Tag: Bengali news

Bengali news

  • Coal Scam: ছত্তিসগড় কয়লা-ব্লক বণ্টন দুর্নীতি মামলায় দোষী সাব্যস্ত প্রাক্তন সাংসদ, কয়লা সচিব

    Coal Scam: ছত্তিসগড় কয়লা-ব্লক বণ্টন দুর্নীতি মামলায় দোষী সাব্যস্ত প্রাক্তন সাংসদ, কয়লা সচিব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছত্তিসগড়ে কোল-ব্লক বিলি কেলেঙ্কারি (Coal Scam) মামলায় দোষী সাব্যস্ত হলেন রাজ্যসভার প্রাক্তন সাংসদ বিজয় দারদা (Vijay Darda)। দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে প্রাক্তন কয়লা সচিব এইচসি গুপ্তাকেও। এছাড়াও আরও পাঁচজনকে বৃহস্পতিবার দোষী বলে ঘোষণা করে দিল্লির রাউস অ্যাভেনিউ আদালত। এই আদালতের স্পেশাল জাজ সঞ্জয় বনশাল রায় ঘোষণা করেন। এ নিয়ে কয়লা কেলেঙ্কারি মামলায় দোষী সাব্যস্ত করা হল ১৩ জনকে। এদিন যাঁদের দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে, তাঁরা হলেন দেবেন্দর দারদা, আইএসএস অফিসার কেএস কোরফা এবং কেসি সামরিয়া। একটি বেসরকারি সংস্থার ডিরেক্টর মনোজ কুমার জয়সওয়ালও রয়েছেন। ষড়যন্ত্র, প্রতারণা এবং প্রিভেনশন অফ কোরাপশান অ্যাক্টে তাঁদের দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। অভিযুক্তদের এদিন দোষী সাব্যস্ত করা হলেও, সাজা ঘোষণা হয়নি। সাজা ঘোষণা হবে ১৮ জুলাই।

    কোলব্লক বণ্টন বেআইনি

    প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালেই নিলাম না করে সরকারের মর্জিমাফিক কয়লার ব্লক (Coal Scam) বণ্টনকে বেআইনি বলে ঘোষণা করেছিল সুপ্রিম কোর্ট। সর্বোচ্চ আদালত জানিয়েছিল, ১৯৯৩ সাল থেকে শুরু করে ২০১০ পর্যন্ত কয়লার যত ব্লক বণ্টিত হয়েছে, সব অবৈধ। ২০১২ সালের ক্যাগ রিপোর্টে প্রথম প্রকাশ্যে আসে ১ লক্ষ ৮৬ হাজার কোটি টাকার এই কেলেঙ্কারির খবর।

    আরও পড়ুুন: ‘অরুণাচল প্রদেশ ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ’, প্রস্তাব পাশ মার্কিন সেনেটে

    সেখানে নানা অনিয়মের কথা বলা হয়। সুপ্রিম কোর্টের তত্ত্বাবধানে শুরু হয় তদন্ত। তদন্তের রিপোর্ট সন্তোষজনক না হওয়ায় সিবিআইকে খাঁচার তোতা বলে ভর্ৎসনা করেছিল দেশের শীর্ষ আদালত। তার পরেও তদন্ত চালিয়ে যায় সিবিআই। তদন্তের শুনানির জন্য সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সিবিআই স্পেশ্যাল কোর্টও গঠন করে।

    প্রধানমন্ত্রীকে ভুল তথ্য

    এদিন আদালত সাফ জানায়, দোষী সাংসদ (Coal Scam) তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংকে ভুল তথ্য দিয়ে চিঠি পাঠিয়েছিলেন। ওই সাংসদ তখন কোল পোর্ট ফোলিওর দায়িত্বে ছিলেন। এটা করা হয়েছিল ছত্তিসগড়ের একটি বেসরকারি সংস্থাকে ফতেপুরের ওই কোল-ব্লকটি পাইয়ে দিতে। ২০০৫ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০০৮ এর নভেম্বর পর্যন্ত গুপ্তা ছিলেন কয়লা সচিব। ইউপিএ সরকারের আমলে কোল-ব্লক বিলিতে তাঁর বিরুদ্ধে অনিয়মের ১২টি মামলা রয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Arunachal Pradesh: ‘অরুণাচল প্রদেশ ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ’, প্রস্তাব পাশ মার্কিন সেনেটে

    Arunachal Pradesh: ‘অরুণাচল প্রদেশ ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ’, প্রস্তাব পাশ মার্কিন সেনেটে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘অরুণাচল প্রদেশ (Arunachal Pradesh) ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ’, বৃহস্পতিবার এই মর্মে প্রস্তাব পাশ করল ইউনাইটেড কংগ্রেসনাল সেনেটরিয়ার কমিটি। অরুণাচলে চিনা আগ্রাসনের নিন্দাও করা হয়েছে প্রস্তাবে। এদিন মার্কিন কংগ্রেসের উচ্চকক্ষে প্রস্তাবটি পেশ করেন ওরেগেনের ডেমোক্র্যাটিক সেনেটর জেফ মার্কলে, টেক্সাসের রিপাবলিকান সেনেটর জন করনিন এবং টেনেসির রিপাবলিকান সেনেটর বিল হ্যাগার্টি।

    ম্যাকমোহন লাইনকেই মান্যতা

    প্রস্তাবে বলা হয়েছে, ‘ভারত ও চিনের সীমান্তে থাকা ম্যাকমোহন লাইনকেই মান্যতা দেয় আমেরিকায়। তাই অরুণাচল প্রদেশ ভারতেই।’ চিনের দাবিকে নস্যাৎ করে দিয়েছে এই প্রস্তাব। তাতে বলা হয়েছে, ‘অরুণাচল প্রদেশের একটা বিরাট অংশ তাদের (ভারতে) ভূখণ্ড। ভারতের সেই ভূখণ্ডে ক্রমাগত আগ্রাসন চালিয়ে যাচ্ছে চিন।’ প্রস্তাবে এও বলা হয়েছে, ‘আমেরিকা সব সময় স্বাধীনতাকেই সমর্থন করে। আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে আমেরিকা প্রতিটি দেশের অখণ্ডতা ও সার্বভৌমত্বকে মান্যতা দেয়। কিন্তু চিন ঠিক এর উল্টো পথে হাঁটছে।‘

    অরুণাচল চিনের নয়, ভারতের

    সেনেটে চিন বিষয়ক কমিটির প্রধান জেফ মার্কলেও বলেন, “অরুণাচল প্রদেশ (Arunachal Pradesh) ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ। কমিটি এই প্রস্তাব পাশ করেছে এটা বোঝাতে যে অরুণাচল প্রদেশ যে ভারত সাধারণতন্ত্রের অবিচ্ছেদ্য অংশ, এটা বোঝাতে। এই ভূখণ্ড পিপলস রিপাবলিক অফ চায়নার নয়। এবং এই প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি, আমেরিকা এ ব্যাপারে ভারতকে সমর্থন ও প্রয়োজনীয় সাহায্য করবে, যেমনটা আমেরিকা করে সমমনস্ক আন্তর্জাতিক সব দেশের ক্ষেত্রেই।”  

    সেনেটর জন করনিন বলেন, “সীমান্তে ভারত এবং চিনের মধ্যে উত্তেজনা রয়েছে। আমেরিকা সব সময় গণতন্ত্র রক্ষা করতে শক্তিশালী অবস্থান নেবে। ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের দেশগুলির সাহায্যেই এটা করা হবে।” তিনি বলেন, “অরুণাচল প্রদেশ যে ভারতেরই, চিনের নয়, তা বোঝাতেই পাশ করা হয়েছে প্রস্তাব।” হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি করিনে জিন পিয়ারে বলেন, “অরুণাচল প্রদেশকে (Arunachal Pradesh) দীর্ঘ দিন ধরেই ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ বলে মেনে আসছে আমেরিকা। তাই সেখানে আগ্রাসনের কোনও চেষ্টাই আমরা মেনে নেব না।”

    আরও পড়ুুন: মণিপুর নিয়ে প্রস্তাব পাশ ইইউ পার্লামেন্টে, “ঔপনিবেশিক মানসিকতার প্রতিফলন”, বলল বিদেশমন্ত্রক

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Manipur: মণিপুর নিয়ে প্রস্তাব পাশ ইইউ পার্লামেন্টে, “ঔপনিবেশিক মানসিকতার প্রতিফলন”, বলল বিদেশমন্ত্রক

    Manipur: মণিপুর নিয়ে প্রস্তাব পাশ ইইউ পার্লামেন্টে, “ঔপনিবেশিক মানসিকতার প্রতিফলন”, বলল বিদেশমন্ত্রক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মণিপুর (Manipur) শান্ত হোক। সংখ্যালঘুদের জীবন হোক সুরক্ষিত। এ বিষয়ে আলোচনার জন্য একটি প্রস্তাব গ্রহণ করেছে ইউরোপিয় ইউনিয়নের (EU) পার্লামেন্ট। জাতিগত ও ধর্মীয় হিংসা বন্ধে ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে সুরক্ষা দিতে সব রকম ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ভারত সরকারকে আহ্বানও জানিয়েছে ইউরোপিয় ইউনিয়ন পার্লামেন্ট। এই পদক্ষেপের তীব্র নিন্দা করল ভারতের বিদেশ মন্ত্রক।

    অরিন্দম বাগচির ট্যুইট-বার্তা

    বৃহস্পতিবার মন্ত্রকের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচি ট্যুইট-বার্তায় লেখেন, “ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে এই ধরনের হস্তক্ষেপ গ্রহণযোগ্য নয় এবং এটা ঔপনিবেশিক মানসিকতারই প্রতিফলন। আমরা দেখেছি, ইউরোপিয় সংসদ মণিপুর নিয়ে আলোচনা করেছে এবং একটি তথাকথিত জরুরি প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়েছে।”  

    পার্লামেন্টে পেশ করা প্রস্তাব

    ইউরোপিয় ইউনিয়ন পার্লামেন্টে ভারত, মণিপুরের পরিস্থিতি নামে একটি প্রস্তাব পেশ করে সোশ্যালিস্ট ও ডেমোক্র্যাটদের প্রগতিশীল জোট। প্রস্তাবে বলা হয়েছে, অবিলম্বে (Manipur) জাতিগত ও ধর্মীয় হিংসা বন্ধ করার ও সকল ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের রক্ষা করতে সমস্ত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য ভারতীয় কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করছে ইউরোপীয় সংসদ। মণিপুরের হিংসার স্বাধীন তদন্ত করার জন্য অনুমতিও চেয়েছে পার্লামেন্ট। বিবদমান সমস্ত পক্ষকে উসকানিমূলক বিবৃতি দেওয়া বন্ধ করতে, শান্তি পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে এবং উত্তেজনা প্রশমনে নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করার আহ্বানও জানানো হয়েছে।

    ইউরোপিয় ইউনিয়নের সদস্য রাষ্ট্রগুলিকেও ভারতের কাছে মানবাধিকার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করতে বলা হয়েছে। মণিপুরে (Manipur) ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়ার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে প্রস্তাবে। প্রেস বিবৃতিতে ইইউ জানিয়েছে, ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টের কয়েকজন সদস্য দাবি তুলেছে, ভারতীয় কর্তৃপক্ষ মণিপুরের হিংসার ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্ত করতে দিক।

    আরও পড়ুুন: “আইফেল টাওয়ারেও মিলবে ইউপিআইয়ের সুবিধা”, বললেন মোদি

    হিন্দু মেইতি ও খ্রিস্টান কুকি জনজাতির মধ্যে দ্বন্দ্বের জেরে মাস দুয়েকেরও বেশি সময় ধরে অশান্তির আগুনে পুড়ছে মণিপুর। মেইতি সম্প্রদায়ের মানুষ থাকেন উপত্যকায়, কুকিরা পাহাড়ি এলাকায়। মেইতিরা নিজেদের তফশিলি উপজাতিভুক্ত করার দাবি জানান। তার জেরেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে উত্তর-পূর্বের এই পাহাড়ি রাজ্য। যার জেরে পুড়ে খাক হয়ে গিয়েছে বহু বাড়ি। মৃত্যু হয়েছে শতাধিক মানুষের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • PM Modi: “আইফেল টাওয়ারেও মিলবে ইউপিআইয়ের সুবিধা”, বললেন মোদি

    PM Modi: “আইফেল টাওয়ারেও মিলবে ইউপিআইয়ের সুবিধা”, বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফ্রান্সে ইউপিআই (UPI) ব্যবহারের বিষয়ে সম্মত হয়েছে ভারত ও ফ্রান্স। আগামী দিনে, আইফেল টাওয়ারেও ইউপিআই ব্যবহার করা যাবে। বৃহস্পতিবার প্যারিসে প্রবাসী ভারতীয়দের উদ্দেশে ভাষণ দিতে গিয়ে একথা বলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তিনি বলেন, ইউপিআই ব্যবহার চালু হয়ে গেলে ভারতীয় পর্যটকরা ফ্রান্সে ভারতীয় মুদ্রায়ই অর্থ দিতে পারবেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ফ্রান্সে ইউপিআই ব্যবহার করা গেলে, ভারতীয় মুদ্রাকে ইউরোয় বদলে নেওয়ার ঝামেলা থাকবে না। পর্যটকদের নগদ ব্যবহারের প্রয়োজনও ফুরোবে।

    ইউপিআই পেমেন্ট সিস্টেম

    ইউপিআই পেমেন্ট সিস্টেমে একটি মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমেই বিভিন্ন ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে আর্থিক লেনদেন করা যায়। মোদি সরকারের আমলেই চালু হয় এই ব্যবস্থা। ২০১৬ সালের এপ্রিল মাসে ন্যাশনাল পেমেন্টস কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া তার সদস্য ব্যাঙ্কগুলিকে নিয়ে একটি পাইলট প্রকল্প হিসেবে এই ব্যবস্থাটি চালু করেছিল। তারপর থেকে দেশে ব্যাপকভাবে এই পেমেন্টের ব্যবহার বেড়েছে।

    ইউপিআই নিয়ে আগ্রহ বিদেশেও

    করোনা অতিমারি পর্ব ও তার পরবর্তী সময়ে ভারতের (PM Modi) ডিজিটাল পেমেন্ট সিস্টেম ইউপিআই নিয়ে আগ্রহ দেখিয়েছে বিশ্বের বহু দেশ। ভারতে এই অর্থ প্রদান ব্যবস্থার ভূয়সী প্রশংসা করেছে রাষ্ট্রপুঞ্জও। চলতি বছরই সিঙ্গাপুরের পেনাওয়ের সঙ্গে সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর করেছিল ইউপিআই। গত বছর ফ্রান্সের দ্রুত ও নিরাপদ অনলাইন পেমেন্ট সিস্টেম লিরার সঙ্গেও একই ধরনের একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছিল এনসিপিআই। ইতিমধ্যেই নেপাল, ভুটান এবং আরব আমিরশাহিতে ইউপিআই পেমেন্ট সিস্টেম চালু হয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিভিন্ন দেশ এবং পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলিতে ইউপিআই পরিষেবাকে পৌঁছে দিতে আলোচনা চালাচ্ছে এনসিপিআই।

    আরও পড়ুুন: ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ফ্রান্সের সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মানে ভূষিত মোদি

    এদিকে, ৪০ বছর (PM Modi) আগে তিনি যে ফরাসি ভাষা শিখতে গিয়েছিলেন, এদিন তা জানালেন প্রধানমন্ত্রী। একটি লালচে রংয়ের কার্ড সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন তিনি। গুজরাটের আমেদাবাদে কবি কানাইলাল মার্গে রয়েছে আলিয়ান্স ফ্রাঁসের একটি শাখা। ১৯৮১ সালের ৫ ডিসেম্বর ওই শাখায় ভর্তি হয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সেজন্য তাঁকে দিতে হয়েছিল ১২৫ টাকা। প্রসঙ্গত, দু দিনের সফরে ফ্রান্সে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রঁর আমন্ত্রণে প্যারিসে গিয়েছেন তিনি। ফ্রান্সের সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান লিজিয়ন অব অনার সম্মানে ভূষিত করেছেন সে দেশের প্রেসিডেন্ট।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Flood Like Situation: যমুনার জলে ভাসছে দিল্লি, তরল তারিণী ঢুকে পড়ল মেট্রো টানেলেও

    Flood Like Situation: যমুনার জলে ভাসছে দিল্লি, তরল তারিণী ঢুকে পড়ল মেট্রো টানেলেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টানা বৃষ্টি, তার সঙ্গে ব্যারাজ থেকে ছাড়া জল, জোড়া ফলায় বিপর্যস্ত দিল্লি (Flood Like Situation)। বৃষ্টির জমা জলে এমনিতেই ভোগান্তির শেষ ছিল না রাজধানীর বাসিন্দাদের। গোদের ওপর বিষফোঁড়ার মতো বৃহস্পতিবার যমুনার জল উপচে ভাসল শহর। হু হু করে জল ঢুকে গেল মেট্রো টানেলে। তবে তার জেরে বন্ধ হয়নি রাজধানীর লাইফ লাইন। যদিও ট্রেন চলেছে শম্বুক গতিতে। মঙ্গলবার থেকেই বাড়ছিল যমুনার জল।

    ফুলেফেঁপে উঠেছে যমুনা

    বৃহস্পতিবার সন্ধে সাতটা নাগাদ যমুনার জলস্তর ছিল ২০৮.৬৬ মিটার, বিপদসীমার থেকে অন্তত তিন মিটার বেশি। হরিয়ানার হথিনীকুণ্ড ব্যারাজ থেকে ক্রমাগত জল ছাড়ায় যমুনার জল বাড়ছে বলে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে চিঠি লিখে জানিয়েছিলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। চিঠিতে তিনি লিখেছিলেন, হথিনীকুণ্ড থেকে জলছাড়া বন্ধ করতে পদক্ষেপ করুক কেন্দ্র। সে যাই হোক, ধারাবর্ষণ এবং যমুনার উপচে পড়া জল জমে গিয়ে শোচনীয় অবস্থা (Flood Like Situation) ময়ূর বিহার, মজনু কা টিলা, সিভিল লাইন্স, যমুনা বাজার, মদনপুর এবং খাদার এলাকার। কোথাও হাঁটু সমান, তো কোথাও কোমর সমান জল। যমুনা তীরবর্তী গীতা কলোনি, নিগম বোধ ঘাট সহ বিভিন্ন এলাকা কার্যত জলের তলায়।

    দুয়ারে যমুনা 

    জল চলে এসেছে দিল্লি বিধানসভার অদূরে। মুখ্যমন্ত্রী কেজরিওয়ালের বাসভবন থেকেও বানের জল (Flood Like Situation) খুব বেশি দূরে নেই। পরিস্থিতি সামাল দিতে দিল্লিতে জারি হয়েছে ১৪৪ ধারা। উদ্ধারকার্যে নামানো হয়েছে এনডিআরএফ টিমকে। ইতিমধ্যেই ২০ হাজারেরও বেশি মানুষকে শহরের নিচু এলাকাগুলি থেকে সরানো হয়েছে নিরাপদ স্থানে। বন্যা পরিস্থিতির জেরে রবিবার পর্যন্ত বন্ধ রাখা হচ্ছে স্কুল-কলেজ। জরুরি পরিষেবা ছাড়া বাকি সরকারি কর্মীদের ওয়ার্ক ফ্রম হোম করতে বলা হয়েছে।

    আরও পড়ুুন: নদীর ধারে ব্যালট! বিক্ষোভ বিজেপির, লাঠিচার্জ পুলিশের, উত্তপ্ত কুমারগঞ্জ

    যে কারণে ভাসছে দিল্লি, সেই একই কারণে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়িতেও। টানা বৃষ্টি এবং তিস্তা ব্যারাজের ছাড়া জলে প্লাবিত হওয়ার জোগাড় জলপাইগুড়ি শহর লাগোয়া এলাকা। বৃহস্পতিবার বিকেলের পর থেকে জলপাইগুড়ি শহরে ঢুকতে শুরু করেছে করলা নদীর জল। জলঢাকা নদীর সংরক্ষিত ও অসংরক্ষিত দুই এলাকায়ই জারি করা হয়েছে রেড অ্যালার্ট। হাতিনালা উপচে পড়ে বানারহাটে সৃষ্টি হয়েছে বন্যা পরিস্থিতি। নাগরাকাটায় ডায়না নদীর বাঁধ ভেঙে জল ঢুকছে গ্রামে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: জাঙ্গিপাড়ায় ব্যালট উদ্ধার-কাণ্ড, কমিশনকে তীব্র ভর্ৎসনা হাইকোর্টের

    Calcutta High Court: জাঙ্গিপাড়ায় ব্যালট উদ্ধার-কাণ্ড, কমিশনকে তীব্র ভর্ৎসনা হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হুগলির জাঙ্গিপাড়ায় রাস্তার নর্দমার পাশ থেকে উদ্ধার হওয়া ব্যালট মামলায় রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে ভর্ৎসনা কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি অমৃতা সিনহার। বৃহস্পতিবার এই মামলার শুনানি হয় বিচারপতি সিনহার এজলাসে। সেখানেই তিরস্কৃত হয় কমিশন। আদালতের পর্যবেক্ষণ, “পঞ্চায়েতে জিতলেই হাতে টাকা। আর সেই জন্যই এত দ্বন্দ্ব।” “রাস্তায় ব্যালট পড়ে থাকলে আর নির্বাচনের স্বচ্ছতা কোথায়?” প্রশ্ন বিচারপতি সিনহার। বৈধ ব্যালট পেপার গণনার আগে কীভাবে সেগুলো গণনা কেন্দ্রের বাইরে গেল ২০ জুলাইয়ের মধ্যে হলফনামায় তা জানানোর নির্দেশও দিয়েছে আদালত। এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে ২৫ জুলাই।

    জাঙ্গিপাড়ার বিডিওকে তলব

    বুধবার জাঙ্গিপাড়ায় একটি রাস্তার ধার থেকে উদ্ধার হয় শয়ে শয়ে বৈধ ব্যালট পেপার। ব্যালট পেপারগুলিতে সিপিএমের প্রতীকে ভোট দেওয়া ছিল। সেগুলি কুড়িয়ে নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন হুগলির বাম নেতারা। রাস্তায় ব্যালট পেপার পড়ে থাকার কারণ জানতে চেয়ে জাঙ্গিপাড়ার বিডিওকে তলব করেছিলেন বিচারপতি সিনহা। বৃহস্পতিবার বেলা ২টোয় আদালতে হাজিরা দিতে বলা হয়েছিল তাঁকে। একই সঙ্গে তলব করা হয়েছিল পঞ্চায়েতের রিটার্নিং অফিসারকেও। ওই বুথের ভোটের দায়িত্বে যাঁরা ছিলেন, তাঁদেরও নামের তালিকা চেয়েছিলেন বিচারপতি। গণনা কেন্দ্রের সিসিটিভি ফুটেজ এবং ভিডিও ফুটেজও আদালতে হাজির করার নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনি।

    কমিশনের আইনজীবীকে তিরস্কার

    এদিন জাঙ্গিপাড়ার বিডিও আদালতে (Calcutta High Court) জানান, প্রিসাইডিং অফিসার জয়দেব দে-কে ব্যালটগুলি ইস্যু করা হয়েছিল। কিন্তু সই মিলছে না। পঞ্চায়েত রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব ছিল ভোটের দিন বিষয়টি খতিয়ে দেখার। কিন্তু তার পরে আর আমার কোনও দায়িত্ব নেই। এই বুথ থেকে সন্ত্রাসের কোনও খবর রিপোর্ট হয়নি। কমিশনের আইনজীবীকে তিরস্কার করেন বিচারপতি সিনহা। বলেন, “প্রিসাইডিং অফিসারকে একজন আইনজীবী হিসেবে নয়, একজন নাগরিক হিসেবে বলুন তো, কী চলছে এটা? কীসের জন্য এত গোলমাল, গন্ডগোল? আসলে এটা একটা কাজ। জয় পেলে টাকা ইনকাম করার রাস্তা খুলে যাবে। তাই এত লড়াই। মামলার পাহাড় জমছে আদালতগুলোতে। কতগুলো ইলেকশন পিটিশনের সমাধান হয়েছে, তথ্য ঘেঁটে বলুন তো। প্র্যাক্টিক্যাল অভিজ্ঞতা থেকে বলুন।”

    আরও পড়ুুন: প্রধানমন্ত্রীর ডিগ্রি বিতর্ক, কেজরিওয়াল, সঞ্জয় সিংহকে হাজিরার নির্দেশ গুজরাটের আদালতের

    এর পরেই আইনজীবী (Calcutta High Court) বলেন, “এখনও কিছু প্রমাণিত নয়। ইলেকশন পিটিশন করতে হবে। এই মামলা গ্রহণযোগ্য নয়।” প্রত্যুত্তরে বিচারপতি সিনহা বলেন, “ভোট গণনার সময় গোছা গোছা ব্যালট পেপার রাস্তায় পাওয়া গেল, এরপরও বলছেন কিছু প্রমাণিত নয়! এটা বাড়াবাড়ি না? আপনাদের বিডিও স্বীকার করছেন এগুলো আসল ব্যালট, তার পরেও কিছু প্রমাণিত নয় বলে বিষয়টা লঘু করার চেষ্টা করছেন!”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Arvind Kejriwal: প্রধানমন্ত্রীর ডিগ্রি বিতর্ক, কেজরিওয়াল, সঞ্জয় সিংহকে হাজিরার নির্দেশ গুজরাটের আদালতের

    Arvind Kejriwal: প্রধানমন্ত্রীর ডিগ্রি বিতর্ক, কেজরিওয়াল, সঞ্জয় সিংহকে হাজিরার নির্দেশ গুজরাটের আদালতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) ডিগ্রি নিয়ে ব্যাঙ্গাত্মক ও অবমাননাকর মন্তব্য করেছিলেন আম আদমি পার্টি সুপ্রিমো তথা দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal)। তার জেরে কেজরিওয়াল ও সাংসদ আম আদমি পার্টির সঞ্জয় সিংহের বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন গুজরাট বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। সেই মামলায় ২৬ জুলাই ওই দুই আপ নেতাকে হাজিরার নির্দেশ দিল গুজরাটের একটি আদালত। এই মামালায় আজ, ১৩ জুলাই, বৃহস্পতিবার তাঁদের হাজিরার নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। এদিন কেজরিওয়ালের আইনজীবী আদালতে জানান, দিল্লিতে প্রবল বৃষ্টি চলছে। তাই হাজির থাকতে পারলেন না কেজরিওয়াল। এর পরেই বিচারক তাঁদের আদালতে হাজিরার নির্দেশ দেন ২৬ জুলাই।

    কী জানিয়েছিল গুজরাট হাইকোর্ট? 

    কিছু দিন আগেই গুজরাট হাইকোর্ট জানিয়েছিল প্রধান নরেন্দ্র মোদির কোনও কলেজের ডিগ্রি দেখানোর প্রয়োজন নেই। প্রধানমন্ত্রীর ডিগ্রি প্রকাশ করতে সরব হওয়ায় কেজরিওয়ালের (Arvind Kejriwal) ২৫ হাজার টাকা জরিমানাও ধার্য করা হয়। পরে গুজরাট বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার পীযূষ পটেল ওই দুই আপ নেতার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা দায়ের করেন। রেজিস্ট্রারের দাবি, গুজরাট হাইকোর্টের নির্দেশের পর কেজরিওয়াল ও সঞ্জয় যে সাংবাদিক বৈঠক করেছিলেন ও ট্যুইটারে পোস্ট করেছিলেন, তাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের মর্যাদাহানি হয়েছে। সেই মামলায়ই আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছে গুজরাটের আদালত।

    প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষাগত যোগ্যতা 

    প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া তথ্য অনুসারে, ১৯৭৮ সালে গুজরাট বিশ্ববিদ্যালয় (Arvind Kejriwal) থেকে স্নাতক হয়েছিলেন তিনি। ১৯৮৩ সালে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর উত্তীর্ণ হন। এহেন শিক্ষাগত যোগ্যতার অধিকারী প্রধানমন্ত্রীর ডিগ্রি প্রকাশ্যে আনার দাবি তুলেছিলেন কেজরিওয়াল। তার পরেই চিফ ইনফরমেশন কমিশন একটি নির্দেশিকা জারি করে। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েই গুজরাট হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার।

    আরও পড়ুুন: ‘‘বাদ বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র’’! নিরাপত্তা পরিষদে স্থায়ী সদস্যপদের পক্ষে সওয়াল মোদির

    মামলাকারীর পক্ষে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতার যুক্তি ছিল, “একজন ডক্টরেট ও একজন শিক্ষাগত যোগ্যতাহীন ব্যক্তির মধ্যে গণতন্ত্রে কোনও বিভাজন করা হয় না। এ ক্ষেত্রে জনগণের কোনও স্বার্থও জড়িত নয়। পরন্তু এতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তি স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করা হচ্ছে। জনপ্রতিনিধি হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর ভূমিকার সঙ্গে তাঁর ডিগ্রির কোনও সম্পর্ক নেই। কারও শিশুসুলভ কৌতুহলের জন্য প্রধানমন্ত্রীর ডিগ্রি দেখানোর প্রয়োজন পড়ে না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Narendra Modi: ‘‘বাদ বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র’’! নিরাপত্তা পরিষদে স্থায়ী সদস্যপদের পক্ষে সওয়াল মোদির

    Narendra Modi: ‘‘বাদ বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র’’! নিরাপত্তা পরিষদে স্থায়ী সদস্যপদের পক্ষে সওয়াল মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা কাউন্সিলে ভারতের স্থায়ী সদস্যপদের দাবিতে সওয়াল করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র ভারত (India)। কিন্তু রাষ্ট্রসংঘের (United Nations) নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যের তালিকায় নেই তারা। তাহলে তো রাষ্ট্রসংঘের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়েই মানুষের মনে প্রশ্ন উঠতে পারে!ফরাসি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মন্তব্য মোদির।

    রাষ্ট্রসংঘে স্থায়ী সদস্যপদের দাবি

    ফ্রান্স (France) সফরের আগে সেদেশের প্রথম অর্থনৈতিক সংবাদপত্র ‘লেজেকো’-কে সাক্ষাৎকার দিলেন মোদি (Narendra Modi)। ফরাসি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকরে বিশ্ব রাজনীতিতে ভারতের ভূমিকার কথা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। সেই সঙ্গে যুদ্ধ নয়, যোগ ও আয়ুর্বেদ চর্চার উপর জোর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।  সন্ত্রাস মুক্ত বিশ্বই ভারতের প্রধান লক্ষ্য বলে জানান। দীর্ঘদিন ধরেই রাষ্ট্রসংঘের স্থায়ী সদস্যপদ পাওয়ার দাবি জানিয়েছে ভারত। এবার সরাসরি এই প্রসঙ্গে সরব হলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশ ভারত। অথচ রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে (United Nations Security Council) ভারতের স্থায়ী সদস্যপদ নেই। এখানেই প্রশ্ন থেকে যায়। নিরাপত্তা পরিষদের দাবি, গোটা বিশ্বের হয়েই তারা কথা বলে। কিন্তু সেখানে যদি বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রই না থাকে, তাহলে কি এই দাবিকে যুক্তিসঙ্গত বলা যায়? শুধু বিশ্বাসযোগ্যতা নয়, আরও বড় প্রশ্ন ওঠে রাষ্ট্রসংঘের এহেন আচরণে।”

    বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র ভারত

    বর্তমানে রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে স্থায়ী সদস্যভুক্ত দেশগুলি হল আমেরিকা, চিন, রাশিয়া, ফ্রান্স এবং ব্রিটেন। ভারতের স্থায়ী সদস্যপদের জন্য একমাত্র চিন ছাড়া বাকি দেশগুলি সম্মতি দিয়েছে। স্থায়ী সদস্যগুলির মধ্যে যে কোনও একজনের ভেটো দেওয়ার ক্ষমতা থাকায়, চিনের আপত্তিতে স্থায়ী সদস্যপদ পাইনি ভারত। তবে, ফ্রান্স সফরের আগে প্রধানমন্ত্রীর (Narendra Modi) স্থায়ী সদস্যপদের সওয়াল, যথেষ্ট ইঙ্গিতপূর্ণ বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র রয়েছে ভারতে। সামাজিক ও আর্থিক ক্ষেত্রে ব্যাপক বৈষম্য থাকা সত্ত্বেও ভারতে গণতন্ত্র বজায় রাখতে পেরেছি আমরা। বৈচিত্র্যের মধ্যেও ঐক্য বজায় রাখা যায়, সেটাই দেখাতে পারে ভারত। সেই কারণেই আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে যোগ্য স্থান দিতে হবে বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রকে।”

    আরও পড়ুন: ফ্রান্সের উদ্দেশে রওনা দিলেন নরেন্দ্র মোদি, দুদিনের সফরে কী কী কর্মসূচি রয়েছে?

    সাক্ষাৎকারে ‘পশ্চিমী মূল্যবোধের সর্বজনীন গ্রহণযোগ্যতা’ নিয়ে সতর্কতা প্রকাশ করেছেন মোদি (Narendra Modi)। এই নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিশ্বের প্রতিটি কোণায় দর্শন ও সংস্কৃতির কথা বিবেচনা করতে হবে। পুরনো ধারণা ত্যাগ না করলে পৃথিবী কখনই দ্রুত গতিতে এগিয়ে যেতে পারবে না। পৃথিবী একটাই। কিন্তু এখানে অনেক দর্শন ও দৃষ্টিভঙ্গি আছে।’ পাশাপাশি যোগ ও আয়ুর্বেদের পক্ষেও সওয়াল করেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর মতে, যোগ আজ একটি পারিবারিক শব্দ। তিনি বলেন, প্রাচীন কাল থেকে ভারতে আয়ুর্বেদ চর্চা হয়েছে আসছে। বিশ্ব জুড়ে যোগ ও আয়ুর্বেদ চর্চাকে ছড়িয়ে দেওয়ার আবেদন জানান তিনি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Bihar Protest: বিধানসভা অভিযানে লাঠিচার্জ পুলিশের, বিজেপি নেতা সহ মৃত ২

    Bihar Protest: বিধানসভা অভিযানে লাঠিচার্জ পুলিশের, বিজেপি নেতা সহ মৃত ২

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিক্ষোভ থামাতে বেপরোয়া লাঠিচার্জ করেছিল পুলিশ। তার জেরে প্রাণ হারালেন বিজেপির (BJP) এক নেতা সহ মোট দুজন। ঘটনার জেরে উত্তাল বিহার। রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভ (Bihar Protest) কর্মসূচি পালন করে গেরুয়া শিবির। নীতীশের ইস্তফার দাবিতে সোচ্চারও হন তাঁরা। বিধানসভার ভিতরেও বিক্ষোভ প্রদর্শন করে বিজেপি।

    বিধানসভা অভিযান

    বৃহস্পতিবার বিধানসভা অভিযানের ডাক দিয়েছিল বিজেপি। দলের কর্মী-সমর্থকরা জড়ো হয়েছিলেন পাটনা শহরে। জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে জলকামান ছোড়ে পুলিশ। তারপরেও হটে না গিয়ে কর্মসূচি জারি রেখেছিলেন বিজেপির নেতা-কর্মীরা। এর পরেই এলোপাথাড়ি লাঠিচার্জ করতে শুরু করে পাটনা পুলিশ। পুলিশের লাঠির ঘায়ে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় বিজেপির এক মহিলা কর্মীর। জখম (Bihar Protest) হন বেশ কয়েকজন। এঁদের মধ্যে ছিলেন বিজেপির জেহানাবাদ জেলার সাধারণ সম্পাদক বিজয় কুমার সিংহও। পুলিশের লাঠির ঘায়ে গুরুতর জখম হন বিজয়। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে মৃত্যু হয় তাঁর।

    বেপরোয়া পুলিশ

    শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে বিহারে আন্দোলন করছে বিজেপি। গেরুয়া কুর্তি, শাড়ি পরে এদিন বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। তাঁরা আওয়াজ তোলেন, নীতীশ-তেজস্বী ইস্তফা দাও। বিজেপি নেতাদের কয়েকজনকে দেখা যায় প্রচার রথে উঠে স্লোগান দিতে। বিক্ষোভকারীদের রুখতে পাটনার ডাকবাংলো মোড়ের কাছে ব্যারিকেড করে পুলিশ। পাটনার পুলিশের সিনিয়র সুপারিনডেন্ট রাজীব মিশ্র বলেন, আন্দোলনকারীরা ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করলে পুলিশ বাধ্য হয়ে জলকামান ছোড়ে। কাঁদানে গ্যাসের সেল ফাটায়।

    বিজয়ের মৃত্যুতে শোক (Bihar Protest) প্রকাশ করেছেন বিহার বিজেপির নেতা সুশীল কুমার মোদি। ট্যুইট-বার্তায় তিনি লিখেছেন, পুলিশের লাঠিচার্জে আমাদের এক কর্মীর মৃত্যু দুর্ভাগ্যজনক। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেই মৃত্যু হয় তাঁর। আমরা পুলিশের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ দায়ের করব। এসবের জন্যই দায়ী নীতীশ কুমার। ট্যুইট-বার্তায় শোক প্রকাশ করেছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডাও। তিনি লিখেছেন, বিহার সরকার গণতন্ত্রের ওপর আঘাত হানছে, যাতে তারা দুর্নীতির অনুশীলন চালিয়ে যেতে পারে। 

    এদিকে, ঘটনার প্রতিবাদে বিধানসভায়ও বিক্ষোভ দেখান পদ্ম শিবিরের বিধায়করা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে স্পিকার অওয়ধ বিহারী চৌধুরী মার্শাল ডেকে বিক্ষোভকারী বিধায়কদের সভার বাইরে বের করে দেন। এ নিয়ে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধ্বস্তিও হয় বিধায়কদের।

    আরও পড়ুুন: “আক্রান্তদের অপরাধ, তাঁরা মোদিকে ভালবাসেন”, ‘শান্তিকক্ষ’ থেকে বেরিয়ে বললেন রবিশঙ্কর

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Seema Haider: ভারতে পাক তরুণী সীমা! ফেরত না দিলে হিন্দু নির্যাতনের হুমকি বালোচ কট্টরপন্থীদের

    Seema Haider: ভারতে পাক তরুণী সীমা! ফেরত না দিলে হিন্দু নির্যাতনের হুমকি বালোচ কট্টরপন্থীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাবজি খেলতে গিয়ে প্রেম। ভালবাসার টানে প্রেমিককে পেতে কাঁটাতার পেরিয়ে ভারতে এসেছিলেন পাকিস্তানের সীমা হায়দার (Seema Haider)। অনুপ্রবেশের কারণে গ্রেফতার হন। পরে মেলে জামিনও। কিন্তু সীমা হায়দারের (Seema Haider) এই প্রেম এখন অন্যদিকে মোড় নিয়েছে। ইন্টারনেট বয়ফ্রেন্ডের সঙ্গে দেখা করতে সীমার আসা এক সপ্তাহ আগে। এবার সীমাকে পাকিস্তানে ফেরত না পাঠালে রক্তগঙ্গা বইয়ে দেওয়ার পাশাপাশি হিন্দু মেয়েদের ধর্ষণের হুঁশিয়ারিও দিতে শোনা গেল বালুচিস্তানের একটা গ্যাং-কে।

    আরও পড়ুন: ১৩ বছরের নাতনিকে বাড়িতে একা পেয়ে ধর্ষণ! গ্রেফতার ৭৩ বছরের সুকুর আলি

    হুমকির ভিডিও ভাইরাল হয়…

    ইতিমধ্যে হুমকির ভিডিও সমাজমাধ্যমে বেশ ভাইরাল হয়েছে। ওই ভাইরাল ভিডিওতে চারজন দুষ্কৃতীকে দেখা যাচ্ছে যারা মুখে মাস্ক পড়ে রয়েছে, তাদের হাতে রাইফেলও দেখা যাচ্ছে। তারাই ভাইরাল ভিডিওতে বলছে, সীমাকে (Seema Haider) ফেরত না দিলে পাকিস্তানের হিন্দু মেয়েদের ধর্ষণ করা হবে। এরই মাঝে একজনকে বলতে শোনা যাচ্ছে, “আমাদের একটি মেয়ে সম্প্রতি পাকিস্তানের জাখারানি থেকে ভারতে গিয়েছে। ভারতের অবশ্যই বোঝা উচিত যদি সীমা যদি ফেরত না আসে তাহলে হিন্দুদের পাকিস্তানে বেঁচে থাকা মুশকিল হয়ে যাবে।”

    আরও পড়ুন: ট্যুইটারে গিলগিট-বালতিস্তানকে ভারতের অংশ দেখানো হচ্ছে, দাবি বাসিন্দাদের

    ভালবাসার টানে কাঁটাতার পেরিয়ে ভারতে সীমা (Seema Haider)

    প্রসঙ্গত, চার সন্তানের মা সীমা হায়দার পাকিস্তানের বাসিন্দা। পাবজি খেলতে গিয়ে প্রেমে পড়েন সচিন নামের গ্রেটার নয়ডার এক বাসিন্দার সঙ্গে। এরপর ভালবাসার টানে কাঁটাতারে পের হতে পিছপা হননি সীমা। জানতেন বাধা আসবে। প্রেমিক প্রেমিকা দুজনেই  প্রথমে গ্রেফতার হন। পরে জামিন মেলে। সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে সীমা জানিয়েছেন, তিনি নিরামিষ খাবার পছন্দ করেন। ভারতীয় পার্টনারের সঙ্গে সারাজীবন কাটাতে চান বলেও জানিয়েছেন সীমা।

    আরও পড়ুন: মালয়েশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক রাজনাথের, কি নিয়ে আলোচনা হল জানেন?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share