Tag: Bengali news

Bengali news

  • Mahakumbha 2025: মহাকুম্ভে তৈরি হওয়ার পথে চার-চারটে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড, জানেন কী কী?

    Mahakumbha 2025: মহাকুম্ভে তৈরি হওয়ার পথে চার-চারটে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড, জানেন কী কী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রয়াগরাজের ত্রিবেণী সঙ্গমে অনুষ্ঠিত হচ্ছে মহাকুম্ভ। বিগত ১৩ জানুয়ারি থেকে শুরু হয়েছে কুম্ভমেলা (Mahakumbha 2025) চলবে ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। ১৪৪ বছর পরে অনুষ্ঠিত হচ্ছে মহাকুম্ভ। বিভিন্ন পরিসংখ্যান বলছে মাঘী পূর্ণিমার আগেই ভক্তদের সংখ্যা সেখানে ৪০ কোটি পৌঁছে যাবে। প্রথম ২৪ দিনেই কুম্ভ মেলায় ভক্ত সংখ্যা ছুঁয়েছে ৩৮.২৯ কোটি। কুম্ভ মেলা যেন সব কিছুকেই এক করে দিয়েছে। সাধারণ ভক্ত থেকে রাষ্ট্রনেতা থেকে বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকরা। পুণ্য অর্জনের লক্ষ্যে পবিত্র স্নান সারছেন। এমন ঘটনা বিশ্বের কোথাও আর দেখা যায় না। ভারতের প্রধানমন্ত্রী গত বুধবার মাঘী অষ্টমী বা ভীষ্ম অষ্টমী তিথিতে পুণ্যস্নান সেরেছেন। স্নান করেছেন ভুটানের রাজাও। মহাকুম্ভ (Guinness World Records) পৃথিবীর সবথেকে বড় ইভেন্টে পরিণত হয়েছে। এই আবহে আরও উল্লেখযোগ্য খবর সামনে এসেছে।

    মহাকুম্ভে (Mahakumbha 2025) তৈরি হচ্ছে ৪ নয়া রেকর্ড

    মহাকুম্ভে (Mahakumbha 2025) তৈরি হতে চলেছে চারটি গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড। এর মধ্যে প্রথমটি হল ১৫ হাজার সাফাই কর্মী একসঙ্গে মহাকুম্ভের ঘাটগুলি পরিষ্কার করবেন। ১৪ ফেব্রুয়ারি এই নয়া রেকর্ড তৈরি হতে চলেছে মহাকুম্ভে। এর আগে ২০১৯ সালের অর্ধ কুম্ভে এমন চিত্রই দেখা গিয়েছিল। সে সময় দশ হাজার সাফাই কর্মী একসঙ্গে ঘাট পরিষ্কার করেছিলেন। অর্থাৎ ভারত তার নিজের রেকর্ডই ভাঙছে। ২০১৯ সালে অর্ধকুম্ভের যে রেকর্ড তৈরি করেছিলেন সাফাই কর্মীরা, তাঁরাই আবার নিজেদের রেকর্ড ভাঙছেন ২০২৫ সালে। মহাকুম্ভে এই ঘটনা অত্য়ন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন অনেকে।

    দ্বিতীয় ও তৃতীয় রেকর্ড (Mahakumbha 2025)

    অন্যদিকে, দ্বিতীয় যে রেকর্ড হতে চলেছে হতে চলেছে সেটি ১৫ ফেব্রুয়ারি সবার নজরে আসবে। ওইদিন তিনশোর বেশি মানুষ একসঙ্গে ত্রিবেণী সঙ্গমের জলকে পরিষ্কার করবেন। এমনভাবেই ওই তিনশো কর্মী গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে মহাকুম্ভকে স্থান দেবেন। এরপরে ১৬ ফেব্রুয়ারি ফের নয়া একটি গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে নাম তুলবে মহাকুম্ভ। জানা গিয়েছে, ওই দিন ১০০০-এরও বেশি ই-রিকশা হাজির হবে কুম্ভের প্রাঙ্গণে। এরপরে তারা প্যারেড করবে। এটিও একটি নয়া ওয়ার্ল্ড রেকর্ড। দেখা যাচ্ছে ২০১৯ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি ৫০০ বাস প্যারেড করেছিল অর্ধকুম্ভে। তার নিয়ন্ত্রণকর্তা ছিল উত্তরপ্রদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট কর্পোরেশন। সেই সময় উত্তরপ্রদেশ সরকারের এমন উদ্যোগ নয়া গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড স্থাপন করে, ‘ লার্জেস্ট প্যারেড অফ বাসেস’। এবার সেটি হতে চলেছে লার্জেস্ট প্যারেড অফ ই-রিস্কা। প্রসঙ্গতই বাসগুলি চলে ছিল ৩.২ কিলোমিটার এক সঙ্গে। এর আগে বাসের প্যারেডের রেকর্ড ছিল আবুধাবিতে। সেটি ২০১০ সালে তৈরি হয়েছিল এবং সে সময় ৩৯০টি বাস একসঙ্গে চলেছিল।

    তৃতীয় রেকর্ড

    প্রসঙ্গত, এর পরের রেকর্ডটি তৈরি হতে চলেছে ১৭ ফেব্রুয়ারি। ওইদিন ১০ হাজার লোক একসঙ্গে নয়া ওয়ার্ল্ড রেকর্ড তৈরি করবেন। জানা গিয়েছে, ১০,০০০ লোক একসঙ্গে হ্যান্ড প্রিন্টিং করবেন আট ঘণ্টা ধরে, গঙ্গা প্যান্ডেলের মধ্যে। বর্তমানে এই ওয়ার্ল্ড রেকর্ড রয়েছে কুম্ভের নামেই। ২০১৯ সালে একসঙ্গে বসে ৭,৬৬৪ জন হ্যান্ড পেইন্টিং করেছিলেন। ৬ বছর আগে অর্ধকুম্ভের প্রয়াগরাজে যে রেকর্ড তৈরি হয়েছিল, তা এবার ভাঙছে ২০২৫ সালে। এই রেকর্ড নতুন ভাবে গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে স্থান পাচ্ছে।

    কী বলছেন আধিকারিক?

    মহাকুম্ভের গোটা ব্যবস্থাপনা খতিয়ে দেখছেন উচ্চপদস্থ আমলা বিজয় কিরণ আনন্দ। তিনি সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, ‘‘চারটি গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে মহাকুম্ভ নাম তুলতে চলেছে। এটি সত্যিই খুব আনন্দের এবং যার শুরু হতে চলেছে ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে। প্রথমটি স্বচ্ছতায়। পরেরটি নদী পরিষ্কার করাতে, এরপরে একটি ই-রিক্সার ক্ষেত্রে এবং সর্বশেষটি হ্যান্ড প্রিন্টিং-এর ক্ষেত্রে।’’ এই সমস্ত ইভেন্টগুলির প্রস্তুতিপর্ব ইতিমধ্যে শেষ হয়ে গিয়েছে বলে জানিয়েছেন বিজয় কিরণ আনন্দ।

    বিদেশি ভক্তদেরও আকর্ষণের কেন্দ্রে মহাকুম্ভ

    ১৪৪ বছর পরে হওয়া এই মহাকুম্ভ (Mahakumbh 2025) পর্যটকদের জন্য একটি প্রধান আকর্ষণের কেন্দ্র বিন্দু হয়ে উঠেছে। পর্যটক বলতে আধ্যাত্মিক পর্যটক, যাদের আমরা তীর্থযাত্রীও বলতে পারি। এখনও পর্যন্ত, ৩৮ কোটির বেশি পুণ্যার্থী সঙ্গমে স্নান করেছেন। পবিত্র স্নানের উদ্দেশেই ভক্তরা এখানে সমবেত হচ্ছেন। বিশ্বাস, কুম্ভের ডুব জীবনে আনে অপার শান্তি ও সুখ। মহাকুম্ভে এই ব্যাপক পরিমাণে ভক্তদের আগমন শুধুমাত্র ভারতবর্ষের ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে না, অর্থাৎ ভারতীয়রা শুধুমাত্র যে প্রয়াগরাজে হাজির হচ্ছেন এমনটা নয়। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও বিপুল পরিমাণে তীর্থযাত্রী ত্রিবেণী সঙ্গমে ডুব দিতে প্রয়াগরাজের উদ্দেশে রওনা দিচ্ছেন। পরিসংখ্যান বলছে যে, আধ্যাত্মিক উদ্দেশ্যে ভ্রমণ করার ৪৮ শতাংশ ভিসা মহাকুম্ভের (Mahakumbh 2025) দিকেই যাচ্ছে।

  • Mujibur Rahman: ‘‘শেখ মুজিবুরের বাড়ি বাঙালির কাছে গর্ব’’! বঙ্গবন্ধুর বাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় কড়া প্রতিক্রিয়া দিল্লির

    Mujibur Rahman: ‘‘শেখ মুজিবুরের বাড়ি বাঙালির কাছে গর্ব’’! বঙ্গবন্ধুর বাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় কড়া প্রতিক্রিয়া দিল্লির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেখ মুজিবুর রহমানের (Mujibur Rahman) শেষ স্মৃতিটুকুও মুছে ফেলার চেষ্টা বাংলাদেশি মৌলবাদীদের। ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুরের (Mujibur Rahman) ধানমন্ডির বাসভবন। এই বাড়ির সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে ইতিহাস, এমনটাই জানিয়েছেন হাসিনা। তাঁর ভার্চুয়াল ভাষণে হাসিনা জানান, এই বাড়িতেই বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা করেছিলেন বঙ্গবন্ধু। আবার ১৯৭৫ সালে এই বাড়িতেই তাঁকে হত্যা করা হয় পরিবার সমেত। ইউনূসের বাংলাদেশে এই বাড়িকেই ভেঙে গুঁড়িয়ে দিল মৌলবাদীরা। এইভাবে ইতিহাস, ঐতিহ্য ধ্বংস করা দেখে চুপ থাকতে পারল না ভারত সরকার (India)। কড়া নিন্দা জানাল বিদেশমন্ত্রক।

    শেখ মুজিবুরের (Mujibur Rahman) বাড়ি বাঙালির কাছে গর্ব

    বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল মুজিবের বাড়ি ধ্বংস করার ঘটনার তীব্র নিন্দা করে বলেন, “শেখ মুজিবুরের (Mujibur Rahman) বাড়ি বাঙালির কাছে গর্ব। দখলদারি-নিপীড়নের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের প্রতীক। এই ধরনের ধ্বংসলীলা কঠোরভাবে নিন্দনীয়।” প্রসঙ্গত, বুধবার রাতে ফেসবুক লাইভে এসে ধানমন্ডির বাড়ি ভাঙার ঘটনায় খুবই আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন হাসিনা। হাসিনা বলেন, ‘‘কী অপরাধ করেছি আমি? এই দেশ কী ছিল আর কী হয়েছে। কোন কাজটা আমি বাকি রেখেছি।’’ হাসিনা বলেন, ‘‘ধানমন্ডির ৩২ নম্বর বাড়িটি একটি ঐতিহাসিক স্মারক। ওই বাড়ি থেকে বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন। ওই বাড়িতেই তাঁকে হত্যা করা হয়েছিল। সেই মানুষটির বাড়িতে কেন আগুন দেওয়া হল? কেন ভেঙে ফেলা হল?’’

    বাড়ি ধ্বংস করা অত্যন্ত দুঃখজনক

    নিজের এক্স মাধ্যমে তিনি ভারতের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র আরও লেখেন, “যারা বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকে গুরুত্ব দেন, তারা জানেন বাংলাদেশের কাছে এই বাড়িটি কতটা গুরুত্বপূর্ণ। এই বাড়ি দখলদারি ও নিপীড়নের (Mujibur Rahman) বিরুদ্ধে লড়াই-প্রতিরোধের চিহ্ন ছিল। সেই বাড়ি ধ্বংস করা অত্যন্ত দুঃখজনক।” অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণভাবে এই আবহে ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনারকে তলব করেছে ইউনূস সরকার। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, ভারতে বসে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় সম্বন্ধে মিথ্যা মন্তব্য করছেন হাসিনা। তাঁর ওপরে যেন রাশ টানা হয়, এই দাবিই জানাচ্ছে বাংলাদেশ দিল্লির কাছে।

  • Sheikh Haisna: ‘‘বেঁচে যখন গিয়েছি, জবাব নেব’’, বঙ্গবন্ধুর বাড়ি ভাঙা প্রসঙ্গে বললেন হাসিনা

    Sheikh Haisna: ‘‘বেঁচে যখন গিয়েছি, জবাব নেব’’, বঙ্গবন্ধুর বাড়ি ভাঙা প্রসঙ্গে বললেন হাসিনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে ফের দেখা যাচ্ছে বিগত অগাস্ট মাসের ছায়া। এই আবহে বুধবারের পরে ফের বৃহস্পতিবার ভার্চুয়ালি ভাষণ দিলেন সেদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার (Sheikh Haisna)। আওয়ামি লিগের ফেসবুক পেজ থেকে লাইভে আসেন হাসিনা। প্রসঙ্গত, গত বুধবার রাতে ধানমন্ডিতে বঙ্গবন্ধুর শেখ মুজিবর রহমানের বাড়ি ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয় মৌলবাদীরা। এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেন তিনি। বাংলাদেশে ছাত্র-জনতার নামে অকথ্য অত্যাচার করা হচ্ছে বলেও তোপ দাগেন তিনি। তাঁর কথায়, ‘‘বেঁচে যখন গিয়েছি, জবাব নেব।’’ এদিন বক্তব্য রাখার সময় কান্নায় গলা বুজে আসে হাসিনার। বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েন তিনি। বেশ কিছুক্ষণ নীরব হয়ে পড়েন তিনি। এরপর তিনি বলেন, ‘‘আমি দেশবাসীর কাছে বিচার চাই। আপনারাই বিচার করুন।’’ হাসিনা বলেন, ‘‘আমি কী অপরাধ করেছি। কেন দেশে আমার মা-বোনেরা স্বামী হানা হচ্ছে। কেন নারীদের ওপর নির্যাতন চলছে।’’

    কী বললেন হাসিনা (Sheikh Haisna)

    বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে আটটায় আওয়ামি লিগের (Awami League) অনলাইন অনুষ্ঠান ‘দায়মুক্তি’-তে যোগ দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘‘মানুষ একদিন ঠিক বিচার করবেন। সবাইকে ধৈর্য ধরতে হবে।’’ আওয়ামী লিগ নেত্রী বলেন, ‘‘আমি দেশের জন্য কী না করেছি। এই ভাবে বঙ্গবন্ধুর স্মৃতি ধ্বংস করা হচ্ছে কেন? তিনি তো নিজের জীবন বিসর্জন দিয়েছেন এই দেশের জন্য। এই দেশের জন্য জীবন উৎসর্গ করার এই কি পুরস্কার?’’ হাসিনা বলেন, ‘‘কী অপরাধ করেছি আমি? এই দেশ কী ছিল আর কী হয়েছে। কোন কাজটা আমি বাকি রেখেছি।’’ হাসিনা বলেন, ‘‘ধানমুন্ডির ৩২ নম্বর বাড়িটি একটি ঐতিহাসিক স্মারক। ওই বাড়ি থেকে বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন। ওই বাড়িতেই তাঁকে হত্যা করা হয়েছিল। সেই মানুষটির বাড়িতে কেন আগুন দেওয়া হল? কেন ভেঙে ফেলা হল?’’

    আওয়ামি লিগ কর্মীরা জানালেন অত্যাচারের কথা

    আওয়ামি লিগের (Awami League) আক্রান্ত নেতা-কর্মীরা একে একে নিজেদের কথা শোনাতে থাকে। ঢাকার এক মহিলা এই সময়ই হাসিনাকে আপা সম্মোধন করে জানান, গত বছর কীভাবে তাঁর স্বামীকে প্রকাশ্য রাস্তায় খুন করা হয়। দুই সন্তানের মা ওই মহিলা বলেন, তাঁর স্বামী বারে বারে মার্জনা চাইলেও দুষ্কৃতীরা ছাড়েনি।মাগুরার আওয়ামি লিগের অপর এক নেত্রী হাসিনাকে (Sheikh Haisna) প্রধানমন্ত্রী বলে সম্মোধন করেন। তিনি জানান কীভাবে ৫ অগাস্ট বিকালেই তাঁকে চাকরি থেকে বসিয়ে দেওয়া হয়। ১৪ অগাস্ট চাকরি যায় তাঁর স্বামীর।

  • Daily Horoscope 07 February 2025: বুদ্ধির ভুলে ক্ষতি হতে পারে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 07 February 2025: বুদ্ধির ভুলে ক্ষতি হতে পারে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) বাড়তি ব্যবসা থাকলে বিনিয়োগ করবেন না।

    ২) মা-বাবার সঙ্গে  বিশেষ আলোচনা হতে পারে।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    বৃষ

    ১) বুদ্ধির ভুলে ক্ষতি হতে পারে।

    ২) ব্যবসায় কর্মচারীর সঙ্গে বিবাদে যাবেন না।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    মিথুন

    ১) মনের মতো স্থানে ভ্রমণের জন্য আনন্দ লাভ।

    ২) মিথ্যা বদনাম থেকে সাবধান।

    ৩) সাবধানতা অবলম্বন করুন।

    কর্কট

    ১) কর্মক্ষেত্রে উন্নতি শেষ মুহূর্তে গিয়ে আটকে যাওয়ায় মানসিক চাপ বৃদ্ধি।

    ২) সকাল থেকে স্ত্রীর সঙ্গে বিবাদ হতে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    সিংহ

    ১) খরচ বৃদ্ধি পেতে পারে।

    ২) সপরিবার ভ্রমণে বাধা।

    ৩) সংযম রাখুন।

    কন্যা

    ১) কোনও নিকটাত্মীয়ের চক্রান্তে সংসারে বিবাদ।

    ২) ব্যবসায় লাভ বাড়তে পারে।

    ৩) দিনটি ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে।

    তুলা

    ১) দুর্বুদ্ধির উদয় হতে পারে।

    ২) ব্যবসায় শত্রুর দ্বারা ক্ষতি হতে পারে।

    ৩) পরিস্থিতি বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

    বৃশ্চিক

    ১) ব্যবসার ক্ষেত্রে তর্ক ক্ষতি ডেকে আনতে পারে।

    ২) আর্থিক সুবিধা পেতে পারেন।

    ৩) সবাই আপনার প্রশংসা করবে।

    ধনু

    ১) কর্মক্ষেত্র পরিবর্তনের সুযোগ।

    ২) আর্থিক উন্নতির জন্য খুব ভালো সময়।

    ৩) বাণীতে সংযম রাখুন।

    মকর

    ১) বিষয়সম্পত্তি কেনাবেচা নিয়ে গুরুজনের সঙ্গে মনোমালিন্য হতে পারে।

    ২) কোনও মহিলার জন্য পরিবারে আনন্দ বৃদ্ধি পেতে পারে।

    ৩) দিনটি কম বেশি ভালোই কাটবে।

    কুম্ভ

    ১) সকালের দিকে পেটের ব্যথায় কষ্ট পেতে পারেন।

    ২) কিছু কেনার জন্য খরচ বাড়তে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    মীন

    ১) সপরিবার ভ্রমণে যাওয়ার আলোচনা এখন বন্ধ রাখাই ভালো।

    ২) সম্মান নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    ৩) গুরুজনের পরামর্শ মেনে চলুন।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Central Government: ৩০ হাজার টাকায় আজীবন টোল পাস! বড় ভাবনা মোদি সরকারের, কতটা সুবিধা হবে?

    Central Government: ৩০ হাজার টাকায় আজীবন টোল পাস! বড় ভাবনা মোদি সরকারের, কতটা সুবিধা হবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়মিত যাঁরা ভ্রমণ করেন বা প্রতিনিয়ত দূর-দূরান্তে যাত্রা করেন, তাঁদের জন্য বড় উদ্যোগ নিতে চলেছে মোদি সরকার। জানা গিয়েছে, কেন্দ্রীয় সরকার (Central Government), এক নতুন প্রকল্প আনছে যেখানে আজীবন টোল পাস ব্যবস্থা চালু হবে। এর পাশাপাশি একটি গোটা বছরের জন্য টোল পাস ব্যবস্থা চালু থাকবে। মনে করা হচ্ছে এর ফলে দূর দূরান্তে ভ্রমণকারীদের খুবই সুবিধা হবে।

    দুটি বিকল্প কী কী (Central Government)?

    জানা গিয়েছে, গাড়ির মালিক অথবা যাঁরা প্রায়ই দূরদূরান্তে যাতায়াত করেন সেই সমস্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে দুটি বিকল্প দেওয়া হবে। একটি হল বার্ষিক পাস, অপরটি ১৫ বছরের জন্য বৈধ থাকবে, এটি হবে আজীবন টোল পাস। বার্ষিক টোল পাসের জন্য প্রদান করতে হবে ৩,০০০ টাকা এবং আজীবন টোল পাসের জন্য প্রদান করতে হবে ৩০ হাজার টাকা এককালীন অর্থ। বিভিন্ন সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, সড়ক পরিবহণ মন্ত্রক (Central Government) এই প্রস্তাবগুলি নিয়ে ইতিমধ্যে একটি খসড়া রচনা করে ফেলেছে এবং তা চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। যে কোনওদিনই এই নিয়ে ঘোষণা করা হতে পারে।

    বর্তমানে কী ব্যবস্থা চালু রয়েছে?

    বর্তমানে যে ব্যবস্থা চালু রয়েছে সেখানে মাসিক এবং বার্ষিক এই দুইভাবে টোলপাস নেওয়া যায়। মাসিক টোল পাসের (Highway Toll Pass) জন্য দিতে হয় ৩৪০ টাকা। অন্যদিকে যাঁরা দূরদূরান্তে সারা বছর ধরে যাতায়াত করেন, তাঁদের জন্য বার্ষিক টোল পাসের পরিমাণ হল ৪,০৮০ টাকা। এই জায়গা থেকেই কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ মন্ত্রক (Central Government) দেশজুড়ে একটি বার্ষিক পাস চালু করার কথা বিবেচনা করছে। যার জন্য দিতে হবে তিন হাজার টাকা। এর মাধ্যমে কোনও গাড়ির মালিক বা ভ্রমণকারী সারা দেশেই ভ্রমণ করতে পারবেন। অনেকেই মনে করছেন নতুন যে নীতি চালু হতে চলেছে তা যথেষ্ট সাশ্রয়ী এবং অনেকের কাছে এটি অত্যন্ত পছন্দের এবং আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে। কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ মন্ত্রী নিতিন গড়করি সম্প্রতি ঘোষণা করেছেন যে যাত্রীরা শীঘ্রই সড়ক মাধ্যমে টোল ট্যাক্সে ছাড় পাবেন।

  • Ramakrishna 263: “ঠাকুর প্রকৃতিস্থ হইয়াছেন, নারায়ণ! নারায়ণ!—এই নাম উচ্চারণ করিয়া তাহাদের সম্ভাষণ করিলেন”

    Ramakrishna 263: “ঠাকুর প্রকৃতিস্থ হইয়াছেন, নারায়ণ! নারায়ণ!—এই নাম উচ্চারণ করিয়া তাহাদের সম্ভাষণ করিলেন”

    শ্রীরামকৃষ্ণ দক্ষিণেশ্বরে ও ভক্তগৃহে

    দশম পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৪, ১৪ই সেপ্টেম্বর

    শ্রীযুক্ত রাখালের জন্য চিন্তা—যদু মল্লিক—ভোলানাথের এজাহার

    গান সমাপ্ত হইলে মুখুজ্জেরা গাত্রোত্থান করিলেন। ঠাকুরও সঙ্গে সঙ্গে উঠিলেন। কিন্তু ভাবাবিষ্ট। ঘরের বারান্দায় আসিয়া একেবারে সমাধিস্থ হইয়া দণ্ডায়মান। বারান্দায় অনেকগুলি আলো জ্বলিতেছে। বাগানের দ্বারবান ভক্ত লোক। ঠাকুরকে মাঝে মাঝে নিমন্ত্রণ করিয়া সেবা করান। ঠাকুর সমাধিস্থ হইয়া দাঁড়াইয়া আছেন। দ্বারবানটি আসিয়া ঠাকুরকে পাখার হাওয়া করিতেছেন; বড় হাত পাখা।

    বাগানের সরকার শ্রীযুক্ত রতন আসিয়া প্রণাম করিলেন।

    ঠাকুর (Ramakrishna) প্রকৃতিস্থ হইয়াছেন। নারায়ণ! নারায়ণ! — এই নাম উচ্চারণ করিয়া তাহাদের সম্ভাষণ করিলেন।

    ঠাকুর ভক্তদের সঙ্গে ঠাকুরবাড়ির সদর ফটকের কাছে আসিয়াছেন। ইতিমধ্যে মুখুজ্জেরা ফটকের কাছে অপেক্ষা করিতেছেন।

    অধর ঠাকুরকে খুঁজিতেছিলেন।

    মুখুজ্জে (সহাস্যে)—মহেন্দ্রবাবু পালিয়ে এসেছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (সহাস্যে, মুখুজ্জের প্রতি)—এর সঙ্গে তোমরা সর্বদা দেখা করো, আর কথাবার্তা কয়ো।

    প্রিয় মুখুজ্জে (সহাস্যে)—ইনি এখন আমাদের মাস্টারি করবেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ—গাঁজাখোরের স্বভাব গাঁজাখোর দেখলে আনন্দ করে। আমির এলে কথা কয় না। কিন্তু যদি একজন লক্ষ্মীছাড়া গাঁজাখোর আসে, তবে হয়তো কোলাকুলি করবে। (সকলের হাস্য)

    ঠাকুর উদ্যান-পথ দিয়া পশ্চিমাস্য হইয়া নিজের ঘরের অভিমুখে আসিতেছেন। পথে বলিতেছেন—“যদু খুব হিঁদু। ভাগবত থেকে অনেক কথা বলে।”

    মণি কালীমন্দিরে আসিয়া প্রণামাদি করিয়া চরণামৃতপান করিতেছেন। ঠাকুর আসিয়া উপস্থিত-মাকে দর্শন করিবেন।

    রাত প্রায় নয়টা হইল। মুখুজ্জেরা প্রণাম করিয়া বিদায় গ্রহণ করিলেন। অধর ও মাস্টার মেঝেতে বসিয়া আছেন। ঠাকুর অধরের সহিত শ্রীযুক্ত রাখালের কথা কহিতেছেন।

    রাখাল বৃন্দাবনে আছেন—বলরামের সঙ্গে। পত্রে সংবাদ আসিয়াছিল তাঁহার অসুখ হইয়াছে। দুই-তিনদিন হইল ঠাকুর রাখালের অসুখ শুনিয়া এত চিন্তিত হইয়াছিলেন যে, মধ্যাহ্নের সেবায় সময় ‘কি হবে!’ বলিয়া (Kathamrita) হাজরার কাছে বালকের ন্যায় কেঁদেছিলেন। অধর রাখালকে রেজিস্টারি করিয়া চিঠি লিখিয়াছিলেন, কিন্তু এ পর্যন্ত চিঠির প্রাপ্তিস্বীকার পান নাই।

    শ্রীরামকৃষ্ণ—নারাণ চিঠি পেলে আর তুমি চিঠির জবাব পেলে না?

    অধর—আজ্ঞা, এখনও পাই নাই।

    শ্রীরামকৃষ্ণ—আর মাস্টারকে লিখেছে।

    ঠাকুরের চৈতন্যলীলা দেখিতে যাইবার কথা হইতেছে।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (হাসিতে হাসিতে, ভক্তদের প্রতি)—যদু বলছিল, এক টাকার জায়গা হতে বেশ দেখা যায়—সস্তা।

    “একবার আমাদের পেনেটী নিয়ে যাবার কথা হয়েছিল—যদু আমাদের চলতি নৌকায় চড়তে বলেছিল (Kathamrita)। (সকলের হাস্য)

    “আগে ঈশ্বরের কথা একটু একটু শুনত। একটি ভক্ত ওর কাছে যাতায়াত করত—এখন আর তাকে দেখতে পাই না। কতকগুলি মোসাহেব ওর কাছে সর্বদা থাকে—তারাই আরও গোল করেছে।

    “ভারী হিসাবী—জেতে মাত্রই বলে কত ভাড়া—আমি বলি তোমার আর শুনে কাজ নেই। তুমি আড়াই টাকা দিয়ো—তাইতে চুপ করে থাকে আড়াই টাকাই দেয়।” (সকলের হাস্য)

    ঠাকুরবাড়ির দক্ষিণপ্রান্তে পাইখানা প্রস্তুত হইয়াছে। তাই লইয়া যদু মল্লিকের সহিত বিবাদ চলিতেছে। পাইখানার পাশে যদুর বাগান।

    বাগানের মুহুরী শ্রীযুক্ত ভোলানাথ বিচারপতির কাছে এজাহার দিয়াছেন। এজাহার দেওয়ার পর হইতে তাঁহার বড় ভয় হইয়াছে। তিনি ঠাকুরকে জানাইয়াছিলেন। ঠাকুর বলিয়াছেন—অধর ডেপুটি ম্যাহিস্ট্রেট, সে আসিলে তাঁকে জিজ্ঞাসা করো। শ্রীযুক্ত রাম চক্রবর্তী ভোলানাথকে সঙ্গে করিয়া ঠাকুরের কাছে আনিয়াছেন ও সমস্ত বলিতেছেন (Kathamrita)—‘এর এজাহার দিয়ে ভয় হয়েছে’ ইত্যাদি।

    ঠাকুর চিন্তিতপ্রায় হইয়া উঠিয়া বসিলেন ও অধরকে সব কথা বলিতে বলিলেন। অধর সমস্ত শুনিয়া বলিতেছেন—ও কিছুই না, একটু কষ্ট হবে। ঠাকুরের যেন গুরুতর চিন্তা দূর হইল।

    রাত হইয়াছে। অধর বিদায় গ্রহণ করিবেন, প্রণাম করিলেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (মাস্টারের প্রতি)—নারাণকে এনো।

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    আরও পড়ুনঃ “আবার সেই সমাধি! আবার নিস্পন্দন দেহ, স্তিমিতি লোচন, দেহ স্থির

    আরও পড়ুনঃ দেখিয়াই ঠাকুর উচ্চহাস্য করিয়া ছোকরাদের বলিয়া উঠিলেন, “ওই রে আবার এসেছে”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

  • Darien Gap: এ যেন নরকের দ্বার! জীবনের ঝুঁকি নিয়ে লাখ লাখ মানুষ পার হন ডারিয়েন গ্যাপ, কেন জানেন?

    Darien Gap: এ যেন নরকের দ্বার! জীবনের ঝুঁকি নিয়ে লাখ লাখ মানুষ পার হন ডারিয়েন গ্যাপ, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডারিয়েন গ্যাপ (Darien Gap), একে নরকের দ্বারও বলা যেতে পারে। ফি বছর প্রাণের তোয়াক্কা না করে লাখ লাখ মানুষ পাড়ি জমান এই পথেই। কী কারণে বিপদসঙ্কুল, বিস্তৃত, দুর্ভেদ্য ঘন অরণ্যের মাঝ দিয়ে যেতে চান লাখ লাখ মানুষ? মূলত ভেনেজুয়েলা, গায়ানা, কলম্বিয়া, ব্রাজিলের মতো দক্ষিণ আমেরিকার দেশগুলি থেকে উত্তর আমেরিকার অভিবাসী হওয়ার জন্য জীবন বাজি রেখে এই পথে পানামা পৌঁছতে চায়। পুরোটাই চলে বেআইনি অনুপ্রবেশ।

    ১০৬ কিমির বিস্তৃত এই জঙ্গল (Darien Gap)

    প্রসঙ্গত, কলম্বিয়া-পানামার মাঝে বিপজ্জনক জঙ্গল হল এই ডারিয়েন গ্যাপ। এতটাই ঘন ও দুর্ভেদ্য যে বহু চেষ্টা করেও, ১০৬ কিমি এই জঙ্গল কেটে তৈরি করা সম্ভব হয়নি কোনও রাস্তা। নিস্তব্ধ, জনমানবহীন।অনেকে বলেন, উত্তর আমেরিকার আলাস্কা থেকে কোনও ব্যক্তি যদি গাড়ি চালিয়ে দক্ষিণ আমেরিকার আর্জেন্টিনা যেতে চান, তাহলে সেই যাত্রায় ছেদ টানতে হবে ডারিয়েন গ্যাপের কারণে। জঙ্গলের মধ্যে নেই যানবাহন চলার মতো কোনও রাস্তাই নেই। ভরসা একমাত্র জলপথ। এই অঞ্চলে তুরিয়া নদী ও তার সঙ্গে সংযুক্ত খালগুলিতে ছোট ছোট পিরাগুয়া বোট চলে। এই দুর্গম অঞ্চল পেরোতে সেগুলিই ভরসা।

    মাদক পাচারকারী ও চোরাশিকারিদের ব্যাপক দৌরাত্ম্যও (Darien Gap)

    জঙ্গলে কী না নেই (Darien Gap Migrants)! যেন ঠিক চাঁদের পাহাড় উপন্যাসকেই তুলে ধরেছে ড্যারিয়েন গ্যাপ। বিষাক্ত সাপ, কাঁকড়াবিছে, আগুনে পিঁপড়ে, জাগুয়ার, বন্য শূকর এবং অন্য হিংস্র জীবজন্তু ছাড়াও এই এলাকায় রয়েছে মাদক পাচারকারী ও চোরাশিকারিদের ব্যাপক দৌরাত্ম্যও। এখান দিয়েই চলে মানব পাচার। প্রশাসনের সাধ্য নেই এই অঞ্চলে নজরদারি চালানোর। সঙ্গে রয়েছে তুরিয়া নদীর হড়পা বান, সামান্য বৃষ্টিতেই বনভূমি ভাসিয়ে নিয়ে যায় চোখের পলকে। ভরা বর্ষায় তো হড়পা বান রুটিন হয়ে দাঁড়ায়। এত বিপদের হাতছানি সত্ত্বেও ডারিয়েন গ্যাপ গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল হয়ে উঠেছে (Darien Gap), লাখ লাখ মানুষ পেরতে চান উন্নত জীবন পাওয়ার আশায়।

    কী জানাচ্ছেন ইউনিসিফের কর্তা

    ইউনিসেফের এক শীর্ষ স্থানীয় আধিকারিক টেড চাইবান জানিয়েছেন, ডারিয়েন গ্যাপ শিশুদের চলাচলের জন্য উপযোগী নয়। এই কঠিন ও বিপজ্জনক পথ পাড়ি দিতে গিয়ে অনেক শিশু মারাও গিয়েছে। এমনকি নারীরা এ পথে চলতে চলতে সন্তান প্রসবও করেছেন। পুরনো পরিসংখ্যান বলছে, ২০২৪ সালের প্রথম ছয় মাসেই ১ লক্ষ ১৭ হাজার অভিবাসী দীর্ঘ বিরামহীন যাত্রা পায়ে হেঁটে অতিক্রম করেছে।

  • Sukanta Majumdar: পড়ে রয়েছে কেন্দ্রের টাকা, সড়ক সম্প্রসারণে নিষ্ক্রিয় রাজ্য, অভিযোগ সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: পড়ে রয়েছে কেন্দ্রের টাকা, সড়ক সম্প্রসারণে নিষ্ক্রিয় রাজ্য, অভিযোগ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় বাজেটে (Budget) নাকি পশ্চিমবঙ্গকে বঞ্চনা করা হয়েছে, এমনই অভিযোগ তুলেছিল তৃণমূল। শাসক দলের অভিযোগ যে একেবারেই মিথ্যা তা নিয়েই পালটা প্রচারে নামল বিজেপি। রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় প্রকল্প রূপায়ণে অসহযোগিতার অভিযোগ তুলে সরব হলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। তাঁর অভিযোগ, গাজোল – হিলি জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণের জন্য কেন্দ্র বরাদ্দ করেছিল ১,৩০০ কোটি টাকা। কিন্তু বিগত ২ বছর ধরে ওই টাকা পড়ে থাকলেও কোনও তা নিয়ে মাথা ব্যাথা নেই তৃণমূল সরকারের। রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসকে উন্নয়ন ইস্য়ুতে রাজনীতি না করতেও অনুরোধ করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি।

    ভিডিও বার্তায় কী বলেছিলেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)?

    সম্প্রতি এক ভিডিও বার্তায় সুকান্ত (Sukanta Majumdar) বলেন, ‘‘গাজোল – হিলি ৫১২ নম্বর জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণের জন্য গত ২ বছর ধরে কেন্দ্রীয় বরাদ্দের প্রায় ১,৩০০ কোটি টাকা পড়ে রয়েছে। জমি অধিগ্রহণ বা রাস্তা কোথা দিয়ে যাবে তা চিহ্নিত করতে কোনও তৎপরতা দেখাচ্ছে না রাজ্য সরকার। এই রাস্তা সম্প্রসারিত হলে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার মানুষ ব্যাপক উপকৃত হবেন। আর এই প্রকল্পে রাজ্য সরকারকে এক পয়সাও খরচ করতে হবে না। তৃণমূল নেতাদের প্রতি সুকান্তবাবুর আহ্বান, উন্নয়ন নিয়ে রজনীতি করবেন না। উন্নয়নের থেকে রাজনীতিকে দূরে রাখুন।’’

    গুরুতর অভিযোগে ব্যাকফুটে তৃণমূল

    প্রসঙ্গত, কেন্দ্রীয় বাজেটে পশ্চিমবঙ্গের প্রতি উদ্দেশপ্রণোদিতভাবে বঞ্চনা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল। পালটা গেরুয়া শিবির দাবি করে, কেন্দ্র – রাজ্য সম্পর্কের সৌজন্য বজায় রাখেনি শাসক দল। তখন রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেছিলেন, যারা বিজেপি করলে আবাস যোজনার ঘর দেয় না তারা কী করে কেন্দ্রীয় প্রকল্পের প্রত্যাশা করে? এই আবহেই সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) আরও গুরুতর অভিযোগ তুললেন। এতে বেশ ব্যাকফুটে পড়ে গেল তৃণমূল এমনটাই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। দক্ষিণ দিনাজপুরে জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণে রাজ্য সরকারের নিষ্ক্রিয়তা জনমানসে তৃণমূলের আসল ছবি তুলে ধরবে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।

  • Hamas: পাক জঙ্গিদের সঙ্গে হাত মেলাল হামাস, কাশ্মীরকে অশান্ত করার ছক?

    Hamas: পাক জঙ্গিদের সঙ্গে হাত মেলাল হামাস, কাশ্মীরকে অশান্ত করার ছক?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার পাক জঙ্গিদের সঙ্গে হাত মেলাল প্যালেস্তাইনের জঙ্গি গোষ্ঠী হামাস (Hamas)! বুধবার পাক অধিকৃত কাশ্মীরে (POK) পালিত হয়েছে ‘কাশ্মীর সংহতি দিবস’। সেখানে আয়োজন করা হয়েছিল ভারত-বিরোধী এক জঙ্গি সম্মেলনেরও। অভিযোগ, দেশ-বিদেশের বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠন যোগ দিয়েছিল ওই সম্মেলনে। জানা গিয়েছে, সম্মেলনে জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদ এবং লস্কর-ই-তইবার নেতাদের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন হামাসের প্রবীণ নেতারাও।

    কাশ্মীর সংহতি দিবস (Hamas)

    এদিন রাওয়ালকোটের শহিদ সাবির স্টেডিয়ামে কাশ্মীর সংহতি ও হামাস অপারেশন আল আকসা বন্যা শীর্ষক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সম্মেলনে প্রধান অতিথিদের মধ্যে ছিলেন জইশের প্রধান মাসুদ আজহারের ভাই তালহা সইফ, জইশের কমান্ডার আসগর খান কাশ্মীরি ও মাসুদ ইলিয়াস। লস্করের শীর্ষ স্থানীয় নেতারাও ছিলেন। এই সম্মেলনেই যোগ দিয়েছিলেন ইরানে হামাসের প্রতিনিধি খালিদ আল কাদুমি।

    জইশ এবং লস্কর

    বৈঠকে খালিদ ছাড়াও হামাসের সঙ্গে যুক্ত বেশ কয়েকজন প্যালেস্তাইনি নেতাও উপস্থিত ছিলেন। এই জঙ্গি নেতারা আলাদা করে বৈঠক করেন জমিয়ত উলেমা-ই-ইসলামের প্রধান মওলানা ফজলুর রহমানের সঙ্গেও। ভারতের (Hamas) মাটিতে বেশ কয়েকবার হামলা চালিয়েছে পাকিস্তানের জঙ্গি সংগঠন জইশ এবং লস্করের সদস্যরা। ভারত-বিরোধী এই সব জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে হামাস নেতাদের বৈঠকে ভারতের কপালে চিন্তার ভাঁজ। এই হামাসই অতীতে একাধিকবার কাশ্মীরে মানবাধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছিল। সেই সময় জল্পনা ছড়িয়েছিল, দক্ষিণ এশিয়ার জঙ্গি সংগঠনগুলির সঙ্গে হামাসের যোগসূত্র থাকতে পারে। কাশ্মীর সংহতি দিবসের এই অনুষ্ঠানই ফের উস্কে দিল সেই জল্পনাই।

    কাশ্মীর সংহতি দিবস পালনের সূচনা

    ১৯৯১ সালে কাশ্মীর সংহতি দিবস পালনের সূচনা করেন পাকিস্তানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ। সেই থেকে ফি বছর ৫ ফেব্রুয়ারি দিনটি পালন করে পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিরা। পাকিস্তানের (POK) সব সরকারি প্রতিষ্ঠানেও ছুটি থাকে এদিন। সাম্প্রতিক অতীতে দিনটিকে ভারত বিরোধী প্রচারের কাজে ব্যবহার করছেন পাকিস্তানের রাজনীতির কারবারিরা। প্রতিবারই আপত্তি জানিয়ে আসছে ভারত। ভারতের সেই আপত্তি অগ্রাহ্য করে এবারও কাশ্মীর সংহতি দিবস পালন করেছে পাকিস্তানের সরকার। ভারতের হাতে নিপীড়িত কাশ্মীরবাসীর পাশে থাকার বার্তাও দিয়েছেন সে দেশের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারি এবং প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ (Hamas)।

    ‘আল আকসা ফ্লাড’-এর ব্যানারে সম্মেলন

    গোয়েন্দা সূত্রে খবর, পাক অধিকৃত কাশ্মীরে এবার যে সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছিল, তা করা হয়েছিল ‘আল আকসা ফ্লাড’-এর ব্যানারে। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর এই নামেই ইজরায়েলে অপারেশন চালিয়েছিল হামাস। প্যালেস্তাইনের এই জঙ্গি গোষ্ঠীর হাতে সেদিন প্রাণ হারিয়েছিলেন ৭০০ জন নিরীহ মানুষ। আল আকসা হল জেরুজালেমের এক মসজিদ। এই মসজিদের ওপর নিজেদের কর্তৃত্ব দাবি করেছে একই সঙ্গে মুসলিম ও ইহুদি দু’পক্ষই। হামাসের সঙ্গে ইজরায়েলের যে লড়াই দীর্ঘদিন ধরে চলেছিল তার অন্যতম নেপথ্য কারণ এটিও। ইজরায়েল ইহুদি রাষ্ট্র। আর হামাস মুসলিম। পাক অধিকৃত কাশ্মীরে আল আকসা ফ্লাডের ব্যানারে সম্মেলন হওয়ায় সিঁদুরে মেঘ দেখছে ভারত। কারণ এই নামকে হাতিয়ার করেই মুসলিম ভাবাবেগকে উস্কে দিতে চাইছে জঙ্গি সংগঠনগুলি। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, সেটাকে কাজে লাগিয়েই পাকিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরে ঘাঁটি গাড়ছে বিভিন্ন দেশের জঙ্গি সংগঠনগুলি (Hamas)।

    পাক চেষ্টা ব্যর্থ

    গোয়েন্দা সূত্রে খবর, পাকিস্তান দীর্ঘদিন ধরেই চাইছে জম্মু-কাশ্মীরের ইস্যুকে আন্তর্জাতিক মঞ্চে তুলে ধরতে। যদিও সেই মঞ্চে মিথ্যাচার চালিয়েও বিশেষ সুবিধা করতে পারেনি ইসলামাবাদ। এবার হামাস কমান্ডারকে পাক অধিকৃত কাশ্মীরে নিয়ে এসে পাক (POK) প্রশাসন বিশ্বের দরবারে এই বার্তাই পৌঁছে দিতে চাইছে, প্যালেস্তাইন এবং কাশ্মীরের সমস্যা একই। মধ্য প্রাচ্যে গাজার মতোই কাশ্মীরে চলছে মুসলমানদের ওপর অত্যাচার। কাশ্মীর ইস্যুতে বিশ্বের মুসলমান দেশগুলিকে পাশে পেতে বহু কাঠখড় পুড়িয়েছে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই। তবে বেশিরভাগ মুসলিম দেশই রয়েছে ভারতের সঙ্গে। সৌদি আরব, ইউএই, কাতার এবং কুয়েত তো রাষ্ট্রসংঘে কাশ্মীর ইস্যুতে বরাবর ভারতের পাশেই দাঁড়িয়েছে। পাকিস্তানের পাশে দাঁড়িয়েছে তুরস্ক ও মালয়েশিয়া।

    তিনটি জঙ্গি সংগঠনের মাথারা

    বুধবার পাক অধিকৃত কাশ্মীরে যে সম্মেলন হয়েছে, সেখানে জড়ো হয়েছিলেন তিনটি জঙ্গি সংগঠনের মাথারা। গোয়েন্দাদের আশঙ্কা, এই তিন জঙ্গি সংগঠনকে একত্রিত করে জম্মু-কাশ্মীরে বড়সড় নাশকতার ছক কষছে পাক সেনাবাহিনী এবং পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই। মোদি জমানায় শান্ত হয়েছে ভূস্বর্গ কাশ্মীর। সেই কাশ্মীরেই জেহাদের স্বপ্ন ফেরি করে জঙ্গি গোষ্ঠীগুলি ফের রক্তাক্ত করে তুলতে চাইছে কাশ্মীরকে। সেই কারণেই সীমান্তের ওপারের জঙ্গি ঘাঁটিগুলির ওপর কড়া নজর রাখছে ভারত। সীমান্তে বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা।

    ঘটনাচক্রে, এদিন যখন সম্মেলন চলছিল পাক অধিকৃত কাশ্মীরে, ঠিক তখনই মুজফফরাবাদে একটি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পাক প্রধানমন্ত্রী। ভাষণ শেষে তিনি স্লোগান দেন, ‘কাশ্মীর বনেগা পাকিস্তান’। আরও একধাপ এগিয়ে পাক সেনাপ্রধান আসিম মুনির আহমেদ দাবি করেন, একদিন গোটা কাশ্মীর হবে পাকিস্তানের অংশ (POK)। পাক সেনা কাশ্মীরের স্বাধীনতা লড়াইয়ের সঙ্গেই আছে বলেও জানান তিনি (Hamas)।

  • Bangladesh: মেয়েরা ফুটবল খেলতে পারবে না! বাংলাদেশে কি তালিবানি রাজত্ব চলছে? সরব শেখ হাসিনা

    Bangladesh: মেয়েরা ফুটবল খেলতে পারবে না! বাংলাদেশে কি তালিবানি রাজত্ব চলছে? সরব শেখ হাসিনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে কি তালিবানি রাজত্ব চলছে! খোদ প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্যে উঠে এল সেই আশঙ্কা। বাংলাদেশে (Bangladesh) মেয়েদের খেলার অধিকার নিয়ে সরব হলেন শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina)। বাংলাদেশবাসীর উদ্দেশে এক অডিওবার্তায় সেই প্রশ্ন তুললেন সে দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী। বাংলাদেশে কি মেয়েরা আর খেলতেও পারবে না? এ কোন পথে এগোচ্ছে বাংলাদেশ? -এমন প্রশ্নই তোলেন তিনি। প্রসঙ্গত, গতকাল বুধবার আওয়ামি লিগের সমাজমাধ্যমের পাতা থেকে তাঁর অডিওবার্তা সরাসরি সম্প্রচার করা হয়। হাসিনা বলেন, “আমাদের দেশে মেয়েরা (ফুটবল) খেলতে পারছে না। কেন? মেয়েদের খেলার অধিকার নেই কেন!”

    খুন-ধর্ষণের হুমকি পাচ্ছেন মহিলা ফুটবলাররা

    প্রসঙ্গত, বাংলাদেশে (Bangladesh) মহিলা ফুটবল দলে সম্প্রতি কোচের সঙ্গে কয়েক জন সিনিয়র ফুটবলারের মনোমালিন্য তৈরি হয়। বাংলাদেশি সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, সে দেশের মহিলা ফুটবল দলের ১৮ জন ‘বিদ্রোহ’ ঘোষণা করেছেন কোচ পিটার বাটলারের বিরুদ্ধে। তাঁরা বাটলারকে কোচ হিসেবে চাইছেন না। অনুশীলনও ‘বয়কট’ করেছেন ওই মহিলা ফুটবলাররা। শুধু তাই নয়, বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনকে নিজেদের অবস্থানের কথাও জানিয়ে দিয়েছেন ‘বিদ্রোহী’ ওই ১৮ ফুটবলার। এই আবহে বাংলাদেশি মহিলা ফুটবলারদের হুমকির মুখেও পড়তে হচ্ছে বলে একাধিক অভিযোগ সামনে এসেছে। বাংলাদেশি মহিলা ফুটবলার মাতসুশিমা সুমাইয়া সমাজমাধ্যমে দাবি করেছেন, গত কয়েক দিনে কট্টরপন্থীদের থেকে অসংখ্যবার ধর্ষণ এবং খুনের হুমকি পেয়েছেন তিনি।

    নারী-পুরুষ সমানাধিকারের পক্ষেও সওয়াল

    এদিন নারী-পুরুষ সমানাধিকারের পক্ষেও সওয়াল করেন হাসিনা। তিনি বলেন, “আমাদের সময়ে ক্রিকেট, ফুটবল, হকিতে ছেলে-মেয়ে উভয়েই সুযোগ পেত। আমাদের সময়ে প্রাথমিক স্কুলে মেয়েদের জন্য বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ টুর্নামেন্ট এবং ছেলেদের জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব গোল্ডকাপ টুর্নামেন্ট চালু করা হয়। ছোট্টবেলা থেকেই যাতে তারা খেলতে পারে সেই সুযোগ আমরা করে দিয়েছি।”

    মাতৃজাতিকে অপমান (Bangladesh)

    হাসিনার কথায়, “মায়ের পেটেই সন্তান জন্ম নেয়। সেই মায়ের জাতিকে অবমাননা কেন? খেলাধুলো, সাহিত্য, সংস্কৃতিচর্চা তো সকলের অধিকার। এতে তো নারীপুরুষের ভেদাভেদ থাকতে পারে না। ইসলাম কখনও সে কথা বলে না।” তিনি আরও বলেন, “আজ কী দুর্ভাগ্য আমাদের! মেয়েরা ফুটবল খেলে অনেক দেশে জয়ী হয়ে এসেছে। বাংলাদেশের সুনাম করে এসেছে। আজ আমাদের দেশে তাঁরা খেলতে পারছে না। কেন? মেয়েদের খেলার অধিকার নেই কেন!”

LinkedIn
Share