Tag: Bengali news

Bengali news

  • Panchayat Election: ‘‘তৃণমূল না করলে চলে যাবে সিভিকের চাকরি’! হুঁশিয়ারি ব্লক সভাপতির

    Panchayat Election: ‘‘তৃণমূল না করলে চলে যাবে সিভিকের চাকরি’! হুঁশিয়ারি ব্লক সভাপতির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুদিন আগেই পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Election) তৃণমূলকে ভোট না দিলে লক্ষ্মীর ভান্ডার বন্ধের হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন উত্তর দিনাজপুরের করণদিঘির বিধায়ক গৌতম পাল। এবার বেফাঁস মন্তব্য করলেন রাজ্যের মন্ত্রী গোলাম রব্বানীর ভাই তথা গোয়ালপোখরের তৃণমূলের ব্লক সভাপতি গোলাম রসুল। যা নিয়ে জেলা জুড়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

    ঠিক কী বলেছেন ওই তৃণমূল নেতা?

    সোমবার উত্তর দিনাজপুর জেলার গোয়ালপোখর ব্লকের পামলহাটে দলীয় এক জনসভায় গোলাম রসুল বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Election) তৃণমূল কংগ্রেস না জিতলে সরকারি প্রকল্প চালু থাকবে না। বেশ কিছু সিভিক ভলান্টিয়ার অন্য দল করছেন বলে জানতে পেরেছি। সিভিক ভলান্টিয়ারের চাকরি দিয়েছে তৃণমূল। তাই, যাঁরা বিরোধী দলের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন, পঞ্চায়েত নির্বাচনের পর তাঁদের চাকরি থাকবে না। তৃণমূলের ব্লক সভাপতির এই মন্তব্যে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    তৃণমূল কংগ্রেসের উত্তর দিনাজপুর জেলা পরিষদের ৮ নম্বর আসনের প্রার্থী গোলাম রসুল এই হুঁশিয়ারি দিলেও রাজ্যের মন্ত্রী গোলাম রব্বানী তাঁর ভাইয়ের এই বক্তব্যে কিছুটা রাশ টানার চেষ্টা করেন। মন্ত্রী গোলাম রব্বানী বলেন, সিভিক ভলান্টিয়াররা আধা সরকারি কর্মী। তাঁদের কোনও দল করা উচিত নয়। তাঁরা নিরপেক্ষভাবে কাজ করবেন। গোলাম রসুল ব্লক সভাপতি। তিনি রাজনৈতিক কথা বলেছেন।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    বিজেপি নেতা সুরজিৎ সেন বলেন, আসলে সরকারি প্রকল্প কেউ বন্ধ করতে পারে না। আর সিভিক ভলান্টিয়ারদের কেউ চাকরি থেকে সরাতে পারবে না। এমনিতেই সিভিকরা কেউ সরকারি কর্মী নয়। আসলে পঞ্চায়েত ভোটের (Panchayat Election) আগে এভাবে ভয় দেখিয়ে ওরা তৃণমূলের পক্ষে ভোট করার চেষ্টা করছে। এসব করে কোনও লাভ হবে না। কারণ মানুষ ভোট দিতে পারলে তৃণমূলের পরাজয় নিশ্চিত। আর সেটা বুঝতে পেরেই তৃণমূল নেতারা এখন এসব বলছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • CBI: কলকাতায় জরুরি বৈঠকে সিবিআইয়ের শীর্ষ কর্তারা, কী হল এমন?

    CBI: কলকাতায় জরুরি বৈঠকে সিবিআইয়ের শীর্ষ কর্তারা, কী হল এমন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়লা কেলেঙ্কারি, গরু পাচার, শিক্ষায় নিয়োগ কেলেঙ্কারি – রাজ্যের একাধিক দুর্নীতির (Scam Case) অভিযোগের তদন্ত করছে সিবিআই (CBI)। তদন্তের অগ্রগতি জানতেই মঙ্গলবার কলকাতার নিজাম প্যালেসে বৈঠকে বসলেন সিবিআইয়ের শীর্ষ কর্তারা। সম্প্রতি সিবিআইয়ের অ্যাডিশনাল ডিরেক্টর জেনারেল পদে উন্নীত হয়েছেন সিনিয়র আইপিএস অফিসার মনোজ শশীধর। এদিনের বৈঠকে রয়েছেন তিনি। রয়েছেন স্পেশাল ডিরেক্টর অজয় ভাটনগরও।

    একাধিক দুর্নীতি

    সিবিআই সূত্রে খবর, কয়লা, গরু এবং শিক্ষায় নিয়োগের মতো একাধিক দুর্নীতির ঘটনায় তদন্তকারীদের সঙ্গে বৈঠক করবেন তাঁরা। মনোজ শশীধরকে গুজরাট পুলিশ থেকে সিবিআইয়ের ডেপুটেশনে আনা হয়েছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমলেই। সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যু তদন্তে সরকার যে সিট গঠন করেছিল, তার নেতৃত্বে ছিলেন এই সিবিআই কর্তাই। সম্প্রতি তাঁকে কলকাতা জোনের দুর্নীতি দমন শাখার দায়িত্বও দেওয়া হয়েছে।

    তদন্ত করছে ইডিও

    সিবিআইয়ের (CBI) পাশাপাশি তদন্ত করছে আর এক কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি। এই ইডি-ই প্রথমে গ্রেফতার করেছিল রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে। শিক্ষায় নিয়োগ কেলেঙ্কারিতে গ্রেফতার করা হয়েছিল তাঁকে। এই মামলায় পরে পার্থকে গ্রেফতার করে সিবিআইও। সিবিআই গ্রেফতার করেছে অনুব্রত মণ্ডলকে। গরু পাচার মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁকে। কয়লা পাচার মামলায় তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রী রুজিরাকে গত বছর বাড়িতে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল সিবিআই। এহেন আবহে তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে বৈঠকে বসেছেন সিবিআইয়ের শীর্ষ কর্তারা। কলকাতায় সিবিআইয়ের (CBI) শীর্ষ কর্তারা বৈঠকে বসায় আশার আলো দেখছেন বিজেপি নেতারা। তাঁদের আশা, পঞ্চায়েত নির্বাচনের পর্ব মিটলেই ফের জোর কদমে শুরু হতে পারে ধরপাকড়।

    আরও পড়ুুন: পঞ্চায়েত নির্বাচনে তৃণমূলের ‘বিষদাঁত’ ভাঙতে পারে বিজেপি, কোন কোন জেলায়?

    প্রসঙ্গত, মনোজ শশীধর হলেন গুজরাট ক্যাডারের আইপিএস অফিসার। নরেন্দ্র মোদি যখন গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন, তখন আমেদাবাদ পুলিশের ডিসিপি (ক্রাইম) ছিলেন শশীধর। পরে হন আমেদাবাদের জয়েন্ট কমিশনার। ভাদোদরায় পুলিশ কমিশনারও হয়েছিলেন তিনি। পরে গুজরাটের সিআইডির ডিরেক্টর জেনারেলও ছিলেন শশীধর। দুঁদে এই আইপিএস অফিসার কলকাতায় আশায় অশনি সংকেত দেখছেন এ রাজ্যের তৃণমূল নেতারা। বিশেষত, যাঁদের নাম জড়িয়েছে নানা কেলেঙ্কারিতে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election 2023: পঞ্চায়েত নির্বাচনে তৃণমূলের ‘বিষদাঁত’ ভাঙতে পারে বিজেপি, কোন কোন জেলায়?

    Panchayat Election 2023: পঞ্চায়েত নির্বাচনে তৃণমূলের ‘বিষদাঁত’ ভাঙতে পারে বিজেপি, কোন কোন জেলায়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচন (Panchayat Election 2023)। লোকসভা নির্বাচনের আগে এই নির্বাচনের গুরুত্ব নিছক কম নয়। কারণ শাসক দলের বিরুদ্ধে যেমন জমছে অভিযোগের পাহাড়, তেমনি ক্রমেই সংগঠন বাড়ছে রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল বিজেপির। ক্ষয়িষ্ণু হলেও, কোনও কোনও ক্ষেত্রে মাথাচাড়া দিতে পারে বাম-কংগ্রেসও। এহেন আবহে নির্বাচন হতে যাচ্ছে এবার। তাই শুরু গিয়েছে নির্বাচন পূর্ববর্তী সমীক্ষা। সি-ভোটার সমীক্ষায় (C Voter Opinion Poll) জানা গিয়েছে এবার বেশ কয়েকটি জেলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল তৃণমূলকে ধরাশায়ী করতে পারে নরেন্দ্র মোদি-অমিত শাহের দল বিজেপি।

    সি-ভোটারের সমীক্ষা

    সি-ভোটারের (Panchayat Election 2023) সমীক্ষায় স্পষ্ট, আলিপুরদুয়ার জেলা পরিষদে এবার তৃণমূলকে গোহারা হারিয়ে জয়ী হতে পারে বিজেপি। ১৮টি আসনের মধ্যে বিজেপি পেতে পারে ৮ থেকে ১২টি। ম্যাজিক ফিগার ১০। তৃণমূল পেতে পারে ৫ থেকে ৯টি আসন। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিকের জেলা কোচবিহারেও তৃণমূলকে ‘রামধাক্কা’ দিতে পারে বিজেপি। সমীক্ষায় জানা গিয়েছে, জেলা পরিষদের ৩৪টি আসনের মধ্যে বিজেপি পেতে পারে ১৫ থেকে ১৯টি। তৃণমূল পেতে পারে ১৩ থেকে ১৯টি। এই জেলায় ম্যাজিক ফিগার ১৭। 

    তৃণমূলের ঘাড়ে নিঃশ্বাস

    জলপাইগুড়ি জেলা পরিষদেও (Panchayat Election 2023) তৃণমূলের ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলতে পারে বিজেপি। পদ্ম শিবির পেতে পারে ৯ থেকে ১৩টি আসন। ম্যাজিক ফিগার ১৩। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারীর জেলা পূর্ব মেদিনীপুরেও তৃণমূলকে টক্কর দিতে পারে বিজেপি। ৭০টি জেলা পরিষদের আসনে বিজেপি পেতে পারে ৩০ থেকে ৩৬টি। ১৯ আসনের ঝাড়গ্রামেও ৫ থেকে ৯টি আসনে ফুটবে পদ্ম। উত্তর দিনাজপুরে বিজেপি পেতে পারে ৫ থেকে ৯টি আসন। নদিয়ায় বিজেপি জয়ী হতে পারে ৭ থেকে ১৩টি আসনে। উত্তর ২৪ পরগনায়ও থাবা বসাতে পারে বিজেপি। পেতে পারে ৬ থেকে ১২টি আসন। পূর্ব বর্ধমানেও ১২ থেকে ১৮টি আসনে জিততে পারে বিজেপি।

    আরও পড়ুুন: এসসিও সম্মেলনের উদ্বোধন করবেন মোদি, যোগ দিচ্ছেন শরিফ, জিনপিং

    বাঁকুড়ায় (Panchayat Election 2023) পেতে পারে ৯ থেকে ১৫টি আসন। হাওড়ায়ও ৫ থেকে ৯টি আসনে জিততে পারেন পদ্ম প্রার্থীরা। মালদহেও বিজেপি পেতে পারে ৪ থেকে ৮টি আসন। তিহাড় জেলবন্দি অনুব্রত মণ্ডলের জেলা বীরভূমেও বেশ ধাক্কা খাবে তৃণমূল। এই জেলায় বিজেপি পেতে পারে ৮ থেকে ১৪টি আসন। দক্ষিণ দিনাজপুরে গেরুয়া ঝুলিতে যেতে পারে ৫ থেকে ৯টি আসন। মুর্শিদাবাদেও বিজেপি পেতে পারে ২ থেকে ৬টি আসন। বাম-কংগ্রেসের দখলে যেতে পারে ৩৩ থেকে ৪৩টি আসন। সন্ত্রাস কবলিত ভাঙড়েও বিজেপি পেতে পারে ১৪ থেকে ২০টি আসন। পুরুলিয়ায় বিজেপি পেতে পারে ৫ থেকে ১১টি আসন। পশ্চিম মেদিনীপুরে পদ্ম ফুটতে পারে ১৮ থেকে ২৪টি আসনে। হুগলিতে বিজেপি পেতে পারে ৬ থেকে ১২টি আসন।

    গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Election 2023) ব্যাপক সন্ত্রাসের জেরে রাজ্যের সিংহভাগ জেলায়ই দাঁত ফোটাতে পারেননি বিরোধীরা। একচেটিয়া খেলেছিল তৃণমূল। এবারও সন্ত্রাস রয়েছে, রয়েছে শাসকের হয়ে পুলিশের তাঁবেদারিও। তা সত্ত্বেও এবার তৃণমূলের একাধিক গড়ে হানা দেবেন বিরোধীরা। কারণ, তৃণমূলের পাহাড় প্রমাণ দুর্নীতির আঁশটে গন্ধে জেগেছেন রাজ্যবাসী।  

    অতএব, খেলা হবে!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • SCO Summit: এসসিও সম্মেলনের উদ্বোধন করবেন মোদি, যোগ দিচ্ছেন শরিফ, জিনপিং

    SCO Summit: এসসিও সম্মেলনের উদ্বোধন করবেন মোদি, যোগ দিচ্ছেন শরিফ, জিনপিং

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের (SCO Summit) শীর্ষ সম্মেলন হবে আজ, মঙ্গলবার। সম্মেলন হবে ভার্চুয়াল। এবার এই সম্মেলনের আয়োজক দেশ ভারত। সভাপতিত্ব করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। অংশ নেবেন চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন সহ মধ্য এশিয়ার বিভিন্ন রাষ্ট্রের প্রধানরা। গত বছর এসসিও সম্মেলন হয়েছিল উজবেকিস্তানের সমরখন্দে। সশরীরে সেই বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন মোদি। এবার উদ্বোধন করবেন তিনিই। প্রথমে ঠিক ছিল সম্মেলন হবে মুখোমুখি। পরে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় সম্মেলন হবে ভার্চুয়াল মাধ্যমে। ভারতে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত ডেনিস আলিপভ বলেন, “শীর্ষ সম্মেলন ভার্চুয়াল করার জন্য আমরা ভারতের সিদ্ধান্তকে সম্মান করি। যদিও রাশিয়া সশরীরে এ সম্মেলনে অংশ গ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছিল।”

    এসসিও-র সদস্য দেশ

    এসসিও-র (SCO Summit) সদস্য দেশগুলি হল ভারত, চিন, পাকিস্তান, রাশিয়া, কাজাখাস্তান, কিরঘিজস্তান, তাজিকিস্তান এবং উজবেকিস্তান। পর্যবেক্ষক দেশ রয়েছে চারটি। এগুলি হল, বেলারুশ, মঙ্গোলিয়া, ইরান এবং আফগানিস্তান। মিশর, কাতার, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, আর্মেনিয়া, আজারবাইজান, তুরস্ক, কম্বোডিয়া এবং সৌদি আরব এই ৯টি দেশ রয়েছে ডায়লগ পার্টনার হিসেবে। চলতি বছরই এসসিও-র অন্তর্ভুক্ত হতে পারে ইরান। আগামী বছরের মধ্যে রাশিয়ার প্রধান বন্ধুদেশ বেলারুশকেও অন্তর্ভুক্ত করা হতে পারে। এবার সম্মেলনে অতিথি দেশ হিসেবে ডাক পেয়েছে তুর্কমেনিস্তান। প্রসঙ্গত, ২০০৫ সালে আমন্ত্রিত দেশ হিসেবে এসসিওতে উপস্থিত ছিল ভারত। ২০১৭ সালে এর সদস্য হয় মোদির দেশ।

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি

    চলতি বছর যেহেতু আয়োজক (SCO Summit) দেশ ভারত, তাই সম্মেলনের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দিল্লি ঘোষণাপত্র, কট্টরপন্থার মোকাবিলা, ডিজিটাল রূপান্তর এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতার বিষয়ে একটি চুক্তি নিয়ে আলোচনা হতে পারে। তবে ভারত সহ কয়েকটি দেশ ওই চুক্তিতে স্বাক্ষর নাও করতে পারে। কারণ বেল্ট অ্যান্ড ইনিশিয়েটিভ নিয়ে চিনের সঙ্গে মতদ্বৈততা রয়েছে ওই দেশগুলির।

    আরও পড়ুুন: কেশপুরে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষ, জখম ৭

    এদিন এসসিও সম্মেলন (SCO Summit) শুরু হবে দুপুর সাড়ে ১২টায়। শেষ হবে ৩টে নাগাদ। এই শীর্ষ সম্মেলনের আগে ভারতেই হয়ে গিয়েছে বিদেশমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক। বৈঠক হয়েছে গোয়ায়। উপস্থিত ছিলেন পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রী বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি, চিনের বিদেশমন্ত্রী কিন গ্যাং ও রাশিয়ার বিদেশমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ প্রমুখ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election 2023: বাকি ৪৮৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠানো হবে শীঘ্রই! চিঠি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের

    Panchayat Election 2023: বাকি ৪৮৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠানো হবে শীঘ্রই! চিঠি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Election 2023) বাকি ৪৮৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠাতে প্রস্তুত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। শীঘ্র বাকি কোম্পানি বাহিনী পাঠানো হবে বলে সোমবার রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিয়ে জানিয়ে দিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। বিষয়টা হলফনামা দিয়ে কলকাতা হাইকোর্টেও জানিয়েছে কেন্দ্রের আইনজীবী। এর আগে প্রথম দফায় ২২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং পরে আরও ৩১৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী এসেছিল রাজ্যে। তৃতীয় দফায় ৪৮৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী এলে পঞ্চায়েত ভোটের জন্য মোট ৮২২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী আসবে রাজ্যে।

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের ঘোষণা

    পঞ্চায়েত (Panchayat Election 2023) মামলায় কলকাতা হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল, অন্তত ৮২ হাজার কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোট করাতে হবে। অর্থাৎ কম করে ৮০০ কোম্পানি সেন্ট্রাল ফোর্স মোতায়েন করতে হবে পঞ্চায়েত ভোটে। হাইকোর্টের সেই নির্দেশের পর মোট ৩৩৭ কোম্পানি বাহিনী পাঠানোর ব্যাপারে সম্মতি দিয়েছিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। সোমবার কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন নিয়েই মূলত আদালত অবমাননার একটি মামলা চলছিল হাইকোর্টে। শুনানি চলাকালীনই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে ঘোষণা করা হয় পশ্চিমবঙ্গের পঞ্চায়েত ভোটের জন্য বাকি ৪৮৫ কেন্দ্রীয় বাহিনীও পাঠানো হবে। এরপরই ওই মামলার সওয়াল-জবাব এদিনের মতো স্থগিত করে দেয় উচ্চ আদালত। আগামীকাল অর্থাৎ মঙ্গলবার এই নিয়ে শুনানি হবে ডিভিশন বেঞ্চে। 

    আরও পড়ুন: ‘রাজ্য নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে কোর্টে যাচ্ছে বিজেপি’, কেন বললেন সুকান্ত?

    এক দফা ভোটের জন্যই ৮২২ কোম্পানি

    এবার এক দফা ভোটের জন্যই ৮২২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হবে বাংলায়। পঞ্চায়েত ভোটে (Panchayat Election 2023) যা বিরল শুধু নয়, এক কথায় বেনজির। এই ব্যবস্থা ভবিষ্যতের জন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকল। ২০১৩ সালে পঞ্চায়েত ভোটেও ৮২০ কোম্পানি সেন্ট্রাল ফোর্স মোতায়েন হয়েছিল। কিন্তু সেবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক মাত্র ২৬০ কোম্পানি বাহিনী পাঠিয়েছিল। যেহেতু ভোটগ্রহণ পাঁচ দফায় হয়েছিল, তাই ওই ২৬০ কোম্পানি বাহিনীকেই ঘুরিয়ে ফিরিয়ে ব্যবহার করা হয়।  আগেই ৩১৫ কোম্পানি বাহিনী পাঠানোর বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিল। ওই ৩১৫ কোম্পানি বাহিনীর জওয়ানরা ধাপে ধাপে রাজ্যে আসতেও শুরু করে দিয়েছেন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, ৩২৩ কোম্পানির মধ্যে বিএসএফ থেকে ১০০ কোম্পানি, সিআরপিএফ থেকে ৭৩ কোম্পানি, এসএসবি থেকে ৫০ কোম্পানি, সিআইএসএফ থেকে ৪০ কোম্পানি আরপিএফ থেকে ৩০ কোম্পানি এবং আইটিপিবি থেকে ৩০ কোম্পানি বাহিনী আসবে। এ ছাড়াও ২০টি রাজ্য থেকে আসবে ১৬২ কোম্পানি বাহিনী।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Vote: ভোটের দফা বাড়ানোর আর্জি নিয়ে হাইকোর্টে অধীর, মঙ্গলবার শুনানি

    Panchayat Vote: ভোটের দফা বাড়ানোর আর্জি নিয়ে হাইকোর্টে অধীর, মঙ্গলবার শুনানি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি সপ্তাহের শনিবার পঞ্চায়েত ভোট (Panchayat Vote)। তার আগে নির্বাচনের দফা বাড়ানোর আর্জি নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী। কংগ্রেস নেতার আশঙ্কা, পর্যাপ্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী না থাকলে এক দফার নির্বাচনে অশান্তি বাড়তে পারে।

    সাংবাদিক বৈঠকেই আদালতে যাওয়ার কথা ঘোষণা করেন অধীর

    ভোটে (Panchayat Vote) দফা বাড়ানোর আবেদন জানিয়ে অধীর চৌধুরী যে আদালতের দ্বারস্থ হতে চলেছেন তা তাঁর একাধিক সাংবাদিক বৈঠকেই স্পষ্ট হয়ে যায়। সাংবাদিক বৈঠকে অধীর চৌধুরীর অভিযোগ ছিল, এক দফায় এই রাজ্যে কখনও অবাধ-শান্তিপূর্ণ নির্বাচন সম্ভব নয়। পাশাপাশি রাজ্য নির্বাচন কমিশন পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করছেন বলেও সরব হন কংগ্রেসের দলনেতা। অধীরের মতে, “একদফায় নির্বাচন অবাধ শান্তিপূর্ণ হতে পারে না। তাই দফা বাড়ানোর আবেদন জানিয়ে সোমবার আদালতে যাচ্ছি।”

    আরও পড়ুন: বাহিনীর ভবিষ্যৎ কী? কমিশনের সঙ্গে বৈঠকে মুখ্যসচিব, ডিজি

    ভোট (Panchayat Vote) ঘোষণার পর থেকেই রাজ্যজুড়ে হিংসার বাতাবরণ

    মনোনয়ন পর্ব শুরু হতেই রাজ্য জুড়ে চলছে শাসক দলের লাগামছাড়া সন্ত্রাস, এমনটাই অভিযোগ বিরোধীদের। রোজই হচ্ছে বোমা উদ্ধার, সামনে আসছে মৃত্যুর খবরও। সোমবারই পুরুলিয়ার মানবাজারে উদ্ধার হয়েছে বিজেপি কর্মীর নিথর দেহ। অধীরের দাবি, রাজ্যের বেশিরভাগ জেলাতেই বিরোধী দলের কর্মীরা নিত্যদিন আক্রান্ত হচ্ছেন। এই পরিস্থিতিতে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন সম্ভব নয় বলেও জানিয়েছেন অধীর। ভোটের দিন শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আদৌ সম্ভব কি না প্রশ্ন তুলে প্রধান বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানমের ডিভিশন বেঞ্চে দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন কংগ্রেস দলনেতা। দ্রুত শুনানির আবেদন জানিয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার এই মামলার শুনানি হতে পারে।

    দফা বাড়ানো নিয়ে নওশাদের মামলা খারিজ হাইকোর্টে

    ভোটের (Panchayat Vote) দফা বাড়ানোর নিয়ে নওশাদ সিদ্দিকির আর্জি খারিজ করে দিল প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। প্রধান বিচারপতির প্রশ্ন, কেন দফা প্রয়োজন? প্রসঙ্গত, নওশাদ সিদ্দিকির আবেদন ছিল নির্বাচনের দফা বাড়ানো হোক। আইএসএফ বিধায়কের যুক্তি ছিল, যে বাহিনী আসছে তাতে এক দফায় ভোট করানো সম্ভব নয়। কারণ এতে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হবেনা। এক দফায় ভোট নিয়ে কমিশনের বিজ্ঞপ্তি বাতিল করা করার আবেদন জানিয়েছিলেন ভাঙড়ের বিধায়ক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Vote: শারীরিক প্রতিবন্ধীদের পোলিং অফিসার করা যাবে না, নির্দেশ হাইকোর্টের

    Panchayat Vote: শারীরিক প্রতিবন্ধীদের পোলিং অফিসার করা যাবে না, নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত ভোটের (Panchayat Vote) বাকি মাত্র আর পাঁচদিন। ভোট ঘিরে একাধিক মামলা গড়িয়েছে হাইকোর্টে। এমনই একটি অভিযোগ জমা পড়ে কোর্টে যে  শারীরিকভাবে অক্ষম হলেও ভোট গ্রহণের দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে। রাজ্যের সরকারি শিক্ষকদের একাংশ এনিয়ে হাইকোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। সোমবার কলকাতা হাইকোর্ট সাফ নির্দেশ দিল, যাঁরা বিশেষভাবে সক্ষম, তাঁদের কোনওভাবেই ভোটের পোলিং অফিসার হিসাবে ব্যবহার করতে পারবে না রাজ্য নির্বাচন কমিশন। প্রসঙ্গত, এ ব্যাপারে আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করে জনস্বার্থ মামলা করেছিল রাজ্যের শিক্ষানুরাগী যৌথ মঞ্চ। সোমবার মামলার শুনানি ছিল প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে। প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম এদিন  কমিশনকে স্পষ্ট নির্দেশ দিয়ে বলেন, ‘‘এই ভোটের কাজে প্রতিবন্ধীদের পোলিং অফিসার হিসাবে নিয়োগ করা উচিত নয় কমিশনের।’’

    ভোট কর্মীর অভাব

    পঞ্চায়েত ভোট (Panchayat Vote) ঘোষণার পর থেকেই রাজ্যজুড়ে সন্ত্রাসের বাতাবরণ তৈরি করেছে শাসক দল, এমনই অভিযোগ বিরোধীদের। একাধিক বিষয়ে মামলা জমা পড়েছে আদালতে। এর মধ্যে ভোটের দফা বৃদ্ধির আবেদন করেছে বিরোধীরা। মঙ্গলবার সেই মামলার শুনানি রয়েছে। ভোট যদি একদফায় হয় তবে তা সুষ্ঠভাবে সম্পন্ন করতে শুক্রবারের মধ্যেই বুথে বুথে পোলিং অফিসার পাঠাতে হবে কমিশনকে। কমিশনের অন্দরের খবর, পঞ্চায়েত নির্বাচনের কাজে সরকারি কর্মীর নাকি পর্যাপ্তভাবে মিলছে না। তাই, নির্বাচনের কাজে শারীরিক প্রতিবন্ধী সরকারি শিক্ষকদেরও পোলিং অফিসার করার কথা চিন্তা করে কমিশন। কিন্তু হাইকোর্টের নির্দেশে তা আর সম্ভব হলনা।

    ৮০ শতাংশ শারীরিকভাবে প্রতিবন্ধীদেরও ভোট কর্মী করেছিল কমিশন

    ভোট কর্মী হিসেবে ডাক পাওয়া সরকারি শিক্ষকদের একাংশের অভিযোগ, পোলিং অফিসার করতে চেয়ে এর আগেও লোকসভা, বিধানসভা এবং পঞ্চায়েত ভোটে এই ভাবেই চিঠি পাঠানো হয়েছিল প্রতিবন্ধী সরকারি শিক্ষকদের। এ বারও সেই একইকাজ করা হয়েছে। তাঁদের আরও অভিযোগ, ৬০, ৭০ এমনকি ৮০ শতাংশ শারীরিক প্রতিবন্ধী শিক্ষকদের পঞ্চায়েত ভোটে পোলিং অফিসার করার জন্য চিঠি পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এর বিরুদ্ধে প্রথমে তাঁরা স্থানীয় জেলা প্রশাসনের কাছে দ্বারস্থ হন। কিন্তু এখানে সমস্যার সমাধানের ব্যাপারে আশাবাদী ছিলেন না তাঁরা। কারণ, এর আগে পঞ্চায়েত ভোটে শারীরিক প্রতিবন্ধকতার কথা জানানো সত্ত্বেও পোলিং অফিসারের কর্তব্য থেকে অব্যাহতি পাননি সরকারি শিক্ষকেরা। সোমবার অবশ্য আদালত সেই সমস্যার সমাধান করেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘‘আরে ও নন্দলাল…’’! সবজির অগ্নিমূল্য নিয়ে মমতাকে কটাক্ষ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘‘আরে ও নন্দলাল…’’! সবজির অগ্নিমূল্য নিয়ে মমতাকে কটাক্ষ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সবজির বাজারে রীতিমতো আগুন। এনিয়ে স্যোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে নানা রকমের মিম। কোথাও কোথাও লঙ্কা মিলছে ৪০০ টাকা কেজিতে। বাকি ৩০-৪০ টাকায় যে সবজি পাওয়া যেত তা সবই ১০০ ছাড়িয়েছে। সবজির এই মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে এবার মুখ্যমন্ত্রীকে তীব্র আক্রমণ শানালেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।

    কী বললেন বিরোধী দলনেতা?

    এদিন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) নিজের ট্যুইটারে লেখেন, ‘‘আরে ও নন্দলাল, গরীব মানুষের পাতে কি জুটবে শুধু নুনের সাথে মোদিজির দেওয়া বিনা পয়সার চাল?” প্রসঙ্গত দিন কয়েক আগেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কটাক্ষ করে বলেছিলেন, ‘‘আরে ও নন্দলাল ১২০০টাকার গ্যাসে ফুটবে বিনা পয়সার চাল!’’ এদিন তারই প্রত্যুত্তর দিলেন শুভেন্দু। নন্দীগ্রামের বিধায়ক আরও বলেন, “আগুনে বাজার! এক মাস পূর্বের বাজার দরের সঙ্গে বর্তমান বাজার দরের তফাৎ করলে বোঝা যাবে যে হাটবাজারে আগুন লেগেছে। চড়া দামের ছ্যাঁকায় বাঙালি নাজেহাল। অনাজের দাম নিম্নবিত্ত, মধ্যবিত্ত এমনকি উচ্চ মধ্যবিত্ত পরিবারের ও নাগালের বাইরে। এমনকি এ কথা বললে মোটেও বাড়াবাড়ি হবে না যে সব্জির দাম এই মুহূর্তে সর্বকালের রেকর্ড ভেঙ্গে দিয়েছে।”

    শুভেন্দুর আরও অভিযোগ, “জুন মাসের গোড়ায় যেখানে বেশিরভাগ সব্জির দাম চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ টাকার মধ্যে ছিল তা আজ অবিশ্বাস্য ভাবে বেড়ে গেছে। টমেটোর প্রতি কেজির দাম ছিল ৩০ – ৩৫ টাকার মধ্যে। আদার প্রতি কেজির দাম ছিল ২৫০ টাকার আশেপাশে। বেগুনের দাম ছিল প্রতি কেজি ৪০-৫০ টাকা। পটলের কেজি প্রতি দাম ছিল ২৫-৩০ টাকা। উচ্ছের দাম ছিল ৫০ টাকার আশেপাশে। পেঁপের দাম ছিল ২৫ টাকা কেজি। কাঁচা লঙ্কার দাম ছিল ৬০-৭০ টাকা কেজি। পালং শাকের এক আঁটির দাম ছিল ১০ টাকা মত।”

    প্রশাসনকে নিশানা বিরোধী দলনেতার

    প্রশাসনকে নিশানা করে তিনি আরও বলেন, “রুই-কাতলা (কাটা) মাছের প্রতি কেজিতে দাম পড়ছিল ২০০ টাকা থেকে ৩০০ টাকার মধ্যে। মুরগি মাংসের দাম প্রতি কেজিতে ১৮০-২০০ টাকার মধ্যে ওঠানামা করছিল। প্রশাসনের তরফে যথাযথ ব্যবস্থা না নেওয়ার ফলেই আজ আনাজের দাম মাত্রা ছড়িয়ে গিয়েছে। আনাজের দাম নিয়ন্ত্রণ করার জন্য মুখ্যমন্ত্রী অনেক ঢাক ঢোল পিটিয়ে “টাস্ক ফোর্স” গঠন করেছিলেন, যার উদ্দেশ্য ছিল হঠাৎ করে বাজার হাটে শাক-সব্জির দাম বেড়ে গেলে তা নিয়ন্ত্রণ করা। কিন্তু আদতে এর প্রতিফলন কখনোই দেখা যায় না।” 

     

    আরও পড়ুুন: কে পুলিশ, কে রাজীব, আর কে তৃণমূল? চেনা মুশকিল! বিস্ফোরক শুভেন্দু

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election 2023: বাহিনীর ভবিষ্যৎ কী? কমিশনের সঙ্গে বৈঠকে মুখ্যসচিব, ডিজি

    Panchayat Election 2023: বাহিনীর ভবিষ্যৎ কী? কমিশনের সঙ্গে বৈঠকে মুখ্যসচিব, ডিজি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচনের (Panchayat Election 2023) আগে আর মাত্র ৬ দিন রয়েছে। এখনও কেন্দ্রীয় বাহিনীকে কীভাবে কাজে লাগানো হবে, তা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাতে পারেনি রাজ্য নির্বাচন কমিশন। সেই কারণে রবিবার ফের বৈঠকে বসল কমিশন। রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহা ছাড়াও বৈঠকে ছিলেন রাজ্যের মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী, রাজ্য পুলিশের ডিজি এবং এডিজি। কেন্দ্রীয় বাহিনী ও রাজ্য পুলিশকে কীভাবে ব্যবহার করা হবে, তা নিয়েই আলোচনা হয় ওই বৈঠকে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর ঘাটতির বিষয়টি নিয়েও আলোচনা হয় এদিনের বৈঠকে। ভিন রাজ্য থেকে পুলিশ আনা হবে কিনা, তা নিয়েও হয় আলোচনা।

    রাজ্য পুলিশেই আস্থা!

    রাজ্য পুলিশ দিয়েই প্রথমে ভোট (Panchayat Election 2023) করাতে চেয়েছিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। পরে কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবিতে আদালতের দ্বারস্থ হন বিরোধীরা। আদালতের চাপে প্রথমে ২২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী চায় কমিশন। হাইকোর্টের গুঁতো খেয়ে ফের চায় ৮০০ কোম্পানি বাহিনী। যদিও প্রথম দফায় ২২ কোম্পানি ও দ্বিতীয় দফায় ৩১৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠায় নির্বাচন কমিশন। শনিবার ভোট। তার আগে বাকি ৪৮৫ কোম্পানি বাহিনী নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, কেন্দ্রকে বকেয়া বাহিনী চেয়ে বারবার চিঠি দিয়েও উত্তর মেলেনি। তাই বিকল্প হিসেবে পুলিশ ব্যবহার নিয়ে রাজ্যের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছে কমিশন।

    কেন্দ্রীয় বাহিনী কম

    রাজ্যে বুথ (Panchayat Election 2023) রয়েছে ৬১ হাজার ৬৩৬টি। এজন্য প্রয়োজন প্রায় ১ লক্ষ ৩০ হাজার নিরাপত্তা রক্ষী। এখনও পর্যন্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী এসেছে ৩৭ হাজার। অর্থাৎ প্রতি বুথে একজন করেও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা যাবে না। ভোটের জন্য আরও প্রায় ১ লক্ষ নিরাপত্তাকর্মী প্রয়োজন। রাজ্যের কাছে ওই সংখ্যক বাহিনী নেই। এদিনের বৈঠকে কোথায়, কত পুলিশ ব্যবহার করা হবে, তা নিয়েও আলোচনা হয়। কেন্দ্রীয় বাহিনীর ঘাটতি মেটাতে ঝাড়খণ্ড ও বিহার থেকে পুলিশ নিয়ে আসার পরিকল্পনাও করেছে রাজ্য। এ ব্যাপারে নাকি পদক্ষেপও শুরু করে দিয়েছে নবান্ন।

    আরও পড়ুুন: কে পুলিশ, কে রাজীব, আর কে তৃণমূল? চেনা মুশকিল! বিস্ফোরক শুভেন্দু

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Nuclear Plant: কাজ বাকি, পিছিয়ে গেল গুজরাটের পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের চতুর্থ ইউনিটের উদ্বোধন  

    Nuclear Plant: কাজ বাকি, পিছিয়ে গেল গুজরাটের পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের চতুর্থ ইউনিটের উদ্বোধন  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চালু হওয়ার কথা ছিল চলতি বছরই। তবে বেশ কিছু কাজ বাকি থাকায় বছরখানেক পিছিয়ে গেল নিউক্লিয়ার পাওয়ার কর্প অফ ইন্ডিয়া লিমিটেডের কাকড়াপাড়া প্ল্যান্টের (Nuclear Plant) চতুর্থ ইউনিটের উদ্বোধন। গুজরাটের কাকড়াপাড়ার এই প্ল্যান্টটি চলতি বছরই চালু হওয়ার কথা ছিল। কাজ শেষ না হওয়ায় আপাতত চালু হচ্ছে না। নিউক্লিয়ার পাওয়ার কর্প অফ ইন্ডিয়া লিমিটেডের তরফে ভুবন চন্দ্র পাঠক বলেন, চতুর্থ ইউনিটটির নির্মাণ কাজ চলছে।

    ৭০০ মেগাওয়াটের ইউনিট

    আগামী বছরের মার্চের মধ্যেই সম্পূর্ণ হয়ে যাবে কাজ। অথচ চলতি বছর মার্চ মাসেই ৭০০ মেগাওয়াটের গুজরাটের এই ইউনিটটি (Nuclear Plant) বাণিজ্যিকভাবে চালু হওয়ার কথা ছিল। ২০২২ সালে শক্তিমন্ত্রী অন্তত তাই জানিয়েছিলেন। তবে কাজ শেষ না হওয়ায় ইউনিটটি চালু হওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হবে আগামী মার্চ পর্যন্ত। বিশ্বের পারমাণবিক শক্তিধর দেশগুলির তালিকায় রয়েছে ভারত। ভারতের চেয়ে ঢের পিছিয়ে বিশ্বের বহু দেশ। চলতি বছর ফেব্রুয়ারিতে হরিয়ানায় পারমানবিক বিদ্যুৎ (Nuclear Plant) কেন্দ্র স্থাপনের কথা জানান কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এবং আর্থ সায়েন্সের প্রতিমন্ত্রী জিতেন্দ্র সিংহ।

    পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র

    হরিয়ানার এই পরমাণু কেন্দ্রটি চালু হলে তা হবে উত্তর পূর্ব ভারতের প্রথম রাজ্য যেখানে স্থাপিত হতে চলেছে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, এটি ভারতের পারমাণবিক ক্ষমতা বাড়ানোর অগ্রাধিকারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে গত আট বছরে বেশ কয়েকটি বড় সিদ্ধান্তের মধ্যে একটা। তিনি জানান, ১০টি পারমাণবিক চুল্লি স্থাপনের একটি বড় প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে মোদির সরকার।

    আরও পড়ুুন: কে পুলিশ, কে রাজীব, আর কে তৃণমূল? চেনা মুশকিল! বিস্ফোরক শুভেন্দু

    চলতি বছর দেশে সব চেয়ে বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়েছে কয়লার (Nuclear Plant) পাওয়ার প্ল্যান্টগুলি থেকে। তার জেরে কার্বন ডাই অক্সাইড নির্গমণও বেশি হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই হয়েছে পরিবেশ দূষণও। এই দূষণ রোধে প্রয়োজন পারমাণবিক বিদ্যুতের। এদেশে যা বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়, তার মাত্র ৩ শতাংশ আসে পারমাণবিক বিদ্যুৎ থেকে। বিদেশি বিনিয়োগের অভাবেই পিছিয়ে রয়েছে এই শিল্প। প্রসঙ্গত, চলতি বছরের জানুয়ারিতেই কাকড়াপাড়ার তৃতীয় ইউনিটটিকে যুক্ত করা হয়েছে গ্রিডের সঙ্গে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share