Tag: Bengali news

Bengali news

  • West Bengal Elections 2026: পুলিশের বদলি মামলায় সুপ্রিম কোর্টে মুখ পুড়ল মমতা সরকারের! কমিশনের সিদ্ধান্তই বহাল

    West Bengal Elections 2026: পুলিশের বদলি মামলায় সুপ্রিম কোর্টে মুখ পুড়ল মমতা সরকারের! কমিশনের সিদ্ধান্তই বহাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন প্রক্রিয়া চলাকালীন পুলিশ আধিকারিকদের বদলি সংক্রান্ত কলকাতা হাইকোর্টের রায়ে কোনও প্রকার হস্তক্ষেপ করতে অস্বীকার করল দেশের শীর্ষ আদালত (Supreme Court)। সুপ্রিম কোর্ট (West Bengal Elections 2026) স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে, সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন সম্পন্ন করার লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশনের নেওয়া প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে কোনও আইনি জটিলতা তৈরি করার প্রয়োজন নেই। ফলে রাজ্য সরকারের ফের আরেকবার মুখ পুড়ল দেশের সর্বোচ্চ আদালতে।

    কমিশনের সিদ্ধান্ত বহাল (West Bengal Elections 2026)

    নির্বাচন আবহে (West Bengal Elections 2026) রাজ্যের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পুলিশ আধিকারিককে বদলি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে যে আবেদন করা হয়েছিল, তাতে আদালত কোনও সাড়া দেয়নি। এর আগে কলকাতা হাইকোর্টও কমিশনের এই প্রশাসনিক এক্তিয়ারের পক্ষেই মত দিয়েছিল। সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) সেই নির্দেশকেই কার্যকর রাখল।

    বঙ্গে নির্বাচনী নির্ঘণ্ট ঘোষণার পরই গত ১৫ মার্চ থেকে ১৯ মার্চের মধ্যে ৪৬ জন অফিসার বদল করে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। সেই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে এবং এই আধিকারিকদের পুনর্বহালের দাবিতে জনস্বার্থ মামলা করেছিল মমতা সরকারের তরফে। পাশাপাশি বিডিও, আইসি এবং ওসি বদলি নিয়ে দায়ের হয় আর একটি মামলা। তবে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল এবং বিচারপতি পার্থসারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চ মামলা দুটি খারিজ করে দেন। তাঁদের সাফ কথা, “নির্বাচন কমিশনের অফিসারদের বদলি করার সিদ্ধান্তকে ইচ্ছাকৃত, অযৌক্তিক বা দুরভিসন্ধিপূর্ণ বলে মনে করা যায় না। কারণ গোটা দেশে এমন অফিসার বদলির ঘটনা ঘটেছে একাধিক জায়গায়।”

    আইনি যুক্তি

    শীর্ষ আদালতের মতে, নির্বাচন (West Bengal Elections 2026) চলাকালীন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে কমিশন যে কোনও আধিকারিককে বদলি বা নতুন করে নিয়োগের ক্ষমতা রাখে। এর ফলে সংশ্লিষ্ট আবেদনকারীর বিশেষ কোনও মৌলিক অধিকার খর্ব হয়নি বলেই মনে করছে আদালত। সুপ্রিম কোর্টের এই সিদ্ধান্তের ফলে নির্বাচন কমিশনের প্রশাসনিক ক্ষমতা ও আধিপত্য আরও একবার আইনি শিলমোহর পেল। রাজ্যের বর্তমান নির্বাচনী আবহে কমিশনের নেওয়া বদলি সংক্রান্ত পদক্ষেপগুলি নিয়ে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল, তা এই রায়ের ফলে পুরোপুরি দূর হয়েছে। এখন থেকে কমিশন (Supreme Court) তার নির্ধারিত পরিকল্পনা অনুযায়ী নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক রদবদল চালিয়ে যেতে পারবে। তবে নির্বাচন কমিশনের স্পষ্ট কথা নির্বাচন অবাদ এবং শান্তিপূর্ণ করতে সব রকম প্রস্তুতি নেওয়া হবে।

  • WB Migrant Workers: ট্রেনে টিকিটের জন্য হাহাকার, বঙ্গ-ভোটে মত দিতে ঘরে ফিরছেন পরিযায়ী শ্রমিকরা

    WB Migrant Workers: ট্রেনে টিকিটের জন্য হাহাকার, বঙ্গ-ভোটে মত দিতে ঘরে ফিরছেন পরিযায়ী শ্রমিকরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আমাদের ট্রেনের টিকিট সম্ভবত কনফার্ম হবে না। ওয়েটিং লিস্টও খুব বড়। কিন্তু আমি একটা জিনিস জানি, আমরা কালই বেরিয়ে পড়ব। চাকরি চলে গেলেও আমার কিছু যায় আসে না।” নাগাড়ে কথাগুলি বলে গেলেন পোদ্দা। পূর্ব দিল্লির দাল্লুপুরায় গৃহকর্মীর কাজ করেন তিনি। পোদ্দা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ যে তিনি এবং তাঁর পরিবারের আরও আট সদস্য বৃহস্পতিবার দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় তাঁদের গ্রামে যাবেন ভোট দিতে। তাঁর মতে, তাঁর মতো শত শত মানুষ বাংলায় নিজেদের ভিটেয় ফিরে যাচ্ছেন স্রেফ ভোট দিতে। ভোট না দিলে পাছে নাগরিকত্ব হারাতে হয়, তাই এবার (SIR) ভোট দিতে মরিয়া তাঁরা।

    ভোট দিতে কাজ খোয়াতেও রাজি পরিযায়ী শ্রমিকরা (WB Migrant Workers)

    পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার নির্বাচন হবে দু’দফায় —২৩ এপ্রিল এবং ২৯ এপ্রিল। প্রথম দফার নির্বাচন মাত্র এক সপ্তাহ দূরে থাকায়, গৃহকর্মী, আয়া, রাঁধুনি এবং অন্যান্য শ্রমিক-সহ বহু পরিযায়ী শ্রমিক দিল্লি, মুম্বই, বেঙ্গালুরু-সহ বিভিন্ন শহর এবং শিল্পাঞ্চল থেকে বাংলায় ফেরার জন্য হুড়োহুড়ি করছেন। পোদ্দা বলেন, “দিল্লিতে যেখানে আমি থাকি, সেখানে আমাদের মতো অনেকেই বাড়ি ফিরছে। তারা ভয় পাচ্ছে, এবার ভোট না দিলে তাদের নাম কেটে দেওয়া হবে এবং সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পাবে না। কেউ কেউ তো আবার নাগরিকত্ব হারানোর আশঙ্কাও করছেন।” দিল্লির পোদ্দার মতোই কাজের সূত্রে বেঙ্গালুরুতে রয়েছেন মুর্শিদা খাতুন। তিনি আয়ার কাজ করেন। তিনিও ভোট দিতেই ফিরছেন বাংলায়। মুর্শিদার মালকিন (SIR) আকাঙ্খা। তিনি বলেন, “উনি (মুর্শিদা) একদম স্পষ্টভাবে বলেছিলেন কেন যাচ্ছেন। তাঁর ভয় ছিল, এবার ভোট না দিলে হয়তো আর কখনও সুযোগ পাবেন না। তিনি আরও ভয় পাচ্ছিলেন এই ভেবে যে, ভোট না দিলে তাঁকে চিহ্নিত করে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হতে পারে (WB Migrant Workers)।”

    নাগরিকত্ব হারানোর ভয়

    গৃহকর্মী এবং আয়াদের মতোই, দেশের বিভিন্ন মহানগর ও শিল্পাঞ্চলের বহু শ্রমিকও যেন-তেন প্রকারে বাংলায় ফিরে ভোট দিতে চাইছেন।কিছু পরিযায়ী শ্রমিক তাঁদের বার্ষিক বাড়ি যাওয়ার পরিকল্পনার সঙ্গে ভোটের সময়সূচি মিলিয়ে নিয়েছেন। কেউ কেউ আবার ফিরছেন যাতে তাঁদের নাম ভোটার তালিকায় থাকে, আশঙ্কা এড়ানো যায় নাগরিকত্ব হারানোরও। যদিও এই ভয়গুলির বাস্তব কোনও ভিত্তিই নেই, তবুও তাঁরা মনে করছেন এটাই ভবিষ্যতের ঝুঁকি এড়ানোর সুযোগ। মুম্বইয়ের জাভেরি বাজারের কিছু শ্রমিক, যাঁরা ট্রেনের টিকিট পাচ্ছেন না, তাঁরা প্রায় ১৯০০-২৩০০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দেওয়ার ব্যবস্থা করেছেন বাসে।

    এসআইআর

    ভোটার তালিকা শুদ্ধিকরণ করতে চালু হয়েছে এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়া। এই প্রক্রিয়া শুরু হতেই বেড়েছে এই ধরনের প্রবণতা। অনেকেই বলছেন, ভোটার তালিকায় নাম তোলার জন্য যে পরিশ্রম করতে হয়েছে, তা এখন ভোট দেওয়াকে আরও গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে। তৃণমূল নেত্রী তথা বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রচারে বেরিয়ে বলেছেন, “ইসি, বিজেপি এবং কেন্দ্র সংবিধান মানছে না। তারা ভোটাধিকার কেড়ে নিতে চাইছে। আজ ভোটাধিকার কেড়ে নিচ্ছে, কাল এনআরসি এনে নাগরিকত্ব কেড়ে নেবে।” ওয়াকিবহাল মহলের মতে, তার জেরেই বাংলায় ফিরতে হুড়োহুড়ি করছেন নিজ ভূমে পরবাসীরা (WB Migrant Workers)।

    বাড়ি ফেরার জন্য হুড়োহুড়ি

    নির্বাচনের আগে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী এবং ‘বহিরাগত’ ইস্যু বড় রাজনৈতিক বিতর্কে পরিণত হয়েছে। বিজেপি সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে অস্বাভাবিক ভোটার বৃদ্ধিকে অবৈধ অভিবাসনের প্রমাণ হিসেবে তুলে ধরছে, যার জেরে সৃষ্টি হয়েছে ভয়ের পরিবেশ। এই রাজনৈতিক বার্তাগুলি বাংলার বাইরে কাজ করা ভোটারদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। তাই বেড়েছে বাড়ি ফেরার জন্য হুড়োহুড়ি। এর প্রভাব পড়ছে দিল্লি এনসিআর, মুম্বই, বেঙ্গালুরু-সহ বিভিন্ন শহরের পরিবারগুলিতে, যা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়, বড় শহরগুলির পেশাগত কাঠামো কতটা নির্ভরশীল অসংগঠিত শ্রমিকদের ওপর (SIR)। পোদ্দা বলেন, “যদি কিছুই না হয় (টিকিট কনফার্ম), তাহলে আমরা গাদাগাদি করে সাধারণ বগিতে করেই দক্ষিণ দিনাজপুরের গঙ্গারামপুরে যাব।” তিনি বলেন, “অনেকে ভয় পাচ্ছে, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার ও কন্যাশ্রীর মতো প্রকল্পের সুবিধাও হারাতে হতে পারে (WB Migrant Workers)।”

    বাংলায় কাজ নেই, তাই পাড়ি ভিন রাজ্যে!

    উত্তরপ্রদেশের খুরজার সিরামিক শিল্পে কাজ করেন রাহুল। তিনি বলেন, “আমার কোনও উপায় নেই। আমাকে প্রায় ২০ দিনের জন্য কাজ ছেড়ে বাড়ি ফিরতে হবে।” তিনিও বলেন, “ভোট না দিলে নাম কাটা যেতে পারে, প্রশ্নের মুখে পড়তে হতে পারে নাগরিকত্বও।” এই কারণেই খুরজার বহু সিরামিক কারখানা প্রায় ২০ দিনের জন্য বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এদিকে, দিল্লি, গুরগাঁও, নয়ডা, জয়পুর-সহ বিভিন্ন শহরে গৃহকর্মীর অভাব দেখা দিয়েছে। অনলাইন পরিষেবাগুলিতেও স্লট মিলছে না। মুম্বইয়ের জাভেরি বাজারেও বড় প্রভাব পড়েছে। এখানকার প্রায় ৬০ শতাংশ কারিগর ইতিমধ্যেই ফিরে গিয়েছেন, আরও অনেকেই যাবেন। বস্তুত, এই গৃহকর্মী ও শ্রমিকদের কাছে এই নির্বাচন শুধুমাত্র ভোট নয়—এটি তাঁদের অস্তিত্বের স্বীকৃতি। তাঁরা মনে করছেন, ভোট না দিলে সামাজিক সুরক্ষা ও নাগরিকত্ব হারানোর ঝুঁকি রয়েছে। তাই তাঁরা রুজি-রোজগার এবং দীর্ঘ পথযাত্রার ঝুঁকি নিয়েও ভোট দিতে ফিরে যাচ্ছেন নিজেদের গাঁয়ে। তাঁদের এই ‘দেশে’ ফেরা থেকেই স্পষ্ট, বাংলায় কাজ নেই। পেটের দায়ে তা-ই তাঁদের পাড়ি দিতে হয় ভিন রাজ্যে (sir)।

     

  • Puri Shri Jagannath temple: পুরী জগন্নাথ মন্দিরে সুশৃঙ্খল দর্শনের লক্ষ্যে ‘স্লট বুকিং’ চালুর ভাবনা ওড়িশা সরকারের

    Puri Shri Jagannath temple: পুরী জগন্নাথ মন্দিরে সুশৃঙ্খল দর্শনের লক্ষ্যে ‘স্লট বুকিং’ চালুর ভাবনা ওড়িশা সরকারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বখ্যাত পুরীর শ্রীজগন্নাথ মন্দিরে (Puri Shri Jagannath temple) ভক্তদের ভিড় নিয়ন্ত্রণ এবং দর্শনার্থীদের অভিজ্ঞতা আরও আনন্দময় করতে এক বড় পদক্ষেপ নিতে চলেছে ওড়িশা সরকার (Odisha Govt)। মন্দিরে বিশৃঙ্খলা এড়াতে এবং পুণ্যার্থীদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটাতে এবার তিরুপতি মন্দিরের আদলে ‘স্লট বুকিং’ বা সময় বরাদ্দের ব্যবস্থা চালু করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

    সময়ভিত্তিক দর্শন (Puri Shri Jagannath temple)

    মন্দির সূত্রে জানা গিয়েছে, নতুন অনলাইন সুবিধার পাশাপাশি ঐতিহ্যবাহী সারি ব্যবস্থাও চালু থাকবে, যা পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হবে। সরকার বিদ্যমান সারি ব্যবস্থা সংস্কারের পরিকল্পনা নিয়েও ভাবছে। নট মণ্ডপ এবং জগমোহন এলাকায়, সরাসরি গর্ভগৃহের দিকে মুখ করে ছয়টি উড়াল র‍্যাম্প স্থাপন করা হবে—যার প্রতিটি ১৬ ফুট লম্বা এবং ৪ ফুট চওড়া। এই কাঠামো ভক্তদের চোখের স্তরকে উঁচু করবে, যার ফলে দূর থেকে ভগবান জগন্নাথ, ভগবান বলভদ্র এবং দেবী সুভদ্রাকে আরও স্পষ্টভাবে দর্শন করা যাবে।

    নতুন এই ব্যবস্থার মাধ্যমে ভক্তরা নির্দিষ্ট সময়ের স্লট বুক করতে পারবেন। এর ফলে মন্দিরের বাইরে দীর্ঘ লাইনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকার ভোগান্তি অনেকাংশে কমবে। শ্রীজগন্নাথ মন্দির প্রশাসন (SJTA) জানিয়েছে, উৎসবের দিনগুলিতে বা ছুটির মরসুমে জনস্রোত সামলানো কঠিন হয়ে পড়ে। স্লট বুকিং ব্যবস্থা চালু হলে মন্দিরের (Puri Shri Jagannath temple) ভেতরে ও বাইরে ভক্তদের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করা সহজ হবে।

    আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার

    ভক্তদের সুবিধার্থে অনলাইন পোর্টাল এবং মোবাইল অ্যাপের পাশাপাশি যারা সরাসরি মন্দিরে আসবেন, তাদের জন্য অফলাইন কাউন্টার থেকেও বুকিং করার সুবিধা রাখার কথা ভাবা হচ্ছে। রাজ্য সরকার (Odisha Govt) ও মন্দির (Puri Shri Jagannath temple) কর্তৃপক্ষ বর্তমানে এই ব্যবস্থার প্রয়োগিক দিকগুলো খতিয়ে দেখছে। সেবায়েত এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। ওড়িশা সরকারের এই উদ্যোগ সফল হলে প্রবীণ নাগরিক এবং দূর-দূরান্ত থেকে আসা ভক্তদের জন্য শ্রীজগন্নাথ দর্শন আরও সহজ ও সুশৃঙ্খল হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

  • Haridwar: ২০২৭ হরিদ্বার অর্ধকুম্ভ মেলার দশ পুণ্যস্নানের নির্ঘণ্ট ঘোষিত, কবে যাবেন জেনে নিন

    Haridwar: ২০২৭ হরিদ্বার অর্ধকুম্ভ মেলার দশ পুণ্যস্নানের নির্ঘণ্ট ঘোষিত, কবে যাবেন জেনে নিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ধর্মপ্রাণ হিন্দুদের অন্যতম শ্রেষ্ঠ তীর্থক্ষেত্র হরিদ্বারে (Haridwar) ২০২৭ সালে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে অর্ধকুম্ভ মেলা (Ardh Kumbh Mela 2027)। এই বিশেষ আধ্যাত্মিক মিলন মেলা উপলক্ষে উত্তরাখণ্ড সরকার এবং মেলা প্রশাসন তিন ‘অমৃত স্নান’ সহ দশটি প্রধান স্নানের তারিখ আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়েছে। আসুন দেখে নিই এক নজরে।

    কবে থেকে শুরু মেলা (Haridwar)

    মেলা শুরু হবে জানুয়ারি মাসে এবং চলবে এপ্রিলের মাঝামাঝি পর্যন্ত। উল্লেখযোগ্য স্নানের তারিখগুলি হল-

    • ● মকর সংক্রান্তি ১৪ জানুয়ারি, এই দিন থেকেই মেলার আনুষ্ঠানিক সূচনা হবে।
    • ● পৌষ পূর্ণিমা দ্বিতীয় প্রধান স্নান।
    • ● মৌনী অমাবস্যা কুম্ভের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তিথি।
    • ● বসন্ত পঞ্চমী এই পুণ্য তিথিতেও বিপুল জনসমাগমের সম্ভাবনা রয়েছে।
    • ● মাঘী পূর্ণিমা ফেব্রুয়ারি মাসের প্রধান স্নান।
    • ● মহা শিবরাত্রি এই দিনে শাহি স্নানের বিশেষ মর্যাদা রয়েছে।
    • ● সোমবতী অমাবস্যা ভক্তদের জন্য একটি বিশেষ পুণ্য তিথি।
    • ● রাম নবমী মার্চ-এপ্রিলের পবিত্র লগ্ন।
    • ● চৈত্র পূর্ণিমা মেলার অন্যতম শেষ স্নান।
    • ● মেষ সংক্রান্তি বৈশাখী, প্রথা অনুযায়ী এই দিনেই মেলার সমাপ্তি ঘটে।

    বিশেষ উদ্যোগী প্রশাসন

    উত্তরাখণ্ড সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, আগামী অর্ধকুম্ভ মেলার (Haridwar) জন্য পরিকাঠামো উন্নয়নের কাজ ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে (Ardh Kumbh Mela 2027)। গঙ্গার ঘাটগুলির সংস্কার, পানীয় জল, জনস্বাস্থ্য এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার ওপর বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে। দেশ-বিদেশের লক্ষ লক্ষ পুণ্যার্থীর সমাগম সামলাতে পুলিশ ও প্রশাসন যৌথভাবে একটি জোরদার নিরাপত্তা বলয় এবং ট্রাফিক পরিকল্পনা তৈরি করার কাজ ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। উল্লেখ্য যে, হরিদ্বারে প্রতি ৬ বছর অন্তর অর্ধকুম্ভ এবং প্রতি ১২ বছর অন্তর পূর্ণকুম্ভ মেলা আয়োজিত হয়। ২০২৭ সালের এই মেলা উত্তর ভারতের পর্যটন এবং ধর্মীয় ভাবাবেগে এক বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে।

  • Ramakrishna 625: “বঙ্কিম ছেলেটি কেমন? এখানে যদি আসতে না পারে, তুমি না হয় তারে সব বলবে—চৈতন্য হবে”

    Ramakrishna 625: “বঙ্কিম ছেলেটি কেমন? এখানে যদি আসতে না পারে, তুমি না হয় তারে সব বলবে—চৈতন্য হবে”

    ৫২ শ্যামপুকুর বাটীতে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    পঞ্চবিংশ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২৭শে অক্টোবর
    শ্যামপুকুর বাটীতে নরেন্দ্র, মণি প্রভৃতি ভক্তসঙ্গে
    অসুখ কেন? নরেন্দ্রের প্রতি সন্ন্যাসের উপদেশ

    ঠাকুর শ্যামপুকুরের (Ramakrishna) বাটীতে নরেন্দ্র প্রভৃতি ভক্তসঙ্গে বসিয়া আছেন। বেলা দশটা। আজ ২৭থে অক্টোবর, ১৮৮৫, মঙ্গলবার, আশ্বিন কৃষ্ণা চতুর্থী, ১২ই কার্তিক।

    ঠাকুর নরেন্দ্র, মণি প্রভৃতির সহিত কথা কহিতেছেন।

    নরেন্দ্র — ডাক্তার কাল কি করে গেল।

    একজন ভক্ত — সুতোয় মাছ গিঁথেছিল, ছিঁড়ে গেল (Kathamrita)।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (সহাস্যে) — বঁড়শি বেঁধা আছে — মরে ভেসে উঠবে।

    নরেন্দ্র একটু বাহিরে গেলেন, আবার আসিবেন। ঠাকুর মণির সহিত পূর্ণ সম্বন্ধে কথা কহিতেছেন —

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)— তোমায় বলছি — এ-সব জীবের শুনতে নাই — প্রকৃতিভাবে পুরুষকে (ঈশ্বরকে) আলিঙ্গন, চুম্বন করতে ইচ্ছা হয়।

    মণি — নানারকম খেলা — আপনার রোগ পর্যন্ত খেলার মধ্যে। এই রোগ হয়েছে বলে এখানে নূতন নূতন ভক্ত আসছে।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (সহাস্যে) — ভূপতি বলে, রোগ না হলে শুধু বাড়িভাড়া করলে লোকে কি বলত — আচ্ছা, ডাক্তারের কি হল?

    মণি — এদিকে দাস্য মানা আছে — ‘আমি দাস, তুমি প্রভু।’ আবার বলে — মানুষ-উপমা আনো কেন!

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)— দেখলে! আজ কি আর তুমি তার কাছে যাবে?

    মণি — খপর দিতে যদি হয়, তবে যাব।

    শ্রীরামকৃষ্ণ — বঙ্কিম ছেলেটি কেমন? এখানে যদি আসতে না পারে, তুমি না হয় তারে সব বলবে। — চৈতন্য হবে।

    আগে সংসারের গোছগাছ, না ঈশ্বর? কেশব ও নরেন্দ্রকে ইঙ্গিত

    নরেন্দ্র আসিয়া কাছে বসিলেন (Kathamrita)। নরেন্দ্রের পিতার পরলোকপ্রাপ্তি হওয়াতে বড়ই ব্যতিব্যস্ত হইয়াছেন। মা ও ভাই এরা আছেন, তাহাদের ভরণপোষণ করিতে হইবে। নরেন্দ্র আইন পরীক্ষার জন্য প্রস্তুত হইতেছেন। মধ্যে বিদ্যাসাগরের বউবাজারের স্কুলে কয়েক মাস শিক্ষকতা করিয়াছিলেন। বাটীর একটা ব্যবস্থা করিয়া দিয়া নিশ্চিন্ত হইবেন — এই চেষ্টা কেবল করিতেছেন।

    ঠাকুর সমস্তই অবগত আছেন — নরেন্দ্রকে একদৃষ্টে সস্নেহে দেখিতেছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (মাস্টারকে) — আচ্ছা, কেশব সেনকে বললাম, — যদৃচ্ছালাভ। যে বড় ঘরের ছেলে, তার খাবার জন্য ভাবনা হয় না — সে মাসে মাসে মুসোহারা পায়। তবে নরেন্দ্রের অত উঁচু ঘর, তবু হয় না কেন? ভগবানে মন সব সমর্পণ করলে তিনি তো সব জোগাড় করে দিবেন!

  • India GDP Ranking: বিশ্বের দ্রুততম বৃদ্ধি পাওয়া অর্থনীতিগুলির একটি ভারত, বলছে আইএমএফ

    India GDP Ranking: বিশ্বের দ্রুততম বৃদ্ধি পাওয়া অর্থনীতিগুলির একটি ভারত, বলছে আইএমএফ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অল্প সময়ের জন্য বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতির দেশে পরিণত হয়েছিল ভারত। তবে আন্তর্জাতিক মুদ্রা ভান্ডারের (IMF) ২০২৫–২৬ সালের সর্বশেষ হিসেব অনুযায়ী ফের ষষ্ঠ স্থানে নেমে এসেছে ভারত। যদিও (India GDP Ranking) দেশটি এখনও বিশ্বের দ্রুততম বৃদ্ধি পাওয়া অর্থনীতিগুলির একটি। তবে এই অবস্থান পতনের পেছনে বড় কোনও অর্থনৈতিক কারণ নেই, এটি মূলত পরিসংখ্যানগত।

    আইএমএফের হিসেব (India GDP Ranking)

    আইএমএফের এপ্রিল ২০২৬ সালের ওয়ার্ল্ড ইকোনোমিক আউটলুক (World Economic Outlook) অনুযায়ী, ২০২৫ সালে ভারতের অর্থনীতি প্রায় ৩.৯২ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে, যেখানে ব্রিটেনের অর্থনীতি প্রায় ৪ ট্রিলিয়ন ডলার এবং জাপানের ৪.৪৪ ট্রিলিয়ন ডলার। ২০২৪ সালে ভারতের জিডিপি ছিল ৩.৫ ট্রিলিয়ন ডলার, যা ব্রিটেনের ৩.৪ ট্রিলিয়ন ডলারের চেয়ে বেশি ছিল। তাহলে ভারতের অবস্থান কমল কেন? যদিও ভারতের জিডিপি টাকার হিসেবে ২০২৪ সালে ছিল ৩১৮ ট্রিলিয়ন। ২০২৫ সালে এটাই বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৪৬.৫ ট্রিলিয়নে। ডলারের নিরিখে হিসেব করলে তাকে তুলনামূলকভাবে ছোট দেখায়।

    অবমূল্যায়নের পূর্বাভাসও রয়েছে

    এই পতন ঘটেছে যদিও টাকার হিসেবে নামমাত্র বৃদ্ধির হার ছিল প্রায় ৯ শতাংশ। পার্থক্যটি মূলত জিডিপি গণনার পদ্ধতিতে।আইএমএফ দেশগুলির জিডিপি ডলারের ভিত্তিতে র‍্যাঙ্ক (India GDP Ranking)করে। অর্থাৎ স্থানীয় মুদ্রার জিডিপিকে ডলারের বিনিময় হারের ভিত্তিতে রূপান্তর করা হয়। এই সময়ে টাকার মান ২০২৪ সালে প্রতি ডলারে ৮৪.৬ থেকে ২০২৫ সালে ৮৮.৫-এ নেমে এসেছে। শুধু তাই নয়, ভবিষ্যতে আরও অবমূল্যায়নের পূর্বাভাসও রয়েছে। পরিসংখ্যান মন্ত্রক ২০২২–২৩ থেকে ২০২৩–২৪ পর্যন্ত চার বছরে নামমাত্র জিডিপি ২.৮ শতাংশ থেকে ৩.৮ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়ে সংশোধন করেছে, যা অর্থনীতির আকারকে তুলনামূলকভাবে ছোট দেখিয়েছে (IMF)।

    আইএমএফের পূর্বাভাস

    বিনিময় হার পরিবর্তনের ফলে র‍্যাঙ্কিং প্রভাবিত হয়েছে। সম্প্রতি টাকা দুর্বল অবস্থায় ছিল, ডলারের মূল্যমানের প্রেক্ষিতে লেনদেন হয়েছে ৯৪–৯৫ টাকার মধ্যে। পরে ৯৩.৩৯-এ স্থিতিশীল হয়েছে। এর কারণ হল পশ্চিম এশিয়ার ভূ-রাজনৈতিক সঙ্কটের কারণে তেলের দাম বৃদ্ধি এবং ডলারের চাহিদা বৃদ্ধি। বিদেশি পুঁজির বহিঃপ্রবাহ এবং হেজিং খরচ বৃদ্ধিও টাকার ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে। এর ফলে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক হস্তক্ষেপ করেছে। অন্যদিকে, ব্রিটিশ পাউন্ড তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল থাকায় ব্রিটেন তার অবস্থান ধরে রেখেছে (India GDP Ranking)। আইএমএফের (IMF) পূর্বাভাস, এই অবস্থান দীর্ঘস্থায়ী নাও হতে পারে। ২০২৬ সালে ভারত ষষ্ঠ স্থানে থাকবে (প্রায় ৪.১৫ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার), যা ব্রিটেনের ৪.২৬ মার্কিন ডলার ট্রিলিয়নের নীচে। তবে ২০২৭ সালে ভারত আবার চতুর্থ স্থানে উঠবে (৪.৫৮ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার), টপকে যাবে ব্রিটেনকে।

    অর্থনীতিবিদদের অভিমত

    অর্থনীতিবিদদের মতে, ২০২৮ সালে ভারত জাপানকে ছাড়িয়ে যেতে পারে (৫.০৬ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার বনাম ৪.৭৪ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার)। ২০৩১ সালের মধ্যে ভারত দৃঢ়ভাবে তৃতীয় স্থানে পৌঁছতে পারে (৬.৭৯  ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার), সেই সময় জাপান থাকবে ৫.১৩ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারে। তবে এই ব্যবধান খুবই কম (ব্রিটেনের ক্ষেত্রে প্রায় ১১৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, জাপানের ক্ষেত্রে মাত্র ১৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার), ফলে ফল অনেকটাই নির্ভর করবে প্রবৃদ্ধি এবং মুদ্রার ওঠানামার ওপর।
    তবে র‍্যাঙ্কিংয়ে পরিবর্তন হলেও, আইএমএফের মতে, ভারত এখনও বিশ্বের দ্রুততম বৃদ্ধি পাওয়া বড় অর্থনীতির দেশ হিসেবেই থাকবে। ২০৩০ সালের মধ্যে ভারতের জিডিপি ৬.১৭ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছবে এবং তৃতীয় স্থানে (IMF) থাকা জার্মানির সঙ্গে ব্যবধান কমবে (India GDP Ranking)।

    জিডিপির বেস ইয়ারে পরিবর্তন

    জানা গিয়েছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চিন যথাক্রমে প্রথম ও দ্বিতীয় স্থানে থাকবে (৩৯ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং ২৭.৫ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার)। এ বছর ফেব্রুয়ারিতে জিডিপির বেস ইয়ার ২০১১–১২ থেকে ২০২২–২৩-এ পরিবর্তন করা হয়েছে। এর ফলে নতুন হিসেব অনুযায়ী অর্থনীতির আকার আগের তুলনায় ছোট দেখা যাচ্ছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ’২৬ অর্থবর্ষের জিডিপি পুরানো সিরিজে ৩৫৭ ট্রিলিয়ন টাকা থেকে নতুন সিরিজে ৩৪৫.৫ ট্রিলিয়ন টাকায় নেমে এসেছে। আইএমএফও তাদের পূর্বাভাস কমিয়েছে, ২০২৭ সালের জিডিপি অনুমান ৪.৯৬ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার থেকে কমিয়ে ৪.৫৮ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার করা হয়েছে।

     

  • Noida Protests: ধৃতদের অনেকে শ্রমিকই নন! নয়ডার অশান্তি শ্রমিক আন্দোলন নয়, ‘সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র’?

    Noida Protests: ধৃতদের অনেকে শ্রমিকই নন! নয়ডার অশান্তি শ্রমিক আন্দোলন নয়, ‘সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র’?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নয়ডার অশান্তি কোনও শ্রমিক আন্দোলন (Noida Protests) নয়। এটি একটি “সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র” (Well Planned Conspiracy)। অন্তত, এমনই মনে করছেন তদন্তকারীরা। প্রাথমিক তদন্তে উল্লেখযোগ্যভাবে বহিরাগতদের জড়িত থাকার ইঙ্গিত মিলেছে। সূত্রের খবর, এখনও পর্যন্ত গ্রেফতার হওয়া ৬৬ জনের মধ্যে ৪৫ জনই শ্রমিক নন। অগ্নিসংযোগের ঘটনায় ১৭ জনকে চিহ্নিত করা হয়েছে। এদের মধ্যে গ্রেফতার করা হয়েছে ১১ জনকে। এদের মধ্যে আবার ৮ জনই শ্রমিক নন।

    হিংসায় উসকানি (Noida Protests)

    এদিকে, হিংসায় উসকানি দেওয়ার জন্য চিহ্নিত করা হয়েছে ৩২ জনকে। এদের মধ্যে গ্রেফতার করা হয়েছে ১৯ জনকে। এছাড়াও, শ্রমিক নন, এমন ৩৪ জনকেও আটক করা হয়েছে। অভিযোগ, অশান্তি সৃষ্টি করতে আন্দোলনে যোগ দিয়েছিল তারা। তদন্তকারীরা আরও চারজনকে গ্রেফতার করেছে। এদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র পরিচালনার অভিযোগ উঠেছে, সম্ভাবনা রয়েছে সংগঠিত নেটওয়ার্কের সঙ্গে এদের যোগাযোগ থাকারও। তদন্তকারীরা কিছু গোষ্ঠী এবং বহিরাগত লোকজনের জড়িত থাকার বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন। এর মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে হিংসায় ইন্ধন জোগানো হয়েছে, চেষ্টা করা হয়েছে আতঙ্ক ছড়ানোরও। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, এই হিংসা — যার মধ্যে অগ্নিসংযোগ এবং পাথর ছোড়াও রয়েছে, শুধুমাত্র শ্রমিক  অসন্তোষের কারণে নয়, বরং নয়ডার অর্থনৈতিক পরিবেশকে বিঘ্নিত করার উদ্দেশ্যে একটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের অংশ (Well Planned Conspiracy)। পরিস্থিতি সাময়িকভাবে উত্তপ্ত হয়ে উঠলেও, দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আসে পুলিশ-প্রশাসনের যৌথ হস্তক্ষেপে।

    কারখানাগুলিতে দ্রুত শুরু উৎপাদন

    মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের নির্দেশে আধিকারিকরা দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন, উদ্যোগী হন শ্রমিকদের সমস্যার সমাধানেও (Noida Protests)। এদিকে, মজুরি সংশোধনের ঘোষণা হওয়ার পর শ্রমিক এবং শিল্প প্রতিষ্ঠান উভয় পক্ষই সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। তাই কারখানাগুলিতে দ্রুত শুরু হয়েছে স্বাভাবিক কার্যকলাপ। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, শিল্পক্ষেত্রে কাজকর্ম পুরোদমে ফের শুরু হয়েছে, স্বাভাবিকভাবেই চলছে উৎপাদনও (Noida Protests)। জানা গিয়েছে, সরকার “জিরো টলারেন্স” নীতির অধীনে আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এও জানিয়ে দিয়েছে, হিংসায় উসকানি দেওয়া বা শিল্প পরিবেশ অস্থিতিশীল করার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে (Well Planned Conspiracy)।

     

  • Religion Based Reservation: “ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণ সংবিধান-বিরোধী”, ফের মনে করিয়ে দিলেন অমিত শাহ

    Religion Based Reservation: “ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণ সংবিধান-বিরোধী”, ফের মনে করিয়ে দিলেন অমিত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডিলিমিটেশন, জনগণনা এবং মহিলাদের জন্য সংরক্ষণ নিয়ে আলোচনা করতে বৃহস্পতিবার শুরু হয়েছে তিনদিনের বিশেষ অধিবেশন (Religion Based Reservation)। তর্ক-বিতর্কের জেরে এদিন কার্যত উত্তাল হয়ে ওঠে সংসদ। কারণ লোকসভায় বিরোধী দল ডিলিমিটেশন বিলের তীব্র বিরোধিতা করে। তারা বিলটিকে ‘সংবিধানবিরোধী’ আখ্যা দেয়, যদিও (Amit Shah) তারা মহিলাদের সংরক্ষণকে সমর্থন করে।

    তিন বিলের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সমাজবাদী পার্টির (Religion Based Reservation) 

    এদিন, সংসদে বক্তব্য রাখতে গিয়ে সমাজবাদী পার্টির সাংসদ ধর্মেন্দ্র যাদব জানান, তাঁর দল এই তিনটি বিলের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করছে। কারণ ডিলিমিটেশনকে জনগণনা থেকে আলাদা করা হচ্ছে। আজমগড় কেন্দ্রের সাংসদ যাদব বলেন, “অনগ্রসর শ্রেণি এবং মুসলিম মহিলাদেরও মহিলা সংরক্ষণ আইনের আওতায় আনা উচিত।” তাঁকে সমর্থন করে সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব বলেন, “আমি বিধানসভায় মহিলাদের সংরক্ষণকে সমর্থন করি।” তাঁর প্রশ্ন, কেন জনগণনা করা হচ্ছে না? এর জবাবে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেন, “২০২৭ সালের জনগণনার কাজ চলছে এবং সরকার জাতিগত গণনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।” তিনি এও বলেন, “ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণ ‘সংবিধান-বিরোধী’।” শাহ বলেন, “পুরো দেশ সংসদের কার্যাবলী দেখছে। অখিলেশ যাদব জিজ্ঞাসা করেছেন কেন আমরা জনগণনা করছি না। আমি পুরো দেশকে আশ্বস্ত করতে চাই এই বলে যে জনগণনা করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। জাতিগত জনগণনার বিষয়ে সরকার ইতিমধ্যেই (Amit Shah) কাজ করছে… আমি নিশ্চিত করতে চাই যে এটি একটি জাতিগত জনগণনা হবে।”

    মুসলিমদের ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণও সংবিধান-বিরোধী

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “ধর্মেন্দ্র যাদব যা বলেছেন, তা সংবিধান-বিরোধী। আমাদের সংবিধান কখনও ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণের অনুমতি দেয় না। মুসলিমদের ধর্মের ভিত্তিতে কোনও সংরক্ষণও সংবিধান-বিরোধী… সমাজবাদী পার্টি চাইলে তাদের সব টিকিট মুসলিমদের দিতে পারে (Religion Based Reservation)।” এই বিতর্ক চলাকালীনই অখিলেশ যাদব জানান, শাহের মন্তব্য গণতন্ত্র-বিরোধী। তিনি বলেন, “কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যা বলেছেন, তা অগণতান্ত্রিক। তাহলে কি আমাদের জনসংখ্যার অর্ধেক মুসলিম মহিলা অন্তর্ভুক্ত নন?” এই সময় লোকসভার স্পিকার বলেন, “উভয় সদস্যকেই তাঁদের মতামত প্রকাশের জন্য সময় দেওয়া হবে (Amit Shah)।” সংসদের বিশেষ অধিবেশনে শাহ এবং কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী অর্জুন রাম মেঘওয়াল মহিলাদের সংরক্ষণ আইন সংশোধন এবং ডিলিমিটেশন কমিশন গঠনের জন্য তিনটি বিল পেশ করেন। বিরোধীরা এর প্রতিবাদ করেন। যদিও বিরোধীদের সাফ কথা, তাঁরা মহিলাদের সংরক্ষণের বিরোধী নন। তবে তাঁরা সংবিধান সংশোধনী বিলে ডিলিমিটেশন সংক্রান্ত বিধানের বিরোধী (Religion Based Reservation)।

     

  • West Bengal Elections 2026: ২৩ এপ্রিল প্রথম দফার ভোট ২,৪০৭ কোম্পানি বাহিনী, ৪০,৯২৮ রাজ্য পুলিশকর্মী মোতায়েন

    West Bengal Elections 2026: ২৩ এপ্রিল প্রথম দফার ভোট ২,৪০৭ কোম্পানি বাহিনী, ৪০,৯২৮ রাজ্য পুলিশকর্মী মোতায়েন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Elections 2026) প্রথম দফায় নিরাপত্তার ঘেরাটোপ মজবুত করতে বড়সড় পদক্ষেপ নিল ভারতের নির্বাচন কমিশন।  ২৩ এপ্রিল প্রথম দফায় রাজ্যেরে ১৫২টি আসনে ভোটগ্রহণ হবে। জানা গেছে, প্রথম দফার ভোটগ্রহণের জন্য মোট ৪০,৯২৮ জন রাজ্য পুলিশ কর্মী মোতায়েন করা হচ্ছে। সেই সঙ্গে ২৪০৭ কোম্পানি  কেন্দ্রীয় বাহিনীও প্রথম দফায় মোতায়নের রূপরেখা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    উত্তরবঙ্গের প্রস্তুতি

    আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Elections 2026) প্রথম দফায় পশ্চিমবঙ্গের তিনটি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন সুনিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশন এই দফায় নিরাপত্তার (West Bengal Elections 2026) ওপর বিশেষ জোর দিয়েছে। প্রথম দফায় (West Bengal Elections 2026) উত্তরবঙ্গের সবকটি জেলাতেই ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। কোচবিহারে ২,৩৭০ জন এবং মালদায় ২,৮১৮ জন পুলিশকর্মী মোতায়েন করা হচ্ছে। পাহাড়ের জেলা দার্জিলিং ও কালিম্পঙে থাকছেন যথাক্রমে ১,১৭০ এবং ৬২৭ জন কর্মী। জেলাভিত্তিক পুলিশ মোতায়েনের নিরিখে শীর্ষে রয়েছে মুর্শিদাবাদ। এই জেলায় মোট ৫,৭৬৬ জন পুলিশকর্মী নিরাপত্তার দায়িত্বে রাখা হবে। পশ্চিম মেদিনীপুরে ৩,৩২৭ জন এবং আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেট এলাকায় ৩,১২৭ জন পুলিশকর্মী মোতায়েন করা হবে।

    চার গুণ বেশি কেন্দ্রীয় বাহিনী

    কমিশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রথম দফার ভোটে সবচেয়ে বেশি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে মুর্শিদাবাদ জেলায়। ওই জেলাকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে একটি, মুর্শিদাবাদ পুলিশ জেলা এবং অপরটি হল, জঙ্গিপুর পুলিশ জেলা। আর এই দুই মিলিয়ে মুর্শিদাবাদে মোট কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন হচ্ছে ৩১৬ কোম্পানি। তার মধ্যে মুর্শিদাবাদ পুলিশ জেলাতেই থাকবে ২৪০ কোম্পানি বাহিনী। বাকি ৭৬ কোম্পানি মোতায়েন হবে জঙ্গিপুরে। এছাড়াও দার্জিলিংয়ে থাকবে ৬১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। আবার শিলিগুড়ি পুলিশ কমিশনারেটে থাকবে ৪৪ কোম্পানি।

    বাড়তি নজর কোচবিহারে

    উত্তরবঙ্গের কোচবিহার জেলাকে স্পর্শকাতর হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, কালিম্পংয়ে ২১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী, জলপাইগুড়িতে ৯২ কোম্পানি, আলিপুরদুয়ারে ৭৭ কোম্পানি, কোচবিহারে ১৪৬ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে। এছাড়া ইসলামপুর পুলিশ জেলায় ৬১ কোম্পানি, রায়গঞ্জ পুলিশ জেলায় ৭১ কোম্পানি, দক্ষিণ দিনাজপুরে ৮৩ কোম্পানি এবং মালদায় ১৭২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে।

    অন্যদিকে, পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় ২৭৩ কোম্পানি, পশ্চিম মেদিনীপুরে ২৭১ কোম্পানি, ঝাড়গ্রাম জেলায় ৭৪ কোম্পানি, বাঁকুড়ায় ১৯৩ কোম্পানি, পুরুলিয়ায় ১৫১ কোম্পানি এবং বীরভূম জেলায় ১৭৬ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে। আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটে ১২৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে।

    অতিরিক্ত বাহিনী রিজার্ভে

    জেলাভিত্তিক মোতায়েনের পাশাপাশি ২৩ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনীকে আপৎকালীন পরিস্থিতির জন্য ‘রিজার্ভ’ হিসেবে রাখা হয়েছে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর পাশাপাশি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় পর্যাপ্ত সংখ্যক রাজ্য পুলিশও মোতায়েন থাকবে। প্রতি বুথে সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর (Election Commission India) উপস্থিতি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের এই বিপুল নিরাপত্তা আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য হলো ভোটারদের (West Bengal Elections 2026) মনে আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে আনা এবং কোনো রকম অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই ভোটদান প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা।

  • PM Modi: “মহিলা ক্ষমতায়নের দিকে ভারত একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ নিতে চলেছে”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: “মহিলা ক্ষমতায়নের দিকে ভারত একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ নিতে চলেছে”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সংসদের বিশেষ অধিবেশন শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মহিলা ক্ষমতায়নের দিকে ভারত একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ নিতে চলেছে।” বৃহস্পতিবার (Womens Reservation Bill) সাত সকালে কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তিনি বলেন, “আমাদের মা ও বোনদের প্রতি সম্মানই জাতির প্রতি সম্মান।” বৃহস্পতিবার সংসদে তিনদিনের বিশেষ অধিবেশন শুরুর আগে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী জানান, সরকার দৃঢ় সংকল্প নিয়ে প্রশাসনে নারীদের অংশগ্রহণ আরও শক্তিশালী করার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

    সংসদে শুরু বিশেষ অধিবেশন (PM Modi)

    বস্তুত, এই মন্তব্যটি এমন একটি সময়ে এসেছে, যখন সংসদে ১৬ থেকে ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত তিন দিনের একটি বিশেষ অধিবেশন বসছে, যার লক্ষ্য মহিলা সংরক্ষণ আইন দ্রুত বাস্তবায়িত করা। প্রস্তাবিত পরিকল্পনায় ৫৪৩টি আসন বিশিষ্ট লোকসভার সদস্য সংখ্যা বাড়িয়ে সর্বোচ্চ ৮৫০ আসনে উন্নীত করার কথাও বলা হয়েছে। মহিলাদের জন্য এক-তৃতীয়াংশ সংরক্ষণ নিশ্চিত করতেই এই ব্যবস্থা।

    সীমানা নির্ধারণ কমিশন

    সূত্রের খবর, রাজ্যগুলির জন্য প্রায় ৮১৫টি আসন এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির জন্য বরাদ্দ করা হতে পারে ৩৫টি। তবে চূড়ান্ত সংখ্যাটি নির্ধারণ করবে আসন পুনর্বিন্যাস কমিশন (Delimitation Commission)। এই কমিশন মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত আসনগুলির বণ্টনও নির্ধারণ করবে। প্রস্তাবিত পরিবর্তনগুলি ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের সময় থেকে কার্যকর হতে পারে (Womens Reservation Bill)। আধিকারিকরা জানিয়েছেন, আসন বণ্টন হবে আনুপাতিক প্রতিনিধিত্বের (PM Modi) ভিত্তিতে, যেখানে ২০১১ সালের জনগণনা ব্যবহৃত হবে ভিত্তি হিসেবে। সূত্রের খবর, উত্তরাঞ্চলীয় রাজ্যগুলির জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্যগুলির তুলনায় কম। তাই দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্যগুলি আসন বণ্টনের ক্ষেত্রে তুলনামূলক সুবিধা পেতে পারে (PM Modi)। এদিকে, এদিন কেন্দ্রের তরফে তিনটি বিল পেশ করা হবে। এগুলি হল, ডিলিমিটেশন বিল, সংবিধান সংশোধন বিল এবং ইউনিয়ন টেরিটরিজ বিল।

LinkedIn
Share