটাবেস (UIDAI) দ্বারা প্রদত্ত যাচাইকৃত মৃত্যুর রেকর্ড ব্যবহার করে এই নিষ্ক্রিয়করণ করা হয়েছে। সম্প্রতি গত কয়েক মাসে এটি দ্বিতীয় বৃহৎ শুদ্ধিকরণ প্রক্রিয়া। ২০২৫ সালের শেষ থেকে এখনও পর্যন্ত মোট আড়াই কোটি মৃত ব্যক্তির আধার (AADHAAR) নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে।

    পরিচয় জালিয়াতি রোধ করতে অভিযান

    ইউআইডিএআই (UIDAI)-এর আধার ডেটাবেস হল বিশ্বের বৃহত্তম বায়োমেট্রিক পরিচয় ব্যবস্থা, যেখানে ১৩৪ কোটিরও বেশি সক্রিয় আধারধারী রয়েছে। মৃত ব্যক্তিদের সঙ্গে সংযুক্ত নম্বরগুলি সরিয়ে, কর্তৃপক্ষ সম্ভাব্য পরিচয় জালিয়াতি রোধ করতে বিশেষ ভাবে সচেষ্ট। ভুয়ো আধারে যাতে সরকারি সুবিধা না পান তাই স্বচ্ছতা অবশ্যই প্রয়োজন। সরকারি প্রকল্পের বণ্টন ব্যবস্থাকে আরও সঠিক এবং কার্যকর করতে ইউআইডিএআই-র পদক্ষেপ ভীষণ ভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

    ইউআইডিএআই (UIDAI) বায়োমেট্রিক লকিং, লাইভনেস ডিটেকশন সহ ফেস অথেনটিকেশন, অফলাইন কিউআর (QR) কোড যাচাইকরণ এবং অনুমোদনহীন অ্যাক্সেস থেকে রক্ষা করার জন্য নিয়মিত ডি-ডুপ্লিকেশন প্রক্রিয়া সহ শক্তিশালী সুরক্ষা বৈশিষ্ট্যগুলিও তুলে ধরেছে। মৃত ব্যক্তিদের আধার (AADHAAR) নম্বরের নিয়মিত ডি-ডুপ্লিকেশন এবং ডিঅ্যাক্টিভেশনের মতো কাজ ইউআইডিএআই-এর কাছে ডেটাবেস স্যানিটাইজেশন অনুশীলনের একটি অংশ মাত্র। এটা একটি সাধারণ প্রক্রিয়া যা সময়ে সময়ে আপডেট বা সংস্করণ হয়ে থাকে।

  • Ramakrishna 574: “ধ্যানের অবস্থা কিরকম জানো? মনটি হয়ে যায় তৈলধারায় ন্যায়, এক চিন্তা, ঈশ্বরের; অন্য কোন চিন্তা আর ভিতর আসবে না”

    Ramakrishna 574: “ধ্যানের অবস্থা কিরকম জানো? মনটি হয়ে যায় তৈলধারায় ন্যায়, এক চিন্তা, ঈশ্বরের; অন্য কোন চিন্তা আর ভিতর আসবে না”

                 ৫২ শ্যামপুকুর বাটীতে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ১৮ই অক্টোবর
    শ্রীরামকৃষ্ণ—Sir Humphrey Davy ও অবতারবাদ

    শ্রীরামকৃষ্ণ ও ‘জগতের উপকার’ বা কর্মযোগ 

    তৃতীয় পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ১৮ই অক্টোবর

    নিত্যলীলা যোগ

    Identity of the Absolute or the Universal Ego and the Phenomenal World 

    বৈকাল হইয়াছে, ডাক্তার আসিয়াছেন। অমৃত (ডাক্তারের ছেলে) ও হেম, ডাক্তারের সঙ্গে আসিয়াছেন। নরেন্দ্রাদি ভক্তেরাও উপস্থিত আছেন। ঠাকুর (Ramakrishna) নিভৃতে অমৃতের সঙ্গে কথা কহিতেছেন। জিজ্ঞাসা করিতেছেন, “তোমার কি ধ্যান হয়?” আর বলিতেছেন, “ধ্যানের অবস্থা কিরকম জানো? মনটি হয়ে যায় তৈলধারায় ন্যায়। এক চিন্তা, ঈশ্বরের; অন্য কোন চিন্তা আর ভিতর আসবে না।” এইবার ঠাকুর সকলের সঙ্গে কথা কহিতেছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (ডাক্তারের প্রতি) — তোমার ছেলে অবতার মানে না। তা বেশ। নাই বা মানলে।

    “তোমার ছেলেটি বেশ। তা হবে না? বোম্বাই আমের গাছে কি টোকো আম হয়? তার ঈশ্বরে কেমন বিশ্বাস! যার ঈশ্বরে মন সেই তো মানুষ। মানুষ — আর মানহুঁশ। যার হুঁশ আছে, চৈতন্য আছে, সে নিশ্চিত জানে, ঈশ্বর সত্য আর সব অনিত্য — সেই মানহুঁশ। তা অবতার মানে না, তাতে দোষ কি?

    “ঈশ্বর (Ramakrishna); আর এ-সব জীবজগৎ, তাঁর ঐশ্বর্য। এ মানলেই হল। যেমন বড় মানুষ আর তার বাগান।

    “এরকম আছে, দশ অবতার, — চব্বিশ অবতার, — আবার অসংখ্য অবতার। যেখানে তাঁর বিশেষ শক্তি প্রকাশ, সেখানেই অবতার! তাই তো আমার মত (Kathamrita)।

    “আর-এক আছে, যা কিছু দেখছো এ-সব তিনি হয়েছেন। যেমন বেল, — বিচি, খোলা, শাঁস — তিন জড়িয়ে এক। যাঁর নিত্য তাঁরই লীলা; যাঁর লীলা তাঁরই নিত্য। নিত্যকে ছেড়ে শুধু লীলা বুঝা যায় না। লীলা আছে বলেই ছাড়িয়া ছাড়িয়ে নিত্যে পৌঁছানো যায়।

    “অহং বুদ্ধি যতক্ষণ থাকে, ততক্ষণ লীলা ছাড়িয়ে যাবার জো নাই। নেতি নেতি করে ধ্যানযোগের ভিতর দিয়ে নিত্যে পৌঁছানো যেতে পারে। কিন্তু কিছু ছাড়বার জো নাই। যেমন বললাম, — বেল।”

    ডাক্তার — ঠিক কথা (Kathamrita)।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—কচ নির্বিকল্পসমাধিতে রয়েছেন। যখন সমাধিভঙ্গ হচ্ছে একজন জিজ্ঞাসা করলে, তুমি এখন কি দেখছো? কচ বললেন, দেখছি যে জগৎ যেত তাঁতে জরে রয়েছে! তিনিই পরিপূর্ণ! যা কিছু দেখছি সব তিনিই হয়েছেন। এর ভিতর কোন্‌টা ফেলব, কোন্‌টা লব, ঠিক করতে পাচ্ছি না।

    “কি জানো — নিত্য আর লীলা দর্শন করে, দাসভাবে থাকা। হনুমান সাকার-নিরাকার সাক্ষাৎকার করেছিলেন। তারপরে, দাসভাবে — ভক্তের ভাবে — ছিলেন।”

    মণি (স্বগতঃ) — নিত্য, লীলা দুই নিতে হবে। জার্মানিতে বেদান্ত যাওয়া অবধি ইউরোপীয় পণ্ডিতদের কাহারও কাহারও এই মত। কিন্তু ঠাকুর বলেছেন (Kathamrita), সব ত্যাগ — কামিনী-কাঞ্চনত্যাগ—না হলে নিত্য-লীলার সাক্ষাৎকার হয় না। ঠিক ঠিক ত্যাগী। সম্পূর্ণ অনাসক্তি। এইটুকু হেগেল প্রভৃতি পণ্ডিতদের সঙ্গে বিশেষ তফাত দেখছি।

  • PM MODI: “৮৩ বছর বয়সী সাংসদ মল্লিকার্জুন বসেই স্লোগান দিন”, কটাক্ষ মোদির

    PM MODI: “৮৩ বছর বয়সী সাংসদ মল্লিকার্জুন বসেই স্লোগান দিন”, কটাক্ষ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যসভায় (Rajya Sabha) বিরোধী সাংসদদের হট্টগোলের মধ্যে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গেকে কটাক্ষ করে বলেন, “বয়সের কথা বিবেচনা করে বসেই স্লোগান দিতে পারেন।”

    রাজ্যসভায় বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টার দিকে রাষ্ট্রপতির ভাষণের উপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের জবাবী ভাষণ দেন  প্রধানমন্ত্রী (PM MODI)। কিন্তু লোকসভায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছিল বিরোধীরা। বিরোধী দলের সদস্যদের তাঁর চেয়ার ঘিরে থাকার কারণে বক্তব্য রাখতে পারেননি মোদি।

    বয়সের কারণে বসে স্লোগান দিতে পারেন (PM MODI)

    এদিন প্রধানমন্ত্রীর (PM MODI) বক্তব্য শুরু হওয়ার পর বিরোধী দলের সাংসদরা উচ্চস্বরে স্লোগান দিতে শুরু করে। লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীকে বক্তব্য রাখার অনুমতি দেওয়ার দাবিতে তুমুল হৈহট্টগোল শুরু হয়। স্লোগান চলার সময়, প্রধানমন্ত্রী মোদি থেমে যান এবং রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতা খাড়গে-র কথা উল্লেখ করেন এবং বলেন, “৮৩ বছর বয়সী এই সাংসদ বয়সের কারণে বসে স্লোগান দিতে পারেন।”

    ভাবমূর্তি পরিবর্তন করতে সময় লেগেছে

    প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM MODI) ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সাম্প্রতিক বাণিজ্য চুক্তির কথা উল্লেখ করেন। এরপর বিরোধীরা আবারও সমালোচনা করে এবং ওয়াকআউট করে। প্রধানমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, “কংগ্রেস ২০১৪ সালে একটা জগাখিচুড়ি রেখে গিয়েছিল এবং এখন আমাদের সরকারকে সেটা পরিষ্কার করার জন্য অনেক প্রচেষ্টা করতে হয়েছে। তাদের কারণেই ভারতের একটি অস্বচ্ছ ভাবমূর্তি তৈরি হয়েছিল। আমাকে সেই ভাবমূর্তি পরিবর্তন করতে অনেকটা সময় ব্যয় করতে হয়েছিল। পরিস্থিতি এতটাই খারাপ ছিল যা বালার বাইরে।”

    বোফর্স কেলেঙ্কারি কংগ্রেসের বড় কেলেঙ্কারি

    রাজ্যসভায় (Rajya Sabha) কংগ্রেস, তৃণমূল কংগ্রেস, বামপন্থী এবং ডিএমকে সহ দলগুলিকে প্রশ্নবিদ্ধ করে প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM MODI) বলেন, “কয়েক দশক ধরে কেন্দ্র এবং রাজ্যে শাসন করেছে কংগ্রেস ও তার সহযোগী দলগুলি কিন্তু মূলত দুর্নীতির জন্যই। এখনও, যখন মানুষ তাদের সম্পর্কে কথা বলে, তারা বাণিজ্য চুক্তির কথা বলে না। তারা বোফর্সের মতো চুক্তির কথা বলে। বোফর্স কেলেঙ্কারি ভারতের স্বার্থের বিপরীতে ছিল। মার্কিন চাপের কাছে নতি স্বীকার করেছিল কংগ্রেস। যার বিস্তারিত এখনও প্রকাশ করা হয়নি। বিরোধীরা দাবি করেছে যে চুক্তির কারণে কৃষকদের স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত হবে, তবে কেন্দ্র সরকারের সম্পূর্ণ আশ্বাস যে কৃষি এবং দুগ্ধজাত পণ্যের মতো ক্ষেত্রগুলি সুরক্ষিত থাকবে। প্রকল্পগুলি সফলভাবে বাস্তবায়নের উপর আমাদের সরকারের মনোযোগের সঙ্গে জোর দিয়েছে। কংগ্রেস কেবল কল্পনা করে এবং বাস্তবায়নের বিষয়ে কিছুই করে না।”

  • Laxmi Bhandar: মমতার দেড় হাজার নয়, বিজেপি ক্ষমতায় এলে মহিলাদের দেবে তিন হাজার টাকা, বড় ঘোষণা শুভেন্দুর

    Laxmi Bhandar: মমতার দেড় হাজার নয়, বিজেপি ক্ষমতায় এলে মহিলাদের দেবে তিন হাজার টাকা, বড় ঘোষণা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের তৃণমূল সরকার বাজেটে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার (Laxmi Bhandar) প্রকল্পে টাকা বৃদ্ধি করেছে। এবার তাকে চ্যালেঞ্জ করে তিন হাজার টাকা করে ভাতা দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে বঙ্গ বিজেপি। বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘরে মন্ত্রীসভার অনুমোদনের পর পেশ হয়েছে রাজ্যের অন্তর্বর্তী বাজেট। তাতে দেখা গিয়েছে জনমোহিনী প্রকল্পের জোয়ার। ভোটের আগে রাজ্যের মহিলা ভোটকে টার্গেট করে যেন কল্পতরু হয়ে উঠেছেন। তবে বিজেপি এই ঘোষণার পাল্টা ঘোষণা করেছে।

    বাংলার মহিলাদের সঙ্গে বৈষম্য কেন? (Laxmi Bhandar)

    এদিন লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পে ভাতার পরিমাণ আরও ৫০০ করে বৃদ্ধির কথা ঘোষণা করেছেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাস থেকেই এই লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের অসংরক্ষিত ক্যাটাগরির মহিলা পাবেন ১ হাজার ৫০০ টাকা। তফশিলি জাতি-উপজাতি পাবেন ১ হাজার ৭০০ টাকা।

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেছেন, “বিজেপি ক্ষমতায় এলে এই টাকা বৃদ্ধি করে তিন হাজার করা হবে। আমি আমাদের সংকল্প কমিটির কনভেনারকে পাশে দাঁড় করিয়ে বলছি, এপ্রিল মাসে বিজেপি সরকার এলে পয়লা জুন আগে আপনাকে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউণ্টে তিন হাজার করে টাকা দেবো। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার (Laxmi Bhandar) কেবলমাত্র ভোটের কথা মাথায় রেখে করা হয়েছে। সিভিক, প্যারা টিচার এবং যুবশ্রী এপ্রিলে হবে। কিন্তু লক্ষ্মী ভাণ্ডার আই প্যাকের বুদ্ধিতে মার্চের মধ্যেও ঢুকিয়ে দেবে। উদ্দেশ্য একটাই ভোট অন অ্যাকাউন্টটা পেশ হয়েছে। গোয়াতে গিয়ে মহিলাদের পাঁচ হাজার টাকা দেবে বলে ঘোষণা করেছিল তৃণমূল। ফলে বাংলার মহিলাদের সঙ্গে বৈষম্য কেন? অধিবেশনে আমি এই মর্মে প্রশ্ন তুলেছিলাম।”

    পয়লা জুনের আগে ঢুকে যাবে টাকা

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) মমতাকে তোপ দেগে আরও বলেন, “লক্ষ্মীর ভাণ্ডার (Laxmi Bhandar) প্রকল্প নাকি এই সরকার দেশে প্রথম চালু করেছে। এই ধরনের প্রকল্প প্রথম চালু হয় মধ্যপ্রদেশে। তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান লাডলি বহেনা চালু করেছিলেন। তারপরে আসামে সর্বানন্দ সোনোয়াল চালু করেন। পরে বিজেপি সরকার থাকা অনেক রাজ্যে এটা চালু হয়েছে। লাখপতি দিদি কেন্দ্রীয় সরকার চালু করেছে। ওড়িশায় সুভদ্রা যোজনায় এককালীন ৫০ হাজার টাকা দেওয়া হয়। মহারাষ্ট্রে ২০০০ টাকা দেওয়া হয়। হরিয়ানায় ২১০০ টাকা দেওয়া হয়। ২১ টি রাজ্যে এরকম মহিলাদের নিয়ে স্কিম রয়েছে। আমি আমাদের সংকল্পপত্র কমিটির কনভেনরকে পাশে দাঁড় করিয়ে বলছি, আমরা অনেক এটা আগেই বলেছি। এপ্রিল মাসে বিজেপি সরকার এলে মে মাসের ক্যাবিনেটে সিদ্ধান্ত নিয়ে পয়লা জুনের আগে আপনাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে তিন হাজার টাকা করে ঢোকাব। এটা মিনিমাম। এটা আরও বাড়তে পারে, কমবে না।”

  • Governor CV Ananda Bose: মাত্র ৫ মিনিটেই রাজ্যপালের ভাষণ শেষ! শুভেন্দু বললেন, “কুর্ণিশ জানাই”

    Governor CV Ananda Bose: মাত্র ৫ মিনিটেই রাজ্যপালের ভাষণ শেষ! শুভেন্দু বললেন, “কুর্ণিশ জানাই”

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রীতি মেনে ভাষণ শুরু করলেও নির্ধারিত সময়ের আগেই বক্তব্য শেষ করে দেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (Governor CV Ananda Bose)। রাজ্যের বাজেট অধিবেশনে এমন ঘটনা নজির বিহীন। রাজ্যপাল বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে জানিয়ে দেন, আর পড়বেন না। রাজ্য বিধানসভায় এই ঘটনা বেনজির। তবে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) রাজ্যপালের সিদ্ধান্তকে পূর্ণ সমর্থন করেছেন। তিনি বলেন, “রাজ্যপাল নিজের মেরুদণ্ড সোজা রেখে, সংবিধান এবং ভারত সরকারকে মর্যাদা দিয়ে যেটা করেছেন, তার জন্য হ্যাটস অফ টু গভর্নর অফ ওয়েস্ট বেঙ্গল, পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপালকে কুর্ণিশ জানাই।”

    পাঁচ মিনিট বক্তব্য রেখেই থেমে যান (Governor CV Ananda Bose)

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) মমতা সরকারকে তীব্র সমালোচনা করে বলেন, “সরকারের লেখা মিথ্যা ভাষণ পড়তে চাননি রাজ্যপাল। তামিলনাড়ুর পর বাংলাতেও এমন ঘটনা দেখা গিয়েছে। বিধানসভায় রাজ্যপাল লে করা মানেই ভাষণটি গ্রহণ করেননি।” জানা গিয়েছে রাজ্যপালের (Governor CV Ananda Bose) ভাষণের জন্য বরাদ্দ সময়ছিল প্রায় ৪৫ মিনিট। কিন্তু কার্যক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে চার থেকে পাঁচ মিনিট বক্তব্য রেখেই থেমে যান। রাজ্য সরকারের দেওয়া ভাষণে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে বিষোদগার করা হয়েছে। তবে এই সব বক্ত্যব্যের পিছনে কোনো সঠিক তথ্য ছিল না। আর সেই কারণেই হয়তো রাজ্যপাল ভাষণের অংশ পাঠ করেননি।

    কথা অসত্য তাই পড়া যাবে না

    বিধানসভায় যখন রাজ্যপাল (Governor CV Ananda Bose) ভাষণ পড়ে থেমে যান সেই সময় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, কেন ভাষণ পড়বেন না, রাজ্যপাল তখন নির্দিষ্ট লাইন তুলে ধরে বলেন এই কথা অসত্য, পড়া যাবে না। এরপর পরিস্থিতি সামাল দিতে ময়দানে নামেন স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে অনুরোধ না শুনে বাইরে বেড়িয়ে যান রাজ্যপাল।

    এর বেশি আমি পড়ব না!

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “ভাষণে লেখা ছিল, ‘দ্য ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান হেল্ড আপ বাই দ্য সেন্টার ফর এ লং টাইম’ অর্থাৎ কেন্দ্রীয় সরকার দীর্ঘদিন ধরে এই প্রকল্প আটকে রেখেছে। উনি ঠিক এই জায়গাতেই থামেন এবং বলেন, ‘আই উইল নট রিড মোর’, এর বেশি আমি পড়ব না। এরপরই তিনি বেরিয়ে যাওয়ার উপক্রম করেন। রাজ্যপাল (Governor CV Ananda Bose) ভাষণে রাজ্যের বকেয়া বা ঋণের বিষয়ে আপত্তি জানাননি। কিন্তু যখনই ‘ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান’-এর প্রসঙ্গ আসে, তখনই তিনি বেঁকে বসেন। এখানেই থেমে থাকেননি শুভেন্দু, তিনি আরও বলেন, “কেন্দ্রীয় সরকার তো আগেই ৫০:৫০ অংশীদারিত্বে এই সেচ প্রকল্পটি করতে বলেছিল। শর্ত ছিল, জমি অধিগ্রহণের পর স্কিম পাঠাতে হবে। রাজ্য সরকার তো জমি অধিগ্রহণই করেনি। রাজ্যপাল কেন এমন একটি বিষয় পড়বেন, যার স্বপক্ষে কোনও ডকুমেন্ট রাজ্যের কাছে নেই? সরকার যা লিখে দেবে, তিনি কি তাই পড়তে বাধ্য?’’

  • Nabanna: নবান্নের আবেদন খারিজ কমিশনের, রাজ্যের আইএএস-আইপিএসদের যেতেই হল প্রশিক্ষণে

    Nabanna: নবান্নের আবেদন খারিজ কমিশনের, রাজ্যের আইএএস-আইপিএসদের যেতেই হল প্রশিক্ষণে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নবান্নের (Nabanna) আবেদন খারিজ করল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। স্বরাষ্ট্রসচিব সহ ২৫ জন অফিসারকে ট্রেনিংয়ে ডাকা হয়েছে। প্রত্যেক আধিকারিককেই নির্ধারিত সময়সূচি মেনে ব্রিফিং বৈঠকে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ব্রিফিং বৈঠক ঘিরে কড়া অবস্থান নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। সেই মোতাবেক রাজ্যের ২৪ আইএএস-আইপিএস অফিসারকে দিল্লি যেতে হল।

    বৈঠকে অংশগ্রহণ করতেই হচ্ছে (Nabanna)

    নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকদের জন্য নির্ধারিত ব্রিফিং বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে। কমিশনের তরফে বলা হয়েছে আগে জমা পড়া ছাড়ের আবেদন বিবেচনার পর তা বাতিল করা হয়েছে। যাদের নামে আবেদন জমা পড়েছিল তাঁদের নির্ধারিত দিন ও সময়ে বৈঠকে অংশগ্রহণ করতে হবে।

    ১৫ জন আইএএস এবং ১০ জন আইপিএস আধিকারিক

    পশ্চিমবঙ্গ, অসম, কেরল, তামিলনাড়ু এবং পদুচেরিতে বিধানসভা নির্বাচন উপলক্ষে পশ্চিমবঙ্গের ২৫ জন সিনিয়র অফিসারকে কেন্দ্রীয় অবজারভার হিসেবে নিয়োগের তালিকা প্রকাশ করেছে কমিশন। ওই তালিকায় রয়েছেন রাজ্যের বর্তমান স্বরাষ্ট্রসচিব জগদীশ প্রসাদ মিনা সহ ১৫ জন আইএএস এবং ১০ জন আইপিএস আধিকারিক। এই সিদ্ধান্তকে পুর্বিবেচনার আবেদন জানিয়েছ নবান্ন কমিশনের কাছে আর্জি জানিয়েছিল। এই আবেদনকে খারিজ করেছে নির্বাচন কমিশন। তবে, রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর জানিয়েছে, শারীরিক অসুস্থতার কারণে আইপিএস হৃষীকেশ মীনাকে বৈঠক ও প্রশিক্ষণপর্বে যোগ দিতে হবে না। ফলে, ২৫ জনের মধ্যে ২৪ জনকেই দিল্লি যেতে হচ্ছে।

    রাজ্যের আবেদন মানা সম্ভব নয়

    রাজ্যের অবশ্য দাবি ছিল, ভোটের মুখে প্রথম সারির প্রশাসনিক (Nabanna) আধিকারিকদের বৈঠকে পাঠানো হলে রাজ্যের আইন শৃঙ্খলা এবং প্রশাসনিক ব্যবস্থায় বিঘ্ন ঘটতে পারে। তাই বিকল্প ১৭ জন আধিকারিকদের দায়িত্ব দেওয়ার কথা বলে হয়েছিল। কমিশন বুধবার স্পষ্ট করে জানিয়েছে এই মুহূর্তে রাজ্যের কোনও আবেদন মানা সম্ভব নয়। যাদের নামে আবেদন জমা পড়েছে তাঁদের নির্ধারিত দিন এবং সময়ে বৈঠকে অংশ গ্রহণ করতেই হবে। কমিশনের নির্দেশ সকল আধিকারিকদের নজরে আসতে হবে। প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের কর্মীদের মধ্যে যাতে কোনও বিভ্রান্তি না থাকে সেই জন্য এই নির্দেশিকা দ্রুত কার্যকর করতে বলা হয়েছে।

LinkedIn
Share