Tag: Bengali news

Bengali news

  • Suvendu Adhikari: মধ্যমগ্রামে দুষ্কৃতীদের গুলিতে ঝাঁঝরা আপ্ত সহায়কের দেহ, কী বললেন শুভেন্দু?

    Suvendu Adhikari: মধ্যমগ্রামে দুষ্কৃতীদের গুলিতে ঝাঁঝরা আপ্ত সহায়কের দেহ, কী বললেন শুভেন্দু?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে গোহারা হেরেছে তৃণমূল। তার পরেও দাপট কমেনি গদি খোয়ানো, সদ্য ‘প্রাক্তন’ হয়ে যাওয়া মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের। যার ফের প্রমাণ মিলল বুধবার রাতে। এদিন গুলি করে খুন করা হয় বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) আপ্ত সহায়ককে। ওই রাতে মধ্যমগ্রামের দোহাড়িয়ার কাছে গাড়ি থামিয়ে চন্দ্রনাথ রথ নামের ওই আপ্ত সহায়ককে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি ছোড়া হয়। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তাঁর (Chandranath Rath)।

    পিএ খুনে কাঠগড়ায় তৃণমূল (Suvendu Adhikari)

    জানা গিয়েছে, বুধবার রাতে চন্দ্রনাথ (Chandranath Rath) যখন বারাসতের দিকে যাচ্ছিলেন, তখনই তাঁর গাড়ি থামিয়ে বাইক থেকে গুলি করা হয় বলে অভিযোগ। গুলি বুকের বাঁদিকে লাগে। হার্ট এফোঁড়-ওফোঁড় হয়ে যায়। বিজেপি নেতা অর্জুন সিং, শঙ্কুদেব পন্ডার দাবি, মৃত্যু নিশ্চিত করতে পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে পরপর গুলি করা হয়েছে চন্দ্রনাথকে। আপ্ত সহায়কের মর্মান্তিক পরিণতিতে মর্মাহত শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। ঘটনায় তৃণমূলের দিকেই আঙুল তুলেছেন বিজেপি নেতৃত্ব। এবার ওই ঘটনায় মুখ খুললেন শুভেন্দু। রাতেই হাসপাতালে পৌঁছন তিনি। পরে সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বিজেপি বিধায়কের অভিযোগ, পরিকল্পিতভাবে ঠান্ডা মাথায় খুন করা হয়েছে চন্দ্রনাথ রথকে। তিনি বলেন, “দু’তিনদিন ধরে রেকি করে পরিকল্পিতভাবে ঠান্ডা মাথায় খুন করা হয়েছে। এমনটাই জানিয়েছেন ডিজিপি। পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। মর্মন্তিক ঘটনা। আমরা ভাষা হারিয়ে ফেলেছি। আমরা শোকাহত। এই ঘটনার নিন্দা জানানোর মতো ভাষা আমাদের নেই। দিল্লি থেকে আমাদের সমগ্র নেতৃত্ব এই বিষয়ে খবর পেয়েছেন। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার মৃতের পরিবার এবং পুলিশের সঙ্গে কথা বলেছেন। বিভিন্ন নেতা এবং নব-নির্বাচিত বিধায়করা এখানে এসেছেন। তাঁরাও পরিবারের পাশে রয়েছেন। পুলিশ কিছু প্রমাণ পেয়েছে। তারা তদন্ত করবে।”

    মহাজঙ্গল রাজের ফল

    শুভেন্দু বলেন, “এটা ১৫ বছরের মহাজঙ্গল রাজের ফল… বিজেপি এখানে গুন্ডাদের নির্মূল করার কাজ শুরু করবে…”। দলীয় নেতা-কর্মীদেরও বার্তা দিয়েছেন শুভেন্দু। তাঁর আবেদন, কেউ যেন নিজের হাতে আইন হাতে তুলে না নেন। শান্তি বজায় রাখারও চেষ্টা করতে হবে। তিনি জানান, পুলিশের ওপর আস্থা রয়েছে তাঁদের। দোষীরা দ্রুত ধরা পড়বে বলে আশ্বস্ত করা হয়েছে পুলিশের তরফে (Suvendu Adhikari)। ওই ঘটনায় বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্তও কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি। এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখছে পুলিশ। শুভেন্দু জানান, কোনও একটা ক্লু পেয়েছে পুলিশ। সেটা ধরেই তদন্ত হচ্ছে। আততায়ীর খোঁজে তল্লাশি শুরু হয়েছে।

    কে এই চন্দ্রনাথ?

    শুভেন্দুর সঙ্গে চন্দ্রনাথের সম্পর্ক আট বছরের। তৃণমূলে থাকার সময় থেকেই ব্যক্তিগত পরিচয় ছিল তাঁদের। পরে শুভেন্দুর ব্যক্তিগত থেকে রাজনৈতিক সব কাজের তদারকির দায়িত্বে ছিলেন তিনি। শুভেন্দুর ফাইল বয়ে নিয়ে যাওয়া, তাঁর মিটিং-মিছিলের প্ল্যান করা – সবই করতেন চন্দ্রনাথ। বাংলায় নয়া সরকারের শপথ নেওয়ার আগেই দুষ্কৃতীদের গুলিতে ঝাঁঝরা হয়ে গেল সেই চন্দ্রনাথের দেহ।

    প্রাক্তন বায়ুসেনা কর্মী চন্দ্রনাথের বাড়ি পূর্ব মেদিনীপুরের পুলুপ এলাকার ঈশ্বরপুর ৫ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতে। রহড়া রামকৃষ্ণ মিশনে পড়াশোনা শেষ করার পর তিনি ভারতীয় বায়ুসেনায় যোগ দেন। দীর্ঘ ১৮ বছর চাকরি করার পর স্বেচ্ছাবসর নিয়ে কর্পোরেট সংস্থায় কাজ শুরু করেন। চন্দ্রনাথের পরিবারের সঙ্গে রাজনীতির সম্পর্ক বহু দিনের। শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূলে থাকাকালীন সময় থেকেই তাঁদের ব্যক্তিগত পরিচয় ছিল। শুভেন্দুর মতোই চন্দ্রনাথের পরিবারও এক সময় তৃণমূলের সঙ্গে যুক্ত ছিল। তাঁর মা হাসি রথ পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ ছিলেন। পরে তিনিও বিজেপিতে যোগ দেন।

    ২০১৯ সাল থেকে শুভেন্দুর আপ্ত-সহায়ক চন্দ্রনাথ

    ২০১৯ সালে শুভেন্দু অধিকারী রাজ্যের মন্ত্রী হওয়ার পর জলসম্পদ দফতরে চন্দ্রনাথকে আপ্তসহায়ক হিসেবে নিয়োগ করা হয়। পরবর্তীতে শুভেন্দু বিজেপিতে যোগ দিলে, তখন থেকেই তাঁর ঘনিষ্ঠ সহকারী হিসেবে কাজ করতে থাকেন চন্দ্রনাথ। ধীরে ধীরে তিনি শুভেন্দুর অন্যতম আস্থাভাজন হয়ে ওঠেন। ২০২৬ সালের নির্বাচনী প্রক্রিয়ার সময় চন্দ্রনাথ নন্দীগ্রামেও সক্রিয়ভাবে কাজ করেছেন। শুভেন্দু অধিকারী বিরোধী দলনেতা হওয়ার পর কলকাতায় তাঁর বিভিন্ন সাংগঠনিক ও ব্যক্তিগত কাজের তদারকির দায়িত্বও সামলাতেন চন্দ্রনাথ। চণ্ডীপুরের বাড়িতে বর্তমানে রয়েছেন তাঁর পরিবারের সদস্যরা, বিশেষ করে মা হাসি রথ।

     

  • Ramakrishna 640: “চতুর্দিক নিস্তব্ধ, কেবল বসন্তানিলস্পর্শে বৃক্ষপত্রের শব্দ হইতেছে, উপরের হলঘরে ঠাকুর শুইয়া আছেন, ভারী অসুস্থ,—নিদ্রা নাই”

    Ramakrishna 640: “চতুর্দিক নিস্তব্ধ, কেবল বসন্তানিলস্পর্শে বৃক্ষপত্রের শব্দ হইতেছে, উপরের হলঘরে ঠাকুর শুইয়া আছেন, ভারী অসুস্থ,—নিদ্রা নাই”

    ৫৩ কাশীপুর বাগানে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    সপ্তম পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৬, ১৪ই মার্চ
    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ কাশীপুরের বাগানে সাঙ্গোপাঙ্গসঙ্গে
    ভক্তের জন্য শ্রীরামকৃষ্ণের দেহধারণ

    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) কাশীপুরের বাগানে রহিয়াছেন। সন্ধ্যা হইয়া গিয়াছে। ঠাকুর অসুস্থ। উপরের হলঘরে উত্তরাস্য হইয়া বসিয়া আছেন। নরেন্দ্র ও রাখাল দুইজনে পদসেবা করিতেছেন, মণি কাছে বসিয়া আছেন। ঠাকুর ইঙ্গিত করিয়া তাহাকে পদসেবা করিতে বলিলেন। মণি পদসেবা করিতেছেন।

    আজ রবিবার, ১৪ই মার্চ, ১৮৮৬; ২রা চৈত্র, ফাল্গুন শুক্লা নবমী। গত রবিবারে ঠাকুরের জন্মতিথি উপলক্ষে বাগানে পূজা হইয়া গিয়াছে। গত বর্ষে জন্মমহোৎসব দক্ষিণেশ্বর-কালীবাড়িতে খুব ঘটা করিয়া হইয়াছিল। এবার তিনি অসুস্থ। ভক্তেরা বিষাদসাগরে ডুবিয়া আছেন। পূজা হইল। নামমাত্র উৎসব হইল।

    ভক্তেরা সর্বদাই বাগানে উপস্থিত আছেন ও ঠাকুরের সেবা করিতেছেন। শ্রীশ্রীমা ওই সেবায় নিশিদিন নিযুক্ত। ছোকরা ভক্তেরা অনেকেই সর্বদা থাকেন, নরেন্দ্র, রাখাল, নিরঞ্জন, শরৎ, বাবুরাম, যোগীন, কালী, লাটু প্রভৃতি।

    বয়স্ক ভক্তেরা মাঝে মাঝে থাকেন ও প্রায় প্রত্যহ আসিয়া ঠাকুরকে দর্শন করেন বা তাঁহাঁর সংবাদ লইয়া যান। তারক, সিঁথির গোপাল, ইঁহারা সর্বদা থাকেন। ছোট গোপালও থাকেন।

    ঠাকুর (Ramakrishna) আজও বিশেষ অসুস্থ (Kathamrita)। রাত্রি দুই প্রহর। আজ শুক্ল পক্ষের নবমী তিথি, চাঁদের আলোয় উদ্যানভূমি যেন আনন্দময় হইয়া রহিয়াছে। ঠাকুরের কঠিন পীড়া, — চন্দ্রের বিমলকিরণ দর্শনে ভক্তহৃদয়ে আনন্দ নাই। যেমন একটি নগরীর মধ্যে সকলই সুন্দর, কিন্তু শত্রুসৈন্য অবরোধ করিয়াছে। চতুর্দিক নিস্তব্ধ, কেবল বসন্তানিলস্পর্শে বৃক্ষপত্রের শব্দ হইতেছে। উপরের হলঘরে ঠাকুর শুইয়া আছেন। ভারী অসুস্থ, — নিদ্রা নাই। দু-একটি ভক্ত নিঃশব্দে কাছে বসিয়া আছেন — কখন কি প্রয়োজন হয়। এক-একবার তন্দ্রা আসিতেছে ও ঠাকুরকে নিদ্রাগতপ্রায় বোধ হইতেছে।

    এ কি নিদ্রা না মহাযোগ? ‘যস্মিন্‌ স্থিতো ন দুঃখেন গুরুণাপি বিচাল্যতে!’ এ কি সেই যোগাবস্থা?

    মাস্টার কাছে বসিয়া আছেন। ঠাকুর ইঙ্গিত করিয়া আরও কাছে আসিতে বলিতেছেন। ঠাকুরের কষ্ট দেখিলে পাষাণ বিগলিত হয়! মাস্টারকে আস্তে আস্তে অতি কষ্টে বলিতেছেন — “তোমরা কাঁদবে বলে এত ভোগ করছি — সব্বাই যদি বল যে — ‘এত কষ্ট, তবে দেহ যাক’ — তাহলে দেহ যায়!”

    কথা শুনিয়া ভক্তদের হৃদয় বিদীর্ণ হইতেছে (Kathamrita)। যিনি তাঁহাদের পিতা মাতা রক্ষাকর্তা তিনি এই কথা বলিতেছেন! — সকলে চুপ করিয়া আছেন। কেহ ভাবিতেছেন, এরই নাম কি Crucifixation! ভক্তের জন্য দেহ বিসর্জন!

    গভীর রাত্রি। ঠাকুরের অসুখ আরও যেন বাড়িতেছে! কি উপায় করা যায়? কলিকাতায় লোক পাঠানো হইল। শ্রীযুক্ত উপেন্দ্র ডাক্তার আর শ্রীযুক্ত নবগোপাল কবিরাজকে সঙ্গে করিয়া গিরিশ সেই গভীর রাত্রে আসিলেন।

    ভক্তেরা কাছে বসিয়া আছেন। ঠাকুর একটু সুস্থ হইতেছেন। বলিতেছেন, “দেহের অসুখ, তা হবে, দেখছি পঞ্চভূতের দেহ!”

    গিরিশের দিকে তাকাইয়া বলিতেছেন, “অনেক ঈশ্বরীয় রূপ দেখেছি! তার মধ্যে এই রূপটিও (নিজের মূর্তি) দেখছি!”

  • Security Reduced: এবার ‘ভাতিজা’র বাড়ি থেকে সরিয়ে নেওয়া হল দৈত্যাকার স্ক্যানার, ‘শান্তিনিকেতনে’ ফস্কা গেরো

    Security Reduced: এবার ‘ভাতিজা’র বাড়ি থেকে সরিয়ে নেওয়া হল দৈত্যাকার স্ক্যানার, ‘শান্তিনিকেতনে’ ফস্কা গেরো

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘বুয়া’র পর এবার ‘ভাতিজা’! তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাইপো অভিষেকের (Abhishek Banerjee) প্রাসাদোপম বাড়ি ‘শান্তিনিকেতন’ থেকে সরিয়ে নেওয়া হল পুলিশের (Security Reduced) অতিকায় স্ক্যানার। পুলিশি নিরাপত্তা সংক্রান্ত যেসব সামগ্রী ছিল ‘ভাইপো’র বাড়িতে, সে সবও সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, অভিষেকের বাড়িতে যে স্ক্যানার বসানো ছিল, সেই মানের স্ক্যানার বসানো থাকে বিমানবন্দর, রেলস্টেশন কিংবা বড় কোনও প্রতিষ্ঠানে। বুধবার দুপুরে মোটা দড়ি দিয়ে বেঁধে শান্তিনিকেতন থেকে নীচে নামানো হয়েছে সেই দৈত্যাকার স্ক্যানার।

    নিরাপত্তার ‘বিলাসিতা’ নেই শান্তিনিকেতনে (Security Reduced)

    প্রসঙ্গত, সোমবার ফল প্রকাশ হয়েছে বিধানসভা নির্বাচনের। এদিনই জানা যায়, ২০০-এর বেশি আসন নিয়ে ক্ষমতায় আসতে চলেছে বিজেপি। হেরে গিয়েছেন জেনেও বুধবার দুপুর পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা দেননি মমতা। মঙ্গলবার রাতেও পুলিশি প্রহরা ছিল ১৮৮এ, হরিশ মুখার্জি স্ট্রিটের শান্তিনিকেতনে। বুধবার দুপুরে দেখা গেল, শান্তিনিকেতনের সামনে কোনও বাড়তি নিরাপত্তা নেই। বাড়ির সামনে যে পুলিশ বুথটি রয়েছে, সেটিও ফাঁকা। পুলিশের কুইক রেসপন্স টিমের একটি গাড়ি অবশ্য দাঁড়িয়ে ছিল বাড়ির সামনে। স্থানীয় থানার এক পুলিশকর্মীকে ‘রাউন্ড’ দিতেও দেখা গেল তৃণমূল সাংসদ অভিষেকের বাড়ির সামনে। সূত্রের খবর, একজন সাংসদ হিসেবে যতটা নিরাপত্তা পাওয়া প্রয়োজন, সেইটুকুই পাবেন অভিষেক (Abhishek Banerjee)।

    পালাবদলের ছবি!

    রাজ্যে পালাবদলের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই মমতার বাড়ি যাওয়ার পথে থাকা ‘সিজ়ারস ব্যারিকেড’ সরিয়ে নেওয়া (Security Reduced) হয়। পরে লালবাজার থেকে বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানানো হয়, বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে বাড়তি কোনও নিরাপত্তা থাকবে না। তবে এক জন ‘প্রাক্তন’ মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে প্রোটোকল অনুযায়ী যতটা নিরাপত্তা পাওয়ার কথা, ততটাই পাবেন মমতা। শেক্সপিয়র সরণি থানার অধীনে ৯, ক্যামাক স্ট্রিটে রয়েছে অভিষেকের কার্যালয়। তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ডের দফতর এখানে তৈরি হওয়ার পর থেকে নিরাপত্তার কড়া বলয়ে মুড়ে ফেলা হয়েছিল এলাকা (Abhishek Banerjee)। সেখান থেকেও সরিয়ে নেওয়া হয় নিরাপত্তা। এবার অতিরিক্ত পুলিশি প্রহরা সরিয়ে নেওয়া হল শান্তিনিকেতনের সামনে থেকেও। কয়েকজন (Security Reduced) নিন্দুকের সরস মন্তব্য, নামকরণ সার্থক হল অভিষেকের বাড়ির!

     

  • TMC Violence: পদ্মের দখলে রাজ্য, তার পরেও বঙ্গে অত্যাচার চালাচ্ছে তৃণমূল! নিহত ২ বিজেপি কর্মী

    TMC Violence: পদ্মের দখলে রাজ্য, তার পরেও বঙ্গে অত্যাচার চালাচ্ছে তৃণমূল! নিহত ২ বিজেপি কর্মী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভবানীপুরে শুভেন্দু অধিকারীর কাছে ‘বধ’ হয়েও মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা দেননি তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়! বস্তত, গোটা রাজ্যেই মুখ থুবড়ে পড়েছে বন্দ্যোপাধ্যায় পরিবারের পারিবারিক প্রতিষ্ঠান তৃণমূল। প্রত্যাশিতভাবেই ২০০-এরও বেশি বিধায়ক নিয়ে সরকার গড়ার দাবিদার বিজেপি (BJP Workers Killed)। এহেন আবহে রাজ্যে অশান্তি পাকাতে শুরু করে দিয়েছে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা (TMC Violence)। বিজেপির তরফে প্রথম থেকেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল, বদলা নয়, বদল চাই। তার পরেও দলনেত্রীর মতোই মাজা ভাঙলেও, মচকায়নি তৃণমূলের জার্সিধারীরা।

    হাওড়ায় বিজেপি কর্মী খুন (TMC Violence)

    রাজ্যজুড়ে বিজেপি নেতা-কর্মীদের ওপর বিক্ষিপ্ত হামলা চালাতে শুরু করেছে গোহারা হেরে যাওয়া তৃণমূলের লোকজন। মঙ্গলবার সকালে হাওড়ার উদয়নারায়ণপুরে বিজেপির এক কর্মীকে পিটিয়ে খুন করার অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। গ্রেফতার করা হয়েছে অভিযুক্তকে। স্থানীয় ও বিজেপি সূত্রে খবর, মৃতের নাম যাদব বর। বিজেপির জয়ের আনন্দে সোমবার রাতে আবির খেলায় মেতেছিলেন তিনি। তার পরেই তাঁকে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা খুন করেছে বলে অভিযোগ। বিজেপির এই কর্মীর বাড়ি উদয়নারায়ণপুর বিধানসভার দেবীপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ১৪৮ নম্বর বুথ এলাকায়। তাঁর পরিবার জানিয়েছে, যাদব বিজেপির সমর্থক ছিলেন। বিজেপির জয়ের আনন্দ দলের সতীর্থদের সঙ্গে উদ্‌যাপন করছিলেন তিনি। সোমবার রাত ১১টা নাগাদ বাড়ি ফিরছিলেন। সেই সময় তাঁকে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যান কয়েকজন। ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে মারা হয় বিজেপির ওই কর্মীকে।

    নিউটাউনেও পিটিয়ে খুন, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    মঙ্গলবারই নিউটাউনের বালিগড়ি চক পাচুড়িয়া এলাকায় বিজেপি কর্মী মধু মণ্ডলকে পিটিয়ে খুনের অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। অনিচ্ছাকৃত খুনের মামলা দায়ের করে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ (BJP Workers Killed)। যদিও ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত কমল মণ্ডল পলাতক। জানা গিয়েছে, পুনর্গণনার পরে রাজারহাট-নিউটাউন বিধানসভা কেন্দ্রে ৩১৬ ভোটে জয়ী হন বিজেপির পীযূষ কানোরিয়া (TMC Violence)। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে খবর, এর পরেই মধু দলবল নিয়ে স্থানীয় তৃণমূল নেতা এবং পঞ্চায়েত কমিটির সদস্য কমল মণ্ডলের বাড়িতে চড়াও হয় বলে অভিযোগ। ওই সময় কমল বাড়িতে ছিলেন না। বিকেলে মধু ফের উজিয়ে কমলের বাড়িতে গিয়ে হুমকি দেয় বলে অভিযোগ। মধুর হুমকি শুনে বেরিয়ে আসেন কমল। শুরু হয় কথা কাটাকাটি। এক সময় ওই তৃণমূল নেতা মধুকে ধাক্কা মারে বলে অভিযোগ। টাল সামলাতে না পেরে পড়ে যান ওই বিজেপি কর্মী। তখন সে মধুর বুকে সজোরে লাথি মারে বলে অভিযোগ। সঙ্গে সঙ্গে জ্ঞান হারান মধু। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে মৃত ঘোষণা করা হয় তাঁকে। খবর পেয়ে রাতেই মধুর বাড়িতে যান বিজেপির সদ্য নির্বাচিত বিধায়ক পীযূষ কানোরিয়া। কথা বলেন মৃতের পরিবারের সঙ্গে। সব রকমভাবে পাশে থাকার আশ্বাস দেন তিনি। বিজেপি কর্মী অরূপ মণ্ডল বলেন, “মধুকে বুকে লাথি মেরে পিটিয়ে খুন করেছে তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকরা।” অভিযুক্তকে গ্রেফতারের দাবিও জানিয়েছেন স্থানীয়রা (TMC Violence)।

    উত্তরেও অশান্তি হেরো তৃণমূলের

    দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি উত্তরেও অশান্তি পাকানোর অভিযোগে কাঠগড়ায় সেই তৃণমূল-ই। বিধানসভা নির্বাচনে দলের জয়ের পর মঙ্গলবার সকালে স্থানীয় মন্দিরে পুজো দিতে যাচ্ছিলেন একদল বিজেপি কর্মী-সমর্থক (BJP Workers Killed)। আচমকাই তাঁদের ওপর হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। জলপাইগুড়ির রংধামালি এলাকায় এই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনায় ছড়ায় ব্যাপক চাঞ্চল্য। বিজেপির অভিযোগ, জলপাইগুড়ি সদর বিধানসভা কেন্দ্রের হেরে যাওয়া তৃণমূল প্রার্থী কৃষ্ণ দাসের লোকজনই একাজ করেছে। ধারালো অস্ত্রের কোপে গুরুতর জখম হয়েছেন অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী। জলপাইগুড়ি মেডিক্যাল কলেজ-হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তাঁরা। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে খবর, কৃষ্ণের নেতৃত্বে একদল যুবক লাঠি ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের পথ আগলায়। গাড়ি থেকে টেনে নামিয়ে শুরু হয় মারধর। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, প্রকাশ্য দিবালোকেই বিজেপি কর্মীদের ওপর চড়াও হয় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। ধারালো অস্ত্রের ঘায়ে জখম হন বেশ কয়েকজন।

    উলটপুরাণ!

    খবর পেয়েই এলাকায় যান জলপাইগুড়ি থানার পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। বিজেপির দাবি, পরাজয়ের গ্লানি সহ্য করতে না পেরে প্রতিহিংসার রাজনীতি শুরু করেছে রাজ্যের শাসকদল। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। প্রসঙ্গত, হেরে গিয়েও বিজেপি নেতা-কর্মী-সমর্থকদের ওপর তৃণমূল হামলা চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ (BJP Workers Killed)। যদিও বিজেপির তরফে পাল্টা মার দেওয়া হয়নি। সূত্রের খবর, পদ্মশিবিরের ওপরতলার (TMC Violence) নেতাদের নির্দেশেই পাল্টা মারের রাস্তায় হাঁটেনি পদ্মশিবির। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, দুই ফুলের (বিজেপির পদ্মফুল এবং তৃণমূলের ঘাসফুল) রূপ-রস-গন্ধ সবই যে আলাদা, এই সব ঘটনাই তার প্রমাণ।

     

  • Election Commission: সিসিটিভি বন্ধ করে শারীরিক নিগ্রহ! মমতার সব ‘ভিত্তিহীন, কল্পনাপ্রসূত’ অভিযোগ খারিজ কমিশনের

    Election Commission: সিসিটিভি বন্ধ করে শারীরিক নিগ্রহ! মমতার সব ‘ভিত্তিহীন, কল্পনাপ্রসূত’ অভিযোগ খারিজ কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বঙ্গবাসীর কাছে প্রত্যাখ্যাত হয়েও গদি ছাড়েননি রাজ্যের বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী তথা ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের হেরো তৃণমূল প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)! উল্টে তাঁর এবং তাঁর দল তৃণমূলের (নিন্দুকেরা অবশ্য বলেন, কোম্পানি) হারের জন্য কাঠগড়ায় তোলেন নির্বাচন কমিশনকে (Election Commission)। সেই কারণেই হেরে গিয়েও মুখ্যমন্ত্রী পদে মমতা ইস্তফা দেননি বুধবার সকাল পর্যন্তও।

    নির্বাচন কমিশনের সাফ কথা (Election Commission)

    যদিও তাদের বিরুদ্ধে মমতার তোলা সব অভিযোগই খারিজ করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। সাফ জানিয়ে দিয়েছে, সিসিটিভি বন্ধের অভিযোগ ভিত্তিহীন, কল্পনাপ্রসূত। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় না বলা পর্যন্ত গণনা থামানো হয়নি। তারপর তাঁকে জানিয়ে, গাইডলাইন মেনে ফের শুরু হয় গণনা। মঙ্গলবার সাংবাদিক বৈঠকে তৃণমূল সুপ্রিমো অভিযোগ করেন, “আমি ৩২ হাজার ভোটে জিতছিলাম। তারপরেই বিজেপির প্রার্থী ২০০-র বেশি কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে কাউন্টিং সেন্টারে ঢুকে হুমকি দেওয়া শুরু করে। কাউন্টিং সেন্টারে যাওয়ার সময় আমাকে আটকে দেয়। আমাকে নিগ্রহ করা হয়। তখন সিসিটিভি বন্ধ ছিল। আমি বলেছিলাম যে কাউন্টিং শেষ না হওয়া পর্যন্ত আমি থাকব। কিন্তু আমার সঙ্গে দুর্ব্যবহার করে বের করে দেয়। দল কর্মীদের সঙ্গে আছে। আমরা লড়াই করে ফিরব। এখানে গণতন্ত্রকে হত্যা করা হয়েছে, যেমন অন্য রাজ্যেও হয়েছিল।”

    মমতার তোলা সব অভিযোগ ভিত্তিহীন

    দক্ষিণ কলকাতার জেলা নির্বাচন আধিকারিকের (DEO) পক্ষ থেকে দেওয়া রিপোর্টে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে ভবানীপুরে মমতার তোলা অভিযোগগুলি ভিত্তিহীন। কমিশনের সাফ কথা, ভোট গণনার পুরো প্রক্রিয়াটি নিয়ম-আইন মেনে অত্যন্ত স্বচ্ছ, অবাধ ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন হয়েছে। সিসিটিভি ক্যামেরা কখনওই বন্ধ করা হয়নি। ভবানীপুরের প্রার্থী তথা বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ধস্তাধস্তির যে অভিযোগ করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। কমিশন এও জানিয়েছে, প্রার্থীর জেদের কারণে গণনার কাজ কিছুক্ষণের জন্য স্থগিত রাখা হয়েছিল। তবে পরে নিয়ম মেনে তাঁকে জানিয়েই আবারও গণনার কাজ শুরু করা হয়েছিল (Election Commission)।

    ভবানীপুরে গোহারা মমতা

    প্রসঙ্গত, সোমবার, রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনার দিন গোটা দেশের (Mamata Banerjee) নজর ছিল হাইভোল্টেজ কেন্দ্র ভবানীপুরে। এই কেন্দ্রেই দ্বৈরথ হয়েছে মমতা ও তাঁর প্রাক্তন সতীর্থ, বিজেপির শুভেন্দু অধিকারীর। গণনা শুরুর পর থেকেই সমানে সমানে টক্কর চলছিল মমতা-শুভেন্দুর। যদিও শেষ দিকে এগোতে থাকেন শুভেন্দু। তার পর আর তাঁর নাগাল পাননি মমতা। হাজার পনেরো ভোটে হেরে যান ‘বাংলার নিজের মেয়ে’ মমতা। রাজ্যে গোহারা হারে তাঁর দল, তৃণমূলও। মঙ্গলবার বিকেলে কালীঘাটে আয়োজিত সাংবাদিক বৈঠকে মমতা বলেছিলেন, “বিজেপির বিরুদ্ধে আমাদের এই লড়াই ছিল না। নির্বাচন কমিশন এখানে একটা কালো ইতিহাস তৈরি করল। মানুষের অধিকার লুট করেছে। ভোটের আগে সব জায়গায় রেড করে, সব অফিসারকে বদলে দেয়। বিজেপি আর কমিশনের মধ্যে বেটিং হয়েছে। কেন্দ্রীয় বাহিনীকে কাজে (Mamata Banerjee) লাগিয়ে ভোট লুঠ করেছে।’ এর পরেই তিনি বলেন, “আমরা তো হারিনি! হারলে পদত্যাগ করতাম (Election Commission)।”

     

  • Kalita Majhi: আউশগ্রামে পদ্ম ফোটালেন গৃহপরিচারিকা কলিতা, এক হার-না মানা মহিলার উত্থানের কাহিনি

    Kalita Majhi: আউশগ্রামে পদ্ম ফোটালেন গৃহপরিচারিকা কলিতা, এক হার-না মানা মহিলার উত্থানের কাহিনি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গেরস্থের ঘর থেকে সটান বিধানসভায় গেলেন পেশায় গৃহপরিচারিকা কলিতা মাজি (Kalita Majhi)। চারটে বাড়িতে কাজ করে মাস গেলে তিনি রোজগার করতেন আড়াই হাজার টাকা (BJP)। সামান্য এই আয়েই সংসার চালাচ্ছিলেন কলিতা। বিধানসভায় তিনিই এখন বিজেপির অন্যতম মুখ। বিজেপির পদ্ম প্রতীকে লড়ে জয়ী হয়েছেন কলিতা। গত বিধানসভা নির্বাচনেও বিজেপির প্রার্থী হয়েছিলেন। আউশগ্রাম কেন্দ্রে সেবার হেরে গিয়েছিলেন কলিতা। সেই তিনিই এবার ওই একই কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়েছেন বিপুল ভোটে।

    হার-না মানার গল্প (Kalita Majhi)

    গুসকরা পুরসভার বাসিন্দা কলিতা। এলাকারই চারটি বাড়িতে কাজ করে টানেন সংসারের জোয়াল। এর পাশাপাশি তিনি ছিলেন বিজেপির একনিষ্ঠ কর্মীও। একুশের বিধানসভা নির্বাচনে হাজার ১২ ভোটে তৃণমূলের অভেদানন্দ থান্ডারের বিরুদ্ধে লড়ে হেরে যান কলিতা। যদিও হাল ছেড়ে দেননি তিনি। গৃহস্থের বাড়ির কাজ শেষ করে সংসার সামলে কলিতা চালিয়ে গিয়েছেন সংগঠনের কাজও। সেই কারণেই এবারও ওই কেন্দ্রে পদ্মশিবির প্রার্থী করে জীবনযুদ্ধে হার না-মানা কলিতাকে। তবে এবার আর হারেননি, বরং তৃণমূল প্রার্থীকে হারিয়ে আউশগ্রামের বুকে পদ্ম ফুটিয়ে ছেড়েছেন তিনি।

    বিধানসভায় গিয়ে যা বলবেন কলিতা 

    কলিতা পেয়েছেন ১ লাখ ৭ হাজার ৬৯২ ভোট। তৃণমূলের প্রার্থী শ্যাম প্রসন্ন লোহারকে ১২ হাজার ৫৩৫ ভোটে হারিয়ে উজ্জ্বল করেছেন বিজেপির মুখ। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, কলিতার এই উত্থান কেবল ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বাংলার বদলে যাওয়া সামাজিক বাস্তবতারও প্রতিফলন। কলিতা বলেন, “গুসকরা স্বাস্থ্যকেন্দ্রের সমস্যা রয়েছে। দমকল কেন্দ্র লাগবে। রাস্তাঘাটের সমস্যাও রয়েছে। রয়েছে পানীয় জলের সমস্যাও। এই কাজগুলিই সবার আগে করতে চাই (Kalita Majhi)।”

    পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা পদ্মময় করে দিয়েছে বিজেপি। ভবানীপুরে খোদ বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারিয়ে দিয়ে গেরুয়া ঝান্ডা তুলে ধরেছেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। রাতারাতি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী করে দিয়েছেন মমতাকে। এই ‘মহাপতনে’র আবহেও লোকমুখে ঘুরছে কলিতার উত্থানের গল্প। যিনি অন্যের বাড়িতে কাজ করে পরিবারের সদস্যদের মুখে তুলে (BJP) দেন অন্ন, সেই তিনিই এবার যাচ্ছেন বিধানসভায়, গণতন্ত্রের মন্দিরে। সমাজের নিচুতলার মানুষও যে বিধানসভায় গিয়ে স্থানীয় মানুষের সুখ-দুঃখের কথা তুলে ধরতে পারেন, কলিতার জয় সেটাই প্রমাণ করে ছাড়ল। বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রের দেশে তো এটাই কাম্য। তাই নয় কি (Kalita Majhi)?

     

  • Daily Horoscope 06 May 2026: পারিবারিক ভ্রমণে বাধা পড়তে পারে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 06 May 2026: পারিবারিক ভ্রমণে বাধা পড়তে পারে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) বাড়তি খরচের জন্য চিন্তা বাড়বে।

    ২) প্রেমের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে দেরি হতে পারে।

    ৩) পুরনো বন্ধুর সঙ্গে দেখা হতে পারে।

    বৃষ

    ১) শেয়ার বাজারে লগ্নি নিয়ে চিন্তা বাড়তে পারে।

    ২) পেটের কষ্ট বাড়তে পারে।

    ৩) ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে দিনটি।

    মিথুন

    ১) সকাল থেকে শরীরে জড়তা বাড়তে পারে।

    ২) মাথার যন্ত্রণা বৃদ্ধি পাবে।

    ৩) সবাই আপনার প্রশংসা করবে।

    কর্কট

    ১) প্রেমের ব্যাপারে মনঃকষ্ট বাড়তে পারে।

    ২) পারিবারিক ভ্রমণে বাধা পড়তে পারে।

    ৩) ধৈর্য ধরতে হবে।

    সিংহ

    ১) রাজনীতির লোকেদের একটু চিন্তার কারণ দেখা দিতে পারে।

    ২) উচ্চশিক্ষার্থে বিদেশযাত্রার সুযোগ পেতে পারেন।

    ৩) বাণীতে সংযম রাখুন।

    কন্যা

    ১) প্রেমের অশান্তি মিটে যেতে পারে।

    ২) কোনও কারণে মনে সংশয় বা ভয় কাজ করবে।

    ৩) দুশ্চিন্তা বাড়বে।

    তুলা

    ১) কাউকে কোনও ব্যাপারে কথা দেবেন না।

    ২) আধ্যাত্মিক বিষয়ে বিশেষ মনোযোগ দেখা দেবে।

    ৩) কর্মক্ষেত্রে বাধা।

    বৃশ্চিক

    ১) গবেষণার কাজে সাফল্য লাভ।

    ২) খুব নিকট কোনও মানুষের জন্য দাম্পত্য কলহ সৃষ্টি হতে পারে।

    ৩) সবাইকে বিশ্বাস করবেন না।

    ধনু

     ১) সখ মেটাতে বাড়তি খরচ হতে পারে।

    ২) কোনও বন্ধুর জন্য বিপদ থেকে উদ্ধার লাভ।

    ৩) ডাক্তারের কাছে যেতে হতে পারে।

    মকর

    ১) মহিলাদের জন্য নতুন কিছু শুরু করার ভালো সময়।

    ২) কল্যাণকর কাজে কিছু অর্থ ব্যয় হতে পারে।

    ৩) আধ্যাত্মিকতায় মনোনিবেশ করুন।

    কুম্ভ

     ১) ব্যবসায় সমস্যা ও খরচ বৃদ্ধি পাবে।

    ২) চক্ষুরোগ দেখা দিতে পারে।

    ৩) কর্মক্ষেত্রে বাধা।

    মীন

    ১) সম্পত্তির অধিকার নিয়ে বিবাদ হতে পারে।

    ২) কপালে অপমান জুটতে পারে।

    ৩) ভেবেচিন্তে কথা বলুন।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Mamata Banerjee: গোহারা হেরেও সম্বিত ফেরেনি! “কেন পদত্যাগ করব? আমরা তো হারিনি!”, বলছেন মমতা

    Mamata Banerjee: গোহারা হেরেও সম্বিত ফেরেনি! “কেন পদত্যাগ করব? আমরা তো হারিনি!”, বলছেন মমতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে একই বন্ধনীতে চলে এলেন বঙ্গের বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী তৃণমূলের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)! কীভাবে? গেল বার মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে হেরে গিয়েও পদত্যাগ করতে চাইছিলেন না ট্রাম্প। অথচ, সেবার তাঁকে হারিয়েছিলেন জো বাইডেন (Constitutional Crisis)। বেনজিরভাবে হোয়াইট হাউস লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল ছুড়েছিল ট্রাম্পের অনুগামীদের একাংশ। অনেক ‘নাটকে’র পর অবশ্য বাইডেনকে ক্ষমতা হস্তান্তর করেন পরাজিত ট্রাম্প।

    ট্রাম্পের পদাঙ্ক অনুসরণ মমতার! (Mamata Banerjee)

    এদিক থেকেই ট্রাম্পের সঙ্গে একই বন্ধনীতে চলে এলেন মমতা। সোমবার দুপুরেই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক ভাগ্য। জনাদেশে গোহারা হারে তৃণমূল এবং তার প্রধান কান্ডারি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রীতি অনুযায়ী, হেরে গেলে লোকভবনে (রাজ্যপাল ভবনের বর্তমান নাম) গিয়ে ইস্তফাপত্র জমা দিয়ে দেন শাসক দলের মুখ্যমন্ত্রী। নয়া সরকার গড়ার দাবিতে সেই লোকভবনেই যান বিজয়ী দলের নেতা-নেত্রীরা। এবার এই নিয়মেই সমস্যার সৃষ্টি করতে চাইছেন তৃণমূলেশ্বরী। মঙ্গলবার বিকেলে সাংবাদিক বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাফ জানিয়ে দেন, তিনি ইস্তফা দেবেন না।

    “কেন পদত্যাগ করব? আমরা তো হারিনি!”

    তিনি বলেন, “কেন পদত্যাগ করব? আমরা তো হারিনি! জোর করে ভোট লুট করা হয়েছে। ইস্তফার প্রশ্ন আসছে কোথা থেকে?” তৃণমূল নেত্রীর এহেন পদক্ষেপে সাংবিধানিক সঙ্কট সৃষ্টি হতে পারে বলে কারও কারও অভিমত। যদিও এমন পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে সংবিধানে কিছু বলা নেই। সংবিধান বিশেষজ্ঞরা অবশ্য বেশ কিছু ধারণার কথা বলছেন। যদিও ভোটে হেরে গিয়েও বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রীর ইস্তফা না-দেওয়ার নজির ভারতে নেই। তাই মমতা শেষ পর্যন্ত ইস্তফা না দিলে নয়া নজির সৃষ্টি হবে ভারতের সংসদীয় গণতন্ত্রের ইতিহাসে।

    সাংবিধানিক সঙ্কট!

    কলকাতা হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত এক প্রধান বিচারপতি জানান, মধ্যবর্তী সময়ে অনেক ক্ষেত্রে বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রীকে ‘কেয়ারটেকার’ মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে কাজ চালানোর অনুরোধ করেন রাজ্যপাল। তিনি নিজেও এক-দু’দিন তদারকি করতে পারেন। রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করার সংস্থানও রয়েছে। যদিও সাধারণত এত কম সময়ের জন্য ‘সঙ্কট’ না-হলে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করা না-ও হতে পারে।। অবশ্য এ সবই নির্ভর করছে বিজেপি পরিষদীয় দল শপথের দিনক্ষণ কবে চূড়ান্ত করে, তার ওপরে (Constitutional Crisis)। তবে মমতা ইস্তফা না দিলে কোনও সঙ্কট সৃষ্টি হবে না। কারণ, বিধানসভার মেয়াদ শেষের সঙ্গে সঙ্গেই শেষ হয়ে যায় মুখ্যমন্ত্রিত্বের মেয়াদও (Mamata Banerjee)।

    অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির বক্তব্য

    ৯ মে রবীন্দ্রজয়ন্তীর দিন শপথ নিতে পারেন বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী। তবে পদ্মশিবিরের মুখ্যমন্ত্রী যদি ৮ মে শপথ নেন, তাহলে তেমন কোনও সমস্যা হবে না। কারণ মমতা সরকারের মেয়াদ শেষ হয়ে যাবে ৭ এপ্রিল। তাই ৯ তারিখ বা তার পরের কোনও দিন বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী শপথ নিলে মধ্যবর্তী স্বল্পসময়ের জন্য পুরো বিষয়টি তত্ত্বাবধান করবেন রাজ্যপাল। অবশ্য তা হবে রাষ্ট্রপতির অনুমোদন সাপেক্ষেই। অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি দেবাশিস করগুপ্ত বলেন, “সংবিধানের ১৬৪ নম্বর ধারা অনুযায়ী রাজ্যপাল যতদিন চাইবেন, মুখ্যমন্ত্রী এবং অন্যান্য মন্ত্রীরা ততদিনই স্বপদে বহাল থাকেন৷ মন্ত্রিসভার মেয়াদ ৫ বছর৷ কমিশন এই মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই নির্বাচন-পর্ব শেষ করে৷ ভোটের ফল বেরনো মাত্রই নতুন সদস্যরা জয়ী হন (Constitutional Crisis)৷ সেই তালিকা রাজ্যপালকে দেয় নির্বাচন কমিশন৷ এর পরেই সরকার গঠনের দাবি জানায় সংখ্যাগরিষ্ঠ দল৷ তাই আগের সরকারের মেয়াদ এমনিতেই শেষ হয়ে যায় (Mamata Banerjee)৷”

    কী বলছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা?

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, রাজ্যে তৃণমূলের ভরাডুবি হওয়া এবং দলের সুপ্রিম কমান্ডারের মহাপতনের পর ইস্তফা দিতে পারতেন মমতা। কারণ সোমবার রাতেই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে জনাদেশ। জনতার রায় মাথা পেতে নিয়ে পদত্যাগ করতে পারতেন তিনি। কিন্তু মমতা তা করেননি। উল্টে সাংবাদিক বৈঠকে ঘনিষ্ট বৃত্তের লোকজনকে নিয়ে হাত ধরাধরি করে তৃণমূলের ঐক্যের ছবিটাই আরও একবার তুলে ধরলেন হেরো মমতা। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, যেহেতু মমতা নিজেও হেরেছেন তাই বিধানসভার বিরোধী দলনেত্রীর পদের শিকেটাও ছিঁড়ছে না তাঁর ভাগ্যে। (অবশ্য তৃণমূলের জয় নিশ্চিত জেনে কোনও আসনে উপনির্বাচন করিয়ে বিধানসভায় যেতে পারেন মমতা। এমনিও যেতে পারেন, তবে সেক্ষেত্রে ছ’মাসের মধ্যে নির্বাচন করিয়ে জিতে আসতে হবে তাঁকে।) যেহেতু এসবের কোনওটাই হচ্ছে না, তাই রীতিমতো চিত্রনাট্য তৈরি করে মঙ্গল-বিকেলে একপ্রস্ত নাটক করলেন তৃণমূলেশ্বরী। কারণ তিনি পিকচারে না থাকলে আর খবর হবেন না। অগত্যা মঞ্চস্থ করতেই হল নয়া নাটক (Constitutional Crisis)।

    বিরোধীদের মতে, সব খুইয়ে কেলেঙ্কারির বোঝা মাথায় নিয়ে তৃণমূল সুপ্রিমো পদত্যাগ করলেই বোধহয় ভালো করতেন (Mamata Banerjee)!

     

  • Amit Shah: শাহের ঘাড়ে ‘অমিত’ দায়িত্ব, বঙ্গ বিধানসভায় বিজেপির পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচনে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক তিনিই

    Amit Shah: শাহের ঘাড়ে ‘অমিত’ দায়িত্ব, বঙ্গ বিধানসভায় বিজেপির পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচনে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক তিনিই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাঁর কূট চালেই বাংলায় বধ হয়েছে তৃণমূল। পদ্ম-ঝড়ে খড়কুটোর মতো উড়ে গিয়েছে ঘাসফুল (Amit Shah)। পরাজিত তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্বয়ং। অতএব, বাংলায় সরকার গড়ছে বিজেপি (BJP)। গেরুয়া শিবিরে শুরু হয়ে গিয়েছে সলতে পাকানোর কাজও। এহেন আবহে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (পড়ুন, বিজেপির চাণক্য) অমিত শাহের ঘাড়ে চাপিয়ে দেওয়া হল ‘অমিত’ দায়িত্ব। বিজেপির কেন্দ্রীয় সংসদীয় বোর্ড পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভায় দলের পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচনের জন্য কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেছেন তাঁকে। ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহন চরণ মাঝিকে দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রীয় সহ-পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব। বিজেপি সূত্রে খবর, এই দুই নেতাই মূলত পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়া তদারকি করবেন। রাজ্যের নয়া মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন, তা নিয়ে জল্পনার মাঝেই পদ্মশিবিরের এই পদক্ষেপ নিঃসন্দেহে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই ধারণা রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের। অসমেও ফের ক্ষমতায় আসছে বিজেপি। সেখানে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছে জেপি নাড্ডাকে। সহ-পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী নবাব সিং সাইনিকে। বিজেপির তরফে বিজ্ঞপ্তি জারি করেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছে এই খবর (Amit Shah)।

    দিল্লি গেলেন সুনীল বনসল (Amit Shah)

    এদিকে, পশ্চিমবঙ্গে সরকার গড়ার আগে মঙ্গলবার সকালেই দিল্লি চলে যান এ রাজ্যে বিজেপির পর্যবেক্ষক সুনীল বনসল। পরিষদীয় দলের বৈঠক, শপথগ্রহণ এবং পরবর্তী কর্মসূচি ঠিক করতে দিল্লিতে গিয়ে বৈঠক করেন তিনি। কথা বলেন অমিত শাহের সঙ্গেও। রাজ্যের পর্যবেক্ষকের সঙ্গে কথা হবে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীনেরও। দিল্লি রওনা দেওয়ার আগে সংবাদমাধ্যমে সুনীল বলেন, “সকলকে ধন্যবাদ।” তবে কে মুখ্যমন্ত্রী হবেন, শুভেন্দু অধিকারীও দিল্লি যাবেন কি না, এসব প্রশ্নের কোনও জবাবই দেননি সুনীল। বরং সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে, হাসিমুখে রওনা দেন সুনীল।

    জোড়া বৈঠকে হয়েছে আলোচনা

    কাঙ্খিত বঙ্গ জয়ের পর বিজেপি শিবিরে শুরু হয়েছে সরকার গড়ার তৎপরতা। সরকার গঠন নিয়ে ইতিমধ্যেই দিল্লিতে হয়ে গিয়েছে দুটি বৈঠক। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বৈঠক বসে সংসদীয় কমিটির। কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকেও যোগ দেন তিনি। দুটি বৈঠকেই বাংলার মুখ্যমন্ত্রী কে, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে বিজেপি সূত্রের খবর। দিল্লিতে বৈঠক সেরেই আজ, মঙ্গলবার কিংবা আগামিকাল বুধবার কলকাতায় ফিরবেন বনসল-সহ বিজেপির কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল। এই দলের নেতৃত্বে রয়েছেন রাজনাথ সিং। বিজয়ী প্রার্থীদের নিয়ে বৈঠক করবেন কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। বাংলায় সরকার গঠন নিয়েও আলোচনা হতে পারে (BJP)।

    শপথ গ্রহণ হবে ব্রিগেডে!

    বিজেপি সূত্রে খবর, শপথগ্রহণের দিনও ঠিক হয়ে যাবে এদিনই। বিজয়ী বিধায়কদের নিয়ে পরিষদীয় বৈঠক হবে। সেখানে পরিষদীয় দলের নেতার নাম প্রস্তাব করা হবে, সমর্থন করবেন বাকিরা। এর পর বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, দিলীপ ঘোষ,  শুভেন্দু অধিকারীরা যাবেন রাজভবনে, দাবি জানাবেন সরকার গঠনের। কবে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান হবে, হবেই বা কোথায়, তাও ওইদিনই ঘোষণা করা হবে বলে বিজেপি সূত্রে খবর। অসমর্থিত সূত্রের খবর, আগামী ৯ মে ব্রিগেড ময়দানে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে শপথ নেবেন পশ্চিমবঙ্গের ভাবী মুখ্যমন্ত্রী। কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রীও (BJP) শপথ নেবেন ব্রিগেডেই। বাকি মন্ত্রীরা শপথ নেবেন পরে (Amit Shah)।

     

  • Scissors Barricade: সরে গেল ‘সিজার্স ব্যারিকেড’, রাতারাতি উধাও মমতার বাড়ির সামনের নিরাপত্তার গেরো

    Scissors Barricade: সরে গেল ‘সিজার্স ব্যারিকেড’, রাতারাতি উধাও মমতার বাড়ির সামনের নিরাপত্তার গেরো

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হেরে গিয়েও মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা দেননি তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। সোমবার রাতেও সিজার্স ব্যারিকেডের (Scissors Barricade) বলয়ে ছিলেন তিনি। মঙ্গলবার সাতসকালে গিয়ে দেখা গেল ব্যারিকেড উধাও, অবাধ হয়ে গেল হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটে সাধারণ মানুষের যাতায়াত। এতদিন ওই রাস্তায় যেতে হলে দিতে হত হাজার একটা প্রশ্নের জবাব। সর্বক্ষণ নজরদারি চালাত নিরাপত্তা রক্ষীদের শ্যেন দৃষ্টি।

    নিরাপত্তার বেড়াজাল উধাও (Scissors Barricade)

    এতদিন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল নেত্রীর বাড়ির দিকে যাওয়ার পথে ছিল কড়া নিরাপত্তা বলয়। পরিচয় যাচাই থেকে শুরু করে কোথায় যাচ্ছেন, কেন যাচ্ছেন, কার সঙ্গে দেখা করবেন—এমন একাধিক প্রশ্নের মুখে পড়তে হত পথচারীদের। মুখ্যমন্ত্রীর পাড়ার নিরাপত্তায় মোতায়েন পুলিশকর্মীরা ছিলেন অত্যন্ত সতর্ক। এমনকি, ওই এলাকার বাসিন্দাদেরও বাড়ি থেকে বেরোনোর সময় সঙ্গে রাখতে হত আধার কার্ড বা অন্য পরিচয়পত্র। তবে এক রাতের ব্যবধানে বদলে গিয়েছে সেই চিত্র।  সোমবারই বের হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ফল। সেখানে জনতার রায় গিয়েছে মমতার দলের বিপক্ষে। তার পরে ঘরবন্দি হয়ে গিয়েছেন তৃণমূল অ্যান্ড কোং-এর মালকিন। প্রত্যাশিতভাবেই উঠে গিয়েছে নিরাপত্তার কড়া বলয়ও। মঙ্গলবার সকালে দেখা গেল হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের গলির মুখে নিরাপত্তারক্ষী রয়েছেন। তবে তাঁরা কাউকেই আটকাচ্ছেন না। ‘সিজার্স ব্যারিকেড’ও খোলা। দক্ষিণ কলকাতার যে গলিতে এতদিন নিরাপত্তার ফোকর গলে মাছিও গলতে পারত না, এদিন সেখানেই মিলল আমজনতার যাতায়াতের অবাধ ছাড়পত্র।

    বিস্তর অভিযোগ ছিল স্থানীয়দের

    হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের বাসিন্দাদের অভিযোগ, পাড়ার দোকান থেকে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস কিনতে বেরোলেও সঙ্গে রাখতে হত আধার কার্ড। শুধু টাকা থাকলেই চলত না, পরিচয়পত্রও ছিল বাধ্যতামূলক। এমনকি নিজের বাড়িতে ফিরতেও অনেক সময় বলতে হত, “ওই যে, ওখানেই আমার বাড়ি।” নাম, বাবার নাম-সহ নানা তথ্য যাচাইয়ের পরেই মিলত প্রবেশের অনুমতি। তবে ফল প্রকাশের মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই সেই কড়াকড়ির ছবিতে এসেছে আমূল পরিবর্তন। সোম-রাতে জনতার আদালতে ‘প্রাক্তন’ হয়ে যাওয়ায় মঙ্গলবার সকাল থেকে রাতারাতি উধাও হয়ে গেল তৃণমূল সুপ্রিমোর বাড়ির দিকে যাওয়ার রাস্তা।

    ‘সিজার্স ব্যারিকেড’

    জানা গিয়েছে, তৃণমূল গোহারা হেরে যাওয়ায় এবং রাজ্যের সর্বত্র পদ্ম ফোটার জয়ের প্রেক্ষিতে সোমবার রাতে কালীঘাট জুড়ে হয়েছে বিজেপির মিছিল। মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির অদূরের রাস্তায়ও বাইক নিয়ে হয়েছে মিছিল। তবে সোমবার রাতেও হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের গলির মুখে ঠায় দাঁড়িয়েছিল ‘সিজার্স ব্যারিকেড’ (দুটো গার্ডরেলকে কাঁচির মতো করে রাস্তার মুখে দাঁড় করিয়ে রাখার নাম ‘সিজার্স ব্যারিকেড’, কাঁচির মতো দেখতে বলে এই নাম)। ওই গলি দিয়ে কেউ যেতে চাইলে জিজ্ঞাসাবাদ করে (Scissors Barricade) ছাড়পত্র দিতেন নিরাপত্তারক্ষীরা। ফাঁক করা হত ব্যারিকেড। গলিতে ঢুকলেই আবার বন্ধ হত ‘সিজার্স ব্যারিকেড’। এলাকায় থাকতেন সাদা পোশাকের পুলিশও। গলিতে ঢোকা যে কোনও আগন্তুকের দিকে কড়া নজর থাকত তাঁদের। গাড়ি নিয়ে ঢুকলেও বিস্তর জিজ্ঞাসাবাদ, তথ্য যাচাই করে (Mamata Banerjee) তবেই গলি দিয়ে যাওয়ার অনুমতি মিলত। এই চেনা ছবিটাই বদলে গিয়েছে রাতারাতি। এদিন সেখানেই দেখা গেল ব্যারিকেড একদিকে সরানো। স্থানীয় এক বাসিন্দা জানালেন, এই রাস্তায় যাওয়া-আসায় কোনও বাধা নেই, দেখছি (Scissors Barricade)।

LinkedIn
Share