Tag: Bengali news

Bengali news

  • BLA: বিএলএ কর্তৃক নৌ-শাখা ‘এইচএমডিএফ’ গঠনের ঘোষণা; পাকিস্তানি কোস্ট গার্ডের নৌকায় হামলার ভিডিও এবার প্রকাশ্যে

    BLA: বিএলএ কর্তৃক নৌ-শাখা ‘এইচএমডিএফ’ গঠনের ঘোষণা; পাকিস্তানি কোস্ট গার্ডের নৌকায় হামলার ভিডিও এবার প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তনের পাকসেনা বিরোধী বালুচ লিবারেশন আর্মি (BLA) আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের একটি নতুন নৌ-শাখা গঠনের ঘোষণা দিয়েছে, যার নাম রাখা হয়েছে ‘হাবিল মারি ডিফেন্স ফোর্স’ (HMDF)। এই ঘোষণার পাশাপাশি তারা পাকিস্তানি কোস্ট গার্ডের একটি নৌকায় হামলার একটি ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ করেছে।

    নতুন নৌ-শাখা (BLA)

    বিএলএ-এর (BLA) পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, তাদের এই বিশেষ শাখাটি সমুদ্র উপকূলীয় অঞ্চলে পাকিস্তানি নৌবাহিনী এবং কোস্ট গার্ডের গতিবিধি (HMDF) লক্ষ্য করে কাজ করবে। বালুচিস্তানের সমুদ্র সম্পদ রক্ষা এবং পাকিস্তানি বাহিনীর আধিপত্য কমানোই এই বাহিনীর মূল লক্ষ্য বলে তারা দাবি করেছে।

    কোস্ট গার্ডের ওপর হামলা

    বিএলএ-এর (BLA) প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা গেছে, সমুদ্রের মাঝে পাকিস্তানি কোস্ট গার্ডের একটি টহলদারি নৌকায় (HMDF) অতর্কিত হামলা চালানো হচ্ছে। ভিডিওতে শক্তিশালী বিস্ফোরণ এবং নৌকায় থাকা পাকিস্তানি সেনাদের লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণের দৃশ্য ফুটে উঠেছে।

    ভিডিওর সত্যতা

    প্রতিবাদী বিএলএ গোষ্ঠীর তরফে দাবি করেছে যে, এই হামলাটি তাদের নবগঠিত নৌ-শাখা এইচএমডিএফ-এর দ্বারা পরিচালিত হয়েছে। তবে পাকিস্তান সরকারের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত এই ভিডিও বা ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

    নিরাপত্তা উদ্বেগ

    প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, বিএলএ-এর (BLA)  এই নতুন নৌ-শাখা গঠন পাকিস্তানি নৌবাহিনীর জন্য একটি নতুন চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। বিশেষ করে করাচি এবং গোয়াদর বন্দরের মতো গুরুত্বপূর্ণ উপকূলীয় এলাকাগুলোতে নিরাপত্তা ঝুঁকি আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

    বালুচিস্তান অঞ্চলে গত কয়েক দশকে বিদ্রোহ এবং বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলন তীব্রতর হয়েছে। বিএলএ প্রায়শই পাকিস্তানের পরিকাঠামো এবং নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর হামলার দায় স্বীকার করে থাকে। এবারের নৌ-শাখা (HMDF) গঠনের ঘোষণা এই লড়াইকে সমুদ্র পর্যন্ত বিস্তৃত করার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

  • Constitution Amendment Bill: সংবিধান সংশোধনী বিলে নয়া ডিলিমিটেশনের প্রস্তাব

    Constitution Amendment Bill: সংবিধান সংশোধনী বিলে নয়া ডিলিমিটেশনের প্রস্তাব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য বিধানসভাগুলির আকার ও গঠনে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের প্রস্তাব দিয়েছে সংবিধান (একশত একত্রিশতম সংশোধনী) বিল, ২০২৬। এতে ফের সীমানা পুনর্নির্ধারণ (delimitation) প্রক্রিয়া (Fresh Delimitation) শুরু করা এবং ১৯৭৬ সাল থেকে কার্যকর থাকা জনসংখ্যার ভিত্তিতে আসন পুনর্বিন্যাসের ওপর দীর্ঘদিনের সাংবিধানিক স্থগিতাদেশ তুলে নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে (Constitution Amendment Bill)। এই বিলটি সংসদের একটি বিশেষ অধিবেশনে উত্থাপন করা হবে। অধিবেশন শুরু হবে ১৬ এপ্রিল থেকে। প্রস্তাবিত সংশোধনীগুলির ফলে রাজ্য বিধানসভাগুলির মোট আসনসংখ্যা জনসংখ্যার পরিবর্তনের ওপর নির্ভর করে বদলাবে, রাজ্যের অভ্যন্তরে নির্বাচনী এলাকার সীমানাও নতুন করে নির্ধারণ করা হবে।

    ডিলিমিটেশন কমিশনকে দায়িত্ব (Constitution Amendment Bill)

    জানা গিয়েছে, এই বিলটি সংবিধানের ১৭০ অনুচ্ছেদ সংশোধনের প্রস্তাব দেয়, যা রাজ্য বিধানসভার গঠন নিয়ন্ত্রণ করে। এর মাধ্যমে ভবিষ্যতে সংসদ নির্ধারিত একটি জনগণনার ভিত্তিতে বিধানসভার আসনসংখ্যা পুনর্নির্ধারণ এবং নির্বাচনী এলাকার সীমানা ফের আঁকার ব্যবস্থা করা হবে। এভাবে ১৯৭৬ সাল থেকে চালু থাকা পুনর্বিন্যাসের ওপর স্থগিতাদেশ তুলে নেওয়া হবে। বিলটি ১৭০ অনুচ্ছেদের তৃতীয় শর্তটি বাতিল করার প্রস্তাব দেয়, যা ২০২৬ সালের জনগণনার পর পর্যন্ত সীমানা পুনর্নির্ধারণ প্রক্রিয়া স্থগিত রেখেছিল (Constitution Amendment Bill)। এই সংশোধনীর মাধ্যমে আগে যেখানে সংসদ সীমানা নির্ধারণ কর্তৃপক্ষ ঠিক করত, সেখানে এখন সরাসরি একটি ডিলিমিটেশন কমিশনকে এই দায়িত্ব দেওয়া হবে। ১৭০(২) অনুচ্ছেদের ব্যাখ্যায় ‘জনসংখ্যা’ বলতে সংসদ যে জনগণনাকে গ্রহণ করবে, সেই জনগণনার তথ্য বোঝাবে (Fresh Delimitation)।

    এক-তৃতীয়াংশ আসন নারীদের জন্য

    জানা গিয়েছে, বিলটি ৩৩৪এ অনুচ্ছেদ প্রতিস্থাপন করে রাজ্য বিধানসভায় এক-তৃতীয়াংশ আসন নারীদের জন্য সংরক্ষণের ব্যবস্থা কার্যকর করবে। এই সংরক্ষণ কার্যকর হবে তখনই, যখন সর্বশেষ প্রকাশিত জনগণনার ভিত্তিতে নতুন করে সীমানা পুনর্নির্ধারণ করা হবে। উল্লেখ্য যে, সর্বশেষ জনগণনা হয়েছিল ২০১১ সালে (Constitution Amendment Bill)। সংরক্ষিত আসনগুলিকে পরবর্তী সীমানা পুনর্নির্ধারণে রাজ্যের মধ্যে ঘুরিয়ে (rotation) দেওয়া হবে। এই সংরক্ষণ ২০২৩ সালের সংবিধান (১০৬তম সংশোধনী) আইন কার্যকর হওয়ার পর থেকে ১৫ বছর পর্যন্ত বলবৎ থাকবে, যদি না সংসদ আইন করে এর মেয়াদ বাড়ায়। বিলটিতে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের কিছু রাজ্যে যাতে উপজাতি প্রতিনিধিত্ব কমে না যায়, তার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ৩৩২ অনুচ্ছেদের সংশোধনের মাধ্যমে অরুণাচল প্রদেশ, মেঘালয়, মিজোরাম, ত্রিপুরা ও নাগাল্যান্ডে উপজাতিদের বিশেষ সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে (Constitution Amendment Bill)।

    তফশিলি উপজাতিদের জন্য সংরক্ষিত আসন

    এছাড়া নির্ধারিত হয়েছে যে, তফশিলি উপজাতিদের জন্য সংরক্ষিত আসনের সংখ্যা বর্তমান অনুপাতের নীচে নামবে না (Fresh Delimitation)। এই পুরো প্রক্রিয়াটি পরিচালিত হবে প্রস্তাবিত ডিলিমিটেশন বিল, ২০২৬ অনুযায়ী। এর মাধ্যমে কেন্দ্রীয় সরকার একটি সীমানা পুনর্নির্ধারণ কমিশন গঠন করবে। এই কমিশনের প্রধান হবেন সুপ্রিম কোর্টের বর্তমান বা প্রাক্তন বিচারপতি। থাকবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (অথবা নির্বাচন কমিশনের মনোনীত কোনও কমিশনার) এবং সংশ্লিষ্ট রাজ্যের নির্বাচন কমিশনার। প্রত্যেক রাজ্যে ১০ জন সহযোগী সদস্য থাকবেন। এঁদের মধ্যে ৫ জন লোকসভার সদস্য এবং ৫ জন রাজ্যের বিধায়ক। তাঁরা কমিশনকে সাহায্য করতে পারবেন, কিন্তু চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে ভোট দিতে পারবেন না (Constitution Amendment Bill)।

    আসুন, জেনে নেওয়া যাক কমিশনের কাজটি ঠিক কী। কমিশন প্রতিটি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের লোকসভার আসন নির্ধারণ করবে, রাজ্য বিধানসভার মোট আসনসংখ্যা ঠিক করবে, সংসদীয় ও বিধানসভা আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণ করবে, তফশিলি জাতি, উপজাতি এবং মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত আসন চিহ্নিত করবে। খসড়া প্রস্তাব জনমত ও আপত্তির জন্য প্রকাশ করা হবে। পরে চূড়ান্ত হলে তা ভারতের গেজেটে প্রকাশিত হবে এবং আইনের শক্তি পাবে। তখন আর একে আদালতে চ্যালেঞ্জ করা যাবে না (Fresh Delimitation)।

    নতুন সীমানাগুলি কমিশনের চূড়ান্ত নির্দেশের পর অনুষ্ঠিত নির্বাচনে কার্যকর হবে (Constitution Amendment Bill)।

     

  • West Bengal Elections 2026: কলকাতায় তৃণমূলের নির্বাচনী মিছিলে অংশ নেওয়ায় তিন নাইজেরীয় নাগরিকের বিরুদ্ধে মামলা

    West Bengal Elections 2026: কলকাতায় তৃণমূলের নির্বাচনী মিছিলে অংশ নেওয়ায় তিন নাইজেরীয় নাগরিকের বিরুদ্ধে মামলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Elections 2026) উত্তাপের মধ্যে এক নজিরবিহীন ঘটনায়, কলকাতায় তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) হয়ে নির্বাচনী প্রচার মিছিলে অংশ নেওয়ার অভিযোগে তিন নাইজেরীয় নাগরিকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করল পুলিশ। কমিশনের (Election Commission India) কাছে অভিযোগ দায়ের হতেই বড় পদক্ষেপ। বিজেপির তরফে অভিযোগ, অভিযুক্তরা তৃণমূলের নির্বাচনী মিছিলে অংশ নিয়েছেন। এই ঘটনা নির্বাচনী বিধিনিয়মের বিরুদ্ধ। তাই তিন নাইজেরীয় নাগরিকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    কী ঘটেছিল (West Bengal Elections 2026)?

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, উত্তর কলকাতার জোড়াসাঁকো এলাকায় তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী স্মিতা বক্সীর সমর্থনে আয়োজিত একটি রোড-শো বা মিছিলে ওই তিন বিদেশি নাগরিককে দেখা যায়। তাঁরা জোড়াসাঁকো বিধানসভা কেন্দ্রের বিভিন্ন রাস্তায় তৃণমূলের পতাকা হাতে নিয়ে এবং দলের সমর্থনে স্লোগান দিতে দিতে মিছিলে পা মেলান। এরপর কমিশন (Election Commission India) কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করে।

    আইনি ব্যবস্থা

    ভারতের নির্বাচনী (West Bengal Elections 2026) আইন ও ভিসা নিয়ম অনুযায়ী, কোনো বিদেশি নাগরিক ভারতের মাটিতে সক্রিয়ভাবে কোনো রাজনৈতিক দলের হয়ে প্রচার বা নির্বাচনী কার্যকলাপে অংশ নিতে পারেন না। এই ঘটনার পর পুলিশ স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে ওই তিন নাইজেরীয় নাগরিকের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করেছে। তাঁদের বিরুদ্ধে ভিসা আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ আনা হয়েছে।

    বৈধ ভিসা নিয়ে ভারতে থাকছিলেন কি না

    মিছিলে বিদেশি নাগরিকদের অংশগ্রহণ নিয়ে বিতর্ক শুরু হলেও তৃণমূল কংগ্রেসের স্থানীয় নেতৃত্বের দাবি, তাঁরা স্বেচ্ছায় মিছিলে যোগ দিয়েছিলেন এবং দলগতভাবে তাঁদের আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। তবে বিরোধীরা (West Bengal Elections 2026) এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শাসক দলকে আক্রমণ করতে ছাড়েনি। নির্বাচন কমিশনও (Election Commission India) বিষয়টি খতিয়ে দেখছে বলে জানা গেছে।

    পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তরা বৈধ ভিসা নিয়ে ভারতে থাকছিলেন কি না এবং তাঁদের এই রাজনৈতিক মিছিলে আসার পেছনে অন্য কোনো উদ্দেশ্য ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

  • Amravati sex Racket: অমরাবতী যৌন নিগ্রহ চক্রের পর্দাফাঁস, ১৮০ জন নির্যাতিতা, ৩৫০টি ভিডিও; ১৯ বছর বয়সী অয়ন আহমেদ অভিযুক্ত

    Amravati sex Racket: অমরাবতী যৌন নিগ্রহ চক্রের পর্দাফাঁস, ১৮০ জন নির্যাতিতা, ৩৫০টি ভিডিও; ১৯ বছর বয়সী অয়ন আহমেদ অভিযুক্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহারাষ্ট্রের অমরাবতীতে (Amravati sex Racket) একটি ভয়াবহ যৌন নিগ্রহ ও ব্ল্যাকমেইলিং চক্রের ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। এই ঘটনায় পুলিশ ১৯ বছর বয়সী অয়ন আহমেদকে গ্রেফতার (Ayan Ahmed) করেছে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে যে, এই চক্রের জাল অত্যন্ত গভীরে এবং এটি কোনো সুসংগঠিত নেটওয়ার্কের অংশ হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

    বিপুল সংখ্যক ভুক্তভোগী(Amravati sex Racket)

    তদন্তে জানা গেছে, প্রায় ১৮০ জন নারী ও তরুণী এই চক্রের শিকার হয়েছেন। অভিযুক্ত তাদের বিভিন্নভাবে ফাঁদে ফেলে যৌন নিগ্রহ করেছে বলে অভিযোগ। পুলিশ অভিযুক্তের ডিভাইস থেকে প্রায় ৩৫০টি আপত্তিকর ভিডিও উদ্ধার করেছে। এই ভিডিওগুলো ব্যবহার করে ভুক্তভোগীদের (Ayan Ahmed) করা হতো বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    অভিযুক্তের পরিচয়

    মূল অভিযুক্তের নাম অয়ন আহমেদ (Amravati sex Racket)। পুলিশ তাকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে। সুসংগঠিত নেটওয়ার্ক গড়া হয়েছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এবং তদন্তকারী কর্মকর্তাদের মতে, এটি একক কোনো ব্যক্তির কাজ নয়। এর পেছনে একটি বড় সংগঠিত গোষ্ঠী বা চক্র কাজ করছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    তদন্তের অগ্রগতি

    পুলিশ ভুক্তভোগীদের (Amravati sex Racket) পরিচয় গোপন রেখে মামলার তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। সাইবার সেল এবং স্থানীয় পুলিশ যৌথভাবে এই চক্রের বাকি সদস্যদের খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে।

    এই ঘটনাটি স্থানীয় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ  তৈরি হয়েছে। প্রশাসন থেকে জনগণকে সতর্ক থাকতে এবং সন্দেহজনক কিছু দেখলে পুলিশকে জানাতে অনুরোধ করা হয়েছে।

  • Mayawati: ৩৩ শতাংশ মহিলা সংরক্ষণ বিল সমর্থন বিএসপি সুপ্রিমো মায়াবতীর

    Mayawati: ৩৩ শতাংশ মহিলা সংরক্ষণ বিল সমর্থন বিএসপি সুপ্রিমো মায়াবতীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভার জন্য প্রস্তাবিত ৩৩ শতাংশ মহিলা সংরক্ষণ বিল (Womens Reservation Bill) সমর্থন করেছেন বহুজন সমাজবাদী পার্টির প্রধান মায়াবতী (Mayawati)। এই বিলটি পাশ করাতে কয়েক দিনের মধ্যে একটি বিশেষ অধিবেশনের প্রস্তুতি নিচ্ছে সংসদ। এই অধিবেশনেই মহিলাদের সংরক্ষণ বিল নিয়ে আলোচনা ও পাস করা হবে। এই প্রেক্ষিতে বহুজন সমাজ পার্টি সুপ্রিমোর ভিন্ন সুরে যারপরনাই খুশি বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ। মায়াবতী বলেন, “এটি অন্তত মহিলাদের প্রাপ্য প্রতিনিধিত্ব দেওয়ার একটি সূচনা।
    সংখ্যাটা হয়তো কম, কিন্তু এটি একটি শুরু, এবং আমরা একে স্বাগত জানাই। ৫০ না হলেও, ৩৩ শতাংশই চলবে।”

    প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য (Mayawati)

    উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমাদের দল বিএসপি আগে থেকেই মহিলাদের জন্য ৫০ শতাংশ সংরক্ষণের দাবি জানিয়ে আসছে। অন্য কোনও দল এতে রাজি হয়নি, ভবিষ্যতেও সম্মত হবে বলে মনে হয় না। আমরা শ্রদ্ধেয় বিআর আম্বেদকরকেও ধন্যবাদ জানাই, যিনি নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সমান ভোটাধিকারের ব্যবস্থা করেছিলেন।” তিনি জানান, ২০২৩ সালে প্রথম পাশ হওয়া আইন বাস্তবায়িত হতে দেরি হলেও তার দল একে স্বাগত জানায় এবং ঐতিহাসিকভাবে বঞ্চিত মহিলাদের জন্য সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “যদিও দেরি হয়েছে, তবুও আমরা একে স্বাগত জানাই। যদি প্রকৃতপক্ষে শোষিত ও বঞ্চিত মহিলাদের—বিশেষত এসসি, এসটি এবং ওবিসি সম্প্রদায়ের মহিলাদের জন্য আলাদা সংরক্ষণ দেওয়া হয়, তবে তা যথাযথ ও ঐতিহাসিক (Mayawati) হবে।”

    নারী ক্ষমতায়ন নিয়েও আলোচনা

    মহিলাদের ক্ষমতায়ন নিয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মায়াবতী বলেন, “মহিলাদের অধিকার নিয়ে অনেক কথা বলা হলেও সুস্পষ্ট নীতি ও দৃঢ় ইচ্ছাশক্তির অভাবে তা বাস্তবায়িত হয়নি। আগামীকাল থেকে সংসদের তিন দিনের অধিবেশন শুরু হচ্ছে। নারী ক্ষমতায়ন নিয়ে অনেক আলোচনা হলেও সঠিক নীতি ও ইচ্ছেশক্তির অভাবে তা যথাযথভাবে এগোয়নি। অন্যান্য (Womens Reservation Bill) বঞ্চিত গোষ্ঠীর মতো মহিলারাও এখনও বিভিন্ন অপরাধ ও হিংসার শিকার হচ্ছেন (Mayawati)।”

    কংগ্রেসকে নিশানা মায়াবতীর

    কংগ্রেসকে নিশানা করে তিনি বলেন, “স্বাধীনতার পর দলটির নীতিতে জাতিভেদ একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল এবং এর ফলে মহিলাদের সংরক্ষণ বিলম্বিত হয়েছে।” মায়াবতী বলেন, “তৎকালীন কংগ্রেস সরকার জাতিভেদের কারণে এটি গ্রহণ করেনি এবং পরে ধাপে ধাপে তা পাশ করে। ফলে আম্বেদকরকে দেশের প্রথম আইনমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করতে হয়। কারণ ওবিসিদের জন্য সংরক্ষণ এবং মহিলাদের নিরাপত্তা ও উন্নতির জন্য যথেষ্ট পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।” প্রসঙ্গত, এর আগে মঙ্গলবার, সরকার ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে মহিলা সংরক্ষণ আইন কার্যকর করার লক্ষ্যে লোকসভার আসন সংখ্যা ৮৫০ করার প্রস্তাব দেয়। এর মধ্যে ৮১৫টি আসন রাজ্যগুলির জন্য এবং ৩৫টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের জন্য নির্ধারিত হবে বলে সূত্রের খবর। বর্তমানে লোকসভায় ৫৪৩টি আসন রয়েছে। সরকার ১৬, ১৭ এবং ১৮ এপ্রিল সংসদের বিশেষ অধিবেশনে সংবিধান সংশোধনী বিল আনতে চায়, যাতে ২০২৯ থেকে লোকসভায় ৩৩ শতাংশ মহিলা সংরক্ষণ কার্যকর করা যায় (Mayawati)। প্রস্তাবিত সীমানা পুনর্নির্ধারণের ফলে সব রাজ্যের আসন সংখ্যা বাড়বে। এই বিশেষ অধিবেশনে নারী শক্তি বন্দন অধিনিয়ম, ২০২৩ সংশোধন এবং প্রস্তাবিত (Womens Reservation Bill) ডিলিমিটেশন বিলও নিয়ে আলোচনা হবে।

     

  • Bengali New Year: বাংলা পঞ্জিকার প্রবর্তন করেছিলেন আকবর! কে ভুলিয়ে দিতে চাইছে ইতিহাস?

    Bengali New Year: বাংলা পঞ্জিকার প্রবর্তন করেছিলেন আকবর! কে ভুলিয়ে দিতে চাইছে ইতিহাস?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাত পোহালেই পয়লা বৈশাখ (Bengali New Year)। বাংলা ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, এদিন থেকেই শুরু হয়েছে বঙ্গাব্দ (Shashanka Dynasty)। এক দলের মতে, বাংলা পঞ্জিকার প্রবর্তন করেছিলেন মুঘল সম্রাট আকবর। রাজস্ব আদায় স্থানীয় ঋতুচক্রের সঙ্গে মিলিয়ে নিতেই তিনি এটি করেছিলেন। বর্তমানে আমরা রয়েছি ১৪২৬ বঙ্গাব্দে। স্বাগত জানাতে চলেছি ১৪২৭কে। আর আকবরের শাসন কাল শুরু হয়েছিল ১৫৫৬ খ্রিস্টাব্দে। যার অর্থ, মুঘল সম্রাট আকবরের রাজ্যাভিষেক হওয়ার অনেক আগেই চালু হয়ে গিয়েছিল বংলা পঞ্জিকা।

    বঙ্গাব্দের সূচনা (Bengali New Year)

    বঙ্গাব্দের সূচনা হয়েছিল ৫৯৪ খ্রিস্টাব্দে। তখন শাসক ছিলেন মহাসামন্ত, পরে গৌড়েশ্বর শশাঙ্কই বসেন রাজসিংহাসনে। অনুমান, তিনি ছিলেন মগধের পরবর্তী গুপ্তদের অধীনস্থ বা তাঁদের বংশধর। যাই হোক, পঞ্চম শতকের শেষে তিনি মগধ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে বাংলার প্রথম ঐতিহাসিক স্বাধীন রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন। এই গৌড় রাজ্যেরই রাজধানী ছিল কর্ণসুবর্ণ, যা আজকের মুর্শিদাবাদ। বাংলা পঞ্জিকার প্রাচীনতম প্রত্নতাত্ত্বিক উল্লেখ পাওয়া যায় বাঁকুড়া জেলার ডিহারগ্রাম ও সোনাতাপান গ্রামের কয়েকটি প্রাচীন টেরাকোটা শিবমন্দিরে, যা বহিরাগত আক্রমণের আগেকার সময়ের।

    বঙ্গাব্দ চালুর কৃতিত্ব আকবরের!

    সমালোচকদের একাংশ বঙ্গাব্দ চালুর কৃতিত্ব দিতে চান ষোড়শ শতকের আকবর বা ১৫–১৬শ শতকের সুলতান আলাউদ্দিন হোসেন শাহকে (Shashanka Dynasty)। প্রশ্ন হল, একটা পুরো হাজার বছরকে কি এভাবে কর্পূরের মতো হাওয়ায় মিলিয়ে দেওয়া যায়? তাদের যুক্তি, হিজরি (৬২২ খ্রিস্টাব্দ) চান্দ্র পঞ্জিকাকে সৌর পঞ্জিকায় রূপান্তর করে কৃষি-রাজস্বের সুবিধা করা হয়েছিল। এসব করা হয়েছিল কিছু দেশীয় পঞ্জিকার সাহায্যে। প্রশ্ন হল, শশাঙ্কের ক্রেডিটকে কেন গুরুত্ব দেওয়া হবে না?

    শশাঙ্কের চালু করা দেশীয় পঞ্জিকা

    এঁদের মতে, শশাঙ্কের চালু করা দেশীয় পঞ্জিকার ধারণাই অনেক বেশি স্বাভাবিক এবং সহজবোধ্য। অন্য একটি অংশের মতে, পূর্ব পাকিস্তানের সময় একটি ‘বাঙালি মুসলিম পরিচয়ে’র সঙ্গে মানানসই ক্যালেন্ডার খোঁজার প্রবণতা ছিল (Bengali New Year)। স্বাধীনতার পরেও বাংলাদেশে বাংলা নববর্ষ জাঁকজমকভাবে উদযাপিত হয়। এই প্রেক্ষিতে, একটি সম্পূর্ণ দেশীয়, ইসলাম-পূর্ব উৎসের বাংলা পঞ্জিকার ধারণা কিছু গোষ্ঠীর কাছে অস্বস্তিকর হতে পারে, এমন অভিমতও ব্যক্ত করেন অনেকে। এঁদের মতে, বাঙালি ও ভারতীয় সংস্কৃতির ধারাবাহিকতা বোঝা এবং ইতিহাসকে সঠিকভাবে জানার গুরুত্ব রয়েছে। সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য রক্ষার জন্য ইতিহাসকে বিকৃতি থেকে মুক্ত রাখা প্রয়োজন, এমন আহ্বানও করা হয়েছে এখানে। তাদের বক্তব্য, বাঙালি তার গৌরব বজায় রাখুক, তবে ইতিহাসের সঠিক তথ্যের ভিত্তিতে। শশাঙ্কের মতো একজন ঐতিহাসিক শাসকের অবদান জানলে গৌরবের অনুভূতি আরও দৃঢ় হতে পারে। শশাঙ্ক (Shashanka Dynasty) বর্তমান পশ্চিমবঙ্গ, বাংলাদেশ, বিহার ও অসমের কিছু অংশকে একত্রিত করেছিলেন (Bengali New Year)। এটি আঞ্চলিক পরিচয়ের ক্ষেত্রেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

     

  • Daily Horoscope 15 April 2026: পরিবারে সুখ-শান্তি বজায় থাকবে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 15 April 2026: পরিবারে সুখ-শান্তি বজায় থাকবে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    আজকের রাশিফল (১৪ এপ্রিল ২০২৬):

    মেষ (Aries):
    ১. কর্মক্ষেত্রে নতুন সুযোগ আসতে পারে।
    ২. আত্মবিশ্বাস বাড়বে এবং নেতৃত্বের গুণ প্রকাশ পাবে।
    ৩. হঠাৎ সিদ্ধান্ত নেওয়া এড়িয়ে চলুন।

    বৃষ (Taurus):
    ১. অর্থনৈতিক দিক শক্তিশালী থাকবে।
    ২. পরিবারে সুখ-শান্তি বজায় থাকবে।
    ৩. স্বাস্থ্যের দিকে একটু বেশি নজর দিন।

    মিথুন (Gemini):
    ১. যোগাযোগ ও কথাবার্তায় সাফল্য পাবেন।
    ২. নতুন মানুষের সঙ্গে পরিচয় হতে পারে।
    ৩. ছোট ভ্রমণের যোগ আছে।

    কর্কট (Cancer):
    ১. কাজের চাপ কিছুটা বাড়তে পারে।
    ২. ধৈর্য ধরলে ভালো ফল পাবেন।
    ৩. পরিবারে দায়িত্ব বাড়বে।

    সিংহ (Leo):
    ১. নতুন কাজে সাফল্যের সম্ভাবনা।
    ২. প্রেম জীবনে সুখবর আসতে পারে।
    ৩. আত্মবিশ্বাস আপনাকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।

    কন্যা (Virgo):
    ১. ছোট ভুল বড় সমস্যার কারণ হতে পারে।
    ২. কাজে মনোযোগ বাড়াতে হবে।
    ৩. অর্থ খরচে সতর্ক থাকুন।

    তুলা (Libra):
    ১. বন্ধুদের সঙ্গে ভালো সময় কাটবে।
    ২. আর্থিক উন্নতির সম্ভাবনা রয়েছে।
    ৩. নতুন পরিকল্পনা সফল হতে পারে।

    বৃশ্চিক (Scorpio):
    ১. কর্মক্ষেত্রে উন্নতির সুযোগ আসবে।
    ২. সহকর্মীদের সঙ্গে বিবাদ এড়িয়ে চলুন।
    ৩. আত্মসংযম বজায় রাখুন।

    ধনু (Sagittarius):
    ১. ভ্রমণের সম্ভাবনা রয়েছে।
    ২. নতুন কিছু শেখার সুযোগ পাবেন।
    ৩. মন প্রফুল্ল থাকবে।

    মকর (Capricorn):
    ১. খরচ কিছুটা বাড়তে পারে।
    ২. পরিকল্পনা করে চলা প্রয়োজন।
    ৩. কাজের চাপ সামলাতে হবে।

    কুম্ভ (Aquarius):
    ১. দাম্পত্য জীবনে সুখ-শান্তি থাকবে।
    ২. নতুন কাজের পরিকল্পনা সফল হতে পারে।
    ৩. বন্ধুর সহায়তা পাবেন।

    মীন (Pisces):
    ১. মানসিক শান্তি অনুভব করবেন।
    ২. পুরনো সমস্যা মিটে যেতে পারে।
    ৩. আধ্যাত্মিক ভাবনা বৃদ্ধি পাবে।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Ramakrishna 623: “শ্রীরামকৃষ্ণ—বঙ্কিম ছেলেটি কেমন? এখানে যদি আসতে না পারে, তুমি না হয় তারে সব বলবে—চৈতন্য হবে”

    Ramakrishna 623: “শ্রীরামকৃষ্ণ—বঙ্কিম ছেলেটি কেমন? এখানে যদি আসতে না পারে, তুমি না হয় তারে সব বলবে—চৈতন্য হবে”

    ৫২ শ্যামপুকুর বাটীতে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

                          পঞ্চবিংশ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২৭শে অক্টোবর

    শ্যামপুকুর বাটীতে নরেন্দ্র, মণি প্রভৃতি ভক্তসঙ্গে
    অসুখ কেন? নরেন্দ্রের প্রতি সন্ন্যাসের উপদেশ

    ঠাকুর (Ramakrishna) শ্যামপুকুরের বাটীতে নরেন্দ্র প্রভৃতি ভক্তসঙ্গে বসিয়া আছেন। বেলা দশটা। আজ ২৭থে অক্টোবর, ১৮৮৫, মঙ্গলবার, আশ্বিন কৃষ্ণা চতুর্থী, ১২ই কার্তিক।

    ঠাকুর নরেন্দ্র, মণি প্রভৃতির সহিত কথা কহিতেছেন।

    নরেন্দ্র — ডাক্তার কাল কি করে গেল।

    একজন ভক্ত — সুতোয় মাছ গিঁথেছিল, ছিঁড়ে গেল।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (সহাস্যে) — বঁড়শি বেঁধা আছে — মরে ভেসে উঠবে।

    নরেন্দ্র একটু বাহিরে গেলেন, আবার আসিবেন। ঠাকুর মণির সহিত পূর্ণ সম্বন্ধে কথা কহিতেছেন —

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Kathamrita)— তোমায় বলছি — এ-সব জীবের শুনতে নাই — প্রকৃতিভাবে পুরুষকে (ঈশ্বরকে) আলিঙ্গন, চুম্বন করতে ইচ্ছা হয়।

    মণি — নানারকম খেলা — আপনার রোগ পর্যন্ত খেলার মধ্যে। এই রোগ হয়েছে বলে এখানে নূতন নূতন ভক্ত আসছে।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (সহাস্যে) — ভূপতি বলে, রোগ না হলে শুধু বাড়িভাড়া করলে লোকে কি বলত — আচ্ছা, ডাক্তারের কি হল?

    মণি — এদিকে দাস্য মানা আছে —‘আমি দাস, তুমি প্রভু।’ আবার বলে — মানুষ-উপমা আনো কেন!

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Kathamrita) — দেখলে! আজ কি আর তুমি তার কাছে যাবে?

    মণি — খপর দিতে যদি হয়, তবে যাব।

    শ্রীরামকৃষ্ণ—বঙ্কিম ছেলেটি কেমন? এখানে যদি আসতে না পারে, তুমি না হয় তারে সব বলবে—চৈতন্য হবে।

    আগে সংসারের গোছগাছ, না ঈশ্বর? কেশব ও নরেন্দ্রকে ইঙ্গিত

    নরেন্দ্র (Ramakrishna) আসিয়া কাছে বসিলেন। নরেন্দ্রের পিতার পরলোকপ্রাপ্তি হওয়াতে বড়ই ব্যতিব্যস্ত হইয়াছেন। মা ও ভাই এরা আছেন, তাহাদের ভরণপোষণ করিতে হইবে। নরেন্দ্র আইন পরীক্ষার জন্য প্রস্তুত হইতেছেন। মধ্যে বিদ্যাসাগরের বউবাজারের স্কুলে কয়েক মাস শিক্ষকতা করিয়াছিলেন। বাটীর একটা ব্যবস্থা করিয়া দিয়া নিশ্চিন্ত হইবেন — এই চেষ্টা কেবল করিতেছেন।

    ঠাকুর সমস্তই অবগত আছেন — নরেন্দ্রকে একদৃষ্টে সস্নেহে দেখিতেছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (মাস্টারকে) — আচ্ছা, কেশব সেনকে বললাম, — যদৃচ্ছালাভ। যে বড় ঘরের ছেলে, তার খাবার জন্য ভাবনা হয় না — সে মাসে মাসে মুসোহারা পায়। তবে নরেন্দ্রের অত উঁচু ঘর, তবু হয় না কেন? ভগবানে মন সব সমর্পণ করলে তিনি তো সব জোগাড় করে দিবেন!

    মাস্টার — আজ্ঞা হবে; এখনও তো সব সময় যায় নাই।

    শ্রীরামকৃষ্ণ — কিন্তু তীব্র বৈরাগ্য হলে ও-সব হিসাব থাকে না। ‘বাড়ির সব বন্দোবস্ত করে দিব, তারপরে সাধনা করব’ — তীব্র বৈরাগ্য হলে এরূপ মনে হয় না। (সহাস্যে) গোঁসাই লেকচার দিয়েছিল। তা বলে, দশ হাজার টাকা হলে ওই থেকে খাওয়া-দাওয়া এই সব হয় — তখন নিশ্চিন্ত হয়ে ঈশ্বরকে বেশ ডাকা যেতে পারে।

  • India: ভারতে ক্রমেই বাড়ছে ইউপিআইয়ের ব্যবহার, লেনদেনের পরিমাণ জানেন?

    India: ভারতে ক্রমেই বাড়ছে ইউপিআইয়ের ব্যবহার, লেনদেনের পরিমাণ জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের (India) ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থায় দেখা গেল একটি ট্রান্সফর্মেটিভ বছর। ২০২৫ সালে ইউনিফায়েড পেমেন্টস ইন্টারফেসের  (UPI) মাধ্যমে মোট ২২৮.৫ বিলিয়ন টাকা লেনদেন হয়েছে। এটি গত বছরের তুলনায় ৩৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে ‘ওয়ার্ল্ডলাইনে’র একটি প্রতিবেদনে। জানা গিয়েছে, মোট লেনদেনের মূল্য দাঁড়িয়েছে ২৯৯.৭৪ ট্রিলিয়ন টাকা, যা দৈনন্দিন লেনদেনের ক্ষেত্রে ইউপিআইকে ভারতের প্রধান পেমেন্ট পদ্ধতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

    ডিজিটাল পেমেন্টই ভরসা (India)

    ‘ওয়ার্ল্ডলাইনে’র বার্ষিক রিপোর্ট “ইন্ডিয়া ডিজিটাল পেমেন্টস রিপোর্ট-ইয়ার ২০২৫ ইন রিভিউ থেকে। প্রতিবেদনটিতে দেখা গিয়েছে, ভারত একটি মাইক্রো-ট্রানজ্যাকশন অর্থনীতিতে রূপান্তরিত হচ্ছে, যেখানে ছোট অঙ্কের নগদ লেনদেনের পরিবর্তে ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবহৃত হচ্ছে—পাড়ার দোকান থেকে শুরু করে পরিবহণ ও দৈনন্দিন পরিষেবা পর্যন্ত, সব ক্ষেত্রেই। জানা গিয়েছে, ইউপিআই (UPI) লেনদেনের গড় মূল্য (ATS) কমে গিয়েছে, যা দৈনন্দিন ছোটখাটো কেনাকাটায় এর ব্যবহার বৃদ্ধির ইঙ্গিত দেয়। মোট এটিএস ৯ শতাংশ কমে ১,৩১৪ টাকায় নেমেছে, আর ব্যবসায়ী পেমেন্টের এটিএস কমে হয়েছে ৫৯২ টাকা।

    ভারতের পেমেন্ট ব্যবস্থায় আধিপত্য

    ইউপিআই এখনও ভারতের পেমেন্ট ব্যবস্থায় আধিপত্য বজায় রেখেছে, যেখানে ব্যক্তি-থেকে-ব্যক্তি (P2P) এবং ব্যক্তি-থেকে-ব্যবসায়ী (P2M) উভয় ক্ষেত্রেই বৃদ্ধি দেখা গিয়েছে। P2M লেনদেন ৩৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ১৪৩.৮২ বিলিয়নে পৌঁছেছে (India)। ব্যবসায়ীদের গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধির জন্য পরিকাঠামোও দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। ইউপিআই কিউআর কোডের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৩১.৩৮ মিলিয়নে, এবং পিওএস টার্মিনালের সংখ্যা ১১.৪৮ মিলিয়নে পৌঁছেছে। যদিও দৈনন্দিন পেমেন্টে ইউপিআই প্রাধান্য পাচ্ছে, তবুও বড় অঙ্কের এবং অনলাইন কেনাকাটায় কার্ডের ব্যবহার বাড়ছে। ক্রেডিট কার্ড লেনদেন ২৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৫.৬৯ বিলিয়নে পৌঁছেছে, আর ডেবিট কার্ড ব্যবহার কমেছে ২৩ শতাংশ, যা ছোট লেনদেনের ক্ষেত্রে ইউপিআইতে স্থানান্তরের ইঙ্গিত দেয় (UPI)।

    ক্রেডিট কার্ডে লেনদেনের পরিমাণ

    অনলাইন ক্রেডিট কার্ডে লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৪.৫৩ ট্রিলিয়ন টাকা, যা ই-কমার্স এবং উচ্চমূল্যের কেনাকাটায় কার্ডের গুরুত্বকে আরও জোরদার করেছে। পুনরাবৃত্ত ডিজিটাল পেমেন্টও দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই ব্যবস্থায় ভারতের লেনদেন ৪০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৩.০৫ বিলিয়নে পৌঁছেছে। এর মোট মূল্য ১৪.৮৪ ট্রিলিয়ন টাকা, যা আদতে নির্দেশ করে ৯৩ শতাংশ বৃদ্ধি (India)। এই প্ল্যাটফর্মে শিক্ষা ফি, বিমা, ইএমআই এবং সাবস্ক্রিপশন পরিষেবার মতো ক্ষেত্রে দ্রুত জনপ্রিয়তা পাচ্ছে, যা “সেট অ্যান্ড ফরগেট” পেমেন্ট মডেলের উত্থান নির্দেশ করে। ওয়ার্ল্ডলাইন ইন্ডিয়ার সিইও রমেশ নরসিংহন বলেন, “ভারতের ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থা এখন একটি নতুন পরিণত পর্যায়ে প্রবেশ করছে, যেখানে ব্যাপকতার সঙ্গে কাঠামোগত উন্নয়ন ঘটছে। ইউপিআই, কার্ড এবং পুনরাবৃত্ত পেমেন্ট প্ল্যাটফর্মগুলির মধ্যে স্পষ্ট ভূমিকা তৈরি হচ্ছে, যা দ্রুত সম্প্রসারিত পরিকাঠামোর দ্বারা সমর্থিত।”

  • India: ফের একবার আফগানিস্তানের পাশে দাঁড়াল ভারত, এবার কী সাহায্য করা হচ্ছে?

    India: ফের একবার আফগানিস্তানের পাশে দাঁড়াল ভারত, এবার কী সাহায্য করা হচ্ছে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের একবার আফগানিস্তানের পাশে দাঁড়াল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভারত। মঙ্গলবার জানা গিয়েছে, আফগানিস্তানের শিশুদের যক্ষ্মা প্রতিরোধে টিকাকরণ কর্মসূচিকে সমর্থন করতে ১৩ টন বিসিজি (BCG) টিকা এবং সংশ্লিষ্ট শুকনো সামগ্রী সরবরাহ করল ভারত। বিদেশমন্ত্রকের দেওয়া তথ্যেই জানা গেল এ খবর।

    বিদেশমন্ত্রকের বক্তব্য (India)

    এক্স হ্যান্ডেলে এক পোস্টে বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “ভারত আফগানিস্তানের জনস্বাস্থ্য মন্ত্রককে ১৩ টন বিসিজি টিকা এবং সংশ্লিষ্ট শুকনো সামগ্রী দিয়েছে, যাতে দেশটির শিশুদের যক্ষ্মা প্রতিরোধ টিকাকরণ কর্মসূচি আরও জোরদার করা যায়।” এই চালানটি আফগানিস্তানের জনস্বাস্থ্য মন্ত্রকে পাঠানো হয়েছে, যাতে দেশের শিশুদের যক্ষ্মা প্রতিরোধ কর্মসূচি শক্তিশালী করা যায়। ভারত দীর্ঘদিন ধরে আফগানিস্তানকে মানবিক সহায়তা দিয়ে আসছে, এর মধ্যে চিকিৎসা সরঞ্জাম এবং টিকা দানও রয়েছে। ৩ এপ্রিল আফগানিস্তানে ভূমিকম্পের পরেও এই সাহায্য অব্যাহত রয়েছে। এর আগে, ৫ এপ্রিল বিদেশমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়, ভারত বন্যা ও ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত আফগানিস্তানকে মানবিক সহায়তা দিয়েছে।

    ভারত আফগানিস্তানের জনগণের পাশে রয়েছে

    সেই সময় রণধীর জয়সওয়াল এক পোস্টে জানিয়েছিলেন, ভারত দুর্যোগ ত্রাণ সামগ্রী যেমন রান্নার সরঞ্জাম, স্বাস্থ্যবিধি কিট, প্লাস্টিক শিট, ত্রিপল, স্লিপিং ব্যাগ ইত্যাদি পাঠিয়েছে। তিনি বলেন, “ভারত আফগানিস্তানের জনগণের পাশে রয়েছে এবং এই কঠিন সময়ে মানবিক সহায়তা দান অব্যাহত রাখবে।” জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, ভারী বৃষ্টি ও বন্যায় ১৩১টি বাড়ি সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে এবং ৬৫০টির আংশিক ক্ষতি হয়েছে। এছাড়াও ৩,০০০-এর বেশি জেরিব কৃষিজমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এদিকে, আফগানিস্তান সরকার রাষ্ট্রসংঘের নিষেধাজ্ঞার ব্যবস্থার কঠোর সমালোচনা করেছে। সাম্প্রতিক তালিকাকে তারা “অযৌক্তিক এবং অকার্যকর” বলে অভিহিত করেছে।

    আফগানিস্তানের মুখপাত্রের বক্তব্য

    এই বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ বলেন, “এই ধরনের নিষেধাজ্ঞা নীতিগত ব্যর্থতা এবং সঠিক বিশ্লেষণের অভাব প্রকাশ করে।” তিনি বলেন, “বারবার একই পদক্ষেপ করা যুক্তিহীন এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলি এর প্রভাব যথাযথভাবে মূল্যায়ন করতে ব্যর্থ হয়েছে।” মুজাহিদ আরও বলেন, “এই নিষেধাজ্ঞাগুলি মূলত সাধারণ আফগান জনগণের ক্ষতি করে, সিদ্ধান্ত গ্রহণকারীদের নয়।” তিনি সতর্ক করেন, ব্যক্তিদের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা শেষ পর্যন্ত সরকারি প্রতিষ্ঠান এবং বৃহত্তর সমাজকেও প্রভাবিত করে।

    প্রসঙ্গত, এই মন্তব্যগুলি এসেছে রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তের পর। সেখানে ১৯৮৮ সালের নিষেধাজ্ঞা কমিটি চারজন প্রবীণ তালিবান কর্তার তথ্য আপডেট করা হয়েছে। এঁরা হলেন, মোহাম্মদ হাসান আখুন্দ, আবদুল গনি বরাদর, আমির খান মুত্তাকি এবং হেদায়াতুল্লাহ বাদরি।

     

LinkedIn
Share