Tag: Bengali news

Bengali news

  • NEP 2020: সিবিএসই-র বড় সিদ্ধান্ত; ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে তৃতীয় ভাষা বাধ্যতামূলক, ৭ দিনের মধ্যে কার্যকরের নির্দেশ

    NEP 2020: সিবিএসই-র বড় সিদ্ধান্ত; ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে তৃতীয় ভাষা বাধ্যতামূলক, ৭ দিনের মধ্যে কার্যকরের নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের স্কুল শিক্ষা ব্যবস্থায় বড়সড় পরিবর্তনের পথে কেন্দ্রীয় মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড (CBSE)। জাতীয় শিক্ষানীতি (NEP 2020)-এর সুপারিশ মেনে এখন থেকে ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত ‘তৃতীয় ভাষা’ (Third Language) শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার নির্দেশ দিয়েছে। বোর্ড স্পষ্ট জানিয়েছে, আগামী ৭ দিনের মধ্যেই সমস্ত অনুমোদিত স্কুলকে এই নিয়ম কার্যকর করতে হবে।

    ভাষা শিক্ষার বিস্তার (NEP 2020)

    এতদিন অনেক স্কুলে তৃতীয় ভাষা ঐচ্ছিক হিসেবে থাকলেও, নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী ষষ্ঠ শ্রেণি (NEP 2020) থেকে এটি আবশ্যিক বিষয় হিসেবে গণ্য হবে। এর উদ্দেশ্য হলো শিক্ষার্থীদের মধ্যে বহুভাষিক দক্ষতা বৃদ্ধি করা।

    ৭ দিনের সময়সীমা

    সিবিএসই-র (NEP 2020) পক্ষ থেকে স্কুলগুলোকে অত্যন্ত অল্প সময় দেওয়া হয়েছে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে এই শিক্ষাক্রম চালুর পরিকাঠামো তৈরি এবং শিক্ষার্থীদের (CBSE) ভাষা নির্বাচনের সুযোগ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শিক্ষক নিয়োগ ও পরিকাঠামোর উপরেও বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। এই স্বল্প সময়ের মধ্যে যোগ্য ভাষা শিক্ষক নিশ্চিত করা এবং ক্লাসের সময়সূচী বা রুটিন পরিবর্তন করা স্কুলগুলোর জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    জাতীয় শিক্ষানীতির প্রতিফলন

    কেন্দ্রীয় সরকারের নতুন শিক্ষানীতিতে (NEP 2020) ভারতীয় ভাষাগুলোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সিবিএসই-র এই পদক্ষেপ সেই লক্ষ্য পূরণেরই একটি অংশ। বোর্ডের (CBSE) মতে, স্কুল স্তরে একাধিক ভাষা শিখলে শিক্ষার্থীদের বৌদ্ধিক বিকাশ ঘটে এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্তের সংস্কৃতি ও সাহিত্যের সঙ্গে তাদের মেলবন্ধন তৈরি হয়। বিশেষ করে ভারতীয় ধ্রুপদী ভাষা বা আধুনিক কোনো ভারতীয় ভাষাকে এই তালিকায় অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

    স্কুল ও অভিভাবকদের প্রতিক্রিয়া

    হঠাৎ করে আসা এই নির্দেশে স্কুল কর্তৃপক্ষগুলোর (CBSE) মধ্যে কিছুটা উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। অনেক স্কুলই মনে করছে, মাত্র ৭ দিনের মধ্যে নতুন ভাষা শিক্ষক নিয়োগ বা পাঠ্যক্রম গুছিয়ে নেওয়া কঠিন হবে। অন্যদিকে, শিক্ষাবিদদের একাংশ মনে করছেন, দীর্ঘমেয়াদী ক্ষেত্রে এই সিদ্ধান্ত শিক্ষার্থীদের (NEP 2020) ভাষাগত জ্ঞান বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে। সিবিএসই-র এই কড়া নির্দেশের পর দেশের হাজার হাজার স্কুল এখন দ্রুততার সঙ্গে তাদের শিক্ষানীতি পরিবর্তনের প্রস্তুতি শুরু করেছে।

  • West Bengal Elections 2026: এক বছরের মধ্যে ‘ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যান’ বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি, ডেবরায় বড় ঘোষণা অমিত শাহের

    West Bengal Elections 2026: এক বছরের মধ্যে ‘ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যান’ বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি, ডেবরায় বড় ঘোষণা অমিত শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন নির্বাচনকে (West Bengal Elections 2026) কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতি যখন তুঙ্গে, তখন বঙ্গবাসীকে বড় আশার কথা শোনালেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit shah)। রাজ্যের অন্যতম দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা মেটাতে এবং সীমান্ত নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে কেন্দ্রের পক্ষ থেকে একগুচ্ছ সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করেন তিনি।

    ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়ন (West Bengal Elections 2026)

    ঘাটালবাসীর দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের কথা উল্লেখ করে অমিত শাহ প্রতিশ্রুতি দেন যে, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি (West Bengal Elections 2026) ক্ষমতায় এলে আগামী এক বছরের মধ্যেই ‘ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যান’ কার্যকর করা হবে। বছরের পর বছর বন্যার কবলে পড়া এই অঞ্চলের মানুষের স্থায়ী সমাধানের জন্য কেন্দ্রীয় সরকার বদ্ধপরিকর বলে তিনি জানান। অমিত শাহ বলেন, “নরেন্দ্র মোদিজি এই প্রকল্পের জন্য দেড় হাজার কোটি টাকা পাঠিয়েছিলেন। ৬০ শতাংশ অর্থ কেন্দ্রীয় সরকার দিতে চেয়েছিল। কিন্তু তৃণমূল সরকারই ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানকে আক্ষরিক অর্থে জঞ্জালে পরিণত করেছে। আপনারা রাজ্যে বিজেপির সরকার আনুন, আমি কথা দিচ্ছি মাত্র এক বছরের মধ্যে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান তৈরি করে এই অঞ্চলের নিকাশি সমস্যার স্থায়ী সমাধান করে দেব।”

    অনুপ্রবেশ রুখতে কঠোর পদক্ষেপ

    আন্তর্জাতিক সীমান্তে নিরাপত্তার প্রশ্নে কোনো আপস করা হবে না বলে কড়া বার্তা দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Amit shah)। তিনি আশ্বাস দেন, বিজেপি সরকার গঠন করলে সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ এবং চোরাচালান সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করা হবে। বাংলার সীমান্তকে সুরক্ষিত করাই তাঁদের অন্যতম অগ্রাধিকার। অমিত শাহ বলেন, “বাংলার মধ্যবিত্ত, নিম্ন মধ্যবিত্ত এবং গরিব মহিলাদের অবস্থা অত্যন্ত শোচনীয়। তাঁদের ক্ষমতায়নের বদলে কেবল রাজনীতির বোড়ে হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। এই পরিস্থিতি বদলাতেই বিজেপির বড় প্রতিশ্রুতি — মাসের ১ থেকে ৫ তারিখের মধ্যেই সরাসরি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পৌঁছে যাবে ৩,০০০ টাকা।” তৃণমূলের লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের পাল্টা হিসেবেই এই প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বিজেপি।

    রাজ্য সরকারের সমালোচনা

    বর্তমান রাজ্য সরকারের (West Bengal Elections 2026) কঠোর সমালোচনা করে তিনি অভিযোগ করেন যে, কেন্দ্রের জনকল্যাণমূলক প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে অনীহা দেখানো হচ্ছে। তাঁর দাবি, ডবল ইঞ্জিন সরকার প্রতিষ্ঠিত হলে রাজ্যের উন্নয়নের গতি কয়েকগুণ বৃদ্ধি পাবে। ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যানের মতো সংবেদনশীল ইস্যুকে সামনে আনা এবং অনুপ্রবেশের প্রশ্নে কঠোর অবস্থান নেওয়া—এই দুই কৌশলী প্রচারের মাধ্যমে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দক্ষিণ ও উত্তরবঙ্গ উভয় প্রান্তের ভোটারদের বিশেষ বার্তা দিতে চেয়েছেন। অমিত শাহের এই উচ্চাভিলাষী প্রতিশ্রুতি ২০২৬-এর নির্বাচনী লড়াইয়ে বিজেপিকে অনেকটাই সুবিধা করে দেবে বলে বলছেন বিজেপি সমর্থকরা।

    দিদির সদিচ্ছার অভাব

    অমিত শাহ (Amit shah) সরাসরি আক্রমণ করে বলেন, “দিদি (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়) বছরের পর বছর ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যান নিয়ে কেবল প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, কিন্তু তা বাস্তবায়নে কোনো আন্তরিকতা দেখাননি।” তাঁর দাবি, রাজ্য সরকারের অসহযোগিতা ও সঠিক পরিকল্পনার অভাবেই এই প্রকল্প থমকে রয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বলেন, “ঘাটালবাসীর বন্যার কষ্টকে তৃণমূল সরকার স্রেফ ভোটের রাজনীতিতে পরিণত করেছে। প্রতি বছর বর্ষায় সাধারণ মানুষ যখন ঘরবাড়ি হারান, তখন রাজ্য সরকার কেন্দ্রের ওপর দোষ চাপিয়ে নিজের দায় এড়াতে চায়।”

    বিজেপির সংকল্প

    অমিত শাহ (Amit shah) পুনরায় প্রতিশ্রুতি দেন যে, বাংলায় বিজেপি সরকার গঠন করলেই অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যান সম্পন্ন করা হবে। তাঁর কথায়, “আমরা যা বলি, তা করে দেখাই। মেদিনীপুরের মানুষকে আর বন্যার আতঙ্কে দিন কাটাতে হবে না।” প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য যুবকদের ১৫ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। যাঁরা দুর্নীতির জন্য চাকরি থেকে বঞ্চিত হয়েছেন, তাঁদের ৫ বছর পর্যন্ত বয়সে ছাড় দেওয়া হবে। বিজেপি-র ইস্তেহারে আরও বলা হয়েছে, যোগ্যদের মেধার ভিত্তিতে স্থায়ী চাকরি নিশ্চিত করা হবে। রাজ্যের সব চাকরিতে মহিলাদের জন্য ৩৩ শতাংশ আসন সংরক্ষণ করা হবে।

    তৃণমূলের পাল্টা অবস্থান

    অন্যদিকে, তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে বরাবরের মতোই দাবি করা হয়েছে যে, ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যানের জন্য প্রয়োজনীয় কেন্দ্রীয় বরাদ্দ আটকে রেখেছে দিল্লি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একাধিকবার জানিয়েছেন, কেন্দ্র টাকা না দিলে রাজ্য সরকার নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী এই কাজ শেষ করার চেষ্টা করবে। বিজেপি নেতার এই সফরকে ‘নির্বাচনী গিমিক’ বলেও কটাক্ষ করেছে শাসক শিবির।

    রাজনৈতিক বিশ্লেষণ

    বিশেষজ্ঞদের মতে, মেদিনীপুর ও পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোতে ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যান একটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর বিষয়। নির্বাচনের আগে অমিত শাহের এই সরাসরি আক্রমণ এবং প্রকল্পের দায়িত্ব নেওয়ার ঘোষণা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এর ফলে সংশ্লিষ্ট এলাকার ভোটারদের মনে যে নতুন করে আশার সঞ্চার হবে, তা বলাই বাহুল্য।

  • Daily Horoscope 11 April 2026: অর্থপ্রাপ্তির সম্ভাবনা রয়েছে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 11 April 2026: অর্থপ্রাপ্তির সম্ভাবনা রয়েছে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ
    ১) কর্মক্ষেত্রে নতুন সুযোগ আসতে পারে।
    ২) আর্থিক বিষয়ে সতর্ক থাকুন।
    ৩) পরিবারের কারও পরামর্শ কাজে লাগবে।

    বৃষ
    ১) পারিবারিক পরিবেশ শান্ত থাকবে।
    ২) পুরনো বন্ধুর সঙ্গে দেখা হতে পারে।
    ৩) ছোটখাটো লাভের সম্ভাবনা আছে।

    মিথুন
    ১) কাজের চাপ বাড়তে পারে।
    ২) ভ্রমণের সুযোগ পেতে পারেন।
    ৩) নতুন যোগাযোগ গড়ে উঠবে।

    কর্কট
    ১) অর্থপ্রাপ্তির সম্ভাবনা রয়েছে।
    ২) সম্পর্কের ক্ষেত্রে ভুল বোঝাবুঝি এড়িয়ে চলুন।
    ৩) মানসিক শান্তি বজায় রাখুন।

    সিংহ
    ১) সম্মান ও প্রতিপত্তি বাড়তে পারে।
    ২) নতুন কাজে সাফল্য মিলবে।
    ৩) গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে হতে পারে।

    কন্যা
    ১) স্বাস্থ্য নিয়ে একটু চিন্তা থাকতে পারে।
    ২) পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করলে লাভ হবে।
    ৩) অপ্রয়োজনীয় চিন্তা এড়িয়ে চলুন।

    তুলা
    ১) দাম্পত্য জীবনে সুখ বজায় থাকবে।
    ২) ব্যবসায় উন্নতির যোগ আছে।
    ৩) অর্থ সঞ্চয়ের দিকে নজর দিন।

    বৃশ্চিক
    ১) হঠাৎ কোনও সুসংবাদ পেতে পারেন।
    ২) খরচ নিয়ন্ত্রণে রাখুন।
    ৩) পুরনো কাজ শেষ করার সুযোগ পাবেন।

    ধনু
    ১) শিক্ষাক্ষেত্রে সাফল্য আসতে পারে।
    ২) নতুন কিছু শেখার সুযোগ পাবেন।
    ৩) আত্মবিশ্বাস বাড়বে।

    মকর
    ১) কর্মক্ষেত্রে পদোন্নতির সম্ভাবনা।
    ২) পরিবারের সঙ্গে সময় কাটান।
    ৩) নতুন দায়িত্ব পেতে পারেন।

    কুম্ভ
    ১) নতুন যোগাযোগ তৈরি হবে।
    ২) অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতি হবে।
    ৩) ভ্রমণের যোগ রয়েছে।

    মীন
    ১) মানসিক শান্তি বজায় থাকবে।
    ২) সৃজনশীল কাজে আগ্রহ বাড়বে।
    ৩) প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটানোর সুযোগ পাবেন।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Ramakrishna 620: “দেখ, ঈশ্বর সব করছেন, তিনি যন্ত্রী, আমি যন্ত্র, এ-বিশ্বাস যদি কারু হয়, সে তো জীবন্মুক্ত—তোমার কর্ম তুমি কর, লোকে বলে করি আমি”

    Ramakrishna 620: “দেখ, ঈশ্বর সব করছেন, তিনি যন্ত্রী, আমি যন্ত্র, এ-বিশ্বাস যদি কারু হয়, সে তো জীবন্মুক্ত—তোমার কর্ম তুমি কর, লোকে বলে করি আমি”

    ৫২ শ্যামপুকুর বাটীতে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    ত্রয়োবিংশ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২৬শে অক্টোবর
    FREE WILL OR GOD’S WILL
    ‘যন্ত্রারূঢ়ানি মায়য়া’

    Liberty or Necessity?—Influence of Motives

    ডাক্তার — কিন্তু আগুন ‘হীট’ও (উত্তাপ) দেয়, আর ‘লাইট’ও (আলো) দেয়। আলোতে দেখা যায় বটে; কিন্তু উত্তাপে গা পুড়ে যায়। ডিউটি (কর্তব্য কর্ম) করতে গেলে কেবল আনন্দ (Ramakrishna) হয় তা নয়, কষ্টও আছে!

    মাস্টার (গিরিশের প্রতি) — পেটে খেলে পিঠে সয়। কষ্টতেও আনন্দ।

    গিরিশ (ডাক্তারের প্রতি) — ডিউটি শুষ্ক।

    ডাক্তার — কেন?

    গিরিশ — তবে সরস। (সকলের হাস্য)

    মাস্টার — বশ, এইবার লোভে গুলি খাওয়া এসে পড়ল।

    গিরিশ (ডাক্তারের প্রতি) — সরস, নচেৎ ডিউটি কেন করেন?

    ডাক্তার — এইরূপ মনের ইনক্লিনেসন (মনের ওইদিকে গতি)।

    মাস্টার (গিরিশের প্রতি) — ‘পোড়া স্বভাবে টানে!’ (হাস্য) যদি একদিকে ঝোঁকই (ইনক্লিনেসন) হল Free Will কোথায়?

    ডাক্তার (Ramakrishna)— আমি Free (স্বাধীন) একেবারে বলছি না। গরু খুঁটিতে বাঁধা আছে, দড়ি যতদূর যায়, তার ভিতর ফ্রি। দড়ি টান পড়লে আবার —

    শ্রীরামকৃষ্ণ ও Free Will

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)— এই উপমা যদু মল্লিকও বলেছিল। (ছোট নরেন্দ্রের প্রতি) একি ইংরাজীতে আছে?

    (ডাক্তারের প্রতি) — “দেখ, ঈশ্বর সব করছেন, তিনি যন্ত্রী, আমি যন্ত্র। এ-বিশ্বাস যদি কারু হয়, সে তো জীবন্মুক্ত—‘তোমার কর্ম তুমি কর, লোকে বলে করি আমি।’ কিরকম জানো? বেদান্তের একটি উপমা আছে (Kathamrita)—একটা হাঁড়িতে ভাত চড়িয়েছ, আলু, বেগুন, চাল লাফাতে থাকে, যেন অভিমান করছে ‘আমি নড়ছি’, আমি লাফাচ্চি।’ ছোট ছেলেরা ভাবে, আলু। পঠল, বেগুন ওরা বুঝি জীয়ন্ত, তাই লাফাচ্চে। যাদের জ্ঞান হয়েছে তারা কিন্তু বুঝিয়ে দেয় যে, এই সব আলু, বেগুন পটল এরা জীয়ন্ত নয়, নিজে লাফাচ্চে না। হাঁড়ির নিচে আগুন জ্বলছে, তাই ওরা লাফাচ্ছে। যদি কাঠ টেনে লওয়া যায়, তাহলে আর নড়ে না। জীবের ‘আমি কর্তা’ এই অভিমান অজ্ঞান থেকে হয়। ঈশ্বরের শক্তিতে সব শক্তিমান। জ্বলন্ত কাঠ টেনে নিলে সব চুপ। — পুতুলনাচের পুতুল বাজিকরের হাতে বেশ নাচে, হাত থেকে পড়ে গেলে আর নড়ে না চড়ে না!

    “যতক্ষণ না ঈশ্বরদর্শন হয়, যতক্ষণ সেই পরশমণি ছেঁয়া না হয়, ততক্ষণ আমি কর্তা এই ভুল থাকবে; আমি সৎ কাজ করেছি, অসৎ কাজ করেছি, এই সব ভেদ বোধ থাকবেই থাকবে। এ-ভেদবোধ তাঁরই মায়া — তাঁর মায়ার সংসার চালাবার জন্য বন্দোবস্ত। বিদ্যামায়া আশ্রয় করলে, সৎপথ ধরলে তাঁকে লাভ করা যায়। যে লাভ করে, যে ঈশ্বরকে দর্শন করে, সেই মায়া পার হয়ে যেতে পারে। তিনিই একমাত্র কর্তা, আমি অকর্তা, এ-বিশ্বাস যার, সেই জীবন্মুক্ত, এ-কথা কেশব সেনকে বলেছিলাম।”

    গিরিশ — Free Will কেমন করে আপনি জানলেন?

    ডাক্তার — Reason (বিচার)-এর দ্বারা নয় — I feel it!

    গিরিশ — Then I and others feel it to be the reverse. (আমরা সকলে ঠিক উলটো বোধ করি যে, আমরা পরতন্ত্র)। (সকলের হাস্য)

    ডাক্তার — ডিউটির ভিতর দুটো এলিমেন্ট — (১) ডিউটি বলে কর্তব্য কর্ম করতে যাই, (২) পরে আহ্লাদ হয়। কিন্তু initial stage-এ (গোড়াতে) আনন্দ হবে বলে যাই না। ছেলেবেলায় দেখতুম পুরুত সন্দেশে পিঁপড়ে হলে বড় ভাবিত হত। পুরুতের প্রথমেই সন্দেশ-চিন্তা করে আনন্দ হয় না। (হাস্য) প্রথমে বড় ভাবনা।

    মাস্টার (স্বগত) — পরে আনন্দ (Kathamrita), কি সঙ্গে সঙ্গে আনন্দ হয়, বলা কঠিন। আনন্দের জোরে কার্য হলে, Free Will কোথায়?

  • West Bengal Elections 2026: বিচারের আর্তনাদ নিয়ে বিজেপির প্রচারে মুর্শিদাবাদে নিহত হরগোবিন্দ দাস-চন্দন দাসের পরিবার

    West Bengal Elections 2026: বিচারের আর্তনাদ নিয়ে বিজেপির প্রচারে মুর্শিদাবাদে নিহত হরগোবিন্দ দাস-চন্দন দাসের পরিবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনকে (West Bengal Elections 2026) কেন্দ্র করে উত্তপ্ত পশ্চিমবঙ্গ। এই আবহে মুর্শিদাবাদে (Murshidabad) সংঘটিত পূর্বতন হিংসার স্মৃতি উসকে দিয়ে নির্বাচনী প্রচারে নতুন মাত্রা যোগ করল ভারতীয় জনতা পার্টি। গত বছর ওয়াকফ বিল নিয়ে সৃষ্টি হিংসায় প্রাণ হারানো হরগোবিন্দ দাস এবং চন্দন দাসের পরিবারের সদস্যরা এবার বিজেপির হয়ে ময়দানে নেমেছেন।

    স্বজনহারাদের লড়াই (West Bengal Elections 2026)!

    শামসেরগঞ্জের (West Bengal Elections 2026) ধুলিয়ানে গত বছর ওয়াকফ কেন্দ্রিক গোলমালে নৃশংসভাবে খুন হন বাবা হরগোবিন্দ ও ছেলে চন্দন দাস। এই নির্বাচনে তাঁদের বিধবা স্ত্রীরা বিজেপির নির্বাচনী কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছেন। তাঁদের উপস্থিতি প্রচারের ময়দানে (Murshidabad) এক আবেগঘন পরিবেশ তৈরি করেছে।

    পদ্ম শিবির এই হত্যার ঘটনাকে ‘আইনশৃঙ্খলার অবনতি’ এবং ‘তোষণ নীতির ফল’ হিসেবে বর্ণনা করছে। নিহতদের পরিবারের মাধ্যমে তারা ভোটারদের কাছে হিন্দু সামাজের নিরাপত্তার বার্তা পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করছে।

    আবেগ ও ন্যায়বিচার

    নির্বাচনী (West Bengal Elections 2026) জনসভাগুলোতে নিহতদের পরিবারের সদস্যরা বিচারের দাবি জানাচ্ছেন। তাঁদের কান্নায় ভেজা আবেদনকে সামনে রেখে বিজেপি সাধারণ মানুষের সহানুভূতি আদায়ের চেষ্টা করছে।

    রাজনৈতিক মহলের মতে, মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) মতো সংখ্যালঘু অধ্যুষিত জেলায় ওয়াকফ বিতর্ক এবং সেই সংক্রান্ত হিংসার শিকার পরিবারগুলোকে প্রচারে নামানো বিজেপির একটি অত্যন্ত সুচিন্তিত রাজনৈতিক কৌশল। এর মাধ্যমে তারা মূলত হিন্দু সুরক্ষা এবং প্রশাসনিক ব্যর্থতার ইস্যুটিকে জনমানসে বড় করে তুলে ধরতে চাইছে।

    ভোটদাতাদের মনে প্রভাব ফেলবে

    তৃণমূল কংগ্রেস অবশ্য এই প্রচারকে ‘লাশের রাজনীতি’ বলে পাল্টা আক্রমণ করেছে। শাসক দলের মতে, বিজেপি একটি দুঃখজনক ব্যক্তিগত ঘটনাকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করছে। অন্যদিকে, জেলাজুড়ে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে প্রচার চালালেও, হরগোবিন্দ ও চন্দন দাসের পরিবারের এই সক্রিয় উপস্থিতি ভোটদাতাদের মনে কতটা প্রভাব ফেলবে, তা নিয়ে চলছে জোর চর্চা।

  • West Bengal Elections 2026: কেলেঘাই নদী সংস্কারের অঙ্গীকার, পতাকা হাতে সাঁতরে অভিনব প্রচারে বিজেপি প্রার্থীর

    West Bengal Elections 2026: কেলেঘাই নদী সংস্কারের অঙ্গীকার, পতাকা হাতে সাঁতরে অভিনব প্রচারে বিজেপি প্রার্থীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনকে (West Bengal Elections 2026) সামনে রেখে পটাশপুর কেন্দ্রে জোরকদমে প্রচার শুরু করেছেন বিজেপি প্রার্থী তথা প্রাক্তন জেলা সভাপতি ও অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মী তপন মাইতি। নির্বাচনী প্রচারের শুরুতেই তিনি বেছে নিয়েছেন এলাকার দীর্ঘদিনের জ্বলন্ত সমস্যা কেলেঘাই নদীর সংস্কার। অপর দিকে যখন প্রচারের পারদ চড়াচ্ছে, ঠিক তখনই বিনপুর বিধানসভা কেন্দ্রে ধরা পড়ল এক বিরল ও ব্যতিক্রমী চিত্র। ভোটের প্রচার মাঝপথে থামিয়ে অসুস্থ রোগীর সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করলেন বিজেপি (BJP) প্রার্থী ডাঃ প্রণব টুডু।

    নদীতে সাঁতার কেটে সংকল্প (West Bengal Elections 2026)

    নির্বাচনী লড়াইয়ে এক ইঞ্চি জমিও ছাড়তে নারাজ শাসক ও বিরোধী (West Bengal Elections 2026)। বিজেপি (BJP) সবরকম ভাবে ভোটারের মন জয় করতে প্রচারে নেমে পড়েছে। নদী সংস্কারের দাবিকে জোরালো করতে দলীয় পতাকা হাতে নিয়ে কেলেঘাই নদীতে সাঁতার কাটেন তপন মাইতি ও আরেক বিজেপি নেতা। তাঁদের এই সাহসী পদক্ষেপ স্থানীয়দের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।

    আরতি ও নদী সংস্কারের অঙ্গীকার

    নদীর পাড়ে প্রদীপ জ্বালিয়ে আরতি করার মাধ্যমে তিনি শপথ নেন যে, নির্বাচিত (West Bengal Elections 2026) হলে কেলেঘাই নদী সংস্কারকেই তিনি অগ্রাধিকার দেবেন। প্রচার চলাকালীন প্রার্থী নদীর তীরবর্তী গ্রামগুলোতে ঘুরে সাধারণ মানুষের অভাব-অভিযোগ শোনেন। বিশেষ করে নদী ভাঙন এবং বন্যার ফলে কৃষকদের যে বিপুল ক্ষয়ক্ষতি হয়, তা নিয়ে গ্রামবাসীর ক্ষোভের কথা গুরুত্ব সহকারে শোনেন তিনি।

    পটাশপুরবাসীর কাছে কেলেঘাই নদী একাধারে আশীর্বাদ ও অভিশাপ। প্রতি বছর বন্যার জলে চাষের জমি প্লাবিত হওয়া এবং ঘরবাড়ি নদীগর্ভে তলিয়ে যাওয়া স্থানীয়দের নিত্যদিনের সমস্যা। বিজেপি (BJP) প্রার্থী তপন মাইতি এই জনসমস্যাকে তাঁর নির্বাচনী প্রচারের প্রধান হাতিয়ার করেছেন। তাঁর মতে, এলাকার দীর্ঘস্থায়ী উন্নয়নের জন্য নদী সংস্কার এবং ভাঙন রোধ করা একান্ত প্রয়োজন।

    চিকিৎসক সত্তার জয়

    বেলপাহাড়ির ভেলাইডিহা এলাকায় দলীয় কর্মীদের নিয়ে যখন নিবিড় জনসংযোগে ব্যস্ত ছিলেন ডাঃ প্রণব টুডু, ঠিক তখনই খবর আসে স্থানীয় এক ব্যক্তি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। খবর পাওয়া মাত্রই রাজনৈতিক হিসেব-নিকেশ সরিয়ে রেখে তিনি ছুটে যান ওই ব্যক্তির বাড়িতে।

    গলায় স্টেথোস্কোপ ঝুলিয়ে একজন পেশাদার চিকিৎসকের মতোই অসুস্থ ব্যক্তির প্রাথমিক পরীক্ষা ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন তিনি। প্রচারের ঝকঝকে আলো ছেড়ে তাঁর এই শান্ত সমাহিত সেবাভাব দেখে মুগ্ধ হন স্থানীয় বাসিন্দারা।

    বিনপুরে এবার নির্বাচনী (West Bengal Elections 2026) লড়াই অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি। শাসক দল যেখানে সরকারের উন্নয়নমূলক কাজকে হাতিয়ার করে ময়দান কাঁপাচ্ছে, সেখানে একজন বিরোধী প্রার্থীর (BJP) এই মানবিক আচরণ রাজনৈতিক মহলে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। স্থানীয়দের মতে, নির্বাচনের সময় প্রতিশ্রুতি অনেকেই দেন, কিন্তু বিপদের মুহূর্তে এভাবে পাশে পাওয়াটা অভাবনীয়।

    জনসেবাই রাজনীতির মূল লক্ষ্য

    বিশেষজ্ঞদের মতে, বিনপুর বিধানসভা কেন্দ্রে শাসক ও বিরোধীদের এই লড়াইয়ে ডাঃ প্রণব টুডুর এই ‘মানবিক ভাবমূর্তি’ ভোটারদের মনে গভীর রেখাপাত করতে পারে। রাজনীতির উত্তপ্ত আবহে বেলপাহাড়ির এই দৃশ্য যেন মনে করিয়ে দিল যে—জনসেবাই রাজনীতির মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত।

    ভোটের লড়াইয়ে জয়-পরাজয় (West Bengal Elections 2026) যাই হোক না কেন, চিকিৎসকের এই নিষ্ঠা ও মানবতাবোধ ইতিমধ্যেই বিনপুরের মানুষের মন জয় করে নিয়েছে। এখন দেখার, এই মানবিক ভাবমূর্তি শেষ পর্যন্ত ভোটবাক্সে কতটা ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।

  • Enforcement Directorate Raid: কলকাতার সল্টলেক, কৈখালি, এবং উত্তর ২৪ পরগনার বিভিন্ন এলাকায় ইডির তল্লাশি অভিযান

    Enforcement Directorate Raid: কলকাতার সল্টলেক, কৈখালি, এবং উত্তর ২৪ পরগনার বিভিন্ন এলাকায় ইডির তল্লাশি অভিযান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যজুড়ে রেশন বণ্টন দুর্নীতি (Ration Scam) মামলার তদন্তে ফের সক্রিয় হয়ে উঠেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate Raid)। আজ সকাল থেকেই কলকাতা ও সংলগ্ন জেলাগুলোর অন্তত ১৫টি স্থানে একযোগে তল্লাশি অভিযান শুরু করেছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারীরা। উল্লেখ্য রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, বাকিবুর রহমান, শেখ শাহজাহান সহ আরও বড় বড় তৃণমূলের নেতা আগেও গ্রেফতার হয়েছিলেন।

    বড়সড় অভিযান (Ration Scam)

    ইডি সূত্রে খবর, রেশন দুর্নীতির (Ration Scam) লভ্যাংশ কোথায় কোথায় বিনিয়োগ করা হয়েছে, তা খতিয়ে দেখতেই এই বিশেষ তল্লাশি। এই মামলায় ইতিমধ্যেই রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে (Enforcement Directorate Raid) গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্তকারীদের ধারণা, এই দুর্নীতির জাল আরও গভীরে বিস্তৃত।

    বাংলাদেশে হতো পাচার

    বাংলাদেশে রেশনের (Ration Scam) গম পাচারের অভিযোগে তল্লাশি চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। নজরে ১২ জনের বেশি রফতানিকারক। মূলত তাঁদের অফিসেও তল্লাশি চালানো হচ্ছে। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, ২০২০ সালে উত্তর ২৪ পরগনার ভোজাডাঙা সীমান্ত থেকে গম পাচারের চেষ্টা হয়েছে। প্রায় ১৭৫টির বেশি ট্রাক করে গম পাচার করা হচ্ছিল বলে অভিযোগ। ওই ট্রাকগুলিতে প্রায় ৫১০০টন গম ছিল। যার অঙ্ক ছিল ১৬ কোটি টাকা। শুল্ক দফতর সেই পাচার আটকায়। সরকার থেকে আটা মিল গুলিকে রেশনের আটা তৈরির জন্য যে গম পাঠানো হত, সেই গমের বস্তা চুরি করে পাচার হত বাংলাদেশে। তারই তদন্তে নামে কেন্দ্রীয় সংস্থা (Enforcement Directorate Raid)। অভিযোগ, এর আগেও বাংলাদেশে গম পাচার করা হয়েছে। সেই দুর্নীতির টাকা কোথায় গেল, তারই তল্লাশিতে আজ ১৫ জায়গায় অভিযান ইডির।

    কোথায় কোথায় অভিযান

    কলকাতার সল্টলেক, কৈখালি, এবং উত্তর ২৪ পরগনার বিভিন্ন এলাকায় ব্যবসায়ী ও প্রভাবশালীদের বাসভবন ও অফিসে হানা দিয়েছে ইডি (Enforcement Directorate Raid)। কেন্দ্রীয় বাহিনীর কড়া নিরাপত্তায় এই তল্লাশি চালানো হচ্ছে।তদন্তকারী আধিকারিকরা বিভিন্ন নথিপত্র খতিয়ে দেখছেন এবং ডিজিটাল তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহের চেষ্টা করছেন। দুর্নীতির শিকড় খুঁজতে এবং আর্থিক লেনদেনের উৎস নিশ্চিত করতেই আজকের এই ব্যাপক তৎপরতা বলে মনে করা হচ্ছে।

    তৃণমূল মুক্ত বাংলা চাইছে

    এই অভিযানের ফলে রাজ্য রাজনীতিতে আবারও নতুন করে চাঞ্চল্যের (Ration Scam) সৃষ্টি হয়েছে। বিজেপি সাংসদ রাহুল সিনহা বলেন, “বাংলার মানুষ তৈরি আছে, তৃণমূল কংগ্রেসকে বাংলা থেকে হঠানোর জন্য। আমাদের কোনও এজেন্সিকে প্রয়োজন নেই। মানুষ এমনি এখন তৃণমূল মুক্ত বাংলা চাইছে। শুধু শুধু আমরা অন্য চিন্তা করতে যাব কেন। আমরা মানুষের রায়কে বিশ্বাস করি। তৃণমূল বুঝে গিয়েছে, জনগণের তাঁদের উপর আর আস্থা নেই।”

  • Vande Bharat Railway: বন্দে ভারতের পর এবার লক্ষ্য ২২০ কিমি গতিবেগ, আরও দ্রুতগামী দুটি নতুন ট্রেন তৈরির পথে ভারতীয় রেল

    Vande Bharat Railway: বন্দে ভারতের পর এবার লক্ষ্য ২২০ কিমি গতিবেগ, আরও দ্রুতগামী দুটি নতুন ট্রেন তৈরির পথে ভারতীয় রেল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের (Vande Bharat Railway) সাফল্যের পর এবার দ্রুতগতির ট্রেনের দুনিয়ায় নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে চলেছে ভারতীয় রেল। রেল সূত্রে খবর, এবার এমন দুটি অত্যাধুনিক ট্রেন তৈরির পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে যেগুলির নকশা বা ডিজাইন স্পিড হবে ঘণ্টায় ২২০ কিলোমিটার। মূলত দ্রুতগতির করিডোরগুলোতে ট্রেনের গতি বাড়াতেই এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। দেশীয় প্রযুক্তিতে (Make in India) তৈরি হবে এই ট্রেন।

    বিস্ময়কর গতি (Vande Bharat Railway)

    বর্তমানে ভারতে বন্দে ভারত এক্সপ্রেস (Vande Bharat Railway) সর্বোচ্চ ১৬০ কিমি প্রতি ঘণ্টা বেগে চলার ক্ষমতা রাখলেও, এই নতুন ট্রেন দুটি ২২০ কিমি প্রতি ঘণ্টা বেগে দৌড়ানোর ক্ষমতা রাখবে। যদিও রেললাইনের পরিকাঠামো অনুযায়ী বাণিজ্যিক চলাচলের সময় গতি কিছুটা নিয়ন্ত্রিত হতে পারে।

    মেক ইন ইন্ডিয়া (Make in India)

    চেন্নাইয়ের ইন্টিগ্রাল কোচ ফ্যাক্টরিতে (ICF) এই ট্রেন দুটির বডি তৈরি করা হবে। সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে এই উচ্চগতির ট্রেন তৈরি রেলের অভ্যন্তরীণ সক্ষমতার এক বড় প্রমাণ। ট্রেনের (Make in India) ওজন কমাতে এবং গতি বাড়াতে স্টিলের বদলে বিশেষ ধরনের অ্যালুমিনিয়াম অ্যালয় ব্যবহার করা হতে পারে। এতে ট্রেনটি হালকা হওয়ার পাশাপাশি বিদ্যুৎ সাশ্রয়ীও হবে।

    ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

    এই ট্রেনগুলি (Make in India) মূলত স্টপ-টু-স্টপ যাত্রার সময় কমিয়ে আনবে। দিল্লি-বারাণসী বা মুম্বই-আহমেদাবাদের মতো রুটে ভবিষ্যতে এই ধরণের ট্রেন চলাচলের প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। রেল মন্ত্রকের আধিকারিকদের মতে, কেবল ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানোই নয়, বিশ্বমানের প্রযুক্তি ও গতি নিশ্চিত করাই এখন লক্ষ্য। বন্দে ভারত যেখানে ভারতের রেলযাত্রার সংজ্ঞাই বদলে দিয়েছে, সেখানে ২২০ কিমি গতির এই ট্রেন (Make in India) ভারতকে গ্লোবাল রেল স্ট্যান্ডার্ডের আরও কাছাকাছি নিয়ে যাবে।

    আগামী কয়েক বছরের মধ্যেই এই ট্রেন দুটির নির্মাণ কাজ শেষ করে পরীক্ষামূলক ট্রায়াল শুরু করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে রেল বোর্ড। এর ফলে দূরপাল্লার যাতায়াত আরও দ্রুত ও আরামদায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

  • TRAI: গ্রাহকদের সুবিধার্থে ট্রাই-এর পদক্ষেপ, শুধুমাত্র ভয়েস কল ও এসএমএস পরিষেবার জন্য রাখতে হবে পৃথক প্যাক

    TRAI: গ্রাহকদের সুবিধার্থে ট্রাই-এর পদক্ষেপ, শুধুমাত্র ভয়েস কল ও এসএমএস পরিষেবার জন্য রাখতে হবে পৃথক প্যাক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টেলিকম গ্রাহকদের স্বার্থ সুরক্ষিত করতে এবং পরিষেবাকে আরও সহজলভ্য করতে একগুচ্ছ নতুন প্রস্তাব পেশ করেছে টেলিকম রেগুলেটরি অথরিটি অফ ইন্ডিয়া (TRAI)। বর্তমানে মোবাইল রিচার্জের ক্ষেত্রে ডেটা প্যাক বা অন্যান্য পরিষেবার বাধ্যবাধকতা থাকলেও, এবার শুধুমাত্র ‘ভয়েস কল’ এবং ‘এসএমএস’ প্যাক (Voice Call SMS Only Pack) চালুর বিষয়ে গুরুত্ব দিচ্ছে এই নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

    ভয়েস এবং এসএমএস প্যাকের অগ্রাধিকার (Voice Call SMS Only Pack)

    অনেক গ্রাহকই ইন্টারনেটের প্রয়োজন বোধ করেন না, বিশেষ করে প্রবীণ নাগরিক বা সাধারণ ফিচার (নন-স্মার্ট বা কিপ্যাড) ফোন ব্যবহারকারীরা। তাঁদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে টেলিকম সংস্থাগুলিকে এমন কিছু প্যাক (Voice SMS Only Pack) আনার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে যেখানে কেবলমাত্র কলিং এবং এসএমএস পরিষেবা (TRAI) পাওয়া যাবে। এর ফলে গ্রাহকদের অপ্রয়োজনীয় ডেটার জন্য অতিরিক্ত খরচ করতে হবে না।

    পরিষেবায় স্বচ্ছতা বজায় রাখা

    ট্রাই জানিয়েছে যে, বিভিন্ন টেলিকম সংস্থা (Voice Call SMS Only Pack) তাদের অফার বা রিচার্জ প্ল্যান সম্পর্কে গ্রাহকদের যাতে বিভ্রান্ত না করে, সেদিকে কড়া নজর রাখা হবে। প্রতিটি প্যাকের (TRAI) শর্তাবলী অত্যন্ত সহজ ও পরিষ্কার ভাষায় গ্রাহকদের জানাতে হবে।

    গ্রাহক সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ

    টেলিকম কনজিউমার প্রোটেকশন অ্যাক্ট (Consumer Protection Act)-এর আওতায় এই খসড়াটি তৈরি করা হয়েছে। মূল লক্ষ্য হল, গ্রাহকদের পছন্দ করার স্বাধীনতা দেওয়া এবং টেলিকম সংস্থাগুলির (TRAI) একচেটিয়া সিদ্ধান্তের হাত থেকে তাঁদের রক্ষা করা।

    অব্যবহৃত পরিষেবার হিসেব

    অনেক সময় রিচার্জের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে গ্রাহকের ডেটা বা ব্যালেন্স ফুরিয়ে যায়। সেই সংক্রান্ত স্বচ্ছতা এবং অতিরিক্ত চার্জ কাটার বিষয়ে কঠোর নিয়মবিধি কার্যকর করার ইঙ্গিত দিয়েছে ট্রাই। ট্রাই-এর (Voice Call SMS Only Pack) এই নতুন প্রস্তাবগুলি বাস্তবায়িত হলে সাধারণ মানুষের মোবাইল খরচ অনেকটাই কমবে বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে যাঁরা ইন্টারনেটের পরিবর্তে মূলত যোগাযোগের জন্য ফোন ব্যবহার করেন, তাঁরা এই সিদ্ধান্তের ফলে সরাসরি উপকৃত হবেন। বর্তমানে এই খসড়াটির ওপর সংশ্লিষ্ট মহলের মতামত চাওয়া হয়েছে, যা চূড়ান্ত হলে টেলিকম (TRAI) পরিষেবায় বড়সড় পরিবর্তন আসতে পারে।

  • Sanjay Ray: সঞ্জয় রায়ের বয়ানে অসঙ্গতি? আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে ফের জেরার নির্দেশ হাইকোর্টের

    Sanjay Ray: সঞ্জয় রায়ের বয়ানে অসঙ্গতি? আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে ফের জেরার নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ (Sanjay Say) ও হাসপাতালের ধর্ষণ এবং খুনের মামলায় মর্মান্তিক ঘটনার তদন্তে এক নতুন মোড়। এই মামলায় দোষী সাব্যস্ত সঞ্জয় রায়কে আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে পুনরায় জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। মূলত সঞ্জয়ের বয়ানে বারবার যে অসঙ্গতি উঠে আসছে, তা দূর করতেই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে (CBI) এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই চিকিৎসক তরুণীকে খুন ও ধর্ষণের ঘটনায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা পেয়েছেন সঞ্জয়।

    আদালতের পর্যবেক্ষণ ও নির্দেশ (Calcutta High Court)

    কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court) জানিয়েছে যে, তদন্তের স্বার্থে এবং প্রকৃত সত্য উদঘাটনে কোনও ফাঁক রাখা চলবে না। সঞ্জয় রায় (Sanjay Say) তদন্তের শুরুতে যে বয়ান দিয়েছিলেন, পরবর্তী সময়ে তার মধ্যে নানা বৈপরীত্য লক্ষ্য করা গেছে। এই ধোঁয়াশা কাটাতে এবং ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণ পেতে আধুনিক ফরেন্সিক প্রযুক্তি বা মনস্তাত্ত্বিক পরীক্ষার (Psychological Analysis) সাহায্য নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেছে আদালত।

    বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা বলেছেন,“মৃতের পরিবার নতুন করে ঘটনাস্থল ভিজিট করতে চেয়েছে। তাতে সিবিআইয়ের কোনও আপত্তি নেই। তাহলে রাজ্যের আপত্তি কীসের? মামলায় তারা পার্টিও নয়। যদি নতুন করে পরিবার হলফনামা দেয়, আর সিবিআই তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যেতে চায়, তাতে রাজ্য আপত্তি করবে কেন? ছাত্রের রহস্য মৃত্যুতে পরে ফরেনসিক ডাক্তার প্রমাণ দেন খুনের। এই ক্ষেত্রেও ফরেন্সিকের ভালো ভাবে খতিয়ে দেখার জায়গা আছে।

    তদন্তের বর্তমান পরিস্থিতি

    সিবিআই ইতিমধ্যেই সঞ্জয় রায়ের (Sanjay Say) পলিগ্রাফ টেস্ট বা মিথ্যা শনাক্তকরণ পরীক্ষা সম্পন্ন করেছে। তবে তদন্তকারীরা মনে করছেন, অপরাধের রহস্য পুরোপুরি উন্মোচনে এখনও কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের অভাব রয়েছে। আদালতের (Calcutta High Court) নির্দেশ অনুযায়ী, এবার আরও উন্নত ও আধুনিক বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির মাধ্যমে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে, যাতে ঘটনার সময়কার প্রকৃত পরিস্থিতি স্পষ্ট হয়। “আরজিকর মামলায় যদি দরকার হয় সিবিআই নতুন করে সাজাপ্রাপ্ত সঞ্জয় রায় ও অন্য সন্দেহভাজনদের জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে। সিবিআই যেন কোনও দ্বিধা না করে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যায়।” এমনটাই বললেন হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা।

    আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার

    বিচারপতির (Calcutta High Court) বেঞ্চ স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, এই জঘন্য অপরাধের বিচার প্রক্রিয়া যেন কোনওভাবেই দীর্ঘায়িত বা বাধাগ্রস্ত না হয়। স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ (Sanjay Say) তদন্ত নিশ্চিত করতেই আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।উল্লেখ্য, আরজি করের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্যজুড়ে যে প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে, সেই আবহে আদালতের এই নির্দেশ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। স্বচ্ছ তদন্তের মাধ্যমে দোষীরা যাতে কঠোরতম শাস্তি পায়, এখন সেই দিকেই তাকিয়ে সাধারণ মানুষ।

LinkedIn
Share