Tag: Bengali news

Bengali news

  • Enforcement Directorate Raid: কলকাতার সল্টলেক, কৈখালি, এবং উত্তর ২৪ পরগনার বিভিন্ন এলাকায় ইডির তল্লাশি অভিযান

    Enforcement Directorate Raid: কলকাতার সল্টলেক, কৈখালি, এবং উত্তর ২৪ পরগনার বিভিন্ন এলাকায় ইডির তল্লাশি অভিযান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যজুড়ে রেশন বণ্টন দুর্নীতি (Ration Scam) মামলার তদন্তে ফের সক্রিয় হয়ে উঠেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate Raid)। আজ সকাল থেকেই কলকাতা ও সংলগ্ন জেলাগুলোর অন্তত ১৫টি স্থানে একযোগে তল্লাশি অভিযান শুরু করেছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারীরা। উল্লেখ্য রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, বাকিবুর রহমান, শেখ শাহজাহান সহ আরও বড় বড় তৃণমূলের নেতা আগেও গ্রেফতার হয়েছিলেন।

    বড়সড় অভিযান (Ration Scam)

    ইডি সূত্রে খবর, রেশন দুর্নীতির (Ration Scam) লভ্যাংশ কোথায় কোথায় বিনিয়োগ করা হয়েছে, তা খতিয়ে দেখতেই এই বিশেষ তল্লাশি। এই মামলায় ইতিমধ্যেই রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে (Enforcement Directorate Raid) গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্তকারীদের ধারণা, এই দুর্নীতির জাল আরও গভীরে বিস্তৃত।

    বাংলাদেশে হতো পাচার

    বাংলাদেশে রেশনের (Ration Scam) গম পাচারের অভিযোগে তল্লাশি চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। নজরে ১২ জনের বেশি রফতানিকারক। মূলত তাঁদের অফিসেও তল্লাশি চালানো হচ্ছে। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, ২০২০ সালে উত্তর ২৪ পরগনার ভোজাডাঙা সীমান্ত থেকে গম পাচারের চেষ্টা হয়েছে। প্রায় ১৭৫টির বেশি ট্রাক করে গম পাচার করা হচ্ছিল বলে অভিযোগ। ওই ট্রাকগুলিতে প্রায় ৫১০০টন গম ছিল। যার অঙ্ক ছিল ১৬ কোটি টাকা। শুল্ক দফতর সেই পাচার আটকায়। সরকার থেকে আটা মিল গুলিকে রেশনের আটা তৈরির জন্য যে গম পাঠানো হত, সেই গমের বস্তা চুরি করে পাচার হত বাংলাদেশে। তারই তদন্তে নামে কেন্দ্রীয় সংস্থা (Enforcement Directorate Raid)। অভিযোগ, এর আগেও বাংলাদেশে গম পাচার করা হয়েছে। সেই দুর্নীতির টাকা কোথায় গেল, তারই তল্লাশিতে আজ ১৫ জায়গায় অভিযান ইডির।

    কোথায় কোথায় অভিযান

    কলকাতার সল্টলেক, কৈখালি, এবং উত্তর ২৪ পরগনার বিভিন্ন এলাকায় ব্যবসায়ী ও প্রভাবশালীদের বাসভবন ও অফিসে হানা দিয়েছে ইডি (Enforcement Directorate Raid)। কেন্দ্রীয় বাহিনীর কড়া নিরাপত্তায় এই তল্লাশি চালানো হচ্ছে।তদন্তকারী আধিকারিকরা বিভিন্ন নথিপত্র খতিয়ে দেখছেন এবং ডিজিটাল তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহের চেষ্টা করছেন। দুর্নীতির শিকড় খুঁজতে এবং আর্থিক লেনদেনের উৎস নিশ্চিত করতেই আজকের এই ব্যাপক তৎপরতা বলে মনে করা হচ্ছে।

    তৃণমূল মুক্ত বাংলা চাইছে

    এই অভিযানের ফলে রাজ্য রাজনীতিতে আবারও নতুন করে চাঞ্চল্যের (Ration Scam) সৃষ্টি হয়েছে। বিজেপি সাংসদ রাহুল সিনহা বলেন, “বাংলার মানুষ তৈরি আছে, তৃণমূল কংগ্রেসকে বাংলা থেকে হঠানোর জন্য। আমাদের কোনও এজেন্সিকে প্রয়োজন নেই। মানুষ এমনি এখন তৃণমূল মুক্ত বাংলা চাইছে। শুধু শুধু আমরা অন্য চিন্তা করতে যাব কেন। আমরা মানুষের রায়কে বিশ্বাস করি। তৃণমূল বুঝে গিয়েছে, জনগণের তাঁদের উপর আর আস্থা নেই।”

  • Vande Bharat Railway: বন্দে ভারতের পর এবার লক্ষ্য ২২০ কিমি গতিবেগ, আরও দ্রুতগামী দুটি নতুন ট্রেন তৈরির পথে ভারতীয় রেল

    Vande Bharat Railway: বন্দে ভারতের পর এবার লক্ষ্য ২২০ কিমি গতিবেগ, আরও দ্রুতগামী দুটি নতুন ট্রেন তৈরির পথে ভারতীয় রেল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের (Vande Bharat Railway) সাফল্যের পর এবার দ্রুতগতির ট্রেনের দুনিয়ায় নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে চলেছে ভারতীয় রেল। রেল সূত্রে খবর, এবার এমন দুটি অত্যাধুনিক ট্রেন তৈরির পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে যেগুলির নকশা বা ডিজাইন স্পিড হবে ঘণ্টায় ২২০ কিলোমিটার। মূলত দ্রুতগতির করিডোরগুলোতে ট্রেনের গতি বাড়াতেই এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। দেশীয় প্রযুক্তিতে (Make in India) তৈরি হবে এই ট্রেন।

    বিস্ময়কর গতি (Vande Bharat Railway)

    বর্তমানে ভারতে বন্দে ভারত এক্সপ্রেস (Vande Bharat Railway) সর্বোচ্চ ১৬০ কিমি প্রতি ঘণ্টা বেগে চলার ক্ষমতা রাখলেও, এই নতুন ট্রেন দুটি ২২০ কিমি প্রতি ঘণ্টা বেগে দৌড়ানোর ক্ষমতা রাখবে। যদিও রেললাইনের পরিকাঠামো অনুযায়ী বাণিজ্যিক চলাচলের সময় গতি কিছুটা নিয়ন্ত্রিত হতে পারে।

    মেক ইন ইন্ডিয়া (Make in India)

    চেন্নাইয়ের ইন্টিগ্রাল কোচ ফ্যাক্টরিতে (ICF) এই ট্রেন দুটির বডি তৈরি করা হবে। সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে এই উচ্চগতির ট্রেন তৈরি রেলের অভ্যন্তরীণ সক্ষমতার এক বড় প্রমাণ। ট্রেনের (Make in India) ওজন কমাতে এবং গতি বাড়াতে স্টিলের বদলে বিশেষ ধরনের অ্যালুমিনিয়াম অ্যালয় ব্যবহার করা হতে পারে। এতে ট্রেনটি হালকা হওয়ার পাশাপাশি বিদ্যুৎ সাশ্রয়ীও হবে।

    ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

    এই ট্রেনগুলি (Make in India) মূলত স্টপ-টু-স্টপ যাত্রার সময় কমিয়ে আনবে। দিল্লি-বারাণসী বা মুম্বই-আহমেদাবাদের মতো রুটে ভবিষ্যতে এই ধরণের ট্রেন চলাচলের প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। রেল মন্ত্রকের আধিকারিকদের মতে, কেবল ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানোই নয়, বিশ্বমানের প্রযুক্তি ও গতি নিশ্চিত করাই এখন লক্ষ্য। বন্দে ভারত যেখানে ভারতের রেলযাত্রার সংজ্ঞাই বদলে দিয়েছে, সেখানে ২২০ কিমি গতির এই ট্রেন (Make in India) ভারতকে গ্লোবাল রেল স্ট্যান্ডার্ডের আরও কাছাকাছি নিয়ে যাবে।

    আগামী কয়েক বছরের মধ্যেই এই ট্রেন দুটির নির্মাণ কাজ শেষ করে পরীক্ষামূলক ট্রায়াল শুরু করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে রেল বোর্ড। এর ফলে দূরপাল্লার যাতায়াত আরও দ্রুত ও আরামদায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

  • TRAI: গ্রাহকদের সুবিধার্থে ট্রাই-এর পদক্ষেপ, শুধুমাত্র ভয়েস কল ও এসএমএস পরিষেবার জন্য রাখতে হবে পৃথক প্যাক

    TRAI: গ্রাহকদের সুবিধার্থে ট্রাই-এর পদক্ষেপ, শুধুমাত্র ভয়েস কল ও এসএমএস পরিষেবার জন্য রাখতে হবে পৃথক প্যাক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টেলিকম গ্রাহকদের স্বার্থ সুরক্ষিত করতে এবং পরিষেবাকে আরও সহজলভ্য করতে একগুচ্ছ নতুন প্রস্তাব পেশ করেছে টেলিকম রেগুলেটরি অথরিটি অফ ইন্ডিয়া (TRAI)। বর্তমানে মোবাইল রিচার্জের ক্ষেত্রে ডেটা প্যাক বা অন্যান্য পরিষেবার বাধ্যবাধকতা থাকলেও, এবার শুধুমাত্র ‘ভয়েস কল’ এবং ‘এসএমএস’ প্যাক (Voice Call SMS Only Pack) চালুর বিষয়ে গুরুত্ব দিচ্ছে এই নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

    ভয়েস এবং এসএমএস প্যাকের অগ্রাধিকার (Voice Call SMS Only Pack)

    অনেক গ্রাহকই ইন্টারনেটের প্রয়োজন বোধ করেন না, বিশেষ করে প্রবীণ নাগরিক বা সাধারণ ফিচার (নন-স্মার্ট বা কিপ্যাড) ফোন ব্যবহারকারীরা। তাঁদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে টেলিকম সংস্থাগুলিকে এমন কিছু প্যাক (Voice SMS Only Pack) আনার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে যেখানে কেবলমাত্র কলিং এবং এসএমএস পরিষেবা (TRAI) পাওয়া যাবে। এর ফলে গ্রাহকদের অপ্রয়োজনীয় ডেটার জন্য অতিরিক্ত খরচ করতে হবে না।

    পরিষেবায় স্বচ্ছতা বজায় রাখা

    ট্রাই জানিয়েছে যে, বিভিন্ন টেলিকম সংস্থা (Voice Call SMS Only Pack) তাদের অফার বা রিচার্জ প্ল্যান সম্পর্কে গ্রাহকদের যাতে বিভ্রান্ত না করে, সেদিকে কড়া নজর রাখা হবে। প্রতিটি প্যাকের (TRAI) শর্তাবলী অত্যন্ত সহজ ও পরিষ্কার ভাষায় গ্রাহকদের জানাতে হবে।

    গ্রাহক সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ

    টেলিকম কনজিউমার প্রোটেকশন অ্যাক্ট (Consumer Protection Act)-এর আওতায় এই খসড়াটি তৈরি করা হয়েছে। মূল লক্ষ্য হল, গ্রাহকদের পছন্দ করার স্বাধীনতা দেওয়া এবং টেলিকম সংস্থাগুলির (TRAI) একচেটিয়া সিদ্ধান্তের হাত থেকে তাঁদের রক্ষা করা।

    অব্যবহৃত পরিষেবার হিসেব

    অনেক সময় রিচার্জের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে গ্রাহকের ডেটা বা ব্যালেন্স ফুরিয়ে যায়। সেই সংক্রান্ত স্বচ্ছতা এবং অতিরিক্ত চার্জ কাটার বিষয়ে কঠোর নিয়মবিধি কার্যকর করার ইঙ্গিত দিয়েছে ট্রাই। ট্রাই-এর (Voice Call SMS Only Pack) এই নতুন প্রস্তাবগুলি বাস্তবায়িত হলে সাধারণ মানুষের মোবাইল খরচ অনেকটাই কমবে বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে যাঁরা ইন্টারনেটের পরিবর্তে মূলত যোগাযোগের জন্য ফোন ব্যবহার করেন, তাঁরা এই সিদ্ধান্তের ফলে সরাসরি উপকৃত হবেন। বর্তমানে এই খসড়াটির ওপর সংশ্লিষ্ট মহলের মতামত চাওয়া হয়েছে, যা চূড়ান্ত হলে টেলিকম (TRAI) পরিষেবায় বড়সড় পরিবর্তন আসতে পারে।

  • Sanjay Ray: সঞ্জয় রায়ের বয়ানে অসঙ্গতি? আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে ফের জেরার নির্দেশ হাইকোর্টের

    Sanjay Ray: সঞ্জয় রায়ের বয়ানে অসঙ্গতি? আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে ফের জেরার নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ (Sanjay Say) ও হাসপাতালের ধর্ষণ এবং খুনের মামলায় মর্মান্তিক ঘটনার তদন্তে এক নতুন মোড়। এই মামলায় দোষী সাব্যস্ত সঞ্জয় রায়কে আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে পুনরায় জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। মূলত সঞ্জয়ের বয়ানে বারবার যে অসঙ্গতি উঠে আসছে, তা দূর করতেই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে (CBI) এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই চিকিৎসক তরুণীকে খুন ও ধর্ষণের ঘটনায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা পেয়েছেন সঞ্জয়।

    আদালতের পর্যবেক্ষণ ও নির্দেশ (Calcutta High Court)

    কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court) জানিয়েছে যে, তদন্তের স্বার্থে এবং প্রকৃত সত্য উদঘাটনে কোনও ফাঁক রাখা চলবে না। সঞ্জয় রায় (Sanjay Say) তদন্তের শুরুতে যে বয়ান দিয়েছিলেন, পরবর্তী সময়ে তার মধ্যে নানা বৈপরীত্য লক্ষ্য করা গেছে। এই ধোঁয়াশা কাটাতে এবং ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণ পেতে আধুনিক ফরেন্সিক প্রযুক্তি বা মনস্তাত্ত্বিক পরীক্ষার (Psychological Analysis) সাহায্য নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেছে আদালত।

    বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা বলেছেন,“মৃতের পরিবার নতুন করে ঘটনাস্থল ভিজিট করতে চেয়েছে। তাতে সিবিআইয়ের কোনও আপত্তি নেই। তাহলে রাজ্যের আপত্তি কীসের? মামলায় তারা পার্টিও নয়। যদি নতুন করে পরিবার হলফনামা দেয়, আর সিবিআই তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যেতে চায়, তাতে রাজ্য আপত্তি করবে কেন? ছাত্রের রহস্য মৃত্যুতে পরে ফরেনসিক ডাক্তার প্রমাণ দেন খুনের। এই ক্ষেত্রেও ফরেন্সিকের ভালো ভাবে খতিয়ে দেখার জায়গা আছে।

    তদন্তের বর্তমান পরিস্থিতি

    সিবিআই ইতিমধ্যেই সঞ্জয় রায়ের (Sanjay Say) পলিগ্রাফ টেস্ট বা মিথ্যা শনাক্তকরণ পরীক্ষা সম্পন্ন করেছে। তবে তদন্তকারীরা মনে করছেন, অপরাধের রহস্য পুরোপুরি উন্মোচনে এখনও কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের অভাব রয়েছে। আদালতের (Calcutta High Court) নির্দেশ অনুযায়ী, এবার আরও উন্নত ও আধুনিক বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির মাধ্যমে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে, যাতে ঘটনার সময়কার প্রকৃত পরিস্থিতি স্পষ্ট হয়। “আরজিকর মামলায় যদি দরকার হয় সিবিআই নতুন করে সাজাপ্রাপ্ত সঞ্জয় রায় ও অন্য সন্দেহভাজনদের জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে। সিবিআই যেন কোনও দ্বিধা না করে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যায়।” এমনটাই বললেন হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা।

    আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার

    বিচারপতির (Calcutta High Court) বেঞ্চ স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, এই জঘন্য অপরাধের বিচার প্রক্রিয়া যেন কোনওভাবেই দীর্ঘায়িত বা বাধাগ্রস্ত না হয়। স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ (Sanjay Say) তদন্ত নিশ্চিত করতেই আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।উল্লেখ্য, আরজি করের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্যজুড়ে যে প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে, সেই আবহে আদালতের এই নির্দেশ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। স্বচ্ছ তদন্তের মাধ্যমে দোষীরা যাতে কঠোরতম শাস্তি পায়, এখন সেই দিকেই তাকিয়ে সাধারণ মানুষ।

  • Daily Horoscope 10 April 2026: কর্মক্ষেত্রে প্রশংসা পেতে পারেন এই রাশির জাতকরা

    Daily Horoscope 10 April 2026: কর্মক্ষেত্রে প্রশংসা পেতে পারেন এই রাশির জাতকরা

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ
    ১) নতুন দায়িত্ব নিতে হতে পারে কর্মক্ষেত্রে।
    ২) অপ্রত্যাশিত খরচ বাড়তে পারে।
    ৩) পরিবারের কারও সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝি হতে পারে।

    বৃষ
    ১) আর্থিক দিক মোটামুটি স্থিতিশীল থাকবে।
    ২) নতুন পরিচিতি থেকে লাভের সম্ভাবনা।
    ৩) শরীরচর্চা করলে উপকার পাবেন।

    মিথুন
    ১) গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে হতে পারে।
    ২) কাজের চাপ বাড়লেও ফল ভালো হবে।
    ৩) বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটালে মন ভালো থাকবে।

    কর্কট
    ১) পুরনো কোনও সমস্যা মিটে যেতে পারে।
    ২) ভ্রমণের যোগ আছে।
    ৩) পরিবারের সমর্থন পাবেন।

    সিংহ
    ১) কর্মক্ষেত্রে প্রশংসা পেতে পারেন।
    ২) অহংকার এড়িয়ে চলুন।
    ৩) নতুন সুযোগ আসতে পারে।

    কন্যা
    ১) স্বাস্থ্য নিয়ে সতর্ক থাকুন।
    ২) পরিকল্পনা করে কাজ করলে লাভ হবে।
    ৩) কারও কথায় প্রভাবিত হবেন না।

    তুলা
    ১) সম্পর্কের ক্ষেত্রে উন্নতি হবে।
    ২) আর্থিক লাভের সম্ভাবনা।
    ৩) নতুন কাজে আগ্রহ বাড়বে।

    বৃশ্চিক
    ১) গোপন শত্রুর থেকে সাবধান।
    ২) মানসিক চাপ বাড়তে পারে।
    ৩) ধৈর্য ধরলে পরিস্থিতি সামলাতে পারবেন।

    ধনু
    ১) শিক্ষাক্ষেত্রে ভালো ফলের সম্ভাবনা।
    ২) দূরের কোনও খবর আনন্দ দিতে পারে।
    ৩) আত্মবিশ্বাস বাড়বে।

    মকর
    ১) কর্মক্ষেত্রে পরিবর্তন আসতে পারে।
    ২) পরিবারে দায়িত্ব বাড়বে।
    ৩) অর্থ সঞ্চয়ে মন দিন।

    কুম্ভ
    ১) নতুন পরিকল্পনা শুরু করতে পারেন।
    ২) বন্ধুর সাহায্য পাবেন।
    ৩) ভ্রমণের সম্ভাবনা আছে।

    মীন
    ১) সৃজনশীল কাজে সাফল্য পাবেন।
    ২) প্রেমের ক্ষেত্রে ভালো সময়।
    ৩) হঠাৎ অর্থপ্রাপ্তি হতে পারে।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Ramakrishna 619: “কর্ম করতে গেলে আগে একটি বিশ্বাস চাই, সেই সঙ্গে জিনিসটি মনে করে আনন্দ হয়, তবে সে ব্যক্তি কাজে প্রবৃত্ত হয়”

    Ramakrishna 619: “কর্ম করতে গেলে আগে একটি বিশ্বাস চাই, সেই সঙ্গে জিনিসটি মনে করে আনন্দ হয়, তবে সে ব্যক্তি কাজে প্রবৃত্ত হয়”

    ৫২ শ্যামপুকুর বাটীতে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    ত্রয়োবিংশ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২৬শে অক্টোবর
    FREE WILL OR GOD’S WILL
    যন্ত্রারূঢ়ানি মায়য়া’

    Liberty or Necessity?—Influence of Motives

    ডাক্তার — যদি ঈশ্বরের ইচ্ছা, তবে তুমি বকো কেন? লোকদের জ্ঞান দেবার জন্য কথা কও কেন?

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)— বলাচ্ছেন, তাই বলি (Kathamrita)। ‘আমি যন্ত্র — তুমি যন্ত্রী।’

    ডাক্তার — যন্ত্র তো বলছো; হয় তাই বল, নয় চুপ করে থাকো। সবই ঈশ্বর।

    গিরিশ — মসাই, যা মনে করুন। কিন্তু তিনি করান তাই করি। A single step against the Almighty will (তাঁর ইচ্ছার প্রতিকূলে এক পা) কেউ যেতে পারে?

    ডাক্তার — Free Will তিনিই দিয়েছেন তো। আমি মনে করলে ঈশ্বর চিন্তা করতে পারি, আবার না করলে না করতে পারি।

    গিরিশ — আপনার ঈশ্বরচিন্তা বা অন্য কোন সৎকাজ ভাল লাগে বলে করেন। আপনি করেন না, সেই ভাল লাগাটা করায়।

    ডাক্তার — কেন, আমি কর্তব্য কর্ম বলে করি —

    গিরিশ — সেও কর্তব্য কর্ম করতে ভাল লাগে বলে!

    ডাক্তার — মনে কর একটি ছেলে পুড়ে যাচ্ছে; তাকে বাঁচাতে যাওয়া কর্তব্য বোধে —

    গিরিশ — ছেলেটিকে বাঁচাতে আনন্দ হয়, তাই আগুনের ভিতর যান; আনন্দ আপনাকে নিয়ে যায়। চাটের লোভে গুলি খাওয়া! (সকলের হাস্য)

    “জ্ঞানং জ্ঞেয়ং পরিজ্ঞাতা ত্রিবিধা কর্মচোদনা”

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)— কর্ম করতে গেলে আগে একটি বিশ্বাস চাই, সেই সঙ্গে জিনিসটি মনে করে আনন্দ হয়, তবে সে ব্যক্তি কাজে প্রবৃত্ত হয়। মাটির নিচে একঘড়া মোহর আছে—এই জ্ঞান, এই বিশ্বাস, প্রথমে চাই। ঘড়া মনে করে সেই সঙ্গে আনন্দ হয়—তারপর খোঁড়ে। খুঁড়তে খুঁড়তে ঠং শব্দ হলে আনন্দ বাড়ে। তারপর ঘরার কানা দেখা যায়। তখন আনন্দ আরও বাড়ে। এইরকম ক্রমে ক্রমে আনন্দ বাড়তে থাকে। আমি নিজে ঠাকুরবাড়ির বারান্দায় দাঁড়িয়ে দেখেছি,—সাধু গাঁজা তয়ের করছে আর সাজতে সাজতে (Kathamrita) আনন্দ।

    ডাক্তার — কিন্তু আগুন ‘হীট’ও (উত্তাপ) দেয়, আর ‘লাইট’ও (আলো) দেয়। আলোতে দেখা যায় বটে; কিন্তু উত্তাপে গা পুড়ে যায়। ডিউটি (কর্তব্য কর্ম) করতে গেলে কেবল আনন্দ হয় তা নয়, কষ্টও আছে!

    মাস্টার (গিরিশের প্রতি) — পেটে খেলে পিঠে সয়। কষ্টতেও আনন্দ।

    গিরিশ (ডাক্তারের প্রতি) — ডিউটি শুষ্ক।

    ডাক্তার — কেন?

    গিরিশ — তবে সরস। (সকলের হাস্য)

    মাস্টার — বশ, এইবার লোভে গুলি খাওয়া এসে পড়ল।

    গিরিশ (ডাক্তারের প্রতি) — সরস, নচেৎ ডিউটি কেন করেন?

    ডাক্তার — এইরূপ মনের ইনক্লিনেসন (মনের ওইদিকে গতি)।

    মাস্টার (গিরিশের প্রতি) — ‘পোড়া স্বভাবে টানে!’ (হাস্য) যদি একদিকে ঝোঁকই (ইনক্লিনেসন) হল Free Will কোথায়?

  • Election Commission India: ৫ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনে ২৯ এপ্রিল পর্যন্ত বুথফেরত সমীক্ষায় নিষেধাজ্ঞা জারি করল নির্বাচন কমিশন

    Election Commission India: ৫ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনে ২৯ এপ্রিল পর্যন্ত বুথফেরত সমীক্ষায় নিষেধাজ্ঞা জারি করল নির্বাচন কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন বিধানসভা (West Bengal Elections 2026) নির্বাচনের (Election Commission India) পরিপ্রেক্ষিতে বড় পদক্ষেপ নিল ভারতের নির্বাচন কমিশন (EC)। ভোট চলাকালীন জনমত প্রভাবিত হওয়া রুখতে পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের জন্য ‘এক্সিট পোল’ বা বুথফেরত সমীক্ষার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। আগামী ২৯শে এপ্রিল পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে।

    নিষেধাজ্ঞার সময়সীমা (Election Commission India)

    নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, ভোট (Election Commission India)  প্রক্রিয়ার শুরু থেকে ২৯শে এপ্রিল সন্ধ্যা পর্যন্ত কোনো সংবাদমাধ্যম বা সংস্থা বুথফেরত সমীক্ষার ফল প্রকাশ করতে পারবে না।

    কেন এই নিষেধাজ্ঞা?

    অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কমিশন মনে করছে যে, নির্বাচনের মাঝপথে বুথফেরত সমীক্ষার ফল প্রকাশ করলে তা ভোটারদের সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করতে পারে এবং লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নষ্ট করতে পারে।

    আইনি পদক্ষেপ

    জনপ্রতিনিধিত্ব আইন (Representation of the People Act, 1951)-এর ১২৬এ ধারা অনুযায়ী এই নির্দেশ জারি করেছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission India)। নির্দেশ অমান্য করলে সংশ্লিষ্ট সংস্থা বা ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং কারাদণ্ড বা জরিমানা হতে পারে।

    প্রভাবিত রাজ্য

    যে পাঁচটি রাজ্যে বর্তমানে বিধানসভা নির্বাচন বা উপনির্বাচন প্রক্রিয়ার প্রস্তুতি চলছে, সেখানে এই নিয়ম কঠোরভাবে বলবৎ থাকবে।

    নির্বাচন কমিশনের (West Bengal Elections 2026) এই কড়া নির্দেশের পর এখন সমস্ত সংবাদমাধ্যমকে ২৯শে এপ্রিলের চূড়ান্ত সময়সীমা পার হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। তার পরেই জানা যাবে জনমতের প্রাথমিক ইঙ্গিত কোন দিকে।

  • West Bengal Elections 2026: “বগটুইয়ে যা হয়েছে তা শুধু একটি ঘটনা নয়, সেটি মানবতার কলঙ্ক’’, সিউড়িতে আক্রমণ মোদির

    West Bengal Elections 2026: “বগটুইয়ে যা হয়েছে তা শুধু একটি ঘটনা নয়, সেটি মানবতার কলঙ্ক’’, সিউড়িতে আক্রমণ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে আসন্ন বিধানসভার (West Bengal Elections 2026) ভোটে তৃণমূলকে ধরাশায়ী করতে নির্বাচনী প্রচারে এসেছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী। হলদিয়া, আসানসোল ও সিউড়িতে পরপর তিন জায়গায় সভা করলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। বীরভূমের বগটুই হত্যাকাণ্ড এবং বোমাবাজির কথা মনে করিয়ে জঙ্গলরাজ সমাপ্ত করার ডাক দিলেন তিনি। এদিন সিউড়ির জনসভায় তারা মায়ের নাম নিয়ে ভাষণ শুরু করেছেন। তিনি বললেন, ‘‘জয় মা তারা, জয় নিতাই।’’ বীরভূমের মাটিতে দাঁড়িয়ে তারাশঙ্করকেও শ্রদ্ধা জানান তিনি।

    আওয়াজ শোনা যাচ্ছে, পাল্টানো দরকার (West Bengal Elections 2026)

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বীরভূমের সভায় বললেন “এই মাটি অনেক মণীষীদের। ওই বীরভূমেই পরিবর্তনের ঝড় আসতে চলেছে। এই যে বিশাল সমাগম, এটা দেখেই বোঝা যাচ্ছে যে, ঝড় আসছে। হেলিকপ্টার থেকে দেখছিলাম, কত উৎসাহ নিয়ে এখানে আপনার এসেছে। আমাকে আশীর্বাদ করবেন। আমাদের এই বীরভূম বাউল সঙ্গীতে মাটি। এখন এখানে শোনা যায় একটা শব্দ, গান, আওয়াজ শোনা যাচ্ছে, পাল্টানো দরকার। বীরভূমের লালমাটিতে পরিবর্তনের ঝড় উঠেছে। তৃণমূলের জঙ্গলরাজের সাক্ষী বীরভূম। তৃণমূল জমানায় বগটুইয়ে নৃশংস ঘটনা ঘটেছিল। বগটুইয়ে যা হয়েছে তা শুধু একটি ঘটনা নয়। সেটি মানবতার কলঙ্ক। এটা জঙ্গলরাজ নয় তো কী? এই মহাজঙ্গলরাজের (West Bengal Elections 2026) শেষ হওয়া দরকার।’’

    মালদায় কী ঘটেছে গোটা দেশ দেখেছে

    বীরভূমের বালি পাচার, পাথর পাচার এবং কয়লা পাচার নিয়ে তৃণমূলের মাফিয়ারাজকে সমাপ্ত করার কথা জোর দিয়ে বলেন নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তিনি বলেন,‘‘তৃণমূলের আমলেই বীরভূমে বালি, পাথর, কয়লা লুট। মা-মাটি-মানুষদের মধ্যে মায়ের অবস্থা খারাপ। অনুপ্রবেশকারীদের তাড়ানো হবে। অনুপ্রবেশকারীদের মাথাদের জেলে ভরা হবে। অনুপ্রবেশকারীরা স্থানয় মানুষের কাছ থেকে কাজ ছিনিয়ে নিচ্ছে। আর স্থানীয়দের বাইরে কাজে যেতে হচ্ছে। আর এই দিন চলবে না। মালদায় কী ঘটেছে গোটা দেশ দেখেছে। বিচারকদের বন্ধক বানানো হয়েছিল। বাংলায় ভয়ের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। এই ভয় থেকে বাংলার মানুষকে মুক্তি (West Bengal Elections 2026) দেওয়ার প্রয়োজন।’’

    অহংকারী তৃণমূল সরকার

    রাষ্ট্রপতিকে চরম অপমান করেছিলেন তৃণমূল সরকার, এই বিষয়কে হাতিয়ার করে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, ‘‘মাননীয় রাষ্ট্রপতি এ রাজ্যে এসেছিলেন। সাওতাঁল সমাজের একটি অনুষ্ঠানে এসেছিলেন তিনি। যে সরকারই থাকুক না কেন, রাষ্ট্রপতিকে উচিত সম্মান দেওয়া সাংবিধানিক দায়িত্ব। কিন্তু এই অহংকারী তৃণমূল সরকার দেশের রাষ্ট্রপতিকেও কিছু মনে করেননি। গত বছরের ঘটনা আপনাদের সকলের মনে আছে। বীরভূমে স্কুলে এক আদিবাসী মেয়ের সঙ্গে যা হয়েছে, তা বিচলিত করার মতো। যাঁরা নিজেদের মেয়েদের হারিয়েছেন, কোনও টাকাপয়সা তা পূরণ করতে পারবে না। আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের ঘটনাও নিশ্চয়ই আপনাদের মনে আছে। কথা দিয়ে যাচ্ছি, বাংলাকে ভয়মুক্ত করব। এখানে এক এক করে স্কুল বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। যেখানে স্কুল বন্ধ, ভবিষ্যৎ বন্ধ। বাংলা (West Bengal Elections 2026) চায় ভরসা। তৃণমূলের নির্মম সরকারকে বিদায় দেবে বাংলার যুবশক্তি। কেন্দ্রীয় সরকার রোজগার মেলার আয়োজন করে। যেখানে বিজেপি সরকার সেখানে এই মেলার আয়োজন করা হয়। গত আড়াই বছরে ৭০ লক্ষের বেশি সরকারি চাকরি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে চাকরি লুটের খেলা চলছে।’’

    তাজা বোমার কারখানা তৈরি হচ্ছে

    রাজ্যের গ্রামে গ্রামে বোমা কারখানার মূলে তৃণমূল। এই ইস্যুকে হাতিয়ার করে নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) বলেন, ‘‘তৃণমূল এখানে গলি গলিতে তাজা বোমার কারাখানা তৈরি করছে। এটিকে তৃণমূল সরকার ক্ষুদ্রশিল্পে পরিণত করেছে। রাজ্যে ক্ষুদ্রশিল্প বন্ধ হয়েছে। তাজা বোমার কারখানা তৈরি হচ্ছে। এই সব বন্ধ হয়ে যাবে। তৃণমূল কী ভাবে মনরেগার নামে গরিব, দলিত, আদিবাসী পরিবারকে ঠকিয়েছে আপনারা জানেন। কেন্দ্রীয় সরকার আইন নিয়ে এসেছে। গরিবদের রোজগার দেব। কৃষক, পশিপাক, মৎস্যজীবীদের নতুন সুবিধা মিলবে (West Bengal Elections 2026)। গ্রামে ১২৫ দিনের রোজগার মিলবে। কাজের পুরো টাকা আপনাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে যাবে। কোনও সিন্ডিকেট হাত লাগাতে পারবে না। কোনও কাটমানি নয়, সিন্ডিকেট নয়। এটা মোদির গ্যারান্টি।’’

  • Arindam Sil: ‘কর্পূর’ নিয়ে বিতর্কের জল গড়াল আদালত পর্যন্ত, কেন জানেন?

    Arindam Sil: ‘কর্পূর’ নিয়ে বিতর্কের জল গড়াল আদালত পর্যন্ত, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পরিচালক অরিন্দম শীলের (Arindam Sil) বাংলা সিনেমা ‘কর্পূর’ (Korpur) নিয়ে বিতর্কের জল গড়াল আদালত পর্যন্ত। ছবিটি মুক্তি পেয়েছিল ১৯ মার্চ। এই ছবির দুই চরিত্রে অভিনয় করছেন তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ এবং বিদায়ী মন্ত্রী তৃণমূলেরই ব্রাত্য বসু। ঘটনাচক্রে দুজনেই আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে ঘাসফুল প্রতীক নিয়ে হাজির ভোট-বাজারে। সেই কারণেই এই ছবির প্রদর্শন বন্ধের আবেদন জানিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন মামলাকারীরা।

    বিতর্কের কেন্দ্রে ‘কর্পূর’ (Arindam Sil)

    বাংলায় বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হয়েছে ১৪ মার্চ। তারপরেই রাজ্যজুড়ে এই সিনেমাটি প্রদর্শিত হচ্ছে বিভিন্ন প্রেক্ষাগৃহে। অভিযোগ, বড় পর্দা ও প্রচারের হোর্ডিংকে হাতিয়ার করে নিজেদের কেন্দ্রেও কার্যত পরোক্ষভাবে ভোটের প্রচার সারছেন এই দুই তৃণমূল নেতা। বিরোধীদের দাবি, সিনেমার প্রচারের মাধ্যমে আদর্শ আচরণবিধি (MCC) লঙ্ঘিত হয়েছে। তাই ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। মামলাকারীদের পক্ষে আবেদনে ২০১৯ সালের একটি ছবির নজির টেনে নিয়ে আসা হয়েছে। সেই সময় লোকসভা নির্বাচনের আগে ‘পিএম নরেন্দ্র মোদি’ বায়োপিকটির মুক্তি ঠিক একইভাবে পিছিয়ে দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। তবে ‘কর্পূর’-এর ক্ষেত্রে কমিশন কেন নীরব? এই প্রশ্ন তুলে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন মামলাকারীরা। তাঁদের দাবি, কমিশনে অভিযোগ জানানোর পরেও লাভ হয়নি।

    মনীষা মুখোপাধ্যায়ের অন্তর্ধান রহস্য

    জানা গিয়েছে, নয়ের দশকে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী পরীক্ষা নিয়ামক মনীষা মুখোপাধ্যায়ের অন্তর্ধান রহস্যের কিনারা হয়নি আজও। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই তৈরি এই ছবি অজানা অনেক প্রশ্নের উত্তর দেবে। রাজনৈতিক থ্রিলারধর্মী এই ছবির পোস্টার মুক্তি পেয়েছিল আগেই। এবার প্রকাশ্যে এল ছবির প্রথম ঝলক। সিপিএম নেতা অনিল বিশ্বাসের চরিত্রে এই ছবিতে দেখা যাবে কুণাল ঘোষকে। এই ছবির মাধ্যমেই বড়পর্দায় অভিনেতা হিসেবে অভিষেক হচ্ছে কুণালের। ‘কর্পূরে’ মনীষা মুখোপাধ্যায়ের চরিত্রে অভিনয় করছেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করছেন ব্রাত্য বসু, অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায়, সাহেব চট্টোপাধ্যায় প্রমুখ। এক বিশেষ চরিত্রে দেখা যাবে খোদ অরিন্দম শীলকেও (Arindam Sil)।

    বাস্তব ঘটনার প্রেরণায় নির্মিত এই রাজনৈতিক থ্রিলার, বহু অজানা প্রশ্নের সামনে দাঁড় করিয়ে দেবে দর্শককে। ‘কর্পূরে’র প্রথম ঝলক থেকে যা জানা গেল, তা মোটামুটি অনেকটা (Korpur) এই রকম। ১৯৯৭ সাল। বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মৌসুমী সেন আচমকাই উধাও হয়ে যান। বহু আলোচিত ৫০ কোটি টাকার দুর্নীতিকাণ্ডের মধ্যেই নিখোঁজ হয়ে যান তিনি। খবরে প্রকাশিত হয়, তিনি নাকি লন্ডনে পালিয়ে গিয়েছেন। যদিও তদন্তে যুক্ত এক পুলিশ আধিকারিক, যাঁর কণ্ঠ পরে স্তব্ধ করে দেওয়া হয়, সন্দেহ করেছিলেন এর নেপথ্যে রয়েছে আরও গভীর এক রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের (Arindam Sil)।

     

  • NIA: মালদায় জুডিশিয়াল অফিসারদের ঘেরাওয়ের তদন্তে ১২ মামলা দায়ের এনআইএ-র

    NIA: মালদায় জুডিশিয়াল অফিসারদের ঘেরাওয়ের তদন্তে ১২ মামলা দায়ের এনআইএ-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার পশ্চিমবঙ্গের মালদায় (Malda) ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR) সংক্রান্ত কাজে নিযুক্ত জুডিশিয়াল অফিসারদের ঘেরাও করার ঘটনার তদন্তে ১২টি মামলা দায়ের করেছে জাতীয় তদন্ত সংস্থা (NIA)।

    এনআইএ-র বিবৃতি (NIA)

    গভীর রাতে প্রকাশিত বিবৃতিতে এনআইএ-র তরফে জানানো হয়েছে, তদন্তের জন্য তারা ফের মালদা জেলার মোথাবাড়ি থানায় ৭টি এবং কালিয়াচক থানায় ৫টি এফআইআর নথিভুক্ত করেছে। গত ৬ এপ্রিল সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মোতাবেক এই এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। আদালতের এই নির্দেশ মালদায় এসআইআর সংক্রান্ত কাজে নিযুক্ত জুডিশিয়াল অফিসারদের নিরাপত্তা এবং সংশ্লিষ্ট আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির সঙ্গে সম্পর্কিত। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “এনআইএ-র তদন্তকারী দল ইতিমধ্যেই এই মামলাগুলির বিস্তারিত তদন্তের জন্য মালদায় পৌঁছে গিয়েছে।”

    আদালতের পর্যবেক্ষণ

    সোমবার শীর্ষ আদালত মালদায় সাতজন জুডিশিয়াল অফিসারকে ঘেরাও সংক্রান্ত মামলাগুলি এনআইএ-র হাতে তুলে দেওয়ার নির্দেশ দেয়। আদালতের পর্যবেক্ষণ, আমলাতন্ত্রের বিশ্বাসযোগ্যতা কমে যাচ্ছে এবং পশ্চিমবঙ্গের সচিবালয় ও সরকারি দফতরে রাজনীতি ঢুকে পড়েছে। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও বিপুল এম পানচোলির বেঞ্চ সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদের অধীনে তাঁদের পূর্ণ ক্ষমতা প্রয়োগ করে ১ এপ্রিলের ঘটনাসংক্রান্ত ১২টি মামলা হস্তান্তর করে (NIA)। কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির পাঠানো একটি চিঠির ভিত্তিতে আদালত স্বতঃপ্রণোদিতভাবে বিষয়টি গ্রহণ করে। ওই চিঠিতে একটি ভয়াবহ রাতের বিবরণ দেওয়া হয়, যেখানে তিনজন মহিলা এবং পাঁচ বছরের একটি শিশু-সহ জুডিশিয়াল অফিসারদের ন’ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে খাদ্য ও জল ছাড়াই আটকে রাখে স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ।

    হোতাকে জিজ্ঞাসাবাদ করার নির্দেশ

    মালদা জেলার কালিয়াচক এলাকায় এসআইআর প্রক্রিয়া চলাকালীন এই ঘটনা ঘটে। এই ঘটনার সুপ্রিম কোর্ট পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যসচিব দুষ্যন্ত নারিয়ালাকে তিরস্কার করে। ঘটনার দিন কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ফোন না ধরায় নারিয়ালাকে ক্ষমাও চাইতে বলে শীর্ষ আদালত। পশ্চিমবঙ্গ পুলিশকে বেঞ্চের নির্দেশ, গ্রেফতার হওয়া ২৬ জন অভিযুক্তকে মামলার নথিপত্র-সহ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এনআইএ-র হাতে তুলে দিতে হবে, কারণ এই বিষয়ে স্থানীয় পুলিশের ওপর ভরসা করা যাচ্ছে না (NIA)। আদালত এনআইএকে এই ঘটনার হোতাকে জিজ্ঞাসাবাদ করার নির্দেশ দেয় এবং জানিয়ে দেয়, ঘটনাটি পরিকল্পিত ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলেই মনে হচ্ছে (Malda)।

    মূল অভিযুক্ত হেফাজতে

    পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যসচিব এবং ডিজিপির পক্ষে উপস্থিত প্রবীণ আইনজীবী সিদ্ধার্থ লুথরা আদালতে জানান, মূল অভিযুক্ত মফাকেররুল ইসলাম এবং মৌলানা মহম্মদ শাহজাহান আলি কাদরি ইতিমধ্যেই গ্রেফতার হয়েছেন। বর্তমানে তাঁরা রয়েছেন হেফাজতে। সেদিন সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছিল, এই ঘটনা রাজ্য প্রশাসনের সম্পূর্ণ ব্যর্থতা প্রকাশ করে এবং এটি শুধুমাত্র জুডিশিয়াল অফিসারদের ভয় দেখানোর চেষ্টা নয়, বরং সুপ্রিম কোর্টের কর্তৃত্বকেও চ্যালেঞ্জ করার শামিল। প্রসঙ্গত, পশ্চিমবঙ্গ, ওড়িশা এবং ঝাড়খণ্ড থেকে প্রায় ৭০০ জুডিশিয়াল অফিসার বর্তমানে এসআইআর প্রক্রিয়ায় নিযুক্ত রয়েছেন। পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়া ৬০ লক্ষেরও বেশি আপত্তির নিষ্পত্তি করতে হচ্ছে তাঁদের।

    সর্বোচ্চ আদালত সাফ জানিয়ে দিয়েছে,  হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতিকে ব্যক্তিগতভাবে হস্তক্ষেপ করতে হয়েছিল এবং তিনি স্বরাষ্ট্রসচিব ও ডিজিপিকে গ্রুপ কল করেছিলেন। পরে তাঁরা প্রধান বিচারপতির বাসভবনে পৌঁছন এবং মধ্যরাতের পর আটক বিচারপতিদের মুক্ত করা হয় (NIA)। প্রধান বিচারপতি এও জানান, উদ্ধার হওয়ার পরেও জুডিশিয়াল অফিসারদের গাড়িতে পাথর ছোড়া হয়, হামলা চালানো হয় লাঠি এবং ইট দিয়েও (Malda)।

LinkedIn
Share