Tag: Bengali news

Bengali news

  • Calcutta High Court: বিচারপতি সেনগুপ্তের পর এবার বিরক্তি প্রকাশ করলেন প্রধান বিচারপতিও, কেন জানেন?

    Calcutta High Court: বিচারপতি সেনগুপ্তের পর এবার বিরক্তি প্রকাশ করলেন প্রধান বিচারপতিও, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজনৈতিক হিংসা সংক্রান্ত মামলার পাহাড় জমেছে কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court)। সোমবার এ নিয়ে উষ্মা প্রকাশ করেছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত। এবার একই কারণে বিরক্তি প্রকাশ করেলন প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম স্বয়ং। তিনি বলেন, “গত দেড় মাস ধরে গাদা গাদা পঞ্চায়েত মামলা দায়ের হচ্ছে। পঞ্চায়েত মামলা শুনতে গিয়ে অন্য কোনও মামলা শোনা হচ্ছে না। আর মানুষ ভাবছে আমরা কাজ করছি না।”

    একের পর এক মামলা

    ত্রিস্তর পঞ্চায়েত নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণার পর থেকে একের পর এক মামলা দায়ের হয়েছে কলকাতা হাইকোর্টে। মামলাকারীদের মধ্যে যেমন রয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, তেমনি রয়েছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী এবং আইএসএফ নেতা নওশাদ সিদ্দিকি। কখনও নির্বাচনের দফা বৃদ্ধি, কখনওবা কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবি, কখনও আবার নির্বাচনে শাসক দলের অবাধ ছাপ্পার বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন এঁরা। সুবিচারের আশায় দ্বারস্থ হয়েছেন কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court)। এই সব মামলার বেশ কতকগুলির শুনানি হয়েছে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে। নির্বাচন হয়েছে ৮ জুলাই। তার পর থেকে এখনও চলছে মামলা। ভোট হিংসার বিচার চেয়ে প্রায় প্রতিদিনই হচ্ছে নতুন নতুন মামলা। এ নিয়েই মঙ্গলবার উষ্মা প্রকাশ করেন প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম।

    উষ্মা প্রকাশ প্রধান বিচারপতিরও

    এদিন প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম ও বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চে দ্রুত শুনানির আর্জি জানান কয়েক জন আইনজীবী। তখনই উষ্মা প্রকাশ করে প্রধান বিচারপতি বলেন, “পঞ্চায়েত মামলার ভিড়েই চাপা পড়ে যাচ্ছে অন্য সব মামলা।” সোমবার প্রায় একই রকম সুর শোনা গিয়েছিল বিচারপতি জয় সেনগুপ্তের গলায়ও। তিনিও বলেছিলেন, “সারা দিন কি শুধুই রাজনৈতিক মামলা শুনব? অন্য মামলা কি আর শোনা যাবে না!”

    আরও পড়ুুন: “দুর্নীতি ওঁদের অনুপ্রেরণা”, বেঙ্গালুরুতে বিরোধী জোটের বৈঠককে নিশানা মোদির

    এদিন প্রধান বিচারপতি (Calcutta High Court) বলেন, “আইনজীবীদের আবেদন মতো সময়ে শুনানি করা সম্ভব নয়। ওই মামলাগুলির জন্য নির্ধারিত দিনেই পঞ্চায়েত মামলার শুনানি হবে।” প্রধান বিচারপতি বলেন, “পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে এত মামলা। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে আদালতকে ব্যবহার করে অনেকেই সস্তা প্রচার পাওয়ার চেষ্টা করছেন। অনেকেই আদালতকে ব্যবহার করে সংবাদ শিরোনামে আসতে চাইছেন। দয়া করে এই কাজ করবেন না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Supreme Court: রামনবমীর শোভাযাত্রায় হিংসার মামলা, প্রশ্নের মুখে পুলিশের ভূমিকা

    Supreme Court: রামনবমীর শোভাযাত্রায় হিংসার মামলা, প্রশ্নের মুখে পুলিশের ভূমিকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রামনবমীর (Rama Navami) শোভাযাত্রায় ব্যাপক হিংসা হয়েছিল এ রাজ্যে। তা নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে দায়ের হয়েছিল মামলাও। পরে আদালত অভিযোগের তদন্তভার দেয় জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার হাতে। আদালতের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) দ্বারস্থ হয় রাজ্য সরকার।

    সুপ্রিম কোর্টে শুনানি

    সোমবার দেশের শীর্ষ আদালতে হয় এই মামলার শুনানি। হাওড়ার শিবপুর, হুগলির রিষড়া এবং উত্তর দিনাজপুরের ডালখোলায় অশান্তির ঘটনায় পাঁচটি এফআইআর দায়ের করেছিল এনআইএ। এদিন আদালত জানতে চায় রামনবমীর শোভাযাত্রায় অশান্তির ঘটনা নিয়ে দায়ের হওয়া পাঁচটি এফআইআরের বিবরণ একই কিনা। ওই বিবরণ বিশ্লেষণ করে রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয় এনআইএকে। শুক্রবার সকালের মধ্যে সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) এই রিপোর্ট জমা দেবে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। এদিন শুনানিতে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর আইনজীবীরা রাজ্য পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তাঁরা জানান, রামনবমীর শোভাযাত্রায় বোমা ছোড়া হলেও, বিস্ফোরক আইনে মামলা করেনি পুলিশ।

    আদালতের পর্যবেক্ষণ

    এপ্রিল মাসে কলকাতা হাইকোর্টের তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি (বর্তমানে প্রধান বিচারপতি) টিএস শিবজ্ঞানম ও বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চে শুনানি হয়েছিল এই মামলার। তখন আদালতের পর্যবেক্ষণ ছিল, রামনবমীর শোভাযাত্রাকে ঘিরে অশান্তির ঘটনায় বিস্ফোরক ব্যবহার করা হয়েছে। তার জের টেনে এদিন শুভেন্দুর আইনজীবীর প্রশ্ন, এরপরও কেন রাজ্য পুলিশ বিস্ফোরক আইনে কোনও মামলা রুজু করল না? তিনি (Supreme Court) বলেন, হিংসার ঘটনায় দোষীদের আড়াল করতেই বিস্ফোরক আইনে এফআইআর দায়ের করেনি রাজ্য পুলিশ। মামলাকারীদর বিজেপি নেতা হিসেবে চিহ্নিত করার চেষ্টা ভুল। এঁদের মধ্যে সমাজকর্মী, আইনজীবীরাও রয়েছেন।

    আরও পড়ুুন: “দুর্নীতি ওঁদের অনুপ্রেরণা”, বেঙ্গালুরুতে বিরোধী জোটের বৈঠককে নিশানা মোদির

    হাইকোর্ট দেখেছে, একজন পুলিশ আধিকারিকই অত্যন্ত স্বল্প সময়ের মধ্যে ৫টি সিজার রিপোর্ট তৈরি করেছেন। ভিডিও ফুটেজে দুষ্কৃতীদের দেখা গিয়েছিল, তারপরেও তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি, সঠিক তদন্ত হয়নি। রামনবমীর মিছিলে নির্বিচারে পাথর, বোমা ছোড়া হয়েছে, তারপরেও বিস্ফোরক আইনে মামলা নথিভুক্ত করা হয়নি। প্রসঙ্গত, রামনবমীর শোভাযাত্রাকে কেন্দ্র করে উত্তাল হয়ে উঠেছিল হাওড়া ও হুগলি। কোথাও শোভাযাত্রাকে কেন্দ্র করে বোমা ছোড়া হয় বলে অভিযোগ। কোথাও আবার ট্রেন বন্ধ করে কার্যত তাণ্ডব চালায় দুর্বৃত্তরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “দুর্নীতি ওঁদের অনুপ্রেরণা”, বেঙ্গালুরুতে বিরোধী জোটের বৈঠককে নিশানা মোদির

    PM Modi: “দুর্নীতি ওঁদের অনুপ্রেরণা”, বেঙ্গালুরুতে বিরোধী জোটের বৈঠককে নিশানা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ওঁরা পরিবারকেই অগ্রাধিকার দেন। দেশকে নয়। দুর্নীতি ওঁদের অনুপ্রেরণা।” মঙ্গলবার কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এদিন দিল্লি থেকে পোর্ট ব্লেয়ারের বীর সাভারকর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের একটি নয়া ভবনের ভার্চুয়াল উদ্বোধন  করেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানেই তিনি নিশানা করেন বিজেপি বিরোধী দলগুলির জোট বাঁধার উদ্যোগকে। তিনি বলেন, “ওঁরা পরিবারকেই অগ্রাধিকার দেন। দেশকে নয়। দুর্নীতি ওঁদের অনুপ্রেরণা। যে যত বড় দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত থাকবেন, বৈঠকে তাঁর আসন হবে তত বেশি গুরুত্বপূর্ণ।”

    ‘ভ্রষ্টাচারীদের সম্মেলন’

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এ তো কট্টর ভ্রষ্টাচারীদের সম্মেলন হচ্ছে। বিরোধীদের মন্ত্র হল, অফ দ্য ফ্যামিলি, বাই দ্য ফ্যামিলি এবং ফর দ্য ফ্যামিলি।” তিনি (PM Modi) বলেন, “গত ৯ বছরে আমরা পুরনো সরকারের ভুলগুলি শুধরে দেশের মানুষকে নতুন সুযোগ-সুবিধা পাইয়ে দিয়েছি। দেশে উন্নয়নের মডেল তৈরি হয়েছে। এটা সবকা সাথ সবকা বিকাশের মডেল।” তিনি বলেন, “এই দলগুলির লক্ষ্য দেশের গরিবের বাচ্চার বিকাশ নয়, নিজের বাচ্চা, ভাই-ভাইপোর বিকাশই। পরিবারতান্ত্রিক দলগুলি দেশের যুবশক্তির সঙ্গে কখনও ন্যায় করেনি। এদের একটাই এজেন্ডা –  নিজের পরিবার বাঁচাও, পরিবারের জন্য দুর্নীতি কর।”

    ‘জাতিবাদের বিষ বিক্রি করছেন’

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “এখন কিছু লোক দেশকে নিয়ে দোকান খুলে বসেছে। এদের দোকানে দুটি জিনিসের গ্যারান্টি পাওয়া যায়। এক, জাতিবাদের বিষ বিক্রি করা এবং দুই, দুর্নীতি করা।” তিনি বলেন, “এঁরা যখন ক্যামেরার সামনে একই ফ্রেমে আসেন, তখন দেশবাসীর একটাই কথা মনে আসবে, এটা লাখো-কোটি টাকার দুর্নীতি। দেশের জনতা বলছে, এটা কট্টর দুর্নীতির সম্মেলন হচ্ছে। যেসব নেতা বিভিন্ন দুর্নীতিতে জড়িত, জেলে গিয়েছেন বা আদালতে সাজাপ্রাপ্ত, তাঁরাই এই বৈঠকে বিশেষ আমন্ত্রণ পেয়েছেন।”

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “যাঁরা ভারতের দুর্দশার জন্য দায়ী, তাঁরা এখন তাঁদের দোকান খুলেছেন। ২০২৪ এর লক্ষ্যে ২৬টি দল এক হয়েছে। এই দলগুলির ক্ষেত্রে এটাই মানায়। তাঁরা মুখে অন্য গান গাইছেন। কিন্তু বাস্তবতা অন্য কিছু। এখন তাঁরা বেঙ্গালুরুতে বৈঠক করছেন।” বাংলায় পঞ্চায়েত নির্বাচনের হিংসা নিয়ে কেন এই বিরোধী জোটের সদস্যরা চুপ করে রয়েছেন, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন প্রধানমন্ত্রী। প্রসঙ্গত, এদিনই বেঙ্গালুরুতে বৈঠকে বসছেন বিজেপি-বিরোধী বিভিন্ন দলের নেতারা। তাকেই নিশানা করেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)।

    আরও পড়ুুন: নদিয়ায় ফের বিজেপি ও সিপিএমে ছাপ মারা ব্যালট উদ্ধার, চাঞ্চল্য

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bharat Dal: দেশবাসীর পাতে প্রোটিন দিতে সস্তায় ‘ভারত ডাল’ দেবে কেন্দ্র, দাম কত জানেন?

    Bharat Dal: দেশবাসীর পাতে প্রোটিন দিতে সস্তায় ‘ভারত ডাল’ দেবে কেন্দ্র, দাম কত জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিনি, কেরোসিনে ভর্তুকি দেওয়া চলছে। রেশনের মাধ্যমে তা পৌঁছে দেওয়া হয় দেশের প্রতিটি ঘরে। এবার দেশের প্রতিটি ঘরে ভর্তুকি যুক্ত ছোলার ডাল পৌঁছে দিতে উদ্যোগী হল কেন্দ্র। সোমবার এই প্রকল্পের সূচনা করেন কেন্দ্রীয় খাদ্য ও গণবণ্টন মন্ত্রী পীযূষ গয়াল। ডালের নাম দেওয়া হয়েছে ভারত ডাল (Bharat Dal)। ডাল মিলবে ৬০ টাকা কেজি দরে। ভর্তুকিযুক্ত এই ডাল বিক্রি করছে ন্যাশনাল এগ্রিকালচারাল কো-অপারেটিভ মার্কেটিং ফেডারেশন।

    সস্তায় ডাল

    তবে এক কেজি ডালের দাম ৬০ টাকা হলেও, বেশি ডাল নিলে মিলবে আরও ছাড়। এক সঙ্গে যাঁরা ৩০ কেজি ডাল কিনবেন, প্রতি কেজি বাবদ তাঁদের দিতে হবে ৫৫ টাকা করে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, এনসিসিএফ, কেন্দ্রীয় ভান্ডার এবং মাদার ডেয়ারির আউটলেট থেকেও এই ব্যান্ডের ছোলার ডাল খুচরো বিক্রি হবে। সাধারণভাবে খুচরো ক্রেতাদের জন্য কেজি প্রতি ৬০ টাকা (Bharat Dal) দাম হলেও, একত্রে ৩০ কেজি কিনলে দর পড়বে কেজি প্রতি ৫৫ টাকা।

    মন্ত্রীর বক্তব্য

    তিনি বলেন, কেন্দ্র ভারত ডাল নিয়ে এসেছে, কারণ ডাল যেন সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে থাকে। মন্ত্রকের তরফে বলা হয়েছে, রাজ্য সরকারগুলিও ওয়েলফেয়ার স্কিমে চানা ডাল পাবে। পুলিশ, জেল এবং কনজিউমার কো-অপারেটিভ আউটলেটগুলোকেও সরবরাহ করা হবে ভারত ডাল।

    ২০১৪ সালে কেন্দ্রের ক্ষমতায় আসার পর দেশবাসীর জন্য নানা জনমুখী প্রকল্প হাতে নিয়েছে নরেন্দ্র মোদির সরকার। দেশের আমজনতা যাতে সস্তায় খাদ্যসামগ্রী পায়, সেজন্য রেশন সামগ্রীতে বাড়িয়েছে ভর্তুকির পরিমাণ। করোনা অতিমারিকালে নিখরচায় বিলিয়েছে চাল। যেহেতু সস্তায় বেশি প্রোটিন পেতে দেশের সিংহভাগ মানুষ ডালের (Bharat Dal) ওপর নির্ভর করেন, তাই এবার ডালে ভর্তুকি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। দেশবাসীর একটা বড় অংশই নিরামিষ ডাল পছন্দ করেন। সেই কারণেই মুসুরির ডালে ভর্তুকি না দিয়ে সহজলভ্য করে তোলা হচ্ছে ছোলার ডালকে। সস্তায় যে ডাল পেলে উপকৃত হবেন দেশের বেশিরভাগ বাসিন্দাই।

    আরও পড়ুুন: পঞ্চায়েতে নারী নির্যাতন! সত্য সন্ধানে ৫ মহিলা সাংসদকে রাজ্যে পাঠাচ্ছে বিজেপি

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Enforcement Directorate: আর্থিক বেনিয়মের অভিযোগে মধ্যরাতে ইডি-র হাতে গ্রেফতার ব্যবসায়ী কৌস্তুভ রায়

    Enforcement Directorate: আর্থিক বেনিয়মের অভিযোগে মধ্যরাতে ইডি-র হাতে গ্রেফতার ব্যবসায়ী কৌস্তুভ রায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আর্থিক বেনিয়মের অভিযোগে কলকাতার ব্যবসায়ী কৌস্তুভ রায়কে গ্রেফতার (Kolkata Businessman Arrested) করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি (Enforcement Directorate)। সোমবার মধ্যরাতে তাঁকে গ্রেফতার করা হয় বলে খবর সূত্রের। 

    আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ

    কৌস্তুভের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরেই আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ জমা পড়েছিল। এই প্রেক্ষিতে অতীতে তাঁর অফিসে ও বাড়িতে হানা দেয় সিবিআই। দফতরে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদও করেছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। কয়েক মাস আগে কৌস্তুভের বাড়ি ও দফতরে হানা দিয়েছিল আয়কর দফতর। সেসময়ই বেশ কিছু নথি বাজেয়াপ্ত করা হয় বলে খবর মিলেছিল। তবে এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আয়ের সঙ্গে সঙ্গতিবিহীন সম্পত্তি তৈরি করার অভিযোগ। বিদেশ সফর নিয়েও কৌস্তুভ বেশ কিছু তথ্য গোপন করেছেন বলে অভিযোগ।

    দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের পর গ্রেফতার

    সোমবার সকালে কৌস্তুভকে সিজিও কমপ্লেক্সে তলব করেছিল ইডি (Enforcement Directorate)। কিন্তু তিনি পাল্টা চিঠি দিয়ে ইডিকে জানান, এদিন সকালে হাজিরা দেওয়া তাঁর পক্ষে সম্ভব নয়। বিকেলে তাঁর দেখা করার সময় হবে। তখন ওই চিঠির প্রেক্ষিতে ইডি তাঁকে বিকেল ৪টেয় হাজিরা দিতে বলেছিল। সেই মতো, গতকাল বিকেল ৪টে নাগাদ সিজি-তে হাজিরা দেন কৌস্তুভ। সেখানে তাঁকে দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তাঁর জবাবে সন্তুষ্ট না হওয়ায় অবশেষে রাত দেড়টা নাগাদ কৌস্তুভকে গ্রেফতার (Kolkata Businessman Arrested) করে ইডি। সূত্রের খবর, সোমবার বেশ কিছু নথি নিয়ে হাজিরা দিতে বলেছিল ইডি (Enforcement Directorate)। সূত্রের খবর, যা তিনি দেখাতে পারেননি। আর যেসব নথি তিনি পেশ করেছিলেন সেগুলিতে অসঙ্গতি মিলেছে। এর পরই কৌস্তুভকে গ্রেফতার করা হয় বলে খবর। বাজেয়াপ্ত করা হয় তাঁর ফোনও।

    ‘শাসক-ঘনিষ্ঠ’ ছিলেন কৌস্তভ, দাবি বিরোধীদের  

    প্রসঙ্গত, কৌস্তুভ একটি টিভি চ্যানেলের কর্তা। বিরোধীদের দাবি, তৃণমূলের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত কৌস্তুভ। রাজ্যের শাসক শিবিরের একাধিক কর্মসূচিতে দেখা গিয়েছে কৌস্তুভকে। বিরোধীদের দাবি, প্রত্যক্ষভাবে না থাকলেও, পরোক্ষভাবে শাসক শিবিরের সঙ্গে জড়িত ছিলেন কৌস্তভ। বিরোধীদের আরও দাবি, পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় যখন কেন্দ্রীয় সংস্থা প্রথম তলব করেছিল, তখন তাঁর সঙ্গে দেখা গিয়েছিল কৌস্তুভ রায়কে। শুধু তাই নয়, আগামী ২১ জুলাই তৃণমূলের কর্মসূচির সম্প্রচার করার দায়িত্বে কৌস্তভের চ্যানেল। বিরোধীদের দাবি, এর থেকেই প্রমাণিত, তিনি শাসক-শিবিরের কতটা ঘনিষ্ঠ ছিলেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Asian Athletics Championships: এশিয়ান অ্যাথলেটিক চ্যাম্পিয়নশিপে ২৭ পদক ভারতের, অভিনন্দন-বার্তা মোদির

    Asian Athletics Championships: এশিয়ান অ্যাথলেটিক চ্যাম্পিয়নশিপে ২৭ পদক ভারতের, অভিনন্দন-বার্তা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২৫ তম এশিয়ান অ্যাথলেটিক চ্যাম্পিয়নশিপে (Asian Athletics Championships) অংশগ্রহণকারী ভারতীয় ক্রীড়াবিদদের শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রসঙ্গত, তাইল্যান্ডে চলতি মাসের ১২-১৬ তারিখ পর্যন্ত বসেছিল এশিয়ান অ্যাথলেটিক চ্যাম্পিয়নশিপের আসর। এই প্রতিযোগিতায় ভারতীয় ক্রীড়াবিদরা নিজেদের প্রতিভার স্বাক্ষর সেখানে রাখতে পেরেছেন। মোট ২৭টি মেডেল এনেছেন দেশের খেলোয়াড়রা। প্রসঙ্গত, বিদেশের মাটিতে আয়োজিত কোনও প্রতিযোগিতায় এটাই হল সর্বোচ্চ মেডেল প্রাপ্তি। 

    অভিনন্দন বার্তা প্রধানমন্ত্রী মোদির

    দেশের ক্রীড়াবিদদের সাফল্যে উচ্ছ্বসিত প্রধানমন্ত্রী মোদি। এদিন নিজের ট্যুইটার হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী শুভেচ্ছা জানান অ্যাথলিটদের। তিনি লেখেন, দেশের অভূতপূর্ব সাফল্য এসেছে ২৫তম এশিয়ান অ্যাথলেটিক চ্যাম্পিয়নশিপে (Asian Athletics Championships)। আমাদের অ্যাথলেটিকরা ২৭টি মেডেল জিতেছেন। বিদেশের মাটিতে ভারতীয় ক্রীড়াবিদদের জেতা এটাই সর্বোচ্চ মেডেল। এটা আমাদের গর্বের মুহূর্ত।

    ৬টি সোনা এনেছেন ভারতীয় অ্যাথলিটরা

    প্রসঙ্গত, এই প্রতিযোগিতায় (Asian Athletics Championships) জাপান শীর্ষে রয়েছে। তাদের সংগ্রহে রয়েছে ৩৭টি মেডেল। অন্যদিকে ভারতের ঝুলিতে আসা ২৭টি মডেলের মধ্যে রয়েছে ৬টি সোনা, ১২ টি রুপো, এবং ৯ টি ব্রোঞ্জ। এশিয়ান অ্যাথলেটিক চ্যাম্পিয়নশিপে ভারতের এই সাফল্য সারাদেশের ক্রীড়ামহলে প্রশংসিত হয়েছে। দেশে মোদি সরকারের আমলে খেলার পরিকাঠামোগত যে উন্নয়ন হয়েছে, তাতেই এমন সাফল্য মিলছে বলে মনে করছেন ক্রীড়া মহলের একাংশ। প্রসঙ্গত, দেশের প্রত্যন্ত এলাকা থেকে অ্যাথলিট তুলে আনতে মোদি সরকার গ্রহণ করে ‘খেলো ইন্ডিয়া’ প্রকল্প।

    আরও পড়ুন: ইন্টার মায়ামির হয়ে জনসমক্ষে এলেন মেসি! বার্ষিক বেতন কত জানেন?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: রাজনৈতিক মামলার পাহাড়, উষ্মা প্রকাশ কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতির

    Calcutta High Court: রাজনৈতিক মামলার পাহাড়, উষ্মা প্রকাশ কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজনৈতিক মামলার পাহাড় জমেছে কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court)। পরপর রাজনৈতিক মামলায় উষ্মা প্রকাশ করলেন বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত। তিনি বলেন, সারা দিন কি শুধু রাজনৈতিক মামলাই শুনব? অন্য মামলা কি আর শোনা যাবে না! এত এত রাজনৈতিক মামলা শোনার সময় দেওয়া যাবে না। এদিন কাঁথি পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান তথা রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর ভাই সৌমেন্দু অধিকারীর রক্ষাকবচ মামলার শুনানিতে ওই কথাগুলি বলেন বিচারপতি সেনগুপ্ত।

    সৌমেন্দুর রক্ষাকবচ

    প্রসঙ্গত, সৌমেন্দুকে রক্ষাকবচ দিয়েছিলেন বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা। তাঁর রক্ষাকবচ ছিল ১৭ জুলাই পর্যন্ত। বেঞ্চ বদল হওয়ায় বিচারপতি মান্থার এজলাসের সমস্ত মামলা এসেছে বিচারপতি সেনগুপ্তের এজলাসে। সেই কারণেই সৌমেন্দুর মামলা ওঠে বিচারপতি সেনগুপ্তের (Calcutta High Court) এজলাসে। এরই কিছুক্ষণ আগে ভাঙড়ে ঢুকতে বাধা দেওয়া নিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন বিধায়ক আইএসএফের নওশাদ সিদ্দিকি। সেই মামলারও শুনানি হয়েছে বিচারপতি সেনগুপ্তর এজলাসে। তারপর সৌমেন্দুর মামলা উঠলে উষ্মা প্রকাশ করেন বিচারপতি। জানা গিয়েছে, সৌমেন্দুর বিরুদ্ধে ৮টি এফআইআর রয়েছে।

    ‘এত মামলা শোনার সময় দেওয়া যাবে না’

    বিচারপতি সেনগুপ্ত বলেন, এই সব মামলা আমি রিলিজ করে দেব। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর ২৭ থেকে ২৮টা মামলা রয়েছে। তার ওপর এই রকম আরও ১০টা মামলা এখনই রয়েছে। এত এত রাজনৈতিক মামলা শোনার সময় দেওয়া যাবে না।  

    আরও পড়ুুন: খুনের প্রতিবাদে ফাঁড়িতে বিজেপি-পুলিশ খণ্ডযুদ্ধ, আইসি-কে ঝাঁটা দেখালেন মহিলারা

    এর পরেই আদালত (Calcutta High Court) জানায়, দু সপ্তাহ পরে এই মামলার শুনানি হবে। ততদিন পর্যন্ত সৌমেন্দুর রক্ষাকবচ বহাল থাকবে। একই সঙ্গে রাজ্য সরকারকে হলফনামা দিয়ে জানাতে হবে, কেন রক্ষাকবচের বিরোধিতা করছে তারা। রাজ্যের উদ্দেশে বিচারপতি সেনগুপ্তর প্রশ্ন, আগে কেন বিরোধিতা করা হয়নি রক্ষাকবচের? উল্লেখ্য, পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে কংগ্রেস, বিজেপি, আইএসএফ, সিপিএম সহ বিভিন্ন দলের প্রার্থী ও তাঁদের পরিবার রক্ষাকবচ পায় হাইকোর্ট থেকে। বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার রক্ষাকবচের নির্দেশে বলা হয়, আদালতের অনুমতি ছাড়া গ্রেফতার নয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sensex: চাঙা বাজার, ফের বাড়ল সেনসেক্স, ঊর্ধ্বমুখী নিফটির সূচকও

    Sensex: চাঙা বাজার, ফের বাড়ল সেনসেক্স, ঊর্ধ্বমুখী নিফটির সূচকও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চড়চড়িয়ে বাড়ছে শেয়ার বাজার। শুক্রবারের তুলনায় ৫২৯.০৩ পয়েন্ট বেড়ে সেনসেক্সের (Sensex) সূচক থামল ৬৬,৫৮৯.৯৩ পয়েন্টে। সোমবার সেনসেক্সের সূচক ছিল ৬৬ হাজার। সোমবার সেনসেক্সের সর্বোচ্চ সূচক ছিল ৬৬,৬৫৬.২১ পয়েন্ট। প্রত্যাশিতভাবেই বেড়েছে নিফটির পয়েন্টও। সোমবার নিফটি থেমেছে ১৯,৭১১.৪৫ পয়েন্টে। শুক্রবারের তুলনায় বৃদ্ধি পেয়েছে ১৪৬.৯৫ পয়েন্ট।

    লেখচিত্র ঊর্ধ্বমুখী

    জুন মাসের শেষ সপ্তাহ থেকেই সেনসেক্স ও নিফটির লেখচিত্র ঊর্ধ্বমুখী। ৩০ জুন শুক্রবার ৬৪ হাজারের গণ্ডি পেরিয়ে রেকর্ড গড়েছিল সেনসেক্স। নিফটিও পেরিয়ে গিয়েছিল ১৯ হাজারের চৌকাঠ। তার পর থেকে বেশিরভাগ দিনই ওপরের দিকে থেকেছে সেনসেক্স ও নিফটির সূচকের অভিমুখ। শেষমেশ গড়ল সর্বকালীন (Sensex) রেকর্ড। বম্বে স্টক এক্সচেঞ্জে এদিন সর্বোচ্চ লাভের তালিকায় ছিল ব্যাঙ্কেক্স, ফিন্যান্স ও স্মলক্যাপ। ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে সর্বোচ্চ লাভের তালিকায় রয়েছে মিডিয়া, সরকারি ব্যাঙ্ক, ব্যাঙ্ক, বেসরকারি ব্যাঙ্ক এবং ফিনান্সিয়াল সার্ভিসেস।

    ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জ

    ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে লাভের তালিকায় শীর্ষে থাকা মিডিয়া সেক্টরের লাভের পরিমাণ ৩.১৫ শতাংশ, সরকারি ব্যাঙ্কের সম্পদ বৃদ্ধি পেয়েছে ২.২৫ শতাংশ এবং ব্যাঙ্কের ১.৪১ শতাংশ। বম্বে স্টক এক্সচেঞ্জে এক শতাংশের ওপর লাভ করেছে ব্যাঙ্কেক্স ও ফিনান্স সেক্টর। এদিন ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জ ও বম্বে স্টক এক্সচেঞ্জে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে অটো এবং রিয়্যালিটি। সেনসেক্স প্যাক থেকে, এসবিআই, উইপ্রো, রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ, এইচডিএফসি ব্যাঙ্ক, কোটাক মাহিন্দ্রা ব্যাঙ্ক ও ইন্ডাসইন্ড ব্যাঙ্ক লাভবান অবস্থায় ছিল।

    আরও পড়ুুন: ‘চুরিতে নোবেল পেতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়’, বিস্ফোরক সুকান্ত

    জুন ত্রৈমাসিকে ১২,৩৭০ কোটির নিট মুনাফায় ২৯.১৩ শতাংশ লাফ দেওয়ার পরে এইচডিএফসি ব্যাঙ্ক ২ শতাংশ বেড়েছে। পিছিয়ে ছিল টাইটান, ভারতী এয়ারটেল, টাটা মোটর্স এবং জেএসডব্লিউ স্টিল। এর মধ্যে টাটা মোটর্স ছাড়া বাকি সবকটি সংস্থারই বাজারদর (Sensex) পড়েছে এক শতাংশের কম। নীচের দিকে শেষ হয়েছে এশিয়ান বাজার, সিউল ও সাংহাই। শুক্রবার মার্কিন বাজারগুলি মিশ্র ফল দিয়েছে। গ্লোবাল অয়েল বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুড ১.৬২ শতাংশ কমে হয়েছে ৭৮.৫৮ মার্কিন ডলার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jammu & Kashmir: ভারত সরকারের মাইনে নিয়েও রেখেছিলেন জঙ্গি-যোগ, ভূস্বর্গে বরখাস্ত তিন কর্মী

    Jammu & Kashmir: ভারত সরকারের মাইনে নিয়েও রেখেছিলেন জঙ্গি-যোগ, ভূস্বর্গে বরখাস্ত তিন কর্মী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চাকরি করছেন ভারত সরকারের। ফি মাসে মাইনে বাবদ নিচ্ছেন মোটা অঙ্কের টাকাও। অথচ নিয়মিত পাকিস্তানি জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলছিলেন জম্মু-কাশ্মীরের (Jammu & Kashmir) তিন সরকারি কর্মী। জঙ্গি-যোগের কথা প্রকাশ্যে আসতেই বরখাস্ত করা হয়েছে ওই তিন কর্মীকে। যে তিনজনকে বরখাস্ত করার কথা জানা গিয়েছে সোমবার, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন জম্মু-কাশ্মীর বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ আধিকারিক ফাহিন আসলাম, জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের কনস্টেবল আরশিদ আহমেদ থোকের এবং রাজস্ব দফতরের আধিকারিক মুরুয়া হুসেন মির।

    বরখাস্তের কারণ

    জম্মু-কাশ্মীরের উপরাজ্যপাল মনোজ সিনহা তাঁদের বরখাস্ত করেন। সংবিধানের ৩১১ (২)(সি) ধারায় বরখাস্ত করা হয়েছে ওই তিনজনকে। জানা গিয়েছে, পাকিস্তানি জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে চলছিলেন ওই তিনজন। শুধু তাই নয়, জঙ্গিদের রসদ সরবরাহ, জঙ্গিদের মতাদর্শ প্রচার এবং জঙ্গিদের জন্য অর্থ সংগ্রহের কাজও করছিলেন তাঁরা। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই বরখাস্ত করা হয়েছে তাঁদের।

    কে এই ফাহিম?

    জানা গিয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ে (Jammu & Kashmir) ফাহিমকে যে চাকরি দেওয়া হয়েছিল, সেজন্য তাঁর কোনও ইন্টারভিউ নেওয়া হয়নি, হয়নি পুলিশ ভেরিফিকেশনও। কোনও বিজ্ঞাপনও দেওয়া হয়নি। এহেন ফাহিমই উপত্যকায় জঙ্গিবাদের মূল প্রচারক। ২০০৮ সালে ওই বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগ করা হয় ফাহিমকে। তাঁকে নিয়োগ করেছিলেন কাশ্মীরি বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা সৈয়দ আলি শাহ গিলানি। প্রথমে তাঁকে চুক্তিভিত্তিক কর্মী হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছিল। গিলানি ঘনিষ্ঠ ফাহিমের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল কাশ্মীরি আর এক বিচ্ছিন্নতাবাদী ইয়াসিন মালিকের। এই ইয়াসিনকে এনআইএর স্পেশাল কোর্ট যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে। সন্ত্রাসবাদীদের অর্থ সাহায্যে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে তাঁকে।  

    আরও পড়ুুন: বিচার ব্যবস্থা নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য, অভিষেকের বিরুদ্ধে মামলা কলকাতা হাইকোর্টে

    উপত্যকায় ফাহিম জঙ্গিদের (Jammu & Kashmir) হয়ে সক্রিয়ভাবে কাজ করতেন বলে অভিযোগ। ২০০৮, ২০১০ ও ২০১৬ সালে যে হিংসাত্মক আন্দোলন হয় উপত্যকায়, তার আয়োজক ছিলেন ফাহিমই। কাশ্মীর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে যে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হত, তারও মূল মাথা ছিলেন তিনিই। কাশ্মীর থেকে প্রত্যাহিত হয়েছে ৩৭০ ধারা। তারপর থেকে একটু একটু করে শান্তি ফিরছে ভূস্বর্গে। এমতাবস্থায়ও ফাহিম পড়ুয়াদের মধ্যে বপন করে যাচ্ছিলেন বিচ্ছিন্নতাবাদী মানসিকতার বীজ। জাতীয় নিরাপত্তার পক্ষে তাঁর কার্যকলাপ বিপজ্জনক বলেও দাবি প্রশাসনের।

    এদিকে, নিয়ন্ত্রণ রেখায় ফের ব্যর্থ করে দেওয়া হল অনুপ্রবেশ। রবিবার রাত থেকে সোমবার পর্যন্ত পুঞ্চে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করে জঙ্গিরা। নিরাপত্তারক্ষীরা গুলি চালালে মৃত্যু হয় দুই অনুপ্রবেশকারীর। প্রসঙ্গত, ১০ জুলাইও রাজৌরি সেক্টরে নিরাপত্তারক্ষীরা গুলি করে মারে এক অনুপ্রবেশকারীকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: বিচার ব্যবস্থা নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য, অভিষেকের বিরুদ্ধে মামলার অনুমতি হাইকোর্টের

    Calcutta High Court: বিচার ব্যবস্থা নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য, অভিষেকের বিরুদ্ধে মামলার অনুমতি হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আদালত (Calcutta High Court) নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ডের করা সেই মন্তব্যের জন্য মামলাকারীকে বৃহত্তর বেঞ্চে আবেদন করার পরামর্শ দিলেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম। বিচারপতিকে নিয়ে অভিষেকের পৃথক একটি মন্তব্যের মামলা চলছে বৃহত্তর বেঞ্চে। সোমবার সেই বেঞ্চেই আবেদনের পরামর্শ দিলেন প্রধান বিচারপতি।

    রুল জারির দাবি

    এদিন আইনজীবী বিকাশ ভট্টাচার্য ও শাক্য সেন প্রধান বিচারপতি শিবজ্ঞানমের ডিভিশন বেঞ্চে অভিষেকের মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ করেন। তাঁদের দাবি, ওই তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে আদালত স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করুক। রুল জারি করুক। এদিন অভিষেকের নাম না করে আইনজীবীরা বলেন, “ওঁর বক্তব্য হাইকোর্ট খুনিদের রক্ষাকবচ দিচ্ছে। হাইকোর্টের জন্যই নির্বাচনে এত রক্তারক্তি। তিনি কার্যত বিচার ব্যবস্থাকে চ্যালেঞ্জ করছেন। এর আগেও তিনি এমন মন্তব্য করেছেন।”

    বেলাগাম অভিষেক! 

    আদালত (Calcutta High Court) অবশ্য স্বতঃপ্রণোদিত মামলা করার দাবি মানেনি। প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম, বিচারপতি আইপি মুখোপাধ্যায় এবং বিচারপতি চিত্তরঞ্জন দাসের বিশেষ বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হবে বলে আদালত সূত্রে খবর। শুক্রবার এসএসকেএমে জখম তৃণমূল কর্মীদের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন অভিষেক। সেখানে নির্বাচনোত্তর হিংসা নিয়ে তিনি কাঠগড়ায় দাঁড় করান বিজেপিকে। বিচার ব্যবস্থার প্রতি ক্ষোভ উগরে দিতেও দেখা যায় তাঁকে। অভিষেককে বলতে শোনা যায়, “আমি বারবার বলছি বিচার ব্যবস্থার একাংশ বিজেপিকে মদত দিচ্ছে। …সমাজবিরোধীদের মদত দেওয়া হচ্ছে, যা অত্যন্ত বেদনাদায়ক ও দুঃখজনক।”

    আরও পড়ুুন: ভোট পরবর্তী হিংসা, বিজেপির জয়ী প্রার্থীরা আশ্রয় নিলেন অসমে

    তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ডকে এও বলতে শোনা যায়, “কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) একজন বিচারপতির জন্য গোটা বিচার ব্যবস্থা কলুষিত হচ্ছে। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর গাড়ি সাধারণ মানুষকে চাপা দিয়ে চলে যাচ্ছে, তবু পদক্ষেপ করা যাচ্ছে না। ওই বিচারপতি শুভেন্দুকে এমন রক্ষাকবচ দিয়েছেন যে আগামী দিনেও ওঁর কোনও অপরাধের জন্য পুলিশ পদক্ষেপ করতে পারবে না।” বিচার ব্যবস্থার প্রতি একজন সাংসদের এহেন মন্তব্য কতটা সমীচিন, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে রাজ্যজুড়ে। এদিন আদালতে বিকাশ বলেন, “ওই বিচারপতির বাড়িতে আগেও পোস্টার সাঁটা হয়েছে। তা নিয়ে হাইকোর্ট বিশেষ বেঞ্চ গঠন করেছিল। শাসক দলের নেতাদের এই ধরনের মন্তব্য বন্ধ না হলে মর্যাদা হানি হবে হাইকোর্টের।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share