Tag: Bengali news

Bengali news

  • Middle East Tensions: যুদ্ধ আসন্ন? যে কোনও পরিবহণে ইরান ছাড়ুন, ভারতীয় নাগরিকদের নির্দেশ ভারতীয় দূতাবাসের

    Middle East Tensions: যুদ্ধ আসন্ন? যে কোনও পরিবহণে ইরান ছাড়ুন, ভারতীয় নাগরিকদের নির্দেশ ভারতীয় দূতাবাসের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইরানে থাকা ভারতীয় (India) নাগরিকদের ইরান ছাড়তে বলেছে তেহরানে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস (Middle East Tensions)। ইরানে সম্ভাব্য মার্কিন হামলা হতে পারে — এমন উদ্বেগ গত কয়েক সপ্তাহ ধরে তীব্রতর হচ্ছে। এই নতুন পরামর্শ এমন একটা পরিস্থিতিতে এসে পড়েছে যখন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরকারবিরোধী ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু হয়েছে।

    ভারতীয় দূতাবাসের নির্দেশ (Middle East Tensions)

    পরামর্শে বলা হচ্ছে, “ভারত সরকারের ৫ জানুয়ারি ২০২৬-এর দেওয়া পরামর্শের ধারাবাহিকতায় এবং ইরানের পরিবর্তিত পরিস্থিতি বিবেচনায়, যারা বর্তমানে ইরানে আছেন — শিক্ষার্থী (student), তীর্থযাত্রী (pilgrim), ব্যবসায়ী (businessperson) এবং পর্যটক (tourist) — তাঁদের যে কোনও পরিবহণ (means of transport) ব্যবহার করে ইরান ছাড়তে বলা হয়েছে, যার মধ্যে কমার্সিয়াল ফ্লাইটও রয়েছে।” দূতাবাস আগের জানুয়ারি নির্দেশনাটিকে আবারও মনে করিয়ে দিয়েছে এবং সব ভারতীয় নাগরিক ও ভারতীয় বংশোদ্ভূত ব্যক্তিদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে। তাঁরা যেন বিক্ষোভে অংশ না নেন কিংবা যেখানে বিক্ষোভ হচ্ছে সেই অঞ্চলের কাছাকাছি না যাওয়ার, দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার এবং স্থানীয় সংবাদমাধ্যম থেকে আপডেট মনিটর করার অনুরোধও করা হয়েছে।

    মার্কিন সামরিক উপস্থিতি ক্রমশ বাড়ছে

    ভারতীয় নাগরিকদের এও বলা হয়েছে, তাঁরা যেন সব সময় তাঁদের ভ্রমণ ও ইমিগ্রেশন নথি, যেমন পাসপোর্ট এবং পরিচয়পত্র হাতের নাগালে রাখে, এবং প্রয়োজনে সহায়তার জন্য দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করেন (Middle East Tensions)। এটা এমন এক সময়ে এসেছে যখন ইরান–মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা ও মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি ক্রমশ বাড়ছে। পারমাণবিক আলোচনা চলতে থাকলেও, পরিস্থিতির উন্নতি নিশ্চিত নয়। আলোচনা পরবর্তী রাউন্ড জেনেভায় অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। এসব পরিস্থিতির মধ্যেই ইরানের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে সরকার-বিরোধী বিক্ষোভ শুরু হয়েছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তেহরান এবং অন্যান্য শহরে ঠাঁই নিয়েছে, কখনও কখনও সরকারপন্থী সমর্থক ও বিরোধীদের মধ্যে ধাক্কাধাক্কিও হয়েছে। জানুয়ারির শুরুর দিকে আগের বিক্ষোভগুলি শীর্ষ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি (Ayatollah Ali Khamenei) প্রশাসনের অধীনে কঠোরভাবে দমন করা হয়েছিল, যেটিতে (India) অনেক প্রতিবাদকারী নিহত ও আটক হন (Middle East Tensions)।

     

  • ABVP: অগ্নিনির্বাপক পাউডার দিয়ে চোখ অন্ধ করার অপচেষ্টা! আক্রন্ত এবিভিপি, জেএনইউতে বামপন্থীদের তাণ্ডব

    ABVP: অগ্নিনির্বাপক পাউডার দিয়ে চোখ অন্ধ করার অপচেষ্টা! আক্রন্ত এবিভিপি, জেএনইউতে বামপন্থীদের তাণ্ডব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২২ ফেব্রুয়ারি, জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয় (JNU) ক্যাম্পাসে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (আরএসএস) ছাত্র সংগঠন অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের (এবিভিপি) বেশ কয়েকজন ছাত্রের উপর নৃশংসভাবে হামলা চালানো হয়েছে। আক্রান্তদের ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে। মূল অভিযোগ বামপন্থী ছাত্র সংগঠনের বিরুদ্ধে। সমতা মিছিলের পর আকস্মিক আক্রমণ বলে জানা গিয়েছে।

    পাথর নিয়ে মুখঢেকে ছাত্রাবাসে হামলা

    এবিভিপি (ABVP) সূত্রে জানা গিয়েছে, ক্যাম্পাসের ভেতরে বামপন্থী গোষ্ঠীগুলির দ্বারা এই আক্রমণ পূর্বপরিকল্পিত ছিল। লাঠি, লোহার রড এবং পাথর নিয়ে মুখঢেকে ছাত্রাবাসে হামলা চালায়। ঘটনাস্থলে উপস্থিতদের ব্যাপক মারধর করা হয়। ফলে বেশ কয়েকজন ছাত্র গুরুতর আহত হয়। এবিভিপির ছাত্র নেতারা বলেছেন, “যা ঘটেছে তা স্বতঃস্ফূর্ত সংঘর্ষ নয় বরং রাতের সুযোগ নিয়ে বাম-সমর্থিত গোষ্ঠীর দ্বারা পরিচালিত একটি সমন্বিত আক্রমণ।”

    স্টাডি রুমের ভেতরে শিক্ষার্থীদের উপর হামলা (ABVP)

    এক বিবৃতিতে, এবিভিপি-এর (ABVP) জেএনইউ ছাত্র সংসদের যুগ্ম সম্পাদক বৈভব মীনা বলেছেন, “গত ৭-৮ দিন ধরে বামপন্থী দলগুলি ক্যাম্পাসে আক্রমণাত্মক ধর্মঘট চালিয়ে আসছে। রবিবার রাতে, প্রায় ৩০০-৪০০ মুখোশধারীর একটি দল বিভিন্ন বিভাগের স্কুলে প্রবেশ করে। এরপর জোরপূর্বক অধ্যয়ন কক্ষগুলি দখল করে নেয়। তাদের বাধা দিতেই প্রতীকের ওপর হামলা করা হয়। তাঁকে এখন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং অবস্থা গুরুতর। লাইব্রেরি এবং রিডিং হলগুলিতে যারা পড়াশুনা করছিলেন তাঁদের জোর করে তাড়িয়ে দেওয়া হয়। বিজয় নামে এক ছাত্রকে ১০০-১৫০ জনের একটি দল ঘিরে ফেলে এবং নির্মমভাবে গণপিটুনি দিয়ে আহত করা হয়। নিরাপত্তা কর্মী এবং পুলিশ উপস্থিত থাকলেও কোনও রকম পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি।

    অগ্নিনির্বাপক পাউডার দিয়ে অন্ধ করার চেষ্টা

    বিশ্ববিদ্যালয়ের (JNU) সমাজ বিজ্ঞান স্কুলের ভেতরে ঘটে যাওয়া সবচেয়ে মর্মান্তিক ঘটনাগুলির মধ্যে একটি হল এই আক্রমণ। বায়োটেকনোলজির ছাত্র প্রতীক ভরদ্বাজকে বামপন্থী কর্মীরা অতর্কিত আক্রমণ করেছে। এবিভিপি (ABVP) অভিযোগ করেছে, নির্মমভাবে মারধর করার আগে সাময়িকভাবে অন্ধ করে দেওয়ার জন্য প্রতীকের চোখে অগ্নিনির্বাপক পাউডার ঢেলে দেওয়া হয়েছিল।

    এবিভিপির জেএনইউ মিডিয়া কনভেনর বিজয় জয়সওয়াল এই ঘটনাটিকে “পূর্বপরিকল্পিত” বলে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, “মুখোশধারী বিক্ষোভকারীরা বিশেষভাবে এবিভিপি কর্মী এবং শিক্ষার্থীদের লক্ষ্যবস্তু করেছিল। এই ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাই।”

    ভিসির মন্তব্যকে ঢাল করে উত্তেজনা

    ইউজিসি ইক্যুইটি নিয়মকানুন নিয়ে উপাচার্য শান্তিশ্রী ধুলিপুদি পণ্ডিতের (JNU) কথিত মন্তব্যকে হাতিয়ার করে বামা এনএসইউআই। উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে জেএনইউ ছাত্র ইউনিয়নের তরফে “সমতা মিছিল” বের করা হয়। আর তারপর উপস্থিত শক্তি দিয়ে হিংসার ঘটনাকে নেতৃত্ব দেয়। তবে এই বিক্ষোভ মিছিলে প্রচুর বহিরাগতদের ক্যাম্পাসে নিয়ে এসে আক্রমণ করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

    সন্ত্রাসের রাত

    এই ঘটনার পর, এবিভিপির (ABVP) তরফে প্রশাসনের কাছে সোশ্যাল মিডিয়ায় কঠোর ব্যবস্থা এবং অবিলম্বে অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছে। গোটা ঘটনাকে সন্ত্রাসের রাত বলে অভিহিত করা হয়েছে। দেশের জাতীয় রাজধানীর একটি কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিতরে এত বড় আকারের হিংসার ঘটনা ঘটবে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই। এরপর থেকে ক্যাম্পাস জুড়ে ব্যাপক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

  • Posters Threaten Terror Attacks: ভূস্বর্গে ফের হুমকি-পোস্টার, নিরাপত্তার দাবি তুললেন উদ্বিগ্ন কাশ্মীরি পণ্ডিতরা

    Posters Threaten Terror Attacks: ভূস্বর্গে ফের হুমকি-পোস্টার, নিরাপত্তার দাবি তুললেন উদ্বিগ্ন কাশ্মীরি পণ্ডিতরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভূস্বর্গে ফের সন্ত্রাসের আতঙ্ক (Posters Threaten Terror Attacks)! কাশ্মীরে জঙ্গিদের দেওয়া হুমকি-পোস্টার প্রকাশ্যে আসার পর পাক-সমর্থিত জঙ্গি সংগঠনগুলির হুমকি নিয়ে কাশ্মীরি পণ্ডিতরা (Kashmiri Pandits) গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। কাশ্মীরি পণ্ডিত সংঘর্ষ সমিতি (KPSS) পণ্ডিত সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দৃঢ় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে এবং কাশ্মীর উপত্যকায় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের জন্য আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলিকে আহ্বান জানিয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, তারা পোস্টারগুলির সত্যতা যাচাই করছে এবং সংখ্যালঘুদের সুরক্ষায় একটি শক্তিশালী নিরাপত্তা ব্যবস্থা কার্যকর রয়েছে।

    কেপিএসএসের বিবৃতি (Posters Threaten Terror Attacks)

    এক বিবৃতিতে কেপিএসএস বলেছে, সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে এই হুমকি কাশ্মীরে শান্তি ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করার একটি পরিকল্পিত প্রচেষ্টা। এই ধরনের গোষ্ঠীগুলি ভয় ও অস্থিরতার ওপর নির্ভর করে টিকে থাকে এবং বারবার শান্তিপ্রিয় ও আদি কাশ্মীরি পণ্ডিত সংখ্যালঘুদের প্রতীকী টার্গেট করে নিজেদের হিংসাত্মক প্রাসঙ্গিকতা বজায় রাখার চেষ্টা করে (Posters Threaten Terror Attacks)।

    কাশ্মীরি পণ্ডিতদের টার্গেট

    ১৯৯০ সালে গণ-নির্বাসনের সময় উপত্যকা ছেড়ে না যাওয়া কাশ্মীরি পণ্ডিতদের প্রতিনিধিত্ব করে কেপিএসএস। প্রতিবেদন অনুযায়ী, পাকিস্তান-সমর্থিত জঙ্গি সংগঠন দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট (TRF)-এর তথাকথিত ‘ফ্যালকন গ্রুপ’-এর নামে সম্প্রতি উপত্যকায় জঙ্গিদের পোস্টার দেখা গিয়েছে, যেখানে কাশ্মীরি পণ্ডিতদের টার্গেট করার হুমকি দেওয়া হয়েছে। এতে তাঁদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে (Kashmiri Pandits)।

    ২০২১ ও ২০২২ সালে জঙ্গিরা উপত্যকায় কাশ্মীরি পণ্ডিতদের ওপর একাধিক টার্গেটেড হত্যাকাণ্ড চালায়। পাল্টা অভিযানে পুলিশ ওই হামলায় জড়িত প্রায় সব অভিযুক্তকে হত্যা করে। এরপর এই প্রথম উপত্যকায় এই ধরনের জঙ্গি হুমকি সামনে এল (Posters Threaten Terror Attacks)।

     

  • Boong: ঐতিহাসিক! প্রথম ভারতীয় চলচ্চিত্র হিসেবে বাফটা পুরস্কার জিতল মণিপুরী ছবি ‘বুং’

    Boong: ঐতিহাসিক! প্রথম ভারতীয় চলচ্চিত্র হিসেবে বাফটা পুরস্কার জিতল মণিপুরী ছবি ‘বুং’

    মধ্যম নিউজ ডেস্ক: মণিপুরী ভাষায় চলচ্চিত্র ‘বুং’ (Boong) একটি ঐতিহাসিক নজির সৃষ্টি করেছে। এটি প্রথম ভারতীয় সিনেমা হিসেবে ব্রিটিশ একাডেমি ফিল্ম অ্যাওয়ার্ডস (BAFTA) ২০২৬-এ ‘সেরা শিশু ও পারিবারিক চলচ্চিত্র’ (Best Children’s & Family Film) বিভাগে পুরস্কারে জয়ী হয়েছে। ভারতীয় চলচ্চিত্র হিসেবে বাফটা (BAFTA) জয় করাকে অনন্য সাফল্য হিসেবে দেখছেন সিনেমা প্রিয় দর্শকরা।

    শিশু ও পারিবারিক চলচ্চিত্রের শিরোপা (Boong)

    লন্ডনের রয়্যাল ফেস্টিভ্যাল হলে অনুষ্ঠিত ৭৯তম বাফটা পুরস্কার অনুষ্ঠানে মণিপুরী ভাষার চলচ্চিত্র ‘বুং’ (Boong) শ্রেষ্ঠ শিশু ও পারিবারিক চলচ্চিত্রের শিরোপা জিতেছে। এটিই এই বছর বাফটাতে একমাত্র ভারতীয় সিনেমা হিসবে মনোনয়ন পেয়েছিল। সিনেমাটি ডিজনির ‘জুটোপিয়া ২’, ‘লিলো অ্যান্ড স্টিচ’ এবং ফরাসি বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী ভিত্তিক চলচ্চিত্র। উল্লেখ্য ‘আর্কো’-র মতো বিশ্বখ্যাত সিনেমাগুলোকে (BAFTA) হারিয়ে এই জয় ছিনিয়ে নিয়েছে কোনও ভারতীয় ভাষার সিনেমা। এই জয় প্রত্যেক ভারতীয়র কাছে অত্যন্ত গর্বের বিষয়।

    পরিচালক ও প্রযোজনা

    বুং (Boong) ছবিটি পরিচালনা করেছেন নবাগত পরিচালক লক্ষ্মীপ্রিয়া দেবী। এটি প্রযোজনা করেছেন ফারহান আখতার ও রিতেশ সিধওয়ানি (এক্সেল এন্টারটেইনমেন্ট), অ্যালান ম্যাকঅ্যালেক্স এবং সুজাত সওদাগর।

    সিনেমার কাহিনী

    ‘বুং’ (Boong) একটি হৃদয়স্পর্শী গল্প মণিপুরের প্রেক্ষাপটে তৈরি। ছবির কেন্দ্রীয় চরিত্র ‘বুং’ নামের একটি ছোট স্কুলছাত্র। সে বিশ্বাস করে যে তার মায়ের জন্য সবচেয়ে সেরা উপহার হবে তার নিখোঁজ বাবাকে খুঁজে বের করে বাড়িতে ফিরিয়ে আনা। বাবাকে অনুসন্ধানের যাত্রাটিতে মণিপুরের সীমান্ত উত্তেজনা, জাতিগত পরিচয় এবং পারিবারিক ভাঙন ও পুনর্মিলনের এক গভীর অনুভূতির মধ্য দিয়ে এগিয়ে যায় সিনেমার (BAFTA) গল্প।

    পরিচালকের আবেগঘন বার্তা

    পুরস্কার গ্রহণের সময় পরিচালক লক্ষ্মীপ্রিয়া দেবী মণিপুরে শান্তি ফিরিয়ে আনার জন্য এক আবেগপূর্ণ আবেদন জানান। তিনি বলেন, “আমরা প্রার্থনা করি মণিপুরে যেন শান্তি ফিরে আসে। আমরা প্রার্থনা করি যেসমস্ত শিশু বাস্তুচ্যুত হয়েছে, এমনকি এই ছবির শিশু শিল্পীরাও যেন তাদের আনন্দ, শৈশব এবং স্বপ্ন আবার ফিরে পায়।”

    অভিনয় শিল্পী

    ছবিটিতে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন গুগুন কিপগেন (বুং চরিত্রে) এবং বালা হিজাম। গুগুন কিপগেনের অভিনয় সমালোচকদের দ্বারা বিশেষভাবে প্রশংসিত হয়েছে। বাফটা পুরস্কারের মঞ্চে বলিউডের অভিনেত্রী আলিয়া ভাটও উপস্থিত ছিলেন একজন উপস্থাপক হিসেবে। এই জয় মণিপুরী শিল্প ও সংস্কৃতির পাশাপাশি ভারতীয় আঞ্চলিক চলচ্চিত্রের জন্য এক বিশাল আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি (Boong) হিসেবে দেখা হচ্ছে। মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী ওয়াই খেমচাঁদ সিং এই সাফল্যকে গোটা দেশের জন্য গর্বের মুহূর্ত হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

  • PM Modi: বঙ্গে আসন্ন নির্বাচন, রাজ্যবাসীকে বাংলায় খোলা চিঠি প্রধানমন্ত্রীর, দিলেন ‘বিকশিত পশ্চিমবঙ্গ’ গড়ার ডাক

    PM Modi: বঙ্গে আসন্ন নির্বাচন, রাজ্যবাসীকে বাংলায় খোলা চিঠি প্রধানমন্ত্রীর, দিলেন ‘বিকশিত পশ্চিমবঙ্গ’ গড়ার ডাক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুয়ারে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার নির্বাচন। তার আগে রাজ্যের ২৯৪টি বিধানসভা কেন্দ্রে ‘পরিবর্তন যাত্রা’ করবে বিজেপি। এরপর ব্রিগেডে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) জনসভা থেকে বিধানসভা ভোটের ভেরি বাজাতে চাইছে গেরুয়া শিবির। পরিবর্তন যাত্রার সূচনা করতে মার্চের প্রথম সপ্তাহেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন, রাজনাথ সিং, দেবেন্দ্র ফড়ণবীশ, শিবরাজ সিং চৌহান, নিতিন গড়করি, স্মৃতি ইরানির মতো হেভিওয়েটরা রাজ্যে আসবেন (Assembly Polls)। এহেন আবহেই বঙ্গবাসীর উদ্দেশে খোলা চিঠি লিখলেন প্রধানমন্ত্রী। ওই চিঠিতে রাজ্যের উন্নয়ন, আইন-শৃঙ্খলা এবং কল্যাণমূলক প্রকল্পের বিষয়গুলি তুলে ধরেছেন প্রধানমন্ত্রী। হিন্দি এবং বাংলা ভাষায় লেখা চিঠিতে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন যে ‘সোনার বাংলার’ স্বপ্ন দেখেন এমন প্রত্যেকেই কষ্ট পাচ্ছেন।

    রাজ্যের ভবিষ্যৎ (PM Modi)

    চিঠিতে তিনি বলেছেন, আগামী মাসগুলিতে রাজ্যের ভবিষ্যৎ নির্ধারিত হবে এবং এই সিদ্ধান্ত জনগণের ওপর নির্ভর করে। রাজ্যকে উন্নত ও সমৃদ্ধ করতে তাঁর সংকল্পের কথা ফের একবার মনে করিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী। রাজ্যবাসীকে উন্নয়ন যাত্রায় অংশগ্রহণের জন্য আবেদন করেছেন। প্রধানমন্ত্রী তাঁর চিঠিটি মা কালীর প্রশংসা দিয়ে শুরু করেছেন। তিনি লিখেছেন যে পশ্চিমবঙ্গের ভূমি দেশকে অনেক মহান ব্যক্তিত্ব দিয়েছে। ওই চিঠিতে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, গত ১১ বছরে কেন্দ্রীয় সরকার জনকল্যাণ ও সামগ্রিক উন্নয়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছে। কৃষক, যুবক, মহিলা এবং দরিদ্রদের জন্য চালু করা প্রকল্পগুলি ইতিবাচক ফল দিয়েছে। তাঁর দাবি, রাজ্য সরকারের অসহযোগিতা সত্ত্বেও, কেন্দ্রীয় সরকারের বেশ কয়েকটি প্রকল্পের সুবিধা পশ্চিমবঙ্গের লাখ লাখ মানুষের কাছে পৌঁছে দিচ্ছে। জন-ধন-যোজনার আওতায় লাখ লাখ মানুষ ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন (Assembly Polls)। তিনি বলেন, “কেন্দ্রীয় সরকার ক্ষুদ্র ব্যবসা এবং শিল্পকে ঋণের সুবিধা দিয়েছে, সুযোগ বৃদ্ধি করেছে কর্মসংস্থানের (PM Modi)।”

    উন্নত বাংলার প্রতিশ্রুতি

    প্রধানমন্ত্রী জানান, তিনি বাংলাকে উন্নত ও সমৃদ্ধ করার প্রতিশ্রুতি নিয়েছেন। বাংলার মা ও বোনেরা নিরাপদ নন। অবৈধ অভিবাসন এবং মহিলাদের বিরুদ্ধে হিংসা রাজ্যকে কলঙ্কিত করেছে। সংকীর্ণ ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতি, হিংসা এবং অরাজকতার মধ্যে জড়িয়ে পড়েছে রাজ্য। ভুয়ো ভোটাররা আস্তানা গেড়েছে। এই অবৈধ অভিবাসন থেকে নিজেদের মুক্ত করতে হবে আমাদের, অনুসরণ করতে হবে সুশাসন। ওই চিঠিতেই প্রধানমন্ত্রী আরও লিখেছেন, স্বাধীনতার পরে পশ্চিমবঙ্গ শিল্প উন্নয়নে শীর্ষস্থান দখল করেছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক দশকগুলিতে পিছিয়ে পড়েছে। রাজনৈতিক হিংসা, দুর্নীতি এবং তোষণমূলক রাজনীতি রাজ্যের অগ্রগতির পথে অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। যুবসমাজের অভিবাসন এবং বিনিয়োগের অভাব নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)।

    মহান ব্যক্তিত্বদের প্রসঙ্গ

    ওই চিঠিতে প্রধানমন্ত্রী নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কথাও উল্লেখ করেছেন। তিনি লিখেছেন, মহান ব্যক্তিত্বদের আশীর্বাদপ্রাপ্ত বাংলার ভূমির একটি নতুন দিকনির্দেশনা প্রয়োজন। তিনি রাজ্যের উন্নয়নের জন্য তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের কথাও স্মরণ করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আয়ুষ্মান ভারতের মতো কেন্দ্রীয় সরকারের প্রকল্পগুলি স্বাস্থ্যসেবা, দরিদ্রদের জন্য আবাসন এবং মহিলাদের সুরক্ষাকে অগ্রাধিকার দিয়েছে। তিনি নাগরিকত্ব সংশোধন আইনের মাধ্যমে শরণার্থীদের নাগরিকত্ব প্রদানের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন (Assembly Polls)।

    ‘বিকশিত পশ্চিমবঙ্গ’

    চিঠির শেষে প্রধানমন্ত্রী জনগণকে ‘বিকশিত পশ্চিমবঙ্গ’ গড়ে তোলার জন্য এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “২০২৬ সালের মধ্যে রাজ্যকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়াই লক্ষ্য।” প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “আমার স্বপ্নের সোনার বাংলার নারী, পুরুষ ও শিশুরা চরম বঞ্চনার শিকার। তাঁদের কষ্ট, যন্ত্রণা, বঞ্চনা আমার হৃদয়কে ভারাক্রান্ত করছে।” তিনি জানান, অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে তিনি পশ্চিমবঙ্গকে সমৃদ্ধ ও উন্নত রাজ্যে রূপান্তরিত করার শপথ নিয়েছেন। তাঁর বার্তা, “উন্নয়ন ও পরিবর্তনের পথে রাজ্যকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে (PM Modi)।”

    বিকশিত বাংলা গড়ার অঙ্গীকার

    চিঠিতে প্রধানমন্ত্রী বিকশিত বাংলা গড়ার অঙ্গীকারও করেন। বলেন, রাজ্যে নতুন কর্মসংস্থান ও জনজীবন উন্নয়নে তিনি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আসন্ন নির্বাচনে বিজেপিকে সমর্থন করার আহ্বানও জানান প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য, পশ্চিমবঙ্গের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে রাজ্যের মানুষের সিদ্ধান্তের ওপরেই। তাঁর অভিযোগ, সীমান্তবর্তী রাজ্য হিসেবে পশ্চিমবঙ্গে অনুপ্রবেশের সমস্যা গুরুতর আকার নিয়েছে। শুধু তাই নয়, এই সমস্যা রাজ্যের নিরাপত্তা ও জনজীবনে প্রভাব ফেলছে। তিনি বলেন, “নারী-সুরক্ষা নিশ্চিত করা বিজেপির অন্যতম প্রধান প্রতিশ্রুতি (Assembly Polls)। আগামী প্রজন্মের ভবিষ্যৎ কোন পথে এগোবে, তা নির্ভর করছে মানুষের বিবেচনাপ্রসূত সিদ্ধান্তের ওপর (PM Modi)।”

     

  • Violence: অশান্ত মেক্সিকোয় বসবাসকারী ভারতীয়দের নিরাপদে থাকার পরামর্শ বিদেশমন্ত্রকের

    Violence: অশান্ত মেক্সিকোয় বসবাসকারী ভারতীয়দের নিরাপদে থাকার পরামর্শ বিদেশমন্ত্রকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে, অপ্রয়োজনীয় চলাফেরা কমাতে এবং ভিড় এড়িয়ে চলার অনুরোধ করেছে মেক্সিকোয় থাকা ভারতীয় দূতাবাস। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সমর্থিত এক সামরিক অভিযানে মেক্সিকোর মাদক সম্রাট নেমেসিও ওসেগেরা, যিনি ‘এল মেনচো’ নামে পরিচিত, নিহত হওয়ার পর মেক্সিকোর একাধিক প্রদেশে হিংসা (Violence) ছড়িয়ে পড়েছে। তার প্রেক্ষিতেই এই সতর্কতা জারি করা হয়।

    এল মেনচোর মৃত্যু (Violence)

    এল মেনচোর মৃত্যুর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তার (EL Manchos Death) সমর্থক সন্দেহভাজন কার্টেল সদস্য ও সশস্ত্র দুষ্কৃতীরা সারা দেশে জাতীয় সড়ক অবরোধ করে। রবিবার তারা যানবাহন ও দোকানদানিতে আগুন লাগিয়ে দেয়। এক্স হ্যান্ডেলে প্রকাশিত বার্তায় ভারতীয় দূতাবাস জালিস্কো প্রদেশের (পুয়ের্তো ভালার্তা, চাপালা ও গুয়াদালাহারা এলাকা), তামাউলিপাস প্রদেশের (রেইনোসা ও অন্যান্য পৌর এলাকা), মিচোয়াকান, গুয়েরেরো এবং নুয়েভো লেওন প্রদেশে বসবাসরত ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপত্তা অভিযান, অপরাধমূলক তৎপরতা এবং সড়ক অবরোধের কারণে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে। দূতাবাস তাদের হেল্পলাইন নম্বর প্রকাশ করেছে। আপডেটেড তথ্যের জন্য স্থানীয় সংবাদমাধ্যম অনুসরণ করতে ও জরুরি পরিস্থিতিতে ৯১১ নম্বরে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

    মোস্ট ওয়ান্টেড মাদক পাচারকারী

    কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, বিশ্বের অন্যতম মোস্ট ওয়ান্টেড মাদক পাচারকারী এল মেনচো জালিস্কোতে মার্কিন সমর্থিত সামরিক অভিযানের সময় গুরুতর জখম হন এবং পরে মেক্সিকো সিটিতে বিমানে করে নিয়ে যাওয়ার পথে মৃত্যু হয় তার (Violence)। এল মেনচোর বিরুদ্ধে অভিযানটি চালানো হয় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের বাড়তে থাকা চাপের প্রেক্ষাপটে, যেখানে মেক্সিকোকে মাদক পাচার দমনে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হচ্ছিল। ওয়াশিংটন সরাসরি হস্তক্ষেপের সম্ভাবনাও উত্থাপন করেছিল। ওসেগেরার অপরাধ সাম্রাজ্য—জালিস্কো নিউ জেনারেশন কার্টেল (সিজেএনজি)—গত এক দশকে মেক্সিকোর সবচেয়ে শক্তিশালী সংগঠিত অপরাধ চক্রে পরিণত হয়েছে এবং আমেরিকায় কোকেন, মেথঅ্যামফেটামিন ও ফেন্টানিলসহ অবৈধ মাদকের অন্যতম প্রধান সরবরাহকারী হিসেবেও বিবেচিত হয়েছে।

    একাধিক প্রদেশে আছড়ে পড়ে হিংসার ঢেউ

    এল মেনচোর মৃত্যুর পর একাধিক প্রদেশে আছড়ে পড়ে হিংসার ঢেউ। কার্টেল সদস্যরা নিরাপত্তা বাহিনী ও জনপরিকাঠামোর ওপর পাল্টা হামলা চালায়। সিজেএনজির এক সদস্য সংবাদমাধ্যমকে জানান, ওসেগুয়েরার হত্যার প্রতিশোধ হিসেবে এই হিংসা চালানো হয়েছে এবং প্রতিদ্বন্দ্বী গোষ্ঠীগুলি কার্টেলের নিয়ন্ত্রণ নিতে এগিয়ে আসায় আরও রক্তপাতের আশঙ্কা রয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই ব্যক্তি বলেন, “নেতার মৃত্যুর প্রতিশোধ হিসেবে প্রথমে সরকারের বিরুদ্ধে ও অসন্তোষের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে হামলা চালানো হয়। কিন্তু পরে কার্টেলের নিয়ন্ত্রণ নিতে অভ্যন্তরীণ সংঘর্ষও শুরু হবে।” জালিস্কোতে বন্দুকধারীরা ন্যাশনাল গার্ডের একটি সামরিক পুলিশ ঘাঁটিতে হামলা চালায়। কর্তৃপক্ষ বাসিন্দা ও পর্যটকদের হোটেলের ভেতরে থাকার পরামর্শ দেন। কিছু এলাকায় গণপরিবহণ বন্ধ করে দেওয়া হয় (EL Manchos Death)।

    মেক্সিকো–পুয়েবলা জাতীয় সড়ক

    অবরোধের জেরে কার্যত অচল হয়ে পড়ে মেক্সিকো–পুয়েবলা জাতীয় সড়ক। কোলিমা প্রদেশে সশস্ত্র কার্টেল সদস্যরা পিক-আপ ট্রাক নিয়ে রাস্তা বন্ধ করে দেয়। গুয়ানাহুয়াতো—যা সিজেএনজির শক্ত ঘাঁটি—সেখানে ২৩টি পুরসভা এলাকায় ৫৫টি হিংসার ঘটনার খবর আসে। ১৮ জন সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং সন্ধ্যার মধ্যে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে খবর। জালিস্কোর রাজধানী গুয়াদালাহারায় জ্বলন্ত গাড়ি ফেলে সড়ক অবরোধ করা হয়। বাসিন্দারা হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে সতর্কবার্তা ছড়িয়ে বাড়িতে থাকার আহ্বান জানান। পুয়ের্তো ভালার্তার মতো পর্যটনকেন্দ্রে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, আকাশে পাক খেয়ে উড়ছে ধোঁয়ার কুণ্ডলী। আতঙ্কিত যাত্রীরা বিমানবন্দরে দৌড়ঝাঁপ করছেন (Violence)।

    হিংসার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ

    ট্রাকচালকদের জাতীয় সড়ক এড়িয়ে চলতে বা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত ডিপোয় ফিরে যেতে বলা হয়। ট্রাকিং শিল্পের এক সংগঠন হিংসার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে এবং চালকদের নিরাপদ জায়গায় আশ্রয় নেওয়ার অনুরোধ জানায় (EL Manchos Death)। জালিস্কোর গভর্নর পাবলো লেমুস নাভারো বাসিন্দাদের ঘরের ভেতরে থাকার আহ্বান জানান যতক্ষণ না শৃঙ্খলা ফিরছে। প্রেসিডেন্ট ক্লাউদিয়া শেইনবাউম এক্স হ্যান্ডেলে জানান, ‘ফেডারেল সরকার রাজ্য কর্তৃপক্ষের সঙ্গে পূর্ণ সমন্বয় বজায় রাখছে (Violence)।’

     

  • Murshidabad: সিম কার্ডের ওটিপি পাকিস্তানে পাচার! বহরমপুরে গ্রেফতার অভিযুক্ত, পশ্চিমবঙ্গ কি ভারতবিরোধিতার আখড়া হয়ে উঠল?

    Murshidabad: সিম কার্ডের ওটিপি পাকিস্তানে পাচার! বহরমপুরে গ্রেফতার অভিযুক্ত, পশ্চিমবঙ্গ কি ভারতবিরোধিতার আখড়া হয়ে উঠল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মালদার পর এবার মুর্শিদবাদ (Murshidabad)! পশ্চিমবঙ্গ কি জঙ্গি-ভারতবিরোধিতার আখড়া হয়ে উঠল? তা না হলে, কীভাবে একের পর এক ভারত বিরোধী কার্যকলাপ এরাজ্যে ঘটে চলেছে? এরাজ্যে এসে বড়সড় নাশকতার ষড়যন্ত্র ফাঁস করেছে দিল্লি পুলিশ। মালদা থেকে দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল ২ জনকে গ্রেফতার করেছে। এই ঘটনার মধ্যে মুর্শিদাবাদে দুই যুবকের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির (Pakistani Spy) অভিযোগ প্রকাশ্যে এসেছে। ইতিমধ্যে দুই যুবককে গ্রেফতার করেছে বেঙ্গল এসটিএফ। তার মধ্যে একজনকে কিছুদিন আগেই গ্রেফতার করা হয়েছিল। এই অভিযুক্তকে জেরা করে সূত্র ধরে বহরমপুর থেকে অন্য আরেক যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃত যুবেকের নাম সুমন শেখ। অভিযোগ, তারা পাকিস্তানে সিম কার্ডের ওটিপি পাচার করত।

    চব্বিশ বছরের বয়সী যুবক (Murshidabad)

    জানা গিয়েছে, গত সপ্তাহে মুর্শিদাবাদের বাসিন্দা জুহাব শেখকে গ্রেফতার করেছিল এসটিএফ। এই অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদ করে চব্বিশ বছরের সুমনের নাম জানতে পারেন তদন্তকারী অফিসাররা। বহরমপুরের গির্জার মোড় এলাকা থেকে প্রথমে সুমনকে আটক করা হয়। এরপর তার বাড়িতে নিয়ে যান তদন্তকারীরা। ধৃত দুজনের বিরুদ্ধে ভারতীয় সিম কার্ডের ওটিপি পাকিস্তানে (Pakistani Spy) পাচার করার অভিযোগ রয়েছে। কোন অভিপ্রায়ে চলত ওটিপি পাচার? জানা গিয়েছে, সোশ্যাল মিডিয়ার দৌলতে বহু পাকিস্তানিদের সঙ্গে যোগ রয়েছে সুমনের। রবিবার সুমনকেও গ্রেফতার করা হয়। কার্যত পাকিস্তানি গুপ্তচর হিসাবেই কাজ করছিল এই যুবক। হোয়টসঅ্যাপে নম্বর ভেরিফিকেশনের জন্য যে ওটিপি আসে, তা পাকিস্তানে পাঠিয়ে দিত তারা। তাতে সেখানেই এই নম্বরে হোয়াটসঅ্যাপ খুলে যেত। আর এর বিনিময়ে তাদের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকত।

    হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট খুলত

    ধৃত সুমন শেখের পরিবারের তরফে বলা হয়েছে, ছেলে ডেলিভারির কাজ করত। তদন্তকারী অফিসারদের বক্তব্য, ধৃত দুই জনই সিম কার্ড বিক্রেতা। সাধারণ মানুষের নথি ব্যবহার করে সিম কার্ড দিত। এই নম্বর দিয়ে হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট খুলত। নম্বর ভেরিফাইয়ের জন্য যে ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড বা ওটিপি আসত সেগুলি পাকিস্তান হ্যান্ডেলারদের (Pakistani Spy) পাঠিয়ে দিত। তার বিনিয়ে মোটা অঙ্কের টাকা পেত। ওই সিমগুলি যারা ব্যবহার করে তাদের হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট চলে পাকিস্তান থেকে। ছেলে অপকর্মে গ্রেফতার হওয়ায় মা মেনকা বিবি বলেন, “বহরমপুরে ডেলিভারির কাজ করত। কিসের জন্য পুলিশ গ্রেফতার করেছে তা জানা নেই। জুহাবকে আগে ধরেছে পুলিশ। সেই আমার ছেলের নাম বলেছে। আমি চাই ছেলে ছাড়া পাক।” জানা গিয়েছে, সুমনের বাবা বহরমপুরে পরিযায়ী শ্রমিকের কাজ করেন। বর্তমানে তিনি বাড়িতে নেই। জেঠু গোলাম হোসেন বলেন, “সুমনকে কোথায় নিয়ে গিয়েছে আমরা জানি না, আমাদের পুলিশ কিছু বলেনি। আমরা বহরমপুরে গিয়েছিলাম।”

    কলকাতায় বাড়ি ভাড়া নিয়েছে

    এর আগে দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল মালদা থেকে ২ জন জঙ্গিকে গ্রেফতার করেছে। ধৃতদের নাম উমর ফারুক এবং রবিউল ইসলাম। উমর মালদার বাসিন্দার কিন্তু রবিউল বাংলাদেশি। প্রত্যেকেই লস্করের সদস্য। এছাড়া তামিলনাড়ু থেকে গ্রেফতার হয়েছে মিজানুর রহমান, মহম্মদ শব্বত, উমর, মহম্মদ লিটন, মহম্মদ শহিদ ও মহম্মদ উজ্জ্বল। উল্লেখ্য এরা সবাই বাংলাদেশি। শাব্বির আহমেদ লোন নামে একজন হ্যান্ডলার নির্দেশে বাংলাদেশ থেকে ভারতে ঢুকে জঙ্গি কর্মকাণ্ডের ছক করেছিল তারা। এই শাব্বির লোন হল কাশ্মীরি। ২০০৭ সালে এক আত্মঘাতী হামলার মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছিল। ২০১৯ সালে জেল থেকে ছাড়া পেয়ে বাংলাদেশে পালিয়ে যায়। এরপর সেখানে গিয়ে ঘাঁটি গড়ে তোলে। সম্প্রতি কলকাতায় বাড়ি ভাড়া নিয়েছে। বড়সড় এক জঙ্গি হামলার পরিকল্পনা করছিল এই শব্বির। আর সেই ছকের ঘুঁটি ছিল এই বাংলাদেশি জঙ্গিরা (Pakistani Spy)।

    উল্লেখ্য গত কয়েক মাস আগেই ওয়াকফের নামে ধুলিয়ান, সামশেরগঞ্জে কট্টরপন্থী মুসলিমরা হিন্দু সাম্প্রদায়ের উপর ব্যাপক ভাবে হিংসার ঘটনা ঘটায়। গত কয়েক মাসে আল কায়দা, আইএসআই, জেএমবি, লস্কর, পিএফআই সহ একাধিক জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত বেশকিছু জঙ্গিদের গ্রেফতার করা হয়েছে। সম্প্রতি এই জেলায় জঙ্গিদের ধরপাকড়ের ঘটনায় রাজ্যের নিরাপত্তা এবং সুরক্ষার বিষয়ে অত্যন্ত চিন্তা এবং উদ্বেগের চিত্র সামনে এসেছে।

  • Delhi Court: “প্রতিবাদের নামে জাতীয় স্বার্থ ক্ষুণ্ণ করা যাবে না”, এআই সামিটে বিক্ষোভকারীদের তোপ আদালতের

    Delhi Court: “প্রতিবাদের নামে জাতীয় স্বার্থ ক্ষুণ্ণ করা যাবে না”, এআই সামিটে বিক্ষোভকারীদের তোপ আদালতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “প্রতিবাদের নামে জাতীয় স্বার্থ ক্ষুণ্ণ করা যাবে না।” এমনই পর্যবেক্ষণ করে এআই সামিটে (AI Summit Disruption) বিক্ষোভকারী কংগ্রেস কর্মীদের তোপ দিল্লি আদালতের (Delhi Court)। দিল্লির একটি আদালত বলেছে, ‘‘বিশ্বব্যাপী গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্টেকে বিঘ্ন ঘটাতে সক্ষম এমন অপকর্মে কঠোর তদারকি এবং পদক্ষেপ গ্রহণ করে তদন্ত প্রয়োজন।’’ উল্লেখ্য এই সামিটে কংগ্রেস কর্মীরা নিজের জামা খুলে ট্রাম্প-মোদির বিরুদ্ধে স্লোগান দিয়ে বিশ্বের কাছে ভারতের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করেছে।

    গুরুত্বের সাথে বিচার করতে হবে (Delhi Court)

    দিল্লির পাটিয়ালা হাউস আদালত (Delhi Court) জোর দিয়ে বলেছে, “গণতান্ত্রিক ভিন্নমত সুরক্ষিত থাকলেও, নিরাপত্তা ব্যবস্থা বা বিদেশি প্রতিনিধিদের সামনে ভারতের অবস্থানকে প্রভাবিত করে এমন কোনও আচরণ অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে বিচার করতে হবে।” কোর্টের ‘ফার্স্ট ক্লাস জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট’ এই মন্তব্যগুলি করেন। নয়াদিল্লির ভারত মণ্ডপমে আয়োজিত এআই (AI) সামিট-এ (AI Summit Disruption) বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া চার অভিযুক্তকে পাঁচ দিনের পুলিশ রিমান্ডে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়ার সময় আদালত এই পর্যবেক্ষণ দিয়েছে।

    আন্তর্জাতিক গুরুত্ব

    আদালত (Delhi Court) উল্লেখ করেছে, ভারত যখন এই ধরনের আন্তর্জাতিক সম্মেলনের আয়োজন করে, তখন সেখানে বিদেশি গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অংশ নেন এবং এটি বিশ্বমঞ্চে জাতির প্রতিনিধিত্ব করে। এই ধরনের স্থানে কোনও বিশৃঙ্খলা (AI Summit Disruption) কখনই কাম্য নয়। এটি কূটনৈতিক সম্পর্ক ও জাতীয় মর্যাদাকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

    সংবিধান ও অধিকার

    আদালত (Delhi Court) আরও জানিয়েছে, নাগরিকদের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের সাংবিধানিক অধিকার থাকলেও, সেই অধিকার সার্বভৌমত্ব, জনশৃঙ্খলা এবং রাষ্ট্রের নিরাপত্তার স্বার্থে যুক্তিসঙ্গত বিধিনিষেধের অধীন। সংবেদনশীল আন্তর্জাতিক ইভেন্টের সময় সরকারি কাজে হস্তক্ষেপ বা নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে বিপন্ন করে এমনভাবে প্রতিবাদ করার অনুমতি দেওয়া যায় না।

    ঘটনার প্রেক্ষাপট

    সরকারি কৌঁসুলির পক্ষে বলা হয়, অভিযুক্তরা ভারত-মার্কিন বাণিজ্য চুক্তির সমালোচনা করে স্লোগান লেখা টি-শার্ট পরে ভারত মণ্ডপমের উচ্চ-নিরাপত্তা বিশিষ্ট প্রাঙ্গণে প্রবেশ করেছিলেন এবং সম্মেলন চলাকালীন স্লোগান দিয়েছিলেন। কর্তব্যরত পুলিশ কর্মীরা তাদের সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলে তারা বাধা দেয় এবং আক্রমণ করেন। এই ঘটনায় পুলিশ কর্মকর্তারা আহত হয়েছেন এবং আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বিঘ্ন সৃষ্টি (AI Summit Disruption) হয়েছে। তদন্তের এই পর্যায়ে ইলেকট্রনিক ডিভাইস বিশ্লেষণ, যোগাযোগের উৎস খুঁজে বের করা এবং এই ঘটনার পিছনে কোনো আর্থিক মদত আছে কি না তা জানার জন্য অভিযুক্তদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন বলে সাফ জানিয়েছে আদালত (Delhi Court)।

  • Ramakrishna 588: “ঘোড়ার চক্ষের দুইদিকে ঠুলি না দিলে, ঘোড়া কি এগুতে চায়? রিপু বশ না হলে কি ঈশ্বরকে পাওয়া যায়?”

    Ramakrishna 588: “ঘোড়ার চক্ষের দুইদিকে ঠুলি না দিলে, ঘোড়া কি এগুতে চায়? রিপু বশ না হলে কি ঈশ্বরকে পাওয়া যায়?”

    ৫২ শ্যামপুকুর বাটীতে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    সপ্তম পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২২শে অক্টোবর
    যুগধর্ম কথাপ্রসঙ্গে—জ্ঞানযোগ ও ভক্তিযোগ

    ডাক্তার—কিন্তু বাপ ছেলের হাত ধরা ভাল নয়।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—তা নয়। মহাপুরুষদের বালক স্বভাব। ঈশ্বরের কাছে তারা সর্বদাই বালক, তাদের অহংকার থাকে না। তাদের সব শক্তি ঈশ্বরের শক্তি, বাপের শক্তি, নিজের কিছুই নয়। এইটি তাদের দৃঢ় বিশ্বাস (Kathamrita)।

    বিচারপথ ও আনন্দপথ—জ্ঞানযোগ ও ভক্তিযোগ

    ডাক্তার—আগে ঘোড়ার চক্ষের দুইদিকে ঠুলি না দিলে, ঘোড়া কি এগুতে চায়? রিপু বশ না হলে কি ঈশ্বরকে পাওয়া যায়?

    শ্রীরামকৃষ্ণ—তুমি যা বলছো, ওকে বিচারপথ বলে—জ্ঞানযোগ বলে। ও-পথেও ঈশ্বরকে পাওয়া যায়। জ্ঞানীরা বলে, আগে চিত্তশুদ্ধি হওয়া দরকার। আগে সাধন চাই, তবে জ্ঞান হবে।

    “ভক্তিপথেও তাঁকে পাওয়া যায়। যদি ঈশ্বরের পাদপদ্মে একবার ভক্তি হয়, যদি তাঁর নামগূনগান করতে ভাল লাগে (Kathamrita), ইন্দ্রিয় সংযম আর চেষ্টা করে করতে হয় না। রিপুবশ আপনা-আপনি হয়ে যায়।

    “যদি কারও পুত্রশোক হয়, সেদিন সে কি আর লোকের সঙ্গে ঝগড়া করতে পারে, না, নিমন্ত্রণে গিয়ে খেতে পারে? সে কি লোকের সামনে অহংকার করে বেড়াতে পারে, না, সুখ সম্ভোগ করতে পারে?

    “বাদুলে পোকা যদি একবার আলো দেখতে পায়, তাহলে কি সে আর অন্ধকারে থাকে? ডাক্তার (সহাস্যে)—তা পুড়েই মরুক সেও স্বীকার।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)— না গো! ভক্ত কিন্তু বাদুলে পোকার মতো পুড়ে মরে না। ভক্ত যে আলো দেখে ছুটে যায়, সে যে মণির আলো! মণির আলো খুব উজ্জ্বল বটে, কিন্তু স্নিগ্ধ আর শীতল। এ-আলোতে গা পুড়ে না, এ-আলোতে শান্তি হয়, আনন্দ হয়।

    জ্ঞানযোগ বড় কঠিন

    “বিচারপথে জ্ঞানযোগের পথে, তাঁকে পাওয়া যায়। কিন্তু এ-পথ বড় কঠিন। আমি শরীর নই, মন নই, বুদ্ধি নই। আমার রোগ নাই, শোক নাই, অশান্তি নাই; আমি সচ্চিদানন্দস্বরূপ, আমি সুখ-দুঃখের অতীত, আমি ইন্দ্রিয়ের বশ নই, এ-সব কথা মুখে বলা খুব সোজা। কাজে করা, ধারণা হওয়া বড় কঠিন। কাঁটাতে হাত কেটে যাচ্ছে, দরদর করে রক্ত পড়ছে, অথচ বলছি, কই কাঁটায় আমার হাত কাটে নাই, আমি বেশ আছি। এ-সব বলা সাজে না। আগে ওই কাঁটাকে জ্ঞানাগ্নিতে পোড়াতে হবে তো।”

    বইপড়া জ্ঞান বা পাণ্ডিত্য—ঠাকুরের শিক্ষাপ্রণালী

    “অনেকে মনে করে, বই না পড়ে বুঝি জ্ঞান হয় না, বিদ্যা হয় না। কিন্তু পড়ার চেয়ে শুনা ভাল, শুনার চেয়ে দেখা ভাল। কাশীর (Ramakrishna) বিষয় পড়া, কাশীর বিষয় শুনা, আর কাশীদর্শন অনেক তফাত।

  • Maoist Leaders: তেলঙ্গনা পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ দুই মাও শীর্ষ নেতার

    Maoist Leaders: তেলঙ্গনা পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ দুই মাও শীর্ষ নেতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রবীণ মাওবাদী নেতা দেবজি এবং মল্লা রাজু রেড্ডি, যিনি ‘সংগ্রাম’ নামেও পরিচিত, তেলঙ্গনা পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন। রবিবার একথা জানিয়েছেন ছত্তিশগড়ের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিজয় শর্মা। নকশালবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে এটিকে তিনি একটি বড় সাফল্য বলেই উল্লেখ করেন। সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে শর্মা জানান, বসভারাজুর পর দেবজি সাধারণ সম্পাদক পদে দায়িত্ব নেন এবং তিনি বহু বছর ধরে সক্রিয় ছিলেন। শর্মা বলেন, “প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বসভারাজুর পর সাধারণ সম্পাদক হওয়া দেবজি তেলঙ্গনা পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন।”

    শীর্ষ মাওবাদী নেতা (Maoist Leaders)

    তিনি আরও বলেন, “মল্লা রাজু রেড্ডিও ছত্তিশগড়ের আবুজমাড় অঞ্চলে এবং পার্শ্ববর্তী গড়চিরোলি এলাকায় বহু দশক ধরে সক্রিয় শীর্ষ মাওবাদী নেতাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন।” এই আত্মসমর্পণকে গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য আখ্যা দিয়ে শর্মা বলেন, “নকশালবিরোধী অভিযান এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। আমার বিশ্বাস, নকশালবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের শেষ পর্যায়ে আমরা পৌঁছে গিয়েছি। শীর্ষ পর্যায়ের মাত্র একজন নেতা বাকি রয়েছেন, যিনি অত্যন্ত বয়স্ক। তাঁকে বাদ দিলে আরও এক-দু’জন আছেন, কিন্তু তাঁরা এই দু’জনের মতো সক্রিয় নন। বাকি ব্যক্তিদের সঙ্গে ধারাবাহিকভাবে আলোচনা চলছে।”

    অভিযানের প্রসঙ্গ

    করেগুট্টায় চলমান অভিযানের প্রসঙ্গ তুলে শর্মা জানান, তল্লাশি অভিযানে নিরাপত্তা বাহিনী ৮৯টি আইইডি (তাৎক্ষণিক বিস্ফোরক যন্ত্র) উদ্ধার করেছে। তিনি বলেন, “সেখানে নকশালদের যে ঘাঁটি গড়ে উঠেছিল, তা ভেঙে পড়ার মুখে। আমরা সম্পূর্ণ আত্মবিশ্বাসী যে ২০২৬ সালের ৩১ মার্চের মধ্যেই নকশালবাদ সম্পূর্ণভাবে নির্মূল হবে।” এ পর্যন্ত অগ্রগতির জন্য তিনি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ প্রণীত কৌশল এবং মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণু দেব সাইয়ের দেওয়া কার্যকরী স্বাধীনতাকে কৃতিত্ব দেন।

     

LinkedIn
Share