Tag: Bengali news

Bengali news

  • BJP: তেলঙ্গনার করিমনগর পুরসভার মেয়র ও ডেপুটি মেয়র পদে বিজেপি

    BJP: তেলঙ্গনার করিমনগর পুরসভার মেয়র ও ডেপুটি মেয়র পদে বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তেলঙ্গনার (Telangana) করিমনগরে মেয়র ও ডেপুটি মেয়র পদ দখল করল বিজেপি (BJP)। ভোট হয়েছিল ১১ ফেব্রুয়ারি। ৩৪ জন কর্পোরেটরের সমর্থনে মেয়র নির্বাচিত হন বিজেপির কর্পোরেটর কোলাগানি শ্রীনিবাস। ডেপুটি মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন ৪২ নম্বর ওয়ার্ডের সুনীল রাও। এর আগে নবনির্বাচিত পরিচালন পর্ষদের সদস্যরা করিমনগর মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন কার্যালয়ে শপথ গ্রহণ করেন। নির্বাচন আধিকারিক আনুষ্ঠানিকভাবে ফল ঘোষণা করেন। বিশেষ আধিকারিক আরডিও মহেশ সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করান। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী বন্দি সঞ্জয়, মানাকোন্ডুর বিধায়ক এবং এক্স-অফিসিও সদস্য সত্যনারায়ণ।

    কে কত আসন পেয়েছে (BJP)

    মোট আসন সংখ্যা ৬৬। এর মধ্যে বিজেপি জিতেছে ৩০টি আসন, আর কংগ্রেস (আইএনসি) ১৪টি। বিআরএস ৯টি, নির্দল প্রার্থী ৮টি, এআইএমআইএম ৩টি এবং অল ইন্ডিয়া ফরওয়ার্ড ব্লক ২টি আসন পেয়েছে। জানা গিয়েছে, কংগ্রেস, বিআরএস, এমআইএম, এআইএফবি সদস্য ও নির্দল প্রার্থীরা যে কোনও প্রকারে কর্পোরেশনের রাশ নিজেদের হাতে নেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন এবং শেষ পর্যন্ত মেয়র পদ দখলের চেষ্টাও চালিয়ে যান। ৬৬ আসনের করিমনগর কর্পোরেশনে বিজেপি সর্বাধিক ৩০টি আসন পেলেও তারা সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করে চেয়ার দখল করতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় ছিল (Telangana)।

    মেয়র পদ নিয়ে লড়াই

    এই প্রেক্ষিতে হায়দরাবাদের উপকণ্ঠের একটি রিসর্টে পৃথক শিবির করার কথাও জানা গিয়েছে। মেয়র পদ নিয়ে কংগ্রেস ও বিজেপির মধ্যে সংখ্যার লড়াই চলতে থাকে। শেষ পর্যন্ত বিজেপি মেয়রের চেয়ার দখল করে (BJP)। করিমনগরে মেয়র পদ নিশ্চিত করতে কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী বন্দি সঞ্জয় কৌশলগত ভূমিকা নেন। কংগ্রেসের মেয়র প্রার্থী পান ২১টি ভোট। বিআরএস নিরপেক্ষ থাকে। এক্স হ্যান্ডেলে বন্দি সঞ্জয় লিখেছেন, “এটি শুধু একটি রাজনৈতিক বিজয় নয়, এটি আবেগের মুহূর্ত। বহু বছর ধরে নীরবে লালিত এক স্বপ্ন যেন আজ বাস্তবায়িত হয়েছে। যে ওয়ার্ডে মজলিস পার্টির কার্যালয় রয়েছে, সেই ওয়ার্ডেই আমাদের কর্মীরা গেরুয়া পতাকা উত্তোলন করেছেন। সেই দৃশ্য আমার স্মৃতিতে চিরকাল থাকবে। এটি সাহসের কথা বলে, পরিবর্তনের কথা বলে (Telangana)।”

    বিজেপি জয়ী

    তিনি বলেন, “করিমনগরের মাটিতে গণতন্ত্র দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং এটি সম্ভব হয়েছে জনগণের সহযোগিতায়।” তিনি এও বলেন, “প্রতিবেশী দলগুলির সঙ্গে কাবাডি কাপের খেলায় বিজেপি জয়ী হয়েছে (BJP)।” কংগ্রেস নেতাদের বিরুদ্ধে তিনি একাধিক ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তোলেন। বলেন, “সব কিছু প্রকাশ করা সম্ভব নয়।” করিমনগর পুরসভায় গেরুয়া পতাকা উত্তোলনের স্বপ্ন পূরণ হয়েছে বলেও জানান তিনি। তিনি বলেন, “নির্বাচন পর্যন্তই রাজনীতি। এরপর রাজনীতি পাশে সরিয়ে রাখা উচিত। আমরা করিমনগরের উন্নয়নের উদ্দেশ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নেমেছিলাম। উন্নয়নের স্বার্থে কেন্দ্রীয় ও রাজ্য মন্ত্রীদের সঙ্গে দেখা করব। বিজেপি মেয়র থাকার কারণে রাজ্য সরকার যদি অর্থ না দেয়, তবুও আমরা পিছিয়ে আসব না (Telangana)।”

    বিজেপিকে বঞ্চিত করতে ষড়যন্ত্র?

    তাঁর প্রশ্ন, বিআরএস, এমআইএম ও কংগ্রেস জোট বেঁধে কী লাভ করেছে? তাঁর অভিযোগ, বিজেপি নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পরেও এই তিন দল মিলে মেয়র নির্বাচনে তাদের হারানোর ষড়যন্ত্র করেছিল (BJP)। তিনি বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী রেবন্ত রেড্ডি গারু… মন্ত্রী, বিআরএস এবং এমআইএমকে সঙ্গে নিয়ে বিজেপিকে মেয়র ও ডেপুটি মেয়র পদ থেকে বঞ্চিত করতে কোনও ষড়যন্ত্রই আপনি বাদ দেননি। কিন্তু বন্দি সঞ্জয়ের রাজনৈতিক কৌশল ও বিজেপি কর্মীদের লড়াকু মনোভাবের সামনে সব ষড়যন্ত্র ভেস্তে গিয়েছে। যেমন ক্রিকেটে পাকিস্তানের বড় জয়, তেমনি করিমনগর পুরসভা নির্বাচনের কাবাডি খেলায় সবাইকে হারিয়ে কাপ জিতেছে বিজেপি।” দলের এই ফলকে করিমনগরে বিজেপির সাংগঠনিক ও নির্বাচনী ভিত্তি সম্প্রসারণের ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে। তেলঙ্গনার রাজনৈতিক পরিসরে গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে বিবেচিত এই শহর ও জেলায় (Telangana) বিজেপির তৃণমূল স্তরে শক্তি সংহতকরণের প্রতিফলন ঘটেছে (BJP)।

     

  • Marco Rubio: রাশিয়া থেকে ভারতের তেল কেনা নিয়ে বড় স্বীকারোক্তি মার্কো রুবিও-র, বিরোধীদের থোঁতা মুখ হল ভোঁতা

    Marco Rubio: রাশিয়া থেকে ভারতের তেল কেনা নিয়ে বড় স্বীকারোক্তি মার্কো রুবিও-র, বিরোধীদের থোঁতা মুখ হল ভোঁতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ভারত শুধু এই প্রতিশ্রুতিই দিয়েছে যে তারা রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল কেনার পরিমাণ আর বাড়াবে না। তেল কেনা বন্ধ হবে এমন কোনও প্রতিশ্রুতি নয়াদিল্লির তরফে দেওয়া হয়নি ভারত-মার্কিন বাণিজ্য চুক্তিতে।” মিউনিখ সিকিউরিটি কনফারেন্সে এমনই মন্তব্য করলেন মার্কিন বিদেশমন্ত্রী মার্কো রুবিও। তাঁর এহেন মন্তব্য ভারত- রাশিয়ার তেল কেনা নিয়ে যে বিতর্ক চলছে, তাতে আরও ইন্ধন জোগাল বলেই ধারণা বিশেষজ্ঞদের।

    কী বললেন রুবিও (Marco Rubio)

    রুবিও বলেন, “ভারত শুধু এই প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যে তারা রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল কেনার পরিমাণ বাড়াবে না।” তিনি সাফ জানিয়ে দেন, নয়াদিল্লি মস্কো থেকে সম্পূর্ণভাবে তেল কেনা বন্ধ করার কোনও প্রতিশ্রুতিই দেয়নি। এমন কিছু নেই-ও ভারত-মার্কিন বাণিজ্য চুক্তিতে। তাঁর এই মন্তব্য সরাসরি সেই রাজনৈতিক দাবিগুলির দাবিকেই খণ্ডন করে, যেখানে বলা হচ্ছিল যে মার্কিন চাপের মুখে ভারত পুরোপুরি রুশ তেল আমদানি বন্ধ করতে রাজি হয়েছে। বৈশ্বিক নিরাপত্তা সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রুবিও বলেন, “ওয়াশিংটন ভারতের কাছ থেকে এই প্রতিশ্রুতি পেয়েছে যে তারা অতিরিক্ত রুশ তেল কিনবে না। এখানে মূল শব্দটি হল “অতিরিক্ত”।

    তেল আমদানি চালিয়ে যাবে ভারত

    এর অর্থ, ভারত বর্তমানে প্রতিদিন ১৫ থেকে ২০ লাখ ব্যারেল হারে তেল আমদানি চালিয়ে যাবে, তবে এর বেশি বাড়াবে না। রুবিও এরও বলেন, “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ ও ইউক্রেনকে সমর্থন জানানো অব্যাহত রাখলেও, ভারতের সঙ্গে আলোচনায় কূটনৈতিক সম্পৃক্ততা এবং চাপ – উভয়ই থাকবে।” এই সম্মেলনেই ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করও এই বিষয়ে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, “ভারতের জ্বালানি নীতি নির্ধারিত হয় মূল্য, সরবরাহের নিরাপত্তা এবং জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে, বাইরের কোনও চাপের ভিত্তিতে নয়।” তিনি বলেন, “ভারত কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন অনুসরণ করে, দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থ মাথায় রেখে স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।” তাঁর মন্তব্যে স্পষ্ট হয় যে ভারত রুশ তেলের ওপর কোনও সর্বাত্মক নিষেধাজ্ঞা মেনে নেয়নি।

    কংগ্রেসের সমালোচনা

    ভারত-আমেরিকা বাণিজ্য কাঠামো নিয়ে আলোচনা শুরু হওয়ার পর থেকেই ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস এবং অন্যান্য বিরোধী দল নিরন্তর মোদি সরকারের সমালোচনা করে চলেছে। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী বলেন, “এখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ঠিক করবে ভারত কোথা থেকে তেল কিনবে।” তাঁর দাবি, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মার্কিন চাপের কাছে নতি স্বীকার করে রাশিয়া থেকে তেল আমদানি বন্ধ করতে রাজি হয়েছেন।” কংগ্রেসের প্রবীণ নেতা জয়রাম রমেশও বারবার প্রশ্ন তুলেছেন, “সংসদকে কি জানানো হয়েছে যে সরকার রুশ তেল কেনা বন্ধের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে?” এই মন্তব্যগুলি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও সংবাদমাধ্যমের একাংশে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে এবং এমন ধারণা তৈরি হয় যে ভারত রুশ তেল আমদানি পুরোপুরি বন্ধ করেছে। রুবিওর ব্যাখ্যা এখন স্পষ্ট করে দিয়েছে যে এমন কোনও পূর্ণাঙ্গ নিষেধাজ্ঞায় ভারত রাজি হয়নি।

    বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম তেল আমদানিকারী দেশ

    ভারত বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম তেল আমদানিকারী দেশ। দেশটি প্রতিদিন প্রায় ৫০ লক্ষ ব্যারেল তেল ব্যবহার করে, যার ৮০–৮৫ শতাংশই আমদানি-নির্ভর। ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর রাশিয়া সস্তায় তেল সরবরাহ করেছে, যা অনেক সময় আন্তর্জাতিক বাজারদরের তুলনায় ব্যারেল প্রতি ২০–৩০ মার্কিন ডলার কম ছিল। এর ফলে ভারত জ্বালানির দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে, মুদ্রাস্ফীতি সামাল দিতে এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর চাপ কমাতে সক্ষম হয়েছে। ২০২৫ সালের জুন মাসে ভারতে রুশ তেল সরবরাহ দৈনিক প্রায় ২০.৯ লাখ ব্যারেলে পৌঁছায়। পরে কিছুটা কমলেও তা বাজারদর পরিবর্তন ও সরবরাহের বহুমুখীকরণের কারণে, রাজনৈতিক চাপে নয়। ২০২৫–২৬ অর্থবর্ষে রাশিয়া ভারতের বৃহত্তম তেল সরবরাহকারী দেশ ছিল। তবে অতিনির্ভরতা এড়াতে ভারত মধ্যপ্রাচ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও ভেনেজুয়েলা থেকেও আমদানি বাড়িয়েছে। ২০২৫ সালে ডোনাল্ড ট্রাম্প ফের ক্ষমতায় ফেরার পর বিষয়টি আরও উত্তপ্ত হয়। তাঁর প্রশাসন ২০২৫ সালের অগাস্টে কিছু ভারতীয় পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক বাড়িয়েছিল, যা অনেকেই ভারতের রুশ তেল নির্ভরতা কমানোর চাপ হিসেবে দেখেন।

    রাশিয়ার বিদেশমন্ত্রীর বক্তব্য

    ট্রাম্প একাধিকবার প্রকাশ্যে বলেছেন যে, ভারত রুশ তেল কেনা বন্ধে রাজি হয়েছে। তবে পরবর্তী আলোচনার ফলে একটি সংশোধিত বাণিজ্য সমঝোতা হয়, যাতে শুল্ক কমিয়ে ১৮ শতাংশ করা হয় এবং অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ জরিমানা তুলে নেওয়া হয়। অর্থনৈতিক চাপ সত্ত্বেও ভারত রুশ তেলের ওপর কোনও পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেনি। বরং শুধু বর্তমান পরিমাণের বেশি না বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এমনকি রাশিয়ার বিদেশমন্ত্রী সের্গেই লাভরভও বলেছেন, “ভারতের সম্পূর্ণ অবরোধের দাবি মস্কোর পক্ষ থেকে আসেনি।” এই ঘটনা চোখে আঙুল দিয়ে দেখায় যে, পশ্চিমী দেশগুলির সঙ্গে সম্পর্ক গভীর করার পাশাপাশি ভারত কীভাবে রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক ও নিজের জ্বালানি নিরাপত্তার মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করছে। মিউনিখে রুবিওর বক্তব্য বিতর্কের অবসান ঘটিয়েছে। তিনি জানান, ভারত রুশ তেল কেনা সম্পূর্ণ বন্ধ করার প্রতিশ্রুতি দেয়নি। কেবল আমদানি বর্তমান স্তরে স্থির রাখার কথা বলেছে। এই মুহূর্তে নয়াদিল্লির অবস্থান স্পষ্ট, জ্বালানি সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে সাশ্রয়ী মূল্য, প্রাপ্যতা এবং জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে, বৈশ্বিক রাজনৈতিক চাপ সত্ত্বেও।

  • Election Commission: রাজ্যের ৭ এইআরওকে সরাসরি সাসপেন্ড করল কমিশন, ‘‘অ্যাকশন শুরু’’ বললেন শুভেন্দু

    Election Commission: রাজ্যের ৭ এইআরওকে সরাসরি সাসপেন্ড করল কমিশন, ‘‘অ্যাকশন শুরু’’ বললেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিন কয়েক আগেই রাজ্যের চার আধিকারিককে সাসপেন্ড করে তাঁদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করার নির্দেশ দিয়েছিল জাতীয় নির্বাচন (Election Commission) কমিশন। তার পরেও এফআইআর দায়ের করা হয়নি তাঁদের বিরুদ্ধে। সেই কারণেই শুক্রবার দিল্লিতে কমিশনের দফতরে তলব করা হয়েছিল রাজ্যের মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তীকে। সেখানে কার্যত প্রশ্নবাণে বিদ্ধ হতে হয় তাঁকে (AEROs)। রাজ্য অভিযুক্ত আধিকারিকদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করতে গড়মসি করছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। ওই চার আধিকারিকের বিরুদ্ধে যাতে এফআইআর দায়ের করা হয়, সেজন্য মঙ্গলবার পর্যন্ত সময় বেঁধে দেয় কমিশন।

    বিধানসভা নির্বাচন (Election Commission)

    মধ্য-মার্চেই শুরু হয়ে যেতে পারে এ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে ভোটার তালিকা ঝাড়াই-বাছাই করতে শুরু হয়েছে এসআইআর প্রক্রিয়া। এহেন আবহে বাংলার আরও সাত আধিকারিককে দ্রুত সাসপেন্ড করার নির্দেশ দিল কমিশন। এই মর্মে রাজ্যের মুখ্যসচিবকে পদক্ষেপ করতে নবান্নে একটি চিঠিও দিয়েছে নয়াদিল্লি। জানা গিয়েছে, এই সাত আধিকারিকও বাংলার এসআইআর প্রক্রিয়ায় যুক্ত ছিলেন। তাঁরা পালন করছিলেন এইআরও-র দায়িত্ব। তাঁদের বিরুদ্ধেই কাজে অসদাচরণ, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগ তুলেছে নির্বাচন কমিশন। রবিবারই এই মর্মে দিল্লি থেকে নির্দেশ এল রাজ্যে (Election Commission)। এই নির্দেশে অভিযুক্ত সাত আধিকারিকের নাম, কর্মস্থলের উল্লেখ করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

    সাসপেন্ড করার নির্দেশ

    জানা গিয়েছে, মুর্শিদাবাদ জেলা থেকে সাসপেন্ড করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সামশেরগঞ্জের এইআরও শেফাউর রহমান, ফরাক্কার এইআরও নীতীশ দাস, সূতির এইআরও শেখ মুর্শিদ আলম। সাসপেন্ড করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার দুই আধিকারিক ক্যানিং পূর্বের এইআরও সত্যজিৎ দাস এবং জয়দীপ কুণ্ডুকে (AEROs)। পশ্চিম মেদিনীপুর থেকে সাসপেন্ড করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ডেবরার বিডিও তথা এইআরও দেবাশিস বিশ্বাসকে। সাসপেন্ড করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে জলপাইগুড়ি জেলার ময়নাগুড়ির এইআরও ডালিয়া রায়চৌধুরীকে।

    চার আধিকারিকের বিরুদ্ধে এফআইআরের নির্দেশ

    জানা গিয়েছে, গত বছরই দুই জেলার চার আধিকারিকের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করার নির্দেশ দিয়েছিল কমিশন। পূর্ব মেদিনীপুরের ময়না এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুর পূর্বের ইআরও এবং এইআরওদের বিরুদ্ধেও অভিযোগ উঠেছে। তাঁরা ভূতুড়ে ভোটারদের নাম তালিকায় বেআইনিভাবে তুলেছেন বলে অভিযোগ। ওই চার আধিকারিক হলেন তথাগত মণ্ডল, দেবোত্তম দত্তচৌধুরী, বিপ্লব সরকার এবং সুদীপ্ত দাস। সুরজিৎ হালদার নামে ডেটা এন্ট্রির কাজে যুক্ত এক কর্মীর বিরুদ্ধেও এফআইআর করার নির্দেশ দিয়েছিল কমিশন। এই সুরজিৎ বারুইপুর পূর্ব বিধানসভা কেন্দ্রের ডেটা এন্ট্রি অপারেটর। তাঁকে নির্বাচন সংক্রান্ত দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে বলে কমিশনকে জানালেও, নবান্ন সাফ জানিয়ে দেয়, বাকিদের বিরুদ্ধে এখনই কোনও পদক্ষেপ করা হচ্ছে না।

    রাজ্যকে চিঠি কমিশনের

    এই বিষয়ে গত বছর ৫ অগাস্ট প্রথমে রাজ্যকে চিঠি পাঠিয়েছিল কমিশন। এর ঠিক তিনদিন পরেই ফের পাঠানো হয় চিঠি। তার পরেও নির্দেশিকা কার্যকর না হওয়ায় রাজ্যকে আবারও চিঠি দেয় কমিশন। জেলাশাসকদের তরফে দু’বার রিমাইন্ডারও দেওয়া হয়। পরে রাজ্যের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়, ওই চার আধিকারিকের বিরুদ্ধে (AEROs) অপরাধ এফআইআর করার মতো যথেষ্ট নয়। লঘু পাপে গুরু দণ্ড দেওয়াও ঠিক নয় (Election Commission)।

    কী বললেন শুভেন্দু

    এদিকে, কমিশনের এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সোমবার এ ব্যাপারে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে তিনি বলেন, এই প্রথম সরাসরি সাসপেন্ড করার ক্ষমতা দেখাল নির্বাচন কমিশন। এতদিন কমিশন কেবল পরামর্শ দিচ্ছিল, এবার অ্যাকশন শুরু হয়েছে। কমিশন চাইলে এদের বিরুদ্ধে এফআরআরও করতে পারে। শুভেন্দুর অভিযোগ, এই আধিকারিকরা তৃণমূলের নির্দেশে ভুয়ো স্কুল সার্টিফিকেট নিয়ে কমিশনের গাইডলাইন লঙ্ঘন করেছেন। তাঁর (Election Commission) দাবি, এই গোটা প্রক্রিয়ার নেপথ্যে রয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মদত এবং মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তীর প্রত্যক্ষ ভূমিকা।

     

  • Bangladesh: তারেকের শপথগ্রহণে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করবেন লোকসভার স্পিকার, সঙ্গী বিদেশ সচিবও

    Bangladesh: তারেকের শপথগ্রহণে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করবেন লোকসভার স্পিকার, সঙ্গী বিদেশ সচিবও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার ভারতের বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে, ১৭ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের (Bangladesh) নব নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে ভারতের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করবেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা (Om Birla)। সূত্রে জানা গিয়েছে, ভারতীয় কূটনীতিকদের উপস্থিতির বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করার জন্য বিদেশ সচিব বিক্রম মিশ্রি এবং লোকসভার মহাসচিব উৎপল কুমার সিংও স্পিকারের সঙ্গে ঢাকা যেতে পারেন।

    কেন যাচ্ছেন না মোদি ?

    স্পিকার ওম বিড়লা (Om Birla) বাংলাদেশের নয়া প্রধানমন্ত্রীর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পরিবর্তে বাংলাদেশে (Bangladesh) যাবেন। ঢাকার তরফে রবিবার ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়।  কিন্তু পূর্ব-নির্ধারিত কর্মসূচির কারণে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পারছেন না তিনি। কারণ, ওই দিনই মুম্বইয়ে ফরাসি রাষ্ট্রপতি ইমানুয়েল মাক্রঁর সঙ্গে মোদির বিশেষ বৈঠক রয়েছে।

    বিদেশ মন্ত্রকের পক্ষ থেকে একটি বিবৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, “এই গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে মাননীয় স্পিকারের অংশগ্রহণ ভারত-বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে গভীর ও স্থায়ী বন্ধুত্বের উপর জোর দেওয়া হবে। আমাদের দুই দেশকে আবদ্ধ করে এমন গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি দৃঢ় অঙ্গীকারকে পুনর্ব্যক্ত করে ভারত। একটি অভিন্ন ইতিহাস, সংস্কৃতি এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধার দ্বারা ঐক্যবদ্ধ প্রতিবেশী হিসেবে, ভারত তারেক রহমানের নেতৃত্বকে স্বাগত জানায়।’’

    সম্পর্ককে পুনর্নির্মাণে আগ্রহী ঢাকা

    তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) যারা ২০২৬ সালের নির্বাচনে ২৯৭টি ঘোষিত আসনের মধ্যে ২১২টি আসন পেয়ে ঐতিহাসিক জয়লাভ করেছে। নির্বাচনে জয়লাভের পর তারেককে পাঠানো অভিনন্দন বার্তার জন্য প্রধানমন্ত্রী মোদিকে ধন্যবাদ জানিয়েছে বিএনপি। সাংবাদিক সম্মেলন করে তারেক রহমান ঘোষণা করে বলেন, “বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থ আমাদের পররাষ্ট্র নীতি নির্ধারণ করবে। ভারত, পাকিস্তান এবং চিনের সঙ্গে বাংলাদেশের (Bangladesh) সম্পর্ককে পুনর্নির্মাণে ঢাকা ভীষণ ভাবে আগ্রহী।”

  • Katwa Train Fire Incident: কাটোয়ায় ট্রেনের কামরায় আগুন, অন্তর্ঘাত বলছে রেল! নেপথ্যে বহিরাগতরা?

    Katwa Train Fire Incident: কাটোয়ায় ট্রেনের কামরায় আগুন, অন্তর্ঘাত বলছে রেল! নেপথ্যে বহিরাগতরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাটোয়া স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রেনে অগ্নিকাণ্ডের (Katwa Train Fire Incident) ঘটনায় বহিরাগতদের হাত (Intentional Attack)! অন্তত এমনই অনুমান রেলকর্তাদের একাংশের। জানা গিয়েছে, কাটোয়া-আজিমগঞ্জ ট্রেনের যে কামরাটিতে আগুন লেগেছিল, তা শর্ট সার্কিট থেকে নয়, কামরার ভেতরের কোনও ত্রুটির কারণেও নয়। সেই কারণেই ক্রমশ ঘনীভূত হচ্ছে রহস্য। রেল সূত্রে খবর, প্রাথমিক তদন্তেই উঠে এসেছে এই খবর।

    বহিরাগতের আনাগোনা (Katwa Train Fire Incident)

    সিসিটিভি ফুটেজে তদন্তকারীদের নজরে এসেছে বেশ কিছু বহিরাগতের আনাগোনা। সূত্রের খবর, সোমবার কাটোয়া স্টেশনে যাবে ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞদের একটি প্রতিনিধি দল। রবিবার ভোরে আচমকাই আগুন দেখা যায় কাটোয়া স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা কাটোয়া-আজমিগঞ্জ প্যাসেঞ্জার ট্রেনে (Katwa Train Fire Incident)। ট্রেনটির ছাড়ার কথা ছিল সকাল ৬টা ৫-এ। ভোর সাড়ে ৪টে নাগাদ হঠাৎই আগুন লাগে একটি কামরায়। মূহুর্তের মধ্যেই গোটা কামরা ছড়িয়ে পড়ে বিধ্বংসী আগুন। ওই কামরায় কোনও যাত্রী না থাকায় বড়সড় কোনও বিপদ ঘটেনি। এদিন প্রথমে ট্রেনটির ওই কামরায় আগুনের লেলিহান শিখার পাশাপাশি ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখতে পান প্লাটফর্মে উপস্থিত যাত্রীরা (Intentional Attack)। খবর ছড়িয়ে পড়তেই আতঙ্কে ছুটোছুটি পড়ে যায় স্টেশন চত্বরে।

    বহিরাগতদের অদৃশ্য হাত?

    খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় জিআরপি এবং আরপিএফ। দমকলের দুটি ইঞ্জিন এসে ঘণ্টাখানেকের কিছু বেশি সময়ের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে (Katwa Train Fire Incident)। পুড়ে খাক হয়ে যাওয়া কামরাটিকে আপাতত ঢেকে রাখা হয়েছে কাপড় দিয়ে। কাটোয়া স্টেশনে রেলের কামরায় শর্ট সার্কিট থেকে আগুন ধরেনি বলে জানালেন পূর্ব রেলের হাওড়া ডিভিশনাল ম্যানেজার বিশাল কাপুর। তদন্তে নেমে আধিকারিকদের অনুমান এই ঘটনার নেপথ্যে রয়েছে বহিরাগতদের অদৃশ্য হাত। যে এলাকায় ঘটনাটি ঘটেছে, তার কাছেই বিহার। তাহলে কি ভিন রাজ্যের কেউই এই কাণ্ডে জড়িত, নাকি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র?

    দুর্ঘটনা নয়, সাবোটাজ! দাবি রেলের

    মুখ্য জনসংযোগকারী আধিকারিক শিবরাম মাঝির কথায়, কাটোয়া স্টেশনে ভোর সাড়ে চারটে নাগাদ ঘটা এই ঘটনাটিকে নিছক দুর্ঘটনা নয়, বরং ‘সাবোটাজ’ বা অন্তর্ঘাত হিসেবেই দেখছেন তাঁরা।   যদি ষড়যন্ত্রই হয়, তাহলে ঘটনার মোটিভ কী? জানা গিয়েছে, সোমবার কাটোয়া স্টেশনে গিয়েছে ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞদের একটি প্রতিনিধি দল। সেখান থেকে তারা নমুনা সংগ্রহ করবে (Intentional Attack)। তদন্তে নেমেছেন এডিআরএম হাওড়া উদয় কেশরী-সহ ৫জন বিভাগীয় আধিকারিক (Katwa Train Fire Incident)।  খুব তাড়াতাড়ি আগুন লাগার কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

  • CPRG: নয়াদিল্লিতে শুরু ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬, কী কী বিষয়ে আলোচনা হবে?

    CPRG: নয়াদিল্লিতে শুরু ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬, কী কী বিষয়ে আলোচনা হবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুরু হয়ে গেল ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬। সেন্টার ফর পলিসি রিসার্চ অ্যান্ড গভর্ন্যান্স (CPRG) ১৬ থেকে ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত নয়াদিল্লির একাধিক জায়গায় আয়োজন করেছে এই সামিট। একাধিক প্রধান সামিট ইভেন্ট ও সরকারি আলোচনাও হবে। এই কর্মসূচির মাধ্যমে সামিটে যেসব গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা চলছে, তাতে সিপিআরজি সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে।সপ্তাহজুড়ে সিপিআরজি আয়োজিত কর্মসূচিগুলিতে কর্মসংস্থানে এআইয়ের প্রভাব, স্কুল ও উচ্চশিক্ষা, ডেটা গভর্ন্যান্স এবং প্রাতিষ্ঠানিক রূপান্তর নিয়ে আলোচনা হবে। এতে অংশ নিয়েছেন নীতিনির্ধারক, শিক্ষাবিদ, শিল্পনেতা এবং সিভিল সোসাইটির প্রতিনিধিরা।

    সিপিআরজি-র পরিচালকের প্রতিক্রিয়া (CPRG)

    সামিট-পূর্ব এক আলোচনায় সিপিআরজি-র পরিচালক রামানন্দ বলেন, “এই সামিট একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এআই নিয়ে আলোচনা এখন আর শুধু প্যানেল ও রিপোর্টেই সীমাবদ্ধ নয়, এটি ইতিমধ্যেই বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কার্যপ্রণালীতে প্রতিফলিত হচ্ছে। এখন প্রয়োজন এই পরিবর্তনগুলি কীভাবে গঠিত হচ্ছে এবং ভবিষ্যতে কোন কাঠামো এগুলিকে পরিচালিত করবে তা বিশ্লেষণ করা। সামিট সপ্তাহে আমাদের আয়োজিত কর্মসূচির মাধ্যমে সিপিআরজি এই প্রশ্নগুলিকেই আলোচনার কেন্দ্রে আনবে।” আজ, ১৬ ফেব্রুয়ারি চলছে— ‘ফিউচার অফ এমপ্লয়াবিলিটি ইন দ্য এজ অফ এআই’। এটাই এআই-ফোর ইন্ডিয়ার (AI4India) সহযোগিতায় আয়োজিত প্রধান সামিট ইভেন্ট। অনুষ্ঠান হচ্ছে নয়াদিল্লির ভারত মণ্ডপমে। এখানেই হবে ‘এআই ফর এডুকেশন: ফিউচার রেডি ইউনিভার্সিটিজ অ্যান্ড স্কুলস’ ইভেন্টও।

    ইভেন্ট সূচি 

    ১৭ ফেব্রুয়ারি হবে ‘পদ্মএআই কনক্লেভ ২.০: রিইমেজিনিং দ্য ইন্ডিয়ান এডুকেশন সিস্টেম’। এটিও একটি প্রধান সামিট ইভেন্ট। অনুষ্ঠিত হবে গুলমোহর হল, ইন্ডিয়া হ্যাবিট্যাট সেন্টারে। ১৮ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে ‘ডেটা ফর ডেভেলপমেন্ট: বিল্ডিং এআই ইন দ্য গ্লোবাল সাউথ’। এই প্রধান সামিটটিও হবে ভারত মণ্ডপমে। ২০ ফেব্রুয়ারি হবে ‘রিইমেজিনিং এডুকেশন ইন দ্য এজ অফ এআই’। এটিও একটি প্রধান সামিট। হবে সুষমা স্বরাজ ভবনে।

    আলোচনায় অংশ নেবেন কারা

    সপ্তাহব্যাপী আলোচনায় ভারতের ও বিদেশের মন্ত্রী, নীতিনির্ধারক, আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞ ও শিল্পনেতারা অংশ নিয়েছেন। বিশিষ্ট অতিথিদের মধ্যে রয়েছেন, জিতিন প্রসাদ, প্রতিমন্ত্রী, বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রক এবং ইলেকট্রনিক্স ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রক, আশীষ সুদ, দিল্লি সরকারের শিক্ষামন্ত্রী, সাংসদ নিশিকান্ত দুবে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক্তন ডেপুটি ন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যাডভাইজার অ্যান নিউবার্গার, টনি ব্লেয়ার ইনস্টিটিউটের জোহান হার্ভার্ড, ক্যাপাসিটি বিল্ডিং কমিশনের সদস্য আর বালসুবহ্মনিয়াম, সঞ্জীব বিকচাঁদানি, প্রতিষ্ঠাতা ও এক্সিকিউটিভ ভাইস-চেয়ারম্যান, ইনফো এজ, গোকুল সুবহ্মনিয়াম, প্রেসিডেন্ট, ইন্টেল ইন্ডিয়া। আলোচনায় অংশ নেবেন প্রযুক্তি, উচ্চশিক্ষা এবং সরকারি প্রতিষ্ঠানের সিইও এবং শীর্ষকর্তারাও।

    সিপিআরজির ফিউচার অফ সোস্যাইটির উদ্যোগ

    এই সিরিজটি সিপিআরজির ফিউচার অফ সোস্যাইটির উদ্যোগের অংশ, যা উদীয়মান প্রযুক্তি কীভাবে প্রতিষ্ঠান ও জনপরিসরকে রূপান্তরিত করছে তা বিশ্লেষণ করে। ২০২৫ সালের প্যারিস এআই অ্যাকশন সামিটে সিপিআরজি ছিল একমাত্র ভারতীয় বেসরকারি সংস্থা যারা একটি সরকারি সাইড ইভেন্টের আয়োজন করেছিল। পদ্মএআই ২০২৫ কনক্লেভের ধারাবাহিকতায় এ বছরের পদ্মএআই ২.০ শিক্ষা ক্ষেত্রে বাস্তবায়ন ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের ওপর জোর দেবে। সামগ্রিকভাবে এই কর্মসূচিগুলি দায়িত্বশীল ও ভবিষ্যতমুখী প্রযুক্তি নীতির দিকে সিপিআরজি’র অব্যাহত প্রচেষ্টার প্রতিফলন।

    প্রসঙ্গত, সেন্টার ফর পলিসি রিসার্চ অ্যান্ড গভর্ন্যান্স (CPRG) একটি নীতিগত গবেষণা সংস্থা, যার লক্ষ্য অংশগ্রহণমূলক ও দায়িত্বশীল নীতিনির্ধারণকে উৎসাহিত করা। ভারতীয় সামাজিক বিজ্ঞান গবেষণা পরিষদ (ICSSR) স্বীকৃত এই প্রতিষ্ঠান ‘ফিউচার অফ সোশ্যাইটি’র উদ্যোগের মাধ্যমে প্রযুক্তি নীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

     

  • Ramakrishna 582: “খই যখন ভাজা হয় দু চারটে খই খোলা থেকে টপ্‌ টপ্‌ করে লাফিয়ে পড়ে, সেগুলি যেন মল্লিকা ফুলের মতো”

    Ramakrishna 582: “খই যখন ভাজা হয় দু চারটে খই খোলা থেকে টপ্‌ টপ্‌ করে লাফিয়ে পড়ে, সেগুলি যেন মল্লিকা ফুলের মতো”

    ৫২ শ্যামপুকুর বাটীতে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২২শে অক্টোবর
    শ্রীরামকৃষ্ণের ঈশান, ডাক্তার সরকার, গিরিশ প্রভৃতি ভক্তসঙ্গে
    শ্যামপুকুরের বাটীতে আনন্দ ও কথোপকথন
    গৃহস্থাশ্রম কথাপ্রসঙ্গে

    নির্লিপ্ত সংসারী—নির্লিপ্ত হবার উপায়

    সংসার আশ্রমের জ্ঞান ও সন্ন্যাস আশ্রমের জ্ঞান 

    “যদি বল, সংসার আশ্রমের জ্ঞানী (Ramakrishna) আর সন্ন্যাস আশ্রমের জ্ঞানী, এ-দুয়ের তফাত আছে কিনা? আর উত্তর এই যে দুই-ই এক জিনিস। এটিও জ্ঞানী উটিও জ্ঞানী — এক জিনিস। তবে সংসারে জ্ঞানীরও ভয় আছে। কামিনী-কাঞ্চনের ভিতর থাকতে গেলেই একটু না একটু ভয় আছে। কাজলের ঘরে থাকতে গেলে যত সিয়ানাই হও না কেন কালো দাগ একটু না একটু গায়ে লাগবেই।

    “মাখন তুলে যদি নূতন হাঁড়িতে রাখ, মাখন নষ্ট হবার সম্ভাবনা থাকে না। যদি ঘোলের হাঁড়িতে রাখ, সন্দেহ হয়। (সকলের হাস্য)

    “খই যখন ভাজা হয় দু চারটে খই খোলা থেকে টপ্‌ টপ্‌ করে লাফিয়ে পড়ে। সেগুলি যেন মল্লিকা ফুলের মতো, গায়ে একটু দাগ থাকে না। খোলার উপর যে-সব খই থাকে, সেও বেশ খই, তবে অত ফুলের মতো হয় না, একটু গায়ে দাগ থাকে। সংসারত্যাগী সন্ন্যাসী (Ramakrishna) যদি জ্ঞানলাভ করে, তবে ঠিক এই মল্লিকা ফুলের মতো দাগশূন্য হয়। আর জ্ঞানের পর সংসার খোলায় থাকলে একটু গায়ে লালচে দাগ হতে পারে। (সকলের হাস্য)

    “জনক রাজার সভায় একটি ভৈরবী এসেছিল। স্ত্রীলোক ধেখে জনক রাজা হেঁটমুখ হয়ে চোখ নিচু করেছিলেন। ভৈরবী তাই দেখে বলেছিলেন, ‘হে জনক, তোমার এখনও স্ত্রীলোক দেখে ভয়!’ পূর্ণজ্ঞান হলে পাঁচ বছরের ছেলের স্বভাব হয় (Kathamrita)— তখন স্ত্রী-পুরুষ বলে ভেদবুদ্ধি থাকে না।

    “যাই হোক যদিও সংসারের জ্ঞানীর গায়ে দাগ থাকতে পারে, সে দাগ কোন ক্ষতি হয় না। চন্দ্রে কলঙ্ক আছে বটে কিন্তু আলোর ব্যাঘাত হয় না।”

    জ্ঞানের পর কর্ম—লোকসংগ্রহার্থ 

    “কেউ কেউ জ্ঞানলাভের পর লোকশিক্ষার জন্য কর্ম করে, যেমন জনক ও নারদাদি। লোকশিক্ষার জন্য শক্তি থাকা চাই। ঋষিরা নিজের নিজের জ্ঞানের জন্য ব্যস্ত ছিলেন। নারদাদি আচার্য লোকের হিতের জন্য বিচরণ করে বেড়াতেন। তাঁরা বীরপুরুষ।

    “হাবাতে কাঠ যখন ভেসে যায়, পাখি একটি বসলে ডুবে যায়, কিন্তু বাহাদুরী কাঠ যখন ভেসে যায়, তখন গরু, মানুষ, এমন কি হাতি পর্যন্ত তার উপর যেতে পারে। স্টীমবোট আপনিও পারে যায়, আবার কত মানুষকে পার করে দেয়।

    “নারদাদি আচার্য বাহাদুরী কাঠের মতো, স্টীমবোট-এর মতো (Kathamrita)।

    “কেউ খেয়ে গামছা দুএ মুখে মুছে বসে থাকে, পাছে কেউ টের পায়। (সকলের হাস্য) আবার কেউ কেউ একটি আম পেলে কেটে একটু একটু সকলকে দেয়, আর আপনিও খায়। “নারদাদি আচার্য সকলের মঙ্গলের জন্য জ্ঞানলাভের (Ramakrishna) পরও ভক্তি লয়ে ছিলেন।”

  • Bangladesh: ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী অপরাধে দোষী সাব্যস্ত তিন কট্টর মৌলবাদী সন্ত্রাসী জয়ী বাংলাদেশের নির্বাচনে

    Bangladesh: ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী অপরাধে দোষী সাব্যস্ত তিন কট্টর মৌলবাদী সন্ত্রাসী জয়ী বাংলাদেশের নির্বাচনে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী অপরাধে দোষী সাব্যস্ত তিন কট্টর মৌলবাদী সন্ত্রাসী জয়ী। বাংলাদেশে ২০২৬ সালের সাধারণ নির্বাচন বাংলাদেশ (Bangladesh) জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি-কে এক বিশাল বিজয় এনে দিয়েছে। দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে এবং জামায়াতে ইসলামকে (Islamist Terrorists) পরাজিত করেছে। তবে শিরোনামে যা এসেছে, তা হল তিনজন সন্ত্রাসী এখন রাজনীতিবিদে পরিণত হয়েছেন। এদের সকলকেই পূর্বে ছিলেন মৃত্যুদণ্ডের আসামী। সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড এবং খুনের অভিযোগ রয়েছে তাঁদের বিরুদ্ধে। এখন তাঁরা সংসদ সদস্য বা এমপি হিসেবে সংসদে প্রবেশের জন্য প্রস্তুত।

    ইউনূসই মৃত্যুদণ্ড থেকে মুক্তি দিয়েছিলেন (Bangladesh)

    ২০২৪ সালে কোটা বিরোধী আন্দোলন এবং প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশ (Bangladesh) থেকে বিতারিত করার পর কট্টর মৌলবাদীদের সমর্থনে অন্তর্বর্তী সরকারে বসেন মুহাম্মদ ইউনূস। তাঁর নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকারের আদালতের রায়ের পর তিন ইসলামি সন্ত্রাসীকে (Islamist Terrorists) কারাগার থেকে মুক্তি দিয়ে দেওয়া হয়। যদিও রাজনৈতিক অস্থিরতার পূর্বে এই তিন সন্ত্রাসী কারাগারে ছিলেন এবং মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার পর্যায়ে ছিলেন। দুজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে তাঁরা ভারতবিরোধী সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডেও জড়িত ছিলেন।

    মৃত্যুদণ্ড থেকে সাংসদ লুৎফুজ্জামান বাবর

    সন্ত্রাসীদের মধ্যে সবচেয়ে পরিচিত হলেন বিএনপির লুৎফুজ্জামান বাবর। ১২ই ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে তিনি নেত্রকোনা-৪ আসন থেকে ১,৬০,০০০ এরও বেশি ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত খালেদা জিয়ার সরকার বিএনপি-জামায়াত জোটের সরকার ছিল। উল্লেখ্য বাবর এর আগে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনও করেছিলেন। ২০১৪ সালে, বাবরকে ২০০৪ সালের ঢাকা (Bangladesh) গ্রেনেড হামলায় জড়িত থাকার জন্য মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। এই হামলায় কমপক্ষে ২৩ জন নিহত এবং প্রায় ৫০০ জন আহত হয়েছিল। শেখ হাসিনাকে লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। ২০১৮ সালে, চট্টগ্রাম অস্ত্র (Islamist Terrorists) চোরাচালান মামলায় জড়িত থাকার জন্য তাঁকে আরেকটি মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়, যেখানে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বিদ্রোহীদের জন্য ১০ ট্রাক অস্ত্র জব্দ করা হয়েছিল। তবে, হাসিনার ক্ষমতাচ্যুতির পর, হাইকোর্ট ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে তাঁকে জেল থেকে মুক্তি দেওয়া হয়।

    আবদুস সালাম পিন্টু ও ভারত বিরোধী সন্ত্রাসী

    বিএনপির (Bangladesh) আরেক নেতা আবদুস সালাম পিন্টুও রাজনৈতিকভাবে মূল স্রোতে ফিরে এসেছেন। তিনি টাঙ্গাইল-২ আসন থেকে প্রায় ২০০,০০০ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। বাবরের মতো, পিন্টুকেও ২০০৪ সালের ঢাকা গ্রেনেড হামলায় ভূমিকার জন্য ২০১৬ সালে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। এমনকি পিন্টুর বিরুদ্ধে পাকিস্তান-ভিত্তিক সন্ত্রাসী সংগঠন হরকাত-উল-জিহাদ-আল-ইসলামী (হুজি) কে সমর্থন করার অভিযোগও আনা হয়েছিল। ভারতে ২০০৬ সালের বারাণসী আদালতে বোমা হামলা (Islamist Terrorists) , ২০০৭ সালের আজমির শরীফ দরগায় হামলা এবং ২০১১ সালের দিল্লিতে বোমা হামলার মতো বড় বড় বিস্ফোরণ ঘটিয়েছিল এই পাক জঙ্গি সংগঠন। বাবরের মতো, হাসিনার ক্ষমতাচ্যুতির পর আদালত তাকেও ২৪শে ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে মুক্তি দেয়।

    যুদ্ধাপরাধের আসামি এটিএম আজহারুল ইসলাম

    তৃতীয় নেতা হলেন জামায়াতে ইসলামীর এটিএম আজহারুল ইসলাম। আজহারুল ইসলাম রংপুর-২ (Bangladesh) থেকে প্রায় ১৩৯,০০০ ভোট পেয়ে জয়ী হন। তিনি এর আগে ১৯৯৮, ২০০১ এবং ২০০৬ সালেও সেখানে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন এবং ২০১২ সাল পর্যন্ত দলের মহাসচিব ছিলেন। ২০১২ সালে, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় তাঁর অপরাধের জন্য তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। তাঁর বিরুদ্ধে ১,২৫৬ জনকে হত্যা (Islamist Terrorists) এবং ১৩ জন নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ আনা হয়। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ২০১৪ সালে তাঁকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়। তবে, ২০২৪ সালের জুলাইয়ের বিদ্রোহের পর, বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্ট গত বছরের ২৭ মে তাকে খালাস দেয়। বাংলাদেশের রাজনীতিতে এটি একটি বিরাট পরিবর্তন। অভিযুক্ত, মৃত্যুদণ্ডদের আসামীরা এখন সংসদে শপথ নিতে চলেছেন।

  • PM Modi: তারেকের প্রধানমন্ত্রীর শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ নরেন্দ্র মোদিকে

    PM Modi: তারেকের প্রধানমন্ত্রীর শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ নরেন্দ্র মোদিকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৪ সালে হাসিনাকে কোটা বিরোধী আন্দোলনের নামে দেশছাড়া করার পর জাতীয় নির্বাচনে বাংলাদেশে জয়লাভ করেছেন (Bangladesh) বিএনপির তারেক রহমান। নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগদানের জন্য ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi) আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। ১৭ ফেব্রুয়ারি ঢাকার জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় এই শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান হবে বলে জানা গিয়েছে।

    ১৩টি দেশকে আমন্ত্রণ (Bangladesh)

    অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস (Bangladesh) এই আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। মোট ১৩টি দেশের নেতাদের এই অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। ভারত ছাড়াও, আমন্ত্রিতদের তালিকায় রয়েছে, চীন, সৌদি আরব, পাকিস্তান, তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, মালয়েশিয়া, ব্রুনাই, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, মালদ্বীপ এবং ভুটান। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফের যোগদানের কথা রয়েছে। তবে প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi) ঢাকা সফর করবেন কিনা তা ভারত এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেনি।

    কে কত আসন?

    বাংলাদেশ (Bangladesh) জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এর নেতৃত্বদানকারী রহমান প্রায় দুই দশক পর ক্ষমতায় ফিরতে চলেছেন। মোট ৩০০ সদস্যের সংসদের ২৯৭টি আসনের মধ্যে বিএনপি ২০৯টি আসন জিতেছে, যা সংখ্যাগরিষ্ঠতার চেয়ে অনেক বেশি। জামায়াতে ইসলামি ৬৮টি আসন পেয়েছে এবং বিরোধী দলে থাকবে। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে দেওয়া হয় নি। নির্বাচনে ভোটারদের উপস্থিতি ছিল প্রায় ৫৯%। নির্বাচনের সঙ্গে সঙ্গে শাসন সংস্কারের উপর একটি গণভোটও অনুষ্ঠিত হয়েছিল এবং ভোটাররা এটিকে অনুমোদন করেছেন।

    মোদির শুভেচ্ছা বার্তা

    ফলাফল ঘোষণার পরপরই, প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi) তারেক রহমানের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন এবং জয়ের জন্য তাঁকে অভিনন্দন জানান। এক্স হ্যান্ডলে একটি পোস্টে মোদি বলেছেন, “তারেক রহমানকে জয়ের জন্য শুভেচ্ছা এবং অভিনন্দন জানাই। দুই প্রতিবেশী দেশের (Bangladesh) মধ্যে গভীর ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্কের উন্নতি আরও প্রয়োজন। ভারত উভয় দেশের শান্তি, অগ্রগতি এবং সমৃদ্ধির জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। যৌথ উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনের জন্য একসঙ্গে কাজ করা ভীষণ ভাবে প্রয়োজন।”

    অপর দিকে বিএনপি প্রকাশ্যে মোদির বার্তার জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছে। এক্স-হ্যান্ডলে একটি প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বিএনপির তরফে বলা হয়, “উভয় দেশের প্রতি পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং একে অপরের উদ্বেগের প্রতি সংবেদনশীলতার উপর ভিত্তি করে একটি সম্পর্ক গড়ে তোলার জন্য বাংলাদেশ উন্মুখ। উভয় পক্ষ থেকেই এই অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য সব রকম পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”

  • AI Impact Summit: সোমে শুরু এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬, জানুন বিশদে

    AI Impact Summit: সোমে শুরু এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬, জানুন বিশদে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত ১৬–২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬ (AI Impact Summit)- এর আয়োজন করতে চলেছে। এই সম্মেলনে বিশ্বের ২০টি দেশের রাষ্ট্রনেতারা নয়াদিল্লিতে সমবেত হবেন। ভারত এই সম্মেলনের সহ-সভাপতি এবং “পিপল, প্ল্যানেট অ্যান্ড প্রোগ্রেস” (মানুষ, পৃথিবী ও অগ্রগতি) এই মূল (Global Tech Drive) প্রতিপাদ্য বিষয়কে সামনে রেখে সম্মেলন পরিচালনার লক্ষ্য নিয়েছে।

    ভারতে আয়োজিত সম্মেলনের ব্যাপ্তি (AI Impact Summit)

    এশিয়া, আফ্রিকা ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা এই সম্মেলনে অংশ নেবেন। দায়িত্বশীল প্রযুক্তিগত বিপ্লবের লক্ষ্যে এই আন্তঃমহাদেশীয় সমাবেশ ভারতের আয়োজিত সম্মেলনের ব্যাপ্তি, গুরুত্ব ও গভীরতাকেই প্রতিফলিত করে। বিদেশমন্ত্রকের সরকারি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, “পিপল, প্ল্যানেট অ্যান্ড প্রোগ্রেস” এই তিন সূত্রে আন্ডারলাইন করা এআই ইমপ্যাক্ট সামিট কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) সহযোগিতা সম্পর্কে ভারতের দৃষ্টিভঙ্গিকে তুলে ধরে। এই সম্মেলনে বিশ্বনেতা, নীতিনির্ধারক, উদ্ভাবক, ব্যবসায়িক প্রতিনিধি, বিনিয়োগকারী এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশেষজ্ঞরা একত্রিত হবেন এবং এআইয়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা করবেন। তাঁরা এমন একটি দায়িত্বশীল এআই ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার সহযোগিতামূলক পথ নিয়ে আলোচনা করবেন, যা ডিজিটাল সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তাকে সম্মান জানাবে।

    অংশগ্রহণকারী দেশ

    বিদেশমন্ত্রকের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের এআই ইমপ্যাক্ট সামিটে অংশগ্রহণকারী হলেন ভুটান, বলিভিয়া, ব্রাজিল, ক্রোয়েশিয়া, এস্তোনিয়া, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, গ্রিস, গায়ানা, কাজাখস্তান, লিশটেনস্টাইন, মরিশাস, সার্বিয়া, স্লোভাকিয়া, স্পেন, শ্রীলঙ্কা, সেশেলস, সুইজারল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহির রাষ্ট্রপ্রধানরা। ইউরোপ, এশিয়া ও আফ্রিকার বিপুল সংখ্যক রাষ্ট্রনেতার উপস্থিতি ভারতের নেতৃত্বে একটি দায়িত্বশীল এআই বিপ্লবের প্রতি বৈশ্বিক অঙ্গীকারকেই প্রতিফলিত করে। একইসঙ্গে এই সম্মেলন এআইয়ের ক্ষেত্রে বিশ্বাসযোগ্য (AI Impact Summit) উন্নয়নের লক্ষ্যে একজন দায়িত্বশীল বৈশ্বিক অংশীদার হিসেবে ভারতের প্রতিশ্রুতিও তুলে ধরে (Global Tech Drive)।

    ৪৫টিরও বেশি দেশের প্রতিনিধি দল সম্মেলনে অংশ নেবে

    বিশ্বনেতাদের পাশাপাশি এই সম্মেলনে বৃহৎ ব্যবসায়িক ও বিনিয়োগ প্রতিনিধি দলও উপস্থিত থাকবে। বিদেশমন্ত্রকের মতে, ৪৫টিরও বেশি দেশের মন্ত্রীস্তরের প্রতিনিধি দল সম্মেলনে অংশ নেবে। রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিব এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধানরাও নয়াদিল্লিতে উপস্থিত থাকবেন, যাতে এআইয়ের দায়িত্বশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বিকাশের জন্য সহযোগিতামূলক পথ সুগম করা যায়। বিশ্বের শীর্ষ প্রযুক্তি সংস্থাগুলির প্রতিনিধিরাও সম্মেলনে অংশ নেবেন। সব মিলিয়ে ১০০টিরও বেশি দেশ ভারতের নেতৃত্বে এআইয়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনার জন্য নয়াদিল্লিতে সমবেত হবে।

    এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬ হবে গ্লোবাল সাউথে অনুষ্ঠিত প্রথম বৃহৎ আকারের এআই সম্মেলন। ফলে সম্মেলনের মূল কেন্দ্রবিন্দু হবে এমন অন্তর্ভুক্তিমূলক এআইয়ের বিকাশ ও প্রশাসনিক কাঠামো নির্ধারণ করা, যা গ্লোবাল সাউথের মানুষ ও যুবসমাজের কল্যাণে সহায়ক হবে। ভারতের বিদেশনীতি বরাবরই গ্লোবাল সাউথের কল্যাণ ও উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিয়েছে। সেই দৃষ্টিকোণ থেকেই ভারতে আয়োজিত এই সম্মেলনে (AI Impact Summit) গ্লোবাল সাউথের সমৃদ্ধি এবং এআই বিপ্লবের সুফল পৃথিবীর মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে (Global Tech Drive)।

     

LinkedIn
Share