Tag: Bengali news

Bengali news

  • Mamata Banerjee Slaps Man: মিছিলের উত্তেজনার আবহে বাড়ির সামনে এক ব্যক্তিকে সপাটে চড়, বিতর্কে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

    Mamata Banerjee Slaps Man: মিছিলের উত্তেজনার আবহে বাড়ির সামনে এক ব্যক্তিকে সপাটে চড়, বিতর্কে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বারুইপুরকাণ্ডকে হাতিয়ার করে ঘোলা জলে মাছ ধরতে বুধবার দক্ষিণ কলকাতায় কালীঘাট তৃণমূল কংগ্রেসের (Mamata Banerjee Slaps Man) উদ্যোগে বের হয়েছিল প্রতিবাদ মিছিল। সেই মিছিলকে ঘিরে (Public Event) বালিগঞ্জ ফাঁড়ি থেকে কালীঘাট পর্যন্ত বিভিন্ন জায়গায় উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। অভিযোগ, মিছিল চলাকালীন তৃণমূল এবং বিজেপি সমর্থকদের মধ্যে স্লোগান-পাল্টা স্লোগানকে কেন্দ্র করে পরিস্থিতি ক্রমশ অশান্ত হয়ে ওঠে। দু’পক্ষের মধ্যে ধস্তাধস্তি হয়, সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটে। পরিস্থিতি সামাল দিতে কেন্দ্রীয় বাহিনী লাঠিচার্জ করে বলে অভিযোগ।

    চড় কষালেন মমতা (Mamata Banerjee Slaps Man)

    এই উত্তেজনার আবহেই হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটে নিজের বাড়ির সামনে ভিড় নিয়ন্ত্রণ করতে বাইরে বেরিয়ে আসেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ইঙ্গিতে একাধিকবার তিনি সরে যেতে বলেন উপস্থিত জনতাকে। কিন্তু দলনেত্রীর কথায় কান না দিয়ে জনতা এদিক-ওদিক ঘোরাফেরা করতে থাকেন। স্বাভাবিকভাবেই পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, হ্যান্ডমাইক হাতে নিয়ে তৃণমূল নেত্রী বারবার “বেরো, বেরো” এবং “ডোন্ট ডিস্টার্ব মি” বলতে থাকেন। কিন্তু কাকস্য পরিবেদনা! এর পর আচমকাই মমতা তাঁর সামনে থাকা এক ব্যক্তির গালে সপাটে চড় কষিয়ে দেন। ঘটনাটি সংবাদমাধ্যমের ক্যামেরায় ধরা পড়ে। তৃণমূলেরই একটি অংশের দাবি, যাঁকে দলনেত্রী রামথাপ্পড়টি দিয়েছেন, তিনি কালীঘাট তৃণমূলেরই এক কর্মী।

    বিজেপির প্রতিক্রিয়া

    ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে রাজনৈতিক মহলে (Mamata Banerjee Slaps Man)। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, “ক্ষমতা থেকে চলে যাওয়ার পর মানসিকভাবে বিভ্রান্ত হয়ে গিয়েছেন মমতা। এই সমস্ত আচরণ দুর্ভাগ্যজনক হলেও, তিনি এখন ঠিকই করছেন। তাঁর মানসিক ভারসাম্য নষ্ট হয়ে গিয়েছে। তিনি এখনও মেনে নিতে পারছেন না, বাংলার মানুষ তাঁকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দিয়েছেন।” বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যও কটাক্ষ করেন তৃণমূল নেত্রীকে। বলেন, “উনি রাজনৈতিক নেত্রী। রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। গণতান্ত্রিক দেশ, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা, গণতান্ত্রিক সরকার। সরকার কিছু বন্ধ করছে না, চাপিয়ে দিচ্ছে না, পুলিশের ব্যারিকেড নেই রাস্তায়। হাঁটছেন হাঁটুন। আর উনি তো চিরকাল হাঁটার মধ্যেই ছিলেন! বসে যাবেন কেন? হাঁটুন। শরীরের জন্য, মনের জন্য হাঁটা ভালো। তৃণমূল নির্মূল হয়ে গিয়েছে। এখন তৃণমূলের দরজায় (Public Event) তালা লাগাচ্ছে, মানুষ ওদের মস্তিষ্কেই তালা লাগিয়ে দিয়েছে।” যদিও, তৃণমূলের অভিযোগ, মিছিল চলাকালীন তাদের কর্মী-সমর্থকদের ওপর মাত্রাতিরিক্ত বলপ্রয়োগ করা হয়েছে (Mamata Banerjee Slaps Man)।

     

  • Russia: ভারতীয় ক্রেতাদের জন্য উরাল অপরিশোধিত তেলের দামে বড় ছাড় ঘোষণা রাশিয়ার, কেন জানেন?

    Russia: ভারতীয় ক্রেতাদের জন্য উরাল অপরিশোধিত তেলের দামে বড় ছাড় ঘোষণা রাশিয়ার, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাশিয়ার (Russia) প্রধান রফতানিযোগ্য উরাল অপরিশোধিত তেলের দামে মিলছে উল্লেখযোগ্য ছাড়। বাজার সূত্রের (Urals Crude) দাবি, ভারতীয় ক্রেতাদের জন্য বর্তমানে উরাল অপরিশোধিত তেল ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের তুলনায় প্রতি ব্যারেলে ১০ মার্কিন ডলারেরও বেশি কম দামে প্রস্তাব দেওয়া হচ্ছে। আন্তর্জাতিক বাজারে চাহিদা কমে যাওয়া এবং পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকায় এই মূল্যছাড় আরও বেড়েছে। এর ফলে ভারতীয় তেল শোধনাগারগুলির কাছে রাশিয়ার তেল আরও আকর্ষণীয় হয়ে উঠতে পারে। বস্তুত, রাশিয়ার উরাল পর্বতমালা সংলগ্ন অঞ্চলের খনিতে এই তেল পাওয়া যায় বলে সেই নামেই তেলের নাম।

    মিলছে বেশি ছাড় (Russia)

    বিশেষজ্ঞদের মতে, রাশিয়ার তেলের প্রতি তুলনামূলক দুর্বল চাহিদা এবং বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকায় রফতানিকারীরা বিক্রি ধরে রাখতে বেশি ছাড় দিতে বাধ্য হচ্ছেন। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক অপরিশোধিত তেলের বাজারে অস্থিরতা এবং ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তনও দামের ওপর প্রভাব ফেলছে। এই পরিস্থিতিতে আমদানি-নির্ভর দেশ হিসেবে ভারতের সামনে তুলনামূলক কম দামে অপরিশোধিত তেল কেনার সুবর্ণ সুযোগ তৈরি হয়েছে। তবে শেষ পর্যন্ত কেনার সিদ্ধান্ত নির্ভর করবে পরিবহণ ব্যয়, শোধনাগারের লাভের হার, বিমা, অর্থ দেওয়ার ব্যবস্থা এবং সামগ্রিক বাণিজ্যিক হিসেবের ওপর। গত কয়েক বছরে পশ্চিমী নিষেধাজ্ঞার পর বৈশ্বিক জ্বালানি বাণিজ্যের ছবিটা বদলে যাওয়ায় ভারত রাশিয়ার অন্যতম বৃহৎ তেল আমদানিকারী দেশে পরিণত হয়েছে। তুলনামূলকভাবে কম দামের কারণে ভারতীয় শোধনাগারগুলি নিয়মিতভাবে কিনছে রুশ তেল।

    ভারতের পৌষমাস

    বাজার (Urals Crude) বিশ্লেষকদের মতে, উরাল অপরিশোধিত তেলের বর্তমান মূল্যছাড় ভারতীয় শোধনাগারগুলিকে একাধিক সুবিধা দিতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে কম দামে অপরিশোধিত তেল সংগ্রহ, শোধন প্রক্রিয়ায় লাভের পরিমাণ বৃদ্ধি, বিভিন্ন উৎস থেকে তেল সংগ্রহের ক্ষেত্রে আরও বেশি নমনীয়তা, আমদানি ব্যয় হ্রাস এবং আন্তর্জাতিক বাজারে পরিশোধিত জ্বালানি রফতানিতে প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা। যদিও ভারতীয় সংস্থাগুলি রাশিয়ার তেলের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্য, আফ্রিকা এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন গ্রেডের অপরিশোধিত তেলের সঙ্গেও মূল্য এবং পরিবহণ ব্যয়ের তুলনা করে সিদ্ধান্ত নিচ্ছে (Russia)। আন্তর্জাতিক তেলের বাজারে ব্রেন্টকে মূল্য নির্ধারণের অন্যতম প্রধান মানদণ্ড হিসেবে ধরা হয়। আর, উরাল হল রাশিয়ার প্রধান রফতানি-উপযোগী অপরিশোধিত তেলের মিশ্রণ। এই দুইয়ের মধ্যে মূল্য ব্যবধান যত বাড়ে, ততই উরাল তেল কিনে শোধনাগারগুলির লাভের সম্ভাবনা বাড়ে, বিশেষ করে যখন শোধিত জ্বালানির চাহিদা থাকে স্থিতিশীল।

    ভারতের ডাবল লাভ

    ভারত বর্তমানে রাশিয়া থেকে আমদানি করা অপরিশোধিত তেলের একটি বড় অংশ শোধন করে ডিজেল, পেট্রোল এবং বিমান জ্বালানিতে রূপান্তর করছে। এর একাংশ দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণে ব্যবহৃত হলেও, উল্লেখযোগ্য পরিমাণ রফতানি করা হয় বিদেশেও। ফলে কম দামে রাশিয়ার তেল পাওয়া ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তা এবং (Russia) ব্যয় নিয়ন্ত্রণ—দুই ক্ষেত্রেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, আগামী দিনে উরাল তেলের মূল্যছাড়ের পরিমাণ নির্ভর করবে বৈশ্বিক তেলের চাহিদা, ওপেক প্লাসের উৎপাদন নীতি, ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং অন্যান্য প্রতিযোগী অপরিশোধিত তেলের সরবরাহের ওপর। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে (Urals Crude) রাশিয়ার ছাড়ে তেল ভারতের জ্বালানি আমদানির কৌশলে গুরুত্বপূর্ণ জায়গা ধরে (Russia) রাখবে বলেই ধারণা বিশেষজ্ঞদের।

  • PM Modi Visit: চূড়ান্ত হওয়ার পথে ভারত-অস্ট্রেলিয়া ইউরেনিয়াম সরবরাহ, বিরল খনিজ চুক্তি, মোদির সফরে মিলতে পারে বড় সুখবর

    PM Modi Visit: চূড়ান্ত হওয়ার পথে ভারত-অস্ট্রেলিয়া ইউরেনিয়াম সরবরাহ, বিরল খনিজ চুক্তি, মোদির সফরে মিলতে পারে বড় সুখবর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে বহু প্রতীক্ষিত ইউরেনিয়াম সরবরাহ চুক্তি (Uranium Supply Pact) গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলকে পৌঁছতে পারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi Visit) অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন সফরে। চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হলে ভারতের অসামরিক পরমাণু বিদ্যুৎ কর্মসূচির জন্য অস্ট্রেলিয়া থেকে ইউরেনিয়াম আমদানির দুয়ার খুলে যাবে। এর ফলে দুই দেশের জ্বালানি সহযোগিতা আরও শক্তিশালী হবে এবং ভারতের ক্রমবর্ধমান পরিচ্ছন্ন জ্বালানির চাহিদা পূরণে বড় রকমের সুরাহা হবে। ভারত ও অস্ট্রেলিয়া গত কয়েক বছর ধরে বাণিজ্যিক ইউরেনিয়াম সরবরাহ চুক্তি নিয়ে আলোচনা চালিয়ে আসছে। ২০১৪ সালে দুই দেশের মধ্যে অসামরিক পরমাণু সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হলেও আন্তর্জাতিক পরমাণু অস্ত্র বিস্তাররোধ সংক্রান্ত সুরক্ষা ব্যবস্থার কিছু প্রযুক্তিগত বিষয়ের কারণে বাণিজ্যিকভাবে ইউরেনিয়াম রফতানি শুরু করা সম্ভব হয়নি। সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, সেই জটিলতা এখন অনেকটাই কেটে গিয়েছে।

    কেন গুরুত্বপূর্ণ এই চুক্তি (PM Modi Visit)

    ভারত আগামী কয়েক দশকে বিদ্যুতের চাহিদা মেটাতে এবং কার্বন নিঃসরণ কমাতে দ্রুত পরমাণু বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানোর পরিকল্পনা করেছে। অস্ট্রেলিয়া থেকে আমদানি করা ইউরেনিয়াম শুধুমাত্র ভারতের অসামরিক পরমাণু বিদ্যুৎ প্রকল্পে আন্তর্জাতিক সুরক্ষা বিধি মেনে ব্যবহার করা হবে। এর ফলে একদিকে যেমন পরিচ্ছন্ন বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়বে, তেমনি অন্যদিকে, নির্ভরতা কমবে জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর।মেলবোর্ন সফরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজের বৈঠক হওয়ার কথা। বৈঠকে ইউরেনিয়াম সরবরাহ চুক্তির পাশাপাশি প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, প্রযুক্তি এবং ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা নিয়েও আলোচনা হতে পারে।

    বিদেশমন্ত্রকের বক্তব্য

    ভারতের বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, ইউরেনিয়াম (PM Modi Visit) সরবরাহ চুক্তি নিয়ে দুই দেশের মধ্যে ইতিমধ্যেই একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হয়েছে। বিদেশমন্ত্রকের যুগ্ম সচিব বিশ্বেশ নেগি বলেন, “সাম্প্রতিক আলোচনা ইতিবাচক হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর সফরের সময় এই আলোচনার যৌক্তিক পরিণতি হবে (Uranium Supply Pact) বলেই আমরা আশাবাদী।”

    ভারতের লাভ

    এই চুক্তি কার্যকর হলে ভারতের দ্রুত সম্প্রসারিত পরমাণু বিদ্যুৎ প্রকল্পগুলির জন্য নির্ভরযোগ্য ইউরেনিয়াম সরবরাহ নিশ্চিত হবে। একই সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তা, পরিচ্ছন্ন জ্বালানি উৎপাদন এবং শিল্প, এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) এবং তথ্যকেন্দ্র খাতের বাড়তে থাকা বিদ্যুতের চাহিদা পূরণেও সহায়ক হবে। গত কয়েক বছরে বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা, শিক্ষা এবং গুরুত্বপূর্ণ খনিজের ক্ষেত্রে ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার সম্পর্ক উল্লেখযোগ্যভাবে গভীর হয়েছে। ইউরেনিয়াম সরবরাহ চুক্তি দুই দেশের বিস্তৃত কৌশলগত অংশীদারিত্বকে আরও শক্তিশালী করবে বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের।

    বিরল খনিজ নিয়েও হতে পারে বড় চুক্তি

    প্রধানমন্ত্রীর তিন দিনের সফরে অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে বিরল খনিজ সরবরাহ নিয়েও একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে রেয়ার আর্থ খনিজের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। এই খনিজগুলি সামরিক সরঞ্জাম, বৈদ্যুতিক গাড়ি, বায়ুচালিত বিদ্যুৎ উৎপাদন যন্ত্র, স্মার্টফোন এবং উচ্চ প্রযুক্তির চুম্বক তৈরিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমানে বিশ্বের রেয়ার আর্থ খনিজ উত্তোলনের প্রায় ৬০ শতাংশ এবং প্রক্রিয়াকরণের প্রায় ৯০ শতাংশই চিনের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। রফতানিতে চিনের বিধিনিষেধের ফলে বিকল্প সরবরাহ শৃঙ্খল গড়ে তোলার চেষ্টা করছে বহু (PM Modi Visit) দেশ। ভারত ইতিমধ্যেই প্রায় ৮০ কোটি মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করে উচ্চ প্রযুক্তির চুম্বক উৎপাদন শিল্প গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে। লক্ষ্য, বছরে প্রায় ৬ হাজার টন উৎপাদন ক্ষমতা তৈরি করা (Uranium Supply Pact)। অস্ট্রেলিয়ার রেয়ার আর্থ খনিজ সংস্থার চিফ এক্সিকিউটিভ ট্র্যাভিস বেইঙ্কে বলেন, “আমাদের প্রকল্প থেকে কাঁচামাল সরবরাহের বিষয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ আগ্রহ দেখাচ্ছে। ভারতের পক্ষ থেকেও এমন আগ্রহ প্রকাশ করা হয়েছে।” অন্যদিকে আরাফুরা রেয়ার আর্থ সংস্থার চিফ এক্সিকিউটিভ ড্যারিল কাজুব্বো বলেন, “ভারত তাদের উৎপাদন শিল্পের জন্য কাঁচামাল সরবরাহ নিশ্চিত করতে সক্রিয় পদক্ষেপ নিচ্ছে। ভারত সরকারের উদ্যোগকে আমরা স্বাগত জানাই এবং ভবিষ্যতে আরও বড় ভূমিকা নিতে প্রস্তুত।”

    ২০৪৭ সালের বড় লক্ষ্য

    ভারত বর্তমানে প্রায় ৮ গিগাওয়াট পরমাণু বিদ্যুৎ উৎপাদন করে। ২০৪৭ সালের মধ্যে এই উৎপাদন ১০০ গিগাওয়াটে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করা হয়েছে। এআই এবং তথ্যকেন্দ্র শিল্পের দ্রুত সম্প্রসারণের ফলে আগামিদিনে বিদ্যুতের চাহিদা আরও বাড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে। এদিকে, বিশ্বের মোট পরিচিত ইউরেনিয়াম মজুতের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ অস্ট্রেলিয়ায় থাকলেও, বিভিন্ন রাজ্যে খনন নিষেধাজ্ঞার জেরে দেশটির উৎপাদন সম্ভাবনার তুলনায় কম। বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ার বৃহত্তম ইউরেনিয়াম উৎপাদক হল বিএইচপি, যারা দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়ার অলিম্পিক ড্যাম খনিতে তামার পাশাপাশি ইউরেনিয়ামও উৎপাদন করে (PM Modi Visit)। অস্ট্রেলিয়ার খনিজ পরিষদের সভাপতি টানিয়া কনস্টেবল বলেন, “এই চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার জন্য একটি বড় অগ্রগতি। ভারতের উচ্চাভিলাষী পরমাণু বিদ্যুৎ কর্মসূচিতে আমাদের ইউরেনিয়াম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারবে। এটি প্রমাণ করে যে অস্ট্রেলিয়ার খনিজ সম্পদ ভারতের কাছে (Uranium Supply Pact) কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।” অস্ট্রেলিয়ার খনিজ পরিষদের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে দেশটি ইউরেনিয়াম রফতানি করে রোজগার করেছে প্রায় ১২০ কোটি অস্ট্রেলীয় ডলার (PM Modi Visit)।

     

  • Canadian Police: “নিজ্জর হত্যাকাণ্ডে ভারতের যুক্ত থাকার প্রমান মেলেনি”, জানিয়ে দিল কানাডার পুলিশ

    Canadian Police: “নিজ্জর হত্যাকাণ্ডে ভারতের যুক্ত থাকার প্রমান মেলেনি”, জানিয়ে দিল কানাডার পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষমেশ ভারতের দাবিকেই মান্যতা দিল কানাডা (Canadian Police)। স্বীকার করে নিল ২০২৩ সালে খালিস্তানপন্থী বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা হরদীপ সিং নিজ্জর হত্যাকাণ্ডে (Nijjar Killing) ভারত সরকারের কোনও আধিকারিকের জড়িত থাকার কোনও প্রমাণ এখনও পর্যন্ত তদন্তে মেলেনি। কানাডার রয়্যাল কানাডিয়ান মাউন্টেড পুলিশ (আরসিএমপি) অবশ্য জানিয়েছে, এই ঘটনার তদন্ত এখনও চলছে।

    আরসিএমপির ডেপুটি কমিশনারের বক্তব্য (Canadian Police)

    আরসিএমপির ডেপুটি কমিশনারের বক্তব্য ()আরসিএমপির ডেপুটি কমিশনার কানাডার সংবাদমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আরসিএমপির ডেপুটি কমিশনার লিসা মোরল্যান্ড বলেন, “এই মামলার তদন্তে ভারত সরকারের কোনও কর্তা অভিযুক্ত নন বা তদন্তে তাঁদের জড়িত থাকার কোনও প্রমাণ মেলেনি। অবশ্য, তদন্ত এখনও চলছে। এখনও পর্যন্ত এমন কোনও তথ্য সামনে আসেনি, যা ভারত সরকারকে এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করে।” বস্তুত, কানাডার এই মন্তব্যটি এমন একটি সময়ে এসেছে, যখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র একটি অভিযোগপত্র প্রকাশ করে জানায়, জেলে বন্দি গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোই এবং তাঁর সহযোগী সতিন্দরজিৎ সিং ওরফে গোল্ডি ব্রার নিজ্জর হত্যার ষড়যন্ত্রে জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ।

    অপরাধচক্রকে নিশানা

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে দাখিল হওয়া ফেডেরাল অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, লরেন্স বিষ্ণোই জেল থেকে চোরাই মোবাইল ফোন ব্যবহার করে এই হত্যার পরিকল্পনা ছকেছিলেন। অন্যদিকে, উত্তর আমেরিকায় পুরো ষড়যন্ত্রের সলতে পাকিয়েছিলেন গোল্ডি। অভিযোগ, হত্যাকাণ্ডের আগে নিজ্জরের একাধিক ছবি ও ঠিকানা এক সহযোগীর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল, যাতে পরিকল্পনা সফলভাবে কার্যকর করা যায়। তবে লস অ্যাঞ্জেলেসে আয়োজিত সাংবাদিক বৈঠকে মার্কিন কর্তৃপক্ষের কোনও প্রতিনিধি এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে ভারত সরকারের যুক্ত থাকা কিংবা এই হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে ভারত সরকারের কাছে আগাম কোনও খবর থাকার অভিযোগ তোলেননি (Canadian Police)। আরসিএমপি এই তথ্য প্রকাশ করে “অপারেশন হার্ড বল” নামে একটি যৌথ অভিযানের কথা ঘোষণা করে। জানা গিয়েছে, কানাডা ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ এই তদন্তে লরেন্স বিষ্ণোই, রবিন্দর সিং ধান্দা এবং জগ্গু ভগবানপুরিয়ার নেতৃত্বাধীন বলে অভিযোগ থাকা সংগঠিত অপরাধচক্রকে নিশানা করা হয়েছে।

    তদন্তকারীদের দাবি

    তদন্তকারীদের দাবি, এই অপরাধচক্রগুলির বিরুদ্ধে চাঁদার জুলুম, মাদক পাচার, অপহরণ এবং একাধিক সহিংস অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে নিজ্জর হত্যাকাণ্ডও। উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে কানাডার তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো সংসদে দাবি করেছিলেন, নিজ্জর হত্যার সঙ্গে ভারতীয় সরকারি এজেন্টদের সম্ভাব্য যোগসূত্র নিয়ে ‘বিশ্বাসযোগ্য অভিযোগে’র তদন্ত করছে কানাডা। ভারত সেই অভিযোগ ‘অযৌক্তিক’ বলে খারিজ করে দেয় এবং অভিযোগের পক্ষে প্রমাণ চেয়ে আসছিল। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভারত ও কানাডার কূটনৈতিক সম্পর্কের তীব্র অবনতি হয়। দুই দেশই একে অপরের প্রবীণ কূটনীতিকদের বহিষ্কার করে, কূটনৈতিক কর্মীসংখ্যা কমায়, কিছু সময়ের জন্য ভিসা পরিষেবা (Canadian Police) স্থগিত রাখে এবং বাণিজ্য আলোচনা বন্ধ হয়ে যায়। সম্প্রতি কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির নেতৃত্বে দুই দেশের সম্পর্ক ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হওয়ার ইঙ্গিত মিলছে।

    ‘অপারেশন হার্ড বল’

    এদিকে, ‘অপারেশন হার্ড বলে’র আওতায় সংগঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধচক্রের বিরুদ্ধে বড়সড় অভিযান চালিয়েছে মার্কিন বিচার বিভাগ। তিনটি পৃথক অভিযোগপত্রে মোট ৩৭ জনের বিরুদ্ধে হত্যা, তোলাবাজি, মাদক পাচার এবং অস্ত্র চোরাচালানের অভিযোগ আনা হয়েছে।মার্কিন বিচার বিভাগের দাবি, দীর্ঘদিনের তদন্তের পর ভারতীয় বংশোদ্ভূত সংগঠিত অপরাধচক্রের বিরুদ্ধে এই অভিযান চালানো হয়েছে। আমেরিকা, কানাডা এবং ইউরোপের বিভিন্ন দেশ থেকে ২৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আরও কয়েকজন আগে থেকেই বিভিন্ন মামলায় আটক ছিলেন। অভিযানে প্রায় হাজার কিলোগ্রাম কোকেন, এক কিলোগ্রাম হেরোইন, নগদ ৪০ হাজার ডলার, এবং এক (Nijjar Killing) ডজন আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া, যুক্তরাষ্ট্র, ভারত ও ইউরোপে অবস্থান করছে (Canadian Police) বলে সন্দেহভাজন আরও ১০ জন পলাতকের খোঁজে চলছে।

     

  • PM Modi: “দুই দেশই বৈচিত্র্যকে জাতীয় ঐক্যের মূল শক্তি হিসেবে গ্রহণ করেছে”, ইন্দোনেশিয়ার সংসদে বললেন মোদি

    PM Modi: “দুই দেশই বৈচিত্র্যকে জাতীয় ঐক্যের মূল শক্তি হিসেবে গ্রহণ করেছে”, ইন্দোনেশিয়ার সংসদে বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইন্দোনেশিয়ার সংসদে ভাষণ (Indonesian Parliament Speech) দিয়ে ভারত-ইন্দোনেশিয়া সম্পর্কের ঐতিহাসিক ভিত্তি, স্বাধীনতা সংগ্রামের পারস্পরিক বন্ধন এবং বৈচিত্র্যের মধ্যেই ঐক্যের মূল্যবোধের ওপর জোর দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। মঙ্গলবার ইন্দোনেশিয়ার সংসদে ভাষণ দেওয়া প্রথম ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনি বলেন, “দুই দেশই বৈচিত্র্যকে নিজেদের জাতীয় ঐক্যের মূল শক্তি হিসেবে গ্রহণ করেছে।”

    প্রধানমন্ত্রী মনে করিয়ে দেন, ভারত ও ইন্দোনেশিয়া দীর্ঘ সময় বিদেশি শাসনের অধীনে ছিল, এবং স্বাধীনতাও লাভ করে প্রায় একই সময়ে। তিনি বলেন, ‘‘ইন্দোনেশিয়ার স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্ন যখন আন্তর্জাতিক স্তরে উঠেছিল, তখন ভারত দৃঢ়ভাবে তাদের পাশে দাঁড়িয়েছিল এবং রাষ্ট্রসঙ্ঘে ইন্দোনেশিয়ার পক্ষে সুর চড়িয়েছিল।’’

    প্রধানমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, ১৯৫০ সালে ভারতের প্রথম প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রপতি সুকর্ণ ছিলেন প্রধান অতিথি। ১৯৫৫ সালের বান্দুং সম্মেলনে সুকর্ণ ও জওহরলাল নেহরু স্বাধীন দেশগুলির নিজস্ব সিদ্ধান্ত নেওয়ার সার্বভৌম অধিকারের পক্ষে বিশ্ববাসীর সামনে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা তুলে ধরেছিলেন। ওই সম্মেলনে এশিয়া ও আফ্রিকার ২৯টি নতুন স্বাধীন দেশ অংশ নিয়ে ঔপনিবেশিকতার বিরোধিতা এবং পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তি গড়ে তোলে, যা পরবর্তী কালে (PM Modi) জোট-নিরপেক্ষ আন্দোলনের পথ প্রশস্ত করে।

    মোদি কিংবদন্তি বৈমানিক বিজু পট্টনায়ক এবং তাঁর সহ-পাইলট স্ত্রী জ্ঞানবতী পট্টনায়কের অবদানের কথাও স্মরণ করেন। তিনি জানান, ইন্দোনেশিয়ার স্বাধীনতা ঘোষণার পর ডাচ শাসকদের হুমকি উপেক্ষা করে (PM Modi) তাঁরা ডাকোটা বিমান উড়িয়ে প্রধানমন্ত্রী সুতান সজাহরির ও উপরাষ্ট্রপতি মহম্মদ হাত্তাকে নিরাপদে ভারত নিয়ে এসেছিলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘বিজু পট্টনায়কের সাহস ও দৃঢ়তা আমাদের দুই দেশের সম্পর্ককে আরও (Indonesian Parliament Speech) গভীর ও মজবুত করেছিল।’’

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘গত দু’দশকে ইন্দোনেশিয়ার অর্থনীতি দ্রুত গতিতে এগিয়েছে, এবং এর ফলে লাখ লাখ মানুষ দারিদ্র্য থেকে বেরিয়ে আসতে পেরেছেন। ভারতের গণতান্ত্রিক অভিজ্ঞতাও ঠিক একই বার্তা বহন করে। বর্তমানে ভারত বিশ্বের দ্রুততম বর্ধনশীল বৃহৎ অর্থনীতির দেশ। গত এক দশকে ভারতে ২৫ কোটিরও বেশি মানুষ দারিদ্র্যসীমার ঊর্ধ্বে উঠে এসেছেন।’’ ভারত ও ইন্দোনেশিয়ার উন্নয়নের অভিজ্ঞতার প্রসঙ্গ টেনে তিনি জানান, উন্নয়নের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে দুই দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ।

  • Daily Horoscope 08 July 2026: নতুন সুযোগ আসতে পারে কাজে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 08 July 2026: নতুন সুযোগ আসতে পারে কাজে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ (Aries)

    ১. কাজের চাপ বাড়তে পারে, ধৈর্য ধরো
    ২. টাকার বিষয়ে একটু সতর্ক থাকো
    ৩. পরিবারের সাথে সময় কাটালে মন ভালো থাকবে

    বৃষ (Taurus)

    ১. নতুন সুযোগ আসতে পারে কাজে
    ২. পুরনো বন্ধুদের সাথে যোগাযোগ হবে
    ৩. শরীরের দিকে খেয়াল রাখা দরকার

    মিথুন (Gemini)

    ১. সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় ভালো করে ভাবো
    ২. প্রেমের সম্পর্কে উন্নতি হবে
    ৩. ছোট ভ্রমণের যোগ আছে

    কর্কট (Cancer)

    ১. অফিসে প্রশংসা পেতে পারো
    ২. খরচ একটু বেশি হতে পারে
    ৩. মানসিক চাপ কমানোর চেষ্টা করো

    সিংহ (Leo)

    ১. আত্মবিশ্বাস বাড়বে
    ২. নতুন কাজ শুরু করতে পারো
    ৩. পরিবারের সমর্থন পাবে

    কন্যা (Virgo)

    ১. কাজের ফল ভালো হবে
    ২. স্বাস্থ্য একটু খারাপ হতে পারে
    ৩. কারও সাথে ভুল বোঝাবুঝি হতে পারে

    তুলা (Libra)

    ১. প্রেমে সুখবর আসতে পারে
    ২. ব্যবসায় লাভের সম্ভাবনা
    ৩. নতুন পরিকল্পনা সফল হবে

    বৃশ্চিক (Scorpio)

    ১. হঠাৎ ভালো খবর পেতে পারো
    ২. খরচ নিয়ন্ত্রণে রাখো
    ৩. বন্ধুদের সাহায্য পাবে

    ধনু (Sagittarius)

    ১. ভ্রমণের সুযোগ আসবে
    ২. কাজের চাপ কম থাকবে
    ৩. নতুন কিছু শেখার ইচ্ছা বাড়বে

    মকর (Capricorn)

    ১. দায়িত্ব বাড়তে পারে
    ২. অর্থনৈতিক উন্নতি হবে
    ৩. পরিবারের সাথে মতবিরোধ হতে পারে

    কুম্ভ (Aquarius)

    ১. নতুন সম্পর্ক তৈরি হতে পারে
    ২. কাজে সাফল্য পাবে
    ৩. শরীর ভালো থাকবে

    মীন (Pisces)

    ১. সৃজনশীল কাজে সাফল্য
    ২. প্রেমে একটু সমস্যা হতে পারে
    ৩. আর্থিক অবস্থা স্থিতিশীল থাকবে

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Shyama Prasad Mukherjee In Syllabus: স্কুল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়, এবার বাংলার পাঠ্যসূচিতে জুড়ছেন শ্যামাপ্রসাদ, বড় ঘোষণা শুভেন্দুর

    Shyama Prasad Mukherjee In Syllabus: স্কুল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়, এবার বাংলার পাঠ্যসূচিতে জুড়ছেন শ্যামাপ্রসাদ, বড় ঘোষণা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার থেকে সিলেবাসেও শ্যামাপ্রসাদ! শিক্ষাব্যবস্থায় বড় বদল আনতে চলেছে রাজ্য সরকার। সোমবার ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মজয়ন্তীতে ঐতিহাসিক পরিবর্তনের ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বাংলার পাঠ্যসূচিতে জুড়ছেন শ্যামাপ্রসাদ (Shyama Prasad Mukherjee In Syllabus)।

    স্কুল স্তরের পাঠ্যপুস্তক থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিলেবাস, আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকেই অন্তর্ভুক্ত হতে চলেছেন ‘ভারত কেশরী’ তথা ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় (Shyama Prasad Mukherjee In Syllabus)। এদিন মিত্র ইনস্টিটিউশনে জন্মজয়ন্তীর অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে এমনটাই ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari)।

    সিলেবাসে শ্যামাপ্রসাদের (Shyama Prasad Mukherjee In Syllabus) কোন কোন অধ্যায়?

    এদিন মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানান, বাংলার বর্তমান প্রজন্মকে রাজ্যের সঠিক ইতিহাস এবং ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের অবদান সম্পর্কে বিস্তারিত জানাতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। পাঠ্যবইয়ে মূলত যে বিষয়গুলির উপর জোর দেওয়া হবে-

    • পশ্চিমবঙ্গ সৃষ্টি ও ইতিহাস: ভারতের স্বাধীনতার প্রাক্কালে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য গঠনে তাঁর ঐতিহাসিক ভূমিকা এবং ‘পশ্চিমবঙ্গ দিবস’-এর প্রেক্ষাপট।
    • দেশপ্রেম ও অখণ্ড ভারত: ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের রাষ্ট্রপ্রেম এবং অখণ্ড ভারতের যে রাজনৈতিক ভাবনা, তা শিক্ষার্থীদের পড়ানো হবে।
    • শিক্ষা ক্ষেত্রে অবদান: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাপ্রসারে উপাচার্য হিসেবে তাঁর যে অসামান্য অবদান ও কর্মজীবন, এবার থেকে তাও বিশ্ববিদ্যালয় স্তরে চর্চিত হবে।

    আর কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী?

    শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) আরও বলেন, “ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের অসীম রাষ্ট্রপ্রেম এবং পশ্চিমবঙ্গকে ভারতের মূল স্রোতে ধরে রাখার যে ঐতিহাসিক ভূমিকা, তা বর্তমান প্রজন্মের প্রতিটি শিক্ষার্থীর জানা জরুরি। এবার থেকে স্কুল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়-শিক্ষা ব্যবস্থার প্রতিটি স্তরেই তাঁর এই অবদান আনুষ্ঠানিকভাবে পড়ানো হবে।”

    মিত্র ইনস্টিটিউশনের জন্য অনুদান

    এদিন নিজের বিধানসভা এলাকার অন্তর্গত এবং ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের (Shyama Prasad Mukherjee) স্মৃতিবিজড়িত স্কুল ‘মিত্র ইনস্টিটিউশন’-এর দুর্দশা নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন “অতীতে এই ঐতিহ্যবাহী স্কুলের দিকে কেউ নজর দেয়নি”। এলাকার বিধায়ক তথা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে স্কুলের পরিকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য ২৫ লক্ষ টাকা সরকারি অনুদানেরও ঘোষণা করেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।

    জিরাটে তৈরি হবে কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি

    পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্তির পাশাপাশি ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের (Shyama Prasad Mukherjee) আদি পৈতৃক ভিটে হুগলির জিরাটে একটি আধুনিক ও বৃহৎ লাইব্রেরি (গ্রন্থাগার) তৈরি করার কথাও ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। এর ফলে গবেষক ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা তাঁর জীবন ও আদর্শ নিয়ে আরও বেশি পড়াশোনা করার সুযোগ পাবেন, বলেই মনে করছেন তিনি।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, রাজ্যে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর থেকেই শিক্ষাব্যবস্থা ও সিলেবাসে আমূল পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছিল। শুভেন্দু অধিকারীর এই মেগা ঘোষণার পর এটা স্পষ্ট যে, নতুন সরকার বাংলার জন্ম-ইতিহাস এবং শ্যামাপ্রসাদের অবদানকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে কোমর বেঁধে নেমেছে।

  • Himanta Biswa Sarma: অসমে অসমীয়া-বাঙালি হিন্দু বিভাজন কমানোর দাবি, হিমন্তর বার্তা ঘিরে নয়া সমীকরণ

    Himanta Biswa Sarma: অসমে অসমীয়া-বাঙালি হিন্দু বিভাজন কমানোর দাবি, হিমন্তর বার্তা ঘিরে নয়া সমীকরণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অসমের রাজনীতিতে বহু দশক ধরে অসমীয়া ও বাঙালি সম্প্রদায়ের সম্পর্ক ছিল সংবেদনশীল এবং বিতর্কিত। ভাষা, অভিবাসন, জনসংখ্যার পরিবর্তন, নাগরিকত্ব এবং কর্মসংস্থানকে ঘিরে একাধিক রাজনৈতিক ও সামাজিক সংঘাতের ফলে দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে অবিশ্বাসের বাতাবরণ তৈরি হয়েছিল। তবে মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মার (Himanta Biswa Sarma) নেতৃত্বে সেই সমীকরণে পরিবর্তন এসেছে বলেই দাবি রাজ্যের শাসক শিবিরের। বিশেষ করে বাঙালি হিন্দু উদ্বাস্তু এবং অনুপ্রবেশকারী মুসলিম অভিবাসীদের মধ্যে স্পষ্ট পার্থক্য তুলে ধরার রাজনৈতিক বার্তা এই পরিবর্তনের অন্যতম ভিত্তি হিসেবেই সামনে এসেছে।

    কী বলছে হিমন্তর সরকার (Himanta Biswa Sarma)

    সরকারের বক্তব্য, ধর্মীয় নির্যাতনের কারণে পূর্ব পাকিস্তান বা পরে বাংলাদেশ থেকে ভারতে আশ্রয় নেওয়া হিন্দুদের সঙ্গে অর্থনৈতিক কারণে সীমান্ত পেরিয়ে আসা বেআইনি অভিবাসীদের এক শ্রেণিতে ফেলা উচিত নয়। এই অবস্থানকে সামনে রেখেই গত কয়েক বছরে অসমে নাগরিকত্ব, জাতীয় নাগরিক পঞ্জি এবং নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন নিয়ে রাজনৈতিক প্রচার চালানো হয়েছে। সম্প্রতি একটি জনপ্রিয় সংবাদ মাধ্যমে আইডিয়া এক্সচেঞ্জ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে হিমন্ত সন্দেহভাজন ভোটারদের প্রসঙ্গে বলেন, “এখন বাঙালি হিন্দুদের সংখ্যা এক লাখেরও নীচে নেমে এসেছে। এক সময় এই সংখ্যা ছিল প্রায় সাড়ে চার লাখ। ট্রাইব্যুনাল কাজ করছে, এবং আমি মনে করি খুব শীঘ্রই এই সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।” তিনি এও বলেন, “আমাদের ডিটেনশন ক্যাম্পে একজনও বাঙালি হিন্দু নেই। এটাই সবচেয়ে ভালো খবর। সবার আধার হয়েছে। আগে যেখানে সাড়ে চার লাখের মতো মানুষ ছিলেন, এখন তা এক লাখেরও নীচে নেমে এসেছে। আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিরোধগুলির নিষ্পত্তি করা হচ্ছে।”

    যা বললেন মুখ্যমন্ত্রী

    এই অনুষ্ঠানেই মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “এক সময় হিন্দু ও মুসলিম—দুই সম্প্রদায় মিলিয়ে এই সংখ্যা ছিল ১২ থেকে ১৪ লাখের মধ্যে। বর্তমানে তা কমে ৩.৫৪ লাখ হয়েছে এবং তার মধ্যে বাঙালি হিন্দুর সংখ্যা এক লাখেরও কম। তবে জাতীয় নাগরিক পঞ্জি (nrc) প্রকাশিত হলে প্রথমদিকে আবার কিছু মানুষের নাম বাদ পড়তে পারে। সেই পরিস্থিতিতে বাঙালি হিন্দুরা নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের আওতায় আবেদন করতে পারবেন। বিষয়টি কিছুটা জটিল হলেও, আমরা ধাপে ধাপে এর সমাধান করছি।” রাজ্য সরকারের অবস্থান অনুযায়ী, ধর্মীয় নির্যাতনের শিকার হয়ে প্রতিবেশী দেশ থেকে ভারতে আসা হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, পার্সি ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মানুষের জন্য নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (caa) নাগরিকত্ব পাওয়ার একটি আইনি পথ তৈরি করেছে। সেই কারণেই বাঙালি হিন্দু উদ্বাস্তুদের বিষয়টি বেআইনি অনুপ্রবেশের প্রশ্নের থেকে (Himanta Biswa Sarma) আলাদা করে দেখা উচিত বলেই দাবি সরকারের।

    নয়া রাজনৈতিক সমীকরণ

    এই অবস্থানের পাশাপাশি অসম চুক্তিতে নির্ধারিত ২৪ মার্চ ১৯৭১-কে বেআইনি অনুপ্রবেশ চিহ্নিত করার গুরুত্বপূর্ণ সীমারেখা হিসেবেও বারবার তুলে ধরা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, জাতীয় নাগরিক পঞ্জির প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হওয়ার পরে যাঁরা প্রকৃত অনুপ্রবেশকারী হিসেবে চিহ্নিত হবেন, তাঁদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অন্যদিকে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের ক্ষেত্রে যোগ্য ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে পৃথক আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, এই বার্তার মাধ্যমে অসমীয়া হিন্দু এবং বাঙালি হিন্দুদের মধ্যে দীর্ঘদিনের অবিশ্বাস কমানোর চেষ্টা করছে রাজ্য সরকার। অসমের শাসক দল বিজেপির দাবি, অতীতে বিভিন্ন রাজনৈতিক শক্তি দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে বিভাজনকে ব্যবহার করলেও, বর্তমানে সেই পরিস্থিতিতে পরিবর্তন এসেছে এবং ধর্মীয় পরিচয়কে কেন্দ্র করে তৈরি (Himanta Biswa Sarma) হয়েছে নয়া রাজনৈতিক সমীকরণ।

    গলেছে অসমীয়া-বাঙালি হিন্দু সম্পর্কের বরফ

    এই পরিবর্তনের প্রতিফলন বিভিন্ন জনসভায়ও দেখা গিয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে পদ্ম শিবিরের তরফে। ২০২৫ সালের অগাস্টে শিলচরে হিমন্তর সভায় বিপুল জনসমাগম হয়েছিল। একইভাবে, ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে পশ্চিমবঙ্গে তাঁর একাধিক সভায়ও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মানুষের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গিয়েছে। শাসক শিবিরের মতে, অসমে ভাষাগত বিভাজনের পরিবর্তে হিন্দু সমাজের বৃহত্তর ঐক্যের বার্তাই এখন রাজনৈতিকভাবে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে। তবে নাগরিকত্ব, জাতীয় নাগরিক পঞ্জি এবং নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন নিয়ে দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, মানবাধিকার সংগঠন এবং নাগরিক সমাজের মধ্যে ভিন্নমতও রয়েছে। ফলে এই ইস্যু এখনও জাতীয় রাজনীতিতে বিতর্কের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে (Himanta Biswa Sarma)।

    অনুপ্রবেশকারী ও উদ্বাস্তুদের মধ্যে পার্থক্য

    প্রসঙ্গত, অনেক আগেই হিমন্ত অনুপ্রবেশকারী ও উদ্বাস্তুদের মধ্যে পার্থক্য নিরূপণে সোচ্চার হয়েছিলেন। তিনি জানিয়েছিলেন, হিন্দু বাঙালিরা, যাঁরা নিজেদের ‘ধর্ম’ রক্ষার জন্য পৈতৃক সম্পত্তি এবং শত শত বছরের বংশানুক্রমিক সম্পদ খুইয়েছিলেন, তাঁরা অবশেষে তাঁদের বহু-প্রত্যাশিত স্বীকৃতি পাচ্ছেন। অসমের মুখ্যমন্ত্রী বারবার আশ্বাস দিয়েছিলেন, কোনও হিন্দু বাঙালিকে ‘বিদেশি’ আখ্যা দেওয়া হবে না বা হয়রানির শিকার হতে হবে না। তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছিলেন, “হিন্দু বাঙালিদের বিদেশি হিসেবে সন্দেহ করার কোনও কারণ নেই, কারণ তাঁরা ১৯৭১ সালের আগেই এসেছেন। তাই অসমে সিএএর কোনও প্রাসঙ্গিকতা নেই।” ২০১৯ সালে অসমে যখন জাতীয় এনআরসির ত্রুটিপূর্ণ খসড়া প্রকাশিত হয়, এবং প্রায় ১২ লাখ হিন্দু বাঙালির নাম বাদ পড়ে তালিকা থেকে, তখনই হিমন্ত জানিয়ে দিয়েছিলেন, এই প্রক্রিয়াটি ছিল ‘মৌলিকভাবে ত্রুটিপূর্ণ’। নতুন করে এনআরসি করার ডাকও দিয়েছিলেন অসমের পদ্ম-মুখ্যমন্ত্রী (Himanta Biswa Sarma)।

     

  • Shyama Prasad Mukherjee: নতুন মোড়কে শ্যামাপ্রসাদ জন্মজয়ন্তী, ইকো পার্কে ১২৫ ফুটের মূর্তি, মহাকরণেও বিশেষ শ্রদ্ধা

    Shyama Prasad Mukherjee: নতুন মোড়কে শ্যামাপ্রসাদ জন্মজয়ন্তী, ইকো পার্কে ১২৫ ফুটের মূর্তি, মহাকরণেও বিশেষ শ্রদ্ধা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলায় রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর এবার সম্পূর্ণ নতুন আঙ্গিকে উদযাপিত হলো ডক্টর শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ১২৫ তম জন্মবার্ষিকী (Shyama Prasad Jayanti celebration)। এই প্রথমবার রাজ্যে মহাসমারোহে সরকারি উদ্যোগে পালিত হলো ‘ভারত কেশরী’-র জন্মজয়ন্তী। ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের অবদানকে সাধারণ মানুষের সামনে তুলে ধরতে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে একাধিক নজিরবিহীন পদক্ষেপ।

    মহাকরণে ঐতিহাসিক সূচনা

    রাজ্যের ইতিহাসে এই প্রথমবার প্রশাসনিক ভবন মহাকরণে (রাইটার্স বিল্ডিংস) সরকারি উদ্যোগে ডক্টর শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মদিবস (Shyama Prasad Jayanti celebration) পালন করা হলো। এদিন সরকারি ছুটি থাকা সত্ত্বেও বহু কর্মচারী মহাকরণে এসে তাঁর মূর্তিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন।

    ইকো পার্কে বিশাল মূর্তির শিলান্যাস

    বাংলার ইতিহাসে ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের (Shyama Prasad Mukherjee) অবদানকে এতদিন আড়ালে রাখা হয়েছিল বলে দাবি বর্তমান রাজ্য সরকারের। তাই এই বিশেষ দিনটিতে একাধিক ইতিবাচক পদক্ষেপ নিয়েছে রাজ্য সরকার। তারই অঙ্গ হিসেবে নিউটাউনের ইকো পার্কে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ১২৫ ফুট উঁচু মূর্তি তৈরির সিদ্ধান্ত রাজ্য সরকারের। এদিন কলকাতায় এসে এই মূর্তির শিলান্যাস ও ফলক উন্মোচন করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। সঙ্গে ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও (Suvendu Adhikari)। পাশাপাশি ছিলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যসহ প্রশাসনের শীর্ষ কর্তারা।

    পৈতৃক ভিটে দর্শন ও স্মরণ সভা

    ভবানীপুরে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের (Shyama Prasad Mukherjee) পৈতৃক বাসভবন।  মূর্তির শিলান্যাস ও ফলক উন্মোচনের পর সেখানেও যান কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের প্রতিকৃতিতে মাল্যদানের মধ্য় দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন অমিত শাহ। এরপর সায়েন্স সিটির সংলগ্ন বিশ্ববাংলা মেলা প্রাঙ্গণে আয়োজিত স্মরণ সভাতেও যোগ দেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সভা থেকেই ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের অবদানকে গোটা রাজ্যবাসীর কাছে তুলে ধরেন শাহ।

    নতুন সরকারি ঘোষণা

    এদিন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, “ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের (Shyama Prasad Mukherjee) জন্মদিনে প্রতিবছরই ৬ জুলাই সরকারি ছুটি থাকবে। হুগলির জিরাটে তাঁর আদি পৈতৃক ভিটেতে মিউজিয়াম তৈরি করা হবে এবং সেখানেও একটি নতুন মূর্তিও বসানো হবে”। ইতিমধ্যেই বাড়িটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব অনুধাবন করে ভোল বদলে দেওয়ার কাজে হাত দিয়েছে রাজ্য সরকার।

    রাজনৈতিক মহলের মতে, রাজ্যে নতুন সরকার আসার পর থেকেই বাংলার এই মনিষীকে নিয়ে আবেগ ও চর্চা দুই-ই বেড়েছে। শুধু মুখের কথায় আটকে না থেকে, সরকার যেভাবে দ্রুততার সাথে ১২৫ ফুটের মূর্তির শিলান্যাস করলো, তা প্রশাসনিক তৎপরতারই প্রমাণ দেয়।

  • Baruipur: বারুইপুরকাণ্ডে ‘জিরো টলারেন্স নীতি, অপরাধীদের ক্যাপিটাল পানিশমেন্ট’, সাফ বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

    Baruipur: বারুইপুরকাণ্ডে ‘জিরো টলারেন্স নীতি, অপরাধীদের ক্যাপিটাল পানিশমেন্ট’, সাফ বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “অপরাধীদের ক্যাপিটাল পানিশমেন্ট”- বললেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী

    বারুইপুরের মর্মান্তিক ও নৃশংস নাবালিকা খুনের ঘটনাকে (Baruipur) কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতি তোলপাড়। এই চরম সংবেদনশীল আবহে সোমবার রাজ্য সরকারের কড়া এবং আপসহীন অবস্থান স্পষ্ট করে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। নাবালিকা খুনের ঘটনায় জড়িত অপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে রাজ্য প্রশাসন ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি নিয়ে চলছে বলে স্পষ্ট করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।

    বিশেষ তদন্তকারী দল বা ‘সিট’ গঠন

    এদিন মুখ্যমন্ত্রী জানান, বারুইপুরের এই বর্বরোচিত ঘটনার (Baruipur) গুরুত্ব এবং সংবেদনশীলতা বিচার করে রাজ্য সরকার ইতিমধ্যেই একটি বিশেষ তদন্তকারী দল বা ‘সিট’ (SIT) গঠন করেছে। তদন্ত প্রক্রিয়ায় যাতে কোনও ফাঁকফোকর না থাকে, তার জন্য এই দলের নেতৃত্বে রাখা হয়েছে আইজি (IG) পদমর্যাদার একজন অত্যন্ত দক্ষ ও অভিজ্ঞ শীর্ষ পুলিশ আধিকারিককে। আইজি-র সরাসরি নেতৃত্বে পুলিশ এবং রাজ্য পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স যৌথভাবে দিনরাত কাজ করছে। ঘটনার গভীরে গিয়ে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করাই মূল লক্ষ্য। মন্তব্য মুখ্যমন্ত্রীর।

    তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে তথ্য দিতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান,”পুলিশ প্রশাসন ইতিমধ্যেই অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে পদক্ষেপ করেছে। এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে এখনও পর্যন্ত দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং আরও তিনজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করে ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ চালানো হচ্ছে। শুধু তাই নয়, অপরাধীদের জালে জড়াতে আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যও নেওয়া হচ্ছে। ঘটনার পর পলাতক দুই মূল অভিযুক্তের ফোনে হওয়া পারস্পরিক কথোপকথনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অডিও রেকর্ড বা সিডিআর (CDR) ইতিমধ্যেই পুলিশের হাতে। এই তথ্যপ্রমাণ মামলার গতিপ্রকৃতি নির্ধারণে অত্যন্ত সহায়ক হবে বলে মনে করা হচ্ছে”।

    নির্যাতিতার পরিবারের পাশে সরকার

    তদন্তের পাশাপাশি নির্যাতিতা নাবালিকার পরিবারের প্রতি রাজ্য সরকারের পূর্ণ সমবেদনা ও সমর্থনের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তিনি জানান, ঘটনার পরেই নিজে উদ্যোগী হয়ে নির্যাতিতার বাবার সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ কথা বলেছেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “ওঁনার বাবার সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে কথা বলেছি। তিনি নৃশংসতার বিরুদ্ধে সঠিক ও দ্রুত বিচার চেয়েছেন। একজন অভিভাবক হিসেবে তাঁর এই দাবি অত্যন্ত ন্যায়সঙ্গত। পরিবার যেভাবে জাস্টিস চেয়েছে এবং সরকার ও পুলিশের কাছ থেকে যে যে ধরণের সহযোগিতা প্রত্যাশা করেছে, তার সবটাই তারা পাবেন। এ বিষয়ে সরকার সম্পূর্ণ দায়বদ্ধ।”

    অপরাধীদের শাস্তির বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী অত্যন্ত কঠোর মনোভাব প্রকাশ করেন। তিনি দেশের আইন ব্যবস্থার সর্বোচ্চ সাজার পক্ষে সওয়াল করে বলেন, “এই জঘন্য অপরাধের জন্য প্রথমটার তো বিচার দেবই, দোষীদের ফাঁসি বা ক্যাপিটাল পানিশমেন্ট (Capital Punishment) দেব। কোনও অপরাধী যাতে পার না পায়, তা নিশ্চিত করা হবে।”

    স্থানীয় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ ও হুঁশিয়ারি

    তবে শুধু অপরাধীদের শাস্তিই নয়, ঘটনার পর স্থানীয় পুলিশের ভূমিকা নিয়েও তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করতে দেখা গেছে মুখ্যমন্ত্রীকে। নাবালিকা নিখোঁজ হওয়ার পর স্থানীয় থানায় যে ‘মিসিং ডায়েরি’ বা নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়েছিল, তা নিয়ে পুলিশের তরফ থেকে কোনওরকম গড়িমসি বা গাফিলতি ছিল কি না, তা এবার মুখ্যমন্ত্রী নিজেই খতিয়ে দেখবেন। শুভেন্দু অধিকারী নিজে আগামিকাল বারুইপুরের পুলিশ সুপারের (SP) অফিসে যাচ্ছেন। নিখোঁজ ডায়েরি পাওয়ার পর লোকাল পুলিশের ঠিক কী ভূমিকা ছিল? তারা তৎক্ষণাৎ পদক্ষেপ করেছিল কি না? তার সম্পূর্ণ মূল্যায়ন বা অ্যাসেসমেন্ট করা হবে। বললেন মুখ্যমন্ত্রী।

    রবিবারের তাণ্ডব ও বিরোধীদের কড়া বার্তা

    নাবালিকা খুনের মূল ঘটনার (Baruipur) পাশাপাশি, গত রবিবার বারুইপুর ও সংলগ্ন এলাকায় যে ব্যাপক উত্তেজনা, ভাঙচুর ও আইন অমান্যের ঘটনা ঘটেছে, তা নিয়েও মুখ খোলেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ও সিআরপিএফ (CRPF) জওয়ানদের উপর হামলা চালানো হয়েছে। এই বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে মূল খুনের মামলা ছাড়াও পুলিশ আরও তিনটি পৃথক স্বতঃপ্রণোদিত মামলা দায়ের করেছে। এর মধ্যে গণপিটুনি, সরকারি সম্পত্তি তথা রেললাইনে ভাঙচুর এবং পুলিশের গাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের আহত করার ঘটনা।

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    পুলিশ সূত্রে খবর, শনিবার বিকেল থেকে নিখোঁজ ১২ বছরের এক নাবালিকার দেহ রবিবার ভোরে পাশের পুকুর থেকে উদ্ধার হয়। তাকে যৌন নির্যাতনের পর খুনের অভিযোগে কুলপি রোড ও রেললাইন অবরোধ করে টায়ার জ্বালিয়ে ব্যাপক বিক্ষোভ দেখায় উত্তেজিত জনতা। পুলিশের গাড়িতে ভাঙচুর চলে এবং গণপিটুনিতে এক অভিযুক্তের মৃত্যু হয়।

    মুখ্যমন্ত্রীর (Suvendu Adhikari) এই ধারাবাহিক ও কড়া বার্তার পর এটা অত্যন্ত স্পষ্ট যে, বারুইপুর কাণ্ডকে কেন্দ্র করে রাজ্য প্রশাসন এখন অল-আউট অ্যাকশনে নামছে। একদিকে যেমন নাবালিকা খুনের মূল অপরাধীদের দ্রুত ফাঁসির কাঠে ঝোলানোর জন্য আইনি প্রস্তুতি শুরু হয়েছে, অন্যদিকে ঘটনার দিন যারা আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে এলাকায় অশান্তি পাকানোর চেষ্টা করেছে, তাদের বিরুদ্ধেও সমান্তরালভাবে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এখন দেখার, আইজি-র নেতৃত্বে গঠিত ‘সিট’-এর তদন্তে আগামী দিনে আর কী কী চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে আসে।

LinkedIn
Share