Tag: Bengali news

Bengali news

  • Bakrid 2026: “গরু কোরবানি নয়, নমাজ আদায় মসজিদে”, বকরি ইদের আগে মুসলিমদের জন্য নির্দেশিকা জারি ইসলামিক সেন্টারের

    Bakrid 2026: “গরু কোরবানি নয়, নমাজ আদায় মসজিদে”, বকরি ইদের আগে মুসলিমদের জন্য নির্দেশিকা জারি ইসলামিক সেন্টারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশজুড়ে শান্তিপূর্ণ, আইনসম্মত ও স্বাস্থ্যকরভাবে আসন্ন বকরি ইদ (Bakrid 2026) পালনের জন্য ১২ দফা নির্দেশিকা জারি করেছেন অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল’ বোর্ড (AIMPLB)-এর সদস্য এবং ইসলামিক সেন্টার অফ ইন্ডিয়ার চেয়ারম্যান মৌলানা খালিদ রশিদ ফিরঙ্গি মহলি। এতে (Islamic Centre of India) বিশেষভাবে গরু কোরবানি না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    ১২ দফা ইদ-উল-আধা নির্দেশিকা (Bakrid 2026)

    সংবাদ মাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “ইসলামিক সেন্টার অফ ইন্ডিয়া, লখনউ একটি ১২ দফা ইদ-উল-আধা নির্দেশিকা জারি করেছে। সেখানে মুসলিম সমাজকে বলা হয়েছে, কেবলমাত্র সেইসব পশুর কোরবানি করতে, যেগুলিতে কোনও আইনি নিষেধাজ্ঞা নেই। বিশেষ করে গরু কোরবানি করা যাবে না, কারণ তা দেশের আইনের বিরুদ্ধে।” এই নির্দেশিকায় শৃঙ্খলারক্ষা, পরিচ্ছন্নতা ও পরিবেশগত দায়িত্ববোধের ওপরও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। মুসলিম সম্প্রদায়কে সর্বজনীন জায়গায় নমাজ আদায় না করার অনুরোধও করা হয়েছে। মহলি বলেন, “এই নির্দেশিকায় আমরা মুসলিম সমাজকে নির্দেশ দিয়েছি যে নমাজ শুধুমাত্র ইদগাহ ও মসজিদের ভেতরে নির্ধারিত জায়গায় আদায় করতে হবে। কোরবানি করার সময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্যবিধির প্রতি বিশেষ নজর দিতে হবে। পশুর বর্জ্য বাইরে ফেলা যাবে না। নগর নিগম ও পুরসভার নির্ধারিত ব্যবস্থাপনা অনুযায়ী তা ঠিকঠাকভাবে করতে হবে।”

    পাবলিক প্লেসে কোরবানি নয়

    তিনি এও বলেন, “কোরবানি শুধুমাত্র নির্ধারিত স্থানেই করতে হবে। কোনও পাবলিক প্লেস, রাস্তার ধারে বা গলির কাছে কোরবানি করা যাবে না।” মহলি জানান, এই নির্দেশিকায় মুসলিমদের দেশবাসীর কল্যাণ, সমৃদ্ধি এবং বর্তমান বিভিন্ন সমস্যা থেকে মুক্তির জন্য প্রার্থনা করার আহ্বানও জানানো হয়েছে (Islamic Centre of India)। তিনি বলেন, “নমাজের পরে তীব্র গরম থেকে মুক্তি, দেশের নিরাপত্তা ও উন্নয়নের জন্য বিশেষ প্রার্থনা করতে হবে। একইভাবে দেশের সম্ভাব্য অর্থনৈতিক সঙ্কট থেকে রক্ষার জন্যও বিশেষ প্রার্থনা করা উচিত (Bakrid 2026)।” ইদ-আল-আধা বা বকরি ইদ, যা ২৭ বা ২৮ জুন পালিত হবে, ‘ত্যাগের উৎসব’ নামেও পরিচিত। এটি ইসলামি ক্যালেন্ডারের ১২তম মাস জিলহজ্জের দশম দিনে পালিত হয়। এই উৎসব বার্ষিক হজ পালন সমাপ্তির প্রতীক। প্রতি বছর এর তারিখ পরিবর্তিত হয়, কারণ এটি ইসলামি চন্দ্র-পঞ্জিকার ওপর নির্ভরশীল, যা পাশ্চাত্যের ৩৬৫ দিনের গ্রেগোরিয়ান ক্যালেন্ডার থেকে প্রায় ১১ দিন কম (Bakrid 2026)।

  • TMC: কলকাতা পুরসভার ১৪৪টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১০২টিতে এগিয়ে বিজেপি, হেরে লাট তৃণমূল

    TMC: কলকাতা পুরসভার ১৪৪টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১০২টিতে এগিয়ে বিজেপি, হেরে লাট তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বঙ্গে শুরু হয়েছে পদ্ম-শাসন। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ শুরু করে দিয়েছে ‘ডাবল ইঞ্জিন সরকার’ (TMC)। উন্নয়নের রথ এগোচ্ছে অশ্বমেধ যজ্ঞের ঘোড়ার মতো। চালকের আসনে বিজেপির তুর্কি নেতা, ‘জায়ান্ট কিলার’ শুভেন্দু অধিকারী। ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে শুভেন্দু-শমীকের (শমীক ভট্টাচার্য, বিজেপির রাজ্য সভাপতি)টি২০ ধাঁচের খেলায় আক্ষরিক অর্থেই ছক্কা (Municipal Poll) হাঁকানোয় ভোট-ময়দানে গোহারা হেরেছে তৃণমূল। এক সময় যে দল ৩৪ বছরের বাম-শাসনের অবসান ঘটিয়েছিল, পদ্ম-ঝড়ে সেই ঘাসফুলই হেরে ভূত।

    বিজেপির পাখির চোখ (TMC)

    রাজ্যের কুর্সি দখলের পর এবার বিজেপির পাখির চোখ কলকাতা পুরসভার মসনদ। যে চেয়ারে বর্তমানে বসে রয়েছেন সদ্য-মন্ত্রিত্ব খোয়ানো ফিরহাদ হাকিম, সেই কুর্সিই যে টলোমলো, তা বিলক্ষ্মণ বুঝতে পারছেন তৃণমূলের এই সংখ্যালঘু ‘মুখ’। তবে তিনি না বুঝলেও, ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের ফল বলছে রাজ্যবাসীর মতো কলকাতার বাসিন্দারাও চান, চেয়ার ছেড়ে এবার মানে মানে কেটে পড়ুন হাকিম মশাই। যে হাকিমকে একই সঙ্গে রাজ্যের মন্ত্রী এবং কলকাতা পুরসভার চেয়ারে বসিয়ে বছরের পর বছর বিরোধীদের মাত দিয়ে যাচ্ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে গড়া সাধের তৃণমূল, সেখানে যে তলে তলে ঘোঘের বাসা হয়ে গিয়েছে, তা আদৌ টের পাননি হাকিম মশাই কিংবা তাঁর নেত্রী। যখন বুঝলেন, তখন বড্ড দেরি হয়ে গিয়েছে! ঘাসফুল উপড়ে ফেলে রাজ্যের বাগানে পদ্ম ফুটিয়ে ছেড়েছেন পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দারা। এঁদেরই একটা অংশ বাস করেন কলকাতায়। রাজ্যের রাজধানীর সেই বাসিন্দারাই চাইছেন, ‘অনেক হয়েছে আর নয়…’।

    দুই তৃতীয়াংশেরও বেশি ওয়ার্ডে এগিয়ে বিজেপি

    ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের ফল বলছে, কলকাতা পুরসভার দুই তৃতীয়াংশেরও বেশি ওয়ার্ডে এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। তার পরেই খাতা-পেন্সিল নিয়ে আঁক কষতে বসে গিয়েছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা-নেত্রীরা। তাতেই রাজ্যের শাসক দল যেখানে ‘পৌষমাসে’র আগমনী-বার্তা শুনতে পাচ্ছেন, সেখানে বিরোধীরা দেখতে পাচ্ছেন ‘সর্বনাশে’র কালো ছায়া। বিধানসভা নির্বাচনের ফল বলছে, কলকাতায় বিজেপি এগিয়ে রয়েছে ১০২টি আসনে, আর তৃণমূল মাত্র ৪২টিতে। যার নির্যাস, কলকাতার এই ছোট লালবাড়ির তখতে বিজেপির বসাটা স্রেফ সময়ের অপেক্ষা। কলকাতা পুরসভার ওয়ার্ড ১৪৪টি। এগুলি রয়েছে রাজ্যের ১৭টি বিধানসভা কেন্দ্রের অধীনে। এই বিধানসভা আসনগুলির মধ্যে ১০টিতে জিতেছে বিজেপি, ঘাসফুল আঁকা ঝুলিতে গিয়েছে ৭টি আসন।

    বেহাল দশা তৃণমূলের

    এবার যে রেজাল্ট বেরিয়েছে, তাতে (TMC) চারটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে – উত্তর কলকাতা, দক্ষিণ কলকাতা, যাদবপুর-টালিগঞ্জ সাংগঠনিক জেলা, বেহালা-ডায়মন্ড হারবার সাংগঠনিক জেলা। উত্তর কলকাতার চৌরঙ্গী, মানিকতলা, বেলেঘাটা, কাশীপুর-বেলগাছিয়া, শ্যামপুকুর, জোড়াসাঁকো, এন্টালি-এই সাতটি বিধানসভায় বিজেপি এগিয়ে রয়েছে ৪০টি ওয়ার্ডে, তৃণমূল মাত্রই ২০টিতে। দক্ষিণ কলকাতার চারটি আসন-রাসবিহারী,বালিগঞ্জ,কলকাতা বন্দর এবং ভবানীপুরেও লেজেগোবরে দশা ‘বুয়া-ভাতিজা’র দলের। বিজেপি এগিয়ে রয়েছে ২০টি ওয়ার্ডে, তৃণমূল ১২টিতে। যাদবপুর-টলিগঞ্জ সাংগঠনিক জেলার তিনটি বিধানসভা- যাদবপুর, টালিগঞ্জ এবং কসবা এই তিন জায়গায় বিজেপি এগিয়ে রয়েছে ২২টি ওয়ার্ডে। করুণ দশা তৃণমূলের। তারা এগিয়ে রয়েছে মাত্র ৩টি আসনে। বেহালা-ডায়মন্ড হারবার সাংগঠনিক জেলার তিনটি বিধানসভা কেন্দ্র- বেহালা পূর্ব, বেহালা পশ্চিম এবং মেটিয়াবুরুজের ২০টি ওয়ার্ডে এগিয়ে রয়েছে বিজেপি, তৃণমূল মাত্র ৭টিতে।

    ভবানীপুরেও প্রত্যাখ্যাত মমতার দল!

    কলকাতার মধ্যে শ্যামপুকুর,বেহালা পশ্চিম, মানিকতলা এবং যাদবপুরের মতো বিধানসভাও রয়েছে (TMC)। এগুলির অধীনে থাকা কোনও ওয়ার্ডেই তৃণমূল এগিয়ে নেই। বিধানসভা নির্বাচনে শুভেন্দু-মমতা দ্বৈরথের ফল জানতে অধীর আগ্রহে বসেছিলেন তামাম ভারতবাসী। কারণ, এই কেন্দ্রে মূল লড়াইটা ছিল বিজেপি বনাম তৃণমূলের নয়, বরং ছিল তৃণমূল সুপ্রিমো এবং তাঁরই প্রাক্তন সতীর্থ বিজেপির শুভেন্দু অধিকারীর। ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের শুধুমাত্র ৭৭ নম্বর ওয়ার্ডটাই সংখ্যালঘু অধ্যুষিত। এই ওয়ার্ডে তৃণমূল প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ২২ হাজার ভোটের লিড পেলেও, বাকি ৭টি ওয়ার্ড মমতাকে প্রত্যাখ্যান করে এগিয়ে দিয়েছে শুভেন্দুকে (Municipal Poll)। মমতা যে যে এলাকায় আবাসনে গিয়ে জনসংযোগ করেছেন, সেই সবক’টি ওয়ার্ডেই ৪-৫ হাজার ভোটে হেরেছে তৃণমূল। খোদ হাকিম মশাইও বিপুল ভোটে পিছিয়ে ছিলেন ৮২ নম্বর ওয়ার্ডে। কলকাতার সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকা মেটিয়াবুরুজ, গার্ডেনরিচ, রাজাবাজার, এবং বেলগাছিয়ার মতো এলাকার সিংহভাগ ভোটার তৃণমূল ছাড়া অন্য কোনও বিকল্পের কথা ভাবেননি। তাই ওই ওয়ার্ডগুলিতে লিড পেয়েছে মমতার দল।

    তৃণমূলের কাঁদুনি!

    পরিসংখ্যান বলছে, কলকাতার যেসব ওয়ার্ডে হাজার হাজার ভোটে তৃণমূল লিড পেত, এবার সেই সব ওয়ার্ডেই ৩ থেকে ৫ হাজার ভোটে পিছিয়ে পড়েছেন মেয়র পারিষদ এবং বরো চেয়ারম্যানরা। কলকাতা পুরসভার ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর শান্তিরঞ্জন কুণ্ডু বলেন, “মানুষ পরিষেবা নিয়েছেন, কিন্তু ভোট দেওয়ার সময় মাথায় রেখেছেন অন্য সমীকরণ। সোশ্যাল মিডিয়া আর টিভির প্রচারের ঝড়ে চাপা পড়ে গিয়েছে এলাকার উন্নয়ন।’ কলকাতা পুরসভার কাউন্সিলর তথা বরাহনগর কেন্দ্রের বিধায়ক বিজেপির সজল ঘোষ বলেন, “পুর পরিষেবা না পেয়ে সাধারণ মানুষ ক্ষুব্ধ হয়ে বিজেপিকে ভোট দিয়েছেন। এরপর ভোট হলে মানুষ আমাদেরই সমর্থন করবেন (TMC)।”

    কী বলছেন হাকিম মশাই?

    পরিসংখ্যানের হিসেব-নিকেশ শুনে দৃশ্যতই হতাশ কলকাতা পুরসভার মেয়র ফিরহাদ হাকিম। যদিও পাঁচ বছরের কাজের ভিত্তিতে ফের পুরসভায় আসতে পারবেন কি না, প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, “ওয়ার্ডে-ওয়ার্ডে পিছিয়ে রয়েছে তৃণমূল। এটা নিয়ে এখনও বিশ্লেষণ করিনি। পরে জানাব।” বিজেপি নেত্রী দেবশ্রী চৌধুরী বলেন, “আগামী যে সময় আসছে গোটা বাংলা গেরুয়াময় হবে। ভারত আগেই হয়ে গিয়েছে। বাংলাও হবে (Municipal Poll)।”

    ডিসেম্বরে কলকাতা পুরসভার নির্বাচন হওয়ার কথা। সেই নির্বাচনেও বিপুল জনাদেশ পেয়ে বোর্ড গড়বে পদ্ম-শিবির। অন্তত এমনই আশা বিজেপির। দলের জেলা সভাপতি তমোঘ্ন ঘোষ বলেন, “এই ফল আসন্ন পুরসভা ভোটের আগে আমাদের অবশ্যই বাড়তি অক্সিজেন দিচ্ছে। উন্নয়নের লক্ষ্যে মানুষ আস্থা রেখেছেন পদ্ম প্রতীকে (TMC)।’

     

  • Daily Horoscope 23 May 2026: আর্থিক পরিস্থিতি মজবুত হবে এই রাশির জাতকরা

    Daily Horoscope 23 May 2026: আর্থিক পরিস্থিতি মজবুত হবে এই রাশির জাতকরা

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) বন্ধুদের সহযোগিতা পাবেন।

    ২) দাম্পত্য জীবন সুখে কাটবে।

    ৩) জীবনসঙ্গীর পূর্ণ সহযোগিতা লাভ করবেন।

    বৃষ

    ১) আর্থিক পরিস্থিতি মজবুত হবে।

    ২) কাঙ্খিত ফল লাভের ইচ্ছা পূরণ হবে।

    ৩) সন্ধ্যাবেলা সামাজিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতে পারেন।

    মিথুন

    ১) পরিবারের ছোট সদস্য বা বাচ্চারা সমস্যার মুখোমুখি হতে পারেন।

    ২) বদহজমের সমস্যায় ভুগতে পারেন।

    ৩) পরিবারে সমস্ত জটিলতার অবসান ঘটবে।

    কর্কট

    ১) পারিবারিক জীবনে সমস্যা হতে পারে।

    ২) তাড়াহুড়োয় কোনও কাজ করলে তা ভেস্তে যেতে পারে।

    ৩) সন্ধ্যা নাগাদ ধর্মীয় কাজে রুচি বাড়বে।

    সিংহ

    ১) আপনার কাজের বিরোধিতা হবে।

    ২) শত্রুদের থেকে সাবধান।

    ৩) পারিবারিক সমস্যার ক্ষেত্রে ভুল সিদ্ধান্ত নিলে দুর্ভোগ বাড়তে পারে।

    কন্যা

    ১) পুরনো বন্ধুর সঙ্গে সাক্ষাৎ হবে।

    ২) সন্ধ্যাবেলা পরিবারের ছোট বাচ্চাদের সঙ্গে সময় কাটাবেন।

    ৩) মানসিক অবসাদ কমবে।

    তুলা

    ১) মনের মধ্যে আনন্দ অনুভূতি থাকবে।

    ২) চাকরিজীবী জাতকরা রোজগারের নতুন সুযোগ পাবেন।

    ৩) কাউকে টাকা ধার দেবেন না, কারণ সেই টাকা ফিরে পাবেন না।

    বৃশ্চিক

    ১) পরিবারে কোনও শুভ অনুষ্ঠান হতে পারে।

    ২) বাড়িতে অতিথি আগমন হবে।

    ৩) সমস্ত কাজ সম্পন্ন করতে পারবেন আজ।

    ধনু

    ১) ধর্মীয় কাজে রুচি বাড়বে।

    ২) অধিক দৌড়ঝাঁপ করতে হবে আজ।

    ৩) চোখে সমস্যা হতে পারে।

    মকর

    ১) বাণী নিয়ন্ত্রণে রাখুন।

    ২) দাম্পত্য সুখ বৃদ্ধি হবে।

    ৩) ব্যবসায়ে উন্নতি হবে।

    কুম্ভ

    ১) প্রভাবশালী ব্যক্তির সঙ্গে দেখা হতে পারে।

    ২) ব্যবসায়ীদের অর্থাভাবের সম্ভাবনা রয়েছে।

    ৩) সাবধানে গাড়ি চালান।

    মীন

    ১) অধিক পরিশ্রম করতে হবে আজ।

    ২) ব্যবসার জন্য দিনটি ভালো নয়।

    ৩) সবার সাহায্য নিয়ে এগিয়ে যাবেন।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না

  • Daily Horoscope 22 May 2026: কাজের চাপ বাড়লেও সফল হবেন এই রাশির জাতকরা

    Daily Horoscope 22 May 2026: কাজের চাপ বাড়লেও সফল হবেন এই রাশির জাতকরা

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১. আজ কর্মক্ষেত্রে নতুন সুযোগ আসতে পারে।
    ২. পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো থাকবে।
    ৩. অর্থ ব্যয়ে একটু সতর্ক থাকুন।

    বৃষ

    ১. পুরনো কাজের ভালো ফল মিলতে পারে।
    ২. বন্ধুদের সাহায্য পাবেন।
    ৩. মানসিক শান্তি বজায় থাকবে।

    মিথুন

    ১. কাজের চাপ বাড়লেও সফল হবেন।
    ২. নতুন পরিচয় লাভজনক হতে পারে।
    ৩. ভ্রমণের সম্ভাবনা রয়েছে।

    কর্কট

    ১. পরিবারের তরফে সুখবর আসতে পারে।
    ২. অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতি হবে।
    ৩. স্বাস্থ্যের দিকে নজর দিন।

    সিংহ

    ১. আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি পাবে।
    ২. গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে সাফল্য মিলবে।
    ৩. রাগ নিয়ন্ত্রণে রাখুন।

    কন্যা

    ১. কর্মক্ষেত্রে প্রশংসা পাবেন।
    ২. শিক্ষার্থীদের জন্য শুভ দিন।
    ৩. পুরনো বন্ধুর সঙ্গে যোগাযোগ হতে পারে।

    তুলা

    ১. খরচ কিছুটা বাড়তে পারে।
    ২. প্রেমের সম্পর্কে সুখ থাকবে।
    ৩. পরিবারের সমর্থন পাবেন।

    বৃশ্চিক

    ১. নতুন পরিকল্পনায় সাফল্য আসবে।
    ২. প্রতিযোগিতায় জয় লাভ করবেন।
    ৩. আর্থিক লাভের সম্ভাবনা রয়েছে।

    ধনু

    ১. শুভ সংবাদ পেতে পারেন।
    ২. ভ্রমণের যোগ রয়েছে।
    ৩. ধর্মীয় কাজে মন বসবে।

    মকর

    ১. কাজের চাপ বাড়বে।
    ২. অর্থনৈতিক দিক শক্তিশালী থাকবে।
    ৩. পরিবারের সঙ্গে ভালো সময় কাটবে।

    কুম্ভ

    ১. নতুন কাজে লাভ হতে পারে।
    ২. বন্ধুদের সঙ্গে আনন্দে সময় কাটবে।
    ৩. শরীরের যত্ন নেওয়া প্রয়োজন।

    মীন

    ১. আবেগ নিয়ন্ত্রণে রাখুন।
    ২. ধৈর্য ধরলে কর্মক্ষেত্রে লাভ হবে।
    ৩. সন্ধ্যার পর সুখবর মিলতে পারে।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Ramakrishna 652: “দুই নৌকায় পা দিয়ে কি হবে, কাজ সেরে আসাই ভাল…যিনি কালী ঠিক চিনেছেন, তাঁকে দর্শন করলেই হবে”

    Ramakrishna 652: “দুই নৌকায় পা দিয়ে কি হবে, কাজ সেরে আসাই ভাল…যিনি কালী ঠিক চিনেছেন, তাঁকে দর্শন করলেই হবে”

    ৫৩ কাশীপুর বাগানে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    দ্বাদশ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৬, ১৩ই এপ্রিল

    ঈশ্বরকোটির কি কর্মফল, প্রারব্ধ আছে? যোগবাশিষ্ঠ

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) সঙ্কেত করিয়া বলিতেছেন, “বেশ মা মা বলছে!”

    ব্রাহ্মণীর ছেলেমান্‌সের স্বভাব। ঠাকুর হাসিয়া রাখালকে ইঙ্গিত করিতেছেন, “ওকে গান গাইতে বল না।” ব্রাহ্মণী গান গাইতেছেন। ভক্তেরা হাসিতেছেন (Kathamrita)।

    ‘হরি খেলব আজ তোমার সনে,
    একলা পেয়েছি তোমায় নিধুবনে।’

    মেয়েরা উপরের ঘর হইতে নিচে চলিয়া গেলেন।

    বৈকাল বেলা। ঠাকুরের কাছে মণি ও দু-একটি ভক্ত বসিয়া আছেন। নরেন্দ্র ঘরে প্রবেশ করিলেন। শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) ঠিকই বলেন, নরেন্দ্র যেন খাপখোলা তলোয়ার লইয়া বেড়াইতেছেন।

    সন্ন্যাসির কঠিন নিয়ম ও নরেন্দ্র

    নরেন্দ্র আসিয়া ঠাকুরের কাছে বসিলেন। ঠাকুরকে শুনাইয়া নরেন্দ্র মেয়েদের সম্বন্ধে যৎপরোনাস্তি বিরক্তিভাব প্রকাশ করিতেছেন। মেয়েদের সঙ্গ ঈশ্বরলাভের ভয়ানক বিঘ্ন, — বলিতেছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) কোন কথা কহিতেছেন না, সকলি শুনিতেছেন।

    নরেন্দ্র আবার বলিতেছেন, আমি চাই শান্তি, আমি ইশ্বর পর্যন্ত চাই না। শ্রীরামকৃষ্ণ নরেন্দ্রকে একদৃষ্টে দেখিতেছেন। মুখে কোন কথা নাই। নরেন্দ্র মাঝে মাঝে সুর করিয়া বলিতেছেন — সত্যং জ্ঞানমনন্তম্‌।

    রাত্রি আটটা। ঠাকুর শয্যাতে বসিয়া আছেন, দু-একটি ভক্তও সম্মুখে বসিয়া। সুরেন্দ্র আফিসের কার্য সারিয়া ঠাকুরকে দেখিতে আসিয়াছেন, হস্তে চারিটি কমলালেবু ও দুইছড়া ফুলের মালা। সুরেন্দ্র ভক্তদের দিকে এক-একবার ও ঠাকুরের দিকে এক-একবার তাকাইতেছেন; আর হৃদয়ের কথা সমস্ত বলিতেছেন (Kathamrita)।

    সুরেন্দ্র (মণি প্রভৃতির দিকে তাকাইয়া) — আফিসের কাজ সব সেরে এলাম। ভাবলাম, দুই নৌকায় পা দিয়ে কি হবে, কাজ সেরে আসাই ভাল। আজ ১লা বৈশাখ, আবার মঙ্গলবার; কালীঘাটে যাওয়া হল না। ভাবলাম যিনি কালী — যিনি কালী ঠিক চিনেছেন, তাঁকে দর্শন করলেই হবে।

    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ ঈষৎ হাস্য করিতেছেন।

    সুরেন্দ্র — গুরুদর্শনে, সাধুদর্শনে শুনেছি ফুল-ফল নিয়ে আসতে হয়। তাই এগুলি আনলাম। আপনার জন্যে টাকা খরচ, তা ভগবান মন দেখেন। কেউ একটি পয়সা দিতে কাতর, আবার কেউ বা হাজার টাকা খরচ করতে কিছুই বোধ করে না। ভগবান মনের ভক্তি দেখেন তবে গ্রহণ করেন।

    ঠাকুর মাথা নাড়িয়া সঙ্কেত করিয়া বলিতেছেন (Kathamrita) , “তুমি ঠিক বলছ।” সুরেন্দ্র আবার বলিতেছেন, “কাল আসতে পারি নাই, সংক্রান্তি। আপনার ছবিকে ফুল দিয়ে সাজালুম।”

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) মণিকে সঙ্কেত করিয়া বলিতেছেন, “আহা কি ভক্তি!”

    সুরেন্দ্র — আসছিলাম, এই দুগাছা মালা আনলাম, চার আনা দাম।

    ভক্তেরা প্রায় সকলেই চলিয়া গেলেন। ঠাকুর মণিকে পায়ে হাত বুলাইয়া দিতে বলিতেছেন ও হাওয়া করিতে বলিতেছেন।

  • PM Modi: উপহারের মোড়কে ভারতীয় শিল্প-সংস্কৃতিকে বিশ্বমঞ্চে পৌঁছে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: উপহারের মোড়কে ভারতীয় শিল্প-সংস্কৃতিকে বিশ্বমঞ্চে পৌঁছে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুচিন্তিত উপহারের মাধ্যমে (যার মধ্যে ‘মেলোডি-মেলোনি’ বিশেষভাবে জনপ্রিয় হয়েছিল) ভারতের কারুশিল্প, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং আঞ্চলিক পরম্পরার গল্প বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    উপহারের মোড়কে ভারতীয় শিল্প-সংস্কৃতি (PM Modi)

    প্রতিটি উপহার ভারতের সাংস্কৃতিক পরিচয়ের এক অনন্য প্রতীক। এর মধ্যে রয়েছে মণিপুরের হ্যান্ডলুম ঐতিহ্য থেকে শুরু করে মার্বেল ইনলে শিল্পের চিরন্তন সৌন্দর্য এবং মহারাষ্ট্রের মিলেট সংস্কৃতিও। ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনির জন্য প্রধানমন্ত্রী বেছে নিয়েছিলেন একটি শিরুই লিলি সিল্ক স্টোল, যা মণিপুরের এক টুকরো সংস্কৃতিকে বিশ্বদরবারে পৌঁছে দিয়েছে (PM Modi)। দুর্লভ শিরুই লিলি ফুলের অনুপ্রেরণায় তৈরি এই স্টোলটি ছিল ঘণ্টাকৃতি এক বিশেষ ফুলের প্রতিরূপ, যা শুধুমাত্র মণিপুরের উখরুল জেলার শিরুই কাশং পাহাড়ে ফোটে। এই স্টোলটি উত্তর-পূর্বের এই পাহাড়ি রাজ্যের সমৃদ্ধ বয়নশিল্পের প্রতীক। সূক্ষ্ম, মার্জিত এবং উত্তর-পূর্ব ভারতের বস্ত্র-ঐতিহ্যের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত এই উপহারটি নীরবে তুলে ধরেছিল আদিবাসী ঐতিহ্য ও লোককথাকে।

    লিলি ফুলের গুরুত্ব

    এই লিলি ফুল ইতালির সংস্কৃতিতেও গভীর তাৎপর্য বহন করে। সেখানে এটি দীর্ঘদিন ধরে পবিত্রতা, সৌন্দর্য ও শিল্পকলার প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে, বারবার ব্যবহৃত হয়েছে রেনেসাঁ শিল্পকলায়। এই অভিন্ন প্রতীকের মধ্যেই ভারত ও ইতালির মধ্যে এক অনন্য সাংস্কৃতিক সংযোগ গড়ে ওঠে — যা ঐতিহ্য, শিল্প ও সংস্কৃতির ভিত্তিতে নির্মিত। শুধু স্টোল নয়, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মেলেনিকে উপহার দেন মুগা সিল্কের একটি স্টোলও। এই সিল্ক অসমের ‘সোনালি রেশম’ নামে পরিচিত। এতে প্রাকৃতিক সোনালি আভা রয়েছে। এটি ভারতের অন্যতম মূল্যবান বস্ত্র। উত্তর-পূর্ব ভারতের ব্রহ্মপুত্র উপত্যকার এই রেশম তার টেকসই ক্ষমতা এবং অসাধারণ স্থায়িত্বের জন্য সুপরিচিত। এটি প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে টিকে থাকতে পারে।

    উপহারে মার্বেল ইনলে কাজের বাক্স

    ইতালির রাষ্ট্রপতি সার্জিও মাত্তারেল্লাকে প্রধানমন্ত্রী উপহার হিসেবে দেন মার্বেল ইনলে কাজের একটি বাক্স। সঙ্গে ভারতের কিংবদন্তি শাস্ত্রীয় সঙ্গীতশিল্পী পন্ডিত ভীমসেন জোশী এবং এমএস শুভলক্ষ্মীর গাওয়া গানের সিডি। ভারতের দুই শ্রদ্ধেয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীত কিংবদন্তির গানের সঙ্গে এই উপহারটি এক সাংস্কৃতিক সেতুবন্ধনের রূপ নেয়। তাজমহলের মতো স্থাপত্যে দেখা যায় যে মার্বেল ইনলে শিল্প, তা ভারতের শতাব্দীপ্রাচীন সূক্ষ্ম কারুশিল্পের ঐতিহ্যের প্রতীক। ‘পচ্চিকারি’ বা ‘পিয়েত্রা দুরা’ নামে পরিচিত এই শিল্পধারা মূলত ইতালির ফ্লোরেন্স শহর থেকে উদ্ভূত বলে মনে করা হয়। পরে অবশ্য রাজকীয় পৃষ্ঠপোষকতায় এটি মহিমান্বিত রূপ পায় ভারতে (PM Modi)।

    উপহার দেওয়া হয় স্বাস্থ্যকর মিলেট বারও

    এদিকে, খাদ্য ও কৃষি সংস্থার ডিরেক্টর কিউ ডংইউকে উপহার দেওয়া হয় স্বাস্থ্যকর মিলেট বার। এটি টেকসই ও পুষ্টিকর খাদ্যাভ্যাসের প্রতি ভারতের ক্রমবর্ধমান গুরুত্বের প্রতীক। মহারাষ্ট্রের সোলাপুর, আহমেদনগর ও মারাঠওয়াড়া অঞ্চলে মিলেট দীর্ঘদিন ধরে কৃষি ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই উপহারের মাধ্যমে ভারত বিশ্বব্যাপী মিলেটকে জলবায়ু সহনশীল ‘সুপারগ্রেন’ হিসেবে প্রচারের বার্তাও সূক্ষ্মভাবে তুলে ধরে — যা একদিকে ঐতিহ্যবাহী, অন্যদিকে ভবিষ্যতমুখী (PM Modi)।

    মোদির কূটনীতিতে বৈচিত্র্য

    এই উপহারগুলি স্রেফ আনুষ্ঠানিক বিনিময় ছিল না, বরং ভারতের ‘সফট পাওয়ার’-এর নীরব অভিব্যক্তি হয়ে উঠেছিল। বস্ত্র, সঙ্গীত, কারুশিল্প ও খাদ্যের মাধ্যমে ভারত তার সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের গভীরতা তুলে ধরেছে, একইসঙ্গে আরও মজবুত করেছে আন্তর্জাতিক মানুষের সঙ্গে মানুষের সম্পর্ককে। এক অর্থে, ভারতের প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া উপহারগুলি প্রমাণ করে, আজকের কূটনীতি শুধুই নীতি ও রাজনীতির দ্বারা নয়, বরং দেশগুলি বিশ্বের সঙ্গে যে গল্প, ঐতিহ্য ও পরিচয় ভাগ করে নিতে চায়, তার মাধ্যমেও গঠিত হয় (PM Modi)।

     

  • NEET UG: ২১ জুন নিট ইউজি রি-টেস্ট, প্রস্তুতি পর্যালোচনা করতে বৈঠকে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী

    NEET UG: ২১ জুন নিট ইউজি রি-টেস্ট, প্রস্তুতি পর্যালোচনা করতে বৈঠকে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন নিট ইউজি (NEET UG) রি-এক্সামিনেশনের প্রস্তুতি পর্যালোচনা করতে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলির সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে সভাপতিত্ব করলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। তিনি জাল টেলিগ্রাম চ্যানেলগুলির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন (Re Exam)। এই চ্যানেলগুলি মেডিকেল প্রবেশিকা পরীক্ষা নিয়ে ভুয়ো তথ্য ছড়াচ্ছে বলে অভিযোগ। মন্ত্রী জানান, সেফ, সিকিওর এবং ফেয়ার কনডাক্ট (safe, secure and fair conduct) নিশ্চিত করতে বাড়তি সতর্কতা ও নিখুঁত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা প্রয়োজন।

    প্রশ্নপত্র ফাঁসের মিথ্যে দাবি (NEET UG)

    জানা গিয়েছে, বৈঠকে শিক্ষামন্ত্রকের প্রবীণ আধিকারিক এবং ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি (NTA)-র ডিরেক্টর জেনারেল উপস্থিত ছিলেন। সেখানে পরীক্ষার প্রস্তুতি বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা করা হয়। আগে থেকেই সম্ভাব্য দুর্বলতা চিহ্নিত করে সময়মতো যাতে ঠিকঠাক পদক্ষেপ নেওয়া যায়, তাই এই বৈঠক। মেটা, গুগল এবং টেলিগ্রামের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আর একটি বৈঠকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা সংক্রান্ত ভুয়ো তথ্য ছড়িয়ে পড়া নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। আধিকারিকরা জানান, পরীক্ষার আগে অনেক টেলিগ্রাম চ্যানেলস ও অনলাইন গ্রুপ অত্যন্ত সক্রিয় হয়ে ওঠে। এরা প্রশ্নপত্র ফাঁসের মিথ্যে দাবি করে। শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে আতঙ্ক ও বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে ক্লিকবেট কনটেন্ট (clickbait content) এবং যাচাই না করেই বিভিন্ন ইনফর্মেশন ছড়িয়ে দেয়। এক আধিকারিক বলেন, “এমন অনেক লিঙ্ক ব্যবহারকারীদের অটোমেটেড বটস (automated bots) এবং ভুয়ো গ্রুপে নিয়ে যায়, যেগুলি পরিকল্পিতভাবে মিথ্যে তথ্য ছড়ায় (NEET UG)।”

    সন্দেহজনক চ্যানেল নিয়ে ব্যবস্থা

    গোয়েন্দা সংস্থাগুলির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, একাধিক সন্দেহজনক চ্যানেল সীমিত সংখ্যক ফোন নম্বরের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে, যা একটি সংগঠিত ও সমন্বিত কার্যকলাপের ইঙ্গিত দেয়। এই বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখার নির্দেশ দেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী। তিনি সাফ জানিয়ে দেন, পরীক্ষার আগে ভুয়ো তথ্য ও প্রচার চালানো চ্যানেলগুলিকে চিহ্নিত করে ব্লক করতে হবে। মন্ত্রী জানান, সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলিকে শিক্ষামন্ত্রক, এনটিএ এবং আইন-প্রয়োগকারী সংস্থাগুলির সঙ্গে একযোগে কাজ করতে হবে, যাতে দ্রুত ভুয়ো তথ্য রোধ করা যায় এবং পরীক্ষার স্বচ্ছতা বজায় থাকে। তিনি বলেন, “ছাত্রছাত্রীদের বিভ্রান্তিকর তথ্য থেকে রক্ষা করা এবং পরীক্ষার প্রতি জনসাধারণের আস্থা বজায় রাখাই সরকারের সর্বোচ্চ (Re Exam) অগ্রাধিকার।” প্রসঙ্গত, ৩ মে হয়েছিল নিট ইউজি (NEET UG) ২০২৬ এর পরীক্ষা। প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ ওঠায় পরীক্ষা বাতিল করে এনটিএ (NTA)। অভিযোগ তদন্ত করছে সিবিআই। বাতিল হওয়া ওই পরীক্ষাই ফের হওয়ার কথা ২১ জুন।

     

  • India Slams Pakistan: ‘কলঙ্কিত গণহত্যার ইতিহাস’ স্মরণ করিয়ে রাষ্ট্রসংঘে পাকিস্তানকে ধুয়ে দিল ভারত

    India Slams Pakistan: ‘কলঙ্কিত গণহত্যার ইতিহাস’ স্মরণ করিয়ে রাষ্ট্রসংঘে পাকিস্তানকে ধুয়ে দিল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে (UNSC) পাকিস্তানকে ধুয়ে দিল ভারত। বুধবার নয়াদিল্লির প্রতিনিধি সাফ জানিয়ে দেন, পাকিস্তানের ‘দীর্ঘদিনের কলঙ্কিত’ গণহত্যার ইতিহাস প্রমাণ করে যে (India Slams Pakistan) তারা নিজেদের অভ্যন্তরীণ ব্যর্থতা আড়াল করতে দেশীয় ও সীমান্তের বাইরে হিংসার আশ্রয় নেয়। ‘সশস্ত্র সংঘাতে সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা’ শীর্ষক খোলা বিতর্কে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এই মন্তব্য করেন রাষ্ট্রসংঘে ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি হরিশ পার্বথানেনি (Harish Parvathaneni)। এই বিতর্কে অংশ নিয়েছিলেন পাকিস্তানের প্রতিনিধিও। জম্মু-কাশ্মীরের প্রসঙ্গ তোলেন তিনি। পরে বক্তব্য রাখতে গিয়ে হরিশ বলেন, “এটা অত্যন্ত বিদ্রূপাত্মক যে পাকিস্তান, যার দীর্ঘদিনের গণহত্যামূলক কর্মকাণ্ডের ইতিহাস রয়েছে, তারা ভারতের সম্পূর্ণ অভ্যন্তরীণ বিষয়ে মন্তব্য করছে।”

    বর্বর বিমান হামলা (India Slams Pakistan)

    চলতি বছরের শুরুতে আফগানিস্তানে পাকিস্তানের হামলার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “বিশ্ব ভুলে যায়নি যে চলতি বছরের মার্চ মাসে, পবিত্র রমজান মাসে—যা শান্তি, আত্মবিশ্লেষণ ও করুণার সময়—পাকিস্তান কাবুলের ওমিড অ্যাডিকশন ট্রিটমেন্ট হসপিটালে (Omid Addiction Treatment Hospital) বর্বর বিমান হামলা চালায়।” রাষ্ট্রসংঘের আফগানিস্তান সহায়তা মিশনের (UNAMA) তথ্য উদ্ধৃত করে ভারতের প্রতিনিধি বলেন, “এই কাপুরুষোচিত ও নৃশংস হামলায় ২৬৯ জন সাধারণ মানুষ নিহত হন। জখম হন ১২২ জন। হাসপাতালের মতো একটি প্রতিষ্ঠানকে কোনওভাবেই সামরিক টার্গেট বলা যায় না।” তিনি বলেন, “পাকিস্তানের পক্ষে আন্তর্জাতিক (India Slams Pakistan) আইনের উচ্চ নীতির কথা বলা ভন্ডামি। কারণ তারা অন্ধকারে নিরীহ সাধারণ মানুষকে টার্গেট করে।”

    রাষ্ট্রসংঘের আফগানিস্তান সহায়তা মিশনের মূল্যায়ন

    প্রসঙ্গত, রাষ্ট্রসংঘের আফগানিস্তান সহায়তা মিশনের তথ্য অনুযায়ী, এই বিমান হামলা তারাবির নামজের পরপরই হয়েছিল, যখন বহু রোগীও মসজিদ থেকে বের হচ্ছিলেন। হরিশ বলেন, “রাষ্ট্রসসংঘের আফগানিস্তান সহায়তা মিশনের মূল্যায়ন অনুযায়ী সীমান্তপারের সশস্ত্র হিংসার কারণে ৯৪,০০০-এরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। পাকিস্তানের এই ধরনের আগ্রাসন আশ্চর্যের কিছু নয়, কারণ এটি এমন একটি দেশ যারা নিজেদের জনগণের ওপর বোমা বর্ষণ করে, চালায় পরিকল্পিত গণহত্যাও।” তাঁর অভিযোগ, ১৯৭১ সালে অপারেশন সার্চলাইট (Operation Searchlight) চালানোর সময় পাক সেনাবাহিনী ৪ লাখ মহিলার ওপর পরিকল্পিত গণধর্ষণ চালায়। এর পরেই ভারত সাফ (UNSC) জানিয়ে দেয়, পাকিস্তানের কাশ্মীর প্রসঙ্গ তোলাটা ভারতের অভ্যন্তরীণ (India Slams Pakistan) বিষয়ে হস্তক্ষেপের নামান্তর। তাই এই গ্রহণযোগ্য নয়।

     

  • CAA: ভারতীয় নাগরিকত্বের জন্য আবেদনকারীদের নিজের দেশের পাসপোর্টের বর্তমান অবস্থা ঘোষণার নির্দেশ কেন্দ্রের

    CAA: ভারতীয় নাগরিকত্বের জন্য আবেদনকারীদের নিজের দেশের পাসপোর্টের বর্তমান অবস্থা ঘোষণার নির্দেশ কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নাগরিকত্ব বিধি, ২০০৯-এ সংশোধন এনে পাকিস্তান, আফগানিস্তান এবং বাংলাদেশ থেকে আসা যেসব ব্যক্তি ভারতীয় নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করেছেন, তাঁদের নিজের নিজের দেশের পাসপোর্টের বর্তমান অবস্থা ঘোষণা করা (CAA) বাধ্যতামূলক করল কেন্দ্র।

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের বিজ্ঞপ্তি (CAA)

    সোমবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে (Passport), আবেদনকারীদের এখন ঘোষণা করতে হবে যে তাঁদের কাছে পাকিস্তান, আফগানিস্তান বা বাংলাদেশ সরকারের জারি করা বৈধ বা মেয়াদোত্তীর্ণ কোনও পাসপোর্ট নেই। যদি কোনও আবেদনকারীর কাছে বর্তমানে সচল পাসপোর্ট থাকেও, তবে তাঁকে পাসপোর্ট নম্বর, কোথায়, কবে ইস্যু হয়েছে, এবং মেয়াদ শেষের তারিখ-সহ সমস্ত তথ্য জমা দিতে হবে।

    আবেদনকারীদের আরও একটি অঙ্গীকারপত্র

    সংশোধিত নিয়ম অনুযায়ী, আবেদনকারীদের আরও একটি অঙ্গীকারপত্র দিতে হবে এই মর্মে যে, নাগরিকত্বের আবেদন অনুমোদিত হওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে তাঁরা তাঁদের বৈধ বা মেয়াদোত্তীর্ণ পাসপোর্ট সংশ্লিষ্ট সিনিয়র সুপারিনটেনডেন্ট অফ পোস্ট বা সুপারিনটেনডেন্ট অফ পোস্টের কাছে জমা দেবেন। নয়া এই বিধানটি নাগরিকত্ব বিধির সিডিউল আইসি (Schedule IC)-এর পরে সংযোজন করা হয়েছে। এটি আফগানিস্তান, বাংলাদেশ এবং পাকিস্তানের হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, পারসি ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়ভুক্ত নাগরিকদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, যাঁরা ভারতীয় নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করছেন (CAA)। এই পদক্ষেপটি সিএএ (Citizenship Amendment Act, 2019)-এ কার্যকর করতে করা হয়েছে। এই আইন অনুযায়ী, পাকিস্তান, বাংলাদেশ এবং আফগানিস্তান থেকে আগত নথিবিহীন অ-মুসলিম অভিবাসীরা, যাঁরা (CAA) ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪-এর আগে ভারতে প্রবেশ করেছেন, তাঁরা ভারতীয় নাগরিকত্ব পাওয়ার সুযোগ (Passport) পাবেন।

    নাগরিকত্ব বিধির প্রথম বিজ্ঞপ্তি

    প্রসঙ্গত, নাগরিকত্ব বিধি (CAA) সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রথমে জারি হয়েছিল ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সালে। সর্বশেষ সংশোধিত হয়েছে ১১ মার্চ, ২০২৪ সালে। ২০১৯ সালের ডিসেম্বর মাসে সংসদে পাস হয়েছিল নাগরিকত্ব (সংশোধনী) আইন (CAA)। আইনটি নিয়ে বিতর্ক চলাকালীন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) বলেছিলেন, পাকিস্তান, আফগানিস্তান এবং বাংলাদেশে ধর্মীয় নির্যাতনের মুখে পড়ে ভারতে আসা হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, পারসি ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মানুষদের স্বস্তি দেওয়াই এই আইনের উদ্দেশ্য। তিনি এও জানিয়েছিলেন, এই আইন ভারতের কোনও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে নয় (Passport)। ভারতীয় নাগরিকদের অধিকার সম্পূর্ণভাবে সুরক্ষিত থাকবে। নির্যাতিত সংখ্যালঘুদের মর্যাদাপূর্ণ জীবন দেওয়ার লক্ষ্যে নির্ধারিত শর্ত পূরণের ভিত্তিতে তাঁদের ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়া হবে।

    অমিত শাহের দাবি

    শাহ বলেছিলেন, এই আইনে যে নাগরিকত্ব দেওয়া হবে, তা ভারতে প্রবেশের তারিখ ও বছর থেকেই কার্যকর বলে গণ্য হবে এবং যোগ্য আবেদনকারীদের বিরুদ্ধে যেসব আইনি প্রক্রিয়া চলছে, সেগুলি বন্ধ করে দেওয়া হবে। তিনি জানিয়েছিলেন, এই সব অভিবাসীদের পাসপোর্ট বা ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে গেলেও, তাঁদের অবৈধ অভিবাসী বলে গণ্য করা হবে না। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দাবি করেছিলেন, ধর্মীয় নির্যাতনের কারণে পাকিস্তান ও বাংলাদেশে (Passport) সংখ্যালঘু জনসংখ্যা বছরের পর বছর উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গিয়েছে। তাই বহু মানুষ ভারতে আসতে বাধ্য হয়েছেন (CAA)।

     

  • PM Modi: মোদির মুকুটে নয়া তাজ, পেলেন রাষ্ট্রসংঘের ‘অ্যাগ্রিকোলা মেডেল’, উৎসর্গ করলেন ভারতের কৃষকদের

    PM Modi: মোদির মুকুটে নয়া তাজ, পেলেন রাষ্ট্রসংঘের ‘অ্যাগ্রিকোলা মেডেল’, উৎসর্গ করলেন ভারতের কৃষকদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  রাষ্ট্রসংঘের অধীনস্থ খাদ্য ও কৃষি সংস্থা সংক্ষেপে ‘ফাও’ (FAO)-এর সর্বোচ্চ সম্মান ‘অ্যাগ্রিকোলা মেডেল’ দেওয়া হল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi)। ‘ফাও’ প্রধানকে ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই সম্মান শুধু আমার নয়, ১৪০ কোটি ভারতবাসীর। এটি ভারতের কৃষক ও মৎস্যজীবীদের সম্মান (Indian Farmers)। আমি এই পদক ভারতের কৃষকদের উৎসর্গ করছি।” তিনি বলেন, “ভারতে কৃষিই মূলধারা। আমরা আমাদের ভূমিকে পুজো করি।”

    মানুষের কল্যাণে মোদির অবদান (PM Modi)

    রোমে ‘ফাও’-র সদর দফতরের ঐতিহাসিক প্লেনারি হলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সংস্থার মহাসচিব কিউ দংয়ু (Qu Dongyu) এই পদক তুলে দেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী হাতে। তিনি বলেন, “মানুষের কল্যাণে তাঁর অবদান ও অঙ্গীকার, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, খাদ্য নিরাপত্তা জোরদার এবং কৃষকদের কল্যাণে যুগান্তকারী প্রকল্প চালুর জন্য এই সম্মান প্রদান করা হচ্ছে। এছাড়া ক্ষুধা ও দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে লড়াই, সর্বজনীন খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, রাষ্ট্রসংঘের কৌশলগত উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDGs) পূরণ এবং ভারতের জি২০ সভাপতিত্বের সময় আন্তর্জাতিক স্তরে কৃষিকে অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রচেষ্টার স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে এই পদক দেওয়া হয়েছে।”

    প্রধানমন্ত্রীর অসাধারণ নেতৃত্ব ও দূরদৃষ্টির প্রশংসা

    তিনি ভারতের কৃষিক্ষেত্রকে রূপান্তর করতে প্রধানমন্ত্রীর অসাধারণ নেতৃত্ব ও দূরদৃষ্টির প্রশংসা করেন। কৃষক-কেন্দ্রিক, উদ্ভাবনী ও যুগান্তকারী উদ্যোগগুলিরও ভূয়সী প্রশংসা করেন তিনি। ‘ফাও’-র মহাসচিব প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে ভারতের খাদ্য ও কৃষি সংক্রান্ত উদ্যোগগুলির ব্যাপকতা ও প্রভাবের কথাও উল্লেখ করেন। তিনি ভারতের আর্থিক অন্তর্ভুক্তিকরণ কর্মসূচি, করোনা অতিমারির পর থেকে ৮০ কোটি মানুষকে অন্তর্ভুক্ত করা বিশ্বের বৃহত্তম খাদ্যভিত্তিক সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা, ১১ কোটিরও বেশি কৃষককে সরাসরি আর্থিক সাহায্য দেওয়া, প্রাকৃতিক ও পুনর্জাগরণমূলক কৃষির উন্নয়নে জাতীয় উদ্যোগ এবং ফাও-র সহযোগিতায় আন্তর্জাতিক মিলেট বর্ষ উদযাপনের প্রশংসা করেন (PM Modi)।

    মোদির ক্রেডিট

    তিনি এও বলেন, “ভারতের জি২০ সম্মেলনে সভাপতিত্বের সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ডিজিটাল পাবলিক পরিকাঠামোকে বিশ্বজনীন সম্পদ হিসেবে প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ উন্নয়নশীল দেশগুলিতে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার ও কার্যকর পরিষেবা পৌঁছে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে (Indian Farmers)।” তাঁর মতে, এই ধারাবাহিক প্রচেষ্টার ফলে ভারতে লাখ লাখ মানুষ দারিদ্র্যসীমার ঊর্ধ্বে উঠে এসেছে (PM Modi)।

LinkedIn
Share