Tag: Bengali news

Bengali news

  • Assembly Election 2026: গেরুয়াময় হতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গ! বলছে একাধিক সমীক্ষার ফল

    Assembly Election 2026: গেরুয়াময় হতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গ! বলছে একাধিক সমীক্ষার ফল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গেরুয়াময় হতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গ (Assembly Election 2026)! অন্তত রাজ্য বিধানসভার নির্বাচন শেষ হওয়ার পরেই বুথফেরত সমীক্ষার ফলেই মিলেছে এই খবর (TMC vs BJP)। অধিকাংশ সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, এগিয়ে বিজেপি। সংখ্যাগরিষ্ঠতার ম্যাজিক ফিগার ছুঁয়ে ফেলেছে নরেন্দ্র মোদি-অমিত শাহের দল। দু’একটি সমীক্ষায় আবার এগিয়ে তৃণমূল। তবে সর্বত্রই বিজেপি এবং তৃণমূলের মধ্যে লড়াই হবে হাড্ডাহাড্ডি। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, অনেক ক্ষেত্রেই এই ধরনের বুথফেরত বা প্রাক নির্বাচনী জনমত সমীক্ষার ফল মেলে না। তবে আবার একেবারেই যে মেলে না, তাও কিন্তু নয়।

    ম্যাজিক ফিগার (Assembly Election 2026)

    এ রাজ্যে বিধানসভার আসন সংখ্যা ২৯৪। কুর্সিতে বসতে গেলে প্রয়োজন অন্তত ১৪৮টি আসন। একুশের বিধানসভা নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছিল তৃণমূল। বিজেপি পেয়েছিল ৭৭টি আসন। ম্যাট্রিজের বুথফেরত সমীক্ষা বলছে, পশ্চিমবঙ্গে ১৪৬ থেকে ১৬১টি আসন পেতে চলেছে বিজেপি। তৃণমূল পাচ্ছে ১২৫ থেকে ১৪০টি আসন। অন্য দলগুলি পেতে পারে ৬ থেকে ১০টি আসন। বাম বা কংগ্রেস এবারও খাতা খুলতে পারবে না বলেই দাবি ওই সমীক্ষায়।

    এগিয়ে বিজেপি

    চাণক্য স্ট্র্যাটেজির সমীক্ষায় প্রকাশ, বিজেপি ১৫০ পেরিয়ে যাবে। তারা ১৫০ থেকে ১৬০টি আসন পেতে পারে। তৃণমূলের ঝুলিতে পড়তে পারে ১৩০ থকে ১৪০টি আসন। অন্যান্যরা পেতে পারে ৬ থেকে ১০টি আসন। যদিও বাম এবং কংগ্রেসের ঝুলি শূন্য। পি-মার্কের সমীক্ষায় প্রকাশ, এ রাজ্যে ১৫০ থেকে ১৭৫টি আসনে জিততে পারে বিজেপি। তৃণমূল পেতে পারে ১১৮ থেকে ১৩৮টি আসন (TMC vs BJP)। প্রজা পোলের সমীক্ষা অনুযায়ী, বিজেপি পেতে পারে ১৭৮ থেকে ২০৮টি আসন। তৃণমূলের ঝুলিতে পড়তে পারে ৮৫ থেকে ১১০টি আসন। অন্যান্য দল শূন্য থেকে পাঁচটি আসনে জিততে পারে। পোল ডায়েরির সমীক্ষা বলছে, পশ্চিমবঙ্গে ১৪২ থেকে ১৭১টি আসন পেতে পারে বিজেপি। তৃণমূল পেতে পারে ৯৯ থেকে ১২৭টি। অন্যান্যরা পেতে পারে ৫ থেকে ৯টি আসন (Assembly Election 2026)।

    হাড্ডাহাড্ডি লড়াই

    পিপল্‌স পাল্‌সের সমীক্ষায় অবশ্য তৃণমূল এগিয়ে। তারা পাচ্ছে ১৭৮ থেকে ১৮৯টি আসন। বিজেপি পেতে পারে ৯৫ থেকে ১১০টি আসন। কংগ্রেস পেতে পারে ১ থেকে ৩টি আসন, বামেরা শূন্য থেকে একটি আসনে জয় পেতে পারে। জনমত পোল্‌সের সমীক্ষায়ও এগিয়ে তৃণমূল। ১৯৫ থেকে ২০৫টি আসন পেয়ে রাজ্যে ফের ক্ষমতায় আসতে চলেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল। এই সমীক্ষায় জানা গিয়েছে, বিজেপি পেতে পারে ৮০ থেকে ৯০টি আসন। কংগ্রেসের ঝুলিতে যেতে পারে এক থেকে তিনটি আসন। বামেরা শূন্য থেকে পেতে পারে বড়জোর ১টি আসন। অন্যান্যরা পেতে পারে তিন থেকে পাঁচটি আসন।

    কংগ্রেসের ভাগ্যে শিকে ছিঁড়বে!

    জেভিসির সমীক্ষায়ও এগিয়ে তৃণমূল। তাদের হিসেব বলছে, রাজ্যে ১৩১ থেকে ১৫২টি আসনে এগিয়ে রয়েছে তৃণমূল। বিজেপি পেতে পারে ১৩৮ থেকে ১৫৯টি আসন। কংগ্রেস শূন্য থেকে দু’টি আসন পেতে পারে (TMC vs BJP)। বুধবার ছিল পশ্চিমবঙ্গের দ্বিতীয় তথা শেষ দফার ভোট। এই দফায় ভোট হয়েছে রাজ্যের সাত জেলার ১৪২টি আসনে। এর আগে গত ২৩ এপ্রিল নির্বাচন (Assembly Election 2026) হয়েছিল ১৬টি জেলার ১৫২টি আসনে। এদিকে, বুধবার বিকেল ৫টা পর্যন্ত পূর্ব বর্ধমান জেলায় ভোটদানের হার ছিল ৯২.৪৬ শতাংশ। হুগলিতে এই হার ছিল ৯০.৩৪ শতাংশ, নদিয়ায় ৯০.২৮ শতাংশ, হাওড়ায় ৮৯.৪৪ শতাংশ আর উত্তর ও দক্ষিণ দুই ২৪ পরগনায় ভোটদানের হার ছিল যথাক্রমে ৮৯.৭৪ ও ৮৯.৫৭ শতাংশ। ভোট গণনা হবে ৪ মে।

    প্রসঙ্গত, দ্বিতীয় তথা শেষ দফার নির্বাচনে অংশ নিয়ে বুধবার ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, রাজ্যের বিদায়ী বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, তৃণমূলের (TMC vs BJP) সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, বিজেপি প্রার্থী তথা আরজিকর মেডিক্যাল কলেজে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার শিকার তরুণীর মা রত্না দেবনাথ, তৃণমূল সাংসদ মিতালি বাগ, পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (Assembly Election 2026)।

     

     

  • Nigeria Massacre: নাইজেরিয়ায় বন্দুকধারীদের নৃশংস হামলায় নিহত অন্তত ২৯

    Nigeria Massacre: নাইজেরিয়ায় বন্দুকধারীদের নৃশংস হামলায় নিহত অন্তত ২৯

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর-পূর্ব নাইজেরিয়ায় বন্দুকধারীদের নৃশংস হামলায় নিহত অন্তত ২৯ জন। হামলার দায় স্বীকার করেছে (Nigeria Massacre) ইসলামিক স্টেট ওয়েস্ট আফ্রিকা প্রভিন্স (ISWAP)। গোষ্ঠীটির দাবি, তারা হামলা চালিয়ে অন্তত ২৫ জন খ্রিস্টানকে হত্যা করেছে।

    খেলার মাঠে অতর্কিতে হামলা (Nigeria Massacre)

    রবিবার আদামাওয়া (Islamic State) অঙ্গরাজ্যের গোম্বি লোকাল গভর্নমেন্ট এরিয়ার গুইয়াকু কমিউনিটিতে হিংসার ঘটনাটি ঘটে। অঞ্চলটি ক্যামেরুন সীমান্তের কাছে, দীর্ঘদিন ধরে জেহাদি তৎপরতার জন্য পরিচিত। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, হামলাকারীরা একটি ফুটবল খেলার মাঠে অতর্কিতে হামলা চালায়। সেই সময় বহু তরুণ-তরুণী খেলা দেখতে সেখানে জড়ো হয়েছিলেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য, বন্দুকধারীরা এলাকায় ঢুকে নির্বিচারে গুলি চালাতে শুরু করে।

    স্থানীয়দের বক্তব্য

    স্থানীয় এক বাসিন্দা সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, “আমাদের লোকজন গুইয়াকু কমিউনিটির ফুটবল মাঠে জড়ো হয়েছিল…। তখন বিদ্রোহীরা অস্ত্র নিয়ে ঢুকে পড়ে এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে থাকে।” নিহতদের অধিকাংশই যুবক-যুবতী। এর মধ্যে ফুটবল খেলা দেখতে আসা কয়েকজন মহিলাও রয়েছেন। স্থানীয় সূত্রে খবর, হামলার সময় ঘরবাড়ি, যানবাহন ও গির্জায় আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। আদামাওয়া অঙ্গরাজ্যের গভর্নর আহমাদু উমারু ফিনতিরি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জানান, গুইয়াকু কমিউনিটিতে প্রাণঘাতী হামলায় অন্তত ২৯ জন নিহত হয়েছেন। হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দে করে অবিলম্বে নিরাপত্তা জোরদার করার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি (Nigeria Massacre)।

    পোড়া গির্জার ছবি

    জানা গিয়েছে, প্রথমে প্রশাসন বোকো হারাম জঙ্গিদের দায়ী করলেও, পরে হামলার দায় স্বীকার করে বিবৃতি (Islamic State) দেয় আইএসডাব্লুএপি। তাদের দাবি, অন্তত ২৫ জন খ্রিস্টানকে হত্যা করা হয়েছে। একটি গির্জা ও প্রায় ১০০টি মোটরবাইকে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। টেলিভিশন ফুটেজে পোড়া গির্জা ও কয়েকটি পুড়ে যাওয়া মোটরসাইকেল দেখা গিয়েছে। কমিউনিটি নেতারা জানান, হামলাকারীরা কয়েক ঘণ্টা ধরে সাধারণ মানুষের ওপর হামলা ও সম্পত্তি ধ্বংস করেছে। নিরাপত্তা রক্ষীরা না থাকায় তারা সঙ্গে সঙ্গে কোনও প্রতিরোধের মুখেও পড়েনি (Nigeria Massacre)।

    নিরাপত্তা সঙ্কট

    এই হামলায় নাইজেরিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চলের দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা সঙ্কটকে আবারও চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল। এখানে এক দশকেরও বেশি সময় ধরে বিদ্রোহ করছে জেহাদিরা। রাষ্ট্রসংঘের তথ্য অনুযায়ী, ২০০৯ সাল থেকে বোকো হারাম ও আইএসডাব্লুএপি সংক্রান্ত হিংসায় হাজার হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন, বাস্তুচ্যুত হয়েছেন লাখো মানুষ। এই সংঘাত প্রতিবেশী নাইজার, চাদ ও ক্যামেরুনেও ছড়িয়ে পড়েছে। সাম্প্রতিক এই হামলাটি বিশেষভাবে আলোচনায় এসেছে, কারণ এতে প্রকাশ্যে দায় স্বীকার করা হয়েছে এবং জনসমাগমে থাকা নিরীহ মানুষদের টার্গেট করা হয়েছে।

    কৃষিজমি নিয়ে বিবাদের জের

    দেশে সাধারণ নির্বাচন এক বছরেরও কম সময় দূরে থাকায় নাইজেরিয়ার নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে চাপ বাড়ছে। সরকার বিদ্রোহ দমন ও নতুন করে হওয়া হামলা ঠেকাতে বাড়তি চাপে রয়েছে (Nigeria Massacre)। এদিকে, এদিনই ১০০ কিলোমিটারেরও বেশি দূরের লামুর্দে এলাকায় আর একটি হামলার ঘটনা ঘটে। স্থানীয় প্রশাসন জানায়, সেখানে কৃষিজমি নিয়ে বিবাদের জেরে সাম্প্রদায়িক সংঘর্ষ হয় (Islamic State)। স্থানীয় প্রশাসনের এক শীর্ষ কর্তা বলেন, “মানুষের প্রাণ গিয়েছে, সম্পত্তিও নষ্ট হয়েছে।”

    ওয়াকিবহাল মহলের মতে, গুইয়াকুর হামলাটি সাম্প্রতিক সময়ের সবচেয়ে প্রাণঘাতী ঘটনাগুলির একটি। আইএসডাব্লুএপির দাবি, তারা অন্তত ২৫ জন খ্রিস্টানকে হত্যা করেছে এবং একটি গির্জা ও প্রায় ১০০টি মোটরবাইকে আগুন দিয়েছে। জানা গিয়েছে, ওই গোষ্ঠীটি ফের হামলা চালাতে পারে। প্রত্যাশিতভাবেই নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতে শুরু করেছেন উত্তর-পূর্ব নাইজেরিয়ার সাধারণ মানুষ।

     

  • West Bengal Poll Violence: ‘ডায়মন্ড মডেল’ প্রয়োগ তৃণমূলের! বাসন্তীর বিজেপি প্রার্থীকে ব্যাপক মারধরের অভিযোগ

    West Bengal Poll Violence: ‘ডায়মন্ড মডেল’ প্রয়োগ তৃণমূলের! বাসন্তীর বিজেপি প্রার্থীকে ব্যাপক মারধরের অভিযোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গদি ধরে রাখতে ডায়মন্ড হারবারে ‘ডায়মন্ড মডেল’ প্রয়োগ তৃণমূলের (TMCs Gundagiri)! আজ, বুধবার পশ্চিমবঙ্গে হচ্ছে দ্বিতীয় তথা শেষ দফার ভোটগ্রহণ। অভিযোগ, বসন্তী বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী বিকাশ সরদারের গাড়িতে (West Bengal Poll Violence) হামলা চালায় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। বিজেপি প্রার্থীর দাবি, এলাকাজুড়ে তৃণমূল ব্যাপক ‘গুন্ডাগিরি’ চালাচ্ছে। সরদার জানান, ২০০ থেকে ২৫০ জনের একটি দল লোহার রড ও বাঁশের লাঠি নিয়ে তাঁর গাড়িতে হামলা চালায়, আক্রমণ করা হয় তাঁর গাড়ি চালককেও। বিকাশ বলেন, “পুরো বিধানসভা এলাকায় তৃণমূলের গুন্ডাগিরি চলছে। ২০০-২৫০ জন তৃণমূলের গুন্ডা লোহার রড ও বাঁশ নিয়ে আমার গাড়িতে হামলা করেছে। তারা আমার চালককেও মারধর করেছে।”

    বিজেপির বুথকর্মীর অভিযোগ (West Bengal Poll Violence)

    এদিকে, নদিয়ার চাপড়া বিধানসভা কেন্দ্রের এক বিজেপি বুথকর্মীর অভিযোগ, বুধবার ভোরে একদল দুষ্কৃতী তাঁকে আক্রমণ করেছে। ওই বুথকর্মীর নাম মোশাররফ মির। তিনি হাতরা পঞ্চায়েতের ৫৩ নম্বর বুথের পোলিং এজেন্ট। তাঁর দাবি, সকাল সাড়ে ৫টা নাগাদ ১৫-২০ জন সশস্ত্র ব্যক্তি লোহার রড ও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে তাঁকে মারধর করে পালিয়ে যায়। পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে চাপড়া গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করে। আপাতত, সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন তিনি। তাঁর মাথায় ছ’টি সেলাই পড়েছে।

    কী বলছেন মির?

    মির বলেন, “তৃণমূলের কিছু গুন্ডা লুকিয়ে ছিল জানিয়াল্লামুল্লার বাড়িতে। তাদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। জানিয়াল্লামুল্লা নিজেই একজন অপরাধী। তার কাছে বন্দুক ছিল। আরও দু’জনের কাছেও বন্দুক ছিল। তারা সেগুলি দেখাচ্ছিল। তারপর আরও ১৫-২০ জন আমাদের দিকে আসে। তাদের হাতে ছিল লোহার রড ও লাঠি। তারা প্রথমে আমায় আক্রমণ করে, মারধর করে ফেলে দেয় (West Bengal Poll Violence)।” তিনি আরও বলেন, “তারা আমায়  বারবার আঘাত (TMCs Gundagiri) করতে থাকে। আমার সঙ্গে থাকা লোকজনকেও আক্রমণ করা হয়। আমার মাথায় ছ’টি সেলাই পড়েছে। আমি চাই পুলিশ তাদের গ্রেফতার করুক। আমি বিচার চাই।”

    এদিকে, এদিন সকাল ৯টা পর্যন্ত নদিয়া জেলায় ভোটের হার ছিল ১৮.৫০ শতাংশ। পূর্ব বর্ধমান সর্বোচ্চ ২০.৮৬ শতাংশ ভোট নিয়ে শীর্ষে রয়েছে। হুগলিতে ভোট পড়েছে ২০.১৬ শতাংশ এবং উত্তর ২৪ পরগনায় ১৭.৮১ শতাংশ ভোট পড়েছে। কলকাতা উত্তর ও দক্ষিণে যথাক্রমে ১৭.২৮ শতাংশ ও ১৬.৮১ শতাংশ ভোট পড়েছে, আর হাওড়ায় ভোটের হার ১৭.৭৬ শতাংশ। ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচনে মূল লড়াই তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে। এর আগে, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ভবানীপুর কেন্দ্রের ভোটকেন্দ্রগুলি পরিদর্শন করেন। দ্বিতীয় দফায় পশ্চিমবঙ্গের ২৯৪টির মধ্যে ১৪২টি আসনে ভোট হচ্ছে। মোট ভোটার প্রায় ৩.২১ কোটি। এর মধ্যে ১,৬৪,৩৫,৬২৭ জন পুরুষ, ১,৫৭,৩৭,৪১৮ জন মহিলা এবং ৭৯২ জন তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন (West Bengal Poll Violence)। প্রসঙ্গত, ১৪২টি আসনে ভোট হলেও, সবার নজর “বিগ ফাইভ” আসনগুলির দিকে। ভবানীপুরের হাই-প্রোফাইল আসনের পাশাপাশি, বাংলা চলচ্চিত্র জগতের কেন্দ্র টালিগঞ্জেও তারকাখচিত জমজমাট লড়াই চলছে (TMCs Gundagiri)।

     

  • West Bengal Elections 2026: ডায়মন্ড হারবারে ইভিএমে পদ্ম প্রতীকে ‘টেপ’! তৃণমূলকে বিঁধল বিজেপি, পাল্টায় ‘সিংহম’

    West Bengal Elections 2026: ডায়মন্ড হারবারে ইভিএমে পদ্ম প্রতীকে ‘টেপ’! তৃণমূলকে বিঁধল বিজেপি, পাল্টায় ‘সিংহম’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে দ্বিতীয় তথা শেষ দফার নির্বাচন (West Bengal Elections 2026) চলাকালীন ফের উত্তপ্ত ডায়মন্ড হারবার (Diamond Harbour)। তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লোকসভা এলাকার ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের একাধিক বুথে ইভিএম মেশিনে বিজেপির ‘পদ্ম’ প্রতীকের ওপর সেলোটেপ লাগিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক তরজা। উল্লেখ্য, এই এলাকার তৃণমূল বিধায়ক জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে আগেই ভয় দেখানোর অভিযোগে সরব হয়েছিলেন আইপিএস অজয়পাল শর্মা। এবার এই ইভিএমের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবেন দাবাং অফিসার।

    ‘গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধ’ (West Bengal Elections 2026)

    অভিযোগ জানিয়ে বিজেপির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে, ভোটারদের বিভ্রান্ত করতে এবং বিজেপিকে ভোট (West Bengal Elections 2026) দেওয়া থেকে বিরত রাখতে পরিকল্পিতভাবে ইভিএমে পদ্ম প্রতীকের ওপর ব্রাউন টেপ সেঁটে দেওয়া হয়েছে। বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য টুইট করে এই ঘটনাকে ‘গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধ’ বলে অভিহিত করেছেন। গেরুয়া শিবিরের দাবি, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের এলাকায় (Diamond Harbour) নিশ্চিত পরাজয় বুঝতে পেরেই তৃণমূল এই ধরণের ‘নোংরা রাজনীতি’র আশ্রয় নিচ্ছে। বেশ কিছু বুথে নতুন করে ভোটের (Repolling) দাবিও তুলেছে বিজেপি।

    কমিশনের ভূমিকা

    নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, ডায়মন্ড হারবার (Diamond Harbour) এবং ফলতার বেশ কিছু বুথ থেকে অভিযোগ জমা পড়েছে। অভিযোগগুলি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং যেখানে ইভিএম বিকৃতির প্রমাণ মিলবে, সেখানে কড়া আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে। কমিশনের আধিকারিকরা সংশ্লিষ্ট বুথগুলির প্রিসাইডিং অফিসারদের (West Bengal Elections 2026) কাছে রিপোর্ট তলব করেছেন। দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের কথাও জানানো হয়েছে।

    উত্তেজনা তুঙ্গে

    বুধবার সকাল থেকেই ডায়মন্ড হারবারের (Diamond Harbour) বিভিন্ন এলাকায় তৃণমূল এবং বিজেপি কর্মীদের মধ্যে বচসা ও হাতাহাতির খবর মিলেছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল কেন্দ্রীয় বাহিনী। একদিকে যেমন ইভিএম (West Bengal Elections 2026) বিকৃত করার অভিযোগ উঠছে, অন্যদিকে শাসকদলের পাল্টা দাবি— ভোটাররা স্বতঃস্ফূর্তভাবে তৃণমূলের পক্ষেই জনমত দিচ্ছেন।

    তৃণমূলের পাল্টা জবাব

    তৃণমূল কংগ্রেস টেপকাণ্ডের (West Bengal Elections 2026) অভিযোগ পুরোপুরি ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে। তৃণমূলের পক্ষ থেকে পাল্টা নিশানা করা হয়েছে বিজেপিকে। বিদ্রুপ করে বলা হয়েছে, “যদি কোনও অভিযোগ থাকে, তবে ‘সিংহম’ অজয় পালের কাছে গিয়ে অভিযোগ জানান।” উল্লেখ্য, আইপিএস অফিসার অজয় পাল শর্মাকে এই দফার জন্য পুলিশ অবজার্ভার হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে। তৃণমূলের দাবি, বিজেপি হার নিশ্চিত জেনে এখন থেকেই অজুহাত খাড়া করতে কেন্দ্রীয় বাহিনী (Diamond Harbour) ও কমিশনের কর্তাদের নাম নিচ্ছেন।

  • PM Modi: তীব্র গরমে পুড়ছে ভারতের একাধিক শহর, প্রধানমন্ত্রীকে কাঠগড়ায় তুলছেন বিরোধীরা

    PM Modi: তীব্র গরমে পুড়ছে ভারতের একাধিক শহর, প্রধানমন্ত্রীকে কাঠগড়ায় তুলছেন বিরোধীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এখনও মে মাস শুরুই হয়নি। তার আগেই তীব্র গরমে পুড়ছে (Heatwave) ভারতের বেশ কয়েকটি শহর। পাঞ্জাব, হরিয়ানা, দিল্লি, রাজস্থান এবং উত্তর প্রদেশ-সহ ১১টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি ঘোষণা করেছে ভারতীয় আবহাওয়া দফতর (IMD)। বিরোধী শিবির ও তাদের সমর্থকরা দেখাতে চাইছে, এই ঘটনা শুধু ভারতের মধ্যেই সীমাবদ্ধ (PM Modi)। যদিও একই সময়ে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তেও তাপমাত্রা হঠাৎ করে বেড়ে গিয়েছে। এই চরম আবহাওয়ার পেছনে মানবসৃষ্ট কিছু কারণ থাকলেও, বেশি করে রয়েছে প্রাকৃতিক কারণ।

    সুপার এল নিনো (PM Modi)

    পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে সুপার এল নিনোর কারণে। এটি সমুদ্র থেকে অতিরিক্ত তাপ সংগ্রহ করে বায়ুমণ্ডলে ছেড়ে দেয়। বিজ্ঞানীরা প্রশান্ত মহাসাগরের ঘটনাবলী পর্যবেক্ষণ করছেন। এই ঘটনাবলী আগামী বছরে বৈশ্বিক তাপমাত্রা আরও বাড়াতে পারে এবং নতুন রেকর্ড সৃষ্টি করতে পারে। আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, বর্তমানে ভারতের সমতলভূমিকে গ্রাস করা তীব্র গরম বৃহত্তর এক আবহাওয়াগত ধাঁচের অংশ, যা ছ’সপ্তাহ আগে উত্তর এশিয়া ও সাইবেরিয়ায় শুরু হয়েছিল।

    তাপমাত্রা মোকাবিলায় পদক্ষেপ

    এদিকে, এপ্রিলের শুরুতে বিভিন্ন অংশীদার একজোট হয়ে গ্লোবাল হিট হেল্থ ইনফর্মেশান নেটওয়ার্ক (GHHIN)-এর সাউথ এশিয়া হাব (South Asia Hub) গঠন করেছে। এর কারণ হল ভারত-সহ গোটা উপমহাদেশে বাড়তে থাকা তাপমাত্রা মোকাবিলায় সহযোগিতা ও উদ্ভাবন বাড়ানো যায়। এটি ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ ট্রপিক্যাল মেটিওরোলজি (IITM) এবং ইন্ডিয়া মেটিওরোলজি (India Meteorological Department)-এর সঙ্গে কাজ করবে। লক্ষ্য, জলবায়ু তথ্যকে স্বাস্থ্যসেবামূলক পদক্ষেপে রূপান্তরের জন্য একটি অভিন্ন আঞ্চলিক পরিকাঠামো তৈরি করা। বিশ্ব এই পরিবর্তনের সঙ্গে লড়ছে এবং সমাধান খুঁজছে। অন্যদিকে, ভারতীয় বিরোধী দল ও বাম-উদারপন্থীরা অযৌক্তিক যুক্তি দিয়ে কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) সরকারকে দোষারোপ করতে ব্যস্ত।

    মোদি সরকারকে দোষারোপ

    সমালোচকেরা নানা অদ্ভুত অজুহাত খাড়া করে মোদি সরকারকে দোষ দিচ্ছেন। ‘এপিক ম্যাপস’ ভারতের বাড়তে থাকা তাপমাত্রার একটি মানচিত্র প্রকাশ করে এটিকে কেবল ভারতের অস্বাভাবিক ঘটনা হিসেবে দেখায়, অথচ পাকিস্তান, ইয়েমেন, থাইল্যান্ড, মায়ানমার-সহ আশপাশের দেশগুলির তাপমাত্রা বৃদ্ধির বিষয়টি গোপন রাখে (Heatwave)। কংগ্রেস নেতা শ্রীনিবাস বিভি এই অসম্পূর্ণ তথ্যকে কাজে লাগিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে দায়ী করেন। দিয়া মির্জা একটি পোস্ট শেয়ার করেন। তাতে দাবি করা হয়, ২০২৩ সালের ফরেস্ট কনজারভেশন অ্যামেন্ডমেন্ট অ্যাক্ট (Forest Conservation Amendment Act)-এর মাধ্যমে বন ধ্বংস ত্বরান্বিত হয়েছে। কারবারি আনসারির অভিযোগ, মোদি শুধু হিন্দু-মুসলিম রাজনীতি করে ভোট কুড়োতে চান, জলবায়ু পরিবর্তন বা গরম নিয়ে তিনি উদাসীন।

    নিট-জিরো এমিশন

    যদিও বিজেপি নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকার ঘন বনভূমি বৃদ্ধি, ২০৭০ সালের মধ্যে নিট-জিরো এমিশন (net-zero emission) অর্জনের অঙ্গীকার করেছে এবং নবায়নযোগ্য শক্তির প্রসারে নানা পদক্ষেপ নিয়েছে (PM Modi)। তা সত্ত্বেও বিরোধীরা তথ্যের চেয়ে রাজনৈতিক প্রচারেই বেশি মনোযোগ দিচ্ছেন। এআইসিসির সম্পাদক গৌরব পান্ধির দাবি, কংগ্রেস আমলে পরিস্থিতি ভালো ছিল, বর্তমান সরকার ব্যর্থ হয়েছে। দীনেশ ওয়াদেরা বলেন, “পরিকাঠামোর উন্নয়নের ‘কংক্রিট উদ্যোগ’ই সমস্যার কারণ।” সুধীর যাদবের অভিযোগ, আদিবাসীদের জন্য সংরক্ষিত জমি ও বন ব্যবসায়ীদের হাতে তুলে দেওয়ায় কাটা হয়েছে লাখ লাখ গাছ।

    “হিট ডোম”

    বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারতে গরমের প্রকৃত কারণ বহুস্তরীয়। কম বাতাস, উচ্চচাপ বলয় এবং মেঘের অভাবের কারণে তাপ ভূমির কাছাকাছি আটকে থাকে। ইন্দো-গ্যাঞ্জেটিক প্লেন্স (Indo-Gangetic plains) ও পূর্ব ভারতের ওপর তৈরি হওয়া “হিট ডোম” একটি বড় কারণ। এ বছর পশ্চিমী ঝঞ্ঝাও দুর্বল হয়েছে। তাই কম বৃষ্টি হয়েছে (Heatwave)। বাম-উদারপন্থীরা দাবি করলেও, ভারত বিশ্বের তুলনায় দ্রুত উষ্ণ হচ্ছে, এ কথা পুরোপুরি ঠিক নয়। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সালাটা ইনস্টিটিউটের গবেষণায় বলা হয়েছে, ভারতের গড় পৃষ্ঠতাপমাত্রা বৈশ্বিক গড়ের তুলনায় বেড়েছে ধীরে (PM Modi)।

    ইন্দো-গ্যাঞ্জেটিক প্লেন

    দূষণ থেকে উৎপন্ন এরোসলস (aerosols) সূর্যালোক ছড়িয়ে দেয়, কমিয়ে দেয় ভূমির ওপর সৌর বিকিরণ। এগুলি দক্ষিণ এশিয়ার ওপর এক ধরনের প্রতিফলক আবরণ তৈরি করে। এছাড়া, ইন্দো-গ্যাঞ্জেটিক প্লেনে (Indo-Gangetic plain) ব্যাপক সেচ বাষ্পীভবন বাড়িয়ে প্রাকৃতিক শীতলতা তৈরি করে। কোপার্নিকাস ক্লাইমেট চেঞ্জ সার্ভিসের ইআরএ৫ ডেটাসেট অনুযায়ী, নয়ের দশকের মাঝামাঝি থেকে ইউরোপ প্রতি দশকে প্রায় ০.৫৩°সেলসিয়াস হারে উষ্ণ হয়েছে, যা একে পরিণত করেছে দ্রুততম উষ্ণ হওয়া মহাদেশে। আর্কটিক আরও দ্রুত, প্রতি দশকে প্রায় ০.৬৯°সেলসিয়াস হারে উষ্ণ হচ্ছে। জানা গিয়েছে, ভারতীয় উপমহাদেশের বড় অংশে তাপমাত্রা বৃদ্ধির হার তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল, প্রতি দশকে ০ থেকে ০.২°সেলসিয়াস।

    বস্তুত, বিশ্ব উষ্ণায়ন ও তাপপ্রবাহ একটি বাস্তব ও গুরুতর সমস্যা। এর সমাধানে দীর্ঘমেয়াদি ও আন্তরিক প্রচেষ্টা দরকার। কিন্তু বিরোধী দল ও তাদের সমর্থকেরা বাস্তব সমাধানের বদলে রাজনৈতিক আক্রমণে বেশি (Heatwave) মনোযোগী। সরকার বদলালেই বিশ্বের জলবায়ুগত বাস্তবতা বদলে যাবে না (PM Modi)।

     

  • Daily Horoscope 29 April 2026: মানসিক শান্তি বজায় থাকবে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 29 April 2026: মানসিক শান্তি বজায় থাকবে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ (Aries)
    ১ আজ কর্মক্ষেত্রে চাপ বাড়তে পারে, তবে ধৈর্য রাখলে সফলতা আসবে।
    ২ অর্থনৈতিক দিক মোটামুটি স্থিতিশীল থাকবে।
    ৩ পরিবারের কারও সঙ্গে মতবিরোধ হতে পারে।

    বৃষ (Taurus)
    ১ নতুন কাজ শুরু করার জন্য ভালো দিন।
    ২ প্রেমের সম্পর্কে মধুরতা বাড়বে।
    ৩ স্বাস্থ্য নিয়ে একটু সতর্ক থাকুন।

    মিথুন (Gemini)
    ১ আজ সিদ্ধান্ত নিতে দেরি করলে সুযোগ হাতছাড়া হতে পারে।
    ২ বন্ধুর সাহায্য পেতে পারেন।
    ৩ খরচ বাড়তে পারে।

    কর্কট (Cancer)
    ১ মানসিক শান্তি বজায় থাকবে।
    ২ কর্মক্ষেত্রে প্রশংসা পাবেন।
    ৩ পুরনো সমস্যার সমাধান হতে পারে।

    সিংহ (Leo)
    ১ আত্মবিশ্বাস বাড়বে।
    ২ নতুন যোগাযোগ লাভজনক হবে।
    ৩ অযথা তর্ক এড়িয়ে চলুন।

    কন্যা (Virgo)
    ১ কাজে মনোযোগ বাড়বে।
    ২ অর্থ প্রাপ্তির সম্ভাবনা আছে।
    ৩ পরিবারের সঙ্গে সময় কাটান।

    তুলা (Libra)
    ১ আজ দিনটি মিশ্র ফল দেবে।
    ২ প্রেমে ভুল বোঝাবুঝি হতে পারে।
    ৩ ভ্রমণের সুযোগ আসতে পারে।

    বৃশ্চিক (Scorpio)
    ১ গোপন শত্রু থেকে সাবধান থাকুন।
    ২ কর্মক্ষেত্রে উন্নতির সম্ভাবনা।
    ৩ স্বাস্থ্য ভালো থাকবে।

    ধনু (Sagittarius)
    ১ নতুন পরিকল্পনা সফল হতে পারে।
    ২ অর্থ লাভের যোগ আছে।
    ৩ পরিবারের সমর্থন পাবেন।

    মকর (Capricorn)
    ১ দায়িত্ব বাড়বে।
    ২ ধৈর্য ধরে কাজ করুন।
    ৩ আর্থিক বিষয়ে সতর্ক থাকুন।

    কুম্ভ (Aquarius)
    ১ সৃজনশীল কাজে সফলতা পাবেন।
    ২ নতুন বন্ধুত্ব হতে পারে।
    ৩ মানসিক চাপ কমবে।

    মীন (Pisces)
    ১ আজ আবেগ নিয়ন্ত্রণে রাখুন।
    ২ কর্মক্ষেত্রে নতুন সুযোগ আসবে।
    ৩ স্বাস্থ্যের দিকে নজর দিন।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Ramakrishna 634: “সমাধি থেকে নেমে এসে দেখে—তিনিই জীবজগৎ, এই সমস্ত হয়েছেন, ঈশ্বরকোটির এই অবস্থা হতে পারে”

    Ramakrishna 634: “সমাধি থেকে নেমে এসে দেখে—তিনিই জীবজগৎ, এই সমস্ত হয়েছেন, ঈশ্বরকোটির এই অবস্থা হতে পারে”

    ৫৩ কাশীপুর বাগানে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    চতুর্থ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৬, ৪ঠা জানুয়ারি
    ঈশ্বরের জন্য শ্রীযুক্ত নরেন্দ্রের ব্যাকুলতা ও তীব্র বৈরাগ্য

    সন্ধ্যা হইয়াছে, নরেন্দ্র নিচে বসিয়া তামাক খাইতেছেন ও নিভৃতে মণির কাছে নিজের প্রাণ কিরূপ ব্যাকুল গল্প করিতেছেন।

    নরেন্দ্র (মণির প্রতি) — গত শনিবার এখানে ধ্যান করছিলাম। হঠাৎ বুকের ভিতর কিরকম করে এল!

    মণি (Ramakrishna)— কুণ্ডলিনী জাগরণ।

    নরেন্দ্র — তাই হবে, বেশ বোধ হল — ইড়া-পিঙ্গলা। হাজরাকে বললাম, বুকে হাত দিয়ে দেখতে।

    “কাল রবিবার, উপরে গিয়ে এঁর সঙ্গে দেখা কল্লাম, ওঁকে সব বললাম।

    “আমি বললাম, ‘সব্বাই-এর হল, আমায় কিছু দিন। সব্বাই-এর হল, আমার হবে না’?”

    মণি — তিনি তোমায় কি বললেন?

    নরেন্দ্র — তিনি বললেন (Kathamrita), ‘তুই বাড়ির একটা ঠিক করে আয় না, সব হবে। তুই কি চাস?’

    Sri Ramakrishna and the Vedanta—নিত্যলীলা দুই গ্রহণ

    “আমি বললাম, — আমার ইচ্ছা অমনি তিন-চারদিন সমাধিস্থ হয়ে থাকব! কখন কখন এক-একবার খেতে উঠব!

    “তিনি বললেন, ‘তুই তো বড় হীনবুদ্ধি! ও অবস্থার উঁচু অবস্থা আছে। তুই তো গান গাস, ‘যো কুছ্‌ হ্যায় সো তুঁহি হ্যায়’।”

    মণি — হাঁ, উনি সর্বদাই বলেন যে, সমাধি থেকে নেমে এসে দেখে — তিনিই জীবজগৎ, এই সমস্ত হয়েছেন। ঈশ্বরকোটির এই অবস্থা হতে পারে। উনি বলেন, জীবকোটি সমাধি অবস্থা যদিও লাভ করে আর নামতে পারে না।

    নরেন্দ্র (Ramakrishna)— উনি বললেন, — তুই বাড়ির একটা ঠিক করে আয়, সমাধিলাভের অবস্থার চেয়েও উঁচু অবস্থা হতে পারবে।

    “আজ সকালে বাড়ি গেলাম। সকলে বকতে লাগল, — আর বললে, ‘কি হো-হো করে বেড়াচ্ছিস? আইন একজামিন (বি. এল.) এত নিকটে, পড়াশুনা নাই, হো-হো করে বেড়াচ্ছে’।”

    মণি — তোমার মা কিছু বললেন (Kathamrita)?

    নরেন্দ্র — না, তিনি খাওয়াবার জন্য ব্যস্ত, হরিণের মাংস ছিল; খেলুম, — কিন্তু খেতে ইচ্ছা ছিল না।

    মণি — তারপর?

    নরেন্দ্র — দিদিমার বাড়িতে, সেই পড়বার ঘরে পড়তে গেলাম। পড়তে গিয়ে পড়াতে একটা ভয়ানক আতঙ্ক এল, — পড়াটা যেন কি ভয়ের জিনিস! বুক আটুপাটু করতে লাগল! — অমন কান্না কখনও কাঁদি নাই।

    “তারপর বই-টই ফেলে দৌড়! রাস্তা দিয়ে ছুট! জুতো-টুতো রাস্তায় কোথায় একদিকে পড়ে রইল! খড়ের গাদার কাছ দিয়ে যাচ্ছিলাম, — গায়েময়ে খড়, আমি দৌড়ুচ্চি, — কাশীপুরের রাস্তায়।”

    নরেন্দ্র একটু চুপ করিয়া আছেন। আবার কথা কহিতেছেন।

  • BJP: “আগামী ৪০–৫০ বছর বিজেপিকে ক্ষমতা থেকে সরানো যাবে না”, গুজরাটে গিয়ে এ কী বলে ফেললেন ইউসূফ পাঠান?

    BJP: “আগামী ৪০–৫০ বছর বিজেপিকে ক্ষমতা থেকে সরানো যাবে না”, গুজরাটে গিয়ে এ কী বলে ফেললেন ইউসূফ পাঠান?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  “আগামী ৪০–৫০ বছর গুজরাটে বিজেপিকে (BJP) ক্ষমতা থেকে সরানো যাবে না।” এমনই মন্তব্য করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ ইউসুফ পাঠান (Yusuf Pathan)।  রবিবার তিনি জানান, জনসমর্থন এবং উন্নয়নমুখী শাসনব্যবস্থার কারণে আগামী ৪০ থেকে ৫০ বছর গুজরাটে ভারতীয় জনতা পার্টি (BJP) ক্ষমতায় থাকতে পারে। ভাদোদরায় চলা স্থানীয় সংস্থা নির্বাচনে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ভোট দেন পাঠান। তার পরেই এহেন মন্তব্য করেন তৃণমূলের রাজ্যসভার এই সাংসদ। উল্লেখ্য, এই ভোটগ্রহণ গুজরাটজুড়ে শহর ও গ্রামীণ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বৃহৎ নির্বাচনী প্রক্রিয়ার অংশ।

    পাঠানের মুখে বিজেপি প্রশস্তি! (BJP)

    সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে পাঠান বলেন, “আগামী ৪০–৫০ বছর গুজরাটে বিজেপিকে ক্ষমতা থেকে সরানো যাবে না। বাস্তবতা হল, যে দল শক্তিশালী, মানুষের জন্য কাজ করে এবং মানুষের পছন্দের দল—সেই দলই ক্ষমতায় থাকে।” তিনি জোর দিয়ে বলেন, “নির্বাচনী সাফল্য শেষ পর্যন্ত জনগণের আস্থা এবং গ্রাউন্ড লেবেলে কাজের ওপর নির্ভর করে।” গুজরাটে ভোটের ধারা নিয়ে তিনি বলেন, “উন্নয়ন এখনও রাজ্যের ভোটারদের প্রধান বিষয়। এখানকার মানুষ বিজেপিকে পছন্দ করে এবং উন্নয়নের ভিত্তিতে ভোট দেন। তাই দলটি ক্ষমতায় থাকবে।” পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে তুলনা টেনে তৃণমূলের এই সাংসদ বলেন, “যেমন পশ্চিমবঙ্গে মানুষ টিএমসিকে পছন্দ করেন। কারণ দলটি মানুষের কথা বলে এবং মানুষের জন্যই কাজ করে।”

    বঙ্গে ঝুঁকিপূর্ণ রাজনৈতিক লড়াই

    ভোটদানের হার নিয়ে উদ্বেগ প্রসঙ্গে পাঠান বলেন, “ভোটার তালিকা থেকে কিছু ভোটারের নাম বাদ যাওয়ায় শতাংশ কম মনে হতে পারে। যদি সেই ভোটারদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়, তাহলে ভোটদানের হার এখনও ৮০ থেকে ৮১ শতাংশ থাকবে (BJP)। এটা কেবল হিসেবের বিষয় (Yusuf Pathan)।” উল্লেখ্য যে, সাম্প্রতিক বছরগুলিতে পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা আরও তীব্র হয়েছে। শাসক তৃণমূল কংগ্রেসের সামনে বিজেপি ধারাবাহিক চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে এবং বিভিন্ন জেলা ও ভোটার গোষ্ঠীতে নিজেদের প্রভাব বাড়িয়েছে। ২০১৯ সালের পর থেকে নির্বাচনী প্রবণতায় রাজ্যটি আরও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হয়ে উঠেছে, যেখানে বিজেপি উল্লেখযোগ্যভাবে ভোট শেয়ার ও বিধানসভায় উপস্থিতি বাড়িয়েছে। দু’পক্ষের রাজনৈতিক ভাষণও আরও তীব্র হয়েছে, যা একতরফা পরিস্থিতির বদলে ঝুঁকিপূর্ণ রাজনৈতিক লড়াইকে নির্দেশ করে।

    মুখ্যমন্ত্রীর আবেদন

    এদিকে, গুজরাটে কর্পোরেশন, পুরসভা, জেলা পঞ্চায়েত এবং তালুকা পঞ্চায়েত-সহ স্থানীয় শাসনের একাধিক স্তরে ভোটগ্রহণ চলছে (BJP)। প্রায় ১০,০০০ আসনে এই নির্বাচন হচ্ছে, অংশ নিচ্ছেন ৪ কোটিরও বেশি ভোটার। সকাল ৭টা থেকে সন্ধে ৬টা পর্যন্ত ইভিএমে ভোটগ্রহণ চলবে। গণনা হবে ২৮ এপ্রিল। আমেদাবাদ, সুরাট, রাজকোট এবং ভাদোদরার মতো গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলিতে ভোটারদের ব্যাপক উপস্থিতি চোখে পড়েছে। একই উৎসাহে ভোট হচ্ছে গ্রামীণ জেলাগুলিতেও (Yusuf Pathan)। নির্বাচন কমিশন শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে কড়া ব্যবস্থা নিয়েছে। হাজার হাজার ভোটকেন্দ্রে বহুস্তরীয় নিরাপত্তা, বিপুল পুলিশ মোতায়েন, কুইক রেসপন্স টিম এবং ডিজিটাল নজরদারি চালু করা হয়েছে (BJP)। গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র প্যাটেল ভোটারদের সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি ভোটদানকে পবিত্র নাগরিক দায়িত্ব বলে উল্লেখ করেন এবং সর্বোচ্চ ভোটদানের হার নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “প্রত্যেকটি ভোট গ্রাম, তালুকা, জেলা ও শহরের উন্নয়নে ভূমিকা রাখে। মানুষ এগিয়ে আসুন এবং একে গণতন্ত্রের উৎসবে পরিণত করুন (BJP)।”

    ভোটদানের আহ্বান বিধায়কেরও

    বিজেপি বিধায়ক তথা মন্ত্রী সঞ্জয়সিংহ মহিদা নাডিয়াদে ভোট দিয়ে নাগরিকদের ভোটদানের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, “আমি সকলকে অনুরোধ করছি সামনে এসে ভোট দিন (Yusuf Pathan)।” প্রসঙ্গত, এই স্থানীয় সংস্থা নির্বাচনকে গুজরাটের তৃণমূল স্তরের রাজনৈতিক প্রবণতার গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে দেখা হচ্ছে, যেখানে বিজেপি বহু দশক ধরে শক্তিশালী অবস্থান ধরে রেখেছে। বিরোধী দলের নেতা হয়েও ইউসুফ পাঠানের এই মন্তব্য নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অতিরিক্ত রাজনৈতিক আগ্রহের সৃষ্টি করেছে। দু’দিন পরেই ভোট গণনা। সেই ফল শহর ও গ্রামীণ উভয় এলাকার ভোটারদেরই পছন্দ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত দেবে (BJP)।

     

  • Daily Horoscope 28 April 2026: পরিবারের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝি কাটবে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 28 April 2026: পরিবারের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝি কাটবে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ
    ১) কর্মক্ষেত্রে নতুন দায়িত্ব আসতে পারে।
    ২) পুরনো সমস্যার সমাধান মিলবে।
    ৩) আত্মবিশ্বাস বাড়বে।

    বৃষ
    ১) আর্থিক দিক কিছুটা উন্নতি হতে পারে।
    ২) পরিবারের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝি কাটবে।
    ৩) নতুন পরিকল্পনায় সাফল্যের ইঙ্গিত।

    মিথুন
    ১) কাজে মনোযোগ বাড়বে।
    ২) কাছের মানুষের কাছ থেকে ভালো খবর পেতে পারেন।
    ৩) ভ্রমণের সুযোগ আসতে পারে।

    কর্কট
    ১) নতুন সম্পর্ক গড়ে উঠতে পারে।
    ২) মানসিক শান্তি বজায় থাকবে।
    ৩) পরিবারের সমর্থন পাবেন।

    সিংহ
    ১) কর্মক্ষেত্রে প্রশংসা পেতে পারেন।
    ২) আর্থিক দিক স্থিতিশীল থাকবে।
    ৩) পুরনো বন্ধুর সঙ্গে যোগাযোগ হবে।

    কন্যা
    ১) গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে হতে পারে।
    ২) নিজের দক্ষতা প্রমাণের সুযোগ পাবেন।
    ৩) সময়কে কাজে লাগান।

    তুলা
    ১) সামাজিক সম্মান বৃদ্ধি পাবে।
    ২) নতুন যোগাযোগ লাভজনক হতে পারে।
    ৩) মন ভালো থাকবে।

    বৃশ্চিক
    ১) কাজে সাফল্যের সম্ভাবনা।
    ২) পরিবারে সুখের পরিবেশ বজায় থাকবে।
    ৩) স্বাস্থ্য মোটামুটি ভালো থাকবে।

    ধনু
    ১) নতুন সুযোগ আসতে পারে।
    ২) আর্থিক লাভের সম্ভাবনা।
    ৩) আত্মবিশ্বাস বজায় রাখুন।

    মকর
    ১) কর্মক্ষেত্রে উন্নতির যোগ।
    ২) দায়িত্ব বাড়তে পারে।
    ৩) ধৈর্য ধরে এগোলে সাফল্য আসবে।

    কুম্ভ
    ১) সৃজনশীল কাজে সাফল্য পাবেন।
    ২) নতুন পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হতে পারে।
    ৩) বন্ধুদের সঙ্গে ভালো সময় কাটবে।

    মীন
    ১) মানসিক শান্তি বজায় থাকবে।
    ২) কর্মক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।
    ৩) পরিবারে সুখবর আসতে পারে।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Ramakrishna 633: “ঠাকুর তাঁহাকে মাঝে মাঝে দেখিতেছেন ও তাঁহার দিকে চাহিয়া ঈষৎ হাসিতেছেন,—যেন তাঁহার স্নেহ উথলিয়া পড়িতেছে”

    Ramakrishna 633: “ঠাকুর তাঁহাকে মাঝে মাঝে দেখিতেছেন ও তাঁহার দিকে চাহিয়া ঈষৎ হাসিতেছেন,—যেন তাঁহার স্নেহ উথলিয়া পড়িতেছে”

    ৫৩ কাশীপুর বাগানে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    তৃতীয় পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৬, ৪ঠা জানুয়ারি

    কাশীপুর বাগানে ভক্তসঙ্গে
    ঈশ্বরের জন্য শ্রীযুক্ত নরেন্দ্রের ব্যাকুলতা

    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) কাশীপুরের বাগানে উপরের সেই পূর্বপরিচিত ঘরে বসিয়া আছেন। দক্ষিণেশ্বর-কালীমন্দির হইতে শ্রীযুক্ত রাম চাটুজ্যে তাঁহার কুশল সংবাদ লইতে আসিয়াছিলেন। ঠাকুর মণির সহিত সেই সকল কথা কহিতেছেন — বলিতেছেন — ওখানে (দক্ষিণেশ্বরে) কি এখন বড় ঠাণ্ডা?

    আজ ২১শে পৌষ, কৃষ্ণা চতুর্দশী, সোমবার, ৪ঠা জানুয়ারি, ১৮৮৬ খ্রীষ্টাব্দ। অপরাহ্ন — বেলা ৪টা বাজিয়া গিয়াছে।

    নরেন্দ্র আসিয়া বসিলেন (Kathamrita)। ঠাকুর তাঁহাকে মাঝে মাঝে দেখিতেছেন ও তাঁহার দিকে চাহিয়া ঈষৎ হাসিতেছেন, — যেন তাঁহার স্নেহ উথলিয়া পড়িতেছে। মণিকে সঙ্কেত করিয়া বলিতেছেন, “কেঁদেছিল!” ঠাকুর কিঞ্চিৎ চুপ করিলেন। আবার মণিকে সঙ্কেত করিয়া বলিতেছেন, “কাঁদতে কাঁদতে বাড়ি থেকে এসেছিল!”

    সকলে চুপ করিয়া আছেন। এইবার নরেন্দ্র কথা কহিতেছেন —

    নরেন্দ্র — ওখানে আজ যাব মনে করেছি।

    শ্রীরামকৃষ্ণ — কোথায়?

    নরেন্দ্র — দক্ষিণেশ্বরে—বেলতলায়—ওখানে রাত্রে ধুনি জ্বালাব।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)— না; ওরা (ম্যাগাজিনের কর্তৃপক্ষীয়েরা) দেবে না। পঞ্চবটী বেশ জায়গা, — অনেক সাধু ধ্যান-জপ করেছে!

    “কিন্তু বড় শীত আর অন্ধকার।”

    সকলে চুপ করিয়া আছেন। ঠাকুর আবার কথা কহিতেছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (নরেন্দ্রের প্রতি, সহাস্যে) — পড়বি না?

    নরেন্দ্র (ঠাকুর ও মণির দিকে চাহিয়া) — ঔষধ পেলে বাঁচি, যাতে পড়া-টড়া যা হয়েছে সব ভুলে যাই!

    শ্রীযুক্ত (বুড়ো) গোপাল বসিয়া আছেন। তিনি বলিতেছেন (Kathamrita) — আমিও ওই সঙ্গে যাব। শ্রীযুক্ত কালীপদ (ঘোষ) ঠাকুরের জন্য আঙ্গুর আনিয়াছিলেন। আঙ্গুরের বাক্স ঠাকুরের পার্শ্বে ছিল। ঠাকুর ভক্তদের আঙ্গুর বিতরণ করিতেছেন। প্রথমেই নরেন্দ্রকে দিলেন — তাহার পর হরিরলুঠের মতো ছড়াইয়া দিলেন, ভক্তেরা যে যেমন পাইলেন কুড়াইয়া লইলেন!

LinkedIn
Share