Tag: Bengali news

Bengali news

  • Election Commission India: ইভিএম রাখা স্ট্রং রুম ও গণনা কেন্দ্রগুলির সুরক্ষায় বিশাল বাহিনী মোতায়েন কমিশনের

    Election Commission India: ইভিএম রাখা স্ট্রং রুম ও গণনা কেন্দ্রগুলির সুরক্ষায় বিশাল বাহিনী মোতায়েন কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের (Election Commission India) ফলাফল ঘোষণার প্রাক্কালে স্ট্রং রুম এবং গণনা কেন্দ্রগুলোর (Evm Strong Room) নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অভূতপূর্ব পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে ভারতের নির্বাচন কমিশন। ইতিমধ্যে শাসকদল তৃণমূলের বিরুদ্ধে ইভিএম বদল করে দেওয়ার একাধিক ইস্যুতে বিজেপির তরফে বার বার অভিযোগ করা হচ্ছে। প্রত্যেক জেলার গণনাকেন্দ্রগুলিকে নিরাপত্তা বলয়ে মুড়ে ফেলা হয়েছে। গণনায় যাতে কোনও কারচুপি না হয় তা নিয়ে এখন ঠেকে কমিশন ভীষণ কড়া ভূমিকায় ময়দানে রয়েছে।

    কেন্দ্রীয় বাহিনীর মোতায়েন (Election Commission India)

    ভোট শেষ হওয়ার পর ইভিএম (Evm Strong Room) রাখা স্ট্রং রুম এবং গণনা কেন্দ্রগুলির সুরক্ষা নিশ্চিত করতে অতিরিক্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কমিশনের লক্ষ্য হল, ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা বলয় তৈরি করে কোনও প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা বা কারচুপির আশঙ্কা নির্মূল করা। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতিটি স্ট্রংরুম পাহারা দেওয়ার জন্য ন্যূনতম ২৪ জন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান মোতায়েন করা হয়েছে। স্ট্রংরুম এবং গণনাকেন্দ্রের নিরাপত্তায় আগে ২০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থাকলেও এখন সেই সংখ্যা আরও বাড়ানো হচ্ছে। বর্তমানে মোতায়েন থাকা ২০০ কোম্পানির মধ্যে রয়েছে ১০০ কোম্পানি সিআরপিএফ, ২০ কোম্পানি বিএসএফ, ১৫ কোম্পানি আইটিবিপি এবং ১৫ কোম্পানি এসএসবি।

    নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা

    কমিশন সূত্রে জানানো হয়েছে, নির্বাচনে (Election Commission India) প্রতিটি স্ট্রং রুমের বাইরের পরিধিতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা চব্বিশ ঘণ্টা পাহারায় থাকবেন। সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে প্রতিটি গতিবিধির ওপর কঠোর নজরদারি চালানো হবে। এ বার ২৯৪টি আসনের ভোট গোনা হবে মোট ৮৭টি কেন্দ্রে। এক এক জেলায় গণনা কেন্দ্র ঠিক করা হয়েছে। এই তালিকা ইতিমধ্যেই প্রকাশ করা হয়েছে। ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যে ভোটগণনা হয়েছিল ৯০টি কেন্দ্রে। ২০২১ সালের নির্বাচনে গণনাকেন্দ্রের সংখ্যা বাড়িয়ে করা হয় ১০৮টি।

    উত্তর ২৪ পরগনায় কত কেন্দ্র?

    নির্বাচনে (Election Commission India) জেলাগুলির মধ্যে উত্তর ২৪ পরগনায় সবচেয়ে বেশি বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। এই জেলায় ৩৩ বিধানসভায় মোট গণনা কেন্দ্র ৮টি। এগুলি হল- বারাসত কলেজ, বারাসত পিয়ারিচরণ সরকার হাই স্কুল, বসিরহাট হাই স্কুল, বসিরহাট পলিটেকনিক কলেজ, বিধাননগর কলেজ, বনগাঁর দীনবন্ধু মহাবিদ্যালয়, পানিহাটির গুরুনানক কলেজ ক্যাম্পাস এবং ব্যারাকপুরের রাষ্ট্রগুরু সুরেন্দ্রনাথ কলেজ।

    দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ১২টি কেন্দ্র

    দক্ষিণ ২৪ পরগনার ৩১টি আসনের (Election Commission India) ভোট গোনা (Evm Strong Room) হবে ১২টি কেন্দ্রে। এই কেন্দ্রগুলি হল ঠাকুরপুকুরের বিবেকানন্দ কলেজ, কাকদ্বীপের সুন্দরবন মহাবিদ্যালয়, আলিপুরের হেস্টিংস হাউস কমপ্লেক্সের স্টেট ইনস্টিটিউট অফ ফিজিক্যাল এডুকেশন ফর উইমেন, হেস্টিংস হাউসের সিস্টার নিবেদিতা সরকারি জেনারেল ডিগ্রি কলেজ, মাল্টিপারপাস গভর্নমেন্ট গার্লস স্কুল, ইনস্টিটিউট অফ এডুকেশন ফর উইমেন, কসবার গীতাঞ্জলি স্টেডিয়াম, দীনবন্ধু অ্যান্ড্রুজ কলেজ, ডায়মন্ড হারবার মহিলা বিশ্ববিদ্যালয়, ব্রতচারী বৃদ্ধাশ্রম হাই স্কুল, ক্যানিংয়ের বঙ্কিম সর্দার কলেজ, যাদবপুরের এপিসি রায় পলিটেকনিক কলেজ।

    কলকাতায় ৫টি কেন্দ্র

    কলকাতার ১১টি বিধানসভা কেন্দ্রের ভোট গোনা (Evm Strong Room) হবে পাঁচটি কেন্দ্রে। এগুলি হল- বালিগঞ্জ সার্কুলার রোডে বাবা সাহেব অম্বেডকর এডুকেশন বিশ্ববিদ্যালয়, বালিগঞ্জ গভর্নমেন্ট হাই স্কুল, নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়াম, শাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুল, ডায়মন্ড হারবার রোডের সেন্ট থমাস বয়েজ স্কুল। ভোটগণনা (Election Commission India) হবে।

    উত্তরবঙ্গে গণনা কেন্দ্র

    উত্তরবঙ্গে আলিপুরদুয়ারের পাঁচটি আসনের গণনা (Evm Strong Room) হবে আলিপুরদুয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ে। জলপাইগুড়ির সাতটি আসনের গণনা দু’টি কেন্দ্রে হবে— উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাস এবং পরিমল মিত্র স্মৃতি মহাবিদ্যালয়। কালিম্পঙের একটি আসনের গণনা হবে স্কটিশ উইনিভার্সিটিস মিশন ইনস্টিটিউশন। ঝাড়গ্রামের চারটি আসনের গণনা হবে রানি ইন্দিরা দেবী সরকারি স্কুলে।

    এ ছাড়া, কোচবিহারের ন’টি আসনের গণনা পাঁচটি কেন্দ্রে, দার্জিলিঙের পাঁচটি আসনের গণনা তিনটি কেন্দ্রে, উত্তর দিনাজপুরের ন’টি আসনের গণনা দু’টি কেন্দ্রে, দক্ষিণ দিনাজপুরে ছ’টি আসনের গণনা দু’টি কেন্দ্রে, মালদহের ১২টি আসনের গণনা দু’টি কেন্দ্রে, মুর্শিদাবাদের ২২টি আসনের গণনা ছ’টি কেন্দ্র।

    নদিয়া সহ রাঢ়বঙ্গে কত গণনা কেন্দ্র

    নদিয়ার ১৭টি আসনের গণনা (Evm Strong Room) চারটি কেন্দ্রে, হাওড়ার ১৬টি আসনের গণনা চারটি কেন্দ্রে, হুগলির ১৮টি আসনের গণনা ছ’টি কেন্দ্রে, পূর্ব মেদিনীপুরের ১৬টি আসনের গণনা চারটি কেন্দ্রে, পশ্চিম মেদিনীপুরের ১৫টি আসনের গণনা চারটি কেন্দ্রে, পুরুলিয়ার ন’টি আসনের গণনা তিনটি কেন্দ্রে, বাঁকুড়ার ১২টি আসনের গণনা তিনটি কেন্দ্রে, পূর্ব বর্ধমানের ১৬টি আসনের গণনা তিনটি কেন্দ্রে, পশ্চিম বর্ধমানের ন’টি আসনের গণনা দু’টি কেন্দ্রে এবং বীরভূমের ১১টি আসনের গণনা তিনটে কেন্দ্রে হবে।

    কমিশনের লক্ষ্য

    নির্বাচনের (Election Commission India) সামগ্রিক গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে কলঙ্কমুক্ত রাখতে এবং জনমতের প্রকৃত প্রতিফলন ঘটাতে কমিশন বদ্ধপরিকর। গণনার দিন যাতে কোনো বিশৃঙ্খলা না ঘটে, তার জন্য জেলা প্রশাসন ও পুলিশকেও বিশেষ সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। সংক্ষেপে, নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার দিন পর্যন্ত প্রতিটি ভোটযন্ত্রের সুরক্ষা এবং গণনা প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা বজায় রাখাই এখন নির্বাচন কমিশনের প্রধান অগ্রাধিকার।

  • ICSE ISC Results: ফল বেরল সিআইএসসিই বোর্ডের দশম-দ্বাদশ পরীক্ষার, বাজিমাত বাংলার মেয়ের

    ICSE ISC Results: ফল বেরল সিআইএসসিই বোর্ডের দশম-দ্বাদশ পরীক্ষার, বাজিমাত বাংলার মেয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের আবহেই দশম শ্রেণির আইসিএসই এবং দ্বাদশের আইএসসি পরীক্ষার ফল ঘোষণা করল কাউন্সিল ফর দ্য ইন্ডিয়ান স্কুল সার্টিফিকেট এগজ়ামিনেশন (সিআইএসসিই) (ICSE ISC Results)। এ বছর দশমের ফল প্রকাশিত হল পরীক্ষা শেষের ৩০ দিন পর, দ্বাদশের ফল বেরল পরীক্ষা শেষের ২৬ দিনের মাথায় (Pass Percentage)। চলতি বছর দশমের পরীক্ষার ফলে নজর কেড়েছে পশ্চিমাঞ্চলের রাজ্যগুলি। পাশের হার ৯৯.৮৫ শতাংশ। দ্বাদশের পরীক্ষায় এগিয়ে দক্ষিণাঞ্চলের রাজ্যগুলি। পাশের হার ৯৯.৮৭ শতাংশ। আইএসসিতে প্রথম হয়েছে বাংলার মেয়ে অনুষ্কা ঘোষ। উত্তর ২৪ পরগনার পানিহাটির বাসিন্দা। সেন্ট জেভিয়ার্সের ছাত্রী। ৪০০-তে ৪০০-ই পেয়েছে অনুষ্কা।

    আইসিএসই পরীক্ষায় পাশের হার (ICSE ISC Results)

    আইসিএসই পরীক্ষায় পাশের হার ৯৯.১৮ শতাংশ। পরীক্ষা দিয়েছিল ২ লাখ ৫৮ হাজার ৭২১ জন। উত্তীর্ণ হয়েছে ২ লাখ ৫৬ হাজার ৫৯০ জন। এর মধ্যে ছাত্র ১ লাখ ৩৬ হাজার ৩২ জন, ছাত্রী ১ লাখ ২০ হাজার ৫৫৮ জন। রাজ্যে আইএসসি পরীক্ষায় পড়ুয়াদের পাশের হার ৯৯.১৩ শতাংশ। উত্তীর্ণ হয়েছে ১ লক্ষ ২ হাজার ৪১৪ জন। তাদের মধ্যে ছাত্র ৫৩ হাজার ৪৭২ জন, ছাত্রী ৪৮ হাজার ৯৪২ জন।

    পাশের হারের নিরিখে এগিয়ে ছাত্রীরা

    দশম ও দ্বাদশ দু’টি ক্ষেত্রেই পাশের হারের নিরিখে এগিয়ে রয়েছে ছাত্রীরা। দশমে ছাত্রীদের পাশের হার ৯৯.৪৬ শতাংশ, ছাত্রদের ৯৮.৯৩ শতাংশ। দ্বাদশে ছাত্রীদের পাশের হার ৯৯.৪৮ শতাংশ এবং ছাত্রদের ৯৮.৮১ শতাংশ। তবে দু’টি ক্ষেত্রেই মোট পরীক্ষার্থীর মধ্যে ছাত্রীদের থেকে ছাত্রদের সংখ্যাই ছিল বেশি (ICSE ISC Results)। সিআইএসসিইর নিজস্ব ওয়েবসাইট— https://cisce.org বা https://results.cisce.org–এ দেখা যাবে ফল। ডিজিলকারের ওয়েবসাইট https://results.digilocker.gov.in থেকেও ফল জেনে নিতে পারবে পড়ুয়ারা।

    সিআইএসসিইর তরফে জানানো হয়েছে, পরীক্ষার্থীরা খাতা রিভিউ করার সুযোগ পাবে ১ থেকে ৪ মে পর্যন্ত। ইমপ্রুভমেন্ট এগজামিনেশন দেওয়ার জন্য রি-রেজিস্ট্রেশন করতে হবে ৮ থেকে ১৪ মে-র মধ্যে। রিভিউয়ের ফল প্রকাশ হবে (Pass Percentage) জুনের প্রথম সপ্তাহে। ফের পরীক্ষা হবে ১৫ জুন। তার ফল বেরবে জুলাইয়ের শেষ সপ্তাহে (ICSE ISC Results)।

     

  • West Bengal Elections 2026: “পুলিশের ‘বডি ল্যাঙ্গুয়েজ’ বদলেছে, জ্ঞানেশ কুমারকে যারা ভ্যানিশ বলেছেন, তাঁরাই এখন ভ্যানিশ যাওয়ার দোরগোড়ায়”, তৃণমূলকে তোপ দিলীপের

    West Bengal Elections 2026: “পুলিশের ‘বডি ল্যাঙ্গুয়েজ’ বদলেছে, জ্ঞানেশ কুমারকে যারা ভ্যানিশ বলেছেন, তাঁরাই এখন ভ্যানিশ যাওয়ার দোরগোড়ায়”, তৃণমূলকে তোপ দিলীপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “পুলিশের ‘বডি ল্যাঙ্গুয়েজ’ বদলেছে”, শেষ দফা নির্বাচনের (West Bengal Elections 2026) পর রাজ্যে পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়ে ঠিক এমনটাই মন্তব্য করলেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। নির্বাচন কমিশনের প্রশংসা এবং রাজ্য পুলিশের ভূমিকা নিয়ে সম্প্রতি বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) ইতিবাচক মন্তব্য করেছেন। একই সঙ্গে তৃণমূলের দৌরাত্ম্য এবং ভোট চুরিকে স্বয়ং পুলিশ কীভাবে রুখে দিয়েছে সেই প্রসঙ্গ তুলে ধরে তৃণমূলকে কটাক্ষ করেছেন তিনি। রাজ্যে তৃণমূলের পালা শেষ শুরু হবে বিজেপির শাসন, ঠিক এমনটাই জানালেন এই বিজেপির প্রবীণ নেতা।

    উল্লেখ্য রাজ্যে দুই দফা নির্বাচনে ৯২.৯৩ শতাংশ ভোট পড়েছে। একদিকে তৃণমূলের লাগাম ছাড়া দুর্নীতির কারণে জনমনে ব্যাপক অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েইছিল, অপর দিকে এসআইআর ভোটারদের ভোটদানকে ব্যাপক উৎসাহ দিয়েছে। কমিশনের কড়ানজরদারি, বাহিনীর সঠিক ব্যবহার এবং রক্তপাতবিহীন ভোট সত্যই বঙ্গবাসীর জন্য দারুণ উপহার। ফলাফল যাই আসুক মানুষ যে ভোট প্রদান করতে পেরেছেন তা নিয়ে জনমনে ব্যাপক সন্তোষের চিত্র ধরা পড়েছে। এমনটাও বলছেন অভিজ্ঞ মহল।

    নির্বাচন কমিশনের প্রশংসা (West Bengal Elections 2026)

    দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। তিনি জানান, তৃণমূল কংগ্রেস যাঁকে একসময় ‘ভ্যানিশ কুমার’ বলে বিদ্রূপ করেছিল, সেই কমিশনার অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে শান্তিপূর্ণ ও ঐতিহাসিক নির্বাচন উপহার দিয়েছেন। এই প্রসঙ্গে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, “জ্ঞানেশ কুমারকে যারা ভ্যানিশ কুমার বলেছিল তারাই ভ্যানিশ হয়ে যাওয়ার দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে আছেন। উনি এবার দুই দফায় ভোট করে খুব বড় চ্যালেঞ্জ নিয়েছিলেন। শান্তিপূর্ণ এবং ঐতিহাসিক ভোট করে দেখিয়েছেন। চাইলে প্রশাসন অনেক কিছু করতে পারে। শুধু উনি নন, কাল কেন্দ্রীয় আধা সেনা তাদের কর্তব্য করেছে। এমনকি পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ এবং কলকাতা পুলিশও ভালো কাজ করেছে। পুলিশও চাইছে সুযোগ দেওয়া হোক। কিছু করে দেখাতে চাইছে। যারা কমিশনারকে (West Bengal Elections 2026) বিদ্রূপ করেছিল, তারাই এখন রাজনৈতিকভাবে ‘ভ্যানিশ’ হওয়ার পথে।”

    পুলিশের ভূমিকা

    বিজেপি প্রার্থী প্রবীণ নেতা দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) এই নির্বাচনে পুলিশের ভূমিকাকে বিশেষ নজরে দেখছেন। তাঁর পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, এবারের নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গ ও কলকাতা পুলিশের ‘বডি ল্যাঙ্গুয়েজ’ বা শরীরী ভাষায় আমূল পরিবর্তন এসেছে। পুলিশ এখন নিরপেক্ষভাবে কাজ করার সুযোগ চাইছে এবং প্রশাসন চাইলে যে সুষ্ঠুভাবে কাজ সম্পন্ন করতে পারে, তা প্রমাণিত হয়েছে। তিনি সাফ কথায় বলেন, “পুলিশ সবথেকে বেশি পাবলিক কন্ট্যাক্ট করে। ওরা পাবলিকের গালাগালি খায় মার খায়। আবার ভালো কাজ করলে প্রশংসা পায়। তারাই সবথেকে আগে বুঝতে পারে কি হতে চলেছে। নাহলে কাল কার্তিক ব্যানার্জীকে পুলিশ যেভাবে চমকেছে, সোজা কথা সোজা ভাবে বলেছে, এইভাবে পিঠ সোজা রেখে কথা বলতে আমরা সাম্প্রতিক কালে পুলিশকে দেখিনি। বিষয়টা (West Bengal Elections 2026) আমার খুব ভালো লেগেছে।”

    আগে সরকার পাল্টাক

    পুলিশের এই বদলে যাওয়া মনোভাবকে তিনি রাজ্যে রাজনৈতিক পরিবর্তনের ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন। তাঁর দাবি, কেন্দ্রীয় বাহিনীর পাশাপাশি রাজ্য পুলিশও যথাযথভাবে তাদের দায়িত্ব পালন করেছে। একই ভাবে সরকার গঠন এবং মন্ত্রিত্ব প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) বলেন, “দীর্ঘ ১৫ বছরের শাসনে তৃণমূল কংগ্রেসের কাছে জনগণের জন্য নতুন কোনও ইস্যু নেই। আমি সোশ্যাল মিডিয়ার চর্চায় বিশ্বাসী নই। আমি ফেসবুকের বদলে ফেস টু ফেস বেশি ভরসা রাখি। কিছু মানুষ সোস্যাল মিডিয়ায় সরকার গড়ে ভাঙে মন্ত্রিসভা গঠন করে। আমি সরকার চাই। মন্ত্রিত্ব নয়। সরকার হোক। মন্ত্রিসভা (West Bengal Elections 2026) নিয়ে পরে ভাবা যাবে। বাংলার মানুষ আগে সরকার পাল্টাক। কাল থেকে তো আবহাওয়া পাল্টে গেছে। সরকার তো পাল্টাবেই।”

    পুলিশ, পাবলিক, গ্রাম, শহর সবাই পরিবর্তনের কথা বলেছে

    তবে এই অষ্টাদশ নির্বাচনে (West Bengal Elections 2026) বাংলার ভোট পর্বে আপামার মানুষ পরিবর্তন চেয়েছেন। তাই দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) বলেন, “প্রথম দফায় ১১০। অমিত শাহ বলে গিয়েছেন। দ্বিতীয় দফায় কলকাতায় ৮৮ শতাংশ ভোট পড়েছে। ঐতিহাসিক ব্যাপার। বাংলার ভোটের ট্রেন্ড বলে দিচ্ছে পরিবর্তন আসছে। কিন্তু আমি সংখ্যা বলতে পারব না, তবে পর্যাপ্ত সিট আসছেই। পুলিশ, পাবলিক, গ্রাম, শহর সবাই পরিবর্তনের কথা বলেছে। বিহারে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত বোঝা যায়নি কে জিতবে। সংখ্যা বলা বুদ্ধিমানের কাজ নয়। তবে এমন সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাব, যাতে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হবে না। বুক ফুলিয়ে সরকার চালানোর মতো মেজরিটি পাব। অন্য দল ভাঙানোর প্রশ্নই নেই। যদি কেউ নিজে থেকে আসতে চায় তাকে সসম্মানে আনা হবে।”

    দিলীপ অবশ্য সম্পূর্ণ আত্মবিশ্বাসী, তিনি বলেন, ‘‘মানুষ আর শাসক দলকে সমর্থন করবে না। সামগ্রিকভাবে, নির্বাচন কমিশনের কড়া নজরদারি এবং পুলিশের ইতিবাচক ভূমিকা এবারের নির্বাচনে ভোটারদের নির্ভয়ে ভোট দিতে সাহায্য করেছে।’’ আগামী ৪ এপ্রিল গণনা ওইদিন বোঝা যাবে সরকার কোন দল গঠন করছে।

  • Assembly Elections 2026: অসম ফের বিজেপির দখলে, বাকি দুই রাজ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, বলছে এক্সিট পোল

    Assembly Elections 2026: অসম ফের বিজেপির দখলে, বাকি দুই রাজ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, বলছে এক্সিট পোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেবল পশ্চিমবঙ্গ নয়, আগামী ৪ মে ফল ঘোষণা হবে দেশের আরও তিন রাজ্যের বিধানসভার (Assembly Elections 2026)। এই রাজ্য তিনটি হল অসম, তামিলনাড়ু এবং কেরল। কেন্দ্রশাসিত পুদুচেরির ফল ঘোষণাও হবে ওই দিনই (Exit Poll)। বুধবারই বাংলায় সাঙ্গ হল দু’দফার ভোট-পর্ব। তার পরেই শুরু হয়ে গিয়েছে কোন রাজ্যে কে ক্ষমতায় আসছে, তা নিয়ে জল্পনা। এর কারণ একাধিক এক্সিট পোল বা  বুথ ফেরত সমীক্ষার ফল। দেখে নেওয়া যাক, কী বলছেন ভোট বিশেষজ্ঞরা।

    অসমের এক্সিট পোল

    ১২৬ আসন বিশিষ্ট অসম বিধানসভায় ম্যাজিক ফিগার ৬৪। একাধিক বুথ ফেরত সমীক্ষার ফল বলছে, অসমে ফের ক্ষমতায় আসছে বিজেপি। অ্যাক্সিস মাই ইন্ডিয়ার বুথ ফেরত সমীক্ষা বলছে, বিজেপি পেতে পারে ৮৮ থেকে ১০০টি আসন। কংগ্রেস পেতে পারে ২৪ থেকে ৩৬টি আসন। একটিও আসনও পাচ্ছে না এআইইউডিএফ। অন্যরা পেতে পারে শূন্য থেকে ৩টি আসন। জনমত পোলস-এর বুথ ফেরত সমীক্ষা বলছে, বিজেপি পেতে পারে ৮৭ থেকে ৯৮টি আসন। কংগ্রেস পেতে পারে ২৯ থেকে ৩০টি আসন। অন্যরা কোনও আসন পাবে না। জেভিসির বুথ ফেরত সমীক্ষার ফল বলছে, বিজেপি পেতে পারে ৮৮ থেকে ১০১টি আসন। কংগ্রেসের ঝুলিতে যেতে পারে ২৩ থেকে ৩৩টি আসন। এআইইউডিএফ পেতে পারে ২ থেকে ৫টি আসন (Exit Poll)। কামাক্ষ্যা অ্যানালিটিকসের বুথ ফেরত সমীক্ষা বলছে, বিজেপি পেতে পারে ৮৫ থেকে ৯৫টি আসন। কংগ্রেস পেতে পারে ২৬ থেকে ৩৯টি আসন। অন্যরা পেতে পারে বড়জোর ৩টি আসন (Assembly Elections 2026)।

    তামিলনাড়ুর এক্সিট পোল

    দক্ষিণের দুটি রাজ্যেও হয়েছে বিধানসভার নির্বাচন। তামিলনাড়ু বিধানসভার আসন সংখ্যা ২৩৪। ম্যাজিক ফিগার ১১৮টি আসন। বিভিন্ন বুথ ফেরত সমীক্ষা বলছে, তামিলনাড়ুতে এবার হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের সম্ভাবনা। লড়াইয়ের ময়দানে রয়েছে শাসকদল ডিএমকে, এডিএমকে এবং অভিনেতা বিজয়ের নয়া রাজনৈতিক দল টিভিকে-ও। এবার সরকার গঠনে নির্ণায়ক ভূমিকা নিতে পারে এই নয়া দল। ঘুরে দাঁড়াতে পারে এডিএমকে-ও। অ্যাক্সিস মাই ইন্ডিয়ার বুথ ফেরত সমীক্ষা বলছে, ডিএমকে পেতে পারে ৯২ থেকে ১১০টি আসন। এডিএমকে পেতে পারে ২২ থেকে ২৩টি আসন। টিভিকের ঝুলিতে যেতে পারে ৯৮ থেকে ১২০টি আসন।

    বুথ ফেরত সমীক্ষা

    জেভিসির বুথ ফেরত সমীক্ষা অনুযায়ী, ডিএমকে পেতে পারে ৭৫ থেকে ৯৫টি আসন। এডিএমকে পেতে পারে ১২৮ থেকে ১৪৭টি আসন। টিভিকে পেতে পারে ৮ থেকে ১৫টি আসন। অন্যরা কোনও আসনই পাবে না (Assembly Elections 2026)।কামাক্ষ্যা অ্যানালেটিকসের বুথ ফেরত সমীক্ষার ফল বলছে, ডিএমকে পেতে পারে ৭৮ থেকে ৯৫টি আসন। এডিএমকে পেতে পারে ৬৮ থেকে ৮৪টি আসন। টিভিকে পেতে পারে ৬৭ থেকে ৮১টি আসন (Exit Poll)। ম্যাট্রিজের বুথ ফেরত সমীক্ষা অনুযায়ী, ডিএমকে পেতে পারে ১২২ থেকে ১৩২টি আসন। এডিএমকে পেতে পারে ৮৭ থেকে ১০০টি আসন। টিভিকের ঝুলিতে পড়তে পারে ১০ থেকে ১২টি আসন। অন্যরা খুব বেশি হলে পেতে পারে ৬টি আসন।

    কেরলের এক্সিট পোল

    দক্ষিণের আর এক রাজ্য কেরলেও হয়েছে বিধানসভা নির্বাচন। ১৪০ আসন বিশিষ্ট এই বিধানসভায় ম্যাজিক ফিগার ৭১টি আসন। একাধিক বুথ ফেরত সমীক্ষার ফল বলছে, কেরলে এবার সরকার পরিবর্তন হতে চলেছে। বামেদের ক্ষমতাচ্যুত করে সরকার গড়তে পারে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউডিএফ। অ্যাক্সিস মাই ইন্ডিয়ার বুথ ফেরত সমীক্ষা বলছে, এলডিএফ ৪৯ থেকে ৬২টি আসন পেতে পারে। ইউডিএফ পেতে পারে ৭৮ থেকে ৯০টি আসন। বিজেপি পেতে পারে সর্বোচ্চ ৩টি আসন (Assembly Elections 2026)। পিপলস ইনসাইটের বুথ ফেরত সমীক্ষায় দাবি, বামেদের জোট এলডিএফ পেতে পারে ৫৮ থেকে ৬৮টি আসন। ইউডিএফ পেতে পারে ৬৬ থেকে ৭৬টি আসন। পদ্ম-ঝুলিতে পড়তে পারে ১০ থেকে ১৪টি আসন। অন্যরা পাবে সর্বোচ্চ একটি আসন (Exit Poll)। পিপলস পালসের বুথ ফেরত সমীক্ষায় দাবি, এলডিএফ পেতে পারে ৫৫ থেকে ৬৫টি আসন। ইউডিএফ পেতে পারে ৭৫ থেকে ৮৫টি আসন। বিজেপি পেতে পারে সর্বোচ্চ ৩টি আসন। ভোট ভাইবের বুথ ফেরত সমীক্ষা অনুযায়ী, এলডিএফ পেতে পারে ৫৮ থেকে ৬৮টি আসন। ইউডিএফ পেতে পারে ৭০ থেকে ৮০টি আসন। অন্যরা পেতে পারে বড়জোর ৪টি আসন। বিজেপি কোনও আসনই পাবে না (Assembly Elections 2026)।

    পুদুচেরির এক্সিট পোল

    কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পুদুচেরি বিধানসভার ফলও বেরবে ৪ তারিখেই। ৩০ আসন বিশিষ্ট এই বিধানসভায় সরকার গড়তে প্রয়োজন ১৬টি আসনের। বিভিন্ন বুথ ফেরত সমীক্ষা বলছে, এনআরসির নেতৃত্বাধীন শাসকদল এবার ক্ষমতা ধরে রাখতে পারবে। অ্যাক্সিস মাই ইন্ডিয়ার বুথ ফেরত সমীক্ষা বলছে, এনআরসি পেতে পারে ১৬ থেকে ২০টি আসন। কংগ্রেস ও তার সহযোগীরা পেতে পারে ৬ থেকে ৮টি আসন। অভিনেতা বিজয়ের টিভিকের ঝুলিতে যেতে পারে ২ থেকে ৪টি আসন। অন্যরা পেতে পারে এক থেকে তিনটি আসন (Exit Poll)। কামাক্ষ্যা অ্যানালিটিকসের বুথ ফেরত সমীক্ষার দাবি, এনআরসি এবং তার সহযোগীরা পেতে পারে ১৭ থেকে ২৪টি আসন। কংগ্রেসের ঝুলিতে পড়তে পারে ৪ থেকে ৭টি আসন। টিভিকে পেতে পারে ১ থেকে ২টি আসন। অন্যরা পেতে পারে সর্বোচ্চ একটি আসন। পিপলস পালসের সমীক্ষা বলছে, এনআরসি পেতে পারে ১৬ থেকে ১৯টি আসন। কংগ্রেসের ঝুলিতে যেতে পারে ১০ থেকে ১২টি আসন। টিভিকে কোনও আসনই পাচ্ছে না। অন্যরা পেতে পারে ১ থেকে ২টি আসন (Assembly Elections 2026)। প্রাইয়া পোলের বুথ ফেরত সমীক্ষার দাবি, এনআরসি এবং তাদের সহযোগীরা পেতে পারে ১৯ থেকে ২৫টি আসন। কংগ্রেস ও তার সহযোগীরা পেতে পারে ৬ থেকে ১০টি আসন। টিভিকে কোনও আসন পাবে না। অন্যদের অবস্থাও তথৈবচ (Exit Poll)।

     

  • Delhi Mayor: দিল্লি পুরসভার মেয়র হলেন বিজেপির প্রবেশ ওয়াহি

    Delhi Mayor: দিল্লি পুরসভার মেয়র হলেন বিজেপির প্রবেশ ওয়াহি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লি মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের (এমসিডি) মেয়র নির্বাচিত হলেন বিজেপি কাউন্সিলর প্রবেশ ওয়াহি। রোহিণী পূর্ব, ৫৩ নম্বর ওয়ার্ডের পদ্ম-কাউন্সিলর তিনি। ডেপুটি মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন আনন্দ বিহারের বিজেপি কাউন্সিলর মনিকা পন্ত। এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্টে দু’জনকেই অভিনন্দন জানিয়েছে এমসিডি। মেয়র ও ডেপুটি মেয়র — উভয়েই বিজেপির সদস্য। বিজেপির রাজা ইকবাল সিং ছিলেন বিদায়ী এমসিডি মেয়র। এর আগে, দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নর (এলজি) তরণজিৎ সিং সান্ধু এমসিডি নির্বাচনে সিংকে প্রিসাইডিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ করেছিলেন।

    আপের অঙ্গীকার নিয়েই প্রশ্ন (Delhi Mayor)

    বুধবার সকালেই রাজ্যসভার সাংসদ স্বাতী মালিওয়াল, যিনি আনুষ্ঠানিকভাবে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন, এমসিডি মেয়র নির্বাচনে প্রার্থী না দেওয়ায় আপের সমালোচনা করেন। তিনি জানান, হার নিশ্চিত জানলেও গণতন্ত্রের প্রতি বিশ্বাস রাখা উচিত। আপ সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে কটাক্ষ করে তিনি জানান, আপের প্রার্থী না দেওয়ার সিদ্ধান্ত দলটির গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রতি অঙ্গীকার নিয়েই প্রশ্ন তোলে। সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “অরবিন্দ কেজরিওয়ালের দল কোনও প্রার্থী দেননি। এটা কেমন রাজনীতি? তাদের উচিত গণতন্ত্রে বিশ্বাস রাখা। তারা জানে যে তারা হারবে, তবুও তাদের উচিত ছিল নির্বাচন লড়া।”

    ট্রিপল-ইঞ্জিন সরকার

    তিনি জানান, এমসিডি জাতীয় রাজধানীর উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং নাগরিক প্রশাসন ও রাজ্য সরকারের মধ্যে সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, “দিল্লির উন্নয়নের জন্য এমসিডি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যতদিন দিল্লিতে আপ সরকার ক্ষমতায় ছিল, তারা একে খুব খারাপ অবস্থায় ফেলে রেখেছিল। এখন এমসিডি ও দিল্লি সরকারকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।” একই ধরনের মন্তব্য করে, মেয়র নির্বাচনে আপ প্রার্থী না দেওয়া প্রসঙ্গে বিজেপি বিধায়ক রবিন্দর সিং নেগি বলেন, “আপ জানে তারা হারবে, তাই তারা কাউকেই প্রার্থী করেনি।” তিনি বলেন, “আপ প্রার্থী দিচ্ছে না কারণ তারা জানে তারা নির্বাচনে হারবে, যেহেতু তাদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা নেই। দিল্লিতে এখন ট্রিপল-ইঞ্জিন সরকার রয়েছে, যা ঐতিহাসিক কাজ করছে, এবং এটি আরও শক্তিশালী হবে।”

     

  • Kazakhstan: কাজাখস্তান থেকে আসছে বিপুল ইউরেনিয়াম, ৩৫ হাজার কোটি টাকার চুক্তি করল ভারত

    Kazakhstan: কাজাখস্তান থেকে আসছে বিপুল ইউরেনিয়াম, ৩৫ হাজার কোটি টাকার চুক্তি করল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের জ্বালানি উৎস বৈচিত্র্যময় করতে কাজাখস্তানের (Kazakhstan) ইউরেনিয়াম জায়ান্ট কাজাটমপ্রমের সঙ্গে (Uranium Procurement Deal) একটি বড় ইউরেনিয়াম কেনার চুক্তিতে সই করল ভারত। ৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও (প্রায় ৩৫,০০০ কোটি টাকা) বেশি মূল্যের এই চুক্তি এশিয়ার অন্যতম বৃহত্তম ইউরেনিয়াম সরবরাহ ব্যবস্থা। এই দশকের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পারমাণবিক জ্বালানি অংশীদারিত্বগুলির একটি হিসেবেই একে দেখা হচ্ছে।

    বৈশ্বিক পারমাণবিক শক্তির ভারসাম্য (Kazakhstan)

    বিশেষজ্ঞদের মতে, এই চুক্তির প্রভাব শুধু অসামরিক বিদ্যুৎ উৎপাদনেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, এটি বৈশ্বিক পারমাণবিক শক্তির ভারসাম্য এবং কৌশলগত জ্বালানি নিরাপত্তার ক্ষেত্রেও প্রভাব ফেলবে। চুক্তিটির পরিসর এতটাই বড় যে, অনুমোদন পেতে কাজাটমপ্রমকে একটি ‘এক্সট্রা অর্ডিনারি জেনারেল মিটিং’ করতে হয়েছিল। ডিফেন্স সিকিউরিটি এশিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, কাজাটমপ্রমের ৯২.৯ শতাংশ শেয়ারহোল্ডার এর পক্ষে ভোট দেওয়ার পর চূড়ান্ত হয় চুক্তি। জানা গিয়েছে, এই চুক্তির আওতায় দীর্ঘমেয়াদি ভিত্তিতে প্রাকৃতিক ইউরেনিয়াম কনসেন্ট্রেট (U₃O₈) ভারতের পারমাণবিক শক্তি বিভাগের অধীন ডিরেক্টরেট অফ পারচেজ অ্যান্ড স্টোর্সে সরবরাহ করা হবে। এই ব্যবস্থা ভারতের সম্প্রসারিত রিঅ্যাক্টর বহরের জন্য আগামী বহু বছর নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করবে।

    ভারতের লাভ

    দীর্ঘমেয়াদে ভারত ও কাজাখস্তান উভয় দেশই এই চুক্তিতে উপকৃত হবে। ভারতের ক্ষেত্রে, ইউরেনিয়ামের ধারাবাহিক ও নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ ২০৪৭ সালের মধ্যে ১০০ গিগাওয়াট পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা অর্জনের লক্ষ্যে সাহায্য করবে, বিশেষ করে যখন বিদ্যুতের চাহিদা বাড়ছে এবং জীবাশ্ম জ্বালানি ভূ-রাজনীতি অস্থির অবস্থায় রয়েছে (Kazakhstan)। এদিকে, কাজাখস্তান এই চুক্তির মাধ্যমে বিশ্বের দ্রুততম বর্ধনশীল অর্থনীতিগুলির একটিকে সার্বভৌম পারমাণবিক ক্রেতা হিসেবে নিশ্চিত করেছে। এর পাশাপাশি, এটি বিশ্ব ইউরেনিয়াম সরবরাহে কাজাখস্তানের আধিপত্য আরও শক্তিশালী করেছে, কারণ বিশ্ব খনি উৎপাদনের প্রায় ৪০ শতাংশ থেকে ৪৩ শতাংশ ইউরেনিয়াম তাদের থেকেই আসে। চুক্তিটির বিশাল পরিসরের কারণে খোলা বাজার থেকে বিপুল পরিমাণ ইউরেনিয়াম সরিয়ে নেওয়া হবে, যা বৈশ্বিক সরবরাহ পরিস্থিতিতে প্রভাব ফেলতে পারে। এটি দীর্ঘমেয়াদি দ্বিপাক্ষিক চুক্তিকে উৎসাহিত করবে, যা দ্রুত স্পট-মার্কেট নির্ভরতার বদলে জায়গা করে নিচ্ছে।

    সঙ্কটকালেও মিলবে ইউরেনিয়াম

    বিশেষজ্ঞদের মতে, এই চুক্তির ফলে কাজাটমপ্রমের উৎপাদন ব্যবস্থার একটি বড় অংশ ভারতের জন্য সংরক্ষিত হবে। এর ফলে বৈশ্বিক ইউরেনিয়াম সঙ্কটের সময়ও সরবরাহ অব্যাহত থাকবে ভারতে। এতে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে বাড়তে থাকা বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় ভারত (Kazakhstan) বিরাট লাভ করবে। কাজাটমপ্রম ২০২৫ সালে ২৫,৮৩৯ টন ইউরেনিয়াম উৎপাদন করেছে। ২০২৬ সালের জন্য ২৭,৫০০ থেকে ২৯,০০০ টন উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ (Uranium Procurement Deal) করেছে। বর্তমানে ভারতে ২৪টি কার্যকর পারমাণবিক রিঅ্যাক্টর রয়েছে, যার মোট ক্ষমতা ৮ থেকে ১০ গিগাওয়াট। ভারত ২০৪৭ সালের মধ্যে এটি ১০০ গিগাওয়াটে উন্নীত করার লক্ষ্য নিয়েছে। ২০৩১ থেকে ২০৩৫ সালের মধ্যে আরও ২২.৫ গিগাওয়াট ক্ষমতা যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

  • Daily Horoscope 30 April 2026: দায়িত্ব বাড়তে পারে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 30 April 2026: দায়িত্ব বাড়তে পারে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ (Aries)

    ১. কাজের চাপ বাড়তে পারে, ধৈর্য ধরো
    ২. টাকার বিষয়ে একটু সতর্ক থাকো
    ৩. পরিবারের সাথে সময় কাটালে মন ভালো থাকবে

    বৃষ (Taurus)

    ১. নতুন সুযোগ আসতে পারে কাজে
    ২. পুরনো বন্ধুদের সাথে যোগাযোগ হবে
    ৩. শরীরের দিকে খেয়াল রাখা দরকার

    মিথুন (Gemini)

    ১. সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় ভালো করে ভাবো
    ২. প্রেমের সম্পর্কে উন্নতি হবে
    ৩. ছোট ভ্রমণের যোগ আছে

    কর্কট (Cancer)

    ১. অফিসে প্রশংসা পেতে পারো
    ২. খরচ একটু বেশি হতে পারে
    ৩. মানসিক চাপ কমানোর চেষ্টা করো

    সিংহ (Leo)

    ১. আত্মবিশ্বাস বাড়বে
    ২. নতুন কাজ শুরু করতে পারো
    ৩. পরিবারের সমর্থন পাবে

    কন্যা (Virgo)

    ১. কাজের ফল ভালো হবে
    ২. স্বাস্থ্য একটু খারাপ হতে পারে
    ৩. কারও সাথে ভুল বোঝাবুঝি হতে পারে

    তুলা (Libra)

    ১. প্রেমে সুখবর আসতে পারে
    ২. ব্যবসায় লাভের সম্ভাবনা
    ৩. নতুন পরিকল্পনা সফল হবে

    বৃশ্চিক (Scorpio)

    ১. হঠাৎ ভালো খবর পেতে পারো
    ২. খরচ নিয়ন্ত্রণে রাখো
    ৩. বন্ধুদের সাহায্য পাবে

    ধনু (Sagittarius)

    ১. ভ্রমণের সুযোগ আসবে
    ২. কাজের চাপ কম থাকবে
    ৩. নতুন কিছু শেখার ইচ্ছা বাড়বে

    মকর (Capricorn)

    ১. দায়িত্ব বাড়তে পারে
    ২. অর্থনৈতিক উন্নতি হবে
    ৩. পরিবারের সাথে মতবিরোধ হতে পারে

    কুম্ভ (Aquarius)

    ১. নতুন সম্পর্ক তৈরি হতে পারে
    ২. কাজে সাফল্য পাবে
    ৩. শরীর ভালো থাকবে

    মীন (Pisces)

    ১. সৃজনশীল কাজে সাফল্য
    ২. প্রেমে একটু সমস্যা হতে পারে
    ৩. আর্থিক অবস্থা স্থিতিশীল থাকবে

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Ramakrishna 635: “ঈশ্বরের জন্য প্রাণ আটুবাটু করলে জানবে যে দর্শনের আর দেরি নাই, অরুণ উদয় হলে—পূর্বদিক লাল হলে—বুঝা যায় সূর্য উঠবে।”

    Ramakrishna 635: “ঈশ্বরের জন্য প্রাণ আটুবাটু করলে জানবে যে দর্শনের আর দেরি নাই, অরুণ উদয় হলে—পূর্বদিক লাল হলে—বুঝা যায় সূর্য উঠবে।”

    ৫৩ কাশীপুর বাগানে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    চতুর্থ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৬, ৪ঠা জানুয়ারি
    ঈশ্বরের জন্য শ্রীযুক্ত নরেন্দ্রের ব্যাকুলতা ও তীব্র বৈরাগ্য

    নরেন্দ্র — না, তিনি খাওয়াবার জন্য ব্যস্ত, হরিণের মাংস ছিল; খেলুম, — কিন্তু খেতে ইচ্ছা ছিল না।

    মণি — তারপর?

    নরেন্দ্র (Ramakrishna) — দিদিমার বাড়িতে, সেই পড়বার ঘরে পড়তে গেলাম। পড়তে গিয়ে পড়াতে একটা ভয়ানক আতঙ্ক এল, — পড়াটা যেন কি ভয়ের জিনিস! বুক আটুপাটু করতে লাগল! — অমন কান্না কখনও কাঁদি নাই (Kathamrita)।

    “তারপর বই-টই ফেলে দৌড়! রাস্তা দিয়ে ছুট! জুতো-টুতো রাস্তায় কোথায় একদিকে পড়ে রইল! খড়ের গাদার কাছ দিয়ে যাচ্ছিলাম, — গায়েময়ে খড়, আমি দৌড়ুচ্চি, — কাশীপুরের রাস্তায়।”

    নরেন্দ্র একটু চুপ করিয়া আছেন। আবার কথা কহিতেছেন।

    নরেন্দ্র — বিবেক চূড়ামণি শুনে আরও মন খারাপ হয়েছে! শঙ্করাচার্য বলেন — যে, এই তিনটি জিনিস অনেক তপস্যায়, অনেক ভাগ্যে মেলে, — মনুষ্যত্বং মুমুক্ষুত্বং মহাপুরুষসংশ্রয়ঃ।

    “ভাবলাম আমার তো তিনটিই হয়েছে! — অনেক তপস্যার ফলে মানুষ জন্ম হয়েছে, অনেক তপস্যার ফলে মুক্তির ইচ্ছা হয়েছে, — আর অনেক তপস্যার ফলে এরূপ মহাপুরুষের সঙ্গ লাভ হয়েছে।”

    মণি — আহা!

    নরেন্দ্র — সংসার আর ভাল লাগে না। সংসারে যারা আছে তাদেরও ভাল লাগে না। দুই-একজন ভক্ত ছাড়া।

    নরেন্দ্র অমনি আবার চুপ করিয়া আছেন। নরেন্দ্রের ভিতর তীব্র বৈরাগ্য! এখনও প্রাণ আটুপাটু করিতেছে। নরেন্দ্র আবার কথা কহিতেছেন।

    নরেন্দ্র (Ramakrishna) — আপনাদের শান্তি হয়েছে, আমার প্রাণ অস্থির হচ্ছে! আপনারাই ধন্য!

    মণি কিছু উত্তর করিলেন না, চুপ করিয়া আছেন। ভাবিতেছেন, ঠাকুর বলিয়াছিলেন, ঈশ্বরের জন্য ব্যাকুল হতে হয়, তবে ঈশ্বরদর্শন হয়। সন্ধ্যার পরেই মণি উপরের ঘরে গেলেন। দেখলেন, ঠাকুর নিদ্রিত।

    রাত্রি প্রায় ৯টা। ঠাকুরের কাছে নিরঞ্জন, শশী। ঠাকুর জাগিয়াছেন। থাকিয়া থাকিয়া নরেন্দ্রের কথাই বলিতেছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)— নরেন্দ্রের অবস্থা কি আশ্চর্য! দেখো, এই নরেন্দ্র আগে সাকার মানত না! এর প্রাণ কিরূপ আটুপাটু হয়েছে দেখছিল নাই (Kathamrita)। সেই যে আছে — একজন জিজ্ঞাসা করেছিল, ঈশ্বরকে কেমন করে পাওয়া যায়। গুরু বললেন, ‘এস আমার সঙ্গে; তোমায় দেখিয়ে দিই কি হলে ঈশ্বরকে পাওয়া যায়।’ এই বলে একটা পুকুরে নিয়ে গিয়ে তাকে জলে চুবিয়ে ধরলেন! খানিকক্ষণ পরে তাকে ছেড়ে দেওয়ার পর শিষ্যকে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘তোমার প্রাণটা কি-রকম হচ্ছিল?’ সে বললে, ‘প্রাণ যায় যায় হচ্ছিল!’

    “ঈশ্বরের জন্য প্রাণ আটুবাটু করলে জানবে যে দর্শনের আর দেরি নাই। অরুণ উদয় হলে — পূর্বদিক লাল হলে — বুঝা যায় সূর্য উঠবে।”

    ঠাকুরের আজ অসুখ বাড়িয়াছে। শরীরের এত কষ্ট। তবুও নরেন্দ্র সম্বন্ধে এই সকল কথা, — সঙ্কেত করিয়া বলিতেছেন।

    নরেন্দ্র এই রাত্রেই দক্ষিণেশ্বর চলিয়া গিয়াছেন। গভীর অন্ধকার — অমাবস্যা পড়িয়াছে। নরেন্দ্রের সঙ্গে দু-একটি ভক্ত। মণি রাত্রে বাগানেই আছেন। স্বপ্নে দেখিতেছেন, সন্ন্যাসীমণ্ডলের ভিতর বসিয়া আছেন।

  • Assembly Election 2026: রাজ্যে শেষ হল বিধানসভা নির্বাচন, ভোটদানে রেকর্ড গড়ল বঙ্গ

    Assembly Election 2026: রাজ্যে শেষ হল বিধানসভা নির্বাচন, ভোটদানে রেকর্ড গড়ল বঙ্গ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে শেষ হল বিধানসভা নির্বাচন (Assembly Election 2026)। বুধবার সন্ধে ৭টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৯২.৪৭ শতাংশ। সন্ধে ৬টা পর্যন্ত হাড়োয়া আসনে (West Bengal) ভোটের হার ৯৬.৪৬ শতাংশ। সবচেয়ে কম ভোট পড়েছে রাজারহাট গোপালপুরে, ৮৪.৩৬ শতাংশ। ভবানীপুরে সন্ধে ৬টা পর্যন্ত ভোটের হার ৮৬.৪৩ শতাংশ। ভাঙড়ে ৯২.৩৬ শতাংশ। সন্ধে ৬টার পরেও ভোটগ্রহণ চলেছে কয়েকটি কেন্দ্রে।

    রাজ্যে পড়ল রেকর্ড ভোট (Assembly Election 2026)

    কমিশনের পরিসংখ্যান অনুসারে সন্ধে ৬টা পর্যন্ত দ্বিতীয় দফায় ভোটদানের হার ৯১.৩১ শতাংশ। সন্ধ্যা ৬টার পরেও বিভিন্ন বুথে চলছে ভোটদান। ফলে ভোটের এই হারের হেরফের হবে। প্রথম দফার ভোটে রাজ্যে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ভোটদানের হার ছিল ৯২.৪৭ শতাংশ। শেষ পর্যন্ত তা বেড়ে হয় ৯৩.১৯ শতাংশ। এখনও পর্যন্ত যা পরিসংখ্যান, তাতে দ্বিতীয় তথা শেষ দফায় সবচেয়ে বেশি ভোট পড়েছে পূর্ব বর্ধমানে। সবচেয়ে কম পড়েছে কলকাতা দক্ষিণে।

    দ্বিতীয় দফায় ভোটদানের হার

    কমিশনের পরিসংখ্যান অনুসারে, দ্বিতীয় দফায় বিকেল ৫টা পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি ভোট পড়েছে হাড়োয়ায়, ৯৪.৫ শতাংশ। সবচেয়ে কম ভোট পড়েছে রাজারহাট গোপালপুর কেন্দ্রে। সেখানে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটের হার ৮২.১৮ শতাংশ। ভবানীপুরে ভোট পড়েছে ৮৫.৫১ শতাংশ। ভাঙড়ে ভোটের হার ৮৮.১৪ শতাংশ।  দ্বিতীয় দফায় বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটদানের হার ৮৯.৯৯ শতাংশ (Assembly Election 2026)। বিকেল ৫টা পর্যন্ত রাজ্যে প্রথম দফায় পড়েছিল ৮৯.৯৩ শতাংশ। চলতি বছর বিধানসভা ভোটে অসমে ভোট পড়েছে ৮৫.৩৮ শতাংশ। চলতি বিধানসভা নির্বাচনে পুদুচেরিতে ভোটদানের হার ৮৯.৯৩ শতাংশ।

    আসনভিত্তিক ভোটের হারে শীর্ষে

    কমিশন বলছে, আসনভিত্তিক ভোটের হারে শীর্ষে রয়েছে পূর্ব বর্ধমানের গলসি। সেখানে দুপুর ৩টে পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৮৫.১১ শতাংশ। সবচেয়ে কম ভোটের হার মহেশতলায়, ৭০.১ শতাংশ। ভবানীপুর আসনে দুপুর ৩টে পর্যন্ত ভোটের হার ৭৫.৬৬ শতাংশ। দুপুর ৩টে পর্যন্ত দ্বিতীয় দফায় ভোটদানের হার  ৭৮.৬৮ শতাংশ। প্রথম দফায় দুপুর ৩টে পর্যন্ত রাজ্যে ভোট পড়েছিল ৭৮.৭৭ শতাংশ। দ্বিতীয় দফায় দুপুর ৩টে পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি ভোট পড়ল পূর্ব বর্ধমানে। সবচেয়ে কম ভোটদানের হার কলকাতা দক্ষিণে (West Bengal)। দুপুর ৩টে পর্যন্ত ভোটদানের হারও ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটের তুলনায় অনেকটা বেশি। সে বার লোকসভা ভোট সাত দফায় হয়েছিল রাজ্যে। দুপুর ৩টে পর্যন্ত ভোট পড়েছিল ৫৯ থেকে ৭০ শতাংশের মধ্যে। ওই সময়ে লোকসভা নির্বাচনে ভোটদানের সর্বোচ্চ হার ছিল ষষ্ঠ দফায়, ৭০.২ শতাংশ। সবচেয়ে কম ভোট পড়েছিল সপ্তম দফায়। সেই দফায় দুপুর ৩টে পর্যন্ত ভোট পড়েছিল ৫৮.৫ শতাংশ (Assembly Election 2026)।

     

  • Assembly Election 2026: গেরুয়াময় হতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গ! বলছে একাধিক সমীক্ষার ফল

    Assembly Election 2026: গেরুয়াময় হতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গ! বলছে একাধিক সমীক্ষার ফল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গেরুয়াময় হতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গ (Assembly Election 2026)! অন্তত রাজ্য বিধানসভার নির্বাচন শেষ হওয়ার পরেই বুথফেরত সমীক্ষার ফলেই মিলেছে এই খবর (TMC vs BJP)। অধিকাংশ সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, এগিয়ে বিজেপি। সংখ্যাগরিষ্ঠতার ম্যাজিক ফিগার ছুঁয়ে ফেলেছে নরেন্দ্র মোদি-অমিত শাহের দল। দু’একটি সমীক্ষায় আবার এগিয়ে তৃণমূল। তবে সর্বত্রই বিজেপি এবং তৃণমূলের মধ্যে লড়াই হবে হাড্ডাহাড্ডি। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, অনেক ক্ষেত্রেই এই ধরনের বুথফেরত বা প্রাক নির্বাচনী জনমত সমীক্ষার ফল মেলে না। তবে আবার একেবারেই যে মেলে না, তাও কিন্তু নয়।

    ম্যাজিক ফিগার (Assembly Election 2026)

    এ রাজ্যে বিধানসভার আসন সংখ্যা ২৯৪। কুর্সিতে বসতে গেলে প্রয়োজন অন্তত ১৪৮টি আসন। একুশের বিধানসভা নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছিল তৃণমূল। বিজেপি পেয়েছিল ৭৭টি আসন। ম্যাট্রিজের বুথফেরত সমীক্ষা বলছে, পশ্চিমবঙ্গে ১৪৬ থেকে ১৬১টি আসন পেতে চলেছে বিজেপি। তৃণমূল পাচ্ছে ১২৫ থেকে ১৪০টি আসন। অন্য দলগুলি পেতে পারে ৬ থেকে ১০টি আসন। বাম বা কংগ্রেস এবারও খাতা খুলতে পারবে না বলেই দাবি ওই সমীক্ষায়।

    এগিয়ে বিজেপি

    চাণক্য স্ট্র্যাটেজির সমীক্ষায় প্রকাশ, বিজেপি ১৫০ পেরিয়ে যাবে। তারা ১৫০ থেকে ১৬০টি আসন পেতে পারে। তৃণমূলের ঝুলিতে পড়তে পারে ১৩০ থকে ১৪০টি আসন। অন্যান্যরা পেতে পারে ৬ থেকে ১০টি আসন। যদিও বাম এবং কংগ্রেসের ঝুলি শূন্য। পি-মার্কের সমীক্ষায় প্রকাশ, এ রাজ্যে ১৫০ থেকে ১৭৫টি আসনে জিততে পারে বিজেপি। তৃণমূল পেতে পারে ১১৮ থেকে ১৩৮টি আসন (TMC vs BJP)। প্রজা পোলের সমীক্ষা অনুযায়ী, বিজেপি পেতে পারে ১৭৮ থেকে ২০৮টি আসন। তৃণমূলের ঝুলিতে পড়তে পারে ৮৫ থেকে ১১০টি আসন। অন্যান্য দল শূন্য থেকে পাঁচটি আসনে জিততে পারে। পোল ডায়েরির সমীক্ষা বলছে, পশ্চিমবঙ্গে ১৪২ থেকে ১৭১টি আসন পেতে পারে বিজেপি। তৃণমূল পেতে পারে ৯৯ থেকে ১২৭টি। অন্যান্যরা পেতে পারে ৫ থেকে ৯টি আসন (Assembly Election 2026)।

    হাড্ডাহাড্ডি লড়াই

    পিপল্‌স পাল্‌সের সমীক্ষায় অবশ্য তৃণমূল এগিয়ে। তারা পাচ্ছে ১৭৮ থেকে ১৮৯টি আসন। বিজেপি পেতে পারে ৯৫ থেকে ১১০টি আসন। কংগ্রেস পেতে পারে ১ থেকে ৩টি আসন, বামেরা শূন্য থেকে একটি আসনে জয় পেতে পারে। জনমত পোল্‌সের সমীক্ষায়ও এগিয়ে তৃণমূল। ১৯৫ থেকে ২০৫টি আসন পেয়ে রাজ্যে ফের ক্ষমতায় আসতে চলেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল। এই সমীক্ষায় জানা গিয়েছে, বিজেপি পেতে পারে ৮০ থেকে ৯০টি আসন। কংগ্রেসের ঝুলিতে যেতে পারে এক থেকে তিনটি আসন। বামেরা শূন্য থেকে পেতে পারে বড়জোর ১টি আসন। অন্যান্যরা পেতে পারে তিন থেকে পাঁচটি আসন।

    কংগ্রেসের ভাগ্যে শিকে ছিঁড়বে!

    জেভিসির সমীক্ষায়ও এগিয়ে তৃণমূল। তাদের হিসেব বলছে, রাজ্যে ১৩১ থেকে ১৫২টি আসনে এগিয়ে রয়েছে তৃণমূল। বিজেপি পেতে পারে ১৩৮ থেকে ১৫৯টি আসন। কংগ্রেস শূন্য থেকে দু’টি আসন পেতে পারে (TMC vs BJP)। বুধবার ছিল পশ্চিমবঙ্গের দ্বিতীয় তথা শেষ দফার ভোট। এই দফায় ভোট হয়েছে রাজ্যের সাত জেলার ১৪২টি আসনে। এর আগে গত ২৩ এপ্রিল নির্বাচন (Assembly Election 2026) হয়েছিল ১৬টি জেলার ১৫২টি আসনে। এদিকে, বুধবার বিকেল ৫টা পর্যন্ত পূর্ব বর্ধমান জেলায় ভোটদানের হার ছিল ৯২.৪৬ শতাংশ। হুগলিতে এই হার ছিল ৯০.৩৪ শতাংশ, নদিয়ায় ৯০.২৮ শতাংশ, হাওড়ায় ৮৯.৪৪ শতাংশ আর উত্তর ও দক্ষিণ দুই ২৪ পরগনায় ভোটদানের হার ছিল যথাক্রমে ৮৯.৭৪ ও ৮৯.৫৭ শতাংশ। ভোট গণনা হবে ৪ মে।

    প্রসঙ্গত, দ্বিতীয় তথা শেষ দফার নির্বাচনে অংশ নিয়ে বুধবার ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, রাজ্যের বিদায়ী বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, তৃণমূলের (TMC vs BJP) সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, বিজেপি প্রার্থী তথা আরজিকর মেডিক্যাল কলেজে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার শিকার তরুণীর মা রত্না দেবনাথ, তৃণমূল সাংসদ মিতালি বাগ, পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (Assembly Election 2026)।

     

     

LinkedIn
Share