Tag: Bengali news

Bengali news

  • Delhi Elections 2025: বিদায় আপের! ২৭ বছর পর দিল্লি পদ্মময়! কোন ফর্মুলায় এল জয়?

    Delhi Elections 2025: বিদায় আপের! ২৭ বছর পর দিল্লি পদ্মময়! কোন ফর্মুলায় এল জয়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিভিন্ন এক্সিট পোলে দাবি করা হয়েছিল দিল্লিতে আসতে চলেছে বিজেপির সরকার (Delhi Elections 2025)। শনিবার সকাল থেকে চলছে দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনের ফল গণনা। সেই গণনার ট্রেন্ড বলছে দিল্লিতে ডাবল ইঞ্জিন সরকার হচ্ছে। শেষ পর্যন্ত বিজেপি জয়ী হলে ২৭ বছর পর দিল্লির কুর্সিতে ফের বসবে পদ্ম-পার্টি। দিল্লি বিধানসভার আসন সংখ্যা ৭০টি। এদিন বিকেল তিনটের পর্যন্ত পাওয়া খবরে জানা গিয়েছে, ৪৮টি আসনে জয়ী এবং এগিয়ে রয়েছে পদ্ম পার্টি। দিল্লিতে সরকার গড়তে হলে প্রয়োজন ৩৬টি আসনের। ফলে, দিল্লিতে গঠিত হচ্ছে বিজেপি সরকার, এটা নিশ্চিত। রাজ্যের শাসক দল আপের ঝুলিতে মাত্র ২৬টি আসন (তিনটের হিসেব) থাকতে পারে। আর কংগ্রেস তো পিকচারেই নেই।

    মোদির নেতৃত্বে দিল্লি দখলের লড়াই (Delhi Elections 2025)

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে দিল্লি দখলের লড়াইয়ে নামে বিজেপি। প্রচারে মূল বার্তা ছিল তিনটি- আপের কল্যাণমূলক প্রকল্পগুলি অব্যাহত রাখা, ডাবল ইঞ্জিন উন্নয়ন এবং আপের দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, দিল্লির মধ্যবিত্ত শ্রেণির আস্থাও হারিয়েছিল অরবিন্দ কেজরিওয়ালের দল। তাদের দৃঢ় বিশ্বাস হয়েছিল, আপের কল্যাণমূলক রাজনীতি থেকে তাঁরা তো উপকৃত হননি, উল্টে আপ আমলে খারাপ হয়েছে দিল্লির রাস্তাঘাট, কমেছে নাগরিক সুযোগ-সুবিধা। ২০১২ সালে আম আদমি পার্টি গঠন করেন খড়্গপুর আইআইটির প্রাক্তনী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। তার পরের বছরই দিল্লির কুর্সিতে বসে কেজরিওয়ালের দল (Delhi Elections 2025)। ২০১৫ সাল থেকে দিল্লির মসনদে টানা ছিল সেই দল। এবার নির্বাচনে সেই কুর্সিই খোয়াতে চলেছে কেজরিওয়ালের দল।

    দিল্লিবাসীর ক্ষোভের আগুন

    নিয়মিত যাঁরা রাজনীতির চর্চা করেন, তাঁদের বক্তব্য আপের বিরুদ্ধে দিল্লিবাসীর ক্ষোভের আগুন পুঞ্জীভূত হয়েছিল তুষের আগুনের মতো ধিকিধিকি করে। জনগণমনের সেই আঁচ পেয়েছিল আপও। তার স্পষ্ট প্রমাণ মেলে তাদের প্রার্থী তালিকায় চোখ বোলালে। শেষ মুহূর্তে প্রার্থী তালিকায় কিছু রদবদল করা হলেও, তা বিশেষ ছাপ ফেলেনি ভোটারদের মনে।

    প্রতিষ্ঠান বিরোধিতার হাওয়া

    জনতার এই প্রতিষ্ঠান বিরোধিতার হাওয়াই পালে লেগেছে বিজেপির নাওয়ের। সেই কারণেই গেরুয়া শিবিরের দিল্লি দখল হতে চলেছে নিছকই কেকওয়াক। এক দিকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির তুঙ্গ জনপ্রিয়তা এবং তাঁর প্রতিশ্রুতি পূরণের দক্ষতা যেমন বিজেপির জয়ের পথ মসৃণ করেছে তেমনি, দেশের অর্থনীতির ভোল বদলে দেওয়াও গভীর ছাপ ফেলেছে দিল্লিবাসীর মনে (Delhi Elections 2025)। তাঁদের বদ্ধমূল ধারণা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কংগ্রেস কিংবা আপ নেতাদের মতো স্বপ্ন ফেরি করে বেড়ান না, ফাঁকা আওয়াজও দেন না। তাঁর গায়ে লেগে নেই দুর্নীতির কালিও। প্রধানমন্ত্রীর এই ‘মিস্টার ক্লিন’ ইমেজও সহায়ক হয়েছে বিজেপি জয়ের পথে ছড়িয়ে থাকা কাঁটা সরাতে।

    মোদিতেই আস্থা

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির একাধিক সিদ্ধান্তও বিজেপির প্রতি আস্থা বাড়িয়ে তুলেছে দিল্লিবাসীর। তিনি যে অসাধ্য সাধন করতে পারেন, তা তাঁরা টের পেয়েছেন জম্মু-কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা বিলোপ করার পর। কংগ্রেস জমানায় প্রায় প্রতিদিন রক্তাক্ত হত ভূস্বর্গ। সেখানেই আজ বিরাজ করছে অনাবিল শান্তি। আক্ষরিক অর্থেই কাশ্মীর আজ ভূস্বর্গ। ৩৭০ ধারা বিলোপের পর কাশ্মীরে বইছে উন্নয়নের জোয়ার। এসবই দিল্লিবাসীর মনে মোদি সম্পর্কে ‘ম্যায় হুঁ না’ টাইপের একটা ধারণা তৈরি করেছে।অযোধ্যায় রাম মন্দির গড়েও দিল্লিবাসীর আস্থা অর্জন করেছেন প্রধানমন্ত্রী। যুগ যুগ ধরে চলে আসা বিতর্কের অবসান ঘটিয়েছেন তিনি। অযোধ্যার রাম জন্মভূমিতেই প্রাণ প্রতিষ্ঠা হয়েছে রামলালার বিগ্রহের। তার জেরেও প্রধানমন্ত্রীর ওপর দিল্লিবাসীর ভরসা বেড়েছে বই কমেনি। তিন তালাকের প্রথা রদ করাও ফেভারে গিয়েছে মোদির দলের (Delhi Elections 2025)। দিল্লির হাজার হাজার মুসলমান মহিলা দুহাত উপুড় করে ভোট দিয়েছেন পদ্ম পার্টিকে। ইভিএমের সেই ফলও জানান দিচ্ছে বিজেপির পক্ষে দিল্লি খুব বেশি দূরে নয়।

    ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’

    প্রধানমন্ত্রীর ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ স্লোগানও ভালো ‘খেয়েছেন’ দিল্লির ভোটাররা। মোদির রাজত্বে তরতরিয়ে উন্নতি হচ্ছে অর্থনীতির। এক সময় কোনও কিছুর জন্য নির্ভর করতে হত বিদেশের ওপর। ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ প্রকল্পে এখন সেটাই তৈরি হচ্ছে ভারতে। ফলে কমেছে বিদেশি-নির্ভরতা। বিজেপির দিল্লি বিজয় অনায়াস হয়েছে এই কারণেও। এর আগে দিল্লিতে বিজেপি ক্ষমতায় ছিল ১৯৯৮ সালে (Delhi Elections 2025)। শেষ মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন সুষমা স্বরাজ। ডেমোগ্রাফি বদলে এবং তুষ্টিকরণের রাজনীতি করে দিল্লি দখল করে কংগ্রেস। মসনদে বসেন শীলা দীক্ষিত। ২০১৩ সালে প্রথমবার ক্ষমতায় আসে আপ। দিল্লিবাসী সেই দলকেও ‘ঝাড়ু’ দিয়ে ঝেঁটিয়ে বিদেয় করে দিলেন।

    দিল্লি হল পদ্মময়। ক্ষমতায় আসতে চলেছে ডাবল ইঞ্জিন সরকার। উন্নয়নের রথের চাকার ধুলোয় বিরোধী না খড়কুটোর মতো উড়ে যান (Delhi Elections 2025)!

  • ED: গরু পাচার মামলায় অনুব্রতর ২৫ কোটি ৮৬ লক্ষ টাকা বাজেয়াপ্ত করল ইডি

    ED: গরু পাচার মামলায় অনুব্রতর ২৫ কোটি ৮৬ লক্ষ টাকা বাজেয়াপ্ত করল ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত বছরের সেপ্টেম্বরে মাসে ঠিক দুর্গাপুজোর আগে জামিন পেয়েছিলেন অনুব্রত (Anubrata Mandal)। বেরিয়ে এসেছিলেন তিহাড় জেল থেকে। ফিরেছিলেন বাড়ি, মেয়ে সুকন্যাকে সঙ্গে নিয়ে। বর্তমানে তৃণমূলের এই নেতা ইতিমধ্যে সক্রিয় রাজনীতিতেও নেমে পড়েছেন। তবে গরু পাচার মামলায় বিপদ যেন কিছুতেই কমছে না অনুব্রতর। এরই মধ্যে গরু পাচার মামলায় ফের অনুব্রত মণ্ডলের কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করল ইডি (ED)। উল্লেখযোগ্য তথ্য হিসেবে উঠে আসছে, শুধুমাত্র অনুব্রতর একার নয়, তাঁর আত্মীয়দের কয়েকটি অ্যাকাউন্ট ও তাঁর সহযোগী সংস্থার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

    বাজেয়াপ্ত ২৫ কোটি ৮৬ লক্ষ টাকা (ED)

    কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার (ED) তরফে এক বিবৃতি দিয়েছে এবিষয়ে। সেখানেই জানানো হয়েছে, অনুব্রতর নামে থাকা ৩৬টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের ২৫ কোটি ৮৬ লক্ষ টাকা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতে ফের একবার চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে রাজনৈতিক মহলে।

    ২০২২ সালের ১১ অগাস্ট গ্রেফতার হন অনুব্রত (ED)

    প্রসঙ্গত, গরু পাচার মামলায় ২০২২ সালের ১১ অগাস্ট বোলপুরের নিচুপট্টির বাড়ি থেকে অনুব্রত মণ্ডলকে গ্রেফতার করে সিবিআই। তখন থেকে জেলবন্দি ছিলেন কেষ্ট মণ্ডল। পরে ২০২৩ সালের মার্চ মাসে তাঁকে তিহাড় জেলে স্থানান্তর করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তদন্তে নেমে অনুব্রত মণ্ডলের একাধিক সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছিল ইডি। এবার তাঁর ৩৬ অ্যাকাউন্টের বিপুল পরিমাণ টাকা বাজেয়াপ্ত করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

    ৫১ কোটি ১৩ লক্ষ টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত

    কেন্দ্রীয় তদন্তারী সংস্থা ইডির (ED) দাবি, অনুব্রতর বিভিন্ন ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা পড়ত গরু পাচারের টাকা। সেগুলিই বাজেয়াপ্ত করার কাজ চলছিল এতদিন। প্রসঙ্গত, গরু পাচার মামলায় এখনও পর্যন্ত ৫১ কোটি ১৩ লক্ষ টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বলে আদালতে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, গরু পাচার মামলার তদন্ত এখনও চলছে, শুধু তাই নয়, এই ইস্যুতে বেশ ব্যাকফুটে শাসক দল।

  • Delhi Election: পরাস্ত কেজরিওয়াল, ভরাডুবি দলের, খসে পড়ল সততার মুখোশ

    Delhi Election: পরাস্ত কেজরিওয়াল, ভরাডুবি দলের, খসে পড়ল সততার মুখোশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লির ভোটে (Delhi Election) পরাস্ত আম আদমি পার্টির (AAP) সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়াল। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত দিল্লি নির্বাচনে বিজেপি ৪৬ আসনে এগিয়ে রয়েছে। অন্যদিকে, আম আদমি পার্টি বাইশটিতে। নিজ নিজ আসনে হেরে গিয়েছেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল, মণীশ সিসোদিয়া, সত্যেন্দ্র জৈনরা। কোনও মতে, হার বাঁচিয়েছেন অতিশী। ২৭ বছর পর দেশের রাজধানীতে প্রত্যাবর্তনের পথে বিজেপি।

    মুখে দুর্নীতিমুক্ত, কাজে দুর্নীতিগ্রস্ত

    সততা, দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসনের গাল ভরা প্রতিশ্রুতি দিয়েই জন্ম হয়েছিল আম আদমি পার্টির। কংগ্রেসের দুর্নীতির বিরুদ্ধে আন্দোলন করা আন্না হাজারের অন্যতম শিষ্য ছিলেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল। কিন্তু ক্ষমতায় আসার পরেই সততার মুখোশ খসতে থাকে আম আদমি পার্টির। একাধিক দুর্নীতিতে নাম জুড়তে থাকে দলের। আবগারি দুর্নীতিতে জেলেও যেতে হয় মুখ্যমন্ত্রী কেজরিওয়ালকে। একই সঙ্গে, সুবিধাবাদের রাজনীতির অভিযোগ ওঠে কেজরিওয়ালের বিরুদ্ধে। কারণ, আম আদমি পার্টির জন্মই হয়েছিল কংগ্রেসকে দুর্নীতিগ্রস্ত অ্যাখা দিয়ে। পরে সেই আম আদমি পার্টি আবার ক্ষমতা ধরে রাখতে কংগ্রেসের সঙ্গেই ইন্ডি জোটে সামিল হয়। ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটে জোট করে ধরাশায়ীও হয়। এখানেই উঠতে থাকে আপ পার্টির নৈতিকতা নিয়ে প্রশ্ন।

    ৪৪ জন প্রার্থীই ছিলেন ফৌজদারী মামলায় অভিযুক্ত (Delhi Election)

    অ্যাসোসিয়েশন ফর ডেমোক্রেটিক রিফর্মস একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে এবং এখানে উঠে এসেছে ভয়ঙ্কর তথ্য। দেখা যাচ্ছে ২০২৫ সালের দিল্লি নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি ফৌজদারি অভিযোগ রয়েছে (Delhi Election) আম আদমি পার্টির প্রার্থীদের বিরুদ্ধে। তাদের দলে তাহলে ৭০ জন প্রার্থীর মধ্যে ৪৪ জনই ফৌজদারী অভিযোগে অভিযুক্ত।

    নিজের বেআইনি বাড়ি বানিয়েছেন কেজরিওয়াল, অভিযোগ বিজেপির

    একইসঙ্গে, কেজরিওয়ালের বিরুদ্ধে চারটি বাংলো ভেঙে নিজের বাড়ি করার অভিযোগও উঠেছে। নিজের জন্য কেজরিওয়াল বানিয়েছেন রাজকীয় প্রাসাদ। নাম দিয়েছেন শিষমহল। এনিয়ে তোপ দেগেছে বিজেপিও। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে এই ইস্যুতে নিশানা করেন একাধিক জনসভায়। অন্যদিকে আবগারি দুর্নীতিতে রাজ্যের কোষাগারের ২,০২৬ কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে ইতিমধ্যে সিএজি। ভোটের ফলে এগুলির প্রভাব পড়েছে বলেই মনে করছে (Delhi Election) রাজনৈতিক মহলের একাংশ। হারতে হল খোদ অরবিন্দ কেজরিওয়ালকেও।

  • Delhi Election: প্রাথমিক গণনায় ম্যাজিক ফিগার পার, দিল্লিতে বিপুল জয়ের পথে বিজেপি, ধরাশায়ী আপ

    Delhi Election: প্রাথমিক গণনায় ম্যাজিক ফিগার পার, দিল্লিতে বিপুল জয়ের পথে বিজেপি, ধরাশায়ী আপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২৭ বছর পরে দিল্লি বিধানসভা (Delhi Election) দখলের পথে বিজেপি (BJP), গেরুয়া ঝড়ে বেসামাল আম আদমি পার্টি। ২০২৫ সালের বিধানসভা ভোটের প্রাথমিক ফলাফল যা দেখা যাচ্ছে তাতে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে যে বিজেপি নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে চলেছে। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, এমন ফলাফলের জন্য নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকারের বিপুল কর্মযজ্ঞ যেমন ফ্যাক্টর হিসেবে কাজ করেছে, একইভাবে আম আদমি পার্টির দুর্নীতি সমান ভাবে দায়ী। প্রসঙ্গত, আবগারি দুর্নীতিতে জেলে যেতে হয় আম আদমি পার্টির মুখ্যমন্ত্রী কেজরিওয়াল এবং উপমুখ্যমন্ত্রী মণীষ সিসোদিয়াকে। সেই প্রতিফলনই ইভিএমে পড়েছে বলে মনে করছেন ওয়াকিবহাল।

    বিজেপি এগিয়ে ৪৪ আসনে, পিছিয়ে আপের মুখ্যমন্ত্রী

    সকাল দশটা পর্যন্ত যে প্রাথমিক ফলাফল দেখা যাচ্ছে, সেখানে স্পষ্ট ছবি উঠে আসছে যে ৭০ আসন বিশিষ্ট দিল্লি বিধানসভায় (Delhi Election) বিজেপি এগিয়ে রয়েছে ৪৪ আসনে, আম আদমি পার্টি এগিয়ে রয়েছে ২৬ আসনে। কংগ্রেস এখনও পর্যন্ত কোথাও খাতা খুলতে পারেনি। এই প্রাথমিক ফলাফল আম আদমি পার্টির জন্য একটি বড় ধাক্কা বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। প্রসঙ্গত, দিল্লি বিধানসভায় (Delhi Election) পিছিয়ে রয়েছেন বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী তথা অরবিন্দ কেজরিওয়ালের স্ত্রী অতিশী মারলেনা।

    ৫০.৪২ লক্ষ পুরুষ এবং ৪৪.০৮ লক্ষ মহিলা ভোট দান করেছেন দিল্লিতে

    দিল্লি বিধানসভার (Delhi Election) ভোট গণনা চলছে ১৯টি কেন্দ্রে। গত পাঁচ ফেব্রুয়ারি বিধানসভার ভোট অনুষ্ঠিত হয়। এর পরবর্তীকালে সামনে আসে জনমত সমীক্ষা। প্রত্যেকটি জনমত সমীক্ষাতে বিজেপিকে এগিয়ে রাখা হয়েছিল। সেই জনমত সমীক্ষারই প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে গণনার দিনে। প্রসঙ্গত, পাঁচ ফেব্রুয়ারি দিল্লি বিধানসভা ভোটে ভোট দান করেছিলেন ৬০.৫৪ শতাংশ ভোটার। ২০২০ সালে তুলনায় যা ছিল ২.৫ শতাংশ কম। ভারতের নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে জানানো হয় দিল্লি বিধানসভার (Delhi Election) ভোটে ভোট দিয়েছেন ৫০.৪২ লক্ষ পুরুষ এবং ৪৪.০৮ লক্ষ মহিলা।

  • Mahakumbh 2025: এখনও বাকি ১৮ দিন! মহাকুম্ভে পবিত্র স্নান সারলেন ৪০ কোটিরও বেশি ভক্ত

    Mahakumbh 2025: এখনও বাকি ১৮ দিন! মহাকুম্ভে পবিত্র স্নান সারলেন ৪০ কোটিরও বেশি ভক্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগেই জানানো হয়েছিল যে প্রথম ২৪ দিনেই মহাকুম্ভে (Mahakumbh 2025) ভক্ত সংখ্যা ছুঁয়েছে ৩৮.২৯ কোটি। মাঘী পূর্ণিমার আগেই তা ৪০ কোটিতে পৌঁছে যাবে। ঠিক তেমনটাই হল। ১২ ফেব্রুয়ারি রয়েছে মাঘী পূর্ণিমা। তার আগেই চল্লিশ কোটি ভক্ত স্নান সেরে ফেললেন মহাকুম্ভে, গঙ্গা-যমুনা ও অন্তঃসলিলা সরস্বতী নদীর সঙ্গমস্থলে (Triveni Sangam)। রিপোর্ট বলছে গতকাল অর্থাৎ ৭ ফেব্রুয়ারি বিকাল ৪টা পর্যন্ত ৭৮.৭৮ লক্ষ ভক্ত পবিত্র স্নান সেরেছেন এবং এভাবেই ভক্ত সংখ্যা পার করল ৪০ কোটি। মহাকুম্ভের এখনও বাকি রয়েছে ১৮ দিন। মনে করা হচ্ছে এই সময়ের মধ্যে ৫০ কোটিরও বেশি ভক্ত সংখ্যা স্নান করবেন মহাকুম্ভে।

    মৌনী অমাবস্যায় হাজির ৮ কোটি ভক্ত (Mahakumbh 2025)

    প্রসঙ্গত, প্রথম দিকে মহাকুম্ভ (Mahakumbh 2025) অনুষ্ঠিত হওয়ার আগে প্রশাসনের তরফ থেকে অনুমান করা হয়েছিল ৪০ থেকে ৪৫ কোটি ভক্ত স্নান সারবেন প্রয়াগরাজে। কিন্তু প্রশাসনের সেই অনুমানকেও ছাপিয়ে গিয়েছে ভক্ত সংখ্যা। পরপর তিনটি গুরুত্বপূর্ণ অমৃত স্নান, অর্থাৎ মকর সংক্রান্তির স্নান, মৌনী অমাবস্যা স্নান এবং বসন্তী পঞ্চমীর স্নানে এর পরেও ভক্তদের মধ্যে উন্মাদনা তুঙ্গে রয়েছে। এখনও পর্যন্ত লক্ষ লক্ষ ভক্ত প্রতিদিন হাজির হচ্ছেন প্রয়াগরাজে। তাঁরা রীতি মেনে স্নান করছেন। একটি হিসেব বলছে, মৌনী অমাবস্যাতে সবথেকে বেশি ভক্ত হাজির হয়েছিলেন এবং সেই দিন পবিত্র স্নান সেরেছেন ৮ কোটি ভক্ত।

    বসন্ত পঞ্চমীতে স্নান ২.৫৭ কোটি ভক্তের (Mahakumbh 2025)

    অন্যদিকে মকর সংক্রান্তির দিনে হাজির হয়েছিলেন সাড়ে তিন কোটি ভক্ত এবং গত ৩০ জানুয়ারি ও ১ ফেব্রুয়ারি হাজির হয়েছিলেন ২ কোটি ভক্ত। বসন্ত পঞ্চমী তিথিতে হাজির হয়েছিলেন ২.৫৭ কোটি ভক্ত। মহাকুম্ভ যেন সব কিছুর মেলবন্ধন হয়ে উঠেছে, বলিউড থেকে রাজনীতি। সবাই স্নান করছেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি থেকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং, উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ ছাড়াও বলিউডের হেমা মালিনী, অনুপম খের, ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব সাইনা নেহওয়াল, ক্রিকেটার সুরেশ রায়না- প্রত্যেকেই হাজির হয়েছেন কুম্ভে।

  • Daily Horoscope 08 February 2025: বন্ধুদের জন্য অশান্তি বাড়তে পারে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 08 February 2025: বন্ধুদের জন্য অশান্তি বাড়তে পারে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) বাড়ির কোনও সদস্যের বিষয়ে আপনাকে কোনও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে হতে পারে।

    ২) কাজের ক্ষেত্রে নিজের ইচ্ছেমতো চলবেন না।

    ৩) ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নিন।

    বৃষ

    ১) পরিবারে কোনও বিবাদ চললে তা সমাধানের চেষ্টা করুন।

    ২) সন্তান কোনও কারণে রেগে গেলে তাকে বোঝানোর চেষ্টা করুন।

    ৩) নতুন গাড়ি কেনার স্বপ্ন পূরণ হতে পারে।

    মিথুন

    ১) বন্ধুদের জন্য অশান্তি বাড়তে পারে।

    ২) আগুন থেকে বিপদের আশঙ্কা।

    ৩) দিনটি ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে।

    কর্কট

    ১) কোনও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশ নিতে পারেন, যা আপনার জন্য ভালো হবে।

    ২) পরিবারে আপনার প্রিয়জনের কাছ থেকে পূর্ণ সমর্থন পাবেন।

    ৩) আপনার সম্মান বৃদ্ধি হতে পারে।

    সিংহ

    ১) যানবাহন ব্যবহার করার সময় আপনাকে সতর্ক থাকতে হবে।

    ২) বেশ কয়েকদিনের ভ্রমণে যাওয়ার পরিকল্পনা করতে পারেন।

    ৩) পরিবারের মধ্যে কোনও দ্বন্দ্ব চললে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করার চেষ্টা করুন।

    কন্যা

    ১) বিতর্ক থেকে দূরে থাকুন।

    ২) স্বেচ্ছাচারী আচরণের জন্য আপনি অস্থির থাকতে পারেন।

    ৩) কর্মক্ষেত্রে, আপনার বস আপনার উপর দায়িত্বের বোঝা চাপিয়ে দিতে পারেন।

    তুলা

    ১) অর্শের যন্ত্রণা বৃদ্ধি পেতে পারে।

    ২) কর্মক্ষেত্রে সুনাম বাড়তে পারে।

    ৩) ডাক্তারের কাছে যেতে হতে পারে।

    বৃশ্চিক

    ১) ব্যবসায় অশান্তি হতে পারে।

    ২) চাকরির স্থানে উন্নতির সুযোগ পেতে পারেন।

    ৩) প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটান।

    ধনু

    ১) জেদের কারণে কোনও ক্ষতি হতে পারে।

    ২) সম্পত্তির ব্যাপারে কোনও আত্মীয়ের সঙ্গে বিবাদ হতে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    মকর

    ১) শারীরিক কারণে ব্যবসায় সময় দিতে পারবেন না।

    ২) স্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্ক ভালো থাকবে।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    কুম্ভ

    ১) চিকিৎসার জন্য খরচ নিয়ে চিন্তা।

    ২) বন্ধুদের সঙ্গে বিবাদের যোগ রয়েছে।

    ৩) বাণীতে সংযম রাখুন।

    মীন

    ১) স্ত্রীর কথায় বিশেষ ভাবে মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন।

    ২) খেলাধুলায় নাম করার ভালো সুযোগ হাতছাড়া হতে পারে।

    ৩) ধর্মস্থানে যেতে পারেন।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Cancer: শিশুদের মধ্যে বাড়ছে ক্যান্সারের ঝুঁকি! ভারতে এর সংখ্যা বাড়ছে কেন?

    Cancer: শিশুদের মধ্যে বাড়ছে ক্যান্সারের ঝুঁকি! ভারতে এর সংখ্যা বাড়ছে কেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ জীবন যাপনে বদল হয়েছে অনেকখানি। আধুনিক জীবনে ব্যস্ততা বাড়ছে। বদলে যাচ্ছে খাদ্যাভ্যাসের ধরন। তার সঙ্গে বদল হচ্ছে ঘুমের সময়ের। পাশাপাশি পরিবেশ, আবহাওয়ার অনেকটাই পরিবর্তন হয়েছে। আর এই সবকিছুর শরীরে গভীর প্রভাব পড়ছে। বিশেষত শিশুদের (Children) শরীরে এর প্রভাব মারাত্মক। গত বছর অর্থাৎ ২০২৪ সালের রিপোর্ট জানাচ্ছে শিশুদের মধ্যে ক্যান্সারের (Cancer) প্রকোপ বাড়ছে। যা যথেষ্ট দুশ্চিন্তার বলেই মনে করছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

    কী বলছে রিপোর্ট?

    ন্যাশনাল ক্যান্সার (Cancer) রেজিস্ট্রি প্রোগ্রামের সাম্প্রতিক রিপোর্ট জানাচ্ছে, ১৫ বছরের কম বয়সিদের মধ্যে ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ছে। আক্রান্তের সংখ্যাও বাড়ছে। ওই রিপোর্ট অনুযায়ী, দেশের মোট ক্যান্সার আক্রান্তের মধ্যে ০ থেকে ১৪ বছর বয়সিদের সংখ্যা ৪ শতাংশ। যা বছর দশেক আগেও অনেকটাই কম ছিল। উল্লেখযোগ্যভাবে শিশু (Children) ক্যান্সার আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে। ওই রিপোর্ট অনুযায়ী, কন্যাসন্তানের তুলনায় পুত্রসন্তানের মধ্যে ক্যান্সারের ঝুঁকি বেশি। সদ্যোজাত থেকে ১৪ বছর বয়সি এক মিলিয়ন ছেলের মধ্যে ২০৩ জন ক্যান্সার আক্রান্ত হয়েছে। সেই তুলনায় মেয়েদের সংখ্যা ১২৫ জন।

    কেন শিশু শরীরে ক্যান্সার বাড়ছে?

    ক্যান্সার (Cancer) বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, জিনগত মিউটেশনের জন্যই শরীরে ক্যান্সার হয়। হঠাৎ করেই শরীরের কোষে, জিনে এক ধরনের পরিবর্তন শুরু হয়। যার ফলেই ক্যান্সারের মতো জটিল রোগ তৈরি হয়। এর নির্দিষ্ট কারণ বলা কঠিন। তবে‌ বেশ কিছু কারণের জেরেই এই জিনগত পরিবর্তন। যাকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় ‘জেনেটিক মিউটেশন’ বলা হয়।

    শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, খাদ্যাভ্যাস ক্যান্সারের (Cancer) ঝুঁকি অনেকটাই বাড়িয়ে দিচ্ছে। বিশেষত শিশুদের (Children) প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় একাধিক প্রক্রিয়াজাত খাবার থাকছে। যার প্রভাব শরীরে মারাত্মকভাবে পড়ছে। তাঁরা জানাচ্ছেন, নানান রাসায়নিক পদার্থ দিয়ে প্রক্রিয়াজাত মাংস নিয়মিত খেলে কিডনির, লিভার এবং পাকস্থলীতে মারাত্মক প্রভাব পড়ছে। দেহের ওজনও মারাত্মক বাড়তে থাকে।‌ স্থুলতা ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।

    নিয়মিত শারীরিক কসরত এবং পর্যাপ্ত বিশ্রাম দরকার

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, নিয়মিত ফল, সবজি, ডাল, রুটি খাওয়ার অভ্যাস শিশুদের (Children) মধ্যে কমছে। তাঁরা জানাচ্ছেন, এই ধরনের খাবারে প্রচুর পুষ্টিগুণ থাকে। কিন্তু অধিকাংশ শিশু এখন সবজি খায় না। নিয়মিত রুটি, ফলও খায় না। তার ফলে শরীরে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের অভাব দেখা দেয়। তাই ক্যান্সারের মতো রোগের ঝুঁকও বাড়ে।

    শরীর সুস্থ রাখতে প্রয়োজন নিয়মিত পর্যাপ্ত বিশ্রাম। অনেক সময়েই শিশুদের পর্যাপ্ত বিশ্রাম হয় না। নিয়মিত শরীরিক কসরত এবং পর্যাপ্ত বিশ্রাম হলে তবেই শরীরে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ে। নানান রোগের ঝুঁকি কমে। তাই ক্যান্সারের (Cancer) মতো‌ জটিল রোগের ঝুঁকি কমাতে স্বাস্থ্যকর রুটিন থাকা জরুরি বলেই মনে করছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

    বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ

    ক্যান্সার (Cancer) বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, শিশুদের প্রথম থেকেই স্বাস্থ্যকর অভ্যাস তৈরি করতে হবে। সেদিকে অভিভাবকদের নজর দেওয়া দরকার। সময় মতো স্বাস্থ্যকর খাবার‌ খাওয়া, পর্যাপ্ত ঘুম এবং নিয়মিত রুটিন মাফিক শারীরিক কসরত, এগুলো যাতে হয় সেদিকে নজরদারি করলে রোগের ঝুঁকি কমবে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Ramakrishna 264: “আগে হঠযোগ করেছিল—তাই আমার সমাধি কি ভাবাবস্থা হলে মাথায় হাত বুলিয়ে দেয়”

    Ramakrishna 264: “আগে হঠযোগ করেছিল—তাই আমার সমাধি কি ভাবাবস্থা হলে মাথায় হাত বুলিয়ে দেয়”

    শ্রীরামকৃষ্ণ দক্ষিণেশ্বরে ও ভক্তগৃহে

    একাদশ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৪, ১৯শে সেপ্টেম্বর

    দক্ষিণেশ্বরে মহেন্দ্র, রাখাল, রাধিকা গোস্বামী প্রভৃতি ভক্তসঙ্গে

    মহেন্দ্রাদির প্রতি উপদেশ—কাপ্তেনের ভক্তি ও পিতামাতার সেবা 

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) দক্ষিণেশ্বর-কালীমন্দিরে সেই পূর্বপরিচিত ঘরে ভক্তসঙ্গে বসিয়া আছেন। শরৎকাল। শুক্রবার, ১৯শে সেপ্টেম্বর, ১৮৮৪; ৪ঠা আশ্বিন, ১২৯১; বেলা দুইটা। আজ ভাদ্র অমাবস্যা। মহালয়া। শ্রীযুক্ত মহেন্দ্র মুখোপাধ্যায় ও তাঁহার ভ্রাতা শ্রীযুক্ত প্রিয় মুখোপাধ্যায়, মাস্টার, বাবুরাম, হরিশ, কিশোরী, লাটু, মেঝেতে কেহ বসিয়া কেহ দাঁড়াইয়া আছেন,—কেহ বা ঘরে যাতায়াত করিতেছেন। শ্রীযুক্ত হাজরা বারান্দায় বসিয়া আছেন। রাখাল বলরামের সহিত বৃন্দাবনে আছেন (Kathamrita)।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna মহেন্দ্রাদি ভক্তদের প্রতি)—কলিকাতায় কাপ্তেনের বাড়িতে গিছলাম। ফিরে আসতে অনেক রাত হয়েছিল।

    “কাপ্তেনের কি স্বভাব! কি ভক্তি! ছোট কাপড়খানি পরে আরতি করে। একবার তিন বাতিওয়ালা প্রদীপে আরতি করে,—তারপর আবার এক বাতিওলা প্রদীপে। আবার কর্পূরের আরতি।

    “সে সময়ে কথা হয় না। আমায় ইশারা করে আসনে বসতে বললে (Kathamrita)।

    “পূজা করবার সময় চোখের ভাব—ঠিক যেন বোলতা কামড়েছে!

    “এদিকে গান গাইতে পারে না। কিন্তু সুন্দর স্তব পাঠ করে।

    “তার মার কাছে নিচে বসে। মা—আসনের উপর বসবে।

    “বাপ ইংরাজের হাওয়ালদার। যুদ্ধক্ষেত্রে একহাতে বন্দুক আর-এক হাতে শিবপূজা করে। খানসামা শিব গড়ে গড়ে দিচ্ছে। শিবপূজা না করে জল খাবে না। ছয় হাজার টাকা মাহিনা বছরে।

    “মাকে কাশীতে মাঝে মাঝে পাঠায়। সেখানে বার-তেরো জন মার সেবায় থাকে। অনেক খরচা। বেদান্ত, গীতা, ভাগবত—কাপ্তেনের কণ্ঠস্থ (Ramakrishna)!

    “সে বলে, কলিকাতার বাবুরা ম্লেচ্ছাচার (Kathamrita)।

    “আগে হঠযোগ করেছিল—তাই আমার সমাধি কি ভাবাবস্থা হলে মাথায় হাত বুলিয়ে দেয়।

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    আরও পড়ুনঃ “আবার সেই সমাধি! আবার নিস্পন্দন দেহ, স্তিমিতি লোচন, দেহ স্থির

    আরও পড়ুনঃ দেখিয়াই ঠাকুর উচ্চহাস্য করিয়া ছোকরাদের বলিয়া উঠিলেন, “ওই রে আবার এসেছে”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

  • Swami Avdheshanand Giri: ‘‘সনাতন ধর্মের অবিচ্ছেদ্য অংশ জনজাতি সমাজ’’, মত অবধেশানন্দ গিরির

    Swami Avdheshanand Giri: ‘‘সনাতন ধর্মের অবিচ্ছেদ্য অংশ জনজাতি সমাজ’’, মত অবধেশানন্দ গিরির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বামী অবধেশানন্দ গিরি মহারাজ (Swami Avdheshanand Giri) মহাকুম্ভের এক ধর্মীয় সভায় বক্তব্য রাখেন এদিন এবং সেখানেই তিনি জনজাতি সমাজকে সনাতন ধর্মের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে বর্ণনা করেন। প্রসঙ্গত, অখিল ভারতীয় বনবাসী কল্যাণ আশ্রমের তরফ থেকে প্রয়াগরাজে যুব কুম্ভের আয়োজন করা হয়েছিল এবং সেখানে স্বামী অবধেশানন্দ গিরি মহারাজ (Swami Avdheshanand Giri) বলেন, ‘‘জনজাতি সমাজের সঙ্গে সম্প্রীতি ছাড়া মহাকুম্ভ কখনও সম্পূর্ণতা পেতে পারে না।’’ তিনি বলেন, ‘‘যেভাবে জনজাতি সমাজের ভাই ও বোনেরা মহাকুম্ভে এসেছেন নিজেদের রীতি, প্রথা, সংস্কৃতি- এই সমস্তকে সঙ্গে নিয়ে, তা প্রশংসনীয়। সমস্ত সন্তের উচিত বনে যাওয়া উচিত এবং সেখানকার পরিবেশ দেখা। সেখানকার সরল সাধারণ বনবাসীদের জীবনকে উপলব্ধি করা।’’ স্বামী অবধেশানন্দ গিরি মহারাজ আরও (Swami Avdheshanand Giri) বলেন, ‘‘যে সমস্ত সন্ন্যাসীরা যাঁরা একনও বুঝে উঠতে পারেন নি আরণ্যক সংস্কৃতি, তাঁদেরকে একবার বনে যেতে হবে।’’

    কারা হাজির ছিলেন?

    প্রসঙ্গত, এই অনুষ্ঠানে (Sanatan Dharma) হাজির ছিলেন মহামণ্ডলেশ্বর স্বামী রঘুনাথ বাপ্পাজি মহারাজ, কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রমন্ত্রী দুর্গাদাস উইকি, বনবাসী কল্যাণ আশ্রমে জাতীয় সভাপতি সত্যেন্দ্র সিং, প্রাক্তন ন্যাশনাল কমিশন ফর সিডিউল ট্রাইপসের সভাপতি হর্ষ চৌহান সমেত অন্যান্যরা। নিজের বক্তব্যে হর্ষ চৌহান বলেন, ‘‘মহাকুম্ভ গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এই অনুষ্ঠান এক কথায় আরণ্যক সংস্কৃতির প্রতিফলন করে।

    কী বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী?

    অন্যদিকে রঘুনাথ বাপ্পাও জনজাতি সমাজকে সনাতন ধর্মের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন,‘‘জনজাতি সমাজ হল সনাতন ধর্মের অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং কোনওভাবেই একে সনাতন ধর্ম থেকে পৃথক করা যাবে না।’’ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী দুর্গাদাস উইকি বলেন, ‘‘কিছু সমাজবিরোধী শক্তি সর্বদাই লেগে রয়েছে যে কিভাবে জনজাতি সমাজকে ছোট করা যায়, যুব সমাজকে এর বিরুদ্ধে এগিয়ে আসতে হবে।’’ প্রসঙ্গত, দেশের প্রতিটি প্রান্ত থেকে যুবকুম্ভে হাজির হয়েছিলেন অসংখ্য জনজাতি সমাজের প্রতিনিধি। প্রতিনিধিরা এই যুবকুম্ভে নানা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।

  • Ram Janmabhoomi: রাম মন্দির আন্দোলনের ‘প্রথম করসেবক’ কামেশ্বর চৌপাল প্রয়াত, শোক প্রকাশ মোদির

    Ram Janmabhoomi: রাম মন্দির আন্দোলনের ‘প্রথম করসেবক’ কামেশ্বর চৌপাল প্রয়াত, শোক প্রকাশ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অযোধ্যার রাম মন্দিরের (Ram Janmabhoomi) ট্রাস্টি কামেশ্বর চৌপাল প্রয়াত হলেন। দীর্ঘদিন কিডনি সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি। অবশেষে ৬৮ বছর বয়সে প্রয়াত হলেন তিনি। রিপোর্ট অনুযায়ী , চৌপাল দিল্লির গঙ্গারাম হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর প্রয়াণে শোক প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। নিজের এক্স মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, ‘‘এক অনন্য রামভক্ত ছিলেন কামেশ্বর চৌপাল (Kameshwar Chaupal), তাঁর প্রয়াণে আমি দুঃখিত।’’ প্রসঙ্গত, কামেশ্বর চৌপালকে ‘প্রথম করসেবক’ হিসেবে গণ্য করা হয়। ১৯৮৯ সালে তিনি রাম জন্মভূমিতে রাম মন্দির নির্মাণের জন্য প্রথম ইট স্থাপন করেছিলেন বলে জানা যায়। তিনি বিহারের প্রাক্তন এমএলসি ছিলেন। তাঁর প্রয়াণে এদিন বিশ্ব হিন্দু পরিষদের এক্স হ্যান্ডেলে শোক প্রকাশ (Ram Janmabhoomi) করা হয়। শোক প্রকাশ করেন উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ।

    কামেশ্বর চৌপাল বিহারের সুপৌল জেলায় জন্মগ্রহণ করেন

    সূত্রের খবর, চৌপালের মেয়ে তাঁকে আগে একটি কিডনি দান করেছিলেন। কিন্তু সেই প্রতিস্থাপন ফলপ্রসূ হয়নি (Ram Janmabhoomi)। শেষ পর্যন্ত শুক্রবার সকালে মারা গেলেন তিনি। প্রসঙ্গত, ১৯৫৬ সালের ২৪ এপ্রিল কামেশ্বর চৌপাল বিহারের সুপৌল জেলায় জন্মগ্রহণ করেন বলে জানা যায়। তিনি একজন বিশিষ্ট সমাজকর্মী ছিলেন। এর পাশাপাশি বিশ্ব হিন্দু পরিষদ, বনবাসী কল্যাণ কেন্দ্র, আরএসএস এবং এবিভিপি সহ সঙ্ঘ পরিবারের একাধিক সংগঠনে কাজ করেন তিনি।

    শোক প্রকাশ অমিত শাহের

    প্রসঙ্গত, কামেশ্বর চৌপালের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেন অমিত শাহ। নিজের এক্স হ্যান্ডেলে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Ram Janmabhoomi) লিখেছেন, ‘‘শ্রীরাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের স্থায়ী সদস্য এবং বিজেপির সিনিয়র নেতা কামেশ্বর চৌপাল জি’র প্রয়াণ অত্যন্ত দুঃখজনক। শ্রীরাম জন্মভূমি আন্দোলনে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নিয়েছিলেন। সামাজিক কাজ ও বঞ্চিতদের কল্যাণের জন্য বিশেষ কাজ করেছিলেন কামেশ্বর চৌপাল। প্রভু শ্রীরাম তাঁর আত্মাকে শ্রীচরণে স্থান দিন এবং তাঁর শোকগ্রস্ত পরিজনদের মানসিক শক্তি প্রদান করুন।’’

LinkedIn
Share