Tag: Bengali news

Bengali news

  • Asset Monetization Plan: সরকারি সম্পদ নগদীকরণ কর্মসূচির দ্বিতীয় পর্যায়ের নকশা প্রকাশ নির্মলা সীতারামনের

    Asset Monetization Plan: সরকারি সম্পদ নগদীকরণ কর্মসূচির দ্বিতীয় পর্যায়ের নকশা প্রকাশ নির্মলা সীতারামনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের সরকারি সম্পদ নগদীকরণ (Public Asset Monetisation) কর্মসূচির দ্বিতীয় পর্যায়ের (Centre) নকশা প্রকাশ করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। এই পর্যায়ে ২০৩০ অর্থবর্ষের মধ্যে ১০.৮২ লাখ কোটি টাকা সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া বেসরকারি খাতের ব্যবস্থাপনায় দেওয়া সম্পদের পূর্ণ কনসেশন মেয়াদে অতিরিক্ত ৫.৯ লাখ কোটি টাকা সংগ্রহের পরিকল্পনা রয়েছে। নীতি আয়োগ প্রস্তুত করা এই পরিকল্পনা প্রথম পর্যায়ের অর্থবর্ষ ২০২২–২৫-এর  তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বড় আকারের, যেখানে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৬ লাখ কোটি টাকা।

    সুব্রহ্মণ্যমের বক্তব্য (Asset Monetization Plan)

    নীতি আয়োগের প্রধান এক্সিকিউটিভ বিভি আর সুব্রহ্মণ্যম জানান, আগের লক্ষ্যের ৮৯ শতাংশ অর্জিত হয়েছে এবং মূলত সড়কপথ, কয়লা, খনি, পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস খাত থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে ৫.৩ লাখ কোটি টাকা। মোট ১৬.৭২ লাখ কোটি টাকার নগদীকরণ (Asset Monetization Plan) লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে হস্তান্তরিত সম্পদের নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বেসরকারি খাতের ৫.৮ লাখ কোটি টাকার বিনিয়োগও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকার এই কর্মসূচি থেকে বছরে প্রায় ৮০,০০০–৯০,০০০ কোটি টাকা আয়ের আশা করছে। শুধু ২০২৫–২৬ অর্থবর্ষেই ২.৪৯ লাখ কোটি টাকা সংগ্রহের লক্ষ্য রাখা হয়েছে (Centre)।

    সম্পদের আইনি মালিকানা বিক্রি করা হচ্ছে না

    গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, এই কর্মসূচির মাধ্যমে সম্পদের আইনি মালিকানা বিক্রি করা হচ্ছে না। নির্দিষ্ট কনসেশন সময়ের জন্য—সাধারণত ১৫ থেকে ৩৫ বছর—সম্পদ বেসরকারি খাতের কাছে হস্তান্তর করা হবে। মেয়াদ শেষে সম্পদ আবার সরকারের মালিকানায় ফিরে আসবে। সুব্রহ্মণ্যম বলেন, “সম্পদ আপনারই থাকে, এটাই সবচেয়ে বড় সুবিধা।” তিনি একে বিনিয়োজন (Disinvestment) থেকে আলাদা বলে ব্যাখ্যা করেন (Asset Monetization Plan)। এই পরিকল্পনা ১২টি খাত জুড়ে বিস্তৃত—যেমন সড়কপথ, রেলপথ, বিদ্যুৎ, বন্দর, বেসামরিক বিমান পরিবহন, টেলিযোগাযোগ, কয়লা, খনি, গুদামজাতকরণ এবং নগর পরিকাঠামো। মোট লক্ষ্যমাত্রার এক-চতুর্থাংশেরও বেশি আসবে সড়কপথ, মাল্টিমোডাল লজিস্টিকস পার্ক এবং রোপওয়ে খাত থেকে। রেল, বিদ্যুৎ ও বন্দর-এই খাতগুলির (Asset Monetization Plan) অবদান হবে ১৬–১৭ শতাংশ করে (Centre)।

     

  • C Rajagopalachari: রাষ্ট্রপতি ভবনে বসল রাজাগোপালাচারীর আবক্ষ মূর্তি, কেন তাৎপর্যপূর্ণ?

    C Rajagopalachari: রাষ্ট্রপতি ভবনে বসল রাজাগোপালাচারীর আবক্ষ মূর্তি, কেন তাৎপর্যপূর্ণ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের সাংবিধানিক ও রাজনৈতিক ইতিহাসকে সম্মান জানিয়ে সি রাজাগোপালাচারীর (C Rajagopalachari) আবক্ষ মূর্তি স্থাপন করা হল রাষ্ট্রপতি ভবনে। দেশবাসীর কাছে তিনি পরিচিত ছিলেন রাজাজি নামে। রাষ্ট্রপতি ভবনে তাঁর মূর্তি বসানোটা এক রাষ্ট্রনায়কের স্বীকৃতির প্রতীক, যিনি স্বাধীনতা সংগ্রামী, প্রশাসক, দার্শনিক ও রাজনৈতিক সংস্কারক হিসেবে নানা ভূমিকায় দেশসেবা করেছেন।

    একমাত্র ভারতীয় গভর্নর-জেনারেল (C Rajagopalachari)

    স্বাধীনতার পরে একমাত্র ভারতীয় হিসেবে গভর্নর-জেনারেল পদে অধিষ্ঠিত হওয়ায় রাজাগোপালাচারী ভারতীয় ইতিহাসে এক অনন্য ব্যক্তিত্ব। তাঁর দায়িত্বকাল ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসন থেকে পূর্ণ সার্বভৌম প্রজাতন্ত্রে ভারতের উত্তরণের শেষ পর্যায়কে চিহ্নিত করে। রাষ্ট্রপতি ভবনে তাঁর আবক্ষ মূর্তি স্থাপন শাসনব্যবস্থা ও জনজীবনে তাঁর অবদানের স্থায়ী প্রাসঙ্গিকতাকেই তুলে ধরে (Rashtrapati Bhavan)। ১৮৭৮ সালের ১০ ডিসেম্বর বর্তমান তামিলনাড়ুর কৃষ্ণগিরি জেলায় জন্মগ্রহণ করেন রাজাগোপালাচারী। সাধারণ পরিবারে জন্ম হলেও শিক্ষা ও মেধার জোরে তিনি দ্রুত উত্থান ঘটান। আইনজীবী হিসেবে প্রশিক্ষিত রাজাজি তীক্ষ্ণ আইনি যুক্তি ও নৈতিক দৃঢ়তার জন্য খ্যাতি অর্জন করেন। মহাত্মা গান্ধীর প্রভাবেই তাঁর রাজনৈতিক যাত্রা শুরু হয়। অহিংসা ও জাতীয় স্বনির্ভরতার ক্ষেত্রে গান্ধীর আদর্শ তাঁর চিন্তাধারাকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে। ক্রমে তিনি স্বাধীনতা আন্দোলনে গান্ধীর অন্যতম ঘনিষ্ঠ সহচর ও বিশ্বস্ত সহযোগী হয়ে ওঠেন।

    কৃতী লেখক ও চিন্তাবিদ

    রাজনীতি ছাড়াও রাজাগোপালাচারী ছিলেন একজন কৃতী লেখক ও চিন্তাবিদ। ভারতীয় দর্শন ও সাহিত্য ঐতিহ্যে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে (Rashtrapati Bhavan)। ভারতের সাংবিধানিক ইতিহাসে তিনি একমাত্র ভারতীয়, যিনি গভর্নর-জেনারেল পদে অধিষ্ঠিত হন। ১৯৪৭ সালে স্বাধীনতার পর প্রথমে এই পদে ছিলেন মাউন্টব্যাটেন। ১৯৪৮ সালে মাউন্টব্যাটেন পদত্যাগ করলে রাজাগোপালাচারী তাঁর স্থলাভিষিক্ত হন এবং প্রথম ও একমাত্র ভারতীয় হিসেবে এই পদে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৪৮ থেকে ১৯৫০ সাল পর্যন্ত তিনি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক রূপান্তর তত্ত্বাবধান করেন (C Rajagopalachari)। ১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারি ভারত আনুষ্ঠানিকভাবে প্রজাতন্ত্রে পরিণত হলে সংবিধান কার্যকর হয় এবং গভর্নর-জেনারেলের পদ বিলুপ্ত হয়ে প্রতিষ্ঠিত হয় রাষ্ট্রপতির পদ। এর ফলে ঔপনিবেশিক শাসনকাঠামোর অবসান ঘটে।

    প্রশাসনিক সংস্কার

    গভর্নর-জেনারেল পদ ছাড়াও তাঁর প্রশাসনিক জীবন ছিল বিস্তৃত। ১৯৩৭ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনের পর তিনি ব্রিটিশ শাসনাধীন মাদ্রাজ প্রেসিডেন্সির প্রিমিয়ার (বর্তমান মুখ্যমন্ত্রীর সমতুল্য) হন। তাঁর সময়ে প্রশাসনিক সংস্কার ও শিক্ষা উদ্যোগের ক্ষেত্রে ব্যাপক গুরুত্ব দেওয়া হয় (Rashtrapati Bhavan)। স্বাধীনতার পর ১৯৫২ সালের প্রথম সাধারণ নির্বাচনে তিনি সংসদে প্রবেশ করেন এবং পরে মাদ্রাজ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর শাসনশৈলী ছিল আর্থিক শৃঙ্খলা, কঠোর প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ এবং শিক্ষা ও গ্রামীণ উন্নয়নে জোর দেওয়ার জন্য পরিচিত (C Rajagopalachari)। জাতীয় আন্দোলনের শীর্ষ নেতা হয়েও পরবর্তীকালে প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর সঙ্গে তাঁর মতপার্থক্য দেখা দেয়। কংগ্রেস নেতৃত্বের প্রচারিত অতিরিক্ত রাষ্ট্রনিয়ন্ত্রণ ও সমাজতান্ত্রিক অর্থনীতির নীতির তিনি সমালোচক ছিলেন। তিনি মুক্ত বাজারনীতি, বিকেন্দ্রীকরণ ও ব্যক্তিস্বাধীনতার পক্ষে সওয়াল করেন।

    কংগ্রেস পার্টি ত্যাগ

    এই আদর্শগত মতভেদের ফলেই তিনি কংগ্রেস পার্টি ত্যাগ করেন। ১৯৫৯ সালে তিনি স্বতন্ত্র পার্টি (Swatantra Party) প্রতিষ্ঠা করেন, যা স্বাধীনোত্তর ভারতের প্রাথমিক সংগঠিত বিরোধী দলগুলির একটি হয়ে ওঠে। সমাজতান্ত্রিক নীতির প্রাধান্যের সময়ে দলটি বাজারমুখী অর্থনীতি ও সীমিত সরকারি হস্তক্ষেপের পক্ষে অবস্থান নেয়। যদিও পরবর্তী কালে স্বতন্ত্র পার্টির প্রভাব (Rashtrapati Bhavan) কমে যায়, তবুও গণতান্ত্রিক বিতর্ক ও শক্তিশালী বিরোধী রাজনীতির বিকাশে দলটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে (C Rajagopalachari)। রাজাগোপালাচারীর উত্তরাধিকার তাঁর পদগুলির সীমা ছাড়িয়ে বিস্তৃত। তিনি নীতিবান রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে স্মরণীয়, যিনি বুদ্ধিবৃত্তিক গভীরতা ও রাজনৈতিক বাস্তববোধকে একত্রিত করেছিলেন। ইতিহাসবিদরা তাঁকে প্রায়ই সেই প্রজন্মের শেষ প্রতিনিধিদের একজন হিসেবে বর্ণনা করেন, যাঁরা ভারতকে ঔপনিবেশিক শাসন থেকে স্বশাসনের পথে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।

    ওয়াকিবহাল মহলের মতে, রাষ্ট্রপতি ভবনে তাঁর আবক্ষ মূর্তির উন্মোচন কেবল তাঁর কৃতিত্বের প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য নয়, বরং আধুনিক ভারত গঠনে ভূমিকা রাখা বহুমাত্রিক আদর্শিক ঐতিহ্যেরও স্মারক। স্বাধীনতার সাত দশকেরও বেশি সময় পরেও (Rashtrapati Bhavan) রাজাগোপালাচারী সাংবিধানিক শাসন, নীতিনিষ্ঠ রাজনীতি (C Rajagopalachari) ও বৌদ্ধিক নেতৃত্বের প্রতীক হয়ে রয়েছেন।

     

  • Supreme Court: এবার নথি যাচাই করতে ওড়িশা-ঝাড়খণ্ডের জুডিশিয়াল অফিসারদের নিয়োগের নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    Supreme Court: এবার নথি যাচাই করতে ওড়িশা-ঝাড়খণ্ডের জুডিশিয়াল অফিসারদের নিয়োগের নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধনের (SIR) চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করতে হবে। সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) বিশেষ দিনক্ষণ বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছে। সেই সঙ্গে নথি যাচাই এবং সমাধানের জন্য ভিন রাজ্যের জুডিশিয়াল অফিসার নিয়োগ করতে হবে। মঙ্গলবার এই নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি যে ভিপুল পাঞ্চোলির বেঞ্চ।

    ২৫০ জন জেলা জজ এবং অতিরিক্ত জেলা জজ  নিযুক্ত (Supreme Court)

    প্রধান বিচারপতি (Supreme Court) এদিন নির্দেশ দেওয়ার সময় বলেন, “আমরা কলকাতা হাইকোর্ট থেকে একটি স্ট্যাটাস রিপোর্ট পেয়েছি। একজন অফিসার যদি ৫০টি অভিযোগ খতিয়ে দেখেন, তাহলে মোট যত অফিসার নিয়োগ হচ্ছে, সেই অনুযায়ী পুরো প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হতে ৮০ দিন সময় লাগবে। একই ভাবে সিভিল জজ যাদের তিন বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁদের ব্যবহার করা উচিত।” তবে কাদের ব্যবহার করা হবে তা ঠিক করবে কলকাতা হাইকোর্ট। মোট ৮০ লক্ষ অভিযোগ খতিয়ে দেখা হবে। ২৫০ জন জেলা জজ এবং অ্যাডিশনাল জেলা জজ পদমর্যাদা বিচারপতি নিয়োগ করা হয়েছে। চূড়ান্ত তালিকা (SIR) প্রকাশ হবে ২৮ ফেব্রুয়ারি আর অতিরিক্ত তালিকা প্রকাশিত হবে নিয়মিত।

    চিন্তার বিষয় প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা

    সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) আরও স্পষ্ট করে জানিয়েছে, যাঁরা কাজ করবেন, তাঁদের সুবিধার জন্য এসআইআর-এর (SIR) নিয়ম-নীতি সম্পর্কে স্বচ্ছতার সঙ্গে অবগত করতে হবে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, আধার কার্ড এবং অ্যাডমিট কার্ড গ্রহণযোগ্য নথি হিসেবে মান্যতা পাবেন। ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ‘কাট অফ ডেট’ অনুযায়ী তথ্যের নথি গৃহীত হবে। দায়িত্বে থাকা জুডিশিয়াল অফিসারকে তথ্য এবং ডকুমেন্টসের গ্রহণযোগ্যতা সম্পর্কে বোঝানোর দায়িত্ব থাকবে এআরও এবং এইআরও। বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বলেছেন, “কোন ভোটাররা নাম তালিকা ভুক্ত করতে এগিয়ে এলেন, তা আমাদের চিন্তার বিষয় নয়। আমাদের চিন্তার বিষয় প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা।” প্রধান বিচারপতির এই নির্দেশের পর যদিও রাজ্যের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “ভিন রাজ্যের বিচারকরা বাংলা ভাষা বুঝবেন না।” তখন প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত বলেন, ওড়িশা এবং ঝাড়খণ্ডের মানুষ ভাষা বোঝেন। একসময় পুরো এলাকায় বাংলার ছিল।

  • Youth Congress: এআই সম্মেলনে শার্টবিহীন বিক্ষোভ, গ্রেফতার যুব কংগ্রেসের জাতীয় সভাপতি

    Youth Congress: এআই সম্মেলনে শার্টবিহীন বিক্ষোভ, গ্রেফতার যুব কংগ্রেসের জাতীয় সভাপতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যুব কংগ্রেসের (Youth Congress) জাতীয় সভাপতি উদয় ভানু চিবকে গ্রেফতার করল দিল্লি পুলিশ। মঙ্গলবার ভোরে ধরা হয় তাঁকে। উল্লেখ্য, সম্প্রতি অনুষ্ঠিত এআই ইমপ্যাক্ট সামিটে (AI Summit) প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে স্লোগান দেওয়া এবং শার্টবিহীন বিক্ষোভের ঘটনায় এটি অষ্টম গ্রেফতার।

    কাকভোরে গ্রেফতার কংগ্রেস নেতা (Youth Congress) 

    সূত্রের খবর, প্রায় ২০ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর যুব কংগ্রেস প্রধানকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশের অভিযোগ, তিনি তদন্তে সহযোগিতা করছিলেন না। তাঁর বিরুদ্ধে ফৌজদারি ষড়যন্ত্র, কর্তব্যরত সরকারি কর্মীকে স্বেচ্ছায় আঘাত করা, সরকারি কাজে বাধা দেওয়া এবং ইচ্ছাকৃত অবাধ্যতার অভিযোগ আনা হয়েছে। কংগ্রেস সাংসদ শশীকান্ত সেন্টিলের দাবি, ভোর সাড়ে ৪টা নাগাদ দিল্লি পুলিশ উদয় ভানুকে তুলে নিয়ে যায় এবং প্রায় ২০ ঘণ্টা হেফাজতে রাখে। সূত্রের খবর, উদয় ওই পরিকল্পনায় যুক্ত ছিলেন, এমন প্রমাণ মিলেছে। দীর্ঘ সময় ধরে জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন রয়েছে। তাই তাঁকে হেফাজতে নিয়ে জেরা করা দরকার বলে পুলিশ সূত্রের খবর। তাছাড়া পুলিশ একে সাধারণ বিক্ষোভ হিসেবে দেখছে না, বরং এআই ইমপ্যাক্ট সামিটে ((AI Summit)) বিশ্বনেতাদের (Youth Congress) সামনে ইচ্ছাকৃতভাবে ভারতের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার চেষ্টা হয়েছে কি না, সেই দিকটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    দিল্লি পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চে হস্তান্তর

    এই মামলাটি দিল্লি পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চে হস্তান্তর করা হয়েছে। ক্রাইম ব্রাঞ্চের ইন্টার-স্টেট সেল (ISC) পরবর্তী তদন্ত করবে। ইতিমধ্যেই গ্রেফতার হওয়া সাতজনেরই যুব কংগ্রেসের সঙ্গে যোগ রয়েছে। উদয় ভানুকে তাঁদের (AI Summit) সবার মুখোমুখি করা হবে বলে সূত্রের খবর। সূত্রের বক্তব্য, অন্য অভিযুক্তদের সঙ্গে মুখোমুখি জেরা না করা পর্যন্ত পরিকল্পনা কোথায়, কখন এবং কীভাবে হয়েছে, তা স্পষ্ট হবে না। দিল্লি পুলিশ সকাল ১০টায় পাটিয়ালা হাউস কোর্টে উদয় ভানুকে হাজির করে এবং তাঁকে মূলচক্রী আখ্যা দিয়ে সাত দিনের পুলিশি হেফাজত চায়। পুলিশ আদালতে জানায়, দেশের বিভিন্ন প্রান্তের লোকজন এতে জড়িত এবং তদন্তের জন্য অভিযুক্তকে একাধিক জায়গায় নিয়ে যেতে হবে (Youth Congress)।

    এআই সামিট

    পুলিশ আরও জানায়, এআই সামিটে বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন এবং বিভিন্ন রাজ্য থেকে বিক্ষোভকারীরা জড়ো হয়েছিল (AI Summit)। অন্যদিকে, উদয় ভানুর আইনজীবীর দাবি, তিনি ইন্ডিয়ান যুব কংগ্রেসের জাতীয় সভাপতি হলেও বিক্ষোভস্থলে উপস্থিত ছিলেন না এবং বিক্ষোভ সংক্রান্ত কোনও নির্দেশও দেননি। আইনজীবী আদালতে বলেন, “তিনি কারও সঙ্গে যোগাযোগ করেননি, কোনও নির্দেশও দেননি।” তাঁর বক্তব্য, আন্তর্জাতিক অনুষ্ঠানে বিক্ষোভ হওয়া অস্বাভাবিক নয়। ওই আইনজীবী বলেন, “ভারত একটি গণতান্ত্রিক দেশ। এখানে প্রতিবাদ করার অধিকার রয়েছে, এটা বিশ্ববাসীও স্বীকার করে (Youth Congress)।” এর আগে দিল্লি পুলিশ বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের আশঙ্কা প্রকাশ করে জানায়, নেপালের ‘জেন জি’ আন্দোলন থেকে অনুপ্রেরণা নেওয়া হয়েছে—যে আন্দোলন সম্প্রতি সেখানকার সরকার পতনে ভূমিকা রেখেছে (AI Summit)।

    বড় ষড়যন্ত্র

    পুলিশ আদালতে জানায়, “এটি একটি বড় ষড়যন্ত্র। অভিযুক্তদের একে অপরের মুখোমুখি এবং ডিজিটাল প্রমাণের সঙ্গে মিলিয়ে জেরা করা জরুরি। এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তদন্ত।” দিল্লি পুলিশের বিশেষ নজরে আসে সামিটে পরা টি-শার্টগুলির মুদ্রণ খরচ কে বহন করেছে। টি-শার্টে লেখা ছিল—“পিএম ইজ কম্প্রোমাইজড”, “ইন্ডিয়া ইউএস ট্রেড ডিল”, এবং “এপস্টেইন ফাইলস”। যুব কংগ্রেস প্রধানের গ্রেফতারের পর কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিং রাহুল গান্ধীকে ‘মানসিকভাবে অস্থির’ বলে কটাক্ষ করেন। বলেন, “লোকসভায় বিরোধী দলনেতা হয়তো এবার অন্তর্বাস পরেই সংসদে আসবেন (Youth Congress)।” গ্রেফতারি নিয়ে কংগ্রেস নেতা পবন খেরা বলেন, “শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ করায় যদি সমস্যা হয়, তা লজ্জাজনক (AI Summit)।”

    এর আগে শার্টবিহীন বিক্ষোভ ঘিরে রাজনৈতিক বাকযুদ্ধ শুরু হয়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, “কংগ্রেস ইতিমধ্যেই নগ্ন’। রাহুল গান্ধী একে অহিংস, গণতান্ত্রিক কর্মসূচি এবং ‘গণতন্ত্রের ভিত্তি’ বলে বর্ণনা করেন।” মিরাটে এক জনসভায় মোদি বলেন, “ভারতের একটি বৈশ্বিক অনুষ্ঠানকে কংগ্রেস তাদের নোংরা ও নগ্ন রাজনীতির মঞ্চে পরিণত করেছে। বিদেশি অতিথিদের সামনে তারা নগ্ন হয়ে হাজির হয়েছিল। দেশ জানে (AI Summit) আপনারা নগ্ন, তাহলে পোশাক খোলার প্রয়োজন কী ছিল (Youth Congress)?”

     

  • West Bengal SIR: তৈরি ২০২ লগ ইন আইডি, প্রায় ৫০ লক্ষের নথি যাচাইয়ের কাজ শুরু বিচারকদের

    West Bengal SIR: তৈরি ২০২ লগ ইন আইডি, প্রায় ৫০ লক্ষের নথি যাচাইয়ের কাজ শুরু বিচারকদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রযুক্তিগত সমস্যা কাটিয়ে এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়ায় তথ্যগত অসঙ্গতির নথি যাচাইয়ের কাজ শুরু করে দিল কলকাতা হাইকোর্টের নিযুক্ত বিচারকরা। সোমবার থেকেই শুরু হয়েছে এই কাজ। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে হাইকোর্ট নিযুক্ত বিচারকরা ভোটারদের তথ্যগত অসঙ্গতির (Logical Discrepancy) বিষয়গুলি খতিয়ে দেখে তা নিষ্পত্তি করবেন। কাজ শুরুর সময়ে ওটিপি সংক্রান্ত কিছু সমস্যা দেখা দিয়েছিল। তা অনেকটাই এখন মিটিয়ে নেওয়া হয়েছে। মুখ্যনির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল (Election Commission) এবং পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল।

    বিচারকদের বুঝিয়ে দিয়েছে কমিশন (SIR)

    কমিশন সূত্রে খবর, বিচারকদের জন্য এখনও পর্যন্ত ২০২ লগ-ইন আইডি তৈরি করা হয়েছে। এদিকে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের জন্য দিন ধার্য করা হয়েছে। হাতে সময় মাত্র চারদিন। এখন ৭০ লক্ষ মানুষের তথ্য কীভাবে যাচাই করা হবে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। প্রধান বিচারপতি নির্দেশ দিয়েছেন প্রতিদিনের কাজে এসআইআর সম্পর্কে অগ্রগতির রিপোর্ট দিতে হবে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ আসার পর থেকেই দফায় দফায় মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক, মুখ্যসচিব-সহ শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক সেরেছেন প্রধান বিচারপতি। রবিবারও ভার্চুয়াল বৈঠক হয়েছে। কী কী কাজ (SIR) করতে হবে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশমতো কোন কোন নথি যাচাই করতে হবে এই সব তথ্য বিচারকদের বুঝিয়ে দিয়েছে কমিশন (Election Commission)। এদিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জুডিশিয়াল অফিসাররাও।

    ২৪০ জন বিচারককে নিয়োগ

    হাইকোর্ট সূত্রে জানা গিয়েছে, বৈঠকে প্রধান বিচারপতি জানিয়েছেন, সময় নষ্ট না করে নথি যাচাই এবং নিস্পত্তি করণের কাজ দ্রুত করতে হবে। এখনও পর্যন্ত অনেক কাজ বাকি রয়েছে। এই সময়ে সময় নষ্ট করা উচিত নয়। সময়ে কাজ শেষ করা কঠিন। নাগরিকত্ব আদালত ঠিক করবে না কিন্তু সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ কাজ হবে। ইতিমধ্যে বিধানসভা-ভিত্তিক দায়িত্ব ভাগ করে দেওয়া হয়েছে বিচারকদের। ভোটার তালিকা (Election Commission) থেকে কাদের নাম বাদ যাবে, কাদের নাম থাকবে-সেই সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত যাবতীয় নথি ‘বিচার’ করে দেখবেন তাঁরা। ২১ ফেব্রুয়ারি ওই কাজের জন্য প্রাথমিক ভাবে ২৪০ জন বিচারককে নিয়োগ করেছে কলকাতা হাইকোর্ট।

    ৫০ লক্ষ যাচাইকরণ বাকি

    কমিশন সূত্রে খবর, এখনও পর্যন্ত ৫০ লক্ষের কাছাকাছি ভোটারের তথ্য যাচাই এবং নিষ্পত্তির কাজ বাকি রয়েছে। সেগুলোই করবেন বিচারকেরা (SIR)। রাজ্যের অ্যাডভকেট জেনারেল বলছেন, ‘‘অন্য রাজ্যে বাংলার বাড়ি সমগোত্রের তথ্য নেওয়া হচ্ছে। এই রাজ্যে তা অবৈধ বলা হয়েছে। এসআইআরে কমিশনের নির্ধারিত ১৩টি নথির বাইরে অন্য নথি গ্রহণ না করলে অনেক যোগ্য ভোটারের নাম বাদ চলে যাবে। এটা সঠিক পদ্ধতি নয়। এই সব ভোটারদের আরও সুযোগ দেওয়া হোক।’’ অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল অশোক চক্রবর্তী বলেন, “অন্য রাজ্যের সঙ্গে এই রাজ্যের তুলনা ঠিক নয়। এখানকার পরিস্থিতি আলাদা। বাংলার বাড়ি সহ ওই ধরনের নথি গ্রহণ করা সঠিক কাজ হবে না।”

    মুর্শিদাবাদে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ব্যবহার

    অপর দিকে জুডিশিয়াল অফিসারদের অনেকে মালদা, মুর্শিদাবাদ জেলায় কতটা ভয় মুক্ত পরিবেশে কাজ করতে পারবে তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। কমিশনের সূত্রে জানানো হয়েছে, স্পর্শকাতর এলাকায় প্রয়োজনে নিরাপত্তার জন্য কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হবে। প্রধান বিচারপতি বলেন, “মুর্শিদাবাদে ইতিমধ্যে কয়েক কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী রয়েছে। তাদের ব্যবহার করা যেতে পারে।” মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (Election Commission) মনোজ আগরওয়াল বলেছেন, “সোমবার বৈঠকে সকল বিচার বিভাগীয় অফিসারদের অনলাইন পোর্টাল (SIR) নিয়ে প্রশিক্ষণ শেষ হয়ে গিয়েছে। ওটিপি নিয়ে কিছু সমস্যা ছিল, তাও মিটে গিয়েছে।”

    তৃণমূল অবৈধ ভোটারদের পক্ষে

    রাজ্যে এসআইআরকে নিয়ে প্রথম থেকেই তৃণমূল কংগ্রেস নির্বাচন কমিশনকে অসহযোগিতা করছে বলে  অভিযোগ করছে বিজেপি। পর্যাপ্ত পরিমাণে সরকারি বি-গ্রুপের আধিকারিকদের দেওয়ার ব্যবস্থা করেনি মমতা সরকার। অন্যদিকে, বিএলও-দের নানা সময়ে হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ এসেছে। বিজেপির অভিযোগ, তৃণমূল সরকার অবৈধ ভোটার, অনুপ্রবেশকারী, বাংলাদেশি মুসলমান, রোহিঙ্গাদের পক্ষে কাজ করছে। তাই ভোট ব্যাঙ্কে যাতে কোপ না পরে তাই নিয়ে তৃণমূল সাংবিধান এবং দেশকে বিপদের দিকে ঢেলে দিচ্ছে।

  • Weather Update: মঙ্গল ভোরেই বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টি নামল দক্ষিণবঙ্গে, বসন্তে ভিজল কলকাতা

    Weather Update: মঙ্গল ভোরেই বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টি নামল দক্ষিণবঙ্গে, বসন্তে ভিজল কলকাতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবহাওয়া দফতর আগেই বৃষ্টির পূর্বাভাস (Weather Update) দিয়েছিল। সেই পূর্বাবাস মিলিয়েই মঙ্গলবার ভোরেই বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টি নামল দক্ষিণবঙ্গে। সঙ্গী ঝোড়ো হাওয়া। দক্ষিণবঙ্গে একাধিক জেলায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টিপাত হয়েছে। বঙ্গোসাগরে তৈরি হওয়া একটি নিম্নচাপই এই হাওয়া বদলের প্রধান কারণ বলে মনে করছেন আবহাওয়াবিদরা। দক্ষিণপূর্ব বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে এবং ধীরে ধীরে উত্তর এবং উত্তর পশ্চিম দিকে অগ্রসর হচ্ছে। বসন্তের বৃষ্টিতে ভিজেছে কলকাতা মহানগরও (Kolkata Weather)।

    বুধবার পর্যন্ত আবহাওয়া এমনটাই থাকবে (Weather Update)

    আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও সংলগ্ন ভারত মহাসাগরে তৈরি হওয়া ঘূর্ণাবর্ত ইতিমধ্যে নিম্নচাপে (Weather Update) পরিণত হয়েছে। কলকাতা (Kolkata Weather), উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া-সহ দক্ষিণবঙ্গের বেশকিছু জেলায় বৃষ্টি হয়েছে। তবে আপাতত ভারি বৃষ্টির তেমন কোনও সম্ভাবনা নেই। আগামী বুধবার পর্যন্ত আবহাওয়া এমনটাই থাকবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।

    এক ধাক্কায় পারদ নামল ২৩ ডিগ্রিতে

    মঙ্গলবার ভোর থেকেই ঝিরঝিরি বৃষ্টি শুরু হয়েছে। তবে বেশি সময় ধরে এই বৃষ্টি হয়নি। শোনা গেছে বজ্রপাতের শব্দও। এই বৃষ্টির ফলে তাপমাত্রা অনেকটাই কমে গিয়েছে। ফলে ভোর থেকেই ঠান্ডা অনুভব হয়েছে। সোমবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। মঙ্গলে তা এক ধাক্কায় নেমে এসেছে ২৩ ডিগ্রিতে। উত্তর ২৪ পরগনা, হুগলি, হাওড়া, পুরুলিয়া, পূর্ব বর্ধমানে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস। দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রামের বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা (Weather Update) জারি হয়েছে।

    দুর্যোগের সম্ভাবনা তেমন নেই

    হাওয়া অফিস জানিয়েছে, বাকি দিনগুলিতে দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়া মূলত শুকনো থাকবে বলে জানিয়েছে। আজ সারাদিন আকাশ মেঘলা থাকবে। হালকা রোদের ঝলক দেখা গেলেও বেশি সময় থাকবে না। কিছু কিছু জেলায় বৃষ্টি চলবে তবে দুর্যোগের সম্ভাবনা তেমন নেই। বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হওয়া নিন্মচাপ (Weather Update) দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে এবং ধীরে ধীরে উত্তর ও উত্তর পশ্চিম দিকে অগ্রসর হচ্ছে। পরে এটি পূর্ব ভারত মহাসাগর ও দক্ষিণ পশ্চিম বঙ্গোপসাগরের দিকে সরে যাবে। আবহাওয়ায় প্রভাব পড়বে উত্তরবঙ্গেও। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং সহ কয়েকটি এলাকায় সোমবার ও মঙ্গলবার হালকা বৃষ্টি ও বজ্রপাত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে জেলাগুলিতে তেমন সতর্কতা নেই।

  • Ramakrishna 589: “ঘুম ভেঙেছে আর কি ঘুমাই, যোগে-যাগে জেগে আছি, এখন যোগনিদ্রা তোরে দিয়ে মা, ঘুমেরে ঘুম পাড়ায়েছি!”

    Ramakrishna 589: “ঘুম ভেঙেছে আর কি ঘুমাই, যোগে-যাগে জেগে আছি, এখন যোগনিদ্রা তোরে দিয়ে মা, ঘুমেরে ঘুম পাড়ায়েছি!”

    ৫২ শ্যামপুকুর বাটীতে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    সপ্তম পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২২শে অক্টোবর
    যুগধর্ম কথাপ্রসঙ্গে—জ্ঞানযোগ ও ভক্তিযোগ

    জ্ঞানযোগ বড় কঠিন 

    “বিচারপথে জ্ঞানযোগের পথে, তাঁকে পাওয়া যায়। কিন্তু এ-পথ বড় কঠিন। আমি শরীর নই, মন নই, বুদ্ধি নই। আমার রোগ নাই, শোক নাই, অশান্তি নাই; আমি সচ্চিদানন্দস্বরূপ (Ramakrishna) আমি সুখ-দুঃখের অতীত, আমি ইন্দ্রিয়ের বশ নই, এ-সব কথা মুখে বলা খুব সোজা। কাজে করা, ধারণা হওয়া বড় কঠিন। কাঁটাতে হাত কেটে যাচ্ছে, দরদর করে রক্ত পড়ছে, অথচ বলছি, কই কাঁটায় আমার হাত কাটে নাই, আমি বেশ আছি। এ-সব বলা সাজে না। আগে ওই কাঁটাকে জ্ঞানাগ্নিতে পোড়াতে হবে তো।”

    বইপড়া জ্ঞান বা পাণ্ডিত্য—ঠাকুরের শিক্ষাপ্রণালী

    “অনেকে মনে করে, বই না পড়ে বুঝি জ্ঞান হয় না, বিদ্যা হয় না। কিন্তু পড়ার চেয়ে শুনা ভাল, শুনার চেয়ে দেখা ভাল (Kathamrita)। কাশীর বিষয় পড়া, কাশীর বিষয় শুনা, আর কাশীদর্শন অনেক তফাত।

    “আবার যারা নিজে সতরঞ্চ খেলে, তারা চাল তত বুঝে না, কিন্তু যারা না খেলে, উপর চাল বলে দেয়, তাদের চাল ওদের চেয়ে অনেকটা ঠিক ঠিক হয়। সংসারী লোক মনে করে, আমরা বড় বুদ্ধিমান কিন্তু তারা বিষয়াসক্ত। নিজে খেলছে। নিজেদের চাল ঠিক বুঝতে পারে না। কিন্তু সংসারত্যাগী (Ramakrishna) সাধুলোক বিষয়ে অনাসক্ত। তারা সংসারীদের চেয়ে বুদ্ধিমান। নিজে খেলে না, তাই উপর চাল ঠিক বলে দিতে পারে।”

    ডাক্তার (ভক্তদিগের প্রতি) — বই পড়লে এ-ব্যক্তির (পরমহংসদেবের) এত জ্ঞান হত না। Faraday communed with Nature. প্রকৃতিকে ফ্যারাডে নিজে দর্শন করত, তাই অত Scientific truth discover করতে পেরেছিল। বই পড়ে বিদ্যা হলে অত হত না। Mathematical formulae only throw the brain into confusion — Original inquiry-র পথে বড় বিঘ্ন এনে দেয়।

    ঈশ্বর-প্রদত্ত জ্ঞান — Divine wisdom and Book learning

    শ্রীরামকৃষ্ণ (ডাক্তারের প্রতি) — যখন পঞ্চবটীতে মাটিতে পড়ে পড়ে মাকে ডাকতুম, আমি মাকে বলেছিলাম, মা, আমায় দেখিয়ে দাও কর্মীরা কর্ম করে যা পেয়েছে, যোগীরা যোগ করে যা দেখেছে, জ্ঞানীরা বিচার করে যা জেনেছে। আরও কত কি তা কি বলব!

    “আহা! কি অবস্থাই গেছে! ঘুম যায়!”

    এই বলিয়া পরমহংসদেব গান করিয়া বলিতে লাগিলেন —

    “ঘুম ভেঙেছে আর কি ঘুমাই, যোগে-যাগে জেগে আছি।
    এখন যোগনিদ্রা তোরে দিয়ে মা, ঘুমেরে ঘুম পাড়ায়েছি!

    “আমি তো বই-টই কিছুই পড়িনি, কিন্তু দেখ মার নাম করি বলে আমায় সবাই মানে। শম্ভু মল্লিক আমায় বলেছিল, ঢাল নাই, তরোয়াল নাই, শান্তিরাম সিং?” (সকলের হাস্য)

    শ্রীযুক্ত গিরিশচন্দ্র ঘোষের বুদ্ধদেবচরিত অভিনয় কথা হইতে লাগিল। তিনি ডাক্তারকে নিমন্ত্রণ করিয়া ওই অভিনয় দেখাইয়াছিলেন। ডাক্তার উহা দেখিয়া যারপরনাই আনন্দিত হইয়াছিলেন।

    ডাক্তার (গিরিশের প্রতি)—তুমি বড় বদলোক! রোজ থিয়েটারে যেতে হবে?

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) মাস্টারের প্রতি— কি বলছে (Kathamrita), আমি বুঝতে পারছি না।

    মাস্টার—ওঁর থিয়েটার বড় ভাল লেগেছে।

  • Bangladesh: এবার কাঠগড়ায় ইউনূস, অসাংবিধানিক উপায়ে অপসারণের “নীল নকশা” করার অভিযোগ

    Bangladesh: এবার কাঠগড়ায় ইউনূস, অসাংবিধানিক উপায়ে অপসারণের “নীল নকশা” করার অভিযোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের (Bangladesh) তদারকি সরকারের প্রধান মুহাম্মদ ইউনূসের (Mohammad Yunus) বিরুদ্ধে উঠল ষড়যন্ত্রের অভিযোগ। তাঁর বিরুদ্ধে অসাংবিধানিক উপায়ে অপসারণের “নীল নকশা” করার অভিযোগ তুলেছেন। দিন কয়েক আগেই বিএনপি সুপ্রিমো তারিক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার ক্ষমতা গ্রহণের কয়েক দিনের মধ্যেই দক্ষিণ এশীয় দেশ বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিন তোপ দাগলেন ইউনূসকে। বাংলাদেশের এক সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে শাহাবুদ্দিন দাবি করেন, ইউনূসের আমলে বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার এবং একটি সাংবিধানিক শূন্যতা তৈরির চেষ্টা করা হয়েছিল।

    সংবিধানের কোনও বিধানই মানেননি, তোপ রাষ্ট্রপতির (Bangladesh)

    তিনি ঢাকার রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন বঙ্গভবনে দেওয়া ওই সাক্ষাৎকারে বলেন, “এই দেড় বছরে আমি কোনও আলোচনায় ছিলাম না, অথচ আমার বিরুদ্ধে নানা ষড়যন্ত্র করা হয়েছে। দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা স্থায়ীভাবে ধ্বংস করার এবং একটি সাংবিধানিক শূন্যতা তৈরির বহু চেষ্টা হয়েছে (Bangladesh)।” প্রেসিডেন্ট জানান, অন্তর্বর্তী সরকার চলাকালে প্রাক্তন প্রধান উপদেষ্টা ইউনূস তাঁর সঙ্গে সংবিধানসম্মতভাবে যোগাযোগও করেননি। তিনি বলেন, “বিদেশ সফর কিংবা রাষ্ট্রীয় বিষয়ে আমায় অবহিত করা হয়নি। অথচ, একে তিনি “সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা” হিসেবে উল্লেখ করেন। প্রেসিডেন্ট বলেন, “প্রধান উপদেষ্টা সংবিধানের কোনও বিধানই মানেননি। বিদেশ সফর শেষে তাঁর আমার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে লিখিতভাবে সফরের ফল জানানোর কথা ছিল। তিনি ১৪ থেকে ১৫ বার বিদেশ গিয়েছেন, কিন্তু একবারও আমায় জানাননি। কখনও দেখা করতেও আসেননি (Mohammad Yunus)।”

    আমায় ‘প্রাসাদবন্দি’ করে রাখা হয়েছিল

    শাহাবুদ্দিনের অভিযোগ, গত দেড় বছরে তাঁকে কার্যত ‘প্রাসাদবন্দি’ করে রাখা হয়েছিল। তাঁর পরিকল্পিত দুটি বিদেশ সফরে বাধা দেয় ইউনূস প্রশাসন (Bangladesh)। রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত, বিশেষ করে ১৩৩টি অধ্যাদেশ জারির বিষয়ে প্রাক্তন প্রধান উপদেষ্টা তাঁর সঙ্গে সমন্বয় করেছিলেন কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে শাহাবুদ্দিন বলেন, ‘কিছু অধ্যাদেশ পরিস্থিতির কারণে প্রয়োজন হতে পারে, কিন্তু এত বিপুল সংখ্যক অধ্যাদেশ জারির যৌক্তিকতা ছিল না।’ নির্বাচনের আগে অন্তর্বর্তী সরকার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যে সর্বশেষ চুক্তি সম্পাদন করেছিল, সে বিষয়ে তিনি অবগত ছিলেন কি না—এ প্রশ্নের উত্তরে প্রেসিডেন্ট জানান, তিনি এ বিষয়ে কিছুই জানতেন না। এই ধরনের রাষ্ট্রীয় চুক্তি তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো উচিত ছিল (Bangladesh)। তিনি বলেন, “না, আমি কিছুই জানি না। এমন রাষ্ট্রীয় চুক্তির বিষয়ে আমায় জানানো উচিত ছিল (Mohammad Yunus)। ছোট হোক বা বড়—পূর্ববর্তী সরকারের প্রধানরা অবশ্যই রাষ্ট্রপতিকে জানাতেন। এটি একটি সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা। কিন্তু তিনি তা করেননি। মৌখিক বা লিখিতভাবে কিছুই জানাননি। তিনি আসেনওনি। অথচ তাঁর আসার কথা ছিল!”

    ‘আমার জায়গায় বসানোর ষড়যন্ত্র’

    শাহাবুদ্দিন বলেন, “এক পর্যায়ে অসাংবিধানিক উপায়ে একজন প্রাক্তন প্রধান বিচারপতিকে এনে আমার জায়গায় বসানোর ষড়যন্ত্রও হয়েছিল।” তবে তিনি জানান, সংশ্লিষ্ট বিচারপতি সাংবিধানিক সীমাবদ্ধতার কথা উল্লেখ করে সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন। তিনি ২০২৪ সালের ২২ অক্টোবর বঙ্গভবনের বাইরে হওয়া বিক্ষোভকে “ভয়াবহ এক রাত” হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “জনতাকে সংঘবদ্ধ করা হয়েছিল এবং রাষ্ট্রপতির বাসভবনে লুটপাটের চেষ্টা হয়েছিল। পরে সেনা মোতায়েনের মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।” শাহাবুদ্দিন বলেন, “বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এবং বিএনপি নেতৃত্ব আমায় সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সাহায্য করেছে। তিন বাহিনীর প্রধানরা আমায় স্পষ্টভাবে বলেছেন, “আপনি সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক। আপনার পরাজয় মানে পুরো (Mohammad Yunus) সশস্ত্র বাহিনীর পরাজয়। আমরা যে কোনও মূল্যে তা প্রতিরোধ করব (Bangladesh)।”

     

  • Weather Update: বসন্তে ভিজবে কলকাতা, দক্ষিণবঙ্গের চার জেলায় সতর্কতা, বৃষ্টি হবে উত্তরবঙ্গেও

    Weather Update: বসন্তে ভিজবে কলকাতা, দক্ষিণবঙ্গের চার জেলায় সতর্কতা, বৃষ্টি হবে উত্তরবঙ্গেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে চলতি সপ্তাহে বিক্ষিপ্ত ঝড় বৃষ্টির (Weather Update) হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বৃষ্টিতে ভিজবে দক্ষিণের অন্তত নটি জেলা। ইতিমধ্যে চার জেলায় সতর্কতা জারি করা হয়েছে। তবে ভারি বৃষ্টি বা দুর্যোগের (Rain Forecast) আপাতত তেমন কোথাও সম্ভাবনা নেই।

    সোমবার এবং মঙ্গলবার বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টি (Weather Update)

    আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, মঙ্গলবার কলকাতায় বিক্ষিপ্ত ভাবে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সঙ্গে হতে পারে ব্রজপাতও (Weather Update)। মাঝে মাঝে বইবে ঝোড় হাওয়া। হাওড়া, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনার একই রকম পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। বাঁকুড়ায় সোমবার বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সঙ্গে আলাদা করে সতর্কতা করা হয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রামের জন্য। এই জেলাগুলিতে সোমবার এবং মঙ্গলবার বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। একই ভাবে জারি করা হয়েছে হলুদ সতর্কতা। বাকি সময়ে আবহাওয়া (Rain Forecast) মূলত শুকনো থাকবে বলে জানা গিয়েছে।

    কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২০.৬ ডিগ্রি

    রাজ্যে শীত পেরিয়া বসন্ত শুরু হয়ে গিয়েছে। সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাড়তে শুরু করেছে তাপমাত্রা। সোমবার ভোরে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২০.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, স্বাভাবিকের চেয়ে ১.১ ডিগ্রি বেশি। এ ছাড়া রবিবার শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা (Weather Update) হয়েছিল ৩১.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, স্বাভাবিকের চেয়ে ০.৭ ডিগ্রি বেশি। সোমবার দক্ষিণবঙ্গের কোনো জেলাতেই তাপমাত্রা ১৭ ডিগ্রির নিচে নামেনি। কলকাতার উপকণ্ঠে সল্টলেকের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

    বঙ্গোপসাগরের উপর একটি নিম্নচাপ অঞ্চল তৈরি হয়েছে। তার প্রভাবেই রাজ্যে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দার্জিলিং, জলপাইগুরি এবং কালিম্পঙের কিছু কিছু এলাকায় সোমবার এবং মঙ্গলবার বিক্ষিপ্ত ভাবে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা বৃষ্টি (Rain Forecast) হতে পারে। তবে এই জেলাগুলিতে আলাদা করে সতর্কতা জারি করা হয়নি। হাওয়া অফিস জানিয়েছে উত্তর এবং দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে আগামী সাত দিনে তাপমাত্রার তেমন হেরফেরের সম্ভাবনা নেই। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে গরম আরও বাড়বে।

  • Meerut Namo Bharat Train: দিল্লি-মিরাটের মেট্রো পরিষেবা উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

    Meerut Namo Bharat Train: দিল্লি-মিরাটের মেট্রো পরিষেবা উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার দিল্লি-মিরাটের মেট্রো পরিষেবা (Meerut Namo Bharat Train) চালু করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। ৮২ কিলোমিটার দীর্ঘ দিল্লি-মিরাট দ্রুত রেল করিডোর জাতির উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করলেন। ১২০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা গতিতে চলাচলের হিসেবে মিরাট মেট্রো ভারতের দ্রুততম রেল ব্যবস্থা হয়ে উঠেছে। এই রেল পরিষেবার ফলে দিল্লি এবং মিরাটের মধ্যে ভ্রমণ মাত্র ৫৫ মিনিটেই সম্পন্ন হবে বলে জানা গিয়েছে।

    সর্বোচ্চ গতি ১৩৫ কিমি/ঘন্টা (Meerut Namo Bharat Train)

    প্রধানমন্ত্রী শতাব্দী নগর স্টেশন থেকে মীরাট মেট্রো এবং নমো ভারত ট্রেন (Meerut Namo Bharat Train) উভয়েরই সূচনা করেন। দিল্লি-গাজিয়াবাদ-মীরাট নমো ভারত করিডোরটি ৮২.১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ। এটি ভারতের প্রথম আঞ্চলিক দ্রুত পরিবহন ব্যবস্থা বা আরআরটিএস, যা দিল্লির সরাই কালে খানকে উত্তর প্রদেশের মোদিপুরমের সাথে সংযুক্ত করে করেছে।

    ২৩ কিলোমিটার দীর্ঘ মিরাট মেট্রো শহরের মধ্যেই চলবে এবং মিরাট সেকশনে নমো ভারত র‍্যাপিড রেলের সাথে ট্র্যাককে যুক্ত করা হয়েছে। এর ফলে যাত্রীরা স্টেশন থেকে বাইরে বের হয়েই দুটি পরিষেবাকে একসঙ্গে নিতে পারবে। মোট করিডোরের দৈর্ঘ্য ২৩ কিলোমিটার, করিডোরে ১৬ কিলোমিটার উঁচু ট্র্যাক এবং ৭ কিলোমিটার ভূগর্ভস্থ ট্র্যাক রয়েছে।

    মিরাট মেট্রো করিডোরের মোট ১৩টি স্টেশন

    ২৩ কিলোমিটার দীর্ঘ এই মেট্রো (Meerut Namo Bharat Train) করিডোরে মোট ১৩টি স্টেশন রয়েছে। নয়টি স্টেশন এলিভেটেড। এগুলি হল মিরাট দক্ষিণ, পারতাপুর, রিথানি, শতাব্দী নগর, ব্রহ্মপুরী, এমইএস কলোনি, দৌরলি, মিরাট উত্তর এবং মোদিপুরম। তিনটি স্টেশন, মিরাট সেন্ট্রাল, ভৈশালি এবং বেগমপুল, ভূগর্ভস্থ। মোদিপুরম ডিপো একটি উচ্চমানের স্টেশন। চারটি স্টেশন, মিরাট দক্ষিণ, শতাব্দী নগর, বেগমপুল এবং মোদিপুরম, নমো ভারত এবং মিরাট মেট্রো ট্রেন উভয় পরিষেবাই দেবে।

    মিরাট মেট্রো সময়সূচী

    ব্যস্ত সময়ে, ট্রেনগুলি (Meerut Namo Bharat Train) প্রতি ৫ থেকে ১০ মিনিট অন্তর চলবে। অন্য সময়ে, ট্রেনের ফ্রিকোয়েন্সি হবে ১০ থেকে ১৫ মিনিট। পরিষেবাগুলি সপ্তাহের প্রথম পাঁচ দিন এবং শনিবার সকাল ৬:০০ টা থেকে রাত ১০:০০ টা পর্যন্ত এবং রবিবার সকাল ৮:০০ টা থেকে রাত ১০:০০ টা পর্যন্ত খোলা থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে। যাত্রীরা একটি টিকিটেই নমো ভারত এবং মীরাট মেট্রো, উভয় ট্রেনেই ভ্রমণ করতে পারবেন। ভাড়ার বিস্তারিত ঘোষণা এখনও করা হয়নি।

    মিরাট মেট্রো: বৈশিষ্ট্য এবং যাত্রী সুবিধা

    মিরাট মেট্রো ট্রেনগুলি তিন কোচ বিশিষ্ট। প্রতিটি ট্রেন ৭০০ জনেরও বেশি যাত্রী বহন করতে পারে, যার মধ্যে ১৭৩ জনের আসন সংখ্যা রয়েছে। মূল বৈশিষ্ট্যগুলির মধ্যে রয়েছে:

    • শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কোচ
    • কুশনযুক্ত আসন
    • লাগেজ র‍্যাক এবং গ্র্যাব হ্যান্ডেল
    • সিসিটিভি ক্যামেরা
    • ইউএসবি মোবাইল চার্জিং পয়েন্ট
    • গতিশীল রুট মানচিত্র
    • জরুরি যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং অ্যালার্ম
    • অগ্নি নির্বাপক যন্ত্র এবং টক-ব্যাক সিস্টেম

    সমস্ত স্টেশনে প্ল্যাটফর্ম স্ক্রিন দরজা স্থাপন করা হবে এবং ট্রেন পরিচালনার সাথে সিঙ্ক্রোনাইজ করা হবে। পুশ বোতামের মাধ্যমে নির্বাচিত দরজা খোলার ফলে শক্তির ব্যবহার কমাতে সাহায্য করবে। প্রতিটি কোচে মহিলা এবং প্রবীণ নাগরিকদের জন্য সংরক্ষিত আসন থাকবে। স্টেশন এবং ট্রেনগুলি সর্বজনীন প্রবেশাধিকারের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে, হুইলচেয়ার এবং মেডিকেল স্ট্রেচারের জন্য জায়গা রয়েছে, পাশাপাশি প্রশস্ত লিফটও রয়েছে। ট্রেনগুলির বাইরের রঙের স্কিম সবুজ, নীল এবং কমলা।

    মিরাট মেট্রো: ভ্রমণের সময়

    সম্পূর্ণরূপে চালু হয়ে গেলে, দিল্লি-মিরাট যাত্রায় প্রায় ৫৫ মিনিট সময় লাগবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই সমন্বিত ব্যবস্থার লক্ষ্য হল মিরাট, গাজিয়াবাদ, নয়ডা, দিল্লি এবং গুরুগ্রামের মধ্যে যোগাযোগ উন্নত করা এবং রাস্তার যানজট কমানো। প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi) আজ দেশবাসীকে উৎসর্গ করলেন এই পরিষেবা।

    কত দিনে বাস্তবায়ন

    ২০১৬ সালে রাইটস (RITES) কর্তৃক বিস্তারিত প্রকল্প প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়েছিল এবং রাজ্য সরকারের কাছে জমা দেওয়া হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী মোদি ৮ মার্চ, ২০১৯ তারিখে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন। প্রথম ট্রায়াল রানটি ১২ জানুয়ারী, ২০২৫ তারিখে মিরাট সাউথ এবং মিরাট সেন্ট্রালের মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

    রবিবার প্রধানমন্ত্রী ৮২ কিলোমিটার দীর্ঘ দিল্লি-মীরাট নমো ভারত করিডোরটি জনগণকে (Meerut Namo Bharat Train) উৎসর্গ করেছেন। এর মধ্যে ভারতের প্রথম আঞ্চলিক দ্রুত পরিবহন ব্যবস্থার (RRTS) অবশিষ্ট অংশগুলিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এগুলি হল-

    • দিল্লির সরাই কালে খান এবং নিউ অশোক নগরের মধ্যে ৫ কিলোমিটার দীর্ঘ অংশ
    • উত্তর প্রদেশের মিরাট সাউথ এবং মোদিপুরমের মধ্যে ২১ কিলোমিটার দীর্ঘ অংশ
LinkedIn
Share