Tag: Bengali news

Bengali news

  • Nitin Nabin: ইসলামপুরের নাম ‘ঈশ্বরপুর’ পরিবর্তন প্রসঙ্গে সরব বিজেপি নেতা নিতিন নবীন

    Nitin Nabin: ইসলামপুরের নাম ‘ঈশ্বরপুর’ পরিবর্তন প্রসঙ্গে সরব বিজেপি নেতা নিতিন নবীন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুরের নাম পরিবর্তন করে ‘ঈশ্বরপুর’ রাখার দাবিতে ফের সরব হলেন বিজেপির সর্ব ভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন (Nitin Nabin)। সম্প্রতি উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুর সফরে এসে দলীয় এক সভায় দীর্ঘদিনের দাবিটিকে পুনরায় তুলে ধরেছেন। রবিবার, ১ মার্চ কোচবিহারে পরিবর্তন যাত্রার সূচনা করেছে বিজেপি। তৃণমূলের দুর্নীতি এবং মাত্রা ছাড়া নারী ধর্ষণের বিরুদ্ধে জনমনে সাহস জোগাতে বিশেষ এই যাত্রা বলে দাবি বিজেপির।

    ঐতিহাসিক দাবির পুনরাবৃত্তি (Nitin Nabin)

    নিতিন নবীন (Nitin Nabin) তাঁর ভাষণে উল্লেখ করে বলেন, “ইসলামপুরের প্রাচীন পরিচিতি ও ঐতিহ্যের সঙ্গে ‘ঈশ্বরপুর’ নামটি গভীরভাবে সম্পৃক্ত। রাজনৈতিক পটপরিবর্তন হলে এই নাম পরিবর্তনের বিষয়টি অগ্রাধিকার পাবে। এই মাটির সঙ্গে  জড়িয়ে আছে হিন্দু রাজা লক্ষ্মণ সেন, সমাজসংস্কারক ঠাকুর পঞ্চানন বর্মা এবং বিপ্লবী পূর্ণচন্দ্র দাসের স্মৃতি। ইসলামপুরকে ঈশ্বরপুর করার জন্য বিজেপি-র এই পরিবর্তন যাত্রাকে শঙ্খধ্বনি দিয়ে স্বাগত জানান৷ ইসলামপুর আর থাকবে না, ঈশ্বরপুর হবে৷ আপনাদের স্বপ্ন পূরণ হবে৷ রাজবংশী সম্প্রদায়ের মহান সমাজ সংস্কারক ঠাকুর পঞ্চানন বর্মা, বাংলার শেষ হিন্দু রাজা লক্ষ্মণ সেন এবং স্বাধীনতা সংগ্রামী পূর্ণচন্দ্র দাসের স্মৃতি বিজড়িত এই মাটিকে ঈশ্বরপুর আমরা বানিয়েই ছাড়ব৷”

    তৃণমূলকে আক্রমণ

    নাম পরিবর্তনের দাবিকে কেন্দ্র করে রাজ্য সরকার ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সমালোচনা করে নিতিন নবীন (Nitin Nabin) আরও বলেন, “বর্তমান শাসক দল তুষ্টিকরণের রাজনীতি করছে বলেই সাধারণ মানুষের ভাবাবেগকে গুরুত্ব দিচ্ছে না। বাংলাদেশি রোহিঙ্গাদের জন্য কালো কোর্ট পড়ে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিলেন, কিন্তু এখানকার মা বোনদের কিছু হলে তখন মুখ্যমন্ত্রী চুপ করে থাকেন। বাংলাদেশি ভোটারদের বাঁচানোর জন্য ধর্নায় বসতে চলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু আমরা আসাম, বিহারে বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারী রোহিঙ্গাদের চিহ্নত করে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করেছি।”

    মনোবল চাঙ্গা করতেই সফর

    নিতিন নবীনের (Nitin Nabin) এই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেস এই দাবিকে বিভাজনের রাজনীতি বলে কটাক্ষ করলেও, বিজেপি সমর্থকরা এই দাবিকে স্বাগত জানিয়েছেন। আসন্ন নির্বাচনের আগে উত্তরবঙ্গে দলের সংগঠন মজবুত করতে এবং কর্মীদের মনোবল চাঙ্গা করতেই তাঁর এই সফর। নাম পরিবর্তনের এই আবেগকে তিনি হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছেন বলে রাজনৈতিক মহলের ধারণা। বিজেপি ক্ষমতায় এলে মানুষের দীর্ঘদিনের এই দাবি পূরণে সচেষ্ট হবে।

  • Suvendu Adhikari: “নাস্তিকতা নিপাত যাক, সেকুলারিজম নিপাত যাক”, ভবানীপুরে হোলির উৎসবে বার্তা শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “নাস্তিকতা নিপাত যাক, সেকুলারিজম নিপাত যাক”, ভবানীপুরে হোলির উৎসবে বার্তা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দোলপূর্ণিমা এবং বসন্ত উৎসবের আবহে কলকাতার ভবানীপুর এলাকায় হোলি উদ্‌যাপনে শামিল হলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। রাজনৈতিক ব্যস্ততার মাঝেও এদিন তাঁকে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে রঙের উৎসবে মেতে উঠতে দেখা যায়। ভবানীপুরের (Bhawanipur) হরিশ মুখার্জি রোড সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছে শুভেন্দু অধিকারী সাধারণ মানুষের সঙ্গে আবির খেলেন এবং তাঁদের হোলির শুভেচ্ছা জানান।

    অশুভ শক্তির বিনাশ (Suvendu Adhikari)

    দোলের দিনে স্থানীয় বাসিন্দাদের পক্ষ থেকে শুভেন্দুকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়। প্রথাগত রঙের উৎসবের পাশাপাশি ভক্তিমূলক গানেও অংশ নেন তিনি। গান ধরেন ‘গোরা গোরা গৌরাঙ্গ, হিন্দু হিন্দু ভাই ভাই’। পরনে ছিল গৈরিক বসন। সঙ্গে ছিলেন বিজেপি সমর্থকরা। হোলির উৎসবে অংশ গ্রহণে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সাধুসন্তরা। শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, “নাস্তিকতা নিপাত যাক। সেকুলারিজ়ম নিপাত যাক। হিন্দুরা যাতে পশ্চিমবঙ্গে সুরক্ষিত থাকে এই প্রার্থনা করব।” সংবাদমাধ্যমকে আরও বলেন, “হোলি হল অশুভ শক্তির বিনাশ এবং সম্প্রীতির প্রতীক। এই উৎসবের রঙ যেন সাধারণ মানুষের জীবনে আনন্দ ও শান্তি বয়ে আনে, সেই কামনাই কামনাই জানাই।

    ভবানীপুর লড়াইয়ে আত্মবিশ্বাসী বিজেপি

    ২০২১ সালে নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হেরে যাওয়ার পর ভবানীপুর (Bhawanipur) থেকে পুনরায় নির্বাচিত হয়েছিলেন। তবে গত লোকসভা ভোটে এই এলাকায় তৃণমূলের তুলানয় অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছে বিজেপি। আগামী বিধানসভার নির্বাচনে রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই বিধানসভা। কারণ ইতিমধ্যে বিজেপির তরফে বিশেষ ওয়াররুম গঠন করা হয়েছে। এই এলাকায় ইতিমধ্যে এসএইআরে ৬০ হাজার নাম বাদ হয়েছে। ফলে ভোট অঙ্কের সমীকরণে হিন্দু ভোটের পাল্লা ভারি। অপর দিকে আরেক অনুষ্ঠানে মমতাও পাল্টা তোপ দেগে বলেছেন যে ভবানীপুরে তৃণমূলই জিতবে। বিরোধী দলনেতার (Suvendu Adhikari) এই উপস্থিতি ও জনসংযোগ বিশেষ নজর কেড়েছে। তবে এদিন রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে উৎসবের মেজাজই ছিল প্রধান।

  • PM Modi: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আবহ, সৌদি-বাহরাইনের সঙ্গে কথা মোদির, কী নিয়ে হল আলোচনা?

    PM Modi: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আবহ, সৌদি-বাহরাইনের সঙ্গে কথা মোদির, কী নিয়ে হল আলোচনা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এশিয়ার বিভিন্ন অংশে ক্রমেই ঘনাচ্ছে যুদ্ধের মেঘ। এহেন পরিস্থিতিতে উপসাগরীয় অঞ্চলের (Gulf Stability) বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপত্তা ও কল্যাণ নিয়ে উদ্বেগের প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) আলোচনা করলেন সৌদি আরবের যুবরাজ তথা প্রধানমন্ত্রী প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে। আলাদা করে তিনি কথা বলেন বাহরাইনের রাজা হামাদ বিন ইসা আল খলিফার সঙ্গেও।

    সৌদির ওপর হামলার নিন্দে (PM Modi)

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গেও বৈঠক করেন। দুই নেতা পশ্চিম এশিয়ার পরিবর্তিত পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনাও করেন। প্রধানমন্ত্রী মোদি সৌদি আরবের ওপর সাম্প্রতিক হামলাগুলির তীব্র নিন্দা করেন। বলেন, “এগুলি দেশটির সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতার পরিপন্থী।” দুই নেতা একমত হন যে, আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা দ্রুত পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই কঠিন সময়ে সৌদি আরবে বসবাসরত ভারতীয় সম্প্রদায়ের কল্যাণ নিশ্চিত করার জন্য প্রধানমন্ত্রী যুবরাজকে ধন্যবাদ জানান।

    প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য

    এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “পশ্চিম এশিয়ার পরিবর্তিত পরিস্থিতি নিয়ে সৌদি আরবের যুবরাজ ও প্রধানমন্ত্রী এইচআরএইচ প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে আলোচনা করেছি। ভারত সৌদি আরবের সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা লঙ্ঘন করে (PM Modi) হওয়া সাম্প্রতিক হামলার নিন্দা করে। আমরা একমত হয়েছি যে, আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা দ্রুত পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা অত্যন্ত জরুরি। এই কঠিন সময়ে ভারতীয় সম্প্রদায়ের কল্যাণ দেখভাল করার জন্য তাঁকে ধন্যবাদ জানাই।” এদিকে, ২ মার্চ ভারতের প্রধানমন্ত্রী টেলিফোনে কথা বলেন বাহরাইনের রাজা হামাদ বিন ইসা আল খলিফার সঙ্গে।

    রাজাকে ধন্যবাদ

    আলোচনার সময় প্রধানমন্ত্রী বাহরাইনের ওপর সাম্প্রতিক হামলার তীব্র নিন্দে করেন। এই কঠিন সময়ে বাহরাইনের জনগণের প্রতি ভারতের দৃঢ় সংহতিও প্রকাশ করেন তিনি (Gulf Stability)। প্রধানমন্ত্রী বাহরাইনে ভারতীয় সম্প্রদায়ের প্রতি অবিচল সমর্থন ও যত্ন দেওয়ার জন্য রাজাকে ধন্যবাদ জানান। এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “বাহরাইনের রাজা মহামান্য হামাদ বিন ইসা আল খলিফার সঙ্গে ফলপ্রসূ টেলিফোন আলাপ হয়েছে। ভারত বাহরাইনের ওপর হামলার নিন্দা করে এবং এই কঠিন সময়ে বাহরাইনের জনগণের পাশে থাকতে সংহতি প্রকাশ করছে। বাহরাইনে ভারতীয় সম্প্রদায়ের প্রতি অবিচল সমর্থনের জন্য তাঁকে ধন্যবাদ জানাই (PM Modi)।”

     

  • Parivartan Yatra: আমতায় রাজনাথ সিংয়ের পাশে দাঁড়িয়ে মমতাকে পুরনো দিনের কথা মনে করালেন শমীক ভট্টাচার্য

    Parivartan Yatra: আমতায় রাজনাথ সিংয়ের পাশে দাঁড়িয়ে মমতাকে পুরনো দিনের কথা মনে করালেন শমীক ভট্টাচার্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমতার জনসভায় কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের উপস্থিতিতেই তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানালেন বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য (Shamik Bhattacharya)। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে আয়োজিত বিজেপির ‘পরিবর্তন যাত্রা’-র (Parivartan Yatra) মঞ্চ থেকে এদিন তিনি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে তাঁর রাজনৈতিক ইতিহাসের কথা মনে করিয়ে দেন।

    ‘দুর্বল চিত্রনাট্য’ (Parivartan Yatra)

    শমীক ভট্টাচার্য (Shamik Bhattacharya) তাঁর ভাষণে বলেন, “বর্তমানে তৃণমূল কংগ্রেস যে রাজনৈতিক কৌশল গ্রহণ করছে, তা আসলে একটি ‘দুর্বল চিত্রনাট্য’।” একই ভাবে সিঙ্গুর আন্দোলনের সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ধর্মতলার অনশন মঞ্চের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “সে সময় মুখ্যমন্ত্রী যে রাজনৈতিক সঙ্কটের মুখে পড়েছিলেন, সেখান থেকে তাঁকে উদ্ধার করতে এগিয়ে এসেছিলেন আজকের মঞ্চে উপস্থিত রাজনাথ সিং। একসময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই অটলবিহারী বাজপেয়ী ও লালকৃষ্ণ আদবানির এনডিএ জোটের শরীক ছিলেন এবং বিজেপিকে অসাম্প্রদায়িক দল হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছিলেন। অথচ বর্তমানে সেই তৃণমূলের শাসনকালেই বিজেপি কর্মীদের ওপর অত্যাচার (Parivartan Yatra) চালানো হচ্ছে।”

    বাংলার মাটি থেকেই পরিবর্তনের ডাক এসেছে

    শমীক ভট্টাচার্যের (Shamik Bhattacharya) সুরেই সুর মিলিয়ে রাজনাথ সিংও এদিন তৃণমূল সরকারের কড়া সমালোচনা করেন। তিনি দাবি করে বলেন, “এবার আর এদিক ওদিক হলে হবে না। আর টিএমসির অত‍্যাচার চলবে না। এবার মমতা যাচ্ছেন। বাংলার উৎসাহ তাই বলে দিচ্ছে। বাংলায় পরিবর্তন হলে দারুণ গতিতে উন্নয়ন হবে। বিকাশ আর প্রগতি কেউ আটকাতে পারবে না। বাংলার মানুষ এবার পরিবর্তনের জন্য তৈরি এবং বর্তমান সরকারের দুর্নীতির অবসান ঘটিয়ে বিজেপিই রাজ্যে উন্নয়নের (Parivartan Yatra) জোয়ার আনবে।”

    রাজ্যে একাধিক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

    রাজ্যে পরিবর্তনের ডাকে বিজেপি একাধিক জেলা থেকে পরিবর্তন সংকল্পের (Parivartan Yatra) ডাক দিয়েছে। ইতিমধ্যে নানা প্রান্ত থেকে যাত্রা শুরু হয়েছে। কেন্দ্রের হেভি ওয়েট নেতারা এই কর্মকাণ্ডে যোগদান করেছেন। মমতার বিরুদ্ধে প্রচারকে আরও জোরদার করতে বিজেপি ভোটের প্রচারকে আরও জোরদার করেছে। রাজ্যের তৃণমূলকে সরিয়ে বিজেপি সরকার গঠন করতে দৃঢ় সংকল্প গ্রহণ করেছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং, কৃষি মন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান, শিক্ষা মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান সহ অনেক নেতা এখান বঙ্গে পরিবর্তনের ডাক দিয়েছেন। এই পরিবর্তন যাত্রার মূল লক্ষ্য হল মানুষের মনে তৃণমূলের ভয়কে দূরে সরিয়ে দেওয়া।

  • Israel: তেহরানের ট্রাফিক ক্যামেরা হ্যাক করে খামেনেইয়ের গতিবিধির ওপর নজরদারি চালাচ্ছিল ইজরায়েল!

    Israel: তেহরানের ট্রাফিক ক্যামেরা হ্যাক করে খামেনেইয়ের গতিবিধির ওপর নজরদারি চালাচ্ছিল ইজরায়েল!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইজরায়েল (Israel) বহু বছর ধরে তেহরানের ট্রাফিক ক্যামেরা হ্যাক করে এবং মোবাইল ফোন নেটওয়ার্কে ঢুকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনেই (Khamenei) ও তাঁর নিরাপত্তা দলের গতিবিধির ওপর নজরদারি চালাচ্ছিল, তাঁকে হত্যা করার অনেক আগে থেকেই। একাধিক বর্তমান ও প্রাক্তন ইজরায়েলি গোয়েন্দা আধিকারিক এবং অভিযানের সঙ্গে পরিচিত ব্যক্তিদের উদ্ধৃতি দিয়ে জানিয়েছে সংবাদ মাধ্যম। জানা গিয়েছে, তেহরানের প্রায় সব ট্রাফিক ক্যামেরাই বছরের পর বছর হ্যাক করা হয়েছিল। সেগুলির ভিডিও ফুটেজ এনক্রিপ্ট করে তেল আভিভ ও দক্ষিণ ইজরায়েলের সার্ভারে পাঠানো হত।

    নজরদারির খুঁটিনাটি (Israel)

    সূত্রের খবর, একটি নির্দিষ্ট ক্যামেরার কোণ বিশেষভাবে কার্যকর ছিল—এর মাধ্যমে দেহরক্ষীরা কোথায় তাঁদের ব্যক্তিগত গাড়ি পার্ক করতেন, তা নির্ধারণ করা যেত এবং পাস্তুর স্ট্রিটের নিকটবর্তী কম্পাউন্ডের ভেতরের রুটিন সম্পর্কেও ধারণা পাওয়া যেত। প্রতিবেদন অনুযায়ী, জটিল অ্যালগরিদম ব্যবহার করে খামেনেইয়ের নিরাপত্তা রক্ষীদের ওপর বিস্তারিত ডসিয়ার প্রস্তুত করা হয়েছিল। এতে তাঁদের ঠিকানা, ডিউটির সময়সূচি, কর্মস্থলে যাওয়ার রুট এবং কোন কর্মকর্তাকে রক্ষার দায়িত্বে ছিলেন—এসব তথ্য অন্তর্ভুক্ত ছিল। গোয়েন্দাদের ভাষায় এটি হল, “প্যাটার্ন অব লাইফ”। সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, পাস্তুর স্ট্রিটের আশপাশে প্রায় এক ডজন মোবাইল ফোন টাওয়ারের বিভিন্ন উপাদানও ইজরায়েল বিঘ্নিত করেছিল। ফলে ফোনে কল করলে সেটি ‘ব্যস্ত’ দেখাত এবং খামেনেইয়ের নিরাপত্তা দলের সদস্যরা সম্ভাব্য সতর্কবার্তা গ্রহণ করতে পারতেন না (Israel)।

    ইজরায়েলি গোয়েন্দা আধিকারিকের বক্তব্য

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ইজরায়েলি গোয়েন্দা আধিকারিক বলেন, হামলার অনেক আগেই আমরা তেহরানকে ঠিক যেমনভাবে জেরুজালেমকে চিনি, তেমনভাবেই চিনতাম।” তিনি জানান, ইজরায়েলের সিগন্যালস ইন্টেলিজেন্স ইউনিট ৮২০০, মোসাদের নিয়োগ করা মানবসূত্র (Khamenei) এবং সামরিক গোয়েন্দা বিশ্লেষণের মাধ্যমে বিপুল তথ্য সংগ্রহ করে একটি ঘন ও বিস্তৃত ইন্টেলিজেন্স মানচিত্র তৈরি করা হয়েছিল। পত্রিকাটি আরও জানায়, ইজরায়েল ‘সোশ্যাল নেটওয়ার্ক অ্যানালিসিস’ নামে পরিচিত একটি গাণিতিক পদ্ধতি ব্যবহার করে বিলিয়ন বিলিয়ন ডেটা পয়েন্ট বিশ্লেষণ করেছিল, যাতে সিদ্ধান্ত গ্রহণের কেন্দ্র ও নয়া লক্ষ্যবস্তু চিহ্নিত করা যায়, অন্তত এমনই জানিয়েছেন এই পদ্ধতির ব্যবহারের সঙ্গে পরিচিত এক ব্যক্তি (Israel)।

    বিষয়টি সম্পর্কে অবগত দু’জন জানান, হামলার দিন সকালে খামেনেই ও শীর্ষ আধিকারিকরা কম্পাউন্ডে উপস্থিত ছিলেন। এই বিষয়টি নিশ্চিত করতে ইজরায়েলি গোয়েন্দারা সিগন্যালস ইন্টেলিজেন্সের ওপর নির্ভর করেছিলেন, যার মধ্যে হ্যাক করা ট্রাফিক ক্যামেরা ও অনুপ্রবেশ করা মোবাইল নেটওয়ার্কও অন্তর্ভুক্ত ছিল (Khamenei)। প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন পক্ষেরও একটি অতিরিক্ত মানবসূত্র ছিল, যা খামেনেই ও শীর্ষ আধিকারিকদের উপস্থিতির বিষয়টি নিশ্চিত করেছিল।

     

  • Ramakrishna 594: “আমিই সকলের চেলা! সকলেই ঈশ্বরের ছেলে, সকলেই ঈশ্বরের দাস—আমিও ঈশ্বরের ছেলে; আমিও ঈশ্বরের দাস”

    Ramakrishna 594: “আমিই সকলের চেলা! সকলেই ঈশ্বরের ছেলে, সকলেই ঈশ্বরের দাস—আমিও ঈশ্বরের ছেলে; আমিও ঈশ্বরের দাস”

    ৫২ শ্যামপুকুর বাটীতে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    অষ্টম পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২২শে অক্টোবর
    অবতারকথাপ্রসঙ্গে—অবতার ও জীব

    সায়েন্স—না মহাপুরুষের বাক্য? 

    ডাক্তার (মাস্টার, গিরিশ ও অন্যান্য ভক্তদের প্রতি)—দেখ, আমি তোমাদেরই রইলুম। ব্যারামের জন্য যদি মনে কর, তাহলে নয়। তবে আপনার লোক বলে যদি মনে কর, তাহলে আমি তোমাদের।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) ডাক্তারের প্রতি—একটি আছে অহৈতুকী ভক্তি। এটি যদি হয়, তাহলে খুব ভাল। প্রহ্লাদের অহৈতুকী ভক্তি ছিল। সেরূপ ভক্ত বলে, হে ঈশ্বর! আমি ধন, মান, দেহসুখ, এ-সব কিছুই চাই না। এই কর যেন তোমার পাদপদ্মে আমার শুদ্ধাভক্তি হয়।

    ডাক্তার—হাঁ, কালীতলায় লোকে প্রণাম করে থাকে দেখেছি; ভিতরে কেবল কামনা—আমার চাকরি করে দাও, আমার রোগ ভাল (Kathamrita) করে দাও,—এই সব।

    শ্রীরামকৃষ্ণের প্রতি—“যে অসুখ তোমার হয়েছে, লোকেদের সঙ্গে কথা কওয়া হবে না। তবে আমি যখন আসব, কেবল আমার সঙ্গে কথা কইবে।” (সকলের হাস্য)

    শ্রীরামকৃষ্ণ—এই অসুখটা ভাল করে দাও। তাঁর নামগুণ করতে পাই না।

    ডাক্তার—ধ্যান করলেই হল।

    শ্রীরামকৃষ্ণ—সে কি কথা! আমি একঘেয়ে কেন হব? আমি পাঁচরকম করে মাছ খাই। কখন ঝোলে, কখন ঝালে অম্বলে, কখন বা ভাজায়। আমি কখন পূজা, কখন জপ, কখন বা ধ্যান, কখন বা তাঁর নামগুণগান করি, কখন তাঁর নাম করে নাচি।

    ডাক্তার—আমিও একঘেয়ে নই।

    অবতার না মানিলে কি দোষ আছে?

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—তোমার ছেলে অমৃত — অবতার মানে না। তাতে দোষ কি? ঈশ্বরকে নিরাকার বলে বিশ্বাস থাকলেও তাঁকে পাওয়া যায় (Kathamrita)। আবার সাকার বলে বিশ্বাস থাকলেও তাঁকে পাওয়া যায়। তাঁতে বিশ্বাস থাকা আর শরণাগত হওয়া। এই দুটি দরকার। মানুষ তো অজ্ঞান, ভুল হতেই পারে। একসের ঘটিতে কি চারসের দুধ ধরে? তবে যে পথেই থাকো, ব্যাকুল হয়ে তাঁকে ডাকা চাই। তিনি তো অন্তর্যামী — সে আন্তরিক ডাক শুনবেনই শুনবেন। ব্যাকুল হয়ে সাকারবাদীর পথেই যাও, আর নিরাকারবাদীর পথেই যাও, তাঁকেই (ঈশ্বরকেই) পাবে।

    “মিছরির রুটি সিধে করেই খাও, আর আড় করেই খাও; মিষ্ট লাগবে। তোমার ছেলে অমৃতটি বেশ।”

    ডাক্তার—সে তোমার চেলা (Kathamrita)।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (সহাস্যে, ডাক্তারের প্রতি)—আমার কোন শালা চেলা নাই। আমিই সকলের চেলা! সকলেই ঈশ্বরের ছেলে, সকলেই ঈশ্বরের দাস—আমিও ঈশ্বরের ছেলে; আমিও ঈশ্বরের দাস।

    “চাঁদা মামা সকলেরই মামা।” (সভাস্থ সকলের আনন্দ ও হাস্য।)

  • Pralhad Joshi: সংঘাতের আবহে আটকে পড়া ভারতীয়দের ফিরিয়ে আনতে প্রস্তুত কেন্দ্র, জানালেন জোশী

    Pralhad Joshi: সংঘাতের আবহে আটকে পড়া ভারতীয়দের ফিরিয়ে আনতে প্রস্তুত কেন্দ্র, জানালেন জোশী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিম এশিয়ায় আটকে পড়া ভারতীয়দের ফিরিয়ে আনতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত কেন্দ্রীয় সরকার। তাঁদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিদেশে অবস্থিত ভারতীয় মিশনগুলির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগও রাখা হচ্ছে। সোমবার এ কথা জানান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী (Pralhad Joshi)। এক বিবৃতিতে জোশী জানান, সংশ্লিষ্ট ভারতীয় দূতাবাসগুলির প্রবীণ আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনা করে সংঘাতের কারণে ক্ষতিগ্রস্তদের নিরাপদে সরিয়ে আনার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

    ভারতীয়রা বিপদে পড়লে (Pralhad Joshi)

    তিনি বলেন, “বিশ্বের যে কোনও প্রান্তে (Centre) কান্নাডিগা বা অন্য কোনও ভারতীয় বিপদে পড়লে কেন্দ্রীয় সরকার তাঁদের নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনতে এগিয়ে এসেছে। ইউক্রেন সংকটের সময় আমরা তা করেছি, ভবিষ্যতেও যেখানে ভারতীয়রা সমস্যায় পড়বেন, সেখানে একইভাবে পদক্ষেপ করা হবে।” তিনি বলেন, “ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপত্তাই সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।” মন্ত্রী জানান, ইরান–ইজরায়েল সংঘাত তীব্রতর হওয়ায় কান্নাডিগারা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন, এমন খবর পাওয়ার পর পরিস্থিতি মূল্যায়ন ও উপযুক্ত পদক্ষেপ নির্ধারণে প্রবীণ মন্ত্রী ও আধিকারিকদের সঙ্গে জরুরি বৈঠক করা হয়েছে।

    জোশীর অনুরোধ

    আটকে পড়া ব্যক্তিদের পরিবারের উদ্দেশে জোশীর অনুরোধ, তাঁরা যেন আতঙ্কিত না হন। তিনি আশ্বাস দেন, সকল ভারতীয়কে নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ (Pralhad Joshi)। তিনি এও বলেন, “সংঘাতপ্রবণ অঞ্চলে বিমান চলাচলে বর্তমানে ঝুঁকি রয়েছে এবং পরবর্তী কার্যকরী সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে বিশেষজ্ঞদের মতামত বিবেচনা করা হচ্ছে (Centre)।” মন্ত্রী বলেন, “দুবাইতেও আঞ্চলিক পরিস্থিতির কারণে বিমান পরিষেবা ব্যাহত হওয়ায় সেখানে আটকে পড়া ভারতীয়দের সহায়তায় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।” তিনি এও বলেন, “উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই। আমাদের নাগরিকদের নিরাপদে ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় ও গুরুত্ব সহকারে সব প্রচেষ্টাই চলছে (Pralhad Joshi)।”

     

  • Bangladesh: বাংলাদেশে ফের হানা হিন্দু মন্দিরে, ভাঙচুর করা হল প্রতিমা

    Bangladesh: বাংলাদেশে ফের হানা হিন্দু মন্দিরে, ভাঙচুর করা হল প্রতিমা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে (Bangladesh) ফের ভাঙচুর করা হল হিন্দুদের প্রতিমা (Kali Murti Vandalised)। দক্ষিণ বাংলাদেশের শতাব্দীপ্রাচীন একটি মন্দিরে হামলা চালায় দুষ্কৃতীরা। ভাঙচুর করা হয় মা কালীর প্রতিমা। পটুয়াখালি জেলার এই ঘটনায় উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে স্থানীয়দের মধ্যে। তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

    দক্ষিণেশ্বর কালী মন্দিরে হানা (Bangladesh)

    মন্দিরটি সদর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের ভূবনসাহার কাছারিতে অবস্থিত। জানা গিয়েছে, দিন কয়েক আগে রাত প্রায় সাড়ে ৯টা নাগাদ পটুয়াখালির বাউফল উপজেলার দক্ষিণেশ্বর কালী মন্দিরে হানা দেয় দুষ্কৃতীরা। মন্দির কর্তৃপক্ষের দাবি, অজ্ঞাতপরিচয় একদল ব্যক্তি অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে মন্দির প্রাঙ্গণে প্রবেশ করে ভাঙচুর চালায়। হামলার সময় মন্দিরের ভেতরে থাকা একটি কালী মূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ঘটনার পরপরই হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, শতাধিক বছরের পুরোনো এই মন্দিরটি এলাকার হিন্দু সম্প্রদায়ের কাছে ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভাঙচুরের এই ঘটনায় হিন্দুদের মধ্যে গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। তাঁরা ঘটনাটিকে অনাকাঙ্ক্ষিত ও দুঃখজনক বলে অভিহিত করেছেন (Bangladesh)।

    পুলিশের বক্তব্য

    হামলার পর বাউফল থানা পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ক্ষয়ক্ষতির তথ্য নথিভুক্ত করে জড়িতদের শনাক্ত করতে তদন্ত শুরু করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, পরিস্থিতির মোকাবিলা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পুলিশ এও জানিয়েছে, সিআইডির একটি বিশেষজ্ঞ দল মন্দির প্রাঙ্গণ পরিদর্শন করবে। তারা নমুনা সংগ্রহের জন্য ফরেনসিক পরীক্ষা চালাবে। এটি অপরাধীদের শনাক্ত করতে সহায়ক হতে পারে (Kali Murti Vandalised)। তদন্তের ফল ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে (Bangladesh)। বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত ওসি মোহাম্মদ সিদ্দিকুর রহমান বলেন, “আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। একটি কালী মূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিষয়টি তদন্তাধীন। আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।”

     

  • India Canada Sign: ২৬০ কোটি ডলারের ইউরেনিয়াম সরবরাহ চুক্তি সই ভারত-কানাডার

    India Canada Sign: ২৬০ কোটি ডলারের ইউরেনিয়াম সরবরাহ চুক্তি সই ভারত-কানাডার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২.৬ বিলিয়ন ডলারের একটি ইউরেনিয়াম সরবরাহ চুক্তি (Uranium Supply Deal) স্বাক্ষর করল ভারত ও কানাডা (India Canada Sign)। সোমবার নয়াদিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির উপস্থিতিতে স্বাক্ষরিত হয় ওই চুক্তি। চুক্তি অনুযায়ী, ৬০ বছরেরও বেশি সময় ধরে ইউরেনিয়াম খনন কাজে যুক্ত কানাডাভিত্তিক সংস্থা ক্যামকো (Cameco) ২০২৭ থেকে ২০৩৫ সাল পর্যন্ত পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য প্রায় ২২ মিলিয়ন পাউন্ড ইউরেনিয়াম ভারতে সরবরাহ করবে।

    যৌথ বিবৃতি (India Canada Sign)

    বৈঠক শেষে যৌথ বিবৃতিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দীর্ঘমেয়াদি ইউরেনিয়াম সরবরাহের জন্য আমরা একটি ঐতিহাসিক চুক্তিতে পৌঁছেছি। আমরা ক্ষুদ্র মডুলার রি-অ্যাক্টর এবং উন্নত রি-অ্যাক্টর ক্ষেত্রেও একসঙ্গে কাজ করব।” দুই নেতা এ বছর একটি নতুন বিস্তৃত অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (CEPA) স্বাক্ষরের লক্ষ্যে আলোচনা চূড়ান্ত করতেও রাজি হন। এর পর নয়াদিল্লিতে প্রধান আলোচকদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে এবং সিইপিএর শর্তাবলী চূড়ান্ত ও স্বাক্ষরিত হবে। ভারত-কানাডা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উষ্ণতার স্পষ্ট প্রমাণ হিসেবে প্রতিরক্ষা, কৃষি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) এবং জ্বালানি-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে একাধিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে (Uranium Supply Deal)।

    কী বললেন মোদি

    ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দুই দেশ ২০৩০ সালের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ৫ হাজার কোটি ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্যে কাজ করবে।” তবে কানাডার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এক বিবৃতিতে ২০৩০ সালের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৭ হাজার কোটি ডলার। ওই বিবৃতি অনুযায়ী, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ ও জ্বালানি উৎসে সহযোগিতা জোরদার এবং সরবরাহ শৃঙ্খল বৈচিত্র্যময় করার জন্য দুটি মউ (MoU) স্বাক্ষরিত হয়েছে (India Canada Sign)। যৌথ বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জানান, কানাডার পেনশন তহবিলগুলি ভারতে প্রায় ১০০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করেছে, যা ভারতের প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনার প্রতি তাদের আস্থার প্রতিফলন।

    কার্নির ভারত সফর

    প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালের পর এই প্রথম কোনও কানাডীয় প্রধানমন্ত্রী ভারত সফর করলেন। এর আগে জাস্টিন ট্রুডো সরকারের সময় দুই দেশের সম্পর্ক তলানিতে পৌঁছেছিল। ২০২৪ সালে কানাডা খালিস্তানি চরমপন্থীদের আশ্রয় দিচ্ছে, এই অভিযোগে ভারত উদ্বেগ প্রকাশ করলে দুই দেশই একে অন্যের কূটনীতিকদের বহিষ্কার করে (India Canada Sign)। কার্নির সরকার এই পরিস্থিতি বদলাতে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। সোমবার কানাডার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় জানিয়েছে, “গত দু’দশকের যে কোনও বছরের তুলনায় এ বছর কানাডা ও ভারত সরকারের (Uranium Supply Deal) মধ্যে বেশি এনগেজমেন্ট হয়েছে।”

     

  • Nitin Nabin: শিলিগুড়িতে গোর্খা প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক নিতিন নবীনের, কী নিয়ে কথা হল?

    Nitin Nabin: শিলিগুড়িতে গোর্খা প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক নিতিন নবীনের, কী নিয়ে কথা হল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক তৎপরতা তুঙ্গে। সোমবার শিলিগুড়িতে গোর্খা সম্প্রদায়ের (Gorkha Community) প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে মিলিত হন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন (Nitin Nabin)। এই বৈঠককে কেন্দ্র করে পাহাড়ের দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত ইস্যুগুলো পুনরায় আলোচনায় উঠে এসেছে। বিজেপির তরফে দেওয়া হয়েছে আশ্বাস।

    গোর্খাল্যান্ড ও বিকল্প দাবি (Nitin Nabin)

    বঙ্গ বিজেপির ‘পরিবর্তন যাত্রা’ উপলক্ষে বর্তমানে রাজ্যে অবস্থান করছেন নিতিন নবীন (Nitin Nabin)। এই সফরের মধ্যেই পাহাড়ের গোর্খা নেতাদের (Gorkha Community) সঙ্গে তাঁর এই বৈঠক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। এখন পাহাড়ের মানুষের দীর্ঘদিনের আবেগ ও দাবিকে গুরুত্ব দিয়ে আসন্ন নির্বাচনে নিজেদের অবস্থান শক্ত করাই বিজেপির মূল লক্ষ্য।

    বৈঠকে উপস্থিত গোর্খা প্রতিনিধিরা পুনরায় পৃথক ‘গোর্খাল্যান্ড’ রাজ্যের দাবি উত্থাপন করেন। তাঁরা স্পষ্ট জানান, যদি পৃথক রাজ্য গঠন সম্ভব না হয়, তবে উত্তরবঙ্গকে একটি ‘কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল’ (Union Territory) হিসেবে ঘোষণা করা হোক। উত্তরবঙ্গের মানুষ দীর্ঘ দিন বাম এবং তৃণমূলের শাসনে উন্নয়নের ধারা থেকে উপেক্ষিত রয়েছে। তাই উত্তরবঙ্গের মানুষ সার্বিক উন্নয়ন চান। তবে বাংলার পরিবর্তন এলে পাহাড় সমস্যার গঠন মূলক সমাধান যে হবেই এই নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।

    জিটিএ-র ব্যর্থতা

    গোর্খা নেতাদের অভিযোগ, ২০০৭ সালের আন্দোলনের পর গঠিত হওয়া গোর্খাল্যান্ড টেরিটোরিয়াল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (GTA) পাহাড়ের মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে ব্যর্থ হয়েছে। দীর্ঘ সময় অতিক্রান্ত হলেও পাহাড়ের আর্থ-সামাজিক সমস্যার স্থায়ী সমাধান হয়নি। র্জিলিংয়ের বিজেপি বিধায়ক নীরজ জিম্বা বলেন, “গোর্খারা বৈঠকে থাকলে গোর্খাল্যান্ড প্রসঙ্গ আসবেই।” তৃণমূলের শাসনে পাহাড় সমস্যার স্থায়ী সমাধান না হওয়ায় চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেন পাহাড়ের নেতারা।

    বিজেপি নেতৃত্বের আশ্বাস সম্মানজনক ও স্থায়ী সমাধান

    গোর্খা (Gorkha Community) প্রতিনিধিদের অভাব-অভিযোগ শোনার পর দার্জিলিংয়ের বিজেপি সাংসদ রাজু বিস্তা বলেন, “বিজেপি বরাবরই পাহাড়ের সমস্যার স্থায়ী রাজনৈতিক সমাধান চায়। ২০২৬ সালে রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় এলে এই সমস্যার সম্মানজনক ও স্থায়ী সমাধান নিশ্চিত করা হবে।” অন্যদিকে, শিলিগুড়ির বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ বলেন, “পাহাড়ের আবেগকে মর্যাদা দিয়ে এবং রাজ্যের ভৌগোলিক অখণ্ডতার ভারসাম্য বজায় রেখেই বিজেপি সমাধানের পথ খুঁজবে।”

LinkedIn
Share