Tag: Bengali news

Bengali news

  • Major Swathi Shantha Kumar: রাষ্ট্রসংঘের বিশেষ সম্মানে ভূষিত সেনার মহিলা অফিসার মেজর স্বাতী শান্তা কুমার

    Major Swathi Shantha Kumar: রাষ্ট্রসংঘের বিশেষ সম্মানে ভূষিত সেনার মহিলা অফিসার মেজর স্বাতী শান্তা কুমার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বশান্তি রক্ষা এবং লিঙ্গবৈষম্য দূরীকরণে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ রাষ্ট্রসংঘের মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কারে ভূষিত হলেন ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্রমীলা অফিসার মেজর স্বাতী শান্তা কুমার (Major Swathi Shantha Kumar)। তাঁর পরিচালিত “ইকুয়াল পার্টনার্স, লাস্টিং পিস” (Equal Partners, Lasting Peace) প্রকল্পটি আন্তর্জাতিক স্তরে বিশেষ প্রশংসায় ভূষিত হয়েছে। মেজর স্বাতী বর্তমানে দক্ষিণ সুদানে রাষ্ট্রসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে (UNMISS) কর্মরত। শান্তি বজায় রাখার প্রক্রিয়ায় মহিলা ও পুরুষকে সমানভাবে শামিল করার লক্ষ্যেই তাঁর এই বিশেষ উদ্যোগ।

    পুরস্কারের প্রেক্ষাপট (Equal Partners, Lasting Peace)

    সংঘাতপূর্ণ এলাকায় শান্তি স্থাপনের (Equal Partners, Lasting Peace)  কাজে মহিলাদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি এবং লিঙ্গভিত্তিক সংবেদনশীলতা প্রসারে মেজর স্বাতীর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়েছে। তাঁর ‘ইকুয়াল পার্টনার্স, লাস্টিং পিস’ প্রজেক্টটি মূলত এই ধারণার ওপর ভিত্তি করে তৈরি যে— দীর্ঘস্থায়ী শান্তি তখনই সম্ভব, যখন সমাজের সকল স্তরের মানুষের, বিশেষ করে নারীদের মতামত ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা যায়।

    বিদেশে ভারতের গৌরব

    ভারতীয় সেনাবাহিনীর একজন দক্ষ আধিকারিক হিসেবে বিদেশের মাটিতে এই সম্মাননা প্রাপ্তি দেশের জন্য এক বিশাল গৌরব। দক্ষিণ সুদানের মতো কঠিন ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে তাঁর এই মানবিক ও প্রশাসনিক কাজ দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। রাষ্ট্রসংঘের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, মেজর স্বাতী স্থানীয় মহিলা সমাজকে মূলধারার শান্তি আলোচনায় অন্তর্ভুক্ত করতে এবং তাঁদের সুরক্ষায় বলিষ্ঠ পদক্ষেপ নিয়েছেন। শান্তিরক্ষা (Equal Partners, Lasting Peace)  মিশনে ভারতীয় সেনাদের দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য রয়েছে। মেজর স্বাতী শান্তা কুমারের এই কৃতিত্ব কেবল ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বরং এটি বিশ্বমঞ্চে ভারতীয় নারীশক্তির জয়গান এবং বৈশ্বিক শান্তি রক্ষায় ভারতের দায়বদ্ধতারই প্রতিফলন।

    ৫,০০০-এরও বেশি নারীর জীবনকে সুরক্ষিত করেন

    মেজর স্বাতী শান্তা কুমারের (Major Swathi Shantha Kumar) এই প্রচেষ্টা ৫,০০০-এরও বেশি মহিলার জন্য একটি নিরাপদ এবং আরও সহায়ক পরিবেশ তৈরি করেছে, যা তাঁদেরকে সামাজিক কর্মকাণ্ডে অর্থপূর্ণভাবে অংশগ্রহণ করতে সক্ষম করেছে। এই উদ্যোগ স্থানীয় পর্যায়ে আস্থা ও আত্মবিশ্বাস তৈরিতেও সাহায্য করেছে, দক্ষিণ সুদানের সংঘাত-প্রবণ অঞ্চলে প্রচারণা উন্নত করেছে। রাষ্ট্রসংঘ উল্লেখ করেছে, এই উদ্যোগ ধারাবাহিক প্রতিশ্রুতি ভবিষ্যতের শান্তিরক্ষা মিশনের (Equal Partners, Lasting Peace)  জন্য একটি শক্তিশালী উদাহরণ স্থাপন করেছে। এই কাজের ভূমিকা প্রমাণ করে কীভাবে ভঙ্গুর অঞ্চলে নারী-নেতৃত্ব স্থায়ী শান্তি ও স্থিতিশীলতায় অবদান রাখতে পারে।

  • Ramakrishna 599: “মা, তোমার নামগুণ করে বেড়াব—দেহটা একটু তার দিয়ে এঁটে দাও, সেখানকার মতো! সিদ্ধাই চাইবার জো নাই!”

    Ramakrishna 599: “মা, তোমার নামগুণ করে বেড়াব—দেহটা একটু তার দিয়ে এঁটে দাও, সেখানকার মতো! সিদ্ধাই চাইবার জো নাই!”

    ৫২ শ্যামপুকুর বাটীতে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    একাদশ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২৩শে অক্টোবর
    পূর্ণজ্ঞান—দেহ ও আত্মা আলাদা—শ্রীমুখ-কথিত চরিতামৃত

    পূর্বকথা—মিয়জিয়াম দর্শন ও পীড়ার সময় প্রার্থনা 

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—অনেকদিন হল,—আমার তখন খুব ব্যামো। কালীঘরে বসে আছি,—মার কাছে প্রার্থনা করতে ইচ্ছা হল! কিন্তু ঠিক আপনি বলতে পাল্লাম না। বললুম,—মা হৃদে বলে তোমার কাছে ব্যামোর কথা বলতে। আর বেশি বলতে পাল্লাম না—বলতে বলতে অমনি দপ্‌ করে মনে এলো সুসাইট্‌ (Asiatic Society’s Museum) সেখানকার তারে বাঁধা মানুষের হাড়ের দেহ (Skeleton) অমনি বললুম (Kathamrita), মা, তোমার নামগুণ করে বেড়াব—দেহটা একটু তার দিয়ে এঁটে দাও, সেখানকার মতো! সিদ্ধাই চাইবার জো নাই!

    “প্রথম প্রথম হৃদে বলেছিল,—হৃদের অণ্ডার (under) ছিলাম কি না—‘মার কাছে একটু ক্ষমতা চেও।’ কালীঘরে ক্ষমতা চাইতে গিয়ে দেখলাম ত্রিশ-পঁয়ত্রিশ বছরের রাঁড়—কাপড় তুলে ভড়ভড় করে হাগছে। তখন হৃদের উপর রাগ হল—কেন সে সিদ্ধাই চাইতে শিখিয়ে দিলে।”

    শ্রীযুক্ত রামতারণের গান — ঠাকুরের ভাবাবস্থা

    গান:

    আমার এই সাধের বীণে, যত্নে গাঁথা তারের হার ৷
    যে যত্ন জানে, বাজায় বীণে, উঠে সুধা অনিবার ॥
    তানে মানে বাঁধলে ডুরী, শত ধারে বয় মাধুরী ৷
    বাজে না আলগা তারে, টানে ছিঁড়ে কোমল তার ॥

    ডাক্তার (গিরিশের প্রতি) — গান এ-সব কি অরিজিন্যাল (নূতন)?

    গিরিশ — না, Edwin Arnold-এর thought (আর্নল্ড সাহেবের ভাব লয়ে গান)।

    রামতারণ প্রথমে বুদ্ধরচিত হইতে গান গাহিতেছেন (Kathamrita):

    জুড়াইতে চাই, কোথায় জুড়াই,
    কোথা হতে আসি, কোথা ভেসে যাই।
    ফিরে ফিরে আসি, কত কাঁদি হাসি,
    কোথা যাই সদা ভাবি গো তাই ॥
    কর হে চেতন, কে আছে চেতন,
    কত দিনে আর ভাঙিবে স্বপন?
    কে আছে চেতন, ঘুমায়ো না আর,
    দারুণ এ-ঘোর নিবিড় আঁধার,
    কর তম নাশ, হও হে প্রকাশ,
    তোমা বিনা আর নাহিক উপায়,
    তব পদে তাই শরণ চাই ॥

    এই গান শুনিতে শুনিতে ঠাকুর ভাবাবিষ্ট হইয়াছেন।

    গান—কোঁ কোঁ কোঁ বহরে ঝড়।

    সূর্যের অন্তর্যামী দেবতাদর্শন

    এই গানটি সমাপ্ত হইলে ঠাকুর বলিতেছেন (Ramakrishna), “এ কি করলে! পায়েসের পর নিম ঝোল! —

    “যাই গাইলে—‘কর তম নাশ’, অমনি দেখলাম সূর্য—উদয় হবা মাত্র চারদিকের অন্ধকার ঘুচে গেল! আর সেই সূর্যের পায়ে সব শরণাগত হয়ে পড়ছে!”

    রামতারণ আবার গাইতেছেন:

    (১)   —   দীনতারিণী দূরিতবারিণী, সত্ত্বরজঃতমঃ ত্রিগুণধারিণী,
    সৃজন পালন নিধনকারিণী, সগুণা নির্গুণা সর্বস্বরূপিণী।

    (২)   —   ধরম করম সকলি গেল, শ্যামাপূজা বুঝি হল না!
    মন নিবারিত নারি কোন মতে, ছি, ছি, কি জ্বালা বল না ॥

    এই গান শুনিয়া ঠাকুর (Ramakrishna) আবার ভাবাবিষ্ট হইলেন।

    রাঙা জবা কে দিলে তোর পায়ে মুঠো মুঠো।

  • Bangladesh: জ্বালানি সঙ্কটের মোকাবিলায় ভারতের দ্বারস্থ বাংলাদেশ, স্কুল-কলেজে দেওয়া হল ছুটি

    Bangladesh: জ্বালানি সঙ্কটের মোকাবিলায় ভারতের দ্বারস্থ বাংলাদেশ, স্কুল-কলেজে দেওয়া হল ছুটি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ধোপে টিকল না ভারত দখলের হম্বিতম্বি! শেষমেশ সেই ভারতের কাছেই হাত পাততে হল বাংলাদেশকে। জ্বালানি সঙ্কটের মোকাবিলায় বাংলাদেশ প্রতিবেশী দেশ ভারতের কাছেও সাহায্য চেয়েছে। বাংলাদেশ সরকার ভারতীয় তেল সংস্থা ইন্ডিয়ান ওয়েল কর্পোরেশন লিমিটেড (IOCL) এবং অসমের নুমালিগড় রিফাইনারি লিমিটেড (NRL) থেকে চার মাসের মধ্যে ৫০,০০০ টন ডিজেল সরবরাহের অনুরোধ জানিয়েছে।

    জ্বালানি সঙ্কটের মোকাবিলা (Bangladesh)

    এদিকে, নিদারুণ জ্বালানি সঙ্কটের মোকাবিলা করতে আজ, সোমবার থেকে  জেরে দেশের সব সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। মধ্যপ্রাচ্যে যে সংঘাত চলছে, তার জেরে দেশে জ্বালানি সঙ্কট আরও তীব্র হয়ে ওঠায় ঈদের ছুটি এগিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার। এই পদক্ষেপের ফলে বিদ্যুতের ব্যবহার কমবে এবং যানজটও কমবে বলে আশা করা হচ্ছে, যার জেরে সাশ্রয় হবে জ্বালানি। বাংলাদেশ সরকারের কর্তাদের মতে, আবাসিক হল, শ্রেণিকক্ষ, ল্যাবরেটরি এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র চালানোর জন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে প্রচুর পরিমাণ বিদ্যুৎ প্রয়োজন হয়। তাই ঈদের ছুটি আগেই ঘোষণা করলে বিদ্যুৎ ব্যবস্থার ওপর চাপ কমবে।

    স্কুল-কলেজে তালা

    উল্লেখ্য, বাংলাদেশে সরকারি ও বেসরকারি স্কুলগুলি ইতিমধ্যেই পুরো রমজান মাসের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। দেশটির অভ্যন্তরীণ জ্বালানি ব্যবহারের প্রায় ৯৫ শতাংশই আমদানির ওপর নির্ভরশীল। বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় সরকার জ্বালানি কেনার ক্ষেত্রে প্রতিদিনের সীমা নির্ধারণ করেছে। এর পাশাপাশি বেসরকারি কোচিং সেন্টার এবং বিদেশি পাঠ্যক্রমভিত্তিক স্কুলগুলিকে তাদের কার্যক্রম স্থগিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জ্বালানি সঙ্কটের দরুন বাংলাদেশ সরকার পরিচালিত চারটি সার কারখানার কার্যক্রম বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছে। এ বিষয়ে এক সরকারি আধিকারিক বলেন, “বিদ্যুৎ, জ্বালানি এবং আমদানি সরবরাহে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এবং ব্যবহার কমাতে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি।”

     

  • BJP Fact Checks: তৃণমূলকে ‘ফেক নিউজ ফ্যাক্টরি’ বলে কটাক্ষ, মুখের মতো জবাব দিল বিজেপি

    BJP Fact Checks: তৃণমূলকে ‘ফেক নিউজ ফ্যাক্টরি’ বলে কটাক্ষ, মুখের মতো জবাব দিল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সাম্প্রতিক বঙ্গ সফরকে কেন্দ্র করে বিজেপি-তৃণমূলের মধ্যে রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব আরও তীব্র হয়েছে। তৃণমূলের একটি দাবিকে ‘ফেক নিউজ ফ্যাক্টরি’ বলে উল্লেখ করে বিজেপির পশ্চিমবঙ্গ শাখা সেটির সত্যতা যাচাই করে পাল্টা জবাব দেয়।

    তৃণমূলের দাবি (BJP Fact Checks)

    রাষ্ট্রপতির সফরের সময় প্রোটোকল ভঙ্গের অভিযোগ তুলে তৃণমূল একটি ভিডিও-সহ পোস্টে দাবি করে, “প্রধানমন্ত্রী বারবার রাষ্ট্রপতির পদকে সম্মান করার বড় বড় কথা বলেন। কিন্তু এই ছবিটি ভালো করে দেখুন। দেশের প্রথম আদিবাসী মহিলা রাষ্ট্রপতি দাঁড়িয়ে আছেন, আর প্রধানমন্ত্রী আরামে চেয়ারে বসে রয়েছেন। রাষ্ট্রপতির প্রতি সম্মানের সব দাবি তখনই ফাঁপা মনে হয়, যখন এমন দৃশ্য তাঁর পদকে অবহেলার ইঙ্গিত দেয়।” ভিডিওতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বলতে শোনা যায়, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, এটা আপনার জন্য। আপনি কি রাষ্ট্রপতিকে—যিনি একজন নারী এবং একজন আদিবাসী নেতা—সম্মান করেন? তাহলে রাষ্ট্রপতি দাঁড়িয়ে আর আপনি বসে আছেন কেন? আমি আপনাদের সবাইকে দেখালাম, আমরা রাষ্ট্রপতিকে সম্মান করি, কিন্তু তারা করে না। এই ছবিই প্রমাণ করে কে সম্মান করে, আর কে করে না।”

    বিজেপির জবাব

    এর জবাবে পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির তরফে এক্স হ্যান্ডেলে লেখা হয়েছে, “টিএমসির ফেক নিউজ ফ্যাক্টরি আবার সক্রিয়। টিএমসির তৈরি করা ক্ষোভের আসল সত্য হল, ভারতরত্ন প্রদান অনুষ্ঠানের সময় সরকারি প্রোটোকল অনুযায়ী, পুরস্কার প্রদান চলাকালীন উপস্থিত অন্যরা বসে থাকেন। এখানে শিষ্টাচার ভঙ্গের কোনও ঘটনা ঘটেনি।” তারা আরও বলে, “মাননীয়া রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং ভারতরত্ন এলকে আডবাণীকে ঘিরে একটি মর্যাদাপূর্ণ মুহূর্তকে তুচ্ছ রাজনৈতিক লাভের জন্য বিকৃত করা অত্যন্ত লজ্জাজনক। দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদটির মর্যাদা রক্ষা করুন এবং ভুয়ো তথ্য ছড়াবেন না।” এ কথা বলার সময় বিজেপি প্রায় দু’বছরের পুরানো একটি ভিডিও-ও শেয়ার করে। ঘটনাটি ঘটে ৩১ মার্চ ২০২৪-এ, যখন রাষ্ট্রপতি মুর্মু ও প্রধানমন্ত্রী মোদি এলকে আডবাণীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাঁকে ভারতরত্ন সম্মানে ভূষিত করেন।

    রাষ্ট্রপতির উষ্মা

    শনিবার রাষ্ট্রপতি দার্জিলিংয়ে নবম আন্তর্জাতিক সাঁওতাল সম্মেলনে যোগ দিতে পশ্চিমবঙ্গ সফরে এলে শুরু হয় বিতর্ক। সেখানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাষ্ট্রপতি প্রশ্ন তোলেন, কেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বা রাজ্যের কোনও মন্ত্রী তাঁকে স্বাগত জানাতে উপস্থিত ছিলেন না? তিনি বলেন, “সাধারণত রাষ্ট্রপতি এলে মুখ্যমন্ত্রীর উচিত উপস্থিত থেকে স্বাগত জানানো, এবং অন্য মন্ত্রীরাও থাকেন। কিন্তু তিনি আসেননি। রাজ্যপাল বদল হওয়ায় তিনি আসতে পারেননি। তবে তারিখ নির্ধারিত থাকায় আমি এসেছি।” তিনি আরও বলেন, “মমতা আমার ছোট বোনের মতো। আমিও বাংলার মেয়ে। তিনি কেন অসন্তুষ্ট, তা আমি জানি না।” অনুষ্ঠানের স্থান পরিবর্তন নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। রাষ্ট্রপতি এও বলেন, “আমি জানি না কেন রাজ্য প্রশাসন সেখানে সভা করার অনুমতি দেয়নি। আজকের অনুষ্ঠান এমন জায়গায় হচ্ছে যেখানে মানুষের আসা কঠিন। হয়তো রাজ্য সরকার আদিবাসীদের কল্যাণ চায় না!”

    প্রধানমন্ত্রীর প্রতিক্রিয়া

    এই ঘটনাকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ‘লজ্জাজনক ও নজিরবিহীন’ বলে উল্লেখ করেন। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লেখেন, “যাঁরা গণতন্ত্র ও আদিবাসী সমাজের ক্ষমতায়নে বিশ্বাস করেন, তাঁরা সবাই হতাশ। নিজে আদিবাসী সমাজ থেকে উঠে আসা রাষ্ট্রপতি মহোদয়ার প্রকাশ করা বেদনা ও ক্ষোভ ভারতের মানুষের মনে গভীর দুঃখের সৃষ্টি করেছে।” ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “রাষ্ট্রপতির সফরে কোনও প্রোটোকল লঙ্ঘন হয়নি। বিজেপি দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করছে।” তিনি আরও দাবি করেন, অনুষ্ঠানস্থলের দুর্বল প্রস্তুতি সম্পর্কে রাজ্য সরকার আগেই জানিয়েছিল রাষ্ট্রপতির দফতরকে।

     

  • Pakistan: শ্যাম রাখি না কুল! তেহরান-রিয়াধের উত্তেজনার মাঝে পড়ে ‘চিঁড়েচ্যাপ্টা’ হওয়ার জোগাড় পাকিস্তানের

    Pakistan: শ্যাম রাখি না কুল! তেহরান-রিয়াধের উত্তেজনার মাঝে পড়ে ‘চিঁড়েচ্যাপ্টা’ হওয়ার জোগাড় পাকিস্তানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাম্প্রতিক ইতিহাসের অন্যতম জটিল ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে পাকিস্তান (Pakistan)। তেহরান ও রিয়াধের মধ্যে উত্তেজনা বাড়তে থাকায় ইসলামাবাদ একটি সূক্ষ্ম ভারসাম্য (West Asia Test) বজায় রাখার চেষ্টা করছে। কেন? কারণ একদিকে ইরানের সঙ্গে পাকিস্তানের দীর্ঘ ও সংবেদনশীল সীমান্ত রয়েছে, অন্যদিকে সৌদি আরবের সঙ্গে রয়েছে প্রতিরক্ষা চুক্তি ও আর্থিক সম্পর্ক। ইরানকে কেন্দ্র করে বিস্তৃত এই যুদ্ধ পশ্চিম এশিয়া এবং এর বাইরেও প্রভাব ফেলেছে। ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, ড্রোন আক্রমণ বা বিস্ফোরণের ধাক্কায় প্রায় সব দেশই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। হতাহত, গুরুত্বপূর্ণ দূতাবাস বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ব্যাহত হওয়ার প্রেক্ষাপটে পাকিস্তান তার দুই মিত্র—সৌদি আরব ও ইরানের—মাঝে আটকে পড়েছে। এর পাশাপাশি পশ্চিম এশিয়ার ছ’টি দেশ ইতিমধ্যেই ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মুখে পড়েছে, যা ইসলামাবাদের পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

    গুরুত্বপূর্ণ ৩ চ্যালেঞ্জ (Pakistan)

    বর্তমানে পাকিস্তানের সামনে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ রয়েছে। এগুলি হল— পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতের মধ্যে ইরান ও সৌদি আরবের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা, দেশের সংখ্যালঘু শিয়া মুসলিম সম্প্রদায়ের ক্ষোভ সামাল দেওয়া এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখা ইসলামাবাদের কাছে তেহরান ও রিয়াধ—দু’টিই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই শ্যাম রাখি না কুল দশা হয়েছে পাকিস্তানের। সৌদি আরব পাকিস্তানের মুসলিম বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। অর্থনৈতিক সঙ্কটের সময় সৌদি আরব পাকিস্তানকে আর্থিক সহায়তা, বিলম্বিত অর্থপ্রদানের ভিত্তিতে তেল এবং লগ্নির ব্যবস্থা করে দেয়। পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীও ঐতিহাসিকভাবে সৌদি বাহিনীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেছে। সম্প্রতি দুই দেশের মধ্যে একটি পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তিও স্বাক্ষরিত হয়েছে। এছাড়া লাখ লাখ পাকিস্তানি শ্রমিক ও নাগরিক সৌদি আরবে বসবাস করেন এবং সেখানেই জীবিকা নির্বাহ করেন।

    পাকিস্তানের পড়শি ইরান

    এদিকে, ইরান পাকিস্তানের পড়শি। পাকিস্তানের দক্ষিণ-পশ্চিমে ইরানের সঙ্গে প্রায় ৯০০ কিলোমিটার সীমান্ত রয়েছে। দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্কও গুরুত্বপূর্ণ (Pakistan)। ২০২৫ সালের অগাস্টে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান ইসলামাবাদ সফর করেন। অব্যাহত রয়েছে এই দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগ (West Asia Test)। পাকিস্তানের প্রধান চ্যালেঞ্জ হল, কোনও পক্ষ না নিয়ে তার কৌশলগত সম্পর্ক বজায় রাখা। কিন্তু গত বছর স্বাক্ষরিত পাকিস্তান-সৌদি প্রতিরক্ষা চুক্তি বিষয়টিকে আরও জটিল করে তুলেছে। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে পাকিস্তানের নেতারা নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রাখছেন। সেনাপ্রধান আসিম মুনির পর্যন্ত সৌদি আরবে উড়ে গিয়ে দেশটির শীর্ষ মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের যৌথ হামলায় যখন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ্ আলি খামেনেই নিহত হন, তখন পাকিস্তান ওই হামলাকে ‘অযৌক্তিক’ বলে অভিহিত করে। কিন্তু কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পাকিস্তান পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলির ওপর ইরানের পাল্টা হামলাকে ‘সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন’ বলে নিন্দে করে।

    পাক বিদেশমন্ত্রকের বক্তব্য

    পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী তথা বিদেশমন্ত্রী ইশাক দার জানান, তিনি ইরানকে পাকিস্তানের সৌদি আরবের প্রতি প্রতিরক্ষা দায়বদ্ধতার বিষয়টি স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন (Pakistan)। ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জানতে চান, সৌদি ভূখণ্ড ব্যবহার করে ইরানের ওপর হামলা করা হবে না, এ বিষয়ে কি নিশ্চয়তা আছে। দার জানান, তিনি রিয়াধ থেকে সেই নিশ্চয়তা পেয়েছেন (West Asia Test)। এর পরপরই ইরানি ড্রোন সৌদির গুরুত্বপূর্ণ জায়গা, যার মধ্যে দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরও রয়েছে, টার্গেট করে হামলা চালায়। টেনেসি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক আরসালান খান সংবাদমাধ্যমে বলেন, “পাকিস্তান একদিকে ইরানের প্রতি সংহতি জানিয়ে অভ্যন্তরীণ শান্তি বজায় রাখতে চাইছে, অন্যদিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরবের কারণে যুদ্ধের ঘূর্ণিতে টেনে নেওয়ার ঝুঁকিতেও রয়েছে।” ইরানের পর পাকিস্তানেই বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম শিয়া সম্প্রদায় রয়েছে। খামেনেইর মৃত্যুর পর করাচিতে মার্কিন কনস্যুলেটে বিক্ষোভের ঘটনায় বহু মানুষের মৃত্যু হওয়ায় শিয়া সম্প্রদায়ের মধ্যে ক্ষোভ ক্রমেই বাড়ছে (Pakistan)।

    মার্কিন মেরিনরা গুলি চালায়

    বিক্ষোভকারীরা কনস্যুলেটের দেওয়াল ভেঙে ভেতরে ঢোকার চেষ্টা করলে মার্কিন মেরিনরা গুলি চালায় বলে সংবাদ সংস্থার খবর। এতে অন্তত ২৬ জন নিহত হয়েছেন (West Asia Test)। ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মাদিহা তাহির বলেন, “এই প্রতিক্রিয়ার নেপথ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে পাকিস্তানের রাজনৈতিক ইতিহাসেরও।” আটের দশকে জেনারেল জিয়া-উল-হক সুন্নি ইসলামীকরণের নীতি চালু করেন। একই সময়ে ১৯৭৯ সালের ইরানি বিপ্লব পাকিস্তানের শিয়াদের জন্য নতুন সমর্থনের উৎস হয়ে ওঠে। পাকিস্তানের প্রায় ২৪ কোটি মানুষের মধ্যে এক-পঞ্চমাংশের কাছাকাছি শিয়া মুসলিম, বাকি অংশের অধিকাংশই সুন্নি। এদিকে, ৪৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হোয়াইট হাউসে ফেরার পর পাকিস্তান-মার্কিন সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হয়েছে। এতে ওয়াশিংটনের কালো তালিকায় থাকা এক দশকের বেশি সময়ের অধ্যায়ের অবসান ঘটে (Pakistan)।

    আসিম মুনির

    ট্রাম্পের সঙ্গে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির এবং প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে (West Asia Test)। ট্রাম্পের রাজত্বকালে পাকিস্তান ‘গাজা বোর্ড অফ পিস’ নামের একটি আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে জায়গা পেয়েছে, সেখানে রয়েছে ইজরায়েলও। অবশ্য বিশ্লেষকদের মতে, এই সম্পর্ক কৌশলগত স্বার্থের চেয়ে ট্রাম্পের ব্যক্তিগত ও বাণিজ্যিক স্বার্থ দ্বারা বেশি প্রভাবিত। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানের প্রাকৃতিক সম্পদ, জ্বালানি এবং ক্রিপ্টোকারেন্সি খাতে আগ্রহ দেখাচ্ছে (Pakistan)। এ বছর পাকিস্তান ট্রাম্প পরিবারের ক্রিপ্টো ব্যবসা ওয়ার্ল্ড লিবার্টি ফিন্যান্সিয়ালের সঙ্গে একটি চুক্তি করে, যাতে তাদের ইউএসডি১ স্টেবলকয়েন আন্তর্জাতিক লেনদেনে ব্যবহারের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হয় (West Asia Test)। এরকম হাইভোল্টেজ পরিস্থিতিতে ইসলামাবাদের পক্ষে এমন কোনও পক্ষ নেওয়া কঠিন, যা ট্রাম্প ও আমেরিকার স্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় (Pakistan)।

  • Tamal Roy Chowdhury: ঘুমের মধ্যেই স্ট্রোক, প্রয়াত প্রবীণ অভিনেতা তমাল রায়চৌধুরী, চলচ্চিত্র জগতে শোকের ছায়া

    Tamal Roy Chowdhury: ঘুমের মধ্যেই স্ট্রোক, প্রয়াত প্রবীণ অভিনেতা তমাল রায়চৌধুরী, চলচ্চিত্র জগতে শোকের ছায়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলা চলচ্চিত্র ও নাট্যজগতের (Tollywood Actor) এক পরিচিত মুখ, বিশিষ্ট অভিনেতা তমাল রায়চৌধুরী (Tamal Roy Chowdhury) আর নেই। বার্ধক্যজনিত অসুস্থতা এবং শারীরিক নানা জটিলতার কারণে রবিবার রাতে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। তাঁর প্রয়াণে টলিউড ইন্ডাস্ট্রিতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। দীর্ঘ কয়েক দশকের অভিনয় জীবনে তিনি তাঁর সাবলীল অভিনয় এবং গম্ভীর কণ্ঠস্বরের মাধ্যমে দর্শকদের হৃদয়ে বিশেষ স্থান করে নিয়েছিলেন। জানা গিয়েছে তাঁর ঘুমের মধ্যেই আচমকা স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ায় তাঁর মৃত্যু হয়েছে। তাঁর প্রয়াণে চলচ্চিত্র জগতে শোকের ছায়া। আসুন এক নজরে দেখে নিই তাঁর বর্ণময় জীবন ও কর্ম সম্পর্কে।

    চলচ্চিত্র ও মঞ্চ (Tamal Roy Chowdhury)

    কেবল রুপালি পর্দায় নয়, পেশাদার থিয়েটার বা মঞ্চেও তমাল (Tamal Roy Chowdhury) ছিলেন সমানভাবে জনপ্রিয়। বহু কালজয়ী নাটকে তাঁর অভিনয় আজও দর্শকদের মনে অমলিন। চরিত্রাভিনেতা হিসেবে তাঁর পরিচিতি দর্শকের মন জয় করে নিয়েছিল। সত্যজিৎ রায়ের ‘শাখা-প্রশাখা’ থেকে শুরু করে সমসাময়িক বহু বাণিজ্যিক ও শৈল্পিক চলচ্চিত্রে তাঁকে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে দেখা গিয়েছে। পার্শ্বচরিত্রেও যে গভীর প্রভাব ফেলা যায়, তিনি ছিলেন উজ্জ্বল উদাহরণ। তাঁর অভিনীত (Tollywood Actor) সিনেমার তালিকায় রয়েছে ‘চ্যালেঞ্জ’, ‘লে হালুয়া লে’, ‘বিন্দাস’, ‘জাতিশ্মর’, ‘অ্যামাজন অভিযান’ এবং ‘চাঁদের পাহাড়’। সবশেষে তাঁকে দেখা গিয়েছিল পরিচালক তথাগত মুখোপাধ্যায়ের ছবি ‘ভটভটি’-তে। টেলিভিশন জগৎ-এর বড় পর্দার পাশাপাশি বাংলা ছোটপর্দাতেও তিনি ছিলেন এক অতি পরিচিত মুখ। অসংখ্য জনপ্রিয় মেগা সিরিয়ালে তাঁর বলিষ্ঠ উপস্থিতি দর্শকদের মুগ্ধ করত। ছোটবেলা থেকেই বিভিন্ন নাটকের দলে অভিনয় করতেন। পাড়ার নাটকেও তাঁর অভিনয় দেখে প্রশংসা করতেন সবাই। ১৯৬২ সাল থেকে থিয়েটারের প্রতি তাঁর উৎসাহ আরও বাড়তে শুরু করে। দীর্ঘদিন ধরে সিনেমা, নাটক এবং বিনোদনের জগতে কাজ করে গিয়েছেন।

    শোকবার্তা ও শেষ বিদায়

    আর্টিস্ট ফোরামের তরফে তমাল রায় চৌধুরীর (Tamal Roy Chowdhury) প্রয়াণের খবর ছড়িয়ে পড়তেই শোক প্রকাশ করেছেন টলিউডের বিশিষ্ট অভিনেতা, পরিচালক এবং কলাকুশলীবৃন্দ। অনেকের মতেই, তমাল রায়চৌধুরীর চলে যাওয়া মানে একটি যুগের অবসান এবং অভিনয় জগতের এক অপূরণীয় ক্ষতি। তাঁর অনুরাগী এবং সহকর্মীরা সামাজিক মাধ্যমে তাঁদের প্রিয় অভিনেতার (Tollywood Actor) প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। প্রথাগত নিয়ম মেনেই তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হওয়ার কথা। বাংলা সংস্কৃতি জগতের এই নিষ্ঠাবান শিল্পীর প্রয়াণে আমরা গভীরভাবে শোকাহত।

  • West Bengal Assembly Election: রাজ্যে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে কমিশনের দ্বারস্থ বিজেপি, ১-২ দফায় ভোটের আর্জি

    West Bengal Assembly Election: রাজ্যে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে কমিশনের দ্বারস্থ বিজেপি, ১-২ দফায় ভোটের আর্জি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Assembly Election) প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ বর্তমানে কলকাতায় এসেছে। সোমবার সকালে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে কমিশনের প্রতিনিধিদের যে বৈঠক হয়েছে, সেখানে ভারতীয় জনতা পার্টির (Bengal BJP) পক্ষ থেকে একগুচ্ছ সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব পেশ করা হয়েছে। বিজেপির পক্ষ থেকে মূলত অবাধ, শান্তিপূর্ণ এবং ভীতিমুক্ত নির্বাচনী পরিবেশ তৈরির ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে।

    সংক্ষিপ্ত দফায় নির্বাচন (West Bengal Assembly Election)

    বিজেপির (Bengal BJP) পক্ষ থেকে কমিশনকে অনুরোধ করা হয়েছে যাতে রাজ্যজুড়ে নির্বাচন (West Bengal Assembly Election) প্রক্রিয়া ১ থেকে ২ দফার মধ্যে সম্পন্ন করা হয়। তাদের মতে, পর্যাপ্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করে দ্রুত ভোট গ্রহণ শেষ করলে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়ানো সম্ভব হতে পারে। উল্লেখ্য ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যে মোট ৮ দফায় ভোট হয়েছিল। যদিও সেই সময় নির্বাচন চলাকালীন এবং নির্বাচন উত্তর হিংসার রূপ মারাত্মক আকার নিয়েছিল। তাই বিজেপি হিংসামুক্ত করার দাবিতে অনড়।

    ১৬ দফা দাবি

    এদিন বিজেপির (Bengal BJP) তরফে প্রতিনিধি দলে উপস্থিত ছিলেন তাপস রায়, শিশির বাজোরিয়া এবং জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়৷ কমিশনের ফুল বেঞ্চের সামনে নির্বাচন নিয়ে (West Bengal Assembly Election) ১৬ দফা দাবি পেশ করেছে বিজেপি। কমিশনকে জানানো হয়, ৭-৮ দফায় নির্বাচন করা দরকার নেই। সেনসিনিটিভ বুথ চিহ্নিত করা প্রয়োজন৷ রাজ্য পুলিশ যেভাবে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ব্যবহার করছে, তা নিয়েও কমিশনের কাছে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে বিজেপির প্রতিনিধি দল।

    কেন্দ্রীয় বাহিনীর কার্যকর ব্যবহার

    এদিন রাজ্য বিজেপির তরফে নির্বাচন কমিশনের কাছে গিয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে যথাযথ ভাবে ব্যবহার করার কথা জানানো হয়েছে। প্রতিটি বুথে কেবল রাজ্য পুলিশ নয়, বরং কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী (CAPF) মোতায়েন করার দাবি জানানো হয়েছে। এছাড়া বুথের বাইরেও যাতে বাহিনী টহল দেয়, সে বিষয়ে কমিশনকে পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে। ভোট কেন্দ্রে (West Bengal Assembly Election) কোনও ভাবেই দুষ্কৃতীদের দ্বারা যাতে ভোট লুট না হয় সেই বিষয়েও আবেদন করা হয়।

    ভোটার তালিকা সংশোধন

    ভোটার তালিকায় নাম বাদ যাওয়া বা ভুয়া নাম থাকা নিয়ে বিজেপির পক্ষ থেকে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। এবারের বিধানসভায় যাতে একটি ত্রুটিমুক্ত এবং স্বচ্ছ ভোটার তালিকা নিশ্চিত করা হয় সেই দিকে নজর দিয়ে জোরালো দাবি করেছে বিজেপি।

    নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক নিরপেক্ষতা

    ভোটের সময় স্থানীয় প্রশাসনের নিরপেক্ষ ভূমিকা পালনের প্রয়োজনীয়তা এবং ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়েও বিজেপি সরব হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ সোমবার দিনভর বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনার পর বিকেলে রাজ্যের প্রশাসনিক ও পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন। বিজেপির এই ১-২ দফায় ভোট (West Bengal Assembly Election) করানোর প্রস্তাব নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ইতিমধেই নানামুখী আলোচনা শুরু হয়েছে, কারণ সাধারণত পশ্চিমবঙ্গে বড় নির্বাচনগুলো বেশ কয়েকটি দফায় অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে।

    ভারতের নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ যখন পশ্চিমবঙ্গ সফরে ব্যস্ত, ঠিক সেই সময়েই রাজ্যের এক রাজনৈতিক নেতার বিতর্কিত মন্তব্যকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে রাজ্য রাজনীতি। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার-এর উদ্দেশে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নানা সময়ে অভব্য মন্তব্য করে সাংবিধানিক পদকে অপমান করেছেন বলে বার বার বিজেপি সরব হয়েছে।

    কল্যাণের বিরুদ্ধে আইনী পদক্ষেপের দাবি

    সম্প্রতি তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে লক্ষ্য করে অত্যন্ত অবমাননাকর ও প্রচ্ছন্ন হুমকিমূলক ভাষা প্রয়োগ করেছেন। শুধু তাই নয় জ্ঞানেশ কুমারের ‘আঙুল কাটা’-র মতো উস্কানি মন্তব্য করেছেন শ্রীরামপুরের সাংসদ। বিজেপি (Bengal BJP) দাবি করেছে এই আচরণ অগণতান্ত্রিক এবং শিষ্টাচারবহির্ভূত বলে। এই বিষয়টি নিয়ে সরাসরি নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে। তাঁদের মতে, সাংবিধানিক পদের অধিকারী কোনও ব্যক্তির বিরুদ্ধে এ ধরনের কুরুচিকর আক্রমণ কেবল ব্যক্তিগত অপমান নয়, বরং নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও মর্যাদাকে কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা।

  • S Jaishankar: “ভারতীয় উপভোক্তাদের স্বার্থই সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারের তালিকায়”, বললেন জয়শঙ্কর

    S Jaishankar: “ভারতীয় উপভোক্তাদের স্বার্থই সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারের তালিকায়”, বললেন জয়শঙ্কর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “পশ্চিম এশিয়ায় ক্রমবর্ধমান সংঘাতের প্রেক্ষিতে ভারতীয় উপভোক্তাদের স্বার্থই সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারের তালিকায় থাকবে।” সোমবার রাজ্যসভায় সাফ জানিয়ে দিলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। সতর্ক করে (Iran War) দিয়ে তিনি বলেন, “এই সঙ্কটের কারণে বিঘ্ন ঘটতে পারে সরবরাহ শৃঙ্খলে।”

    জয়শঙ্করের বক্তব্য (S Jaishankar)

    বিরোধী সাংসদদের স্লোগানের মধ্যেই সংসদে বক্তব্য রাখতে গিয়ে জয়শঙ্কর বলেন, সম্প্রতী ওই অঞ্চলে সংঘাত আরও তীব্র হয়েছে। এতে জ্বালানি সরবরাহ, নৌ-পথ এবং বৈশ্বিক বাণিজ্য সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। তিনি জানান, সরকার পরিস্থিতি ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং এর সম্ভাব্য প্রভাব ভারতের অর্থনীতি ও সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর কী  হতে পারে, তা মূল্যায়ন করা হচ্ছে। তিনি বলেন, “আমাদের সরকার ২০ ফেব্রুয়ারি একটি বিবৃতি দিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং সব পক্ষকে সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছে।” জয়শঙ্কর এও বলেন, “উত্তেজনা কমাতে আলোচনা ও কূটনীতির পথই অনুসরণ করা উচিত বলে আমরা এখনও বিশ্বাস করি।” মন্ত্রী বলেন, “পশ্চিম এশিয়ার স্থিতিশীলতা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার এবং ভারতের অর্থনৈতিক স্বার্থের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।” তিনি বলেন, “পশ্চিম এশিয়াকে অবশ্যই স্থিতিশীল ও শান্তিপূর্ণ থাকতে হবে।” তিনি জানান, ভারত তার আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে এবং পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখছে।

    জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার

    জয়শঙ্কর বলেন, “ভারতের জাতীয় স্বার্থ—বিশেষ করে জ্বালানি নিরাপত্তা এবং ভারতীয় উপভোক্তাদের কল্যাণ—সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার। ওই অঞ্চলে বসবাসকারী ও কর্মরত বিপুল সংখ্যক ভারতীয় নাগরিকের নিরাপত্তা এবং কল্যাণ নিশ্চিত করাও সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।” সংসদে তিনি জানান, ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে প্রায় ৬৭,০০০ ভারতীয় নাগরিক ইতিমধ্যেই দেশে ফিরে এসেছেন। ইরানের অনুরোধে ওই অঞ্চলে তিনটি জাহাজকে ভারতীয় বন্দরে প্রবেশের অনুমতি দেওয়ার সিদ্ধান্তের অংশ হিসেবে ভারত আইআরআইএস লাভান নামের একটি ইরানি যুদ্ধজাহাজকে কোচি বন্দরে নোঙর করার অনুমতি দেয়। ১ মার্চ এই অনুমোদন দেওয়া হয়, জাহাজটি বন্দরে পৌঁছয় ৪ মার্চ (S Jaishankar)।

    ইরানি নৌ-জাহাজ

    এর আগে শনিবার রাইসিনা ডায়ালগে ভাষণ দিতে গিয়ে জয়শঙ্কর বলেছিলেন, “ভারত এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে মানবিকতার খাতিরে, কোনও ভূরাজনৈতিক বিবেচনা থেকে নয়। জাহাজটিতে ১৮৩ জন নাবিক ছিলেন, যাঁদের বেশিরভাগই তরুণ ক্যাডেট, এবং যাত্রাপথে জাহাজটির প্রযুক্তিগত একটি সমস্যা দেখা দিয়েছিল (Iran War)।” এই ঘটনার কয়েক দিন পরে ৪ মার্চ ভারত মহাসাগরে আর একটি ইরানি নৌ-জাহাজ আইআরআইএস ডেনা ডুবে যায় একটি মার্কিন সাবমেরিনের হামলায়। এতে ৮০ জনেরও বেশি নাবিক নিহত হন। পরে শ্রীলঙ্কা নেভি প্রায় ৩২ জনকে উদ্ধার করে (S Jaishankar)।

    বিপদের সংকেত

    এই ঘটনাকে দুঃখজনক বলে উল্লেখ করেন জয়শঙ্কর। তিনি বলেন, জাহাজটি বিপদের সংকেত পাঠিয়েছিল। অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযানের জন্য ভারত সেখানে আগেই মোতায়েন করেছিল সামুদ্রিক বিভিন্ন সরঞ্জাম, যার মধ্যে ছিল টহলদারি বিমান এবং নৌবাহিনীর জাহাজও। মন্ত্রী বলেন, “লাভান জাহাজটিকে নোঙর করার অনুমতি দেওয়া ছিল সঠিক সিদ্ধান্ত।” তিনি ফের মনে করিয়ে দেন, “পরিস্থিতির আরও অবনতি রুখতে ভারত সব পক্ষকে সংযম প্রদর্শন এবং কূটনৈতিক (Iran War) আলাপ-আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার আহ্বানও জানিয়ে যাচ্ছে (S Jaishankar)।”

     

  • Gyanesh kumar: নির্বাচন প্রস্তুতির পর্যালোচনায় রাজ্যে কমিশনের ফুল বেঞ্চ, জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বে ম্যারাথন বৈঠক

    Gyanesh kumar: নির্বাচন প্রস্তুতির পর্যালোচনায় রাজ্যে কমিশনের ফুল বেঞ্চ, জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বে ম্যারাথন বৈঠক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Election 2026) নির্ঘণ্ট ঘোষণার প্রাক্কালে রাজ্যের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে তিন দিনের সফরে কলকাতায় পৌঁছেছেন নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (CEC) জ্ঞানেশ কুমার-এর (Gyanesh kumar) নেতৃত্বে এই উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলটি রবিবার রাতেই শহরে পদার্পণ করে। আজ, সোমবার থেকে শুরু হচ্ছে কমিশনের ব্যস্ত কর্মসূচি। মূলত আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং ভোটগ্রহণের প্রশাসনিক প্রস্তুতি যাচাই করাই এই সফরের মূল লক্ষ্য।

    বৈঠকের সময় সূচি কেমন (Gyanesh kumar)?

    ৯ মার্চ সোমবার সকাল থেকেই শুরু হয়েছে বৈঠক এবং পর্যালোচনা। সকাল ১০টায় স্বীকৃত রাজনৈতিক দলগুলির সঙ্গে বৈঠক করেন কমিশনের সদস্যরা। মাঝে ৩০ মিনিটের বিরতি। এরপর দুপুর ১২টা থেকে ১২টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত কমিশনকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানানো হয়। দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিট থেকে ১২টা ৫৫ মিনিট পর্যন্ত বক্তব্য রাখেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগারওয়াল। তারপর ১২টা ৫৫ মিনিট থেকে ১টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত কমিশনের পক্ষ থেকে উদ্বোধনী বক্তব্য। দুপুর ১টা ১৫ মিনিট থেকে ২টো ১৫ মিনিট পর্যন্ত বিভিন্ন আইন প্রয়োগকারী সংস্থার শীর্ষ আধিকারিক এবং এসএসপি-এসপি পর্যায়ের আধিকারিকদের (Gyanesh kumar) সঙ্গে নির্বাচনের (West Bengal Election 2026) প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা রয়েছে। এরপর মাঝে একটা বিরতি থাকবে এবং শেষে ৩টে ১৫ মিনিট থেকে আবার বৈঠক রয়েছে কমিশনের। বিষয় থাকবে নির্বাচন প্রস্তুতির বিস্তারিত বৈঠক।

    রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে মতবিনিময়

    আজ সকালে প্রথমেই স্বীকৃত রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন কমিশনের কর্তারা। নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে বিভিন্ন দলের অভিযোগ ও পরামর্শ শোনা হয় এই অধিবেশনে। এই সঙ্গে প্রশাসনিক ও পুলিশি পর্যালোচনা করার কথাও হয়েছে। দুপুরে রাজ্যের সব জেলার জেলাশাসক (DM) এবং পুলিশ সুপারদের (SP) সঙ্গে বৈঠকে বসেন জ্ঞানেশ কুমার। নির্বাচনী প্রস্তুতি (West Bengal Election 2026), বুথের পরিকাঠামো এবং স্পর্শকাতর এলাকাগুলোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সফরের দ্বিতীয় ভাগে রাজ্যের মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব এবং রাজ্য পুলিশের মহানির্দেশকের (DGP) সঙ্গেও কমিশনের সদস্যদের বৈঠক করার কথা রয়েছে।

    কেন্দ্রীয় বাহিনীর মোতায়েন

    আজকের এই বৈঠকে রাজ্যের বিধানসভা (West Bengal Election 2026) ভোটকে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ করতে রাজ্যে কত সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী প্রয়োজন এবং তাদের মোতায়েনের কৌশল নিয়েও এই সফরে চূড়ান্ত রূপরেখা তৈরি হওয়ার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। ভোটার তালিকায় নাম সংশোধন ও অন্তর্ভুক্তি (SIR) নিয়ে সম্প্রতি যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তা নিয়েও কমিশনের এই সফরে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। ১০ মার্চ সফর শেষ করে দিল্লিতে ফিরে যাওয়ার পরই রাজ্যে নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল ভাবে রয়েছে।

  • Bangladesh Blast: বাংলাদেশের মন্দিরে আইইডি বিস্ফোরণ, জখম পুরোহিত

    Bangladesh Blast: বাংলাদেশের মন্দিরে আইইডি বিস্ফোরণ, জখম পুরোহিত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে ফের হামলা হিন্দু মন্দিরে (Bangladesh Blast)। শনিবার সন্ধ্যায় কুমিল্লা শহরে এক মুখোশধারী ব্যক্তি একটি মন্দিরে (Shani Puja) বোমা মারে। কালী গাছতলা শিব মন্দিরে তাজা বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় জখম হন মন্দিরের পুরোহিত। হামলার সময় মন্দিরে পুজো চলছিল। মন্দিরের কাছাকাছি সড়কে একই ধরনের আরও দুটি বিস্ফোরণেও জখম হন আরও তিনজন।

    ব্যাগ হাতে মুখোশধারী (Bangladesh Blast)

    প্রত্যক্ষদর্শীর বয়ান এবং সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গিয়েছে, ৭ মার্চ সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা নাগাদ ঘটনাটি ঘটে। সন্দেহজনক ব্যাগ হাতে মুখোশ পরা এক ব্যক্তি দক্ষিণ ঠাকুরপাড়া (বাগানবাড়ি) এলাকার মন্দির চত্বরে প্রবেশ করে। তখন সেখানে পুজো উপলক্ষে উপস্থিত ছিলেন মহিলা ও শিশু-সহ বেশ কয়েকজন ভক্ত। এই সময়ই মন্দিরের বেদির কাছে ব্যাগটি রেখে পালিয়ে যায় মুখোশধারী ওই ব্যক্তি। কিছুক্ষণের মধ্যেই বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে ব্যাগটিতে। আইইডি বিস্ফোরণের জেরে ভয়ে ছোটাছুটি করতে থাকেন ভক্তরা। গুরুতর জখম হন মন্দিরের পুরোহিত কেশব চক্রবর্তী। বিস্ফোরণের সময় পুজো করছিলেন তিনি। মন্দিরের সিসিটিভি ক্যামেরার ভিডিও ফুটেজেও দেখা যায়, বিস্ফোরণের আগে ওই মুখোশধারী ব্যক্তি ভিড়ের মধ্যে মিশে যায়। এরই কিছুক্ষণ পরেই ঘটে ভয়াবহ বিস্ফোরণ।

    ককটেল বোমা

    এর খানিক পরেই দুষ্কৃতীরা আরও দুটি ককটেল বোমা ছোড়ে। সেগুলি ফাটে মন্দিরের কাছাকাছি সড়কে। ওই জায়গায় রয়েছে একটি বৌদ্ধ মন্দির ও একটি ব্র্যাক (BRAC) অফিস। এই দ্বিতীয় বিস্ফোরণের ঘটনায় জখম হন ঠাকুরপাড়া বাগানবাড়ি এলাকার বাসিন্দা সুজাত আলির ছেলে এ বারেক এবং নজরুল ইসলামের ছেলে জিহাদ। আহতদের দ্রুত কুমিল্লা জেনারেল মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় (Bangladesh Blast)। পুরোহিতের অবস্থা গুরুতর হলেও, স্থিতিশীল বলে হাসপাতাল জানিয়েছে। সড়কে হওয়া বিস্ফোরণে জখম দুই ব্যক্তিকে কুমিল্লা সদর হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হয়। খবর পেয়ে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। রবিবার সকাল পর্যন্তও কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি। কোতয়ালি মডেল থানার ওসি মো তৌহিদুল আনোয়ার বলেন, “আমরা ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ জোগাড় করেছি। বিষয়টি তদন্তাধীন। এখনই বলা সম্ভব নয় কেন বা কারা এই বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে। তবে জড়িতদের গ্রেফতার করতে চলছে তল্লাশি অভিযান (Bangladesh Blast)।” ঘটনার কিছুক্ষণের মধ্যেই কুমিল্লার এসপি মো আনিসুজ্জামান ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান। তিনি জানান, ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে (Shani Puja) এবং দোষীদের ধরতে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ।

LinkedIn
Share