Tag: Bengali news

Bengali news

  • Washington Post: এক ঝটকায় ৩০ শতাংশ কর্মী ছাঁটাই করল ওয়াশিংটন পোস্ট, কেন জানেন?

    Washington Post: এক ঝটকায় ৩০ শতাংশ কর্মী ছাঁটাই করল ওয়াশিংটন পোস্ট, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কর্মী ছাঁটাই করল জেফ বেজোসের মালিকানাধীন ওয়াশিংটন পোস্ট (Washington Post)।  তাদের মোট কর্মশক্তির প্রায় ৩০ শতাংশ ছাঁটাই করছে। এই ব্যাপক ছাঁটাইয়ের প্রভাব পড়বে বিদেশনীতি ও ক্রীড়া বিষয়ক প্রতিবেদনের ক্ষেত্রে। বিশেষ করে এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে পত্রিকাটির বহু রিপোর্টিং কার্যকলাপ মার খাবে (Mass Layoffs)।

    ছাঁটাইয়ের তালিকায় (Washington Post)

    এক্স হ্যান্ডেলে সাংবাদিকরা জানিয়েছেন, ছাঁটাইয়ের তালিকায় রয়েছেন ওয়াশিংটন পোস্টের এশিয়া সম্পাদক, নয়াদিল্লি, সিডনি ও কায়রোর ব্যুরো প্রধানরা, চিন ও তুরস্কের সংবাদদাতারা এবং মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক পুরো রিপোর্টিং টিম। সাংবাদিকদের মতে, এই সিদ্ধান্তের ফলে গ্লোবাল সাউথের বড় একটি অংশ থেকে স্বাধীনভাবে সংবাদ সংগ্রহ করার ক্ষমতা হারাবে পত্রিকাটি। পত্রিকার এক্সিকিউটিভ এডিটর ম্যাট মারি বলেন, “এই ছাঁটাই নিউজরুমে স্থিতিশীলতা আনার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে।” তবে প্রত্যাশিতভাবেই এই ঘোষণা কর্মীদের পাশাপাশি পত্রিকার একাধিক প্রাক্তন শীর্ষ কর্তার তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে। তাঁদের মধ্যে একজন এই ঘটনাকে পত্রিকার ইতিহাসের সবচেয়ে অন্ধকার দিনগুলির একটি বলে উল্লেখ করেছেন।

    আন্তর্জাতিক সংবাদ কভারেজ টিম

    মারে এও বলেন, “পোস্টের আন্তর্জাতিক সংবাদ কভারেজ টিম ছোট করা হলেও, প্রায় ১২টি ব্যুরো চালু থাকবে, যেগুলির মূল ফোকাস থাকবে জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়ে। সাম্প্রতিক বছরগুলিতে সংবাদপত্রটিতে (Washington Post) একের পর এক কর্মী ছাঁটাই ও স্বেচ্ছাবসর কর্মসূচির ধারাবাহিকতারই সর্বশেষ উদাহরণ এই সিদ্ধান্ত। সাবস্ক্রিপশন কমে যাওয়া এবং আর্থিক চাপের মুখে পড়েই এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে (Mass Layoffs)।” সাম্প্রতিক বছরগুলিতে কর্মীসংখ্যা হ্রাস ও স্বেচ্ছাবসর কর্মসূচির ধারাবাহিকতারই অংশ এই ছাঁটাই। সাবস্ক্রিপশন কমে যাওয়া ও আর্থিক চাপের সঙ্গে লড়াই করছে পত্রিকাটি। ২০২৪ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ঠিক আগে ওয়াশিংটন পোস্ট বড় ধাক্কা খায়, যখন ডিজিটাল গ্রাহকদের একাংশ সাবস্ক্রিপশন বাতিল করেন এবং একাধিক কলামিস্ট পদত্যাগ করেন।

    সম্পাদকীয় অনুমোদন আটকে দেন বেজোস, তারপরেই…

    এই পরিস্থিতির সূচনা হয় পত্রিকার মালিক জেফ বেজোস উপ-রাষ্ট্রপতি কমলা হ্যারিসকে প্রেসিডেন্ট পদে সমর্থনের সম্পাদকীয় অনুমোদন আটকে দেওয়ার সিদ্ধান্ত ঘোষণার পর। মিডিয়া রিপোর্ট অনুযায়ী, ছাঁটাইয়ের আওতায় পড়া কর্মীরা ১০ এপ্রিল পর্যন্ত বেতন পাবেন, তবে এই সময়ে তাঁদের কাজ করতে হবে না। পাশাপাশি তাঁরা ছ’মাসের স্বাস্থ্য বিমার সুবিধাও পাবেন (Mass Layoffs)। ওয়াশিংটন পোস্টের এই সঙ্কটের সম্পূর্ণ উল্টো ছবি দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসের। পত্রিকাটি জানিয়েছে, ৪ ফেব্রুয়ারির তথ্য বলছে, তারা ২০২৫ সালে প্রায় ১৪ লাখ নতুন সাবস্ক্রাইবার যুক্ত করেছে (Washington Post)।

     

  • Election Commission: সোমবারের মধ্যেই জবাব তলব, নবান্নকে কড়া চিঠি নির্বাচন কমিশনের, কেন জানেন?

    Election Commission: সোমবারের মধ্যেই জবাব তলব, নবান্নকে কড়া চিঠি নির্বাচন কমিশনের, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবারই এসআইআর মামলার শুনানিতে সুপ্রিম কোর্টে নিজেই সওয়াল করেছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Election Commission)। গায়ে কালো গাউন চাপিয়ে আদালতে হাজির হয়েছিলেন তিনি (Mamata Banerjee)। সাংবিধানিক একটি প্রক্রিয়ার জন্য কোনও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সটান সুপ্রিম কোর্টে চলে গেলেন দেখে, হইচই পড়ে যায় গোটা দেশে। সোমবার ফের শুনানি হবে এসআইআর মামলার। তার আগেই বুধবার সন্ধ্যায় নবান্নকে কড়া চিঠি দিল নির্বাচন কমিশন। কমিশন সাফ জানিয়ে দিয়েছে, সোমবারের মধ্যেই তাদের চিঠির জবাব দিতে হবে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, নির্বাচন কমিশনের এই চিঠির বার্তাটি পরিষ্কার। মমতা যেমন নির্বাচন কমিশনকে ‘হোয়াটসঅ্যাপ কমিশন’ বলে খোঁচা দিয়ে এসআইআরের উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন, তেমনি কমিশনও পাল্টা জবাবে যেন বলতে চাইছে, তাঁর সরকারও সমানে অনিয়ম চালিয়ে যাচ্ছে। রাজ্যের মুখ্যসচিবকে পাঠানো চিঠিতে নির্বাচন কমিশন সাফ জানিয়ে দিয়েছে, একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ এখনও মানেনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার।

    পাঁচটি গুরুতর অসহযোগিতা (Election Commission)

    কমিশনের ওই চিঠিতে সব মিলিয়ে পাঁচটি গুরুতর অসহযোগিতার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। কমিশনের অভিযোগ, দুজন ইআরও, দুজন এইআরও এবং একজন ডেটা এন্ট্রি অপারেটরের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এক এইআরও এবং বিডিওর বিরুদ্ধে অননুমোদিতভাবে অতিরিক্ত এইআরও নিয়োগের অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও তাঁকে এখনও সাসপেন্ড করা হয়নি। তিন জন ইলেক্টোরাল রোল অবজার্ভার বদলির সিদ্ধান্ত বাতিল করা হয়নি, যা কমিশনের নির্দেশের পরিপন্থী (Election Commission)। কমিশনের নির্ধারিত নিয়ম না মেনে এসডিও বা এসডিএম স্তরের আধিকারিকদের ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে। একইভাবে, রিটার্নিং অফিসার নিয়োগেও নির্দেশিকা মানা হয়নি বলে অভিযোগ। কমিশনের ওই চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, এই সব ক্ষেত্রে সুপ্রিম কোর্টের একাধিক নির্দেশ ও নির্বাচন কমিশনের পূর্ববর্তী চিঠি উপেক্ষা করা হয়েছে। ফলে বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে কমিশন।

    সমসসীমাও বেঁধে দিয়েছে কমিশন

    এজন্য কমিশন সমসসীমাও বেঁধে দিয়েছে। জানিয়ে দিয়েছে, ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, সোমবার দুপুর ৩টের মধ্যে এই সব বিষয়ের বিস্তারিত কমপ্লায়েন্স রিপোর্ট জমা দিতে হবে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জবাব না এলে পরবর্তী কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে বলেও ইঙ্গিত। নির্বাচন কমিশনের দফতরের (Election Commission) এক আধিকারিক বলেন, “নির্বাচন কমিশনের জারি করা গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ লিখিত বা বিজ্ঞপ্তি দিয়েই জানানো হয়। কিন্তু প্রতিটি কাজের জন্য লিখিত নির্দেশ পাঠানো যায় না। এখন তথ্য এবং বার্তা দ্রুত পাঠানোর অন্যতম মাধ্যম হোয়াটসঅ্যাপ (Mamata Banerjee)। কাজের সুবিধার্থে জেলার আধিকারিকদের হোয়াটসঅ্যাপে কোনও কিছু বলা হয়। এর মধ্যে অনিয়মের কিছু নেই।” তিনি বলেন, “সব জেলাশাসককে বলা হয়েছে, তাৎক্ষণিক কাজের সুবিধার জন্য হোয়াটসঅ্যাপে কিছু নির্দেশ দেওয়া হয়। কারও কোনও আপত্তি থাকলে তিনি জানাতে পারেন। তবে নিয়ম মোতাবেক প্রথমে তাঁকে নির্দেশ পালন করতে হবে। তার পরে তিনি লিখিত নির্দেশ চাইতে পারবেন।” তবে এখনও পর্যন্ত কোনও জেলাশাসক বা জেলা আধিকারিক এই নির্দেশের বিরোধিতা করেননি বলেই সূত্রের খবর (Election Commission)।

     

  • Donald Trump: ট্রাম্পের কড়া ভিসা নীতির জের, ভারতেই বিশাল অফিস খুলছে গুগলের মূল সংস্থা অ্যালফাবেট

    Donald Trump: ট্রাম্পের কড়া ভিসা নীতির জের, ভারতেই বিশাল অফিস খুলছে গুগলের মূল সংস্থা অ্যালফাবেট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কঠোরতর অভিবাসন নীতির সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে কৌশলগত পদক্ষেপ নিতে চলেছে অ্যালফাবেট। ট্রাম্পের ভিসা কড়াকড়ির জন্য বিকল্প পথ হিসেবে ভারতে তাদের ব্যবসা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়াতে চলেছে গুগলের মূল সংস্থাটি। ট্রাম্প (Donald Trump) প্রশাসনের সিদ্ধান্তের ফলে বাধ্য হয়েই এই সম্প্রসারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে মার্কিন তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থাটি। কারণ এই প্রশাসন এইচ-১বি ভিসা (H 1B Visa) কর্মসূচিতে কড়াকড়ি আরোপ করেছে। মার্কিন প্রযুক্তি সংস্থাগুলি বিদেশ থেকে বিশেষ করে ভারত ও চিন থেকে দক্ষ বিদেশি কর্মীদের নিয়োগ করে। এর জন্য  এইচ-১বি ভিসার ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল তারা। এখন ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন বিধিনিষেধের ফলে অ্যালফাবেটের মতো সংস্থাগুলি প্রতিভার উৎস দেশগুলিতেই তাদের ব্যবসার একটি অংশ সরিয়ে নিতে বাধ্য হচ্ছে।

    অ্যালফাবেটের অফিস (Donald Trump)

    ব্লুমবার্গের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, বেঙ্গালুরুর হোয়াইটফিল্ড প্রযুক্তি করিডরে অ্যালেম্বিক সিটিতে অ্যালফাবেট মোট ২৪ লক্ষ বর্গফুট অফিস স্পেস নিশ্চিত করেছে। এর মধ্যে রয়েছে একটি অফিস টাওয়ার লিজ নেওয়া, যা আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই কর্মীদের জন্য খুলে দেওয়া হবে। পাশাপাশি, আরও দুটি টাওয়ার কেনার অপশন নেওয়া হয়েছে, যেগুলির নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার কথা আগামী বছর। অ্যালফাবেটের এক মুখপাত্রের মতে, সংস্থাটি ইতিমধ্যেই ৬ লক্ষ ৫০ হাজার বর্গফুট অফিস স্পেস লিজ নিয়েছে (Donald Trump)। ‘কেনার-অপশন’ নেওয়ার অর্থ হল—নির্মাণ শেষ হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট সম্পত্তিগুলি কেনার একচেটিয়া অধিকার থাকবে অ্যালফাবেটের হাতে। তবে সংস্থাটি চাইলে ওই সম্পত্তিগুলি না কেনার সিদ্ধান্তও নিতে পারে (H 1B Visa)।

    কর্মসংস্থানের সুযোগ

    জানা গিয়েছে, সব ক’টি নয়া পরিকাঠামো পুরোপুরি ব্যবহার করা হলে প্রায় ২০ হাজার অতিরিক্ত কর্মী কাজ করতে পারবেন। এর ফলে ভারতে অ্যালফাবেটের কর্মীসংখ্যা দ্বিগুণেরও বেশি হয়ে যেতে পারে। বর্তমানে বিশ্বজুড়ে অ্যালফাবেটের মোট কর্মী সংখ্যা প্রায় ১ লক্ষ ৯০ হাজার, যার মধ্যে ভারতে কর্মরত ১৪ হাজারের কাছাকাছি। ভারতে এই সম্প্রসারণের মূল কারণ হল প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অধীনে মার্কিন সরকারের এইচ-১বি ভিসার আমূল সংস্কার। গত বছর নতুন এইচ-১বি ভিসার আবেদন ফি বাড়িয়ে ১ লাখ মার্কিন ডলার করা হয়, যা আগে ছিল মাত্র ২ হাজার থেকে ৫ হাজার ডলারের মধ্যে। এই পদক্ষেপের উদ্দেশ্য ছিল মার্কিন কর্মীদের অগ্রাধিকার দেওয়া এবং ট্রাম্পের ভাষায়, বিদেশি আউটসোর্সিং সংস্থাগুলির দ্বারা ‘ব্যবস্থার অপব্যবহার’ রোধ করা।

    বৃহত্তম ক্যাম্পাস ‘অনন্তে’র উদ্বোধন

    এইচ-১বি ভিসার অন্যতম বৃহৎ স্পনসর অ্যালফাবেট দীর্ঘদিন ধরেই ইঞ্জিনিয়ারিং ও এআই উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ পদে এই কর্মসূচির ওপর নির্ভরশীল ছিল। এই পদগুলির বড় অংশে ভারতীয় প্রযুক্তিবিদরা কর্মরত। নতুন বিধিনিষেধ, বাড়তি নজরদারি এবং আউটসোর্সড কাজের ওপর সম্ভাব্য কর আরোপ—সব মিলিয়ে উচ্চদক্ষতার কাজ দ্রুত ভারতের মতো দেশে সরে যাচ্ছে, যেখানে দক্ষ জনবলের প্রাচুর্য রয়েছে এবং খরচ তুলনামূলকভাবে কম (Donald Trump)। ভারতে নতুন অফিস স্পেস অধিগ্রহণের এই সিদ্ধান্ত এসেছে এমন একটা সময়ে, যখন মাত্র এক বছর আগেই অ্যালফাবেট বেঙ্গালুরুতে তাদের বৃহত্তম ক্যাম্পাস ‘অনন্ত’ উদ্বোধন করেছে। এই কৌশল গ্রহণে অ্যালফাবেট একা নয় (H 1B Visa)। ট্রাম্প প্রশাসনের ভিসা বিধিনিষেধ মোকাবিলায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সংস্থা ওপেনএআই এবং অ্যানথ্রপিক পিবিসি (যারা ‘ক্লদ’ তৈরি করে) সম্প্রতি ভারতে তাদের অফিস খুলেছে। পাশাপাশি মেটা, মাইক্রোসফট, অ্যাপল, অ্যামাজন, নেটফ্লিক্স-সহ অন্য প্রযুক্তি জায়ান্টরাও দ্রুত ভারতে তাদের কার্যকলাপ সম্প্রসারণ করছে (Donald Trump)।

    ভিসা-সংক্রান্ত সমস্যার ঝুঁকি

    ভারতে অ্যালফাবেট-সহ বিভিন্ন সংস্থার এই কৌশল শুধু ভিসা-সংক্রান্ত সমস্যার ঝুঁকি কমাচ্ছে না, বরং বিশ্বের সর্বাধিক জনসংখ্যার দেশের ক্রমবর্ধমান ডিজিটাল অর্থনীতির সুবিধাও নিতে সাহায্য করছে। প্রযুক্তি প্রতিভার বৃহত্তম ভান্ডার হওয়ার পাশাপাশি, ভারতে একশো কোটিরও বেশি মোবাইল ব্যবহারকারী রয়েছেন এবং স্বল্পমূল্যে ইন্টারনেট পরিষেবা সহজলভ্য—যা ডিজিটাল অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করেছে। গত মাসে প্রকাশিত ব্লুমবার্গের আর একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্পের ভিসা বিধিনিষেধের ফলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র প্রচুর প্রযুক্তি প্রতিভা হারাচ্ছে এবং তার সুফল পাচ্ছে ভারত। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যদি এই নীতির কারণে ভারতীয় প্রযুক্তি কর্মীরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে না যান বা সেখান থেকে ফিরে আসেন, তবে সবচেয়ে বেশি লাভবান হবে ভারত—এবং এই পরিবর্তন ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে। লিংকডইনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের তৃতীয় ত্রৈমাসিকে ভারতে স্থানান্তরিত হওয়া প্রযুক্তি পেশাদারের  সংখ্যা বেড়েছে ৪০ শতাংশ (H 1B Visa)।

    ফিকি (FICCI) এবং অ্যানারক (ANAROCK)-এর একটি যৌথ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০৩০ সালের মধ্যে ভারতে ২,৪০০-রও বেশি গ্লোবাল ক্যাপাবিলিটি সেন্টার (GCC) গড়ে উঠতে পারে, যেখানে কর্মসংস্থান হবে প্রায় ২৮ লক্ষ পেশাদারের। বর্তমানে দেশে প্রায় ১,৭০০টি জিসিসি রয়েছে, যেখানে কর্মরত ১৯ লাখের মতো মানুষ (Donald Trump)।

  • Suvendu Adhikari: “আজ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভুল প্রমাণিত হলেন”, ডিএ মামলার রায়ের পর প্রতিক্রিয়া শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “আজ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভুল প্রমাণিত হলেন”, ডিএ মামলার রায়ের পর প্রতিক্রিয়া শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডিএ সংক্রান্ত সুপ্রিম কোর্টের রায় (DA Verdict) সামনে আসতেই তৃণমূল পরিচালিত রাজ্য সরকারকে একেবারে ধুয়ে দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্টে তিনি এই জয়কে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের সম্মিলিত লড়াইয়ের জয় বলে অভিহিত করেছেন। তিনি লেখেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বারংবার বলে এসেছেন ডিএ কর্মচারীদের অধিকার নয়। আজ(বৃহস্পতিবার) দেশের সর্বোচ্চ আদালত জানিয়ে দিল ডিএ হল আইনসিদ্ধ ন্যায্য অধিকার, কোনও অনুদান নয়।”

    শুভেন্দুর অভিযোগ (Suvendu Adhikari)

    শুভেন্দুর অভিযোগ, কলকাতা হাইকোর্টে হারের পর রাজ্য সরকার কোটি কোটি টাকা খরচ করে বড় বড় উকিল দাঁড় করিয়ে কর্মচারীদের বঞ্চিত করার চেষ্টা করেছে। আন্দোলনকারীদের ধৈর্যের প্রশংসা করে তিনি বলেন, “পুলিশের লাঠির ঘা উপেক্ষা করেও, যাঁরা আইনি পথে লড়াই চালিয়েছেন, এই জয় তাঁদেরই।” সোশ্যাল মিডিয়ায় দীর্ঘ একটি পোস্টে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা লেখেন, “ডিএ মামলায় রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের মৌলিক অধিকার সুনিশ্চিত করলেন মহামান্য সুপ্রিম কোর্ট। আজ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভুল প্রমাণিত হলেন, নিজের দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়ার জন্য তিনি বারবার বলে এসেছেন যে ডিএ কর্মচারীদের অধিকার নয়।” পরে তিনি (Suvendu Adhikari) লেখেন, “দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর, বহু বছরের সংগ্রামের পর অবশেষে রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা মহামান্য আদালতের নির্দেশে তাঁদের ন্যায্য অধিকার অনুযায়ী মহার্ঘ ভাতা পেতে চলেছেন।”

    তৃণমূল সুপ্রিমোকে নিশানা

    তৃণমূল সুপ্রিমোকে নিশানা করে শুভেন্দু লেখেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অসংবেদনশীল সরকার দীর্ঘ দিন রাজ্যের সরকারি কর্মচারীদের তাঁদের প্রাপ্য ন্যায্য মহার্ঘ ভাতা থেকে বঞ্চিত করেছেন। ট্রাইব্যুনাল থেকে মহামান্য কলকাতা হাইকোর্ট, একের (DA Verdict) পর এক আইনি লড়াই জেতার পরেও, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যের কোটি কোটি টাকা ধ্বংস করে দেশের তাবড় আইনজীবীদের দাঁড় করিয়েছেন শুধুমাত্র প্রাপ্য মহার্ঘ ভাতা থেকে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের বঞ্চিত করার উদ্দেশ্যে। কর্মচারীরা আন্দোলন করলে পুলিশের লাঠির আঘাত ধেয়ে এসেছে, তবুও তাঁরা ধৈর্য ধরে নিজেদের দায়িত্ব পালন করে গিয়েছেন ও দেশের আইনি ব্যবস্থার ওপর ভরসা করে আইনি পথে লড়াই এই জয় রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের লড়াইয়ের জয়, ন্যায্য অধিকারের জন্য আপসহীন এই লড়াইকে আমি কুর্নিস করি। রাষ্ট্রবাদী মনোভাবাপন্ন-সহ সকল রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের প্রত্যেককে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই।”

    সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের প্রতিক্রিয়া

    দেশের শীর্ষ আদালতের রায়ের পরেই প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ। মঞ্চের তরফে বলা হয়েছে, “১১০৬ দিন পরে আজ আমাদের লড়াই সার্থকতা পেল। আমরা এই রায়কে স্বাগত জানাই, তবে আমাদের নজর থাকবে রাজ্য সরকার আদালতের এই নির্দেশ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে (Suvendu Adhikari) কার্যকর করে কিনা, সেদিকে।” বর্তমানে রাজ্য সরকারি কর্মীরা ১৮ শতাংশ হারে ডিএ (DA Verdict) পান। আর কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীরা ডিএ পান ৫৮ শতাংশ হারে। ফারাক ৪০ শতাংশের।

    ডিএ সরকারি কর্মচারীদের আইনি অধিকার

    বৃহস্পতিবার রায় দিতে গিয়ে সুপ্রিম কোর্ট সাফ জানিয়ে দেয়, রোপা রুল অনুযায়ী ডিএ সরকারি কর্মচারীদের আইনি অধিকার। বকেয়া ডিএর ২৫ শতাংশ মিটিয়ে দিতে হবে ৩১ মার্চের মধ্যে। বাকি বকেয়ার ৭৫ শতাংশ মিটিয়ে দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনার জন্য নয়া কমিটি গঠনের কথাও বলেছে সুপ্রিম কোর্ট। এই কমিটিতে থাকবেন সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি ইন্দু মালহোত্রা এবং আরও দুই বিচারপতি। এই কমিটিই আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবে বকেয়া ডিএ কীভাবে এবং কতগুলি কিস্তিতে দিতে হবে। সূত্রের খবর, আদালতের নির্দেশ মেনে এই (Suvendu Adhikari) ডিএ মেটাতে গেলে রাজ্যকে দিতে হবে ১০ হাজার ৪০০ কোটি টাকা (DA Verdict)।

     

  • DA Case: ৩১ মার্চের মধ্যে বকেয়া ডিএ-র ২৫ শতাংশ মেটাতেই হবে রাজ্যকে, নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

    DA Case: ৩১ মার্চের মধ্যে বকেয়া ডিএ-র ২৫ শতাংশ মেটাতেই হবে রাজ্যকে, নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অপেক্ষার অবসান। রাজ্য সরকারি কর্মীদের ডিএ সংক্রান্ত মামলার (DA Case) রায় ঘোষণা করল সুপ্রিম কোর্ট। বিচারপতি সঞ্জয় করোল এবং বিচারপতি প্রশান্তকুমার মিশ্রের বেঞ্চ রায় ঘোষণা (Supreme Court) করে জানিয়ে দিল বকেয়া ডিএ-র ২৫ শতাংশ এখনই মেটাতে হবে রাজ্য সরকারকে। এজন্য সময়সীমাও বেঁধে দিয়েছে দেশের শীর্ষ আদালত।

    ২৫ শতাংশ ডিএ (DA Case)

    জানিয়ে দিয়েছে, ৩১ মার্চের মধ্যে রাজ্যকে মেটাতে হবে ২৫ শতাংশ ডিএ। ১৫ মে মাসের মধ্যে জমা দিতে হবে এ সংক্রান্ত রিপোর্টও। বিধানসভা নির্বাচনের মুখে সুপ্রিম কোর্টের এহেন নির্দেশে যে খানিক বিপাকে পড়ল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল সরকার, তা বলাই বাহুল্য। প্রসঙ্গত, ৮ সেপ্টেম্বর রাজ্যের সরকারি কর্মীদের ডিএ মামলার চূড়ান্ত শুনানি হয় সুপ্রিম কোর্টে। তার পর থেকে রায়দানের অপেক্ষায় দিন গুনছিলেন সরকারি কর্মীরা। এর প্রায় চার মাস পর শেষমেশ রায় ঘোষণা করল সুপ্রিম কোর্ট। ২০২২ সালে কলকাতা হাইকোর্ট সেই সময় কেন্দ্রীয় হারে ৩১ শতাংশ ডিএ দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছিল। ওই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় রাজ্য। তার পর থেকে মামলা ঝুলেছিল সুপ্রিম কোর্টে। গত ৮ সেপ্টেম্বর ওই মামলার শুনানি শেষ হয়। রায় হল আজ, বৃহস্পতিবার।

    শীর্ষ আদালতের রায়

    উল্লেখ্য যে, গত বছর ১৬ মে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সঞ্জয় করোল এবং বিচারপতি মনোজ মিশ্রের ডিভিশন বেঞ্চ রাজ্যকে বকেয় ডিএ-র ২৫ শতাংশ মিটিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল। শীর্ষ আদালত প্রথমে জানিয়েছিল, বকেয়া ডিএ-র ৫০ শতাংশ দিয়ে দিতে হবে রাজ্যকে। সেই সময় রাজ্যের তরফে আইনজীবী অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি জানান (Supreme Court), ৫০ শতাংশ বকেয়া ডিএ এখনই দেওয়া সম্ভব নয়। তাহলে রাজ্য চালানোই দায় হয়ে উঠবে। তখন আদালত নির্দেশ দেয়, আগামী ছ’সপ্তাহের মধ্যে রাজ্যকে অন্তত ২৫ শতাংশ ডিএ দিতেই হবে (DA Case)। অর্থাৎ, ২০০৮ সালের অগাস্ট থেকে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত যে পরিমাণ ডিএ বকেয়া ছিল, তার ২৫ শতাংশ মেটানোর নির্দেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট।

    অতিরিক্ত সময় চেয়েছিল রাজ্য

    নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ডিএ দিতে না পারায় ফের একবার আদালতের কাছ থেকে অতিরিক্ত ৬ মাস সময় চায় রাজ্য। সেই আবেদনের ভিত্তিতেই শুনানি শুরু হয়েছিল ৪ অগাস্ট থেকে। ৮ সেপ্টেম্বর শেষ হয় শুনানি। এদিন আগের সেই রায়ই বহাল রাখল দেশের শীর্ষ আদালত। আদালত সাফ জানিয়ে দেয়, রোপা রুল অনুযায়ী ডিএ সরকারি কর্মচারীদের আইনি অধিকার। বকেয়া ডিএর ২৫ শতাংশ মিটিয়ে দিতে হবে। বাকি বকেয়ার ৭৫ শতাংশ মিটিয়ে দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনার জন্য নয়া কমিটি গঠনের কথাও বলেছে সুপ্রিম কোর্ট। এই কমিটিতে থাকবেন সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি ইন্দু মালহোত্রা এবং আরও দুই বিচারপতি। এই কমিটিই আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবে বকেয়া ডিএ কীভাবে এবং কতগুলি কিস্তিতে দিতে হবে। সূত্রের খবর, আদালতের নির্দেশ মেনে এই ডিএ মেটাতে গেলে রাজ্যকে দিতে হবে ১০ হাজার ৪০০ কোটি টাকা।

    কেন্দ্র ও রাজ্যের ডিএর ফারাক

    জানা গিয়েছে, বর্তমানে রাজ্য সরকারি কর্মীরা (Supreme Court) ১৮ শতাংশ হারে ডিএ পান। আর কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীরা ডিএ পান ৫৮ শতাংশ হারে। ফারাক ৪০ শতাংশের (DA Case)। এই গোটা মামলায় মামলাকারীদের তরফে আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য জানান, বিভিন্ন রাজ্যের বিভিন্ন নিয়ম। বাংলার নিয়ম ছত্তিশগড়ের জন্য প্রযোজ্য নয়। পশ্চিমবঙ্গ ২০১০ সাল পর্যন্ত নিজস্ব নিয়ম অনুসরণ করেছে। এর পর ২০১০ সালের নীতি থেকে সরে আসে রাজ্য সরকার। সেই সময় রাজ্য সরকার যে নিয়মে চলত, এখন তা অনুসরণ করা হয় না। ট্রাইব্যুনাল ও হাইকোর্ট যে তাঁদের যুক্তি সমর্থন করেছে, তাও জানিয়েছেন বিকাশরঞ্জন। আইনজীবী ফিরদৌস শামিম বলেন, আজ বিচারপতিরা ঐতিহাসিক রায় দিয়েছেন। আদালত বলেছে, ডিএ দিতে হবে। কর্মচারীদের জয় হয়েছে। ২৫ শতাংশ এরিয়ার-সহ ডিএ মিটিয়ে দিতে হবে ৩১ মার্চের মধ্যে। একটি কমিটিও গঠন করে দেওয়া হয়েছে। এদিন সুপ্রিম কোর্টের রায়ে খানিকটা স্বস্তিতে রাজ্য সরকারের কর্মীরা। রায় ঘোষণার পরেই সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের তরফে ভাস্কর ঘোষ সাফ জানিয়ে দেন, এরপরও যদি রাজ্য সুপ্রিম (Supreme Court) নির্দেশ কার্যকর না করে, তাহলে বৃহত্তর আন্দোলন হবে (DA Case)।

     

  • India US Relation: কোনও চাপের কাছেই নতি স্বীকার করে বাণিজ্য চুক্তি করবে না ভারত, রুবিওকে সাফ বলেছিলেন ডোভাল

    India US Relation: কোনও চাপের কাছেই নতি স্বীকার করে বাণিজ্য চুক্তি করবে না ভারত, রুবিওকে সাফ বলেছিলেন ডোভাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নরেন্দ্র মোদির সরকার (Modi Govt) কোনও চাপের কাছেই নতি স্বীকার করে বাণিজ্য চুক্তিতে যেতে রাজি নয়। ভারত-মার্কিন সম্পর্কের তপ্ত পর্বে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনকে নীরবে কিন্তু দৃঢ়তার সঙ্গে এ কথা বুঝিয়ে দিয়েছে নয়াদিল্লি (India US Relation)। ভারত–আমেরিকার সাম্প্রতিক বাণিজ্য চুক্তির প্রেক্ষাপটে ব্লুমবার্গের একটি প্রতিবেদনেই উঠে এসেছে এই তথ্য। ভারত যে ট্রাম্প প্রশাসনের চাপের বিরুদ্ধে অবস্থান নিচ্ছে, তাও বুঝিয়ে দেওয়া হয় ঠারেঠোরে।

    ভারতের বার্তা (India US Relation)

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিদেশমন্ত্রী মার্কো রুবিওকে জানিয়েছিলেন, হোয়াইট হাউস যদি শত্রুতাপূর্ণ ভাষা ও চাপ প্রয়োগের কৌশল থেকে সরে না আসে, তবে ট্রাম্পের মেয়াদের বাকি সময়টুকু অপেক্ষা করতে ভারত প্রস্তুত। এই বার্তাটি দেওয়া হয় সেপ্টেম্বরের শুরুতেই, যে সময় দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক তীব্র চাপের মধ্যে ছিল। একদিকে আমেরিকার আরোপিত দণ্ডমূলক শুল্ক, অন্যদিকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কড়া প্রকাশ্য মন্তব্য পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে। সেই সময় ট্রাম্প ভারতের অর্থনীতিকে অবজ্ঞাসূচক ভাষায় কটাক্ষ করেছিলেন। অভিযোগ করেছিলেন, রাশিয়ার কাছ থেকে অপরিশোধিত তেল কেনা অব্যাহত রেখে ভারত পরোক্ষভাবে ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়াকে অর্থ জোগাচ্ছে। একই সঙ্গে ওয়াশিংটন ভারতীয় রফতানির (India US Relation) ওপর চড়া শুল্ক আরোপ করে। ডোভাল সাফ জানিয়ে দেন, ভারত এই তিক্ততা কাটিয়ে আবারও বাণিজ্য আলোচনায় ফিরতে আগ্রহী, তবে তা হতে হবে প্রকাশ্য অপমান ও চাপমুক্ত পরিবেশে। তিনি আরও জানান, অতীতেও ভারত কঠিন মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে কাজ করেছে এবং প্রয়োজনে দীর্ঘমেয়াদি দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করার সামর্থ্য তার রয়েছে (Modi Govt)।

    সুর নরম ট্রাম্প প্রশাসনের

    এই আলোচনার অল্প সময়ের মধ্যেই সুর নরম হতে শুরু করে ট্রাম্প প্রশাসনের। ১৬ সেপ্টেম্বর ট্রাম্প প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জন্মদিনে তাঁকে ফোন করে তাঁর নেতৃত্বের প্রশংসা করেন—যা আগের বক্তব্যগুলির তুলনায় এক উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন বলেই ধারণা সংশ্লিষ্টমহলের। পরবর্তীকালে দুই নেতা একাধিকবার কথা বলেন, যার ফলে ধীরে ধীরে নতুন করে সম্পর্ক জোরদারের পথ তৈরি হয়। চলতি সপ্তাহে ট্রাম্প ঘোষণা করেন, ওয়াশিংটন ও নয়াদিল্লি একটি বাণিজ্য সমঝোতায় পৌঁছেছে, যার ফলে ভারতীয় পণ্যের ওপর মার্কিন শুল্ক কমে ১৮ শতাংশে নেমে আসবে এবং রাশিয়া থেকে তেল কেনার সঙ্গে যুক্ত পৃথক ২৫ শতাংশ শুল্ক প্রত্যাহার করা হবে। ট্রাম্প আরও দাবি করেন, ভারত যুক্তরাষ্ট্র থেকে পণ্য আমদানি বাড়াবে এবং মার্কিন পণ্যের ওপর শুল্ক কমাবে। তবে মোদি সরকার এখনও চুক্তির পূর্ণাঙ্গ বিবরণ আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেনি বা কোনও লিখিত (India US Relation) চুক্তি প্রকাশ করেনি।

    একাধিক চুক্তি স্বাক্ষরিত

    এই ঘোষণা নয়াদিল্লির কিছু শীর্ষ আধিকারিককেও বিস্মিত করে, যা প্রমাণ করে যে কূটনৈতিক আলোচনা কতটা নীরবে এগিয়েছে (Modi Govt)। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হঠাৎ এই চুক্তি বৃহত্তর কৌশলগত প্রেক্ষাপটের দিকেও ইঙ্গিত করে, যা ভারতের অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করতে পারে। ২০২৫ সালে ভারত ব্রিটেনের সঙ্গে একটি বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করে। চলতি বছরের শুরুতে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির সঙ্গেও একাধিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় এবং সর্বশেষ ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে দীর্ঘদিন ঝুলে থাকা মুক্ত বাণিজ্য চুক্তিও চূড়ান্ত হয়। গত বছর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং চিনের প্রধানমন্ত্রী শি জিনপিংয়ের সঙ্গে একান্তে বৈঠক করেন। এর পরই ট্রাম্প আক্ষেপের সুরে স্বীকার করেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র হয়তো ভারতকে চিনের কাছে হারিয়ে ফেলছে।

    এই সব পদক্ষেপ মিলিয়ে স্পষ্ট হয়, ভারত তার অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব বৈচিত্র্যময় করছে এবং কেবল ওয়াশিংটনের ওপর নির্ভরশীল নয়।এই বিস্তৃত কৌশলই সম্ভবত আমেরিকার ওপর সম্পর্ক মেরামতের চাপ বাড়িয়েছে। সব মিলিয়ে পরিস্থিতির পরিণতি এই ইঙ্গিত দিচ্ছে যে এই অচলাবস্থা থেকে ভারত আরও (Modi Govt) শক্তিশালী দরকষাকষির অবস্থানে বেরিয়ে এসেছে এবং সম্ভবত (India US Relation) চুক্তির ভালো দিকটিই আদায় করেছে।

     

  • Ramakrishna 573: “আমার ইচ্ছা যে টাকা দিয়ে কতকগুলি হাসপাতল, ডিস্পেন্সারি, স্কুল, এইসব করে দিই; হলে অনেকের উপকার হবে”

    Ramakrishna 573: “আমার ইচ্ছা যে টাকা দিয়ে কতকগুলি হাসপাতল, ডিস্পেন্সারি, স্কুল, এইসব করে দিই; হলে অনেকের উপকার হবে”

    ৫২ শ্যামপুকুর বাটীতে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ১৮ই অক্টোবর
    শ্রীরামকৃষ্ণ—Sir Humphrey Davy ও অবতারবাদ

    শ্রীরামকৃষ্ণ ও ‘জগতের উপকার’ বা কর্মযোগ 

    মাস্টার—ওরা বলে জগতের উপকার করব। তাই আমি আপনার কথা বললাম।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) সহাস্যে— কি কথা?

    মাস্টার—শম্ভু মল্লিকের কথা। সে আপনাকে বলেছিল, ‘আমার ইচ্ছা যে টাকা দিয়ে কতকগুলি হাসপাতল, ডিস্পেন্সারি, স্কুল, এইসব করে দিই; হলে অনেকের উপকার হবে।’ আপনি তাকে যা বলেছিলেন, তাই বললুম, ‘যদি ঈশ্বর সম্মুখে আসেন, তবে তুমি কি বলবে, আমাকে কতকগুলি হাসপাতাল, ডিস্পেনসারি, স্কুল করে দাও!’ আর-একটি কথা বললাম।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—হাঁ, থাক আলাদা আছে, যারা কর্ম করতে আসে। আর কি কথা?

    মাস্টার—বললাম, কালীদর্শন যদি উদ্দেশ্য হয়, তবে রাস্তায় কেবল কাঙ্গালী বিদায় করলে কি হবে? বরং জো-সো করে একবার কালীদর্শন করে লও; — তারপর যত কাঙ্গালী বিদায় করতে ইচ্ছা হয় করো (Kathamrita)।

    শ্রীরামকৃষ্ণ—আর কিছু কথা হল?

    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণের ভক্ত ও কামজয়

    মাস্টার—আপনার কাছে যারা আসে তাদের অনেকে কামজয় করেছেন, এই কথা হল। ডাক্তার তখন বললে, ‘আমারও কামটাম উঠে গেছে, জানো?’ আমি বললাম, আপনি তো বড় লোক। আপনি যে কাম জয় করেছেন বলছেন তাতো আশ্চর্য নয়। ক্ষুদ্র প্রাণীদের পর্যন্ত তাঁর কাছে ইন্দ্রিয় জয় হচ্ছে, এই আশ্চর্য! তারপর আমি বললাম, আপনি যা গিরিশ ঘোষকে বলেছিলেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (সহাস্যে)—কি বলেছিলাম?

    মাস্টার—আপনি গিরিশ ঘোষকে বলেছিলেন, ‘ডাক্তার তোমাকে ছাড়িয়ে যেতে পারে নাই।’ সেই অবতারে কথা।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—তুমি অবতারের কথা তাকে (ডাক্তারকে) বলবে। অবতার — যিনি তারণ করেন (Kathamrita)। তা দশ অবতার আছে, চব্বিশ অবতার আছে আবার অসংখ্য অবতার আছে।

    মদ্যপান ক্রমে ক্রমে একেবারে ত্যাগ

    মাস্টার—গিরিশ ঘোষের ভারী খবর নেয়। কেবল জিজ্ঞাসা করেন, গিরিশ ঘোষ কি সব মদ ছেড়েছে? তার উপর বড় চোখ।

    শ্রীরামকৃষ্ণ—তুমি গিরিশ ঘোষকে ও-কথা বলেছিলে?

    মাস্টার—আজ্ঞা হাঁ, বলেছিলাম। আর সব মদ ছাড়বার কথা।

    শ্রীরামকৃষ্ণ(Ramakrishna)—সে কি বললে?

    মাস্টার—তিনি বললেন, তোমরা যে কালে বলছো সেকালে ঠাকুরের কথা বলে মানি—কিন্তু আর জোর করে কোনও কথা বলব না।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (আনন্দের সহিত)—কালীপদ বলেছে (Kathamrita), সে একেবারে সব ছেড়েছে।

  • Manipur CM: রাষ্ট্রপতি শাসনের অবসান, নয়া মুখ্যমন্ত্রী পেল মণিপুর

    Manipur CM: রাষ্ট্রপতি শাসনের অবসান, নয়া মুখ্যমন্ত্রী পেল মণিপুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছরখানেক ধরে রাষ্ট্রপতি শাসনে থাকার পর শেষমেশ মুখ্যমন্ত্রী পেল মণিপুর (Manipur CM)। মঙ্গলবার বিজেপি (BJP) বিধায়ক যুমনাম খেমচন্দ সিংকে বিজেপি বিধানসভা দলের নেতা হিসেবে নির্বাচিত করা হয়। দিল্লিতে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে বিজেপি নেতৃত্ব মণিপুরের বিজেপি বিধায়কদের পাশাপাশি জাতীয় গণতান্ত্রিক জোট (এনডিএ)-র শরিক দলগুলির নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেয়।

    মণিপুরে শপথ নয়া মুখ্যমন্ত্রীর (Manipur CM)

    এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির মণিপুরের কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক তরুণ চুঘ এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা সম্বিত পাত্র। আজ, বুধবার সন্ধ্যা ৬টা নাগাদ শপথ নেন নয়া মুখ্যমন্ত্রী। লোকভবনে তাঁকে শপথবাক্য পাঠ করান রাজ্যপাল অজয় ভাল্লা। জানা গিয়েছে, বিজেপি নেত্রী নেমচা কিপগেন এবং নাগা পিপলস ফ্রন্ট (এনপিএফ)-এর নেতা লোসি ডিখো উপমুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন। রাজ্যের স্বরাষ্ট্র দফতরের দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে গোবিন্দাস কন্থৌজামকে। মণিপুর বিধানসভায় মোট সদস্য সংখ্যা ৬০ জন। এর মধ্যে বিজেপির রয়েছেন ৩৭ জন বিধায়ক। ২০২২ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর বিজেপির বিধায়ক সংখ্যা ছিল ৩২। পরবর্তী কালে জনতা দল (ইউনাইটেড)-এর পাঁচজন বিধায়ক বিজেপিতে যোগ দেন। এছাড়াও বিধানসভায় রয়েছেন ন্যাশনাল পিপলস পার্টির ৬ বিধায়ক, নাগা পিপলস ফ্রন্টের ৫ বিধায়ক, কংগ্রেসের ৫ জন, কুকি পিপলস অ্যালায়েন্সের ২ জন, জনতা দল (ইউনাইটেড)-এর ১ জন এবং ৩ নির্দল বিধায়ক।

    যুমনাম খেমচন্দ সিং

    এক বিধায়কের মৃত্যুতে বর্তমানে একটি আসন শূন্য রয়েছে (Manipur CM)। গত বছরের ১৩ ফেব্রুয়ারি জাতিগত হিংসার প্রেক্ষিতে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিংয়ের পদত্যাগের পর থেকেই মণিপুরে জারি করা হয় রাষ্ট্রপতি শাসন। প্রশ্ন হল, কে এই যুমনাম খেমচন্দ সিং? মেইতেই সম্প্রদায়ের সদস্য যুমনাম খেমচন্দ সিং মণিপুরের সিঞ্জামেই বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি বিধায়ক। ২০১৭ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত তিনি মণিপুর বিধানসভার স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। ২০২২ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত তিনি গ্রামীণ উন্নয়ন, পঞ্চায়েতি রাজ এবং শিক্ষা দফতরেরও মন্ত্রী ছিলেন। রাজনৈতিক জীবনের পাশাপাশি খেলাধুলোর সঙ্গেও যুক্ত খেমচন্দ সিং। মার্শাল আর্ট তায়কোয়ান্দোর প্রসারেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে তাঁর। ২০২৫ সালে তিনি প্রথম ভারতীয় হিসেবে (BJP) ঐতিহ্যবাহী তায়কোয়ান্দোয় পঞ্চম ড্যান ব্ল্যাক বেল্ট অর্জন করেন। দক্ষিণ কোরিয়ার সিওলে অবস্থিত গ্লোবাল ট্র্যাডিশনাল তায়কোয়ান্দো ফেডারেশন তাঁকে এই সম্মান দেয় (Manipur CM)।

     

     

  • BJP: সুপ্রিম কোর্টে সওয়াল করতে গিয়ে হোঁচট খেলেন মমতা, কী বলল বিজেপি?

    BJP: সুপ্রিম কোর্টে সওয়াল করতে গিয়ে হোঁচট খেলেন মমতা, কী বলল বিজেপি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবারের বারবেলায় সুপ্রিম কোর্টে নয়া ‘অবতারে’ হাজির পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। রীতিমতো আইনজীবীর পোশাক কালো গাউন পরে দেশের শীর্ষ আদালতে হাজির হয়ে যান তিনি। আদালতে তাঁর (BJP) প্রথম বক্তব্য, “বাংলাকে টার্গেট করা হচ্ছে। অসমে এসআইআর নয় কেন?”

    মমতাকে কটাক্ষ ‘জায়ান্ট কিলারে’র (BJP)

    তৃণমূল নেত্রীর এই ‘নব কলেবর’কে কটাক্ষ করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক জায়ান্ট কিলার শুভেন্দু অধিকারী। এদিন আদালতে নির্বাচন কমিশনকে হোয়াটসঅ্যাপ কমিশন বলেও কটাক্ষ করেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর অভিযোগ, ভোটার তালিকা সংশোধনের নামে আসলে ভোটারদের বাদ দেওয়ার ষড়যন্ত্র চলছে। এ নিয়েই মমতাকে নিশানা করেন শুভেন্দু। বলেন, “গত ২-৩ দিন ধরে এসআইআর নিয়ে নাটক ও মিথ্যে প্রচার চালানোর চেষ্টা চলছে। প্রথম দিন কমিশনকে নিশানা, দিল্লি পুলিশকেও আক্রমণ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। উল্টে দিল্লি পুলিশ ওঁর মিথ্যাচার ফাঁস করেছেন। উনি ইসিআইকে নিশানা করেছিলেন। মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে অহংকারী এবং মিথ্যেবাদীও বলেছিলেন। গতকাল সাংবাদিক সম্মেলনে থেকেও উনি এসআইআরের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেন।”

    কী বললেন শুভেন্দু?

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, “গতকাল থেকে সুপ্রিম কোর্টে মমতার সওয়াল নিয়ে প্রচারের ঝড় চলছে সোশ্যাল মিডিয়াজুড়ে। যেন বড় বিস্ফোরণের অপেক্ষায় ছিল ভারত। কিন্তু আজ কোর্টে মমতা পেলেন রসগোল্লা। আইন বা রাজনীতির খোঁজ যাঁরা রাখেন, তাঁরা সকলেই জেনেছেন আজ শুনানি পর্বে ঠিক কী কী হয়েছে।” তিনি বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী নিজে এদিন সওয়াল করেননি। তিনি কোর্টে হাজির ছিলেন পিটিশনার হিসেবে (Mamata Banerjee)। সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিরা ঘুরিয়ে তাঁকে থামানোর চেষ্টা করেছেন। তার পরেও স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে উনি ওঁর কাজ করেছেন। ওঁর উচিত ছিল অনুবাদক নিয়ে যাওয়া। সাংসদ কল্যাণ ব্যানার্জি ওঁকে সংশোধন করে দিচ্ছিলেন। যেভাবে ভুল (BJP) ইংরেজি বলছিলেন, তা রাজ্যের পক্ষে লজ্জার!”

    শুভেন্দুর তোপ

    শুভেন্দু বলেন, “মূলত উনি বা ওঁরা প্রথম দিন থেকেই দুটো কাজ করার মরিয়া চেষ্টা করে চলেছেন। এক, এসআইআর ভন্ডুল করা। আর দ্বিতীয়ত, ২০২৪ সালে বাংলাদেশি ও মৃত ভোটার তালিকায় নির্বাচন করতে চাইছেন মুখ্যমন্ত্রী। যা ইতিমধ্যেই ওঁর বিএলওরাই বাদ দিয়েছেন। তাঁদের সুপারিশেরই পরিচ্ছন্নতার সঙ্গেই ৫৮ লাখ নাম বাদ দেওয়া হয়েছে।” শুভেন্দু বলেন, “এসআইআরের বিরুদ্ধে কার্যত যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন মমতা। উনি আজ যেগুলি চেয়েছেন শূন্য হাতে ফিরেছেন।” তিনি বলেন, “সব পক্ষকে হলফনামা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মূল টার্গেট যেটা ছিল, সেটা হল মাইক্রো অবজারভারদের আটকানো। মাইক্রো অবজারভার নিয়োগে অসুবিধেটা কোথায়? ভারতের ১২টি রাজ্যে এসআইআর হচ্ছে, কেন বাংলায় মাইক্রো অবজারভার (Mamata Banerjee)? কারণ কমিশনের নির্দেশ মেনে এসডিও র‍্যাঙ্কের ইআরও নিয়োগ করেনি রাজ্য। ২২৫ জন্য যাঁরা ইআরও হতে পারেন না, তাঁদের নিযুক্ত করেছেন মমতা প্রশাসন। কানাগলিতে ঢুকেছেন মমতা ও তাঁর প্রশাসন”। তিনি বলেন, “আপনি নিয়ম ভেঙেছেন। কমিশনকে সহযোগিতা করেননি (BJP)।”

    আবেগপ্রবণ মমতা

    এদিন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচি এবং বিচারপতি বিপুল পঞ্চোলির বেঞ্চে শুনানি চলাকালীন আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন মমতা। মুখ্যমন্ত্রীর হয়ে প্রবীণ আইনজীবী শ্যাম দিওয়ান সওয়াল করলেও, মমতা নিজে আদালতের কাছে কিছু বলার অনুমতি চান। তিনি বলেন, “সমস্যা হল, আমাদের আইনজীবীরা লড়ছেন, আমরা শুরু থেকেই লড়ছি। কিন্তু সব শেষ হওয়ার পরেও যখন আমরা বিচার পাচ্ছি না, যখন বিচার দরজার আড়ালে কাঁদছে, তখন বাধ্য হয়েই আমায় আসতে হল। আমি সাধারণ পরিবারের মেয়ে, আমি আমার দলের জন্য লড়ছি না, লড়ছি সাধারণ মানুষের জন্য (Mamata Banerjee)।”

    সুকান্তর নিশানায় মমতা

    মমতার এদিনের সওয়ালকে তীব্র কটাক্ষ করেছেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অধ্যাপক সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, “দিল্লিতে ড্রামা করলেন মমতা ব্যানার্জি। প্রথমে বঙ্গভবনের সামনে ড্রামা করলেন, তারপর তার নাটক চলল নির্বাচন কমিশনে ও একেবারে শেষে সুপ্রিম কোর্টে। মমতা ব্যানার্জি সুপ্রিম কোর্টের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় নির্বাচন কমিশনকে হোয়াটসঅ্যাপ কমিশন বলে দিলেন। বিচারপতির অনুমতি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে রাজনৈতিক ভাষণ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। সুপ্রিম কোর্ট তাঁকে বলেছিল আপনার আইনজীবী অত্যন্ত দক্ষ, আমরা তাঁদের কথাই শুনব। এর থেকে (BJP) খারাপ শব্দে সুপ্রিম কোর্ট একজন মুখ্যমন্ত্রীকে বলতে পারেন না যে আপনি চুপ থাকুন, আপনার কথা আমরা শুনতে চাইছি না।” মমতার এদিনের আচরণকে নাটক বলে কটাক্ষ করেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিং-ও।

    আক্রমণ শানালেন শমীকও

    বিজেপির পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “পদবি বদল হয়ে গিয়েছে বলে মিথ্যে দাবি করা হয়েছে। জেনেবুঝে পরিকল্পনা করে নামের গন্ডগোল করছে তৃণমূল কংগ্রেস। আর তাই বয়স্ক, অসুস্থ মানুষদের এসআইআরের লাইনে দাঁড়াতে হচ্ছে। এসব পরিকল্পনা করে এসআইআর বন্ধ করতে চাইছে।” তিনি বলেন, “পুরো প্রশাসনকে এই এসআইআর বন্ধ করতে লাগিয়ে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। কোনওভাবেই যেন এসআইআর চলতে না পারে, সেই চেষ্টাই চলছে। মুখ্যমন্ত্রী সুপ্রিম কোর্টে শুধু এসআইআরের জন্য যাননি। আনন্দপুরের ভয়ানক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা থেকে রাজ্যবাসীর নজর ঘোরাতেই গিয়েছেন। সেখানে ২৫ জন মারা গিয়েছেন, এখনও ৩০ জন নিখোঁজ। মাত্র ১০ কিমি দূরে দুর্ঘটনা ঘটল, এখনও তিনি সেখানে যাওয়ার সময় পেলেন না, অথচ ১৫০০ কিমি পথ পেরিয়ে দিল্লি পৌঁছে গেলেন (Mamata Banerjee)! যে মুখ্যমন্ত্রী ইডির তল্লাশিতে চলে যান, পুলিশ আধিকারিকদের নিয়ে এই রকম পরিস্থিতি তৈরি করে রেখেছেন তিনি। পশ্চিমবঙ্গের জনতা বুঝে গিয়েছেন এই সরকার চলতে দেওয়া যাবে না।”

    শমীক বলেন, “ভোটার লিস্ট শুদ্ধিকরণে ভারতের কোনও জায়গা থেকে এত অশান্তি হয়নি। তাহলে শুধু পশ্চিমবঙ্গে কেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ২০০৫ সালের অগাস্টে ভোটার কার্ডের দাবি করেছিলেন? যিনি ৪ অগাস্ট ২০০৫-এ সব পেপার স্পিকারের টেবিলের ওপর ছুড়ে ফেলে দিয়ে সেই সময় বলেছিলেন, ওই ভোটার তালিকা বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীতে ভরা (BJP)। ২০০৫-এর যে নেত্রী এর বিরোধিতা করতেন আজ তিনিই এসআইআরের বিরুদ্ধে ধর্না দিতে দিল্লি পৌঁছে গেলেন। বিএলএদের কীভাবে হুমকি দেওয়া হচ্ছে? তৃণমূলের অ্যাজেন্ডা পরিষ্কার যে, বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী, রোহিঙ্গা, ভুয়ো ভোটাররা (Mamata Banerjee) ভোটার তালিকায় থাকুক। এটা কী করে চলতে পারে? সব বিএলওদের ভয় দেখাচ্ছেন, হুমকি দিচ্ছেন উনি (BJP)।”

     

  • Rahul Gandhi: কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে “বিশ্বাসঘাতক” কটাক্ষ রাহুলের, পাল্টা পেলেন “দেশ কে দুশমন” তকমা

    Rahul Gandhi: কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে “বিশ্বাসঘাতক” কটাক্ষ রাহুলের, পাল্টা পেলেন “দেশ কে দুশমন” তকমা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার সংসদের সিঁড়িতে এক উত্তপ্ত রাজনৈতিক মুখোমুখি সংঘর্ষ শুরু হয়। বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi) এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রবনীত সিং বিট্টু (Ravneet Singh Bittu) জনসমক্ষে একে অপরের বিরুদ্ধে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ে জড়িয়ে পড়েন। ইতিমধ্যে সামাজিক মাধ্যমে এই ভিডিও ব্যাপক ভাবে ভাইরাল হয়ে গিয়েছে। (ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম।)

    “দেশ কে দুশমন” (Rahul Gandhi)

    সংসদে নিয়ম ভঙ্গের অপরাধে আটজন সাংসদকে বরখাস্ত করার ঘটনায় লোকসভা মুলতবি করার পর এই উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। কংগ্রেস নেতারা এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে সংসদের মকরা দ্বারের কাছে জড়ো হয়েছিলেন। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বিট্টু (Ravneet Singh Bittu), সামনে দিয়ে যাচ্ছিলেন সেই সময় তাঁকে ব্যঙ্গাত্মকভাবে আক্রমণ করেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। বলেন, “এই যে একজন বিশ্বাসঘাতক ঠিক পাশ দিয়ে হেঁটে আসছে। মুখের দিকে তাকান…”। তারপর, ঠাট্টা-বিদ্রুপের মিশ্রণে তিনি বিট্টুর দিকে হাত বাড়িয়ে বলেন, “হ্যালো ভাই, আমার বিশ্বাসঘাতক বন্ধু। চিন্তা করো না, তুমি কংগ্রেস ফিরে আসবে।” সঙ্গে সঙ্গে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বিট্টু রাহুলের করমর্দন প্রত্যাখ্যান করেন। বরং, তিনি তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বলেন, “দেশ কে দুশমন, গান্ধীকে জাতির শত্রু হিসেবে চিহ্নিত করে।” ক্যামেরায় ধারণকৃত এই কথোপকথন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক শোরগোল ফেলে দেয়।

    বার বার অসংসদীয় আচরণ

    সংসদে উত্তেজনা বৃদ্ধির পটভূমিতে এই ঝগড়া শুরু হয়। মঙ্গলবার, লোকসভায় রাহুল গান্ধী বক্তৃতা দেওয়ার সময় সংসদীয় নিয়ম ভঙ্গ করেন। সংসদের কাজে বার বার বাধা প্রদান করেন। শুধু তাই নয়, অধ্যক্ষের চেয়ারের দিকে কাগজপত্র ছোড়ার অভিযোগে বাজেট অধিবেশনের বাকি সময় আটজন সাংসদকে বরখাস্ত করা হয়। বিরোধী সদস্যদের তীব্র স্লোগানের মধ্যে বুধবার দুপুর পর্যন্ত সংসদের অধিবেশন মুলতবি করা হয়।

    আট সাংসদ বরখাস্ত

    বরখাস্ত হওয়া সাংসদরা হলেন কংগ্রেস নেতা হিবি ইডেন, অমরিন্দর সিং রাজা ওয়ারিং, মানিকম ঠাকুর, গুরজিৎ সিং আউজলা, প্রশান্ত ইয়াদোরাও পাডোলে, চামালা কিরণ কুমার রেড্ডি, ডিন কুরিয়াকোস এবং সিপিআই(এম) সাংসদ এস ভেঙ্কটেসন। সকলেই পরে সংসদের বাইরে বিক্ষোভ করেন।

    রাহুলের (Rahul Gandhi) পক্ষে দাঁড়িয়ে সমাজবাদী পার্টির সাংসদ আনন্দ ভাদৌরিয়া অভিযোগ করে বলেন, “শাসক দল বিরোধীদের মুখ বন্ধ করার চেষ্টা করছে। বিরোধী দলনেতা তাঁদের প্রতিনিধিত্ব করেন যাঁরা বিজেপির বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছেন এবং মতবিরোধ দমনের ষড়যন্ত্র চলছে। যুক্তি দিয়ে কথা বলতে সরকার জাতীয় নিরাপত্তার বিষয়গুলিতে কথা বলতে ভয় পায়।”

    ম্যাগাজিন নিবন্ধ বা অপ্রকাশিত স্মৃতিকথা উদ্ধৃত করা যায় না

    রাষ্ট্রপতির ভাষণের উপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের বিতর্কের সময় পূর্ব লাদাখে ২০২০ সালে চিনের সঙ্গে সংঘর্ষের উল্লেখ উত্থাপনের জন্য রাহুল গান্ধীর (Rahul Gandhi) বিকৃত তথ্য উত্থাপনই হল বিশৃঙ্খলার মূল কারণ। কোনও ম্যাগাজিন নিবন্ধ বা অপ্রকাশিত স্মৃতিকথা উদ্ধৃত করা যায় না। কিন্তু রাহুল তাতে অনড় ছিলেন। সরকার তীব্র আপত্তি জানিয়ে বলে, অপ্রকাশিত উপাদানের উল্লেখ অনুমোদিত নয়। নির্ধারিত নিয়মের মধ্যে  বক্তৃতা দিতে হবে। এরপর নিয়ম ভঙ্গ করায় কড়া অবস্থান নেন লোকসভার অধ্যক্ষ।

LinkedIn
Share