Tag: Bengali news

Bengali news

  • PM Modi: মোদি-যোগীর হাতে উদ্বোধন নয়ডা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের, বিমান চলাচলে নয়া দিগন্তের সূচনা

    PM Modi: মোদি-যোগীর হাতে উদ্বোধন নয়ডা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের, বিমান চলাচলে নয়া দিগন্তের সূচনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের পরিকাঠামো উন্নয়নে এক ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী রইল দেশ। রবিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) এবং উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের হাতে উদ্বোধন হল ‘নয়ডা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর’ (Noida International Airport) বা জেওয়ার বিমানবন্দরের। এই প্রকল্পটি শুধুমাত্র উত্তরপ্রদেশ নয়, বরং গোটা ভারতের বিমান চলাচল ও অর্থনৈতিক মানচিত্রে এক আমূল পরিবর্তন আনতে চলেছে।

    এশিয়ার বৃহত্তম বিমানবন্দর (PM Modi)

    জেওয়ারে নির্মিত এই বিমানবন্দরটি (Noida International Airport) সম্পন্ন হওয়ার পর এটি ভারতের তো বটেই, এমনকি এশিয়ার বৃহত্তম এবং বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম বিমানবন্দর হতে চলেছে। আধুনিক প্রযুক্তিতে সমৃদ্ধ এই বিমানবন্দরটি উত্তর ভারতের ‘লজিস্টিক গেটওয়ে’ হিসেবে কাজ করবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “জেওয়ার বিমানবন্দর কেবল যাতায়াতের মাধ্যম নয়, এটি উত্তর ভারতের উন্নয়নের নতুন ইঞ্জিন হয়ে উঠবে।”

    উত্তরপ্রদেশের রূপান্তর ও যোগী মডেল

    মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের নেতৃত্বে উত্তরপ্রদেশ যে ‘উত্তম প্রদেশ’ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করছে, এই প্রকল্প তারই এক বড় প্রমাণ। মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ বলেন, “এই বিমানবন্দরটি (Noida International Airport) আগামী দিনে লাখ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান তৈরি করবে এবং পশ্চিম উত্তরপ্রদেশের শিল্পায়নে জোয়ার আনবে।” তিনি একে প্রধানমন্ত্রী মোদির (PM Modi) ‘গতি শক্তি’ প্রকল্পের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে উল্লেখ করেন।

    ভারতের বিমান চলাচলের ভবিষ্যৎ

    বিশেষজ্ঞদের মতে, জেওয়ার বিমানবন্দর (Noida International Airport) দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের চাপ অনেকটাই কমিয়ে দেবে। এটি দিল্লি-এনসিআর অঞ্চলের মানুষের জন্য দ্বিতীয় একটি বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এছাড়া আর যে সব সুবিধা মিলবে, সেগুলি হল, কানেক্টিভিটি: জেওয়ার বিমানবন্দর সরাসরি যমুনা এক্সপ্রেসওয়ে এবং দিল্লি-বারাণসী হাই স্পিড রেলের (বুলেট ট্রেন) সঙ্গে যুক্ত হবে।

    অর্থনৈতিক প্রভাব: বিমানবন্দরের (Noida International Airport) আশপাশে ফিল্ম সিটি, মেডিকেল ডিভাইস পার্ক এবং ডেটা সেন্টার তৈরির কাজ চলছে, যা এই অঞ্চলকে একটি বিশ্বমানের অর্থনৈতিক কেন্দ্রে পরিণত করবে।

    নেট জিরো এমিসন: এই বিমানবন্দরটি পরিবেশবান্ধব উপায়ে তৈরি করা হয়েছে এবং এটি ভারতের প্রথম ‘নেট জিরো’ কার্বন নির্গমনকারী বিমানবন্দর হওয়ার পথে।

    বিরোধীদের তোপ ও উন্নয়নের জবাব

    উত্তরপ্রদেশে বিগতদিনের কংরেস-সপা-বসপা সরকারের সমালোচনা করে বিজেপি নেতৃত্ব জানিয়েছেন, জেওয়ার প্রকল্পের পরিকল্পনা বহু দশক আগে হলেও ইচ্ছাশক্তির অভাবে তা বাস্তবায়িত হয়নি। প্রধানমন্ত্রী মোদী ও মুখ্যমন্ত্রী যোগীর ডবল ইঞ্জিন সরকারের আমলেই এই স্বপ্ন সত্যি হল।

  • RSS: ধর্মশালায় ধর্ম সম্মেলনে যোগ আরএসএস কর্তা এবং তিব্বতি ধর্মীয় নেতার

    RSS: ধর্মশালায় ধর্ম সম্মেলনে যোগ আরএসএস কর্তা এবং তিব্বতি ধর্মীয় নেতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরএসএস (RSS)-এর শতবর্ষ পূর্তি এবং দলাই লামার ৯০তম জন্মদিন উপলক্ষে ধর্মশালায় আয়োজিত ‘ধর্ম সম্মেলন’-এ অংশ নিলেন আরএসএসের সাধারণ সম্পাদক দত্তাত্রেয় হোসাবলে (Dattatreya Hosabale)। রবিবারের এই সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তিব্বতি আধ্যাত্মিক গুরু সপ্তম লিং রিনপোচে।

    সম্মেলনের মূল বক্তব্য (Dattatreya Hosabale)

    ধর্মশালা সফরের প্রথম দিনেই দত্তাত্রেয় হোসাবলে দলাই লামার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এরপর তিনি তিব্বতি পার্লামেন্ট পরিদর্শন করেন এবং সেখানে তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানানো হয়। কোতওয়ালি বাজারের কমিউনিটি হলে ‘দেবভূমি মৈত্রী সংঘ’ আয়োজিত ধর্ম সম্মেলনে ভাষণ দিতে গিয়ে হোসাবলে (Dattatreya Hosabale) বলেন, “গৌতম বুদ্ধ শিখিয়েছিলেন এষ ধর্মঃ সনাতনঃ (Eshah Dharmah Sanatanah)। এর অর্থ হল, সনাতন ধর্মের শেকড় প্রকৃতির গভীরে প্রোথিত এবং মানবসেবাই প্রকৃত ধর্ম। করুণা, তপস্যা এবং আত্মত্যাগই হল ধর্মের পথ।”

    হোসবলে জানান, ইতিহাসজুড়ে মহান ব্যক্তিরা ধর্ম রক্ষা ও প্রতিষ্ঠার জন্য জীবন উৎসর্গ করেছেন। তিনি গুরু তেগ বাহাদুরের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করিয়ে দেন এবং জানিয়ে দেন, বর্তমানে দলাই লামাই বিশ্বজুড়ে শান্তির সেই বার্তাই ছড়িয়ে দিচ্ছেন।

    সপ্তম লিং রিনপোচের প্রশংসা

    অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি লিং রিনপোচে দেশ ও বিশ্বজুড়ে একতা, সম্প্রীতি এবং সদিচ্ছা প্রচারের জন্য আরএসএস-এর (RSS) কাজের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, “পরিবেশ রক্ষা, অহিংসা এবং বিশ্ব শান্তির জন্য প্রত্যেকের কাজ করা প্রয়োজন। ভারত বিশ্বকে সঠিক পথ দেখিয়ে এই লক্ষ্যে নেতৃত্ব দিচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।”

    অংশগ্রহণকারী

    এই সম্মেলনে কিন্নর, লাহুল, স্পিতি এবং কাংড়া জেলা-সহ বিভিন্ন অঞ্চলের শত শত বৌদ্ধ সাধু সন্ত এবং  অনুসারীরা অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রান্তের সংঘচালক বীর সিং রাংরা, ক্ষেত্র কার্যবাহ রোশন যাদব, ক্ষেত্র প্রচারক যতীন এবং কিসমত কুমার প্রমুখ।

  • Donald Trump: ইরান যুদ্ধ ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের নীতির প্রতিবাদে উত্তাল বিশ্ব, আমেরিকা-ইউরোপে ‘নো কিংস’ বিক্ষোভ

    Donald Trump: ইরান যুদ্ধ ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের নীতির প্রতিবাদে উত্তাল বিশ্ব, আমেরিকা-ইউরোপে ‘নো কিংস’ বিক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের (Donald Trump) কট্টরপন্থী নীতি এবং ইরানের সঙ্গে ক্রমবর্ধমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রতিবাদে রাজপথে নেমেছেন লাখ লাখ মানুষ। শনিবার আমেরিকা ও ইউরোপের বিভিন্ন শহরে ‘নো কিংস’ (No Kings) ব্যানারে বিশাল বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হয়। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, ট্রাম্প প্রশাসন গণতান্ত্রিক রীতিনীতি উপেক্ষা করে স্বৈরাচারী মনোভাব প্রদর্শন করছে। আমেরিকার ৫০টি রাজ্যেই ৩,১০০টিরও বেশি বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

    বিক্ষোভের মূল কারণ (Donald Trump)

    সূত্রের খবর, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান (Iran War) এবং মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রতিবাদে এই জনরোষ তৈরি হয়েছে। ব্রুস স্প্রিংস্টিন “স্ট্রিটস অফ মিনিয়াপোলিস” গানকে বিক্ষোভের ভাষা হিসেবে ব্যবহার করেন। নিউ ইয়র্ক থেকে শুরু করে আইডাহোর ছোট শহর ড্রিস— সর্বত্রই মানুষ প্ল্যাকার্ড হাতে বিক্ষোভে অংশ নেন। ওয়াশিংটন, বোস্টন, আটলান্টা, শিকাগো এবং লস অ্যাঞ্জেলেসের মতো প্রধান শহরগুলিতেও মিছিল হয়েছে। বিক্ষোভকারীদের হাতে থাকা পোস্টারে ‘গণতন্ত্র রক্ষা করো’ এবং ‘ফ্যাসিবাদ প্রতিরোধ করো’র মতো স্লোগান লেখা দেখা যায়।

    ট্রাম্পের প্রতিক্রিয়া

    বিক্ষোভের মধ্যেই প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) ফ্লোরিডার মার-এ-লাগো-তে সময় কাটাচ্ছিলেন। বিক্ষোভের প্রতিক্রিয়ায় তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এআই (AI) দ্বারা তৈরি কিছু ভিডিও পোস্ট করেন, যেখানে তাঁকে রাজমুকুট পরিহিত অবস্থায় দেখা গিয়েছে। ট্রাম্প অবশ্য বলেন, আমি কোনও ‘রাজা’ নই, তবুও এই ভিডিওগুলো নিয়ে নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। বিরোধী ডেমোক্র্যাট নেত্রী ন্যান্সি পেলোসি এবং অন্যরা এই আচরণের তীব্র সমালোচনা করেছেন।

    হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র অ্যাবিগেল জ্যাকসন এগুলিকে “বামপন্থী অর্থায়নকারী নেটওয়ার্কের” ফসল বলে সমালোচনা করেছেন। এর প্রতি প্রকৃত জনসমর্থন খুবই কম। তিনি আরও বলেন, “ট্রাম্প (Donald Trump) ডিরেঞ্জমেন্ট থেরাপি সেশনগুলি নিয়েই শুধু মাথা ঘামায়। এই কাজের জন্য প্রচুর পরিমাণে অর্থ খরচ করা হয়।

    আন্তর্জাতিক প্রভাব

    কেবল আমেরিকাই নয়, ইউরোপের বিভিন্ন দেশেও এই প্রতিবাদের ঢেউ আছড়ে পড়েছে। ডেনমার্ক এবং গ্রিনল্যান্ডেও ট্রাম্পের নীতির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের (Iran War) সঙ্গে যুদ্ধের কারণে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি এবং জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে।

    উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে ফের ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প (Donald Trump)  প্রশাসনের বিরুদ্ধে এটিই সবচেয়ে বড় জনবিক্ষোভ বলে মনে করা হচ্ছে। বিক্ষোভকারীরা স্পষ্ট জানিয়েছেন, তাঁরা যুদ্ধের অবসান চান। চান সংবিধানে বর্ণিত জনগণের অধিকারের সুরক্ষা।

  • Jimmy wales: ফের বিতর্কের কেন্দ্রে উইকিপিডিয়া, জানুন আসল কারণ

    Jimmy wales: ফের বিতর্কের কেন্দ্রে উইকিপিডিয়া, জানুন আসল কারণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের বিতর্কের কেন্দ্রে উইকিপিডিয়া। দীর্ঘদিনের অভিযোগ, ভারতবিরোধী ও হিন্দুবিরোধী সম্পাদকরা পক্ষপাতদুষ্ট তথ্য ছড়িয়ে দিতে প্ল্যাটফর্মটি ব্যবহার করেন। এই বিতর্কের মূল কারণ সম্পাদকদের পক্ষপাতিত্ব (Jimmy wales)। ব্লকবাস্টার চলচ্চিত্র ধুরন্ধর  (Dhurandhar)এবং তার আরও সফল ২০২৬ সালের সিক্যুয়েল ধুরন্ধর: দ্য রিভেঞ্জের উইকিপিডিয়া পাতায় সম্পাদনা-যুদ্ধ চলাকালীন, উইকিপিডিয়ার সহ-প্রতিষ্ঠাতা জিমি ওয়েলস স্বয়ং হস্তক্ষেপ করেন।

    “কৌটিল্য ৩” (Jimmy wales)

    তিনি “কৌটিল্য ৩” নামে এক সম্পাদকের সেই প্রচেষ্টাকে প্রত্যাখ্যান করেন, যেখানে সিনেমাটিকে প্রবন্ধের শুরুতেই “প্রোপাগান্ডামূলক চলচ্চিত্র” (propaganda film) হিসেবে উল্লেখ করার চেষ্টা করা হচ্ছিল। ওয়েলস বলেন, “এই সিনেমাটি সত্যিই প্রচারমূলক কি না তা বিচার করার বিষয় নয়, বরং উইকিপিডিয়ার নিরপেক্ষ  দৃষ্টিভঙ্গি নীতিকে রক্ষা করার বিষয়। তিনি লেখেন, “…এটি বলা যে ছবিটির অন্য কোনো উদ্দেশ্য নেই, এটি আপনার বিশ্লেষণ। উইকিপিডিয়ান হিসেবে আমাদের বিশ্লেষণ এনপিওভিয়ের ওপর প্রাধান্য পেতে পারে না। কোনও অবমাননাকর লেবেল ব্যবহার করতে (Dhurandhar) হলে উৎস ও সম্পাদকদের মধ্যে প্রায় সর্বসম্মত ঐকমত্য প্রয়োজন…”

    উইকিপিডিয়ার সীমাবদ্ধতা

    তিনি আরও বলেন, “উইকিপিডিয়া কোনও বিতর্কে পক্ষ নিতে পারে না, বিশেষত সেখানে, যেখানে নির্ভরযোগ্য সূত্রগুলির মধ্যে মতবিরোধ রয়েছে। গুরুতরভাবে বিতর্কিত বিষয়কে সত্য হিসেবে তুলে ধরা উচিত নয়… নিরপেক্ষ ভাষা ব্যবহার করতে হবে (Jimmy wales)।” ওয়েলসের হস্তক্ষেপের পর আর্টিকেলটি সাময়িকভাবে লক করা হয় এবং “প্রচারমূলক চলচ্চিত্র” ট্যাগ সরিয়ে দেওয়া হয়। তবে সমালোচনামূলক অংশে এই মতামত এখনও রয়ে গিয়েছে। ২০২৫ সালে ধুরন্ধর  মুক্তির পর থেকেই ভারতীয় ইসলামপন্থী-বামপন্থী গোষ্ঠী এবং পাকিস্তানি মহল সিনেমাটিকে “প্রচারমূলক” হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করে। সোশ্যাল মিডিয়া, ইউটিউবার এবং কিছু সাংবাদিকও এতে অংশ নেন। এই প্রচেষ্টার অন্যতম মুখ ছিলেন উইকিপিডিয়ার সম্পাদক “কৌটিল্য ৩”, যিনি আমেরিকা-ভিত্তিক এবং ২০২৪ সালে মণিপুরে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা ছড়ানোর অভিযোগে মামলায় জড়ান। অন্য সম্পাদকরা তাঁর বিরুদ্ধে পক্ষপাতদুষ্ট উৎস ব্যবহার, একপেশে বর্ণনা এবং তথ্য বিকৃতির অভিযোগ তোলেন।

    তথাকথিত “নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গি

    সংবাদ মাধ্যমের তদন্তে উঠে এসেছে, উইকিপিডিয়ার তথাকথিত “নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গি” আসলে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ নয়। কারণ, “বিশ্বস্ত উৎস” তালিকাই পক্ষপাতদুষ্ট, ডানপন্থী বা অ-বামপন্থী উৎসগুলিকে ব্ল্যাকলিস্ট করা হয়, বামঘেঁষা মিডিয়াকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। উদাহরণস্বরূপ, আল জাজিরা, বিবিসি — গ্রহণযোগ্য, দূরদর্শন — নয়, ওপিইন্ডিয়া, স্বরাজ্য – নিষিদ্ধ, দ্য ওয়ার, স্ক্রল – গ্রহণযোগ্য। উইকিপিডিয়ায় “জয় শ্রী রাম” মন্ত্রটিকেও বিকৃতভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। মন্ত্রটিকে সাম্প্রদায়িক হিংসার স্লোগান হিসেবে দেখানো হয়েছে (Dhurandhar)। এ বিষয়ে সংশোধনের চেষ্টা করা হলে, কৌটিল্য ৩ সেই অংশটি সরিয়ে দেন। ২০০২ সালের গোধরা হত্যাকাণ্ডে ৫৯ জন হিন্দুকে জীবন্ত পুড়িয়ে মারা হয়। আদালত বেশ কয়েকজনকে দোষী সাব্যস্ত করলেও, উইকিপিডিয়ায় এখনও লেখা রয়েছে “কারণ বিতর্কিত”। এটি বাস্তবের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ বলে সমালোচনা করা হয়েছে।

    নিরপেক্ষতার প্রশ্ন

    ওপিইন্ডিয়ার গবেষণা অনুযায়ী, মাত্র ৪৩৫ জন প্রশাসক বিশ্বজুড়ে নিয়ন্ত্রণ করেন। তাঁরা সম্পাদক ব্যান, উৎস ব্ল্যাকলিস্ট এবং নিবন্ধ নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন, এটি প্রকৃতপক্ষে “ওপেন প্ল্যাটফর্ম” নয় (Jimmy wales)। উইকিপিডিয়া নিজেকে নিরপেক্ষ জ্ঞানভান্ডার হিসেবে দাবি করলেও, বাস্তবে সেখানে সম্পাদকদের ব্যক্তিগত মতাদর্শের প্রভাব স্পষ্ট। জিমি ওয়েলস নিজেই বলেছেন, “চূড়ান্ত নীতিগত সিদ্ধান্ত আমার হাতে।” তাই প্রশ্ন উঠছে, উইকিপিডিয়া কি সত্যিই নিরপেক্ষ মাধ্যম, নাকি পক্ষপাতদুষ্ট প্রকাশক, (Jimmy wales)?

     

  • Bangladesh India Relation: শেষমেশ ঢোক গিলল বাংলাদেশ, তুলে নিল আইপিএল সম্প্রচারের ওপর জারি করা নিষেধাজ্ঞা

    Bangladesh India Relation: শেষমেশ ঢোক গিলল বাংলাদেশ, তুলে নিল আইপিএল সম্প্রচারের ওপর জারি করা নিষেধাজ্ঞা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছরের শুরুতেই আসন্ন মরশুমের জন্য আইপিএলের সম্প্রচার নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিল মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার। শনিবার সেই সার্বিক নিষেধাজ্ঞা তুলে নিল তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার (IPL 2026)। শনিবার (Bangladesh India Relation) সাংবাদিক সম্মেলনে সরকারের এই সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেন নবনিযুক্ত তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহিরউদ্দিন স্বপন।

    বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত (Bangladesh India Relation)

    এই সিদ্ধান্তটি বাংলাদেশ সরকারের অবস্থানে একটি বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়। এর আগে ভারতের সঙ্গে কূটনৈতিক ও ক্রিকেট সম্পর্কের টানাপোড়েনের প্রেক্ষাপটে সরকার কঠোর অবস্থান নিয়েছিল। ২০২৬ সালের আইপিএল শুরু হওয়ার প্রাক্কালে এই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের ফলে বাংলাদেশে আবারও সম্প্রচারকারী সংস্থা এবং দর্শকরা বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় টি২০ লিগ উপভোগ করতে পারবেন। বাংলাদেশ আইপিএলের সম্প্রচার বন্ধ করেছিল পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে লিগ থেকে বাদ দেওয়ার পর। মুস্তাফিজুরকে কলকাতা নাইট রাইডার্স ৯.২০ কোটি টাকায় কিনেছিল। কিন্তু বিসিসিআইয়ের নির্দেশে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি তাঁকে ছেড়ে দেয়। এই সিদ্ধান্ত বাংলাদেশে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে।

    টি-২০ বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়ায় বাংলাদেশ

    বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দুদের হত্যাকাণ্ড সংক্রান্ত ঘটনার প্রেক্ষিতে বিসিসিআই ফ্র্যাঞ্চাইজিকে মুস্তাফিজুরের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার নির্দেশ দিয়েছিল। এর পরেই ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যের সংবেদনশীল পরিস্থিতি আরও ঘোরালো হয় (Bangladesh India Relation)। এই ঘটনার পর বাংলাদেশ ও ভারতের ক্রিকেট বোর্ডের সম্পর্ক ইতিহাসের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে আসে। বাংলাদেশ ২০২৬ সালের টি২০ বিশ্বকাপ থেকেও সরে দাঁড়ায়। বাংলাদেশের এই সিদ্ধান্ত ক্রিকেট মহলে ব্যাপক সমালোচিত হয়।  অনেকেই মনে করেন এটি রাজনৈতিক বার্তা দেওয়ার চেয়ে বেশিই ক্ষতি করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেটের (IPL 2026)।

    ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক

    তবে সম্প্রতি দুই দেশের সম্পর্কের উন্নতির লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। উভয় দেশের নেতাদের মধ্যে সৌজন্য বিনিময়ের মাধ্যমে সম্পর্ক স্বাভাবিক হওয়ার ইঙ্গিত মিলছে। এই নরম অবস্থান ক্রীড়াক্ষেত্রেও প্রতিফলিত হয়েছে, এবং আইপিএল সম্প্রচার ফের চালুর সিদ্ধান্তকে সেই পুনর্গঠনের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবেই দেখা হচ্ছে। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডও স্বীকার করেছে, একটি বৈশ্বিক টুর্নামেন্টে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্তটি ক্ষতিকর ছিল। এখন তারা ক্রিকেট ও কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনর্গঠনে আগ্রহী। বাণিজ্যিক দৃষ্টিকোণ থেকেও এই সিদ্ধান্ত যৌক্তিক। বাংলাদেশে আইপিএলের ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে এবং সম্প্রচারকারীরা অতীতে উচ্চ দর্শকসংখ্যা পেয়েছে। সম্প্রচার বন্ধ থাকায় দর্শকদের পাশাপাশি টেলিভিশন নেটওয়ার্ক ও বিজ্ঞাপনদাতাদেরও আর্থিক ক্ষতি হয়েছে (Bangladesh India Relation)।

    কী বলছেন মন্ত্রী

    জহিরউদ্দিন স্বপন বলেন, “আমাদের কাছে আইপিএল সম্প্রচারের জন্য কেউ আবেদন করেনি। আমরা খেলাধুলার সঙ্গে রাজনীতি মেশাতে চাই না। আমরা এটিকে বাণিজ্যিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করব এবং যদি কোনও চ্যানেল আবেদন করে, আমরা বিষয়টিকে ইতিবাচকভাবেই দেখব (IPL 2026)।” তিনি এও বলেন, “আমরা কাউকে সম্প্রচার থেকে বিরত রাখব না। যদি স্টার স্পোর্টস সম্প্রচার করতে চায়, তারা করতে পারবে। আমাদের দেশের কোনও চ্যানেল করতে চাইলে আমরা ইতিবাচকভাবেই দেখব, তবে কাউকে বাধ্য করা হবে না।” ওয়াকিবহাল মহলের মতে, বাংলাদেশি মন্ত্রীর এহেন বক্তব্য সরকারের বাস্তববাদী দৃষ্টিভঙ্গির ইঙ্গিত দেয়, যেখানে অন্তত নীতিগতভাবে খেলাধুলোকে ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা থেকে আলাদা রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে (Bangladesh India Relation)।

     

  • PM Modi: চিন থেকে গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রপাতি সংগ্রহের অনুমতি দিল কেন্দ্র, কারা পাবে এই সুযোগ?

    PM Modi: চিন থেকে গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রপাতি সংগ্রহের অনুমতি দিল কেন্দ্র, কারা পাবে এই সুযোগ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিন (China) থেকে গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রপাতি সংগ্রহের অনুমতি দিল কেন্দ্রীয় সরকার। অবশ্য এই অনুমতি সবাইকে নয়, ভারত (PM Modi) হেভি ইলেকট্রিক্যালস এবং স্টিল অথরিটি অফ ইন্ডিয়ার মতো কয়েকটি রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাকে। সরকারি সূত্রের খবর, এটি করা হয়েছে আগের বিধিনিষেধ শিথিল করার পর।

    শিথিল করা হল বিধিনিষেধ (PM Modi)

    গত মাসে একটি সংবাদ সংস্থা জানিয়েছিল, ২০২০ সালের প্রাণঘাতী সীমান্ত সংঘর্ষের পর চিনা সরঞ্জাম কেনার ওপর যে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছিল, ভারত তা শিথিল করতে যাচ্ছে। এর ফলে রাষ্ট্রায়ত্ত বিদ্যুৎ ও কয়লা কোম্পানিগুলি সীমিত পরিসরে আমদানি শুরু করতে পারবে, কারণ যন্ত্রপাতির ঘাটতি ও প্রকল্প বিলম্ব ক্রমেই বাড়ছিল। এরপরেই ভারত চিনের ওপর বিনিয়োগ সংক্রান্ত বিধিনিষেধও শিথিল করেছে। নয়া নিয়ম শিথিলের আওতায়, ভারতের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিদ্যুৎ সরঞ্জাম নির্মাতা ভারত হেভি ইলেকট্রিক্যালস চিন থেকে ২১ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রপাতি সংগ্রহ করতে পারবে বলে সরকারি নির্দেশিকায় বলা হয়েছে। একই ধরনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে স্টিল অথরিটি অব ইন্ডিয়াকেও। অন্যান্য রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলিকেও কয়লা-গ্যাসিফিকেশন (coal-gasification) সরঞ্জাম সংগ্রহের অনুমতিও দেওয়া হয়েছে বলে সরকারি সূত্রের খবর।

    ভারত-চিন সেনা সংঘর্ষ

    ২০২০ সালে হিমালয় সীমান্তে গলওয়ানে ভারত ও চিনের সেনাদের মধ্যে সংঘর্ষের পর নয়াদিল্লি চিনা পণ্য ও বিনিয়োগের ওপর কড়াকড়ি আরোপ করেছিল। তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কনীতির কারণে বিশ্বব্যাপী বাণিজ্যের পুনর্বিন্যাস শুরু হওয়ায়, সরবরাহ শৃঙ্খল স্থিতিশীল রাখা এবং বিনিয়োগ আকর্ষণের লক্ষ্যে ভারত এখন চিনের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্বিন্যাসের কথা বিবেচনা করছে (PM Modi)। গত বছরের অগাস্টে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সাত বছর পর প্রথমবার চিন সফর করেছিলেন। চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করে সম্পর্ক উন্নয়নের বিষয়েও আলোচনা করেছিলেন তিনি। এর পর দুই দেশ সরাসরি ফ্লাইট চালু করে এবং নয়াদিল্লি চিনা ব্যবসায়িক পেশাজীবীদের জন্য ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করে।

    চলতি মাসে জারি করা সরকারি নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, রাষ্ট্রায়ত্ত চুক্তিতে অংশ নেওয়া চিনা দরদাতাদের (bidders) আর রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা অনুমোদনের জন্য সরকারি কমিটির কাছে রেজিস্ট্রি করতে হবে না। এর আগে এই মাসের শুরুতে নয়াদিল্লি নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে চিনা বিনিয়োগের ওপর বিধিনিষেধ শিথিল করেছে। মূলধন সঙ্কট কমাতেই এটি করা হয় (China)। অর্থনৈতিক সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ পুনর্গঠনের ইঙ্গিত দেয় এই বিধিনিষেধ শিথিল করা (PM Modi)।

     

  • West Bengal Assembly Election: “একটাই রাস্তা বাকি…”, তৃণমূলের বিরুদ্ধে ৩৫ পাতার ‘চার্জশিট’ প্রকাশ করে কোন দিশা দেখালেন অমিত শাহ?

    West Bengal Assembly Election: “একটাই রাস্তা বাকি…”, তৃণমূলের বিরুদ্ধে ৩৫ পাতার ‘চার্জশিট’ প্রকাশ করে কোন দিশা দেখালেন অমিত শাহ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের বিরুদ্ধে (West Bengal Assembly Election) ‘চার্জশিট’ প্রকাশ করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা বিজেপির হেভিওয়েট নেতা অমিত শাহ (Amit Shah)। তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ১৫ বছরের শাসন নিয়ে একগুচ্ছ অভিযোগ প্রকাশ্যে নিয়ে আসা হয়েছে এই চার্জশিটের মাধ্যমে। মোট ৩৫ পাতার ওই চার্জশিটে তুলে ধরা হয়েছে মমতা জমানায় ওঠা একাধিক অভিযোগের কথা। তৃণমূলকে নিশানা করে শাহ বলেন, ‘‘আদিবাসী, মহিলা রাষ্ট্রপতিকে কীভাবে আপনারা অপমান করতে পারেন? দেশের প্রধানমন্ত্রীকে কীভাবে অপমান করতে পারেন?’’

    হা-শিল্প দশা প্রসঙ্গে শাহের বক্তব্য (West Bengal Assembly Election) 

    বিজেপি-শাসিত রাজ্যে বাঙালিদের হেনস্থা করা হচ্ছে বলে নানা সময় অভিযোগ করেছে তৃণমূল। নিউটাউনের হোটেল থেকে সেই অভিযোগেরও জবাব দিয়েছেন শাহ। বলেন, ‘‘বাংলাদেশ থেকে যাঁরা ঢোকেন, তাঁরাও বাংলা বলেন। এ রাজ্যের কাউকে চিন্তা করতে হবে না। কিন্তু আমাদের দৃঢ় সঙ্কল্প, অনুপ্রবেশকারীদের খুঁজে খুঁজে দেশ থেকে বের করবই।’’ রাজ্যের হা-শিল্প দশা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘‘কাটমানি, সিন্ডিকেট, দুর্নীতির কারণে এ রাজ্যে শিল্প অন্ধকারে। তাই এখানে চাকরি নেই। কম রোজগার, অল্প বেতনের চাকরির কারণও সেই অনুপ্রবেশ।’’ বঙ্গে মহিলাদের সুরক্ষা নেই বলেই অভিযোগ বিরোধীদের (West Bengal Assembly Election)। বঙ্গ-ললনাদের রাত আটটার পরে বাড়ি থেকে না বেরনোর পরামর্শও দিয়েছিলেন বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন সেই প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘‘মহিলাদের বিরুদ্ধে অপরাধ করলে শাস্তি পেতেই হবে। কে অপরাধ করছে, সেটা দেখা হয় না। আমাদের শাসন আছে, এমন সব রাজ্যেই এটা আমরা করে দেখিয়েছি। মহিলারা যাতে নিজেদের কথা নিজেরাই বলতে পারেন, সেই পরিবেশ তৈরি করবে বিজেপি সরকার (Amit Shah)।’’

    বদলি প্রসঙ্গে কী বললেন শাহ

    নির্বাচনের নির্ঘণ্ট প্রকাশিত হওয়ার পরেই রদবদল করা হয়েছে প্রশাসনের আধিকারিকদের। এনিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন তৃণমূল নেত্রী। সে প্রসঙ্গে শাহ বলেন, ‘‘সারা দেশেই ভোটের আগে নির্বাচন কমিশন অফিসারদের বদলি করে। এটা নতুন কিছু নয়। এখানে (পশ্চিমবঙ্গে) সব আধিকারিক সরকারের হয়ে কাজ করেন। তাই এখানে বেশি পরিবর্তন হচ্ছে। অফিসারদের পরিবর্তন হয়েছে বলেই এ বার রামনবমীতে এই রাজ্যে হিংসা কম হয়েছে।’’ তিনি বলেন, ‘‘১৫ বছরে (তৃণমূল জমানায়) কাটমানির সিন্ডিকেট তৈরি হয়েছে। দুর্নীতিগ্রস্ত তৃণমূল সরকার। আমি বিশ্বাস করি, বাংলার মানুষ পরিবর্তন চাইছেন। তাই আমাদের ভোট দেবেন। তৃণমূল সরকারকে সমূলে উৎখাত করুন।’’ শাহ এও বলেন, ‘‘আজকের বাংলা কবিগুরুর বাংলা আর নেই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শাসনে বাঙালি অস্মিতাকে পাতালে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।’’

    প্রসঙ্গ যখন অনুপ্রবেশকারী

    অনুপ্রবেশকারী প্রসঙ্গে শাহ বলেন, ‘‘এত অনুপ্রবেশকারী ঢুকছে, মমতাজির সরকার কি ঘুমোচ্ছে? প্রশ্ন তুলবেন, বিএসএফ কী করছে? বিএসএফ তখনই কিছু করতে পারবে, যখন আপনি সীমান্তে বেড়া লাগাতে দেবেন। বিজেপি ক্ষমতায় আসার ১৫ দিনের মধ্যেই সীমান্তে বেড়া দেওয়ার জন‍্য প্রয়োজনীয় জমি কেন্দ্রকে দেবে এ রাজ্যের বিজেপি সরকার।’’ তিনি বলেন, “মমতা যা খুশি অভিযোগ আনতে পারেন, তবে অনুপ্রবেশকারীদের আমরা দেশ থেকে বের করবই।” তৃণমূল সুপ্রিমো ‘ভিক্টিম কার্ডে’র রাজনীতি করেন (West Bengal Assembly Election) বলে অভিযোগ শাহের। তাঁর দাবি, ভোট এলেই মমতা পা ভেঙে ফেলেন, অসুস্থ হয়ে পড়েন। কোনও না কোনও অসুস্থতা দেখিয়ে জনগণের সহানুভূতি চান। এ বার আর তা হবে না।” এ রাজ্যে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী শাহ। তিনি বলেন, ‘‘অনেক বছর পরে বাংলা বিহার ওড়িশায় (অঙ্গ-বঙ্গ-কলিঙ্গ) একই দলের সরকার হতে চলেছে।’’

    ভয় থেকে মুক্তির ভোট

    আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে ভয় থেকে মুক্তির ভোট বলে অভিহিত করেন শাহ। বলেন, ‘‘এই ভোট প্রাণনাশের ভয় থেকে মুক্তির ভোট, স্বাধীনতা চলে যাওয়ার ভয় থেকে মুক্তির ভোট, জনবিন‍্যাস পরিবর্তনের ভয় থেকে মুক্তির ভোট, সম্পত্তি ছিনিয়ে নেওয়ার ভয় থেকে মুক্তির ভোট, রোজগার চলে যাওয়ার ভয় থেকে মুক্তির ভোট। একগুচ্ছ ভরসার পক্ষে দাঁড়ানোর ভোট (Amit Shah)।’’ চার্জশিট প্রকাশ করতে গিয়ে রাজ্যের বিদায়ী বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর ভূমিকার কথাও আলাদা করে উল্লেখ করেন শাহ। বলেন, ‘‘বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী গোটা পশ্চিমবঙ্গ সফর করে বাংলার বেহাল দশার কথা জনতার কাছে পৌঁছে দিয়েছেন।’’ তাঁর দাবি, এবার নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়েই পশ্চিমবঙ্গে সরকার গড়তে চলেছে বিজেপি।

    একটাই রাস্তা বাকি, বললেন শাহ

    বঙ্গের নির্বাচনের গুরুত্ব বোঝাতে গিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘‘অসমে অনুপ্রবেশ বন্ধ হয়েছে। এখন একটাই রাস্তা বাকি অনুপ্রবেশের (West Bengal Assembly Election)। তাই পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন গোটা দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এর সঙ্গে দেশের সুরক্ষা জড়িত।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘তৃণমূলের যে অরাজকতা এবং অপশাসন, তার কী সমাধান, তা-ও বলব। আগে চার্জশিট প্রকাশ করা হল। এর পরে আমরা জানাব যে, আমরা (Amit Shah) এর অবসানের জন‍্য কী করব।’’ প্রসঙ্গত, শুক্রবার গভীর রাতে ঝটিকা সফরে কলকাতায় এসেছেন শাহ। উঠেছেন নিউ টাউনের একটি হোটেলে। আজ, শনিবারই ফিরে যাওয়ার কথা তাঁর (West Bengal Assembly Election)।

     

  • KP Oli: বলেন্দ্র শাহের শপথের পরের দিনই বাড়ি থেকে গ্রেফতার নেপালের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী, হতে পারে হাজতবাস

    KP Oli: বলেন্দ্র শাহের শপথের পরের দিনই বাড়ি থেকে গ্রেফতার নেপালের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী, হতে পারে হাজতবাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার কাকভোরে বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হল নেপালের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলিকে (KP Oli)। গত বছর সেপ্টেম্বর মাসে ‘জেন জি’ (Gen Z) বিক্ষোভ দমন করতে গিয়ে সংঘটিত হিংসায় জড়িত একটি অপরাধমূলক হত্যাকাণ্ড মামলায় গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। এই বিক্ষোভের জেরেই শেষ পর্যন্ত ক্ষমতা থেকে সরে যেতে হয় তাঁকে। উল্লেখ্য, ওলিকে গ্রেফতার করার একদিন আগেই র‌্যাপার থেকে (Nepal) রাজনীতিক হওয়া বলেন্দ্র শাহ (Balen Shah) দেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন।

    বাড়ি থেকে গ্রেফতার ওলি (KP Oli)

    ওই একই মামলায় নেপালি কংগ্রেসের নেতা তথা প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রমেশ লেখককেও আটক করা হয়েছে। দু’জনকেই ভক্তপুরে তাঁদের নিজ নিজ বাসভবন থেকে গ্রেফতার করা হয়। জানা গিয়েছে, তাঁদের বিরুদ্ধে এমন ধারায় মামলা দায়ের হতে পারে, যেখানে সর্বোচ্চ ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে। গ্রেফতার হওয়ার পরপরই বছর চুয়াত্তরের ওলিকে ভর্তি করা হয় কাঠমান্ডুর একটি হাসপাতালে। সেখানে তাঁর একাধিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। উল্লেখ্য, এর আগে ওলি দু’বার কিডনি প্রতিস্থাপন করিয়েছেন।

    ‘জেন জি বিপ্লব’

    ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে এক বিশাল যুব-নেতৃত্বাধীন গণআন্দোলনের জেরে কেঁপে উঠেছিল নেপাল। এই আন্দোলন ‘জেন জি বিপ্লব’ নামে পরিচিত। ওলির শাসনকালে প্রশাসনিক ব্যর্থতা, দুর্নীতি, বেকারত্ব ও রাজনৈতিক অস্থিরতার বিরুদ্ধে ক্ষোভ থেকেই এই আন্দোলনের সূত্রপাত হয়। প্রথমে এটি ডিজিটাল স্বাধীনতার দাবিতে শুরু হলেও, পরে তা বিস্তৃত সরকারবিরোধী বিদ্রোহে রূপ নেয়, যার জবাবে সরকার কঠোর দমননীতি গ্রহণ করে। এই হিংসায় অন্তত ৭৬ জন নিহত হন। জখম হয়েছিলেন ২,০০০-এর বেশি মানুষ (KP Oli)।

    আটক প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও

    দুর্নীতিবিরোধী বিক্ষোভ চলাকালীন ঘটা হিংসার তদন্তের জন্য গঠিত নেপালের একটি উচ্চপর্যায়ের কমিশন চারবারের প্রধানমন্ত্রী এবং নেপালের কমিউনিস্ট পার্টির নেতা ওলির বিরুদ্ধে মামলা চালানোর সুপারিশ করার পরেই গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। কমিশন জানিয়েছে, প্রথম দিনের বিক্ষোভে কয়েক ঘণ্টার গুলিবর্ষণে অন্তত ১৯ জন জেন জি বিক্ষোভকারী নিহত হলেও, তা থামাতে ব্যর্থ হওয়ার জন্য তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ওলিই দায়ী। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, “কার্যনির্বাহী প্রধান হিসেবে ভালো বা খারাপ—যে কোনও ঘটনার দায় নিতে হবে ওলিকে।” ওলি ও তাঁর মন্ত্রিসভার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রমেশ লেখকের পাশাপাশি, প্যানেল তৎকালীন পুলিশ প্রধান চন্দ্র কুবের খাপুং এবং আরও কয়েক ডজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করেছে (Nepal)।

    রাজনৈতিক প্রতিহিংসা!

    যদিও ওলি এই প্রতিবেদন পত্রপাঠ প্রত্যাখ্যান করেন। তিনি বলেন, “এই প্রতিবেদন অত্যন্ত অবহেলাপূর্ণ। এটি চরিত্রহননের শামিল এবং ঘৃণার রাজনীতির প্রতিফলন। এটি দুঃখজনক (KP Oli)।” এদিকে, সিপিএন-ইউএমএল পার্টি ওলির গ্রেফতারিকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বলে উল্লেখ করেছে। পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণ করতে জরুরি বৈঠকও ডাকা হয়েছে। দলের সব শীর্ষ নেতাকে সদর দফতরে ডাকা হয়েছে। বৈঠকের আগে উপ-মহাসচিব যোগেশ ভট্টরাই বলেন, “এটি রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্বের প্রতিফলন।” প্রবীণ নেতা তথা প্রাক্তন বিদেশমন্ত্রী প্রদীপ গিয়াওয়ালি এই পদক্ষেপকে অযৌক্তিক বলে উল্লেখ করে জানান, বিস্তারিত আলোচনার পর পার্টি তাদের পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে। প্রসঙ্গত, কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী যদি মামলা চলতে থাকে এবং আদালতে তাঁরা দোষী সাব্যস্ত হন, তবে সংশ্লিষ্ট তিনজনই সর্বোচ্চ ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডের মুখোমুখি হতে পারেন। গত ৫ মার্চ অনুষ্ঠিত (Nepal) সাধারণ নির্বাচনে ঝাপা-৫ আসনে, যা দীর্ঘদিন ধরে কমিউনিস্ট পার্টির শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত, সেখানে রাষ্ট্রীয় স্বতন্ত্র পার্টির (RSP) নেতা বলেন্দ্র শাহের কাছে ওলি বড় ব্যবধানে পরাজিত হন (KP Oli)।

  • Ram Navami Clash: রামনবমী শোভাযাত্রাকে ঘিরে রণক্ষেত্র জঙ্গিপুর, ছোড়া হল ইট-পাটকেল, দোকানে আগুন

    Ram Navami Clash: রামনবমী শোভাযাত্রাকে ঘিরে রণক্ষেত্র জঙ্গিপুর, ছোড়া হল ইট-পাটকেল, দোকানে আগুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রামনবমীর শোভাযাত্রাকে ঘিরে ফের ব্যাপক অশান্তি (Ram Navami Clash) তৃণমূল শাসিত পশ্চিমবঙ্গে। গত বছর অশান্তির আঁচ ছড়িয়েছিল হাওড়া এবং হুগলির কয়েকটি পকেটে। এবার শহর এবং শহরতলিতে তেমন কোনও অশান্তি না হলেও, হিংসার আগুনে জ্বলে উঠল মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) জঙ্গিপুর। শোভাযাত্রায় পাথরবৃষ্টি, ভাঙচুর এবং অগ্নিসংযোগের ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে রঘুনাথগঞ্জ-সহ বিস্তীর্ণ এলাকায় ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার (BNSS) ১৬৩ ধারা অনুযায়ী জমায়েতের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে প্রশাসন। মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী এবং র‍্যাফ (RAF)।

    তপ্ত জঙ্গিপুর (Ram Navami Clash)

    পুলিশ সূত্রে খবর, শুক্রবার বিকেল ৩টে নাগাদ রঘুনাথগঞ্জের জঙ্গিপুর পুরসভার ম্যাকেঞ্জি পার্কে রামনবমীর শোভাযাত্রা পৌঁছলে, শুরু হয় গোলমাল।  অভিযোগ, শোভাযাত্রায় উচ্চস্বরে গান বাজানো হচ্ছিল। তা নিয়েই আপত্তি তোলে এক পক্ষ। এর পরেই শুরু হয় দুপক্ষে বচসা। মুহূর্তের মধ্য়েই সংঘর্ষের রূপ নেয় বচসা। সেখান থেকে হাতাহাতি এবং ইট-পাথর ছোড়াছুড়ি। খানিক পরে থামে অশান্তি। এগোতে থাকে শোভাযাত্রা। সিসাতলা এলাকায় স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে ফের একপ্রস্ত সংঘর্ষ হয়। উত্তেজনা চরমে ওঠে শোভাযাত্রা ফুলতলা মোড় এলাকায় পৌঁছলে। অভিযোগ, সেখানে প্রায় ২০০ দুষ্কৃতী শোভাযাত্রা লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল ছোড়ে। এর পরেই উত্তেজিত জনতা এলাকার কয়েকটি ফলের দোকানে ভাঙচুর করে আগুন লাগিয়ে দেয়।  খবর পেয়ে দ্রুত এলাকায় পৌঁছন মুর্শিদাবাদের ডিআইজি অজিত সিং যাদব। তিনি বলেন, “পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে। এলাকায় রুট মার্চ করছে কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিশ। বেশ কিছু দোকান এবং সম্পত্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।  এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। চলছে ধরপাকড়ও।”

    বিজেপির বক্তব্য

    বিজেপির জঙ্গিপুর সাংগঠনিক জেলা সভাপতি সুবল চন্দ্র ঘোষ বলেন, এটি একটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র। আমাদের কর্মীদের ওপর হামলা হয়েছে। দোষীদের কঠোর শাস্তি চাই (Ram Navami Clash)।”  জঙ্গিপুর পুরসভার চেয়ারম্যান মফিজুল ইসলাম বলেন, “ফুলতলা মোড়ে আমি উপস্থিত ছিলাম। এই জাতীয় ঘটনা কাঙ্খিত নয়। প্রকৃত দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করব প্রশাসনকে।” এদিনের সংঘর্ষে ১০জন জখম হয়েছেন বলে দাবি বিজেপির। দলের রাজ্য সম্পাদক শাখারভ সরকার বলেন, “তৃণমূলের পক্ষ থেকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে হামলা চালানো হয়েছে। আমাদের দশজন কর্মকর্তা জখম হয়েছে। তৃণমূল হারছে জেনেই এই হামলার ছক কষা হয়। এলাকা অশান্ত করার চেষ্টা করছে (Murshidabad)।”

    কী বললেন সুকান্ত মজুমদার

    বালুরঘাটের সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বিজেপির সুকান্ত মজুমদার বলেন, ‘‘জঙ্গিপুরে এবার হয়তো এই ধরনের ঘটনা ঘটেছে। এর আগে হাওড়ায় ঘটেছে। পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জায়গায়, রামের অনুসারী লোকেদের বাদ দিয়ে…যেখানে রাবণ অনুসারী বা…এর পিছনে পুরোটা তৃণমূলের মদত আছে। যদি খোঁজা যায় তাহলে দেখা যাবে যারা ঢিল মারছে, তারা হয় তৃণমূলের নেতা, না হয় তৃণমূলের সমর্থক বা ভোটার। তার (Ram Navami Clash) বাইরে কাউকে খুঁজে পাবেন না।” গত বছর এপ্রিলে ওয়াকফ সংশোধনী আইনের প্রতিবাদের সময় মুর্শিদাবাদেরই জাফরবাদ এলাকায় দুই ব্যক্তিকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে খুন করা হয়। সেই ঘটনার জেরে সেই সময়ও অশান্ত হয়েছিল ‘নবাবের দেশ’। মুর্শিদাবাদবাসীর সেই দগদগে স্মৃতি এখনও ফিকে হয়ে যায়নি। তার মধ্যেই ফের একবার ঘটে গেল ব্যাপক অশান্তি। প্রসঙ্গত, হাইকোর্টের নির্দেশ মোতাবেক স্পর্শকাতর এলাকাগুলিতে বাড়ানো হয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর নজরদারি (Murshidabad)।

    রামনবমীর শোভাযাত্রায় হামলা হয়েছে আগেও

    গত বছর এবং তার আগের বছরেও রামনবমীর শোভাযাত্রায় হামলার ঘটনা ঘটেছিল। সেবার অবশ্য অশান্তির আগুন জ্বলেছিল হাওড়া এবং হুগলির বিভিন্ন এলাকায়। সেবার বড় ধরনের কোনও অশান্তির খবর ছিল না মুর্শিদাবাদে।  এবার রাজ্যের অন্য কোথাও তেমন কোনও ঘটনা না ঘটলেও, অশান্তি ছড়িয়েছিল মুর্শিদাবাদে। ওয়াকফ সংশোধনী আইনকে ঘিরে অশান্তির জেরে সেবার খুন হতে হয়েছিল হিন্দু সম্প্রদায়ের দুই মৃৎশিল্পীকে। অশান্তির জেরে জেলা ছেড়ে রাতের অন্ধকারে নদী পার হয়ে মালদায় আশ্রয় নিয়েছিলেন মুর্শিদাবাদের হিন্দুদের একাংশ। সেই ঘটনার পর উত্তেজনা খানিক থিতু হলেও, ফের একবার সংঘর্ষের ঘটনা ঘটল বঙ্গে (Murshidabad)। এবং সেটাও আবার সেই মুর্শিদাবাদেই (Ram Navami Clash)।

     

  • Ramakrishna 611: “আমায় দে মা পাগল করে, আর কাজ নাই জ্ঞান বিচারে…বরিষে অমৃতধার, জুড়ায় শ্রবণ ও প্রাণরমণ হে”

    Ramakrishna 611: “আমায় দে মা পাগল করে, আর কাজ নাই জ্ঞান বিচারে…বরিষে অমৃতধার, জুড়ায় শ্রবণ ও প্রাণরমণ হে”

    ৫২ শ্যামপুকুর বাটীতে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    অষ্টাদশ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২৫শে অক্টোবর
    ভক্তসঙ্গে প্রেমানন্দে

    সাধুর সর্বজীবে দয়া 

    ডাক্তার আবার কাকের ভয়ে শকুনি পালায়। আমি বলি শুধু মানুষ কেন, সব জীবেরই সেবা করা উচিত। আমি প্রায়ই চড়ুই পাখিকে ময়দা দিই। ছোট ছোট ময়দার গুলি করে ছুঁড়ে ফেলি, আর ছাদে ঝাঁকে ঝাঁকে চড়ুই পাখি এসে খায়।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)— বাঃ, এটা খুব কথা। জীবকে খাওয়ানো সাধুর কাজ; সাধুরা পিঁপড়েদের চিনি দেয়।

    ডাক্তার — আজ গান হবে না?

    শ্রীরামকৃষ্ণ (নরেন্দ্রের প্রতি) — একটু গান কর না।

    নরেন্দ্র গাহিতেছেন (Kathamrita), তানপুরা সঙ্গে। অন্য বাজনাও হইতে লাগিল —

    সুন্দর তোমার নাম দীন-শরণ হে,
    বরিষে অমৃতধার, জুড়ায় শ্রবণ ও প্রাণরমণ হে।
    এক তব নাম ধন, অমৃত-ভবন হে,
    অমর হয় সেইজন, যে করে কীর্তন হে।
    গভীর বিষাদরাশি নিমেষে বিনাশে,
    যখনি তব নামসুধা শ্রবণে পরশে;
    হৃদয় মধুময় তব নাম গানে,
    হয় হে হৃদয়নাথ, চিদানন্দ ঘন হে।

    নরেন্দ্র গাহিতেছেন, তানপুরা সঙ্গে। অন্য বাজনাও হইতে লাগিল —

    সুন্দর তোমার নাম দীন-শরণ হে,
    বরিষে অমৃতধার, জুড়ায় শ্রবণ ও প্রাণরমণ হে।
    এক তব নাম ধন, অমৃত-ভবন হে,
    অমর হয় সেইজন, যে করে কীর্তন হে।
    গভীর বিষাদরাশি নিমেষে বিনাশে,
    যখনি তব নামসুধা শ্রবণে পরশে;
    হৃদয় মধুময় তব নাম গানে,
    হয় হে হৃদয়নাথ, চিদানন্দ ঘন হে।

    গান   —   আমায় দে মা পাগল করে।
    আর কাজ নাই মা জ্ঞান বিচারে ৷৷
    (ব্রহ্মময়ী দে মা পাগল ক’রে)
    (ওমা) তোমার প্রেমের সুরা, পানে কর মাতোয়ারা,
    ওমা ভক্তচিত্তহরা ডুবাও প্রেমসাগরে ৷৷
    তোমার এ পাগলাগারদে, কেহ হাসে কেহ কাঁদে,
    কেহ নাচে আনন্দ ভরে;
    ঈশা বুদ্ধ শ্রীচৈতন্য ওমা প্রেমের ভরে অচৈতন্য,
    হায় কবে হব মা ধন্য, (ওমা) মিশে তার ভিতরে ৷৷

    গানের পর আবার অদ্ভুত দৃশ্য। সকলেই ভাবে উন্মত্ত। পণ্ডিত পাণ্ডিত্যাভিমান ত্যাগ করিয়া দাঁড়াইয়াছেন (Kathamrita)। বলছেন, “আমায় দে মা পাগল করে, আর কাজ নাই জ্ঞান বিচারে।” বিজয় সর্বপ্রথমে আসনত্যাগ করিয়া ভাবোন্মত্ত হইয়া দাঁড়াইয়াছেন। তাহার পরে শ্রীরামকৃষ্ণ। ঠাকুর দেহের কঠিন অসাধ্য ব্যাধি একেবারে ভুলিয়া গিয়াছেন। ডাক্তার সম্মুখে। তিনিও দাঁড়াইয়েছেন। রোগীরও হুঁশ নাই, ডাক্তারেরও হুঁশ নাই। ছোট নরেনের ভাবসমাধি হইল। লাটুরও ভাবসমাধি হইল। ডাক্তার সায়েন্স্‌ পড়িয়াছেন, কিন্তু অবাক্‌ হইয়া এই অদ্ভুত ব্যাপার দেখিতে লাগিলেন। দেখিলেন, যাঁহাদের ভাব হইয়াছে, তাঁহাদের বাহ্য চৈতন্য (Ramakrishna) কিছুই নাই, সকলেই স্থির, নিস্পন্দ; ভাব উপশম হইলে কেহ কাঁদিতেছেন, কেহ কেহ হাসিতেছেন। যেন কতকগুলি মাতাল একত্র হইয়াছে।

LinkedIn
Share