Tag: Bengali news

Bengali news

  • Cabinet Approves DA: সুখবর দিল কেন্দ্র, সরকারি কর্মচারীদের ফের ২ শতাংশ ডিএ বাড়ছে

    Cabinet Approves DA: সুখবর দিল কেন্দ্র, সরকারি কর্মচারীদের ফের ২ শতাংশ ডিএ বাড়ছে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সরকারি কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের জন্য ২ শতাংশ ডিএ বাড়ানোর অনুমোদন দিল কেন্দ্র (Cabinet Approves DA)। মন্ত্রিসভার বৈঠকেই এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের খবর (Central Govt Employees)।

    ডিএ মুদ্রাস্ফীতির সঙ্গে সম্পর্কিত (Cabinet Approves DA)

    ডিএ মুদ্রাস্ফীতির সঙ্গে সম্পর্কিত। বছরে দু’বার—সাধারণত জানুয়ারি ও জুলাই মাসে—সংশোধন করা হয়। এটি শিল্প শ্রমিকদের জন্য ভোক্তা মূল্য সূচক (সিপিআই-আইডব্লিউ) অনুযায়ী নির্ধারিত হয়, যা শ্রমমন্ত্রকের অধীন লেবার ব্যুরো প্রতি মাসে প্রকাশ করে। তবে এবার ঘোষণায় খানিক দেরি হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী ও শ্রমিকদের কনফেডারেশন (সিসিজিইডব্লিউ) উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, সাধারণত সেপ্টেম্বরের শেষের দিকে ডিএ বৃদ্ধির ঘোষণা করা হয় এবং অক্টোবরের শুরুতে বকেয়া অর্থ দেওয়া হয়। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মহিলা সংরক্ষণ বিল সমর্থন না করায় বিরোধী দলের তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, “বিলটির পক্ষে না দাঁড়িয়ে বিরোধীরা বড় ভুল করেছে। এজন্য ভবিষ্যতে তাদের রাজনৈতিক মূল্য চোকাতে হবে।”

    দেশের মহিলাদের পরাজিত করেছে

    প্রধানমন্ত্রী এও বলেন, “বিরোধীদের এই অবস্থান মহিলাদের প্রতি নেতিবাচক মানসিকতার প্রতিফলন এবং এই বার্তা দেশের প্রতিটি গ্রামে পৌঁছনো উচিত।” তিনি বলেন, “বিলের বিরোধিতা করার পর এখন বিরোধী দলগুলি নিজেদের অবস্থানকে সমর্থন করার চেষ্টা করছে এবং কার্যত তারা দেশের মহিলাদের পরাজিত করেছে (Cabinet Approves DA)।” এছাড়াও, মন্ত্রিসভা ১৩,০০০ কোটি টাকার একটি সার্বভৌম সামুদ্রিক তহবিল গঠনের অনুমোদন দিয়েছে। এই তহবিলের লক্ষ্য ভারতীয় পতাকাবাহী জাহাজ এবং ভারতগামী ও ভারত থেকে চলাচলকারী জাহাজগুলির জন্য স্থিতিশীল ও সাশ্রয়ী বীমার সুবিধা দেওয়া (Cabinet Approves DA)। মন্ত্রিসভা প্রধানমন্ত্রী গ্রাম সড়ক যোজনা (পিএমজিএসওয়াই)-এর মেয়াদ ২০২৮ সাল পর্যন্ত (Central Govt Employees) বাড়ানোর অনুমোদনও দিয়েছে, বরাদ্দ করেছে অতিরিক্ত ৩,০০০ কোটি টাকা।

  • West Bengal Elections 2026: বুথের ১০০ মিটারে চকের ‘লক্ষ্মণরেখা’ থেকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার, ভোটকেন্দ্রে কড়া নজরদারি কমিশনের

    West Bengal Elections 2026: বুথের ১০০ মিটারে চকের ‘লক্ষ্মণরেখা’ থেকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার, ভোটকেন্দ্রে কড়া নজরদারি কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন নির্বাচন (West Bengal Elections 2026) প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ ও শান্তিপূর্ণ করতে ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা ও প্রবেশাধিকারে আমূল পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। ভোটগ্রহণের দিন বুথের বাইরের ভিড় নিয়ন্ত্রণ এবং অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে এবার ১০০ মিটারের একটি নির্দিষ্ট নিরাপত্তা বলয় বা ‘লক্ষ্মণরেখা’ তৈরি করা হচ্ছে।

    বুথের ভেতর মোবাইল ফোনে না (West Bengal Elections 2026)

    কমিশনের নির্দেশিকা অনুযায়ী, প্রতিটি ভোটকেন্দ্রের প্রবেশদ্বার থেকে ১০০ মিটার ব্যাসার্ধের এলাকাকে ‘রেস্ট্রিক্টেড জোন’ বা নিষিদ্ধ এলাকা হিসেবে ঘোষণা করা হবে। এই সীমানার ভেতর ভোটার এবং অনুমোদিত ব্যক্তি ছাড়া অন্য কেউ প্রবেশ করতে পারবেন না। বুথের ভেতর মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশের ওপরও কড়া নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। কোনও ব্যক্তি বা রাজনৈতিক দলের কর্মী যাতে জমায়েত করে ভোটারদের (Election Commission) প্রভাবিত করতে না পারেন, তা নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ।

    প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রয়োগ

    এবারের নির্বাচনে (West Bengal Elections 2026) নিরাপত্তার ক্ষেত্রে সর্বাধুনিক প্রযুক্তির ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। প্রতিটি স্পর্শকাতর বুথে সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে সরাসরি ওয়েবকাস্টিং-এর ব্যবস্থা থাকছে। এই প্রথমবার কমিশন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই (Artificial Intelligence) ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কোনও বুথে নিয়মবহির্ভূত জমায়েত বা সন্দেহজনক গতিবিধি লক্ষ্য করা গেলেই এআই প্রযুক্তি স্বয়ংক্রিয়ভাবে কন্ট্রোল রুমে সতর্কবার্তা পাঠিয়ে দেবে। এর ফলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে বলে মনে করছে কমিশন।

    অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সুনিশ্চিত

    নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের (Election Commission) মতে, ভোটদানের প্রক্রিয়া চলাকালীন বুথ চত্বরকে সম্পূর্ণ এজেন্টমুক্ত ও নিরাপদ রাখাই তাদের মূল লক্ষ্য। ১০০ মিটারের এই গণ্ডি এবং প্রযুক্তির ব্যবহার সাধারণ ভোটারদের (West Bengal Elections 2026) মনে আস্থা জোগাবে এবং নির্ভয়ে ভোটদানে উৎসাহিত করবে। অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সুনিশ্চিত করতে এই নতুন বিধি লঙ্ঘন করলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছে কমিশন।

    সমন্বিত নজরদারি ও প্রযুক্তির ব্যবহার

    কমিশন সূত্রে খবর, স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এবার প্রতিটি বুথেই ‘ওয়েবকাস্টিং’-এর ব্যবস্থা করা হবে। এর ফলে যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সরাসরি পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন কমিশনের আধিকারিকরা। সেইসঙ্গে নজরদারিতে কোনও ফাঁক না রাখতে রাজ্য পুলিশ ও কলকাতা পুলিশের সিসিটিভি (CCTV) ক্যামেরাগুলোর নিয়ন্ত্রণও কমিশনের হাতে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর থেকে এই ক্যামেরাগুলোর ওপর সার্বক্ষণিক নজর রাখা হবে, যাতে কোনও গন্ডগোল বা অশান্তির খবর পাওয়া মাত্রই ফুটেজ খতিয়ে দেখে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া যায়।

    আরও ব্যবস্থা কমিশনের

    নিরাপত্তার পাশাপাশি ভোটারদের স্বাচ্ছন্দ্যের কথা মাথায় রেখে কমিশন বেশ কিছু ইতিবাচক পদক্ষেপ নিয়েছে। যেমন—

    মোবাইল রাখার সুব্যবস্থা

    • ভোটকেন্দ্রে মোবাইল নিয়ে প্রবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকায় ভোটারদের অনেক সময় সমস্যায় পড়তে হয়। এবার সেই অসুবিধা দূর করতে প্রতিটি বুথের বাইরে নিরাপদে মোবাইল ফোন জমা রাখার জন্য নির্দিষ্ট কাউন্টার বা জায়গার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

    পরিকাঠামো উন্নয়ন

    • বয়স্ক ও বিশেষভাবে সক্ষম ভোটারদের কথা বিবেচনা করে প্রতিটি ভোটকেন্দ্রকে ভবনের নিচতলায় (Ground Floor) রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে।

    মৌলিক পরিষেবা

    • প্রতিটি বুথে পরিচ্ছন্ন শৌচাগার এবং পর্যাপ্ত পানীয় জলের সুনিশ্চিত ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে।

    কমিশনের এই সুপরিকল্পিত পদক্ষেপগুলো কতটা বাস্তবায়িত হয় এবং এর ফলে নির্বাচন কতটা শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়, এখন সেটাই দেখার বিষয়। তবে আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয় এবং ভোটার-বান্ধব এই উদ্যোগগুলো সচেতন মহলে বিশেষ ভাবে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে।

  • Weather Update: নির্বাচনের পারদের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ঊর্ধ্বমুখী তাপমাত্রা! প্রথম দফার ভোটের দিন কেমন থাকবে আবহাওয়া?

    Weather Update: নির্বাচনের পারদের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ঊর্ধ্বমুখী তাপমাত্রা! প্রথম দফার ভোটের দিন কেমন থাকবে আবহাওয়া?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৈশাখের শুরুতেই দক্ষিণবঙ্গে গ্রীষ্মের তীব্রতা (Weather Update) বাড়তে শুরু করেছে। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী কয়েক দিনে রাজ্যের তাপমাত্রা আরও কয়েক ডিগ্রি বৃদ্ধি (Temperature) পেতে পারে। তবে এই দহনজ্বালার মাঝেই কিছু কিছু জেলায় বৃষ্টির পূর্বাভাসও দেওয়া হয়েছে। ২৩ তারিখ প্রথম দফায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। হাওয়া অফিসের অধিকর্তা বলেন, “ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই। উত্তরবঙ্গের উপর দিকের পাঁচ জেলায় ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা খানিকটা হলেও বেশি। সামগ্রিভাবে ঝড়বৃষ্টি বেশি হবে উত্তরবঙ্গে। কোথাও কোথাও হতে পারে ভারী বৃষ্টি ! তবে তার আগে শনিবার সারাদিন দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়া থাকবে শুষ্ক৷”

    দক্ষিণবঙ্গের পরিস্থিতি

    হাওয়া (Weather Update) অফিস সূত্রে খবর, দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলোতে শুষ্ক আবহাওয়ার দাপট বজায় থাকবে। আগামী দু-তিন দিনে তাপমাত্রা ২ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে। বিশেষ করে পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম এবং পশ্চিম মেদিনীপুরের মতো জেলাগুলোতে আবহাওয়া বেশ অস্বস্তিকর থাকবে। তবে আজ বিকেলের দিকে বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া এবং দুই বর্ধমানের দু-এক জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সেইসঙ্গে ৩০-৪০ কিমি বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে। কলকাতায় আকাশ মূলত আংশিক মেঘলা থাকলেও আর্দ্রতাজনিত (Temperature) অস্বস্তি বজায় থাকবে।

    উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া

    দক্ষিণ যখন গরমে পুড়ছে (Weather update), উত্তরবঙ্গের জেলাগুলোতে তখন ঝড়-বৃষ্টির দাপট অব্যাহত। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি ও কালিম্পং জেলায় ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এছাড়া উত্তরের বাকি জেলাগুলোতে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পাশাপাশি ঘণ্টায় ৫০ কিমি বেগে ঝড় হতে পারে। মঙ্গলবার থেকে উত্তরবঙ্গে (Temperature) বৃষ্টির পরিমাণ কিছুটা কমতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। সামগ্রিকভাবে, দক্ষিণবঙ্গে তাপপ্রবাহের মতো পরিস্থিতি না তৈরি হলেও ভ্যাপসা গরম ও রোদের তেজ থেকে এখনই রেহাই পাওয়ার সম্ভাবনা নেই।

    কলকাতায় কেমন আবহাওয়া?

    শুক্রবার কলকাতা এবং তার আশপাশের অঞ্চলে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস ৷ স্বাভাবিকের থেকে ১.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস কম। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৭.০২ ডিগ্রি সেলসিয়াস ৷ স্বাভাবিকের চেয়ে ১.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বোচ্চ ৯২ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন ৬২ শতাংশ।

  • Jharkhand: ঝাড়খণ্ডে বড় সাফল্য বাহিনীর, খতম সহদেব মাহাতো সহ ৪ মাওবাদী, মাথার দাম ছিল ১৫ লক্ষ

    Jharkhand: ঝাড়খণ্ডে বড় সাফল্য বাহিনীর, খতম সহদেব মাহাতো সহ ৪ মাওবাদী, মাথার দাম ছিল ১৫ লক্ষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঝাড়খণ্ডে (Jharkhand) মাওবাদী দমনে বড়সড় সাফল্য পেল নিরাপত্তা বাহিনীর। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) হাজারিবাগ জেলার কেরেদারি থানা এলাকার বতুকা জঙ্গলে এক এনকাউন্টারে চার মাওবাদী নিহত হয়েছে। নিহতদের মধ্যে অন্যতম কুখ্যাত মাওবাদী নেতা সহদেব মাহাতো (Sahdeo Mahto), যার মাথার ওপর ১৫ লক্ষ টাকার পুরস্কার ঘোষণা করা ছিল।

    বতুকা জঙ্গলে অভিযান (Jharkhand)

    পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বতুকা জঙ্গল এলাকায় মাওবাদীদের একটি সশস্ত্র দল অবস্থান করছে—এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নিরাপত্তা বাহিনী ওই এলাকায় তল্লাশি অভিযান শুরু করে। বাহিনী জঙ্গলে পৌঁছালে মাওবাদীরা (Sahdeo Mahto) গুলি চালাতে শুরু করে। পাল্টা জবাব দেয় নিরাপত্তা বাহিনীও। দীর্ঘক্ষণ চলা এই বন্দুকযুদ্ধে চার মাওবাদী খতম হয়। এই প্রসঙ্গে বরকাগাঁওয়ের এসডিপিও (SDPO) পবন কুমার সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, “এনকাউন্টারে চারজন মাওবাদী নিহত হয়েছে। নিরাপত্তা বাহিনীর কোনো সদস্য এই অভিযানে আহত হননি।”

    সহদেব মাহাতো কে?

    নিহত চার মাওবাদীর মধ্যে সহদেব মাহাতো (Sahdeo Mahto) ছিল অত্যন্ত প্রভাবশালী। ঝাড়খণ্ড পুলিশ (Jharkhand) তার খোঁজে দীর্ঘকাল ধরে তল্লাশি চালাচ্ছিল এবং তার ওপর ১৫ লক্ষ টাকার পুরস্কার ছিল। তার মৃত্যু মাওবাদী  সংগঠনের জন্য একটি বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

    নিরাপত্তা বাহিনীর ব্যাপক চিরুনি তল্লাশি

    উল্লেখ্য, গত ১৫ এপ্রিল পশ্চিম সিংভূমে মাওবাদী নেতা মিসির বেশরার যা দলের সাথে নিরাপত্তা বাহিনীর সংঘর্ষ হয়েছিল।  যেখানে ৪ জন জওয়ান আহত হন। তার ঠিক দু’দিন পরেই হাজারিবাগের এই বড় সাফল্য এল। উল্লেখ্য তাঁর ওপর ১ কোটি টাকার পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছিল। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের নির্দেশে বর্তমানে ঝাড়খণ্ডসহ (Jharkhand) মাওবাদী অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে বিশেষ অভিযান চালানো হচ্ছে। সম্প্রতি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও সংসদে জানিয়েছিলেন যে ভারত ধীরে ধীরে মাওবাদী সন্ত্রাসমুক্ত হচ্ছে। হাজারিবাগের এই ঘটনা সেই অভিযানেরই একটি বড় অংশ বলে মনে করা হচ্ছে। বর্তমানে ওই জঙ্গল এলাকায় নিরাপত্তা বাহিনীর ব্যাপক চিরুনি তল্লাশি অব্যাহত রয়েছে।

  • Keralam Vishu: ‘বিশু’ উৎসবের বিজ্ঞাপনে শ্রীকৃষ্ণের ছবির সঙ্গে মাংসের ব্যবহার! ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাতের তীব্র প্রতিবাদ হিন্দুদের

    Keralam Vishu: ‘বিশু’ উৎসবের বিজ্ঞাপনে শ্রীকৃষ্ণের ছবির সঙ্গে মাংসের ব্যবহার! ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাতের তীব্র প্রতিবাদ হিন্দুদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মালয়ালি নববর্ষ বা ‘বিশু’ (Keralam Vishu) উৎসবের প্রাক্কালে কেরলে একটি বিজ্ঞাপনী প্রচারকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ভগবান শ্রীকৃষ্ণের ছবির পাশে মাংসের ছবি ব্যবহারের ঘটনা সামনে আসায় হিন্দু সম্প্রদায়ের একাংশের মধ্যে প্রবল ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। অভিযোগ উঠেছে যে, এটি কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং সুপরিকল্পিতভাবে ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করার একটি প্রচেষ্টা (Meher Mandi)। ইতিমধ্যে একাধিক হিন্দু সংগঠন ওই বিজ্ঞাপন দেওয়া সংস্থাকে কড়া বার্তা দয়েছে। নেওয়া হয়েছে আইনি পদক্ষেপও। যে কোনও ধর্মীয় উৎসবে হিন্দু ভাবাবেগের উপর চরম আঘাত করা যেন একটা স্বভাবে পরিণত হয়েছে। ভারতীয় সনাতন ধর্মের প্রতি যত অবমাননা হয় অন্য ধর্মের প্রতি হয় না বললেই চলে। এই ঘটনায় চরম অসন্তোষের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।

    হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের ব্যাপক ভাবে ক্ষুব্ধ করেছে (Keralam Vishu)   

    বিশু উৎসবের (Keralam Vishu) জন্য ব্যবহৃত উপকরণের তালিকায় মাংসকেও অন্তর্ভুক্ত করার ছবি এখন সকলের মোবাইলে। কেরলের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়া কিছু বিজ্ঞাপনী দৃশ্য এবং সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে ব্যাপক চাঞ্চাল্য তৈরি হয়েছে। ছবিতে স্পষ্ট ভাবে দেখা গিয়েছে, ভগবান শ্রীকৃষ্ণের বিগ্রহ বা ছবির সঙ্গে আমিষ খাবারের চিত্রায়ন। কার্যত চিকেনের ছবি দেখা যাচ্ছে। আর এই ঘটনা হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের ব্যাপক ভাবে ক্ষুব্ধ করেছে। তাদের মতে, বিশু একটি পবিত্র ধর্মীয় উৎসব যেখানে ভগবান শ্রীকৃষ্ণকে নিরামিষ ‘কানি’ উপহার (Meher Mandi) নিবেদন করা হয়। এই নিবেদনে কখনও মাংস দেওয়া যায় না। আর বিজ্ঞাপনে এই ঘটনা অত্যন্ত সাজিয়ে তোলা হয়েছে। কিন্তু কেন এই রকম ভাবে বিজ্ঞাপন দেওয়া হল? এটাই বড় প্রশ্ন।

    অভিযোগের মূল অভিমুখ

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, দক্ষিণপন্থী সংগঠন এবং হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা এই ঘটনাকে ঘিরে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। সম্পূর্ণ ভাবে এই ঘটনা পরিকল্পিত ভাবে প্ররোচনা। অভিজ্ঞ মহলের অভিযোগ এই ধরনের ছবি ব্যবহারের নেপথ্যে কোনও নির্দিষ্ট ভারত-বিরোধী নেটওয়ার্কের মদত রয়েছে। সুকৌশলে হিন্দুদের ধর্মীয় ঐতিহ্যকে অবমাননা করতে চাইছে। তবে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের ছবির (Keralam Vishu) সঙ্গে আমিষ খাবারের ছবি জুড়ে দিয়ে বিজ্ঞাপন প্রচার করার অপরাধে পুলিশ ‘মেহের মান্ডি অ্যান্ড গ্রিলস’ (Meher Mandi & Grills) নামক একটি রেস্তোরাঁর অন্যতম অংশীদার আরশাদকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে এবং হিন্দু সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে জোরালো প্রতিবাদের ডাক দেওয়া হয়েছে।

    সাংস্কৃতিক অবক্ষয়

    ওই রেস্তোরাঁ কর্তৃপক্ষের (Meher Mandi) প্রকাশিত একটি বিজ্ঞাপনী পোস্টারে আরাধ্য দেবতা শ্রীকৃষ্ণের (Keralam Vishu) ছবির পাশেই একটি আমিষ পদের ছবি ব্যবহার করা হয়েছিল। হিন্দু ধর্মের বিশ্বাস অনুযায়ী, বিশু উৎসবে ‘বিশুকানি’ বা পবিত্র দর্শনের মাধ্যমে দিন শুরু করা হয়, যেখানে নিরামিষ এবং সাত্ত্বিক উপকরণ ব্যবহৃত হয়। এই ধরনের বিজ্ঞাপনী প্রচারকে ইচ্ছাকৃত উস্কানি এবং ধর্মীয় অবমাননা হিসেবে দেখছেন সাধারণ মানুষ ও বিভিন্ন হিন্দুত্ববাদী সংগঠন। তবে ঘটনার রেশ এখানেই থেমে থাকবে না বলে মনে করছেন হিন্দুরা। কেরলে সাম্প্রতিক সময়ে একাধিকবার এই ধরনের ছবি বা দৃশ্য সামনে এসেছে, যা রাজ্যের সম্প্রীতির আবহে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে বলে দাবি করা হয়েছে। বিভিন্ন হিন্দু সংগঠন এই ঘটনার পেছনে থাকা ব্যক্তিদের চিহ্নিত করার এবং তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে।

    সামাজিক প্রতিক্রিয়া

    ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর থেকেই কেরল জুড়ে প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকেই ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেছেন যে, বাণিজ্যিক স্বার্থে (Meher Mandi) বা ইচ্ছাকৃতভাবে ধর্মীয় ভাবাবেগকে তুচ্ছ করার এই প্রবণতা বন্ধ হওয়া উচিত। প্রশাসনের পক্ষ থেকে পরিস্থিতির ওপর নজর রাখা হচ্ছে যাতে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে।

    ১৯২ ধারায় মামলা রুজু

    অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনা করে চের্থালা পুলিশ ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (BNS)-এর ১৯২ ধারায় মামলা রুজু করেছে। এই ধারাটি মূলত দাঙ্গা বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে উস্কানি দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, আরশাদ (Meher Mandi) এই পোস্টারটি তৈরি ও প্রচারের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ছিলেন। উল্লেখ্য, এই রেস্তোরাঁটির মালিকানায় মোট নয়জন রয়েছেন এবং তাঁদের মধ্যে কয়েকজনের সঙ্গে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত থাকার সূত্রও পাওয়া গিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

    তীব্রতর হচ্ছে আন্দোলন

    এই ঘটনার প্রতিবাদে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (VHP) এবং হিন্দু ঐক্যবেদীর মতো সংগঠনগুলো সরব হয়েছে। হিন্দু ঐক্যবেদীর নেত্রী কেপি শশীকলা এই বিজ্ঞাপনকে ‘নির্লজ্জ আচরণ’ বলে তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। ওই হোটেলের সামনে ব্যাপক বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক দিয়েছুুুিল হিন্দু সংগঠনগুলি। তাদের দাবি, এটি কেবল বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপন (Keralam Vishu) নয়, বরং সুপরিকল্পিতভাবে একটি বিশেষ সম্প্রদায়ের ভাবাবেগকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। ঘটনা বৃহৎ ষড়যন্ত্রের অংশ।

    প্রশাসনের ভূমিকা

    পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে এলাকায় পুলিশ (Meher Mandi) মোতায়েন করা হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সকলকে শান্ত থাকার অনুরোধ জানানো হয়েছে এবং জানানো হয়েছে যে, আইন অনুযায়ী দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

  • Daily Horoscope 18 April 2026: সতর্ক থাকা প্রয়োজন এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 18 April 2026: সতর্ক থাকা প্রয়োজন এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ (Aries)
    ১. নতুন কাজে আগ্রহ বাড়বে
    ২. আর্থিক দিক উন্নত হবে
    ৩. পরিবারে সুখ বজায় থাকবে

    বৃষ (Taurus)
    ১. অর্থ লাভের সম্ভাবনা
    ২. পুরনো সমস্যা মিটবে
    ৩. স্বাস্থ্যের খেয়াল রাখা দরকার

    মিথুন (Gemini)
    ১. কাজের চাপ বাড়তে পারে
    ২. বন্ধুদের সাহায্য পাবেন
    ৩. মানসিক দুশ্চিন্তা থাকবে

    কর্কট (Cancer)
    ১. পারিবারিক সুখ বাড়বে
    ২. প্রেমের ক্ষেত্রে ভালো সময়
    ৩. নতুন পরিকল্পনা সফল হবে

    সিংহ (Leo)
    ১. আত্মবিশ্বাস বাড়বে
    ২. কর্মক্ষেত্রে সাফল্য
    ৩. অহংকার থেকে দূরে থাকুন

    কন্যা (Virgo)
    ১. কিছু বাধা আসতে পারে
    ২. ধৈর্য রাখলে লাভ হবে
    ৩. স্বাস্থ্যের অবস্থা ঠিক থাকবে

    তুলা (Libra)
    ১. সম্পর্ক মজবুত হবে
    ২. নতুন যোগাযোগ তৈরি হবে
    ৩. অর্থনৈতিক স্থিতি থাকবে

    বৃশ্চিক (Scorpio)
    ১. সতর্ক থাকার প্রয়োজন
    ২. শত্রুর মোকাবিলা করতে হবে
    ৩. শেষে সাফল্য আসবে

    ধনু (Sagittarius)
    ১. ভ্রমণের সুযোগ
    ২. নতুন কাজ শুরু হতে পারে
    ৩. মন ভালো থাকবে

    মকর (Capricorn)
    ১. কাজের চাপ বাড়বে
    ২. পরিশ্রমের ফল পাবেন
    ৩. পরিবার পাশে থাকবে

    কুম্ভ (Aquarius)
    ১. নতুন চিন্তা আসবে
    ২. ব্যবসায় লাভ হবে
    ৩. বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটবে

    মীন (Pisces)
    ১. আবেগ নিয়ন্ত্রণ জরুরি
    ২. বড় সিদ্ধান্ত এড়িয়ে চলুন
    ৩. আধ্যাত্মিক চিন্তা বাড়বে

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Ramakrishna 626: “অনেককাল হল দক্ষিণেশ্বরে একটি সন্ন্যাসী দেখেছিলাম, ন হাত লম্বা চুল, সন্ন্যাসীটি ‘রাধে রাধে’ করত, ঢঙ নাই”

    Ramakrishna 626: “অনেককাল হল দক্ষিণেশ্বরে একটি সন্ন্যাসী দেখেছিলাম, ন হাত লম্বা চুল, সন্ন্যাসীটি ‘রাধে রাধে’ করত, ঢঙ নাই”

    ৫২ শ্যামপুকুর বাটীতে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    পঞ্চবিংশ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২৭শে অক্টোবর
    শ্যামপুকুর বাটীতে নরেন্দ্র, মণি প্রভৃতি ভক্তসঙ্গে
    অসুখ কেন? নরেন্দ্রের প্রতি সন্ন্যাসের উপদেশ

    মাস্টার — আজ্ঞা হবে; এখনও তো সব সময় যায় নাই।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)— কিন্তু তীব্র বৈরাগ্য হলে ও-সব হিসাব থাকে না। ‘বাড়ির সব বন্দোবস্ত করে দিব, তারপরে সাধনা করব’ — তীব্র বৈরাগ্য হলে এরূপ মনে হয় না। (সহাস্যে) গোঁসাই লেকচার দিয়েছিল। তা বলে, দশ হাজার টাকা হলে ওই থেকে খাওয়া-দাওয়া এই সব হয় — তখন নিশ্চিন্ত হয়ে ঈশ্বরকে বেশ ডাকা যেতে পারে।

    “কেশব সেনও ওই ইঙ্গিত করেছিল। বলেছিল, — ‘মহাশয়, যদি কেউ বিষয়-আশয় ঠিকঠাক করে, ঈশ্বরচিন্তা করে — তা পারে কিনা? তার তাতে কিছু দোষ হতে পারে কি?’

    “আমি বললাম (Kathamrita), তীব্র বৈরাগ্য হলে সংসার পাতকুয়া, আত্মীয় কাল সাপের মতো, বোধ হয়। তখন, ‘টাকা জমাব’, ‘বিষয় ঠিকঠাক করব’, এ-সব হিসাব আসে না। ঈশ্বরই বস্তু আর সব অবস্তু — ঈশ্বরকে ছেড়ে বিষয়চিন্তা!

    “একটা মেয়ের ভারী শোক হয়েছিল। আগে নৎটা কাপড়ের আঁচলে বাঁধলে, — তারপর, ‘ওগো! আমার কি হল গো।’ বলে আছড়ে পড়লো কিন্তু খুব সাবধান, নৎটা না ভেঙে যায়।”

    সকলে হাসিতেছেন।

    নরেন্দ্র এই সকল কথা শুনিয়া বাণবিদ্ধের ন্যায় একটু কাত হইয়া শুইয়া পড়িলেন। তাঁর মনের অবস্থা বুঝিয়া —

    মাস্টার (নরেন্দ্রের প্রতি, সহাস্যে) — শুয়ে পড়লে যে!

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) মাস্টারের প্রতি, সহাস্যে— “আমি তো আপনার ভাশুরকে নিয়ে আছি তাইতেই লজ্জায় মরি, এরা সব (অন্য মাগীরা) পরপুরুষ নিয়ে কি করে থাকে?”

    মাস্টার নিজে সংসারে আছেন, লজ্জিত হওয়া উচিত। নিজের দোষ, কেহ দেখে না — অপরের দেখে। ঠাকুর এই কথা বলিতেছেন। একজন স্ত্রীলোক ভাশুরের সঙ্গে নষ্ট হইয়াছিল। সে নিজের দোষ কম, অন্য নষ্ট স্ত্রী লোকদের দোষ বেশি, মনে করিতেছে। বলে, ‘ভাশুর তো আপনার লোক, তাইতেই লজ্জায় মরি।’

    মুক্তহস্ত কে? চাকরি ও খোশামোদের টাকায় বেশি মায়া

    নিচে একজন বৈষ্ণব গান গাইতেছিল। ঠাকুর শুনিয়া অতিশয় আনন্দিত হইলেন। বৈষ্ণবকে কিছু পয়সা দিতে বলিলেন। একজন ভক্ত কিছু দিতে গেলেন। ঠাকুর জিজ্ঞাসা করিতেছেন, “কি দিলে?” একজন ভক্ত বলিলেন — “তিনি দুপয়সা দিয়েছেন।”

    ঠাকুর (Kathamrita)— চাকরি করা টাকা কিনা। — অনেক কষ্টের টাকা — খোশামোদের টাকা! মনে করেছিলাম, চার আনা দিবে!

    Electricity — তাড়িতযন্ত্র ও বাগচী চিত্রিত ষড়্‌ভুজ ও রামচন্দ্রের আলেখ্য
    দর্শন — পূর্বকথা — দক্ষিণেশ্বরে দীর্ঘকেশ সন্ন্যাসী

    ছোট নরেন ঠাকুরকে যন্ত্র আনিয়া তাড়িতের প্রকৃতি দেখাইবেন বলিয়াছিলেন। আজ আনিয়া দেখাইলেন।

    বেলা দুইটা — ঠাকুর ভক্তসঙ্গে বসিয়া আছেন। অতুল একটি বন্ধু মুনসেফকে আনিয়াছেন। শিকদারপাড়ার প্রসিদ্ধ চিত্রকর বাগচী আসিয়াছেন। কয়েকখানি চিত্র ঠাকুরকে উপহার দিলেন।

    ঠাকুর আনন্দের সহিত পট দেখিতেছেন। ষড়্‌ভুজ মূর্তি দর্শন করিয়া ভক্তদের বলিতেছেন — “দেখো, কেমন হয়েছে!”

    ভক্তদের আবার দেখাইবার জন্য ‘অহল্যা পাষাণীর পট’ আনিতে বলিলেন। পটে শ্রীরামচন্দ্রকে দেখিয়া আনন্দ করিতেছেন।

    শ্রীযুক্ত বাগচীর মেয়েদের মতো লম্বা চুল। ঠাকুর বলিতেছেন, “অনেককাল হল দক্ষিণেশ্বরে একটি সন্ন্যাসী দেখেছিলাম। ন হাত লম্বা চুল। সন্ন্যাসীটি ‘রাধে রাধে’ করত। ঢঙ নাই।”

    কিয়ৎক্ষণ পরে নরেন্দ্র (Ramakrishna) গান গাইতেছেন। গানগুলি বৈরাগ্যপূর্ণ। ঠাকুরের মুখে তীব্র বৈরাগ্যের কথা ও সন্ন্যাসের উপদেশ শুনিয়া কি নরেন্দ্রের উদ্দীপন হইল?

    নরেন্দ্রের গান:

    (১) যাবে কি হে দিন আমার বিফলে চলিয়ে।
    (২) অন্তরে জাগিছ ওমা অন্তরযামিনী।
    (৩) কি সুখ জীবনে মম ওহে নাথ দয়াময় হে,
    যদি চরণ-সরোজে পরাণ-মধুপ, চির মগন না রয় হে!

  • Rahul Gandhi: রাহুল গান্ধীর নাগরিকত্ব বিতর্ক! কেন্দ্রীয় সরকারকে নতুন করে তদন্তের নির্দেশ এলাহাবাদ হাইকোর্টের

    Rahul Gandhi: রাহুল গান্ধীর নাগরিকত্ব বিতর্ক! কেন্দ্রীয় সরকারকে নতুন করে তদন্তের নির্দেশ এলাহাবাদ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর (Rahul Gandhi) দ্বৈত নাগরিকত্ব সংক্রান্ত দীর্ঘদিনের বিতর্ক এবার নতুন মোড় নিল। এলাহাবাদ হাইকোর্ট (Allahabad High Court) আজ কেন্দ্রীয় সরকারকে এই বিষয়ে দায়ের করা একটি জনস্বার্থ মামলার প্রেক্ষিতে বিস্তারিত তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। আদালতের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, নাগরিকত্বের মতো সংবেদনশীল বিষয়ে ওঠা অভিযোগের পূর্ণাঙ্গ নিষ্পত্তি হওয়া প্রয়োজন।

    কর্ণাটকের বিজেপি কর্মী এস. বিগ্নেশ গুণের দায়ের করা একটি আবেদনের ভিত্তিতে বিচারপতিরা (Allahabad High Court) এই নির্দেশ প্রদান করেন। মামলাকারীর দাবি ছিল, রাহুল গান্ধী এক সময় নিজেকে ব্রিটিশ নাগরিক হিসেবে ঘোষণা করেছিলেন, যা ভারতীয় সংবিধান অনুযায়ী সংসদ সদস্য পদের জন্য অযোগ্যতা হিসেবে গণ্য হতে পারে।

    কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা দিয়ে তদন্ত করানোর আর্জি (Rahul Gandhi)

    আদালত (Allahabad High Court) কেন্দ্রীয় সরকারকে নির্দেশ দিয়েছে যে, রাহুল গান্ধীর (Rahul Gandhi)  ব্রিটিশ নাগরিকত্ব সংক্রান্ত অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখে একটি সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে হবে। জনস্বার্থ মামলায় এই বিষয়ে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা (CBI) দিয়ে তদন্ত করানোর আর্জি জানানো হয়েছিল। আদালত কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষকে বিষয়টির গুরুত্ব বিবেচনা করে যথাযথ পদক্ষেপ নিতে বলেছে।

    বিতর্কের মূলে কী রয়েছে?

    বিতর্কটির সূত্রপাত কয়েক বছর আগে, যখন অভিযোগ ওঠে যে ব্রিটেনের একটি কোম্পানি ‘ব্যাকোপস লিমিটেড’ (Backops Limited)-এর নথিতে রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)  নিজেকে ব্রিটিশ নাগরিক হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন। যদিও কংগ্রেসের পক্ষ থেকে বরাবরই এই অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে এবং জানানো হয়েছে যে এটি একটি যান্ত্রিক ত্রুটি বা ভুল তথ্যের ওপর ভিত্তি করে করা কুৎসা মাত্র।

    পরবর্তী পদক্ষেপ

    আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, কেন্দ্রীয় সরকার এখন এই বিষয়ে ব্রিটেনের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের থেকে তথ্য যাচাই করতে পারে। যদি নাগরিকত্ব সংক্রান্ত বিষয়ে কোনো অসঙ্গতি প্রমাণিত হয়, তবে তা রাহুল গান্ধীর সংসদ সদস্য পদের ক্ষেত্রে আইনি জটিলতা তৈরি করতে পারে। অন্যদিকে, কংগ্রেস শিবির এই ঘটনাকে ‘রাজনৈতিক প্রতিহিংসা’ হিসেবে অভিহিত করেছে। আদালতের (Allahabad High Court) এই নির্দেশের ফলে নাগরিকত্ব ইস্যুটি পুনরায় জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এল। এখন দেখার বিষয়, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক এই তদন্ত প্রক্রিয়া কত দ্রুত সম্পন্ন করে এবং আদালতের কাছে কী রিপোর্ট পেশ করে।

  • Gautam Adani: মুকেশ অম্বানিকে টপকে ফের এশিয়ার ধনীতম গৌতম আদানি, মোট সম্পত্তি কত জানেন?

    Gautam Adani: মুকেশ অম্বানিকে টপকে ফের এশিয়ার ধনীতম গৌতম আদানি, মোট সম্পত্তি কত জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের শিল্পমহলে ফের এক বড়সড় পটপরিবর্তন ঘটল। ব্লুমবার্গ বিলিয়নেয়ার্স ইন্ডেক্সের (Bloomberg Billionaires Index) সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের কর্ণধার মুকেশ অম্বানিকে পেছনে ফেলে আবারও এশিয়ার ধনীতম ব্যক্তির শিরোপা দখল করলেন আদানি গোষ্ঠীর চেয়ারম্যান গৌতম আদানি। গত কয়েকদিনের শেয়ার বাজারের অস্থিরতা এবং আদানি গোষ্ঠীর শেয়ারের ধারাবাহিক উত্থান এই রদবদলের নেপথ্যে প্রধান ভূমিকা পালন করেছে বলে মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহল।

    গৌতম আদানির সম্পত্তি (Gautam Adani)

    ব্লুমবার্গ বিলিয়নেয়ার্স সূচকে (Bloomberg Billionaires Index) বর্তমানে গৌতম আদানির (Gautam adani) মোট সম্পত্তির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৯২.৬ বিলিয়ন ডলার। বিশ্বতালিকায় তিনি এখন ১৯তম স্থানে রয়েছেন। সাম্প্রতিক এক দিনের ব্যবধানেই তাঁর ব্যক্তিগত সম্পত্তি প্রায় ৩.৫৬ বিলিয়ন ডলার বৃদ্ধি পেয়েছে।

    মুকেশ আম্বানির সম্পত্তি

    অন্যদিকে, মুকেশ অম্বানির মোট সম্পত্তির পরিমাণ বর্তমানে ৯০.৮ বিলিয়ন ডলার। বিশ্ব ধনকুবেরদের তালিকায় তিনি ২০তম স্থানে পিছিয়ে এসেছেন। এই বছরের শুরু থেকে তাঁর নিট সম্পত্তিতে প্রায় ১৬.৯ বিলিয়ন ডলারের ঘাটতি দেখা গিয়েছে। মুকেশের পর রয়েছেন লক্ষ্মী মিত্তাল। তিনি ৩৬.৯ বিলিয়ন ডলার নিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছেন। এরপর রয়েছেন শিব নাদার। তাঁর সম্পত্তির পরিমাণ ৩৩.৫ বিলিয়ন ডলার এবং শাপুরজি মিস্ত্রি ও তার পরিবারের সম্পত্তির পরিমাণ ৩৩.২ বিলিয়ন ডলার। সাবিত্রী জিন্দালের মোট সম্পত্তির পরিমাণ ৩২.৭ বিলিয়ন ডলার। এরপর সুনীল মিত্তাল ও তার পরিবারের মোট সম্পত্তির পরিমাণ ২৫.১ বিলিয়ন ডলার। অন্যদিকে দিলীপ সাংভির সম্পত্তির পরিমাণ ২৪.২ বিলিয়ন ডলার। আজিম প্রেমজির সম্পত্তির পরিমাণ ২২.৫ বিলিয়ন ডলার এবং কুমার মঙ্গলম বিরলা ২২.৪ বিলিয়ন ডলার সম্পত্তি নিয়ে শীর্ষ দশের তালিকায় স্থান দখল করেছেন।

    কেন এই পরিবর্তন?

    অর্থনীতি এবং বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, আদানি গোষ্ঠীর (Gautam Adani) পরিকাঠামো এবং জ্বালানি খাতের শেয়ারের অভূতপূর্ব সাফল্যের ফলেই এই সম্পত্তি বৃদ্ধি (Bloomberg Billionaires Index)। এ বছর আদানির ব্যক্তিগত সম্পত্তিতে প্রায় ৮.১ বিলিয়ন ডলার যুক্ত হয়েছে। বিপরীতে, রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ার দর কিছুটা স্থিতিশীল থাকলেও আদানির দ্রুত গতির কাছে আম্বানিকে শীর্ষস্থান ছাড়তে হয়েছে।

    বিশ্বমঞ্চে অনান্য শিল্পপতি

    ব্লুমবার্গের (Bloomberg Billionaires Index) তালিকায় শীর্ষস্থানে এখনও আধিপত্য বজায় রেখেছেন টেসলা ও স্পেস-এক্স প্রধান এলন মাস্ক। তাঁর সম্পত্তির পরিমাণ জানা গিয়েছে ৬৫৬ বিলিয়ন ডলার। তালিকার পরবর্তী নামগুলো হলো ল্যারি পেজ, জেফ বেজোস এবং মার্ক জাকারবার্গ। ভারতের দুই শীর্ষ শিল্পপতির এই ‘সম্পত্তির লড়াই’ দীর্ঘদিনের। শেয়ার বাজারের এই ওঠানামা আদানিকে আবারও এশিয়ার সিংহাসনে বসালো, যা ভারতীয় অর্থনীতির প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

  • West Bengal Elections 2026: ট্রাইবুনালে পাস করে ভোটার তালিকায় নাম উঠলে কীভাবে জানবেন ভোটাররা, বলল নির্বাচন কমিশন

    West Bengal Elections 2026: ট্রাইবুনালে পাস করে ভোটার তালিকায় নাম উঠলে কীভাবে জানবেন ভোটাররা, বলল নির্বাচন কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশিকাকে অনুসরণ করে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য নির্বাচন কমিশন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় স্পষ্ট করেছে। কমিশনের (Election Commission India) তরফে জানানো হয়েছে, ভোটার তালিকায় নাম থাকা নিয়ে যদি কোনও আইনি জটিলতা থাকে এবং সংশ্লিষ্ট ট্রাইবুনাল যদি কোনও ব্যক্তিকে ভোট দেওয়ার অনুমতি প্রদান করে, তবে তিনি নির্বিঘ্নে নিজের ভোটাধিকার (West Bengal Elections 2026) প্রয়োগ করতে পারবেন।

    সিইও-র বক্তব্য

    রাজ্যের সিইও মনোজ আগরওয়াল বলেন, ‘‘বিএলওদের দায়িত্ব রয়েছে, তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে হবে। এছাড়া ওয়েবসাইট থেকে জানতে পারবেন ভোটাররা, এছাড়া বিডিওর কাছেও সব তথ্য দেওয়া থাকবে। নির্বাচন কমিশনকে  সেতু বন্ধনের মতো একটা সফটওয়্যার তৈরি করতে হবে যেখানে নামের নিষ্পত্তি হতেই ভোটারদের নাম তালিকায় যুক্ত হতে থাকবে।’’

    আদালতের নির্দেশনাকে অগ্রাধিকার (West Bengal Elections 2026)

    সুপ্রিম কোর্টের গাইডলাইন অনুযায়ী, ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তিকরণ বা নাগরিকত্ব সংক্রান্ত বিষয়ে ট্রাইবুনালের রায়ই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক (CEO) জানিয়েছেন, যদি কোনও ভোটারের (West Bengal Elections 2026) নাম নিয়ে আপত্তি থাকে কিন্তু ট্রাইবুনাল তাকে ‘ক্লিয়ারেন্স’ বা ছাড়পত্র দিয়ে থাকে, তবে তাকে ভোটদান থেকে বিরত রাখা যাবে না। ভোটকেন্দ্রে যাতে কোনও প্রকার বিভ্রান্তি না তৈরি হয়, সেইজন্য সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের এই বিষয়ে বিশেষ সর্তকতা অবলম্বনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    মূলত আইনি লড়াইয়ে জয়ী বা ট্রাইবুনাল থেকে বৈধতা পাওয়া ভোটারদের গণতান্ত্রিক অধিকার সুনিশ্চিত করতেই নির্বাচন কমিশন (Election Commission India) এই পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এটি যেমন আদালতের রায়ের প্রতি সম্মান প্রদর্শন, তেমনি প্রকৃত ভোটারদের অধিকার রক্ষার একটি বলিষ্ঠ ধাপ। আসন্ন নির্বাচনের প্রাক্কালে ভোটার তালিকায় নাম সংশোধন বা নতুন নাম অন্তর্ভুক্তিকরণ নিয়ে জনসাধারণের মধ্যে অনেক সময় কৌতূহল ও বিভ্রান্তি দেখা দেয়। সুপ্রিম কোর্টের সাম্প্রতিক পর্যবেক্ষণ এবং নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী, এই প্রক্রিয়ার একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা ও আইনি কাঠামো গঠন হয়েছে।

    আদালতের পর্যবেক্ষণ

    ভোটার তালিকা সংশোধন করার প্রক্রিয়া একটি নিরবিচ্ছিন্ন কাজ হলেও, নির্বাচনের ঠিক আগে একটি নির্দিষ্ট সময়সীমার পর আর নতুন নাম অন্তর্ভুক্ত করা যায় না। সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট করেছে যে, নির্বাচনের (West Bengal Elections 2026) মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ তারিখের পর ভোটার তালিকায় নতুন নাম তোলা বা কোনও বড় পরিবর্তন করা আইনত সম্ভব নয়।

    ভোটদানের অধিকার ও ট্রাইবুনাল

    যদি কোনও ব্যক্তির নাম নিয়ে ট্রাইবুনালে মামলা চলে এবং ট্রাইবুনাল তাকে বৈধ ভোটার হিসেবে স্বীকৃতি দেয়, তবে সেই নির্দেশের ভিত্তিতে কমিশন প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারবে। আবার নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, স্বচ্ছ ভোটার তালিকা (West Bengal Elections 2026) তৈরি করাই তাদের প্রাথমিক লক্ষ্য। মৃত ব্যক্তি বা স্থানান্তরিত ভোটারদের নাম বাদ দিয়ে একটি ত্রুটিমুক্ত তালিকা প্রস্তুত করার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। রাজ্যের নির্বাচন কমিশনের তরফে সিইও মনোজ আগরওয়ালা  বলেন, “ট্রাইবুনাল স্বাধীনভাবে কাজ করছে, এরা নির্বাচন কমিশন (ECI) বা সিইও অফিসের অধীনে নয়। সুতরাং যতদিন না ড্যাশবোর্ড তৈরি হচ্ছে, তাদের কাজে হস্তক্ষেপ করা যাবে না।’’

    কতজনের নিষ্পত্তি সম্ভব?

    সূত্রের তথ্য জানিয়েছে, রাজ্যে মোট ১৯টি ট্রাইবুনাল কাজ করছে। ট্রাইবুনালগুলির মাথায় রয়েছেন ১৯ জন প্রাক্তন বিচারপতি। প্রতিদিন ১০টি করে আবেদন যাচাই করে পোর্টালে তুলছে। ১০টি নাম নিষ্পত্তি হলে, আরও ১০টি আবেদন জমা পড়ছে। যদি ধরেও নেওয়া হয় যে প্রতিদিন প্রত্যেক ট্রাইবুনাল ১০টি করে আবেদনের নিষ্পত্তি করছে, তাহলে একদিনে সংখ্যাটা হয় ১৯০। গত ১৩ এপ্রিল থেকে কাজ শুরু করেছে ট্রাইবুনাল। প্রথম দফার ক্ষেত্রে সময় রয়েছে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত। এই ৯ দিনের মধ্য তিনদিন ছুটি। ছুটির দিন কোথাও কাজ হয়েছে, কোথাও হয়নি। ফলে ৯ দিনের প্রতিদিন ১৯০টি করে নিষ্পত্তি হলেও সংখ্যাটা দাঁড়ায় ১,৭১০। সুতরাং কোনও অবস্থাতেই প্রথম দফার আগে দু হাজারের বেশি নামের নিষ্পত্তি হওয়া সম্ভব নয় বলে মনে করেছে পরিসংখ্যান।  তাই ভোট কতজন দিতে পারবেন, সেই সংশয় রয়েই যাচ্ছে।

    কত নাম বাদ পড়েছে

    পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর প্রথম প্রকাশ হওয়া চূড়ান্ত তালিকায় নাম বাদ পরে প্রায় ৬৩ লক্ষ ভোটারের নাম। এরপর ৬০ লক্ষের কিছু বেশি নাম ছিল বিচারাধীন তালিকায়। মূলত তথ্যগত অসঙ্গতির কারণে এই ৬০ লক্ষ নাম সন্দেহের তালিকায় রাখা হয়েছিল। পরে সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট বেরনোর পর আরও ২৭ লক্ষ নাম বাদ পড়ে। এখনও পর্যন্ত সব মিলিয়ে বাদ পড়া নামের সংখ্যা ৯০ লক্ষের বেশি।

LinkedIn
Share