Tag: Bengali news

Bengali news

  • Pahalgam Terror Attack: পহেলগাঁও হামলায় জঙ্গিদের ব্যবহৃত ক্যামেরায় থাকা ডেটা পেতে চিনের দ্বারস্থ এনআইএ

    Pahalgam Terror Attack: পহেলগাঁও হামলায় জঙ্গিদের ব্যবহৃত ক্যামেরায় থাকা ডেটা পেতে চিনের দ্বারস্থ এনআইএ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত বছরের ২২ এপ্রিল পহেলগাঁওয়ের বৈসরণ উপত্যকায় জঙ্গি হামলা হয় (Pahalgam Terror Attack)। অনুমান, ওই হামলায় ব্যবহৃত হয়েছিল একটি গো-প্রো হিরো ১২ ক্যামেরা, যা অভিযানের সময় উদ্ধার করে সেনা। ক্যামেরার ব্যবহারিক প্রযুক্তি ও তথ্য জমা রয়েছে চিনের একটি ডিস্ট্রিবিউটরের কাছে। ভারতের জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার (NIA) তদন্তে এই তথ্য উঠে এসেছে। সংস্থাটি ডিভাইসটির ক্লাউড মেমরিতে থাকা তথ্য পাওয়ার জন্য বেইজিংয়ের সাহায্য চেয়েছে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। তদন্তকারী সংস্থা জম্মুর একটি আদালতে দাখিল করা আবেদনে জানিয়েছে, ক্যামেরাটির তথ্য সংগ্রহের জন্য একটি লেটার রোগেটরি (Letter Rogatory বা LR) জারি করা হচ্ছে। এটি এমন একটি অনুরোধ, যার মাধ্যমে ভিন দেশের কাছে তদন্ত সংক্রান্ত তথ্য চাওয়া হয়।

    গো-প্রো হিরো ১২ ব্ল্যাক ক্যামেরা (Pahalgam Terror Attack)

    সোমবার জম্মু আদালতের এক আদেশে বলা হয়েছে, “এই মামলার তদন্ত চলাকালে ওই জঙ্গি হামলার ষড়যন্ত্র ও বাস্তবায়নের সঙ্গে সম্পর্কিত বিভিন্ন বস্তুগত প্রমাণ এবং ইলেকট্রনিক ডিভাইস পরীক্ষা করা হয়েছে। এর মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ ইলেকট্রনিক ডিভাইস হল গো-প্রো হিরো ১২ ব্ল্যাক ক্যামেরা, যার সিরিয়াল নম্বর সি৩৫০১৩২৫৪৭১৭০৬। পহেলগাঁও  হামলায় জড়িত জঙ্গি মডিউলের হামলার পূর্ববর্তী নজরদারি, চলাচল এবং অপারেশনাল প্রস্তুতি সম্পর্কে তথ্য প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে এই ডিভাইসটি গুরুত্বপূর্ণ।” এই আদেশের মাধ্যমে আদালত এনআইএকে চিনের কাছে লেটার রোগেটরি পাঠানোর অনুমতি দিয়েছে। এর আগে,  এনআইএ নেদারল্যান্ডসে অবস্থিত গো-প্রো ক্যামেরার নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের কাছেও যোগাযোগ করে ডিভাইসটির সাপ্লাই চেইন এবং অ্যাক্টিভেশন সংক্রান্ত তথ্য চেয়েছিল (Pahalgam Terror Attack)।

    ডিভাইসের পরবর্তী লেনদেন

    ভারতের আবেদনের জবাবে নেদারল্যান্ডসের ওই সংস্থা জানায়, তারা কেবলমাত্র ক্যামেরাটি উৎপাদন করে। ব্যবহারিক প্রযুক্তি চিনের কাছে রয়েছে। নির্মাতা সংস্থা জানিয়েছে যে, তাদের কাছে ডিভাইসটির পরবর্তী লেনদেন বা শেষ ব্যবহারকারীর সম্পর্কে কোনও তথ্য নেই। তারা আরও জানায়, ডিভাইসটির অ্যাক্টিভেশন, প্রাথমিক ব্যবহার এবং বাণিজ্যিক লেনদেনের তথ্য চিনের ভৌগোলিক অধিক্ষেত্রের মধ্যে পড়ে। ফলে ক্রেতা, শেষ ব্যবহারকারী এবং সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তিগত তথ্য জানতে হলে চিনা কর্তৃপক্ষের বিচার বিভাগের সাহায্য প্রয়োজন (NIA)। এই কারণেই এনআইএ আদালতের কাছে আবেদন করেছিল এবং আদালত চিনের কাছে এলআর পাঠানোর অনুমতি দিয়েছে। উল্লেখ্য, গত বছরের ২২ এপ্রিল পহেলগাঁওয়ের মনোরম বৈসরণ উপত্যকায় জঙ্গি হামলা ভারত ও পাকিস্তানকে প্রায় পূর্ণমাত্রার যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গিয়েছিল।

    ‘অপারেশন সিঁদুর’

    ভারত ৭ মে ভোরে ‘অপারেশন সিঁদুর’ চালু করে পাকিস্তান এবং পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরের (PoK) জঙ্গি পরিকাঠামোর ওপর হামলা চালায়। পরে ১০ মে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়। এই হামলায় জড়িত তিন জঙ্গি— সুলেমান শাহ, হামজা আফগানি (ওরফে আফগান) এবং জিবরান, ২২ এপ্রিল বাইসারান মেদোয় গুলি চালিয়ে ২৫ জন পর্যটক ও একজন পনি চালককে হত্যা করেছিল। পরে ২৮ জুলাই দাচিগাম বনাঞ্চলে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে তারা (NIA) খতম হয় (Pahalgam Terror Attack)।

  • Ramakrishna 598: “কামিনী-কাঞ্চনের উপর ভালবাসা যদি একেবারে চলে যায়, তাহলে ঠিক বুঝতে পারা যায় যে দেহ আলাদা আর আত্মা আলাদা”

    Ramakrishna 598: “কামিনী-কাঞ্চনের উপর ভালবাসা যদি একেবারে চলে যায়, তাহলে ঠিক বুঝতে পারা যায় যে দেহ আলাদা আর আত্মা আলাদা”

    ৫২ শ্যামপুকুর বাটীতে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    একাদশ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২৩শে অক্টোবর
    পূর্ণজ্ঞান—দেহ ও আত্মা আলাদা—শ্রীমুখ-কথিত চরিতামৃত

    সন্ধ্যা হইল। শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) শয্যায় বসিয়া মার চিন্তা ও নাম করিতেছেন। ভক্তেরা অনেকে তাঁহার কাছে নিঃশব্দে বসিয়া আছেন।

    কিয়ৎক্ষণ পরে ডাক্তার সরকার আসিয়া উপস্থিত হইলেন। ঘরে লাটু, শশী, শরৎ, ছোট নরেন, পল্টু, ভূপতি, গিরিশ প্রভৃতি অনেক ভক্তেরা আসিয়াছেন (Kathamrita)। গিরিশের সঙ্গে স্টার থিয়েটারের শ্রীযুক্ত রামতারণ আসিয়াছেন—গান গাইবেন।

    ডাক্তার (শ্রীরামকৃষ্ণের প্রতি) — কাল রাত তিনটার সময় আমি তোমার জন্য বড় ভেবেছিলাম। বৃষ্টি হল, ভাবলুম দোর-টোর খুলে রেখেছে — না কি করেছে, কে জানে!

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)  ডাক্তারের স্নেহ দেখিয়া প্রসন্ন হইয়াছেন। আর বলিতেছেন, বল কিগো!

    “যতক্ষণ দেহটা আছে ততক্ষণ যত্ন করতে হয়।

    “কিন্তু দেখছি যে এটা আলাদা। কামিনী-কাঞ্চনের উপর ভালবাসা যদি একেবারে চলে যায়, তাহলে ঠিক বুঝতে পারা যায় যে দেহ আলাদা আর আত্মা আলাদা। নারকেলের জল সব শুকিয়ে গেলে মালা আলাদা, আঁস আলাদা হয়ে যায়। তখন নারকেল টের পাওয়া যায় — ঢপর ঢপর করছে। যেমন খাপ আর তরবার—খাপ আলাদা, তরবার আলাদা।

    “তাই দেহের অসুখের জন্য তাঁকে বেশি বলতে পারি না।”

    গিরিশ—পণ্ডিত শশধর বলেছিলেন (Kathamrita), ‘আপনি সমাধি অবস্থায় দেহের উপর মনটা আনবেন,—তাহলে অসুখ সেরে যাবে। ইনি ভাবে ভাবে দেখলেন যে শরীরটা যেন ধ্যাড় ধ্যাড় করছে।

    পূর্বকথা—মিয়জিয়াম দর্শন ও পীড়ার সময় প্রার্থনা

    শ্রীরামকৃষ্ণ(Ramakrishna) —অনেকদিন হল,—আমার তখন খুব ব্যামো। কালীঘরে বসে আছি,—মার কাছে প্রার্থনা করতে ইচ্ছা হল! কিন্তু ঠিক আপনি বলতে পাল্লাম না। বললুম,—মা হৃদে বলে তোমার কাছে ব্যামোর কথা বলতে। আর বেশি বলতে পাল্লাম না—বলতে বলতে অমনি দপ্‌ করে মনে এলো সুসাইট্‌ (Asiatic Society’s Museum) সেখানকার তারে বাঁধা মানুষের হাড়ের দেহ (Skeleton) অমনি বললুম, মা, তোমার নামগুণ করে বেড়াব—দেহটা একটু তার দিয়ে এঁটে দাও, সেখানকার মতো! সিদ্ধাই চাইবার জো নাই!

  • Iran Israel War: ইজরায়েলি হানায় ইরানে ব্যাপক বিস্ফোরণ, কালচে রংয়ের বৃষ্টিতে ভিজল তেহরান

    Iran Israel War: ইজরায়েলি হানায় ইরানে ব্যাপক বিস্ফোরণ, কালচে রংয়ের বৃষ্টিতে ভিজল তেহরান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইজরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল ইরানের রাজধানী তেহরান (Iran Israel War)। বিশাল বিস্ফোরণ, সঙ্গে চোখ ধাঁধানো আলো এবং কুণ্ডলী পাকানো ধোঁয়ায় ভরে উঠল রাজধানীর আকাশ (Tehran)। তেহরানের পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি ডিপো লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়েছে। ন্যাশনাল ইরানিয়ান অয়েল প্রোডাক্টস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির সিইও জানান, এতে চারজন নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে দু’জন ট্যাংকার চালকও ছিলেন।

    তেল ডিপোয় হামলা (Iran Israel War)

    যুদ্ধবিমানগুলি তেহরান ও এর আশপাশের একাধিক তেল ডিপোয় হামলা চালায়। এতে ব্যাপক আগুন লাগে এবং ঘন কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় শহরের আকাশ, যা পাশের শহর কারাজ থেকেও দেখা যাচ্ছিল। বিভিন্ন ভিডিও ফুটেজে আগুনের গোলা, দীর্ঘ ধোঁয়ার স্তম্ভ এবং রাতের আকাশে জ্বলতে থাকা আগুন দেখা যায়। বিস্ফোরণে শহরের বিভিন্ন অংশ কেঁপে ওঠে। কিছু ভিডিওতে দেখা যায়, রাস্তার পাশে ছড়িয়ে পড়া জ্বালানি আগুন ধরে যাওয়ায় সড়কের ধারে আগুন জ্বলছে। স্থানীয় বাসিন্দারা একে ‘আগুনের নদী’ বলে বর্ণনা করেছেন, যা শহরের রাস্তায় প্রবাহিত হচ্ছিল। আক্রান্ত প্রধান ডিপোগুলোর মধ্যে ছিল শহরান ও আঘদাসিয়েহ, পাশাপাশি একটি পেট্রোলিয়াম পণ্য পরিবহণ কেন্দ্রও। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে জরুরি পরিষেবা কর্মীরা সারা রাত কাজ করেন। সিএনএনের প্রতিবেদক ফ্রেডেরিক প্লাইটগেন এক ভিডিওতে জানান, হামলার পর শহরে কালচে রঙের বৃষ্টি পড়ছিল। অনুমান, এটি তেল ও জ্বলন্ত সংরক্ষণাগারের ধোঁয়া-ধূলির সঙ্গে মিশে থাকা বৃষ্টির জল।

    ইরানি কর্তাদের বক্তব্য

    ইরানি কর্তারা জানান, তেহরান ও আশপাশে অন্তত পাঁচটি তেল সংস্থায় হামলা হয়েছে, যার মধ্যে চারটি সংরক্ষণ ডিপো এবং একটি পেট্রোলিয়াম পরিবহণ কেন্দ্র। পরবর্তীকালে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হলেও, ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণের সময় জ্বালানি সরবরাহ সাময়িকভাবে বন্ধ ছিল। আগুনের ধোঁয়ায় রবিবার সকাল পর্যন্ত রাজধানীর আকাশে ঘন কালো কুয়াশার মতো স্তর দেখা গিয়েছে এবং বাতাসে পোড়া জ্বালানির গন্ধ ছড়িয়ে ছিল বলে জানান স্থানীয় বাসিন্দারা। ইরানের আধিকারিকরা বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডের বিষয়টি স্বীকার করেছেন।  তাঁদের দাবি, দেশের জ্বালানি মজুত নিরাপদেই রয়েছে (Iran Israel War)। ফ্রান্স২৪-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইজরায়েলি সামরিক বাহিনী নিশ্চিত করেছে যে তাদের বিমান বাহিনী তেহরানের জ্বালানি সংরক্ষণাগারে হামলা চালিয়েছে, যাতে সেগুলি ইরানের সামরিক বাহিনী ব্যবহার করতে না পারে (Tehran)।

    সোশ্যাল মিডিয়ায় সতর্কবার্তা

    ইজরায়েল তাদের ফারসি ভাষার সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি সতর্কবার্তা দেয়। এতে বলা হয়, ইরানের ‘অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টস’ যদি প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেইনির উত্তরসূরি নির্বাচনের বৈঠক করে, তাহলে তা টার্গেট করা হতে পারে। বার্তায় বলা হয়, “এটি একটি সতর্কবার্তা। যারা উত্তরসূরি নির্বাচন বৈঠকে অংশ নিতে চান, তাঁদের আমরা সতর্ক করছি—আমরা আপনাদের টার্গেট করতে দ্বিধা করব না। এটি একটি সতর্কবার্তা।” ইরানের পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচন করার দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থা ‘অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টস’ ইতিমধ্যেই একটি সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে বলে জানা গিয়েছে, যদিও এখনও পর্যন্ত কোনও নাম ঘোষণা করা হয়নি (Iran Israel War)। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের সর্বশেষ ইরান-বিরোধী যুদ্ধ শুরু হয়েছিল ২৮ ফেব্রুয়ারি যৌথ বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মাধ্যমে, যেখানে আয়াতুল্লাহ খামেইনি এবং ইরানের শীর্ষ সামরিক কর্তাদের হত্যা করা হয়।

    বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর অঙ্গীকার

    ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী কয়েক মাস ধরে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করেছে। গার্ড বাহিনীর মুখপাত্র আলি মোহাম্মদ নাইনি বলেন, “এখন পর্যন্ত ইরান প্রথম ও দ্বিতীয় প্রজন্মের ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে। তবে আগামী দিনে আরও উন্নত ও দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হবে (Tehran)।” তিনি ফার্স নিউজ এজেন্সিকে বলেন, “বর্তমান গতিতে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী অন্তত ছ’মাস তীব্র যুদ্ধ চালিয়ে যেতে পারে (Iran Israel War)।” এই আঞ্চলিক সংঘাত উপসাগরীয় অঞ্চলেও ছড়িয়ে পড়েছে। লেবাননে ইজরায়েলি হামলায় হিজবুল্লাহর অবস্থান ও বেইরুটের কেন্দ্রস্থলকে টার্গেট করা হয়েছে। একটি হোটেলে চারজন-সহ গত সপ্তাহে নিহত হয়েছেন অন্তত ২৯৪ জন। এদিকে, সৌদি আরব জানিয়ে দিয়েছে, রিয়াধের কূটনৈতিক এলাকায় লক্ষ্য করে পাঠানো ড্রোন তারা ভূপাতিত করেছে। কুয়েত এবং বাহরাইনও যথাক্রমে জ্বালানি ট্যাংক ও একটি লবণাক্ত জল বিশুদ্ধকরণ প্লান্টে ইরানি ড্রোন হামলার কথা জানিয়েছে।

    ইরানে হামলার পরিসংখ্যান

    ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত ইজরায়েল ইরানের ওপর প্রায় ৩,৪০০টি হামলা চালিয়েছে। সর্বশেষ রাতের হামলায় তেহরানের মেহরাবাদ বিমানবন্দরে ১৬টি সামরিক বিমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং একাধিক তেল ডিপোয় হামলার ফলে রাজধানীতে জ্বালানি সরবরাহ সাময়িকভাবে ব্যাহত হয়েছে (Tehran)। হরমুজ প্রণালীতে নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়ায় কুয়েত সতর্কতামূলকভাবে অপরিশোধিত তেল উৎপাদন কমানোর কথা ঘোষণা করেছে। ইরানের স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, এই সংঘাতে এখন পর্যন্ত অন্তত ১,২০০ জন অসামরিক নাগরিক নিহত এবং প্রায় ১০,০০০ জন জখম হয়েছেন (Iran Israel War)।

     

  • Vande Mataram: খ্রিষ্টান সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রধান নাগাল্যান্ডে বন্দে মাতরম গানে তীব্র আপত্তি, গাওয়া যাবে না গান!

    Vande Mataram: খ্রিষ্টান সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রধান নাগাল্যান্ডে বন্দে মাতরম গানে তীব্র আপত্তি, গাওয়া যাবে না গান!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার নাগাল্যান্ডে (Nagaland) নাগা পিপলস ফ্রন্ট (এনপিএফ) দেশাত্মবোধক গান বন্দে মাতরমের (Vande Mataram) তীব্র বিরোধিতা করেছে । এই রাজনৈতিক দলটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং রাজ্য বিধানসভায় এই গানটি বাধ্যতামূলকভাবে গাওয়াকে “জোরপূর্বক চাপিয়ে দেওয়া” বলে অভিহিত করেছে। তাদের দাবি, এই গানটি নাগাল্যান্ডের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক পরিচয়ের পক্ষে হুমকিস্বরূপ।

    সুরক্ষার সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ (Vande Mataram)

    সূত্রের খবর, এনপিএফ কোহিমায় দলের কেন্দ্রীয় সদর দফতর থেকে একটি প্রেস বিবৃতি প্রকাশ করে দাবি করেছে, বন্দে মাতরম (Vande Mataram) গান রাজ্যের জনগণের জন্য বন্ধুত্বপূর্ণ নয়। যেখানে খ্রিস্টান সংখ্যাগরিষ্ঠ জনসংখ্যা রয়েছে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে যে এটি ভারতের সংবিধানের অধীনে নিশ্চিত মৌলিক অধিকারগুলিকে ক্ষুণ্ণ করবে। আবার রাজ্যে বিজেপির জোটসঙ্গী এনপিএফ এই সিদ্ধান্তকে ৩৭১এ ধারার অধীনে রাজ্যকে প্রদত্ত বিশেষ সাংবিধানিক সুরক্ষার সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ বলে বর্ণনা করেছে, যার লক্ষ্য নাগা জনগণের ধর্মীয় ও প্রথাগত রীতিনীতি রক্ষা করা।

    রাজ্যের (Nagaland) শাসক দলের পক্ষে আরও বলা হয়েছে, যেহেতু রাজ্যের সংখ্যাগরিষ্ঠই খ্রিস্টান ধর্মের, তাই বন্দে মাতরম তাদের বিবেক এবং বিশ্বাসের সঙ্গে খাপ খায় না। কারণ গানটিতে হিন্দু দেবদেবীদের উল্লেখ রয়েছে। নাগরিকদের ধর্মীয় বিশ্বাস ভারতের ধর্মনিরপেক্ষ কাঠামোর চেতনার পরিপন্থী। তাই কেন্দ্রীয় সরকারকে গানটি গাইতে বাধ্য করার পদক্ষেপ পুনর্বিবেচনা করতে হবে।

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক বন্দে মাতরম গাওয়ার নির্দেশিকা

    গত জানুয়ারি মাসে, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক বন্দে মাতরম (Vande Mataram) গাওয়ার জন্য প্রোটোকল জারি করে একটি নির্দেশিকা দিয়েছে। নির্দেশিকায় বলা হয়েছিল, ৩ মিনিট ১০ সেকেন্ডের এই গানের পূর্ণাঙ্গ সংস্করণটি জাতীয় সঙ্গীত ‘জন গণ মন’-এর আগে গাইতে হবে। সরকারি অনুষ্ঠানে পরিবেশিত হলে শ্রোতাদের মনোযোগ সহকারে দাঁড়িয়ে থাকতে হবে। মন্ত্রকের নির্দেশ, রাষ্ট্রপতির আগমন, তেরঙ্গা উত্তোলন এবং রাজ্যপালদের বক্তৃতার মতো সরকারি অনুষ্ঠানে এই পূর্ণাঙ্গ সংস্করণটি বাজাতে হবে। সমস্ত স্কুলে জাতীয় সঙ্গীতের পর এই গানের মাধ্যমে দিনের কাজ শুরু করতে হবে।”

    রাজ্যপালের ভাষণের পর থেকেই বিরোধিতা শুরু

    নাগাল্যান্ড (Nagaland) বিধানসভার বাজেট অধিবেশনের প্রথম অধিবেশনে রাজ্যপাল অজয় ​​কুমার ভাল্লার ভাষণের সময় গানটি (Vande Mataram) বাজানোর সময় গানটি নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। পরের দিন, বিধায়করা সংসদে এই পদক্ষেপের বিরোধিতা করেন। এর ফলে শেষ পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রী নেফিউ রিও, যিনি এনপিএফ-এর সদস্য, “বিবেচিত সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর আগে” বিষয়টি পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং আইনি পরামর্শের জন্য সংসদের একটি সিলেক্ট কমিটির কাছে পাঠানোর প্রস্তাব করেন। প্রসঙ্গত, রাজ্যে মুসলিম গোষ্ঠী, গির্জা কর্তৃপক্ষ এবং বেশ কয়েকটি ছাত্র সংগঠন দেশাত্মবোধক গানটির বিরোধিতা করছে।

  • Nitish Kumar: নীতীশ কুমারের ছেলে নিশান্ত কুমার যোগ দিলেন জেডিইউতে, এগিয়ে উপমুখ্যমন্ত্রীর দৌড়ে

    Nitish Kumar: নীতীশ কুমারের ছেলে নিশান্ত কুমার যোগ দিলেন জেডিইউতে, এগিয়ে উপমুখ্যমন্ত্রীর দৌড়ে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিহারের মুখ্যমন্ত্রী তথা জেডিইউ সভাপতি নীতীশ কুমারের ৫০ বছর বয়সী ছেলে নিশান্ত কুমার (Nitish Kumar) আজ আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দিলেন দলে। দু’দশকেরও বেশি সময় ধরে রাজ্য সরকারের নেতৃত্ব দেওয়ার পর তাঁর বাবা রাজ্যসভায় যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন, সেই সময় নিশান্ত তাঁর রাজনৈতিক যাত্রা শুরু করছেন। জেডিইউর সদস্য হওয়ার পর নিশান্ত (Nishant Kumar) দলীয় নেতাদের বলেন, “আমি একজন সক্রিয় সদস্য হিসেবে দলের দেখাশোনা করার চেষ্টা করব। আমার বাবা রাজ্যসভায় যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এটি তাঁর ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত এবং আমি তা মেনে নিচ্ছি। আমরা তাঁর নির্দেশনায় কাজ করব। আমি দল এবং জনগণের আস্থা অর্জন এবং সংগঠনকে শক্তিশালী করার চেষ্টা করব।”

    কর্মীদের ইচ্ছার প্রতিফলন (Nitish Kumar)

    পঁচাত্তর বছর বয়সী নীতীশ কুমার (Nitish Kumar) বিহারে উন্নয়নমূলক পদক্ষেপের কারণে “সুশাসনবাবু” উপাধি পেয়ছেন। তিনি ১৬ মার্চ রাজ্যসভার নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন এবং শীঘ্রই মুখ্যমন্ত্রী পদ ছেড়ে দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। শিক্ষাগত দিক থেকে একজন টেকনোলজিস্ট নিশান্ত কুমার কয়েক দশক ধরে মুখ্যমন্ত্রীর ছেলে হওয়া সত্ত্বেও আলোচনার আড়ালে ছিলেন। এটি নীতীশ কুমারের পারিবারিক রাজনীতির বিরুদ্ধে অবস্থানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল। তবে এখন তিনি ছেলেকে রাজনীতিতে যোগদানের অনুমতি দিয়েছিলেন বলে জানা গিয়েছে। জেডিইউর সিনিয়র নেতারা নিশান্তের (Nishant Kumar)  রাজনীতিতে প্রবেশকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং বলেছেন, “এটি জেডিইউ কর্মীদের ইচ্ছার প্রতিফলন।”

    লালু-সুশীল কুমারের পর নীতীশ

    নিশান্তের (Nishant Kumar) জেডিইউতে যোগদানের সিদ্ধান্ত সৃষ্টি করেছে জল্পনার। তাঁর বাবা শীর্ষ পদ ছেড়ে সংসদের উচ্চকক্ষে যাওয়ার পর বিজেপি-জেডিইউ সরকারে নিশান্তকে এবার উপ-মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মনোনীত করার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। অনেকে মনে করছেন অবশেষে বিহারে বিজেপি তাদের পদমর্যাদার একজন মুখ্যমন্ত্রী পেতে চলেছে। নিজের সিদ্ধান্তের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে নীতীশ কুমার (Nitish Kumar) বলেন, “দীর্ঘদিন ধরেই সংসদের উভয় কক্ষ এবং রাজ্য আইনসভার উভয় কক্ষের সদস্য হওয়ার ইচ্ছা পোষণ করে আসছিলাম। ইতিমধ্যেই লোকসভার সাংসদ, একজন বিধায়ক এবং একজন এমএলসিও ছিলাম। রাজ্যসভার মেয়াদ এই চার সদস্যপদকে সম্পূর্ণ করবে।” অনেকে বলছেন, এই পরিবর্তন লালু যাদব এবং প্রয়াত সুশীল মোদির বিরল রেকর্ড অর্জনে সহায়তা করবে।

    কটাক্ষ বিরোধীদের

    প্রধান বিরোধী দল আরজেডি বিহারে বিজেপির বিরুদ্ধে “রাজনৈতিক অপহরণ” চালানোর অভিযোগ করেছে। জনতা দল (ইউনাইটেড) এর মূল ভোটাররা এখন প্রতারিত হয়েছেন বলে মনে করছেন। আরজেডির রাজ্যসভার সাংসদ মনোজ কুমার ঝা বলেন, “তেজস্বী যাদব গত বছর বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারের সময় বারবার বলেছিলেন নীতীশ কুমার একজন অস্থায়ী মুখ্যমন্ত্রী হবেন। ২১ বছর ধরে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করা একজন ব্যক্তি এখন রাজ্যসভায় আসতে চান, এটা শিশুসুলভ আচরণ। আরজেডি সাংসদ নীতীশ কুমার (Nitish Kumar) এবং ভেনেজুয়েলার রাষ্ট্রপতি নিকোলাস মাদুরোর মধ্যে কোনও তফাৎ নেই, যাঁকে মার্কিন বাহিনী মাদক পাচারের অভিযোগে জানুয়ারিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ধরে নিয়ে যায়। এই ঘটনা বিহারের কারও কাছে ভালো লাগবে না। নীতীশকে দেশি মাদুরো বানিয়েছে।”

  • Hindus Under Attack: ভারত ও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে হিন্দু-হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ অব্যাহত

    Hindus Under Attack: ভারত ও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে হিন্দু-হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ অব্যাহত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত ও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ (Hindus Under Attack) চলছে অবাধে। বিশ্বের অনেক অঞ্চলে এই নির্যাতন এমন একটি পর্যায়ে গিয়ে পৌঁছেছে যে তা ধীরে ধীরে গণহত্যার মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে (Roundup Week)। কয়েক দশক ধরে বিশ্ব এই আক্রমণের প্রকৃত গভীরতা ও ব্যাপকতাকে উপেক্ষা করেছে, যার পেছনে রয়েছে উদ্বেগজনক হিন্দু-বিরোধী বিদ্বেষ। হত্যা, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, উৎসবে হামলা, মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, ঘৃণামূলক বক্তব্য, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য – সব মিলিয়ে হিন্দুরা অস্তিত্বের সংকটে। যার জেরে নজিরবিহীনভাবে চড়ছে হিন্দুদের বিরুদ্ধে ঘৃণার পারদ। ১ মার্চ থেকে ৭ মার্চ, এই সময়ে দেশ-বিদেশে কী কী ঘটনা ঘটেছে, তা একবার দেখে নেওয়া যাক, যাতে বিশ্বব্যাপী মানুষ এই মানবাধিকার সংকট সম্পর্কে সচেতন হতে পারে।

    হৃষিকেশ কীর্তন ফেস্ট (Hindus Under Attack)

    প্রথমে দেখে নেওয়া যাক এই সপ্তাহের ছবিটা। হৃষিকেশ কীর্তন ফেস্ট, ২০২৬ থেকে ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিও ব্যাপক বিতর্কের সৃষ্টি করেছে। ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, এক ভারতীয় অনুষ্ঠানের প্রবেশদ্বারে একজন বিদেশি কর্মীর সঙ্গে তর্কাতর্কি করছেন। অভিযোগ, স্থানীয় দর্শনার্থীদের প্রবেশে বাধা দিয়ে বিদেশিদের অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছিল। দেরাদুন র’ নামের একটি ইনস্টাগ্রাম পেজে ভিডিওটি শেয়ার হওয়ার পর কয়েক দিনের মধ্যে এটি ৩,৭৮,০০০-এরও বেশি ভিউ পায় এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে। মাডিকেরি তালুকের নাপোকলু গ্রামে জনৈক গৌতমকে আক্রমণ করে একদল মুসলিম যুবক। হিন্দু যুবকেরা একটি পিকআপ গাড়িতে করে বললামাভাট্টিতে অনুষ্ঠিতব্য হিন্দু সমাবেশ সম্পর্কে মাইকিং করছিলেন। অভিযোগ, কিছু ইসলামপন্থী যুবক মাইক ব্যবহারের বিরোধিতা করে এবং নাপোকলু শহরের পোনাড সুপারমার্কেটের কাছে কর্মীদের ওপর হামলা চালায়। গুরুতর জখম অবস্থায় গৌতমকে চিকিৎসার জন্য মাডিকেরির জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয় (Roundup Week)।

    সংবাদমাধ্যমগুলির প্রবণতা

    এদিকে, ভারতের প্রধান ইংরেজি সংবাদমাধ্যমগুলির এক দশকের প্রতিবেদনে একটি নির্দিষ্ট প্রবণতা দেখা গিয়েছে। ২০১৬ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে অন্তত ১২টি বড় সংবাদমাধ্যম হোলি উৎসবকে বিপদ, রোগ, পরিবেশগত ক্ষতি এবং জনশৃঙ্খলার ঝুঁকি হিসেবে তুলে ধরেছে। অন্যদিকে, এই একই পর্বে রমজানকে প্রায় একচেটিয়াভাবে পবিত্র, স্বাস্থ্যকর, শান্ত ও দান-ধ্যানের মাস হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। এই বৈপরীত্য কেবল তথ্য বা বিজ্ঞানের বিষয় নয়, এটি একটি বর্ণনাগত পক্ষপাতকে ইঙ্গিত করে (Hindus Under Attack)।

    হোলিকা দহন উপলক্ষে উত্তেজনা

    জনৈক চন্দ্রশেখরকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেইনি সম্পর্কিত একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টের কারণে ইসলামপন্থী যুবকদের একটি দল আক্রমণ করে বলে অভিযোগ। ঘটনায় কর্নাটকের কপ্পাল জেলার গঙ্গাবতী শহরে উত্তেজনা ছড়ায়। রাজকোটের ভাগবতীপাড়া এলাকায় হোলিকা দহন উপলক্ষে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, দুই মুসলিম যুবক মোটরসাইকেলে করে আগুনের কাছে বিপজ্জনকভাবে স্টান্ট করছিল। এতে উৎসবে উপস্থিত লোকজনের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিলে সংঘর্ষ শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে মোতায়েন করা হয় পুলিশ। পুথিলা পরিবার সংগঠনের কর্মীদের অভিযোগ, পুত্তুরে চলচ্চিত্র “দ্য কেরালা স্টোরি ২”-এর বিনামূল্যে প্রদর্শনী বন্ধ করার উদ্দেশ্যে বিদেশ থেকে এসেছে হুমকিমূলক ফোন। আয়োজকদের মতে, ফোনকলগুলিতে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয়, দেওয়া হয় হুমকিও (Hindus Under Attack)।

    হোলি উদযাপনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ

    গত ৪ মার্চ দেরাদুনের গান্ধী গ্রাম এলাকায় হোলি উদযাপনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, এক মুসলিম ব্যক্তি বছর পঁয়ষট্টির এক হিন্দু মহিলাকে চড়-থাপ্পড় মারেন। ঘটনাটির ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতেই উত্তেজনা ছড়ায়। দাবি ওঠে দ্রুত পুলিশি ব্যবস্থা নেওয়ার (Roundup Week)। এদিকে, বাংলাদেশে অব্যাহত হিন্দুদের ওপর আক্রমণ। ধীরে ধীরে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের দেশছাড়া করার মতো পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে অভিযোগ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল বরকতের একটি গবেষণা অনুযায়ী, ধারাবাহিক ও প্রাতিষ্ঠানিক নির্যাতনের কারণে ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে হিন্দুদের অস্তিত্ব বিলুপ্ত হয়ে যেতে পারে।

    দেশছাড়া করার কৌশল

    মন্দির ভাঙচুর, জমি দখল, মিথ্যা ধর্মনিন্দার অভিযোগে গণআক্রমণ, ধর্ষণ ও জোরপূর্বক ধর্মান্তর এবং ঘৃণামূলক বক্তব্য—এসবই হিন্দুদের আতঙ্কিত করে দেশছাড়া করার কৌশল হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে (Hindus Under Attack)। ভোলায় কীর্তন শেষে বাড়ি ফেরার পথে এক হিন্দু বোবা মহিলাকে সারারাত ধরে ধর্ষণ ও নির্যাতন করা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনায় নাম জড়ায় মোহাম্মদ রাকিব, মোহাম্মদ শাকিল ও মোহাম্মদ রাসেলের। রাত প্রায় ১১টার দিকে তিনি একটি অটোরিকশায় উঠেছিলেন। চালক রাকিব তাঁকে বাড়ি না নিয়ে গিয়ে শশীগঞ্জ গ্রামের একটি নির্জন সুপারি বাগানে নিয়ে যায়। সেখানেই তাঁকে দীর্ঘ সময় ধরে নির্যাতন করা হয় বলে অভিযোগ (Roundup Week)।

    চাঁদা আদায়কারীদের হামলা

    চট্টগ্রামে চাঁদা আদায়কারীদের হামলায় নিহত হয়েছেন আকাশ দাস। তিনি ধোপাপাড়া এলাকার বাসিন্দা বাবুল দাসের ছেলে। চট্টগ্রামের চান্দনাইশ উপজেলায় ডাকাতদের গুলিতে নিহত হন বছর সত্তরের চন্দন দে (Hindus Under Attack)। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার অরুয়াইল গ্রামে মন্দিরের জমি উদ্ধারের দাবিতে বিক্ষোভকারীদের ওপর হামলায় অন্তত ১০ জন জখম হন, যাঁদের মধ্যে এক মহিলাও ছিলেন। বস্তুত, বেশিরভাগ ঘৃণাজনিত অপরাধ হিন্দু-বিরোধী বিদ্বেষ দ্বারা প্রভাবিত, যা কিছু ধর্মীয় শিক্ষা ও রাজনৈতিক মতাদর্শের মধ্যে নিহিত। ইসলামি দেশগুলিতে এই ঘৃণা স্পষ্ট হলেও, ভারতের মতো তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রগুলির প্রতিষ্ঠান এবং জনপরিসরেও একটি সূক্ষ্ম হিন্দু-বিরোধী মনোভাব দেখা যায়।

    এই সূক্ষ্ম বৈষম্য অনেক সময় চোখ এড়িয়ে যায়, যদি না আইন ও সামাজিক প্রবণতাগুলি গভীরভাবে বিশ্লেষণ করা হয়। উদাহরণ হিসেবে দীপাবলিতে আতশবাজি নিষিদ্ধ করার ধীরে ধীরে বাড়তে থাকা প্রবণতার কথা উল্লেখ করা যায়। আপাতদৃষ্টিতে এটি পরিবেশগত সিদ্ধান্ত বলে মনে হলেও, বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে দেখা যায় যে হিন্দু উৎসবগুলির ওপর (Roundup Week) বিভিন্ন বিধিনিষেধ আরোপ করা হচ্ছে, সবসময় যার যুক্তিসঙ্গত ব্যাখ্যা মেলে না (Hindus Under Attack)।

     

  • President Murmu: “শৌচাগারে জল নেই, রাস্তায় আবর্জনা” রাষ্ট্রপতি সফর ইস্যুতে মুখ্যসচিবের কাছে রিপোর্ট তলব শাহি মন্ত্রকের

    President Murmu: “শৌচাগারে জল নেই, রাস্তায় আবর্জনা” রাষ্ট্রপতি সফর ইস্যুতে মুখ্যসচিবের কাছে রিপোর্ট তলব শাহি মন্ত্রকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিলিগুড়িতে আন্তর্জাতিক সাঁওতাল সম্মেলনে রাষ্ট্রপতির (President Murmu) তোলা অভিযোগের প্রেক্ষিতে রাজ্যের মুখ্যসচিবের কাছে বিস্তারিত রিপোর্ট তলব করল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Minister of Home Affairs) অমিত শাহের মন্ত্রক। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর পশ্চিমবঙ্গ সফর নিয়ে দোষারোপের খেলা চলাকালীন, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র সচিব গোবিন্দ মোহন রাষ্ট্রপতির অনুষ্ঠানের সময় কথিত ত্রুটির বিষয়ে রাজ্যের মুখ্য সচিব নন্দিনী চক্রবর্তীর কাছ থেকে রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছেন। উল্লেখ্য, রাষ্ট্রপতির অপমানের কারণে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরও কড়া সমালোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    কেন মুখ্যমন্ত্রী উপস্থিত ছিলেন না (President Murmu)?

    রাষ্ট্রপতির (President Murmu) রাজ্য সফর নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস সরকার এবং কেন্দ্রের ক্ষমতাসীন বিজেপির মধ্যে প্রশ্ন-পাল্টা প্রশ্নে ব্যাপক সরগরম রাজ্য-রাজনীতি। বিজেপির অভিযোগ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন রাজ্য সরকার রাষ্ট্রপতিকে অসম্মান করেছে। অন্যদিকে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগ, বাংলার প্রধান বিরোধী দল বিজেপি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে দেশের সর্বোচ্চ পদের অপব্যবহার করছে। রাষ্ট্রপতি মুর্মু বাংলায় তাঁর যোগদানের অনুষ্ঠানের আয়োজন নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন। তিনি বিস্ময় প্রকাশ করেছিলেন এই বলে যে মুখ্যমন্ত্রী কেন তাঁর সফরের সময় তাঁর সঙ্গে দেখা করেননি। এই ইস্যুতে স্বরাষ্ট্র সচিব (Minister of Home Affairs) চারটি বিষয়ে জানতে চেয়েছে। এগুলি হল, ১) রাষ্ট্রপতিকে অভ্যর্থনা জানাতে এবং বিদায় জানাতে কেন মুখ্যমন্ত্রী, মুখ্য সচিব এবং পুলিশের ডিজিপি উপস্থিত ছিলেন না? ২) রাষ্ট্রপতির জন্য তৈরি শৌচাগারে জল ছিল না। ৩) প্রশাসন যে পথ বেছে নিয়েছিল, তা আবর্জনায় ভরা। ৪) দার্জিলিং জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, শিলিগুড়ির পুলিশ কমিশনার এবং অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট দায়ী। তাঁদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে? কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র সচিব বিকেল ৫টার মধ্যে জবাব দিতে বলেছেন।

    জরুরি সরকারি কাজ ছিল

    কেন তিনি রাষ্ট্রপতির (President Murmu) অনুষ্ঠানে সশরীরে উপস্থিত থাকতে পারেননি, তার ব্যাখ্যায় মমতা বলেন, “আমার আগে থেকে নির্ধারিত কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক বৈঠক এবং জরুরি সরকারি কাজ ছিল। আমি ব্যক্তিগতভাবে রাষ্ট্রপতিকে অত্যন্ত শ্রদ্ধা করি। আমাদের মধ্যে কোনও ব্যক্তিগত বিরোধ নেই, যা বিজেপি রঙ চড়িয়ে প্রচার করছে। কেন ছোটখাটো প্রশাসনিক ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে নজিরবিহীন রাজনীতি করা হচ্ছে?”

    মমতা আরও বলেন, “বিজেপি বাংলা-বিরোধী। তারা বাংলার ভাবমূর্তি নষ্ট করতে চাইছে। তারা আদিবাসী আবেগকে হাতিয়ার করে আমাদের সরকারকে আক্রমণ করছে, কিন্তু বাংলার মানুষ জানে আমরা আদিবাসী ভাই-বোনদের উন্নয়নের জন্য কতটা কাজ করেছি।”

    আমি জানি না তিনি বিরক্ত কিনা

    প্রথা অনুযায়ী, যখন কোথাও রাষ্ট্রপতি (President Murmu) যান, তখন সেখানকার মুখ্যমন্ত্রী এবং অন্যান্য মন্ত্রীরা উপস্থিত থাকেন। কিন্তু তিনি আসেননি। রাজ্যপাল পদত্যাগ করেছেন, তাই তিনিও আসতে পারেননি। রাষ্ট্রপতি বলেন, “আজকের অনুষ্ঠান এমন জায়গায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে যেখানে মানুষের আসা কঠিন। সম্ভবত রাজ্য সরকার আদিবাসীদের কল্যাণ চায় না, এবং সেই কারণেই তাদের এখানে আসতে বাধা দেওয়া হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমার ছোট বোনের মতো। আমিও বাংলার মেয়ে… আমি জানি না তিনি বিরক্ত কিনা, এবং সেই কারণেই স্থানটি স্থানান্তরিত করা হয়েছে। যাই হোক, তাতে কিছু যায় আসে না। আপনারা সবাই ভালো থাকুন।” এই ঘটনার পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে মমতার বিরুদ্ধে নিন্দার ঝড় শুরু হয়েছে।

  • 130 Maoists Surrender: তেলঙ্গানায় ১৩০ মাওবাদীর আত্মসমর্পণ, ১২৪টি অস্ত্র উদ্ধার, ৪.১৮ কোটি টাকার পুনর্বাসন প্যাকেজ ঘোষণা

    130 Maoists Surrender: তেলঙ্গানায় ১৩০ মাওবাদীর আত্মসমর্পণ, ১২৪টি অস্ত্র উদ্ধার, ৪.১৮ কোটি টাকার পুনর্বাসন প্যাকেজ ঘোষণা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তেলঙ্গনা (Telangana) রাজ্যে নকশাল বামপন্থী চরমপন্থার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে মিলল বড়সড় সাফল্য। রাজ্যের বিভিন্ন জেলা থেকে মোট ১৩০ জন মাওবাদী ক্যাডার (130 Maoists Surrender) পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেছে। আত্মসমর্পণের সময় তারা ১২৪টি বিভিন্ন ধরণের আগ্নেয়াস্ত্র পুলিশের কাছে জমা দিয়েছে। রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে এই মাওবাদীদের সমাজের মূলস্রোতে ফিরিয়ে আনতে ৪.১৮ কোটি টাকার একটি পুনর্বাসন প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়েছে।

    ঐতিহাসিক আত্মসমর্পণ (130 Maoists Surrender)

    পুলিশ প্রশাসনের (Telangana) পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এটি রাজ্যে মাওবাদী (130 Maoists Surrender) দমনে গত কয়েক দশকের মধ্যে অন্যতম বড় সাফল্য। আত্মসমর্পণকারী ১৩০ জনের মধ্যে বেশ কয়েকজন উচ্চপদস্থ মাওবাদী নেতা এবং এরিয়া কমিটির সদস্যও রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে মাওবাদী আদর্শে বিশ্বাসী এই ব্যক্তিরা শেষ পর্যন্ত হিংসার পথ ত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

    বিপুল অস্ত্র উদ্ধার

    আত্মসমর্পণের সময় মাওবাদীরা ১২৪টি আগ্নেয়াস্ত্র জমা দিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে একে-৪৭ (AK-47), ইনসাস রাইফেল (INSAS), এসএলআর (SLR) এবং প্রচুর পরিমাণে দেশি বন্দুক ও গোলাবারুদ। পুলিশ আধিকারিকদের মতে, এত বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধার হওয়ায় মাওবাদীদের সাংগঠনিক শক্তি অনেকটাই দুর্বল হয়ে পড়ল।

    পুনর্বাসন ও আর্থিক সহায়তা

    তেলঙ্গনা (Telangana) সরকার আত্মসমর্পণকারী (130 Maoists Surrender) এই ব্যক্তিদের জন্য মোট ৪ কোটি ১৮ লক্ষ টাকার পুনর্বাসন প্যাকেজ মঞ্জুর করেছে। এই তহবিলের মাধ্যমে যা যা দেওয়া হবে, সেগুলি হল–

    • প্রতিটি আত্মসমর্পণকারী পরিবারকে ঘর তৈরির জন্য জমি বা আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে।
    • তাঁদের সন্তানদের শিক্ষার ব্যবস্থা করা হবে।
    • স্বনির্ভর হওয়ার জন্য বিভিন্ন বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণের সুযোগ দেওয়া হবে।
    • তাৎক্ষণিক প্রয়োজন মেটানোর জন্য নগদ অর্থ দেওয়া হয়েছে।

    পুলিশের বক্তব্য

    রাজ্য (Telangana) পুলিশের ডিজিপি (DGP) বলেন, “সরকারের উদার পুনর্বাসন নীতি এবং পুলিশের ক্রমাগত চাপের কারণেই এই বিশাল সংখ্যক মাওবাদী আত্মসমর্পণ করেছে। আমরা বাকি মাওবাদীদের (130 Maoists Surrender) কাছেও আহ্বান জানাচ্ছি যেন তারা হিংসার পথ ছেড়ে অস্ত্র ত্যাগ করে এবং উন্নয়নের ধারায় শামিল হয়।”

    সরকারের ‘সেফ প্যাসেজ’

    গত কয়েক বছর ধরে ছত্তিশগড় এবং তেলঙ্গনা (Telangana) সীমান্তে নিরাপত্তা বাহিনীর কড়া নজরদারি ও অভিযানের ফলে মাওবাদীরা কোণঠাসা হয়ে পড়েছিল। খাদ্যাভাব, চিকিৎসার অভাব এবং সংগঠনের ভেতরে অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণে নিচুতলার কর্মীরা বীতশ্রদ্ধ হয়ে পড়েছিলেন। সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া এই ‘সেফ প্যাসেজ’ বা নিরাপদ প্রস্থানের সুযোগ তারা গ্রহণ করেছে। এই গণ-আত্মসমর্পণকে তেলঙ্গনা  থেকে মাওবাদী (130 Maoists Surrender) সমস্যা নির্মূল করার পথে একটি চূড়ান্ত পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এর ফলে ওই অঞ্চলের আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকাগুলিতে শান্তি ও উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে বলে আশা ওয়াকিবহাল মহলের।

  • Droupadi Murmu: আন্তর্জাতিক নারী দিবসে দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা রাষ্ট্রপতির

    Droupadi Murmu: আন্তর্জাতিক নারী দিবসে দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা রাষ্ট্রপতির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানালেন ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (Droupadi Murmu)। তিনি বলেন, “শিক্ষিত ও ক্ষমতায়িত নারীরাই একটি প্রগতিশীল জাতির প্রধান স্তম্ভ।” এক্স হ্যান্ডেলে করা এক পোস্টে তিনি বলেন, “নারীরা যখন বিভিন্ন ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জন করছে এবং সাহসিকতার সঙ্গে নেতৃত্ব দিচ্ছে, তখন তারা একটি আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সমৃদ্ধ সমাজের ভিত্তিকে আরও শক্তিশালী করছে (International Womens Day)।”

    নারী দিবসের শুভেচ্ছা (Droupadi Murmu)

    রাষ্ট্রপতি বলেন, “আন্তর্জাতিক নারী দিবসে সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা। শিক্ষিত ও ক্ষমতায়িত নারীরা একটি প্রগতিশীল জাতির স্তম্ভ। নারী শক্তি যখন বিভিন্ন ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জন করছে এবং সাহসের সঙ্গে নেতৃত্ব দিচ্ছে, তখন তা একটি আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সমৃদ্ধ সমাজের ভিত্তিকে শক্তিশালী করে।” তিনি আরও বলেন, “এমন একটি সমাজ গড়ে তোলার জন্য আমাদের সম্মিলিত অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা দরকার, যেখানে প্রত্যেক নারী সমান সুযোগ পাবে এবং স্বাধীনতা, নিরাপত্তা ও মর্যাদার সঙ্গে জীবনযাপন করতে পারবে।” রাষ্ট্রপতি বলেন, “এই উপলক্ষে আসুন আমরা আবারও আমাদের সম্মিলিত অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করি, একটি এমন সমাজ গড়ে তুলতে, যেখানে প্রত্যেক নারী উন্নতি করার সমান সুযোগ পাবে এবং মর্যাদা, নিরাপত্তা ও স্বাধীনতার সঙ্গে বেঁচে থাকবে। আসুন আমরা একসঙ্গে এমন একটি পরিবেশ তৈরি করি, যেখানে নারীদের স্বপ্ন ও সাফল্য একটি আরও ন্যায়সঙ্গত ভবিষ্যৎ গড়ে তোলে (Droupadi Murmu)।”

    জাতীয় মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সনের বক্তব্য

    এদিকে জাতীয় মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন বিজয়া রাহাতকরও আন্তর্জাতিক নারী দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন দেশবাসীকে। প্রশংসা করেছেন কর্তব্যপথে আয়োজিত ‘শক্তি ওয়াক’ উদ্যোগেরও। সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “এই উদ্যোগ নারীদের জন্য প্রণীত বিভিন্ন নীতি সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করবে।” এর পাশাপাশি তিনি স্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে মহিলাদের কল্যাণে সরকারের নেওয়া নানা উদ্যোগেরও প্রশংসা করেন (Droupadi Murmu)। চেয়ারপার্সন বলেন, “আজ আন্তর্জাতিক নারী দিবস। এই উপলক্ষে সবাইকে আমার শুভেচ্ছা। আজ ভারতের নারী ও শিশু উন্নয়নমন্ত্রক অত্যন্ত সুন্দরভাবে কার্তব্যপথে একটি পদযাত্রার আয়োজন করেছে। এর মাধ্যমে নারীদের জন্য নেওয়া বিভিন্ন নীতি সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি হবে। নারীদের জন্য উন্নত তহবিল গঠন করা হচ্ছে, তাদের স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়া হচ্ছে এবং শিক্ষাক্ষেত্রেও তারা আজ খুব ভালো জায়গায় রয়েছে। নারীরা এই সুযোগগুলি কাজে লাগিয়ে দেশের উন্নয়নে এগিয়ে আসবে (International Womens Day)।”

    ‘শক্তি ওয়াক’

    প্রসঙ্গত, ভারতের নারী ও শিশুকল্যাণ মন্ত্রক আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপনের অংশ হিসেবে এদিন নয়াদিল্লির কর্তব্যপথে “শক্তি ওয়াক#শিলিডসভারত” নামে একটি নারী-নেতৃত্বাধীন পদযাত্রার আয়োজন করে (Droupadi Murmu)। এই উদ্যোগের উদ্দেশ্য হল একটি প্রগতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ভারত গঠনে মহিলাদের মুখ্য ভূমিকার কথা তুলে ধরা। ‘শক্তি ওয়াকে’র লক্ষ্য হল বিভিন্ন ক্ষেত্রে নারীদের নেতৃত্ব ও অবদান উদযাপন করা, নারীদের নিরাপত্তা ও ক্ষমতায়নে সরকারের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করা, নারীদের জন্য চালু বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সরকারি প্রকল্পের কথা তুলে ধরা, বিভিন্ন পটভূমি থেকে উঠে আসা নারীদের মধ্যে ঐক্য ও গর্বের অনুভূতি তৈরি করা এবং নারী-নেতৃত্বাধীন উন্নয়ন যে জাতীয় অগ্রগতির কেন্দ্রবিন্দু, সেই বার্তা প্রচার করা (International Womens Day)। ফি বছর ৮ মার্চ বিশ্বব্যাপী আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত হয়। এই দিনটি সমাজের সব ক্ষেত্রেই নারীদের সাফল্য, নেতৃত্ব এবং অবদানকে উদযাপন করে এবং লিঙ্গসমতা, নিরাপত্তা, মর্যাদা ও নারীর ক্ষমতায়নের প্রতি বৈশ্বিক অঙ্গীকারকে ফের সুদৃঢ় করে (Droupadi Murmu)।

     

LinkedIn
Share