Tag: Bengali news

Bengali news

  • PM Modi: জোরকদমে ভোট চলছে কেরল-অসম-পুদুচেরিতে, কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    PM Modi: জোরকদমে ভোট চলছে কেরল-অসম-পুদুচেরিতে, কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জোরকদমে ভোটগ্রহণ চলছে কেরল, অসম এবং পুদুচেরি বিধানসভায় (Assembly Elections)। আজ, ৯ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া বিধানসভা নির্বাচনে ভোটারদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) আহ্বান, তাঁরা যেন বিপুল সংখ্যায় অংশগ্রহণ করেন। তিনি বিশেষভাবে যুবসমাজ এবং মহিলাদের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সক্রিয়ভাবে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানান।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী? (PM Modi)

    এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে কেরলের জনগণকে বিপুল সংখ্যায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। রেকর্ড অংশগ্রহণ কেরলের গণতান্ত্রিক চেতনায় নতুন উদ্দীপনা যোগ করবে। বিশেষ করে রাজ্যের যুবক-যুবতী এবং মহিলাদের আমি অনুরোধ করছি, তাঁরা যেন এগিয়ে এসে অধিক সংখ্যায় ভোট দেন।” কেরলে ২.৬ কোটিরও বেশি ভোটার রয়েছেন। রাজ্যের ১৪০টি বিধানসভা আসনে ৮৮৩ জন প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারিত হবে। এই নির্বাচনে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে শাসক বাম গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট (LDF), কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউনাইটেড ডেমোক্র্যাটিক ফ্রন্ট (UDF) এবং বিজেপির নেতৃত্বাধীন ন্যাশনাল ডেমোক্র্যাটিক অ্যালায়েন্স (NDA)-এর মধ্যে।

    অসমবাসীর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

    অসম সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “২০২৬ সালের অসম বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমি অসমের জনগণকে বৃহৎ সংখ্যায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানাই। আশা করি, রাজ্যের যুবসমাজ এবং মহিলা ভোটাররাও উৎসাহের সঙ্গে অংশগ্রহণ করবেন এবং এই নির্বাচনকে গণতন্ত্রের উৎসবে পরিণত করবেন (PM Modi)।” অসমে ২.৫ কোটিরও বেশি ভোটার ১২৬ সদস্যের বিধানসভা গঠনের জন্য ভোট দেবেন। প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৭২২ জন। ভোট হচ্ছে পুদুচেরিতেও। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “পুদুচেরি বিধানসভা নির্বাচন শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমি প্রতিটি ভোটারকে অনুরোধ করছি যেন তাঁরা রেকর্ড সংখ্যায় অংশগ্রহণ করেন। বিশেষ করে যুবসমাজ এবং মহিলা ভোটারদের প্রতি আমার আবেদন, তাঁরা যেন গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে এগিয়ে আসেন। প্রতিটি ভোট পুদুচেরির ভবিষ্যৎ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ (Assembly Elections)।” পুদুচেরিতে ভোটার রয়েছেন ১০,১৪,০৭০ জন। এঁদের মধ্যে ৫,৩৯,১২৫ জন মহিলা, ৪,৭৪,৭৮৮ জন পুরুষ এবং ১৫৭ জন তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার। ১৮-১৯ বছর বয়সী ভোটারের সংখ্যা ২৪,১৫৬ এবং ৮৫ বছর বা তার বেশি বয়সী প্রবীণ ভোটার রয়েছেন ৬,০৩৪ জন।

    সকাল থেকেই দীর্ঘ লাইন

    এদিকে, এদিন সকাল থেকেই দীর্ঘ লাইন পড়ছে অসম, কেরল এবং পুদুচেরির বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে। কেরলের ১৪০টি, অসমের ১২৬টি এবং পুদুচেরির ৩০টি আসনে নির্বাচন হচ্ছে এক দফায়ই। শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে কেন্দ্রীয় আধাসামরিক বাহিনী এবং রাজ্য পুলিশ মোতায়েন করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে (PM Modi)। অসমে মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মার নেতৃত্বাধীন শাসক দল বিজেপি টানা তৃতীয়বার ক্ষমতায় ফেরার লক্ষ্যে লড়ছে। আর কংগ্রেস ২০১৬ সালে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর ফের ক্ষমতায় ফিরতে চাইছে। উল্লেখযোগ্য প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী বিজেপির হিমন্ত বিশ্ব শর্মা, কংগ্রেসের রাজ্য সভাপতি গৌরব গগৈ, বিধানসভার স্পিকার বিশ্বজিৎ দৈমারি, বিরোধী দলনেতা দেবব্রত শইকিয়া, এআইইউডিএফ প্রধান বদরুদ্দিন আজমল, রাইজর দলের সভাপতি অখিল গগৈ এবং অসম জাতীয় পরিষদের প্রধান লুরিঞ্জ্যোতি গগৈ (Assembly Elections)।

    লড়াইয়ের ময়দানে রয়েছেন যাঁরা

    শাসক জোট এনডিএর প্রধান দলগুলি হল বিজেপি, অসম গণ পরিষদ (AGP) এবং বডো পিপলস ফ্রন্ট (BPF)। বিরোধী জোটে রয়েছে কংগ্রেস, রাইজর দল, অসম জাতীয় পরিষদ, সিপিআই(এম), এপিএইচএলসি এবং সিপিআই(এমএল)। কেরলে মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নের নেতৃত্বাধীন লেফট ডেমোক্র্যাটিক ফ্রন্ট তৃতীয়বার ক্ষমতায় ফেরার লক্ষ্যে লড়ছে। কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউনাইটেড ডেমোক্র্যাটিক ফ্রন্ট প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী। এখানে তৃতীয় শক্তি বিজেপি। কেন্দ্রশাসিত পুদুচেরিতে ভোটার রয়েছেন ৯.৫০ লাখ। পুদুচেরিতে ২৩টি, কারাইকালে ৫টি এবং মাহে ও ইয়ানামে ১টি করে বিধানসভা আসন রয়েছে। এআইএনআরসি নেতৃত্বাধীন এনডিএ এবং কংগ্রেস, ডিএমকে ও ভিসিকের জোট প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী। অভিনেতা-রাজনীতিক বিজয়ের (Assembly Elections) দল টিভিকের অংশগ্রহণ বড় প্রত্যাশা সৃষ্টি করেছে (PM Modi)।

  • Strait of Hormuz Conflict: ইরান–আমেরিকার সংঘাতে আপাতত বিরতি, এলপিজি নিয়ে স্বস্তিতে ভারত

    Strait of Hormuz Conflict: ইরান–আমেরিকার সংঘাতে আপাতত বিরতি, এলপিজি নিয়ে স্বস্তিতে ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইরান–মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংঘাতে আপাতত বিরতি। কারণ দুই দেশের মধ্যে হয়েছে যুদ্ধবিরতি চুক্তি (Strait of Hormuz Conflict)। এর ফলে ভারতের সবচেয়ে বড় উদ্বেগ—এলপিজি (LPG) এবং তেলের স্বাভাবিক সরবরাহ—এখন অনেকটাই কমেছে। ইরান ও আমেরিকা হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়ার বিষয়েও একমত হয়েছে।

    স্বস্তিতে ভারত (Strait of Hormuz Conflict)

    সমুদ্রপথের বাধা দূর হওয়ার এই খবর ভারতকে বড় স্বস্তি দিয়েছে। এখন তেল ও গ্যাসবাহী ভারতীয় জাহাজগুলি সহজে এবং দ্রুত ভারতে পৌঁছতে পারবে। এর ফলে দেশের অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। সম্প্রতি হরমুজ প্রণালীতে উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছিল। ২৮ ফেব্রুয়ারি আমেরিকা ও ইজরায়েল ইরানের ওপর হামলা চালায়। তার পরেই ইরান হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেয়। ফলে বিশ্বের ২০–২৫ শতাংশ তেল ও গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। এটি ভারতের জন্য বড় সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। কারণ দেশের প্রায় ৮০ শতাংশ এলপিজি এবং উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অপরিশোধিত তেল হরমুজ প্রণালী দিয়েই আসে। সংঘাতের আবহে অনেক জাহাজ সেখানে আটকে পড়ে। ভারতে গ্যাসের ঘাটতি দেখা দেয়, কালোবাজারি বাড়ে। আতঙ্কের জেরে পরিস্থিতি আরও ঘোরালো হয়ে ওঠে। তবে এখন যুদ্ধবিরতি ঘোষণা এবং হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়ার কথা ঘোষণার ফলে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ বদলে গিয়েছে।

    হরমুজ অঞ্চলে আটকে একাধিক ভারতীয় জাহাজ

    বাস্তবে, ভারতীয় তেলবাহী জাহাজগুলির একটি বড় অংশ এখনও হরমুজ অঞ্চলে আটকে রয়েছে (Strait of Hormuz Conflict)। ইরান ভারতকে জাহাজ চলাচলের অনুমতি দিলেও, তা খুব ধীরগতিতে চলছে। এই কারণে এখন পর্যন্ত মাত্র আটটি ভারতীয় জাহাজ হরমুজ প্রণালী পার হয়ে ভারতে এসে পৌঁছেছে, যার অধিকাংশই এলপিজি ট্যাঙ্কার ভর্তি। গত কয়েক দিনে বেশ কিছু জাহাজ ভারতীয় বন্দরে এসে পৌঁছেছে। এগুলি হাজার হাজার টন গ্যাস ও তেল বহন করছিল, যা দেশের দৈনন্দিন ব্যবহারের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ (LPG)। তবে এখনও ১৬টি ভারতীয় জাহাজ পারস্য উপসাগরে আটকে রয়েছে। এগুলিতে রয়েছেন শত শত ভারতীয় নাবিক। এই জাহাজগুলিও তেল এবং গ্যাসে ভর্তি।

    হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়া হয়েছে

    এখন যেহেতু হরমুজ প্রণালী পুরোপুরি খুলে দেওয়া হয়েছে, তাই এই জাহাজগুলিও খুব শীঘ্রই যাত্রা শুরু করতে পারবে। সরকারি সূত্রের খবর, আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই বাকি জাহাজগুলিও নিরাপদে ভারতে পৌঁছে যাবে (Strait of Hormuz Conflict)। অর্থাৎ, তেল ও গ্যাসবাহী সম্পূর্ণ বহরই শীঘ্রই দেশে পৌঁছে যাবে। হরমুজ প্রণালী খুলে যাওয়ায় ভারতের একাধিক সুবিধা হবে। প্রথমত, তেল ও গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হবে। দ্বিতীয়ত, গ্যাসের কালোবাজারি বন্ধ হবে। তৃতীয়ত, মূল্যবৃদ্ধির আশঙ্কা কমে যাবে।
    গৃহস্থালির গ্যাস সিলিন্ডার সরবরাহও স্বাভাবিক হবে (LPG)।

    প্রভাব পড়বে পেট্রোল ও ডিজেলের দামে

    এছাড়া, এর প্রভাব পড়বে পেট্রোল ও ডিজেলের দামেও। এতে অর্থনীতিও চাঙ্গা হবে, কারণ তেল ও গ্যাস আমদানি সহজ হবে। আগে জাহাজগুলিকে দীর্ঘ পথ ঘুরে আসতে হত, এতে সময় ও অর্থ দুটোই বেশি লাগত। এখন সরাসরি সমুদ্র পথ খুলে গিয়েছে। তাই সাশ্রয় হবে অর্থ এবং সময়। ভারত কীভাবে সমাধান করল এই সমস্যার? ভারতের বিদেশমন্ত্রক এবং জাহাজমন্ত্রক আগেই ইরানের সঙ্গে আলোচনা করে কয়েকটি জাহাজের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করেছিল। এখন যুদ্ধবিরতি পুরোপুরি কার্যকর হওয়ায় বাকি জাহাজগুলিও নিরাপদ। নাবিকদের নিরাপত্তাও নিশ্চিত করা হয়েছে। সরকার জানিয়েছে, সব  নাবিকের নিরাপত্তার ওপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে (Strait of Hormuz Conflict)।

    হরমুজ প্রণালী খুলে যাওয়ায় শুধু ভারত নয়, উপকৃত হবে গোটা বিশ্বই। ইতিমধ্যেই বিশ্ব বাজারে তেলের দাম কমতে শুরু করেছে। এতে ভারত-সহ তেল আমদানিকারী দেশগুলি সবচেয়ে বেশি স্বস্তি পাবে (LPG)। এখন ধারাবাহিকভাবে তেল ও গ্যাসবাহী জাহাজ ভারতে এসে পৌঁছবে, যা দেশের জ্বালানি চাহিদা সহজেই পূরণ করবে। বাকি ১৬টি জাহাজও পৌঁছে গেলে দেশের জ্বালানি সরবরাহ আরও মজবুত হবে (Strait of Hormuz Conflict)।

     

  • Daily Horoscope 09 April 2026: পারিবারিক দায়িত্ব বাড়তে পারে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 09 April 2026: পারিবারিক দায়িত্ব বাড়তে পারে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ
    ১) নতুন কাজে ঝুঁকি নিলে লাভ হতে পারে।
    ২) পরিবারের সঙ্গে সময় কাটালে মানসিক শান্তি পাবেন।
    ৩) অপ্রয়োজনীয় খরচ এড়িয়ে চলুন।

    বৃষ
    ১) অর্থনৈতিক দিক মজবুত থাকবে।
    ২) কর্মক্ষেত্রে সহকর্মীদের সহায়তা পাবেন।
    ৩) শরীরের যত্ন নিন, ক্লান্তি আসতে পারে।

    মিথুন
    ১) নতুন যোগাযোগ থেকে লাভ হতে পারে।
    ২) প্রেমের ক্ষেত্রে ভুল বোঝাবুঝি মিটবে।
    ৩) সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে ভেবে নিন।

    কর্কট
    ১) পারিবারিক দায়িত্ব বাড়তে পারে।
    ২) আর্থিক বিষয়ে সতর্ক থাকুন।
    ৩) পুরনো বন্ধুর সঙ্গে দেখা হতে পারে।

    সিংহ
    ১) কাজে সাফল্যের সম্ভাবনা প্রবল।
    ২) আত্মবিশ্বাস বাড়বে।
    ৩) ভ্রমণের সুযোগ আসতে পারে।

    কন্যা
    ১) নতুন পরিকল্পনা সফল হতে পারে।
    ২) মানসিক চাপ কমবে।
    ৩) কারও উপকার করে সন্তুষ্টি পাবেন।

    তুলা
    ১) দাম্পত্য জীবনে সুখের সময়।
    ২) নতুন বিনিয়োগে লাভ হতে পারে।
    ৩) সামাজিক সম্মান বাড়বে।

    বৃশ্চিক
    ১) কাজের চাপ বাড়তে পারে।
    ২) হঠাৎ আর্থিক লাভের যোগ।
    ৩) শরীর নিয়ে অবহেলা করবেন না।

    ধনু
    ১) শিক্ষাক্ষেত্রে সাফল্য পাবেন।
    ২) ভ্রমণের পরিকল্পনা সফল হবে।
    ৩) প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটবে।

    মকর
    ১) কর্মক্ষেত্রে উন্নতির সুযোগ।
    ২) অর্থ সঞ্চয়ের দিকে নজর দিন।
    ৩) পরিবারে আনন্দের পরিবেশ থাকবে।

    কুম্ভ
    ১) নতুন কিছু শেখার সুযোগ আসবে।
    ২) বন্ধুর সাহায্য পাবেন।
    ৩) মানসিক শান্তি বজায় থাকবে।

    মীন
    ১) ব্যবসায় লাভের সম্ভাবনা।
    ২) সম্পর্কের উন্নতি হবে।
    ৩) নিজের ওপর ভরসা রাখুন।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Ramakrishna 618: “অশ্বত্থ গাছে যে পাতা নড়ছে, সেও ঈশ্বরের ইচ্ছায়—তাঁর ইচ্ছা বই একটি পাতাও নড়বার জো নাই!”

    Ramakrishna 618: “অশ্বত্থ গাছে যে পাতা নড়ছে, সেও ঈশ্বরের ইচ্ছায়—তাঁর ইচ্ছা বই একটি পাতাও নড়বার জো নাই!”

    ৫২ শ্যামপুকুর বাটীতে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    ত্রয়োবিংশ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২৬শে অক্টোবর

    FREE WILL OR GOD’S WILL

    যন্ত্রারূঢ়ানি মায়য়া’

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—আমি তো মুখ্যু, আমি কিছু জানি না, তবে এ-সব বলে কে? আমি বলি, ‘মা, আমি যন্ত্র, তুমি যন্ত্রী; আমি ঘর, তুমি ঘরণী; আমি রথ, তুমি রথী; যেমন করাও তেমনি করি, যেমন বলাও তেমনি বলি, যেমন চালাও তেমনি চলি; নাহং নাহং, তুঁহু তুঁহু।’ তাঁরই জয়; আমি তো কেবল যন্ত্র মাত্র! শ্রীমতী যখন সহস্রধারা কলসী লয়ে যাচ্ছিলেন, জল একটুকুও পড়ে নাই, সকলে তাঁর প্রশংসা করতে লাহল; বলে এমন সতী হবে না। তখন শ্রীমতী বললেন (Kathamrita), ‘তোমরা আমার জয় কেন দাও; বল, কৃষ্ণের জয়, কৃষ্ণের জয়! আমি তাঁর দাসী মাত্র।’ ওই অবস্থায় ভাবে বিজয়কে বুকে পা দিলুম; এদিকে তো বিজয়কে এত ভক্তি করি, সেই বিজয়ের গায়ে পা দিলুম, তার কি বল দেখি!

    ডাক্তার — তারপর সাবধান হওয়া উচিত।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) হাতজোড় করে — আমি কি করব? সেই অবস্থাটা এলে বেহুঁশ হয়ে যাই! কি করি, কিছুই জানতে পারি না।

    ডাক্তার — সাবধান হওয়া উচিত, হাতজোড় করলে কি হবে?

    শ্রীরামকৃষ্ণ — তখন কি আমি কিছু করতে পারি? — তবে তুমি আমার অবস্থা কি মনে কর? যদি ঢঙ মনে কর তাহলে তোমার সায়েন্স-মায়েন্স সব ছাই পড়েছো।

    ডাক্তার — মহাশয়, যদি ঢঙ মনে করি তাহলে কি এত আসি? এই দেখ, সব কাজ ফেলে এখানে আসি; কত রোগীর বাড়ি যেতে পারি না, এখানে এসে ছয়-সাত ঘণ্টা ধরে থাকি।

    ন যোৎস্য’ — ভগবদ্‌গীতা — ঈশ্বরই কর্তা, অর্জুন যন্ত্র 

    শ্রীরামকৃষ্ণ  (Ramakrishna)— সেজোবাবুকে বলেছিলাম, তুমি মনে করো না, তুমি একটা বড়মানুষ, আমায় মানছো বলে আমি কৃতার্থ হয়ে গেলুম! তা তুমি মানো আর নাই মানো। তবে একটি কথা আছে (Kathamrita) — মানুষ কি করবে, তিনিই মানাবেন। ঈশ্বরীয় শক্তির কাছে মানুষ খড়কুটো!

    ডাক্তার — তুমি কি মনে করেছো অমুক মাড় তোমায় মেনেছে বলে আমি তোমায় মানব? তবে তোমায় সম্মান করি বটে, তোমায় রিগার্ড করি, মানুষকে যেমন রিগার্ড করে —

    শ্রীরামকৃষ্ণ — আমি কি মানতে বলছি গা?

    গিরিশ ঘোষ — উনি কি আপনাকে মানতে বলছেন?

    ডাক্তার (শ্রীরামকৃষ্ণের প্রতি) — তুমি কি বলছো — ঈশ্বরের ইচ্ছা?

    শ্রীরামকৃষ্ণ — তবে আর কি বলছি! ঈশ্বরীয় শক্তির কাছে মানুষ কি করবে? অর্জুন কুরুক্ষেত্র যুদ্ধে বললেন, আমি যুদ্ধ করতে পারব না, জ্ঞাতি বধ করা আমার কর্ম নয়। শ্রীকৃষ্ণ বললেন — ‘অর্জুন! তোমায় যুদ্ধ করতেই হবে, তোমার স্বভাবে করাবে!’ শ্রীকৃষ্ণ সব দেখিয়ে দিলেন, এই এই লোক মরে রয়েছে। শিখরা ঠাকুর বাড়িতে এসেছিল; তাঁদের মতে অশ্বত্থ গাছে যে পাতা নড়ছে, সেও ঈশ্বরের ইচ্ছায় — তাঁর ইচ্ছা বই একটি পাতাও নড়বার জো নাই!

  • Assam Election: অসম বিধানসভা নির্বাচনের আগেই কংগ্রেস ছাড়লেন প্রার্থী

    Assam Election: অসম বিধানসভা নির্বাচনের আগেই কংগ্রেস ছাড়লেন প্রার্থী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটগ্রহণের মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে বিরাট ধাক্কা খেল কংগ্রেস (Congress)। অসমের (Assam Election) উদালগুড়ি বিধানসভা কেন্দ্রের কংগ্রেস প্রার্থী সুরেন দাইমারি দল ছেড়ে দিয়েছেন। ভোটের ২৪ ঘণ্টারও কম সময়ের আগে নিজের প্রার্থীপদও প্রত্যাহার করেছেন তিনি। বোড়োল্যান্ড টেরিটোরিয়াল রিজিয়ন (বিটিআর)-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ আসনে কংগ্রেস প্রার্থীর এহেন আচরণ দলের পক্ষে এক বিরাট ধাক্কা বলেই ধারণা রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের।

    কংগ্রেসকে আক্রমণ (Assam Election)

    দল ছাড়ার আগে দাইমারি কংগ্রেসকে আক্রমণ শানিয়ে জানান, “মুসলিম তোষণ রাজনীতিই তাঁর দলত্যাগের কারণ। তিনি বলেন, “দল আমার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। কারণ কোনও শীর্ষ নেতা আমার হয়ে প্রচারে আসেননি।” তাঁর দাবি, কংগ্রেস নেতৃত্বের মধ্যে তফশিলি উপজাতি (ST)-বিরোধী মনোভাব রয়েছে। তারা ব্যস্ত সংখ্যালঘু তোষণের রাজনীতিতে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, উদালগুড়ি ও আশপাশের অঞ্চলের নির্বাচনী সমীকরণে এর সরাসরি প্রভাব পড়তে পারে।

    অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রস্তুতি

    এদিকে, নির্বাচন কমিশন অসম বিধানসভা নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত। রাজ্যে ১২৬টি বিধানসভা কেন্দ্র রয়েছে। ৯ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার হবে ভোটগ্রহণ। অসমের প্রধান নির্বাচনী আধিকারিক অনুরাগ গোয়েল জানান, সংশ্লিষ্ট সবাই অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে নিজেদের দায়িত্ব পালন করছেন (Congress)। আইনশৃঙ্খলা ও নির্বাচনী ব্যয়-সহ সব বিষয় কঠোরভাবে পর্যবেক্ষণের জন্য ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে (Assam Election)। এসভিইইপি কর্মসূচির আওতায় রাজ্যজুড়ে ভোটারদের সচেতন করতে ব্যাপক প্রচারও চালানো হয়েছে। পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা নিশ্ছিদ্র করতে কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী ওয়েবকাস্টিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ৩১,৪৯০টি ভোটকেন্দ্রেই (৩১,৪৮৬টি প্রধান ও ৪টি সহায়ক কেন্দ্র) এই সুবিধা চালু রয়েছে। এর ফলে জেলা নির্বাচন আধিকারিক, প্রধান নির্বাচন আধিকারিক এবং ভারতের নির্বাচন কমিশনের কার্যালয় থেকে রিয়েল-টাইমে ভোটগ্রহণ পর্যবেক্ষণ করা হবে।

    জোরদার নিরাপত্তার ব্যবস্থা

    নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী, যার মধ্যে রয়েছেন সিআরপিএফ (CRPF) কর্মীরাও, মোতায়েন করা হয়েছে। ভোটগ্রহণ যাতে নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয়, তাই সংবেদনশীল কেন্দ্রগুলিতে নিয়োগ করা হয়েছে মাইক্রো-অবজারভারও (Assam Election)। সব ভোটকেন্দ্রে ন্যূনতম প্রয়োজনীয় সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে, ব্যবস্থা করা হয়েছে পানীয় জল, অপেক্ষা করার জায়গা, শৌচাগার এবং প্রতিবন্ধীদের জন্য হুইলচেয়ার। ভোটারদের লাইনের পাশে বসার ব্যবস্থা (বেঞ্চ) এবং মোবাইল ফোন নিরাপদে রাখার ব্যবস্থাও করা হয়েছে (Congress)। নির্বাচন পরিচালনায় মোট ১,৫১,১৩২ জন ভোটকর্মী নিয়োজিত। ভোটগ্রহণের জন্য ৪১,৩২০টি ব্যালট ইউনিট, ৪৩,৯৭৫টি কন্ট্রোল ইউনিট এবং ৪৩,৯৯৭টি ভিভিপ্যাট মেশিন রাখা হয়েছে।

    চুম্বকে ভোট তত্ত্ব

    সব মিলিয়ে মোট ৭২২ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ২,৫০,৫৪,৪৬৩ জন ভোটার তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। এর মধ্যে ১,২৫,৩১,৫৫২ জন পুরুষ, ১,২৫,২২,৫৯৩ জন মহিলা এবং ৩১৮ জন তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার। ৬৩,৪২৩ জন সার্ভিস ভোটারও রয়েছেন। ভোটারদের মধ্যে ১৮–১৯ বছর বয়সী রয়েছেন ৬,৪২,৩১৪ জন, ৮০ বছরের ঊর্ধ্বে রয়েছেন ২,৫০,০০৬ জন এবং ২,০৫,০৮৫ জন প্রতিবন্ধীও রয়েছেন। জনপ্রতিনিধিত্ব আইন, ১৯৫১-এর ধারা ৬০(সি) অনুযায়ী ৮৫ বছরের বেশি বয়স্ক নাগরিক ও চিহ্নিত প্রতিবন্ধীদের জন্য বাড়ি থেকে পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে। ইতিমধ্যেই ২৬,০৩২ জন প্রবীণ (৮৫+) এবং ৮,৩৭৩ জন প্রতিবন্ধী এই পদ্ধতিতে ভোট দিয়েছেন (Congress)। প্রধান নির্বাচন আধিকারিক অনুরাগ গোয়েল সব পক্ষকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানিয়েছেন, যাতে প্রত্যেক নাগরিক তাঁর গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে পারেন (Assam Election)।

     

  • PM Modi: আসানসোলে নির্বাচনী প্রচারের পারদ তুঙ্গে, পোলো গ্রাউন্ডে জনসভায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

    PM Modi: আসানসোলে নির্বাচনী প্রচারের পারদ তুঙ্গে, পোলো গ্রাউন্ডে জনসভায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৯ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার, পূর্ব মেদিনীপুরের হলদিয়া, বীরভূমের সিউড়ি, পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোলে (PM Modi) জনসভা করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। নির্বাচনে (West Bengal Elections 2026) নিরাপত্তার কারণে সিউড়িতে প্রধানমন্ত্রীর সভার স্থান পরিবর্তন করা হয়েছে। সিউড়ি ইরিগেশান কলোনির মাঠের বদলে সভা হবে সিউড়ি চাঁদমারী মাঠে। ২০০ মিটার দূরে পুলিশ লাইনের মাঠে চপার নামবে মোদির। ২ কিলোমিটার দূরে ইরিগেশন কলোনির মাঠ, নিরাপত্তার কারণে সড়কপথে যাত্রা নয়। স্থান বদলে পুলিশ লাইন লাগোয়া চাঁদমারি মাঠেই সভা।

    সিউড়িতে মোদির সভা (PM Modi)

    সিউড়িতে প্রথমবার আসতে চলেছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ২০২১ সালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভোটের প্রচারে (West Bengal Elections 2026) একবার সিউড়িতে আসার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছিলেন। কিন্তু সেই সময়ই করোনা অতিমারি হঠাৎ করে বৃদ্ধি পাওয়ায় এমন বড় আকারের জনসভা করার সিদ্ধান্ত বাতিল করা হয়। সিউড়ির বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় সহ জেলার অন্যান্য প্রার্থীদের ভোট ময়দানে জয়যুক্ত করার আহ্বান নিয়েই তিনি সিউড়িতে জনসভা করবেন।

    হলদিয়া-উত্তরবঙ্গে রোড শো

    অন্যদিকে, হলদিয়ার হেলিপ্যাড ময়দানে প্রধানমন্ত্রীর সভা। এরপর ১১ এপ্রিল, শনিবার দক্ষিণ দিনাজপুরের কুশমুন্ডি, নদিয়ার কৃষ্ণনগর ও মুর্শিদাবাদের জঙ্গিপুরে জনসভা রয়েছে তাঁর। পরের দিন ১২ এপ্রিল, রবিবার উত্তরবঙ্গের শিলিগুড়িতে রোড শো করার কথা রয়েছে মোদির।

    পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনী রণকৌশলে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে ভারতীয় জনতা পার্টি। সেই লক্ষ্যেই  আসানসোলের ঐতিহাসিক পোলো গ্রাউন্ডে এক বিশাল জনসভায় ভাষণ (West Bengal Elections 2026) দিতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শিল্পাঞ্চলের এই হেভিওয়েট কেন্দ্রে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উন্মাদনা সৃষ্টি হয়েছে।

    নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা

    প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) সফরকে কেন্দ্র করে আসানসোল শহর জুড়ে কড়া নিরাপত্তা বেষ্টনী গড়ে তোলা হয়েছে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর পাশাপাশি রাজ্য পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরাও নজরদারিতে রয়েছেন। সভাস্থল ও তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলগুলোকে ড্রোনের মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। পোলো গ্রাউন্ডে লক্ষাধিক মানুষের সমাগম প্রত্যাশা করছে গেরুয়া শিবির। আসানসোল ও তার সংলগ্ন অঞ্চলের বিজেপি নেতৃত্ব গত কয়েকদিন ধরে নিরবচ্ছিন্নভাবে প্রচার ও সভার প্রস্তুতি তদারকি করেছেন।

    রাজনৈতিক তাৎপর্য

    আসানসোল লোকসভা ও বিধানসভা আসনগুলোর রাজনৈতিক গুরুত্ব অপরিসীম। খনি ও শিল্পাঞ্চল অধ্যুষিত এই এলাকায় প্রধানমন্ত্রীর বার্তা ভোটারদের ওপর কতটা প্রভাব ফেলে, এখন সেটাই দেখার বিষয়।

    বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, এই জনসভা কেবল একটি প্রচার কর্মসূচি নয়, বরং আসানসোল তথা পশ্চিমবঙ্গের মানুষের কাছে মোদি সরকারের (West Bengal Elections 2026) উন্নয়নের খতিয়ান পৌঁছে দেওয়ার এক বড় মাধ্যম। প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে কেন্দ্র করে জেলার দলীয় কর্মীদের মনোবল বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করা হচ্ছে। বিকেল নাগাদ প্রধানমন্ত্রী সভাস্থলে পৌঁছাবেন এবং সেখান থেকে তিনি জনতার উদ্দেশে তাঁর বক্তব্য রাখবেন। একইসাথে স্থানীয় নেতৃত্বের সঙ্গেও তাঁর সংক্ষিপ্ত আলোচনার সম্ভাবনা রয়েছে। নির্বাচনের প্রস্তুতিতে বঙ্গ রাজনীতির পারদ এখন চরম তুঙ্গে।

  • Iran: ‘দ্রুত ইরান ছাড়ুন’, যুদ্ধবিরতির আবহে ভারতীয় নাগরিকদের পরামর্শ ভারতের দূতাবাসের

    Iran: ‘দ্রুত ইরান ছাড়ুন’, যুদ্ধবিরতির আবহে ভারতীয় নাগরিকদের পরামর্শ ভারতের দূতাবাসের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইরানের বিরুদ্ধে দু’সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। ইরানে তারা যে সামরিক অভিযান চালিয়েছিল, তার নাম ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’। এই অপারেশনই আপাতত স্থগিত থাকছে। যুদ্ধবিরতির খবর চাউর হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তেহরানে (ইরানের রাজধানী) অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস জরুরি পরামর্শ জারি করে ভারতীয় নাগরিকদের এই সময়ে  দ্রুত ইরান ছেড়ে চলে যেতে বলে। দূতাবাস সাফ জানিয়ে দিয়েছে, নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার জন্য নাগরিকদের অবশ্যই আধিকারিকদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে হবে এবং নির্ধারিত পথই ব্যবহার করতে হবে।

    কয়েকটি জরুরি যোগাযোগ নম্বর (Iran)

    সতর্কবার্তায় দূতাবাসের তরফে জানানো হয়, আগাম অনুমতি ছাড়া কোনও আন্তর্জাতিক স্থলসীমান্তে নিজ উদ্যোগে যাওয়া যাবে না। আধিকারিকরা বলেন, “নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সব ধরনের যাতায়াত দূতাবাসের সঙ্গে সমন্বয় রেখেই করতে হবে।” যুদ্ধবিরতির ঘোষণার পরেও ঝুঁকি পুরোপুরি কাটেনি বলেও জানান তাঁরা। ভারতীয় নাগরিকদের সাহায্যের জন্য দূতাবাস কয়েকটি জরুরি যোগাযোগ নম্বর প্রকাশ করেছে। এগুলি হল—

    • +৯৮৯১২৮১০৯১১৫
    • +৯৮৯১২৮১০৯১০২
    • +৯৮৯১২৮১০৯১০৯
    • +৯৮৯৯৩২১৭৯৩৫৯

    ইরান ছাড়ার পরিকল্পনা করার সময় নাগরিকদের দূতাবাসের কর্তাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখান আহ্বানও জানানো হয়েছে।

    কী বলা হয়েছিল আগের নির্দেশিকায়

    নয়া এই নির্দেশনা জারির মাত্র ১৬ ঘণ্টা আগে, নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগের কারণে ইরানে থাকা সব ভারতীয় নাগরিককে ৪৮ ঘণ্টা ঘরের ভেতরে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। দূতাবাস নাগরিকদের সতর্ক করে বলেছিল সামরিক ও বিদ্যুৎ প্রতিষ্ঠান এড়িয়ে চলুন, ভবনের উঁচুতলা থেকে দূরে থাকুন, চলাচল সীমিত রাখুন এবং সরকারি নির্দেশ কঠোরভাবে মেনে চলুন। যাঁরা দূতাবাসের ব্যবস্থাপনায় থাকা আবাসনে রয়েছেন, তাঁদের ঘরের ভেতরে থাকার এবং সেখানে নিয়োজিত দূতাবাসের দলের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে জাতীয়সড়কে যে কোনও ভ্রমণ অবশ্যই আধিকারিকদের জানিয়ে এবং তাঁদের সঙ্গে সমন্বয় রেখে করতে হবে।

  • West Bengal Elections 2026: একজোট হতে হবে জেলার ৩০ শতাংশ হিন্দুকে, মুর্শিদাবাদে তৃণমূল থেকে বিজেপিতে যোগদানের ঢল

    West Bengal Elections 2026: একজোট হতে হবে জেলার ৩০ শতাংশ হিন্দুকে, মুর্শিদাবাদে তৃণমূল থেকে বিজেপিতে যোগদানের ঢল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট প্রচারে রাজ্যজুড়ে উঠেছে গেরুয়া ঝড়। নির্বাচনী প্রচার পথে-ঘাটে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন বিজেপি প্রার্থীরা। আর তাতেই তৃণমূলের অপশাসনের অবসান ঘটাতে প্রকাশ্যে সোচ্চার হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। তৃণমূলসহ বিরোধীদলগুলি ছেড়ে বিজেপিতে যোগদানের ঢল নেমেছে রাজ্যজুড়ে। আর সেই প্রবণতা প্রবল ভাবে দেখা গিয়েছে মুর্শিদাবাদেও (Murshidabad)। হুমায়ুন কবিরের ঘোষণা করা আমরা ৭০ ওরা ৩০-এর জেলায় বিজেপিই যে শেষ ভরসা তা বুঝে গিয়েছেন হিন্দুরা। কেটে ভাগীরথীতে ভাসিয়ে দেওইয়া হবে হিন্দুদের! চরম আতঙ্ক দেখেছে ওয়াকফের আন্দলনে। তাই প্রচার চলাকালীনই প্রার্থীর হাত ধরে হাতে তুলে নিচ্ছেন গেরুয়া পতাকা। ভরতপুর বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী অনামিকা ঘোষের হাত থেকে বিজেপির (West Benagl BJP) পতাকা হাতে তুলে নিলেন বহু তৃণমূল কর্মী।

    স্বতঃস্ফূর্ত যোগদান বিজেপিতে (Murshidabad)

    অন্যান্য দিনের মতো প্রচারে বেরিয়ে বিজেপির পুরনো কর্মী তথা ভরতপুরে দলীয় প্রার্থী অনামিকাদেবী। ভরতপুর (Murshidabad) ২ নম্বর ব্লকের সালু গ্রামের পথে পথে জনসংযোগ সারছিলেন তিনি। কথা বলছিলেন সাধারণ মানুষের সঙ্গে। তাদের অভাব অভিযোগ মন দিয়ে শুনছিলেন তিনি, আর তখনই বিজেপিতে (West Benagl BJP) যোগদানের ইচ্ছাপ্রকাশ করেন কয়েকজন তৃণমূলকর্মী। বিধানসভা নির্বাচনে সক্রিয়ভাবে বিজেপির প্রচারের ইচ্ছাপ্রকাশ করেন তাঁরা। স্বতঃস্ফূর্ত এই সমর্থনে আপ্লুত প্রার্থী ও সঙ্গে থাকা বিজেপি নেতারা সঙ্গে সঙ্গে তাঁদের বিজেপিতে যোগদান করান। হাতে তুলে দেওয়া হয় দলীয় পতাকা। ওঠে জয় শ্রী রাম স্লোগান।

    ভাগিরথীতে ভাসিয়ে দেওয়ার কথা

    বিজেপির (West Benagl BJP) অভিযোগ, তৃণমূলের মদতে লাগাতার অনুপ্রবেশের জেরে মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) জনবিন্যাস যে পরিকল্পিতভাবে বদলে ফেলা হয়েছে তা এখন বড় সমস্যা এই জেলার। এসআইআর প্রক্রিয়ায় রাজ্যে সব থেকে বেশি নাম বাদ গিয়েছে এই জেলা থেকেই। হিন্দুদের কেটে ভাগিরথীতে ভাসিয়ে দেওয়ার কথা বললেও দলের বিধায়ক হুমায়ুন কবিরের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করেননি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফলে দেওয়াল লিখনে স্পষ্ট, মুর্শিদাবাদে হিন্দুদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে গেলে একজোট হতে হবে জেলার ৩০ শতাংশ হিন্দুকে।

    তবে শুধু হিন্দুরা নন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে তাঁদের তেজপাতার মতো ব্যবহার করছেন তা বুঝতে পারছেন মুর্শিদাবাদের মুসলিমরাও। তৃণমূলের প্রতি মোহভঙ্গ হয়েছে তাদেরও। তৃণমূলের হুমকি উপেক্ষা করে তাদের অনেকেও যোগ দিচ্ছেন বিজেপিতে।

  • Palak Gulia-Mukesh Nelavalli: শুটিং বিশ্বকাপে বিশ্বরেকর্ড গড়ে সোনা জয়! তেরঙা ওড়ালেন দুই ভারতীয় শুটার পলক ও মুকেশ

    Palak Gulia-Mukesh Nelavalli: শুটিং বিশ্বকাপে বিশ্বরেকর্ড গড়ে সোনা জয়! তেরঙা ওড়ালেন দুই ভারতীয় শুটার পলক ও মুকেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আন্তর্জাতিক শুটিং স্পোর্টস ফেডারেশন (ISSF) আয়োজিত বিশ্বকাপে এক অভাবনীয় কৃতিত্বের নজির গড়ল ভারত। ১০ মিটার এয়ার পিস্তল মিক্সড টিম ইভেন্টে কেবল সোনা জয়ই নয়, বরং বিশ্বরেকর্ড গড়ে (Palak Gulia-Mukesh Nelavalli) ইতিহাস সৃষ্টি করলেন ভারতের দুই কনিষ্ঠ শুটার পলক গুলিয়া এবং মুকেশ নেলাভল্লি। তাদের এই অবিস্মরণীয় জয় ভারতীয় ক্রীড়া মানচিত্রে এক নতুন মাইলফলক যোগ করল।

    অদম্য লড়াই (Palak Gulia-Mukesh Nelavalli)

    প্রতিযোগিতার শুরু থেকেই পলক ও মুকেশ অসামান্য একাগ্রতা ও লক্ষ্যভেদ প্রদর্শন করেন। ফাইনালে প্রতিপক্ষকে কার্যত কোনও সুযোগ না দিয়েই তাঁরা শীর্ষস্থান দখল করে নেন। সোনা জয়ের পথে তাঁরা যে স্কোর খাড়া করেছেন, তা এই ইভেন্টের বিশ্বরেকর্ডকে (Palak Gulia-Mukesh Nelavalli) ভেঙে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে। বিশেষ করে চাপের মুখে পলকের শান্ত মেজাজ এবং মুকেশের নির্ভুল নিশানাবাজি দর্শকদের মন্ত্রমুগ্ধ করেছে। বিদেশের প্রতিকূল কন্ডিশনে এই দুই ভারতীয় তারকার জয় প্রমাণ করে দিল যে ভারতের তরুণ প্রজন্মের শুটাররা বিশ্বমঞ্চে রাজত্ব (ISSF) করার জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত।

    জুটির মধ্যে বোঝাপড়া আসল

    সোনাজয়ী পলক বলেছেন, “মিক্সড টিম ইভেন্টে জুটির মধ্যে বোঝাপড়া আসল। নতুন ফরম্যাটে চারটে দল ফাইনালে খেলে। ফলে লড়াই আরও বেশি। ফলে শুরুটা ভালো হওয়া জরুরি। আমরা সেটা করতে পেরেছি। আমি অবশ্য মুকেশের সঙ্গে নয়, আমার নিজের সঙ্গে লড়াই করছিলাম। মুকেশ আমার কাজটা সহজ করে দিয়েছে।” একই ভাবে সোনাজয়ী মুকেশ বলেন, “ভারতের হয়ে সিনিয়র স্তরে এটা আমার প্রথম আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা। নিজের সেরাটা দিয়েছি। ফাইনালে স্নায়ুর চাপ ধরে রেখেছিলাম। আমি আর পলক নিজেদের মধ্যে প্রতিযোগিতা করছিলাম। কে বেশি স্কোর করতে পারে সেই লড়াই চলছিল। সেই লড়াই করতে গিয়েই চ্যাম্পিয়ন হয়েছি।”

    ক্রীড়ামহলে উদ্দীপনা

    পলক এবং মুকেশের এই অভাবনীয় সাফল্যে (Palak Gulia-Mukesh Nelavalli) ভারতের জাতীয় রাইফেল সংস্থা এবং ক্রীড়ামন্ত্রক অভিনন্দন জানিয়েছে। ক্রীড়া বিশেষজ্ঞদের মতে, অলিম্পিকের আগে এই ধরনের সাফল্য ভারতীয় শুটিং দলের (ISSF) আত্মবিশ্বাস বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে। তাঁদের এই কৃতিত্ব কেবল স্বর্ণপদকেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং তা আগামীর তরুণ প্রজন্মের কাছে এক বিশাল অনুপ্রেরণা।

  • West Bengal Assembly Election: বন্দর কেন্দ্রে তৃণমূলের ফিরহাদ হাকিমের বিরুদ্ধে বিজেপির বাজি রাকেশ সিং

    West Bengal Assembly Election: বন্দর কেন্দ্রে তৃণমূলের ফিরহাদ হাকিমের বিরুদ্ধে বিজেপির বাজি রাকেশ সিং

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা বন্দর কেন্দ্রে তৃণমূলের বাজি সেই ফিরহাদ হাকিম। তাঁর বিরুদ্ধে জবরদস্ত প্রার্থী দিল বিজেপি। সদ্য জামিনে মুক্ত রাকেশ সিংকে (Rakesh Singh) ওই কেন্দ্রের টিকিট দিয়েছে পদ্মশিবির (West Bengal Assembly Election)। রাজ্যের মোট ২৯৪টি আসনের মধ্যে কেবল এই কেন্দ্রেই প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা বাকি ছিল বিজেপির। রাকেশের নাম ঘোষণা করে প্রার্থিতালিকা সম্পূর্ণ করল পদ্মশিবির।

    রাকেশ সিংকে গ্রেফতার (West Bengal Assembly Election)

    ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে কলকাতার ট্যাংরা এলাকা থেকে পুলিশ গ্রেফতার করে বিজেপি নেতা রাকেশকে। কংগ্রেসের অফিস বিধান ভবনে ভাঙচুর ও তাণ্ডব চালানোর অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছিল তাঁকে। বিহারে রাহুল গান্ধীর মিছিলে ‘আপত্তিকর মন্তব্যের’ প্রতিবাদে কংগ্রেসের অফিসে এই হামলা চালানো হয়েছিল বলে অভিযোগ। ঘটনার পর পরেই গা-ঢাকা দেন দক্ষিণ কলকাতার এই বিজেপি নেতা। পরে পুলিশ গ্রেফতার করে রাকেশ-সহ চারজনকে। রাকেশের বিরুদ্ধে এন্টালি থানায় অস্ত্র আইন-সহ একাধিক ধারায় রুজু হয়েছিল মামলা।

    জামিনে মুক্তি পেতেই মিলল টিকিট

    সোমবার রাকেশের অন্তর্বর্তী জামিন মঞ্জুর করে কলকাতা হাইকোর্ট। ওই দিনই গাড়িতে বসা অবস্থায় একটি ছবি ফেসবুকে পোস্ট করেন এই বিজেপি নেতা। ক্যাপশনে লেখেন, ‘সত্যের জয় হয়েছে’। সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি লেখেন, ‘‘১৬৩ দিনের সংগ্রামের পর আমার এবং আমার পরিবারের বিরুদ্ধে দায়ের করা ১৬টি মিথ্যা মামলায় কলকাতা হাইকোর্ট আমাদের পক্ষে রায় দিয়েছে (West Bengal Assembly Election)।’’ প্রসঙ্গত, বুধবারই ষষ্ঠ দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে বিজেপি। তাতেই ছিল রাকেশের নাম। রাকেশকে রাজ্যের বিদায়ী মন্ত্রী তথা তৃণমূল নেতা ফিরহাদ হাকিমের বিরুদ্ধে লড়িয়ে দেওয়া হল। জানা গিয়েছে, প্রার্থী হিসেবে নাম ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই কোমর বেঁধে পুরো দমে প্রচারে নেমে পড়েছেন রাকেশ। এদিন সকাল থেকেই কলকাতা বন্দরের বিভিন্ন ওয়ার্ডে গিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। শুরু করে দেন জনসংযোগও (Rakesh Singh)।

    ওয়াকিবহাল মহলের মতে, ফিরহাদ হাকিমের মতো পোড়খাওয়া রাজনীতিকের বিরুদ্ধে রাকেশের মতো পরিচিত ও লড়াকু নেতাকে দাঁড় করিয়ে বিজেপি এক মস্ত চাল দিল। বন্দর এলাকাটি দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূলের গড় হিসেবে পরিচিত। সেখানেই রাকেশকে প্রার্থী করে পদ্ম শিবির বুঝিয়ে দিল ‘বিনা যুদ্ধে নাহি দিব সূচ্যগ্র মেদিনী’ (West Bengal Assembly Election)!

     

LinkedIn
Share