Tag: Bengali news

Bengali news

  • India Canada Relation: সেতুবন্ধনে ‘ইন্ডিয়া এনার্জি উইকে’র মঞ্চ, জ্বালানি নিয়ে আলোচনা শুরু ভারত-কানাডার

    India Canada Relation: সেতুবন্ধনে ‘ইন্ডিয়া এনার্জি উইকে’র মঞ্চ, জ্বালানি নিয়ে আলোচনা শুরু ভারত-কানাডার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গোয়ায় অনুষ্ঠিত ইন্ডিয়া এনার্জি উইক (IEW) ২০২৬-এর মঞ্চে ফের আনুষ্ঠানিকভাবে মন্ত্রী পর্যায়ের জ্বালানি সংক্রান্ত আলোচনা শুরু করেছে ভারত-কানাডা। কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাসমন্ত্রী হরদীপ সিং পুরি এবং কানাডার জ্বালানি (Energy Dialogue) ও প্রাকৃতিক সম্পদমন্ত্রী টিমোথি হজসন যৌথভাবে অপরিশোধিত তেল, এলএনজি (LNG) এবং জ্বালানি রূপান্তরের জন্য প্রয়োজনীয় গুরুত্বপূর্ণ খনিজের দীর্ঘমেয়াদি বাণিজ্যের একটি রোডম্যাপ ঘোষণা করেন (India Canada Relation)। এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকটি আট বছরের মধ্যে প্রথম মন্ত্রী পর্যায়ের যোগাযোগ। এটি জুন ২০২৫-এ কানানাস্কিসে জি-৭ সম্মেলনের ফাঁকে ভারত ও কানাডার প্রধানমন্ত্রীদের বৈঠকের ধারাবাহিকতার মধ্যেই অনুষ্ঠিত হয়।

    কী বললেন হরদীপ সিং পুরি (India Canada Relation)

    মন্ত্রী বলেন, “উত্তর আমেরিকার দেশ কানাডা তার বিপুল প্রাকৃতিক সম্পদের কারণে ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত অংশীদার হিসেবে রয়ে গিয়েছে। কানাডার কাছে সম্ভবত ১০০ বছরেরও বেশি সময়ের অপরিশোধিত তেল মজুত রয়েছে।” পুরি জানান, সরবরাহ শৃঙ্খল ও দ্বিপাক্ষিক কাঠামো নিয়ে আলোচনা করতে এটি ছিল মন্ত্রী হজসনের সঙ্গে তাঁর তৃতীয় বৈঠক। যৌথ বিবৃতি অনুযায়ী, দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যের মূল ক্ষেত্রগুলি হবে, জ্বালানি রফতানি, কানাডা থেকে ভারতে অপরিশোধিত তেল, তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (LNG) এবং তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (LPG)-এর সরবরাহ বাড়ানো, এশীয় বাজারে অপরিশোধিত তেল রফতানি বাড়াতে ট্রান্স মাউন্টেন এক্সপ্যানশন (TMX) পাইপলাইনের ব্যবহার, ভারতের উচ্চ পরিশোধন ক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে ভারত থেকে কানাডায় পরিশোধিত পেট্রোলিয়াম পণ্যের সরবরাহ (India Canada Relation)।

    বৈঠকের গুরুত্বপূর্ণ দিক

    এই বৈঠকের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হল বৈদ্যুতিক যান এবং নবায়নযোগ্য শক্তি পরিকাঠামোর জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামাল নিশ্চিত করার ওপর জোর দেওয়া। রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা অয়েল ইন্ডিয়া লিমিটেড (OIL)-কে কানাডায় গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদ অনুসন্ধান ও অধিগ্রহণের জন্য একটি কনসর্টিয়ামের নেতৃত্ব দেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রী বলেন, “অয়েল ইন্ডিয়া লিথিয়াম, কোবাল্ট এবং রেয়ার আর্থ খনিজ পদার্থের খনি অনুসন্ধানের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখতে পারে।” অয়েল ইন্ডিয়ার সিএমডি রঞ্জিত রাঠ বলেন, “অয়েল ইন্ডিয়া বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ খনিজ ও রেয়ার আর্থ এলিমেন্টস অনুসন্ধানের দিকে নজর দেবে। বৈদ্যুতিক যান উৎপাদনের জন্য অত্যাবশ্যক লিথিয়াম, কোবাল্ট এবং রেয়ার আর্থ এলিমেন্টস সুরক্ষিত করাই আমাদের লক্ষ্য।” দুই দেশ পারস্পরিক বিনিয়োগের সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখবে। ভারত তার সম্পূর্ণ জ্বালানি মূল্য শৃঙ্খলে প্রায় ৫০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগের সুযোগের কথা তুলে ধরে। অন্যদিকে, কানাডা জানায় যে বর্তমানে তাদের দেশে প্রায় ১১৬ বিলিয়ন ডলার মূল্যের জ্বালানি প্রকল্পে উন্নয়ন চলছে।

    এই বৈঠকে গ্রিন হাইড্রোজেন, বায়োফুয়েল এবং কার্বন ক্যাপচার প্রযুক্তি ক্ষেত্রেও সহযোগিতার রূপরেখা দেওয়া হয়েছে। দুই (Energy Dialogue) দেশের মন্ত্রীরাই বলেন, “বৈশ্বিক সরবরাহ কিছু নির্দিষ্ট অঞ্চলে কেন্দ্রীভূত থাকায় যে ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে, তা কমাতে গুরুত্বপূর্ণ খনিজের সরবরাহ শৃঙ্খল বহুমুখীকরণ এখন অগ্রাধিকারের তালিকায়।” প্রসঙ্গত, পরবর্তী উচ্চপর্যায়ের বৈঠক ২০২৬ সালের মার্চ মাসে নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত হতে পারে, কানাডার একটি নির্ধারিত বাণিজ্য মিশনের সময় (India Canada Relation)।

     

  • Birbhum: “গত ১০০ বছরে যা হয়নি এবার তা হবে”, সিউড়ি-নালা রেলপথ সম্প্রসারণ নিয়ে উচ্ছ্বসিত বিজেপি

    Birbhum: “গত ১০০ বছরে যা হয়নি এবার তা হবে”, সিউড়ি-নালা রেলপথ সম্প্রসারণ নিয়ে উচ্ছ্বসিত বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সামনেই ২০২৬ সালের বিধানসভা। ইতিমধ্যে বীরভূমে (Birbhum) নতুন রেলপথ বিস্তারকে কেন্দ্র করে চরম শোরগোল পড়েছে। সিউড়িতে গত ১০০ বছরে নতুন রেললাইন তৈরি হয়নি বলে আক্ষেপ করেন এলাকাবাসী। অবশেষে, বিজেপি নেতা জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়ের অনুরোধে সিউড়ি থেকে ঝাড়খণ্ডের নলা পর্যন্ত ৭৩ কিমি রেল লাইনের সমীক্ষা করার নির্দেশ দিয়েছে রেল মন্ত্রক (Ministry of Railways)। যার জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ২ কোটি ১৯ লক্ষ টাকা। সেই রেল লাইন (নিয়েই শুরু হয়েছে শাসক-বিরোধী তরজা। তৃণমূল অবশ্য বিজেপির যুক্তি মানতে নারাজ।

    আমার কাঠবিড়ালীর ভূমিকা থাকল (Birbhum)

    বিজেপি নেতা জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “রেল মন্ত্রক অনুমোদন দিয়েছে আমার প্রস্তাবে। আমার মতো ক্ষুদ্র এক বিজেপি নেতার কথায় রেল মন্ত্রক অনুমোদন দিয়েছেন। এটাতে আমি ভীষণ খুশি। মাননীয় রেলমন্ত্রী শ্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব মহাশয়কে হৃদয়ের অন্তঃস্থল থেকে কৃতজ্ঞতা ও অভিনন্দন। আমার মতো এক সাধারণ কার্যকর্তার নিজের এলাকার উন্নয়নের জন‍্য প্রয়াসকে এভাবে সমর্থন করার জন‍্য। গত কাল রেলবোর্ড সিউড়ি-বক্রেশ্বর-রাজনগর-নলা নতুন রেল লাইনের ফাইনাল লোকেশন সার্ভে বা সমীক্ষার কাজ এবং ডিটেল প্রজেক্ট রিপোর্ট তৈরির কাজে সম্মতি দিয়েছে। সেই অনুমোদনপত্র শেয়ার করলাম। আজ রাজনগরের মানুষের কাছে বড় আনন্দের দিন। গত ১০০ বছরে যা হয়নি এবার তা হবে। নরেন্দ্র মোদী সরকারই করবে। আপনাদের আশীর্বাদ প্রার্থনা করি। রাজনগরে রেল চলবে তা এক ঐতিহাসিক ক্ষণ, তাতে আমার কাঠবিড়ালীর ভূমিকা থাকল সেটা ভেবে আমারও আজ আনন্দের দিন।”

    মোট ১৭৮ কিমি দৈর্ঘ্যের তিনটি নতুন রেল লাইন

    রেল মন্ত্রক (Ministry of Railways) রাজ্যের রেল পরিকাঠামো উন্নয়নে আরও এক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। রাজ্যে মোট ১৭৮ কিমি দৈর্ঘ্যের তিনটি নতুন রেল লাইন প্রকল্পের জন্য চূড়ান্ত লোকেশন সার্ভের অনুমোদন দিয়েছে রেলমন্ত্রক। যে তিনটি রুটের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে তা হল সিউরি—নালা ভায়া রাজনগর ও বক্রেশ্বর (Birbhum) ৭৩ কিমি। বক্রেশ্বরধাম একটি গুরুত্বপূর্ণ তীর্থ কেন্দ্র, এতদিন শুধু সড়ক যোগাযোগ ছিল, এবার থেকে রেলপথের মাধ্যমে সংযুক্ত হবে। আরামবাগ-খানাকুল ২৭ কিমি এবং রসুলপুল-জঙ্গলপাড়া ৭৮ কিমি। এই তিন রেলপথে বীরভূম, হুগলি এবং পূর্ব বর্ধমান সংলগ্ন বিস্তীর্ণ অঞ্চলে রেল যোগাযোগ আরও দৃঢ় হবে।

  • PM Modi: “কেন্দ্রীয় বাজেট ও সংস্কারের ওপরই মনোনিবেশ করুন”, সাংসদদের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi: “কেন্দ্রীয় বাজেট ও সংস্কারের ওপরই মনোনিবেশ করুন”, সাংসদদের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সাংসদরা যেন কেন্দ্রীয় বাজেট ও সংস্কারের ওপরই মনোনিবেশ করেন”, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারি এমনই আহ্বান জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তিনি রাষ্ট্রপতির ভাষণকে জাতীয় আত্মবিশ্বাসের প্রতীক হিসেবে তুলে ধরেন এবং ভারতের প্রবৃদ্ধি-লক্ষ্যমাত্রাকে ভারত এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির সঙ্গে যুক্ত করেন, যাকে তিনি সবচেয়ে (Budget Session) বড় চুক্তি বা সব চুক্তির জননী বলে অভিহিত করেন। নয়াদিল্লিতে বাজেট অধিবেশনের সূচনায় ভাষণ দিতে গিয়ে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের একটি ঐতিহাসিক মাইলফলকের কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। ১ ফেব্রুয়ারি তিনি ২০২৬–২৭ অর্থবর্ষের কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ করতে চলেছেন, যা হবে তাঁর টানা নবম বাজেট পেশ।

    প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য (PM Modi)

    রাষ্ট্রপতির ভাষণ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “রাষ্ট্রপতির ভাষণ ১৪০ কোটি নাগরিকের আত্মবিশ্বাসের প্রকাশ এবং যুবসমাজের আকাঙ্ক্ষার রূপরেখা তুলে ধরে।” সংস্কার ও সংসদের ভূমিকা নিয়ে তিনি বলেন, “সংসদ সদস্যদের উচিত সংস্কারের গতিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে অবদান রাখা এবং তা সমর্থন করা।” ভারতের সংস্কারযাত্রা সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দীর্ঘদিনের সমস্যার যুগ থেকে বেরিয়ে এসে আমরা এখন দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের পথে এগোচ্ছি।” প্রযুক্তি ও শাসনব্যবস্থা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমাদের প্রযুক্তিগত সংস্কার মানুষের প্রয়োজনকে কেন্দ্র করে গড়ে তোলা দরকার।” বিশ্বে ভারতের অবস্থান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “ভারতের গণতন্ত্র ও জনসংখ্যাগত শক্তি বিশ্বশক্তির বড় স্তম্ভ।” ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আগামী দিনে আমরা পরবর্তী প্রজন্মের সংস্কারের পথে এগিয়ে যাব।” ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে তিনি বলেন, “ভারত-ইইউ এফটিএ একটি আত্মবিশ্বাসী ও প্রতিযোগিতামূলক ভারতের দিকে বড় পদক্ষেপ (PM Modi)।”

    সবচেয়ে বড় চুক্তি

    উৎপাদন ও রফতানি প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে এই চুক্তিকে ‘সবচেয়ে বড় চুক্তি’ বলে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এটি ভারতীয় উৎপাদকদের জন্য একটি বিশাল বাজার খুলে দেবে।” একই সঙ্গে তিনি পণ্যের গুণগত মানের ওপরও জোর দেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ইউরোপীয় ইউনিয়নে যেন সর্বোচ্চ মানের পণ্যই যায়, তা নিশ্চিত করতে হবে। গুণগত মানই আগামী কয়েক দশক ধরে স্থায়ী প্রভাব ফেলবে এবং ইউরোপে ‘ইন্ডিয়া ব্র্যান্ড’ প্রতিষ্ঠা করবে।” বাজেট অধিবেশনের প্রধান লক্ষ্য কী, এদিন তাও জানিয়ে দিয়েছেন তিনি। বলেন, “দেশের জন্য বাজেটের ওপর মনোযোগ দেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সংস্কার, কার্যকর করা বা বাস্তবায়ন ও রূপান্তর—এই তিনটি লক্ষ্যই আমাদের প্রধান উদ্দেশ্য (Budget Session)।” এদিনই অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের সংসদে অর্থনৈতিক সমীক্ষা পেশ করার কথা। এতে ২০২৬–২৭ অর্থবর্ষের কেন্দ্রীয় বাজেটের আগে ভারতের অর্থনীতির বিস্তারিত মূল্যায়ন তুলে ধরা হবে। ১ ফেব্রুয়ারি পেশ হবে বাজেট। প্রসঙ্গত, এই বাজেটটি হবে নির্মলা সীতারামনের টানা নবম কেন্দ্রীয় বাজেট। এর মাধ্যমে (Budget Session) তিনি দেশের প্রথম অর্থমন্ত্রী এবং প্রথম মহিলা হিসেবে এই নজির তৈরি করতে চলেছেন (PM Modi)।

     

  • Education Ministry: “অপব্যবহারের সুযোগ কাউকে দেওয়া হবে না”, ইউজিসির ‘ইকুইটি’ নির্দেশিকা বিতর্কে আশ্বাস কেন্দ্রের

    Education Ministry: “অপব্যবহারের সুযোগ কাউকে দেওয়া হবে না”, ইউজিসির ‘ইকুইটি’ নির্দেশিকা বিতর্কে আশ্বাস কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউজিসির (UGC) ‘ইকুইটি’ সংক্রান্ত বিধি নিয়ে সাংবাদিক বৈঠক করলেন (Education Ministry) কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। তাঁর আশ্বাস, এই বিধিতে কাউকে হয়রান করা হবে না এবং ইউজিসির ‘ইকুইটি’ নির্দেশিকা অপব্যবহারের সুযোগও কাউকে দেওয়া হবে না। তবে এই আশ্বাস ‘জেনারেল কাস্টে’র বিরুদ্ধে এই বিধিগুলির অপব্যবহার নিয়ে যে ব্যাপক আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, তা খুব একটা দূর করতে পারেনি। কারণ ১৩ জানুয়ারি প্রকাশিত সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট বলা হয়েছে, শুধুমাত্র তফসিলি জাতি (SC), উপজাতি (ST) এবং অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণির (OBC) ছাত্রছাত্রীরাই ‘জাতিভিত্তিক বৈষম্যের’ শিকার হওয়ার দাবি তুলতে পারবেন। শিক্ষামন্ত্রক এবং ইউজিসির কাছে এই নির্দেশিকাগুলি এক বড়সড় বিচারবিভ্রাটের উদাহরণ। এই দফতরকে ঘিরে ২০১৪ সালের পর সবচেয়ে বড় বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

    শিক্ষামন্ত্রীর বক্তব্য (Education Ministry)

    ধর্মেন্দ্র বলেন, “বর্তমান ব্যবস্থা সুপ্রিম কোর্টের তত্ত্বাবধানে চলা একটি প্রক্রিয়ার ফল।” তবে এই নির্দেশিকাগুলি যে অবশ্যম্ভাবী ছিল, তা নয়। বাস্তবে, ইউজিসি নিজেই ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে একটি আলাদা খসড়া নির্দেশিকা প্রকাশ করেছিল। ইউজিসি (UGC) ইকুইটি রেগুলেশনস ২০২৬-এর উৎস খুঁজে পাওয়া যায় দুই পড়ুয়ার মৃত্যুর ঘটনায়, ২০১৬ সালে রোহিত ভেমুলা এবং ২০১৯ সালে পায়েল তাদভি। উভয় ক্ষেত্রেই তাঁদের পরিবার অভিযোগ করেছিল যে জাতিভিত্তিক বৈষম্যের শিকার হয়ে তাঁরা আত্মহত্যা করতে বাধ্য হন। ২০১৯ সালের অগাস্ট মাসে রোহিত ভেমুলার মা রাধিকা এবং পায়েল তাদভির মা আবেদা সেলিম তাদভি সুপ্রিম কোর্টে একটি জনস্বার্থ মামলা (PIL) দায়ের করেন। তাঁরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলিতে বৈষম্যরোধী ব্যবস্থা চালুর আবেদন জানান। এই মামলায় আবেদনকারীদের পক্ষে সওয়াল করেন প্রবীণ আইনজীবী ইন্দিরা জয়সিং, তাঁর সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী প্রসন্ন এস এবং দিশা ওয়াডেকর।

    নতুন বিধি প্রণয়নের দাবি

    আবেদনকারীদের প্রতি সহানুভূতিশীল বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই পিটিশনে সম্পূর্ণ নতুন বিধি প্রণয়নের দাবি জানানো হয়নি। বরং ২০১২ সালের ‘ইউনিভার্সিটি গ্রান্টস কমিশন (প্রোমোশন অব ইকুইটি ইন হায়ার এডুকেশনাল ইনস্টিটিউশনস) রেগুলেশনস’ কঠোরভাবে কার্যকর করার দাবি তোলা হয়েছিল। ওই বিধি অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে ‘ইকুয়াল অপরচুনিটি সেল’ গঠন করতে হতো, বিশেষত এসসি এবং এসটি ছাত্রছাত্রীদের বিরুদ্ধে বৈষম্যের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে (Education Ministry)। পিটিশনাররা অভিযোগ করেন যে ভর্তি, মূল্যায়ন, হস্টেল বরাদ্দ এবং ক্যাম্পাস জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে জাতিগত পক্ষপাত রয়েছে। পাশাপাশি, ২০১২ সালের কাঠামো কার্যকর করার ক্ষেত্রে প্রায় সম্পূর্ণ ব্যর্থতার কথাও তুলে ধরা হয়, কার্যত কোনও নজরদারি নেই, খুব কম সংখ্যক ইকুয়াল অপরচুনিটি সেল রয়েছে এবং ন্যাকের (NAAC) মতো স্বীকৃতি প্রদানকারী সংস্থার সঙ্গে কোনও সমন্বয়ই নেই।

    সুপ্রিম কোর্টের নোটিশ

    ২০১৯ সালে সুপ্রিম কোর্ট নোটিশ জারি করলেও বিষয়টি দীর্ঘদিন ঝুলে ছিল। শেষমেশ ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং উজ্জ্বল ভূঁইয়া ইউজিসির গাফিলতির তীব্র সমালোচনা করেন এবং সেল, অভিযোগ ও গৃহীত পদক্ষেপ সংক্রান্ত তথ্য চেয়ে পাঠান। এর জবাবে ইউজিসি জানায়, তারা নতুন নির্দেশিকা খসড়া করছে। ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে ‘ইউনিভার্সিটি গ্রান্টস কমিশন (প্রোমোশন অব ইকুইটি ইন হায়ার এডুকেশন ইনস্টিটিউশনস) রেগুলেশনস, ২০২৫’ শীর্ষক খসড়া জনমতের জন্য প্রকাশ করা হয় (UGC)। এই নথিটি আবেদনকারীদের উদ্বেগকে গুরুত্ব দেওয়ার পাশাপাশি, জাতিগত পরিচয় ও বিভাজন যাতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান চালিকাশক্তি হয়ে উঠতে না পারে, তার একটি ভারসাম্যপূর্ণ ও বাস্তববাদী প্রয়াস হিসেবে উঠে আসে। অনেকে যে র‌্যাডিকাল পরিবর্তনের আশঙ্কা করেছিলেন, এই খসড়া তা নয়। বরং সুরক্ষা জোরদার করা এবং একই সঙ্গে প্রাতিষ্ঠানিক স্বায়ত্তশাসন, ন্যায়সঙ্গত আচরণ ও যথাযথ প্রক্রিয়া বজায় রাখার মধ্যে সূক্ষ্ম ভারসাম্য রক্ষা করা হয় (Education Ministry)।

    জাতিভিত্তিক বৈষম্যের মূল বিষয়

    ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারির খসড়াটি এসসি/এসটি ছাত্রছাত্রীদের বিরুদ্ধে জাতিভিত্তিক বৈষম্যের মূল বিষয়টিকেই কেন্দ্র করে রাখা হয়েছিল, যা সরাসরি পিটিশনের দাবির সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ। এতে অপ্রাসঙ্গিক বা ব্যাপক শ্রেণি যুক্ত করে বিষয়টিকে বিস্তৃত করা হয়নি। খসড়াটিতে বৈষম্যের আধুনিক সংজ্ঞায় বলা হয়, জাতি বা উপজাতিগত পরিচয়ের ভিত্তিতে অন্যায্য, ভিন্নতামূলক বা পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ। সমালোচকেরা একে ২০১২ সালের নিয়মে বর্ণিত নির্দিষ্ট নিষিদ্ধ কার্যকলাপের তালিকার তুলনায় অস্পষ্ট বললেও, এই সরল সংজ্ঞা প্রতিষ্ঠানগুলিকে প্রেক্ষিত অনুযায়ী নিয়ম প্রয়োগের নমনীয়তা দেয় এবং অতিরিক্ত আইনি জটিলতায় অচলাবস্থা এড়াতে সাহায্য করে (UGC)। খসড়ার একটি বিশেষভাবে যুক্তিসঙ্গত দিক ছিল মিথ্যা বা কুৎসিত অভিযোগের ক্ষেত্রে শাস্তির বিধান। এতে বলা হয়েছিল, প্রমাণিতভাবে মিথ্যা বৈষম্যের অভিযোগ দায়ের করলে ইকুইটি কমিটি জরিমানা ধার্য করতে পারবে।

    প্রয়োজনীয় সুরক্ষা

    এই বিধান প্রকৃত ভুক্তভোগীদের বিরুদ্ধে নয়, বরং অপব্যবহার রোধে একটি প্রয়োজনীয় সুরক্ষা হিসেবেই বিবেচিত হয়। ব্যক্তিগত শত্রুতা, শিক্ষাগত প্রতিযোগিতা বা গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের পরিবেশে এমন প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা অভিযোগ ব্যবস্থার বিশ্বাসযোগ্যতা বজায় রাখতে সহায়ক। ইকুইটি কমিটির গঠন নিয়েও খসড়াটি বাস্তববাদী ছিল। কমিটির চেয়ারপার্সন হিসেবে প্রতিষ্ঠান প্রধানকে রাখা হয় এবং প্রায় দশজন সদস্যের মধ্যে অন্তত একজন এসসি বা এসটি সম্প্রদায়ভুক্ত রাখার কথা বলা হয়। এতে শিক্ষক, ছাত্র ও প্রশাসনিক কর্মীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে সমষ্টিগত দায়িত্ববোধ গড়ে তোলার চেষ্টা করা হয় (Education Ministry)। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, খসড়াটি যথাযথ তদন্ত ছাড়া অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে একতরফা শাস্তি আরোপের প্রলোভন এড়িয়ে চলে (UGC)। এতে অভিযোগ খতিয়ে দেখার সময় উভয় পক্ষকে বক্তব্য ও প্রমাণ পেশের সুযোগ দেওয়ার ওপর জোর দেওয়া হয়, যা ভারতীয় আইনে স্বীকৃত প্রাকৃতিক ন্যায়বিচারের নীতির সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ।

    কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা

    প্রতিটি অভিযোগে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা না করে, সমাধান, মধ্যস্থতা ও সংস্কারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। খসড়াটি সচেতনতা কর্মসূচি, সংবেদনশীলতা বিষয়ক কর্মশালা এবং বার্ষিক প্রতিবেদন বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাব দেয়, তবে ক্যাম্পাস পরিচালনায় অতিরিক্ত হস্তক্ষেপ করেনি। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের আকার, অবস্থান ও সংস্কৃতির পার্থক্য স্বীকার করে প্রতিষ্ঠানগুলিকে সিদ্ধান্ত নেওয়ার স্বাধীনতাও বজায় রাখা হয়। মোটের ওপর, ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারির খসড়াটি ছিল একটি পরিণত ও ভারসাম্যপূর্ণ উদ্যোগ। এটি আবেদনকারীদের দাবি মেনে নিয়েও আইনের সামনে সমতার নীতিকে বিসর্জন দেয়নি। দুর্বল ছাত্রছাত্রীদের সুরক্ষা দেওয়ার পাশাপাশি অপব্যবহার রোধের ব্যবস্থাও রেখেছিল, ফলে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে এর গ্রহণযোগ্যতা তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা ছিল (Education Ministry)। অনেক পর্যবেক্ষক, এমনকি সমালোচকরাও স্বীকার করেছিলেন যে জনমত থেকে প্রাপ্ত ৩৯১টি প্রস্তাবের ভিত্তিতে কিছু সংশোধন করা হলে এটি শিক্ষাক্ষেত্রে বৈষম্যরোধী নীতির একটি আদর্শ মডেল হতে পারত।

    সেই সম্ভাবনা নাটকীয়ভাবে ভেস্তে যায়

    কিন্তু সেই সম্ভাবনা নাটকীয়ভাবে ভেস্তে যায়। আবেদনকারীরা ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারির খসড়ার বিরোধিতা করেন এবং ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫-এর সুপ্রিম কোর্টের শুনানিতে ইন্দিরা জয়সিং দশটি মূল সংস্কারের দাবি জানান (UGC)। এর মধ্যে ছিল প্রান্তিক গোষ্ঠীর উল্লেখযোগ্য প্রতিনিধিত্ব-সহ অভিযোগ নিষ্পত্তি কমিটি গঠন এবং নির্দেশিকা না মানলে অনুদান প্রত্যাহারের প্রস্তাব। বেঞ্চ আট সপ্তাহের মধ্যে চূড়ান্ত নির্দেশিকা জারি করার সময়সীমা বেঁধে দেয় এবং বড় কোনও ঘাটতি থাকলে তা খতিয়ে দেখার হুঁশিয়ারিও দেয়।এরপর ১৩ জানুয়ারি ২০২৬-এ যখন চূড়ান্ত ইউজিসি (প্রোমোশন অব ইকুইটি ইন হায়ার এডুকেশন ইনস্টিটিউশনস) রেগুলেশনস, ২০২৬ গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়, তখন পরিবর্তনটি ছিল চোখে পড়ার মতো (Education Ministry)। এতে জয়সিংয়ের একাধিক দাবি অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এর মধ্যে ছিল বৈষম্য নিষিদ্ধকরণ ও ডিবারমেন্টের ক্ষমতা (ধারা ১১), বিচ্ছিন্নকরণের বিরুদ্ধে স্পষ্ট বিধান (ধারা ৭(ডি)), ওবিসি/প্রতিবন্ধী/মহিলাদের অন্তর্ভুক্ত করে বৈচিত্র্যময় ইকুইটি কমিটি (ধারা ৫(৭)), গোপনীয়তা ও প্রতিশোধরোধী সুরক্ষা, প্রতিষ্ঠান প্রধানের দায়িত্ব (ধারা ৪(৩)), বাধ্যতামূলক কাউন্সেলিং (ধারা ৭(এফ)) এবং প্রো-অ্যাকটিভ ইকুইটি স্কোয়াড ও অ্যাম্বাসাডর। কিন্তু এর বিনিময়ে ২০২৫ সালের খসড়ার ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যায়।

    চূড়ান্ত সংস্করণে ‘জাতিভিত্তিক বৈষম্য’

    সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণভাবে, চূড়ান্ত সংস্করণে ‘জাতিভিত্তিক বৈষম্য’ কেবল এসসি, এসটি এবং ওবিসিদের বিরুদ্ধে সংঘটিত কাজের মধ্যেই সীমাবদ্ধ করা হয়। ফলে সাধারণ শ্রেণির ব্যক্তিদের সম্ভাব্য অপব্যবহার থেকে সুরক্ষার কোনও সমতুল ব্যবস্থা রইল না। মিথ্যা অভিযোগের বিরুদ্ধে যে সুরক্ষা খসড়ায় ছিল, তা সম্পূর্ণভাবে বাদ দেওয়া হয়। এই একতরফা প্রবণতা মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অভিযোগ বাড়ানোর ঝুঁকি তৈরি করে, যথাযথ বিচারপ্রক্রিয়াকে দুর্বল করে এবং শিক্ষাজগতের বড় অংশকে বিচ্ছিন্ন করে দিতে পারে। এর জেরে দেশজুড়ে প্রবল প্রতিবাদ শুরু হয়। সমালোচকরা এই বিধিকে বিভাজনমূলক এবং সংবিধানের সমানাধিকারের নীতির পরিপন্থী বলে অভিহিত করেন (Education Ministry)। ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারির খসড়া দেখিয়েছিল যে শিক্ষামন্ত্রক ও ইউজিসি যুক্তিসঙ্গত ও অ-বৈষম্যমূলক নীতি তৈরি করতে সক্ষম। কিন্তু সেপ্টেম্বরের পরবর্তী মোড়, চাপ, আত্মসমর্পণ বা অভ্যন্তরীণ ভুলের কারণেই হোক, এমন একটি কাঠামো তৈরি করেছে, যা ন্যায়বিচারের বদলে বাছাই করা প্রয়োগকে অগ্রাধিকার দেয় (UGC)। যে সংস্কার একান্ত প্রয়োজনীয় ছিল, তা এখন এক হারানো সুযোগের সতর্কবার্তায় পরিণত হয়েছে, যেখানে ‘সমতা’ বিভাজনের রূপ নিয়েছে। শিক্ষাক্ষেত্রে প্রকৃত ন্যায়বিচার মানে এমন সুরক্ষা, যা সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য, এমন অস্ত্র নয়, যা যে নীতিকে রক্ষা করার দাবি করে, তাকেই ক্ষয় করে (Education Ministry)।

     

  • Suvendu Adhikari: রাজ্যে নয়া ৫ রেল লাইনের অনুমোদন মোদি সরকারের, কোন কোন জেলার উপর দিয়ে যাবে?

    Suvendu Adhikari: রাজ্যে নয়া ৫ রেল লাইনের অনুমোদন মোদি সরকারের, কোন কোন জেলার উপর দিয়ে যাবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে নতুন ৫ রেললাইনের অনুমোদন কেন্দ্রের। এই প্রকল্পগুলি দীর্ঘ দিন ধরে জন সাধারণের দাবি দাওয়ার মধ্যে ছিল। মানুষের প্রয়োজনকে সামনে রেখে কেন্দ্রীয় সরকার মান্যতা দিয়েছে। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) নিজেই এই ঘোষণার কথা সামাজিক মাধ্যমে জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “পূর্ব মেদিনীপুর, হুগলি, বাঁকুড়া এবং পুরুলিয়ার মতো একাধিক জায়গায় নতুন করে রেল লাইন পাতা হবে। এখানে বহু দিন ধরে রেল (Indian Railway) যোগাযোগ অপর্যাপ্ত ছিল। নতুন লাইনে যোগাযোগ এবং যাতায়েত অনেক মসৃণ হবে।”

    কোন ৫টি রুটে ব্যবসা-বাণিজ্য-যোগাযোগ বাড়বে (Suvendu Adhikari)

    রাজ্যে নতুন করে রেলে লাইনের অনুমোদনে কেন্দ্রীয় সরকারকে অভিনন্দন ব্যক্ত করেছেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তাঁর একটি পোস্ট করা বার্তায় জানা গিয়েছে মোট পাঁচটি নতুন রেললাইন প্রকল্পের গ্রীন সিগন্যাল পাওয়া গিয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে, কাঁথি থেকে এগরা পর্যন্ত নতুন রেললাইন, নন্দকুমার থেকে বলাইপণ্ডা পর্যন্ত রেল লাইন সংযোগ এবং নন্দীগ্রাম থেকে কেন্দামারি নয়াচর পর্যন্ত নতু্ন লাইন। একইসঙ্গে হুগলি জেলায় বোয়াইচণ্ডী থেকে আরামবাগ এবং বোয়াইচণ্ডী থেকে খানা পর্যন্ত দুটি পৃথক রেললাইন (Indian Railway) প্রকল্প অনুমোদনের কথাও জানানো হয়েছে। আবার বাঁকুড়া কলাবতী থেকে পুরুলিয়া হয়ে হুড়া পর্যন্ত নতুন রেললাইন নির্মাণের পরিকল্পনাও করা হয়েছে। শুভেন্দু বলেন, “কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব রাজ্যের একাধিক জায়গায় রেলপথ বিস্তারের অনুমোদন করেছেন। রাজ্যের একাধিক জায়গায় এই সুবিধার কারণে ব্যবসা, বাণিজ্য, যোগাযোগ এবং সামগ্রিক উন্নয়নে নতুন গতি আসবে।”

    মোদির নেতৃত্বে বাংলার সার্বিক উন্নয়ন

    নিজের পোস্টে রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবকে ধন্যবাদ জানিয়ে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, “এই সিদ্ধান্তে পশ্চিমবঙ্গের মানুষের বহুদিনের প্রত্যশা পূরণের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। একই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে বাংলার সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে দ্রুত এবং দৃঢ় সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন।”

    তবে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে যে সব এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে রেলের (Indian Railway) যোগাযোগ ছিল না সেখানে এখন যোগাযোগ বাড়বে। রাজনৈতিক এবং প্রশাসনিক ভাবে এই সিদ্ধান্ত একান্ত গুরুত্বপূর্ণ।

  • ECI: পাঁচ রাজ্যের ভোটে বাংলার স্বরাষ্ট্রসচিব সহ ২৫ আধিকারিককে পর্যবেক্ষক করল কমিশন

    ECI: পাঁচ রাজ্যের ভোটে বাংলার স্বরাষ্ট্রসচিব সহ ২৫ আধিকারিককে পর্যবেক্ষক করল কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুয়ারে পাঁচ রাজ্যের ভোট। এই রাজ্যগুলি হল পশ্চিমবঙ্গ, অসম, কেরল, তামিলনাড়ু এবং পুদুচেরি। তাই এই রাজ্যগুলিতে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক নিয়োগ করল জাতীয় নির্বাচন কমিশন (ECI)। এই রাজ্যগুলির ভোট প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষকের যে তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে, তার মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের ২৫ জন প্রবীণ আধিকারিকও রয়েছেন (ISP)। এর মধ্যে ১৫ জন আইএএস এবং ১০ জন আইপিএস। এই পঁচিশ জনের তালিকায় রয়েছেন হাওড়া পুলিশ কমিশনার প্রবীণ ত্রিপাঠি এবং আসানসোলের কমিশনারেরও। এই তালিকায় ঠাঁই হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান স্বরাষ্ট্রসচিব জগদীশ প্রসাদ মীনারও। কেবল স্বরাষ্ট্রসচিব নয়, ওই তালিকায় নাম রয়েছে উলগানাথান, সঞ্জয় বনশল এবং শুভাঞ্জন দাসেরও। ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি তাঁদের ট্রেনিং নেওয়ার সময় ধার্য করা হয়েছে।

    কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক (ECI)

    কমিশন কেন এই তালিকা প্রকাশ করল, তাও জানিয়ে দিয়েছে তারা। কমিশনের দাবি, কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক নিয়োগের জন্য রাজ্য সরকারের অন্তত পাঁচবার অফিসারদের তালিকা চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কোনও উত্তর না মেলায় কমিশন নিজেই পর্যবেক্ষকদের তালিকা চূড়ান্ত করে প্রকাশ করেছে। সূত্রের খবর, এ নিয়ে জাতীয় নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার (ECI)।পর্যবেক্ষকদের তালিকা প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের তরফে একটি নির্দেশিকাও জারি করা হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, ব্যাচভিত্তিক তালিকাভুক্ত সমস্ত আইএএস এবং আইপিএস আধিকারিকদের জন্য বাধ্যতামূলক ব্রিফিং বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছে।

    কমিশনের স্পষ্ট নির্দেশিকা

    নির্দেশিকায় স্পষ্ট বলা হয়েছে, ব্রিফিং বৈঠকে কোনও আধিকারিকের অনুমোদিত অনুপস্থিতি অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করবে নির্বাচন কমিশন। এমন ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া হয়নি। কমিশনের এই নির্দেশ কার্যকর করতে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নোটিশ সার্ভ করার কথাও বলা হয়েছে। ই-মেইল, সরাসরি যোগাযোগ বা অন্য যে কোনও উপলদ্ধ মাধ্যম ব্যবহার করে নোটিশ পৌঁছে দিতে হবে এবং তা অবশ্যই আধিকারিকের স্বীকৃতি-সহ গ্রহণ করাতে হবে। নোটিশ সার্ভ করার পর প্রত্যেক আধিকারিকের কাছ থেকে পাওয়া স্বীকৃতিপত্র সংযুক্ত করে একটি লিখিত নিশ্চিতকরণ রিপোর্ট কমিশনের কাছে পাঠাতে হবে। সেই রিপোর্ট ই-মেইলের মাধ্যমে জমা দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে, যাতে কমিশন বিষয়টি পর্যালোচনা করতে পারে (ISP)।

    প্রসঙ্গত, এই ব্রিফিং বৈঠকের জন্য ব্যাচভিত্তিক মিনিট-টু-মিনিট প্রোগ্রাম চূড়ান্ত করা হয়েছে। অ্যানেক্সার-১, ২ এবং ৩-এ সংযুক্ত সেই কর্মসূচির বিস্তারিত সমস্ত সংশ্লিষ্ট আইএএস এবং আইপিএস আধিকারিকদের জানিয়ে দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। বিজেপি নেতা জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “সেই ১৯৫২ সাল থেকে ব্যাচ ধরেই তালিকা তৈরি করে কমিশন (ECI)।”

  • India-EU: ভারত-ইউরোপীয় ইউনিয়ন মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির ফলে কোন কোন পণ্য হবে সস্তা? জেনে নিন

    India-EU: ভারত-ইউরোপীয় ইউনিয়ন মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির ফলে কোন কোন পণ্য হবে সস্তা? জেনে নিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের (India-EU) মধ্যে মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারি এক ঐতিহাসিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। এই বাণিজ্য চুক্তির ফলে ভারতীয় ভোক্তারা এখন থেকে ইউরোপীয় পণ্যের ওপর ব্যাপক মূল্য হ্রাসের আশা করতে পারবেন। আন্তর্জাতিক মুক্ত বাণিজ্যে (Free Trade Agreement) ভারতের জন্য তাতে অনেকটাই সুবিধাজনক হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞ মহল।

    ৯৬ শতাংশের বেশি আইটেমে শুল্ক হ্রাস (India-EU)

    সংশ্লিষ্ট দফতরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই চুক্তির ফলে ভারতে (India-EU) রফতানি করা ইউরোপীয় পণ্যের ৯৬ শতাংশের বেশি সামগ্রীর ওপর থেকে শুল্ক হ্রাস (Free Trade Agreement) করা হবে। এর ফলে বিলাসবহুল গাড়ি থেকে শুরু করে নিত্যদিনের মুদি পণ্য—সবকিছুর দামেই বড় পরিবর্তন আসার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। আসুন জেনে নিই কোন কোন পণ্যে মিলবে ছাড়।

    বিলাসবহুল গাড়ি

    সবচেয়ে আকর্ষণীয় পরিবর্তন আসছে অটোমোবাইল খাতে। বার্ষিক ২.৫০ লক্ষ গাড়ির কোটার জন্য আমদানিকৃত ইউরোপীয় (India-EU) গাড়ির ওপর শুল্ক ১১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে মাত্র ১০ শতাংশে নামিয়ে আনা হবে। তবে তা অবশ্যই পর্যায়ক্রমে কয়েক বছরের মধ্যে। মার্সিডিজ-এএমজি, বিএমডব্লিউ, অডি, পোর্শে, ল্যাম্বরগিনি এবং রোলস-রয়েসের মতো ব্র্যান্ডগুলো ভারতীয় ক্রেতাদের জন্য অনেক বেশি সাশ্রয়ী (Free Trade Agreement) হয়ে উঠবে।

    সুরাজাতীয় পানীয়

    ইউরোপীয় (India-EU) ওয়াইনের ওপর শুল্ক ১৫০ শতাংশ থেকে কমে ২০-৩০ শতাংশে নামবে। এছাড়া স্পিরিটের ক্ষেত্রে শুল্ক হবে ৪০ শতাংশ এবং বিয়ারের ক্ষেত্রে ৫০ শতাংশ।

    খাদ্যদ্রব্য

    চকলেট, বিস্কুট, পাস্তা, পাউরুটি এবং অলিভ অয়েলের মতো প্রক্রিয়াজাত খাবারের ওপর শুল্ক প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে আসবে।

    স্বাস্থ্যসেবা

    চশমা (অপটিক্যাল), মেডিকেল এবং সার্জিক্যাল সরঞ্জামের ওপর বর্তমান ২৭.৫ শতাংশ শুল্ক প্রায় ৯০ শতাংশ ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ তুলে নেওয়া হবে। এছাড়া ওষুধ ও মেডিকেল ডিভাইসের ওপর থেকে ১১ শতাংশ শুল্কও অধিকাংশ ক্ষেত্রে সরিয়ে দেওয়া হবে।

    শিল্প খাত

    রাসায়নিক (বর্তমানে ২২% পর্যন্ত শুল্ক), যন্ত্রপাতি (৪৪% পর্যন্ত শুল্ক) এবং প্লাস্টিকের ওপর থেকেও শুল্ক প্রত্যাহার (Free Trade Agreement) করা হবে।

    চুক্তির প্রভাব ও বাস্তবায়ন

    এই চুক্তিটি (Free Trade Agreement) বিশ্বের ২৫ শতাংশ জিডিপি এবং প্রায় ২০০ কোটি মানুষের ওপর প্রভাব ফেলবে। ধারণা করা হচ্ছে, এর মাধ্যমে ইউরোপীয় (India-EU) রফতানি কারকরা বার্ষিক প্রায় ৪.৮ বিলিয়ন ডলার শুল্ক সাশ্রয় করবেন, যার সরাসরি সুফল পাবেন ভারতের সাধারণ মানুষ। আইনি যাচাই-বাছাই ও অনুমোদনের পর চলতি বছরের মধ্যেই এটি কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

  • Economic Survey: রবিবার বাজেট, তার আগে সংসদে অর্থনৈতিক সমীক্ষা পেশ নির্মলার, কী এর গুরুত্ব?

    Economic Survey: রবিবার বাজেট, তার আগে সংসদে অর্থনৈতিক সমীক্ষা পেশ নির্মলার, কী এর গুরুত্ব?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুরু হয়েছে বাজেট অধিবেশন (Budget 2026) । আজ, বৃহস্পতিবার সংসদে অর্থনৈতিক সমীক্ষা পেশ (Economic Survey) করবেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। বাজেট অধিবেশনের প্রথম পর্ব শেষ হওয়ার কথা ১৩ ফেব্রুয়ারিতে। আগামী ১ ফেব্রুয়ারি কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ করবেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। তার আগের ধাপ হল অর্থনৈতিক সমীক্ষা পেশ। ফি বছর অর্থনৈতিক সমীক্ষার দিকে অর্থনীতিবিদ ও নীতিনির্ধারক বিশ্লেষকদের বিশেষ নজর থাকে। কারণ এই নথিতে গত এক বছরে ভারতীয় অর্থনীতির সামগ্রিক পারফরম্যান্সের বিস্তারিত মূল্যায়নের পাশাপাশি বিভিন্ন খাতে ভবিষ্যৎ বৃদ্ধির সম্ভাবনা সম্পর্কে ধারণা মেলে।

    অর্থনৈতিক সমীক্ষা কী (Economic Survey)

    অর্থনৈতিক সমীক্ষা একটি বিস্তৃত বাৎসরিক অর্থনৈতিক পর্যালোচনা, যা অর্থ মন্ত্রকের অধীন অর্থনৈতিক বিষয়ক দফতরের (ডিপার্টমেন্ট অব ইকোনমিক অ্যাফেয়ার্স) অর্থনৈতিক বিভাগ প্রস্তুত করে। এই সমীক্ষার সঙ্গে যুক্ত থাকেন প্রধান অর্থনৈতিক উপদেষ্টা। বর্তমানে এই পদে রয়েছেন ভি অনন্ত নাগেশ্বরন। এই নথিতে অর্থনৈতিক সূচক, গুরুত্বপূর্ণ রাজস্ব ও আর্থিক সূচকগুলির গভীর বিশ্লেষণ এবং ভবিষ্যতমুখী মূল্যায়ন তুলে ধরা হয়। একই সঙ্গে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ রেফারেন্স নথি হিসেবে কাজ করে, যা প্রায়ই আসন্ন ২০২৬–২৭ অর্থবর্ষের কেন্দ্রীয় বাজেটে কী ধরনের নীতি ও অগ্রাধিকার নির্ধারিত হতে পারে, তার ইঙ্গিত দেয় (Economic Survey)।

    বৈশ্বিক প্রতিকূলতার মধ্যেও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি

    অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫–২৬ সংসদের উভয় কক্ষে পেশ করা হবে বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারি ২০২৬-এ, সকাল ১১টা থেকে ১২টার মধ্যে। এর পরেই প্রধান অর্থনৈতিক উপদেষ্টার নেতৃত্বে হবে সাংবাদিক বৈঠক। অর্থনৈতিক সমীক্ষা সাধারণত দেশের সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রবণতার সার্বিক ছবি তুলে ধরে। চলতি বছরে এতে বৈশ্বিক প্রতিকূলতার মধ্যেও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির স্থিতিস্থাপকতা, ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক নীতির সম্ভাব্য প্রভাব, কর্মসংস্থানে এআইয়ের প্রভাব এবং মার্কিন ডলারের তুলনায় রুপির মূল্য হ্রাস নিয়ে আলোচনার কথা থাকতে পারে। এই সমীক্ষায় অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য নতুন নীতি-ভাবনাও তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে রয়েছে দারিদ্র্য বিমোচন, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন, পরিকাঠামো উন্নয়ন এবং দেশের আর্থিক ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করা।

    অর্থনৈতিক সমীক্ষা প্রথম চালু হয় ১৯৫০–৫১ অর্থবর্ষে বাজেট নথির অংশ হিসেবে। পরবর্তী সময়ে এটি একটি স্বতন্ত্র নথি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে, যা কেন্দ্রীয় বাজেটের আগে সংসদে পেশ করা হয়। প্রতি বছর সমীক্ষার মূল থিম নীতিনির্ধারক ও পর্যবেক্ষকদের বিশেষ দৃষ্টি আকর্ষণ করে (Budget 2026)। এই সমীক্ষায় খাতভিত্তিক বিশদ পর্যালোচনার পাশাপাশি অর্থনৈতিক উদ্বেগ ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলাদা অধ্যায়ও অন্তর্ভুক্ত থাকে (Economic Survey)।

  • Ramakrishna 568: “প্রার্থনা কম পড়ে যাচ্ছে; আজকাল ‘আমি’টা খুঁজে পাচ্ছি না, দেখছি তিনিই এই খোলটার ভিতরে রয়েছেন”

    Ramakrishna 568: “প্রার্থনা কম পড়ে যাচ্ছে; আজকাল ‘আমি’টা খুঁজে পাচ্ছি না, দেখছি তিনিই এই খোলটার ভিতরে রয়েছেন”

    ৫১ ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ দক্ষিণেশ্বর-মন্দিরে ভক্তসঙ্গে

    দ্বাদশ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২০শে ও ২৪শে সেপ্টেম্বর

    অসুস্থ শ্রীরামকৃষ্ণ ও ডাক্তার রাখাল—ভক্তসঙ্গে নৃত্য

    শ্রীরামকৃষ্ণের রোগ কেন?

    ডাক্তার ব্যবস্থা করার পর শ্রীরামকৃষ্ণ আবার কথা কহিতেছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) ভক্তদের প্রতি—আচ্ছা, লোকে বলে ইনি যদি এত—(এত সাধু) তবে রোগ হয় কেন?

    তারক—ভগবানদাস বাবাজী অনেকদিন রোগে শয্যাগত হয়েছিলেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ(Ramakrishna)—মধু ডাক্তার, ষাট বছর বয়সে রাঁড়ের জন্য তার বাসায় ভাত নিয়ে যাবে; এদিকে নিজের কোন রোগ নাই।

    গোস্বামী—আজ্ঞা, আপনার যে অসুখ সে পরের জন্য; যারা আপনার কাছে আসে তাদের অপরাধ আপনার নিতে হয়, সেই সকল অপরাধ, পাপ লওয়াতে আপনার অসুখ হয়!

    একজন ভক্ত—আপনি যদি মাকে বলেন মা, এই রোগটা সারিয়ে দাও, তা হলে শীঘ্র সেরে যায়।

    সেব্য-সেবকভাব কম—‘আমি’ খুঁজে পাচ্ছি না

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—রোগ সারাবার কথা বলতে (Kathamrita) পারি না; আবার ইদানীং সেব্য-সেবক ভাব কম পড়ে যাচ্ছে। এক-একবার বলি, ‘মা, তরবারির খাপটা একটু মেরামত করে দাও’; কিন্তু ওরূপ প্রার্থনা কম পড়ে যাচ্ছে; আজকাল ‘আমি’টা খুঁজে পাচ্ছি না। দেখছি তিনিই এই খোলটার ভিতরে রয়েছেন।

    কীর্তনের জন্য গোস্বামীকে আনা হইয়াছে। একজন ভক্ত জিজ্ঞাসা করিলেন, ‘কীর্তন কি হবে?’ শ্রীরামকৃষ্ণ অসুস্থ, কীর্তন হইলে মত্ততা আসিবে; এই ভয় সকলে করিতেছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ বলিতেছেন, “হোক একটু। আমার নাকি ভাব হয়, তাই ভয় হয়। ভাব হলে গলার ওইখানটা গিয়ে লাগে (Kathamrita)।”

    কীর্তন শুনিতে শুনিতে ঠাকুর ভাব সম্বরণ করিতে পারিলেন না; দাঁড়াইয়া পড়িলেন ও ভক্ত সঙ্গে নৃত্য করিতে লাগিলেন।

    ডাক্তার রাখাল সমস্ত দেখিলেন; তাঁহার ভাড়াটিয়া গাড়ি দাঁড়িয়া আছে। তিনি ও মাস্টার গাত্রোত্থান করিলেন, কলিকাতায় ফিরিয়া যাইবেন। ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণকে উভয়ে প্রণাম করিলেন। শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) সস্নেহে মাস্টারের প্রতি—তুমি কি খেয়েছ?

  • Ajit Pawar: অজিত প্রয়াত, ‘আসল’ এনসিপির নেতৃত্বে এবার কে?

    Ajit Pawar: অজিত প্রয়াত, ‘আসল’ এনসিপির নেতৃত্বে এবার কে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার সকালে বিমান দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে মহারাষ্ট্রের উপ-মুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ারের (Ajit Pawar)। তার পরেই উঠছে সেই মোক্ষম প্রশ্নটি, ‘আসল’ এনসিপির (NCP) নেতৃত্বে এবার কে? ভারতের রাজনৈতিক দলগুলি সাধারণত কমিটি নয়, ব্যক্তিনির্ভর নেতৃত্বে চলে। সংগঠনিক কর্তৃত্বের চেয়ে এসব ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত ক্যারিশমার গুরুত্ব বেশি, এনসিপিও এর ব্যতিক্রম নয়।

    ‘গ্র্যান্ড ওল্ড ম্যান’ (Ajit Pawar)

    মহারাষ্ট্র রাজনীতির ‘গ্র্যান্ড ওল্ড ম্যান’ শরদ পাওয়ারের হাতে গড়া ও লালিত এই দলটিতে বরাবরই নেতৃত্বে ছিলেন কোনও না কোনও ‘পাওয়ার’। ২০২৩ সালের মে মাসে এর এক আবেগঘন উদাহরণ দেখা গিয়েছিল। সেদিন ভাইপো অজিত পাওয়ারের বিজেপির দিকে ঝুঁকে পড়া ঠেকাতে শরদ পাওয়ার দল ছাড়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন।  কিন্তু তৎক্ষণাৎ দলীয় কর্মীরা তাঁকে স্লোগানে স্লোগানে ভরিয়ে দেন। এমনকি যখন এনসিপি ভেঙে দু’টি শিবির তৈরি হয়েছিল, তখনও দলের রাশ ছিল পাওয়ার পরিবারেরই হাতে। কিন্তু অজিত পাওয়ারের অকাল মৃত্যুর পর সেই সমীকরণ বদলে যাওয়ার সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে। অজিত-উত্তর ‘আসল’ এনসিপির মালিকানা নিয়ে শীঘ্রই টানাপোড়েন শুরু হতে পারে। কারণ, এই মর্মান্তিক ঘটনার পরেও সরকার চালাতে হবে, মন্ত্রিসভায় শূন্য পদ, এমনকি উপ-মুখ্যমন্ত্রীর পদও পূরণ করতে হবে। এরই মধ্যে দু’টি স্পষ্ট ক্ষমতার ভরকেন্দ্র প্রকাশ্যে চলে এসেছে।

    প্রথম শিবির

    প্রথম শিবির পাওয়ার পরিবার। এই শিবিরের কেন্দ্রে রয়েছেন অজিত পাওয়ারের স্ত্রী সুনেত্রা পাওয়ার। অন্তত আপাতত তিনি বিপুল সহানুভূতির হাওয়া পাবেন, এমনকি তাঁদের কাছ থেকেও, যাঁরা সাধারণত এনসিপি বা অজিত পাওয়ারের রাজনীতির সমর্থক নন। রাজনীতিতে বংশানুক্রমের দৃষ্টিভঙ্গি ধরলে, স্বামীর উত্তরসূরি হিসেবে সুনেত্রাই দলীয় নেতৃত্বের সবচেয়ে স্বাভাবিক পছন্দ। তবে সুনেত্রা রাজনৈতিকভাবে নবাগত। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে হেরে গিয়েছিলেন। বর্তমানে সুনেত্রা রাজ্যসভার সাংসদ। কিন্তু এই অভিজ্ঞতা প্রবীণ ও কৌশলী নেতা, যেমন ছগন ভুজবল বা সুনীল তটকরের পূর্ণ আনুগত্য আদায় করার পক্ষে যথেষ্ট নাও হতে পারে (Ajit Pawar)। এই শিবিরে (NCP) রয়েছেন অজিতের দুই ছেলে—পার্থ ও জয় পাওয়ার। তবে দু’জনকেই সুনেত্রার থেকেও কম বাস্তবসম্মত বিকল্প হিসেবে দেখা হচ্ছে। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে পার্থকে ভবিষ্যতের নেতা হিসেবে তুলে ধরা হয়েছিল। পুনে জেলার মাভাল কেন্দ্র থেকে তিনি প্রার্থী হন। কিন্তু শিবসেনার শ্রীরং বার্নের কাছে বিরাট ব্যবধানে হেরে যান তিনি। পার্থ পাঁচ লাখের কিছু বেশি ভোট পেলেও, বার্নে পেয়েছিলেন ৭.২ লাখেরও বেশি ভোট। এর পর থেকে পার্থকে আর সেভাবে সক্রিয় রাজনীতিতে দেখা যায়নি। ভোটারদের মধ্যে আবেগ তৈরি করতে তাঁর প্রত্যাবর্তন কিছুটা ভূমিকা রাখতে পারলেও, তাঁর বিরুদ্ধে চলা একাধিক আইনি মামলার কারণে সেই সম্ভাবনাও অত্যন্ত ক্ষীণ।  অজিতের ছোট ছেলে জয় এই তিনজনের মধ্যে সবচেয়ে দুর্বল বিকল্প বলেই রাজনৈতিক মহলের ধারণা। গত কয়েক বছর ধরে জয় মূলত পারিবারিক ব্যবসার দিকেই মনোযোগ দিয়েছেন। বোর্ডরুমের কাজেই তিনি বেশি স্বচ্ছন্দ বলে মনে করা হয়। যদিও বারামতিতে, পরিবারের শক্ত ঘাঁটিতে, গ্রামস্তরে কিছু সক্রিয়তার খবর পাওয়া গিয়েছে। এবং সেটাও সম্ভবত তাঁকে রাজনৈতিকভাবে প্রাসঙ্গিক রাখার চেষ্টা হিসেবে করা হয়েছে। কিন্তু বাস্তবতা হল, জয় কখনও কোনও নির্বাচনেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেননি, যা তাঁর বিরুদ্ধে যেতে পারে।

    দ্বিতীয় শিবিরে কারা?

    এতো গেল প্রথম শিবিরের কথা। দ্বিতীয় শিবিরে রয়েছেন এনসিপির শক্তিমান নেতারা। এই শিবিরে রয়েছেন অজিত -ঘনিষ্ঠ প্রবীণ তিন নেতাও, ছগন ভুজবল, সুনীল তটকরে এবং প্রফুল্ল প্যাটেল (NCP)। এঁদের মধ্যে প্রফুল্ল প্যাটেলই বর্তমানে অজিতের এনসিপির সবচেয়ে সিনিয়র নেতা। প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও অভিজ্ঞ রাজনৈতিক কৌশলবিদ প্যাটেল একসময় দিল্লিতে শরদ পাওয়ারের দরকষাকষির প্রধান মুখ ছিলেন (Ajit Pawar)। সংসদীয় রাজনীতিতে অভিজ্ঞতা এবং জাতীয় রাজধানীতে যোগাযোগের জোরে তিনি অজিতের এনসিপির স্বপ্নকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারেন। তবে অনেকের মতে, দলের কর্মী ও ভোটারদের মধ্যে অজিতের যে দাপট ছিল, তা প্যাটেলের নেই। তাই দীর্ঘমেয়াদি নেতৃত্ব তাঁর পক্ষে কঠিন হতে পারে। তবুও, দল পুনর্গঠনের সময় তিনি একজন আদর্শ তত্ত্বাবধায়ক নেতা হতে পারেন। সুনীল তটকরে আবার একেবারে তৃণমূলস্তর থেকে উঠে আসা নেতা। রায়গড় জেলায় অজিতের এনসিপি গড়ে তুলতে তাঁর বিরাট ভূমিকা ছিল। তিনি মহারাষ্ট্রের জলসম্পদ মন্ত্রী হিসেবেও কাজ করেছেন।

    অজিতের এনসিপি কি আবার শরদ পাওয়ারের দলে?

    তবে প্যাটেলের মতো তাঁরও রাজ্যজুড়ে পূর্ণ কর্তৃত্ব নেই, যা ভবিষ্যতে দলের ভেতরে বিদ্রোহ হলে সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একটা বড় অংশের মতে, সবচেয়ে যুক্তিসঙ্গত পরিণতি হতে পারে এটিই – যে এনসিপি বিধায়কদের শরদ পাওয়ার ছেড়ে অজিত পাওয়ারের দিকে টানা হয়েছিল, তাঁরা ‘পাইড পাইপারে’র মৃত্যুর পর পুরানো শিবিরে ফিরে যেতে পারেন। এমনটা কি হতে পারে? অজিতের এনসিপি কি আবার শরদ পাওয়ারের দলে, বা কার্যত তাঁর কন্যা সুপ্রিয়া সুলের নেতৃত্বাধীন এনসিপির সঙ্গে মিশে যেতে পারে (NCP)? সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। চলতি মাসের শুরুতেই পুনে ও পিম্পরি-চিঞ্চওয়াড় পুরসভা নির্বাচনে শরদ ও অজিত সমঝোতায় পৌঁছেছিলেন। ফল আশানুরূপ না হলেও, এবং বিজেপি-নেতৃত্বাধীন মহাযুতি জোটে অজিতের কোণঠাসা হওয়ার ফলেই এই জোট গড়ে উঠলেও, পুনর্মিলনের সম্ভাবনা কিন্তু রয়েই গিয়েছে (Ajit Pawar)।

LinkedIn
Share