Tag: Bengali news

Bengali news

  • Daily Horoscope 14 April 2026: ভ্রমণের যোগ আছে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 14 April 2026: ভ্রমণের যোগ আছে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ
    ১) কাজের ক্ষেত্রে নতুন সুযোগ আসতে পারে
    ২) আত্মবিশ্বাস বাড়বে
    ৩) আর্থিক উন্নতির সম্ভাবনা

    বৃষ
    ১) অর্থনৈতিক দিক মজবুত থাকবে
    ২) পরিবারে শান্তি বজায় থাকবে
    ৩) খরচ একটু নিয়ন্ত্রণে রাখা দরকার

    মিথুন
    ১) নতুন যোগাযোগ তৈরি হবে
    ২) কাজের জায়গায় সাফল্য
    ৩) ভ্রমণের সম্ভাবনা

    কর্কট
    ১) মানসিক চাপ বাড়তে পারে
    ২) পরিবারের দিকে নজর দিন
    ৩) বিশ্রাম প্রয়োজন

    সিংহ
    ১) কর্মক্ষেত্রে প্রশংসা পাবেন
    ২) নেতৃত্বের সুযোগ আসবে
    ৩) আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি

    কন্যা
    ১) পরিকল্পনা সফল হবে
    ২) ছোট সমস্যার সমাধান
    ৩) কাজের গতি বাড়বে

    তুলা
    ১) সম্পর্কের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকুন
    ২) ভুল বোঝাবুঝি হতে পারে
    ৩) ধৈর্য ধরলে সমস্যা মিটবে

    বৃশ্চিক
    ১) নতুন কাজের সুযোগ
    ২) আত্মবিশ্বাস বাড়বে
    ৩) আর্থিক লাভ হতে পারে

    ধনু
    ১) ভ্রমণের যোগ আছে
    ২) কাজের চাপ বাড়বে
    ৩) নতুন অভিজ্ঞতা হবে

    মকর
    ১) আর্থিক উন্নতি
    ২) পুরনো সমস্যার সমাধান
    ৩) পরিবারের সমর্থন পাবেন

    কুম্ভ
    ১) বন্ধুদের সাহায্য পাবেন
    ২) নতুন পরিকল্পনা সফল
    ৩) মানসিক শান্তি থাকবে

    মীন
    ১) সৃজনশীল কাজে সাফল্য
    ২) নতুন সুযোগ আসবে
    ৩) প্রশংসা পাওয়ার সম্ভাবনা

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Ramakrishna 622: “অবস্থায় ‘মা, মা’ বলে কাঁদতুম, কেঁদে কেঁদে বলতুম, ‘মা! রক্ষা কর, মা! আমায় নিখাদ কর, যেন সৎ থেকে অসতে মন না যায়”

    Ramakrishna 622: “অবস্থায় ‘মা, মা’ বলে কাঁদতুম, কেঁদে কেঁদে বলতুম, ‘মা! রক্ষা কর, মা! আমায় নিখাদ কর, যেন সৎ থেকে অসতে মন না যায়”

    ৫২ শ্যামপুকুর বাটীতে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    চতুর্বিংশ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২৬শে অক্টোবর

    অহৈতুকী ভক্তি—পূর্বকথা—শ্রীরামকৃষ্ণের দাসভাব

    “এঁর তাই। যেমন ঈশ্বরকে (Ramakrishna) শুধু দেখতে চায়, আর কিছু ধন মান দেহসুখ — কিছুই চায় না। এরই নাম শুদ্ধাভক্তি।

    “আনন্দ একটু হয় বটে, কিন্তু বিষয়ের আনন্দ নয়। ভক্তির, প্রেমের আনন্দ। শম্ভু (মল্লিক) বলেছিল — যখন আমি তার বাড়িতে প্রায় যেতুম – ‘তুমি এখানে এস; অবশ্য আমার সঙ্গে আলাপ করে আনন্দ পাও তাই এস’ — ওইটুকু আনন্দ আছে।

    “তবে ওর উপর আর-একটি অবস্থা আছে (Kathamrita)! বালকের মতো যাচ্ছে — কোনও ঠিক নাই; হয়তো একটা ফড়িং ধরছে।

    (ভক্তদের প্রতি) — “এঁর (ডাক্তারের) মনের ভাব কি বুঝেছ? ঈশ্বরকে প্রার্থনা করা হয়, হে ঈশ্বর, আমায় সৎ ইচ্ছা দাও যেন অসৎ কাজে মতি না হয়।

    “আমারও ওই অবস্থা ছিল (Kathamrita)। একে দাস্য বলে। আমি ‘মা, মা’ বলে এমন কাঁদতুম যে, লোক দাঁড়িয়ে যেত। আমার এই অবস্থার পর আমাকে বীড়বার জন্য আর আমার পাগলামি সারাবার জন্য, তারা একজন রাঁড় এনে ঘরে বসিয়ে দিয়ে গেল — সুন্দর, চোখ ভাল। আমি মা! মা! বলে ঘর থেকে বেরিয়ে এলুম, আর হলধারীকে ডেকে দিয়ে বললুম, ‘দাদা দেখবে এসো ঘরে কে এসেছে।’ হলধারীকে, আর সব লোককে বলে দিলুম। এই অবস্থায় ‘মা, মা’ বলে কাঁদতুম, কেঁদে কেঁদে বলতুম, ‘মা! রক্ষা কর। মা! আমায় নিখাদ কর, যেন সৎ থেকে অসতে মন না যায়।’ (ডাক্তারের প্রতি) তোমার এ-ভাব বেশ — ঠিক ভক্তিভাব, দাসভাব।”

    জগতের উপকার ও সামান্য জীব—নিষ্কামকর্ম ও শুদ্ধসত্ত্ব

    “যদি কারো শুদ্ধসত্ত্ব (গুণ) আসে, সে কেবল ঈশ্বরচিন্তা (Ramakrishna) করে, আর আর কিছুই ভাল লাগে না। কেউ কেউ প্ররব্ধের গুণে জন্ম থেকে শুদ্ধসত্ত্বগুণ পায়। কামনাশূন্য হয়ে কর্ম করতে চেষ্টা করলে, শেষে শুদ্ধসত্ত্বলাভ হয়। রজমিশানো সত্ত্বগুণ থাকলে ক্রমে নানাদিকে মন হয়, তখন জগতের উপকার করব এই সব অভিমান এসে জোটে। জগতের উপকার এই সামান্য জীবের পক্ষে করতে যাওয়া বড় কঠিন। তবে যদি কেউ জীবের সেবার জন্য কামনাশূণ্য হয়ে কর্ম করে, তাতে দোষ নাই; একে নিষ্কাম কর্ম বলে। এরূপ কর্ম করতে চেষ্টা করা খুব ভাল। কিন্তু সকলে পারে না। বড় কঠিন। সকলেরই কর্ম করতে হবে; দু-একটি লোক কর্ম ত্যাগ করতে পারে। দু-একজন লোকের শুদ্ধসত্ত্ব দেখতে পাওয়া যায়। এই নিষ্কাম কর্ম করতে করতে রজমিশানো সত্ত্বগুণ ক্রমে শুদ্ধসত্ত্ব হয়ে দাঁড়ায়।

    “শুদ্ধসত্ত্ব হলেই ঈশ্বরলাভ তাঁর কৃপায় হয়।

    “সাধারণ লোকে এই শুদ্ধসত্ত্বের অবস্থা বুঝতে পারে না; হেম আমায় বলেছিল, কেমন ভট্টাচার্য মহাশয় (Ramakrishna)! জগতে মানলাভ করা মানুষ জীবনের উদ্দেশ্য, কেমন?

  • SIR: ১২ রাজ্যে শেষ এসআইআর, কোন রাজ্যে বাদ গেল কত ভোটার?

    SIR: ১২ রাজ্যে শেষ এসআইআর, কোন রাজ্যে বাদ গেল কত ভোটার?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১২টি রাজ্য এবং ৩টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এসআইআরের কাজ শেষ করল ভারতের নির্বাচন কমিশন (ECI)। গত বছর বিহার থেকে শুরু হওয়া এই প্রক্রিয়া, যা বিধানসভা নির্বাচনের আগে শুরু হয়েছিল, এখন একটি বৃহৎ পরিসরের ভোটার তালিকা পরিশোধন অভিযানে পরিণত হয়েছে।

    ইলেকশন কমিশনের তথ্য (SIR)

    ইলেকশন কমিশন এবং বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, এই প্রক্রিয়ায় মৃত, স্থানান্তরিত, ডুপ্লিকেট বা যাচাইযোগ্য নয় এমন ভোটারদের শনাক্ত করা হয়েছে। এই রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিতে মোট ভোটারের সংখ্যা প্রায় ৫১ কোটি থেকে কমে হয়েছে ৪৫.৮ কোটির কাছাকাছি। যাচাইকরণের সময় ৭.২ কোটি নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। খসড়া তালিকা প্রকাশের পর দাবি, আপত্তি এবং নতুন নিবন্ধনের মাধ্যমে প্রায় ২ কোটি ভোটার যুক্ত হন, ফলে মোট ৫.২ কোটি বা প্রায় ১০ শতাংশ ভোটার কমে যায়।

    উত্তরপ্রদেশ
    জনসংখ্যার দিক থেকে দেশের বৃহত্তম রাজ্য উত্তরপ্রদেশে সবচেয়ে বেশি সংখ্যায় পরিবর্তন দেখা গিয়েছে। এসআইআরের আগে ভোটার সংখ্যা ছিল ১৫.৪৪ কোটি, পরে কমে এটাই গিয়ে দাঁড়ায় ১৩.৩৯ কোটিতে। অর্থাৎ প্রায় ২.০৫ কোটি নাম বাদ পড়েছে। দাবি ও আপত্তির পর প্রায় ১৩.২ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে, বেড়েছে পড়ুয়ার সংখ্যাও।

    তামিলনাড়ু
    তামিলনাড়ুতে ভোটার সংখ্যা ৬.৪১ কোটি থেকে কমে ৫.৬৭ কোটিতে গিয়ে দাঁড়িয়েছে। বাদ গিয়েছে প্রায় ৯৭.৩৭ লাখ নাম।

    পশ্চিমবঙ্গ
    পশ্চিমবঙ্গে বাদ পড়েছেন প্রায় ৯০.৯৩ লাখ ভোটার। এ রাজ্যে মোট ভোটার সংখ্যা ৭.৬৬ কোটি থেকে কমে ৬.৭৫ কোটিতে গিয়ে দাঁড়ায়। বিচার প্রক্রিয়ায় ৬০ লাখের বেশি মামলা খতিয়ে দেখা হয় এবং শেষ পর্যন্ত ২৭ লাখের বেশি নাম বাদ দেওয়া হয়। মুর্শিদাবাদ জেলায় সবচেয়ে বেশি নাম বাদ পড়েছে। এর পরেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সমালোচনা করেন নির্বাচন কমিশনের। পরে চ্যালেঞ্জ করেন সুপ্রিম কোর্টে।

    গুজরাট
    গুজরাটে ভোটার সংখ্যা ৫.০৮ কোটি থেকে কমে হয়েছে ৪.৪০ কোটি।

    মধ্যপ্রদেশ

    মধ্যপ্রদেশে বেড়া দিতে গিয়ে এসআইআরে বাদ পড়েছে প্রায় ৩৪.২৫ লাখ ভোটারের নাম। মোট ভোটার সংখ্যা ৫.৭৪ কোটি থেকে কমে হয় ৫.৩৯ কোটি।

    মরু রাজ্যে বাদ পড়লেন কত

    রাজস্থান

    মরুরাজ্যে প্রায় ৩১.৩৬ লাখ ভোটার বাদ পড়েছেন। ছত্তিশগড়
    ২৪.৯৯ লাখ নাম বাদ পড়ায় ভোটার সংখ্যা ২.১২ কোটি থেকে কমে হয়েছে ১.৮৭ কোটি। কেরল
    ৮.৯৭ লাখ নাম বাদ পড়ায় মোট ভোটারের সংখ্যা দাঁড়ায় ২.৭১ কোটি।

    ভুয়ো ভোটারের নাম বাদ

    গোয়া
    ১.২৭ লাখ ভোটার কমে গিয়েছে। আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে
    ৫২,৩৬৪ ভোটার কমেছে। পুদুচেরিতে
    ভোটার সংখ্যা ১০.২১ লাখ থেকে কমে হয়েছে ৯.৪৪ লাখ।

    লাক্ষাদ্বীপ
    মাত্র ২০৬ ভোটার কমে মোট সংখ্যা দাঁড়াল ৫৭,৬০৭। প্রসঙ্গত, এই আপডেট করা ভোটার তালিকার উদ্দেশ্যই হল ভুয়ো ভোটার কমানো এবং সঠিক তথ্য নিশ্চিত করা।

     

  • Amit Shah: দুর্গাপুরে রোড-শো শাহের, গেরুয়াময় গোটা শহর

    Amit Shah: দুর্গাপুরে রোড-শো শাহের, গেরুয়াময় গোটা শহর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার পশ্চিম বর্ধমান জেলার দুর্গাপুরে বিরাট রোডশো করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এই শোয়ে সমর্থকদের ঢল নেমেছিল, চারিদিকে কেবল গেরুয়া রঙের ছটা। বস্তুত (Amit Shah), এদিন দুর্গাপুর হয়ে গিয়েছিল “গেরুয়া বাংলা…”। এর আগে ময়ূরেশ্বরের পল্লীমঙ্গল ক্লাব মাঠে আয়োজিত এক জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কড়া সমালোচনা করেন। আরজিকর ধর্ষণ মামলার পরে মহিলাদের সন্ধ্যা ৭টার পরে বাইরে না বেরোনোর পরামর্শ দেওয়ার জন্য তিনি তৃণমূল সরকারকে মহিলাদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ বলে অভিযুক্ত করেন (Paschim Bardhaman)।

    ‘বিকল্প বিজেপিই’ (Amit Shah)

    তিনি বলেন, “মমতা দিদি বলছেন মহিলারা যেন সন্ধ্যা ৭টার পর বাইরে না বেরোন। আপনি নিজে একজন মহিলা মুখ্যমন্ত্রী হয়েও বাংলার বোনদের রক্ষা করতে পারলেন না—এটা লজ্জার বিষয়।” বিজেপিকে বিকল্প হিসেবে তুলে ধরে শাহ বলেন, “একবার বিজেপি সরকার গঠন করুন, আমরা এমন বাংলা গড়ব যেখানে একটি ছোট মেয়েও রাত ১টায় স্কুটার নিয়ে বেরোতে পারবে। সন্দেশখালি, আরজি কর, দুর্গাপুর ল’ কলেজ বা দক্ষিণ কলকাতা ল’ কলেজের মতো ঘটনা আর ঘটবে না (Amit Shah)।”

    সংখ্যাগরিষ্ঠ সম্প্রদায়কে ভয় দেখাচ্ছেন

    তিনি আরও বলেন, “এইমাত্র আমি মমতা দিদির একটি বক্তৃতা দেখছিলাম। তিনি সংখ্যাগরিষ্ঠ সম্প্রদায়কে ভয় দেখাচ্ছেন—বলছেন, তৃণমূল না থাকলে তারা টিকবে না। তাদের শাসনে মুর্শিদাবাদে দাঙ্গা হয়েছে, রামনবমীতে আক্রমণ হয়েছে, সরস্বতী পূজায় বাধা দেওয়া হয়েছে—তখন তিনি কোথায় ছিলেন?” শাহ দাবি করেন, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন রাজ্যের জন্য একটি বড় মোড় ঘোরানোর সময় হবে। তিনি বলেন, “তৃণমূলের গুন্ডারা আর বোমা ফাটিয়ে মানুষকে ভয় দেখাতে পারবে না। বাংলার মানুষ বোমার জবাব ব্যালটে দেবে, ভয়ের জবাব বিশ্বাস দিয়ে দেবে। ব্যালট মেশিনে পদ্মফুল চিহ্ন খুঁজে নিন—বিজেপি সরকার সব গুন্ডাদের খুঁজে বের করবে।” তিনি সতর্ক করে বলেন, “তৃণমূলের গুন্ডাদের বলছি—২৩ এপ্রিল ঘরে থাকুন, না হলে ৪ মে আপনাদের ধরে জেলে পাঠানো হবে।” প্রসঙ্গত, (Paschim Bardhaman) ২৯৪ আসনের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন হবে দুদফায়- ২৩ ও ২৯ এপ্রিল। ভোট গণনা হবে ৪ মে (Amit Shah)।

     

  • West Bengal SIR: ‘ট্রাইবুনালে আবেদনকারীদের ভোটদানের সুযোগ দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না’ জানাল সুপ্রিম কোর্ট

    West Bengal SIR: ‘ট্রাইবুনালে আবেদনকারীদের ভোটদানের সুযোগ দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না’ জানাল সুপ্রিম কোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার এসআইআর মামলার শুনানিতে দুটি বিষয় উঠে এল সুপ্রিম কোর্টে। ট্রাইবুনালে আবেদনকারীদের প্রসঙ্গ (West Bengal SIR) এবং মালদাকাণ্ড। সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট করে দিয়েছে, ট্রাইবুনালে আবেদনকারীদের ভোটদানের সুযোগ দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। রাজ্যে ভোট শেষ না হওয়া পর্যন্ত বিচারকদের যথাযথ নিরাপত্তা দেওয়ারও নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত।

    প্রধান বিচারপতির বক্তব্য (West Bengal SIR)

    প্রধান বিচারপতি বলেন, “আমরা এমন কোনও পরিস্থিতি তৈরি করতে পারি না, যাতে আপিল ট্রাইবুনালের বিচারপতিদের ওপর আরও বাড়তি চাপ পড়ে। আমাদের সামনে আর একটি আবেদনও রয়েছে, যেখানে আপিল প্রক্রিয়া স্থগিত করার দাবি তোলা হয়েছে।” এদিনের শুনানিতে রাজ্যের হয়ে সওয়াল করেন সাংসদ তথা তৃণমূল নেতা কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। আদালতে তিনি জানান, ইতিমধ্যেই ১৬ লাখ আবেদন করা হয়েছে। তাঁদের ভোটদানের সুযোগ দেওয়ার জন্য আবেদন জানান তিনি। কল্যাণের সওয়াল প্রসঙ্গে শীর্ষ আদালত বলে, “সেই প্রশ্নই ওঠে না। যদি আমরা এটা অনুমতি দিই, তা হলে যাঁদের নাম ইতিমধ্যেই ভোটার তালিকায় রয়েছে, তাঁদের ভোটাধিকারও স্থগিত করতে হবে।”

    শীর্ষ আদালতের নির্দেশ

    শীর্ষ আদালতের নির্দেশ, পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন শেষ না হওয়া পর্যন্ত বিচারকদের যথাযথ নিরাপত্তা ও সুরক্ষা দিতে হবে। প্রধান বিচারপতি জানান, সুপ্রিম কোর্টের অনুমতি ছাড়া বিচারকদের নিরাপত্তা কোনওভাবেই প্রত্যাহার করা যাবে না। প্রধান বিচারপতি বলেন, “কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি জানিয়েছেন, মোট ৬০ লাখ ৪ হাজার মামলার নিষ্পত্তি হয়েছে। প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণে এখনও প্রায় ২,০০০ মুলতবি রয়েছে।” মালদার ঘটনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “এখন আমরা জানতে চাই, গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে কারও কোনও রাজনৈতিক যোগসূত্র ছিল কি না। আমরা চাই না, বিষয়টি শুধু কাগজে-কলমেই সীমাবদ্ধ থাকুক।”

    ট্রাইবুনালে আবেদন করার পরামর্শ

    এদিকে, মালদাকাণ্ডে তদন্তের অন্তর্বতী রিপোর্ট সুপ্রিম কোর্টে জমা দিল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)। তদন্তের কত দূর অগ্রগতি হয়েছে, সে বিষয়েও রিপোর্ট জমা দিয়েছে তারা। এজলাসে এনআইএ জানায়, মালদহকাণ্ডে মূল চক্রান্তকারীকে রবিবারই গ্রেফতার করা হয়েছে (West Bengal SIR)। প্রসঙ্গত, পশ্চিমবঙ্গের এসআইআর সংক্রান্ত মূল মামলা শুরুর আগে এক আবেদনকারী সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। মামলাকারীর আইনজীবীর বক্তব্য, ট্রাইবুনালে আবেদন শোনা হচ্ছে না। সঙ্গে সঙ্গে প্রধান বিচারপতি বলেন, “হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি আমায় জানিয়েছেন আজ সকাল থেকে ট্রাইবুনালে শুনানি শুরু হয়েছে। ট্রাইবুনালকে এ ভাবে ব্ল্যাকমেল করা যাবে না। আমরা কোনও সিদ্ধান্ত নেব না, যা সিদ্ধান্ত নেওয়ার ট্রাইবুনালই নেবে।” মামলাকারীকে ট্রাইবুনালে আবেদন করার পরামর্শও দেয় শীর্ষ আদালত।

    বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী

    এই আবেদনের প্রেক্ষিতে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীও বলেন, “এক্ষেত্রে কোনও দায় ঠেলাঠেলি চলবে না। দুই সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের মাঝে পড়ে ভুগতে হচ্ছে ভোটারদের।” কমিশনের উদ্দেশে বিচারপতি বাগচী বলেন, “কেউ যে দেশে জন্মগ্রহণ করেছেন, সেই দেশে ভোট দেওয়ার অধিকার শুধু সাংবিধানিকই নয়, এটি আবেগের বিষয়ও বটে (West Bengal SIR)।” তথ্যগত অসঙ্গতির মতো একটি বিষয় যে শুধু পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রেই রয়েছে, অন্য কোনও রাজ্যে নেই, সে বিষয়ের উপরেও আলোকপাত করেন বিচারপতি বাগচী। তিনি বলেন, “যত ক্ষণ না বিপুল সংখ্যক ভোটার বাদ পড়ছেন বা ভোটের ফলের ওপর তার বাস্তবিক কোনও প্রভাব পড়ছে, ততক্ষণ নির্বাচন বাতিল করা সম্ভব নয়।” বিচারপতি বাগচী বলেন, “এসআইআরের বিচারকাজে নিয়োজিত আধিকারিকদের ওপর অত্যধিক চাপ রয়েছে। তাই তাঁদের কাছ থেকে ১০০ শতাংশ নির্ভুলতা আশা করা যায় না। প্রতিদিন ১০০০টিরও বেশি নথি যাচাই করতে হলে ৭০ শতাংশ নির্ভুলতাকেও ‘চমৎকার’ বলা যেতে পারে।”

     

  • Afghanistan-Pakistan: পাকিস্তান ও আফগানিস্তানে পরপর দুই দিনে ১৬ জন হাজারা শিয়া মুসলিমকে হত্যা করল উগ্রবাদী সুন্নি জঙ্গিরা

    Afghanistan-Pakistan: পাকিস্তান ও আফগানিস্তানে পরপর দুই দিনে ১৬ জন হাজারা শিয়া মুসলিমকে হত্যা করল উগ্রবাদী সুন্নি জঙ্গিরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তান ও আফগানিস্তানে (Afghanistan-Pakistan) সংখ্যালঘু হাজারা শিয়া সম্প্রদায়ের ওপর ফের রক্তক্ষয়ী হামলা চালাল উগ্রপন্থী সুন্নি ইসলামপন্থী জঙ্গিরা (Sunni Islamist Radical)। গত কয়েক দিনের ব্যবধানে দুই দেশে পৃথক দুটি হামলায় মোট ১৬ জন হাজারা শিয়া নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন। এর মধ্যে পাকিস্তানের কোয়েটায় ৪ জন এবং আফগানিস্তানের হেরাত প্রদেশে ১২ জনকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। এই ঘটনা প্রমাণ করে কট্টর ইসলামী মৌলবাদের শিকার দুই দেশের মুসলিম সমাজ।

    হেরাত প্রদেশে গণহত্যা (Afghanistan-Pakistan)

    আফগানিস্তানের (Afghanistan-Pakistan) হেরাত প্রদেশে শিয়া অধ্যুষিত এলাকায় একটি ভয়াবহ হামলায় ১২ জন হাজারা শিয়া নাগরিক নিহত হয়েছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বন্দুকধারীরা অতর্কিতে সাধারণ নাগরিকদের ওপর গুলি চালিয়ে পালিয়ে যায়। তালিবান শাসিত আফগানিস্তানে হাজারা সম্প্রদায় দীর্ঘদিন ধরেই আইএস (ISIS-K) সহ বিভিন্ন উগ্রবাদী গোষ্ঠীর (Sunni Islamist Radical) লক্ষ্যবস্তু হয়ে আসছে। এই ঘটনায় মৃতদের মধ্যে নারী ও শিশুও রয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।

    কোয়েটায় হামলা জঙ্গিদের

    অন্যদিকে, পাকিস্তানের বালুচিস্তান (Afghanistan-Pakistan) প্রদেশের রাজধানী কোয়েটায় অজ্ঞাতপরিচয় বন্দুকধারীদের গুলিতে ৪ জন হাজারা শিয়া নাগরিক নিহত হয়েছেন। কোয়েটার হাজারা টাউন এলাকায় এই হামলাটি চালানো হয়। পুলিশ সূত্রে খবর, মোটরসাইকেলে করে আসা বন্দুকধারীরা লক্ষ্য স্থির করে গুলি চালায়, যার ফলে ঘটনাস্থলেই ৪ জনের মৃত্যু হয়। লস্কর-ই-জাংভি বা আইএস-এর মতো গোষ্ঠীগুলো (Sunni Islamist Radical) এই এলাকায় নিয়মিত শিয়া সম্প্রদায়ের ওপর আক্রমণ চালিয়ে থাকে।

    বিপজ্জনক পরিস্থিতি ও আন্তর্জাতিক উদ্বেগ

    পরপর দুই দিনে এই জোড়া হত্যাকাণ্ডের ফলে দক্ষিণ এশিয়ায় সংখ্যালঘু হাজারা সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিয়ে ফের গভীর উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলি এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেছে যে, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান—উভয় দেশেই হাজারা শিয়ারা পদ্ধতিগতভাবে জাতিগত নির্মূলকরণ ও ধর্মীয় বিদ্বেষের শিকার হচ্ছেন।

    নৃশংসতা থামার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই হামলাগুলো মূলত সুন্নি উগ্রবাদী মতাদর্শ দ্বারা অনুপ্রাণিত। আফগানিস্তানে তালিবান ক্ষমতা দখলের পর শিয়াদের ওপর হামলার মাত্রা কয়েকগুণ বেড়েছে। একইভাবে পাকিস্তানেও উগ্রবাদী গোষ্ঠীগুলো (Sunni Islamist Radical) সক্রিয় হয়ে উঠেছে। সরকারগুলো নিরাপত্তা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেও বাস্তবে হাজারা সম্প্রদায়ের ওপর এই নৃশংসতা থামার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। এই ঘটনার প্রতিবাদে কোয়েটা ও হেরাতের স্থানীয় বাসিন্দারা বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন এবং দোষীদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

  • CM Vijayan: কান্নুরে দলিত ছাত্র জিতিন রাজের মৃত্যু, জাতিবিদ্বেষ ও গায়ের রঙ নিয়ে কটাক্ষের অভিযোগ পরিবারের; মুখ্যমন্ত্রী বিজয়নের ‘নীরবতা’ নিয়ে প্রশ্ন!

    CM Vijayan: কান্নুরে দলিত ছাত্র জিতিন রাজের মৃত্যু, জাতিবিদ্বেষ ও গায়ের রঙ নিয়ে কটাক্ষের অভিযোগ পরিবারের; মুখ্যমন্ত্রী বিজয়নের ‘নীরবতা’ নিয়ে প্রশ্ন!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেরলের (Kerala) কান্নুর জেলায় এক ডেন্টাল কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্র জিতিন রাজের মর্মান্তিক মৃত্যুকে কেন্দ্র করে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে। এই মৃত্যুর পিছনে জাতিগত বৈষম্য, গায়ের রঙ নিয়ে অপমান এবং শিক্ষকদের দ্বারা মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ এনেছে ছাত্রের পরিবার। তবে এই ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন (CM Vijayan) এবং একাধিক প্রভাবশালী দলিত সংগঠনের ‘নীরবতা’ নিয়ে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছে। বাম রাজ্যে এই ভাবে দলিত ছাত্রের নির্যাতনের বিরুদ্ধে চরম সমালোচনার ঝড় উঠেছে বামপন্থীদের বিরুদ্ধে।

    ঘটনা কি ঘটেছিল তার প্রেক্ষাপট (CM Vijayan)?

    তিরুবনন্তপুরমের (Kerala) বাসিন্দা ১৯ বছর বয়সী জিতিন রাজ কান্নুরের আঞ্জরাকান্দি ডেন্টাল কলেজের বিডিএস (BDS) ছাত্র ছিলেন। গত ১০ এপ্রিল কলেজের একটি ভবন থেকে পড়ে গিয়ে তার মৃত্যু হয়। পুলিশ প্রাথমিকভাবে একে আত্মহত্যা বলে সন্দেহ করলেও, ছাত্রের পরিবারের দাবি, এটি স্রেফ আত্মহত্যা নয়, বরং দীর্ঘদিনের মানসিক নির্যাতনের ফল। অথচ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী (CM Vijayan) চুপ করে বসে আছেন।

    পরিবারের গুরুতর অভিযোগ

    জিতিনের (Kerala) পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে যে, কলেজের কিছু শিক্ষক তাঁকে ধারাবাহিকভাবে মানসিক হেনস্তা করতেন। পরিবারের অভিযোগ কয়েকটি ধাপে ধাপে ডাক্তার পড়ুয়াকে নিগ্রহ করা হয়।

    জাতিবিদ্বেষ ও গায়ের রঙ

    জিতিন দলিত পরিবারের সন্তান হওয়ায় এবং তাঁর গায়ের রঙ নিয়ে শিক্ষকরা ক্লাসে প্রকাশ্যে ব্যঙ্গ করতেন। এমনকি তার শারীরিক গঠন নিয়েও আপত্তিকর মন্তব্য করা হতো। অভিযোগ উঠেছে যে, জনৈক বিভাগীয় প্রধান (HOD) তাকে পরীক্ষায় ফেল করিয়ে দেওয়ার এবং নম্বর কমিয়ে দেওয়ার হুমকি দিতেন।

    ভাইরাল অডিও ক্লিপ

    মৃত্যুর আগে রেকর্ড করা একটি অডিও ক্লিপ সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে ওই ছাত্রকে তাঁর ওপর হওয়া অবিচার এবং শিক্ষকদের অপমানের কথা বলতে শোনা যাচ্ছে। অডিওতে জিতিন দাবি করেছেন যে, তাকে ক্লাসে সবার সামনে অপমান করা হতো এবং তাঁর মায়ের নামেও কুরুচিকর মন্তব্য করা হয়েছে।

    রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রতিক্রিয়া

    এই ঘটনায় দুই শিক্ষককে কলেজ কর্তৃপক্ষ সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে। তবে রাজনৈতিক মহলে সমালোচনা শুরু হয়েছে কেরালা সরকারের ভূমিকা নিয়ে। বিশেষ করে মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নের নীরবতা এবং বামপন্থী ছাত্র সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে জোরালো পদক্ষেপ না নেওয়া নিয়ে সরব হয়েছে বিরোধীরা। দলিত অধিকার রক্ষায় সোচ্চার সংগঠনগুলোর একটি বড় অংশ এই ইস্যুতে কেন শান্ত রয়েছে, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে নিহতের পরিবার ও স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব।

    বর্তমান পরিস্থিতি

    ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ডিজিটাল তথ্যপ্রমাণ এবং ওই অডিও ক্লিপটির সত্যতা যাচাই করা হচ্ছে। বিজেপির পক্ষ থেকে এই ঘটনার উচ্চপর্যায়ের তদন্ত এবং দোষী শিক্ষকদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপের দাবি জানানো হয়েছে। সাধারণ ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবক মহলে এই ঘটনা উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জাতিগত বৈষম্যের এক কালো দিক উন্মোচিত করেছে। সম্পূর্ণ মৃত্যুর ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রী পিনরাই বিজয়ন (CM Vijayan) সম্পূর্ণ ভাবে নিষ্ক্রিয়।

  • Yogi: শ্রমিক বিক্ষোভের আড়ালে নকশালবাদ পুনরুজ্জীবিত করার চেষ্টা চলতে না তো! উদ্বেগে যোগী আদিত্যনাথ

    Yogi: শ্রমিক বিক্ষোভের আড়ালে নকশালবাদ পুনরুজ্জীবিত করার চেষ্টা চলতে না তো! উদ্বেগে যোগী আদিত্যনাথ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নয়ডা ফেজ-২-এ শ্রমিকদের যে বিক্ষোভ চলছে, তাতে নকশালবাদ (Naxal Conspiracy) পুনরুজ্জীবিত করার একটি বড় ষড়যন্ত্র থাকতে পারে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী (Yogi) আদিত্যনাথ। নূন্যতম মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে গত চারদিন ধরে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন শ্রমিকরা। এই অস্থিরতার আবহেই মুখ্যমন্ত্রী প্রশাসনকে বিঘ্ন সৃষ্টিকারী শক্তি সম্পর্কে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন।

    মুখ্যমন্ত্রীর বিবৃতি (Yogi)

    লখনউতে রবিবার রাতে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের পর জারি করা বিবৃতিতে মুখ্যমন্ত্রী আদিত্যনাথ বলেন, “শ্রমিক কল্যাণ সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। কিছু শক্তি শ্রমিক অসন্তোষকে কাজে লাগিয়ে আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নিত করার চেষ্টা করতে পারে।” তিনি বলেন, “দেশে নকশালবাদ প্রায় শেষ হয়ে গিয়েছে। তবে একে পুনরুজ্জীবিত করার চেষ্টা একটি বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের অংশ হতে পারে।” চলতে থাকা বিক্ষোভের মধ্যে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে, গৌতম বুদ্ধ নগর, গাজিয়াবাদ, কানপুর, মীরাট, ফিরোজাবাদ, মোরাদাবাদ, বারাণসী এবং গোরখপুর-সহ শিল্পাঞ্চলগুলিতে উচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে (Yogi)। মুখ্যমন্ত্রী আধিকারিকদের দ্রুত পদক্ষেপ করার নির্দেশ দিয়েছেন, শিল্পোন্নয়ন কর্তৃপক্ষকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে শিল্প সংস্থাগুলির সঙ্গে আলোচনা করতে বলেছেন। তিনি বলেন, “প্রকৃত শ্রমিক সমস্যাগুলির সময়মতো এবং স্বচ্ছ পদ্ধতিতে সমাধান করা উচিত।”

    হিংসাত্মক বিক্ষোভ

    প্রসঙ্গত, সোমবার সকালে নয়ডার বিভিন্ন শিল্প ইউনিটের বিপুল সংখ্যক শ্রমিক বিক্ষোভে অংশ নেন। তাঁরা বেতন বৃদ্ধির দাবি জানান। দেন এ সংক্রান্ত স্লোগানও। খানিকক্ষণের মধ্যেই বিক্ষোভ হিংসাত্মক হয়ে ওঠে। বিক্ষোভকারীরা ঘরবাড়ি ভাঙচুর করে, পাথর ছোড়ে, একটি গাড়িতে আগুনও লাগিয়ে দেয়। জানা গিয়েছে, হরিয়ানা সরকার ন্যূনতম মজুরি ১৪,০০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৯,০০০ করেছে। উত্তরপ্রদেশে এর পরিমাণ ১৩,০০০ টাকা থাকায় ফেজ-২ এলাকায় বিক্ষোভ আরও তীব্র হয়।

    পুলিশ জানিয়েছে, গৌতম বুদ্ধ নগর কমিশনারেটের অধীনে শিল্প এলাকাগুলিতে যথেষ্ট নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।
    প্রশাসন জনগণকে গুজবে কান না দেওয়ার অনুরোধ করেছে এবং জানিয়েছে, পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে।
    মুখ্যমন্ত্রী প্রশাসনকে নির্দেশ দেন, শ্রমিক প্রতিনিধিত্বের আড়ালে যারা অশান্তি (Naxal Conspiracy) ছড়ানোর চেষ্টা করছে তাদের চিহ্নিত করতে এবং শিল্পাঞ্চলে নজরদারি (Yogi) বাড়াতে।

     

  • West Bengal Elections 2026: তৃণমূলের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন যোগী আদিত্যনাথ; শুরু হলো ‘উন্নয়ন বনাম তোষণ’-এর লড়াই

    West Bengal Elections 2026: তৃণমূলের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন যোগী আদিত্যনাথ; শুরু হলো ‘উন্নয়ন বনাম তোষণ’-এর লড়াই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনকে (West Bengal Elections 2026) সামনে রেখে রাজনৈতিক পারদ চড়তে শুরু করেছে। উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী এবং বিজেপির অন্যতম প্রধান তারকা প্রচারক যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath) তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন সরকারের কড়া সমালোচনা করে তিনি এই নির্বাচনকে ‘উন্নয়ন বনাম তোষণ’-এর লড়াই হিসেবে অভিহিত করেছেন।

    তোষণ রাজনীতির অভিযোগ (West Bengal Elections 2026)

    উত্তরবঙ্গে (West Bengal Elections 2026)  এক বিশাল জনসভায় ভাষণ দেওয়ার সময় যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath) অভিযোগ করেন যে, তৃণমূল কংগ্রেস সরকার ভোটব্যাংকের রাজনীতির স্বার্থে নির্দিষ্ট একটি সম্প্রদায়কে তোষণ করছে। তিনি বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে আইনের শাসনের পরিবর্তে অরাজকতা চলছে। তোষণ নীতির কারণে সাধারণ মানুষের অধিকার খর্ব করা হচ্ছে এবং অপরাধীদের আড়াল করা হচ্ছে।” তিনি আরও দাবি করেন, “উত্তরপ্রদেশে যেখানে অপরাধীদের বিরুদ্ধে ‘বুলডোজার’ নীতি প্রয়োগ করে শান্তি ফেরানো হয়েছে, সেখানে বাংলায় অপরাধীরা শাসকদলের মদত পাচ্ছে।”

    উন্নয়ন বনাম দুর্নীতি

    যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath) কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলি রূপায়ণে রাজ্য সরকারের অনীহার কথা উল্লেখ করে বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বাধীন কেন্দ্র সরকার বাংলার মানুষের জন্য আয়ুষ্মান ভারত বা পিএম আবাস যোজনার মতো যে সব উন্নয়নমূলক প্রকল্প পাঠাচ্ছে, রাজ্য সরকার সেগুলির নাম বদলে দিচ্ছে অথবা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছাতে বাধা দিচ্ছে। তিনি বলেন, “বাংলার মানুষ এখন পরিবর্তন চায়। তারা দুর্নীতিমুক্ত এবং উন্নয়নমুখী শাসন চায়।”

    সনাতন সংস্কৃতি ও জাতীয় সুরক্ষা

    বক্তৃতায় যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath) হিন্দু ভাবাবেগ এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রসঙ্গও টেনে আনেন। তিনি অভিযোগ করেন যে, বাংলায় দুর্গাপূজা বা সরস্বতী পূজার মতো উৎসব পালনেও বাধা সৃষ্টি করা হয়, যা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। অনুপ্রবেশের সমস্যা নিয়ে বলতে গিয়ে তিনি জানান, তৃণমূলের তোষণ নীতির কারণেই সীমান্ত এলাকায় জনতাত্ত্বিক পরিবর্তন ঘটছে, যা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি।

    তৃণমূলের প্রতিক্রিয়া

    যোগী আদিত্যনাথের (Yogi Adityanath) এই আক্রমণের পাল্টা জবাব দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। ঘাসফুল শিবিরের দাবি, বহিরাগত নেতারা এসে বাংলার সংস্কৃতি নষ্ট করার চেষ্টা করছেন। তারা উত্তরপ্রদেশের আইন-শৃঙ্খলার পরিস্থিতি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন এবং দাবি করেছেন যে বাংলার মানুষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নমূলক প্রকল্পের ওপরেই আস্থা রাখবেন।

    নির্বাচনী প্রেক্ষাপট

    ২০২৬-এর এই নির্বাচন বিজেপি এবং তৃণমূল—উভয় পক্ষের জন্যই অত্যন্ত মর্যাদার লড়াই। ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনে বাংলায় বিজেপির আসন সংখ্যা কিছুটা কমলেও, ২০২৬-এর বিধানসভায় (West Bengal Elections 2026) ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া গেরুয়া শিবির। আর সেই লড়াইয়ে যোগী আদিত্যনাথের (Yogi Adityanath) মতো হিন্দুত্বের পোস্টার বয়কে সামনে রেখে বিজেপি মেরুকরণ এবং উন্নয়নের ডাবল ইঞ্জিন মডেলের ওপর জোর দিচ্ছে।

  • PM Modi: “ভারত ২১শ শতাব্দীর অন্যতম বৃহত্তম সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: “ভারত ২১শ শতাব্দীর অন্যতম বৃহত্তম সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ভারত ২১শ শতাব্দীর অন্যতম বৃহত্তম সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে।” সোমবার এমনই মন্তব্য করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এদিন ‘নারী শক্তি বন্দন সম্মেলনে’ ভাষণ দিতে গিয়ে তিনি প্রস্তাবিত নারী সংরক্ষণ আইনকে ‘নারী শক্তি’র উদ্দেশে উৎসর্গীকৃত এক ঐতিহাসিক পদক্ষেপ বলে অভিহিত করেন। অনুষ্ঠানটি হয়েছিল বিজ্ঞান ভবনে।

    নারী শক্তি’র উদ্দেশ্যে নিবেদিত (PM Modi)

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দেশের উন্নয়নের এই গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে ভারত ২১শ শতাব্দীর অন্যতম বড় সিদ্ধান্ত (Womens Reservation Bill2) নিতে চলেছে। আমি অত্যন্ত দায়িত্বের সঙ্গে বলছি, এটি আমাদের সময়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত। এই সিদ্ধান্ত ‘নারী শক্তি’র উদ্দেশ্যে নিবেদিত।” তিনি জানান, এই পদক্ষেপ অতীতের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেবে এবং সামাজিক ন্যায়বিচারকে শাসনব্যবস্থা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের একটি স্বাভাবিক অংশ করে তুলবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই সিদ্ধান্ত নারী শক্তির উদ্দেশে নিবেদিত। আমাদের দেশের সংসদ একটি নতুন ইতিহাস রচনা করতে চলেছে—যা অতীতের ভাবনাকে বাস্তবায়িত করবে এবং ভবিষ্যতের সংকল্প পূরণ করবে। এটি এমন এক ভারতের সংকল্প, যেখানে সমতা থাকবে এবং সামাজিক ন্যায়বিচার শুধু স্লোগান নয়, বরং কাজের সংস্কৃতি ও সিদ্ধান্ত নেওয়ার স্বাভাবিক অংশ হবে।”

    দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান

    তিনি এও বলেন, “দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান ঘটানোর সময় এসেছে—রাজ্য বিধানসভা থেকে সংসদ পর্যন্ত। ১৬, ১৭ ও ১৮ এপ্রিল এই বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হবে (PM Modi)।” প্রধানমন্ত্রী জানান, ভারত ২১শ শতাব্দীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে রয়েছে এবং এটি নারীর ক্ষমতায়নের একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ। তিনি বলেন, “গণতান্ত্রিক কাঠামোয় নারীদের সংরক্ষণ দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা কয়েক দশক ধরেই অনুভূত হয়েছে (Womens Reservation Bill2)। প্রায় ৪০ বছর ধরে এই বিষয়ে আলোচনা চলছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও প্রজন্ম এই ধারণাকে এগিয়ে নিয়ে এসেছে (PM Modi)।”

    নারী ক্ষমতায়ন আইন

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “২০২৯ সালের মধ্যে নারী ক্ষমতায়ন আইন বাস্তবায়নের সর্বসম্মত দাবি রয়েছে। ১৬ এপ্রিল থেকে সংসদে এই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা শুরু হবে। আমাদের লক্ষ্য হল পারস্পরিক সহযোগিতা ও অংশগ্রহণের মাধ্যমে এই কাজ সম্পন্ন করা। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সংসদের মর্যাদা আরও বৃদ্ধি পাবে এবং দেশের প্রতিটি নারী খুশি হবেন যে সব দল রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে তাঁদের স্বার্থে কাজ করেছে (Womens Reservation Bill2)।” এই উপলক্ষে একটি জাতীয় স্তরের ‘নারী শক্তি বন্দন সম্মেলন’ আয়োজন করা হয়েছে, যা ২০২৩ সালের নারী শক্তি বন্দন আইন কার্যকর করার সমর্থনে অনুষ্ঠিত হচ্ছে (PM Modi)। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্ত এবং অন্নপূর্ণা দেবীও।

     

LinkedIn
Share