Tag: Bengali news

Bengali news

  • Bangladesh: তারেক রহমানকে অভিনন্দন বার্তা দেওয়ায় মোদিকে ধন্যবাদ বিএনপির

    Bangladesh: তারেক রহমানকে অভিনন্দন বার্তা দেওয়ায় মোদিকে ধন্যবাদ বিএনপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনে জয়ের পর তারেক রহমানকে অভিনন্দন বার্তা দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী মোদিকে ধন্যবাদ জানিয়েছে বিএনপি (BNP)। দলের নেতারা বলেছেন, ঢাকা আওয়ামী-পরবর্তী যুগে প্রবেশের সঙ্গে সঙ্গে তারেক রহমানের সরকার বাংলাদেশ-ভারতের (Bangladesh) সম্পর্ক জোরদার করবে।

    নির্বাচনী বিজয় ও নতুন নেতৃত্ব (Bangladesh)

    বাংলাদেশে (Bangladesh) সাম্প্রতিক সাধারণ নির্বাচনে জয়ের পর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সরকার গঠনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। লন্ডনে নির্বাসিত জীবন কাটিয়ে তারেক রহমান এখন দেশের হাল ধরতে প্রস্তুত। হাসিনাকে বিতারিত করার পর বাংলাদেশের আইন শৃঙ্খলার পরিস্থিতি অত্যন্ত বেহাল হয়ে গিয়েছে। বিশেষ করে সংখ্যালঘু হিন্দু নির্যাতন এবং ভারত বিরোধিতার স্বর জামাত এবং কট্টরপন্থীরা ব্যাপক ভাবে ছড়িয়ে ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্ক তালানিতে নিয়ে গিয়েছে। এখন তারেক রহমান সেই ক্ষতে কতটা প্রলেপ দিতে পারে, সেটাই দেখার।

    ভারতকে ধন্যবাদ

    বিএনপি (BNP) নেতা তারেক রহমান এবং দলের শীর্ষ নেতৃত্ব ভারতের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তাঁরা আশা প্রকাশ করেছেন যে, দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহযোগিতার ভিত্তিতে একটি নতুন এবং শক্তিশালী সম্পর্কের সূচনা হবে। উল্লেখ্য, ইউনূসের রাজত্বে ভারত বিরোধিতা, উত্তরপূর্ব ভারতকে বিচ্ছিন্ন করার হুমকি, লাগাতার হিন্দু নির্যাতন মারাত্মক আকার নিয়েছে। এখন নির্বাচনের পর দায়িত্বশীল সরকার গঠন হলে এই কালো মেঘ কেটে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    গণতন্ত্রের পুনরুদ্ধার

    বিএনপি নেতৃত্ব নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, “এই জয় বাংলাদেশের (Bangladesh) জনগণের জয় এবং এর মাধ্যমে দেশে পুনরায় গণতন্ত্র ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হবে। ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে আমরা শক্তিশালী সম্পর্ক চাই। দলের তরফে আমরা ভারতকে ধন্যবাদ জানাই। তারেক রহমানের নেতৃত্বে দুই দেশের সম্পর্ক আরও বড় গতি পাবে। দুই দেশের যোগদান আমাদের সম্পর্ককে আরও জোরদার করবে।”

    দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক

    বিএনপির তরফে আরও বলা হয়, তারেক রহমান ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখার ওপর জোর দিয়েছেন এবং আশ্বস্ত করেছেন যে বাংলাদেশের মাটি কোনোভাবেই ভারতের বিরুদ্ধে বিচ্ছিন্নতাবাদী বা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না।

    আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা

    বিএনপি (BNP) আশা করছে যে, দক্ষিণ এশিয়ায় স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে ভারত একটি গঠনমূলক ভূমিকা পালন করবে। সেই সঙ্গে বাংলাদেশের (Bangladesh) অর্থনৈতিক উন্নয়নে অংশীদার হিসেবে কাজ করবে। দীর্ঘ সময় পর ক্ষমতায় ফেরার পর বিএনপি ভারতের সঙ্গে তাদের পূর্বের তিক্ততা কাটিয়ে একটি ইতিবাচক কূটনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তোলার ইঙ্গিত দিয়েছে।

  • Bangladesh: বাংলাদেশের ভোটের ফলাফলে মালদা-মুর্শিদাবাদের সুরক্ষা নিয়ে কড়া সতর্কতা জারি

    Bangladesh: বাংলাদেশের ভোটের ফলাফলে মালদা-মুর্শিদাবাদের সুরক্ষা নিয়ে কড়া সতর্কতা জারি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের (Bangladesh) ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে সরকার গঠন করতে চলেছে বিএনপি। ইউনূসের টানা অপশাসনে বাংলাদেশ অস্থির হয়ে গিয়েছিল। তারেকের আমলে এবার কিছুটা স্বস্তি মিলবে বলে আশা করছেন সাধারণ আমজনতা। তবে ভারত-বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী কয়েকটি আসনের ফলাফল (Election Result) নতুন করে চিন্তার কারণ হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি আগের থেকে অনেক ভালো ফল করেছে ভারত সীমান্ত লাগোয়া এলাকায়।

    কোন কোন এলাকায় সতর্কতা (Bangladesh)?

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ (Bangladesh), রাজশাহী, কুড়িগ্রাম, রংপুর এবং সাতক্ষীরার মতো এলাকায় জামাতের প্রার্থীরা বড় জয় পেয়ছে। এই সমস্ত অঞ্চলের সঙ্গে ভারতের মুর্শিদবাদ, মালদা, কোচবিহার, জলপাইগুড়ি এবং অসমের ধুবড়ি সীমানার খুব খাছে। ফলাফলের উপর নির্ভর করে বাড়তি নিরপাত্তার কথা ভেবে সতর্কতা মূলক ব্যবস্থা গ্রহণের কথাও বলা হয়েছে।

    সূত্রে জানা গিয়েছে, সীমান্তবর্তী আসনগুলির (Election Result) মধ্যে প্রায় ৭৮ শতাংশ আসনেই জামাত প্রাধান্য পেয়েছে। আগে এই সমস্ত এলাকাগুলিতে জঙ্গি কার্যকলাপ এবং পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই-এর সক্রিয়তার অভিযোগ উঠেছে। ফলে রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং সক্রিয়তার বিষয়ে বিশেষ নজরদারিও শুরু হয়েছে।

    ‘র’ ও ‘আইবি’ সক্রিয়

    ইতিমধ্যে ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা, ‘র’ (RAW) , ‘আইবি’ (Intelligence Bureau) সীমান্ত পরিস্থিতিকে ভালো করে নজরে রেখেছে। সেইসঙ্গে বিএসএফ-এর তরফে বাড়তি সতর্কতার কথা ঘোষণা করা হয়েছে। সামরিক গোয়েন্দারাও নজরদারি জোরদার করেছে। উত্তর-পূর্ব ভারতের বেশ কিছু কিছু সীমান্তঘেঁষা আসন বিএনপির দখলে গিয়েছে। তবে পশ্চিমবঙ্গ লাগোয়া কিছু অংশে জামাতের সাফল্য নিরপাত্তা এবং সুরক্ষার জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সামনে পশ্চিমবঙ্গ এবং অসমে বিধানসভা নির্বাচন (Election Result), ফলে বহিরাগত শক্তি যাতে বাংলাদেশের (Bangladesh) মাটিকে ভারত বিরোধিতার কাজে ব্যবহার না করতে পারে, সেই দিকে নজর দেওয়া হয়েছে।

    ইউনূসের আমলে এই সীমান্তবর্তী গ্রামগুলিই জঙ্গি কার্যকলাপ এবং পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়ের কার্যক্ষেত্রের অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু হয়ে দাঁড়িয়েছিল। বিএনপি ক্ষমতায় আসায় কিছুটা ধাক্কা খেয়েছে জামাত শিবির। নির্বাচনের ফলাফলের ভিত্তিতে  আইএসআই যাতে নিজেদের গতিবিধি না চালাতে পারে সেই বিষয়ে সতর্কতা ঘোষণা করেছে ভারতীয় গোয়েন্দারা।

  • Seva Teerth: প্রধানমন্ত্রীর নতুন কার্যালয় ‘সেবা তীর্থ’ উদ্বোধন করলেন মোদি, রইল না ঔপনিবেশিকতার ছাপ

    Seva Teerth: প্রধানমন্ত্রীর নতুন কার্যালয় ‘সেবা তীর্থ’ উদ্বোধন করলেন মোদি, রইল না ঔপনিবেশিকতার ছাপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রীর নতুন কার্যালয় ‘সেবা তীর্থ’ (Seva Teerth)। কর্তব্য পথে নতুন অফিস কমপ্লেক্সের উদ্বোধন করলেন নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। স্বাধীনতার পর এই স্থানান্তর প্রথমবারের মতো একটি আধুনিক স্থানান্তরের চিহ্ন। প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য এই পরিমণ্ডল তৈরি করা হয়েছে। সরকারের এই পদক্ষেপ ভারতের প্রশাসনিক শাসন স্থাপত্যের রূপান্তরমূলক একটি মাইলফলক হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। এদিন প্রধানমন্ত্রী মোদি ১০০ টাকার একটি স্মারক মুদ্রাও প্রকাশ করেছেন।

    প্রধানমন্ত্রী মোদি দুপুর ২টার দিকে ‘সেবা তীর্থ’ নামটি উন্মোচন করেন। এখানে আনুষ্ঠানিকভাবে সেবা তীর্থ এবং কর্তব্য ভবন ১ এবং ২ উদ্বোধন করেন মোদি। সেই সঙ্গে রাখা থাকবে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রক। প্রকল্পটি প্রধানমন্ত্রীর আধুনিক ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার দৃষ্টিভঙ্গিকে প্রতিফলিত করে। এর মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় (PMO) ব্রিটিশ আমলের সাউথ ব্লক থেকে আধুনিক ও অত্যাধুনিক এই নতুন ভবনে স্থানান্তরিত হল।

    সেবা তীর্থ ও কর্তব্য ভবন

    এই চত্বরের নাম রাখা হয়েছে ‘সেবা তীর্থ’ (Seva Teerth), যা প্রধানমন্ত্রীর ‘সেবা’ বা জনসেবার প্রতি অঙ্গীকারকে প্রতিফলিত করে। এর পাশাপাশি তিনি ‘কর্তব্য ভবন-১’ এবং ‘কর্তব্য ভবন-২’ উদ্বোধন করেন, যেখানে অর্থ, প্রতিরক্ষা, স্বাস্থ্য ও শিক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রীয় মন্ত্রকগুলো অবস্থিত থাকবে।

    প্রশাসনিক একীকরণ

    আগে বিভিন্ন মন্ত্রক ও সরকারি দফতর সেন্ট্রাল ভিস্তা এলাকার বিচ্ছিন্ন ও পুরনো ভবনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে ছিল। এখন থেকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ সচিবালয় (NSCS) এবং ক্যাবিনেট সচিবালয় একই ছাদের নিচে সেবা তীর্থ কাজ করবে, যা প্রশাসনিক গতিশীলতা ও সমন্বয় বৃদ্ধি করবে।

    প্রথম গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত

    নতুন কার্যালয়ে কার্যভার (Seva Teerth) গ্রহণের পরই প্রধানমন্ত্রী কৃষকদের কল্যাণ, নারী ক্ষমতায়ন যথা লাখপতি দিদি লক্ষ্যমাত্রা দ্বিগুণ করা এবং স্টার্ট-আপ ইন্ডিয়া সংক্রান্ত বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ফাইলে স্বাক্ষর করেন।

    আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব

    নতুন এই কমপ্লেক্সগুলো ‘৪-স্টার গৃহ’ (4-Star GRIHA) মান অনুযায়ী তৈরি করা হয়েছে। এতে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার, নবায়নযোগ্য শক্তি, জল সংরক্ষণ ব্যবস্থা এবং উচ্চমানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে।

    ঔপনিবেশিকতার অবসান

    ২০১৪ সাল থেকে সরকার ব্রিটিশ আমলের নাম ও প্রতীক পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে মোদি সরকার (Narendra Modi)। রাজপথ এখন ‘কর্তব্য পথ’, রেস কোর্স রোড হয়েছে ‘লোক কল্যাণ মার্গ’ এবং সাউথ ব্লক সংলগ্ন এই নতুন চত্বর হল ‘সেবা তীর্থ’ (Seva Teerth)। পুরানো সাউথ ব্লক ভবনটিকে এখন একটি জাতীয় জাদুঘরে রূপান্তরিত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

    কেন প্রয়োজন?

    কয়েক দশক ধরে, মন্ত্রণালয়গুলি সেন্ট্রাল ভিস্তা জুড়ে পুরানো, ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ভবনগুলি থেকে পরিচালিত হয়েছিল, যার ফলে সমন্বয়ের ঘাটতি, লজিস্টিক বাধা এবং উচ্চ রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় তৈরি হয়েছিল। নতুন কমপ্লেক্সগুলির লক্ষ্য ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত অবকাঠামোতে নিরবচ্ছিন্ন সমন্বয়ের জন্য কাঠামো গঠন করা এবং মূল প্রশাসনিক বাহিনীকে একত্রিত করে এই সমস্যাগুলি সমাধান করা।

  • SIR: সম্পর্কের যোগসূত্র প্রমাণে ব্লাড রিলেশন সার্টিফিকেট! সেটা আবার কী? তাজ্জব রোল অবজার্ভাররা

    SIR: সম্পর্কের যোগসূত্র প্রমাণে ব্লাড রিলেশন সার্টিফিকেট! সেটা আবার কী? তাজ্জব রোল অবজার্ভাররা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর-এর (SIR) শুনানি শেষ হয়েছে। বৈধ ভোটাররা নিজেদের নথিপত্র জমা দিয়েছেন। এবার চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের অপেক্ষা মাত্র। সব নথি ভালো করে খতিয়ে দেখার জন্য আরও এক সপ্তাহ সময় দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের আগে চলছে সুপার চেকিং (Election Commission)। আর তাতেই উঠে এসেছে বিরাট চাঞ্চল্যকর তথ্য। বাবা অথবা মায়ের সঙ্গে ছেলে-মেয়ের সম্পর্কের যোগসূত্র প্রমাণের জন্য জমা নেওয়া হয়েছে ব্লাড রিলেশন সার্টিফিকেট বা রক্তের সম্পর্কের শংসাপত্র!

    রোল অবজার্ভাররা তাজ্জব (SIR)

    একজন বললেন, “বার্থ সার্টিফিকেটর নাম শুনেছি আমরা, তবে ব্লাড রিলেশন সার্টিফিকেট আবার কী?” এই নিয়ে ওয়াকিবহাল মহলে ব্যাপক শোরগোল পড়েছে। এবার এই সার্টিফিকেট ইস্যু করে এসআইআর–এর তালিকায় গ্রহণ করার কথা জানা গিয়েছে। সুপার চেকিং করতে গিয়ে এই তথ্য সম্পর্কে জানা গিয়েছে। রোল অবজার্ভাররা (SIR) তাজ্জব। ব্লাড রিলেশন সার্টিফিকেট কী? উত্তর খুঁজছেন অবজার্ভাররা। দক্ষিণ ২৪ পরগনার মোহনপুর গ্রাম পঞ্চায়েত থেকে এক ব্যাক্তিকে দেওয়া হয়েছে এই ব্লাড রিলেশন সার্টিফিকেট। এই ধরনের সার্টিফিকেটের কোনও বৈধতা আদৌ রয়েছে কিনা? না থাকলে কেন জমা নেওয়া হয়েছে এই সার্টিফিকেট। তবে এখানেই নয়, সুপার চেকিং করতে গিয়ে এমন কিছু কিছু তথ্য এসেছে যার কোনও বাস্তব ভিত্তি নেই। কোথাও বার্থ সার্টিফিকেট ইস্যুর (Election Commission) মতো অনেক ঘটনা সামনে এসেছে। কোথাও দেখা যাচ্ছে ভাই-বোনের বয়সের ফারাক মাত্র ১ মাস।

    দুই সন্তানের বয়সের ফারাক ২৭ দিন

    উল্লেখ্য সরকারি সংবাদ মাধ্যম ‘টাইমস অব ইন্ডিয়া’র একটি প্রতিবেদনে এসআইআর (SIR)  নিয়ে কিছু অসঙ্গতির তথ্য সামনে এসেছে। যেমন মেটিয়াবুরুজে ১০ জন ভোটার নিজের বাবার নাম হিসেবে আবদুল হায় নামে এক ব্যক্তির নাম উল্লেখ করেছেন। ফর্ম খতিয়ে দেখে জানা গিয়েছে, দুই সন্তানের বয়সের ফারাক ২৭ দিন, আর দুজনেরই বাবা-মায়ের নাম আব্দুল হায় ও আনোয়ারা বিবি।

    এসআইআরের শুনানিতে কমিশনের বেঁধে দেওয়া নথির তালিকায় রয়েছে জন্মের শংসাপত্র, পাসপোর্ট, মাধ্যমিক বা উচ্চ মাধ্যমিক পাশের শংসাপত্র, ড্রাইভিং লাইসেন্স, জাতিগত শংসাপত্রের মতো নথি। অনেক নথিতে অনেক গরমিল খুঁজে পাচ্ছেন কমিশন নিযুক্ত পর্যবেক্ষকেরা। কোথাও দেখা যাচ্ছে, জন্মের আগেই জন্মের শংসাপত্র দিয়ে দেওয়া হয়েছে। কোথাও আবার এনুমারেশন ফর্মে (Election Commission) জন্মের তারিখই লেখেননি ভোটার। কী ভাবে সেই ফর্ম জমা নেওয়া হল, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

  • Bangladesh: “বাংলাদেশে হিন্দুরা আর এক দশকও বাঁচবে না”, চরম আশঙ্কা প্রকাশ মার্কিন হিন্দু সংগঠনগুলির

    Bangladesh: “বাংলাদেশে হিন্দুরা আর এক দশকও বাঁচবে না”, চরম আশঙ্কা প্রকাশ মার্কিন হিন্দু সংগঠনগুলির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দুরা আর এক দশকও টিকবে না বাংলাদেশে (Bangladesh)। সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে মার্কিন আইনপ্রণেতা (US Lawmakers Hindu Group) ও হিন্দু সংগঠনগুলোর উদ্বেগ প্রকাশ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হিন্দু সংগঠন এবং মানবাধিকার গোষ্ঠীগুলি বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের জীবন এবং সম্পত্তির সুরক্ষা নিয়ে চরম উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। বাংলাদেশে নির্বাচনের পর নতুন সরকারের কাছে সংখ্যালঘুর সুরক্ষার আবেদন করেছে। এই নিয়ে একটি বিক্ষোভ হয় আমেরিকাতে।

    অস্তিত্ব রক্ষার সংকট (Bangladesh)

    ওয়াশিংটন ডিসির রোবার্ন হাউস অফিসের সামনে কংগ্রেসনাল ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশের উগ্রপন্থী গোষ্ঠীগুলি হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর যে ভাবে আক্রমণ করছে তার তীব্র বিরোধিতা করে। এদিন এই বিক্ষোভের কর্মসূচিতে কংগ্রেসনাল ব্রিফিং কোয়ালিশন অফ হিন্দুস অফ নর্থ আমেরিকা, হিন্দু অ্যাকশন এবং অন্যান্য মানবাধিকার সংগঠনগুলি ছিল। মার্কিন আইনপ্রণেতা (US Lawmakers Hindu Group) এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক হিন্দু সংগঠন গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, বাংলাদেশে (Bangladesh) বর্তমান পরিস্থিতি চলতে থাকলে আগামী ১০ বছরের মধ্যে সেখানে হিন্দু সম্প্রদায়ের কোনো অস্তিত্ব থাকবে না।

    মার্কিন কংগ্রেসের উদ্বেগ

    গত ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে (Bangladesh) জাতীয় নির্বাচনের পর যে নতুন সরকার গঠন হবে তারা যেন সংখ্যালঘু এবং হিন্দুদের সুরক্ষার বিষয়ে দায়িত্বশীল হন। গত দুই বছরে বাংলাদেশে হিন্দু নির্যাতন চরম আকার নিয়েছে। বেশ কয়েকজন মার্কিন কংগ্রেস সদস্য (US Lawmakers Hindu Group) বাংলাদেশ সরকারকে হিন্দু এবং অন্যান্য ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর হওয়া হিংসাকে বন্ধ করতে এবং তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন।

    নিপীড়নের অভিযোগ

    প্রতিবেদনে বাংলাদেশে (Bangladesh) হিন্দুদের মন্দির ভাঙচুর, বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ এবং শারীরিক নির্যাতনের সাম্প্রতিক ঘটনাবলী তুলে ধরা হয়েছে। কংগ্রেসনাল ব্রিফিংয়ে তরফে এদিন বক্তারা বলেন, বাংলাদেশে হাসিনাকে বিতারিত করার পর যেদিন থেকে মহম্মদ ইউনূস দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন সেই দিন থেকেই বাংলাদেশে লাগাতার হিন্দু নির্যাতন মারাত্মক আকার নিয়েছে। হিন্দুদের বাড়ি ঘর, লুট, ধর্ষণ, খুন, হত্যা, মন্দির ভাঙচুর সহ একাধিক বহু ঘটনায় হিন্দু জনজীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। এই অবস্থায় মার্কিন মানবাধিকার সংগঠন মানবাধিকার রক্ষায় ব্যাপক ভাবে সক্রিয় হয়েছে।

    আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপের দাবি

    হিন্দু আমেরিকান ফাউন্ডেশন (HAF) সহ বিভিন্ন গোষ্ঠী জোরালো দাবি জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এবং বিশেষ করে মার্কিন প্রশাসন বাংলাদেশে (Bangladesh) মানবাধিকার ও ধর্মীয় স্বাধীনতা রক্ষায় দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করে। উত্তর আমেরিকার হিন্দু জোটের সদস্য জগন্নাথ (US Lawmakers Hindu Group) বলেন, “বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে সচেতন ভাবে আরও তথ্য গ্রহণ করতে হবে। হিন্দুদের সম্পর্কে নীরবতা পালন করলে আগামীদিনে অস্তিত্ব রাখা নিয়েই প্রশ্ন চলবে। প্রত্যক্ষদর্শীদের কাছ থেকে জানা গিয়েছে, কট্টরপন্থীরা হিন্দুদের বেঁচে থাকার সব অধিকার কেড়ে নিয়েছে। কট্টর ইসলামি সগঠন অতিসক্রিয় ভাবে হিন্দুদের উপর দমন নিপীড়ন চালাচ্ছে।”

    জনসংখ্যার হ্রাস

    আলোচনায় উঠে এসেছে যে, গত কয়েক দশকে বাংলাদেশে হিন্দু জনসংখ্যার হার আশঙ্কাজনকভাবে কমেছে, যা তাদের ভবিষ্যৎ অস্তিত্বকে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে। বাংলাদেশে (Bangladesh) হিন্দু নির্যাতনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক স্তরে চাপ বাড়াতে আমেরিকায় (US Lawmakers Hindu Group) এই প্রতিবাদ বলে মনে করা হচ্ছে। সংখ্যালঘুর অধিকার রক্ষায় বাংলাদেশের উপর চাপ বৃদ্ধি করতে মার্কিন আইন প্রণেতারা সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের জীবন সম্পত্তি রক্ষায় যাতে কাজ করেন সেই কথাই এদিনে আলচানায় উঠে আসে।

     

  • Ramakrishna 580: “অনেকে মহাপুরুষ দর্শন করিতে আসিয়াছেন, সকলেই একদৃষ্টে তাঁহার দিকে চাহিয়া রহিয়াছেন, শুনিবেন তিনি কি বলেন”

    Ramakrishna 580: “অনেকে মহাপুরুষ দর্শন করিতে আসিয়াছেন, সকলেই একদৃষ্টে তাঁহার দিকে চাহিয়া রহিয়াছেন, শুনিবেন তিনি কি বলেন”

    ৫২ শ্যামপুকুর বাটীতে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২২শে অক্টোবর
    শ্রীরামকৃষ্ণের ঈশান, ডাক্তার সরকার, গিরিশ প্রভৃতি ভক্তসঙ্গে
    শ্যামপুকুরের বাটীতে আনন্দ ও কথোপকথন
    গৃহস্থাশ্রম কথাপ্রসঙ্গে

    আশ্বিন শুক্লাচর্তুদশী। সপ্তমী, অষ্টমী ও নবমী তিনদিন মহামায়ার পূজা মহোৎসব হইয়া গিয়াছে। দশমীতে বিজয়া; তদুপলক্ষে পরস্পরের প্রেমালিঙ্গন ব্যাপার সম্পন্ন হইয়াছে। ভগবান শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) ভক্তসঙ্গে কলিকাতার অন্তর্বর্তী সেই শ্যামপুকুর নামক পল্লীতে বাস করিতেছেন। শরিরে কঠিন ব্যাধি, গলায় ক্যান্সার। বলরামের বাড়িতে যখন ছিলেন কবিরাজ গঙ্গাপ্রসাদ দেখিতে আসিয়াছিলেন। তাঁহাকে ঠাকুর জিজ্ঞাসা করিয়াছিলেন, এ-রোগ সাধ্য না অসাধ্য। কবিরাজ এ প্রশ্নের উত্তর দেন নাই, চুপ করিয়াছিলেন। ইংরেজ ডাক্তারেরাও রোগটি অসাধ্য, এ-কথা ইঙ্গিত করিয়াছিলেন (Kathamrita)। এক্ষণে ডাক্তার সরকার চিকিৎসা করিতেছেন।

    আজ বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ১৮৮৫ খ্রীষ্টাব্দ (৭ই কার্তিক, ১২৯২, শুক্লা চতুর্দশী)। শ্যামপুকুরস্থিত একটি দ্বিতল গৃহমধ্যে শ্রীরামকৃষ্ণ — দুতলা ঘরের মধ্যে শয্যা রচনা হইয়াছে, তাহাতে উপবিষ্ট। ডাক্তার সরকার শ্রীযুক্ত ঈশানচন্দ্র মুখোপাধ্যায় ও ভক্তেরা সম্মুখে এবং চারিদিকে সমাসীন। ঈশান বড় দানী, পেনশন লইয়াও দান করেন, ঋণ করিয়া দান করেন আর সর্বদাই ঈশ্বরচিন্তায় থাকেন। পীড়া শুনিয়া (Kathamrita) তিনি দেখিতে আসিয়াছেন। ডাক্তার সরকার চিকিৎসা করিতে আসিয়া ছয়-সাত ঘণ্টা করিয়া থাকেন, শ্রীরামকৃষ্ণকে সাতিশয় ভক্তিশ্রদ্ধা করেন ও ভক্তদের সহিত পরম আত্মীয়ের ন্যায় ব্যবহার করেন (Kathamrita)।

    রাত্রি প্রায় ৭টা হইয়াছে। বাহিরে জ্যোৎস্না — পূর্ণাবয়ব নিশানাথ যেন চারিদিকে সুধা ঢালিয়াছেন। ভিতরে দীপালোক, ঘরে অনেক লোক। অনেকে মহাপুরুষ দর্শন করিতে আসিয়াছেন। সকলেই একদৃষ্টে তাঁহার দিকে চাহিয়া রহিয়াছেন। শুনিবেন তিনি কি বলেন ও দেখিবেন তিনি কি করেন। ঈশানকে দেখিয়া ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ  (Ramakrishna) বলিতেছেন…

  • Suvendu Adhikari: “হারের ভয়ে তৃণমূল আতঙ্কিত”, ভাবনীপুরে বিজেপির পতাকা পোড়ানোর ঘটনায় প্রতিক্রিয়া শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “হারের ভয়ে তৃণমূল আতঙ্কিত”, ভাবনীপুরে বিজেপির পতাকা পোড়ানোর ঘটনায় প্রতিক্রিয়া শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভাবানীপুরে আতঙ্কিত তৃণমূল। বিজেপির পতাকা ছেঁড়ার ভিডিও প্রকাশ্যে এনে বিস্ফোরক হলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তৃণমূল কংগ্রেস যে নিজের পায়ের তলার মাটি হারাতে বসেছে তা আরও একবার প্রমাণিত হয়। রাজ্যজুড়ে লাগাম ছাড়া দুর্নীতি, নারী নির্যাতন, চাকরি চুরি সহ একাধিক ইস্যতে তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিরাট অসন্তোষ জমা হয়েছে জনমনে। এই অবস্থায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কেন্দ্র ভবানীপুরে বিজেপির (Bengal BJP) পতাকা ছিঁড়ে পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে একটি ভিডিওকে ঘিরে।

    তৃণমূল কংগ্রেস এখন রীতিমতো আতঙ্কিত (Suvendu Adhikari)

    সামনেই রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন এই অবস্থায় তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক (Bengal BJP) অভিযোগ তুলেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, “ভাবানীপুরে পরাজয়ের ভয়ে তৃণমূল কংগ্রেস এখন রীতিমতো আতঙ্কিত। ভাবানীপুরের তৃণমূল নেতাকর্মীরা বিজেপির পতাকায় আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ভবানীপুর এখন আর নিরাপদ আসন নয়। এই ধরনের ঘটনা প্রমাণ করে দলের অন্দরে ভয়ের বাতাবরণ কতটা প্রকট।”

    বিজেপি আগামী নির্বাচনে জয়লাভ করবে

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) নিজের এক্স হ্যান্ডলে লিখেছেন, “তৃণমূল কংগ্রেস গভীর রাতে বিজেপির পতাকা খুলে ফেলছে এবং আগুনে পোড়াচ্ছে, যাতে ভোটারদের মধ্যে ভয় তৈরি হয়। নন্দীগ্রামের মতো ভবানীপুরেও তৃণমূলকে পরাজয়ের মুখোমুখি হতে হবে। যত বেশি গেরুয়া পতাকা খোলা ও পোড়ানো হবে, ততই বেশি ব্যবধানে বিজেপি আগামী নির্বাচনে জয়লাভ করবে।”

    পোস্ট করা ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, রাত ২টো ৪৫ মিনিটে তিনজন ব্যক্তি বিজেপির পতাকা ছিঁড়ে নিচ্ছে। একজন ভিডিও করেছেন। এরপর পতাকাগুলিতে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে পতাকা ছিঁড়ে বা আগুনে পুড়িয়ে বিজেপিকে (Bengal BJP) কতটা আটকাতে পারবে তৃণমূল তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। এমনটাই মত রাজনীতির একাংশের মত।

  • Mumbai Mayor: ‘‘শহরের ফুটপাত থেকে অবৈধ বাংলাদেশি হকারদের সরিয়ে দেব’’, বললেন মুম্বইয়ের নতুন মেয়র ঋতু তাওড়ে

    Mumbai Mayor: ‘‘শহরের ফুটপাত থেকে অবৈধ বাংলাদেশি হকারদের সরিয়ে দেব’’, বললেন মুম্বইয়ের নতুন মেয়র ঋতু তাওড়ে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুম্বই মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন (BMC)-এর নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টির কর্পোরেটর ঋতু তাওড়ে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় মুম্বইয়ের মেয়র (Mumbai Mayor) নির্বাচিত হয়ে এক নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন। গত চার দশকের মধ্যে এই প্রথম মুম্বইয়ের মেয়র পদটি বিজেপি দখল করেছে। শিবসেনা (ইউবিটি) কোনো প্রার্থী দাঁড় না করানোর সিদ্ধান্ত নেওয়ায় তাওড়ে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। উল্লেখ্য এই পুরসভায় গত ২৫ বছর ধরে চলে আসা ঠাকরে পরিবারের আধিপত্যের অবসান ঘটাল। ঋতুর সাফ কথা, “ফুটপাতে অবৈধ বাংলাদেশিদের অবিলম্বে চিহ্নিত করা হবে। আর বসতে দেওয়া হবে না।”

    কে ঋতু তাওড়ে (Mumbai Mayor)?

    ঘাটকোপার (পূর্ব) থেকে তিনবারের কর্পোরেটর ৫৩ বছর বয়সি ঋতু তাওড়ে বুধবার, ১১ তারিখে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তিনি মুম্বইয়ের ৭৮তম মেয়র এবং বিজেপির দ্বিতীয় মেয়র (Mumbai Mayor)। এর আগে ১৯৮২-৮৩ সালে প্রভাকর পাই বিজেপির প্রথম মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। এই নির্বাচনে শিন্ডে গোষ্ঠীর শিবসেনার সঞ্জয় ঘাড়ি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ডেপুটি মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়ণবীশ এবং উপ-মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডের উপস্থিতিতে এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে।

    যাচাই হবে আধার কার্ডের মতো নথি

    মেয়র (Mumbai Mayor) হিসেবে শপথ নেওয়ার পর ঋতু তাওড়ে তাঁর লক্ষ্য ও পরিকল্পনার কথা ব্যক্ত করেন। বিএমসি সদর দফতরে দায়িত্ব গ্রহণের পর এক সংবাদ সম্মেলনে ভাষণ দিতে গিয়ে তাওড়ে বলেন, “রাজাওয়াড়ি এবং পূর্ব শহরতলির অন্যান্য হাসপাতালগুলির একত্রীকরণ করে একটি মেডিক্যাল কলেজ প্রতিষ্ঠার দীর্ঘস্থায়ী প্রস্তাবটি এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। বাজেটের বিধানগুলি আগেও করা হয়েছিল, কিন্তু সেগুলি বাস্তবায়িত হয়নি। অবৈধ বাংলাদেশি হকাররা ফুটপাত দখল করে নিয়েছে। তাই মূল মুম্বাইবাসী এবং করদাতাদের জন্য এখন থেকে সুযোগ সুবিধা দেওয়া হবে। আধার কার্ডের মতো নথি যাচাইয়ের পরে অবৈধ বাংলাদেশি হকারদের চিহ্নিত করা হবে এবং অপসারণ করা হবে।”

    নাগরিকদের সেবক হিসেবে কাজ করব

    মেয়র আরও বলেন, “প্রকৃত মূল্যায়নের জন্য রাস্তা, গলি, হাসপাতাল এবং স্কুলগুলিতে আকস্মিক পরিদর্শন করা কাজের প্রধান অঙ্গ হবে। নতুন নেতৃত্বের কাছ থেকে মুম্বাইবাসীর অনেক প্রত্যাশা রয়েছে এবং বিএমসি কর্পোরেশনের সদস্যরা নাগরিকদের সেবক হিসেবে কাজ করবো। মেয়র (BMC) পদটি একটি বড় দায়িত্ব, এবং আমি মুম্বাইয়ের একজন সেবক হিসেবে কাজ করব। মেয়র হিসেবে, আমি নাগরিক সংস্থার কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করব। সংসদের মর্যাদা বজায় রাখা আমার সহ সকল কর্পোরেটরের দায়িত্ব।”

    তাওড়ে আরও বলেন, “এই অর্থ গুরুতর অসুস্থতায় ভুগছেন এমন দরিদ্র রোগীদের আর্থিক সহায়তা প্রদানের জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে। গারগাই, পিঞ্জল এবং দমনগঙ্গা বাঁধের সাথে জড়িত কংক্রিটীকরণ এবং জল বৃদ্ধির পরিকল্পনার মতো বৃহৎ অবকাঠামো প্রকল্পের উপর জোর দেওয়া হবে। বন্যা প্রশমন ব্যবস্থা হিসাবে চারটি ভূগর্ভস্থ বন্যার জলাশয় তৈরি করা হবে।”

    নাগরিক পরিষেবা

    ঋতু তাওড়ে (Mumbai Mayor) মুম্বইকে একটি নিরাপদ এবং উন্নত শহর হিসেবে গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। স্মার্ট ট্রাফিক ব্যবস্থা এবং ড্রোন সার্ভেইল্যান্সের মতো প্রযুক্তির মাধ্যমে শহরের ট্রাফিক জ্যাম ও দূষণ সমস্যার সমাধানের পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর।

    অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

    ঋতু তাওড়ে (Mumbai Mayor) স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, ডিজিটাল সিস্টেম এবং এআই (AI) ব্যবহার করে মুম্বইয়ের ফুটপাত দখল করে থাকা অবৈধ বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গাদের চিহ্নিত করে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হবে।

    স্বচ্ছ প্রশাসন

    দুর্নীতিমুক্ত এবং স্বচ্ছ প্রশাসন নিশ্চিত করতে ঋতু তাওড়ে কাজ করবেন এবং মারাঠি পরিচিতি রক্ষার পাশাপাশি মারাঠি ভাষার প্রসারে গুরুত্ব দেবেন মেয়র।

    ঋতু তাওড়ে (Mumbai Mayor) পূর্বে কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং ২০১২ সালে বিজেপিতে যোগ দেন। পুর প্রশাসনে তাঁর দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে এবং তিনি আগে বিএমসি-র শিক্ষা কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালনও করেছেন। বিজেপির এই জয়কে মুম্বইয়ের রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় হিসেবে দেখা হচ্ছে,। কারণ বিজেপি এখন একক বৃহত্তম শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।

  • Bangladesh: হাত-পা বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার দেহ! বাংলাদেশে ফের খুন হিন্দু যুবক, ইউনূসের ভূমিকায় প্রশ্ন সব মহলে

    Bangladesh: হাত-পা বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার দেহ! বাংলাদেশে ফের খুন হিন্দু যুবক, ইউনূসের ভূমিকায় প্রশ্ন সব মহলে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনের আগের রাতে বুধবার বাংলাদেশের (Bangladesh) মৌলভীবাজার জেলায় ২৮ বছর বয়সি এক হিন্দু যুবককে খুন করা হয়ছে। গত ২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট হাসিনাকে দেশ থেকে বিতারিত করার পর থেকেই সংখ্যালঘু হিন্দু সমাজকে টার্গেট করেছে কট্টরমৌলবাদীরা। লাগাতর হিন্দুদের হত্যা, ধর্ষণ, বাড়িতে আগুন দিয়ে দেশে ভয়ভীতির বাতাবরণ তৈরি করতে চাইছে। জাতীয় নির্বাচনের ভোটগ্রহণের আগে এই হত্যা প্রমাণ করে মহম্মদ ইউনূসের (Hindu Murder) রাজত্বে আইন শৃঙ্খলা কতটা ভেঙে পড়েছে। ভোটের পরে কী পরিস্থিতি দাঁড়ায় তাই এখন দেখার।

    হাত-পা বাঁধা অবস্থায় মৃতদেহ উদ্ধার (Bangladesh)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, নিহত হিন্দু ব্যক্তির নাম রতন সাহুকার, তিনি চম্পা এলাকার একজন চা বাগানের (Bangladesh) শ্রমিক ছিলেন। হাত-পা বাঁধা অবস্থায় তাঁর মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। তার শরীরে একাধিক গভীর আঘাত ছিল এবং মৃতদেহ উদ্ধারের সময়ও ক্ষত থেকে রক্ত ​​ঝরছিল বলে জানা গেছে। সাহুয়াকারের সহকর্মীরা খুনের অভিযোগ তুলেছেন এবং ঘটনার যথাযথ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

    প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ক্ষমতাচ্যুতির পর চলমান অস্থিরতা এবং রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে সংখ্যালঘুদের, বিশেষ করে হিন্দু সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে হামলার ধারাবাহিকতার মধ্যে এই হত্যাকাণ্ড সর্বশেষ। এই সপ্তাহের শুরুতে, আরেকটি পৃথক ঘটনায় আরও একজন হিন্দু ব্যক্তি নিহত হন। সোমবার রাতে, ময়মনসিংহে ৬২ বছর বয়সি চাল ব্যবসায়ী সুসেন চন্দ্র সরকারকে রাত ১১টার দিকে তাঁর দোকানের ভেতরে ঢুকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। সেই সঙ্গে লুট করা হয়েছে দোকানের টাকা।

    এখনও পর্যন্ত ৬১টি হত্যাকাণ্ড

    কোটা বিরোধী আন্দোলনের নামে হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করার প্রায় দুই বছর পর বাংলাদেশে (Bangladesh) গণতান্ত্রিক শাসনকে প্রত্যাবর্তনের জন্য যে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে তার আগে লাগাতার হিন্দু নির্যাতনের ঘটনাগুলি চূড়ান্ত মানবাধিকার লঙ্ঘন বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক হিন্দু সংগঠনগুলি।

    বাংলাদেশে (Bangladesh) হিন্দুরা সংখ্যালঘু, যাদের সংখ্যা প্রায় ১ কোটি ৩১ লক্ষ। দেশের মোট ১৭ কোটি জনসংখ্যার প্রায় ৮ শতাংশ হিন্দু। মুসলিমরা মোট জনসংখ্যার প্রায় ৯১ শতাংশ। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠন বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ বলেছে, ২০২৪ সালের অগাস্টে শেখ হাসিনার ক্ষমতাচ্যুতির পর থেকে সাম্প্রদায়িক হিংসার ২,০০০ এরও বেশি ঘটনা নথিভুক্ত করেছে। এই ঘটনাগুলির মধ্যে রয়েছে ৬১টি হত্যাকাণ্ড (Hindu Murder), নারীর বিরুদ্ধে সহিংসতার ২৮টি ধর্ষণ ও গণধর্ষণ সহ এবং ভাঙচুর, লুটপাট এবং মন্দিরে অগ্নিসংযোগ মতো ৯৫টি আক্রমণের ঘটনা ঘটেছে। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান ইউনূসের নেতৃত্বাধীন প্রশাসনের বিরুদ্ধে চরম অবহেলা করার অভিযোগও করেছে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ ঐক্য পরিষদ।

  • Ramakrishna 579: “গাছটা কাটা শেষ হয়ে এলে, যে ব্যক্তি কাটে সে একটু সরে দাঁড়ায়, খানিকক্ষণ পরে গাছটা আপনিই পড়ে যায়”

    Ramakrishna 579: “গাছটা কাটা শেষ হয়ে এলে, যে ব্যক্তি কাটে সে একটু সরে দাঁড়ায়, খানিকক্ষণ পরে গাছটা আপনিই পড়ে যায়”

    ৫২ শ্যামপুকুর বাটীতে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    পঞ্চম পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ১৮ই অক্টোবর

    পুরুষ-প্রকৃতি — অধিকারী

    ডাক্তার ঠাকুরের জন্য ঔষধ দিলেন—দুটি Globule; বলিতেছেন, এই দুইটি গুলি দিলাম-পুরুষ আর প্রকৃতি। (সকলের হাস্য)

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) সহাস্যে—হাঁ, ওরা এক সঙ্গেই থাকে। পায়রাদের দেখ নাই, তফাতে থাকতে পারে না। যেখানে পুরুষ সেখানেই প্রকৃতি, যেখানে প্রকৃতি সেইখানেই পুরুষ।

    আজ বিজয়া। ঠাকুর ডাক্তারকে মিষ্টমুখ করিতে বলিলেন। ভক্তেরা মিষ্টান্ন আনিয়া দিতেছেন।

    ডাক্তার (খাইতে খাইতে)—খাবার জন্য ‘Thank you’ দিচ্ছি। তুমি যে অমন উপদেশ দিলে, তার জন্য নয়। সে ‘Thank you’ মুখে বলব কেন?

    শ্রীরামকৃষ্ণ (সহাস্যে)—তাঁতে মন রাখা। আর কি বলব? আর একটু একটু ধ্যান করা। (ছোট নরেনকে দেখাইয়া) দেখ দেখ এর মন ঈশ্বরে একেবারে লীন হয়ে যায়। যে-সব কথা তোমায় বলছিলাম।

    ডাক্তার—এদের সব বলো।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—যার যা পেটে সয়। ওসব কথা কি সব্বাই লতে পারে? তোমাকে বললাম, সে এক। মা বাড়িতে মাছ এনেছে। সকলের পেট সমান নয়। কারুকে পোলোয়া করে দিলে, কারুকে আবার মাছের ঝোল। পেট ভাল নয়। (সকলের হাস্য)

    ডাক্তার চলিয়া গেলে। আজ বিজয়া। ভক্তেরা সকলে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণকে সাষ্টাঙ্গ প্রণিপাত করিয়া তাঁহার পদধূলি গ্রহণ করিলেন। তৎপরে পরস্পর কোলাকুলি করিতে লাগিলেন। আনন্দের সীমা নাই। ঠাকুরের অত অসুখ, সব ভুলাইয়া দিয়াছেন! প্রেমালিঙ্গন ও মিষ্টমুখ অনেকক্ষণ ধরিয়া হইতেছে। ঠাকুরের কাছে ছোট নরেন, মাস্টার ও আরও দু’চারিটি ভক্ত বসিয়া আছেন। ঠাকুর আনন্দে কথা কহিতেছেন। ডাক্তারের কথা পড়িল।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) — ডাক্তারকে আর বেশি কিছু বলতে হবে না।

    “গাছটা কাটা শেষ হয়ে এলে, যে ব্যক্তি কাটে সে একটু সরে দাঁড়ায়। খানিকক্ষণ পরে গাছটা আপনিই পড়ে যায়।”

    ছোট নরেন (সহাস্যে)—সবই Principle!

    শ্রীরামকৃষ্ণ (মাস্টারকে)—ডাক্তার অনেক বদলে গেছে না?

    মাস্টার—আজ্ঞা হাঁ। এখানে এলে হতবুদ্ধি হয়ে পড়েন। কি ঔষধ দিতে হবে আদপেই সে কথা তোলেন না। আমরা মনে করে দিলে তবে বলেন (Kathamrita), হাঁ হাঁ ঔষধ দিতে হবে।

    বৈঠকখানা ঘরে ভক্তেরা কেহ কেহ গান গাহিতেছিলেন।

    ঠাকুর যে ঘরে আছেন, সেই ঘরে তাঁহারা ফিরায়া আসিলে পর ঠাকুর বলিতেছেন, “তোমরা গান গাচ্ছিলে,—তাল হয় না কেন? কে একজন বেতালসিদ্ধ ছিল — এ তাই!” (সকলের হাস্য)

    ছোট নরেনের আত্মীয় ছোকরা আসিয়াছেন। খুব সাজগোজ, আর চক্ষে চশমা। ঠাকুর ছোট নরেনের সহিত কথা কহিতেছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—দেখ, এই রাস্তা দিয়ে একজন ছোকরা যাচ্ছিল, প্লেটওলা জামা পরা। চলবার যে ঢঙ। প্লেটটা সামনে রেখে সেইখানটা চাদর খুলে দেয় — আবার এদিক-ওদিক চায়, — কেউ দেখছে কিনা। চলবার সময় কাঁকাল ভাঙা। (সকলের হাস্য) একবার দেখিস না।

    “ময়ূর পাখা দেখায়। কিন্তু পাগুলো বড় নোংরা। (সকলের হাস্য) উট বড় কুৎসিত, — তার সব কুৎসিত।”

    নরেনের আত্মীয়—কিন্তু আচরণ ভাল।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Kathamrita)—ভাল। তবে কাঁটা ঘাস খায়—মুখ দে রক্ত পড়ে, তবুও খাবে! সংসারী, এই ছেলে মরে, আবার ছেলে ছেলে করে!

LinkedIn
Share