Tag: Bengali news

Bengali news

  • Job: মাধ্যমিক পাশ যোগ্যতায় ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোতে চাকরির সুযোগ, জানুন বিস্তারিত

    Job: মাধ্যমিক পাশ যোগ্যতায় ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোতে চাকরির সুযোগ, জানুন বিস্তারিত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাঙালির কৈশোর জীবন অপূর্ণ থেকে যায়, ছুটির দুপুরে ভাতঘুমের আগে ব্যোমকেশ বা ফেলুদা না পড়লে। শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়ের সৃষ্ট গোয়েন্দা চরিত্র ব্যোমকেশ এবং সত্যজিৎ রায়ের সৃষ্ট ফেলুদাকে নিয়ে অজস্র বাংলা সিনেমা তৈরি হয়েছে। উত্তমকুমার থেকে সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় প্রত্যেকেই নিজেদের দক্ষতায় প্রাণবন্ত করে তুলেছেন এই চরিত্রগুলি। কিশোর মন, ভবিষ্যতে ব্যোমকেশ বা ফেলুদা হওয়ার কথা ভাবে। গোয়েন্দাগিরির পেশা বলে কথা! এমন গোয়েন্দা হওয়ার কথা যাঁরা ভাবেন, তাঁদের জন্য রয়েছে বেশ কিছু সরকারি চাকরির (Job) পরীক্ষা। যার মধ্যে অন্যতম হল কেন্দ্রীয় সরকারের ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো। এটি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের অধীন। ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোতে (IB) ১৬৭১ জনের নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি ইতিমধ্যেই জারি করা হয়েছে। অনলাইন আবেদন চলবে ২৫ শে নভেম্বর পর্যন্ত কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের  https://www.mha.gov.in/ এই ওয়েবসাইটে। এবার আমরা জেনে নেব এই নিয়োগের খুঁটিনাটি তথ্য।

    কারা বসতে পারবে এই পরীক্ষায়?

    এই পরীক্ষায় বসার জন্য শুধুমাত্র মাধ্যমিক পাশ করলেই হবে।

    কোন কোন পদে চাকরি হবে? সিকিউরিটি অ্যাসিস্ট্যান্ট বা এক্সিকিউটিভ ও মাল্টি টাস্কিং স্টাফ। এই পদগুলিতে নিয়োগ হবে।

    বয়সের ঊর্ধ্বসীমা কি আছে?

    সিকিউরিটি অ্যাসিস্ট্যান্ট বা এক্সিকিউটিভ পদের বেলায় ২৫-১১-২০২২ এর মধ্যে বয়স হতে হবে ১৮ থেকে ২৭ বছরের মধ্যে এবং মাল্টি টাস্কিং স্টাফ পদের বেলায় ২৫-১১-২০২২ এর মধ্যে বয়স হতে হবে ১৮ থেকে ২৫ বছরের মধ্যে। তপশিলিরা ৫ বছর এবং ওবিসিরা বয়সে ৩ বছর ছাড় পাবেন।

    বেতন কত?

    সিকিউরিটি অ্যাসিস্ট্যান্ট বা এক্সিকিউটিভ পদে বেতন – ২১,৭০০ টাকা থেকে ৬৯,১০০টাকা। অন্যদিকে মাল্টি টাস্কিং স্টাফের ক্ষেত্রে বেতন ১৮,০০০ টাকা থেকে ৫৬,৯০০ টাকা।

    পরীক্ষার ফি কত?

    জেনারেল, ওবিসিদের ৫০০টাকা এবং বাকিদের ক্ষেত্রে ৪৫০টাকা।

    আবেদন করার সময় নথি কী কী লাগবে?

    একটি বৈধ ই-মেইল আইডি থাকতে হবে। এছাড়া পাসপোর্ট মাপের ফটো ও নিজের সিগনেচার স্ক্যান করে নিতে হবে।

    পরীক্ষার ধরন কেমন?

    প্রার্থী বাছাই হবে লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমে। মোট তিনটি ধাপে পরীক্ষা হবে।

    টায়ার-১, এই ধাপে ১০০ নম্বরের পরীক্ষা হবে। প্রশ্ন হবে mcq টাইপের। নিম্নলিখিত বিষয়গুলি থেকে প্রশ্ন আসবে।

    ১) জেনারেল অ্যাওয়ারনেস। এখান থেকে ২০টি প্রশ্ন আসবে।

    ২) কোয়ান্টিটেটিভ অ্যাপটিটিউট। এখান থেকে ২০টি প্রশ্ন আসবে।

    ৩) নিউমেরিক্যাল/ অ্যানালিটিকাল/ লজিক্যাল এবিলিটি অ্যান্ড রিজনিং। এখান থেকে ২০টি প্রশ্ন আসবে।

    ৪) ইংলিশ ল্যাঙ্গুয়েজ। এখান থেকে ২০টি প্রশ্ন আসবে।

    ৫) জেনারেল স্টাডিজ। এখান থেকে ২০টি প্রশ্ন আসবে।

    টায়ার-১ এর ক্ষেত্রে প্রতিটি প্রশ্নের মান ১। নেগেটিভ মার্কিং আছে। ৪টি ভুলের জন্য ১ নম্বর কাটা যাবে।

    টায়ার-২, নিয়োগের এই ধাপের পরীক্ষা ডেসক্রিপ্টিভ টাইপের হবে। প্রথম ধাপ উত্তীর্ণ হলেই এই ধাপ বিবেচ্য হবে। ৪০ নম্বরের এক ঘণ্টার পরীক্ষায় ৫০০ শব্দের মধ্যে স্থানীয় ভাষা থেকে ইংরেজিতে অনুবাদ করতে হবে। সিকিউরিটি অ্যাসিস্ট্যান্ট/ এক্সিকিউটিভ পদের বেলায় ১০ নম্বরের স্পোকেন এবিলিটি টেস্ট থাকবে। সিকিউরিটি অ্যাসিস্ট্যান্ট পদের ক্ষেত্রে ৫০ নম্বরের মধ্যে ২০ পেতে হবে এবং মাল্টি টাস্কিং স্টাফ পদের মধ্যে ৪০ নম্বরের মধ্যে ১৬ পেতে হবে।

    টায়ার-৩, পরীক্ষার এই ধাপে ৫০ নম্বরের ইন্টারভিউ বা পার্সোনালিটি টেস্ট নেওয়া হবে। এরপর চূড়ান্ত মেধাতালিকার ভিত্তিতে নিয়োগ হবে।

    দেশের কোন কোন জোনে নিয়োগ হবে?

    কলকাতা, শিলিগুড়ি, পাটনা, রাঁচি, গুয়াহাটি, ভুবনেশ্বর, শিলং ইত্যাদি জোনে এই নিয়োগ হবে। যে জোন থেকে আবেদন করা হবে সেই জোনের স্থানীয় ভাষা অবশ্যই প্রার্থীকে জানতে হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

     

  • Abhijit Vinayak Banerjee: প্রাক-নির্বাচনী খয়রাতি গরিব মানুষকে সাহায্য করার সেরা পন্থা নয়, জানালেন অভিজিৎ

    Abhijit Vinayak Banerjee: প্রাক-নির্বাচনী খয়রাতি গরিব মানুষকে সাহায্য করার সেরা পন্থা নয়, জানালেন অভিজিৎ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের আগে খয়রাতি (Pre-poll Give Away) করে জনগণের সমর্থন আদায়ের মরিয়া চেষ্টা করে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) একে ‘রেউড়ি সংস্কৃতি’ তকমা দিয়েছেন। মামলা চলছে সুপ্রিম কোর্টেও (Supreme Court)। এহেন আবহে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhijit Vinayak Banerjee) সাফ কথা, প্রাক নির্বাচনী খয়রাতি গরিব মানুষকে সাহায্য করার সেরা পন্থা নয়। বরং তাঁদের শৃঙ্খলাবদ্ধভাবে সাহায্য করতে হবে।

    শনিবার দিল্লিতে ভাল অর্থনীতি, খারাপ অর্থনীতি শীর্ষক এক আলোচনাসভায় যোগ দেন অভিজিৎ (Abhijit Vinayak Banerjee)। সভার উদ্যোক্তা ছিলেন অর্থনীতিবিদ শ্রায়ানা ভট্টাচার্য। এই সভায় যোগ দিয়ে অর্থনীতির নানা দিক নিয়ে আলোচনা করেন অভিজিৎ। অর্থনীতি কীভাবে মানুষের জীবন ও দেশের সামগ্রিক উন্নয়নকে প্রভাবিত করছে, তারও ব্যাখ্যা দেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ। উন্নয়নমূলক অর্থনীতি, অর্থনীতির ব্যবহারিক মডেল, জীবনযাত্রার সংকট, সামাজিক সুরক্ষা, মূল্যের বণ্টনমূলক প্রভাব ইত্যাদি নানা বিষয়ও উঠে আসে তাঁর আলোচনায়।

    অভিজিতের (Abhijit Vinayak Banerjee) বক্তৃতায় উঠে আসে মুদ্রাস্ফীতি, বেকারত্ব সহ নানা সমস্যার কথা, যেগুলি এই মুহূর্তে ভারতেরও সমস্যা। সেই প্রসঙ্গ টেনেই নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ বলেন, ভারতে একটি প্রচলিত রেওয়াজ আছে। যে কোনও নির্বাচনের আগে গরিবদের সামান্য কিছু উপহার দিয়ে ভোট কেনার চেষ্টা হয়। এই প্রবণতা অত্যন্ত খারাপ। তাঁর মতে, এই সামান্য উপহারে গরিবের কোনও উপকার হয় না। পরন্তু, স্তব্ধ হয়ে যায় দেশের উন্নয়ন। তিনি বলেন, বিষয়টিতে একটি শৃঙ্খলা থাকা দরকার। কারণ এই মুহূর্তে এই রেওয়াজ থেকে বেরিয়ে আসাও কঠিন। প্রসঙ্গত, অভিজিতের ঢের আগেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিই জানিয়েছিলেন, খয়রাতি সংস্কৃতি দেশের অর্থনীতির ওপর চাপ সৃষ্টি করছে।

    আরও পড়ুন: খয়রাতি নয়, মর্যাদার সঙ্গে রোজগার করাই বেশি পছন্দ ভোটারদের, মত সুপ্রিম কোর্টের

    দেশের অর্থ-সংকট কাটানোর দাওয়াইও বাতলেছেন অভিজিৎ (Abhijit Vinayak Banerjee)। বলেন, আমাদের সমাজে যে অসাম্য রয়েছে, তা বেলুনের মতোই ফুলে চলেছে। এই অসাম্য দূর করতে ধনীদের কাছে থেকে ভাল মতো কর নেওয়া যেতে পারে। সেই করের টাকা কেন্দ্রীয় সরকারের তহবিলে জমা হবে। পরে সেই টাকা শৃঙ্খলাবদ্ধভাবে ভাগ করে দেওয়া যেতে পারে গরিবদের মধ্যে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • JP Nadda: অভিন্ন দেওয়ানি বিধি, সরকারি চাকরিতে মহিলাদের জন্য সংরক্ষণ, হিমাচলে গুচ্ছ প্রতিশ্রুতি নাড্ডার

    JP Nadda: অভিন্ন দেওয়ানি বিধি, সরকারি চাকরিতে মহিলাদের জন্য সংরক্ষণ, হিমাচলে গুচ্ছ প্রতিশ্রুতি নাড্ডার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের কুর্সিতে ফের বিজেপি (BJP) এলে চালু হবে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (UCC)। সরকারি চাকরিতে মহিলাদের জন্য থাকবে ৩৩ শতাংশ সংরক্ষণও। হিমাচল প্রদেশ (Himachal Pradesh) বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে শনিবার দলের ইস্তেহার প্রকাশ অনুষ্ঠানে এই প্রতিশ্রুতিই দিলেন বিজেপির সভাপতি জেপি নাড্ডা (JP Nadda)।

    হিমাচল প্রদেশ বিধানসভার আসন সংখ্যা ৬৮। সতেরোর বিধানসভা নির্বাচনে ৪৪টি আসন পেয়েছিল বিজেপি (BJP)। কংগ্রেস (Congress) পেয়েছিল ২১টি আসন। একটি আসন পেয়েছিল সিপিএম (CPM)। অন্যরা পেয়েছিল ২টি আসন। এবার ভোট হবে ১২ নভেম্বর। বিজেপির প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী কংগ্রেস। নিজের রাজ্য হিমাচল প্রদেশের এদিনের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে গুচ্ছ প্রতিশ্রুতি দেন নাড্ডা (JP Nadda)। এর মধ্যে ছিল ৮ লক্ষ চাকরি, উচ্চ শিক্ষার পাঠ নিতে যাওয়া মেয়েদের স্কুটার দেওয়া এবং রাজ্যে পাঁচটি নয়া মেডিক্যাল কলেজ স্থাপনও।

    এদিন বিজেপির ইস্তেহার প্রকাশ করেন নাড্ডা (JP Nadda)। এই ইস্তেহারের পোশাকি নাম ‘সঙ্কল্প পত্র’। এই ‘সঙ্কল্প পত্র’ প্রকাশ অনুষ্ঠানে নাড্ডা বলেন, রাজ্যের ক্ষমতায় ফের বিজেপি এলে চালু হবে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি। এজন্য গড়া হবে কমিটিও। রাজ্যে ওয়াকফ সম্পত্তির কত পরিমাণ অংশ অবৈধ কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে, তা জানতে বিজেপি সরকার সমীক্ষা করবে বলেও আশ্বাস দেন নাড্ডা।

    আরও পড়ুন: ‘পদ্ম চিহ্নে ছাপ দেওয়া মানেই মোদিকে ভোট দেওয়া’, হিমাচল প্রদেশের জনসভায় বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মহিলা ভোটারদের কথা মাথায় রেখে নাড্ডা (JP Nadda) এদিন আলাদা একটি ইস্তেহার প্রকাশ করেন। তাতেই ঘোষণা করা হয়েছে সরকারি চাকরিতে ৩৩ শতাংশ আসন সংরক্ষণের কথা। বিজেপি ফের ক্ষমতায় এলে ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত পাঠরত মেয়েদের সাইকেল দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দেন নাড্ডা। এদিনই প্রকাশিত হয়েছে রাজ্যে বিজেপির প্রধান প্রতিপক্ষ কংগ্রেসের (Congress) নির্বাচনী ইস্তেহারও। তাকে কটাক্ষ করে নাড্ডার (JP Nadda) সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়া, ওই ইস্তেহারের না আছে কোনও দিশা, না আছে ভার। জানা গিয়েছে, এই ইস্তেহারের খসড়া তৈরির আগে একটি কমিটি গড়েছিল বিজেপি। ওই কমিটির সদস্যরা কথা বলেন সাধারণ মানুষের সঙ্গে। তার পরেই তৈরি হয় খসড়া।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Mukhtar Ansari: আর্থিক তছরুপ মামলায় উত্তর প্রদেশে ইডির হাতে গ্রেফতার মুখতার আনসারির ছেলে   

    Mukhtar Ansari: আর্থিক তছরুপ মামলায় উত্তর প্রদেশে ইডির হাতে গ্রেফতার মুখতার আনসারির ছেলে   

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার ইডির (ED) হাতে গ্রেফতার উত্তর প্রদেশের আব্বাস আনসারি (Abbas Ansari)। তিনি সুহেলদেব ভারতীয় সমাজবাদী পার্টির বিধায়ক। মউ কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়েছিলেন তিনি। তাঁর আরও একটি পরিচয় রয়েছে। সেটি হল, তিনি গ্যাংস্টার থেকে রাজনীতিক বনে যাওয়া মুখতার আনসারির (Mukhtar Ansari) ছেলে। শনিবার আব্বাসকে গ্রেফতারির খবর জানিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এই সংস্থার আধিকারিকরা জানান, আর্থিক তছরুপের মামলায় (Money Laundering Case) গ্রেফতার করা হয়েছে মুখতারের ছেলেকে।

    ইডির আধিকারিকরা জানান, বছর তিরিশের আব্বাসকে গ্রেফতার করার আগে দীর্ঘক্ষণ ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। উত্তর প্রদেশের প্রয়াগরাজের ফেডারেল এজেন্সির অফিসে জেরা করা হয় তাঁকে। পরে গ্রেফতার করা হয় মউয়ের বিধায়ককে। তাঁরা জানান, আর্থিক তছরুপের মামলায় তাঁর বাবা (Mukhtar Ansari) এবং পরিবারের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছিল। সেই সূত্রেই গ্রেফতার করা হয়েছে আব্বাসকে। জানা গিয়েছে, মুখতার আনসারির সাতটি স্থাবর সম্পত্তি অ্যাটাচ করেছে ইডি। যার মূল্য ১.৪৮ কোটি টাকা।

    মুখতার আনসারি (Mukhtar Ansari) বর্তমানে উত্তর প্রদেশেরই বান্দা জেলে বন্দি। তিনি পাঁচ বারের বিধায়ক ছিলেন। গতবছর এই মামলায় তাঁকেও জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল ইডি। কেবল তাঁকেই জেরা নয়, চলতি বছরের অগাস্ট মাসে ইডির তদন্তকারী আধিকারিকরা তাঁর দাদা এবং বহুজন সমাজবাদী পার্টির সাংসদ আফজল আনসারির দিল্লির বাড়িতে হানা দিয়েছিলেন। গাজিপুর, মোহম্মদাবাদ, মউ এবং লখনউতেও হানা দিয়েছিল ইডির তদন্তকারী দল। মুখতারের (Mukhtar Ansari) বিরুদ্ধে আর্থিক তছরুপের একাধিক অভিযোগ দায়ের হয় উত্তর প্রদেশ পুলিশের কাছে। এছাড়াও দুটি অভিযোগ দায়ের হয় বিকাশ কনসট্রাকশান নামে একটি কোম্পানির বিরুদ্ধে। এই কোম্পানিটি চালান মুখতারের স্ত্রী, দুই শ্যালক এবং অন্যরা।

    আরও পড়ুন: ‘‘সব বলে এসেছি…’’, ইডি-র সামনে কোন কোন সত্যের খোলসা করলেন কেষ্ট-কন্যা?

    মুখতার আনসারির (Mukhtar Ansari) বিচার চলছে সাতটি মামলায়। এর মধ্যে রয়েছে উত্তর প্রদেশে খুন এবং খুনের চেষ্টার অভিযোগও। অগাস্ট মাসেই গাজিপুর জেলা প্রশাসন তাঁর দুটি জমি বাজেয়াপ্ত করেছে। এর আনুমানিক মূল্য ৬ কোটি টাকারও বেশি। পুলিশের দাবি, অবৈধভাবে রোজগারের টাকায় কেনা হয়েছিল ওই দুটি জমি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।   

  • 100 Days Work: বন্ধ ১০০ দিনের প্রকল্পের টাকা, নেই বিকল্প কাজ, পঞ্চায়েত ভোটের মুখে বিপাকে রাজ্য সরকার

    100 Days Work: বন্ধ ১০০ দিনের প্রকল্পের টাকা, নেই বিকল্প কাজ, পঞ্চায়েত ভোটের মুখে বিপাকে রাজ্য সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রের দেওয়া টাকায় হয়েছে খয়রাতি। টাকার অভাবে বন্ধ হয়ে গিয়েছে একশো দিনের কাজ (100 Days Work) প্রকল্প। স্বাভাবিকভাবেই বাড়ছে চাপ। বিভিন্ন সময় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) দাবি করছেন, বিকল্প কাজ দেওয়া হচ্ছে। তবে তা যে নিছকই ফাঁকা আওয়াজ মাত্র, সরকারি নির্দেশেই তা স্পষ্ট।

    সম্প্রতি একটি সার্কুলার জারি করেছেন রাজ্যের মুখ্যসচিব। ওই সার্কুলারে বলা হয়েছে, বিভিন্ন দফতরের তরফে জবকার্ড (Job Card) হোল্ডারদের যে কাজ দেওয়া হচ্ছে, তা সন্তোষজনক নয়। তাই দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে। এই সার্কুলারের নীচেই কী কী করতে হবে, তা বলে দেওয়া হয়েছে।

    প্রথম করণীয় কর্তব্য হিসেবে বলা হয়েছে, যে সব অদক্ষ শ্রমিকের জবকার্ড রয়েছে, একশো দিনের কাজ প্রকল্পে কেবল তাঁদেরই নিযুক্ত করতে হবে। দ্বিতীয় কর্তব্য হল, যাঁরা কোনওভাবে কাজে নিযুক্ত হয়েছেন, অথচ জবকার্ড নেই, জেলা প্রশাসনের উচিত তাঁদের তা অবিলম্বে দিয়ে দেওয়া। মুখ্য সচিবের জারি করা ওই নির্দেশিকায় হইচই রাজ্যজুড়ে। 

    একশো দিনের কাজ প্রকল্পে জবকার্ড হোল্ডাররা যাতে কাজ পান, তার ব্যবস্থা করেছে কেন্দ্র। গরিব মানুষ যাতে উপকৃত হন, সেজন্য একাধিক প্রকল্পও চালু করেছে মোদি সরকার। অভিযোগ, সেই সব কেন্দ্রীয় প্রকল্পকে রাজ্যের প্রকল্প বলে চালানো হচ্ছিল। একশো দিনের কাজেও বিস্তর দুর্নীতি হয়েছে বলে অভিযোগ। কেন্দ্রের দেওয়া টাকায় হয়েছে খয়রাতি। শেয়ালকে কুমির ছানা দেখানোর মতো একই কাজকে বিভিন্নভাবে দেখানো হয়েছে। সেই ‘চুরি’র পর্দা ফাঁস হয়ে যেতেই টাকা দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছে কেন্দ্র। 

    পঞ্চায়েতে কেন্দ্রীয় প্রকল্প খরচে অনিয়মের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বকেয়া টাকা দিতে দিল্লি যে নারাজ, তাও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবারই কেন্দ্রীয় গ্রামান্নোয়ন মন্ত্রকের মহাত্মা গান্ধী গ্রামীণ কর্মসংস্থান প্রকল্পের অধিকর্তা ধরমবীর ঝা রাজ্যের পঞ্চয়েত সচিব পি উল্গানাথনকে চিঠি দিয়ে এই অবস্থানের কথা স্পষ্ট করে দিয়েছেন বলেই নবান্ন সূত্রে খবর। রাজ্যে গ্রামান্নোয়ন প্রকল্পে খরচের অনিয়ম নিয়ে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক দল যে সব প্রশ্ন তুলেছিল তা কার্যকর করা নিয়ে রাজ্য সরকারের অ্যাকশন টেকেন রিপোর্টে দিল্লি যে সন্তুষ্ট নয়, তাও পরিষ্কার করে দিয়েছে এই চিঠিতে।

    প্রায় ২ কোটি টাকা ভুয়ো খরচ হয়েছে বলে কেন্দ্রকে পাঠানো অ্যাকশন টেকেন রিপোর্টে উল্লেখ করেছে রাজ্য সরকার। পরের চিঠিতে কেন্দ্রীয় অধিকর্তা পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন, কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক দল বাংলায় এসে মাটি ফেলার কাজ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল। সেই সব কাজে খরচ হওয়া সমস্ত টাকা উদ্ধার করতে হবে। এই কাজে যে সব সরকারি কর্মচারি বা পঞ্চায়েত কর্মী টাকা আত্মসাৎ করেছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে। কেন্দ্রের মতে, চালু রাস্তার ওপর মাটি ফেলার নাম করে তহবিল তছরুপ করা হয়েছে।

    প্রসঙ্গত, রাজ্যে জব কার্ড হোল্ডারের সংখ্যা প্রায় দেড় কোটি। এঁরা সবই অদক্ষ শ্রমিক। রাজ্য সরকার দাবি করেছিল, ১৬টি সরকারি দফতর থেকে জবকার্ড হোল্ডার এই অদক্ষ শ্রমিকদের বিকল্প কাজের সুযোগ করে দেওয়া হবে। কিন্তু, গত মে মাস থেকে এই দফতরগুলি মাত্র ২৮ লক্ষ ৪৪ হাজার জবকার্ড হোল্ডারকে গড়ে ১৮ দিন কাজ দিতে পেরেছে। ফলে, কাজ না থাকায় জব কার্ড হোল্ডারদের একটা বড় অংশ কাজ পাচ্ছেন না। তাই এখন জবকার্ড বিলিতে কাটছাঁট করতে চাইছে রাজ্য।

    আরও পড়ুন: নবান্নে এখনই বৈঠক হচ্ছে না অমিত শাহ- মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের, বাতিল হয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বাংলা সফর

    স্বাভাবিকভাবেই নবান্নের এখন জোড়া চিন্তা। এক, কেন্দ্রের কাছ থেকে বকেয়া টাকা পাওয়া এবং দুই, গ্রামবাংলার কর্মহীন মানুষকে বিকল্প কর্মসংস্থান দেওয়া। আপাতত তারই পন্থা হাতড়াচ্ছে নবান্ন। সেই কারণেই সরকারি সার্কুলার বলে দাবি ওয়াকিবহাল মহলের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Crime by Police: কলকাতায় পাঁচ মাসে ১১ পুলিশ কর্মী গ্রেফতার, কোন কোন ‘অপরাধে’ জানেন?

    Crime by Police: কলকাতায় পাঁচ মাসে ১১ পুলিশ কর্মী গ্রেফতার, কোন কোন ‘অপরাধে’ জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রক্ষকই ভক্ষক! চুরি-ডাকাতি সহ নানা অপরাধে দুষ্কৃতীদের ধরাই যাঁদের কাজ, সেই পুলিশই কী না গ্রেফতার পুলিশের (Police) হাতে! আজ্ঞে হ্যাঁ। গত পাঁচ মাসে কলকাতায় (Kolkata) অন্তত ১১ জন পুলিশ (Kolkata Police) কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে বিভিন্ন অভিযোগের ভিত্তিতে। ধৃত পুলিশ কর্মীদের বিরুদ্ধে রয়েছে অপহরণ, প্রতারণা, চুরি এবং হেনস্থা করার মতো গুরুতর সব অভিযোগ। এই সব সমস্যায় পড়লে বিপদগ্রস্ত মানুষ যেখানে পুলিশের ভরসায় থাকেন, সেখানে পুলিশই অভিযুক্ত হওয়ায় রাজ্যজুড়ে হাসির ছররা!

    অপহরণ, প্রতারণা, চুরি এবং হেনস্থা করার মতো গুরুতর অভিযোগে যেসব পুলিশ কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে, তাঁরা সবাই যে সাধারণ পুলিশ কর্মী, তা নন। পুলিশের হাতে গ্রেফতার হওয়া পুলিশ কর্মীদের মধ্যে যেমন ন জন কনস্টেবল রয়েছেন, রয়েছেন একজন সিভিক ভলান্টিয়ার, তেমনি রয়েছেন একজন অ্যাসিস্টেন্ট সাব ইনসপেক্টরও।  

    ধৃত পুলিশ কর্মীদের অপরাধের ধরনও আলাদা। জনবহুল বাজার থেকে কাউকে অপহরণের অভিযোগ উঠেছে কোনও এক পুলিশ কর্মীর বিরুদ্ধে। অপহৃত ব্যক্তিকে রাস্তায় ছেড়ে দেওয়ার আগে সর্বস্ব কেড়ে নেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ। যাঁরা সঙ্গে থাকা জিনিসপত্র দিতে চাননি, তাঁদের মারধর করা হয়েছে বলেও অভিযোগ। চাকরির মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রতারণার অভিযোগও উঠেছে কারও কারও বিরুদ্ধে।

    আরও পড়ুন: “মাঝরাতে মহিলাদের আটক করা যায়?” প্রশ্নের মুখে পুলিশ প্রশাসন

    কিছুদিন আগেই রাজ্যে ইনসপেক্টর জেনারেল পদ থেকে অবসর নিয়েছেন প্রবীণ এক আইপিএস আধিকারিক। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই আধিকারিক বলেন, এত কম সময়ে এক সঙ্গে এতজন পুলিশ কর্মীর, যাঁদের বিরুদ্ধে ক্রিমিনাল চার্জ রয়েছে, গ্রেফতারি আমি চাকরি জীবনে দেখিনি। তিনি বলেন, স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রীই এই দফতরটা দেখেন।

    জানা গিয়েছে, সাদা পোশাক পরে অপরাধ (Crime by Police) করেননি গ্রেফতার হওয়া পুলিশ কর্মীরা। অপরাধ করার সময় তাঁরা পরেছিলেন পুলিশের উর্দিই। যার অর্থ, পুলিশের পরিচয়েই অপরাধ করেছেন তাঁরা। পুলিশের পরিচয়ে তাঁরা প্রথমে শিকারের বিশ্বাস অর্জন করেছেন, পরে সব কেড়ে নিয়ে নিঃস্ব করে ছেড়েছেন। এক পুলিশ কর্মীর সরস মন্তব্য, অপরাধ করলে পুলিশও যে পার পাবে না, এটা একটা ভাল লক্ষণ!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Amit Shah: ‘দুর্নীতি’, ‘বিভাজনকারী শক্তি’কে হুঁশিয়ারি মোদি-শাহের

    Amit Shah: ‘দুর্নীতি’, ‘বিভাজনকারী শক্তি’কে হুঁশিয়ারি মোদি-শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গুজরাটে (Gujarat) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। আর হিমাচল প্রদেশে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। দুই রাজ্য থেকে বিজেপির (BJP) দুই হেভিওয়েট রাজনীতিবিদের ছোড়া তিরে ফের একবার বিদ্ধ হল কংগ্রেস (Congress)। কংগ্রেসকে আক্রমণ করে অমিত শাহ বলেন, কে আপনাদের বিশ্বাস করবে? আর গুজরাটের জনসভায় মোদি বলেন, গুজরাট থেকে ধুয়ে মুছে সাফ হয়ে যাবে বিভাজনকারী শক্তি। শিয়রে দুই রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন। দুই রাজ্যেই ক্ষমতায় রয়েছে বিজেপি। হিমাচল প্রদেশে ভোট হবে নভেম্বরের ১২ তারিখে। আর মোদির গুজরাটে নির্বাচন হবে ডিসেম্বরে, দু দফায়। সেই কারণে ওই দুই রাজ্যে রবিবার নির্বাচনী প্রচারে গিয়েছেন বিজেপির দুই ‘মাথা’।

    এদিন কাংরার নগ্রোটার এক জনসভায় শাহ বলেন, আসতে আসতে দেখলাম কংগ্রেসের এক প্রার্থী ইস্তেহারে দেওয়া ১০ দফা গ্যারেন্টি লিখে রেখেছেন। তিনি বলেন, যাঁদের কোনও রেকর্ড রয়েছে, তাঁদের গ্যারেন্টি দেওয়া মানায়। কে আপনাদের দেওয়া গ্যারেন্টি বিশ্বাস করবে? কেন্দ্রে সোনিয়া-মনমোহন সিংয়ের সরকার ছিল। ১২ লক্ষ কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছিল তাঁদের আমলে। আর আজ তাঁরা হিমাচল প্রদেশের সরল মানুষকে গ্যারেন্টি দিচ্ছেন? কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কংগ্রেসের আমলে কত দুর্নীতি হয়েছে, তা গুণে শেষ করা যাবে না। আর বিজেপির আমলে দুর্নীতি খুঁজে পাওয়া কঠিন। তিনি বলেন, এই হচ্ছে দুই দলের চরিত্র। বিজেপি এমনভাবে দেশ শাসন করছে যে মানুষকে উন্নয়নের কথা বলতে হয় না।

    আরও পড়ুন: যারা ভারতের ঐক্য ভাঙার চেষ্টা করছে, তাদের থেকে সাবধান, বললেন মোদি

    শাহ বলেন, জম্মু-কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা রদ উচিত ছিল কি না? জওহরলাল নেহরুর ভুল কংগ্রেস লালন পালন করে গিয়েছে ৬৫ বছর ধরে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সংবিধান সংশোধন করে রদ করেছেন ৩৭০ এবং ৩৫/এ ধারা। এদিকে, এদিন গুজরাটের ভালসাদের এক জনসভায় ভাষণ দেন মোদি। কংগ্রেসের নাম না করে তিনি বলেন, যেসব শক্তি ঘৃণা ছড়ানোর সাহস দেখাচ্ছে, গুজরাটকে কলঙ্কিত করতে চাইছে, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে তারা গুজরাট থেকে ধুয়ে মুছে সাফ হয়ে যাবে। এই নির্বাচনেও তাদের ভাগ্যের কোনও পরিবর্তন হবে না।  এদিন তিনি নয়া স্লোগানও রচনা করেন। বলেন, এই গুজরাট আমি বানিয়েছি। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • PM Modi: মোদিকে দেখতে জনপ্লাবন গুজরাটের গ্রামে, প্রধানমন্ত্রী যোগ দেবেন ‘পাপা নি পারি’তে

    PM Modi: মোদিকে দেখতে জনপ্লাবন গুজরাটের গ্রামে, প্রধানমন্ত্রী যোগ দেবেন ‘পাপা নি পারি’তে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিয়রে গুজরাট বিধানসভা নির্বাচন (Gujarat Assembly Elections)। এবারও মোদি (PM Modi) ম্যাজিক কাজে লাগাতে চাইছে গেরুয়া শিবির। নিজ রাজ্য পুনর্জয়ে সর্ব শক্তি দিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি স্বয়ং। গুজরাটে বিজেপির (BJP) জয় অনায়াস। তবে তিলার্ধ ফাঁকও রাখতে চায় না মোদি-অমিত শাহের (Amit Shah) দল। তাই ফের গুজরাট গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। রবিবার ভালসাদে রোড শো করেন মোদি। সঙ্গে ছিলেন গুজরাটের বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র প্যাটেল সহ বিজেপির অন্য নেতারা।

    এদিন মোদিকে (PM Modi) এক ঝলক চোখের দেখা দেখতে রাস্তার দু পাশে তিল ধারণের জায়গা ছিল না। জনতার দিকে স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে হাতজোড় করেছিলেন মোদি। উপস্থিত দর্শকের উদ্দেশে হাতও নাড়তে দেখা গিয়েছে তাঁকে। রোড শো শেষে বিকেল তিনটে নাগাদ ভালসাদের কাপরাদা গ্রামে আয়োজিত এক জনসভায় ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী। মোদির এই জনসভায়ও ছিল ঠাঁই নাই ঠাঁই নাই রব। গত আড়াই দশক ধরে গুজরাটের ক্ষমতায় রয়েছে বিজেপি। এদিন সে প্রসঙ্গ উল্লেখ করে ফের বিজেপিকে ক্ষমতায় আনার আবেদন জানান প্রধানমন্ত্রী।

    আরও পড়ুন: বিধানসভা উপনির্বাচনে ৪ আসনে জয়ী বিজেপি, কংগ্রেসের অবস্থান জানেন?

    কাপরাদার জনসভায় বক্তৃতা শেষ করে মোদি (PM Modi) রওনা দেন ভানভাগরের দিকে। সেখানে সন্ধে ৬টা নাগাদ একটি গণবিবাহের অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা তাঁর। এই অনুষ্ঠানের নাম দেওয়া হয়েছে ‘পাপা নি পারি’। যেসব কন্যার বাবা নেই, এমন ৫৫২জনের বিয়ে দেওয়া হবে ওই আসরে। ভোট ঘোষণা হওয়ার আগে নিজের রাজ্যে গেলেও, ভোট ঘোষণার পর এই প্রথম মোদি (PM Modi) গিয়েছেন গুজরাটে। ডিসেম্বরে দু দফায় হবে গুজরাট বিধানসভার নির্বাচন। প্রথম দফার ভোট হবে ১ ডিসেম্বর। আর ৫ ডিসেম্বর হবে দ্বিতীয় দফার নির্বাচন। গুজরাট বিধানসভার আসন সংখ্যা ১৮২টি। তার মধ্যে প্রথম দফায় হবে ৮৯টি আসনের ভোট। দ্বিতীয় দফায় হবে ৯৩টি আসনের নির্বাচন। ভোট গণনা হবে ডিসেম্বরের ৮ তারিখে। এবার গুজরাট নির্বাচনে বিজেপির কাছে কংগ্রেস (Congress) তেমন কোনও ফ্যক্টর না হলেও, গুজরাট জয়ে ঝাঁপিয়েছে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের দল আম আদমি পার্টি (AAP)। তবে গুজরাটের রাজনীতিতে তারা আদৌ ছাপ ফেলতে পারবে কিনা, তা বলবে সময়।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Bypoll Election: বিধানসভা উপনির্বাচনে ৪ আসনে জয়ী বিজেপি, কংগ্রেসের অবস্থান জানেন?

    Bypoll Election: বিধানসভা উপনির্বাচনে ৪ আসনে জয়ী বিজেপি, কংগ্রেসের অবস্থান জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছয় রাজ্যের সাতটি বিধানসভা আসনে উপনির্বাচন (Bye Elections) হয়েছিল বৃহস্পতিবার। রবিরার সকাল আটটায় শুরু হয় ফল গণনা। এদিন বেলা আড়াইটা পর্যন্ত পাওয়া খবরে জানা গিয়েছে, সাতটি আসনের মধ্যে বিজেপি (BJP) জয়ী হয়েছে চারটিতে। একটি আসনে জয়ী হয়েছে লালু প্রসাদ যাদবের রাষ্ট্রীয় জনতা দল (RJD)। একটি আসনের রাশ গিয়েছে শিবসেনার (Shiv Sena) হাতে। কংগ্রেসের (Congress) ঝুলি এখনও শূন্য।  

    বৃহস্পতিবার যে রাজ্যগুলিতে ভোট হয়েছে, সেগুলি হল মহারাষ্ট্র, হরিয়ানা, বিহার, ওড়িশা, তেলঙ্গানা এবং উত্তর প্রদেশ। এই ছয় রাজ্যের যে আসনগুলিতে এদিন ভোট হয়েছে, সেগুলি হল মহারাষ্ট্রের আন্ধেরি পূর্ব, হরিয়ানার আদমপুর, তেলঙ্গানার মুনুগোড়ে, উত্তর প্রদেশের গোলা গোক্রান্নাথ এবং ওড়িশার ধামনগর। বিহারের দুটি আসন মোকামা এবং গোপালগঞ্জেও হয়েছে উপনির্বাচন। যে সাতটি আসনের ভোট গণনা চলছে, তার মধ্যে বিজেপির দখলে ছিল তিনটি। কংগ্রেসের দখলে ছিল দুটি আসন। শিবসেনা এবং আরজেডির হাতে ছিল একটি করে আসনের রশি।

    এদিন বেলা আড়াইটে নাগাদ পর্যন্ত পাওয়া খবরে জানা গিয়েছে, বিহারের গোপালগঞ্জে জয়ী হয়েছেন পদ্ম প্রার্থী। হরিয়ানার আনন্দপুরেও জয়ী হয়েছেন বিজেপি প্রার্থী। উত্তর প্রদেশের গোলা গোক্রানাথ কেন্দ্রেও জয়ী হয়েছে মোদি-অমিত শাহের দল। আদমপুর বিধানসভা কেন্দ্রে জয়ী হয়েছেন বিজেপির ভব্যা বিষ্ণোই। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কংগ্রেসের জয়প্রকাশকে প্রায় ১৬ হাজার ভোটে হারিয়েছেন তিনি। গত ৬৮ বছর ধরে এই কেন্দ্রে জয়ী হয়ে আসছে বিষ্ণোই পরিবারই। একটি আসনে জয়ী হয়েছেন শিবসেনার উদ্ধব ঠাকরে গোষ্ঠীর প্রার্থী রুটুজা লাটকে। আন্ধেরি পূর্ব কেন্দ্রে জয়ী হয়েছেন তিনি।

    আরও পড়ুন: কেজরির ‘গুজরাট ডিলে’র অভিযোগ সর্বৈব মিথ্যা, সাফ জানাল বিজেপি

    এদিকে, বিহারের মোকামা কেন্দ্রে জয়ী হয়েছেন আরজেডি প্রার্থী নীলিমা দেবী। এই কেন্দ্রের বিধায়ক ছিলেন তাঁর স্বামী অনন্ত সিং। অস্ত্র আইনে অভিযুক্ত হওয়ায় বিধায়ক পদ খারিজ হয়ে যায় তাঁর।  উপনির্বাচনে লালু প্রসাদ যাদবের দল ওই কেন্দ্রে প্রার্থী করে তাঁর স্ত্রী নীলিমাকে। এই কেন্দ্রের রাশ গিয়েছে নীলিমার হাতেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Tapas Mondal: “যা বলার সব ইডিকে বলেছি…”, কী বললেন মানিক ঘনিষ্ঠ তাপস মণ্ডল?

    Tapas Mondal: “যা বলার সব ইডিকে বলেছি…”, কী বললেন মানিক ঘনিষ্ঠ তাপস মণ্ডল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টানা ১২ ঘণ্টা ইডির (ED) দফতরে ছিলেন তাপস মণ্ডল (Tapas Mondal)। তিনি প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের অপসারিত সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যের ঘনিষ্ঠ। বৃহস্পতিবার রাত বারোটা নাগাদ ইডি দফতর থেকে বেরিয়ে তিনি বলেন, যা বলার সব ইডিকে বলেছি। সব হিসেব মিলিয়ে দিয়েছি।

    ডিএলএড (DLED) কোর্সে ভর্তির জন্য পড়ুয়াদের কাছ থেকে প্রায় ২১ কোটি টাকা নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছিলেন তাপস (Tapas Mondal)। তাঁর আরও অভিযোগ, টাকা সংগ্রহ করতেন মানিকের লোক। এই মামলায় তাপসকে প্রায় সাড়ে ১০ ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। সূত্রের খবর, টানা জেরায় সব বলে দেন তাপস। জানিয়ে দেন, ২০১৮ সাল থেকে ২০২২ পর্যন্ত মোট ৪১ হাজার পড়ুয়ার কাছ থেকে অফলাইনে ভর্তির জন্য টাকা নেওয়া হয়েছে। পুরো টাকাটাই গিয়েছে পলাশিপাড়ার বিধায়ক মানিক ভট্টাচার্যের কাছে। বুধবার সিজিও কমপ্লেক্স থেকে বের হওয়ার পর তিনি দাবি করেছিলেন, বৃহস্পতিবার ইডি দফতরে হাজিরা দিয়ে হিসেব দেবেন ওই ২১ কোটি টাকার।

    আরও পড়ুন: ‘‘সব বলে এসেছি…’’, ইডি-র সামনে কোন কোন সত্যের খোলসা করলেন কেষ্ট-কন্যা?

    এদিন তাপস (Tapas Mondal) বলেন, পর্ষদের সভাপতি ছিলেন উনি। স্বাভাবিকভাবেই উনি সব সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কোনও অনিয়ম হয়েছে কিনা, তা বলতে পারবে বোর্ড। তাপসের দাবি, তাঁর মহিষবাথানের অফিসে টাকার লেনদেন হয়েছে। তাপসের (Tapas Mondal) দাবি, ২০১৮ সাল থেকে ডিএলএড কলেজে অনলাইন ভর্তি শেষ হওয়ার পর দেখা যায় অনেক আসন ফাঁকা পড়ে রয়েছে। এনিয়ে মানিকের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। তখনই সিদ্ধান্ত হয়, পড়ুয়াদের কাছ থেকে লেট ফি বাবদ নগদ পাঁচ হাজার করে টাকা নিয়ে অফলাইনে রেজিস্ট্রেশন করানো হবে।

    এদিকে, মানিককে আরও একটা সুযোগ দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় জানান, পর্ষদের সভাপতি পদ থেকে অপসারণের যে রায় দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট, তার বিরুদ্ধে আত্মপক্ষ সমর্থন করে হলফনামা জমা দিতে পারবেন মানিক। ১৮ নভেম্বর আদালতে নিজের বক্তব্য জানাতে পারবেন তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।   

LinkedIn
Share