Tag: Bengali news

Bengali news

  • West Bengal Elections 2026: ভোট-ডিউটিতে নিয়োগ চিকিৎসকদেরও, চাকরিহারা শিক্ষকদের বিষয়ে কড়া কমিশন

    West Bengal Elections 2026: ভোট-ডিউটিতে নিয়োগ চিকিৎসকদেরও, চাকরিহারা শিক্ষকদের বিষয়ে কড়া কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে (West Bengal Elections 2026) নির্বিঘ্ন ও সুশৃঙ্খল করতে একগুচ্ছ নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন (Election Commission India)। এবারের নির্বাচনে প্রথাগত ভোটকর্মীদের পাশাপাশি স্বাস্থ্য পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত চিকিৎসকদেরও বিশেষ প্রক্রিয়ায় যুক্ত করার পথে হাঁটছে কমিশন। একইসঙ্গে, আইনি জটিলতায় কর্মচ্যুত শিক্ষকদের ভোটের কাজে ব্যবহার করা নিয়ে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

    চিকিৎসকদের অংশগ্রহণ; এক নতুন উদ্যোগ (West Bengal Elections 2026)

    সাধারণত নির্বাচনের (West Bengal Elections 2026) সময় ভোটকর্মীদের (Election Commission India) স্বাস্থ্য সুরক্ষায় চিকিৎসকরা ‘রিজার্ভ’ থাকেন। তবে এবার বুথ স্তরে এবং আপৎকালীন পরিস্থিতিতে দ্রুত স্বাস্থ্য পরিষেবা নিশ্চিত করতে চিকিৎসকদের সক্রিয় অংশগ্রহণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ফলে কমিশনের এই সিদ্ধান্তকে প্রশাসনিক মহলে ‘নজিরবিহীন’ বলে মনে করা হচ্ছে। এর ফলে ভোট চলাকালীন কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি বা ভোটকর্মীদের অসুস্থতায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে। সোমবার আরামবাগের প্রফুল্ল চন্দ্র সেন সরকারি মেডিক্যাল কলেজ এবং হাসপাতালের ৪৯ জন চিকিৎসককে ভোটের কাজে যোগদানের জন্য চিঠি পাঠায় কমিশন। ইতিমধ্যে অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর-সহ বিভিন্ন বিভাগেরই চিকিৎসকদের ভোটের কাজের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

    চাকরিহারা শিক্ষকদের নিয়ে কমিশনের স্পষ্ট বার্তা

    কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, গত কয়েক বছরে নিয়োগ দুর্নীতি সংক্রান্ত মামলার জেরে রাজ্যে প্রচুর শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মী কর্মচ্যুত হয়েছেন। তাঁদের ভোটের (West Bengal Elections 2026) ডিউটিতে নিয়োগ করা হবে কি না, তা নিয়ে তৈরি হয়েছিল ধোঁয়াশা। এই বিষয়ে কমিশন সাফ জানিয়ে দিয়েছে। তবে আইনি জটিলতায় যাঁদের চাকরি গিয়েছে বা যাঁরা বর্তমানে চাকরিতে বহাল নেই, তাঁদের ভোটের কাজে নেওয়ার কোনও দায়িত্ব কমিশন নেবে না। এবার স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন (Election Commission India) প্রক্রিয়া বজায় রাখতে শুধুমাত্র বর্তমানে কর্মরত এবং যাদের নথিপত্র বৈধ, তাঁদেরই ভোটকর্মী হিসেবে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে।

    প্রশাসনিক তৎপরতা

    নির্বাচন কমিশনের (Election Commission India) এই কড়া অবস্থান আদতে ভোটের ময়দানে কোনও ধরনের বিতর্ক এড়ানোরই কৌশল। বিশেষ করে স্পর্শকাতর বুথগুলোতে অভিজ্ঞ এবং বিতর্কমুক্ত কর্মীদের মোতায়েন করাই এখন কমিশনের প্রধান লক্ষ্য। চিকিৎসক ও আধিকারিকদের নিয়ে দফায় দফায় প্রশিক্ষণ শিবিরও শুরু হতে চলেছে বলে কমিশন জানিয়েছে।

  • Suvendu Adhikari: রামনবমীর শোভাযাত্রায় গেরুয়াময় ভবানীপুর, শুভেন্দুর সঙ্গে পা মেলালেন হাজার হাজার মানুষ

    Suvendu Adhikari: রামনবমীর শোভাযাত্রায় গেরুয়াময় ভবানীপুর, শুভেন্দুর সঙ্গে পা মেলালেন হাজার হাজার মানুষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার, রামনবমীর (Ram Navami) শোভাযাত্রার জেরে গেরুয়াময় কলকাতার ভবানীপুর। এই শোভাযাত্রার পুরোভাগে ছিলেন রাজ্যের বিদায়ী বিরোধী দলনেতা, বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। যদুবাবুর বাজারে অজন্তা ধাবা থেকে শুরু হয় শোভাযাত্রা। সেখানেই দেখা যায়, একেবারে সামনের সারিতে হাঁটছেন গৈরিক পাগড়ি পরা শুভেন্দু। শোভাযাত্রায় ছিল খোল, করতাল, কীর্তনিয়ার কীর্তন এবং জয় শ্রীরাম স্লোগান।

    ভবানীপুরে রামনবমীর শোভাযাত্রা (Suvendu Adhikari)

    শোভাযাত্রা শুরু হতেই দলে দলে লোকজন পা মেলান। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আড়ে-বহরে বাড়তে থাকে শোভাযাত্রার কলেবর। শুভেন্দুকে এক ঝলক দেখতে ভিড় জমে যায় রাস্তার দু’পাশে। বাড়ির দোতলার বারান্দা থেকে ঝুঁকে পড়তেও দেখা গিয়েছে বহু মানুষকে। ভবানীপুরবাসীর এমন উৎসাহ দেখে আপ্লুত হয়ে পড়েন এই কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু। কয়েকটি বাড়িতে ঢুকেও পড়েন তিনি। শোভাযাত্রায় হাঁটতে হাঁটতেই শুভেন্দু বলেন, “বাংলায় এবার রাম রাজ্য প্রতিষ্ঠা হবে। হাতে কাজ, পেটে ভাত, মাথায় ছাদ হবে। মহিলাদের সুরক্ষা নিশ্চিত হবে। যুবক-যুবতীরা কাজ পাবেন এই বাংলায়ই। ভিন রাজ্যে আর কাজের খোঁজে যেতে হবে না তাঁদের।”

    শোভাযাত্রায় হাঁটলেন শুভেন্দু

    এবারের রামনবমীতে বেশ কয়েকটি কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার কথা শুভেন্দুর। তবে তিনি শুরুটা করলেন ভবানীপুর থেকেই (Suvendu Adhikari)। কারণ, এই কেন্দ্রেই বিজেপির বাজি তিনি। ভবানীপুরে তৃণমূলের প্রার্থী ঘাসফুল শিবিরের সর্বময় কর্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাই আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে এই আসনে যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে, তা বলাই বাহুল্য। বর্তমানে প্রচারে বেরিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। অবশ্য কলকাতায় নেই তিনি। বৃহস্পতিবার তাঁর সভা করার কথা পাণ্ডবেশ্বর এবং দুবরাজপুরে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এই ফাঁকেই রামনবমীর শোভাযাত্রার (Ram Navami) সঙ্গে সঙ্গে কৌশলে ভবানীপুরে একপ্রস্ত জনসংযোগ কর্মসূচিও সেরে নিলেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)।

     

  • Akashvani: জাতীয় গান ‘বন্দে মাতরম’-এর ছ’টি স্তবকই সম্প্রচার শুরু করল আকাশবাণী

    Akashvani: জাতীয় গান ‘বন্দে মাতরম’-এর ছ’টি স্তবকই সম্প্রচার শুরু করল আকাশবাণী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, বৃহস্পতিবার থেকে ‘বন্দে মাতরম’-এর (Vande Mataram) পূর্ণ ছয় স্তবক সম্প্রচার শুরু করে দিল আকাশবাণী (Akashvani)। বুধবারই সরকার এ ব্যাপারে জানিয়েছিল। এত দিন দুই স্তবক গাওয়া হত। বন্দে মাতরমের ১৫০ বছর পূর্তিতে নিয়ে আসা হল এহেন গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন।

    ভারতের বৈচিত্র্যময় সঙ্গীত ঐতিহ্য (Akashvani)

    কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, মূল সংস্করণের পাশাপাশি ভারতের বৈচিত্র্যময় সঙ্গীত ঐতিহ্য তুলে ধরতে ছয় স্তবকের সম্পূর্ণ রচনাটি বিভিন্ন আঞ্চলিক শৈলীতেও রেকর্ড করা হচ্ছে। স্বাধীনতার পর থেকে প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী, আকাশবাণী কেন্দ্রগুলি তাদের সকালের সম্প্রচার শুরু করত একটি সিগনেচার সুরের মাধ্যমে।  এরপর প্রায় ৬৫ সেকেন্ডের দুই স্তবকের বন্দে মাতরম পরিবেশন করা হত। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রক এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, “স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের ২৮ জানুয়ারি ২০২৬-এর নির্দেশিকা অনুযায়ী, জাতীয় গানটির ছয় স্তবক সম্বলিত পূর্ণ সংস্করণ ২৬ মার্চ ২০২৬ থেকে আকাশবাণীর সব কেন্দ্র থেকে সম্প্রচার শুরু হবে। নয়া সংস্করণটির সময়কাল ৩ মিনিট ১০ সেকেন্ড।”

    বন্দে মাতরম-এর বিভিন্ন সংস্করণ

    প্রথম যে সংস্করণটি সম্প্রচারিত হবে, সেটি বিশিষ্ট হিন্দুস্তানি শাস্ত্রীয় সঙ্গীতশিল্পী পন্ডিত চন্দ্রশেখর ভেজ পরিবেশন করেছেন। এটি রাগ দেশে গাওয়া হয়েছে বলে জানান আধিকারিকরা। কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছেন, বন্দে মাতরমের বিভিন্ন সংস্করণ আঞ্চলিক বাদ্যযন্ত্র ও সঙ্গীতশৈলী ব্যবহার করে তৈরি করা হচ্ছে। এগুলি বিভিন্ন রাজ্যের আকাশবাণী কেন্দ্র থেকে সম্প্রচার করা হবে, যাতে দেশের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য আরও ভালোভাবে প্রতিফলিত হয় (Vande Mataram)। গত ১১ ফেব্রুয়ারি কেন্দ্রীয় সরকার একটি নতুন ও বিস্তৃত নির্দেশিকা জারি করেছিল। তাতে বন্দে মাতরম পরিবেশনের সরকারি প্রোটোকল নির্ধারণ করা হয়েছে। সরকারি অনুষ্ঠানে কখন এবং কীভাবে এটি পরিবেশন করতে হবে, এবং বিশেষ করে জাতীয় সঙ্গীতের ক্ষেত্রে দর্শকদের আচরণ কেমন হওয়া উচিত, তা-ও উল্লেখ করা হয়েছে (Akashvani)।

    গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের জারি করা এই নয়া নির্দেশিকাগুলির উদ্দেশ্য হল, দেশের সর্বত্র সরকারি এবং অন্যান্য অনুষ্ঠানে বন্দে মাতরম-এর মর্যাদা ও আনুষ্ঠানিক ভূমিকা সুসংহত করা এবং রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান ও প্রাতিষ্ঠানিক সমাবেশে এর গুরুত্ব আরও বাড়ানো। নির্দেশিকা অনুযায়ী, ছয় স্তবক সম্বলিত পূর্ণাঙ্গ সরকারি সংস্করণটির দৈর্ঘ্য প্রায় ৩ মিনিট ১০ সেকেন্ড। এটি বড় কোনও রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে পরিবেশন কিংবা বাজানো হবে। এই অনুষ্ঠানগুলির মধ্যে রয়েছে ত্রিবর্ণ পতাকা উত্তোলন, রাষ্ট্রপতি ও রাজ্যপালদের সরকারি অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিক আগমন ও প্রস্থান, এবং তাঁদের নির্ধারিত ভাষণের আগে ও পরে এই গান পরিবেশন (Akashvani)। একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশে বলা হয়েছে, যদি কোনও অনুষ্ঠানে বন্দে মাতরম এবং জাতীয় সঙ্গীত উভয়ই থাকে, তবে জাতীয় সঙ্গীতের আগে অবশ্যই পরিবেশন করতে হবে বন্দে মাতরম (Vande Mataram)।

     

  • Middle East Crisis: নিশ্চিন্তে পার হতে পারবে ভারত, ৫ ‘বন্ধু’ দেশের জন্য হরমুজ প্রণালী খুলে দিল ইরান

    Middle East Crisis: নিশ্চিন্তে পার হতে পারবে ভারত, ৫ ‘বন্ধু’ দেশের জন্য হরমুজ প্রণালী খুলে দিল ইরান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-সহ পাঁচটি ‘বন্ধু’ দেশের জাহাজ চলাচলে তারা কোনও অবরোধ আরোপ করবে না। মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান সংঘাতের মধ্যেই একথা জানিয়ে দিল ইরান। ভারত ছাড়া রাশিয়া, চিন, পাকিস্তান এবং ইরাকের জাহাজগুলিকেও এই সংঘাতপূর্ণ অথচ গুরুত্বপূর্ণ জলপথ (হরমুজ প্রণালী) দিয়ে নিরাপদে চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

    ইরানের বিদেশমন্ত্রীর ঘোষণা (Middle East Crisis)

    ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, “হরমুজ প্রণালী সম্পূর্ণভাবে বন্ধ নয়। যেসব দেশের সঙ্গে ইরানের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে, তাদের জাহাজ চলাচল অব্যাহত রয়েছে।” তিনি বলেন, “অনেক জাহাজ মালিক বা সংশ্লিষ্ট দেশ আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে নিরাপদে প্রণালী পার হওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে। যেসব দেশকে আমরা বন্ধু মনে করি, অথবা অন্য বিশেষ কারণে যাদের অনুমতি দেওয়া হয়েছে, তাদের জন্য আমাদের সশস্ত্র বাহিনী নিরাপদ পথ নিশ্চিত করেছে।” তিনি এও বলেন, “আপনারা খবরে দেখেছেন চিন, রাশিয়া, পাকিস্তান, ইরাক এবং ভারতের কোনও সমস্যা হয়নি। কয়েক রাত আগে ভারতের দু’টি জাহাজও এই পথ পার হয়েছে। আরও কিছু দেশ, এমনকি আমার মনে হয় বাংলাদেশও, আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। এই প্রক্রিয়া ভবিষ্যতেও চলবে, এমনকি যুদ্ধের পরেও।”

    এই অঞ্চল এখন যুদ্ধক্ষেত্র

    তিনি সাফ জানিয়ে দেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইজরায়েল এবং মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে জড়িত উপসাগরীয় দেশগুলির জাহাজকে এই যুদ্ধবিধ্বস্ত জলপথ দিয়ে চলাচলের অনুমতি দেওয়া হবে না। আরাঘচি বলেন, “আমরা যুদ্ধাবস্থায় আছি। এই অঞ্চল এখন যুদ্ধক্ষেত্র। আমাদের শত্রু ও তাদের মিত্রদের জাহাজ চলাচলের অনুমতি দেওয়ার কোনও কারণই নেই। তবে অন্যদের জন্য এটি খোলা থাকবে।” আরাঘচি বলেন, “প্রায় পাঁচ দশক পরে হরমুজ প্রণালীর ওপর ইরান যে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে পেরেছে, তাতে তিনি সন্তুষ্ট।” তিনি জানান, যখন ইরান আংশিক অবরোধের কথা ঘোষণা করেছিল, তখন অনেকেই সেটিকে বিশ্বাস করেনি এবং এটিকে কেবল ব্লাফ বলে মনে করেছিল। কিন্তু সময়ের সঙ্গে ইরান তাদের ক্ষমতা ও কর্তৃত্ব প্রমাণ করে দিয়েছে। আরাঘচি বলেন, “তারা (আমেরিকা এবং ইজরায়েল) ভেবেছিল ইরানের এত সাহস নেই। কিন্তু আমরা শক্ত হাতে পরিস্থিতির মোকাবিলা করেছি। তারা আমাদের ঠেকাতে সব ধরনের চেষ্টা করেছে, যদিও ব্যর্থ হয়েছে। তারা অন্য দেশগুলির কাছেও সাহায্য চেয়েছে, এমনকি যাদের তারা নিজেরাই শত্রু বলে মনে করে। কিন্তু কেউ সাড়া দেয়নি। কারণ এটি বাস্তবসম্মত নয়।”

    হরমুজ প্রণালী আংশিকভাবে বন্ধ করার ঘোষণার জের

    আমেরিকা ও ইজরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযানের কয়েকদিন পর ইরানের ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কর্পস (IRGC)-এর এক শীর্ষ আধিকারিক হরমুজ প্রণালী আংশিকভাবে বন্ধ করার কথা ঘোষণা করেছিলেন। সংবাদ মাধ্যমের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হরমুজ প্রণালী বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত তেল পরিবহণ পথ। এখান দিয়ে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস পরিবাহিত হয়। তাই এই অবরোধ বৈশ্বিক জ্বালানি সঙ্কট সৃষ্টি করে এবং বিশ্ববাজারে তেল ও গ্যাসের দাম বেড়ে যায়, যার প্রভাব পড়ে বহু দেশের ওপর। সমুদ্রপথের এই বিঘ্ন ভারতের এলপিজি (LPG) সরবরাহেও ঘাটতি সৃষ্টি করেছে। কারণ দেশটি তার মোট এলপিজির প্রায় ৯০ শতাংশ এই প্রণালী দিয়ে আমদানি করে। এর ফলে ছোট রাস্তার বিক্রেতা থেকে শুরু করে রেস্টুরেন্ট মালিক পর্যন্ত বিরাট জনগোষ্ঠী ক্ষতিগ্রস্ত হয়। যদিও পরিস্থিতির উন্নতি ঘটে কয়েক দিনের মধ্যেই, যখন ‘নন্দাদেবী’ ও ‘শিবালিক’-সহ এলপিজি বহনকারী কয়েকটি জাহাজকে হরমুজ প্রণালী পার হওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়। ইতিমধ্যেই জাহাজগুলি ভারতে এসেও গিয়েছে।

     

  • West Bengal Elections 2026: তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিজেপির ‘চার্জশিট’, সংকল্পপত্রের আগে দুর্নীতির খতিয়ান প্রকাশ

    West Bengal Elections 2026: তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিজেপির ‘চার্জশিট’, সংকল্পপত্রের আগে দুর্নীতির খতিয়ান প্রকাশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Elections 2026) রণকৌশলে বড়সড় বদল আনল ভারতীয় জনতা পার্টি। গত কয়েক বছরের রীতি ভেঙে এবার পূর্ণাঙ্গ নির্বাচনী ইস্তাহার বা ‘সংকল্প পত্র’ প্রকাশের আগেই রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে একটি বিশদ ‘চার্জশিট’ বা অভিযোগপত্র জনসমক্ষে আনতে চলেছে গেরুয়া শিবির। আগামী ২৮ মার্চ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের (Amit Shah) হাত ধরে এই পত্র প্রকাশিত হওয়ার কথা। ইতিমধ্যে বিজেপির কর্মী সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গিয়েছে ।

    কৌশলগত পরিবর্তন: কেন আগে চার্জশিট (West Bengal Elections 2026)?

    রাজনৈতিক মহলের মতে, বিজেপি এবার নেতিবাচক প্রচারের চেয়ে তথ্য ভিত্তিক আক্রমণে বেশি জোর দিচ্ছে। সাধারণ মানুষের কাছে উন্নয়নমূলক প্রতিশ্রুতি দেওয়ার আগে, বর্তমান সরকারের ‘ব্যর্থতা’ ও ‘দুর্নীতি’-র খতিয়ান তুলে ধরে একটি ক্ষেত্র তৈরি করতে চাইছে দল।

    আক্রমণের অভিমুখবঞ্চনার খতিয়ান

    গত ১৫ বছরের শাসনকালে নিয়োগ দুর্নীতি, কয়লা ও বালি পাচার এবং রেশনে অনিয়মের মতো বিষয়গুলোকে এই চার্জশিটে আইনি ও প্রশাসনিক নথির আদলে সাজানো হয়েছে।  বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, এই চার্জশিটে নিয়োগ দুর্নীতি থেকে শুরু করে কয়লা, পাথর ও বালি পাচারের মতো গুরুতর অভিযোগগুলি এছাড়াও সরকারি কর্মচারীদের ডিএ (DA) বঞ্চনা এবং রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির মতো বিষয়গুলোকেও অস্ত্র করবে পদ্ম-শিবির।

    কেন্দ্রীয় প্রকল্পের নাম বদল এবং সরকারি কর্মচারীদের বকেয়া ডিএ (DA) না পাওয়ার বিষয়টিও এখানে গুরুত্ব পাচ্ছে। বাড়ি বাড়ি পৌঁছানোর পরিকল্পনাও রয়েছে বিজেপির নেতা- কর্মীদের। বিজেপির এই রণকৌশল কেবল সংবাদ সম্মেলনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকছে না। স্থির হয়েছে কয়েকটি বিষয়কে মাথায় রেখে। তাঁর মধ্যে হল—

    জনসংযোগ

    দলের নিচুতলার কর্মীরা এই চার্জশিটের প্রতিলিপি নিয়ে রাজ্যের প্রতিটি ব্লকে ও বুথে সাধারণ মানুষের দুয়ারে যাবেন। তৃণমূলের গত কয়েক বছরের কাজের খতিয়ানের পাশে বিজেপির ‘ভিশন’ তুলে ধরা হবে।

    সংকল্পপত্র প্রেক্ষাপট

    চার্জশিটের (West Bengal Elections 2026) মাধ্যমে জনমানসে শাসকদলের প্রতি অনাস্থা তৈরির পর, এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে ‘উজ্জ্বল ভবিষ্যতের’ প্রতিশ্রুতি দিয়ে সংকল্পপত্র প্রকাশ করবে বিজেপি। বিজেপি রাজ্য নেতৃত্বের একাংশের দাবি, শাসকদলের দুর্নীতির পর্দা ফাঁস করাই আমাদের প্রথম লক্ষ্য। মানুষ জানুক গত দেড় দশকে তাঁদের অধিকার কীভাবে হরণ করা হয়েছে। অন্যদিকে, তৃণমূল কংগ্রেস ইতিমধ্যে তাদের ইস্তাহার প্রকাশ করে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারসহ একাধিক জনমুখী প্রকল্পের প্রচার শুরু করেছে। পাল্টাপাল্টি এই ইস্তাহার ও চার্জশিটের লড়াইয়ে বাংলার নির্বাচনী পারদ যে আরও চড়বে, তা বলাই বাহুল্য।

  • All Party Meet: ‘পাকিস্তানের মতো দালাল দেশ নয় ভারত’, সর্বদলীয় বৈঠকে সাফ জানাল কেন্দ্র

    All Party Meet: ‘পাকিস্তানের মতো দালাল দেশ নয় ভারত’, সর্বদলীয় বৈঠকে সাফ জানাল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘ভারত কোনওভাবেই পাকিস্তানের মতো দালাল দেশ নয়।’ বুধবার সর্বদলীয় বৈঠকে (All Party Meet) সাফ জানিয়ে দিল কেন্দ্র। পশ্চিম এশিয়ায় যে সংঘাত চলছে, সেখানে পাকিস্তানের কথিত মধ্যস্থতার (Pakistan) প্রসঙ্গে একথা জানিয়ে দেওয়া হয় কেন্দ্রের তরফে। সংসদ ভবনে আয়োজিত এই বৈঠকে পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন আটজন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এবং বিরোধী দলের একাধিক সদস্য। বৈঠক বয়কট করে তৃণমূল।

    বিরোধীদের প্রশ্ন, জয়শঙ্করের উত্তর (All Party Meet)

    বিরোধীদের অভিযোগ ছিল, পাকিস্তান মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে আর ভারত নীরব দর্শক হয়ে রয়েছে। এই প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর বলেন, “১৯৮১ সাল থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানকে ব্যবহার করে আসছে। তাই এই ধরনের মধ্যস্থতা নতুন কিছু নয়।” এর পরেই তিনি বলেন, “আমরা কোনও দালাল রাষ্ট্র নই।” প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে টেলিফোনে আলাপচারিতা নিয়ে বিরোধীদের প্রশ্নের উত্তরে জয়শঙ্কর জানান, প্রধানমন্ত্রী পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ দ্রুত শেষ করার প্রয়োজনীয়তার কথা জানিয়েছেন। কারণ এই সংঘাত সবার পক্ষেই ক্ষতিকর। সিপিআই(এম) সাংসদ জন ব্রিটাসের প্রশ্ন ছিল, “সরকার কি এই সংঘাতে নীরবতাকেই কূটনীতি হিসেবে গ্রহণ করেছে?” জয়শঙ্কর বলেন, “নয়াদিল্লি নীরব নয়, বরং আমরা মন্তব্য করছি এবং প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছি।” সূত্রের খবর, ব্রিটাস উল্লেখ করেন যে কাতার, যেখান থেকে ভারত প্রায় ৪০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল আমদানি করে, তারাও স্বীকার করেছে উৎপাদন স্থিতিশীল করতে তাদের বহু বছর লাগবে (All Party Meet)।

    এনসিপি (এসপি) সাংসদের প্রশ্ন

    এনসিপি (এসপি) সাংসদ সুপ্রিয়া সুলের প্রশ্ন ছিল, “ভারতের সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের সম্পর্কের বিশেষ সুবিধা কী?” উত্তরে জয়শঙ্কর বলেন, “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েল দেশের বৃহত্তম বাণিজ্যিক ও প্রতিরক্ষা অংশীদার। ইরানও আমাদের আচরণে সন্তুষ্ট।” বিরোধীদের অভিযোগ ছিল, ভারত ইরানের সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যুর ঘটনায় দ্রুত শোক প্রকাশ করেনি। কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়, ইরানি দূতাবাস খোলার পরপরই বিদেশসচিব সেখানে গিয়ে শোকপুস্তকে স্বাক্ষর করেছিলেন (Pakistan)। সরকার এও জানায়, উপসাগরীয় অঞ্চলে বসবাসরত প্রবাসী ভারতীয়দের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং দেশের জ্বালানি চাহিদা পূরণ করাই প্রধান লক্ষ্য। এ ক্ষেত্রে সরকার এখন পর্যন্ত সফলই হয়েছে বলেও জানানো হয়েছে (All Party Meet)।

    সংসদে আলোচনার দাবি

    বিরোধীরা অবশ্য সরকারের দেওয়া উত্তরকে “অসন্তোষজনক” বলে অভিহিত করেন। তাঁরা লোকসভা ও রাজ্যসভা—সংসদের উভয় কক্ষেই পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি নিয়ে পূর্ণাঙ্গ আলোচনার দাবি জানান। সরকারকে নিশানা করে কংগ্রেস নেতা তারিক আনোয়ার বলেন, “লোকসভা ও রাজ্যসভায় এই বিষয়ে আলোচনা হওয়া উচিত। বিরোধী দলগুলি সরকারের জবাবে সন্তুষ্ট নয়।” ক্যাবিনেট কমিটি অন সিকিউরিটির অন্তর্ভুক্ত সকল কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্কর এবং অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন এদিনের বৈঠকে সরকারের প্রতিনিধিত্ব করেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডা এবং সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজুও উপস্থিত ছিলেন। বিদেশসচিব বিক্রম মিশ্রি বৈঠকে একটি প্রেজেন্টেশন দেন (All Party Meet)। বৈঠকে উপস্থিত বিরোধী নেতাদের মধ্যে ছিলেন কংগ্রেসের তারিক আনোয়ার ও মুকুল ওয়াসনিক, সমাজবাদী পার্টির ধর্মেন্দ্র যাদব এবং বিজু জনতা দলের সাস্মিত পাত্র প্রমুখ (Pakistan)। তৃণমূলের কোনও প্রতিনিধি সর্বদলীয় বৈঠকে যোগ দেননি।

     

  • West Bengal Assembly Election: সত্যি হল জল্পনাই, পানিহাটিতে বিজেপির বাজি ‘অভয়া’র মা

    West Bengal Assembly Election: সত্যি হল জল্পনাই, পানিহাটিতে বিজেপির বাজি ‘অভয়া’র মা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জল্পনা চলছিলই। শেষমেশ সেই জল্পনাই সত্যি হল বুধ-সন্ধ্যায়। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে (West Bengal Assembly Election) উত্তর ২৪ পরগনার পানিহাটিতে বিজেপির (BJP) প্রার্থী হলেন ‘অভয়া’র মা। আরজি কর হাসপাতালের তরুণী চিকিৎসক ‘অভয়া’কে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছিল ২০২৪ সালে। তারপর এতগুলো বছর কেটে গেলেও, সুবিচার মেলেনি। সেই কারণেই এবার বিজেপির প্রার্থী হচ্ছেন অভয়ার মা।

    বিজেপির প্রার্থী তালিকা (West Bengal Assembly Election)

    ফেরা যাক খবরে। এদিন তৃতীয় দফার প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেছে বিজেপি। এই তালিকায় নাম রয়েছে ১৯ জনের। তাঁর মধ্যে অভয়ার মা-ও একজন। এই কেন্দ্রে বামফ্রন্টের প্রার্থী হয়েছেন সিপিএমের কলতান দাসগুপ্ত। অভয়াকাণ্ডের প্রতিবাদে পথে নেমেছিলেন কলতানও। সেই কলতানের সঙ্গেই দ্বৈরথে নামছেন বিজেপির তরফে অভয়ার মা। প্রসঙ্গত, দিন কয়েক আগে অভয়ার মা নিজেই জানিয়েছিলেন, তিনি বিজেপি প্রার্থী হতে চেয়েছেন। তৃতীয় দফায় বিজেপি যে তালিকা প্রকাশ করেছে, তাতে তাঁর নামও রয়েছে। তিনি বলেন, “এটি পানিহাটির মানুষের জন্য জয়। পানিহাটির মানুষের জন্যই জয়ও হবে। এখানকার মানুষ প্রতিবাদ করতে ভুলে গিয়েছেন (West Bengal Assembly Election)। এখানে স্বাস্থ্য, সুরক্ষা, মানুষের মৌলিক অধিকার – সরকার এসবই কেড়ে নিয়েছে। মহিলা হলেও স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মন্তব্য করেন, মেয়েরা রাতে বাইরে বেরবে কেন? এসব (BJP) নিয়ে প্রশ্ন তুলতে চাই। মহিলারা কেন রাতে বাইরে বেরবেন না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে চাই। মহিলাদের সুরক্ষা দিতে চাই।”

    পানিহাটিতে বিজেপি প্রার্থী অভয়ার মা

    পানিহাটিতে অভয়ার মা এবং কলতান ছাড়াও, লড়াইয়ের ময়দানে রয়েছেন তৃণমূলের তীর্থঙ্কর ঘোষ। তিনি তৃণমূল নেতা নির্মল ঘোষের ছেলে। অভয়ার মা জানান, তিনি মনে করেন বিজেপিই তাঁর মেয়ের বিচার দিতে পারবে। তাই বিজেপির প্রার্থী হয়ে নির্বাচনে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। অভয়ার মা ছাড়াও এদিন আরও ১৮ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছেন পদ্ম-নেতৃত্ব। এঁরা হলেন, দীপাঞ্জন চক্রবর্তী (উত্তরপাড়া), অম্লান ভাদুড়ি (ইংরেজবাজার), রবীন্দ্রনাথ বসু (কোচবিহার দক্ষিণ), দীনেশ সরকার (রায়গঞ্জ), চিত্রজিৎ রায় (ইসলামপুর), হরিপদ বর্মণ (হেমতাবাদ), স্বপন দাস (শান্তিপুর), বিপ্লব মণ্ডল (হাওড়া), অরূপ কুমার দাস (সিঙ্গুর), দীপাঞ্জন কুমার গুহ (চন্দননগর), সুবীর নাগ (চুঁচুড়া), মধুমিতা ঘোষ (হরিপাল), হরেকৃষ্ণ বেরা (তমলুক), শঙ্কর গুছাইত (মেদিনীপুর), প্রাণকৃষ্ণ তপাদার (পূর্বস্থলী দক্ষিণ), কৃষ্ণ ঘোষ (কাটোয়া), কৃষ্ণকান্ত সাহা (সাঁইথিয়া) এবং অনিল সিং (নলহাটি) (West Bengal Assembly Election)।

  • Ramakrishna 609: “তিনি সর্বস্থানে সর্বভূতে আছেন বটে, কিন্তু অবতার না হলে জীবের আকাঙ্খা পুরে না, প্রয়োজন মেটে না”

    Ramakrishna 609: “তিনি সর্বস্থানে সর্বভূতে আছেন বটে, কিন্তু অবতার না হলে জীবের আকাঙ্খা পুরে না, প্রয়োজন মেটে না”

    ৫২ শ্যামপুকুর বাটীতে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    সপ্তদশ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২৫শে অক্টোবর
    বিজয়াদি ভক্তসঙ্গে প্রেমানন্দে

    ঝিঁঝিট—খয়রা কীর্তন 

                     চিদানন্দ সিন্ধুনীরে প্রেমানন্দের লহরী।
    মহাভাব রসলীলা কি মাধুরী মরি মরি
    বিবিধ বিলাস রসপ্রসঙ্গ,                 কত অভিনব ভাবতরঙ্গ,
    ডুবিছে উঠিছে করিছে রঙ্গ,              নবীন নবীন রূপ ধরি,
    (হরি হরি বলে)
    মহাযোগে সমুদয় একাকার হইল,
    দেশ-কাল ব্যবধান ভেদাভেদ ঘুচিল,
    (আশা পুরিল রে, আমার সকল সাধ মিটে গেল!)
    এখন আনন্দে মাতিয়া দুবাহু তুলিয়া, বলরে মন হরি হরি (Kathamrita)।

    ঝাঁপতাল 

    টুটল ভরম ভীতি            ধরম করম নীতি
    দূর ভেল জাতি কুল মান;
    কাঁহা হাম, কাঁহা হরি,     প্রাণমন চুরি করি,
    বঁধূয়া করিলা পয়ান;
    (আমি কেনই বা এলাম গো, প্রেমসিন্ধুতটে),
    ভাবেতে হল ভোর,         অবহিঁ হৃদয় মোর
    নাহি যাত আপনা পসান,
    প্রেমদার কহে হাসি,       শুন সাধু জগবাসী,
    এয়সাহি নূতন বিধান।
    (কিছু ভয় নাই! ভয় নাই!)

    অনেকক্ষণ পরে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ প্রকৃতিস্থ হইলেন (Ramakrishna)।

    ব্রহ্মজ্ঞান ও ‘আশ্চর্য গণিত’—অবতারের প্রয়োজন 

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) মাস্টারের প্রতি— কি একটা হয় আবেশে; এখন লজ্জা হচ্ছে। যেন ভূতে পায়, আমি আর আমি থাকি না।

    “এ-অবস্থার পর গণনা হয় না। গণতে গেলে ১-৭-৮ এইরকম গণনা হয়।”

    নরেন্দ্র — সব এক কিনা!

    শ্রীরামকৃষ্ণ — না, এক দুয়ের পার!

    মহিমাচরণ — আজ্ঞা হাঁ, দ্বৈতাদ্বৈতবিবর্জিতম্‌।

    শ্রীরামকৃষ্ণ — হিসাব পচে যায়! পাণ্ডিত্যের দ্বারা তাঁকে পাওয়া যায় না। তিনি শাস্ত্র, — বেদ, পুরাণ, তন্ত্রের — পার। হাতে একখানা বই যদি দেখি, জ্ঞানী হলেও তাঁকে রাজর্ষি বলে কই। ব্রহ্মর্ষির কোন চিহ্ন থাকে না। শাস্ত্রের কি ব্যবহার জানো? একজন চিঠি লিখেছিল, পাঁচ সের সন্দেশ ও একখানা কাপড় পাঠাইবে (Kathamrita)। যে চিঠি পেলে সে চিঠি পড়ে, পাঁচ সের সন্দেশ ও একখানা কাপড়, এই কথা মনে রেখে চিঠিখানা ফেলে দিলে! আর চিঠির কি দরকার?

    বিজয় — সন্দেশ পাঠানো হয়েছে, বোঝা গেছে!

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Kathamrita)— মানুষদেহ ধারণ করে ঈশ্বর অবতীর্ণ হন। তিনি সর্বস্থানে সর্বভূতে আছেন বটে, কিন্তু অবতার না হলে জীবের আকাঙ্খা পুরে না, প্রয়োজন মেটে না। কিরকম জানো? গরুর যেখানটা ছোঁবে, গরুকে ছোঁয়াই হয় বটে। শিঙটা ছুঁলেও গাইটাকে ছোঁয়া হল, কিন্তু গাইটার বাঁট থেকেই দুধ হয়। (সকলের হাস্য)

    মহিমা — দুধ যদি দরকার হয়, গাইটার শিঙে মুখ দিলে কি হবে? বাঁটে মুখ দিতে হবে। (সকলের হাস্য)

    বিজয় — কিন্তু বাছুর প্রথম প্রথম এদিক-ওদিক ঢুঁ মারে।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (হাসিতে হাসিতে) — আবার কেউ হয়তো বাছুরকে ওইরকম করতে দেখে বাঁটটা ধরিয়ে দেয়। (সকলের হাস্য)

  • US Evangelist Sean Feucht: ভারতে নিপীড়নের শিকার হয়েছেন, দাবি মার্কিন খ্রিস্টান ধর্মপ্রচারকের

    US Evangelist Sean Feucht: ভারতে নিপীড়নের শিকার হয়েছেন, দাবি মার্কিন খ্রিস্টান ধর্মপ্রচারকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে তিনি নিপীড়নের শিকার হয়েছেন। তাই ভারত (India) থেকে তিনি তড়িঘড়ি চলে যেতে বাধ্য হন। অন্তত, এমনই দাবি করেছেন মার্কিন খ্রিস্টান ধর্মপ্রচারক শন ফয়েখ্ট (US Evangelist Sean Feucht)। তাঁর অভিযোগ, ভারতে তাঁর কার্যকলাপ নজরদারির আওতায় ছিল এবং ধর্মীয় রূপান্তর সংক্রান্ত ভিসা নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগও ওঠে। ফয়েখ্ট সম্প্রতি তাঁর স্ত্রীকে নিয়ে ভারতে এসেছিলেন অন্ধ্রপ্রদেশের অনন্তপুর জেলায় “জায়ন সেন্টার” নামে একটি প্রতিষ্ঠানের উদ্বোধনে অংশ নিতে। অনুষ্ঠানটির ছবি ও পোস্ট অনলাইনে ছড়িয়ে পড়ার পর তাঁর কার্যকলাপ নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। এই কেন্দ্রটি একটি সামাজিক ও ধর্মীয় মিলনস্থল হিসেবে পরিচিত। এখানে বড় আকারে প্রার্থনা ও ধর্মপ্রচারমূলক কার্যকলাপ চলছিল বলে খবর।

    পর্যটক ভিসায় ভারতে এসে খ্রিস্টান ধর্ম প্রচার (US Evangelist Sean Feucht)

    বেঙ্গালুরুর ফরেনার্স রিজিওনাল রেজিস্ট্রেশন অফিসে (FRRO) দায়ের করা অভিযোগ অনুযায়ী, ফয়েখ্ট পর্যটক ভিসায় ভারতে এসেছিলেন। যদিও তিনি প্রচার, ধর্মীয় বক্তব্য দান এবং ধর্মান্তর কার্যকলাপে যুক্ত ছিলেন। ভারতীয় ভিসা নিয়ম অনুযায়ী, পর্যটক ভিসায় বিদেশি নাগরিকদের ধর্মান্তর, উপদেশ প্রদান বা মিশনারি কার্যকলাপ চালানোর অনুমতি নেই। কর্তৃপক্ষ এখনও নিশ্চিত করেননি যে, তিনি কোন ধরনের ভিসায় ভারতে এসেছিলেন। আইনজ্ঞরা জানান, মিশনারি ভিসায়ও বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা থাকে এবং সংগঠিত ধর্মান্তর অভিযান বা প্রচার কার্যকলাপের অনুমতি দেওয়া হয় না।

    মার্কিন ধর্মপ্রচারকের দাবি

    বিতর্ক বাড়তে থাকায় ফয়েখ্ট দ্রুত ভারত ছেড়ে চলে যান। তবে যাওয়ার আগে সামাজিক মাধ্যমে তিনি নিজেকে নিপীড়নের শিকার হিসেবে তুলে ধরেন। কয়েকদিন পরেও তিনি সেই একই দাবি জানান। স্ক্রিনশট শেয়ার করে তিনি দাবি করেন, ভারতে খ্রিস্টানরা নিরাপদ নন। সোশ্যাল মিডিয়ায় একাধিক পোস্টে তিনি বলেন, ভারতে খ্রিস্টানদের (US Evangelist Sean Feucht) ওপর ‘নিপীড়ন’ চলছে। এক পোস্টে তিনি দাবি করেন, কঠোর ধর্মান্তরবিরোধী আইন কঠিন শাস্তির কারণ হতে পারে, যার মধ্যে দীর্ঘ কারাদণ্ডও রয়েছে। তিনি আরও জানান, আমেরিকার সরকার ভারতকে নিয়ে খুব সন্তুষ্ট নয়। তাঁর ইঙ্গিত, মার্কিন আইনপ্রণেতারা তাঁর সঙ্গে এই বিষয়ে যোগাযোগ করেছেন। অবশ্য এই ধরনের কূটনৈতিক যোগাযোগের কোনও সরকারি নিশ্চিতকরণ নেই। অনলাইনে শেয়ার করা কিছু স্ক্রিনশটে দেখা গিয়েছে, তিনি ভারতে অবস্থানরত ‘পাস্টরদের’ মতামত তুলে ধরে দাবি করেন, খ্রিস্টানরা স্বাধীনভাবে ধর্ম পালন করতে গিয়ে বাধার সম্মুখীন হচ্ছেন। প্রকাশ্যে শেয়ার করা ব্যক্তিগত বার্তায় তিনি পরিস্থিতিকে “ব্যাপক নিপীড়ন” বলে বর্ণনা করেছেন এবং জনগণের সমর্থন চেয়েছেন।

    ভারতীয় আইন

    প্রসঙ্গত, ভারতীয় আইন স্বেচ্ছায় ধর্মান্তর নিষিদ্ধ করে না, তবে জোরপূর্বক, প্রতারণা বা প্রলোভনের মাধ্যমে ধর্মান্তরকে নিয়ন্ত্রণ করে। বেশ কয়েকটি রাজ্যে ধর্মান্তরবিরোধী আইন রয়েছে, যেখানে “গণধর্মান্তর” বা দুর্বল জনগোষ্ঠীকে সন্দেহজনক পরিস্থিতিতে ধর্মান্তরের জন্য শাস্তির বিধান রয়েছে। পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, ফয়েখ্ট “নিপীড়ন” হিসেবে ঘটনাকে তুলে ধরার মাধ্যমে ভিসা নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগ থেকে দৃষ্টি সরানোর চেষ্টা করছেন এবং আন্তর্জাতিক চাপ তৈরি করতে চাইছেন। তাঁদের মতে, এই ধরনের বর্ণনা প্রশাসনিক নিয়ম প্রয়োগকে মানবাধিকার ইস্যু হিসেবে তুলে ধরে, যার (India) ফলে নজরদারি ছাড়াই মিশনারি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হতে পারে (US Evangelist Sean Feucht)।

     

  • Nitin Nabin: ‘‘রাজ্যে দুর্নীতির অবসান হোক’’, দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে পুজো নিতিন নবীনের

    Nitin Nabin: ‘‘রাজ্যে দুর্নীতির অবসান হোক’’, দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে পুজো নিতিন নবীনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনী আবহে রাজ্যে এসে দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে আশীর্বাদ প্রার্থনা করলেন ভারতীয় জনতা পার্টির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন (Nitin Nabin)। বুধবার সকালে তিনি সস্ত্রীক দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে উপস্থিত হয়ে মা ভবতারিণীর চরণে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন। বঙ্গের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal Elections 2026) এবং বিজেপির ক্ষমতা আসার জন্য মা কালীর কাছে প্রার্থনা করেন। ভক্তি ও প্রার্থনা করতে দক্ষিণেশ্বরের কালী মন্দিরে পুজো দিয়ে রাজ্যবাসীর মঙ্গল কামনা করলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি। রাজনৈতিক কর্মসূচির ব্যস্ততার মাঝেও এদিন সকালে মন্দিরে যান নিতিন নবীন। নিষ্ঠার সাথে পুজো দেওয়ার পাশাপাশি তিনি মন্দির চত্বর ঘুরে দেখেন।

    রাজনৈতিক তাৎপর্য

    পুজো শেষে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে নিতিন নবীন (Nitin Nabin) বলেন, “বাংলার মানুষের সুখ, সমৃদ্ধি এবং রাজ্যের মঙ্গল কামনায় আমি মায়ের কাছে প্রার্থনা করেছি। রাজ্যে দুর্নীতির অবসান হোক। পশ্চিমবঙ্গকে সোনার বাংলা ও বিকশিত বাংলা তৈরি করার জন্য আশীর্বাদ মায়ের কাছে চেয়েছি। যে বাংলাকে তার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের জন্য প্রসিদ্ধ, যে পশ্চিমবঙ্গ সাংস্কৃতিকভাবে ভারতকে ঐক্যবদ্ধ করে, সেই সংস্কৃতি এখন আঘাতপ্রাপ্ত হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গে আদালতের অনুমতি ছাড়া পুজো করা সম্ভব হয় না।” ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনকে (West Bengal Elections 2026) সামনে রেখে তাঁর এই সফর রাজনৈতিকভাবেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    একাধিক বৈঠক ও কর্মসূচি

    দক্ষিণেশ্বরে পুজো দেওয়ার পর নিতিন নবীন (Nitin Nabin) দলের রাজ্য নেতৃত্বের সঙ্গে আরও একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে অংশ নিয়েছেন। নির্বাচনী রণকৌশল নির্ধারণ এবং উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের সাংগঠনিক পরিস্থিতি পর্যালোচনাই তাঁর এই সফরের মূল লক্ষ্য। ভোটমুখী বাংলায় কেন্দ্রীয় নেতাদের এই মন্দির দর্শন এবং জনসংযোগের প্রচেষ্টা রাজনৈতিক মহলে বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। ভক্তি আর রাজনীতির (West Bengal Elections 2026) এই মেলবন্ধন কর্মীদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা তৈরি করবে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ। এদিন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, সাধারণ সম্পাদক লকেট চট্টোপাধ্যায়কে নিতিন নবীনের সঙ্গে দেখা গিয়েছে দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে।

LinkedIn
Share